এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ১১ মে, ২০২৫

আমি যার অর্ধাঙ্গীনি হবো তাকে লিখছি

 আমি যার অর্ধাঙ্গীনি হবো তাকে লিখছি

প্রিয়...

আমার পুরুষ 

তিন হাত শরীরে ২০হাত লম্বা দুঃখের বোঝা বইতে গিয়ে চেহারায় আমার বয়সের ছাপ পড়ে গেছে। দামি সানস্ক্রিন ক্রিমের অভাবে মুখে সান স্পট স্পষ্ট দেখা যায়। চোখ যুগলে আকর্ষনীয় ঘনকালো ব্রু নেই। আপনি কখনো আমার দিকে চেয়ে বলতে পারবেন না পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর নারী আপনার অর্ধাঙ্গীনি। 

আমার হাত ধরে আপনি কখনো অনুভব করবেন না তুলতুলে কিছু আপনার মুষ্ঠিতে, সঠিক যত্নের অভাবে আমার হাতের তালু শক্ত হয়ে গেছে, নখ হয়েছে হলদেভাব।

আমি গান গাইতে পারিনা কিন্তু ক্লান্ত দুপুরে কিংবা মধ্যে রাতে আপনার মাথার পাশে বিছানার কোণায় বসে আপনার চুলে হাত ভোলাতে ভোলাতে গুনগুনিয়ে দুই-এক লাইন গেয়ে ফেলবো।

আমি বড্ড অভিমানী,আমার মুড সুইং হয় ঘনঘন তবে আপনি যদি একটা ফুল কিংবা চিঠি এনে হাতে ধরিয়ে দেন তৎক্ষনাৎই মুখ লুকাবো আপনার বুকে। আচ্ছা, আমার বেশি বেশি অভিমানে আপনি কি আমাকে তাচ্ছিল্য করে কথা বলবেন নাকি সব মানিয়ে নিবেন?


সব পুরুষের মতো আপনিও হয়তো আশা করেন আপনার ঘরের রানী হবে স্লীম ফিগারের, উজ্জ্বল বর্ণের, কনকালো চুলের রমনী কিন্তু সংসার  সামলিয়ে নিজেকে আর সময় দিতে না পারাতে আমার অসুন্দর চেহারা আর উষ্কখুষ্ক চুল দেখে আপনি কি ঘৃণায় কোনো রূপবতী খোঁজ করবেন নাকি এই আমিটার পাশেই সারাজীবন থেকে যাবেন?


প্রিয় পুরুষ, আপনি যদি আমার যা কিছু নাই আর যা কিছু আছে, আমার রোগা চোখ,কালো ঠোঁট, আমার এলোমেলো চুল, রান্নাঘর থেকে বের হওয়ার পর ঘামে চপচপে আমাকে দেখে ভালোবাসা খুঁজে পান তাহলে কথা দিচ্ছি আপনার অসুখে আমি নির্ঘুম রাত্রি জেগে সেবা করার সঙ্গী হবো, আপনার পকেট খালির দিনে সংসারের খরচটা আমি ম্যানেজ করে নিবো, বৃদ্ধ বয়সে চশমাটা এগিয়ে দিবো।

চিরন্তর ভালোবাসবো,আমার প্রিয় পুরুষ।🖤


ইতি 

আপনার 

    অর্ধাঙ্গিনী(পারু)

শনিবার, ১০ মে, ২০২৫

রাসেল মাহমুদ স্যারের মেসেজ ১০/০৫/২০২৫

 *প্রচণ্ড গরমে বাইরে কাজ করার সময় স্বাস্থ্য ঝুঁকি এড়াতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো খেয়াল রাখা জরুরী:*


১. *পর্যাপ্ত পানি পান করুন*

   - ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে পানি ও লবণ বেরিয়ে যায়, তাই *নিয়মিত পানি পান করুন* (যদি সম্ভব হয় প্রতি ১৫-২০ মিনিটে কিছুটা পানি পান করুন)।

   - *ইলেকট্রোলাইট যুক্ত পানীয়* (যেমন: ওরাল স্যালাইন, নারিকেলের পানি) পান করুন যাতে লবণ ও মিনারেলের ঘাটতি পূরণ হয়।


২. *সঠিক পোশাক পরুন*

   - *হালকা রঙের, ঢিলেঢালা ও সুতি কাপড়* পরুন যাতে বাতাস চলাচল করতে পারে এবং ঘাম দ্রুত শুকিয়ে যায়।

   - *মাথা ও চোখ সুরক্ষিত রাখতে* টুপি, ক্যাপ বা ছাতা ব্যবহার করুন এবং UV প্রোটেকশন সানগ্লাস ব্যবহার করুন।


৩. *সূর্যের তাপ এড়িয়ে চলুন*

   - *ছায়াযুক্ত স্থানে বিশ্রাম নিন* এবং কাজের ফাঁকে ফাঁকে ঠাণ্ডা জায়গায় কিছু সময় কাটান।


৪. *শরীরের লক্ষণগুলো মনোযোগ দিন*

   - *হিট স্ট্রোক বা ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ* (মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব, মাংসপেশিতে খিঁচুনি, অতিরিক্ত দুর্বলতা, চোখে ঝাপসা দেখা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া) দেখা দিলে *অবিলম্বে কাজ বন্ধ করে ঠাণ্ডা স্থানে বিশ্রাম নিন এবং পানি পান করুন*।

   - যদি কারো অবস্থা গুরুতর হয় (জ্ঞান হারানো, ত্বক শুষ্ক ও গরম হয়ে যাওয়া), *দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান*।


 ৫. *হালকা ও পুষ্টিকর খাবার খান*

   - *ভারী ও তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে* হালকা, সহজে হজম হয় এমন খাবার (ফল, শাকসবজি, ডাবের পানি) খান।

   - *অতিরিক্ত চা-কফি বা অ্যালকোহল* এড়িয়ে চলুন, কারণ এগুলো ডিহাইড্রেশন বাড়ায়।


৬. *দলগতভাবে কাজ করুন*

   - একা কাজ না করে সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখুন এবং একে অপরের স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ করুন।


গরমে কাজ করার সময় এই সতর্কতাগুলো মেনে চললে *হিট স্ট্রোক, ডিহাইড্রেশন বা সানবার্ন* থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। যদি অসুস্থ বোধ করেন, অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।


_(সকল SR দের শেয়ার করি এবং মেনে চলি)_

ধনী হওয়া মানেই সবসময় বড় বাড়ি, দামি গাড়ি বা বিলাসবহুল জীবন নয়।

 🎗️ধনী হওয়া মানেই সবসময় বড় বাড়ি, দামি গাড়ি বা বিলাসবহুল জীবন নয়।⚡ 

অনেক সফল ও ধনী মানুষ নীরবে, সাধারণ জীবনযাপন করেই তাদের লক্ষ্য অর্জন করেন। তারা flashy lifestyle-এর পেছনে না ছুটে, কিছু নিয়মিত অভ্যাসের মাধ্যমে ধাপে ধাপে নিজের আর্থিক ভিত্তি গড়ে তোলেন। চলুন জেনে নিই এমন কিছু অভ্যাস, যা ধীরে ধীরে কিন্তু নিশ্চিতভাবে আপনাকে ধনী হওয়ার পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে।


১. নিজেকে আগে রাখুন, খরচ পরে করুন

আর্থিকভাবে সফল মানুষ প্রথমেই আয় থেকে একটি নির্দিষ্ট অংশ আলাদা করে রাখেন সঞ্চয় বা বিনিয়োগের জন্য। খরচ করার আগে সঞ্চয়ের কথা ভাবেন। মাসের শুরুতেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিং থেকে টাকা স্থানান্তরের ব্যবস্থা রাখেন। এতে খরচের ফাঁকে সঞ্চয় বাদ পড়ে না।


২. নিয়মিত শেখার অভ্যাস গড়ুন

বাজারে কোন দক্ষতার চাহিদা বাড়ছে, কোন সেক্টরে প্রবৃদ্ধি হচ্ছে—এসব জানার জন্য তারা সবসময় সচেতন। নতুন কিছু শেখার জন্য বই পড়েন, কোর্স করেন, ভিডিও দেখেন বা পডকাস্ট শুনেন। জ্ঞানে বিনিয়োগ মানেই ভবিষ্যতের আয় বৃদ্ধির পথে এক বড় পদক্ষেপ।


৩. তাড়াহুড়ো নয়, ধৈর্য ধরুন

অর্থনৈতিক দিক থেকে এগিয়ে থাকা মানুষ জানেন, সময়ই আসল শক্তি। হুটহাট সিদ্ধান্ত না নিয়ে ধৈর্য ধরে সঠিক সময়ে বিনিয়োগ করেন। তাৎক্ষণিক আনন্দের বদলে দীর্ঘমেয়াদী লাভে গুরুত্ব দেন।


৪. আয়ের একাধিক উৎস গড়ে তুলুন

আর্থিক নিরাপত্তার জন্য একটি আয়ের উৎসে নির্ভর না করে বিকল্প পথ খুঁজে বের করেন তারা। এটি হতে পারে ফ্রিল্যান্সিং, অনলাইন ব্যবসা, ইউটিউব, রিয়েল এস্টেট, শেয়ার বাজার বা প্যাসিভ ইনকামের অন্য মাধ্যম। একাধিক উৎস তাদের ঝুঁকি কমায় ও আয় বাড়ায়।


৫. ইতিবাচক ও উন্নয়নমুখী মানুষের সঙ্গে সময় কাটান

যারা জীবনে উন্নতির চেষ্টা করেন, তাদের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা মানেই নতুন নতুন ভাবনা ও সুযোগের সন্ধান পাওয়া। এই পরিবেশ নিজের ভেতরের সম্ভাবনাকেও জাগিয়ে তোলে।


৬. বাহ্যিক চাকচিক্যে না গিয়ে বাস্তব জীবন যাপন করুন

নীরবে ধনী হওয়া মানুষ অহেতুক খরচ করেন না। দেখানোর জন্য দামি জিনিস কেনেন না, সাধারণ পোশাক ও যানবাহনে চলেন। ফাঁকা স্টাইলের চেয়ে স্থায়ী আর্থিক স্থিতিশীলতাকে গুরুত্ব দেন।


৭. আর্থিক পরিকল্পনা নিয়মিত পর্যালোচনা করুন

তারা প্রতিমাসে আয়, খরচ, সঞ্চয়, ও বিনিয়োগের হিসেব রাখেন। কোথায় খরচ বাড়ছে বা কোথা থেকে আয় বাড়ানো যায়, তা বিশ্লেষণ করে প্রয়োজন মতো পরিবর্তন আনেন।


৮. শুরু করুন আজই, সুযোগের অপেক্ষা নয়

ধনী হওয়ার জন্য উপযুক্ত সময়ের অপেক্ষা না করে এখনই উদ্যোগ নেন। ছোট হলেও একটি পদক্ষেপ নেন, কারণ ধীরে ধীরে তা বড় ফল দেয়। নিখুঁত হওয়ার চেয়ে শুরু করাই তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।


অর্থনৈতিক স্বাধীনতা বা ধনী হওয়া কোনো ম্যাজিক নয়। এটি কিছু ছোট অভ্যাসের ধারাবাহিক চর্চা। প্রতিদিনের জীবনযাত্রায় এই অভ্যাসগুলো যোগ করে ধীরে ধীরে এগিয়ে যান আপনার আর্থিক লক্ষ্য পূরণের দিকে।


এই পথ নীরব হলেও, ফল কিন্তু অনেক দৃঢ়।

আজই শুরু করুন!✅

টাকাই সব নয়” —এ কথা বলা যতটা সহজ, বাস্তবে তা মানা ততটাই কঠিন,,,,,

 “টাকাই সব নয়” —এ কথা বলা যতটা সহজ, বাস্তবে তা মানা ততটাই কঠিন। এই সমাজে টাকা ছাড়া কোনো মানুষের অস্তিত্বই যেন স্বীকৃত নয়…!!


যার হাতে টাকা নেই, তার কণ্ঠস্বর শোনা হয় না, তার দুঃখ-ব্যথা অনুভব করা হয় না। একজন মানুষ যখন অর্থহীন হয়ে পড়ে, তখন শুধু তার প্রয়োজনগুলোই অপূর্ণ থাকে না—সাথে সাথে সমাজ তার উপর ছুঁড়ে দেয় অবহেলার, অবজ্ঞার আর অপমানের তীক্ষ্ণ বাক্য।


টাকা না থাকলে—

তুমি এক ফোটা ওষুধ কিনতে পারবে না,

তোমার সন্তানের মুখে এক টুকরো হাসি ফোটাতে পারবে না,

তোমার মা-বাবার শেষ বয়সে চিকিৎসাটুকু করাতে পারবে না।


সত্যিটা নির্মম—অনেক বাবা-মা শুধুমাত্র গরিব থাকার কারণে বিনা চিকিৎসায় পৃথিবী ছেড়ে চলে যান। অনেক সন্তান নিজের স্বপ্ন ছুঁতে না পেরে ভেঙে পড়ে, থেমে যায়, কেবল টাকার অভাবে।


টাকা না থাকলে—

তুমি যতই ভালো ব্যবহার করো না কেন, কেউ মূল্য দেবে না। তুমি যতই সম্পর্ক ধরে রাখতে চাও, এক সময় সম্পর্কও তোমাকে ছেড়ে চলে যাবে।


এই সমাজ কেবল তখনই তোমাকে আপন ভাবে, যখন তোমার হাতে কিছু থাকে। আর যদি না থাকে? তখন তুমি তাদের চোখে শুধু একটা ‘বোঝা’।


টাকা ছাড়া—

না হয় ভালোবাসা কেনা যায় না, কিন্তু ভালোবাসার মানুষটাকে পাশে রাখতে হলেও টাকা লাগে। টাকা না থাকলে, সময়ের সঙ্গে সবাই দূরে সরে যায়…

কারণ এই সমাজ কেবল স্বপ্ন দেখে, 

কেউ স্বপ্ন পূরণের দায় নেয় না।


কেউ যদি ভাবে, কিছু মানুষ কেবল টাকার পেছনে ছোটে—তবে তারা বোঝে না, যারা টাকার পেছনে ছোটে, তারা জানে অভাবের কষ্ট কতটা গভীর, তারা জানে সন্তানের মুখে দুমুঠো হাসি ফোটাতে কতটা যন্ত্রণা সহ্য করতে হয়, তারা জানে জীবনের প্রতিটা মুহূর্তে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে কতটা যুদ্ধ করতে হয়।


টাকাই কি সব? না, হয়তো নয়।

কিন্তু টাকাই সেই ভিত্তি, যার ওপর দাঁড়িয়ে থাকে জীবন, দায়িত্ব, সম্পর্ক, স্বপ্ন আর আত্মসম্মান। যারা বলে টাকা দিয়ে সুখ কেনা যায় না, তাদের বোঝা উচিত— সুখ যদি না-ও কেনা যায়, সুখে বাঁচার রাস্তাটা কিন্তু টাকা দিয়েই তৈরি হয়।


আর সব থেকে বড় কথা দুবেলা দুমুঠো খাবার যোগাড় করার জন্যও কিন্তু ওই টাকাটাই প্রয়োজন।


তাই জীবনকে ছোট মনে কোরো না। টাকাকে ঘৃণা নয়—সৎভাবে উপার্জনের মানসিকতা গড়ে তুলো। বুদ্ধি, ব্যবহার, ভালোবাসা সবকিছুর পাশাপাশি টাকাও প্রয়োজন—


কারণ জীবন শুধু আবেগ দিয়ে চলে না, চলে প্রয়োজন পূরণের সক্ষমতা দিয়ে। আর সেই সক্ষমতার নামই “টাকা”।


সংগৃহীত

বিবাহে বয়সের ব্যবধান : সুখের অনুপাতে অসমতা

 বিবাহে বয়সের ব্যবধান : সুখের অনুপাতে অসমতা


বুড়ো বাম! ৩৩ বছরে চাকরি পাওয়ার পর ১৭ বছরের পাত্রী খোঁজে! বন্ধুদের আড্ডায় মশকরা করে বলে, কচি লাগবে!


বিয়ের ক্ষেত্রে বয়সের এই অসম ব্যবধান সমাজকে যে কতটা ভোগাচ্ছে, তার অনেকটা বাইরে থেকে আন্দাজ করা যায় না। দুর্ঘটনা সামনে এলে তবেই ঘটনা বুঝতে পারি! শরীর শরীরকে ধারণ করতে পারলেও, মন এই ব্যবধানকে রীতিমতো বারণ করে। কথা বলার জন্য কিংবা খুনসুটিতে ঝগড়াঝাঁটি, চুলোচুলি এমনকি মারামারি করার জন্য হলেও অন্তত কাছাকাছি বয়সের দুজন মানুষের পরস্পরের সঙ্গী হওয়া উচিত! বিবাহে জেনারেশন গ্যাপ অশান্তির বড় কারণ। একেক প্রজন্ম একেক রকমের ধ্যানধারণা নিয়ে বেড়ে ওঠে।


আগে নানার বয়সে নাতির বয়সীকে বিয়ে করতো—তখন সেটা মানাতো। নারী তো তখন কথা বলতে জানতো না, মতামত দিতে পারতো না। এখনকার নারী চুপ থাকবে? তাকে কিছু চাপিয়ে দিয়ে দমিয়ে রাখা যাবে?


অষ্টাদশী প্রতিদিন ঘুরতে ইচ্ছা করবে, একক পরিবারে থাকতে ইচ্ছা করবে এবং স্বামীর সবকিছু দখল করতে ইচ্ছা করবে! ৩০-৩২ বছরের পুরুষ তো প্রায় বৃদ্ধ মানুষের মতো চিন্তা করবে। কাজেই দুজনের চিন্তায় যে দূরত্ব, তা তাদের পরস্পরের মন থেকেও বহুদূরে নিয়ে যায়। তখন হয় স্বামীকে, নয়তো স্ত্রীকে অনেকখানি স্বৈরাচারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হয়। আজকাল পর সামলানোর চেয়ে ঘর সামলানো কঠিন।


বিয়ের ক্ষেত্রে বয়স অবশ্যই ফ্যাক্টর। অতীতে মায়েদের দুর্বল করে রাখার অস্ত্রই ছিল সিরিজ সন্তান গ্রহণ করিয়ে দেওয়া। এ যুগে বড়জোর দুইটি! সমাজ যেভাবে হাঁটছে, তাতে এই দুটোতেই আবার একটি বেশি! বিবাহে স্বামী-স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান যদি বেশি হয়, তবে ভবিষ্যতে বহুমাত্রিক সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। সাধারণত চাকরিজীবী, প্রতিষ্ঠিত হয়ে বিবাহ করা পুরুষ এবং প্রবাসীদের মধ্যে স্বামী-স্ত্রীর বয়সের পার্থক্য অধিক হয়! অশান্তি অনেকটাতে সমাজের এই আঙিনা পুড়ছে।


ধরা যাক, স্বামীর সাথে স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান পনেরো বছর! স্ত্রী যখন পঁচিশে, স্বামী তখন চল্লিশের কোঠায়! স্বামীর চালশে দেখার বয়সে স্ত্রীর দেখার কেবল শুরু! তাছাড়া খাদ্যাভ্যাস এবং প্রকৃতিগতভাবেই আজকাল পুরুষের শারীরিক শক্তি-সামর্থ্যের যা হাল! পুরুষের নেতিয়ে পড়ার বয়সে নারীর যে জেগে ওঠার কাল!


দাম্পত্যে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন মনের মিল। অসম সময়ে সৃষ্ট দুজনার মন সরল রেখায় চলবে—এটা ভাবছেন কী করে? বিবাহে বয়সের ফারাক অনেক হলে স্বামী কোনোদিন স্ত্রী’র মনের নাগাল পায় না আর স্বামীর প্রতি স্ত্রীরও অভিযোগের পাহাড় জমতে থাকে।


শরীরের আকর্ষণ সাময়িক। একটা সময় থামতে হয়। কিন্তু মনের ব্যাপ্তি মৃত্যু অবধি। সাংসারিক অশান্তির অনেকগুলো কারণের মধ্যে বয়সের ব্যবধান অন্যতম প্রধান ফ্যাক্টর। বিবাহের ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের শারীরিক সক্ষমতা, ভৌগোলিক প্রবণতা এবং সামাজিক সুস্থ ধারা বজায় রাখতে বৈজ্ঞানিক নিয়মনীতি মানা উচিত। ব্যবধান বড়জোর ছয়। নয়তো জীবন নয়-ছয়ে হ-য-ব-র-ল হয়ে যাবে।


সাম্প্রতিক আত্মহত্যা করা পলাশ সাহার সংসারের অশান্তিতেও অসম বয়সের প্রভাব ছিল। একজন মানুষ তার সঙ্গীকে বুঝবে, অনুপস্থিতিতে খুঁজবে—এর জন্য বয়সের পরিপক্বতার উপযুক্ততা দরকার। দুজনের মন যদি দুনিয়ার দুদিকে হাঁটে, তবে হাটবাজারে দুএকবার মিলন হতে পারে, কিন্তু সুখ স্থায়ী হয় না। 


বিবাহের ক্ষেত্রে প্রাচীন প্রবণতা থেকে বের হয়ে আসা জরুরি। দুজনের একসাথে তরুণ থাকা, যুবক হওয়া এবং বৃদ্ধ বয়সে হাঁটা জরুরি। একজন বৃদ্ধ হবে আরেকজন যুবতী থাকবে, তাও পরস্পরের বিশ্বাস পাহারা দিয়ে রাখবে—সেই আলোর অনেকটাই এই দুনিয়ায় পড়ে না। কাজেই বিবাহের সিদ্ধান্তের পূর্বে বাস্তববাদী হোন। শুধু বর-কনে নয়, বরং উভয়ের বাবা-মা ও অভিভাবকদেরকেও এ ব্যাপারে সচেতন ও সজাগ থাকতে হবে। 


সঙ্গীর কথার ওজন, চিন্তার গভীরতা বইতে পারা জরুরি। কিছু নারী অর্থের লোভে পড়ে। তবে হতাশাতেও ভুগতে হয় বটে!

ইনকিউবেটরে মুরগির ডিম বসানোর প্রথম দিন থেকে ডিম ফোটা পর্যন্ত সম্পূর্ণ ২১ দিনের যত্ন ও নিয়ম মেনে চলা খুব গুরুত্বপূর্ণ। নিচে ধাপে ধাপে সম্পূর্ণ নির্দেশনা দেওয়া হলো:

 ইনকিউবেটরে মুরগির ডিম বসানোর প্রথম দিন থেকে ডিম ফোটা পর্যন্ত সম্পূর্ণ ২১ দিনের যত্ন ও নিয়ম মেনে চলা খুব গুরুত্বপূর্ণ। নিচে ধাপে ধাপে সম্পূর্ণ নির্দেশনা দেওয়া হলো:


🥚 ১. ডিম বসানোর আগে (প্রস্তুতি)

* ডিম বাছাই করুন

* ৫-৭ দিনের মধ্যে তাজা ডিম ব্যবহার করুন।

* ফাটল বা দাগ নেই এমন ডিম নিন।

* খুব বড় বা খুব ছোট নয়, মাঝারি আকৃতির ডিম নিন।

* মা-মুরগি যেন সুস্থ হয় এবং টিকা দেওয়া থাকে।


ডিম সংরক্ষণ:

* বসানোর আগে ডিম ১৫°C (৬০°F)-এর নিচে না রেখে ঠান্ডা ও শুকনো জায়গায় ৩-৫ দিন পর্যন্ত রাখা যায়।

* ইনকিউবেটর প্রস্তুত করুন:

* ভালোভাবে জীবাণুমুক্ত করুন।

* তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা সঠিকভাবে যাচাই করুন।


📅 ২. দিন ১ - ১৮ (ইনকিউবেশন পর্ব)

* তাপমাত্রা: ৩৭.৫°C (৯৯.৫°F)

* আর্দ্রতা (Humidity): ৫০-৫৫%

* ডিম ঘোরানো: দিনে ৩-৫ বার (স্বয়ংক্রিয় হলে ভালো), ১৮ দিন পর্যন্ত

* বাতাস চলাচল: হালকা বায়ু চলাচল নিশ্চিত করুন

* ডিম ঘোরানো বাধ্যতামূলক, না হলে ভ্রূণ একপাশে আটকে যাবে।

* ডিম রাখতে হবে ডিমের মাথা (চিকন দিক) নিচের দিকে।

* ৭ম ও ১৪তম দিনে candling করে ডিমে ভ্রূণের উন্নয়ন দেখতে পারেন।


🔒 ৩. দিন ১৮ - ২১ (লকডাউন পর্যায়)

* তাপমাত্রা: ৩৭.২ - ৩৭.৫°C

* আর্দ্রতা: ৬৫-৭০%

* ডিম ঘোরানো বন্ধ করুন

* ইনকিউবেটর খোলা নিষেধ: আর্দ্রতা হঠাৎ কমলে বাচ্চা মারা যেতে পারে

* এখন ডিম ইনকিউবেটরের ফ্লোরে (হ্যাচিং ট্রেতে) রাখুন।

* এই সময় ডিমে ফাটল ও "চিপিং" শোনা যাবে।


🐣 ৪. ডিম ফোটা (হ্যাচিং)

* সাধারণত ২১তম দিনেই বাচ্চা ফোটে, তবে ±১ দিন হতে পারে।

* বাচ্চা ডিম থেকে বের হয়ে ইনকিউবেটরে শুকিয়ে গেলে তারপর বাইরে তুলতে হবে (৬-১২ ঘণ্টা)।


 প্রথম দিন খাবার না দিলেও চলবে—বাচ্চা ডিমের কুসুম থেকে পুষ্টি পায়।


✅ অতিরিক্ত টিপস:

* থার্মোমিটার ও হাইগ্রোমিটার দিয়ে নিয়মিত তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা মাপুন।

* বিদ্যুৎ বিভ্রাটে UPS বা জেনারেটর ব্যবহার করুন।

* ইনকিউবেটরের ঢাকনা খুলবেন না যখন বাচ্চা ফুটছে।


[আমদানীকারক, সরবরাহকারী ও বিক্রেতা ]

▶️দোকান/শো-রুম:

🇧🇩 মধুমতি ইনকিউবেটর এন্ড ইলেকট্রিক 🇧🇩

📌২২০/বি, কাঠালতলা, তেজকুনিপাড়া, তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।


মোবাইল নম্বর, ঠিকানা বা গুগল ম্যাপ জানতে "মধুমতি ইনকিউবেটর এন্ড ইলেকট্রিক" লিখে ফেসবুক বা গুগলে সার্চ দিন।

বাচ্চারা আনন্দ পায় না বলে স্কুলে আসে না। এক বৃদ্ধ শিক্ষক সেদিন এলেন পড়াবার জন্য।

 বাচ্চারা আনন্দ পায় না বলে স্কুলে আসে না। এক বৃদ্ধ শিক্ষক সেদিন এলেন পড়াবার জন্য।

--আচ্ছা লেখো তো, এক অক্ষরে 'ডাকাত'।

কেউ লিখতে পারলো না।


তিনি ডা' কাত করে লিখে বললেন- এই হলো ডাকাত।

সবাই হেসে হেসে কূটিকূটি।


আচ্ছা এবার বলো তো কীভাবে এক অক্ষরে 'কাতলা' লিখবে।

সবাই আবার অবাক।

শিক্ষক 'লা' কাত করে লিখে বললেন-- এই হলো কাতলা।

শিশুরা হাসছে তো হাসছে।


তারপর তিনি 'কা' লিখে মুছে দিয়ে বললেন-- বলো এবার কী লিখলাম।

সবাই আবারো অবাক।

তিনি বললেন-- এবার লিখলাম কানাই।

শিশুদের হাসির রোল উঠলো।


এবার তিনি ছাত্রদের বললেন-- বলো তো আমি কেমন পড়ালাম।


ছোট একটা শিশু দাঁড়িয়ে বললো-- আপনি আমাদের আজ কিছুই পড়ান-নি।


কিছুই পড়াইনি! কি বলো!


এবার শিশুটি বোর্ডে গিয়ে একটা সূর্য আঁকলো। সূর্যের চারপাশে কিরণ এঁকে বললো-- আজকে রবি শুধু তার আলো ছড়িয়েছে।


এই স্কুলটি হলো শান্তিনিকেতন

শিক্ষক টি কে জানেন?

"রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর"

আর বোর্ডে যে ছাত্রটি এঁকেছিলেন, তিনি ছোট্ট 

“সত্যজিৎ রায়”।


#সংগৃহীত #স্বপ্নকুটির_A_House_of_Love

রোমানিয়া কেন এখন নতুন ট্রাভেল হটস্পট – ঘুরে দেখুন ইউরোপের স্বল্প খরচের স্বর্গ!

 রোমানিয়া কেন এখন নতুন ট্রাভেল হটস্পট – ঘুরে দেখুন ইউরোপের স্বল্প খরচের স্বর্গ!


রোমানিয়া এখন ইউরোপ ভ্রমণকারীদের জন্য নতুন একটি ট্রেন্ডি গন্তব্য, কারণ এখানে আপনি একদিকে ঐতিহাসিক দুর্গ, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং আধুনিক শহরের অভিজ্ঞতা পাবেন, অপরদিকে খরচও থাকবে হাতের নাগালে।


১. ভিসা ও যাত্রাপথ

বাংলাদেশি পাসপোর্টে সরাসরি রোমানিয়া যাওয়ার জন্য শেনজেন ভিসা লাগবে না, তবে রোমানিয়া ভিসার জন্য ঢাকাস্থ দূতাবাসে আবেদন করতে হবে।


পাসপোর্ট, ব্যাংক স্টেটমেন্ট (৪-৫ লাখ টাকা), চাকরি বা ব্যবসার প্রমাণ


হোটেল ও ফ্লাইট বুকিং


ভিসা ফি: আনুমানিক ৬,০০০ টাকা

দূতাবাস লিংক: https://dhaka.mae.ro


২. ফ্লাইট ও যাতায়াত খরচ

ঢাকা থেকে রোমানিয়ার বুখারেস্ট পর্যন্ত রিটার্ন ফ্লাইট খরচ: ৬৫,০০০ – ৮০,০০০ টাকা

বুকিং লিঙ্ক: https://www.skyscanner.net


৩. থাকার ব্যবস্থা (সাশ্রয়ী হোটেল)

Hotel Michelangelo Bucharest

ঠিকানা: Henri Coandă Street 25, Bucharest

ফোন: +40 21 222 8114

রাতপ্রতি খরচ: ৪,৫০০ – ৬,০০০ টাকা

বুকিং: https://www.booking.com


৪. কি কি দেখবেন


Dracula’s Castle (Bran Castle)


Peles Castle


Transfagarasan Highway (বিশ্বের সেরা ড্রাইভিং রোড)


Brasov ও Sibiu শহর


Bucharest Old Town


৫. ৭ দিনের আনুমানিক খরচ


ভিসা ও প্রসেসিং: ৬,০০০ টাকা


ফ্লাইট: ৭০,০০০ টাকা


হোটেল: ৪০,০০০ টাকা


খাবার ও যাতায়াত: ১৫,০০০ টাকা


ট্যুর ও টিকিট: ১০,০০০ টাকা

মোট: প্রায় ১,৪০,০০০ টাকা


৬. বিশেষ টিপস


রোমানিয়ার মুদ্রা: RON (Leu), ইউরো নেওয়া যেতে পারে


স্থানীয় SIM ও Google Translate রাখুন


Uber বা Bolt অ্যাপ ব্যবহার করলে সাশ্রয় হবে


#RomaniaTrip #VisitRomania #EuropeOnBudget #DraculaCastle #BucharestTravel #GlobalTravelMates #EasternEurope #RomaniaFromBangladesh #Travel2025

ছেলের বয়স ৩০+। পরিবার শত চেষ্টা করেও বিয়েতে রাজী করাতে পারছে না। 

 ছেলের বয়স ৩০+। পরিবার শত চেষ্টা করেও বিয়েতে রাজী করাতে পারছে না। ছেলে প্রায় বছর তিনেক ধরে বিভিন্নভাবে পরিবারকে বোঝানোর চেষ্টা করেছিল যে চরিত্র রক্ষার্থে বিয়েটা তার প্রয়োজন। কিন্তু চাকুরী না থাকায় বিয়ের ব্যাপারে পরিবারের কোন সহযোগিতা পায়নি। অবশেষে গত বছর ছেলে প্রথম শ্রেণীর চাকুরী পাওয়ার পর পরিবার উঠে-পড়ে লাগে বিয়ের জন্য। 


এবার ছেলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে আর কোনদিনই সে এই ব্যাপারে বিবেচনা করবে না এবং বাড়াবাড়ি করলে গৃহ'ত্যাগের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবে। যখন প্রয়োজন ছিল, তখন যেহেতু পায়নি, আর প্রয়োজন নেই। ঘনিষ্ঠদের জানিয়েছে, যৌবনের শ্রেষ্ঠ সময় পেরিয়ে আসার পর লোক-দেখানো বিয়ে করে এমন কোন মেয়েকে সে তার জীবনে আনতে রাজী নয়, যে মেয়ে লাখ লাখ টাকা কড়ায়-গণ্ডায় বুঝে নিয়ে মূলত তার চাকুরী ও স্ট্যাটাস দেখে আসবে। 


যার কাছে টাকা মুখ্য, তার কাছে মানুষের মূল্য গৌণ। অতএব, এই প্রহসনে সে অংশ নিবে না। টাকার অংকে মানুষকে বিবেচনা করা তার দৃষ্টিতে নোংরামী। কিভাবে একে বোঝানো যায়, জানাবেন দয়া করে।


লেখা : সংগৃহীত 

©Ibnu Wali

ভালোবাসুন বাস্তব মানুষকে, কল্পনার চরিত্রকে নয়। Dr.Tanvir Ahmed  Join: Child Disease and Surgical Care-BD (CDSC-BD) 

 আপনি যদি একজন কর্মজীবী মেয়েকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নেন, তাহলে আপনাকে বুঝতে হবে—তারও একটি আলাদা পেশাগত দায়িত্ব ও সময়সূচি রয়েছে। অফিসে ৮–১০ ঘণ্টা কাজ করে সে ক্লান্ত হয়ে ফিরবে। তখন যদি আপনি আশা করেন সে আপনার জন্য গরম চা বানাবে, প্রতিদিন আপনার জামা কাপড় গুছিয়ে রাখবে, কিংবা আপনার মা-বাবার যত্ন করবে—তাহলে সেটা অন্যায় প্রত্যাশা। তাকে সাহায্য করতে হবে, বোঝাতে হবে আপনি তার পাশে আছেন, তাকে শুধু গৃহিণী ভাবলে চলবে না।


আবার আপনি যদি একজন গৃহিণীকে বিয়ে করেন, তবে এটাও মেনে নিতে হবে যে—সে আপনার আর্থিক দায়িত্ব ভাগ করে নিতে পারবে না। তার অবদান টাকা দিয়ে মাপা যাবে না, কারণ সে ঘরের প্রতিটি খুঁটিনাটি সামলাবে, সন্তানদের মানুষ করবে, আপনার পরিবারের প্রতিটি সদস্যকে ভালোবাসা দিয়ে আগলে রাখবে। সে হয়তো পে-স্লিপ দেখাতে পারবে না, কিন্তু তার কাজের মূল্য আপনি বুঝবেন সময়ের সঙ্গে।


আপনি যদি স্টাইলিশ অথচ কর্মহীন একজন মেয়েকে জীবনসঙ্গী হিসেবে পছন্দ করেন, তাহলে মনে রাখতে হবে তার সাজগোজ, লাইফস্টাইল, ঘোরাঘুরি, ব্র্যান্ডের প্রতি আগ্রহ—এই সব কিছুর খরচ আপনার কাঁধে এসে পড়বে। আর আপনি যদি নিজেই তার চাহিদা পূরণে অক্ষম হন, তাহলে তার এই জীবনযাপন নিয়ে অভিযোগ করার নৈতিক অধিকার আপনার নেই।


আর আপনি যদি এমন একজন সাধারণ মেয়েকে বিয়ে করেন, যে মেকআপ দিয়ে মুখ ঢাকে না, নিজের ত্বকের দাগ-ছোপ লুকানোর চেষ্টা করে না, তাহলে তাকে ভালোবাসুন তার বাস্তবতা নিয়ে। তার মুখের ব্রণের দাগকে হীন করে দেখানো মানে হলো, আপনি এখনও বাইরের চাকচিক্যে মুগ্ধ। অন্য মেয়ের সঙ্গে তুলনা করে তার আত্মবিশ্বাস ভেঙে ফেলবেন না।


মনে রাখবেন, কাউকে কারো মতো বানানো যায় না। মানুষ পুতুল নয়, যাকে আপনি নিজের পছন্দমতো গড়ে নেবেন। মানুষ জন্মায় নিজস্ব স্বভাব, চাহিদা ও স্বপ্ন নিয়ে। সম্পর্ক মানে সমঝোতা, শ্রদ্ধা, গ্রহণযোগ্যতা। আপনি যেমন ত্রুটিহীন নন, তেমনি আপনার সঙ্গীকেও নিখুঁত হতেই হবে এমন দাবি অন্যায়।


একজন নারীকে একসাথে ঘরের রান্নাঘরে দক্ষ, অফিসে প্রফেশনাল, বিছানায় আকর্ষণীয়, অতিথির সামনে ভদ্র, পার্টিতে স্টাইলিশ, সন্তানের সামনে আদর্শ মা—সবকিছু হবার চাপ দেবেন না।


তাই ভালোবাসুন বাস্তব মানুষকে, কল্পনার চরিত্রকে নয়।


Dr.Tanvir Ahmed 

Join: Child Disease and Surgical Care-BD (CDSC-BD) 


#lifepartner #collected #পরিমার্জিত

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৩-০৫-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৩-০৫-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: দিনব্যাপী সফরে আজ ময়মনসিংহ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান - যোগ দেবেন খাল ...