এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬

মৃত্যু ব্যাক্তিকে গোসল করানোর নিয়ম ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 মৃত ব্যক্তিকে গোসল করিয়েছেন কখনো?

কিংবা নিয়মগুলো জানা আছে?


প্রত্যেক মাঁ-বোনের জানা মহা-জরুরী।


❑ এটা অনেক ফজিলতপূর্ণ কাজ। আর বর্তমানে গ্রাম্য এলাকায় বেশিরভাগ এমন মানুষেরা গোসল করায়, বিশেষ করে মহিলাদের মধ্যে যারা নিজেরাই পাক পবিত্রতার বিষয়ে বেখবর, ফরজ ইবাদতটুকুতেও নেয় সতর্কতা। 


এজন্য এই গুরুত্বপূর্ণ গোসলের নিয়মটা আমাদের প্র্যাকটিসিং মুসলিমাহ বোনদেরসহ সকলের জেনে রাখা ভালো। যাতে করে আমরাও এ কাজে শরীক হতে পারি ইংশাআল্লহ।


⚰️ মুসলিম মৃত নারীকে গোসলের পর্ব - (১)

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

১/ প্রয়োজনীয় উপকরণ,

২/ কার্যপদ্ধতি (এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ),

৩/ সতর্কতা। 


কোন মৃত বাড়িতে আপনি দেখবেন, একদল মহিলা যারা যায় শুধু গসিপিং করতে। তারা বলে মুখের কাপড়টা সরাও তো- একটু দেখতে দাও।


কিছু কিছু বিষয় অসম্ভব কঠোর হতে হয়, এটা তার মধ্যে অন্যতম।

আপনি কিছুতেই মৃতের মুখের কাপড় সরাবেননা।

আপনি কঠোর হয়ে মৃতের মুখ ঢেকে রাখবেন। 


⚰️ ডেডবডি রিলেটেড যারা আছে তাদের সাথে নিয়ে পর্দা এমন ভাবে ঢেকে দিবেন, যেন একটু ফাঁক ফোকরও না থাকে।


যাচাই করে নিবেন, মৃতের গোসল দেয়ার আগে আপনার সাথে গোসল দিতে সহায়তা কারীরা আপনার সমমনা কি না।


❑ শুরুতে ডেডবডি এমন ভাবে ধরতে হবে—

যেন সে ব্যথা না পায়। মৃত ব্যক্তির শরীরে তখন খুব ব্যথা।


মৃত্যু বড় কষ্টের।


ডেডবডি ধরলেই বোঝা যায় কে ভালো কে মন্দ।

ভালো অনুভব হলে বলবো - হে আরশের মালিক! আমাকেও এমন মৃত্যু দিয়েন।


খারাপ কিছু অনুভব হলে টু শব্দ ও করবোনা।


⚰️ যে ব্যক্তি কোন মৃত ব্যক্তিকে গোসল করাবে,

আল্লাহ তাকে চল্লিশ বারের বেশি ক্ষমা ঘোষণা করেছেন।


▪️যে মৃতের জন্য ঘর বানাবে—

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা জান্নাতে তার জন্য ঘর বানাবেন।


▪️যে মৃতের কাফন পরিয়ে দিবে—

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা জান্নাতে তাকে উত্তম পোশাক পরিধান করাবেন


❑ কি কি লাগবে?

▬▬▬▬▬▬▬▬☞

১/ চারটা বড় বালতি চার কোনায় রাখবো

২/ চারটা বড় মগ চারজন ধরবে

৩/ বড়ই পাতা বেজোড় সংখ্যায় লাগবে ৫/৭/৯টি

৪/ এক হাড়ি উষ্ণ গরম পানি

৫/ tooth pick - নখের কোনা পরিষ্কার করার জন্য 

৬/ বাস্কেট দুইটা

৭/ খাটিয়া

৮/ কটন/তুলা

৯/ কেচি/ছুরি

১০/ দুইটা সাবানের বাটি

১১/ চারটা বড় ওড়না

১২/ একটা নরম পাতলা কাঁথা। 

১৩/ তায়াম্মুমের /বা নদীর পাক (অথেনটিক) মাটি

১৪/ তিনটা কাফনের কাপড়

এক্সিডেন্টাল কেসের ক্ষেত্রে কাপড় আরো বেশী লাগবে।

১৫/ ডেডবডি বাধার তিনটা ফিতা

১৬/ একটি হালাল দেশী সাবান (কেয়া সাবান)- কুরবানির আগে গরুকে গোসল দেয় যে দেশী হালাল সাবান সেই সাবান।

১৭/ কুলুপের মাটি পাতলা নরম কাপড় দিয়ে পেচিয়ে নেবো সাতটি কুলুপ।

১৯/ কর্পূর।


❑ মুসলিম মৃত নারীরকে গোসল পর্ব - (২)

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

প্রত্যেক জীবকে মৃত্যু বরণ করতে হবে। 

— [আল ইমরান, ১৮৫]


☞ প্রথম মৃতের চোখ দুটো বন্ধ করে দিতে হবে।

একটা কাপড় দিয়ে তার সম্পূর্ণ শরীর ঢেকে দিতে হবে। 

মৃত ব্যক্তির সম্পর্কে উপস্থিত সকলে ভালো কথা বলবে।

কারণ ফিরেশতারা তখন আমীন বলে।


☞ দ্রুত তার লোন পরিশোধ করে। 

তাকে দাফনকাজ শুরু করতে হবে। 


আল্লাহর রসূল (সঃ) বলেন—

যে ব্যক্তি কোন মৃত মুসলিম কে গোসল করাবে ও গোপনীয়তা রক্ষা করবে, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তাকে ৪০ বার ক্ষমা করে দিবেন।


যে ব্যক্তি মৃতের জন্য কবর খুড়বে অতপর ঢেকে দিবে, 

কিয়ামত দিবস পর্যন্ত তার বসবাসের জন্য সদাকা হিসাবে একটি ঘর তৈরি করে দিলে যে সওয়াব পেত -সেই পরিমাণ সওয়াব লিখে দেয়া হবে। 


আর যে ব্যক্তি কাফন পরিয়ে দিবে, 

আল্লাহ তাকে জান্নাতে ইসতিবরাকের রেশমী পোশাক পরিয়ে দিবেন।

— হাদীস টি হাকিম ১/৩৫৪,৩৬২; বায়হাক্বী-৩/৩৯৫

হাদিসটি মুসলিম এর শর্তানুযায়ী সহীহ।


❑ ধাপ সমূহ—

▬▬▬▬▬▬☞

১/ মৃত ব্যক্তির শরীর থেকে সবকিছু অপসারণ করা 

২/ সর্বাবস্থায় ঢেকে ঢেকে গোসল করানো

৩/ বরই পাতা মেশানো পানি দিয়ে ওজু ও গোসল করানো

৪/ ডানদিক থেকে ও অজুর স্হান দিয়ে গোসল করানো 

৫/ বেজোড় সংখ্যায় গোসল করানো 

৬/ শেষ বার গোসলের পানিতে কর্পূর মেশানো।

৭/ মহিলাদের চুল তিনটা ভাগ করে মাথার পেছনে ছড়িয়ে দেয়া

৮/ ৩টি সাদা কাপর( সেলাই বিহীন) দিয়ে কাফন পরানো


❑ কার্যপদ্ধতি—

▬▬▬▬▬▬▬☞

প্রথমে মৃত ব্যক্তির শরীরে কোথাও স্কচটেপ, তবিজ, গহনা, কেনুলা, নাকফুল, ক্যাথেটার, কানের দুল, temporary dialysis pipe, ডাক্তারের সাহায্যে খুলে ফেলতে হবে।


গায়ে পরিহিত কাপড় কাধের উপর থেকে কেচি দিয়ে কাটতে হবে কনুই পর্যন্ত। আবার নীচের দিক থেকে পেট পর্যন্ত। 

কোন ভাবে মৃত ব্যক্তি যেন ব্যথা না পায়।


সাবান কুচি করে কেটে দুই বাটিতে পাতলা করে গুলাতে হবে।

১টি বাটি পায়ের কাছে,

১টি বাটি মাথার কাছে রাখতে হবে। 

কোন অবস্থায় বাটি পরিবর্তন করা যাবেনা।


⚰️ ঢেকে ঢেকে তিন চারটা ওরনা, কাফনের কাপড়, কটন, দড়ি, মোছার জন্য বড় পাতলা নরম কাঁথা, কর্পূর একটা ট্রেতে রাখতে হবে। 


⚰️ অন্য ট্রেতে toothpicks, কুলুপের মাটি (মাটির দলা ৭ টা ছোট টুকরা করে সাদা নরম কাপরে বেধে কুলুপ বানিয়ে নিতে হবে। এই মাটিটা তায়াম্মুমের বা নদীর বা ইট ভাটার কাচা ইট থেকে সংগ্রহ করা উত্তম। 


⚰️ হাতে পেচানোর জন্য পাতলা ছাট কাপড়, /ওড়না/গ্লাভস, চাকু রাখতে হবে। 


⚰️ পানি চুলায় ফুটিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে বেজোড় সংখ্যক বড়ই পাতা ছেঁচে বা ছিড়ে পানিতে মিশাতে হবে।


চুলার পানিতে বড়ই পাতা না মিশানো ভালো। আগুনের তাপে বড়ই পাতার কার্যকারিতা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবণা থাকে।


❑ মুসলিম মৃত নারীরকে গোসল পর্ব - (৩)

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

চারজন চারকোনা ধরে ১টা ওড়না দিয়ে মুর্দাকে ঢেকে দিয়ে পড়নের কাপড় কেটে একটা ঝুড়িতে রাখতে হবে। 

সর্বাবস্হায় ঢেকে রাখবেন। 


☞ কার্যক্রম—

▬▬▬▬▬▬☞

প্রথমে দেখে নিতে হবে শরীরের কোথাও ময়লা আছে কিনা।

এরপর মাথা থেকে পা পর্যন্ত সমস্ত শরীরে পানি ঢালতে হবে।

পেশাবের জায়গা, কুচকি, মলদ্বার ভালো করে চেক করে পরিস্কার করে নিতে হবে।


⚰️ যদি দেখা যায় অনবরত মল বের হতেই থাকে-

আবার সাবান দিয়ে প্রথম বারের মতো পরিষ্কার করতে হবে। 

৪র্থ বার মাটির কুলুপের সাহায্য আবার মলদ্বার চেক করতে হবে।

যতক্ষণ মল বের হওয়া শেষ না হয় -অপেক্ষা করতে হবে।

আবার পরিষ্কার করতে হবে। এবং কুলুপ গুলো দ্বিতীয় বাস্কেটে ফেলতে হবে।


☞ আল্লাহর রসূল সঃ বলেছেন—

পৃথিবী যখন শেষ হবে, কুফরি কালামে ভরে যাবে। তাই এই বাস্কেটের সব বর্জ্য পুড়িয়ে ছাই করে ফেলতে হবে অথবা মাটির গভীরে পুতে ফেলতে হবে।


এরপরও যদি মল বের হতে থাকে -

তখন কটনের আগায় কর্পূর বেশী দিয়ে জায়গা আটকে দেবো মলদ্বারে ঢুকিয়ে দিবো। যাতে কাফন নষ্ট না হয়।

যারা লাশ বহন করে নিয়ে যাবে তাদের কষ্ট না হয়।


⚰️ গুপ্তাঙ্গ পরিষ্কার করার জন্য আমরা মাইয়্যাতের মা/মেয়ে/বোন /ছেলের বৌ-এর সাহায্য নেবো।


কিন্তু লোম (বগলের /নাভীর নীচের) কাটা যাবেনা।

নখ কাটা যাবেনা।


⚰️ মাইয়্যাতের পেশাবের জায়গা থেকে টেনে একটা করে কুলুপ মলদ্বার পর্যন্ত ৩ বার টেনে আনতে হবে। 


যদি ময়লা লেগে থাকে—

প্রথম বারেই হাতের তালুর ঠিক মাঝখানে নাভী রেখে ডান দিকে ৩ বার, ও বাম দিকে ৩ বার (clock wise and anti clock wise)করে নাভীর চারপাশে হাত ঘোরাতে হবে।


🚫 প্রচলিত নিয়মে মুর্দাকে উঠিয়ে বসিয়ে পেটে চাপ দেয়া যাবেনা।


▪️এরপর আমরা ওজুর গোসল যেভাবে করি,

ঠিক সেভাবে ওজুর অঙ্গ গুলো আগে ধুয়ে গোসল করাতে হবে।


❑ ওজুর প্রথম ধাপ—

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

প্রথমে ডান হাত তিনবার কব্জি পর্যন্ত ধোয়াতে হবে। এরপর বাম হাত।

মুর্দাকে কুলি করানো সম্ভব নয়।

তাই হাতে পানি নিয়ে ফেলে দিয়ে শাহাদাৎ আঙ্গুলি / তর্জনী দিয়ে মুখের ডানদিকে ১ বার, ও বাম দিকে ১ বার পরিষ্কার করতে হবে। এভাবে ৩ বার পরিষ্কার করতে হবে। 


যদি পান / জর্দা খাওয়ার অভ্যাস থাকে তাহলেও মুখে বেশি ঘষামাজা করা যাবেনা।


▪️এরপর নাকে বাম হাতের বৃদ্ধা ও কনিষ্ঠ আঙুল দিয়ে নাকের দুই ছিদ্র ৩ বার সাফ করতে হবে। 

চাইলে নাক কটন বাড দিয়েও সাফ করা যাবে।


▪️তিনবার ডান হাত দিয়ে মুখমন্ডল মুছে নিতে হবে।

▪️চোখের কোনা সাফ করতে হবে। 


▪️শরীরের নীচের পরশন পরিষ্কার করবে তারা শুধু কোমর থেকে নীচ পর্যন্ত ধোবে। যারা মাথার কাছে থাকবে, তারা শুধু উপরের অংশ নাভী পর্যন্ত ধোবে।


▪️এবার মাথা মাসেহ করবে।

দুই হাতের কনিষ্ঠ ও অনামিকা আঙুল দিয়ে কপাল থেকে পুরা চুল মাসেহ করতে হবে। 


শাহাদাত আঙুল দিয়ে কানের প্যাচ গুলো, 

বুড়ো আঙুল দিয়ে কানের পিছনে,

মধ্যমা ও বৃদ্ধা আঙুল দিয়ে কানের লতি পরিষ্কার করতে হবে। 

ঘাড় মাসেহ করার প্রয়োজন নেই। 


☞ এরপর গোসলের পর্ব—

❑ মুসলিম মৃত নারীরকে গোসল পর্ব - (৪)

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

যেখানে গোসল করাবেন উপরে যেন ছাদ থাকে।

চারিদিকে যেন বেড়া থাকে।

পানির লাইন যেন কাছে থাকে।

জায়গা প্রশস্ত হলে ভালো হয়।


🚫 আগরবাতি গোবর শুকিয়ে বানায়-সাথে একটু পারফিউম মিক্সড করে দেয়-তাই আগরবাতি জালাবেন না।


🚫 মশারীর নীচে গোসল করানো বিদআত। এটা করা যাবেনা।

🚫 মৃতদেহের চোখে সুরমা লাগাবেন না।

🚫 জর্দা যদি থেকে যায় মৃতদেহের মুখে তাহলে গোসল হবেনা।


🚫 মাইয়্যাতের হাতে নেইলপালিশ লাগানো আছে কিনা চেক করুন। রিমুভ করুন।

🚫 পিরিয়ডের সময় ও হাতে নেইলপালিশ লাগানো থেকে বিরত থাকুন। কারণ কেউ জানেনা মৃত্যু কখন আসবে, পিরিয়ড শুরু হলেও মৃত্যু হয়, হতে পারে।


▪️ওজু শেষ হলে কোন উৎসুক জনতাকে মাইয়্যাতের মুখ দেখতে দিবেন না।

সে যেই হোক। আমি স্ট্রিক্টলি দেখতে দেবোনা।

প্রথম কাজ হচ্ছে প্রত্যেকের হাতে প্যাচানোর জন্য চারটা বড় ওড়না জড়িয়ে বেধে নেবো।

চাইলে গ্লোবসও নেয়া যায় তবে এতে অর্থের অপচয় হয় এবং গ্লোবস পোড়ানোর সময় পরিবেশ দূষণ হবে। তাই ওড়নার কাপড় নেয়া ভালো।


আমার হাত সরাসরি যেন ডেডবডির গায়ে না লাগে।

তাই ওড়না দিয়ে হাত বেধে নেবো। 


এবার মাইয়্যাতের উপরের পরশন, লোয়ার পরশন, লেফট্ পরশন ও রাইট পরশনে লোক ভাগ করে দেবো।


🚫 যিনি উপরের অংশ ধোয়াবেন,

তিনি কোন অবস্থায় নীচের অংশে যাবেন না।


পিছনে অনেক সময় স্টুল /মল থাকে।

এটা দেখবে লোয়ার পরশনে যারা থাকবে শুধু তারা।


প্রথম ধাপে শরীরের কোথায় কোথায় সূচ আছে, ক্যাথেটার আছে সব রিমুভ করবো।


🚫 সব দায়িত্ব আপনি নেবেন না।

নার্স ডাকবেন।

যদি মাইয়্যাত লিভার সিরোসিস এর হয়-

তবে রস ঝড়তেই থাকে একটু একটু করে। 


যে মানুষটা মারা গেছেন, তার ক্যানসার আছে কি না, জেনে নেবো।

☞ মাইয়্যাতের ব্লিডিং শুরু হতে পারে -

কি করবো তখন?


- কটনটা কেটে ভাজ করে তার মধ্যে একটু বেশী কর্পূর দিয়ে ব্লাডকে আটকে দিবো।


▪️লিভার সিরোসিস হলে পুজ সদৃশ ব্লাড বের হবে।

ভয় পাবোনা ইনশাআল্লাহ। 

▪️ল্যাপ্রোস্কোপি করে মারা গেলে ফুটোটা থেকে যায়-

তখন কি করব?


-কটন/তুলা ভাজ করে কর্পূর লাগিয়ে সেখানে আটকে দেবো।


ঘরে সবসময় তায়াম্মুমের মাটি রাখবেন।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আমাকে যে মাটি দিয়ে তৈরি করেছেন।

সূরা মায়েদার ৬ নং আায়াতে তার প্রমান -

সেই প্রমান এখন আপনি পাবেন।


—কিভাবে?


-এক মুঠো মাটি নিয়ে অনবরত ঝড়ে পরা মল আটকে দিবেন।

আচ্ছা এতো পাতা থাকতে বরই পাতা কেন লাগবে?


—কারণ, বরই পাতার এমন একটি সাইন্টিফিক ভ্যালু আছে যা শরীরকে অন্যরকম করে দেয়। 


নাভীটাকে বিসমিল্লাহ বলে -

নাভীর মিডল পয়েন্টে horizontally এবং ক্লক ওয়েরি 

একটু হাত দিয়ে মেসেজ করতে হবে।


▪️নাভীর নীচের অংশ পরিষ্কার করার জন্য মাই্য়্যাতের মেয়ে/বোন/ছেলের বৌ/নিকট আত্মীয় হলে ভালো হয়।


▪️বিশ পচিশটা কুলুপ বানিয়ে ট্রেতে রাখবো।


🚫 প্রচলিত নিয়মে মাইয়্যাতকে ব্যায়াম করানোর কোন অধিকার আমার নাই। পেটে এভাবে চাপ দিয়ে মল বের করা যাবেনা।


একটা বাস্কেটে পরিধেয় কাপড় ফেলবো-

আরেকটা বাস্কেটে কুলুপ ফেলবো।


▪️মলদ্বার ভালো করে সাফ করে ওজু করিয়ে সমস্ত শরীরে সাবান মাখাবো।


একজন গ্রেটার দিয়ে কুচি কুচি করে সাবান কেটে একটা বাটিতে নেবো।


- লিকুইড সাবান ইউস না করা ভালো। 


▪️একজন মাথায় সাবান মাখবে।

▪️২/১ জন হাতে কাপড় বেধে সমস্ত শরীরে কাধ থেকে পিঠ নাভীর উপর পর্যন্ত কর্পূর ও বরই পাতা মেশানো গরম পানি দিয়ে ধোব।

কাত করবো ডান ও বাম দিকে। 


কাত করে পিঠের একপাশ করে করে ধোব। হাতে সাবান লাগিয়ে নেবো।


▪️শরীর কিচ্ছু নেবেনা। দুনিয়ার কিচ্ছু না।

এমনকি এই দুনিয়ার ময়লাও না।

এভাবে সাবান ও বরই পাতা মেশানো পানি দিয়ে পায়ের আঙুল, হাতের আঙুল সব ময়লা বের হয়ে আসবে।


❑ মুসলিম মৃত নারীরকে গোসল পর্ব - (৫)

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

▪️কুলুপের কাপড়, সাহায্য কারীদের হাতে পেচানো কাপড় ইত্যাদি মৃত ব্যক্তির গোসল ও কাফনের ব্যবহৃত ফেলে দেয়ার জিনিস পত্র সব কিছু একত্রিত করে কেরোসিন বা কোন দাহ্য পদার্থের সাহায্যে পুড়িয়ে ছাই করে দিন। 

যাতে কেউ এগুলোর সাহায্যে কুফরি করতে না পারে।


▪️কাফন পড়ানোর পর গোলাপজল ছিটাবেন না।

ফুলের তোড়া, ফুল দিবেন না।


▪️কাফনের উপর দুয়া লিখবেন না।

▪️মুর্দা গোসল করালে গোসল ফরজ না। নাপাকী লাগলে গোসল করতে পারেন।


🚨 সতর্কতা—

▬▬▬▬▬▬☞

১/মুর্দার খারাপ কিছু দেখলে আলোচনা করবেন না।

২/শুধু মাত্র যারা গোসল করাবেন তারাই থাকবেন।

উৎসুক জনতাকে দেখতে দিবেন না।মুর্দার ব্যপারে যেন কন গীবত না হয়।

৩/আতর, সুরমা, জাফরান ব্যবহার নিষিদ্ধ। 

৪/কাফনের উপর আলাদা চাদর দিয়ে ঢেকে দিবেন।

৫/কাফন পরানোর পর মাহরাম বাদে কোন পুরুষের সামনে মুখ খুলবেন না।

৬/গোসলের আগে পরে গোসলের সহায়তাকারীগণ। 

আনুষ্ঠানিক ভাবে কোন দুয়া মোনাজাত করবেন না।

৭/মুর্দা গোসল করানোর পর শরীরে নাপাকি না লাগলে 

সাহায্য কারী গণের গোসল ফরজ না। 


গোসল না করে ঘরে ঢোকা যাবেনা, এ ধারনা ভুল। 

চাইলে আপনি গোসল করতে পারেন।


৮/যেখানে গোসল করানো হয়েছে, সেখানে কন রকম বাতি জ্বালিয়ে রাখবেন না।


❑ উক্ত আলোচনার কোন তথ্য ভুল পেলে অনুগ্রহ পূর্বক আমাকে জানাবেন।

তাইবাহ একাডেমির লেকচার থেকে নেয়া।

— আসমা খাতুন


#foryou #CopyPost #viralpost #foryoupage #viralমৃত ব্যক্তিকে গোসল করিয়েছেন কখনো?

কিংবা নিয়মগুলো জানা আছে?


প্রত্যেক মাঁ-বোনের জানা মহা-জরুরী।


❑ এটা অনেক ফজিলতপূর্ণ কাজ। আর বর্তমানে গ্রাম্য এলাকায় বেশিরভাগ এমন মানুষেরা গোসল করায়, বিশেষ করে মহিলাদের মধ্যে যারা নিজেরাই পাক পবিত্রতার বিষয়ে বেখবর, ফরজ ইবাদতটুকুতেও নেয় সতর্কতা। 


এজন্য এই গুরুত্বপূর্ণ গোসলের নিয়মটা আমাদের প্র্যাকটিসিং মুসলিমাহ বোনদেরসহ সকলের জেনে রাখা ভালো। যাতে করে আমরাও এ কাজে শরীক হতে পারি ইংশাআল্লহ।


⚰️ মুসলিম মৃত নারীকে গোসলের পর্ব - (১)

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

১/ প্রয়োজনীয় উপকরণ,

২/ কার্যপদ্ধতি (এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ),

৩/ সতর্কতা। 


কোন মৃত বাড়িতে আপনি দেখবেন, একদল মহিলা যারা যায় শুধু গসিপিং করতে। তারা বলে মুখের কাপড়টা সরাও তো- একটু দেখতে দাও।


কিছু কিছু বিষয় অসম্ভব কঠোর হতে হয়, এটা তার মধ্যে অন্যতম।

আপনি কিছুতেই মৃতের মুখের কাপড় সরাবেননা।

আপনি কঠোর হয়ে মৃতের মুখ ঢেকে রাখবেন। 


⚰️ ডেডবডি রিলেটেড যারা আছে তাদের সাথে নিয়ে পর্দা এমন ভাবে ঢেকে দিবেন, যেন একটু ফাঁক ফোকরও না থাকে।


যাচাই করে নিবেন, মৃতের গোসল দেয়ার আগে আপনার সাথে গোসল দিতে সহায়তা কারীরা আপনার সমমনা কি না।


❑ শুরুতে ডেডবডি এমন ভাবে ধরতে হবে—

যেন সে ব্যথা না পায়। মৃত ব্যক্তির শরীরে তখন খুব ব্যথা।


মৃত্যু বড় কষ্টের।


ডেডবডি ধরলেই বোঝা যায় কে ভালো কে মন্দ।

ভালো অনুভব হলে বলবো - হে আরশের মালিক! আমাকেও এমন মৃত্যু দিয়েন।


খারাপ কিছু অনুভব হলে টু শব্দ ও করবোনা।


⚰️ যে ব্যক্তি কোন মৃত ব্যক্তিকে গোসল করাবে,

আল্লাহ তাকে চল্লিশ বারের বেশি ক্ষমা ঘোষণা করেছেন।


▪️যে মৃতের জন্য ঘর বানাবে—

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা জান্নাতে তার জন্য ঘর বানাবেন।


▪️যে মৃতের কাফন পরিয়ে দিবে—

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা জান্নাতে তাকে উত্তম পোশাক পরিধান করাবেন


❑ কি কি লাগবে?

▬▬▬▬▬▬▬▬☞

১/ চারটা বড় বালতি চার কোনায় রাখবো

২/ চারটা বড় মগ চারজন ধরবে

৩/ বড়ই পাতা বেজোড় সংখ্যায় লাগবে ৫/৭/৯টি

৪/ এক হাড়ি উষ্ণ গরম পানি

৫/ tooth pick - নখের কোনা পরিষ্কার করার জন্য 

৬/ বাস্কেট দুইটা

৭/ খাটিয়া

৮/ কটন/তুলা

৯/ কেচি/ছুরি

১০/ দুইটা সাবানের বাটি

১১/ চারটা বড় ওড়না

১২/ একটা নরম পাতলা কাঁথা। 

১৩/ তায়াম্মুমের /বা নদীর পাক (অথেনটিক) মাটি

১৪/ তিনটা কাফনের কাপড়

এক্সিডেন্টাল কেসের ক্ষেত্রে কাপড় আরো বেশী লাগবে।

১৫/ ডেডবডি বাধার তিনটা ফিতা

১৬/ একটি হালাল দেশী সাবান (কেয়া সাবান)- কুরবানির আগে গরুকে গোসল দেয় যে দেশী হালাল সাবান সেই সাবান।

১৭/ কুলুপের মাটি পাতলা নরম কাপড় দিয়ে পেচিয়ে নেবো সাতটি কুলুপ।

১৯/ কর্পূর।


❑ মুসলিম মৃত নারীরকে গোসল পর্ব - (২)

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

প্রত্যেক জীবকে মৃত্যু বরণ করতে হবে। 

— [আল ইমরান, ১৮৫]


☞ প্রথম মৃতের চোখ দুটো বন্ধ করে দিতে হবে।

একটা কাপড় দিয়ে তার সম্পূর্ণ শরীর ঢেকে দিতে হবে। 

মৃত ব্যক্তির সম্পর্কে উপস্থিত সকলে ভালো কথা বলবে।

কারণ ফিরেশতারা তখন আমীন বলে।


☞ দ্রুত তার লোন পরিশোধ করে। 

তাকে দাফনকাজ শুরু করতে হবে। 


আল্লাহর রসূল (সঃ) বলেন—

যে ব্যক্তি কোন মৃত মুসলিম কে গোসল করাবে ও গোপনীয়তা রক্ষা করবে, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তাকে ৪০ বার ক্ষমা করে দিবেন।


যে ব্যক্তি মৃতের জন্য কবর খুড়বে অতপর ঢেকে দিবে, 

কিয়ামত দিবস পর্যন্ত তার বসবাসের জন্য সদাকা হিসাবে একটি ঘর তৈরি করে দিলে যে সওয়াব পেত -সেই পরিমাণ সওয়াব লিখে দেয়া হবে। 


আর যে ব্যক্তি কাফন পরিয়ে দিবে, 

আল্লাহ তাকে জান্নাতে ইসতিবরাকের রেশমী পোশাক পরিয়ে দিবেন।

— হাদীস টি হাকিম ১/৩৫৪,৩৬২; বায়হাক্বী-৩/৩৯৫

হাদিসটি মুসলিম এর শর্তানুযায়ী সহীহ।


❑ ধাপ সমূহ—

▬▬▬▬▬▬☞

১/ মৃত ব্যক্তির শরীর থেকে সবকিছু অপসারণ করা 

২/ সর্বাবস্থায় ঢেকে ঢেকে গোসল করানো

৩/ বরই পাতা মেশানো পানি দিয়ে ওজু ও গোসল করানো

৪/ ডানদিক থেকে ও অজুর স্হান দিয়ে গোসল করানো 

৫/ বেজোড় সংখ্যায় গোসল করানো 

৬/ শেষ বার গোসলের পানিতে কর্পূর মেশানো।

৭/ মহিলাদের চুল তিনটা ভাগ করে মাথার পেছনে ছড়িয়ে দেয়া

৮/ ৩টি সাদা কাপর( সেলাই বিহীন) দিয়ে কাফন পরানো


❑ কার্যপদ্ধতি—

▬▬▬▬▬▬▬☞

প্রথমে মৃত ব্যক্তির শরীরে কোথাও স্কচটেপ, তবিজ, গহনা, কেনুলা, নাকফুল, ক্যাথেটার, কানের দুল, temporary dialysis pipe, ডাক্তারের সাহায্যে খুলে ফেলতে হবে।


গায়ে পরিহিত কাপড় কাধের উপর থেকে কেচি দিয়ে কাটতে হবে কনুই পর্যন্ত। আবার নীচের দিক থেকে পেট পর্যন্ত। 

কোন ভাবে মৃত ব্যক্তি যেন ব্যথা না পায়।


সাবান কুচি করে কেটে দুই বাটিতে পাতলা করে গুলাতে হবে।

১টি বাটি পায়ের কাছে,

১টি বাটি মাথার কাছে রাখতে হবে। 

কোন অবস্থায় বাটি পরিবর্তন করা যাবেনা।


⚰️ ঢেকে ঢেকে তিন চারটা ওরনা, কাফনের কাপড়, কটন, দড়ি, মোছার জন্য বড় পাতলা নরম কাঁথা, কর্পূর একটা ট্রেতে রাখতে হবে। 


⚰️ অন্য ট্রেতে toothpicks, কুলুপের মাটি (মাটির দলা ৭ টা ছোট টুকরা করে সাদা নরম কাপরে বেধে কুলুপ বানিয়ে নিতে হবে। এই মাটিটা তায়াম্মুমের বা নদীর বা ইট ভাটার কাচা ইট থেকে সংগ্রহ করা উত্তম। 


⚰️ হাতে পেচানোর জন্য পাতলা ছাট কাপড়, /ওড়না/গ্লাভস, চাকু রাখতে হবে। 


⚰️ পানি চুলায় ফুটিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে বেজোড় সংখ্যক বড়ই পাতা ছেঁচে বা ছিড়ে পানিতে মিশাতে হবে।


চুলার পানিতে বড়ই পাতা না মিশানো ভালো। আগুনের তাপে বড়ই পাতার কার্যকারিতা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবণা থাকে।


❑ মুসলিম মৃত নারীরকে গোসল পর্ব - (৩)

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

চারজন চারকোনা ধরে ১টা ওড়না দিয়ে মুর্দাকে ঢেকে দিয়ে পড়নের কাপড় কেটে একটা ঝুড়িতে রাখতে হবে। 

সর্বাবস্হায় ঢেকে রাখবেন। 


☞ কার্যক্রম—

▬▬▬▬▬▬☞

প্রথমে দেখে নিতে হবে শরীরের কোথাও ময়লা আছে কিনা।

এরপর মাথা থেকে পা পর্যন্ত সমস্ত শরীরে পানি ঢালতে হবে।

পেশাবের জায়গা, কুচকি, মলদ্বার ভালো করে চেক করে পরিস্কার করে নিতে হবে।


⚰️ যদি দেখা যায় অনবরত মল বের হতেই থাকে-

আবার সাবান দিয়ে প্রথম বারের মতো পরিষ্কার করতে হবে। 

৪র্থ বার মাটির কুলুপের সাহায্য আবার মলদ্বার চেক করতে হবে।

যতক্ষণ মল বের হওয়া শেষ না হয় -অপেক্ষা করতে হবে।

আবার পরিষ্কার করতে হবে। এবং কুলুপ গুলো দ্বিতীয় বাস্কেটে ফেলতে হবে।


☞ আল্লাহর রসূল সঃ বলেছেন—

পৃথিবী যখন শেষ হবে, কুফরি কালামে ভরে যাবে। তাই এই বাস্কেটের সব বর্জ্য পুড়িয়ে ছাই করে ফেলতে হবে অথবা মাটির গভীরে পুতে ফেলতে হবে।


এরপরও যদি মল বের হতে থাকে -

তখন কটনের আগায় কর্পূর বেশী দিয়ে জায়গা আটকে দেবো মলদ্বারে ঢুকিয়ে দিবো। যাতে কাফন নষ্ট না হয়।

যারা লাশ বহন করে নিয়ে যাবে তাদের কষ্ট না হয়।


⚰️ গুপ্তাঙ্গ পরিষ্কার করার জন্য আমরা মাইয়্যাতের মা/মেয়ে/বোন /ছেলের বৌ-এর সাহায্য নেবো।


কিন্তু লোম (বগলের /নাভীর নীচের) কাটা যাবেনা।

নখ কাটা যাবেনা।


⚰️ মাইয়্যাতের পেশাবের জায়গা থেকে টেনে একটা করে কুলুপ মলদ্বার পর্যন্ত ৩ বার টেনে আনতে হবে। 


যদি ময়লা লেগে থাকে—

প্রথম বারেই হাতের তালুর ঠিক মাঝখানে নাভী রেখে ডান দিকে ৩ বার, ও বাম দিকে ৩ বার (clock wise and anti clock wise)করে নাভীর চারপাশে হাত ঘোরাতে হবে।


🚫 প্রচলিত নিয়মে মুর্দাকে উঠিয়ে বসিয়ে পেটে চাপ দেয়া যাবেনা।


▪️এরপর আমরা ওজুর গোসল যেভাবে করি,

ঠিক সেভাবে ওজুর অঙ্গ গুলো আগে ধুয়ে গোসল করাতে হবে।


❑ ওজুর প্রথম ধাপ—

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

প্রথমে ডান হাত তিনবার কব্জি পর্যন্ত ধোয়াতে হবে। এরপর বাম হাত।

মুর্দাকে কুলি করানো সম্ভব নয়।

তাই হাতে পানি নিয়ে ফেলে দিয়ে শাহাদাৎ আঙ্গুলি / তর্জনী দিয়ে মুখের ডানদিকে ১ বার, ও বাম দিকে ১ বার পরিষ্কার করতে হবে। এভাবে ৩ বার পরিষ্কার করতে হবে। 


যদি পান / জর্দা খাওয়ার অভ্যাস থাকে তাহলেও মুখে বেশি ঘষামাজা করা যাবেনা।


▪️এরপর নাকে বাম হাতের বৃদ্ধা ও কনিষ্ঠ আঙুল দিয়ে নাকের দুই ছিদ্র ৩ বার সাফ করতে হবে। 

চাইলে নাক কটন বাড দিয়েও সাফ করা যাবে।


▪️তিনবার ডান হাত দিয়ে মুখমন্ডল মুছে নিতে হবে।

▪️চোখের কোনা সাফ করতে হবে। 


▪️শরীরের নীচের পরশন পরিষ্কার করবে তারা শুধু কোমর থেকে নীচ পর্যন্ত ধোবে। যারা মাথার কাছে থাকবে, তারা শুধু উপরের অংশ নাভী পর্যন্ত ধোবে।


▪️এবার মাথা মাসেহ করবে।

দুই হাতের কনিষ্ঠ ও অনামিকা আঙুল দিয়ে কপাল থেকে পুরা চুল মাসেহ করতে হবে। 


শাহাদাত আঙুল দিয়ে কানের প্যাচ গুলো, 

বুড়ো আঙুল দিয়ে কানের পিছনে,

মধ্যমা ও বৃদ্ধা আঙুল দিয়ে কানের লতি পরিষ্কার করতে হবে। 

ঘাড় মাসেহ করার প্রয়োজন নেই। 


☞ এরপর গোসলের পর্ব—

❑ মুসলিম মৃত নারীরকে গোসল পর্ব - (৪)

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

যেখানে গোসল করাবেন উপরে যেন ছাদ থাকে।

চারিদিকে যেন বেড়া থাকে।

পানির লাইন যেন কাছে থাকে।

জায়গা প্রশস্ত হলে ভালো হয়।


🚫 আগরবাতি গোবর শুকিয়ে বানায়-সাথে একটু পারফিউম মিক্সড করে দেয়-তাই আগরবাতি জালাবেন না।


🚫 মশারীর নীচে গোসল করানো বিদআত। এটা করা যাবেনা।

🚫 মৃতদেহের চোখে সুরমা লাগাবেন না।

🚫 জর্দা যদি থেকে যায় মৃতদেহের মুখে তাহলে গোসল হবেনা।


🚫 মাইয়্যাতের হাতে নেইলপালিশ লাগানো আছে কিনা চেক করুন। রিমুভ করুন।

🚫 পিরিয়ডের সময় ও হাতে নেইলপালিশ লাগানো থেকে বিরত থাকুন। কারণ কেউ জানেনা মৃত্যু কখন আসবে, পিরিয়ড শুরু হলেও মৃত্যু হয়, হতে পারে।


▪️ওজু শেষ হলে কোন উৎসুক জনতাকে মাইয়্যাতের মুখ দেখতে দিবেন না।

সে যেই হোক। আমি স্ট্রিক্টলি দেখতে দেবোনা।

প্রথম কাজ হচ্ছে প্রত্যেকের হাতে প্যাচানোর জন্য চারটা বড় ওড়না জড়িয়ে বেধে নেবো।

চাইলে গ্লোবসও নেয়া যায় তবে এতে অর্থের অপচয় হয় এবং গ্লোবস পোড়ানোর সময় পরিবেশ দূষণ হবে। তাই ওড়নার কাপড় নেয়া ভালো।


আমার হাত সরাসরি যেন ডেডবডির গায়ে না লাগে।

তাই ওড়না দিয়ে হাত বেধে নেবো। 


এবার মাইয়্যাতের উপরের পরশন, লোয়ার পরশন, লেফট্ পরশন ও রাইট পরশনে লোক ভাগ করে দেবো।


🚫 যিনি উপরের অংশ ধোয়াবেন,

তিনি কোন অবস্থায় নীচের অংশে যাবেন না।


পিছনে অনেক সময় স্টুল /মল থাকে।

এটা দেখবে লোয়ার পরশনে যারা থাকবে শুধু তারা।


প্রথম ধাপে শরীরের কোথায় কোথায় সূচ আছে, ক্যাথেটার আছে সব রিমুভ করবো।


🚫 সব দায়িত্ব আপনি নেবেন না।

নার্স ডাকবেন।

যদি মাইয়্যাত লিভার সিরোসিস এর হয়-

তবে রস ঝড়তেই থাকে একটু একটু করে। 


যে মানুষটা মারা গেছেন, তার ক্যানসার আছে কি না, জেনে নেবো।

☞ মাইয়্যাতের ব্লিডিং শুরু হতে পারে -

কি করবো তখন?


- কটনটা কেটে ভাজ করে তার মধ্যে একটু বেশী কর্পূর দিয়ে ব্লাডকে আটকে দিবো।


▪️লিভার সিরোসিস হলে পুজ সদৃশ ব্লাড বের হবে।

ভয় পাবোনা ইনশাআল্লাহ। 

▪️ল্যাপ্রোস্কোপি করে মারা গেলে ফুটোটা থেকে যায়-

তখন কি করব?


-কটন/তুলা ভাজ করে কর্পূর লাগিয়ে সেখানে আটকে দেবো।


ঘরে সবসময় তায়াম্মুমের মাটি রাখবেন।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আমাকে যে মাটি দিয়ে তৈরি করেছেন।

সূরা মায়েদার ৬ নং আায়াতে তার প্রমান -

সেই প্রমান এখন আপনি পাবেন।


—কিভাবে?


-এক মুঠো মাটি নিয়ে অনবরত ঝড়ে পরা মল আটকে দিবেন।

আচ্ছা এতো পাতা থাকতে বরই পাতা কেন লাগবে?


—কারণ, বরই পাতার এমন একটি সাইন্টিফিক ভ্যালু আছে যা শরীরকে অন্যরকম করে দেয়। 


নাভীটাকে বিসমিল্লাহ বলে -

নাভীর মিডল পয়েন্টে horizontally এবং ক্লক ওয়েরি 

একটু হাত দিয়ে মেসেজ করতে হবে।


▪️নাভীর নীচের অংশ পরিষ্কার করার জন্য মাই্য়্যাতের মেয়ে/বোন/ছেলের বৌ/নিকট আত্মীয় হলে ভালো হয়।


▪️বিশ পচিশটা কুলুপ বানিয়ে ট্রেতে রাখবো।


🚫 প্রচলিত নিয়মে মাইয়্যাতকে ব্যায়াম করানোর কোন অধিকার আমার নাই। পেটে এভাবে চাপ দিয়ে মল বের করা যাবেনা।


একটা বাস্কেটে পরিধেয় কাপড় ফেলবো-

আরেকটা বাস্কেটে কুলুপ ফেলবো।


▪️মলদ্বার ভালো করে সাফ করে ওজু করিয়ে সমস্ত শরীরে সাবান মাখাবো।


একজন গ্রেটার দিয়ে কুচি কুচি করে সাবান কেটে একটা বাটিতে নেবো।


- লিকুইড সাবান ইউস না করা ভালো। 


▪️একজন মাথায় সাবান মাখবে।

▪️২/১ জন হাতে কাপড় বেধে সমস্ত শরীরে কাধ থেকে পিঠ নাভীর উপর পর্যন্ত কর্পূর ও বরই পাতা মেশানো গরম পানি দিয়ে ধোব।

কাত করবো ডান ও বাম দিকে। 


কাত করে পিঠের একপাশ করে করে ধোব। হাতে সাবান লাগিয়ে নেবো।


▪️শরীর কিচ্ছু নেবেনা। দুনিয়ার কিচ্ছু না।

এমনকি এই দুনিয়ার ময়লাও না।

এভাবে সাবান ও বরই পাতা মেশানো পানি দিয়ে পায়ের আঙুল, হাতের আঙুল সব ময়লা বের হয়ে আসবে।


❑ মুসলিম মৃত নারীরকে গোসল পর্ব - (৫)

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

▪️কুলুপের কাপড়, সাহায্য কারীদের হাতে পেচানো কাপড় ইত্যাদি মৃত ব্যক্তির গোসল ও কাফনের ব্যবহৃত ফেলে দেয়ার জিনিস পত্র সব কিছু একত্রিত করে কেরোসিন বা কোন দাহ্য পদার্থের সাহায্যে পুড়িয়ে ছাই করে দিন। 

যাতে কেউ এগুলোর সাহায্যে কুফরি করতে না পারে।


▪️কাফন পড়ানোর পর গোলাপজল ছিটাবেন না।

ফুলের তোড়া, ফুল দিবেন না।


▪️কাফনের উপর দুয়া লিখবেন না।

▪️মুর্দা গোসল করালে গোসল ফরজ না। নাপাকী লাগলে গোসল করতে পারেন।


🚨 সতর্কতা—

▬▬▬▬▬▬☞

১/মুর্দার খারাপ কিছু দেখলে আলোচনা করবেন না।

২/শুধু মাত্র যারা গোসল করাবেন তারাই থাকবেন।

উৎসুক জনতাকে দেখতে দিবেন না।মুর্দার ব্যপারে যেন কন গীবত না হয়।

৩/আতর, সুরমা, জাফরান ব্যবহার নিষিদ্ধ। 

৪/কাফনের উপর আলাদা চাদর দিয়ে ঢেকে দিবেন।

৫/কাফন পরানোর পর মাহরাম বাদে কোন পুরুষের সামনে মুখ খুলবেন না।

৬/গোসলের আগে পরে গোসলের সহায়তাকারীগণ। 

আনুষ্ঠানিক ভাবে কোন দুয়া মোনাজাত করবেন না।

৭/মুর্দা গোসল করানোর পর শরীরে নাপাকি না লাগলে 

সাহায্য কারী গণের গোসল ফরজ না। 


গোসল না করে ঘরে ঢোকা যাবেনা, এ ধারনা ভুল। 

চাইলে আপনি গোসল করতে পারেন।


৮/যেখানে গোসল করানো হয়েছে, সেখানে কন রকম বাতি জ্বালিয়ে রাখবেন না।


❑ উক্ত আলোচনার কোন তথ্য ভুল পেলে অনুগ্রহ পূর্বক আমাকে জানাবেন।

তাইবাহ একাডেমির লেকচার থেকে নেয়া।

— আসমা খাতুন

oryou #CopyPost #viralpost #foryoupage #vira

গাঁয়ের নাম পরমেশ্বরপুর, গাঙের নাম নবগঙ্গা,পজিটভ নহাটা থৈকে নেওয়া

 

গাঁয়ের নাম পরমেশ্বরপুর, গাঙের নাম নবগঙ্গা: দেশভাগ, স্মৃতি ও শিকড়ের গল্প

ইতিহাস ও ঐতিহ্য

বাংলাদেশের গ্রামগুলো শুধু ভৌগোলিক সীমানা নয়—প্রতিটি গ্রামই বহন করে ইতিহাস, ঐতিহ্য ও মানুষের অগণিত স্মৃতির ভার। মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার নহাটা ইউনিয়নের একটি এমনই গ্রাম পরমেশ্বরপুর, যার অতীত, মানুষের জীবনগাথা ও দেশভাগের বেদনাময় স্মৃতি একত্রে ধরা পড়েছে “গাঁয়ের নাম পরমেশ্বরপুর, গাঙের নাম নবগঙ্গা” বইয়ে।

গ্রাম ও গাঙের গল্প

পরমেশ্বরপুর গ্রামের পাশে বয়ে যাওয়া নবগঙ্গা নদী শুধু একটি জলধারা নয়, বরং এই অঞ্চলের জীবন, সংস্কৃতি ও অর্থনীতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। নদীকে ঘিরেই গড়ে উঠেছিল মানুষের বসতি, জীবিকা ও সামাজিক কাঠামো। তাই বইটির নামেই গ্রাম ও গাঙকে পাশাপাশি তুলে ধরা হয়েছে—যেন একে অপরের অবিচ্ছেদ্য পরিচয়।

দেশভাগ ও বিচ্ছিন্নতার বেদনা

১৯৪৭ সালের দেশভাগ এই গ্রামের মানুষের জীবনে নিয়ে আসে এক গভীর পরিবর্তন। বহু পরিবার তাদের শতবর্ষের বসতভিটা ছেড়ে পাড়ি জমাতে বাধ্য হয় ভারতে। পরমেশ্বরপুরও সেই ইতিহাসের সাক্ষী—যেখানে একসময় গড়ে ওঠা সমাজ ছিন্নভিন্ন হয়ে পড়ে। এই বইতে সেইসব মানুষের স্মৃতি, কষ্ট, বিচ্ছেদ ও নতুন জীবনের গল্প উঠে এসেছে হৃদয়স্পর্শীভাবে।

দীর্ঘ গবেষণা ও তথ্যসংগ্রহ

ড. শঙ্করকুমার ঘোষ ও রতনকুমার ঘোষ প্রায় নয় বছরের নিরলস পরিশ্রমে এই বইটি সম্পাদনা করেছেন। তারা শুধু বইপত্র ঘেঁটে থেমে থাকেননি; বরং ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা পরমেশ্বরপুরের মানুষ ও তাদের উত্তর-প্রজন্মকে খুঁজে বের করেছেন। সংগ্রহ করেছেন তাদের স্মৃতিকথা, পারিবারিক ইতিহাস ও বংশতালিকা। এমনকি তারা সরাসরি গ্রাম পরিদর্শন করে বাস্তব তথ্যও সংগ্রহ করেছেন।

বইয়ের বৈশিষ্ট্য

🔸প্রায় হাজার পৃষ্ঠার এই গ্রন্থে রয়েছে—
গেজেটিয়ারধর্মী বিস্তারিত ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক তথ্য
🔸পঞ্চাশটিরও বেশি স্মৃতিকথা
🔸পারিবারিক ইতিবৃত্ত ও বংশতালিকা
🔸পুরনো আলোকচিত্র ও মানচিত্র

এই উপাদানগুলো বইটিকে শুধু একটি ইতিহাসগ্রন্থ নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ দলিল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে।

কেন বইটি গুরুত্বপূর্ণ

“গাঁয়ের নাম পরমেশ্বরপুর, গাঙের নাম নবগঙ্গা” আসলে একটি গ্রামের গল্প হলেও, এটি বৃহত্তর বাংলার ইতিহাসের প্রতিচ্ছবি। এখানে আছে দেশভাগের প্রভাব, মানুষের শিকড় হারানোর বেদনা এবং স্মৃতির মাধ্যমে সেই শিকড়কে ধরে রাখার প্রয়াস।
এ ধরনের বই আমাদের মনে করিয়ে দেয়—ইতিহাস শুধু রাজা-বাদশাহদের নয়, সাধারণ মানুষের জীবনগাথাও ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ছোট একটি গ্রামের এত বিস্তৃত ও গবেষণাভিত্তিক দলিল সত্যিই বিরল।

উপসংহার

পরমেশ্বরপুর শুধু একটি গ্রামের নাম নয়; এটি এক হারানো সময়ের প্রতিচ্ছবি, এক বিচ্ছিন্ন জনপদের স্মৃতির ভান্ডার। নবগঙ্গার জলে যেমন অতীতের ছায়া ভেসে ওঠে, তেমনি এই বইয়ের পাতায় পাতায় ধরা পড়ে মানুষের ভালোবাসা, বেদনা ও শিকড়ের টান।

যারা নিজের এলাকা, ইতিহাস ও শিকড়কে জানতে চান, তাদের জন্য এই বইটি নিঃসন্দেহে এক অমূল্য সম্পদ।

শিমুল পারভেজ
সম্পাদক, পজিটিভ নহাটা

সহযোগিতায়ঃ হাদিউজ্জামান


 








বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬

সকাল ০৭ টার বাংলা সংবাদ তারিখ: ২৩-০৪-২০২৬ খ্রি:। 

 সকাল ০৭ টার বাংলা সংবাদ

তারিখ: ২৩-০৪-২০২৬ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে পাটের ব্যাগ ও স্কুল ড্রেস বিতরণ করবে সরকার - প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠকে সিদ্ধান্ত । * পাঁচ বছরের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার - সংসদে জানালেন তারেক রহমান।


দেশে সব ধরনের টিকা পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুদ রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী।


অপতথ্য মোকাবিলায় ইউনেস্কোর সহযোগিতা চাইলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।


আগামী তেসরা মে থেকে সারাদেশে সরকারিভাবে ধান ও ১৫ই মে থেকে চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু।


যুদ্ধবিরতির প্রকাশ্য লঙ্ঘনের কারণে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে ইরান।


চট্টগ্রামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আজ তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে সিরিজ নির্ধারণী ক্রিকেট ম্যাচে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২২-০৪-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২২-০৪-২০২৬ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে পাটের ব্যাগ ও স্কুল ড্রেস বিতরণ করবে সরকার --- প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠকে সিদ্ধান্ত ।


পাঁচ বছরের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার : সংসদে জানালেন তারেক রহমান। 


দেশে সব ধরনের টিকা পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী । 


অপতথ্য মোকাবিলায় ইউনেস্কোর সহযোগিতা চাইলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।


আগামী তেসরা মে থেকে সারাদেশে সরকারিভাবে ধান ও ১৫ই মে থেকে চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু হবে।


হরমুজ প্রণালী অতিক্রমকালে তিনটি পণ্যবাহী জাহাজে হামলা চালানোর পর দুটি জাহাজ আটক করেছে ইরান।


এবং চট্টগ্রামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আগামীকাল তৃতীয় ও শেষ ওয়ান্ডেতে সিরিজ নির্ধারণী ক্রিকেট ম্যাচে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

সকাল ০৭ টার বাংলা সংবাদ তারিখ: ২২-০৪-২০২৬ খ্রি:। 

 সকাল ০৭ টার বাংলা সংবাদ

তারিখ: ২২-০৪-২০২৬ খ্রি:। 


সকাল ০৭ টার বাংলা সংবাদ

তারিখ: ২০-০৪-২০২৬ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু - প্রশ্নফাঁস ও গুজব রোধে সাইবার নজরদারি জোরদার করা হয়েছে - বললেন শিক্ষামন্ত্রী।


বর্তমান সরকার বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করেছে ৯০ দশমিক ছয়-ছয় মিলিয়ন ডলার  - সংসদে অর্থমন্ত্রীর তথ্য প্রকাশ।


দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে - ‘প্যানিক বায়িং’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টার।


মাদক ও তামাকজাত দ্রব্যের বিস্তার রোধে সচেতনতা বৃদ্ধির তাগিদ দিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।


বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচলের আশ্বাস দিল ইরান।


ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধির ঘোষণা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট - স্বাগত জানালেন জাতিসংঘ প্রধান।


আজ রাজশাহীতে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা নারী দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ।

বাংলা আমার ভালো নেই ১৪৩

 বাংলা আমার ভালো নেই ১৪৩


বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির দাবিনামার বাংলা বানান

ড. মোহাম্মদ আমীন


শুদ্ধীকরণ:

তারিখঃ> তারিখ: [বিসর্গ (ঃ) কোনো যতিচিহ্ন নয়, এটি বাংলা বর্ণমালার একটি পৃথক বর্ণ। পদান্তে অবস্থিত বিসর্গ বর্ণের উচ্চারণ: হ্। যতিচিহ্ন হিসেবে ব্যবহৃত কোলন ( : ) বা সংক্ষেপণচিহ্নের ( . ) স্থলে বিসর্গ বিধেয় নয়।]


২৭/০৮/২০২৪ ইং> ২৭/০৮/২০২৪ খ্রি. [‘ইং’ বা ‘ইংরেজি’ নামের কোনো বর্ষপঞ্জি নেই। এর নাম গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি। বাংলায়: খ্রিষ্টাব্দ, সংক্ষেপে: খ্রি.। খ্রিষ্টাব্দ (খ্রিষ্ট+অব্দ) ব্যক্তিনাম খ্রিষ্ট-এর সঙ্গে সংস্কৃত অব্দ মিলে গঠিত; অর্থ (বিশেষ্যে) খ্রিষ্টের জন্মের বৎসর থেকে পরিগণিত অব্দ, সাল।]


প্রসংগে> প্রসঙ্গে [তৎসম প্রসঙ্গ (প্র+√সন্জ্+অ) সন্ধিজাত নয়। তাই, বানানে অনুস্বার হবে না। সন্ধির ক্ষেত্রে ক খ গ ঘ পরে থাকলে পূর্ব পদের অন্তস্থিত ম্ স্থানে অনুস্বার (ং) হবে; সন্ধিবদ্ধ না হলে ঙ স্থানে ং হবে না। ‘বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম’, অনুচ্ছেদ: ১.৪।]


নিরসন প্রসংগে> নিরসন [‘বিষয়’ ও ‘প্রসঙ্গে’ সমার্থক। অনুচ্ছেদের প্রারম্ভে ‘বিষয়’ লেখা হয়েছে। বিষয় নির্ধারিত অনুচ্ছেদে বাক্যের শেষে পুনরায় ‘প্রসঙ্গে’ পরিহার্য।]


যথাবিহীত> যথাবিহিত [যথা+বিহিত=যথাবিহিত; বাএআবাঅ, পৃষ্ঠা: ১১৪২]

প্রদর্শন পূর্বক> প্রদর্শনপূর্বক [পূর্বক’ সংশ্লিষ্ট শব্দের শেষে সেঁটে বসে। বাএআবাঅ, পৃষ্ঠা: ৮৩৯]


সম্মান প্রদর্শন পূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে,> সম্মান প্রদর্শনপূর্বক [বাকি অংশ বাক্যের গঠন ও পত্রের উদ্দেশ্য বিবেচনায় পরিহার্য।]


প্রসংগে> প্রসঙ্গে [প্রাগুক্ত]


পায়> পান [মানী সর্বনাম সমীচীন ছিল।]


ভাতা পায়> ভাতা পান [প্রাগুক্ত]


সরকারী> সরকারি [বিদেশি (ফারসি) উৎসের শব্দ। ঈ-কার পরিহার্য। আধুনিক বাংলা অভিধান, পৃষ্ঠা: ১৩০৪]


শিক্ষক পায়> শিক্ষক পান [প্রাগুক্ত]


৮ ম> ৮ম [অঙ্কের সঙ্গে ম য় ই ষ্ঠ প্রভৃতি প্রত্যয় সেঁটে বসে।]


শিক্ষক পায়> শিক্ষক পান [প্রাগুক্ত]


বাংলাদেশেই> বাংলাদেশে [বাক্য বিবেচনায়।]


পায়> পান [প্রাগুক্ত]


সহকারি> সহকারী [ইন্‌-প্রত্যয়ান্ত শব্দ। বানানে ঈ-কার অপরিহার্য। বাএআবঅ, পৃষ্ঠা: ১৩১০।]


১০ ম> ১০ম [প্রাগুক্ত]


পূনর্বহাল> পুনর্বহাল [পুনর্+বহাল; ঊ-কার পরিহার্য]


ম্যাজিষ্ট্রেট> ম্যাজিস্ট্রেট [স্ট=স্‌+ট]


পরিক্ষা> পরীক্ষা [ পরীক্ষা= পরি+ঈক্ষা). আধুনিক বাংলা অভিধান, পৃষ্ঠা: ৭৯৬]


আগের মত> আগের মতো [তুল্য, সদৃশ্য, যোগ্য, অনুযায়ী প্রভৃতি অর্থে ‘মতো’ লিখতে হয়। ‘মত’ শব্দের অর্থ অভিমত। বাএআবাঅ, পৃষ্ঠা: ১০৭০]


বৃত্তি পরিক্ষার> বৃত্তি পরীক্ষার [প্রাগুক্ত]


পূনর্বহাল> পুনর্বহাল [প্রাগুক্ত]


উপরোক্ত> উপর্যুক্ত [সংস্কৃত ‘উপরি’ শব্দের সঙ্গে সংস্কৃত ‘যুক্ত (√যুজ্+ত)’ শব্দের সন্ধি করলে পাওয়া যায় : “উপরি+যুক্ত= উপর্যুক্ত’’। তাই বৈয়াকরণগণ, ‘উপরোক্ত’ শব্দের পরিবর্তে ‘উপরিউক্ত’ বা ‘উপর্যুক্ত’ লেখা সমর্থন করে এই শব্দটিকে প্রমিত নির্দেশ করেছেন। যদিও বাংলামতে, উপরোক্ত লেখা দূষণীয় হবে না। তবে এটি স্বীকৃতি পায়নি। কিন্তু অশুদ্ধ প্রয়োগ হিসেবে প্রচলিত।]


মহোদয় সমীপে বিনীত আরজ উপরোক্ত বিষয়ে আপনার> উপর্যুক্ত বিষয়ে মহোদয়ের [বাক্য বিবেচনায় বাকি অংশ পরিহার্য।]

বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬

SHORTWAVE - শর্টওয়েভ পর্ব - ১

 SHORTWAVE - শর্টওয়েভ

পর্ব - ১


নমস্কার কেমন আছেন সবাই?, আশা করি ভালো আছেন। আমার আগের পোস্ট এর রেশ টেনে বলছি, যারা বলছেন শর্টওয়েভ এ শোনার মতো কোনো স্টেশন নেই বা শুধুই চাইনিজ স্টেশন তদের উদ্যেশে বলবো ঠিক সময় ঠিক ফ্রিকোয়েন্সিতে টিউন করলে প্রচুর স্টেশন শুনতে পাবেন। কিন্তু সমস্যা একটাই যে সঠিক শিডিউল কোথায় পাওয়া যাবে। আমি এবং আরো কিছু শ্রোতা লক্ষ্য করেছি যে বিভিন্ন ওয়েবসাইট, গ্রুপ, ইউটিউব চ্যানেল ও সোশ্যাল মিডিয়া তে প্রচুর ভুল শর্টওয়েভ শিডিউল ইনফরমেশন ছড়ানো হচ্ছে। 


তাই আমরা এবার ঠিক করেছি আপনাদের কাছে সঠিক তথ্য উপস্থাপন করবো যাতে সহজেই আপনার শর্টওয়েভ এ প্রচুর স্টেশন শুনতে পারেন। চেষ্টা করবো ভিডিও প্রমাণ সহ আপনাদের দেখানোর। তাই খাতা কলম নিয়ে নোট করে নিন।

ইবাদত কাকে বলে — কুরআন অনুযায়ী

 ইবাদত কাকে বলে — কুরআন অনুযায়ী


আমরা অনেক সময় ইবাদতকে কেবল নির্দিষ্ট কিছু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ মনে করি। 

কিন্তু কুরআনের বিশাল ক্যানভাসে ইবাদতের ধারণা অত্যন্ত ব্যাপক। যখন আমরা বলি, "আমরা কেবল আল্লাহর ইবাদত করি," তখন সেই ইবাদতের স্বরূপ কেমন হওয়া উচিত, তা কুরআনই আমাদের শিখিয়ে দিয়েছে।


ইবাদতের মূল সংজ্ঞা:

সহজ ভাষায়, সম্পূর্ণ কুরআন অনুসরণ করাই হচ্ছে ইবাদত। 

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা কুরআনে যা করতে আদেশ করেছেন তা পালন করা এবং যা থেকে নিষেধ করেছেন তা বর্জন করার মাধ্যমে নিজের ইচ্ছাকে আল্লাহর ইচ্ছার কাছে সমর্পণ করাই হলো প্রকৃত ইবাদত।


কুরআনের আলোকে ইবাদতের বিভিন্ন দিক:


১. সরাসরি রবের আনুগত্য ও ধৈর্য:


আল্লাহ, আখেরাত, ফেরেশতাগণ, কিতাব সমূহ ও নবীগনের প্রতি ঈমান আনার পর 

রবের সন্তুষ্টির জন্য সরাসরি তাঁর নির্দেশিত আমলগুলো করা ➖

সালাত প্রতিষ্ঠা করা, যাকাত দেয়া, প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা পূর্ণ করা, অর্থ-সংকটে, দুঃখ-কষ্টে ও সংগ্রাম-সংকটে ধৈর্য্য ধারণ করা।

    ( সূরা আল বাকারা আয়াত ১৭৭ )


২. আর্থিক ত্যাগ ও উৎসর্গ:


সম্পদ দান করা তার ভালবাসায় আত্বীয়-স্বজন,ইয়াতীম, অভাবগ্রস্ত, মুসাফির, সাহায্যপ্রার্থী ও দাসমুক্তির জন্য।


(সূরা আল বাকারা আয়াত ১৭৭)


"নিশ্চয় দানশীল পুরুষগণ ও দানশীল নারীগণ এবং যারা আল্লাহকে উত্তম দান করে তাদেরকে দেওয়া হবে বহুগুণ এবং তাদের জন্য রয়েছে সম্মানজনক প্রতিদান।" 

       (সূরা হাদীদ আয়াত ১৮)


৩. সমাজ সংস্কার ও ন্যায়ের প্রচার:


 সমাজকে সুন্দর করার জন্য কাজ করাও ইবাদত। 

আল্লাহ মুমিনদের শ্রেষ্ঠ জাতি বলেছেন কারণ তারা সৎ কাজের আদেশ দেয় এবং অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করে।


"তোমাদের মধ্যে এমন একদল হোক যারা কল্যাণের দিকে আহ্বান করবে এবং সৎ কাজের আদেশ দেবে ও অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করবে।" 

(সূরা আল-ইমরান: ১০৪, ১১০, ১১৪)


৪. চারিত্রিক সততা ও মানবিক মূল্যবোধ:


 ব্যক্তিগত জীবনে নৈতিকতা ও সততা বজায় রাখা ইবাদতের অপরিহার্য অংশ।


পিতা মাতার সাথে সদ্ব্যবহার করা, দারিদ্র্যের ভয়ে সন্তানদের হত্যা না করা, প্রকাশ্যে হোক কিংবা গোপনে হোক, অশ্লীল কাজের ধারে-কাছেও না যাওয়া, যথার্থ কারণ ছাড়া কাউকে হত্যা না করা, ইয়াতীমদের সম্পদের ধারে-কাছেও না যাওয়া, পরিমাপ ও ওজন ন্যায্যভাবে পুরোপুরি দেয়া, ন্যায্য কথা বলা স্বজনদের সম্পর্কে হলেও ।

  (সূরা আন'আম আয়াত ১৫১-১৫২)


৫. সৃষ্টির সেবা ও উত্তম আচরণ:


আল্লাহর ইবাদতের পাশাপাশি প্রতিবেশী ও অভাবী মানুষের সাথে সদ্ব্যবহার করা কুরআনের এক অমোঘ নির্দেশ।


আর তোমরা আল্লাহর ইবাদাত কর ও কোন কিছুকে তার শরীক করো না ; এবং পিতা-মাতা , আত্মীয়-স্বজন , ইয়াতীম, অভাবগ্রস্থ , নিকট প্রতিবেশী , দুর-প্রতিবেশী , সঙ্গী-সাথী , মুসাফির ও তোমাদের অধিকারভুক্ত দাস-দাসীদের প্রতি সদ্ব্যবহার করো।

 নিশ্চয়ই আল্লাহ পছন্দ করেন না দাম্ভিক, অহংকারীকে।


(সূরা আন-নিসা আয়াত ৩৬)


স্পষ্টতা ও সতর্কতা:


অনেকে মনে করেন দুনিয়াদারী আর ইবাদত দুটি আলাদা জগত।

 কিন্তু কুরআন অনুযায়ী, আপনি যখন কুরআনের আইন মেনে ন্যায়বিচার করেন, ওজনে কম দেন না, এতিমের হক রক্ষা করেন কিংবা পরিবারের যত্ন নেন—তখন সেই প্রতিটি মুহূর্তই 'ইবাদত' হিসেবে গণ্য হয়।

 অর্থাৎ, ইবাদত হলো জীবনের ২৪ ঘণ্টার একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন।


কুরআন মজিদ আমাদের শেষ কথাটি বলে দিয়েছে:

"বলুন, নিশ্চয়ই আমার সালাত, আমার কোরবানি, আমার জীবন ও আমার মরণ—সবই মহাবিশ্বের পালনকর্তা আল্লাহর জন্য।" 

(সূরা আন-আম আয়াত ১৬২)


আল্লাহ আমাদের সবাইকে কুরআনের এই পূর্ণাঙ্গ ইবাদত পালনের তৌফিক দান করুন।


এপ্রিল ১৯,২০২৬.

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২১-০৪-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২১-০৪-২০২৬ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় কোনো হস্তক্ষেপ করবে না --- বিভিন্ন পত্রিকার মালিক ও প্রকাশকদের সঙ্গে বৈঠকে বললেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হলো আজ --- প্রশ্নফাঁস ও গুজব রোধে সাইবার নজরদারি জোরদার হয়েছে --- বললেন শিক্ষামন্ত্রী।


বর্তমান সরকার বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করেছে ৯০ দশমিক ছয়-ছয় মিলিয়ন ডলার  --- সংসদে অর্থমন্ত্রীর তথ্য প্রকাশ।


দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে --- ‘প্যানিক বায়িং’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টার। 


মাদক ও তামাকজাত দ্রব্যের বিস্তার রোধে সচেতনতা বৃদ্ধির তাগিদ দিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।


চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে ১ লাখ টন ডিজেল ও অকটেনবাহী ৩ ট্যাংকার।


আগামীকাল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি শেষ হচ্ছে --- পুনরায় যুদ্ধ শুরু হলে  নতুন পদ্ধতিতে এর মোকাবেলা করার হুঁশিয়ারি ইরানের।


এবং আগামীকাল রাজশাহীতে বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কা নারী ক্রিকেট দলের মধ্যে দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

অবশেষে নহাটা বাজারের দুলাল কসাইয়ের সরকারিভাবে তদন্ত প্রতিবেদন চুড়ান্ত হলো,

 অবশেষে নহাটা বাজারের দুলাল কসাইয়ের সরকারিভাবে তদন্ত প্রতিবেদন চুড়ান্ত হলো, সরকারি নিয়মনীতি অনুযায়ী ব্যবস্থা হবে তার, অসুস্থ গরু জবাই করার জন্য এবং সেই অসুস্থ গরুর গোশত জনসাধারণের মাঝে বিক্রি করে খাওয়ানোর জন্য এবং নিউজ সংগ্রহ করার সময় সাংবাদিকদের হেনস্থা ও অপমান করার শাস্তি ও জরিমানা। 


ভূমিকাঃ

গত ০৪/০১/২০২৬ ইং তারিখ আনুমানিক রাত ১২.০০ ঘটিকার সময় শালিখা উপজেলার মধুখালী গ্রামের জনৈক বাশার মীরের নিকট থেকে কসাই দুলাল মিয়া একটি গাভী ক্রয় করে এবং জবাই করে নহাটা বাজারে এনে মায়ের দোয়া গোশত ভান্ডারে সাধারন জনগনের মাঝে গোস্ত বিক্রি করে, গাভীটি অসুস্থ ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় পচন ধরে ছিলো বলে জনাব ফারুক আহমেদ, সভাপতি মাগুরা সংবাদিক ইউনিয়ন লিখিতভাবে অভিযোগ করেন। উক্ত বিষয়ে তদন্তের জন্য সরকারি ভাবে তারিখঃ ১৭/০২/২০২৬ ইং এর মাধ্যমে ০৩ (তিন) সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত বোর্ড গঠন করা হয়। উক্ত বোর্ডের সদস্য ছিলেন


০১। ডাঃ কাজী মোঃ আবু আহসান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, মহম্মদপুর, মাগুরা

০২। অচিন্ত্য সাহা, জেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর (ভারপ্রাপ্ত), সিভিল সার্জন অফিস, মাগুরা,

০৩। ডাঃ জাকারিয়া ইসলাম, মেডিকেল অফিসার, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মহম্মদপুর, মাগুরা

-সদস্য, -সদস্য সচিব। কার্যবিবরণীঃ - সভাপতি।


সরকারি কর্মকর্তা মাগুরা মহোদয়ের স্মারক এর মাধ্যমে প্রাপ্ত নির্দেশনা মোতাবেক গত ২২/০২/২০২৬ ইং তারিখে সকাল ১১.০০ ঘটিকার সময় আমরা উপরোল্লিখিত তদন্ত বোর্ডের ০৩ (তিন) সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি নহাটা বাজারে অবস্থিত কসাই দুলাল শেখের মায়ের দোয়া গোশত ভান্ডারে যাই এবং সেখানে গিয়ে প্রথমে কসাই দুলাল শেখের সাথে কথা বলি।


দুলাল শেখ জানান যে, গত ০৪/০১/২০২৬ ইং তারিখ শালিখা উপজেলার মধুখালী গ্রামের জনৈক বাশার মীরের নিকট থেকে তিনি একটি গভী গরু ক্রয় করেন জবাই করে নহাটা বাজারে এনে মায়ের দোয়া গোশত ভান্ডারে বিক্রয় করেন। তিনি আরো জানান গরুটি পা ভাঙ্গা ছিলো। পা ভাঙ্গা থাকায় গরুটি ক্রয় করে নহাটা নিয়ে আসা সম্ভব হয়নি বিধায় বিক্রেতার বাড়িতেই গরুটি জবাই করে গোশত নহাটা বাজারে আনা হয়। সাংবাদিকদের অভিযোগের বিষয়ে তাকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি জানান যে, গত ০৪/০১/২০২৬ ইং তারিখে তিনি দোকানে উপস্থিত ছিলেন। তখন কতিপয় সাংবাদিক মোঃ দুলাল মিয়ার গোশতের দোকানে আসে এবং তার সাথে অসুস্থ গরু জবাই নিয়ে বাক বিতন্ডা হয়। পরবর্তীতে সাংবাদিকগন দুলাল মিয়ার সহিত মোবাইলে যোগাযোগ করেন এবং বিভিন্ন সময়ে অর্থ দাবী করেন। দুলাল মিয়া সাংবাদিকগণকে নহাটা বাজারে আসতে বলেন এবং সাংবাদিকগণ নহাটা বাজারে আসলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং বাজার থেকে কতিপয় ব্যক্তি সাংবাদিকগণকে মারতে উদ্যত হয়। মোঃ এনামুল হক পরিস্থিতি শান্ত করেন এবং সাংবাদিক গণকে সেখান থেকে সরিয়ে দেন। রোগাক্রান্ত গরু জবাই সম্পর্কে তিনি বলেন, এই ধরনের তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। অভিযোগকারী সাংবাদিক প্রায়শই তার কাছে অর্থ দাবী করতেন এবং এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বর্ণিত সাংবাদিক মোঃ দুলাল মিয়ার নিকট ১০০০০/- (দশ) হাজার টাকা দাবী করেছেন, টাকা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করার কারণে তারা এই কাজ করেছেন।


প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্যঃ

কসাই দুলাল মিয়ার সহিত কথা বার্তার সময় সেখানে আনুমানিক ৪০/৫০ জন লোক উপস্থিত হয়। উপস্থিত লোকেরা প্রত্যেকেই অসুস্থ গরু বা রোগাক্রান্ত গরু জবাইয়ের তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে। গত ০৪/০১/২০২৬ ইং তারিখে কতিপয় সাংবাদিক মোঃ দুলাল মিয়ার গোশতের দোকানে আসে এবং তার সাথে অসুস্থ গরু জবাই নিয়ে অবৈধভাবে টাকা দাবী করেন এবং বিষয়টি নিয়ে ঝামেলা করেন। পরবর্তীতে সাংবাদিকগণ পুরনায় নহাটা বাজারে আসলে দুলাল শেখ এবং সাংবাদিকদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং বাজার থেকে কতিপয় ব্যক্তি সাংবাদিকগণকে মারতে উদ্যত হয়। মোঃ এনামুল হক পরিস্থিতি শান্ত করেন এবং সাংবাদিকগণকে সেখান থেকে সরিয়ে দেন।


পরবর্তীতে আমরা তদন্ত বোর্ডের ০৩ (তিন) সদস্য বিশিষ্ট কমিটি শালিখা উপজেলার মধুখালী গ্রামে যাই এবং গরুর মালিক আবুল বাশার মীরের সাথে কথা বলি।


জিজ্ঞাসাবাদে আবুল বাশার মীর জানান যে, ০৪/০১/২০২৬ ইং তারিখের ৩/৪ দিন আগে গরুটি গোয়াল ঘর থেকে বের করার সময় পা পিছলে গোয়ল ঘরের ভিতরে পড়ে যায়। অনেক চেষ্টা করেও গরুটি তুলতে পারেননি তিনি। পরে তিনি নালিয়া বাজারে পশু ডাঃ এর পরামর্শ নেন। পশু ডাঃ জানান যে, গরুটির পায়ের হাড়/কটি ভেঙ্গে গিয়েছে। চিকিৎসায় গরুটি সুস্থ করা সম্ভব নয়। পরবর্তীতে তিনি গরু বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেন এবং কসাইয়ের কাছে ৬০০০০ টাকায় গরুটি বিক্রয় করেন। পা ভাঙ্গা থাকায় গরুটি কসাই তার বাড়ীতেই জবাই করেন এবং গোশত নিয়ে যান। আবুল বাশার মীর এর প্রতিবেশীদের সাথে কথাবার্তা বলে জানা যায়, গরুটির পড়ে গিয়ে পা ভেঙ্গে যায়। ২/৩ দিন গরুটি পা ভাঙ্গা অবস্থায় গোয়ালে ছিলো তবে অন্য কোন অসুস্থতা বা পচন ধরা ছিলো না। পরবর্তীতে গরুটি বাশার মীর কসাইয়ের কাছে বিক্রয় করে দেন।


পরবর্তীতে নালিয়া বাজারের পশু চিকিৎসক মোঃ আল-আমিনের সাথে কথা বলি। আল-আমিন জানান, গত মাস খানিক আগে বাশার মীর তাকে গরু অসুস্থতার কথা জানালে তিনি গরুটি দেখতে যান। তিনি গরুটি দেখে জানান যে, গরুটির পায়ের হাড়/কটি ভেঙ্গে গিয়েছে। তাছাড়া গরুটির অন্য কোন অসুস্থতা ছিলো না বা পচন ধরা ছিলো না।


সরেজমিনে তদন্ত পূর্বক মতামতঃ

১। আবুল বাশার মীর গরুটি ৬০০০০/- টাকায় কসাই দুলাল মিয়ার কাছে বিক্রয় করেন।


২। গরুটি পা ভাঙ্গা ছিলো তবে অন্য কোন অসুস্থতা বা পচন ধরা ছিলো না।


৩। গরুটি পা ভাঙ্গা থাকার কারনে কসাই বাশার মীরের বাড়ীতেই গরুটি জবাই করা হয়।


৪। গরু বা পশু জীবিত অবস্থায় সুস্থ কি না সেটা প্রত্যয়নের দায়িত্ব প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের জবাইয়ের পরে গোশত ভালো অথবা নষ্ট সেটা প্রত্যয়নের দায়িত্ব স্বাস্থ্য বিভাগে কর্তব্যরত স্যানিটারী ইন্সপেক্টরের।


ডাঃ জাকারিয়া ইসলাম মেডিকেল অফিসার

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মহম্মদপুর, মাগুরা ও সদস্য সচিব, তদন্ত বোর্ড অচিন্ত্য সাহা

জেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর (ভারঃ), সিভিল সার্জন অফিস মাগুরা ও সদস্য, তদন্ত বোর্ড ডাঃ কাজী মোঃ আবু আহসান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, মহম্মদপুর, মাগুরা ও সভাপতি, তদন্ত বোর্ড।


Basic News 24

News Editor, Faruk Ahamed

ফেইসবুক থেকে কপি করা 

মৃত্যু ব্যাক্তিকে গোসল করানোর নিয়ম ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 মৃত ব্যক্তিকে গোসল করিয়েছেন কখনো? কিংবা নিয়মগুলো জানা আছে? প্রত্যেক মাঁ-বোনের জানা মহা-জরুরী। ❑ এটা অনেক ফজিলতপূর্ণ কাজ। আর বর্তমানে গ্রাম...