এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬

কোরানকে পাশ কাটিয়ে হিজাব নিয়ে মুসলমানদের বাড়াবাড়ি কখনো তাকওয়ার পথ নয়।,,,,,, হেজবুদ তাওহিদ ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 কোরানকে পাশ কাটিয়ে হিজাব নিয়ে মুসলমানদের বাড়াবাড়ি কখনো তাকওয়ার পথ নয়।

===== ==== ==== ==== ==== 


দৃষ্টি সংযত করা, পবিত্রতা রক্ষা করা, তাকওয়ার পোশাক এবং শালীনতা: কুরআন-কেন্দ্রিক একটি বিশ্লেষণ


ইসলামে নারীর পোশাক নিয়ে আলোচনা প্রায়ই পোশাক দিয়েই শুরু হয়। কিন্তু কুরআন বিষয়টি শুরু করেছে আরও গভীর বিষয় দিয়ে—ঈমান, আত্মসংযম, আল্লাহ-সচেতনতা (তাকওয়া) এবং ব্যক্তিগত দায়িত্ববোধ।


নারীদের পোশাক সম্পর্কে নির্দেশ দেওয়ার আগে আল্লাহ প্রথমে মুমিন পুরুষদের দৃষ্টি সংযত করতে এবং তাদের পবিত্রতা রক্ষা করতে নির্দেশ দিয়েছেন। এরপরই মুমিন নারীদেরও একই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তারপর পোশাক সম্পর্কে বলা হয়েছে। এই ধারাবাহিকতা গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি দেখায় যে কুরআনের দৃষ্টিতে শালীনতা শুরু হয় মানুষের নিজের আচরণ ও নৈতিক দায়িত্ব থেকে।


এই প্রবন্ধে কুরআনের প্রাসঙ্গিক আয়াতগুলো কুরআন-কেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গিতে আলোচনা করা হয়েছে, যেখানে কুরআনের স্পষ্ট বক্তব্য এবং পরবর্তী ব্যাখ্যার মধ্যে পার্থক্য বজায় রাখা হয়েছে।


১. শালীনতার ভিত্তি: দৃষ্টি সংযত করা এবং পবিত্রতা রক্ষা করা**


আল্লাহ বলেন:


"মুমিন পুরুষদের বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি সংযত রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে। এটি তাদের জন্য অধিক পবিত্র। নিশ্চয়ই তারা যা করে, আল্লাহ সে সম্পর্কে অবগত।"


(কুরআন অধ্যায় ২৪: ৩০)


কুরআন প্রথমে মুমিন পুরুষদের উদ্দেশ্যে কথা বলেছে। নারীর পোশাক সম্পর্কে কোনো আলোচনা করার আগে পুরুষদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে—


* দৃষ্টি সংযত করতে।


* পবিত্রতা রক্ষা করতে।


এতে বোঝা যায় যে পুরুষ নিজের আচরণ, চিন্তা, দৃষ্টি এবং আকাঙ্ক্ষার জন্য নিজেই দায়ী। কুরআন শালীনতার আলোচনা অন্যের বাহ্যিক রূপ দিয়ে শুরু করেনি; বরং ব্যক্তিগত আত্মসংযম দিয়ে শুরু করেছে।


১. নারীদের জন্যও একই নৈতিক দায়িত্ব


পুরুষদের নির্দেশ দেওয়ার পরপরই আল্লাহ বলেন:


"আর মুমিন নারীদের বলুন, তারা যেন তাদের দৃষ্টি সংযত রাখে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে, আর তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে—যা স্বাভাবিকভাবে প্রকাশ পায় তা ছাড়া—এবং তারা যেন তাদের খুমুর তাদের বক্ষদেশের উপর টেনে দেয়..."


(কুরআন ২৪ অধ্যায়: ৩১)


পুরুষদের মতো নারীদেরও প্রথমে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে—


*দৃষ্টি সংযত করতে।


*পবিত্রতা রক্ষা করতে।


এরপর কুরআন পোশাকের বিষয় উল্লেখ করেছে।


খুমুর (خُمُر) শব্দের অর্থ হলো "আবরণ বা ঢাকার বস্তু"। এই আয়াতে নারীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাদের খুমুর বক্ষদেশের উপর টেনে দিতে।


এই আয়াতে সরাসরি বলা হয়নি—


* চুল ঢাকো।


* মাথা ঢাকো।


* মুখ ঢাকো।


এই আয়াতে কি অতিরিক্ত কোনো আবরণ বোঝায় কি?


১. তাকওয়ার পোশাক: শালীনতার অন্তর্নিহিত ভিত্তি


আল্লাহ বলেন:


"হে আদমসন্তান! আমি তোমাদের জন্য পোশাক নাযিল করেছি, যা তোমাদের লজ্জাস্থান আবৃত করে এবং সৌন্দর্যের উপকরণ। আর তাকওয়ার পোশাক—সেটিই সর্বোত্তম। এগুলো আল্লাহর নিদর্শন, যাতে তারা উপদেশ গ্রহণ করে।"


(কুরআন অধ্যায় ৭:২৬)


লিবাসুত তাকওয়া (لِبَاسُ التَّقْوَى) অর্থ হলো: "তাকওয়ার পোশাক", অর্থাৎ আল্লাহ-সচেতনতা ও নৈতিকতার পোশাক।


এই আয়াত দেখায় যে বাহ্যিক পোশাকের যেমন উদ্দেশ্য আছে, তেমনি মানুষের অন্তরের গুণাবলিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাকওয়া বলতে বোঝায়—


* আল্লাহর উপস্থিতি সম্পর্কে সচেতন থাকা।


* সৎ ও ন্যায়পরায়ণ হওয়া।


* আত্মসংযম বজায় রাখা।


* নৈতিক জীবনযাপন করা।


কুরআনের দৃষ্টিতে প্রকৃত শালীনতার ভিত্তি হলো মানুষের অন্তরের অবস্থা ও চরিত্র।


১. বাইরের পোশাক (জিলবাব)


আল্লাহ বলেন:


"হে নবী! আপনার স্ত্রীগণ, আপনার কন্যাগণ এবং মুমিন নারীদের বলুন, তারা যেন তাদের জিলবাব নিজেদের উপর টেনে দেয়। এটি অধিক উপযুক্ত, যাতে তারা পরিচিত হয় এবং কষ্টের শিকার না হয়। আর আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু।"


(কুরআন অধ্যায় ৩৩: ৫৯)


"জালাবিব (جَلَابِيب)" হলো "জিলবাব (جلباب)" -এর বহুবচন। এর অর্থ হলো বাইরের পোশাক, চাদর, আবরণ বা উপর পরিধান করা পোশাক।


এই আয়াতে নারীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তাদের বাইরের পোশাক নিজেদের উপর টেনে নিতে এবং এর উদ্দেশ্য বলা হয়েছে:


"...যাতে তারা পরিচিত হয় এবং কষ্টের শিকার না হয়।"


কুরআন এখানে জিলবাবকে স্পষ্টভাবে মাথা ঢাকার বা মুখ ঢাকার পোশাক হিসেবে বর্ণনা করেনি।


"যাতে তারা পরিচিত হয়"—এই বাক্যাংশ বিভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। একটি সম্ভাব্য ব্যাখ্যা হলো, পরিচিত হওয়ার জন্য সাধারণত মুখ দৃশ্যমান থাকা প্রয়োজন। যদি মুখ সম্পূর্ণ আবৃত থাকে, তাহলে প্রশ্ন উঠতে পারে:


"তাহলে তারা কীভাবে পরিচিত হবে?"


১. কুরআন স্পষ্টভাবে কী নির্দেশ দিয়েছে?


## মুমিন পুরুষদের জন্য:


* দৃষ্টি সংযত করা।


* পবিত্রতা রক্ষা করা।


## মুমিন নারীদের জন্য:


* দৃষ্টি সংযত করা।


* পবিত্রতা রক্ষা করা।


* সৌন্দর্য প্রকাশ না করা, যা স্বাভাবিকভাবে প্রকাশ পায় তা ছাড়া।


* খুমুর (আবরণ) বক্ষদেশের উপর টেনে দেওয়া।


* জিলবাব (বাইরের পোশাক) নিজেদের উপর পরিধান করা।


১. কুরআন স্পষ্টভাবে কী বলেনি?


কুরআনে সরাসরি নির্দেশ নেই যে নারীদের—


* চুল ঢাকতে হবে।


* মাথা ঢাকতে হবে।


* মুখ ঢাকতে হবে।


* নিকাব পরতে হবে।


এই নির্দিষ্ট নির্দেশগুলো কুরআনের সরাসরি বক্তব্যে উল্লেখ নেই।


শেষ কথা 


কুরআন শালীনতাকে একটি পূর্ণাঙ্গ নৈতিক নীতি হিসেবে উপস্থাপন করে, যার ভিত্তি হলো—


দৃষ্টি সংযত করা, পবিত্রতা রক্ষা করা, আল্লাহ-সচেতনতা (তাকওয়া) এবং ব্যক্তিগত দায়িত্ব।


শালীনতা সম্পর্কে কুরআনের প্রথম নির্দেশ নারীর পোশাক নয়; বরং মুমিন পুরুষদের দৃষ্টি সংযত করা এবং পবিত্রতা রক্ষা করা। এরপর মুমিন নারীদেরও একই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তারপর পোশাকের বিষয় এসেছে।


কুরআন শিক্ষা দেয় যে "তাকওয়ার পোশাক"—অর্থাৎ আল্লাহ-সচেতনতা ও নৈতিকতার পোশাক—হলো সর্বোত্তম পোশাক। একই সঙ্গে নারীদের তাদের খুমুর বক্ষদেশের উপর টেনে দিতে এবং জিলবাব নিজেদের উপর পরিধান করতে বলা হয়েছে, যার উদ্দেশ্য বলা হয়েছে—"যাতে তারা পরিচিত হয় এবং কষ্টের শিকার না হয়।"


একই সময়ে কুরআনের আয়াতে বলা হয়নি যে নারীদের অবশ্যই চুল, মাথা বা মুখ ঢাকতে হবে। 


সামগ্রিকভাবে কুরআনের শিক্ষা হলো—প্রকৃত শালীনতা শুরু হয় মানুষের অন্তর, দৃষ্টি, চরিত্র এবং আচরণ থেকে। পোশাক শালীনতার একটি অংশ, কিন্তু এর মূল ভিত্তি হলো ঈমান, আত্মসংযম, নৈতিকতা এবং আল্লাহর প্রতি সচেতনতা।

হিজবুত তাউহিদ ফেইসবুক থেকে নেওয়া

একাত্তরের ৫ অক্টোবরের রাত। সেদিন ছিল পবিত্র শবে বরাত

 একাত্তরের ৫ অক্টোবরের রাত। সেদিন ছিল পবিত্র শবে বরাত। অথচ সেই পবিত্র রাতেই পা/কিস্তানি সে/না/দের অ/মানবিক ও নি/র্মম শা/রীরিক নি/র্যা/তনে শহীদ হন লুৎফুন নাহার হেলেনা।


এর আগে মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার একটি গ্রাম থেকে শিশুপুত্রসহ তাঁকে দিনের বেলা আ/টক করে রা/জা/কা/ররা। পরে তাঁকে মাগুরা শহরে এনে পা/কি/স্তান সে/নাবা/হি/নীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। হ//ত্যার পরও থামেনি নি/ষ্ঠুরতা। পা/কিস্তানি সে/নারা তাঁর ম/রদে/হ জিপের পেছনে বেঁ/ধে টেনে নিয়ে যায় শহরের অদূরে নবগঙ্গা নদীর ডাইভারশন ক্যানেলে। সেখানেই ফে/লে দেওয়া হয় তাঁর ক্ষ/তবি/ক্ষ/ত  ম/রদে/হ।


ম/র্মান্তিক এই ঘটনার বিবরণ পাওয়া যায় তাঁর স্বামী আলী কদরের রচনায়। তিনি লিখেছেন, ‘হেলেনের মৃ/ত্যুঘটনা ছিল করুণ ও ম/র্মান্তিক।


[…] মহম্মদপুর থানার এক গ্রামে অবস্থানকালে রা/জা/কার ও ঘা/তক দা/লালদের গু/প্তচরের সহায়তায় হেলেন ২ বছর ৫ মাস বয়স্ক শিশু পুত্র দিলীরসহ রা/জা/কারদের হাতে ধ/রা পড়ে গেলে তাকে তারা সরাসরি নিয়ে আসে মাগুরা শহরে।


এরপর পা/কিস্থান বা/হিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে তাকে সো/পর্দ করা হয় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য।


হেলেনের এই দুঃসংবাদে তার বৃদ্ধ পিতা ও কতিপয় আত্মীয়স্বজন দুগ্ধপোষ্য শিশুর মাতা হেলেনের মুক্তির জন্য শত অনুরোধ সত্ত্বেও রা/জা/কা/র ও ঘাতক দা/লালরা তার মুক্তির ব্যাপারে সব চাইতে বেশি বা/ধা সৃষ্টি করে।


আলোচনায় পা/কবা/হিনী কর্মকর্তাকে জানায় যে, হেলেন মাগুরার বা/মপন্থি নেতা মাহফুজুল হক সাহেবের বোন এবং মহম্মদপুর এলাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের বা/হিনী প্রধান বা/মপন্থি নেতা আলী কদরের স্ত্রী। সুতরাং তার মুক্তির প্রশ্নই ওঠে না।


ঐ রাতেই তারা হেলেনের শিশু পুত্র দিলীরের করুণ-কান্নাকে উপেক্ষা করে তাকে মায়ের কোল থেকে বিচ্ছিন্ন করে পাঠিয়ে দেয় নানা বাড়িতে।


তারপর অ/মানবিক নি/র্মম শা/রীরিক নি/র্যা/তন চালিয়ে হ//ত্যা করে হেলেনকে।’ (স্মৃতিঃ ১৯৭১, অষ্টম খণ্ড, প্রথম প্রকাশ ১৯৯৫, সম্পাদনা রশীদ হায়দার)।


লুৎফুন নাহার হেলেনা ‘হেলেন’ নামেও পরিচিত ছিলেন। 


লুৎফুন নাহার হেলেনার জন্ম ১৯৪৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর মাগুরা শহরে। তাঁর বাবা মুহাম্মদ ফজলুল হক এবং মা মোসাম্মৎ ছফুরা খাতুন। পাঁচ ভাই ও নয় বোনের মধ্যে বোনদের মধ্যে তিনি ছিলেন ষষ্ঠ। মেধাবী ছাত্রী হেলেনা বাবার কাছ থেকেই বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলেন। ১৯৬৮ সালে বিএ পাস করে মাগুরা গার্লস হাইস্কুলে, বর্তমানে সরকারি গার্লস হাইস্কুল, সহকারী শিক্ষিকা হিসেবে যোগ দেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি মাগুরার বা/ম রাজনী/তিতেও সক্রিয় ছিলেন তিনি।


তিনি পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়নের মাগুরা আঞ্চলিক শাখার নেত্রী এবং মাগুরা কলেজের ছাত্রী সংসদের মহিলা কমনরুম সম্পাদিকা ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধকালে জীবনের ঝুঁ/কি নিয়ে পা/কিস্তান সে/নাবা/হিনী ও তাদের সহযোগীদের কর্মসূচির সংবাদ তাঁর মুক্তিযোদ্ধা স্বামীর কাছে পাঠাতেন। ১৯৭১ সালের সেপ্টেম্বরে সক্রিয়ভাবে মুক্তিযুদ্ধের কাজে মহম্মদপুর এলাকায় গিয়ে নারীদের, বিশেষত ভূমিহীন গরিব কৃষক পরিবারের নারীদের অনুপ্রাণিত করতেন। পাশাপাশি স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের খাওয়া-দাওয়া, দেখাশোনা ও অসুস্থদের সেবাযত্নে সহযোগিতা করতেন। 


‘…হেলেনের মৃ/ত্যু হয় ১৯৭১-এর ৫ অক্টোবর রাত্রিবেলায়। ঐ রাত ছিল সকল মুসলমানদের এক পবিত্র রাত শব-ই-বরাত।


একাত্তরে পা/কিস্তানি হা/নাদার বা/হিনী ও তাদের এদেশীয় সহযোগীদের নৃ/শং/সতা থেকে রে/হাই পায়নি কোনো বিশেষ দিন, ধর্ম, বর্ণ কিংবা গোত্রের মানুষ। পবিত্র শবে বরাতের রাতও থামাতে পারেনি তাদের নি/র্মম/তা। সেই রাতেই তাঁদের নি/ষ্ঠু/রতার শি/কার হয়ে শহীদ হন লুৎফুন নাহার হেলেনা।


বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ লুৎফুন নাহার হেলেনার প্রতি স্যালুট ও বিনম্র শ্রদ্ধা। 🙏🌹🖤🇧🇩 

আল্লাহ তায়ালা তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন।


সৌজন্যে: বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র


#bdcs #LutfunNaharHelena ##liberationwar1971 #মুক্তিযুদ্ধ #বাদুছস  #itihaserkhojegiridhar #giridhardey #গিরিধরদে #বাংলাদেশের_দুষ্প্রাপ্য_ছবি_সমগ্র #ইতিহাসেরখোঁজেগিরিধর

বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬

শেষ দশ সূরার গল্প — প্রতিদিন যা পড়ি, অথচ সুতোটা দেখি না ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 শেষ দশ সূরার গল্প — প্রতিদিন যা পড়ি, অথচ সুতোটা দেখি না

---------------------------------------------------


সূরা ফীল থেকে সূরা নাস—কুরআনের শেষ দশটি সূরা আমাদের সবচেয়ে বেশি মুখস্থ। নামাজে ঘুরেফিরে এগুলোই পড়ি। কিন্তু কখনো কি খেয়াল করেছেন, এই দশটি সূরা আসলে একটাই গল্প বলছে—একটার পর একটা, নিখুঁত ধারাবাহিকতায়? আজ সেই সুতোটা ধরিয়ে দিচ্ছি। ইনশাআল্লাহ, এরপর থেকে এই সূরাগুলো তিলাওয়াতের অভিজ্ঞতাই বদলে যাবে।


পুরো গল্পটা বুঝতে আপনাকে শুধু একটা জিনিস মনে রাখতে হবে—ইবরাহীম (আ)-এর দুআ। কাবা নির্মাণের সময় তিনি মক্কার জন্য দুটি জিনিস চেয়েছিলেন: এই শহর যেন নিরাপদ থাকে, আর এর অধিবাসীরা যেন ফলমূলের রিজিক পায়। নিরাপত্তা এবং সমৃদ্ধি। ব্যস, এবার গল্প শুরু।


সূরা ফীল: আল্লাহ তাঁর প্রতিশ্রুতির প্রথম অংশ রক্ষা করলেন। হাতির বাহিনী নিয়ে আবরাহা এলো কাবা ধ্বংস করতে—আল্লাহ আবাবিল পাখি দিয়ে তাদের চিবানো ঘাসের মতো করে দিলেন। মক্কা রইলো নিরাপদ।


সূরা কুরাইশ: প্রতিশ্রুতির দ্বিতীয় অংশ। رِحْلَةَ الشِّتَاءِ وَالصَّيْفِ—শীত ও গ্রীষ্মের বাণিজ্য সফর। কুরাইশদের ব্যবসা চলে নির্বিঘ্নে, ক্ষুধায় তিনি খাদ্য দিলেন, ভয় থেকে দিলেন নিরাপত্তা। সমৃদ্ধিও পূর্ণ হলো। তাহলে দাঁড়ালো—ফীল ও কুরাইশ হলো ইবরাহীম (আ)-এর দুআর দুই ডানা।


সূরা মাউন: কিন্তু এবার প্রশ্ন—আল্লাহ তো তাঁর দিক থেকে প্রতিশ্রুতি রাখলেন; ইবরাহীমের যে সন্তানেরা এখন কাবার দায়িত্বে, তারা কি তাদের দিকটা রেখেছে? উত্তর: না।


أَرَأَيْتَ الَّذِي يُكَذِّبُ بِالدِّينِ ۝ فَذَلِكَ الَّذِي يَدُعُّ الْيَتِيمَ ۝ وَلَا يَحُضُّ عَلَى طَعَامِ الْمِسْكِينِ

আপনি কি তাকে দেখেছেন, যে দ্বীনকে অস্বীকার করে? সে-ই তো ইয়াতিমকে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেয়, আর মিসকিনকে খাবার দিতে উৎসাহিত করে না।


ইয়াতিমকে দূরে ঠেলে দেওয়া, লোক দেখানো নামাজ—এই হলো তাদের অবস্থা। সূরা মাউন যেন আদালতে পেশ করা প্রমাণ: কুরাইশরা ইবরাহীমের উত্তরাধিকারের যোগ্য নয়।


সূরা কাউসার: তারা যদি যোগ্য না হয়, তাহলে যোগ্য কে? উত্তর এলো—إِنَّا أَعْطَيْنَاكَ الْكَوْثَرَ—নিশ্চয়ই আমি আপনাকে কাউসার দান করেছি। কাবার প্রকৃত উত্তরাধিকারী হলেন রাসূলুল্লাহ (স)। কেন? কারণ তিনিই ইবরাহীম (আ)-এর আদর্শকে পুনরুজ্জীবিত করবেন। আর সেই আদর্শের সারকথা এই সূরাতেই: فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْحَرْ—আপনার রবের জন্য নামাজ পড়ুন এবং কুরবানী করুন। নামাজ আর কুরবানী—ভেবে দেখুন, এই দুটোই তো ইবরাহীম (আ)-এর জীবনের সারমর্ম! যে কুরবানীর প্রস্তুতি তাঁকে এই ঘর নির্মাণের যোগ্য বানিয়েছিল, আর নির্মাণের সময় যাঁর দুআ ছিল—হে রব, আমাকে ও আমার বংশধরদের নামাজ প্রতিষ্ঠাকারী বানান।


সূরা কাফিরুন: এখন সমস্যা হলো, যোগ্য আর অযোগ্য—দুই পক্ষই এক শহরে, এক কাবা ঘিরে। বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে সবাই বুঝি একই ধর্মের। তাই এবার এলো প্রকাশ্য বিচ্ছেদের ঘোষণা:


قُلْ يَا أَيُّهَا الْكَافِرُونَ... لَكُمْ دِينُكُمْ وَلِيَ دِينِ

বলুন, হে কাফেরগণ... তোমাদের দ্বীন তোমাদের, আমার দ্বীন আমার।


উপাসনালয় এক হলেও ধর্ম এক নয়। আর সেই যুগে গোত্রের আনুগত্য ত্যাগ করার অর্থ কী জানেন? যে গোত্র আপনার নিরাপত্তার একমাত্র ঢাল, তাকেই প্রতিপক্ষ বানিয়ে ফেলা। কাফিরুন ঘোষণার পর সংঘাত অনিবার্য হয়ে গেলো।


সূরা নাসর: আর সংঘাত হলে কেউ জিতবে, কেউ হারবে। কে জিতবে? إِذَا جَاءَ نَصْرُ اللَّهِ وَالْفَتْحُ—যখন আল্লাহর সাহায্য ও বিজয় আসবে... وَرَأَيْتَ النَّاسَ يَدْخُلُونَ فِي دِينِ اللَّهِ أَفْوَاجًا—আর আপনি দেখবেন, মানুষ দলে দলে আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করছে। ভাবুন, এই প্রতিশ্রুতি যখন আসছে, মুসলিমরা তখন নির্যাতিত সংখ্যালঘু!


সূরা মাসাদ (আরেক নাম সূরা লাহাব): এত বড় প্রতিশ্রুতি বিশ্বাসযোগ্য করতে চাই একটা নমুনা, একটা টোকেন। যেমন টানা দশ ম্যাচ হারা দল একটা ম্যাচ জিতলেই বলে—"এখনো আশা আছে!" আল্লাহ সেই টোকেন দিলেন: تَبَّتْ يَدَا أَبِي لَهَبٍ وَتَبَّ—ধ্বংস হোক আবু লাহাবের দুই হাত। ইসলামের সবচেয়ে কঠিন শত্রুদের একজনের ধ্বংসের অগ্রিম ঘোষণা—প্রমাণ যে বড় বিজয়টাও আসছে।


সূরা ইখলাস: এবার এক গভীর মনস্তাত্ত্বিক মুহূর্ত। বছরের পর বছর কোনো মিশনে লেগে থাকলে মানুষ কী ভুলে যায়? কেন শুরু করেছিল, সেটাই! বিজয়ের প্রতিশ্রুতি এসে গেছে; এখন মনে করিয়ে দেওয়া জরুরি—এই এত সংগ্রাম কীসের জন্য ছিল। ইবরাহীম (আ) কেন কাবা বানিয়েছিলেন? একটাই কারণে—


قُلْ هُوَ اللَّهُ أَحَدٌ ۝ اللَّهُ الصَّمَدُ ۝ لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ ۝ وَلَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُوًا أَحَدٌ

বলুন, তিনিই আল্লাহ, এক ও অদ্বিতীয়। আল্লাহ অমুখাপেক্ষী। তিনি কাউকে জন্ম দেননি, তাঁকেও জন্ম দেওয়া হয়নি। আর তাঁর সমকক্ষ কেউই নেই।


মজার ব্যাপার কী জানেন? 'ইখলাস' শব্দটা এই সূরার কোথাও নেই! মাসাদে 'মাসাদ' আছে, কাফিরুনে 'কাফিরুন' আছে—কিন্তু ইখলাসে 'ইখলাস' নেই। তবু সাহাবিরা এই নাম দিলেন কেন? কারণ এই সূরা পুরো মিশনের নিয়তকে পরিশুদ্ধ করে দেয়—সবকিছু শুধুই এক আল্লাহর জন্য।


সূরা ফালাক ও সূরা নাস: কিন্তু এই যে ইখলাস—নিয়তের এই বিশুদ্ধতা—এটা কি একবার অর্জন করলেই চিরদিন টিকে থাকে? না; এটা সার্বক্ষণিক আক্রমণের মুখে থাকা এক অমূল্য সম্পদ। তাই গল্পের শেষে এলো দুটি সুরক্ষা-কবচ। বাইরের হুমকি থেকে—قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ الْفَلَقِ—রাতের অন্ধকার, জাদু, হিংসুকের হিংসা। আর ভেতরের হুমকি থেকে—قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ النَّاسِ—সেই কুমন্ত্রণাদাতা, যে মানুষের বুকের ভেতরে ফিসফিস করে। এত কষ্টে অর্জিত ঈমান আর ইখলাসকে এবার পাহারা দিন—বাইরে থেকে, ভেতর থেকে।


এবার পুরো গল্পটা এক নিঃশ্বাসে দেখুন: ইবরাহীমের দুআ পূর্ণ হলো (ফীল, কুরাইশ) → উত্তরাধিকারীরা অযোগ্য প্রমাণিত (মাউন) → প্রকৃত উত্তরাধিকারী ঘোষিত (কাউসার) → সম্পর্কচ্ছেদ (কাফিরুন) → বিজয়ের প্রতিশ্রুতি (নাসর) → বিজয়ের নমুনা (মাসাদ) → মিশনের মূল উদ্দেশ্য (ইখলাস) → সেই অর্জনের সুরক্ষা (ফালাক, নাস)।


আর সবচেয়ে সুন্দর কথাটা শেষে। কুরআন শুরু হয়েছিল এক প্রার্থনা দিয়ে—সূরা ফাতিহায় আমরা পথের দিশা চেয়েছিলাম। আর কুরআন শেষও হলো প্রার্থনা দিয়ে—ফালাক ও নাসে আমরা সেই পথের সম্পদটুকু হেফাজতের দুআ করছি। শুরুতে চাওয়া, শেষে পাহারা। আর নাস শেষ করে আমরা আবার কোথায় ফিরে যাই? ফাতিহায়। বৃত্তটা ঘুরতেই থাকে।


আল্লাহ আজ্জা ওয়া জাল্লা আমাদের কুরআনের উপর গভীর তাদাব্বুর করার এবং এর অপূর্ব বিন্যাসের স্বাদ আস্বাদনের তৌফিক দান করুন।


—নোমান আলী খান

— সূরাসমূহের পারস্পরিক সঙ্গতি বিষয়ক লেকচার থেকে

রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬

ইমাম চাচার ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের একাধিক স্ত্রী, অধিক সন্তান কিংবা এ বিষয়ে আমাদের লেখা ও কার্যক্রম দেখে যখন আপনি ক্ষোভে ফেটে পড়েন, গালিগালাজ করেন, বিদ্রূপ করেন বা দীর্ঘ মন্তব্য লিখতে ব্যস্ত থাকেন, তখন হয়তো আমরা আমাদের কোনো এক স্ত্রীর সঙ্গে সুন্দর সময় কাটাচ্ছি। হয়তো সবাইকে নিয়ে কোথাও বেড়াতে বের হয়েছি। হয়তো পরিবারের জন্য বাজার করছি। হয়তো সন্তানদের সঙ্গে খেলছি, তাদের পড়াশোনা দেখছি, ভবিষ্যতের পরিকল্পনা করছি। হয়তো নতুন সন্তানের আগমনের আনন্দে মশগুল, অথবা তাদের হালাল রিযিকের জন্য পরিশ্রম করছি।

অর্থাৎ আমরা ব্যস্ত আমাদের পরিবার, দায়িত্ব, ভবিষ্যৎ ও স্বপ্ন নিয়ে।


আর আপনি ব্যস্ত আমাদের পোস্টের নিচে রাগ ঝাড়া, গালিগালাজ করা আর বিরোধিতা করার কাজে।


একবার ভেবে দেখুন, লাভটা কার হচ্ছে?

আমরা আমাদের পরিবারের সঙ্গে স্মৃতি তৈরি করছি, আর আপনি আমাদের নিয়ে মন্তব্য লিখে নিজের মূল্যবান সময় ব্যয় করছেন।


আমরা সন্তানদের মানুষ করার পরিকল্পনা করছি, আর আপনি আমাদের সমালোচনা করার জন্য নতুন নতুন ভাষা খুঁজছেন।


আমরা পরিবারের সুখ, নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ গড়তে ব্যস্ত, আর আপনি অন্যের জীবন নিয়ে অস্থির হয়ে নিজের সময় নষ্ট করছেন।


আমাদের সংসারে হাসি বাড়ছে, সন্তান বাড়ছে, দায়িত্ব বাড়ছে, কাজ বাড়ছে, আলহামদুলিল্লাহ নিয়ামতও বাড়ছে।

আর আপনার রাগ, ক্ষোভ, বিদ্রূপ আর মন্তব্য—এসবই শুধু বাড়ছে।


আপনার মন্তব্যে আমাদের পরিবারের সুখ একটুও কমে না। আমাদের রিযিক কমে না। আমাদের স্ত্রী-সন্তানের ভালোবাসাও কমে না। বরং আপনার প্রতিটি মন্তব্য শুধু একটি বিষয়ই প্রমাণ করে—আমাদের জীবন নিয়ে আপনি যতটা চিন্তিত, নিজের জীবন নিয়ে হয়তো ততটা নন।


মানুষ সাধারণত সেই বিষয় নিয়েই সবচেয়ে বেশি সময় ব্যয় করে, যা তার মনকে সবচেয়ে বেশি নাড়া দেয়। তাই আপনার প্রতিটি বিরোধিতা আমাদের থামায় না; বরং বুঝিয়ে দেয়, আমরা যে বিষয়টি নিয়ে কথা বলছি, সেটি আপনাকে ভাবাচ্ছে।


আমরা আমাদের সময় বিনিয়োগ করছি পরিবার গঠনে।

আপনি আপনার সময় বিনিয়োগ করছেন আমাদের বিরোধিতায়।


আমরা ভবিষ্যৎ গড়ছি।

আপনি মন্তব্যের ঘর ভরছেন।


আমরা উত্তরাধিকার রেখে যাওয়ার চিন্তা করছি।

আপনি আপত্তি লিখে যাওয়ার চিন্তা করছেন।


দিনের শেষে আমাদের হাতে থাকে পরিবার, সন্তান, স্মৃতি ও অর্জন।


আর আপনার হাতে থাকে কয়েকটি রাগভরা মন্তব্য, কিছু গালিগালাজ এবং নষ্ট হয়ে যাওয়া মূল্যবান সময়।


তাই আপনার গালিগালাজে আমাদের কিছুই আসে যায় না।

বরং কখনো কখনো আপনার জন্য আফসোসই হয়। কারণ যে সময় একজন মানুষ নিজের পরিবার, সন্তান, ইলম, ব্যবসা, দীন বা আখিরাতের প্রস্তুতিতে ব্যয় করতে পারত, সেই সময় যদি সে অন্যের জীবন নিয়ে ক্ষোভ আর বিদ্বেষে কাটিয়ে দেয়, তাহলে সবচেয়ে বড় ক্ষতিটা সে নিজেকেই করে।

সোমবার, ২৯ জুন, ২০২৬

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ৩০-০৫-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ৩০-০৫-২০২৬ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে স্বাধীনতার ঘোষক, বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী।

  

শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন প্রধানমন্ত্রী ।                  


শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকীতে অসহায় ও দুঃস্থ মানুষের মাঝে বস্ত্র ও শুকনো খাবার বিতরণ করলেন তারেক রহমান --- জিয়াউর রহমানের আদর্শে দীক্ষিত হয়ে দেশ গঠনে সবাইকে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান।   


জিয়াউর রহমান মাত্র সাড়ে তিন বছরের শাসন আমলে বাংলাদেশে নজিরবিহীন পরিবর্তন সাধন করেছিলেন --- বললেন এলজিআরডি মন্ত্রী।


১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধে জিয়াউর রহমানের ভূমিকাকে স্মরণ করার মধ্য দিয়ে

শহিদ রাষ্ট্রপতিকে শ্রদ্ধা জানালো ভারতীয় হাইকমিশন।

 

ফিরতি হজ ফ্লাইট শুরু --- দেশে ফিরছেন হাজিরা।    


আফগানিস্তানে শরণার্থীবাহী ট্রাক উল্টে ১০ শিশুসহ নিহত ২২ ।


 এডিনবরায় ত্রি-দেশীয় নারী টি-টুয়েন্টি ক্রিকেট সিরিজে স্বাগতিক স্কটল্যান্ডের মুখোমুখি বাংলাদেশ।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ৩০/০৫/২০২৬

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ৩০/০৫/২০২৬


আজকের সংবাদ শিরোনাম


যথাযোগ্য মর্যাদায় নানা কর্মসূচিতে দেশে আজ পালিত হচ্ছে স্বাধীনতার ঘোষক, বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী।


   ঈদ-উল-আযহার কোরবানির বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান --- বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দায়িত্বে অবহেলায় ঢাকা দুই সিটির আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা সাময়িক বরখাস্ত। 


৪৮ ঘন্টার মধ্যে ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যবস্থা গ্রহণের ব্যর্থতায় ঢাকার দুই সিটির ছয় কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী।                    


    অধিকার রক্ষা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানালেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী। 


 সৌদি আরবে পবিত্র হজ পালন শেষে গতরাতে শুরু হলো ফিরতি ফ্লাইট। 

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির ব্যাপারে বৈঠক করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প -- কেবল কথায় নয়, ওয়াশিংটনের কাজেই আস্থা রাখবে তেহরান --- বলেছে ইরান। 


 এডিনবরায় ত্রি-দেশীয় নারী টি-টুয়েন্টি ক্রিকেট সিরিজে আজ স্বাগতিক স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে খেলবে বাংলাদেশ।

চলতি পথে ...... বাংলাদেশের বেতার ফেইসবুক থেকে নেওয়

 চলতি পথে .....


উনিশ শতকের শেষ ভাগের অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী আইরিশ কবি, ঔপন্যাসিক এবং নাট্যকার অস্কার ওয়াইল্ড বলেছেন, "ফুল হলো প্রকৃতির সুন্দরতম সৃষ্টি, যা সৌন্দর্য এবং কোমলতার এক নিখুঁত মেলবন্ধন"।-হ্যাঁ প্রকৃতির সুন্দরতম সৃষ্টি, সৌন্দর্যের প্রতীক অসংখ্য ফুলের মধ্যে একটি 'সন্ধ্যামালতি'। গোলাপি রঙের দৃষ্টিকাড়া ফুলগুলো সুগন্ধিযুক্ত এবং ট্রাম্পেট আকৃতির। তবে এ গাছটিতে ম্যাজেন্টা, হলুদ, সাদা, ও লালসহ বিভিন্ন রঙের ফুলও ফোটে। Nyctaginaceae পরিবারভুক্ত ফুলটির উদ্ভিদতাত্ত্বিক নাম Mirabilis Jalapa L. ইংরেজি নাম Four o'clock Flower, Marvel of Peru. এই ফুলগুলো সাধারণত বিকেলে ফোটে বলে এর ইংরেজি নাম "ফোর ও'ক্লক"। রাজধানীর গুলশান-২ এলাকার কামাল আতাতুর্ক সড়কের ব্রীজের পাশ থেকে চমৎকার এই ফুলের ছবিগুলো ক্যামেরাবন্দী করা হয়েছে।


ছবি: খোন্দকার এরফান আলী 

(২৪ মে, ২০২৬)

চলতি পথে .....বাংলাদেশ বেতার ফেইসবুক থেকে নেওয়া.

 চলতি পথে ......


ঝুলছে কাঁঠাল, চলছে গাড়ি, মানুষ যাচ্ছে অফিস বা বাড়ি- বলছি রাজধানীর ডিওএইচএস প্রধান সড়কের একটি কাঁঠাল গাছের কথা। এই সড়কেই রাস্তার উপরে ডালপালায় ডানা মেলে দাঁড়িয়ে আছে একটি কাঁঠাল গাছ। তবে বেরসিক গাছটি যে উদার, সেটিরই জানান দিচ্ছে। গাছটি সড়কে কোন প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেনি। সড়কের একপাশে একপায়ে দাঁড়িয়ে সড়ক জুড়ে উপরে ছড়িয়েছে ডালপালা। এই ডালপালায় ঝুলছে জাতীয় ফল কাঁঠাল। যার নিচ দিয়ে চলছে যানবাহন ও পথচারীরা। এমন দৃষ্টিনন্দন দৃশ্য দেখতে অনেক পথচারী ক্ষণিকের জন্য হলেও থামছেন এখানে। একবার পরখ করে দেখছেন দৃশ্যটি।


ছবি: খোন্দকার এরফান আলী 

(২৩ মে, ২০২৬)

রবিবার, ২৮ জুন, ২০২৬

কোলেস্টেরল কমাতে প্রকৃতির এই ৮টি অসাধারণ ভেষজ! ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

 কোলেস্টেরল কমাতে প্রকৃতির এই ৮টি অসাধারণ ভেষজ! 🌿💚

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে ওষুধের পাশাপাশি প্রতিদিনের খাবারে এই ভেষজগুলো যোগ করুন। প্রাকৃতিক উপায়ে স্বাস্থ্য ভালো রাখুন।

১. রসুন 🧄

কোলেস্টেরল কমাতে সবচেয়ে শক্তিশালী। কাঁচা বা রান্না করে খান।

২. মেথি দানা 🌱

রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) কমায় এবং ভালো কোলেস্টেরল (HDL) বাড়ায়।

৩. দারুচিনি 🍂

রক্তে চর্বি নিয়ন্ত্রণ করে। চা বা দুধে মিশিয়ে খান।

৪. আদা 🫚

প্রদাহ কমায় এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।

৫. কালিজিরা ⚫

হার্টের জন্য অত্যন্ত উপকারী। প্রতিদিন সামান্য পরিমাণে খান।

৬. হলুদ 🟨

কারকিউমিন সমৃদ্ধ — কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। দুধের সাথে খেলে আরও ভালো।

৭. তুলসী পাতা 🍃

অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। চা হিসেবে খান।

৮. ধনে বীজ 🌾

হজম ভালো করে এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

বিশেষ টিপস:

প্রতিদিনের খাবারে এগুলো নিয়মিত ব্যবহার করুন। তবে কোনো রোগ থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

সুস্থ থাকুন, সুন্দর থাকুন! ❤️

আপনার প্রিয়জনদের সাথে শেয়ার করুন।

#কোলেস্টেরল #ভেষজচিকিৎসা #প্রাকৃতিকউপায় #স্বাস্থ্যকরজীবন #HerbalRemedies #HeartHealth

#highlightseveryone ফেইসবুক থেকে নেওয়া

নাজির আহমেদ কলেজ, জেলা মাগুরা। কেন্দ্রে ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিতব্য এইচ এস সি পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে 

নাজির আহমেদ কলেজ, জেলা মাগুরা। কেন্দ্রে ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিতব্য এইচ এস সি পরীক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে 

🙏 সুপ্রিয় শিক্ষার্থী ও সহকর্মীবৃন্দ 

 আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতু 

🌸 শিরোনাম,,@ শতাব্দী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আমরা ও শিক্ষার্থীরা 

 🙏এ শতক সম্ভাবনা ও আশঙ্কা নিয়ে উপস্থিত হয়েছে। বিংশ শতাব্দি ছিল বিজ্ঞানের বিস্ময়কর যুগ। উড়োজাহাজ থেকে রকেট,স্যাটেলাইট থেকে খেয়া যান lট্যাংক থেকে পরমাণু বোমা lটাইপ রাইটার, টিভি থেকে কম্পিউটারl টেলিফোন থেকে মোবাইল কত কিনা তৈরি হয়েছে lআলেকজান্ডারের এর পেনিসিলিন আবিষ্কার যেমন শত সহস্র মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছিল,তেমনি ১৯৫২ সালে ব্রণথেকে জীবন্ত ব্যাঙ ক্লোন করা সম্ভব হয়েছিল।. আবার ১৯৯৬ সালে স্কটিশ বিজ্ঞানীরা ভেড়ার কোষ থেকে ক্লোনিং করে ডলি নামক এক ভেড়া সৃষ্টি করেছিল l চিকিৎসা বিজ্ঞানে জেনেটিক সহ কৃত্রিম পা ফুসফুস, লিভার ও চোখ তৈরি হয়েছে। এমনকি বর্তমানে এ আই প্রযুক্তি ফেসবুক টুইটার ইন্সটাগ্রাম সহ অসংখ্য 

 🙏প্রযুক্তি আমাদেরকে চরমপুলকিত করছে।🙏 কিন্তু কই?এরই মাঝে তো কোনো সুখ সৌন্দর্য দেখা যাচ্ছে না। 🙏আমরা জাগতিক এত উন্নতি করছি, তবুও হতাশাতে বড্ড নিমোজিত। একটা হতাশা ময় চিত্র সঙ্গে নিয়ে প্রতিনিয়ত আমরা সামনে এগিয়ে যাচ্ছি।🙏 আমাদের সামনে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ অর্থনৈতিক সু বন্টন ব্যবস্থা,নৈতিকতা বিবর্জিত সভ্যতা, দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, ব্যভিচার, অনারচার,দেশে =দেশে গ্রামে,সমাজে,পরিবারে এমনকি শিক্ষার সর্বস্তরে!যেন অসুস্থ মানসিক প্রতিযোগিতা চলছে।🙏🙏🙏সম্ভবত পৃথিবীর মানুষ সবচেয়ে বেশি মোকাবেলা করেছে সাংস্কৃতিক সংকটের l মূল্যবোধ মুক্ত এক ধরনের সাংস্কৃতির ব্যাপক প্রচার প্রসার ও চর্চার পাকাপোক্ত আয়োজন করেছে বর্তমানকালে মিডিয়া মোড়ল গন l

 🙏মানুষের রিপুকে তাড়িত করে সমস্ত পৃথিবীকে রিপু তাড়িত পাগলা জন্তু জানোয়ারের খোয়ারে পরিণত করেছে বিশ্বায়নের গোলকধাঁধা l বর্তমানে 🙏🙏পরিবার কেন্দ্রিক সমাজ ভেঙ্গে যাচ্ছে, বন্ধন শিথিল হচ্ছে পরিবার, সেখানে স্থান পাচ্ছে লিভিং টুগেদার, ক্লাবিং,ব্যক্তিগত গোপনীয়তার অবসান পর্নোগ্রাফির সহজলভ্যতা, নৃশংসতার প্রচার প্রতারণা,,সংসার ভাঙ্গন ইত্যাদি। 

🙏 ঠিক এই মুহূর্তে আমাদের শিক্ষার্থীরা সহ সারা দেশের শিক্ষার্থীরা পড়েছে মোবাইলে, ইউটিউবে, ফেসবুকে, হোয়াটসঅ্যাপে গেম ও ব্লু ফিল্মের নানান আসক্তিতে।তাদেরকে ক্ষতির মধ্যে নিচ্ছে মিডিয়া পাওয়ার সহ সমকামিতা গ্রুপ, র্ধর্ম বিমুখ গ্রুপ,তথাকথিত নষ্ট রাজনীতিবিদ ও এক শ্রেণীর নষ্ট বুদ্ধিজীবী।যারা সদর তৎপর ধর্মের প্রতি বিদ্বেষ মনোভাব তৈরি করা ও মনোজগতে সাইলেন্ট কিলিং এর কাজ নিয়ে।. এ তথাকথিত বুদ্ধিজীবী সমাজ তাদের মন মগজ ও মেধা কে পাশ্চাত্য ও অনৈতিকতার নামে যৌন বিকৃতির সুড়সুড়ি দিতে সদা তৎপর ও ব্যস্ত।

 🙏নারী পুরুষের মিশ্র সমাবেশ, সহ শিক্ষা. নাচ= গান মদ্যপান জুয়ার আসরবসানো নারী স্বাধীনতার আন্দোলন তৈরি করে ফ্যাসিবাদী কর্মকান্ড তৈরি করা এবং কোমলমতি শিক্ষার্থীদের নিত্য নতুন ফাঁদে ফেলে আকর্ষণ করার চেষ্টা হচ্ছে.


 🙏স্বজন প্রীতি, পক্ষপাতিত্ব,ভাষা, বর্ণ,গোত্র ও আভিজাত্যের ভিত্তিতে মানবজাতিকে বিভিন্ন দলে ও উপদলে বিভক্ত করায় যেন এই সমস্ত তথাকথিত বুদ্ধিজীবী ও মোড়লদের কাজl আর এই চ্যালেঞ্জের মোকাবেলা 🙏আমাদের শিক্ষার্থীদের কাছে হয়ে উঠছে এক কঠিন বাস্তবতা। এই নিত্যনতুন চ্যালেঞ্জের মাঝে আমাদের শিক্ষার্থীরা হাবুডুবু খাচ্ছে তাদের দিকনির্দেশনার কোন পথ কেউ দেখাতে পারছে না সবাই শাসন করার চেষ্টা করছে কিন্তু পথ দেখাতে কেউ ব্যস্ত নয় l

🙏 সারা দেশে আগামী দোসরা জুলাই থেকে এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ইনশাল্লাহ সব কিছু ঠিক থাকলে তোমরা সুস্থ সহিসালামতে পরীক্ষা দিবে বলে আমরা আশা করি। বিগত দিনে রাজনৈতিক ডামাডোল নানান প্রতিবন্ধকতার মাঝেও এমনকি ২০২০ =২ ১সালে মরণব্যাধি করোনা তোমাদের জীবনের মূল্যবান সময়কে কেড়ে নিয়েছিল এ সময় তোমাদের দারুণ ক্ষতি হয়েছে। নানান কারণে হয়তো তোমাদের শিক্ষাগত ভিত্তি দুর্বল 🙏কিন্তু আমরা হতাশ নই।নানান প্রতিকূলতা তোমাদের পরীক্ষা পর্যন্ত নিয়ে এসেছে, আশা করি সামনের পরীক্ষাগুলি তোমরা ভালো করবে,এ লড়াইয়ে তোমরা হতাশ হওনি এবং আশা করি হবেও না। 🙏 ইতি মধ্যে রুটিন হাতে এসেছে প্রস্তুতিও ভালো হয়েছে। 🙏তোমাদের জন্য প্রাণভরে দোয়া করিl 🙏🙏নাজির আহমেদ কলেজের পরিবারের পক্ষ থেকে তোমাদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করি 

 🙏অত্যন্ত ঠান্ডা সুশৃংখল মস্তিষ্ক নিয়ে পরীক্ষাতে তোমরা বসতে যাচ্ছ এবং উচ্চতর ক্যারিয়ার গঠনের আপাত প্রথম ধাপ এ কলেজ জীবন।

🙏 কিন্তু এটা বিশ্বাস করতে হবে লেখাপড়া শেষ ধাপ না l বলা চলে উন্নত ক্যারিয়ার গঠনের সবে সূচনা মাত্র l এটা ভাবা ঠিক নয় যে পরীক্ষা শেষ হলে বেঁচে যাব কিন্তু আসল পরীক্ষা এবং জীবন গঠনের সিদ্ধান্ত নেয়ার চূড়ান্ত মুহূর্তগুলো শুরু হচ্ছে পরীক্ষার মাধ্যমেই l

🙏 অবিরাম গতিতে সাহসের সাথে অভ্যাসমতো লেখাপড়া সহ বৈশ্বিক নানান সংকট মোকাবেলার চূড়ান্ত প্রস্তুতি অব্যাহত রাখতে হবে l কেননা এ সময়টা পা পিছলে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে l

 🙏পরিশেষে তোমাদের সুস্বাস্থ্য মেধা মনন চিন্তা ধৈর্য ও পড়াশোনার গতি যেন কোন ঘাটতিতে না পড়ে সেই দোয়াই মহান রাব্বুল আলামিনের নিকট করছি।

কোরআনের একটি আয়াত দিয়ে শেষ করি।

 ইয়া আইয়ুহাল্লাজিনা আমানুস বিরু ওয়া সবিরু ওয়ারবিতু ওয়াত্তাকুল্লাহ লা -আল্লাকুম তুফলি হুন 

 অর্থাৎ হে মুমিনগণ তোমরা ধৈর্য ধারণ কর ধৈর্য অবলম্বনে প্রতিযোগিতা করো এবং ধৈর্যের ব্যাপারে উঠে পড়ে লেগে যাও। আর আল্লাহকে ভয় করো আশা করা যায় তোমরা সফলকাম হবে 

 আল্লাহ হাফেজ

 আহবায়ক 

 ২০২৬ পরীক্ষার্থীদের বিদায় অনুষ্ঠানের পক্ষে 

 মীর আকরাম আলী 

 ইস ইতিহাস বিভাগ।

 ২৯ জুন ২০২৬ সকাল ১১ টা 

 কলেজ শিক্ষার্থী মিলনায়তন থেকে।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

কোরানকে পাশ কাটিয়ে হিজাব নিয়ে মুসলমানদের বাড়াবাড়ি কখনো তাকওয়ার পথ নয়।,,,,,, হেজবুদ তাওহিদ ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 কোরানকে পাশ কাটিয়ে হিজাব নিয়ে মুসলমানদের বাড়াবাড়ি কখনো তাকওয়ার পথ নয়। ===== ==== ==== ==== ====  দৃষ্টি সংযত করা, পবিত্রতা রক্ষা করা, তাকওয...