⛔মসজিদ পরিচালনা কমিটির গঠনতন্ত্র।👇
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম
মসজিদের নাম: .................
গ্রাম/মহল্লা: ............
ডাকঘর:.....................
উপজেলা/থানা: .........
জেলা: ..............
প্রতিষ্ঠার সাল:...........
গঠনতন্ত্র অনুমোদনের তারিখ: ............
🔸প্রস্তাবনা:
আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জন, পবিত্র মসজিদের সুষ্ঠু পরিচালনা, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ও জুমার নামাজের ব্যবস্থা, ধর্মীয় শিক্ষা, মসজিদের সম্পদ সংরক্ষণ, আর্থিক স্বচ্ছতা এবং ইমাম, মুয়াজ্জিন ও অন্যান্য কর্মচারীর অধিকার ও দায়িত্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এই গঠনতন্ত্র প্রণয়ন করা হলো।
এই গঠনতন্ত্র বাংলাদেশের প্রচলিত আইন, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রযোজ্য মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বৈধ নির্দেশনার অধীন থাকবে।
🔸ধারা ১: নাম ও পরিচিতি:
১.১। প্রতিষ্ঠানের নাম হবে:..............মসজিদ পরিচালনা কমিটি।
১.২। মসজিদের ঠিকানা হবে: ...........
১.৩। মসজিদটি ধর্মীয় উপাসনা, ইসলামী শিক্ষা এবং অনুমোদিত সামাজিক কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
১.৪। মসজিদের ওয়াক্ফ সম্পত্তি বা দানকৃত সম্পদ সংশ্লিষ্ট আইন ও দলিল অনুযায়ী সংরক্ষিত হবে।
🔸ধারা ২: গঠনতন্ত্রের উদ্দেশ্য:
ক) মসজিদে নিয়মিত জামাতের সঙ্গে নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করা।
খ) ইমাম, খতিব, মুয়াজ্জিন ও অন্যান্য জনবলের দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা।
গ) মসজিদের আয়-ব্যয়ের স্বচ্ছ হিসাব রাখা।
ঘ) মসজিদের জমি, ভবন, আসবাবপত্র ও অন্যান্য সম্পদ রক্ষা করা।
ঙ) কুরআন শিক্ষা, ধর্মীয় আলোচনা ও উপযুক্ত শিক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা।
চ) মুসল্লিদের মধ্যে ঐক্য, শৃঙ্খলা ও পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
ছ) মসজিদের উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করা।
🔸ধারা ৩: কমিটির গঠন:
৩.১। প্রযোজ্য সরকারি নীতিমালা অনুসারে মসজিদ পরিচালনা কমিটি গঠন করতে হবে।
৩.২। সাধারণভাবে ১৫ সদস্যের একটি কমিটি রাখা যেতে পারে। মসজিদের আয়, আয়তন, অবস্থান ও প্রযোজ্য নীতিমালার বিধান অনুযায়ী সদস্যসংখ্যা নির্ধারণ করতে হবে।
৩.৩। প্রস্তাবিত পদসমূহ:
১. সভাপতি
২. সহসভাপতি
৩. সাধারণ সম্পাদক
৪. যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক
৫. কোষাধ্যক্ষ
৬. সহকারী কোষাধ্যক্ষ
৭. ধর্মীয় ও শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক
৮. উন্নয়ন ও নির্মাণ বিষয়ক সম্পাদক
৯. দপ্তর সম্পাদক
১০. প্রচার ও যোগাযোগ সম্পাদক
১১. সদস্য
১২. সদস্য
১৩. সদস্য
১৪. সদস্য
১৫. সদস্য
বিশেষ শর্ত: উপরোক্ত পদবিন্যাস একটি নমুনা। সরকারি নীতিমালায় নির্ধারিত পদ, সদস্যসংখ্যা, যোগ্যতা ও দায়িত্বের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চূড়ান্ত কাঠামো নির্ধারণ করতে হবে।
🔸ধারা ৪: কমিটি গঠনের পদ্ধতি:
৪.১। প্রযোজ্য সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করে কমিটি গঠন করতে হবে।
৪.২। স্থানীয় মুসল্লি, সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রতিনিধিত্বশীল ব্যক্তি এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে মসজিদের ওয়াক্ফ বা সম্পত্তি-সংক্রান্ত বৈধ কর্তৃপক্ষের মতামত বিবেচনা করা হবে।
৪.৩। কমিটি গঠনের সভার তারিখ, উপস্থিত সদস্যদের তালিকা, সিদ্ধান্ত এবং নির্বাচিত বা মনোনীত ব্যক্তিদের নাম লিখিতভাবে সংরক্ষণ করতে হবে।
৪.৪। কোনো পদে মনোনয়ন বা নির্বাচন করার সময় ব্যক্তিগত স্বার্থ, আত্মীয়তার প্রভাব কিংবা সম্পত্তির মালিকানাকে একক ভিত্তি করা যাবে না; প্রযোজ্য নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে।
৪.৫। কমিটি গঠনের পর প্রয়োজনীয় অনুমোদন, অবহিতকরণ বা নিবন্ধন-সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিধান অনুযায়ী সম্পন্ন করতে হবে।
🔸ধারা ৫: কমিটির মেয়াদ ও পুনর্গঠন:
৫.১। কমিটির মেয়াদ, পুনর্গঠন ও দায়িত্ব হস্তান্তর প্রযোজ্য সরকারি নীতিমালা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্ধারিত হবে।
৫.২। মেয়াদ শেষে নতুন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া যথাসময়ে শুরু করতে হবে।
৫.৩। কোনো পদ শূন্য হলে প্রযোজ্য বিধান অনুসরণ করে শূন্য পদ পূরণ করতে হবে।
৫.৪। দায়িত্ব হস্তান্তরের সময় নগদ অর্থ, ব্যাংক হিসাব, সম্পদের তালিকা, দলিলপত্র, রেজিস্টার, চাবি ও অন্যান্য নথি লিখিতভাবে বুঝিয়ে দিতে হবে।
🔸ধারা ৬: সভাপতির দায়িত্ব:
ক) কমিটির সভায় সভাপতিত্ব করা।
খ) সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন তদারকি করা।
গ) মসজিদের স্বার্থে কমিটির সদস্যদের মধ্যে সমন্বয় করা।
ঘ) আর্থিক ও প্রশাসনিক কাজে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সহায়তা করা।
ঙ) এককভাবে কমিটির অনুমোদনবিহীন আর্থিক বা সম্পত্তি-সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত না নেওয়া।
চ) প্রযোজ্য আইন ও নীতিমালা অনুসারে দায়িত্ব পালন করা।
🔸ধারা ৭: সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব:
ক) সভা আহ্বান ও কার্যসূচি প্রস্তুত করা।
খ) সভার কার্যবিবরণী লিখে সংরক্ষণ করা।
গ) সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ করা।
ঘ) মসজিদের প্রশাসনিক নথিপত্র সংরক্ষণ করা।
ঙ) সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে প্রয়োজনীয় যোগাযোগ করা।
চ) পরবর্তী সভায় পূর্ববর্তী সিদ্ধান্তের অগ্রগতি প্রতিবেদন উপস্থাপন করা।
🔸ধারা ৮: কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব:
ক) মসজিদের সব আয় ও ব্যয়ের যথাযথ হিসাব রাখা।
খ) দান, অনুদান, ভাড়া ও অন্যান্য আয়ের রসিদ সংরক্ষণ করা।
গ) ব্যয়ের পক্ষে বিল, ভাউচার ও অনুমোদনপত্র রাখা।
ঘ) মসজিদের ব্যাংক হিসাব ও নগদ অর্থের হিসাব সংরক্ষণ করা।
ঙ) নির্ধারিত সময়ে কমিটির সভায় আয়-ব্যয়ের প্রতিবেদন দেওয়া।
চ) বার্ষিক হিসাব প্রস্তুত ও নিরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় নথি উপস্থাপন করা।
ছ) অনুমোদিত সিদ্ধান্ত ছাড়া মসজিদের অর্থ ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার না করা।
🔸ধারা ৯: অন্যান্য সদস্যের দায়িত্ব:
৯.১। কমিটির সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সহযোগিতা করা।
৯.২। মসজিদের সম্পদ ও শৃঙ্খলা রক্ষায় ভূমিকা রাখা।
৯.৩। আর্থিক অনিয়ম, সম্পদের অপব্যবহার বা গুরুতর প্রশাসনিক সমস্যার তথ্য কমিটির সভায় উত্থাপন করা।
৯.৪। ব্যক্তিগত বিরোধের কারণে মসজিদের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত না করা।
🔸ধারা ১০: কমিটির সভা:
১০.১। নিয়মিত সভার সময়সূচি কমিটির সিদ্ধান্তে নির্ধারিত হবে।
১০.২। জরুরি প্রয়োজনে সভাপতি বা গঠনতন্ত্রে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি সভা আহ্বান করতে পারবেন।
১০.৩। সভার নোটিশ, উপস্থিতি, আলোচ্যসূচি, সিদ্ধান্ত ও কার্যবিবরণী সংরক্ষণ করতে হবে।
১০.৪। সভার কোরাম, সিদ্ধান্ত গ্রহণের পদ্ধতি ও ভোটাভুটির নিয়ম প্রযোজ্য নীতিমালা অনুসারে নির্ধারণ করতে হবে।
১০.৫। স্বার্থের সংঘাত থাকলে সংশ্লিষ্ট সদস্যকে তা প্রকাশ করতে হবে এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে।
🔸ধারা ১১: মসজিদের আয় ও অর্থ ব্যবস্থাপনা:
১১.১। মসজিদের সব আয়ের উৎসের লিখিত হিসাব রাখতে হবে।
১১.২। দান, অনুদান, ভাড়া ও অন্যান্য অর্থের বিপরীতে যথাযথ রসিদ বা গ্রহণের প্রমাণ রাখতে হবে।
১১.৩। প্রযোজ্য নীতিমালা অনুযায়ী মসজিদের অর্থ ব্যাংক হিসাবে জমা রাখতে হবে এবং নগদ অর্থের পরিমাণ সীমিত রাখতে হবে।
১১.৪। ব্যাংক হিসাব পরিচালনায় অনুমোদিত স্বাক্ষরকারী ও যৌথ নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা প্রযোজ্য নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারণ করতে হবে।
১১.৫। প্রত্যেক ব্যয়ের জন্য যথাযথ অনুমোদন, বিল বা ভাউচার সংরক্ষণ করতে হবে।
১১.৬। ব্যক্তিগত অর্থ ও মসজিদের অর্থ সম্পূর্ণ আলাদা রাখতে হবে।
১১.৭। মসজিদের অর্থ ঋণ প্রদান, বিনিয়োগ বা অন্য কাজে ব্যবহার করার আগে সংশ্লিষ্ট আইন, নীতিমালা ও বৈধ অনুমোদন অনুসরণ করতে হবে।
🔸ধারা ১২: বাজেট ও নিরীক্ষা:
১২.১। প্রতি অর্থবছরের জন্য সম্ভাব্য আয়-ব্যয়ের বাজেট প্রস্তুত করতে হবে।
১২.২। মসজিদের আয়-ব্যয়ের হিসাব নির্ধারিত সময়ে পর্যালোচনা করতে হবে।
১২.৩। প্রযোজ্য নীতিমালা অনুযায়ী বার্ষিক হিসাব নিরীক্ষা বা অডিটের ব্যবস্থা করতে হবে।
১২.৪। নিরীক্ষায় পাওয়া ত্রুটি বা অনিয়ম সংশোধনের জন্য লিখিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে।
১২.৫। মুসল্লি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হিসাব উপস্থাপনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য আইন, গোপনীয়তা ও নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে।
ধারা ১৩: মসজিদের সম্পত্তি ও দলিল সংরক্ষণ
১৩.১। মসজিদের জমি, ভবন, ওয়াক্ফ সম্পত্তি, দানপত্র, দলিল, খতিয়ান, নামজারি, কর-সংক্রান্ত কাগজপত্র ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নথির তালিকা প্রস্তুত করতে হবে।
১৩.২। সম্পত্তির মালিকানা, ব্যবহার ও হস্তান্তরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য আইন এবং দলিলের শর্ত মানতে হবে।
১৩.৩। মসজিদের সম্পত্তি ব্যক্তিগত নামে বেআইনিভাবে হস্তান্তর, বিক্রয়, বন্ধক বা আত্মসাৎ করা যাবে না।
১৩.৪। সম্পত্তি-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আইনগত পরামর্শ ও বৈধ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিতে হবে।
১৩.৫। স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের হালনাগাদ তালিকা সংরক্ষণ করতে হবে।
🔸ধারা ১৪: ইমাম, খতিব, মুয়াজ্জিন ও অন্যান্য কর্মচারী:
১৪.১। জনবল নিয়োগ, যোগ্যতা, বেতন-ভাতা, দায়িত্ব, ছুটি, শৃঙ্খলা ও চাকরি সমাপ্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে।
১৪.২। নিয়োগের ক্ষেত্রে নীতিমালায় নির্ধারিত বাছাই কমিটি ও নিয়োগপদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে।
১৪.৩। নিয়োগপত্রে পদ, দায়িত্ব, বেতন-ভাতা, কর্মশর্ত এবং প্রযোজ্য অন্যান্য বিষয় উল্লেখ করতে হবে।
১৪.৪। কর্মচারীদের প্রাপ্য বেতন ও অন্যান্য সুবিধা যথাসময়ে প্রদান করতে হবে।
১৪.৫। অভিযোগ বা শৃঙ্খলাজনিত বিষয় ন্যায্যভাবে যাচাই করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মীকে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ দিতে হবে।
১৪.৬। চাকরি-সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিতে প্রযোজ্য নীতিমালার প্রতিকার ও আপিলের বিধান অনুসরণ করতে হবে।
🔸ধারা ১৫: ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রম:
ক) পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ, জুমা ও প্রযোজ্য অন্যান্য ধর্মীয় কার্যক্রমের ব্যবস্থা করা।
খ) কুরআন শিক্ষা ও ধর্মীয় জ্ঞানচর্চার উদ্যোগ নেওয়া।
গ) মসজিদের শৃঙ্খলা, পরিচ্ছন্নতা ও নিরাপত্তা বজায় রাখা।
ঘ) নারী মুসল্লিদের জন্য প্রযোজ্য নির্দেশনা অনুযায়ী উপযুক্ত পৃথক নামাজের স্থান বা কক্ষের ব্যবস্থা বিবেচনা করা।
ঙ) অনুমোদিত সামাজিক কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা।
চ) ধর্মীয় বিষয়ে যোগ্য আলেমের পরামর্শ গ্রহণ করা।
🔸ধারা ১৬: অভিযোগ, অনিয়ম ও জবাবদিহি:
১৬.১। মসজিদের অর্থ, সম্পত্তি বা প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পর্কে লিখিত অভিযোগ গ্রহণের ব্যবস্থা থাকবে।
১৬.২। অভিযোগ নিরপেক্ষভাবে যাচাই করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
১৬.৩। গুরুতর অনিয়মের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আইনগত বা প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষের সহায়তা নিতে হবে।
১৬.৪। কোনো সদস্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেই তাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দোষী ঘোষণা করা যাবে না।
১৬.৫। অনিয়ম প্রমাণিত হলে প্রযোজ্য আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
🔸ধারা ১৭: পদত্যাগ, অপসারণ ও শূন্যপদ:
১৭.১। কোনো সদস্য পদত্যাগ করতে চাইলে নির্ধারিত পদ্ধতিতে লিখিত আবেদন করবেন।
১৭.২। পদত্যাগ গ্রহণ, অপসারণ, সাময়িক দায়িত্ব স্থগিত বা শূন্যপদ পূরণের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করতে হবে।
১৭.৩। অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়ার আগে প্রযোজ্য বিধান অনুযায়ী আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিতে হবে।
১৭.৪। কোনো পদ শূন্য হলে বৈধ পদ্ধতিতে নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি নির্বাচন বা মনোনয়ন করতে হবে।
🔸ধারা ১৮: গঠনতন্ত্র সংশোধন:
১৮.১। গঠনতন্ত্র সংশোধনের প্রস্তাব লিখিতভাবে উপস্থাপন করতে হবে।
১৮.২। সংশোধনী প্রস্তাব সভায় আলোচনা ও অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করতে হবে।
১৮.৩। সংশোধনের পদ্ধতি, কোরাম ও ভোটের নিয়ম প্রযোজ্য সরকারি নীতিমালা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিধান অনুযায়ী হবে।
১৮.৪। কোনো সংশোধনী বাংলাদেশের প্রচলিত আইন বা সরকারি নীতিমালার পরিপন্থী হতে পারবে না।
🔸ধারা ১৯: বিরোধ নিষ্পত্তি:
১৯.১। কমিটির অভ্যন্তরীণ বিরোধ প্রথমে আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করা হবে।
১৯.২। সমাধান না হলে প্রযোজ্য আইন ও সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করা হবে।
১৯.৩। সম্পত্তি, ওয়াক্ফ বা চাকরি-সংক্রান্ত বিরোধে সংশ্লিষ্ট বিশেষ আইন ও কর্তৃপক্ষের এখতিয়ার অক্ষুণ্ণ থাকবে।
🔸ধারা ২০: কার্যকারিতা ও অগ্রাধিকার:
২০.১। গঠনতন্ত্রটি যথাযথভাবে অনুমোদিত হওয়ার তারিখ থেকে কার্যকর হবে।
২০.২। গঠনতন্ত্রের কোনো বিধান বাংলাদেশের প্রচলিত আইন বা প্রযোজ্য সরকারি নীতিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক হলে আইন ও সরকারি নীতিমালার বিধান প্রাধান্য পাবে।
২০.৩। গঠনতন্ত্রের অনুমোদিত কপি মসজিদের নথিতে সংরক্ষণ করতে হবে।
অনুমোদন ও স্বাক্ষর
উপরোক্ত গঠনতন্ত্রের খসড়া আলোচনা করে অনুমোদনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলো।
সভাপতির নাম: ........
স্বাক্ষর: ..........
তারিখ: ..........
সাধারণ সম্পাদকের নাম: .......
স্বাক্ষর: ..........
তারিখ: ..........
কোষাধ্যক্ষের নাম: .........
স্বাক্ষর: ..............
তারিখ: ...........
সভায় উপস্থিত সদস্যদের স্বাক্ষর: সংযুক্ত তালিকা অনুযায়ী।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন (যদি প্রযোজ্য হয়):
.................................
কমিটি গঠনের আগে যে বিষয়গুলো অবশ্যই যাচাই করবেন
সরকারি মসজিদ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা, ২০২৫-এর পূর্ণাঙ্গ বিধান অনুযায়ী কমিটির কাঠামো, যোগ্যতা, মেয়াদ ও পুনর্গঠনের নিয়ম মিলিয়ে নিন।
মসজিদটি ওয়াক্ফভুক্ত হলে ওয়াক্ফ দলিল ও প্রযোজ্য আইন যাচাই করুন।
ব্যাংক হিসাব, আয়-ব্যয়, নিরীক্ষা এবং জনবল নিয়োগের নিয়ম সংশ্লিষ্ট সরকারি নীতিমালার সঙ্গে মিলিয়ে নিন।
শেয়ার টাইমলাইনে রেখে দিন এবং পেইজটি ফলো দিয়ে রাখুন।
#মসজিদ_কমিটির_রূপরেখা #গঠনতন্ত্র #মসজিদ_কমিটি #মসজিদ_কমিটি_গঠন #everyone