এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬

আমি নিজেও কখনাে এভাবে ভাবিনি. 😲 ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমি নিজেও কখনাে এভাবে ভাবিনি. 😲

ফজর- ২ x ৩৬৫ দিন    = ৭৩০ রাকাআত

যােহর- ৪ x ৩৬৫ দিন    = ১৪৬০ রাকাআত

আসর- ৪x ৩৬৫ দিন     = ১৪৬০ রাকাআত

মাগরিব- ৩ x ৩৬৫ দিন  = ১০৯৫ রাকাআত

এশা- ৪x ৩৬৫ দিন        = ১৪৬০ রাকাআত

                           মােট  = ৬২০৫ রাকাআত

                           সুন্নাত এবং নফল সালাত তাে বাদই দিলাম !!

                           ১ বছরে (৩৬৫ x ৫) = ১৮২৫ ওয়াক্ত সালাত।

                           অর্থাৎ বছরে ১৮২৫ বার আপনাকে আযানের মাধ্যমে 

                           ডাক দেয়া হয়।

                           আপনি কয়বার সাড়া দিয়েছিলেন ?     

                           আপনার মনে কি একটুও অনুশােচনা হওয়ার কথা না ?

                           কি ভেবেছেন আল্লাহর কাছে হিসাব দিতে হবে না?

                           এখানে শুধু ১ বছরের একটু ধারণা তুলে ধরা হল, 

                           আল্লাহ্'র কাছে পুরাে জীবনের হিসাব কিভাবে দিবেন. ?

                           কি অবস্থা হবে সেদিন ?

                           আসুন!!

                           আজ থেকেই ৫ ওয়াক্ত সালাত আদায় করা শুরু করি।

                           আল্লাহর ডাকে সাড়া দেই।আল্লাহ্ কে ডাকি। 

                           আল্লাহ নিশ্চয়ই আমাদের ডাকে সাড়া দেবেন।

                           মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে পাঁচ ওয়াক্ত 

                           নামাজ আদায় করার তৌফিক দান করুক🤲❤️...... আমিন...।


             আল্লাহ সবাইকে কবুল করুক আমিন ।


😲 আযানের মধ্যে লুকিয়ে থাকা অলৌকিক গণিতের খেলা: 

                          আযানের এই তথ্যগুলো পড়ার পর আপনি বাকরুদ্ধ হবেন

                           আর আল্লাহর উপর আপনার ঈমান বৃদ্ধি পাবে ইনশাআল্লাহ।


                           ১। আযানের ১ম শব্দ হল আল্লাহ

এবং শেষ শব্দও হল আল্লাহ।


                           এর মানে—

আল্লাহই শুরু এবং আল্লাহই শেষ।


                           ২। আযান শব্দটি পবিত্র কুরআনে সর্বমোট রয়েছে ৫ বার।


                           আর আমরা প্রতিদিন আদায় করি

৫ ওয়াক্ত নামাজ।


                           ৩। আযানের মধ্যে সর্বমোট শব্দ হল ৫০ টি।


                           আর আল্লাহ মিরাজের সময়

হযরত মুহাম্মাদ (সঃ)-কে

                           সর্বপ্রথম ৫০ ওয়াক্ত ফরজ নামাজ দিয়েছিলেন।


                           পরে তা কমিয়ে করা হয় ৫ ওয়াক্ত।


আর সহীহ হাদিসে এসেছে—

                           যে ব্যক্তি ৫ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করবে,

                           আল্লাহ তাকে ৫০ ওয়াক্তের সওয়াব দিবেন।


                           ৪। আযানের মধ্যে সর্বমোট ১৭ টি ভিন্ন অক্ষর রয়েছে।


আর আমাদের প্রতিদিন ফরজ নামাজ হল

                           ১৭ রাকাত।


ফজর   = ২

যোহর  = ৪

আসর   = ৪

মাগরিব = ৩

এশা   = ৪


                           মোট   = ১৭ রাকাত


                           ৫। আযানের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত শব্দ হল — (আল্লাহ)


                           “আল্লাহ” শব্দের অক্ষর গণনা:


আলিফ = ৪৭ বার

লাম   = ৪৫ বার

হা     = ২০ বার


                           সুতরাং,

৪৭ + ৪৫ + ২০ = ১১২


আর পবিত্র কুরআনের ১১২ নম্বর সূরা হল

                           সূরা ইখলাস।


যে সূরায় আল্লাহ নিজের পরিচয় দিয়েছেন।


                           আলহামদুলিল্লাহ। 🤲

বাল্য বিবাহ নিষিদ্ধ নয়, বরং এর শরঈ হুকুম ও নিরাপদ পদ্ধতি সম্পর্কে সমাজে সচেতনতা তৈরি করা ইমানি দায়িত্ব EMAM UDDIN

 বাল্য বিবাহ নিষিদ্ধ নয়, বরং এর শরঈ হুকুম ও নিরাপদ পদ্ধতি সম্পর্কে সমাজে সচেতনতা তৈরি করা ইমানি দায়িত্ব


বাল্য বিবাহ বন্ধ করার নামে আইন করে বয়স নির্ধারণ করা গেলেও, এতে কখনোই যৌবনের অপব্যবহার বন্ধ করা সম্ভব না, জিনা বন্ধ করা সম্ভব না

কারণ সমস্যা বয়সে না, সমস্যা নিয়ন্ত্রণহীন সমাজ ব্যবস্থায়।


বাংলাদেশের আইন কী বলে?

বাংলাদেশে বিষয়টি নিয়ন্ত্রিত হয়েছে Child Marriage Restraint Act 2017 এর মাধ্যমে


এই আইনে বলা হয়েছে

মেয়েদের জন্য ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর

ছেলেদের জন্য ন্যূনতম বয়স ২১ বছর

এই বয়সের আগে বিবাহ হলে তা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে


তবে একই আইনে একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম রাখা হয়েছে


বিশেষ পরিস্থিতিতে, আদালতের অনুমতি এবং অভিভাবকের সম্মতিতে, এই বয়সের আগেও বিবাহ সম্পন্ন হতে পারে


অর্থাৎ—

আইন একদিকে একটি সাধারণ সীমা নির্ধারণ করেছে

অন্যদিকে বাস্তবতা ও বিশেষ প্রয়োজনের ক্ষেত্রে পথও খোলা রেখেছে


আর যদি কেউ এই বিধানকে অপব্যবহার করে, জোরপূর্বক বিবাহ করায়

প্রতারণা বা ক্ষতির উদ্দেশ্যে ব্যবহার করে—

তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে


আমাদের দেশে “বাল্য বিবাহ” বলতে যা বোঝানো হয়, তা মূলত ১৮ বা ২১ বছরের নিচে বিবাহ

অর্থাৎ এই বয়সের আগে বিবাহ হলে সেটাকে অপরাধ হিসেবে ধরা হয়


কিন্তু শরীয়তের দৃষ্টিতে “বাল্যকাল” বলতে বোঝানো হয় সাবালক বা সাবালিকা হওয়ার আগ পর্যন্ত সময়কে


যেদিন থেকে একজন মানুষের উপর আমল ফরজ হয়

যেদিন থেকে তার নেকি ও গুনাহ লেখা শুরু হয়, সেদিন থেকেই সে আর শিশু নয়, সে দায়বদ্ধ


আল্লাহ তাআলা যদি ১৮ বা ২১ বছরকে সাবালক হওয়ার সীমা নির্ধারণ করতেন, তাহলে মানুষের শারীরিক ও প্রাকৃতিক পরিপক্বতাও সেই অনুযায়ী হতো


কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন, মানুষ তার আগেই বালেগ হয়, দায়িত্বশীলতার স্তরে প্রবেশ করে


আল্লাহ তাআলা বলেন—

وَابْتَلُوا الْيَتَامَىٰ حَتّىٰ إِذَا بَلَغُوا النِّكَاحَ

অর্থাৎ: তোমরা এতিমদের পরীক্ষা কর, যতক্ষণ না তারা বিবাহের উপযুক্ত বয়সে পৌঁছায়


এখানে “বালেগ হওয়া”কেই বিবাহযোগ্যতার মূল মানদণ্ড ধরা হয়েছে কোনো নির্দিষ্ট বয়সের সংখ্যা না


রাসূল ﷺ বলেন

يا معشر الشباب من استطاع منكم الباءة فليتزوج

হে যুবসমাজ, তোমাদের মধ্যে যার সামর্থ্য আছে, সে যেন বিবাহ করে


এখানে “কুওয়াতে বা'আ” বলা হয়েছে— ১৮ বা ২১ বলা হয়নি

কারণ ইসলাম প্রকৃতির সাথে সংগতিপূর্ণ, কৃত্রিম বয়স নির্ভর নয়


বাস্তবতা কী বলে?

আইন করে বিবাহ দেরি করানো গেলেও, যৌবনকে থামানো যায় না, চাহিদাকে বন্ধ করা যায় না


ফলে সমাজে যা দেখা যায়

অবাধ মেলামেশা, প্রেম, সম্পর্ক, এবং শেষ পর্যন্ত জিনা

অর্থাৎ

হালাল পথ বন্ধ, হারাম পথ উন্মুক্ত


তাহলে সমাধান কী?

সমাধান হলো

১. শরঈ মানদণ্ড পরিষ্কার করা

বালেগ হওয়া, বিবাহের প্রথম শর্ত


২. শারীরিক ও মানসিক প্রস্তুতি বিবেচনা করা

যদি কেউ বালেগ হওয়ার পরও শারীরিকভাবে দুর্বল, মানসিকভাবে অপরিপক্ব হয়, তাহলে প্রস্তুত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করবে


৩. পারিবারিক সহায়তাকে “সামর্থ্য” হিসেবে ধরা

অনেক ক্ষেত্রে ছেলে নিজে উপার্জনক্ষম না হলেও যদি কেউ তার দায়িত্ব নেয়, সেটাই তার জন্য সামর্থ্য


৪. বিবাহের উদ্দেশ্য সঠিকভাবে বুঝানো


বিবাহের প্রথম উদ্দেশ্য

যৌবনের হেফাজত, জিনা থেকে বাঁচা

সন্তান নেওয়া, পূর্ণ সংসারের দায়িত্ব নেওয়া এগুলো ধীরে ধীরে আসবে


একটি বড় ভুল ধারণা:

সমাজে একটি কুসংস্কার চালু আছে

বিবাহের আগে নাকি দাম্পত্য জীবনের “অভিজ্ঞতা” থাকতে হবে

অথচ বাস্তবতা হলো

দাম্পত্য জীবনের প্রকৃত অভিজ্ঞতা শুরুই হয় বিবাহের পর

বিবাহ দেরি করলে

এই অভিজ্ঞতা মানুষ হারাম পথে অর্জন করতে শুরু করে


ইতিহাস কী বলে?

পৃথিবীর ইতিহাসে, লাখ কোটি মানুষ কম বয়সে বিবাহ করেছে

এবং তারা সফল পরিবার, সফল সমাজ গড়ে তুলেছে


সর্বশেষ কথা

সমস্যা “কম বয়সে বিবাহ” না

সমস্যা হলো শরীয়ত থেকে দূরে সরে যাওয়া

সমাজে ভুল প্রচার করা


আইন দিয়ে যৌবনকে নিয়ন্ত্রণ করা যায় না

কিন্তু সঠিক পথ দেখিয়ে একটি প্রজন্মকে রক্ষা করা যায়

রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ : ০৫-০৪-২০২৬

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ : ০৫-০৪-২০২৬

আজকের শিরোনাম:


দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী --– বন্ধ থাকা কল কারখানা পুনরায় চালুর ব্যাপারে আলোচনা।


আজ ৩০ উপজেলায় শুরু হচ্ছে হাম-রুবেলা বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি --- পর্যায়ক্রমে সম্প্রসারণ করা হবে সারাদেশে --- জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।


দেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে এক লাখ মেট্রিক টন ডিজেল ও দুই কার্গো এলএনজি কিনবে সরকার।


জ্বালানি ও বিদ্যুৎ পরিস্থিতি মোকাবেলায় সকল সরকারি-বেসরকারি অফিসে আজ থেকে নতুন সময়সূচি কার্যকর।


মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হৃদয়ে ধারণ করে দেশকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে হবে --- বললেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী।


তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিতে সরকার বদ্ধ পরিকর --- মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রচার রোধে সতর্ক থাকার আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর।


৪৮ ঘণ্টার মধ্যে শান্তি চুক্তি মেনে না নিলে ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো ধ্বংস করে দেওয়ার মার্কিন প্রেসিডেন্টের হুমকি প্রত্যাখ্যান করলো তেহরান।


এবং ট্রফি নিয়ে দেশে ফিরলো সাফ জয়ী অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দল --- ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সংবর্ধনা।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০৪-০৪-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম:

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৪-০৪-২০২৬ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক করলেন প্রধানমন্ত্রী --– বন্ধ থাকা কল কারখানা পুনরায় চালুর ব্যাপারে আলোচনা।


আগামীকাল ৩০ উপজেলায় শুরু হচ্ছে হাম-রুবেলা বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি --- পর্যায়ক্রমে সম্প্রসারণ করা হবে সারাদেশে --- জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।


জ্বালানি ও বিদ্যুৎ পরিস্থিতি মোকাবেলায় সকল সরকারি-বেসরকারি অফিসে আগামীকাল থেকে নতুন সময়সূচি কার্যকর।


মুক্তিযুদ্ধের চেতনা হৃদয়ে ধারণ করে দেশকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে হবে --- বললেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী।


তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিতে সরকার বদ্ধ পরিকর --- মিথ্যা ও বানোয়াট সংবাদ প্রচার রোধে সতর্ক থাকার আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর।


রাজধানীর কেরানীগঞ্জে কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে ৫ মরদেহ উদ্ধার।


আফগানিস্তানে ৫ দশমিক ৮ মাত্রার ভূমিকম্প --- নিহত ১২।


এবং ট্রফি নিয়ে দেশে ফিরলো সাফ জয়ী অনুর্ধ্ব-২০ ফুটবল দল --- ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের সংবর্ধনা।

শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬

আধুনিক পরিমাপ অনুযায়ী কাবার চারদিকের দৈর্ঘ্যের যোগফল (Perimeter) মাত্র ৪৮.২৬ মিটার ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 গাজী রাকায়েত সাহেবের আরেকটি মিথ্যাচার ছিলো কাবা নিয়ে। তিনি কাবার সব মাপের যোগফল ১১৪ মিটার বলে যে ‘মিরাকেল’ প্রচার করছেন, তা স্রেফ গাণিতিক ভেল্কি আর ভুল তথ্যের মিশ্রণ।


আধুনিক পরিমাপ অনুযায়ী কাবার চারদিকের দৈর্ঘ্যের যোগফল (Perimeter) মাত্র ৪৮.২৬ মিটার


(প্রায়)। আর যদি উচ্চতা (১৩.১ মিটার) সহ ১২টি ধারের দৈর্ঘ্য যোগ করেন, তবে তা দাঁড়ায় প্রায় ১৪৯ মিটারের কাছাকাছি। ১১৪ সংখ্যাটা কোনোভাবেই এখানে ফিট করে না।


কাবার আকার যদি মিরাকেল হিসেবে ১১৪-ই হতো, তবে তা ইতিহাসে বারবার পরিবর্তন হলো কেন?


৬০৫ খ্রিষ্টাব্দ (কুরাইশদের আমল): কাবা পুন:নির্মাণের সময় তারা উচ্চতা ৯ হাত থেকে বাড়িয়ে ১৮ হাত করে এবং আয়তন কমায়।


৬৮৩ খ্রিষ্টাব্দ (আবদুল্লাহ ইবনে যুবায়ের রা.): তিনি কাবার আয়তন বাড়িয়ে নবী ইব্রাহিম (আ.)-এর মূল ভিত্তি অনুযায়ী বড় করেন এবং উচ্চতা আরও ১০ হাত বাড়িয়ে দেন।


৬৯৩ খ্রিষ্টাব্দ (আবদুল মালিক বিন মারওয়ান): তিনি আবার আয়তন কমিয়ে কুরাইশদের আমলের আকারে নিয়ে যান।


যদি ১১৪ সংখ্যাটাই মিরাকেল হতো, তবে কোন সময়ের মাপকে আপনি মিরাকেল বলবেন? ইবনে যুবায়েরের আমলের বড় কাবাকে, নাকি বর্তমানের ছোট কাবাকে? মাপ পরিবর্তন হলে তো মিরাকেলও হাওয়া হয়ে যাওয়ার কথা!


সহীহ বুখারী ও মুসলিম: কাবার আয়তন কমানো ও হাতিম অংশটি বাদ দেওয়ার ঐতিহাসিক বিবরণ এখানে স্পষ্টভাবে আছে।


ইবনে কাসীরের ‘আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া’: এখানে ইবনে যুবায়ের এবং হাজ্জাজ বিন ইউসুফের সময় কাবার মাপ পরিবর্তনের বিস্তারিত ইতিহাস পাবেন।


ইমাম আজরাকীর ‘আখবার মক্কা’: এটি মক্কার ইতিহাসের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য প্রাচীন দলিল, যেখানে কাবার আদি মাপ ও পরিবর্তনের তথ্য দেওয়া আছে।

((নীহারিকা ফেরদৌসী  ফেইসবুক থেকে নেওয়া) 

শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬

৩ টি সহজ কথা  তুলে ধরা হলো হলো, যা অনুসরণ করলে আপনি মানসিক শান্তি ও আত্মবিশ্বাস ফিরে পাবেন:

 আমরা সবাই সুন্দরভাবে বাঁচতে চাই। কিন্তু ছোট ছোট কিছু ভুল অভ্যাস আমাদের অগোচরেই আমাদের জীবনকে জটিল করে তোলে।

 ৩ টি সহজ কথা  তুলে ধরা হলো হলো, যা অনুসরণ করলে আপনি মানসিক শান্তি ও আত্মবিশ্বাস ফিরে পাবেন:


✅👉১. অন্যের রুচি অনুযায়ী নিজের পছন্দ বদলানো বন্ধ করুন:🚶🏽‍♂️


অনেক সময় আমরা বন্ধুদের কাছে প্রিয় হতে বা কারও সাথে তাল মেলাতে গিয়ে নিজের সত্যিকারের পছন্দগুলোকে চাপা দিয়ে দিই। মনে রাখবেন, ব্যক্তিত্বই আপনার আসল পরিচয়। বন্ধুত্বের অর্থ এই নয় যে আপনাকে অন্যের ‘কার্বন কপি’ হতে হবে। আপনি যা, সেটা নিয়েই গর্বিত থাকুন এবং নিজের মৌলিকতাকে বাঁচিয়ে রাখুন। নিজের পছন্দের প্রতি সৎ থাকাই হলো প্রকৃত স্মার্টনেস।


✅👉২. সত্য না জেনে রাগ বা যোগাযোগ বন্ধ করা থেকে দূরে থাকুন:🙏🏽


সম্পর্ক ভাঙার অন্যতম প্রধান কারণ হলো হুট করে সিদ্ধান্ত নেওয়া। কারোর সম্পর্কে কিছু শুনে বা কোনো পরিস্থিতি সম্পূর্ণ না জেনেই উত্তেজিত হয়ে পড়া বা কথা বলা বন্ধ করে দেওয়া একটি মারাত্মক ভুল অভ্যাস। কোনো কিছু নিয়ে মনে প্রশ্ন থাকলে সরাসরি কথা বলুন। পুরো ঘটনা না জেনে রাগের মাথায় কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া মানে নিজের এবং অন্যের— উভয়েরই ক্ষতি করা। ধৈর্য ধরুন এবং সত্য জানতে চেষ্টা করুন।


✅👉৩. “লোকে কী বলবে”—এই ভয়ে নিজের ইচ্ছাকে বলি দেবেন না:🚶🥀🎯


আমাদের সমাজে সবচেয়ে বড় ব্যাধি হলো— "চারজন লোকে কী বলবে?" এই চিন্তায় আমরা আমাদের অনেক সুন্দর স্বপ্ন আর ইচ্ছাকে অবলীলায় বিসর্জন দিয়ে দিই। মনে রাখবেন, আপনার দুঃসময়ে সেই ‘চারজন লোক’ পাশে আসবে না; লড়াইটা আপনাকে একাই করতে হবে। তাই অন্যের অলীক মতামতের ওপর ভিত্তি করে নিজের স্বপ্নের সমাধি করবেন না। সমাজ কী ভাবছে তা দেখার চেয়ে আপনি কতটা সৎ ও পরিশ্রমী, সেটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।


 🥀🌻🥀শেষ কথা 🥀🌻🥀


জীবন আপনার, তাই এর চালকও আপনাকে হতে হবে। অন্যের হাতে নিজের সুখের চাবিকাঠি ছেড়ে দেবেন না। আজ থেকেই প্রতিজ্ঞা করুন— আপনি অন্যের কথায় প্রভাবিত না হয়ে নিজের ব্যক্তিত্বকে সম্মান করবেন, হুট করে রেগে না গিয়ে পরিস্থিতি বুঝবেন এবং সাহসের সাথে নিজের স্বপ্ন পূরণ করবেন।


মনে রাখবেন— আপনি যখন নিজেকে সম্মান করতে শিখবেন, পৃথিবীও আপনাকে সম্মান দেবে।


‎🔥ব্যক্তিত্ব উন্নয়ন এবং জীবনের গূঢ় রহস্য জানতে এই পোস্টটি সেভ করে রাখুন এবং অন্যদের সাথেও শেয়ার করুন। প্রতিদিন নিজেকে ১% উন্নত করার লক্ষ্যে আমাদের এই পেজটিকে ফলো করে রাখুন। ❤️


✍️✍️✍️ Rohit Baagdii 🌿 Gayan Page 🌿 


‎‎‎👉🌿এই পোস্টটি আপনার ভালো লাগলে অন্যদের মধ্যেও শেয়ার করবেন ।

‎👉🌻 এই পোষ্টের ফটো বা টেক্সট কেউ কপি বা কপি পেস্ট করবেন না নয়তো কপিরাইট স্ট্রাইক বা কপি রাইট ক্লেইম পেতে পারেন 🙏🌻🙏


#lifelessons 

#SuccessMindset 

#motivation

আর্টেমিস ২: চাঁদের পথে ৪ নভোচারী

 আর্টেমিস ২: চাঁদের পথে ৪ নভোচারী


ফ্লোরিডা, ১ এপ্রিল ২০২৬। ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরালের কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে আকাশ চিরে এসএলএস (SLS) রকেটটি কক্ষপথের দিকে ছুটে যাবে, তখন মানবজাতি প্রবেশ করবে এক নতুন মহাকাশ যুগে।


বাংলাদেশের সময় অনুযায়ী ২ এপ্রিল বৃহস্পতিবার ভোর ৪:২৪ মিনিটে এই ঐতিহাসিক উৎক্ষেপণটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। দীর্ঘ ৫৪ বছর পর—১৯৭২ সালের অ্যাপোলো ১৭-এর পর—আবারও চারজন মানুষ পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে পাড়ি জমাচ্ছেন গভীর মহাকাশে। 


আর্টেমিস-২ মিশনটি যদিও চাঁদের মাটিতে এখনই অবতরণ করবে না, তবে এটি হতে যাচ্ছে অর্ধশতাব্দীরও বেশি সময় পর চন্দ্রজয়ের পথে প্রথম মানববাহী মহাকাশ যাত্রা।


নাসার কমান্ডার রিড ওয়াইজম্যানের নেতৃত্বে চার নভোচারী যখন ওরিয়ন ক্যাপসুলে চেপে বসবেন, তখন তাদের লক্ষ্য থাকবে চাঁদের বুক ছুঁয়ে আসা নয়, বরং চাঁদের চারপাশ প্রদক্ষিণ করে এক ঐতিহাসিক 'লুপ' সম্পন্ন করা।

.


সাত লক্ষ মাইলের যাত্রা


এই রুদ্ধশ্বাস অভিযানে তারা পাড়ি দেবেন প্রায় সাত লক্ষ মাইল পথ। চাঁদের অন্ধকার পৃষ্ঠ থেকে মাত্র ৪,৭০০ মাইল ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়ার সময় তারা দেখবেন এমন এক দৃশ্য, যা এর আগে কোনো মানুষের চোখে পড়েনি।


এই অভিযানে কোনো পদচিহ্ন পড়বে না, কিন্তু এটি সেই অজেয় সাহসের জয়গান, যা ২০২৮ সালে চাঁদের মাটিতে মানুষের স্থায়ী প্রত্যাবর্তনের পথ সুগম করবে।


১০ দিনব্যাপী এই অভিযানে নাসার মহাকাশচারী রিড ওয়াইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার ও ক্রিস্টিনা কচ এবং কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সির মহাকাশচারী জেরেমি হ্যানসেন চাঁদের চারপাশে একটি মুক্ত প্রত্যাবর্তন পথে প্রদক্ষিণ করে পৃথিবীতে ফিরে আসবেন।

.


২০২৮-এর চন্দ্রজয়ের সেতুবন্ধন


আর্টেমিস-২ মূলত পরবর্তী আর্টেমিস মিশনগুলির সফলতাকে সুনিশ্চিত করার জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও জটিল পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন। এটি কেবল একটি মহাকাশ যাত্রা নয়, বরং গভীর মহাকাশে মানুষের টিকে থাকার সক্ষমতা যাচাইয়ের চূড়ান্ত পরীক্ষা। আর্টেমিস-২-এর সাফল্যের ওপর ভিত্তি করেই নাসা তাদের পরবর্তী বড় পদক্ষেপটি নেবে।


এই অভিযানে ওরিয়নের যোগাযোগ প্রযুক্তি, উন্নত জীবন-রক্ষা ব্যবস্থা এবং প্রপালশন সিস্টেম মানুষের উপস্থিতিতে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে।


যদি এই মিশনটি পরিকল্পনামাফিক সফল হয়, তবেই ২০২৮ সালের সেই ঐতিহাসিক ক্ষণটি বাস্তবায়িত হবে—যেখানে মানুষ কেবল চাঁদের চারপাশ ঘুরে আসবে না, বরং চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে অবতরণ করে এক নতুন যুগের সূচনা করবে।

.


চার মহাকাশচারী: ইতিহাসের নতুন কারিগর


রিড ওয়াইজম্যান এই মিশনের কমান্ডার। ৫০ বছর বয়সী অভিজ্ঞ নৌ-বৈমানিক থেকে নভোচারী হওয়া ওয়াইজম্যান আগে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে ১৬৫ দিন কাটিয়েছেন। তিনি হবেন ১৯৭২ সালের পর প্রথম চান্দ্র মিশনের কমান্ডার এবং সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তি হিসাবে নিম্ন কক্ষপথের বাইরে যাওয়ার রেকর্ড গড়বেন।


ভিক্টর গ্লোভার এই মিশনের পাইলট। তিনি হবেন প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ ব্যক্তি যিনি পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথের বাইরে যাবেন। আগে তিনি ২০২০-২১ সালে মহাকাশ স্টেশনে ১৬৮ দিনের দীর্ঘ অভিযানে অংশ নিয়েছেন এবং SpaceX Dragon ক্যাপসুল প্রথম পাইলট হিসাবে পরিচালনার কৃতিত্বও তার।


ক্রিস্টিনা কচ প্রথম নারী হিসাবে এত দূরে যাচ্ছেন। মহাকাশে টানা ৩২৮ দিন থাকার রেকর্ড তার। বিজ্ঞান ও প্রকৌশলে তার গভীর দক্ষতা এই মিশনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে।


জেরেমি হ্যানসেন কানাডার মহাকাশ সংস্থার নভোচারী। তিনি হবেন প্রথম অ-মার্কিন নাগরিক যিনি পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথের বাইরে যাবেন। এটি তার প্রথম মহাকাশ অভিযান।


মূল চার নভোচারী ছাড়াও দুজন ব্যাকআপ নভোচারী রয়েছেন—নাসার আন্দ্রে ডগলাস এবং কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সির জেনি গিবনস।

.


ওরিয়ন: শিকারি থেকে মহাকাশযানের রূপকথা


উৎক্ষেপণের মাত্র ৮ মিনিটের এক প্রচণ্ড গতির মধ্য দিয়ে ওরিয়ন মহাকাশের সীমানায় পৌঁছাবে। মজার ব্যাপার হল, 'ওরিয়ন' নামটি চন্দ্রাভিযানের ইতিহাসে বেশ পুরনো। ১৯৭২ সালে অ্যাপোলো ১৬ মিশনের ল্যান্ডারটির নামও ছিল 'ওরিয়ন'।


এই মহাকাশযানের 'ওরিয়ন' নামটি এসেছে গ্রিক পুরাণের এক কিংবদন্তি শিকারির নাম থেকে, যাকে আমরা বাংলায় 'কালপুরুষ' নক্ষত্রমণ্ডলী হিসাবে চিনি। নাসা এই নামটি বেছে নিয়েছে মূলত গভীর মহাকাশে মানুষের নতুন যাত্রার পথপ্রদর্শক হিসাবে।


মহাকাশে পৌঁছালেই ওরিয়ন সরাসরি চাঁদের দিকে রওনা দেবে না। প্রথম পুরো একটা দিন কাটবে পৃথিবীর উঁচু কক্ষপথে—একটি গুরুত্বপূর্ণ 'চেকআউট' হিসাবে। নভোচারীরা মহাকাশযানের জীবন-রক্ষা ব্যবস্থা, পানীয় জল সরবরাহ, কার্বন ডাই-অক্সাইড নিয়ন্ত্রণ এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা করবেন।


পৃথিবীর কক্ষপথে থাকাকালীন পাইলট ভিক্টর গ্লোভার একটি অত্যন্ত সূক্ষ্ম পরীক্ষা চালাবেন—উৎক্ষেপণের প্রায় ৩.৫ ঘণ্টা পর তিনি ওরিয়নকে রকেটের পরিত্যক্ত উপরের অংশের (Upper Stage/ICPS) কাছাকাছি নিয়ে যাবেন। মহাকাশ বিজ্ঞানে একে বলা হয় 'প্রক্সিমিটি অপারেশনস'। এটি মূলত ভবিষ্যতে Gateway Space Station বা SpaceX Starship Lander-এর সাথে ডকিং-এর আগাম প্রস্তুতি।

.


বুমেরাং কৌশল: মহাকাশে ফেরার পথ


সব পরীক্ষা সফল হলে উৎক্ষেপণের প্রায় ২৫ ঘণ্টা পর একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঞ্জিন প্রজ্বলন হবে। প্রায় ৬ মিনিট ৫ সেকেন্ডের এই প্রজ্বলনে মহাকাশযানের গতি প্রায় ৯০০ মাইল/ঘণ্টা বেড়ে যাবে—যে গতি পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ ছাড়িয়ে চাঁদের দিকে যাওয়ার জন্য যথেষ্ট। এরপর শুরু হবে ৪ দিনের যাত্রা।


চাঁদের কাছে পৌঁছানোর পর ওরিয়ন চাঁদের পৃষ্ঠ থেকে মাত্র প্রায় ৪,৭০০ মাইল (৭,৬০০ কিলোমিটার) দূর দিয়ে উড়ে যাবে। এই নির্দিষ্ট দূরত্বটি এমনভাবে হিসাব করা হয়েছে যাতে চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ শক্তিকে একটি 'স্লিং শট'-এর মত ব্যবহার করে মহাকাশযানটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পৃথিবীর দিকে ঘুরে আসতে পারে।


আরো কাছে গেলে চাঁদের প্রবল টানে আটকে যাওয়ার ঝুঁকি থাকত, যা থেকে বেরিয়ে আসতে প্রচুর বাড়তি জ্বালানির প্রয়োজন হত।


মহাকাশ বিজ্ঞানের এই বিশেষ পথকে বলা হয় 'মুক্ত-প্রত্যাবর্তন পথ' (Free-Return Trajectory)। এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, যদি মাঝপথে মহাকাশযানের ইঞ্জিনে কোনো বড় যান্ত্রিক গোলযোগও দেখা দেয়, তার পরেও চাঁদের মহাকর্ষ বলই ওরিয়নকে নিরাপদে পৃথিবীর দিকে ঠেলে দেবে। মহাকাশযানটি অনেকটা বুমেরাং-এর মত নিজেই নিজের ঘরে ফিরে আসবে।


মিশনের দশম দিনে—সম্ভাব্য ১০ এপ্রিল—ওরিয়ন ক্যালিফোর্নিয়ার সান দিয়েগো উপকূলে প্রশান্ত মহাসাগরে নামবে। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে ঢোকার সময় ঘর্ষণে বাইরের তাপমাত্রা উঠবে প্রায় পাঁচ হাজার ডিগ্রি পর্যন্ত এবং প্রায় ৫ মিনিটের জন্য সব রেডিও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। নৌবাহিনীর জাহাজ অপেক্ষায় থাকবে উদ্ধারের জন্য।

.


হিট শিল্ড বিতর্ক ও ভবিষ্যতের নিরাপত্তা


আর্টেমিস-২ নিয়ে সবচেয়ে বড় উদ্বেগ হল তাপ-প্রতিরোধী ঢাল বা শিল্ড নিয়ে। ২০২২ সালে আর্টেমিস-১-এর 'অ্যাভকোট' (Avcoat) উপাদানে তৈরি ঢালে যে ক্ষয় ধরা পড়েছিল, সেটি ঠিক কেন হয়েছিল তা এখনও পুরাপুরি বোঝা যায়নি।


এবারের ঢাল একই ধরনের—তবে ফেরার পথটি বদলানো হয়েছে। আগে মহাকাশযান বায়ুমণ্ডলে একবার ডুব দিয়ে আবার উঠে আসত (Skip Reentry), তারপর চূড়ান্তভাবে নামত। এবার সেই কৌশল বাদ দেওয়া হয়েছে—সরাসরি খাড়াভাবে নামবে, যাতে ঢালে তাপের চাপ কম সময় জুড়ে থাকে।


সাবেক নভোচারী চার্লস কামার্দা বার বার সতর্ক করেছেন যে নতুন পথে ঢাল কীভাবে আচরণ করবে তা মানববিহীন পরীক্ষা না করেই মানুষ পাঠানো ঠিক হচ্ছে না। নাসার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিস্তারিত পরীক্ষার পর তারা নিশ্চিত যে এই ঢাল নিরাপদ।


আর্টেমিস-৩-এর জন্য সম্পূর্ণ নতুন নকশার এবং উন্নত উপাদানে তৈরি তাপ-প্রতিরোধী ঢাল ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

.


মহাকাশে নতুন স্নায়ুযুদ্ধ ও বিশ্বনীতি


আন্তর্জাতিক দিক থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রেক্ষাপট হল চীনের সঙ্গে প্রতিযোগিতা। চীন ২০৩০ সালের মধ্যে চাঁদে নিজেদের নভোচারী পাঠানোর লক্ষ্যে কাজ করছে। এই পরিস্থিতিতে আর্টেমিস-২-এর সফল উৎক্ষেপণ নাসার জন্য শুধু প্রযুক্তিগত নয়, কূটনৈতিক দিক থেকেও জরুরি।


কানাডার অংশগ্রহণও এখানে তাৎপর্যপূর্ণ—জেরেমি হ্যানসেনের উপস্থিতি এই মিশনকে কেবল মার্কিন নয়, আন্তর্জাতিক একটি উদ্যোগ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত করছে। উল্লেখ্য, ২০২০ সালের একটি মার্কিন-কানাডা চুক্তির আওতাতেই কানাডিয়ান নভোচারীর অংশগ্রহণ সম্ভব হয়েছে।


বিতর্ক, বিলম্ব আর বাধা পেরিয়ে চারজন মানুষ চাঁদের দিকে রওনা দিচ্ছেন। এটি শুধু নাসার একটি মিশন নয়—এটি মানুষের সেই পুরোনো প্রশ্নের নতুন উত্তর: আমরা কতদূর যেতে পারি?


অ্যাপোলোর যুগে মহাকাশ ছিল দুই পরাশক্তির লড়াইয়ের ময়দান। এবার প্রেক্ষাপট আলাদা—দুই দেশের চার মানুষ, একটি যৌথ স্বপ্ন নিয়ে উড়ছেন। একজন কৃষ্ণাঙ্গ, একজন নারী, একজন কানাডিয়ান—এই দলটি নিজেই একটি বার্তা।


আর্টেমিস-২ চাঁদে নামবে না। কিন্তু এই যাত্রা ছাড়া পরের পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব নয়। ১০ দিন পর যখন ওরিয়ন প্রশান্ত মহাসাগরে নামবে, মানবজাতি একটু এগিয়ে যাবে।

.


উৎক্ষেপণের লাইভ  


নাসা'র অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে বাংলাদেশ সময় রাত ১০:৫০ মিনিট থেকে নভোচারীদের স্যুট পরার দৃশ্য থেকে শুরু করে উৎক্ষেপণ পর্যন্ত সব দেখা যাবে। উৎক্ষেপণের সময় বাংলাদেশ সময় ভোর ৪:২৪ মিনিট।

এই ১০টা যৌন সমস্যার ঘরোয়া কৌশল অনেকেই জানেন না

 এই ১০টা যৌন সমস্যার ঘরোয়া কৌশল অনেকেই জানেন না


১. দ্রুত বীর্যপাত নিয়ন্ত্রণে

প্রতিদিন ৫০ গ্রাম ভিজানো কাঁচা ছোলা + নিয়মিত কেগেল এক্সারসাইজ; প্রোটিন ও পেলভিক মাংসপেশি—দুটোই শক্ত হবে।


২. মিলনের ইচ্ছা কমে গেলে

গরম দুধে ১ চামচ খাঁটি মধু; সাথে পর্যাপ্ত ঘুম (৭–৮ ঘন্টা)। লিবিডো ঘুমের সাথেই জড়িত।


৩. বীর্য ঘন ও পুষ্ট রাখতে

বাদাম, খেজুর, ডিমের কুসুম, তালমাখনা; প্রয়োজনে জিংক ২০–৪০ মি.গ্রা (চিকিৎসকের পরামর্শে)।


৪. শরীর দুর্বল লাগলে

রাতে দুধে অল্প মেথি গুঁড়া; সপ্তাহে ১–২ দিন গরুর কলিজা; ওমেগা–৩ সমৃদ্ধ খাবার (চিনাবাদাম/মাছ)।


৫. মিলনের আগে এনার্জি বুস্ট

১টা কলা + ১ চামচ মধু; সাথে পর্যাপ্ত পানি। অতিরিক্ত কফি নয়—হার্টবিট বাড়িয়ে দেয়।


৬. চুল পড়া কমাতে

নারকেল তেল + কালোজিরা তেল হালকা ম্যাসাজ; প্রয়োজন হলে মিনোক্সিডিল (ডাক্তারের পরামর্শে)।


৭. ত্বক উজ্জ্বল রাখতে

লেবু + মধু পানি; নিয়মিত ঘুম ও স্ট্রেস কন্ট্রোল—ত্বকের ৫০% উজ্জ্বলতা ঘুমের উপর নির্ভর।


৮. মানসিক প্রশান্তি ও আত্মবিশ্বাসে

ফজর/এশার পর ৫–১০ মিনিট গভীর শ্বাস–প্রশ্বাস; নিয়মিত তিলাওয়াত বা ধ্যান—কর্টিসল কমে, পারফরম্যান্স বাড়ে।


৯. ইরেকশন দুর্বল হলে (হালকা ক্ষেত্রে)

প্রতিদিন ২০–৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটা + ওজন নিয়ন্ত্রণ; রক্ত চলাচলই আসল শক্তি।


১০. অতিরিক্ত দুশ্চিন্তায় পারফরম্যান্স কমলে

স্ক্রিন টাইম কমান, পর্ন এড়িয়ে চলুন; বাস্তব সম্পর্ক ও আবেগিক সংযোগ বাড়ান—মস্তিষ্কই মূল নিয়ন্ত্রক।


তাৎক্ষণিক জাদু নেই। নিয়মিত অভ্যাসই আসল ওষুধ।❤️❤️

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ০৩-০৪-২৯২৫

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ০৩-০৪-২৯২৫


আজকের সংবাদ শিরোনাম


মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে জ্বালানি পরিস্থিতি মোকাবিলায় ব্যয় সংকোচন, অফিস সময় হ্রাস এবং সন্ধ্যা ৬টার পর মার্কেট বন্ধ রাখা হবে --- মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত --- আজ থেকে ধাপে ধাপে কার্যকর।  

 


জনগণকে জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার এবং অযথা মজুত না করার আহ্বান জানালেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী। 

 


দেশে জ্বালানি তেলের বর্তমান মজুত আড়াই লাখ মেট্রিক টন --- জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের তথ্য প্রকাশ। 

 


হাম প্রতিরোধে বর্তমান সরকার পুরোপুরি প্রস্তুত --- জানালেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী। 

 


যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল এবং ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলা অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান জাতিসংঘের --- মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত বৃহত্তর যুদ্ধে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা। 

 


এবং মালদ্বীপে সাফ অনুর্ধ্ব-২০ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপের ফাইনালে পরস্পরের মোকাবেলায় আজ মাঠে নামবে বাংলাদেশ ও ভারত।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০২-০৪-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০২-০৪-২০২৬ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলো বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের প্রতিনিধিদল।


জনগণকে জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার এবং অযথা মজুত না করার আহ্বান জানালেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী।


দেশে জ্বালানি তেলের বর্তমান মজুত আড়াই লাখ মেট্রিক টন --- বিদ্যুৎ ও খনিজ সম্পদ বিভাগের তথ্য প্রকাশ।


হাম প্রতিরোধে বর্তমান সরকার পুরোপুরি প্রস্তুত --- জানালেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী।


দেশে স্বাধীনতার পর মার্চে একক মাসে রেকর্ড সর্বোচ্চ তিনশো ৭৫ কোটি মার্কিন ডলারের বেশী রেমিটেন্স এসেছে।  


ইরানে কঠোর হামলা চালানোর মার্কিন হুমকির জবাবে ব্যাপক ও বিধ্বংসী পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি তেহরানের।


এবং আগামীকাল মালদ্বীপে সাফ অনুর্ধ্ব-২০ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপের ফাইনালে বাংলাদেশ ও ভারত পরস্পরের মোকাবেলা করবে।

আমি নিজেও কখনাে এভাবে ভাবিনি. 😲 ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমি নিজেও কখনাে এভাবে ভাবিনি. 😲 ফজর- ২ x ৩৬৫ দিন    = ৭৩০ রাকাআত যােহর- ৪ x ৩৬৫ দিন    = ১৪৬০ রাকাআত আসর- ৪x ৩৬৫ দিন     = ১৪৬০ রাকাআত মাগ...