এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬

SHORTWAVE - শর্টওয়েভ পর্ব - ১

 SHORTWAVE - শর্টওয়েভ

পর্ব - ১


নমস্কার কেমন আছেন সবাই?, আশা করি ভালো আছেন। আমার আগের পোস্ট এর রেশ টেনে বলছি, যারা বলছেন শর্টওয়েভ এ শোনার মতো কোনো স্টেশন নেই বা শুধুই চাইনিজ স্টেশন তদের উদ্যেশে বলবো ঠিক সময় ঠিক ফ্রিকোয়েন্সিতে টিউন করলে প্রচুর স্টেশন শুনতে পাবেন। কিন্তু সমস্যা একটাই যে সঠিক শিডিউল কোথায় পাওয়া যাবে। আমি এবং আরো কিছু শ্রোতা লক্ষ্য করেছি যে বিভিন্ন ওয়েবসাইট, গ্রুপ, ইউটিউব চ্যানেল ও সোশ্যাল মিডিয়া তে প্রচুর ভুল শর্টওয়েভ শিডিউল ইনফরমেশন ছড়ানো হচ্ছে। 


তাই আমরা এবার ঠিক করেছি আপনাদের কাছে সঠিক তথ্য উপস্থাপন করবো যাতে সহজেই আপনার শর্টওয়েভ এ প্রচুর স্টেশন শুনতে পারেন। চেষ্টা করবো ভিডিও প্রমাণ সহ আপনাদের দেখানোর। তাই খাতা কলম নিয়ে নোট করে নিন।

ইবাদত কাকে বলে — কুরআন অনুযায়ী

 ইবাদত কাকে বলে — কুরআন অনুযায়ী


আমরা অনেক সময় ইবাদতকে কেবল নির্দিষ্ট কিছু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ মনে করি। 

কিন্তু কুরআনের বিশাল ক্যানভাসে ইবাদতের ধারণা অত্যন্ত ব্যাপক। যখন আমরা বলি, "আমরা কেবল আল্লাহর ইবাদত করি," তখন সেই ইবাদতের স্বরূপ কেমন হওয়া উচিত, তা কুরআনই আমাদের শিখিয়ে দিয়েছে।


ইবাদতের মূল সংজ্ঞা:

সহজ ভাষায়, সম্পূর্ণ কুরআন অনুসরণ করাই হচ্ছে ইবাদত। 

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা কুরআনে যা করতে আদেশ করেছেন তা পালন করা এবং যা থেকে নিষেধ করেছেন তা বর্জন করার মাধ্যমে নিজের ইচ্ছাকে আল্লাহর ইচ্ছার কাছে সমর্পণ করাই হলো প্রকৃত ইবাদত।


কুরআনের আলোকে ইবাদতের বিভিন্ন দিক:


১. সরাসরি রবের আনুগত্য ও ধৈর্য:


আল্লাহ, আখেরাত, ফেরেশতাগণ, কিতাব সমূহ ও নবীগনের প্রতি ঈমান আনার পর 

রবের সন্তুষ্টির জন্য সরাসরি তাঁর নির্দেশিত আমলগুলো করা ➖

সালাত প্রতিষ্ঠা করা, যাকাত দেয়া, প্রতিশ্রুতি দিয়ে তা পূর্ণ করা, অর্থ-সংকটে, দুঃখ-কষ্টে ও সংগ্রাম-সংকটে ধৈর্য্য ধারণ করা।

    ( সূরা আল বাকারা আয়াত ১৭৭ )


২. আর্থিক ত্যাগ ও উৎসর্গ:


সম্পদ দান করা তার ভালবাসায় আত্বীয়-স্বজন,ইয়াতীম, অভাবগ্রস্ত, মুসাফির, সাহায্যপ্রার্থী ও দাসমুক্তির জন্য।


(সূরা আল বাকারা আয়াত ১৭৭)


"নিশ্চয় দানশীল পুরুষগণ ও দানশীল নারীগণ এবং যারা আল্লাহকে উত্তম দান করে তাদেরকে দেওয়া হবে বহুগুণ এবং তাদের জন্য রয়েছে সম্মানজনক প্রতিদান।" 

       (সূরা হাদীদ আয়াত ১৮)


৩. সমাজ সংস্কার ও ন্যায়ের প্রচার:


 সমাজকে সুন্দর করার জন্য কাজ করাও ইবাদত। 

আল্লাহ মুমিনদের শ্রেষ্ঠ জাতি বলেছেন কারণ তারা সৎ কাজের আদেশ দেয় এবং অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করে।


"তোমাদের মধ্যে এমন একদল হোক যারা কল্যাণের দিকে আহ্বান করবে এবং সৎ কাজের আদেশ দেবে ও অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করবে।" 

(সূরা আল-ইমরান: ১০৪, ১১০, ১১৪)


৪. চারিত্রিক সততা ও মানবিক মূল্যবোধ:


 ব্যক্তিগত জীবনে নৈতিকতা ও সততা বজায় রাখা ইবাদতের অপরিহার্য অংশ।


পিতা মাতার সাথে সদ্ব্যবহার করা, দারিদ্র্যের ভয়ে সন্তানদের হত্যা না করা, প্রকাশ্যে হোক কিংবা গোপনে হোক, অশ্লীল কাজের ধারে-কাছেও না যাওয়া, যথার্থ কারণ ছাড়া কাউকে হত্যা না করা, ইয়াতীমদের সম্পদের ধারে-কাছেও না যাওয়া, পরিমাপ ও ওজন ন্যায্যভাবে পুরোপুরি দেয়া, ন্যায্য কথা বলা স্বজনদের সম্পর্কে হলেও ।

  (সূরা আন'আম আয়াত ১৫১-১৫২)


৫. সৃষ্টির সেবা ও উত্তম আচরণ:


আল্লাহর ইবাদতের পাশাপাশি প্রতিবেশী ও অভাবী মানুষের সাথে সদ্ব্যবহার করা কুরআনের এক অমোঘ নির্দেশ।


আর তোমরা আল্লাহর ইবাদাত কর ও কোন কিছুকে তার শরীক করো না ; এবং পিতা-মাতা , আত্মীয়-স্বজন , ইয়াতীম, অভাবগ্রস্থ , নিকট প্রতিবেশী , দুর-প্রতিবেশী , সঙ্গী-সাথী , মুসাফির ও তোমাদের অধিকারভুক্ত দাস-দাসীদের প্রতি সদ্ব্যবহার করো।

 নিশ্চয়ই আল্লাহ পছন্দ করেন না দাম্ভিক, অহংকারীকে।


(সূরা আন-নিসা আয়াত ৩৬)


স্পষ্টতা ও সতর্কতা:


অনেকে মনে করেন দুনিয়াদারী আর ইবাদত দুটি আলাদা জগত।

 কিন্তু কুরআন অনুযায়ী, আপনি যখন কুরআনের আইন মেনে ন্যায়বিচার করেন, ওজনে কম দেন না, এতিমের হক রক্ষা করেন কিংবা পরিবারের যত্ন নেন—তখন সেই প্রতিটি মুহূর্তই 'ইবাদত' হিসেবে গণ্য হয়।

 অর্থাৎ, ইবাদত হলো জীবনের ২৪ ঘণ্টার একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন।


কুরআন মজিদ আমাদের শেষ কথাটি বলে দিয়েছে:

"বলুন, নিশ্চয়ই আমার সালাত, আমার কোরবানি, আমার জীবন ও আমার মরণ—সবই মহাবিশ্বের পালনকর্তা আল্লাহর জন্য।" 

(সূরা আন-আম আয়াত ১৬২)


আল্লাহ আমাদের সবাইকে কুরআনের এই পূর্ণাঙ্গ ইবাদত পালনের তৌফিক দান করুন।


এপ্রিল ১৯,২০২৬.

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২১-০৪-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২১-০৪-২০২৬ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় কোনো হস্তক্ষেপ করবে না --- বিভিন্ন পত্রিকার মালিক ও প্রকাশকদের সঙ্গে বৈঠকে বললেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হলো আজ --- প্রশ্নফাঁস ও গুজব রোধে সাইবার নজরদারি জোরদার হয়েছে --- বললেন শিক্ষামন্ত্রী।


বর্তমান সরকার বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করেছে ৯০ দশমিক ছয়-ছয় মিলিয়ন ডলার  --- সংসদে অর্থমন্ত্রীর তথ্য প্রকাশ।


দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে --- ‘প্যানিক বায়িং’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টার। 


মাদক ও তামাকজাত দ্রব্যের বিস্তার রোধে সচেতনতা বৃদ্ধির তাগিদ দিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।


চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে ১ লাখ টন ডিজেল ও অকটেনবাহী ৩ ট্যাংকার।


আগামীকাল যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি শেষ হচ্ছে --- পুনরায় যুদ্ধ শুরু হলে  নতুন পদ্ধতিতে এর মোকাবেলা করার হুঁশিয়ারি ইরানের।


এবং আগামীকাল রাজশাহীতে বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কা নারী ক্রিকেট দলের মধ্যে দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

অবশেষে নহাটা বাজারের দুলাল কসাইয়ের সরকারিভাবে তদন্ত প্রতিবেদন চুড়ান্ত হলো,

 অবশেষে নহাটা বাজারের দুলাল কসাইয়ের সরকারিভাবে তদন্ত প্রতিবেদন চুড়ান্ত হলো, সরকারি নিয়মনীতি অনুযায়ী ব্যবস্থা হবে তার, অসুস্থ গরু জবাই করার জন্য এবং সেই অসুস্থ গরুর গোশত জনসাধারণের মাঝে বিক্রি করে খাওয়ানোর জন্য এবং নিউজ সংগ্রহ করার সময় সাংবাদিকদের হেনস্থা ও অপমান করার শাস্তি ও জরিমানা। 


ভূমিকাঃ

গত ০৪/০১/২০২৬ ইং তারিখ আনুমানিক রাত ১২.০০ ঘটিকার সময় শালিখা উপজেলার মধুখালী গ্রামের জনৈক বাশার মীরের নিকট থেকে কসাই দুলাল মিয়া একটি গাভী ক্রয় করে এবং জবাই করে নহাটা বাজারে এনে মায়ের দোয়া গোশত ভান্ডারে সাধারন জনগনের মাঝে গোস্ত বিক্রি করে, গাভীটি অসুস্থ ও শরীরের বিভিন্ন জায়গায় পচন ধরে ছিলো বলে জনাব ফারুক আহমেদ, সভাপতি মাগুরা সংবাদিক ইউনিয়ন লিখিতভাবে অভিযোগ করেন। উক্ত বিষয়ে তদন্তের জন্য সরকারি ভাবে তারিখঃ ১৭/০২/২০২৬ ইং এর মাধ্যমে ০৩ (তিন) সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত বোর্ড গঠন করা হয়। উক্ত বোর্ডের সদস্য ছিলেন


০১। ডাঃ কাজী মোঃ আবু আহসান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, মহম্মদপুর, মাগুরা

০২। অচিন্ত্য সাহা, জেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর (ভারপ্রাপ্ত), সিভিল সার্জন অফিস, মাগুরা,

০৩। ডাঃ জাকারিয়া ইসলাম, মেডিকেল অফিসার, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মহম্মদপুর, মাগুরা

-সদস্য, -সদস্য সচিব। কার্যবিবরণীঃ - সভাপতি।


সরকারি কর্মকর্তা মাগুরা মহোদয়ের স্মারক এর মাধ্যমে প্রাপ্ত নির্দেশনা মোতাবেক গত ২২/০২/২০২৬ ইং তারিখে সকাল ১১.০০ ঘটিকার সময় আমরা উপরোল্লিখিত তদন্ত বোর্ডের ০৩ (তিন) সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি নহাটা বাজারে অবস্থিত কসাই দুলাল শেখের মায়ের দোয়া গোশত ভান্ডারে যাই এবং সেখানে গিয়ে প্রথমে কসাই দুলাল শেখের সাথে কথা বলি।


দুলাল শেখ জানান যে, গত ০৪/০১/২০২৬ ইং তারিখ শালিখা উপজেলার মধুখালী গ্রামের জনৈক বাশার মীরের নিকট থেকে তিনি একটি গভী গরু ক্রয় করেন জবাই করে নহাটা বাজারে এনে মায়ের দোয়া গোশত ভান্ডারে বিক্রয় করেন। তিনি আরো জানান গরুটি পা ভাঙ্গা ছিলো। পা ভাঙ্গা থাকায় গরুটি ক্রয় করে নহাটা নিয়ে আসা সম্ভব হয়নি বিধায় বিক্রেতার বাড়িতেই গরুটি জবাই করে গোশত নহাটা বাজারে আনা হয়। সাংবাদিকদের অভিযোগের বিষয়ে তাকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি জানান যে, গত ০৪/০১/২০২৬ ইং তারিখে তিনি দোকানে উপস্থিত ছিলেন। তখন কতিপয় সাংবাদিক মোঃ দুলাল মিয়ার গোশতের দোকানে আসে এবং তার সাথে অসুস্থ গরু জবাই নিয়ে বাক বিতন্ডা হয়। পরবর্তীতে সাংবাদিকগন দুলাল মিয়ার সহিত মোবাইলে যোগাযোগ করেন এবং বিভিন্ন সময়ে অর্থ দাবী করেন। দুলাল মিয়া সাংবাদিকগণকে নহাটা বাজারে আসতে বলেন এবং সাংবাদিকগণ নহাটা বাজারে আসলে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং বাজার থেকে কতিপয় ব্যক্তি সাংবাদিকগণকে মারতে উদ্যত হয়। মোঃ এনামুল হক পরিস্থিতি শান্ত করেন এবং সাংবাদিক গণকে সেখান থেকে সরিয়ে দেন। রোগাক্রান্ত গরু জবাই সম্পর্কে তিনি বলেন, এই ধরনের তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। অভিযোগকারী সাংবাদিক প্রায়শই তার কাছে অর্থ দাবী করতেন এবং এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বর্ণিত সাংবাদিক মোঃ দুলাল মিয়ার নিকট ১০০০০/- (দশ) হাজার টাকা দাবী করেছেন, টাকা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করার কারণে তারা এই কাজ করেছেন।


প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্যঃ

কসাই দুলাল মিয়ার সহিত কথা বার্তার সময় সেখানে আনুমানিক ৪০/৫০ জন লোক উপস্থিত হয়। উপস্থিত লোকেরা প্রত্যেকেই অসুস্থ গরু বা রোগাক্রান্ত গরু জবাইয়ের তথ্য সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে। গত ০৪/০১/২০২৬ ইং তারিখে কতিপয় সাংবাদিক মোঃ দুলাল মিয়ার গোশতের দোকানে আসে এবং তার সাথে অসুস্থ গরু জবাই নিয়ে অবৈধভাবে টাকা দাবী করেন এবং বিষয়টি নিয়ে ঝামেলা করেন। পরবর্তীতে সাংবাদিকগণ পুরনায় নহাটা বাজারে আসলে দুলাল শেখ এবং সাংবাদিকদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং বাজার থেকে কতিপয় ব্যক্তি সাংবাদিকগণকে মারতে উদ্যত হয়। মোঃ এনামুল হক পরিস্থিতি শান্ত করেন এবং সাংবাদিকগণকে সেখান থেকে সরিয়ে দেন।


পরবর্তীতে আমরা তদন্ত বোর্ডের ০৩ (তিন) সদস্য বিশিষ্ট কমিটি শালিখা উপজেলার মধুখালী গ্রামে যাই এবং গরুর মালিক আবুল বাশার মীরের সাথে কথা বলি।


জিজ্ঞাসাবাদে আবুল বাশার মীর জানান যে, ০৪/০১/২০২৬ ইং তারিখের ৩/৪ দিন আগে গরুটি গোয়াল ঘর থেকে বের করার সময় পা পিছলে গোয়ল ঘরের ভিতরে পড়ে যায়। অনেক চেষ্টা করেও গরুটি তুলতে পারেননি তিনি। পরে তিনি নালিয়া বাজারে পশু ডাঃ এর পরামর্শ নেন। পশু ডাঃ জানান যে, গরুটির পায়ের হাড়/কটি ভেঙ্গে গিয়েছে। চিকিৎসায় গরুটি সুস্থ করা সম্ভব নয়। পরবর্তীতে তিনি গরু বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেন এবং কসাইয়ের কাছে ৬০০০০ টাকায় গরুটি বিক্রয় করেন। পা ভাঙ্গা থাকায় গরুটি কসাই তার বাড়ীতেই জবাই করেন এবং গোশত নিয়ে যান। আবুল বাশার মীর এর প্রতিবেশীদের সাথে কথাবার্তা বলে জানা যায়, গরুটির পড়ে গিয়ে পা ভেঙ্গে যায়। ২/৩ দিন গরুটি পা ভাঙ্গা অবস্থায় গোয়ালে ছিলো তবে অন্য কোন অসুস্থতা বা পচন ধরা ছিলো না। পরবর্তীতে গরুটি বাশার মীর কসাইয়ের কাছে বিক্রয় করে দেন।


পরবর্তীতে নালিয়া বাজারের পশু চিকিৎসক মোঃ আল-আমিনের সাথে কথা বলি। আল-আমিন জানান, গত মাস খানিক আগে বাশার মীর তাকে গরু অসুস্থতার কথা জানালে তিনি গরুটি দেখতে যান। তিনি গরুটি দেখে জানান যে, গরুটির পায়ের হাড়/কটি ভেঙ্গে গিয়েছে। তাছাড়া গরুটির অন্য কোন অসুস্থতা ছিলো না বা পচন ধরা ছিলো না।


সরেজমিনে তদন্ত পূর্বক মতামতঃ

১। আবুল বাশার মীর গরুটি ৬০০০০/- টাকায় কসাই দুলাল মিয়ার কাছে বিক্রয় করেন।


২। গরুটি পা ভাঙ্গা ছিলো তবে অন্য কোন অসুস্থতা বা পচন ধরা ছিলো না।


৩। গরুটি পা ভাঙ্গা থাকার কারনে কসাই বাশার মীরের বাড়ীতেই গরুটি জবাই করা হয়।


৪। গরু বা পশু জীবিত অবস্থায় সুস্থ কি না সেটা প্রত্যয়নের দায়িত্ব প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তরের জবাইয়ের পরে গোশত ভালো অথবা নষ্ট সেটা প্রত্যয়নের দায়িত্ব স্বাস্থ্য বিভাগে কর্তব্যরত স্যানিটারী ইন্সপেক্টরের।


ডাঃ জাকারিয়া ইসলাম মেডিকেল অফিসার

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মহম্মদপুর, মাগুরা ও সদস্য সচিব, তদন্ত বোর্ড অচিন্ত্য সাহা

জেলা স্যানিটারী ইন্সপেক্টর (ভারঃ), সিভিল সার্জন অফিস মাগুরা ও সদস্য, তদন্ত বোর্ড ডাঃ কাজী মোঃ আবু আহসান উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, মহম্মদপুর, মাগুরা ও সভাপতি, তদন্ত বোর্ড।


Basic News 24

News Editor, Faruk Ahamed

ফেইসবুক থেকে কপি করা 

মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬

কুরআনের ৬টা আয়াতে শিফা — ৬টা রোগের ৬টা সমাধান ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 কুরআনের ৬টা আয়াতে শিফা — ৬টা রোগের ৬টা সমাধান


একটা কুরআনে ৬টা আয়াতে শিফা। ৬টা ভিন্ন রোগ। ৬টা ভিন্ন কষ্ট। আর ৬ জায়গাতেই আল্লাহ আমাদের শিখিয়েছেন — শিফা শুধু শরীরের জন্য না, মানুষের পুরো জীবনের জন্য।


কখনো ভেবে দেখেছেন — আল্লাহ কেন কুরআনের বিভিন্ন জায়গায় বারবার “শিফা” শব্দটা এনেছেন?


কারণ মানুষ শুধু জ্বর-সর্দিতে ভোগে না। মানুষ বুকের ব্যথায়ও ভোগে। মানুষ মানসিক অস্থিরতায়ও ভোগে। মানুষ শারীরিক রোগে ভোগে। মানুষ আত্মার শূন্যতায়ও ভোগে। মানুষ দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতায়ও ভোগে। মানুষ ঈমানের দুর্বলতায়ও ভোগে।


আর আল্লাহ চান — আপনি যখন এই রোগগুলোর মধ্যে পড়বেন, তখন যেন জানেন ঠিক কোন আয়াতের দিকে ফিরে যেতে হবে।


আমরা অনেক সময় শিফা মানে শুধু ওষুধ বুঝি। কিন্তু কুরআন শেখায় — শিফা কখনো বুকের জন্য, কখনো মনের জন্য, কখনো শরীরের জন্য, কখনো রুহের জন্য, কখনো দীর্ঘদিনের কষ্টের জন্য, কখনো ঈমানের দুর্বলতার জন্যও হয়।


আজকের পোস্টে সেই ৬টা আয়াত — ৬টা রোগের ৬টা সমাধান।


সূরা তাওবা ১৪ — যখন বুকের ভেতর জমে থাকা কষ্ট সারাতে হবে


অনেক মানুষের রোগ শরীরে না, বুকে। বাইরে স্বাভাবিক। ভিতরে ভাঙা। কারও অন্যায়ে বুক জ্বলছে। কারও অপমানে রাতের ঘুম নেই। কারও বিশ্বাসভঙ্গের ব্যথা বছরের পর বছর জমে আছে। কারও কষ্ট কাউকে বলা যায় না, শুধু বুকের ভেতর পাথরের মতো চেপে বসে থাকে।


আল্লাহ বলেন —


وَيَشْفِ صُدُورَ قَوْمٍ مُّؤْمِنِينَ


উচ্চারণ: ওয়া ইয়াশফি সুদূরা কাওমিম মুমিনীন


অর্থ: “আর তিনি মুমিনদের বুকসমূহকে শিফা দান করবেন।”

(সূরা তাওবা: ১৪)


খেয়াল করুন — এখানে শিফা বলা হয়েছে সুদূর, অর্থাৎ বুকের জন্য। কারণ মানুষ অনেক সময় এমন ব্যথা বহন করে, যা রিপোর্টে ধরা পড়ে না, এক্স-রেতে দেখা যায় না, ডাক্তারও লিখে দিতে পারে না। কিন্তু আল্লাহ দেখেন। আল্লাহ জানেন। আল্লাহ বুকের জমে থাকা ক্ষতও সারিয়ে দিতে পারেন।


কখন পড়বেন? যখন বুক ভারী লাগে। যখন কারও আচরণে ভিতরটা জ্বলে। যখন অপমান, অন্যায়, রাগ, ব্যথা — সব একসাথে ভেতরে জমে আছে। যখন মনে হয় — “আমি কাউকে কিছু বলতে পারছি না, কিন্তু ভিতরে খুব কষ্ট হচ্ছে।”


সূরা ইউনুস ৫৭ — যখন মানসিক রোগে ভিতরটা অস্থির হয়ে গেছে


সব রোগ চোখে দেখা যায় না। কিছু রোগ আছে, যা শুধু মানুষ নিজে জানে। বাইরে হাসছে, ভিতরে কাঁদছে। সবাই ভাবছে ঠিক আছে, কিন্তু ভিতরে ভিতরে মন ভেঙে যাচ্ছে। অকারণ ভয়, overthinking, anxiety, হতাশা, অস্থিরতা, সন্দেহ, দুশ্চিন্তা — এসবও রোগ। আর এই রোগে মানুষ খুব নিঃশব্দে ভোগে।


আল্লাহ বলেন —


يَا أَيُّهَا النَّاسُ قَدْ جَاءَتْكُم مَّوْعِظَةٌ مِّن رَّبِّكُمْ وَشِفَاءٌ لِّمَا فِي الصُّدُورِ


উচ্চারণ: ইয়া আইয়ুহান নাসু ক্বাদ জা-আতকুম মাওইযাতুম মির রাব্বিকুম, ওয়া শিফাউল লিমা ফিস সুদূর


অর্থ: “হে মানুষ, তোমাদের কাছে তোমাদের রবের পক্ষ থেকে উপদেশ এসেছে, আর যা বক্ষসমূহে আছে তার জন্য শিফা এসেছে।”

(সূরা ইউনুস: ৫৭)


এখানে আল্লাহ বলছেন — তোমার ভিতরের অদৃশ্য ব্যথারও শিফা আছে। মানসিক অন্ধকারেরও শিফা আছে। মনের জটেরও শিফা আছে। তোমার বুকের ভেতর যে ঝড়, কুরআন সেই ঝড়ের দিকও জানে।


কখন পড়বেন? যখন মাথা শান্ত থাকে না। যখন রাত জেগে চিন্তা করেন। যখন ঘুম আসে না। যখন মন বসে না। যখন ভিতরে ভিতরে সব কিছু জট পাকিয়ে গেছে। যখন মানুষের মাঝে থেকেও নিজেকে একা লাগে।


সূরা নাহল ৬৯ — যখন শারীরিক রোগে শরীর ভেঙে পড়েছে


আমরা অনেক সময় ভাবি — ইসলাম শুধু দোয়া শেখায়। কিন্তু ইসলাম আমাদের এটাও শেখায় যে, আল্লাহ শিফা শুধু আকাশ থেকে নামান না, তিনি দুনিয়ার উপায়ের মধ্যেও রাখেন। মধুর ভেতরে শিফা রেখেছেন। গাছপালার ভেতরে শিফা রেখেছেন। চিকিৎসার ভেতরে শিফা রেখেছেন। অর্থাৎ, বৈধ উপায় গ্রহণ করাও আল্লাহরই শিক্ষা।


আল্লাহ বলেন —


فِيهِ شِفَاءٌ لِّلنَّاسِ


উচ্চারণ: ফীহি শিফাউল লিন্নাস


অর্থ: “এর মধ্যে মানুষের জন্য শিফা রয়েছে।”

(সূরা নাহল: ৬৯)


এ আয়াতে আল্লাহ মধুর কথা বলেছেন। কিন্তু এর শিক্ষা আরও বড়। আল্লাহ দেখাচ্ছেন — শারীরিক রোগেরও শিফা আছে। শরীরের যত্ন নেওয়াও দ্বীনের বাইরে না। চিকিৎসা নেওয়াও তাওয়াক্কুলের বিরুদ্ধে না। বরং শিফা আল্লাহর, আর উপায়ও আল্লাহর দেওয়া।


কখন পড়বেন? যখন শরীর ভেঙে যায়। যখন দুর্বল লাগে। যখন সাধারণ বা দীর্ঘ রোগে ভুগছেন। যখন মনে করিয়ে দিতে চান — “আমি চিকিৎসা নেবো, কিন্তু শিফা চাইবো আল্লাহর কাছেই।”


সূরা ইসরা ৮২ — যখন আত্মার ভেতর অন্ধকার জমে গেছে


মানুষের একটা সময় আসে, যখন বাইরে থেকে সব কিছু ঠিক, কিন্তু ভিতরে শান্তি নেই। নামাজ পড়ে, কিন্তু স্বাদ নেই। তাওবা করতে চায়, কিন্তু চোখে পানি আসে না। গুনাহে ক্লান্ত, কিন্তু ফিরে আসার শক্তি পাচ্ছে না। দুনিয়ার সব কিছু আছে, কিন্তু রুহে আলো নেই। এটাই আত্মার অসুস্থতা।


আল্লাহ বলেন —


وَنُنَزِّلُ مِنَ الْقُرْآنِ مَا هُوَ شِفَاءٌ وَرَحْمَةٌ لِّلْمُؤْمِنِينَ


উচ্চারণ: ওয়া নুনাযযিলু মিনাল কুরআনি মা হুয়া শিফাউঁ ওয়া রাহমাতুল লিল মুমিনীন


অর্থ: “আমি কুরআনের এমন কিছু নাযিল করি, যা মুমিনদের জন্য শিফা ও রহমত।”

(সূরা ইসরা: ৮২)


খেয়াল করুন — এখানে আল্লাহ শুধু শিফা বলেননি, সঙ্গে রহমতও বলেছেন। কারণ আত্মার রোগ শুধু যুক্তিতে সারে না; সেখানে দরকার রহমত, দরকার নূর, দরকার আল্লাহর কাছে ফিরে যাওয়া। কুরআন শুধু তথ্য না, কুরআন রুহকে জীবিত করার আলো।


কখন পড়বেন? যখন মনে হয় ভিতরটা শুকিয়ে গেছে। যখন গুনাহে ক্লান্ত। যখন আল্লাহকে চান, কিন্তু আগের মতো নরম হতে পারেন না। যখন মনে হয় — “আমি দূরে চলে গেছি, কিন্তু ফিরতে চাই।”


সূরা শুআরা ৮০ — যখন দীর্ঘমেয়াদী রোগে ধৈর্য ভেঙে যাচ্ছে


দীর্ঘ রোগ মানুষের শরীরের চেয়ে মনকে বেশি ক্লান্ত করে। একদিনের রোগ আলাদা। কিন্তু মাসের পর মাস, বছরের পর বছর।


ইবরাহীম (আ.) বলেন —


وَإِذَا مَرِضْتُ فَهُوَ يَشْفِينِ


উচ্চারণ: ওয়া ইযা মারিদতু ফা হুয়া ইয়াশফীন


অর্থ: “আর আমি যখন অসুস্থ হই, তখন তিনিই আমাকে শিফা দান করেন।”

(সূরা শুআরা: ৮০)

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২০-০৪-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২০-০৪-২০২৬ খ্রি:।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২০-০৪-২০২৬ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:

দীর্ঘ দুই দশক পর নিজ জেলা বগুড়া সফর করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান --- বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রমের উদ্বোধন ও জনসভায় ভাষণ।

কয়েকটি রাজনৈতিক দল মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে, তাদের সম্পর্কে সতর্ক থাকতে হবে --- বগুড়ায় জনসভায় বললেন তারেক রহমান।

দেড় দশকের ফ্যাসিস্ট শাসনের পর সরাসরি ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে জনগণ হারানো গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পেয়েছে --- ই-বেইলবন্ড বা ইলেকট্রনিক জামিননামা পদ্ধতির উদ্বোধনকালে বললেন প্রধানমন্ত্রী।

দেশব্যাপী শুরু হলো হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসুচি --- বিগত সময়ে নিয়মিত টিকা না দেওয়ায় অধিকাংশ শিশু হামে আক্রান্ত হচ্ছে --- বললেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আগামীকাল।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে বাংলাদেশি পতাকাবাহী জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে তেহরানকে অনুরোধ জানালো ঢাকা।

জাপানে শক্তিশালী ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প --- সুনামি সতর্কতা জারি।

এবং মিরপুরে একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে সফররত নিউজিল্যান্ডকে ৬ উইকেটের বড় ব্যবধানে পরাজিত করেছে বাংলাদেশ।

সকাল ০৭ টার সংবাদ। তারিখ: ২০-০৪-২০২৬খ্রি:।

 সকাল ০৭ টার সংবাদ।

তারিখ: ২০-০৪-২০২৬খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


নবগঠিত বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের ফলক উন্মোচনসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম উদ্বোধন করতে আজ বগুড়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে পানি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত- আসন্ন বর্ষা মৌসুমকে কেন্দ্র করে নেওয়া পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা।


সাংবাদিকতার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ ও ডাটাবেজ তৈরি হচ্ছে -সংসদে জানালেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।


বিশ্ববাজারে অস্থিরতার কারণে দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করাহয়েছে - মন্তব্য অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীর। 


সারাদেশে আজ একযোগে শুরু হচ্ছে হামের টিকাদান কর্মসূচি।


ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যে একটি আতশবাজির কারখানায় আগুন লেগে ২০ জনের মৃত্যু।


আজ ঢাকায় বাংলাদেশ ও সফরকারী নিউজিল্যান্ডের মধ্যে দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ১৯-০৪-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ১৯-০৪-২০২৬ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


আগামীকাল বগুড়া যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী --- নবসৃষ্ট বগুড়া সিটি কর্পোরেশনের ফলক উন্মোচনসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন তারেক রহমান। 

 

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে পানি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত --- আসন্ন বর্ষা মৌসুমকে কেন্দ্র করে নেওয়া পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা। 

 

সাংবাদিকতার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সাংবাদিকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণ ও ডাটাবেজ তৈরি হচ্ছে --- সংসদে জানালেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।


বিশ্ববাজারে অস্থিরতার কারণে দেশে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে --- মন্তব্য অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীর।

 

ভোক্তা পর্যায়ে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস-এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম সমন্বয় করেছে সরকার।  

 

সারাদেশে আগামীকাল একযোগে শুরু হচ্ছে হামের টিকাদান কর্মসূচি।

 

যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফা আলোচনা চলতি সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা --- পাকিস্তানে পৌঁছালো যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দল।

 

এবং আগামীকাল ঢাকায় বাংলাদেশ ও সফরকারী নিউজিল্যান্ডের মধ্যে দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

সকাল ০৭ টার সংবাদ। তারিখ: ১৯-০৪-২০২৬খ্রি:।

 সকাল ০৭ টার সংবাদ।

তারিখ: ১৯-০৪-২০২৬খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


পেশাগত উৎকর্ষতার পাশাপাশি চিকিৎসকদের মানবিক হয়ে গড়ে ওঠা অত্যন্ত জরুরী - উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাদের সম্মেলনে বললেন প্রধানমন্ত্রী।


তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের দুই মাস পূর্তি - ৬০ দিনে ৬০টি পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করে অবিস্মরণীয় অর্জন নিশ্চিত করেছে সরকার - সংবাদ সম্মেলনে জানালেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।


বিশ্ব বাজারে বর্ধিত মূল্যের সঙ্গে সমন্বয় করে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি।


আগামী দোসরা জুলাই থেকে শুরু চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা।


গণমাধ্যমকে প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা দিতে নীতিমালা করা হচ্ছে - জানালেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।


চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কন্টেইনার টার্মিনাল পরিচালনায় সরকার রাষ্ট্র ও জনগণের স্বার্থকে প্রাধান্য দেবে - বললেন নৌপরিবহন মন্ত্রী।


ইরানের বন্দরগুলো থেকে মার্কিন অবরোধ প্রত্যাহার না হওয়ায় আবারও হরমুজ প্রণালি বন্ধ করলো তেহরান - হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে ব্ল্যাকমেইল করা যাবে না - মন্তব্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের।


ফুটবলের আসর বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশীপ লীগের চতুর্দশ পর্ব শুরু হচ্ছে আজ

রবিবার, ১৯ এপ্রিল, ২০২৬

কোন পজিশনে সবথেকে দ্রুত মেয়েদের অর্গা*জম হয় সহজ লাইফ ফেইসবুক থেকে নেওয়া ?

 কোন পজিশনে সবথেকে দ্রুত মেয়েদের অর্গা*জম হয়?


যৌন জীবনে একই রুটিন আরেক দিনে বোরিং হতে পারে! গবেষণা বলছে, বেশিরভাগ দম্পতি বছরের পর বছর একই অবস্থাতেই আটকে থাকেন, কারণ নতুন কিছু করতে গেলে একটু অসুবিধা লাগে। একই পজিশনে বারবার মজে থাকা মানে প্লেটের একরকম খাবার খেতে খেতে বিরক্ত হয়ে যাওয়া। তাই মাঝে মাঝে একটু নয়া অ্যাংগেল, নতুন তিকমিকে মায়ের রান্নার রেসিপির মতো রইল, জীবনবদলের ঝাঁঝ। কিছুটা লোমন-সঙ্গীতের তালে মিলে একটু ভঙ্গিমা বদলানো মানেই যৌন স্বাস্থ্যের জন্য এক বা দুই পয়েন্ট প্লাস, সম্পর্কেও আসে সতেজতা।


বিভিন্ন পজিশনে সেক্সের উপকারিতার কথা বলতে গেলে প্রথমেই আসে মনোযোগ আর উত্তেজনা। একই পজিশনে আটকে থাকলে সম্পর্ক উন্মত্ততা হারায়, কিন্তু কিছু নাড়াচাড়া করলে মনের মধ্যে আগুন জ্বলে ওঠে। নতুন পজিশনে ট্রাই করলে শরীরের নতুন অংশ জুড়ে উৎকণ্ঠা ছড়াতে থাকে, মনের মাঝে চলছে নতুন গেম! এই নিয়ম মেনে চললে সুখী দম্পতিরা স্পষ্ট অনুভব করে, রুটিন ছিন্ন হলে সেক্স লাইফ হয় অনেক বেশি স্পাইসি এবং ফ্রেশ। তাই বলতেই হাসির উদ্রেক হবে – নয় বছর পর বিবাহিত জুটির মধ্যে কিছু গবেষণায় দেখা গেছে সেক্স লাইফকে ছেড়ে দিন, গান-বাজনা, পজিশন বদলানো – সব মিলিয়ে মহিলারা পুরুষদের তুলনায় ২০% বেশি সম্ভাবনায় অর্গাজম পান!


নারীদের অর্গাজমের জন্য সেরা পজিশন

যতই বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থা চিৎকার করুক, তথাপি মহিলাদের অর্গাজম নিয়ে অনেকেই কনফিউজড। তবে ডাক্তারদের মতে, কিছু পজিশনে নারীদের ত্বরিত সত্তা পাওয়া যায়। সাধারণত, পেছন থেকে অনুপ্রবেশ (ডগি স্টাইল) অনেক ক্ষেত্রে সহায়ক: পেছন থেকে কামড়ালে মহিলা নিজে নিজের গা ফুলিয়ে রাখতে পারে, এবং এই অবস্থায় কোমর একটু ভিন্ন ভাবে বাঁকিয়ে রাখলে G-বিন্দুতে স্পর্শ সহজ হয়।


হিপের নিচে বালিশ রেখে রাখুন একটু উঁচু করে – দেখি পুরুষের পেনিস আর গা দুইজনের মধ্যার অতিক্রান্ত পথে কতদূর এসে ঠেকে! অন্যদিকে মহিলা উপরে (কউগার বা reverse cowgirl) পজিশনে থাকলে বৌদি নিজে তীব্রতা নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন। তার মানে, পছন্দ মত যেকোন অ্যাংগেলে মুভ করে নিজের ক্লিটোরিস ও ভেতরের দিকে স্পন্দন বাড়িয়ে তোলার সুযোগ চলে আসে। আর কথা বাদ দিয়ে এক্সপ্লোর করতে করতে এতি আপনার মনের অভ্রান্ত যোগসূত্র গড়ে তুলুন, কারণ মহিলাদের মাত্র ৩৫% খালি পেনেট্রেটিভ সেক্সেই তৎক্ষণাত অর্গাজম পায় – বাকি ৮০% মেয়েদের জন্য clit স্টিমুলেশন বা উত্তেজনার সংমিশ্রণ জরুরি।


 


ক্লিটোরিস তো থাকেই, আর একটি উপায় হল অর্গাজমের ‘গোল্ডেন ট্রিও’: হালকা ঠোঁটের আছাঁছাঁ, ওরাল সেক্সের চুম্বন আর ভালো কিচিং। তবে সোজাসাপ্টা বলতে, শরীর খুলে দিয়ে একে অপরকে খুঁড়তে হবে ভালো করে। পজিশন পাল্টালে শরীরের অন্য কোনো অংশও খাঁটিয়ে মিলে যায়, যা পুরনো পজিশনের একঘেয়েমি ভেঙে নতুন আনন্দ এনে দেয়। তাই যখন মন চায় তাড়াতাড়ি মেয়ে orgasম করতে, তখন হয়তো আপনার উল্টো পেছন থেকে চাপুন (ডগি) বা মেয়েকে উপরে বসিয়ে দিন, আর হাত দিয়ে খানিকটা ক্লিটোরাল সঙ্গতিতে থাকতে হবে।


দ্রুত গর্ভধারণের জন্য সঠিক পজিশন

গর্ভধারণের নেপথ্যে অনেক গল্প-কিস্সা রয়েছে, তবে বৈজ্ঞানিক হিসাবে কোনো সুনির্দিষ্ট “ম্যাজিক পজিশন” নেই। ব্রিটিশ দাদার মত প্রচলিত কিংবদন্তি যেমন যৌনান্তে ভিড়িয়ে গুটিকয়েক ঘন্টা শুয়ে থাকতে বলে, সেটা এখনও প্রমাণ হয়নি। এ ব্যাপারে গবেষণা বলছে, মিশনারি বা ডগি-স্টাইলে গভীর অনুপ্রবেশ হতে পারে, কিন্তু এর সাথে সরাসরি গর্ভধারণের হার বাড়ার বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। তবে আপসাক থিওরি নামক একটি তত্ত্ব আছে, যেখানে ধরা হয় নারীর অর্গাজমের সময় সিস্টেমিক সংকোচন স্রোতকে গর্ভনালিকে টেনে নিয়ে যায়। মানে, যৌন সঙ্গমে যদি মহিলাদের সঙ্গেও সময়মতো অর্গাজম হয়, তাহলে আদতে শুক্রাণুগুলোকে একটু সাহায্য হতে পারে – গবেষণায় দেখা গেছে, যদি নারী অর্গাজম পান যৌথ মিলনের আগেই বা একই সময়ে, তাহলে স্রোত অনেকক্ষণ ধরে থাকে।


তবে আসল কথা: “সময়” মাস্ট! যেকোন পজিশনে সেক্স করুন, যদি সেটা আপনার মেসাজ ভাল হয় এবং আপনি সঠিক সময়ে ফার্টাইল উইন্ডোর মধ্যে মিলন করেন। অর্থাৎ মাসিকের ৩-৫ দিন আগে বা ওপডিউলেশনের দিন তখনই প্রকৃত প্রজননশক্তি কাজ করে। বালিশের উপরে ২ মিনিট শুয়ে কিচি-কিচি করার চেয়ে, ওই “ক্ষতিকালে” নিয়ম করে লেবার করুন – ফলাফলে সন্তুষ্টি পাবেন নিশ্চিত!


ছোট পেনিসের জন্য বিশেষ পজিশন

ভাইবোনেদের বলি, পেনিস সাইজ কোনো ব্যাপার না যতদূর পর্যন্ত আপনি সঙ্গির সাথে খোলা মন নিয়ে চান! কিন্তু কিছু পজিশন সত্যি কাজে আসে পেনিস ছোট হলে। প্রাথমিক পরামর্শগুলো নিম্নরূপ:


ডগি স্টাইল (উল্টো): গতানুগতিক হিসেবে এটি অন্যতম জনপ্রিয়। এতে পেছন থেকে গভীর অনুপ্রবেশ পাওয়া যায় এবং ছোট পেনিসও ভালো ভাবে স্পর্শ করতে পারে। গবেষকরা বলছেন, ডগি-স্টাইলে পেছন থেকে লাথি মেরে ঢুকলে পেনিস উপরের দিকের মানে অনুপ্রবেশের দিকটা ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ হয়। সঙ্গীর কোমরে বা পায়ের নিচে বালিশ দিয়ে পেছনের অ্যাঙ্গেল আর নিবিড় করতে পারেন।


উল্টো কউগার (মহিলা উপরে): মেয়েটা উপরে বসলে সে নিজেই স্পন্দন নিয়ন্ত্রণ করে নিতে পারে। অর্থাৎ পছন্দ মত থোড়া তীব্র করে ঘুরে ঘুরে ঢুকতে পারে, যদিও পেনিস ছোটটাও অধিক আকর্ষণীয় খুঁটে দিতে পারে। এছাড়া কব্জি পজিশনেও আপনি আঙ্গুল বা হ্যান্ডফিডার দিয়ে একটু কিচ্ছু সঙ্গীকে কাজে সাহায্য করতে পারেন।


মিশনারি (পিলো সহ): ক্লাসিক মিশনারি পজিশনে যদি একটু বোরিং মনে হয়, তাহলে মহিলার নিতম্বের নিচে একটি বালিশ রাখুন – এতে হিপ একটু উপরে উঠে যাবে, এবং অনুপ্রবেশ আরও গভীর হবে। এই টিপস খুব ভিন্ন অভিজ্ঞতা আনতে পারে: গবেষণা বলছে, হিপের নিচে ১৫-২০ ডিগ্রি এঙ্গেল দিলে G-বিন্দুতে স্পর্শ করতে সুবিধা হয়।


স্পুনিং (প্রতিবাহিত আসন): বডি আসনে আরও intimate কিছু করতে চাইলে, পাশাপাশিভাবে শুয়ে ধূমপানভরা গল্প করতে পারেন। এতে পরস্পরের শরীরের গা জোড়া লাগবে আর গভীর অনুপ্রবেশ সম্ভব হবে না, তবে ছোট পেনিসের ক্ষেত্রেও অকপটে মিলনের হ্যান্ডেল পাওয়া যায়।


এই পজিশনগুলো ট্রাই করে দেখবেন সঙ্গীর মুখের হাসিতেও বিষয়গুলোতে পরিবর্তন আসতে পারে। আর পাশপাশি যদি একটু হালকা ঝাঁকুনি আনতে চান, পেছন বা কোমরের নিচে ব্যাস বালিশ ঢুকিয়ে বেশি গভীরতার প্ল্যান করে ফেলুন – গবেষকদের পরামর্শ মতে পিলো দিয়ে হিপ তুলে রাখা “খুবই কার্যকর”!


বয়সে বা ফিজিক্যাল দুর্বলতার জন্য উপযোগী পজিশন

বয়েস যেমন বাড়ে, শরীরের চামচে চর্বি জমতে থাকে, তেমনই যৌন চর্চায়ও একটু শান্তিপূর্ণ পজিশন দরকার। যৌন চিকিৎসকেরা বলে, বয়স্ক জোড়াদের জন্য পিঠে শুয়ে কোমর উঁচু করে রাখা স্বস্তির কারণ – এতে যৌনাঙ্গগুলো সহজে একে অপরকে স্পর্শ করতে পারে। একটা উদাহরণ: বাবু-দিদি দুজনে পাশাপাশি শুয়ে হাত জড়িয়ে ধরে, এবং পেছন দিকে কোমরে ছোট বালিশ বা লাঙ্গল রেখে দিলে, ঢোকার এঙ্গেল আর সারা শরীরেই চাপ লাগে না।


আরেকটি উপযোগী পজিশন হলো সহায়িত ডগি স্টাইল। এ ক্ষেত্রে যিনি ঢুকবেন, তিনি অল্পস্বল্প হাঁটু খুলে সামনে গিয়ে আর পিছনের পায়ের ভাগে হাত রেখে সামান্য সামলে নিন; এভাবে পেট তুলে থেকে পেছন দিতে থাকুন। এতে শরীর দুইজনের ওপর চাপ কমে যায়। এছাড়া বুকে বালিশ বা কুশন দিয়ে সামান্য শিথিল হওয়ার চেষ্ঠা করতে পারেন। এক কথায়, “মাঝি পাওয়ার জন্য নয়, মধুর স্মৃতির জন্য ওই বালিশ” – কারন আপনার যৌনাঙ্গ ঠিক যেমন একটি গাড়ি, সুপারস্পোর্ট মেশিন নয় আর লেকচার হলে ঘুমের সরীসৃপ।


অনেক ক্ষেত্রে পাশের দিকে শোয়া (স্পুনিং) বয়স্ক দম্পতিদের জন্য আরামদায়ক হয়। এতে বেশি গতি লাগানোর দরকার পড়ে না, কম পেশীকশরীরের চাপ দিয়ে মাতাল মুহূর্ত কাটে। পাশাপাশি, স্পুনিংয়ে চোখের দেখা, চুম্বন, আলতো আলতো আদায়ের ব্যাপারটা উপভোগ করতে পারবেন। পাশাপাশি “বয়স্কতার স্বাদ” নেয়া ভালো লাগার প্রথম পদক্ষেপ হল, নিজেকে আরামদায়ক একটি পজিশন দিন।


নোট: যদি কোমর বা হাঁটুতে অধিক ব্যথা থাকে, তাহলে উচ্চমাত্রার wedge pillow-এর কথা মাথায় রাখতে পারেন। গবেষকরা বলছেন, বালিশের আঙুল চোখের মত প্রয়োজন—শরীরকে সঠিকভাবে সমর্থন দিলে ব্যথা দূর হয়। Sex Style Pillow-র মতো wedge pillow আজকাল বাজারে পেয়েঝায়, যা ভাল করে শরীরকে cradle করে দেয় এবং কোমর-কাঁধের শরীর ভঙ্গিমা ঠিক রাখে।


উপসংহার

যৌন জীবনের নিউরনের খেলা হোক বা ডল ফিলিং—গুরুত্ব শুধু সঠিক পজিশনেই নয়, বরং তা উপভোগ করতে একে অপরকে আনন্দ দেওয়াতেও। বিভিন্ন পজিশনের মাঝে experiment করতে সাহস করুন, হাসতে ভয় পাবেন না। যারা “বিয়ে হয়ে গেছে, কাজ হয়ে গেছে” ভাবেন, তাদের জন্য বলে রাখি – যৌন স্বাস্থ্যের টিকা আর গোম্বুজ আরবি বা কোন চব্বিশ ঘণ্টার কাজ না! একে সচেতনতা আর সচেতন পদক্ষেপ হিসেবে নিন। যেমন Sex Style Pillow wedge pillow বাধ্যই পকেটে জায় (মূলত আমাদের সারিবদ্ধ মনের জন্য, এবং বালিশের দরকারিও আছে, তাই বানিয়েছে), আরাম নিয়ে স্পাইসি সেক্স করে relation কে পুলকিতে ফেলে দিন।


পরিশেষে, পাঠক হয়ে যদি এখনও মনে হয়, এই সব টিপস রপ্ত করে আপনি এখনো ওই অভীষ্ট ‘good sex style’ পেতে পারেন না, তাহলে একটা কথা বলি—মজা পেতে অন্যদিকে মন সরে যাক, আবার ভেবে দেখুন। আর কারো গলায় বাঁধবেন না, সঙ্গে করে নিয়ে যাবেন না, কোনো জিনিসই একবারে নিপুণ পারদর্শী করে না। একসঙ্গে চেষ্টা করুন, প্রতিবার নতুন কিছু আর একটু নিন, হাসিতে ভরা জার্নির জন্য সঙ্গীকে নাড়ুন। নতুন দম্পতিদের জন্য বলবো – ভয়ের কিছু নেই, Sex Style Pillow-এর wedge pillow আসলে একটি ছোট্ট গোপন বন্ধু মাত্র, যেন নতুন পজিশন করতে হলে কাঁধ ঠেস দিয়ে পিছনের দিকে ঠেলে দেবে। আর পুরনো দম্পতিদের জন্য – চারিদিকে রুটিনের চাকা, কিন্তু বিছানার নিচে তাজা আমের মিষ্টি, মশলা, আরও মধু আর কিছু। মনের খেল্লা বাদ দিয়ে নতুন কৌশল ঘষুন, সম্পর্কের মধ্যে বয়লার ফাটলে প্রেমের রঙে নাচান।,,,,

সহজ লাইফ ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

SHORTWAVE - শর্টওয়েভ পর্ব - ১

 SHORTWAVE - শর্টওয়েভ পর্ব - ১ নমস্কার কেমন আছেন সবাই?, আশা করি ভালো আছেন। আমার আগের পোস্ট এর রেশ টেনে বলছি, যারা বলছেন শর্টওয়েভ এ শোনার ম...