এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২৬

জীবনে তিনটা (C) অনেক গুরুত্বপূর্ণ!

 জীবনে তিনটা (C) অনেক গুরুত্বপূর্ণ!


১। Choise (চয়েজ)

২। Chance (চান্স)

৩। Change (চেইঞ্জ)


Choice : মনে রাখবেন ভাগ্য আপনার হাতে নেই , কিন্তু সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা আপনার আছে। আজকে নেয়া আপনার একটা পজেটিভ সিদ্ধান্ত, কাল আপনার ভাগ্য পরিবর্তন করে দিতে পারে। এটিই চয়েস।


Chance : আপনি যা করছেন তা করতে থাকলে, যা পাচ্ছেন তাই পেতেই থাকবেন। যদি এর চেয়ে ভালো কিছু পেতে চান তবে ভালো কিছু খুঁজুন ও শুরু করে দিন। যদি পেয়ে যান তাহলে এটি হবে (Chance) চান্স / সুযোগ!


Change :  অতীতকে আপনি বদলাতে পারবেন না,কিন্তু আপনি চাইলেই বর্তমানকে কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতকে বদলাতে পারেন। পরিবর্তন সম্ভব।নিজেকে আরও যোগ্য করতে পারলে আরও সমৃদ্ধ জীবন সম্ভব। এটাই হল পরিবর্তন (Change)।


বড় স্বপ্ন দেখুন,নিজেকে বিশ্বাস করুন।লক্ষ্য নির্ধারণ করুন,পরিকল্পনা গ্রহণ করুন।সেই অনুযায়ী কাজ করুন।নিজের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ঠিক করুন সময়ের সঠিক ব্যবহার করুন।


#selfconfidence #positivevibes

কৈশোর এমন একটি সময় যখন— ▪️শরীর দ্রুত বড় হয়

 “যদি ১৩–১৫ বছর বয়সেই ছেলে-মেয়েদের মধ্যে আকর্ষণ ও যৌন অনুভূতি শুরু হয়, তাহলে সমাজ কেন অপেক্ষা করতে বলে?”


অনেক কিশোর-কিশোরীর কাছে এই অনুভূতি অত্যন্ত বাস্তব। আবার অনেক অভিভাবকের কাছে এটি উদ্বেগের কারণ। ফলে তৈরি হয় একটি নীরব সংঘাত—

প্রকৃতি একদিকে টানছে, সমাজ অন্যদিকে থামাতে চাইছে।


কিন্তু মনোবিজ্ঞান ও নিউরোসায়েন্স বলছে—

সমস্যা অনুভূতির জন্ম নয়, সমস্যা হলো অনুভূতির সময় ও মানসিক প্রস্তুতির অমিল।


কৈশোর এমন একটি সময় যখন—

▪️শরীর দ্রুত বড় হয়ও

▪️আবেগ তীব্র হয়

▪️পরিচয় গঠন শুরু হয়

কিন্তু সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এখনও বিকাশমান থাকে

অর্থাৎ মানুষ তখন পরিবর্তনের মধ্যে, পরিপূর্ণতার মধ্যে নয়।


এই আলোচনার উদ্দেশ্য দমন নয়, বরং বৈজ্ঞানিক বোঝাপড়া তৈরি করা—

যাতে কিশোর, অভিভাবক ও সমাজ সবাই একই বাস্তবতাকে বুঝতে পারে।


🛑🛑1️⃣ কৈশোর হলো জীবনের সবচেয়ে বড় জৈবিক ও মানসিক রূপান্তরের সময়।


কৈশোর (Adolescence) মানব জীবনের এমন একটি পর্যায় যেখানে শরীর, মস্তিষ্ক ও আবেগ একসাথে পুনর্গঠনের মধ্য দিয়ে যায়। এই পরিবর্তনের সূচনা হয় মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালামাস (Hypothalamus) থেকে, যা হরমোনাল সংকেত পাঠিয়ে শরীরকে প্রজনন সক্ষমতার দিকে এগিয়ে নেয়।


এই সময় শরীরে বৃদ্ধি পায়—

▪️ইস্ট্রোজেন (Estrogen)

▪️টেস্টোস্টেরন (Testosterone)

▪️গ্রোথ হরমোন

▪️ডোপামিন (Dopamine)

▪️অক্সিটোসিন (Oxytocin)


🔯 এর মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব

এই হরমোনগুলো শুধু শারীরিক পরিবর্তন ঘটায় না, বরং—

✔️ অন্যের প্রতি আকর্ষণ তৈরি করে

✔️ আবেগের গভীরতা বাড়ায়

✔️ সামাজিক গ্রহণযোগ্যতার প্রয়োজন বাড়ায়

✔️ নিজের পরিচয় নিয়ে ভাবনা শুরু করায়

অর্থাৎ প্রকৃতি শরীরকে প্রস্তুত করতে শুরু করে, কিন্তু মানসিক পরিপক্বতা তখনও নির্মাণাধীন থাকে।


🛑🛑2️⃣ কৈশোরে মস্তিষ্ক অসমভাবে বিকশিত হয় — আবেগ আগে, নিয়ন্ত্রণ পরে।


কৈশোরের আচরণ বোঝার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক সত্য হলো—মস্তিষ্কের সব অংশ একসাথে পরিণত হয় না।


✅ আগে সক্রিয় হয় আবেগ কেন্দ্র

লিম্বিক সিস্টেম (Limbic System) ও অ্যামিগডালা (Amygdala) দ্রুত সক্রিয় হয়ে ওঠে। এগুলো নিয়ন্ত্রণ করে—

▪️আকর্ষণ

▪️উত্তেজনা

▪️আনন্দ অনুভূতি

▪️ঝুঁকি নেওয়ার আগ্রহ

ফলে অনুভূতি অত্যন্ত তীব্র হয়ে ওঠে।


✅ পরে পরিণত হয় নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র

প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স (Prefrontal Cortex)—যা সিদ্ধান্ত, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও দায়িত্ব পরিচালনা করে—সম্পূর্ণ বিকশিত হতে সময় নেয় প্রায় ২৩–২৫ বছর।


👉 তাই কৈশোরে প্রায়ই দেখা যায়—

✔️মুহূর্তের আবেগে সিদ্ধান্ত

✔️ভবিষ্যৎ ফল না ভাবা

✔️সামাজিক চাপের প্রভাব

সহজ ভাষায়:

ইচ্ছা তৈরি হয় আগে, বিচারক্ষমতা আসে পরে।


🛑🛑3️⃣ হরমোন ও নিউরোকেমিক্যাল পরিবর্তন আকর্ষণ ও কৌতূহল বৃদ্ধি করে।


কৈশোরে হরমোন বৃদ্ধির পাশাপাশি মস্তিষ্কের রাসায়নিক বার্তাবাহক (Neurochemicals) দ্রুত পরিবর্তিত হয়।


বিশেষভাবে—

➡️ডোপামিন আনন্দ ও উত্তেজনা বাড়ায়

➡️অক্সিটোসিন ঘনিষ্ঠতার অনুভূতি তৈরি করে

➡️সেরোটোনিন (Serotonin) আবেগের ওঠানামায় প্রভাব ফেলে


🔯 এর ফল

কিশোর-কিশোরীরা অনুভব করতে পারে—

✔️ কাউকে বারবার ভাবা

✔️ মানসিকভাবে কাছে যেতে চাওয়া

✔️ স্বীকৃতি পাওয়ার প্রবল ইচ্ছা

✔️ সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে হওয়া

এগুলো নৈতিক সমস্যা নয়; এগুলো মস্তিষ্কের স্বাভাবিক বিকাশগত প্রতিক্রিয়া।


🛑🛑4️⃣ কৈশোরের প্রেম এত তীব্র লাগে কারণ 


মস্তিষ্কের আনন্দ ব্যবস্থা অতিসংবেদনশীল থাকে।

প্রথম আকর্ষণ বা প্রেম জীবনের অন্য সময়ের তুলনায় বেশি গভীর মনে হয়। এর প্রধান কারণ হলো ডোপামিন রিওয়ার্ড সিস্টেম (Reward System)।

এই সময় মস্তিষ্ক নতুন অভিজ্ঞতাকে অত্যন্ত শক্তিশালী পুরস্কার হিসেবে গ্রহণ করে।


ফলে—

✅️একজন মানুষকে কেন্দ্র করে চিন্তা ঘোরে

✅️তার উপস্থিতিতে আনন্দ বৃদ্ধি পায়

✅️বিচ্ছেদ হলে মানসিক ব্যথা হয়

✅️বাস্তবতা তুলনামূলক কম গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়

মনস্তাত্ত্বিকভাবে এটি অনেক সময় স্থায়ী ভালোবাসা নয়, বরং নিউরোকেমিক্যাল উত্তেজনার অভিজ্ঞতা।


🛑🛑5️⃣ আত্মপরিচয় গঠনের সময়ে সম্পর্ক মানুষের মানসিক বিকাশকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।


কৈশোর হলো Identity Formation Stage—যখন মানুষ নিজেকে খুঁজে পেতে শুরু করে।


এই সময় গভীর আবেগগত সম্পর্ক তৈরি হলে কয়েকটি বিষয় ঘটতে পারে—

🔴 আবেগগত নির্ভরতা

অক্সিটোসিন bonding তৈরি করে, ফলে সম্পর্ক মানসিক নিরাপত্তার উৎস হয়ে ওঠে।


🔴 আত্মমূল্যবোধের ঝুঁকি

প্রত্যাখ্যান অনেক সময় ব্যক্তিগত অযোগ্যতা হিসেবে অনুভূত হয়।


🔴 পরিচয় বিভ্রান্তি

নিজেকে বোঝার আগেই অন্যের মাধ্যমে নিজের মূল্য নির্ধারণ শুরু হয়।

তাই কৈশোরের সম্পর্ক শুধু আবেগ নয়—পরিচয় গঠনের সাথেও যুক্ত।


🛑🛑6️⃣ প্রকৃতি যৌন আচরণ নয় — আবেগ ও সামাজিক শেখার প্রক্রিয়া শুরু করে।


একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক ভুল ধারণা হলো—কৈশোরে যৌন অনুভূতি মানেই প্রকৃতি যৌন আচরণ চাইছে।


বাস্তবে প্রকৃতি শুরু করে—

✅️সামাজিক সংযোগ শেখা

✅️আবেগ বোঝা

✅️আকর্ষণ ও সীমারেখা চিনতে শেখা

✅️সম্মান ও পারস্পরিক সম্পর্কের ধারণা তৈরি

অর্থাৎ কৈশোর হলো শেখার সময়, চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সময় নয়। 

মানুষ প্রাণীর মতো শুধুমাত্র প্রবৃত্তিনির্ভর নয়; মানুষ সামাজিক শিক্ষা ও অভিজ্ঞতার মাধ্যমে পরিণত হয়।


🛑🛑7️⃣ সামাজিক সীমার উদ্দেশ্য দমন নয় — মানসিক ও বিকাশগত সুরক্ষা প্রদান।


অনেক কিশোর মনে করে সমাজের নিয়ম মানেই স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া। আবার অনেক বড়দের ধারণা কঠোর নিয়ন্ত্রণই নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। 


কিন্তু মনোবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে সামাজিক সীমার মূল উদ্দেশ্য শাস্তি নয়, বরং বিকাশকে নিরাপদ রাখা।


কৈশোর এমন একটি সময় যখন—

✅️শিক্ষা ও ভবিষ্যৎ দক্ষতা গড়ে উঠছে

✅️আত্মপরিচয় তৈরি হচ্ছে

✅️আবেগ নিয়ন্ত্রণ শেখা চলছে

✅️সামাজিক দায়িত্ববোধ তৈরি হচ্ছে

এই সময় অতিরিক্ত আবেগগত বা শারীরিক জড়ানো অনেক ক্ষেত্রে মানসিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে, কারণ মস্তিষ্ক তখনও দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্কের জটিলতা সামলানোর জন্য প্রস্তুত নয়।

👉 তাই সীমা তৈরি হয়েছে—

আবেগ দমন করার জন্য নয়

বরং মানসিক পরিণত হওয়ার সময় দেওয়ার জন্য।


🛑🛑8️⃣ কৈশোরে ঝুঁকি নেওয়ার প্রবণতা বেশি থাকে কারণ মস্তিষ্ক পুরস্কারকে বিপদের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেয়।


কৈশোরে কিশোররা কেন হঠাৎ সিদ্ধান্ত নেয় বা ঝুঁকিপূর্ণ আচরণে জড়িয়ে পড়ে—এর পেছনে শক্তিশালী নিউরোবায়োলজিক্যাল কারণ রয়েছে।


এই বয়সে—

➡️ডোপামিন সিস্টেম অত্যন্ত সক্রিয়

➡️নতুন অভিজ্ঞতা বেশি উত্তেজনাপূর্ণ লাগে

➡️সামাজিক স্বীকৃতি (peer approval) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে


ফলে Brain অনেক সময় এমনভাবে কাজ করে—

👉 “এখন ভালো লাগছে”

👉 “বন্ধুরা করছে”

👉 “একবার চেষ্টা করলে ক্ষতি কী?”

কারণ আবেগ কেন্দ্র সক্রিয় হলেও ঝুঁকি মূল্যায়ন কেন্দ্র এখনও সম্পূর্ণ শক্তিশালী হয়নি।

এটি বিদ্রোহ নয়; এটি developmental risk-taking behaviour।


🛑🛑9️⃣ ডিজিটাল যুগ কৈশোরের স্বাভাবিক বিকাশ প্রক্রিয়াকে দ্রুত ও বিভ্রান্ত করে তুলছে।


বর্তমান প্রজন্মের কৈশোর আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় ভিন্ন। কারণ এখন বাস্তব অভিজ্ঞতার আগেই কিশোররা ভার্চুয়াল অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হচ্ছে।


প্রধান প্রভাবের উৎস—

✔️সোশ্যাল মিডিয়া

✔️ওয়েব সিরিজ

✔️শর্ট ভিডিও কনটেন্ট

✔️পর্নোগ্রাফি

✔️রোমান্টিক আদর্শায়িত সম্পর্ক


🔯 মস্তিষ্কে এর প্রভাব

বারবার উত্তেজনামূলক কনটেন্ট দেখলে Brain দ্রুত ডোপামিন উত্তেজনায় অভ্যস্ত হয়ে যায়।


ফলে তৈরি হয়—

✔️ অবাস্তব সম্পর্ক প্রত্যাশা

✔️ শরীরকেন্দ্রিক আত্মমূল্যায়ন

✔️ দ্রুত ঘনিষ্ঠতার চাপ

✔️ বাস্তব সম্পর্ক নিয়ে হতাশা

Brain তখন সম্পর্ক নয়, উত্তেজনা খুঁজতে শুরু করে।


🛑🛑🔟 নিষেধাজ্ঞা কৌতূহল কমায় না — সচেতন শিক্ষা দায়িত্ববোধ তৈরি করে।


মানব মস্তিষ্কের একটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য হলো—নিষিদ্ধ বিষয় সম্পর্কে আগ্রহ বৃদ্ধি পাওয়া। মনোবিজ্ঞানে একে বলা হয় Psychological Reactance।

যখন কিশোর শুনে— “এটা ভাববে না” “এটা জানবে না” তখন Brain সেটিকেই বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করে।


ফলে ঘটে—

▪️গোপন অনুসন্ধান

▪️ভুল উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ

▪️অপরিকল্পিত সিদ্ধান্ত

👉 বাস্তব সত্য: 🚫 ভয়ভিত্তিক নিষেধ আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে না

✅ বোঝাপড়া ও শিক্ষা আত্মনিয়ন্ত্রণ তৈরি করে


🛑🛑1️⃣1️⃣ পরিবার ও সমাজের খোলা যোগাযোগ কিশোর মানসিক স্বাস্থ্যের সবচেয়ে বড় সুরক্ষা।

গবেষণায় দেখা গেছে, যে পরিবারে সন্তান প্রশ্ন করতে পারে, সেখানে ঝুঁকিপূর্ণ আচরণ তুলনামূলক কম দেখা যায়।


কারণ কিশোরের সবচেয়ে বড় প্রয়োজন—

✔️️নিরাপদ কথোপকথনের জায়গা।

✔️অভিভাবকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা—

✔️বিচার না করে শোনা

✔️ভয় না দেখিয়ে ব্যাখ্যা করা


শরীর ও আবেগ নিয়ে বিজ্ঞানভিত্তিক আলোচনা করা

সন্তানকে লজ্জা নয়, দায়িত্ব শেখানো মনে রাখবেন যখন পরিবার নিরাপদ মনে হয়, তখন ইন্টারনেট প্রধান শিক্ষক হয়ে ওঠে না।


🛑🛑1️⃣2️⃣ দায়িত্বশীল স্বাধীনতাই স্বাস্থ্যকর কৈশোর বিকাশের মূল পথ।

কৈশোরকে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করা যেমন অসম্ভব, তেমনি সম্পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়াও ঝুঁকিপূর্ণ।

সবচেয়ে কার্যকর পথ হলো—

✅ সচেতন স্বাধীনতা

✅ আবেগ শিক্ষা

✅ সীমারেখা বোঝা

✅ আত্মসম্মান গঠন

✅ দায়িত্ব শেখা

কারণ মানুষের পূর্ণ পরিপক্বতা তৈরি হয় তিনটি স্তরে—

শরীরের বিকাশ

মস্তিষ্কের পরিণতি

সামাজিক শিক্ষা

এই তিনটি একসাথে না হলে সুস্থ সিদ্ধান্ত সম্ভব হয় না।


1️⃣3️⃣ ডিজিটাল যুগে দ্বন্দ্ব আরও গভীর—কারণ পরিবার নীরব, কিন্তু স্ক্রিন খুব উচ্চস্বরে শেখায়।


আজকের কিশোররা এমন এক সময়ে বড় হচ্ছে, যেখানে তাদের হাতে স্মার্টফোন আছে, কিন্তু মাথায় “সম্পর্ক-শিক্ষা” নেই। 


পরিবার যখন লজ্জা বা নীরবতায় ঢেকে রাখে, তখন সোশ্যাল মিডিয়া, ওয়েব সিরিজ, রিলস, পর্নোগ্রাফি—এসব “অপরিকল্পিত শিক্ষক” হয়ে ওঠে। এর ফলে কিশোর মস্তিষ্ক বাস্তব সম্পর্কের আগে কৃত্রিম উত্তেজনায় অভ্যস্ত হয়ে যেতে পারে।


ডিজিটাল এক্সপোজার থেকে তৈরি হয়—

✔️অবাস্তব প্রত্যাশা (“এটাই প্রেম”, “এভাবেই ঘনিষ্ঠতা”)

✔️শরীরকেন্দ্রিক মানদণ্ড

✔️দ্রুত ঘনিষ্ঠতার চাপ

✔️তুলনা থেকে আত্মবিশ্বাস কমে যাওয়া

সম্পর্ককে “ডোপামিন উত্তেজনা” হিসেবে দেখা (অর্থাৎ শুধু উত্তেজনা খোঁজা)


🛑🛑1️⃣4️⃣ সচেতন শিক্ষা মস্তিষ্ককে সুরক্ষা দেয়—কারণ এতে নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র ধীরে ধীরে শক্ত হয়।


যখন কিশোরকে শেখানো হয় কীভাবে “না” বলতে হয়, কীভাবে চাপ সামলাতে হয়, কীভাবে আবেগকে চেনা যায়—তখন তার ভেতরের বিচারক্ষমতা (প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স/Prefrontal Cortex) ধীরে ধীরে দক্ষ হতে থাকে। অর্থাৎ শিক্ষা শুধু আচরণ বদলায় না—মস্তিষ্কের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতাও গড়ে তোলে।


সচেতন শিক্ষা যে দক্ষতাগুলো তৈরি করে—

✅️আবেগকে চিনতে শেখা

✅️তাড়াহুড়ো করে সিদ্ধান্ত না নেওয়া

✅️সীমারেখা মানা

✅️সম্মতি বুঝে চলা

✅️নিরাপদ আচরণ বেছে নেওয়া


🛑🛑1️⃣5️⃣ অভিভাবকের ভূমিকা: নিষেধ নয়, নিরাপদ পরিবেশ—যেখানে সন্তান প্রশ্ন করতে পারে।


কিশোরদের জন্য সবচেয়ে বড় সুরক্ষা হলো—একটি এমন পরিবার, যেখানে “প্রশ্ন করলে শাস্তি” নয়, বরং “প্রশ্ন করলে ব্যাখ্যা” পাওয়া যায়। কিশোর যদি মনে করে—“আমি কিছু বললে আমাকে খারাপ ভাববে”—তাহলে সে বলবে না; কিন্তু তার প্রশ্ন থামবে না। প্রশ্ন যখন ঘরে উত্তর পায় না, তখন ইন্টারনেটে উত্তর খোঁজে—এটাই মূল ঝুঁকি।


অভিভাবকদের জন্য তিনটি ভিত্তি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—

✅ খোলা আলোচনা: বিচারহীন কথা, ভয় দেখানো নয়

✅ বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষা: শরীর-মস্তিষ্কের ব্যাখ্যা

✅ আবেগগত নিরাপত্তা: যাতে সন্তান লজ্জা না পায়


🛑🛑1️⃣6️⃣ চূড়ান্ত সত্য: প্রকৃতি অনুভূতি দেয়, সমাজ শেখায় দায়িত্ব—দুটো একসাথে হলেই স্বাস্থ্যকর বিকাশ হয়।


প্রকৃতি কৈশোরে আকর্ষণ, কৌতূহল, আবেগ—এসব শুরু করে। কিন্তু মানুষকে “মানুষ” করে তোলে সমাজের শিক্ষা—সম্মান, সীমারেখা, দায়িত্ব, আবেগ নিয়ন্ত্রণ। তাই লক্ষ্য হওয়া উচিত—দমন নয়, সচেতন বিকাশ। ভয় নয়, শিক্ষা। নিষেধ নয়, দায়িত্বশীল স্বাধীনতা।


শেষ বার্তা:

🔸️অনুভূতি স্বাভাবিক

🔸️কৌতূহল স্বাভাবিক

কিন্তু নির্দেশনা ছাড়া অভিজ্ঞতা ঝুঁকিপূর্ণ। আর ভয় দিয়ে দমন করলে দ্বন্দ্ব আরও বাড়ে


🔯“আমরা কি সত্যিই সন্তানদের রক্ষা করছি, নাকি শুধু অস্বস্তিকর আলোচনা এড়িয়ে যাচ্ছি?”

🔯“অনেক অভিভাবক মনে করেন এসব আলোচনা করলে শিশুরা দ্রুত খারাপ পথে যায়। আপনি কী মনে করেন?”

🔯“কেউ কেউ বলেন যৌন শিক্ষা দিলে কিশোররা বেশি আগ্রহী হয়ে যায় — আপনি কি একমত?”


📌 কৈশোর, সম্পর্ক বিভ্রান্তি, আবেগগত চাপ বা parenting নিয়ে চিন্তিত? এরকম মনস্তাত্ত্বিক তথ্য মুলক ও গবেষণাভিত্তিক লেখা পেতে আমাদের পেজ 👉 Counselling Psychologist ফলো করতে পারেন। আপনার নিজের অভিজ্ঞতা কমেন্ট করে জানান আর ভালো লাগলে শেয়ার করতে ভুলবেন না কারণ আপনার একটা শেয়ার অন্য অনেকের সমস্যার সমাধানের দরজা খুলে দিতে পারে।


👉 বৈজ্ঞানিক মানসিক গাইডেন্স ও সহায়তার জন্য আমাদের Telegram গ্রুপে যুক্ত হোন। (লিংক কমেন্টে)👇


#কৈশোর_মনস্তত্ত্ব #ParentingAwareness #TeenMentalHealth #RelationshipPsychology #CounsellingPsychologist 

কেউ কথা রাখেনি  ------সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

 কেউ কথা রাখেনি 

------সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

কেউ কথা রাখেনি, তেত্রিশ বছর

কাটলো, কেউ কথা রাখেনি।

ছেলেবেলায় এক বোষ্টুমি তার

আগমনী গান হঠাৎ থামিয়ে বলেছিল,

শুক্লা দ্বাদশীর দিন অন্তরাটুকু

শুনিয়ে যাবে।

তারপর কত চন্দ্রভুক অমাবস্যা চলে গেল

কিন্তু সেই বোষ্টুমী আর এল না

পঁচিশ বছর প্রতীক্ষায় আছি।

মামা বাড়ির মাঝি নাদের

আলি বলেছিল,

বড় হও দাদাঠাকুর

তোমাকে আমি তিন প্রহরের বিল

দেখাতে নিয়ে যাবো

সেখানে পদ্মফুলের মাথায় সাপ আর ভ্রমর খেলা করে!

নাদের আলি, আমি আর কত বড় হবো?

আমার মাথা এই ঘরের ছাদ

ফুঁড়ে আকাশ স্পর্শ করলে তারপর

তুমি আমায় তিনপ্রহরের বিল দেখাবে?

একটাও রয়ালগুলি কিনতে পারিনি কখনো

লাঠি-লজেন্স দেখিয়ে দেখিয়ে চুষেছে লস্কর বাড়ির ছেলেরা

ভিখারীর মতন চৌধুরীদের

গেটে দাঁড়িয়ে দেখেছি ভিতরে রাস-উৎসব

অবিরল রঙ্গের ধারার মধ্যে সুবর্ন

কঙ্কনপরা-পরা ফর্সা রমনীরা কত রকম আমোদে হেসেছে,

আমার দিকে তারা ফিরেও চায়নি!

বাবা আমার কাঁধ ছুঁয়ে বলেছিলেন,

দেখিস, একদিন আমরাও....

বাবা এখন অন্ধ, আমাদের

দেখা হয়নি কিছুই

সেই রয়্যালগুলি, সেই লাঠি-লজেন্স, সেই রাস-উৎসব

আমায় কেউ ফিরিয়ে দেবে না!

বুকের মধ্যে সুগন্ধি রুমাল

রেখে বরুনা বলেছিল,

যেদিন আমায় সত্যিকারের ভালোবাসবে

সেদিন আমার বুকেও এ-রকম আতরের গন্ধ হবে!

ভালোবাসার জন্য আমি হাতের মুঠোয় প্রান নিয়েছি,

দুরন্ত ষাঁড়ের চোখে বেঁধেছি লাল কাপড়

বিশ্ব সংসার তন্ন তন্ন করে খুঁজে এনেছি ১০৮টি নীলপদ্ম!

তবুও কথা রাখেনি বরুনা,

এখন তার বুকে শুধুই মাংসের গন্ধ

এখনো সে যে-কোনো নারী!

কেউ কথা রাখেনি, তেত্রিশ বছর

কাটলো, কেউ কথা রাখে না!

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০৬-০৩-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৬-০৩-২০২৬ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১ তম অধিবেশনে সভাপতি পদে বাংলাদেশের প্রার্থী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডক্টর খলিলুর রহমানকে সমর্থন করতে কূটনীতিকদের প্রতি আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনকে সামনে রেখে বিএনপি’র সংসদ সদস্যদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু --- উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী।


পাটপণ্যকে বিশ্ববাজারে ছড়িয়ে দিয়ে নতুন সম্ভাবনার সুবর্ণ সুযোগ কাজে লাগাতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান রাষ্ট্রপতির ।


দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ফিলিং স্টেশন থেকে যানবাহনে তেল সরবরাহের সীমা বেঁধে দিলো সরকার।


ছুটির দিনে রাজধানীতে জমে উঠেছে অমর একুশে বইমেলা --- শিশুদের জন্য শিশুপ্রহর অনুষ্ঠিত।


যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এবং ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত --- ইরানে নিহতের সংখ্যা এক হাজার তিনশো ছাড়িয়েছে।  


নেপালের সাধারণ নির্বাচনের প্রাথমিক ভোট গণনায় এগিয়ে বালেন্দ্র শাহের রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি।


এবং সিডনীতে এএফসি নারী এশিয়ান কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে বাংলাদেশকে পাঁচ-শূণ্য গোলে হারালো উত্তর কোরিয়া।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ০৬-০৩-২০২৬

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ০৬-০৩-২০২৬

আজকের সংবাদ শিরোনাম:


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্টের ফোন --- মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার শান্তিপূর্ণ সমাধানে সংলাপ এবং কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ওপর গুরুত্বারোপ। 

 

বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সকলের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের --- বিদেশে কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে দক্ষ জনশক্তি গড়তে দেশে ভাষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খোলার নির্দেশ।

 

‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ এর জন্য মনোনীতদের নাম ঘোষণা --- স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশগঠনে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মরণোত্তর পুরস্কার পাচ্ছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

 

আসন্ন ঈদ যাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া নিলে বাস কোম্পানির রুট পারমিট বাতিল --- বললেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী। 

 

তথ্য প্রযুক্তির যুগে নির্ভুল ও দায়িত্বশীল তথ্য পরিবেশন নিশ্চিত করতে হবে --- বললেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।

 

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের মধ্যে কুয়েতে ‍দূতাবাসের কার্যক্রম বন্ধ করলো যুক্তরাষ্ট্র --- কূটনীতি-ই সংঘাত নিরসনের সর্বোত্তম উপায় --- বললেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী। 

 

এবং মুম্বাইয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে সাত রানে ইংল্যান্ডকে হারালো ভারত --- ফাইনালে মুখোমুখি হবে নিউজিল্যান্ডের।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০৫-০৩-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৫-০৩-২০২৬ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


নির্বাহী আদেশে ১৮ই মার্চ ছুটি ঘোষণা --- শবে কদরসহ ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষ্যে ১৭ই মার্চ থেকে ২৩শে মার্চ পর্যন্ত ছুটি --- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বৈঠকে সিদ্ধান্ত।  


বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে সকলের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের --- বিদেশে কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে দক্ষ জনশক্তি গড়তে দেশে ভাষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খোলার নির্দেশ।


‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬’ এর জন্য মনোনীতদের নাম ঘোষণা --- স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশগঠনে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মরণোত্তর পুরস্কার পাচ্ছেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।


আসন্ন ঈদ যাত্রায় অতিরিক্ত ভাড়া নিলে বাস কোম্পানির রুট পারমিট বাতিল --- বললেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী।


শিক্ষকদের প্রশাসনিক সমস্যার দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করতে কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিলেন শিক্ষামন্ত্রী।


তথ্য প্রযুক্তির যুগে নির্ভুল ও দায়িত্বশীল তথ্য পরিবেশন নিশ্চিত করতে হবে --- বললেন তথ্য ওসম্প্রচার মন্ত্রী।


মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধাবস্থার মধ্যে লেবাননে ইসরাইলি হামলায় নিহত আট --- আরব উপসাগরে যুক্তরাষ্ট্রের তেলবাহি ট্যাঙ্কারে ইরানের হামলা।


এবং মুম্বাইয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় সেমিফাইনালে এখন ইংল্যান্ডের মুখোমুখি স্বাগতিক ভারত।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ০৫-০৩-২০২৬

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ০৫-০৩-২০২৬

আজকের সংবাদ শিরোনাম:


জনগণের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী।

 


চাঁদাবাজ, অস্ত্রধারী ও দাগি আসামীদের তালিকা তৈরি করে অভিযান পরিচালনা করবে আইনশৃংখলা বাহিনী --- হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর।

 


শাসক হিসেবে নয়, জনগণের ক্ষমতায়নের জন্য কাজ করছে সরকার --- বললেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।

 


সরকারি হাসপাতালে দালালচক্রের দৌরাত্বের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থানে --- জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

 


প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনতে ৮ প্রতিমন্ত্রী ও দুই উপদেষ্টার দপ্তর পুনর্বণ্টন।

 


যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত --- মার্কিন সিনেট ট্রাম্পের যুদ্ধ ক্ষমতার সীমা নির্ধারণে ব্যর্থ।   

 


নেপালে সাধারণ নির্বাচন আজ।

 


এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটের প্রথম সেমিফাইনালে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৯ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে নিউজিল্যান্ড --- দ্বিতীয় সেমিফাইনালে আজ ইংল্যান্ডের মুখোমুখি স্বাগতিক ভারত।

চলুন দেখি মানুষ কেন পাল্টে যায়? সার্বিয়ার এক সুন্দরী তরুণী

 🧧 চলুন দেখি মানুষ কেন পাল্টে যায়?

সার্বিয়ার এক সুন্দরী তরুণী, নাম মারিয়া আব্রামোভিচ, ১৯৭৪ সালে এক ভয়ংকর সত্যের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছিল পৃথিবীকে, একটি এক্সপেরিমেন্টের মাধ্যমে। ওই এক্সপেরিমেন্টের নাম ছিল রিদম জিরো। লোকজনে ভর্তি একটি রুমের ভেতর মারিয়া স্ট্যাচুর মতোন দাঁড়িয়ে ছিল। সামনে টেবিলে রাখা অপ্রাসঙ্গিক, অগুরুত্বপূর্ণ, একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কহীন বাহাত্তরটি জিনিস। লিপস্টিক, কেক, ছুরি, কাঁচি, গোলাপ, পিস্তল সহ আরো অনেক কিছু। বলা হয়েছিল, রাত আটটা থেকে দুইটা পর্যন্ত ছয় ঘণ্টা মানুষ যা ইচ্ছা তাই করতে পারবে মারিয়ার সঙ্গে। অনুমতিপত্রে স্বাক্ষর ছিল মারিয়ার। প্রথম আড়াই ঘণ্টা মারিয়াকে ফুল দিয়েছিল মানুষ। চুল আঁচড়ে দিয়েছিল, ভালোবেসেছিল।


সময় যতই গড়াল, লোকজন ততই হিংস্র হয়ে উঠল। শেষ দুই ঘণ্টায় মারিয়াকে থাপ্পড় মারা হয়, পরনের জামাকাপড় ছিঁড়ে নগ্ন করে ফেলা হয়, ছুরি দিয়ে শরীরে আঘাত করা হয়, এমনকি শেষদিকে একজন পিস্তল নিয়ে মারিয়ার গলা চেপে ধরে ট্রিগার টানতে যাচ্ছিল প্রায়!


মারিয়া কি ওদের কোনো ক্ষতি করেছিল? ওদের কারোর জায়গা জমি নিজের বলে দাবি করেছিল? ওদের কাউকে মারধর করেছিল? কারো সাথে প্রতারণা করেছিল? সে তো কাউকে চিনতও না। কিন্তু ওরা মারিয়াকে থাপ্পড় মেরেছিল, গায়ে থুথু ছিটিয়েছিল, পরনের পোশাক ছিঁড়ে ফেলেছিল, একের পর এক আঘাতে করেছিল ক্ষতবিক্ষত! এক্সপেরিমেন্ট শেষে মারিয়া যখন হেঁটে চলে যাচ্ছিল, তখন তাকে অপমান করা একটি লোকও চোখের দিকে তাকাতে পারছিল না তার, লজ্জায়।


১৯৯৮ সালে জার্মানিতে চৌদ্দজন লোককে স্বেচ্ছায় টাকার বিনিময়ে একটি সাইকোলজিক্যাল পরীক্ষার জন্য নির্বাচন করা হয় যার নাম ছিল দাস এক্সপেরিমেন্ট। এরপর ওই লোকগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। ওদের কাছে সময় পনের দিন। এই পনের দিন ওদের একভাগ কারাগারের কয়েদি হিসেবে অভিনয় করবে, বাকিরা থাকবে কারাগারের গার্ড। সবার অজান্তে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে পরিস্থিতি মনিটর করা হবে। শর্ত ছিল, কোনো গার্ড কোনো কয়েদিকে শারীরিকভাবে আঘাত করতে পারবে না। অর্থাৎ কোনরকম ভায়োলেন্স অ্যালাউড না।


প্রথম প্রথম সবকিছু ঠিকঠাক থাকলেও ২ দিন পার হওয়ার আগেই গার্ডরা কয়েদিদের ওপর ক্ষমতা প্রয়োগ করা শুরু করে। শেষদিকে তো পুরো এক্সপেরিমেন্টেরই বারোটা বেজে যায়।


লক্ষ্য করুন, ওরা জানে ওরা কেউই আসল গার্ড নয়। যারা কারাগারে বন্দি, তারাও সত্যিকারের কয়েদি নয়। ওদের শুধু অভিনয় করতে বলা হয়েছে কয়েকটা দিনের জন্য। অথচ বাহাত্তর ঘন্টা পার হওয়ার আগেই শুধুমাত্র বন্দিদের ওপর নিজেদের ক্ষমতা জাহির করার জন্য ওরা কারাগারের লাইট অফ করে, গ্যাস ছেড়ে, কয়েদিদের জামাকাপড় খুলে উলঙ্গ করে শোয়ার একমাত্র বিছানাটাও বের করে নেয় যাতে কেউ ঘুমাতে না পারে। শুধু তাই নয়, সময় গড়ানোর সাথে সাথে গার্ডের দল কয়েদিদের হাত পা বেঁধে নির্যাতন করে, তাদের মুখের ওপর প্রস্রাব করে, এক নারী কয়েদিকে ধর্ষণের চেষ্টা করে এবং এমনকি একজনকে মেরে ফেলেছিল প্রায়!


মানুষের মনস্তত্ত্ব সম্পর্কে একটু পড়াশোনা করলে আপনি জানতে পারবেন, মানুষ অন্যকে ঘৃণা করে, অপছন্দ করে, হত্যা করে নানা কারণে। ওর বুদ্ধি বেশি, আমার কম কেন? ওর টাকা বেশি, আমার কম কেন? ওর সম্মান বেশি, আমার কম কেন?


রিদম জিরো এবং দাস এক্সপেরিমেন্ট আপনাকে শেখাবে, একটা মানুষের কাউকে ঘৃণা, অপছন্দ বা অত্যাচার করতে আসলে কোনো কারণ লাগে না। একজন মানুষ কোনোরকম কারণ ছাড়াই আরেকজনকে হিংসা করে, ক্ষতি করে, তার বদনাম রটায়, কেননা মানুষের স্বভাবই অমন। মানুষ কোনোদিনই শান্তিকামী ছিল না, নয় এবং থাকবেও না। সে সবসময়ই হিংস্র, লোভী, বর্বর এবং ভণ্ড। তাহলে প্রশ্ন জাগে, এই দুনিয়ায় কি ভালো মানুষ বলে কেউ নেই? হ্যাঁ, আছে হাতেগোনা দুচারজন। বাকিরা সুযোগের অভাবে ভালো।

টনসিলের পা'থর বা টনসিলোলিথ খুবই অ'স্বস্তিকর একটি সমস্যা।,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 টনসিলের পা'থর বা টনসিলোলিথ খুবই অ'স্বস্তিকর একটি সমস্যা। গলার ভেতরে কিছু আট:কে থাকার অনুভূতি এবং মুখে বাজে দু:র্গন্ধ হওয়া এর অন্যতম প্রধান লক্ষণ। আমাদের টনসিলের খাঁজে জমে থাকা খাবারের কণা, মৃ"ত কো:ষ এবং ব্যাক:টেরিয়া ক্যালসিয়ামের সাথে মিশে শক্ত হয়ে এই পাথর তৈরি করে।

​প্রাথমিক পর্যায়ে এই সমস্যা সমাধানের জন্য আয়ুর্বেদিক ও ঘরোয়া কিছু উপায় অত্যন্ত কার্যকরী। নিচে এমন কিছু পরীক্ষিত রেমিডির প্রস্তুত প্রণালি ও ব্যবহারের নিয়ম বিস্তারিত দেওয়া হলো:

​১. অ্যাপল সাইডার ভিনেগার গার্গল

​অ্যাপল সাইডার ভিনেগারে থাকা এসিড টনসিলের পাথ'রকে ভে:ঙে ফেলতে এবং ব্যাক:টেরিয়া ধ্বং"স করতে দারুণ কাজ করে।

​প্রস্তুত প্রণালি: এক গ্লাস হালকা গরম পানিতে ১ টেবিল চামচ অর্গানিক অ্যাপল সাইডার ভিনেগার মিশিয়ে নিন।

​ব্যবহারের নিয়ম: এই মিশ্রণটি দিয়ে দিনে ২-৩ বার গার্গল করুন। গার্গল করার সময় পানিটি গলার একদম পেছনের দিকে টনসিল পর্যন্ত পৌঁছাতে দিন এবং ১৫-২০ সেকেন্ড পর ফেলে দিন।

​২. হলুদ ও লবণের জা'দুকরী মিশ্রণ

​হলুদে রয়েছে শক্তিশালী অ্যান্টি-ইন"ফ্লেমেটরি (প্রদাহনাশক) এবং অ্যান্টি-ব্যা"কটেরিয়াল উপাদান। লবণের সাথে মিশলে এটি গলার যেকোনো সং"ক্রমণ ও পাথর দূর করতে সাহায্য করে।

​প্রস্তুত প্রণালি: এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে আধা চা চামচ খাঁটি হলুদের গুঁড়ো এবং আধা চা চামচ লবণ ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।

​ব্যবহারের নিয়ম: সকালে ঘুম থেকে উঠে এবং রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে এই পানি দিয়ে গার্গল করুন।

​৩. কাঁচা রসুন

​রসুনের অ্যালিসিন (Allicin) নামক উপাদান প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক হিসেবে কাজ করে। এটি টনসিলের চারপাশের ব্যা"কটেরিয়া মে"রে ফেলে এবং পা"থর প্রতিরোধ করে।

​খাওয়ার নিয়ম: প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ১ বা ২ কোয়া কাঁচা রসুন ভালো করে চি'বিয়ে খেয়ে নিন। রসুনের গ'ন্ধ দূর করতে এরপর একটি লবঙ্গ বা এলাচ মুখে রাখতে পারেন।

​৪. তুলসী ও আদার ক্বাথ (চা)

​আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে তুলসী এবং আদা শ্বা"সযন্ত্র ও গলার যেকোনো সমস্যার জন্য মহৌ'ষধ হিসেবে বিবেচিত।

​প্রস্তুত প্রণালি: দুই কাপ পানিতে ১০-১২টি তাজা তুলসী পাতা এবং এক টুক"রো থেঁ"তো করা আদা দিয়ে ফুটা"তে থাকুন। পানি শুকিয়ে এক কাপ হয়ে এলে নামিয়ে ছেঁকে নিন। স্বাদ বাড়াতে সামান্য মধু মেশাতে পারেন।

​খাওয়ার নিয়ম: এই চা বা ক্বাথ দিনে ১ থেকে ২ বার হালকা গরম অবস্থায় পান করুন। এটি গলা'র অস্ব'স্তি কমাবে এবং ব্যাক"টেরিয়া ধ্বং'স করবে।

​৫. উষ্ণ লবণ-পানির গার্গল (সবচেয়ে সহজ ও কার্যকরী)

​এটি কোনো বিশেষ আয়ু"র্বেদিক রেমিডি না হলেও, টনসিলের পাথর দূর করার সবচেয়ে প্রাথমিক এবং কার্যকরী উপায়। গরম পানি ও লবণের মিশ্রণ টনসিলের খাঁজ থেকে পা"থরগুলোকে আলগা করতে সাহায্য করে।

​প্রস্তুত প্রণালি: এক গ্লাস সহন'শীল গরম পানিতে আধা চা চামচ লবণ মেশান।

​ব্যবহারের নিয়ম: দিনে অন্তত ৩-৪ বার এই পানি দিয়ে গলা ছেড়ে গার্গল করুন।

​কিছু জরুরি পরামর্শ:

​প্রচুর পরিমাণে সাধারণ পানি পান করুন, যাতে গ'লা শুষ্ক না থাকে।

​দাঁত মাজার পাশাপাশি প্রতিদিন নিয়মিত 'টাং ক্লিনার' দিয়ে জি'ভ পরিষ্কার করুন।

​অনেক সময় পরি'ষ্কার কটন বাড বা ওয়াটার ফ্লসার ব্যবহার করে সাবধানে টনসিলের পা:থর বের করা যায়, তবে এতে আ"ঘাত লাগার ঝুঁ"কি থাকে। তাই খুব সত"র্কতার সাথে এটি করতে হবে।

​সতর্কতা: যদি টনসিলের পাথ'র অনেক ব'ড় হয়, তী'ব্র ব্যথা থাকে, গি'লতে ক'ষ্ট হয় অথবা এই ঘরোয়া উপায়গুলো ১৫ দিন ব্যবহার করার পরও কোনো উন্নতি না হয়, তবে অবশ্যই একজন না:ক-কা'ন-গ'লা (ENT) বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেবেন।

বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০৪-০৩-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৪-০৩-২০২৬ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:

জনগণের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালুর নির্দেশ দিলেন প্রধানমন্ত্রী।


চাঁদাবাজ, অস্ত্রধারী ও দাগি আসামীদের তালিকা তৈরি করে অভিযান পরিচালনা করবে আইনশৃংখলা বাহিনী, এ ব্যাপারে কোন ছাড় দেওয়া হবে না --- হুঁশিয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর।


শাসক হিসেবে নয়, জনগণের ক্ষমতায়নের জন্য কাজ করছে সরকার --- বললেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।


সরকারি হাসপাতালে দালালচক্রের দৌরাত্বের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর অবস্থানে --- জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।


প্রশাসনিক কার্যক্রমে গতি আনতে ৮ প্রতিমন্ত্রী ও দুই উপদেষ্টার দপ্তর পুনর্বণ্টন।


যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা পঞ্চম দিনের মতো অব্যাহত --- ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান আক্রমণের সিদ্ধান্তের ওপর মার্কিন সিনেটে ভোট আজ।


আগামীকাল নেপালে সাধারণ নির্বাচন।


এবং ইডেন গার্ডেনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটের প্রথম সেমিফাইনালে

সাউথ আফ্রিকার মোকাবেলা করছে নিউজিল্যান্ড।

জীবনে তিনটা (C) অনেক গুরুত্বপূর্ণ!

 জীবনে তিনটা (C) অনেক গুরুত্বপূর্ণ! ১। Choise (চয়েজ) ২। Chance (চান্স) ৩। Change (চেইঞ্জ) Choice : মনে রাখবেন ভাগ্য আপনার হাতে নেই , কিন্তু ...