এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

Varicose vein/শিরাস্ফীতির হোমিও ঔষধ 

 🛑Varicose vein/শিরাস্ফীতির হোমিও ঔষধ 🛑


🔶Hamamelis virginica

-সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ।

-শিরা ফোলা, ব্যথা ও ভারী ভাব।

-দাঁড়িয়ে থাকলে কষ্ট বাড়ে।

-শিরার ক্ষত দেখতে কালো।প্রচন্ড টাটানি ও  আঘাত লাগার মত বোধ। 


 🔶Arnica mont

-আঘাত লাগার পর ভ্যারিকোস ভেইন হলে।

-কালশিটে রঙের রক্ত জমলে।

-প্রচন্ড ব্যথা হাতছোয়ানো যায় না। 


🔶Aesculus hippocastanum

-পা খুব ভারী ও ব্যথাযুক্ত।

-হাঁটলে আরাম, দাঁড়ালে কষ্ট।

-সঙ্গে পাইলস থাকলে বেশি উপকারী।


🔶 Pulsatilla

গর্ভাবস্থায় বা প্রসবের পর হওয়া ভ্যারিকোজ ভেইন।

-ব্যথা বদলাতে থাকে।অর্থাৎ  পরিবর্তনশীল। 

-ঠান্ডা হাওয়ায় আরাম।নমনীয় রোগী।


  🔶Fluoric acid

-পুরনো, দীর্ঘদিনের ভ্যারিকোজ ভেইন।

-শিরা খুব বড় ও মোচড়ানো।

-রাতে পা গরম লাগে।

-ঠান্ডা জলে গোসল করলে উপশম ও গরম স্যাঁকে বৃদ্ধি। 

-কাম ভাব বেশি। নারী দেখলেই উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। 


 🔶Calcarea fluorica

-শিরা শক্ত ও মোটা।

-দীর্ঘদিন দাঁড়িয়ে কাজ করলে সমস্যা।

-ligament  দুর্বল টাইপ রোগী।


🔶 Vipera berus

-পা নিচে ঝুলালে অসহ্য ব্যথা, মনে হয় 

পা ফেটে যাবে। 

-পা উঁচু করলে আরাম।

-খুব ফোলা ও টানটান শিরা।


🔶 Graphites

-ভ্যারিকোজ ভেইনের সাথে

চুলকানি।

-ত্বক ফাটা ও টানটান।

-ক্ষত বা আলসার।মিষ্টি  অপছন্দ,লবণ অপছন্দ। 

- শীত কাতর,কোষ্ঠকাঠিন্য। 


🔶Carbo veg

-যেকোনো ক্ষত সহজে শুকাতে চায় না। দুর্গন্ধ স্রাব ও জ্বালাযুক্ত ব্যথা। রাত্রে বৃদ্ধি।উপর পেটে  গ্যাসের সমস্যা। উদগারে আরাম লাগে। 


❤️❤️এছাড়া, Calc, calend,cardus,bellis,kali bitch,lach,lyc,led,formica rufa,Nux v, sil,zinc ইত্যাদি। 


🔴🔴সবাইকে শেয়ার করার অনুরোধ রইল।

আপনার অন্ত্রে #কৃমি (Gut Worms / Intestinal Parasites) থাকার সম্ভাব্য লক্ষণ

 আপনার অন্ত্রে #কৃমি (Gut Worms / Intestinal Parasites) থাকার সম্ভাব্য লক্ষণ


অন্ত্রের কৃমি (ইনটেস্টাইনাল হেলমিন্থ) হলো এমন পরজীবী যা মানুষের হজমতন্ত্রের ভেতরে বাস করে। সাধারণ ধরনগুলো হলো—

রাউন্ডওয়ার্ম, হুকওয়ার্ম, পিনওয়ার্ম এবং টেপওয়ার্ম।


এগুলো শরীরে প্রবেশ করে মূলত:


→ দূষিত খাবার বা পানি

→ হাত ঠিকমতো না ধোয়া

→ খালি পায়ে দূষিত মাটিতে হাঁটা

→ ভালোভাবে না রান্না করা মাংস

→ সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা (বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে)


একবার শরীরে ঢুকলে এগুলো শরীরের পুষ্টি বা রক্ত শোষণ করে এবং অন্ত্রের ভেতরের দেয়ালকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।


🟣 শরীরের ভেতরে কী ঘটে


→ কৃমি অন্ত্রের দেয়ালে লেগে থাকে

→ শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি কেড়ে নেয়

→ কিছু কৃমি রক্ত শোষণ করে (বিশেষ করে হুকওয়ার্ম)

→ অন্ত্রে প্রদাহ হয়

→ ইমিউন সিস্টেম সব সময় সক্রিয় থাকে


দীর্ঘদিনে এর ফলে হতে পারে—

অপুষ্টি, রক্তস্বল্পতা (অ্যানিমিয়া), দুর্বলতা ও হজমের সমস্যা।


🟣 অন্ত্রের কৃমি সংক্রমণের সাধারণ লক্ষণ


🟣 পেট ব্যথা, ফাঁপা ভাব বা খিঁচুনি


→ পেট ভরা ভরা লাগা

→ গ্যাস বা পেট ফুলে যাওয়া

→ মাঝে মাঝে পেট ব্যথা


কারণ: অন্ত্রের দেয়ালে জ্বালা ও প্রদাহ।


🟣 দীর্ঘমেয়াদি ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা


→ ঘন ঘন পানির মতো পায়খানা

→ পায়খানায় শ্লেষ্মা (মিউকাস)

→ কখনো ডায়রিয়া, কখনো কোষ্ঠকাঠিন্য


🟣 কারণ ছাড়াই ওজন কমে যাওয়া বা ওজন না বাড়া


→ কৃমি খাবারের পুষ্টি খেয়ে ফেলে

→ শরীর খাবার ঠিকমতো শোষণ করতে পারে না

→ শিশুদের ক্ষেত্রে বেশি দেখা যায়


🟣 অতিরিক্ত ক্লান্তি ও দুর্বলতা


→ পুষ্টির অভাব

→ রক্তক্ষয় (হুকওয়ার্মে বেশি)

→ ঠিকমতো খাওয়া সত্ত্বেও শক্তি না পাওয়া


🟣 রক্তস্বল্পতা (অ্যানিমিয়া)


→ ফ্যাকাশে ত্বক

→ শ্বাস নিতে কষ্ট

→ মাথা ঘোরা

→ হাত-পা ঠান্ডা লাগা


হুকওয়ার্ম সংক্রমণে খুবই সাধারণ।


🟣 মলদ্বারের চারপাশে চুলকানি (বিশেষ করে রাতে)


→ পিনওয়ার্মের সবচেয়ে পরিচিত লক্ষণ


রাতে স্ত্রী কৃমি মলদ্বারের চারপাশে ডিম পাড়ে, তাই চুলকানি হয়।


🟣 পায়খানার সাথে কৃমি দেখা যাওয়া


→ সাদা নড়াচড়া করা কৃমি

→ চালের দানার মতো অংশ (টেপওয়ার্ম)


এটি সংক্রমণের একটি শক্ত প্রমাণ।


🟣 বমিভাব বা খাবারে অরুচি


→ খাবার খাওয়ার পর বমি বমি ভাব

→ ক্ষুধা কমে যাওয়া


🟣 ত্বকে র‍্যাশ বা চুলকানি


→ পরজীবীর বিরুদ্ধে শরীরের প্রতিক্রিয়া

→ কখনো পায়ে প্রবেশস্থলে ফুসকুড়ি (হুকওয়ার্ম)


🟣 কাশি বা শ্বাসকষ্ট (শুরুর পর্যায়ে)


কিছু কৃমি অন্ত্রে যাওয়ার আগে ফুসফুস দিয়ে চলাচল করে।


🟣 শিশুদের ক্ষেত্রে লক্ষণ (খুব গুরুত্বপূর্ণ)


→ ঠিকমতো বাড়ছে না

→ পড়াশোনায় সমস্যা

→ খিটখিটে মেজাজ

→ বারবার পেট ব্যথার অভিযোগ

→ রাতে দাঁত ঘষা


কৃমি সংক্রমণ শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে।


🟣 সহজ ভাষায় রোগের প্রক্রিয়া (Mini Pathophysiology)


→ কৃমি শরীরে প্রবেশ করে

→ অন্ত্রের দেয়ালে লেগে থাকে

→ পুষ্টি বা রক্ত শোষণ করে

→ প্রদাহ সৃষ্টি করে

→ রক্তস্বল্পতা ও অপুষ্টি তৈরি হয়


🟣 ডাক্তাররা কীভাবে রোগ নির্ণয় করেন


→ পায়খানা পরীক্ষা (ডিম বা কৃমি খোঁজা)

→ রক্ত পরীক্ষা (ইওসিনোফিল, অ্যানিমিয়া)

→ কখনো আল্ট্রাসাউন্ড বা ইমেজিং

→ পিনওয়ার্মের জন্য টেপ টেস্ট


🟣 চিকিৎসা (সহজ ও কার্যকর)


ডাক্তাররা সাধারণত যে ওষুধ দেন:


→ Albendazole

→ Mebendazole

→ Praziquantel (নির্দিষ্ট কৃমির জন্য)


সাধারণত ১–৩ দিন খেতে হয়।

অনেক সময় ২ সপ্তাহ পর আবার খাওয়া লাগে।


সঠিক চিকিৎসায় বেশিরভাগ মানুষ সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যায়।


🟣 প্রতিরোধ (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ)


→ খাবারের আগে হাত ধোয়া

→ ফল ও সবজি ভালোভাবে ধোয়া

→ বিশুদ্ধ পানি পান করা

→ মাংস ভালোভাবে রান্না করা

→ বাইরে জুতা/স্যান্ডেল পরা

→ নখ ছোট রাখা (বিশেষ করে শিশুদের)

→ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত ডিওয়ার্মিং


🟣 কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন


→ দীর্ঘদিনের পেটের সমস্যা

→ ওজন কমে যাওয়া

→ মলদ্বারে চুলকানি

→ দুর্বলতা বা অ্যানিমিয়া

→ পায়খানায় কৃমি দেখা

→ শিশু ঠিকমতো ওজন না বাড়ালে


শুরুর দিকেই চিকিৎসা নিলে জটিলতা এড়ানো যায়।


🟣 মূল কথা ⭐


অন্ত্রের কৃমি খুবই সাধারণ, চিকিৎসাযোগ্য ও প্রতিরোধযোগ্য।


কিন্তু অবহেলা করলে নীরবে সৃষ্টি করতে পারে—


→ অপুষ্টি

→ রক্তস্বল্পতা

→ দুর্বল রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা

→ শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া


সহজ পরীক্ষা ও সঠিক ওষুধেই সংক্রমণ পুরোপুরি সেরে যায়।


⚠️ মেডিকেল ডিসক্লেইমার

এই তথ্যগুলো শুধুমাত্র শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়েছে। এটি চিকিৎসকের পরামর্শের বিকল্প নয়। রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য অবশ্যই যোগ্য ডাক্তারের পরামর্শ নিন।


#GutWorms

#অন্ত্রেরকৃমি

#Deworming

#ParasiteInfection

#স্বাস্থ্যসচেতনতা

#ChildHealth

#Anemia

#DigestiveHealth

#PublicHealth

#বাংলাহেলথ

পল্লী জননী - জসীম উদ্‌দীন-

 পল্লী জননী

- জসীম উদ্‌দীন-

রাত থম থম স্তব্ধ নিঝুম, ঘোর-ঘোর-আন্ধার,

নিশ্বাস ফেলি, তাও শোনা যায়, নাই কোথা সাড়া কার।

রুগ্ন ছেলের শিয়রে বসিয়া একেলা জাগিছে মাতা,

করুণ চাহনি ঘুম ঘুম যেন ঢুলিছে চোখের পাতা।

শিয়রের কাছে নিবু নিবু দীপ ঘুরিয়া ঘুরিয়া জ্বলে,

তারি সাথে সাথে বিরহী মায়ের একেলা পরাণ দোলে।


ভন্ ভন্ ভন্ জমাট বেঁধেছে বুনো মশকের গান,

এঁদো ডোবা হতে বহিছে কঠোর পচান পাতার ঘ্রাণ?

ছোট কুঁড়ে ঘর, বেড়ার ফাঁকেতে আসিছে শীতের বায়ু,

শিয়রে বসিয়া মনে মনে মাতা গণিছে ছেলের আয়ু।


ছেলে কয়, “মারে, কত রাত আছে? কখন সকাল হবে,

ভাল যে লাগে না, এমনি করিয়া কেবা শুয়ে থাকে কবে?”

মা কয়“বাছারে ! চুপটি করিয়া ঘুমা ত একটি বার, ”

ছেলে রেগে কয় “ঘুম যেআসে না কি করিব আমি তার ?”

পান্ডুর গালে চুমো খায় মাতা, সারা গায়ে দেয় হাত,

পারে যদি বুকে যত স্নেহ আছে ঢেলে দেয় তারি সাথ।

নামাজের ঘরে মোমবাতি মানে, দরগায় মানে দান,

ছেলেরে তাহার ভাল কোরেদাও, কাঁদে জননীর প্রাণ।

ভাল করে দাও আল্লা রছুল। ভাল কোরে দাও পীর।

কহিতে কহিতে মুখখানি ভাসে বহিয়া নয়ন নীর।


বাঁশবনে বসি ডাকে কানা কুয়ো,রাতের আঁধার ঠেলি,

বাদুড় পাখার বাতাসেতে পড়ে সুপারীর বন হেলি।

চলে বুনোপথে জোনাকী মেয়েরা কুয়াশা কাফন ধরি,

দুর ছাই। কিবা শঙ্কায় মার পরাণ উঠিছে ভরি।

যে কথা ভাবিতে পরাণ শিহরে তাই ভাসে হিয়া কোণে,

বালাই, বালাই, ভালো হবে যাদু মনে মনে জালবোনে।

ছেলে কয়, “মাগো! পায়ে পড়ি বলো ভাল যদি হই কাল,

করিমের সাথে খেলিবারে গেলে দিবে না ত তুমি গাল?

আচ্ছা মা বলো, এমন হয় না রহিম চাচার ঝাড়া

এখনি আমারে এত রোগ হোতে করিতে পারি ত খাড়া ?”

মা কেবল বসি রুগ্ন ছেলের মুখ পানে আঁখি মেলে,

ভাসাভাসা তার যত কথা যেন সারা প্রাণ দিয়ে গেলে।


“শোন মা! আমার লাটাই কিন্তু রাখিও যতন করে,

রাখিও ঢ্যাঁপের মোয়া বেঁধে তুমি সাত-নরি শিকা পরে।

খেজুরে-গুড়ের নয়া পাটালিতে হুড়ুমের কোলা ভরে,

ফুলঝুরি সিকা সাজাইয়া রেখো আমার সমুখ পরে।”

ছেলে চুপ করে, মাও ধীরে ধীরে মাথায় বুলায় হাত,

বাহিরেতে নাচে জোনাকী আলোয় থম থম কাল রাত।


রুগ্ন ছেলের শিয়রে বসিয়া কত কথা পড়ে মনে,

কোন দিন সে যে মায়েরে না বলে গিয়াছিল দুর বনে।

সাঁঝ হোয়ে গেল আসেনাকো আই-ঢাই মার প্রাণ,

হঠাৎ শুনিল আসিতেছে ছেলেহর্ষে করিয়া গান।

এক কোঁচ ভরা বেথুল তাহার ঝামুর ঝুমুর বাজে,

ওরে মুখপোড়া কোথা গিয়াছিলি এমনি এ কালি-সাঁঝে?


কত কথা আজ মনে পড়ে মার, গরীবের ঘর তার,

ছোট খাট কত বায়না ছেলের পারে নাই মিটাবার।

আড়ঙের দিনে পুতুল কিনিতে পয়সা জোটেনি তাই,

বলেছে আমরা মুসলমানের আড়ঙ দেখিতে নাই।

করিম যে গেল? রহিম চলিল? এমনি প্রশ্ন-মালা;

উত্তর দিতে দুখিনী মায়ের দ্বিগুণ বাড়িত জ্বালা।

আজও রোগে তার পথ্য জোটেনি, ওষুধ হয়নি আনা,

ঝড়ে কাঁপে যেন নীড়ের পাখিটি জড়ায়ে মায়ের ডানা।


ঘরের চালেতে ভুতুম ডাকিছে, অকল্যাণ এ সুর,

মরণের দুত এল বুঝি হায়। হাঁকে মায়, দুর-দুর।

পচা ডোবা হতে বিরহিনী ডা’ক ডাকিতেছে ঝুরি ঝুরি,

কৃষাণ ছেলেরা কালকে তাহার বাচ্চা করেছে চুরি।

ফেরে ভন্ ভন্ মশা দলে দলে বুড়ো পাতা ঝরে বনে,

ফোঁটায় ফোঁটায় পাতা-চোঁয়াজল গড়াইছে তার সনে।

রুগ্ন ছেলের শিয়রে বসিয়া একেলা জাগিছে মাতা।

সম্মুখে তার ঘোর কুজঝটি মহা-কাল-রাত পাতা।

পার্শ্বে জ্বলিয়া মাটির প্রদীপ বাতাসে জমায় খেল,

আঁধারের সাথে যুঝিয়া তাহার ফুরায়ে এসেছে তেল।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০৫-০২-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৫-০২-২০২৬ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


দেশের ১১৬টি সংসদীয় আসনে পৌঁছেছে আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালট পেপার, বাকি ব্যালট পৌছুবে আগামী শনিবারের মধ্যে --- জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। 


দেশের যুব সমাজের প্রত্যাশা পূরণে বদ্ধপরিকর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী --- রাজশাহীতে নির্বাচনী জনসভায় বললেন দলের আমির ডাক্তার শফিকুর রহমান।


এবারের জাতীয় নির্বাচনে অনিয়মের কোন সম্ভাবনা নেই --- ঠাকুরগাঁওয়ে নির্বাচনী সমাবেশে মন্তব্য করলেন বিএনপি মহাসচিব --- আগামীকাল দলের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করবেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।


আসন্ন রমজান মাসে অফিস চলবে সকাল নয়টা থেকে বিকেল সাড়ে তিনটা পর্যন্ত --- উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে সিদ্ধান্ত।  


বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর একুশে পদক পাচ্ছেন নয় বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠান --- জানালেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব।


জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আশুলিয়ায় ছয় লাশ পোড়ানোসহ সাতজনকে হত্যা মামলায় সাবেক এমপি সাইফুল ইসলামসহ ছয় জনের মৃত্যুদণ্ড --- সাতজনকে যাবজ্জীবন।  


তিনশো ১৪ জন বন্দী বিনিময়ে ঐক্যমতের মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় আবুধাবীতে শেষ হলো ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যকার দুই দিনব্যাপী আলোচনা।


এবং  মিরপুরে অদম্য বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে এখন দুরন্ত একাদশের মোকাবেলা করছে ধুমকেতু একাদশ।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ০৫-০২-২০২৬

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ০৫-০২-২০২৬

আজকের সংবাদ শিরোনাম:


নির্বাচনি দায়িত্বে আচরণবিধি ভঙ্গ করলে নেওয়া হবে ব্যবস্থা --- জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন --- বিএনসিসি ক্যাডেট মোতায়েনের সিদ্ধান্ত বাতিল। 

 

পতিত ফ্যাসিবাদের পরিণতির কথা স্মরণ রেখে সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনে কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের প্রতি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নির্দেশ। 

 

আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য এক হাজার ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ। 

 

বরিশাল ও ফরিদপুরে নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান --- ফরিদপুরকে বিভাগ করার প্রতিশ্রুতি। 


নির্বাচিত হলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করবে জামায়াত --- নীলফামারী ও লালমনিরহাটের সীমান্তবর্তী নির্বাচনী জনসভায় বললেন ডাক্তার শফিকুর রহমান।


জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও ফ্যাসিবাদ বিলোপকে প্রাধান্য দিয়ে জামায়াতে ইসলামীর ৪১ দফা ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৩০ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা।  

 

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরমাণু আলোচনা শুরু ওমানে আগামীকাল --- নিশ্চিত করেছে ইরান।

 

এবং অনূর্ধ্ব-১৯ যুব বিশ্বকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে আগামীকাল জিম্বাবুয়ের হারারেতে ভারত - ইংল্যান্ডের মোকাবিলা করবে।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০৪-০২-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৪-০২-২০২৬ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


নির্বাচনি দায়িত্বে নিয়োজিত সংশ্লিষ্টরা আচরণবিধি প্রতিপালনে ব্যর্থ হলে ব্যবস্থা --- জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন --- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচারণার ক্ষেত্রে প্রার্থীদের যথাযথভাবে আচরণ বিধিমালা মেনে চলার নির্দেশ --- বিএনসিসি ক্যাডেট মোতায়েনের সিদ্ধান্ত বাতিল।


পতিত ফ্যাসিবাদের পরিণতির কথা স্মরণ রেখে সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে নির্বাচনী দায়িত্ব পালনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের প্রতি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নির্দেশ। 


আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য এক হাজার ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি।


বরিশাল ও ফরিদপুরে নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য রাখলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান -- বরিশালে নদী ভাঙ্গন রোধে বেড়িবাঁধ নির্মাণ ও ফরিদপুরকে বিভাগ করার প্রতিশ্রুতি।


নির্বাচিত হলে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে --- নীলফামারী ও লালমনিরহাটের সীমান্তবর্তী নির্বাচনী জনসভায় বললেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাক্তার শফিকুর রহমান।


জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার বিলোপকে প্রাধান্য দিয়ে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ৪১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা --- ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৩০ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা ।  


গাজায় ইসরাইলি হামলায় অন্তত ২১ জনের প্রাণহানি --- অবিলম্বে গাজায় মানবিক সহায়তা প্রবেশের অনুমতি দিতে ইসরাইলের প্রতি জাতিসংঘ মহাসচিবের আহ্বান।


এবং সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে স্বাগতিক নেপালকে চার-শূন্য গোলে পরাজিত করে ফাইনালে বাংলাদেশ।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ০৪-০২-২০২৬

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ০৪-০২-২০২৬

আজকের সংবাদ শিরোনাম:


যথাযথ ভাবগাম্ভীর্য্যের মধ্য দিয়ে পালিত হলো পবিত্র শব-ই বরাত।

 


পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে শুরু হয়েছে কারাবন্দিদের ভোটগ্রহণ --- চলবে শনিবার পর্যন্ত।

 


আসন্ন জাতীয় নির্বাচন এবং গণভোট অবাধ ও সুষ্ঠু করতে কোস্টগার্ড সদস্যদের নিরপেক্ষতা, পেশাদারিত্ব এবং সততার সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানালেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


র্যা পিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-‘র্যা ব’ এর নাম পরিবর্তন করে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স’-এসআইএফ রাখার সিদ্ধান্ত সরকারের --- শিগগিরই আদেশ জারি।  

 


জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন করলেন ঢাকায় কর্মরত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকেরা। 

 


গ্রীসে অভিবাসন প্রত্যাশীদের বহনকারী একটি নৌযান ডুবে ১৪ জনের মৃত্যু। 


এবং বুলাওয়েতে অনূর্ধ্ব-১৯ যুব বিশ্বকাপ ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়াকে ২৭ রানে পরাজিত করে টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠলো ইংল্যান্ড।

বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

সব কৃষি আইডিয়া লাভজনক না—এইগুলো এড়িয়ে চলো,,,sarkar agro bd ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সব কৃষি আইডিয়া লাভজনক না—এইগুলো এড়িয়ে চলো

আপনি একদম ঠিক ধরেছেন। কৃষিতে সব চকচকে আইডিয়াই সোনা নয়। কিছু কিছু আইডিয়া শুনতে খুব আধুনিক এবং স্মার্ট মনে হলেও নতুনদের জন্য সেগুলো আসলে **"মানি পিট"** বা টাকা হারানোর গর্ত।


যদি আপনি মূলধন রক্ষা করতে চান, তবে নিচের এই ৩ ধরণের কৃষি আইডিয়া শুরুতেই এড়িয়ে চলা বুদ্ধিমানের কাজ হবে:


---


### ১. ট্রেন্ডি বা "হুজুগে" কৃষি (Fad Farming)


প্রতি বছরই নতুন কোনো একটি ফল বা প্রাণীর নাম শোনা যায় যা দিয়ে নাকি রাতারাতি বড়লোক হওয়া সম্ভব। যেমন: ব্ল্যাক রাইস, টার্কি মুরগি, বা ইমু পাখি।


* **কেন এড়িয়ে চলবেন:** এই মার্কেটগুলো মূলত টিকে থাকে চারা বা বাচ্চা বিক্রির ওপর। যখন সাধারণ মানুষ বা নতুন উদ্যোক্তারা এগুলো কেনা বন্ধ করে দেয়, তখন চূড়ান্ত পণ্যের (চাল, মাংস বা ডিম) কোনো বড় বাজার পাওয়া যায় না।

* **ঝুঁকি:** আপনি অনেক দামে চারা বা বীজ কিনবেন, কিন্তু ফসল কাটার পর তা কেনার লোক খুঁজে পাবেন না।


### ২. উচ্চ প্রযুক্তিনির্ভর ইনডোর ফার্মিং (High-Tech RAS/Hydroponics)


শুনতে খুব সায়েন্স-ফিকশন মনে হয়—মাটি ছাড়া চাষ বা ঘরের ভেতর মাছ চাষ।


* **কেন এড়িয়ে চলবেন:** বাংলাদেশে বিদ্যুতের লোডশেডিং এবং যন্ত্রপাতির উচ্চমূল্যের কারণে এই প্রজেক্টগুলোর পরিচালনা খরচ (Operating Cost) অনেক বেশি।

* **ঝুঁকি:** এখানে যান্ত্রিক ত্রুটি মানেই ১০০% লস। যদি অক্সিজেনের মেশিন ১ ঘণ্টা বন্ধ থাকে বা নিউট্রিয়েন্ট সলিউশনে সামান্য ভুল হয়, তবে পুরো প্রজেক্ট এক রাতে শেষ হয়ে যাবে। নতুনদের জন্য এই টেকনিক্যাল প্রেশার নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে।


### ৩. দীর্ঘমেয়াদী ফলের বাগান (Long-term Orchards without Intercropping)


অনেকে ৫-৭ বছর পর ফল দেবে এমন গাছ লাগিয়ে বসে থাকেন (যেমন: চন্দন গাছ, বড় জাতের আম বা মাল্টা)।


* **কেন এড়িয়ে চলবেন:** নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য দীর্ঘ সময় ধরে শুধু টাকা খরচ করে যাওয়া কঠিন। যদি ৫ বছর পর দেখা যায় ফলের বাজার পড়ে গেছে বা জাত ভুল ছিল, তবে আপনার ৫ বছরের শ্রম ও অর্থ দুই-ই বৃথা।

* **ঝুঁকি:** ক্যাশ ফ্লো (Cash Flow) না থাকা। প্রতিদিনের খরচ চালানোর জন্য যদি টাকা না আসে, তবে বড় প্রজেক্ট মাঝপথে বন্ধ হয়ে যায়।


---


### তাহলে কোনটি বেছে নেবেন? (The Safe Zone)


কৃষিতে ঝুঁকি এড়াতে **"ক্যাশ-কাউ"** বা দ্রুত টাকা আসে এমন মডেল বেছে নেওয়া উচিত:


| ক্যাটাগরি | উদাহরণ | কেন নিরাপদ? |

| --- | --- | --- |

| **স্বল্পমেয়াদী সবজি** | শসা, লাল শাক, টমেটো | ৩ মাসের মধ্যে টাকা ফেরত আসে। |

| **দেশি মাছ** | শিং, মাগুর বা তেলাপিয়া | স্থানীয় বাজারে বিশাল চাহিদা। |

| **মিশ্র খামার** | একই জমিতে ফল ও সবজি | একটি লস হলে অন্যটি দিয়ে ব্যাকআপ থাকে। |


### আমার পরামর্শ:


আপনি যদি নতুন হন, তবে এমন কিছু করুন যা আপনার এলাকার মানুষ প্রতিদিন কেনে (যেমন: আলু, পিয়াজ, ডিম বা লোকাল মাছ)। **"এক্সোটিক"** বা বিদেশি কিছু করার আগে নিজেকে প্রশ্ন করুন—আপনার প্রতিবেশী কি এটা নিয়মিত খাবে? উত্তর যদি 'না' হয়, তবে সেই আইডিয়া এড়িয়ে চলাই ভালো।


আপনি কি বর্তমানে কোনো নির্দিষ্ট আইডিয়া নিয়ে কাজ করার কথা ভাবছিলেন যা এই তালিকার সাথে মিলে যাচ্ছে? চাইলে আমি সেই আইডিয়াটির একটি **বিকল্প (Alternative)** বাতলে দিতে পারি।

এই ঘটনাটি পড়ার পর আপনি হয়তো কিছুক্ষণ স্তব্ধ হয়ে বসে থাকবেন এবং নিজের জীবনের দিকে তাকিয়ে আঁতকে উঠবেন।

 ১৯৫০ সালের এক রহস্যময় বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা, যা আজও আমাদের জীবনের এক নগ্ন সত্যকে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। এই ঘটনাটি পড়ার পর আপনি হয়তো কিছুক্ষণ স্তব্ধ হয়ে বসে থাকবেন এবং নিজের জীবনের দিকে তাকিয়ে আঁতকে উঠবেন।

‎গল্পটি শুরু হয় একটি কাঁচের খাঁচা দিয়ে...

👉🌿‎১৯৫০ সাল, আমেরিকা। বিজ্ঞানীরা একটি ইঁদুরের ওপর পরীক্ষা চালানোর জন্য তাকে একটি বিশেষ কাঁচের খাঁচায় রাখলেন। খাঁচার ভেতরে একটি ‘লাল বোতাম’ লাগানো ছিল। বিজ্ঞানীরা এমন এক ব্যবস্থা করেছিলেন যে, ইঁদুরটি যখনই ওই বোতামটি চাপবে, তখনই তার মস্তিষ্কে একটি ইলেকট্রিক সিগন্যাল পৌঁছাবে, যা সরাসরি তার শরীরে প্রচুর পরিমাণে ‘ডোপামিন’ (Dopamine) বা ‘সুখের হরমোন’ নিঃসরণ করবে।🥰

‎সহজ কথায়, বোতামটি চাপলেই ইঁদুরটির প্রচণ্ড ভালো লাগতে শুরু করবে—যেমনটা আমাদের খুব পছন্দের কোনো কাজ করলে মনে হয়।

👉‎শুরু হলো সেই মরণনেশা🔥🚶🏽‍♂️🔥

‎প্রথমে ইঁদুরটি খাঁচার ভেতরে এমনিই ঘুরে বেড়াচ্ছিল। হঠাৎ একদিন ভুলবশত তার পা ওই লাল বোতামের ওপর পড়ে যায়। মুহূর্তেই এক অদ্ভুত প্রশান্তি আর সুখে ভরে যায় তার শরীর। ইঁদুরটি অবাক হয়ে ভাবল, "এই সুখ কোথা থেকে এলো?"

‎সে আবার ঘুরতে ঘুরতে দ্বিতীয়বার বোতামটি চাপল। এবার সে নিশ্চিত হলো যে, এই লাল বোতামটিই হলো আনন্দের উৎস। এরপর শুরু হলো এক ভয়ঙ্কর পাগলামি। ইঁদুরটি বারবার শুধু ওই বোতামটিই চাপতে লাগল।

‎যখন জীবনের চেয়েও ‘সুখ’ বড় হয়ে দাঁড়াল

‎বিজ্ঞানীরা এবার পরীক্ষাটি আরও কঠিন করলেন। খাঁচার ভেতরে ইঁদুরটির জন্য দামী খাবার রাখা হলো। এমনকি তার নিঃসঙ্গতা দূর করতে একটি স্ত্রী ইঁদুরকেও খাঁচায় ছাড়া হলো।

👉‎আপনার কী মনে হয়? ইঁদুরটি কি খাবার খেল? নাকি সঙ্গিনীর কাছে গেল❓🤔

‎না! ইঁদুরটি সব কিছু ভুলে গেল। তার সামনে সুস্বাদু খাবার পড়ে রইল, কিন্তু সে সেদিকে ফিরেও তাকাল না। সঙ্গিনী তাকে ডাকল, কিন্তু তার কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। সে দিন-রাত, নাওয়া-খাওয়া ভুলে শুধু ওই লাল বোতামটি প্রেস করতে লাগল। কারণ, খাবার খেয়ে যে আনন্দ পাওয়া যায়, তার চেয়ে হাজার গুণ বেশি আনন্দ ওই বোতামটি টিপলে পাওয়া যাচ্ছিল।

👉‎💔শেষ পরিণতি 😥🐁🔥

‎এক দিন... দুই দিন... তিন দিন...। ইঁদুরটি ক্লান্ত হয়ে পড়ল, শরীর শুকিয়ে গেল, কিন্তু বোতাম টেপা থামল না। শেষে একদিন ইঁদুরটি মারা গেল। আশ্চর্যের বিষয় কী জানেন? যখন ইঁদুরটি মারা পড়ে ছিল, তখনও তার হাতটা ওই লাল বোতামের ওপরেই ছিল! সে মৃত্যুর আগের মুহূর্ত পর্যন্ত ওই কৃত্রিম সুখটুকুই চেয়েছিল।

👉‎এই পরীক্ষা কি আজও চলছে❓🤔

‎আপনি হয়তো ভাবছেন, ১৯৫০ সালের ওই পরীক্ষা তো কবেই শেষ হয়ে গেছে! কিন্তু সত্যিটা হলো— সেই পরীক্ষা আজও চলছে এবং এবার সেই খাঁচার ইঁদুরটি আপনি আর আমি!😲😱

‎সেই ১৯৫০ সালের ‘লাল বোতাম’ আজ ২০২৪ সালে এসে একটি ‘চারকোনা আয়তাকার’ (Rectangle) রূপ নিয়েছে। ইঁদুরের সেই নেশা আজ আমাদের সবার পকেটে পকেটে ঘুরছে।

‎একটু ভেবে দেখুন তো—

👉🚶🏽‍♂️‎আমরা কি খাবারের টেবিলে বসেও সেই চারকোনা স্ক্রিনে সুখ খুঁজছি না?🤔

👉‎আমাদের পাশের রক্তমাংসের মানুষগুলোকে অবহেলা করে আমরা কি ওই ডিজিটাল স্ক্রিনেই আনন্দ খুঁজছি না❓

👉‎আমাদের ঘুম নেই, শান্তি নেই, তাও মাঝরাতেও কি আমরা ওই স্ক্রিনটা স্ক্রল করে চলছি না❓

‎ইঁদুরটি যেমন লাল বোতামের নেশায় জীবন দিয়েছিল, আমরাও কি প্রতিনিয়ত আমাদের সময়, আবেগ আর মূল্যবান জীবনটাকে ওই চারকোনা যন্ত্রটার পেছনে বিসর্জন দিচ্ছি না❓🤔

‎সেই আয়তাকার জিনিসটির নাম কী? কমেন্টে অবশ্যই জানান এবং লেখাটি শেয়ার করে প্রিয়জনদের এই নেশা সম্পর্কে সচেতন করুন। সময় থাকতে খাঁচা থেকে বেরিয়ে আসুন! 🚫


✍️✍️✍️ Rohit Baagdii 🍀 Gayan Page🌿 


‎👉🔥এমনই সব পাওয়ারফুল  টিপস এবং প্র্যাকটিক্যাল জীবন দর্শন পেতে আমাদের পেজটি 'ফলো' করে রাখুন। ইন্টারনেটে ভালো কনটেন্টের ভিড়ে এই ধরণের ‘Real & Practical’ তথ্য পাওয়া সত্যিই বিরল। হারিয়ে যাওয়ার আগেই যুক্ত হোন আমাদের সাথে! 🤝

‎👉 এই পোস্টটি আপনার ভালো লাগলে অন্যদের মধ্যেও শেয়ার করবেন 🙏🙇🙏

‎🌻👉 তবে এই পোষ্টের ফটো বা টেক্সট কেউ কপি বা কপি পেস্ট করবেন না নয়তো কপিরাইট স্ট্রাইক বা কপিরাইট ক্লেইম পেতে পারেন 🙏সাবধান 🙏

‎#LifeLesson 

#SocialMediaAddiction 

#DopamineTrap

বোরো ধানে ৩ কিস্তিতে 11  ইউরিয়া দেবার শিডিউল

🌾 🌾 বোরো ধানে ৩ কিস্তিতে 11  ইউরিয়া দেবার শিডিউল


বোরো ধানের চারা রোপণের ১০-১৫ দিনের মধ্যে ইউরিয়া দিতে হবে,  এবং ১ম কিস্তিতে 

কি পরিমাণে ইউরিয়া দেবেন আসুন জেনে নিই৷ 


​বোরো মৌসুমে ভালো ফলনের আসল রহস্য হলো সঠিক সময়ে সঠিক পরিমাণ সার প্রয়োগ।


​✅ কেন দেবেন?


• ​কুশি বৃদ্ধি: ইউরিয়া সারের নাইট্রোজেন গাছের কুশি সংখ্যা ও সবুজ ভাব বাড়ায়।

• ​সঠিক সময়: রোপণের ৭-১২ দিনের মধ্যে 'মুকুট শিকড়' গজায়, যা সার গ্রহণের উপযুক্ত সময়।

• ​অপচয় রোধ: শিকড় গজানোর পর সার দিলে সারের অপচয় কম হয় ও গাছ দ্রুত বাড়ে।


​📊 ৩৩ শতকে প্রয়োগ মাত্রা:

১. উফশী জাত: ৯-১১ কেজি

২. হাইব্রিড জাত: ১০-১৩ কেজি


​💡 বিশেষ টিপস:

জমিতে ছিপছিপে পানি থাকা অবস্থায় সার ছিটালে সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া যায়। মনে রাখবেন, কুশি যত বেশি, ফলন তত বেশি!


🌾 বোরো ধানে দ্বিতীয় কিস্তি ইউরিয়া সার: 


কখন ও কেন দেবেন?


​চারা রোপণের ৩০-৩৫ দিনের মধ্যে ইউরিয়া সারের দ্বিতীয় কিস্তি প্রয়োগ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়টি হলো ধানের 'সর্বোচ্চ কুশি উৎপাদন' (Maximum Tillering Stage) পর্যায়।


​✅ এই সময়ের গুরুত্ব:

• ​কুশির পুষ্টি: এই পর্যায়ে সার দিলে উৎপন্ন হওয়া প্রতিটি কুশি হৃষ্টপুষ্ট ও সবল হয়।

• ​গাছের গঠন: গাছ দ্রুত লম্বা হয় এবং কান্ড মজবুত হয়।

• ​ভবিষ্যৎ ফলন: এই ধাপের সঠিক পরিচর্যায় ধানের ছড়া বড় হওয়ার ভিত্তি তৈরি হয়।

​📊 ৩৩ শতকে প্রয়োগ মাত্রা:

১. উফশী জাত: ৯-১১ কেজি।

২. হাইব্রিড জাত: ১০-১৩ কেজি।


​⚠️ বিশেষ সর্তকতা:

• ​সার প্রয়োগের আগে অবশ্যই জমির আগাছা পরিষ্কার করে নিন, নাহলে সার আগাছা খেয়ে ফেলবে।

• ​জমিতে অতিরিক্ত পানি থাকলে বের করে দিয়ে ছিপছিপে পানি থাকা অবস্থায় সার ছিটিয়ে দিন।

​সঠিক সময়ে সুষম সার ব্যবহার করুন, লাভবান হোন। 🌾


🌾 বোরো ধানে শেষ কিস্তি ইউরিয়া:  

কাইচ থোড় পর্যায়ের যত্ন ও পরিচর্যা 

​ধানের ফলন কেমন হবে, তা নির্ভর করে এই তৃতীয় কিস্তি সার প্রয়োগের ওপর। চারা রোপণের ৫৫-৬০ দিনের মধ্যে (থোড় আসার ৫-৭ দিন আগে) এই সার দিতে হয়।


​✅ কেন দেবেন?

• ​পুষ্ট দানা: এই সময়ে ইউরিয়া দিলে ধানের ছড়া লম্বা হয় এবং প্রতিটি দানা পুষ্ট ও ওজনে ভারী হয়।


• ​চিটা রোধ: সঠিক পুষ্টির অভাবে ধানে চিটা হওয়ার যে ভয় থাকে, তা অনেক কমে যায়।


• ​পাতার সবুজ ভাব: 'ফ্ল্যাগ লিফ' বা ঝাণ্ডা পাতা সবুজ থাকে, যা ধানের ফলন বাড়াতে মূল ভূমিকা রাখে।


​📊 ৩৩ শতকে প্রয়োগ মাত্রা:

১. উফশী জাত: ৯-১০ কেজি।

২. হাইব্রিড জাত: ১০-১২ কেজি।


​⚠️ বিশেষ টিপস:

• ​পটাশ সার: যদি জমি লালচে দেখায়, তবে ইউরিয়ার সাথে ৫-৭ কেজি এমওপি (পটাশ) সার মিশিয়ে দিলে দানা আরও উজ্জ্বল ও শক্ত হবে।


• ​পানির স্তর: থোড় আসা থেকে দুধ আসা পর্যন্ত জমিতে অবশ্যই ২-৩ ইঞ্চি পানি ধরে রাখতে হবে।


​সঠিক সময়ে শেষ কিস্তি সার দিন, গোলা ভরা ধান ঘরে তুলুন। 🌾💰


​পরামর্শে: কৃষ্ণপদ দেবনাথ

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা

ফেঞ্চুগঞ্জ, সিলেট।


​#বোরো_ধান #কাইচ_থোড় #কৃষিপরামর্শ #ধানের_ফলন

​#ধানচাষ #ইউরিয়া_সার #কৃষিকথা #বাংলারকৃষি

Varicose vein/শিরাস্ফীতির হোমিও ঔষধ 

 🛑Varicose vein/শিরাস্ফীতির হোমিও ঔষধ 🛑 🔶Hamamelis virginica -সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঔষধ। -শিরা ফোলা, ব্যথা ও ভারী ভাব। -দাঁড়িয়ে থাকলে কষ্ট ...