এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

সব কৃষি আইডিয়া লাভজনক না—এইগুলো এড়িয়ে চলো,,,sarkar agro bd ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সব কৃষি আইডিয়া লাভজনক না—এইগুলো এড়িয়ে চলো

আপনি একদম ঠিক ধরেছেন। কৃষিতে সব চকচকে আইডিয়াই সোনা নয়। কিছু কিছু আইডিয়া শুনতে খুব আধুনিক এবং স্মার্ট মনে হলেও নতুনদের জন্য সেগুলো আসলে **"মানি পিট"** বা টাকা হারানোর গর্ত।


যদি আপনি মূলধন রক্ষা করতে চান, তবে নিচের এই ৩ ধরণের কৃষি আইডিয়া শুরুতেই এড়িয়ে চলা বুদ্ধিমানের কাজ হবে:


---


### ১. ট্রেন্ডি বা "হুজুগে" কৃষি (Fad Farming)


প্রতি বছরই নতুন কোনো একটি ফল বা প্রাণীর নাম শোনা যায় যা দিয়ে নাকি রাতারাতি বড়লোক হওয়া সম্ভব। যেমন: ব্ল্যাক রাইস, টার্কি মুরগি, বা ইমু পাখি।


* **কেন এড়িয়ে চলবেন:** এই মার্কেটগুলো মূলত টিকে থাকে চারা বা বাচ্চা বিক্রির ওপর। যখন সাধারণ মানুষ বা নতুন উদ্যোক্তারা এগুলো কেনা বন্ধ করে দেয়, তখন চূড়ান্ত পণ্যের (চাল, মাংস বা ডিম) কোনো বড় বাজার পাওয়া যায় না।

* **ঝুঁকি:** আপনি অনেক দামে চারা বা বীজ কিনবেন, কিন্তু ফসল কাটার পর তা কেনার লোক খুঁজে পাবেন না।


### ২. উচ্চ প্রযুক্তিনির্ভর ইনডোর ফার্মিং (High-Tech RAS/Hydroponics)


শুনতে খুব সায়েন্স-ফিকশন মনে হয়—মাটি ছাড়া চাষ বা ঘরের ভেতর মাছ চাষ।


* **কেন এড়িয়ে চলবেন:** বাংলাদেশে বিদ্যুতের লোডশেডিং এবং যন্ত্রপাতির উচ্চমূল্যের কারণে এই প্রজেক্টগুলোর পরিচালনা খরচ (Operating Cost) অনেক বেশি।

* **ঝুঁকি:** এখানে যান্ত্রিক ত্রুটি মানেই ১০০% লস। যদি অক্সিজেনের মেশিন ১ ঘণ্টা বন্ধ থাকে বা নিউট্রিয়েন্ট সলিউশনে সামান্য ভুল হয়, তবে পুরো প্রজেক্ট এক রাতে শেষ হয়ে যাবে। নতুনদের জন্য এই টেকনিক্যাল প্রেশার নেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে।


### ৩. দীর্ঘমেয়াদী ফলের বাগান (Long-term Orchards without Intercropping)


অনেকে ৫-৭ বছর পর ফল দেবে এমন গাছ লাগিয়ে বসে থাকেন (যেমন: চন্দন গাছ, বড় জাতের আম বা মাল্টা)।


* **কেন এড়িয়ে চলবেন:** নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য দীর্ঘ সময় ধরে শুধু টাকা খরচ করে যাওয়া কঠিন। যদি ৫ বছর পর দেখা যায় ফলের বাজার পড়ে গেছে বা জাত ভুল ছিল, তবে আপনার ৫ বছরের শ্রম ও অর্থ দুই-ই বৃথা।

* **ঝুঁকি:** ক্যাশ ফ্লো (Cash Flow) না থাকা। প্রতিদিনের খরচ চালানোর জন্য যদি টাকা না আসে, তবে বড় প্রজেক্ট মাঝপথে বন্ধ হয়ে যায়।


---


### তাহলে কোনটি বেছে নেবেন? (The Safe Zone)


কৃষিতে ঝুঁকি এড়াতে **"ক্যাশ-কাউ"** বা দ্রুত টাকা আসে এমন মডেল বেছে নেওয়া উচিত:


| ক্যাটাগরি | উদাহরণ | কেন নিরাপদ? |

| --- | --- | --- |

| **স্বল্পমেয়াদী সবজি** | শসা, লাল শাক, টমেটো | ৩ মাসের মধ্যে টাকা ফেরত আসে। |

| **দেশি মাছ** | শিং, মাগুর বা তেলাপিয়া | স্থানীয় বাজারে বিশাল চাহিদা। |

| **মিশ্র খামার** | একই জমিতে ফল ও সবজি | একটি লস হলে অন্যটি দিয়ে ব্যাকআপ থাকে। |


### আমার পরামর্শ:


আপনি যদি নতুন হন, তবে এমন কিছু করুন যা আপনার এলাকার মানুষ প্রতিদিন কেনে (যেমন: আলু, পিয়াজ, ডিম বা লোকাল মাছ)। **"এক্সোটিক"** বা বিদেশি কিছু করার আগে নিজেকে প্রশ্ন করুন—আপনার প্রতিবেশী কি এটা নিয়মিত খাবে? উত্তর যদি 'না' হয়, তবে সেই আইডিয়া এড়িয়ে চলাই ভালো।


আপনি কি বর্তমানে কোনো নির্দিষ্ট আইডিয়া নিয়ে কাজ করার কথা ভাবছিলেন যা এই তালিকার সাথে মিলে যাচ্ছে? চাইলে আমি সেই আইডিয়াটির একটি **বিকল্প (Alternative)** বাতলে দিতে পারি।

এই ঘটনাটি পড়ার পর আপনি হয়তো কিছুক্ষণ স্তব্ধ হয়ে বসে থাকবেন এবং নিজের জীবনের দিকে তাকিয়ে আঁতকে উঠবেন।

 ১৯৫০ সালের এক রহস্যময় বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা, যা আজও আমাদের জীবনের এক নগ্ন সত্যকে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। এই ঘটনাটি পড়ার পর আপনি হয়তো কিছুক্ষণ স্তব্ধ হয়ে বসে থাকবেন এবং নিজের জীবনের দিকে তাকিয়ে আঁতকে উঠবেন।

‎গল্পটি শুরু হয় একটি কাঁচের খাঁচা দিয়ে...

👉🌿‎১৯৫০ সাল, আমেরিকা। বিজ্ঞানীরা একটি ইঁদুরের ওপর পরীক্ষা চালানোর জন্য তাকে একটি বিশেষ কাঁচের খাঁচায় রাখলেন। খাঁচার ভেতরে একটি ‘লাল বোতাম’ লাগানো ছিল। বিজ্ঞানীরা এমন এক ব্যবস্থা করেছিলেন যে, ইঁদুরটি যখনই ওই বোতামটি চাপবে, তখনই তার মস্তিষ্কে একটি ইলেকট্রিক সিগন্যাল পৌঁছাবে, যা সরাসরি তার শরীরে প্রচুর পরিমাণে ‘ডোপামিন’ (Dopamine) বা ‘সুখের হরমোন’ নিঃসরণ করবে।🥰

‎সহজ কথায়, বোতামটি চাপলেই ইঁদুরটির প্রচণ্ড ভালো লাগতে শুরু করবে—যেমনটা আমাদের খুব পছন্দের কোনো কাজ করলে মনে হয়।

👉‎শুরু হলো সেই মরণনেশা🔥🚶🏽‍♂️🔥

‎প্রথমে ইঁদুরটি খাঁচার ভেতরে এমনিই ঘুরে বেড়াচ্ছিল। হঠাৎ একদিন ভুলবশত তার পা ওই লাল বোতামের ওপর পড়ে যায়। মুহূর্তেই এক অদ্ভুত প্রশান্তি আর সুখে ভরে যায় তার শরীর। ইঁদুরটি অবাক হয়ে ভাবল, "এই সুখ কোথা থেকে এলো?"

‎সে আবার ঘুরতে ঘুরতে দ্বিতীয়বার বোতামটি চাপল। এবার সে নিশ্চিত হলো যে, এই লাল বোতামটিই হলো আনন্দের উৎস। এরপর শুরু হলো এক ভয়ঙ্কর পাগলামি। ইঁদুরটি বারবার শুধু ওই বোতামটিই চাপতে লাগল।

‎যখন জীবনের চেয়েও ‘সুখ’ বড় হয়ে দাঁড়াল

‎বিজ্ঞানীরা এবার পরীক্ষাটি আরও কঠিন করলেন। খাঁচার ভেতরে ইঁদুরটির জন্য দামী খাবার রাখা হলো। এমনকি তার নিঃসঙ্গতা দূর করতে একটি স্ত্রী ইঁদুরকেও খাঁচায় ছাড়া হলো।

👉‎আপনার কী মনে হয়? ইঁদুরটি কি খাবার খেল? নাকি সঙ্গিনীর কাছে গেল❓🤔

‎না! ইঁদুরটি সব কিছু ভুলে গেল। তার সামনে সুস্বাদু খাবার পড়ে রইল, কিন্তু সে সেদিকে ফিরেও তাকাল না। সঙ্গিনী তাকে ডাকল, কিন্তু তার কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই। সে দিন-রাত, নাওয়া-খাওয়া ভুলে শুধু ওই লাল বোতামটি প্রেস করতে লাগল। কারণ, খাবার খেয়ে যে আনন্দ পাওয়া যায়, তার চেয়ে হাজার গুণ বেশি আনন্দ ওই বোতামটি টিপলে পাওয়া যাচ্ছিল।

👉‎💔শেষ পরিণতি 😥🐁🔥

‎এক দিন... দুই দিন... তিন দিন...। ইঁদুরটি ক্লান্ত হয়ে পড়ল, শরীর শুকিয়ে গেল, কিন্তু বোতাম টেপা থামল না। শেষে একদিন ইঁদুরটি মারা গেল। আশ্চর্যের বিষয় কী জানেন? যখন ইঁদুরটি মারা পড়ে ছিল, তখনও তার হাতটা ওই লাল বোতামের ওপরেই ছিল! সে মৃত্যুর আগের মুহূর্ত পর্যন্ত ওই কৃত্রিম সুখটুকুই চেয়েছিল।

👉‎এই পরীক্ষা কি আজও চলছে❓🤔

‎আপনি হয়তো ভাবছেন, ১৯৫০ সালের ওই পরীক্ষা তো কবেই শেষ হয়ে গেছে! কিন্তু সত্যিটা হলো— সেই পরীক্ষা আজও চলছে এবং এবার সেই খাঁচার ইঁদুরটি আপনি আর আমি!😲😱

‎সেই ১৯৫০ সালের ‘লাল বোতাম’ আজ ২০২৪ সালে এসে একটি ‘চারকোনা আয়তাকার’ (Rectangle) রূপ নিয়েছে। ইঁদুরের সেই নেশা আজ আমাদের সবার পকেটে পকেটে ঘুরছে।

‎একটু ভেবে দেখুন তো—

👉🚶🏽‍♂️‎আমরা কি খাবারের টেবিলে বসেও সেই চারকোনা স্ক্রিনে সুখ খুঁজছি না?🤔

👉‎আমাদের পাশের রক্তমাংসের মানুষগুলোকে অবহেলা করে আমরা কি ওই ডিজিটাল স্ক্রিনেই আনন্দ খুঁজছি না❓

👉‎আমাদের ঘুম নেই, শান্তি নেই, তাও মাঝরাতেও কি আমরা ওই স্ক্রিনটা স্ক্রল করে চলছি না❓

‎ইঁদুরটি যেমন লাল বোতামের নেশায় জীবন দিয়েছিল, আমরাও কি প্রতিনিয়ত আমাদের সময়, আবেগ আর মূল্যবান জীবনটাকে ওই চারকোনা যন্ত্রটার পেছনে বিসর্জন দিচ্ছি না❓🤔

‎সেই আয়তাকার জিনিসটির নাম কী? কমেন্টে অবশ্যই জানান এবং লেখাটি শেয়ার করে প্রিয়জনদের এই নেশা সম্পর্কে সচেতন করুন। সময় থাকতে খাঁচা থেকে বেরিয়ে আসুন! 🚫


✍️✍️✍️ Rohit Baagdii 🍀 Gayan Page🌿 


‎👉🔥এমনই সব পাওয়ারফুল  টিপস এবং প্র্যাকটিক্যাল জীবন দর্শন পেতে আমাদের পেজটি 'ফলো' করে রাখুন। ইন্টারনেটে ভালো কনটেন্টের ভিড়ে এই ধরণের ‘Real & Practical’ তথ্য পাওয়া সত্যিই বিরল। হারিয়ে যাওয়ার আগেই যুক্ত হোন আমাদের সাথে! 🤝

‎👉 এই পোস্টটি আপনার ভালো লাগলে অন্যদের মধ্যেও শেয়ার করবেন 🙏🙇🙏

‎🌻👉 তবে এই পোষ্টের ফটো বা টেক্সট কেউ কপি বা কপি পেস্ট করবেন না নয়তো কপিরাইট স্ট্রাইক বা কপিরাইট ক্লেইম পেতে পারেন 🙏সাবধান 🙏

‎#LifeLesson 

#SocialMediaAddiction 

#DopamineTrap

বোরো ধানে ৩ কিস্তিতে 11  ইউরিয়া দেবার শিডিউল

🌾 🌾 বোরো ধানে ৩ কিস্তিতে 11  ইউরিয়া দেবার শিডিউল


বোরো ধানের চারা রোপণের ১০-১৫ দিনের মধ্যে ইউরিয়া দিতে হবে,  এবং ১ম কিস্তিতে 

কি পরিমাণে ইউরিয়া দেবেন আসুন জেনে নিই৷ 


​বোরো মৌসুমে ভালো ফলনের আসল রহস্য হলো সঠিক সময়ে সঠিক পরিমাণ সার প্রয়োগ।


​✅ কেন দেবেন?


• ​কুশি বৃদ্ধি: ইউরিয়া সারের নাইট্রোজেন গাছের কুশি সংখ্যা ও সবুজ ভাব বাড়ায়।

• ​সঠিক সময়: রোপণের ৭-১২ দিনের মধ্যে 'মুকুট শিকড়' গজায়, যা সার গ্রহণের উপযুক্ত সময়।

• ​অপচয় রোধ: শিকড় গজানোর পর সার দিলে সারের অপচয় কম হয় ও গাছ দ্রুত বাড়ে।


​📊 ৩৩ শতকে প্রয়োগ মাত্রা:

১. উফশী জাত: ৯-১১ কেজি

২. হাইব্রিড জাত: ১০-১৩ কেজি


​💡 বিশেষ টিপস:

জমিতে ছিপছিপে পানি থাকা অবস্থায় সার ছিটালে সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া যায়। মনে রাখবেন, কুশি যত বেশি, ফলন তত বেশি!


🌾 বোরো ধানে দ্বিতীয় কিস্তি ইউরিয়া সার: 


কখন ও কেন দেবেন?


​চারা রোপণের ৩০-৩৫ দিনের মধ্যে ইউরিয়া সারের দ্বিতীয় কিস্তি প্রয়োগ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়টি হলো ধানের 'সর্বোচ্চ কুশি উৎপাদন' (Maximum Tillering Stage) পর্যায়।


​✅ এই সময়ের গুরুত্ব:

• ​কুশির পুষ্টি: এই পর্যায়ে সার দিলে উৎপন্ন হওয়া প্রতিটি কুশি হৃষ্টপুষ্ট ও সবল হয়।

• ​গাছের গঠন: গাছ দ্রুত লম্বা হয় এবং কান্ড মজবুত হয়।

• ​ভবিষ্যৎ ফলন: এই ধাপের সঠিক পরিচর্যায় ধানের ছড়া বড় হওয়ার ভিত্তি তৈরি হয়।

​📊 ৩৩ শতকে প্রয়োগ মাত্রা:

১. উফশী জাত: ৯-১১ কেজি।

২. হাইব্রিড জাত: ১০-১৩ কেজি।


​⚠️ বিশেষ সর্তকতা:

• ​সার প্রয়োগের আগে অবশ্যই জমির আগাছা পরিষ্কার করে নিন, নাহলে সার আগাছা খেয়ে ফেলবে।

• ​জমিতে অতিরিক্ত পানি থাকলে বের করে দিয়ে ছিপছিপে পানি থাকা অবস্থায় সার ছিটিয়ে দিন।

​সঠিক সময়ে সুষম সার ব্যবহার করুন, লাভবান হোন। 🌾


🌾 বোরো ধানে শেষ কিস্তি ইউরিয়া:  

কাইচ থোড় পর্যায়ের যত্ন ও পরিচর্যা 

​ধানের ফলন কেমন হবে, তা নির্ভর করে এই তৃতীয় কিস্তি সার প্রয়োগের ওপর। চারা রোপণের ৫৫-৬০ দিনের মধ্যে (থোড় আসার ৫-৭ দিন আগে) এই সার দিতে হয়।


​✅ কেন দেবেন?

• ​পুষ্ট দানা: এই সময়ে ইউরিয়া দিলে ধানের ছড়া লম্বা হয় এবং প্রতিটি দানা পুষ্ট ও ওজনে ভারী হয়।


• ​চিটা রোধ: সঠিক পুষ্টির অভাবে ধানে চিটা হওয়ার যে ভয় থাকে, তা অনেক কমে যায়।


• ​পাতার সবুজ ভাব: 'ফ্ল্যাগ লিফ' বা ঝাণ্ডা পাতা সবুজ থাকে, যা ধানের ফলন বাড়াতে মূল ভূমিকা রাখে।


​📊 ৩৩ শতকে প্রয়োগ মাত্রা:

১. উফশী জাত: ৯-১০ কেজি।

২. হাইব্রিড জাত: ১০-১২ কেজি।


​⚠️ বিশেষ টিপস:

• ​পটাশ সার: যদি জমি লালচে দেখায়, তবে ইউরিয়ার সাথে ৫-৭ কেজি এমওপি (পটাশ) সার মিশিয়ে দিলে দানা আরও উজ্জ্বল ও শক্ত হবে।


• ​পানির স্তর: থোড় আসা থেকে দুধ আসা পর্যন্ত জমিতে অবশ্যই ২-৩ ইঞ্চি পানি ধরে রাখতে হবে।


​সঠিক সময়ে শেষ কিস্তি সার দিন, গোলা ভরা ধান ঘরে তুলুন। 🌾💰


​পরামর্শে: কৃষ্ণপদ দেবনাথ

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা

ফেঞ্চুগঞ্জ, সিলেট।


​#বোরো_ধান #কাইচ_থোড় #কৃষিপরামর্শ #ধানের_ফলন

​#ধানচাষ #ইউরিয়া_সার #কৃষিকথা #বাংলারকৃষি

বাচ্চাকে কেনো মানি ম্যানেজমেন্ট শিখাববেন

 আপনি কি জানেন, জাপানে শিশুদের জন্য আলাদা ব্যাংক আছে? elementary school বয়স থেকেই জাপানি শিশুরা নিজের নামে account রাখে, নিজেরাই টাকা জমা দেয়, নিজেরাই টাকা তোলে। অভিভাবক পাশে থাকতে পারে, কিন্তু কাজ করে দেওয়ার অনুমতি নেই। জাপানিদের philosophy খুব পরিষ্কার—বাচ্চাকে financial literacy শেখানো এবং independent বানানো।


এই বিষয়টা বোঝার আগে একটা প্রশ্ন করি। আপনার বাচ্চা কি বারবার খেলনা, chips, chocolate আবদার করে? কেন করে জানেন? কারণ সে জানে না এগুলো কিনতে কত টাকা লাগে, এই টাকা কোথা থেকে আসে, কিভাবে খরচ করতে হয়, কোন কোন purpose-এ টাকা ব্যবহার করা উচিত আর কেন কিছু টাকা জমিয়ে রাখা জরুরি। আমাদের দেশে আমরা চাই না বাচ্চা কষ্ট পাক, চাই না সে কোনো কিছু না পেয়ে মন খারাপ করুক। তাই যা চায়, তাই দিয়ে দিই। অথচ একটু struggle, একটু অপেক্ষা, একটু অভাবই বাচ্চাকে বাস্তববাদী করে তোলে। চাওয়া মাত্র সব পেয়ে যাওয়া বাচ্চাটা বয়সে বড় হয় ঠিকই, কিন্তু তার অর্থনৈতিক জ্ঞান develop হয় না। একসময় স্কুলে আপনি যে টিফিনের টাকা দেবেন সেটাও তার কাছে কম মনে হবে। বন্ধুর দামী phone, laptop, bike তাকে টানবে। তার কাছে শুধু একটাই অনুভূতি থাকবে—আমার এটা চাই। আপনি কিভাবে দেবেন বা টাকা কোথা থেকে আসবে, সেটা তার ভাবনার অংশই হবে না।


এই ছেলে বা মেয়েটা যখন কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে hostel বা mess-এ থাকবে, তখন সে বুঝবে না টাকা কিভাবে manage করতে হয়। আপনি আপনার হিসেব করে টাকা দেবেন, কিন্তু সে চলবে নিজের ইচ্ছেমতো। local bus ছেড়ে Uber, অল্প পথ হেঁটে না গিয়ে রিকশা, online-এ যেটা ভালো লাগবে সেটাই কেনা, হুট করে restaurant-এ বন্ধুদের treat দিয়ে সব টাকা শেষ। এরপর মাসের ২০ তারিখে আবার টাকা চাইলে আপনি ভাববেন, পুরো মাসের টাকাই তো দিয়েছিলাম। তখন কৈফিয়ত চেয়ে লাভ নেই। এর চেয়ে ভালো ছোটবেলা থেকেই বাচ্চাকে money management শেখানো।


ঠিক এখানেই জাপানিরা আমাদের থেকে অনেক এগিয়ে। তারা ভীষণ দূরদর্শী। একজন জাপানি অভিভাবক জানেন, ২০–২৫ বছর পর তিনি তার সন্তানকে কেমন মানুষ হিসেবে দেখতে চান, আর সেই অনুযায়ী ছোটবেলা থেকেই groundwork তৈরি করেন। বাচ্চাদের জন্য আলাদা banking system রেখে তারা বাচ্চাকে শেখাতে চায়—টাকার দায়িত্ব নিজের, সিদ্ধান্তের ফল নিজের, আজ খরচ করলে কাল কম থাকবে, অপেক্ষা করতে পারা শক্তি, প্রয়োজন আর শখ আলাদা করা, ভুল সিদ্ধান্ত নিলে তার দায় নেওয়া। এতে বাচ্চা emotionally mature হয়, impulse control শেখে, নিজের ওপর বিশ্বাস তৈরি হয়। সে টাকার slave হয় না, টাকা তার tool হয়ে দাঁড়ায়।


আমরা চাইলেই রাতারাতি এমন system চালু করতে পারব না। কিন্তু নিজেদের বাস্তবতায় চাইলে অনেক কিছুই করা যায়। আপনি কি কাজ করেন, কত কষ্ট করে টাকা income করেন—এই কথাগুলো বাচ্চার সাথে বলুন। অনেকেই নিজের financial struggle hide করতে চান, সেটারও যুক্তি আছে। কিন্তু বাচ্চাকে অন্তত বোঝাতে হবে টাকা কিভাবে আসে আর কিভাবে শেষ হয়। সে লিখতে শিখলেই বাজারের list লিখতে দিন। তাকে সাথে করে বাজারে নিন। দোকানদারকে টাকা দেওয়া, রিকশাওয়ালাকে ভাড়া দেওয়া—এই ছোট ছোট দৃশ্যগুলোই বাচ্চার মাথায় ধারণা তৈরি করে। কোনো কিছু আবদার করলে সঙ্গে সঙ্গে না দিয়ে পরের salary পর্যন্ত অপেক্ষা করান, সে বুঝুক টাকা আসতে সময় লাগে। অফিস থেকে ফিরে বা ব্যবসার দিন কেমন গেলো সেই গল্প বাচ্চার সামনে বলুন। কেউ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে গেলে বোঝান, হঠাৎ জরুরি সময়ের জন্য কিছু টাকা জমিয়ে রাখা কেন দরকার।


বাস্তব জীবন থেকেই বাচ্চারা financial literacy শেখে, যদি আমরা শেখাতে পারি। মনে রাখবেন, academic পড়াশোনার চেয়েও এই অর্থনৈতিক জ্ঞান আপনার সন্তানের ভবিষ্যতের জন্য অনেক বেশি জরুরি।

#parenting #positiveparenting #smartparenting

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০৩-০২-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৩-০২-২০২৬ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


যথাযথ ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে আজ রাতে পালিত হচ্ছে পবিত্র শব-ই বরাত।


পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে প্রথমবারের মত শুরু হলো কারাবন্দিদের ভোটগ্রহণ --- চলবে শনিবার পর্যন্ত।


আসন্ন জাতীয় নির্বাচন এবং গণভোট অবাধ ও সুষ্ঠু করতে কোস্টগার্ড সদস্যদের নিরপেক্ষতা, পেশাদারিত্ব এবং সততার সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানালেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-‘র‍্যাব’ এর নাম পরিবর্তন করে ‘স্পেশাল ইন্টারভেনশন ফোর্স-এসআইএফ রাখার সিদ্ধান্ত সরকারের --- শিগগিরই আদেশ জারি।  


গ্রিনল্যান্ডে অস্ত্র মোতায়েন করলে ওয়াশিংটনকে জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি মস্কোর।


এবং জিম্বাবুয়েতে অনুর্ধ্ব-১৯ যুব বিশ্বকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের প্রথম সেমি-ফাইনালে ইংল্যান্ডের বেঁধে দেওয়া ২৭৮ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করছে অস্ট্রেলিয়া।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ  ০৩-০২-২০২৬

সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ  ০৩-০২-২০২৬

আজকের সংবাদ শিরোনাম:


প্লট বরাদ্দে জালিয়াতি মামলায় শেখ হাসিনার দশ বছর ও টিউলিপ সিদ্দিকীর চার বছরের কারাদণ্ড।


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শুধু দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রশংসিত হবে  --- আশাবাদ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার।


বিএনপি সরকার গঠন করলে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে --- খুলনায় জনসভায় বললেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।


বাংলাদেশের যে এলাকা যতটা বঞ্চিত, সে এলাকাকে আগে উপরের দিকে টেনে তোলা হবে --- কক্সবাজারে নির্বাচনী সভায় বললেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডাক্তার শফিকুর রহমান।


যথাযোগ্য ভাবগাম্ভীর্য্যের মধ্য দিয়ে আজ রাতে পালিত হবে পবিত্র শবে বরাত।


মতবিরোধ থাকলেও সাংবাদিকতার স্বার্থে সাংবাদিকদের এক থাকার আহ্বান জানালেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা।


 ভারতীয় পণ্যের ওপর শুল্ক ৫০ শতাংশ থেকে ১৮ শতাংশে নামিয়ে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি ঘোষণা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের।


এবং জিম্বাবুয়ের বুলাওয়েতে আজ অনূর্ধ্ব-১৯ যুব বিশ্বকাপের প্রথম সেমি-ফাইনালে পরস্পরের  মোকাবেলা করবে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০২-০২-২০২৬খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০২-০২-২০২৬খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


প্লট বরাদ্দে জালিয়াতি মামলায় শেখ হাসিনার দশ বছর ও টিউলিপ সিদ্দিকীর চার বছরের কারাদণ্ড।


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শুধু দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রশংসিত হবে  --- আশাবাদ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার।


বিএনপি সরকার গঠন করলে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে --- খুলনায় জনসভায় বললেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।


বাংলাদেশের যে এলাকা যতটা বঞ্চিত, সে এলাকাকে আগে উপরের দিকে টেনে তোলা হবে --- কক্সবাজারে নির্বাচনী সভায় বললেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডাক্তার শফিকুর রহমান।


মতবিরোধ থাকলেও সাংবাদিকতার স্বার্থে সাংবাদিকদের এক থাকার আহ্বান জানালেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা।


ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজি বোতলজাত এলপিজির দাম নির্ধারণ এক হাজার তিনশো ৫৬ টাকা --- নিয়ম না মানা হলে আইনগত ব্যবস্থা --- র্হুঁশিয়ারি বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের।


যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পরমাণু আলোচনা শুরু করতে সম্মত ইরান ।


এবং  নেপালের পোখরায় সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে ভারতকে দুই-শুন্য গোলে পরাজিত করলো বাংলাদেশ।

সকল জ্যামিতিক ও গাণিতিক চিহ্ন (Symbols)

 📐 সকল জ্যামিতিক ও গাণিতিক চিহ্ন (Symbols)


💥 +  Plus – যোগ

💥 −  Minus – বিয়োগ

💥 ×  Multiplication – গুণ

💥 ÷  Division – ভাগ

💥 =  Equal – সমান

💥 ≠  Not equal – সমান নয়

💥 >  Greater than – বড়

💥 <  Less than – ছোট

💥 ≥  Greater than or equal – বড় বা সমান

💥 ≤  Less than or equal – ছোট বা সমান


💥 %  Percent – শতকরা

💥 √  Square root – বর্গমূল

💥 ∛  Cube root – ঘনমূল

💥 ∞  Infinity – অসীম

💥 π  Pi – পাই

💥 ∑  Sigma – যোগফল

💥 ∏  Product – গুণফল

💥 !  Factorial – ফ্যাক্টোরিয়াল


💥 ∠  Angle – কোণ

💥 °  Degree – ডিগ্রি

💥 ⊥  Perpendicular – লম্ব

💥 ∥  Parallel – সমান্তরাল

💥 △  Triangle – ত্রিভুজ

💥 □  Square – বর্গক্ষেত্র

💥 ▭  Rectangle – আয়তক্ষেত্র

💥 ○  Circle – বৃত্ত

💥 ⭕  Circular shape – বৃত্তাকার


💥 ∩  Intersection – ছেদ

💥 ∪  Union – সংযোগ

💥 ⊂  Subset – উপসেট

💥 ⊆  Subset or equal – উপসেট বা সমান

💥 ∈  Element of – সদস্য

💥 ∉  Not element – সদস্য নয়


💥 |x|  Modulus – পরম মান

💥 ‖x‖  Norm – নর্ম

💥 ⌊ ⌋  Floor – নিচের পূর্ণসংখ্যা

💥 ⌈ ⌉  Ceiling – উপরের পূর্ণসংখ্যা


💥 →  Right arrow – ডানদিকে তীর

💥 ←  Left arrow – বামদিকে তীর

💥 ↔  Both direction – উভয় দিক

💥 ⇒  Implies – নির্দেশ করে

💥 ⇔  If and only if – যদি এবং কেবল যদি


💥 ∂  Partial derivative – আংশিক অন্তরক

💥 d/dx  Derivative – অন্তরক

💥 ∫  Integration – সমাকলন

💥 ∬  Double integral – দ্বিগুণ সমাকলন


💥 ≈  Approximately – প্রায় সমান

💥 ∝  Proportional – সমানুপাতিক

💥 ∴  Therefore – অতএব

💥 ∵  Because – কারণ


💥 𝛼  Alpha – আলফা

💥 𝛽  Beta – বিটা

💥 𝛾  Gamma – গামা

💥 θ  Theta – থিটা

💥 λ  Lambda – ল্যাম্বডা


💥 ⊕  Plus in set – সেট যোগ

💥 ⊖  Minus in set – সেট বিয়োগ

💥 ⊗  Tensor product – টেনসর গুণ

💥 ⊘  Division in set – সেট ভাগ


💥 ∅  Empty set – শূন্য সেট

💥 ℝ  Real numbers – বাস্তব সংখ্যা

💥 ℤ  Integers – পূর্ণসংখ্যা

💥 ℚ  Rational numbers – মূলদ সংখ্যা

💥 ℕ  Natural numbers – স্বাভাবিক সংখ্যা


#bibornosahin

মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

যে কাজটি করলে আর কখনোই আপনার গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থাকবে না

 ✅ যে কাজটি করলে আর কখনোই আপনার গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা থাকবে না!


আমাদের দেশে গ্যাস্টিকের সমস্যা নেই এমন মানুষ হয়তো খুঁজে পাওয়াই যাবে না। এই সমস্যাটি মূলত ভাজাপোড়া খাবার খেলেই বেশি হয়ে থাকে। অনেকেরই এ সব খাবার খাওয়ার পরে পেট ব্যথা বা বুকে ব্যথা কিংবা বদ হজম হয়।


অথচ এই সমস্যা দূর করার জন্য ওষুধ না খেয়ে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে নিচের যেকোন একটি নিয়ম মানলেই চলবে।


১। আধা ইঞ্চি পরিমাণ কাঁচা আদা নিন। তারপর অল্প একটু লবন মাখিয়ে খেয়ে ফেলুন। আদা খাওয়ার কিছুক্ষণ পর এক কাপ কুসুম গরম পানি খান। গভীর রাতে আর গ্যস্ট্রিকের সমস্যা হবে না। অথবা,


২। এক গ্লাস পানি একটি হাড়িতে নিয়ে চুলায় বসান। এর আগে এক ইঞ্চি পরিমাণ কাঁচা হলুদ পানিতে দিয়ে দিন। পানি অন্তত পাঁচ মিনিট ফুটতে দিন। তারপর নামিয়ে আনুন। পানি ঠাণ্ডা হলে হলুদসহ খেয়ে ফেলুন। গ্যাস্ট্রিক দৌঁড়ে পালাবে। অথবা,


৩। ওপরের সমস্ত পদ্ধতি ঝামেলার মনে হলে শুধুমাত্র এক গ্লাস পানিতে এক চা চামচ মধু মিশিয়ে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে পান করুন। কখনোই রাতে পেট বা বুক ব্যথা করবে না।

_

লেখাটি ভালো লাগলে আমাদের পেইজটি ফলো দিয়ে পাশেই থাকবেন।


অনলাইন সংগৃহীত তথ্য

কোন টিকা কোন রোগ প্রতিরোধ করে?

 💉 কোন টিকা কোন রোগ প্রতিরোধ করে?

১. বিসিজি (BCG): যক্ষ্মা।

২. পেন্টাভ্যালেন্ট: (৫টি রোগ) ডিপথেরিয়া, হুপিং কাশি, ধনুষ্টঙ্কার, হেপাটাইটিস-বি এবং হিমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি।


৩. পিসিভি (PCV): নিউমোনিয়া।

৪. ওপিভি/আইপিভি (OPV/IPV): পোলিও।

৫. এমআর (MR): হাম ও রুবেলা।


​📍 টিকাদানের সঠিক সময়সূচী:


১. জন্মের পরপরই: বিসিজি (BCG)।

২.  ৬ সপ্তাহ বয়সে: পেন্টাভ্যালেন্ট (১ম ডোজ), পিসিভি (১ম ডোজ), ওপিভি (১ম ডোজ)।


৩.  ১০ সপ্তাহ বয়সে: পেন্টাভ্যালেন্ট (২য় ডোজ), পিসিভি (২য় ডোজ), ওপিভি (২য় ডোজ)।


৪.  ১৪ সপ্তাহ বয়সে: পেন্টাভ্যালেন্ট (৩য় ডোজ), পিসিভি (৩য় ডোজ), ওপিভি (৩য় ডোজ) এবং আইপিভি।


৫. ৯ মাস পূর্ণ হলে:

এমআর (১ম ডোজ)।

৬.  ১৫ মাস পূর্ণ হলে:

এমআর (২য় ডোজ/বুস্টার)।


⚠️ অভিভাবকদের জন্য জরুরি টিপস

📍 টিকা কার্ড রাখুন: টিকা দিতে গেলে কার্ড অবশ্যই সাথে নিন।

📍 হালকা জ্বর স্বাভাবিক: টিকার পর সামান্য জ্বর বা ফোলা হতে পারে, চিন্তার কারণ নয়।

📍 তারিখ মিস হলে: দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যোগাযোগ করুন।

সব কৃষি আইডিয়া লাভজনক না—এইগুলো এড়িয়ে চলো,,,sarkar agro bd ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সব কৃষি আইডিয়া লাভজনক না—এইগুলো এড়িয়ে চলো আপনি একদম ঠিক ধরেছেন। কৃষিতে সব চকচকে আইডিয়াই সোনা নয়। কিছু কিছু আইডিয়া শুনতে খুব আধুনিক এবং স্মা...