এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ৩১ জানুয়ারি, ২০২৬

টেস্টিকুলার টরশন কী?,,, স্বাস্থ্য কথা helthtLk ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 #টেস্টিকুলার_টরশন (#Testicular_Torsion)

হঠাৎ ব্যথা মানে অণ্ডকোষ বাঁচাতে আপনার হাতে আছে মাত্র ~৬ ঘণ্টা


🟣 টেস্টিকুলার টরশন কী?



টেস্টিকুলার টরশন ঘটে যখন একটি অণ্ডকোষ তার স্পার্মাটিক কর্ড–এর চারপাশে পেঁচিয়ে যায়।


এই পেঁচানো অবস্থায় অণ্ডকোষে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়।


রক্ত না পেলে অণ্ডকোষে অক্সিজেনের অভাব হয় — দ্রুত চিকিৎসা না হলে অণ্ডকোষ স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে যেতে পারে।


⚠️ এটি একটি জরুরি মেডিকেল ইমার্জেন্সি।


🟣 এটা এত বিপজ্জনক কেন?


স্পার্মাটিক কর্ড বহন করে:


→ অণ্ডকোষে রক্ত

→ অক্সিজেন

→ স্নায়ু


যখন এটি পেঁচিয়ে যায়:


→ রক্ত চলাচল বন্ধ হয়

→ টিস্যু মারা যেতে শুরু করে

→ কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই স্থায়ী ক্ষতি শুরু হয়


ডাক্তাররা প্রায়ই বলেন:


👉 সময়ই অণ্ডকোষ।


🟣 “৬ ঘণ্টার সময়সীমা” এত গুরুত্বপূর্ণ কেন?


চিকিৎসা গবেষণায় দেখা গেছে:


→ ৪–৬ ঘণ্টার মধ্যে: অণ্ডকোষ সাধারণত বাঁচানো যায়

→ ৬–১২ ঘণ্টার পরে: ক্ষতি দ্রুত বেড়ে যায়

→ ২৪ ঘণ্টার পরে: অণ্ডকোষ সাধারণত আর বাঁচে না


আনুমানিক বাঁচানোর হার:


→ <৬ ঘণ্টা → ~৯০%

→ ৬–১২ ঘণ্টা → ~৫০%

→ >২৪ ঘণ্টা → <১০%


👉 তাই দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।


🟣 টেস্টিকুলার টরশনের কারণ কী?


সবচেয়ে বেশি দেখা যায় কিশোর ও তরুণদের মধ্যে, তবে যেকোনো বয়সেই হতে পারে।


ঝুঁকির কারণ:


→ “বেল-ক্ল্যাপার” অ্যানাটমি (অণ্ডকোষ ঢিলা ঝুলে থাকা)

→ হঠাৎ নড়াচড়া বা খেলাধুলা

→ আঘাত

→ ঘুমের সময়

→ ঠান্ডা পরিবেশ


অনেক সময় কোনো পূর্ব সতর্কতা ছাড়াই ঘটে।


🟣 সতর্ক সংকেত (কখনোই উপেক্ষা করবেন না)


→ একটি অণ্ডকোষে হঠাৎ তীব্র ব্যথা

→ অণ্ডথলিতে ফোলা

→ একটি অণ্ডকোষ অন্যটির তুলনায় উপরে উঠে যাওয়া

→ বমি ভাব বা বমি

→ তলপেটে ব্যথা

→ লাল বা শক্ত অণ্ডথলির চামড়া


⚠️ ব্যথা সাধারণত হঠাৎ শুরু হয় এবং খুব তীব্র হয়।


🟣 কীভাবে রোগ নির্ণয় করা হয়?


→ শারীরিক পরীক্ষা

→ ডপলার আল্ট্রাসাউন্ড (রক্ত প্রবাহ দেখার জন্য)


তবে:


👉 যদি টরশনের সন্দেহ জোরালো হয়, তাহলে দেরি না করে সরাসরি অস্ত্রোপচার করা হয়।


🟣 চিকিৎসা


একমাত্র চিকিৎসা:


→ জরুরি অস্ত্রোপচার (ডিটরশন)


অস্ত্রোপচারের সময়:


→ অণ্ডকোষ খুলে দেওয়া হয়

→ রক্ত প্রবাহ ফিরিয়ে আনা হয়

→ ভবিষ্যতে টরশন রোধে দুই অণ্ডকোষই ফিক্স করা হয়


যদি রক্ত প্রবাহ ফিরিয়ে আনা না যায়:


→ ক্ষতিগ্রস্ত অণ্ডকোষ অপসারণ করতে হয় (অর্কিওেক্টমি)


🟣 চিকিৎসা দেরি হলে কী হয়?


→ অণ্ডকোষ স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে যাওয়া

→ উর্বরতা কমে যাওয়া

→ হরমোনজনিত সমস্যা

→ মানসিক চাপ ও ট্রমা


👉 দ্রুত ব্যবস্থা নিলে এগুলো এড়ানো যায়।


🟣 সহজভাবে বললে


→ টেস্টিকুলার টরশন অণ্ডকোষে রক্ত সরবরাহ বন্ধ করে

→ হঠাৎ ব্যথাই প্রধান সতর্ক সংকেত

→ অণ্ডকোষ বাঁচাতে সময় প্রায় ৬ ঘণ্টা

→ জরুরি অস্ত্রোপচার দরকার

→ ব্যথা কমবে ভেবে কখনোই অপেক্ষা করবেন না


⚕️ মেডিকেল ডিসক্লেইমার:

এই তথ্যগুলো শুধুমাত্র শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে। হঠাৎ অণ্ডকোষে ব্যথা হলে অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসা নিন।


#TesticularTorsion #অণ্ডকোষ #জরুরি_চিকিৎসা #স্বাস্থ্য_সচেতনতা

#পুরুষস্বাস্থ্য #MedicalEmergency #SaveTheTesticle

#৬ঘণ্টা #হঠাৎব্যথা #BanglaHealthTips

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২৯-০১-২০২৬খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৯-০১-২০২৬খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ অধ্যাদেশ এবং পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ অধ্যাদেশ ২০২৬ এর অনুমোদন দিলো উপদেষ্টা পরিষদ।


বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ কৃষি ঋণ মওকুফ ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ করা হবে --- রাজশাহীতে জনসভায় বললেন তারেক রহমান।


চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ করলে দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে --- মন্তব্য করলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাক্তার শফিকুর রহমান।


নির্বাচনে সাংবাদিকরা পর্যবেক্ষণ করলে তাতে স্বচ্ছতা থাকবে --- বললেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার --- নির্বাচনে বড় পর্যবেক্ষক দল পাঠাচ্ছে কমনওয়েলথ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন।


শেরপুরে সংঘটিত সাম্প্রতিক সহিংসতায় জামায়াতে ইসলামীর একজন কর্মীর মৃত্যুতে সরকারের গভীর উদ্বেগ।


বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের পার্লামেন্টে শোক প্রস্তাব।


যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য যেকোনো হামলা মোকাবেলায় তাৎক্ষণিকভাবে ইরান প্রস্তুত রয়েছে বলে সতর্ক করলেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী।


এবং প্রথম নারী সাফ ফুটসাল জয়ী দলের ঢাকায় প্রত্যাবর্তন --- দেওয়া হবে সংবর্ধনা।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ২৯-০১-২০২৬

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ২৯-০১-২০২৬

আজকের সংবাদ শিরোনাম:


ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপোর উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা --- দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে দেশে প্রযুক্তিগত অগ্রগতির উপর গুরুত্বারোপ।

 


সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানে নেওয়া হয়েছে সর্বাত্মক প্রস্তুতি --- বললেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।

 


বাংলাদেশে নির্বাচিত যে কোনো সরকারের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র --- বললেন ঢাকায় নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

 


সারাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে নির্বাচন ও গণভোটের প্রচারাভিযান --- জনগণের কাছে নিজ দলের নির্বাচনী ইশতেহার তুলে ধরছেন প্রার্থীরা।

 


পরমাণু চুক্তি না করলে ভয়াবহ হামলার সম্মুখীন হতে হবে --- ইরানকে ট্রাম্পের হুমকি --- যুক্তরাষ্ট্রের যেকোন হামলার জবাব দিতে প্রস্তুত জানালো ইরান।

 


এবং জিম্বাবুয়ের বুলাওয়েতে অনুর্ধ্ব-১৯ যুব বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সুপার সিক্সে আজ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলবে শ্রীলংকা।

শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারি, ২০২৬

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২৯-০১-২০২৬খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৯-০১-২০২৬খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


কর্মক্ষেত্র ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন হয়রানি প্রতিরোধ অধ্যাদেশ এবং পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ অধ্যাদেশ ২০২৬ এর অনুমোদন দিলো উপদেষ্টা পরিষদ।


বিএনপি ক্ষমতায় গেলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত সুদসহ কৃষি ঋণ মওকুফ ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ করা হবে --- রাজশাহীতে জনসভায় বললেন তারেক রহমান।


চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ করলে দেশ সামনের দিকে এগিয়ে যাবে --- মন্তব্য করলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাক্তার শফিকুর রহমান।


নির্বাচনে সাংবাদিকরা পর্যবেক্ষণ করলে তাতে স্বচ্ছতা থাকবে --- বললেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার --- নির্বাচনে বড় পর্যবেক্ষক দল পাঠাচ্ছে কমনওয়েলথ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন।


শেরপুরে সংঘটিত সাম্প্রতিক সহিংসতায় জামায়াতে ইসলামীর একজন কর্মীর মৃত্যুতে সরকারের গভীর উদ্বেগ।


বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের পার্লামেন্টে শোক প্রস্তাব।


যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য যেকোনো হামলা মোকাবেলায় তাৎক্ষণিকভাবে ইরান প্রস্তুত রয়েছে বলে সতর্ক করলেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী।


এবং প্রথম নারী সাফ ফুটসাল জয়ী দলের ঢাকায় প্রত্যাবর্তন --- দেওয়া হবে সংবর্ধনা।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ২৯-০১-২০২৬

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ২৯-০১-২০২৬

আজকের সংবাদ শিরোনাম:


ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপোর উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা --- দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে দেশে প্রযুক্তিগত অগ্রগতির উপর গুরুত্বারোপ।

 


সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠানে নেওয়া হয়েছে সর্বাত্মক প্রস্তুতি --- বললেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।

 


বাংলাদেশে নির্বাচিত যে কোনো সরকারের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র --- বললেন ঢাকায় নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

 


সারাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে নির্বাচন ও গণভোটের প্রচারাভিযান --- জনগণের কাছে নিজ দলের নির্বাচনী ইশতেহার তুলে ধরছেন প্রার্থীরা।

 


পরমাণু চুক্তি না করলে ভয়াবহ হামলার সম্মুখীন হতে হবে --- ইরানকে ট্রাম্পের হুমকি --- যুক্তরাষ্ট্রের যেকোন হামলার জবাব দিতে প্রস্তুত জানালো ইরান।

 


এবং জিম্বাবুয়ের বুলাওয়েতে অনুর্ধ্ব-১৯ যুব বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সুপার সিক্সে আজ দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে খেলবে শ্রীলংকা।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২৮-০১-২০২৬খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৮-০১-২০২৬খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপোর উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা --- দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মেলাতে দেশে প্রযুক্তিগত অগ্রগতির উপর গুরুত্বারোপ।


বাংলাদেশে জনগণের ভোটে নির্বাচিত যে কোনো সরকারের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র --- সিইসির সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে বললেন ঢাকায় নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত।


সারাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রচারাভিযান --- জনগণের কাছে নিজ দলের নির্বাচনী ইশতেহার তুলে ধরছেন প্রার্থীরা।


আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটে এ পর্যন্ত পোস্টাল ভোটদান সম্পন্ন করেছেন

চার লাখ ৩২ হাজার নয়শো ৮৯ জন প্রবাসী ভোটার  --- দেশে পৌঁছেছে ২৯ হাজার সাতশো ২৮ টি ব্যালট।


ভারতে বিমান দুর্ঘটনায় মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারসহ অন্তত পাঁচজনের প্রাণহানি।


এবং বাছাইপর্বের সুপার সিক্সে নিজেদের প্রথম ম্যাচে থাইল্যান্ডকে ৩৯ রানে হারিয়ে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটে খেলার যোগ্যতা অর্জন করলো বাংলাদেশ।

সকাল ৭টার সংবাদ ২৮/০১/২০২৬

 

সকাল ৭টার সংবাদ ২৮/০১/২০২৬

সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ২৮-১০-২০২৪

আজকের সংবাদ শিরোনাম:


জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচারাভিযান --- দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছুটছেন নেতারা --- ভোট চাইছেন দলীয় প্রার্থী ও নিজ মার্কার পক্ষে। 

 

নির্বাচিত হলে দুর্নীতি ও মাদক মুক্ত দেশ গড়তে চায় বিএনপি --- ময়মনসিংহে নির্বাচনী জনসভায় বললেন তারেক রহমান।

 

ক্ষমতায় গেলে দেশে ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করার প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আমিরের।

 

জুলাই জাতীয় সনদ সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করবে যেখানে প্রত্যেক নাগরিকের ধর্মীয় অধিকার নিশ্চিত হবে --- বললেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডক্টর আলী রিয়াজ।

 

রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আজ থেকে শুরু হচ্ছে ডিজিটাল ডিভাইস অ্যান্ড ইনোভেশন এক্সপো-২০২৬ --- উদ্বোধন করবেন প্রধান উপদেষ্টা। 

 

ইরানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধবিমানবাহী রণতরীর উপস্থিতি দেশটির সঙ্গে নতুন সংঘাত সৃষ্টির আশংকা তৈরী করেছে বলে মন্তব্য করলেন সেদেশের প্রেসিডেন্ট।  

 

এবং কলম্বোয় তৃতীয় ও শেষ একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচে শ্রীলংকাকে ৫৩ রানে পরাজিত করে দুই-একে সিরিজ জয় করলো ইংল্যান্ড।

Google Photos শুধু ছবি রাখে না, ছবি দিয়ে ম্যাজিকও দেখায়! এই ১০টি Hidden Feature

 Google Photos শুধু ছবি রাখে না, ছবি দিয়ে ম্যাজিকও দেখায়! এই ১০টি Hidden Feature জানার পর আপনি আর সাধারণ গ্যালারি অ্যাপ ব্যবহার করবেন না। গ্যারান্টি! 👇


বেশিরভাগ মানুষই এই ফিচারগুলো এড়িয়ে যায়, অথচ এগুলো একদম চোখের সামনেই থাকে।


📌টেক্সট দিয়ে ছবি খুঁজুন (Smart Search) : হাজার হাজার ছবির ভিড়ে ৩ বছর আগের জন্মদিনের ছবি খুঁজছেন? স্ক্রল করার দরকার নেই। সার্চ বারে লিখুন "Birthday", "Cat" বা "Dhaka"। গুগল নিজ থেকেই ছবির বিষয়বস্তু চিনে সেটা বের করে দেবে। এমনকি ছবিতে কোনো লেখা থাকলে (যেমন: Tickets) সেটা লিখে সার্চ দিলেও কাজ হবে।


📌ম্যাজিক ইরেজার (Magic Eraser) : সুন্দর একটা ছবি তুলেছেন, কিন্তু পেছনে অনাকাঙ্ক্ষিত কেউ দাঁড়িয়ে আছে? এডিট অপশনে গিয়ে Tools থেকে Magic Eraser সিলেক্ট করুন। একটা ট্যাপ করবেন, আর ওই অবজেক্ট ভ্যানিশ! ফটোশপ ছাড়াই প্রফেশনাল ক্লিনআপ।


📌ভিডিও থেকে পারফেক্ট ছবি (Export Frame) : ভিডিওর কোনো একটা মুহূর্ত পছন্দ হয়েছে? ভিডিও পজ করে স্ক্রিনশট নেবেন না, এতে কোয়ালিটি নষ্ট হয়। ভিডিওটি ওপেন করে এডিট অপশনে যান, সেখানে "Export Frame" পাবেন। একদম ক্রিস্টাল ক্লিয়ার হাই-রেজোলিউশন ছবি পেয়ে যাবেন।


📌পুরনো ছবি রিস্টোর করা (Photo Scan) : বাসায় অ্যালবামে পুরনো প্রিন্ট ছবি আছে? Google-এর "PhotoScan" ফিচার দিয়ে স্ক্যান করুন। এটি সাধারণ ছবির মতো না, বরং AI ব্যবহার করে গ্লেয়ার (Glare) দূর করে এবং কালার ঠিক করে ছবিটিকে নতুনের মতো ডিজিটালি সেভ করে।


📌ফেস রিকগনিশন (Face Grouping) : বন্ধুর বা পরিবারের কারো নির্দিষ্ট সব ছবি একসাথে দেখতে চান? সেটিংসে গিয়ে Group similar faces অন করে দিন। এরপর থেকে গুগল অটোমেটিক ফোল্ডার করে দেবে— যেখানে এক ক্লিকের ওই ব্যক্তির সব ছবি পাওয়া যাবে।


📌অটোমেটিক কোলাজ ও ভিডিও (AI Creations) : কোলাজ বানাতে আলাদা অ্যাপ লাগে না। ৩-৪ টা ছবি সিলেক্ট করে "+" আইকনে ক্লিক করে Collage দিন। গুগল নিজে লেআউট বানিয়ে দেবে। আর "Memories" সেকশনে গেলে তো গুগল নিজ থেকেই গান আর অ্যানিমেশন দিয়ে আপনার পুরনো স্মৃতির ভিডিও বানিয়ে উপহার দেয়।


📌শেয়ার করা অ্যালবাম (Shared Album) : বন্ধুদের সাথে ট্যুরে গিয়েছেন? ছবি আদান-প্রদানের জন্য শেয়ারইট বা ব্লুটুথ এখন ওল্ড স্কুল। একটা শেয়ার্ড অ্যালবাম বানিয়ে লিংক দিয়ে দিন। সবাই যার যার তোলা ছবি সেখানে আপলোড করতে পারবে এবং ফুল কোয়ালিটিতে ডাউনলোড করতে পারবে।


📌অফলাইন অ্যাক্সেস : ভাবছেন ইন্টারনেট না থাকলে ছবি দেখবেন কীভাবে? ব্যাকআপ অপশন অফ থাকলেও আপনার ফোনের লোকাল স্টোরেজে থাকা ছবিগুলো Google Photos সুন্দরভাবে অর্গানাইজ করে দেখায়। নেট ছাড়াই স্মৃতিগুলো সবসময় হাতের কাছে।


📌সবকিছু নিরাপদে রাখুন (Cloud Backup) : ফোন চুরি হতে পারে বা নষ্ট হতে পারে, কিন্তু স্মৃতি যেন না হারায়। Settings থেকে Backup অন করে রাখুন। ১৫ জিবি পর্যন্ত হাই-কোয়ালিটি ছবি আজীবনের জন্য Google Drive-এ সেভ থাকবে।


টেকনোলজি হাতের মুঠোয়, শুধু ব্যবহারটা জানতে হবে। আজই ফিচারগুলো ট্রাই করে দেখুন!


লিংক কমেন্টে.. 🙂


পোস্টটি উপকারী মনে হলে শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দিন। আপনার ফ্রেন্ডলিস্টের অনেকেই হয়তো এই ফিচারগুলো জানে না!


#GooglePhotos #AsadZaman #TechHacks

গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নবীজির শেখানো ২ আমল:

 💚গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে নবীজির শেখানো ২ আমল:


🟢জীবনের বাঁকে বাঁকে মানুষকে নানারকম সিদ্ধান্ত নিতে হয়। কিন্তু অনেক সময় দ্বিধা ও সংশয়ে মন আচ্ছন্ন হয়ে যায়। এই কঠিন মুহূর্তে মুমিনের জন্য রাসুলুল্লাহ (স.) এক অলৌকিক সমাধানের পথ দেখিয়েছেন। তিনি সাহাবিদের গুরুত্বপূর্ণ যেকোনো কাজের আগে দুটি বিশেষ আমল করার শিক্ষা দিতেন (সহিহ বুখারি: ১১৬৬), যাকে ইসলামি পরিভাষায় ‘ইস্তেখারা’ বলা হয়। নিচে নবীজি (স.)-এর শেখানো সেই দুটি আমল তুলে ধরা হলো।


📖১ম আমল:— দুই রাকাত নফল নামাজ

সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগলে প্রথম কাজ হলো পবিত্রতা অর্জন করে (অজু করে) দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করা।


✅নিয়ম:— সাধারণ নফল নামাজের মতোই এই নামাজ পড়তে হয়। সুরা ফাতেহার সাথে যেকোনো সুরা মেলানো যায়।


🗣নবীজির নির্দেশনা:— রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘যখন তোমাদের কারো কোনো বিশেষ কাজ করার ইচ্ছা হয়, তখন সে যেন দু’রাকআত নামাজ পড়ে, এরপর দোয়া করে। (সহিহ বুখারি: ৬৩৮২)


📖২য় আমল:— বিশেষ দোয়া পাঠ (ইস্তেখারার দোয়া)

নামাজ শেষ করার পর আল্লাহর হামদ (প্রশংসা) ও নবীজি (স.)-এর ওপর দরুদ পাঠ করবেন। এরপর অত্যন্ত বিনয় ও কাকুতি-মিনতি করে হাদিসে বর্ণিত বিশেষ দোয়াটি পড়বেন। এই দোয়ার মাধ্যমেই মূলত আল্লাহর গায়েরি সাহায্য ও সঠিক দিকনির্দেশনা চাওয়া হয়। 


✅দোয়াটি হলো—

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْتَخِيرُكَ بِعِلْمِكَ، وَأَسْتَقْدِرُكَ بِقُدْرَتِكَ، وَأَسْأَلُكَ مِنْ فَضْلِكَ الْعَظِيمِ، فَإِنَّكَ تَقْدِرُ وَلاَ أَقْدِرُ، وَتَعْلَمُ وَلاَ أَعْلَمُ، وَأَنْتَ عَلاَّمُ الْغُيُوبِ، اللَّهُمَّ إِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّ هَذَا الأَمْرَ خَيْرٌ لِي فِي دِينِي وَمَعَاشِي وَعَاقِبَةِ أَمْرِي فَاقْدُرْهُ لِي، وَيَسِّرْهُ لِي، ثُمَّ بَارِكْ لِي فِيهِ، وَإِنْ كُنْتَ تَعْلَمُ أَنَّ هَذَا الأَمْرَ شَرٌّ لِي فِي دِينِي وَمَعَاشِي وَعَاقِبَةِ أَمْرِي فَاصْرِفْهُ عَنِّي وَاصْرِفْنِي عَنْهُ، وَاقْدُرْ لِيَ الْخَيْرَ حَيْثُ كَانَ، ثُمَّ رَضِّنِي بِهِ


🗣️উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মা ইন্নী আস্তাখীরুকা বি‘ইলমিকা ওয়া আস্তাকদিরুকা বিকুদরাতিকা, ওয়া আসআলুকা মিন ফাদলিকাল ‘আযীম। ফাইন্নাকা তাকদিরু ওয়া লা আকদিরু, ওয়া তা‘লামু ওয়া লা আ‘লামু, ওয়া আনতা ‘আল্লামুল গুয়ূব। আল্লা-হুম্মা ইন কুনতা তা‘লামু আন্না হা-যাল আমরা (এখানে নিজের কাজের কথা ভাববে) খাইরুল লী ফী দ্বীনী ওয়া মা‘আশী ওয়া ‘আকিবাতি আমরী, ফাকদিরহু লী ওয়া ইয়াসসিরহু লী, সুম্মা বা-রিক লী ফীহি। ওয়া ইন কুনতা তা‘লামু আন্না হা-যাল আমরা (এখানে নিজের কাজের কথা ভাববে) শাররুল লী ফী দ্বীনী ওয়া মা‘আশী ওয়া ‘আকিবাতি আমরী, ফাসরিফহু ‘আন্নী ওয়াসরিফনী ‘আনহু, ওয়াকদির লিয়াল খাইরা হাইসু কা-না, সুম্মা রাদ্দিনি বিহী।


📖অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আমি আপনার জ্ঞানের ওসিলায় আপনার নিকট কল্যাণ চাচ্ছি, আপনার ক্ষমতার ওসিলায় শক্তি প্রার্থনা করছি এবং আপনার মহান অনুগ্রহ চাচ্ছি। কেননা আপনিই ক্ষমতার মালিক, আমার কোনো ক্ষমতা নেই। আপনি মহাজ্ঞানী, আমি কিছুই জানি না। হে আল্লাহ! আপনার জ্ঞানে যদি এই কাজটি (এখানে নিজের উদ্দিষ্ট কাজের কথা স্মরণ করতে হবে) আমার দ্বীন, আমার জীবন-জীবিকা ও পরিণতির দিক দিয়ে কল্যাণকর হয়, তবে তা আমার জন্য নির্ধারিত করে দিন, সহজ করে দিন এবং তাতে বরকত দিন। আর যদি আপনার জ্ঞানে এই কাজটি আমার জন্য অকল্যাণকর হয়, তবে আপনি তা আমার থেকে এবং আমাকে তা থেকে দূরে সরিয়ে রাখুন। আর যেখানেই কল্যাণ থাকুক, আমার জন্য তা নির্ধারণ করে দিন এবং তাতে আমাকে সন্তুষ্ট করে দিন।’ (সহিহ বুখারি: ৬৩৮২)


🤲ফলাফল বা সিদ্ধান্ত কীভাবে বুঝবেন?

নবীজি (স.)-এর শেখানো এই দুটি আমল করার পর স্বপ্নে কিছু দেখা জরুরি নয়। বরং আমলটি করার পর আল্লাহ তাআলা আপনার মনকে যেদিকে ঝুঁকিয়ে দেবেন অথবা পরিস্থিতির কারণে যে পথটি আপনার জন্য সহজ হয়ে যাবে, সেটিকেই আল্লাহর ফয়সালা মনে করে এগিয়ে যাবেন। এতে দুশ্চিন্তা কমে যাবে এবং আত্মবিশ্বাস বাড়বে। কারণ, আপনি বিষয়টি এখন আর নিজের কাঁধে রাখেননি, মহান রবের ওপর সোপর্দ করেছেন।

©


#highlightseveryone #everyoneシ゚ #highlights #everyone #follower #foryoupageシ #love #islam #highlight #Hamida

বুধবার, ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

ইরান সফরে গিয়ে শুনলাম নামাজ তিন ওয়াক্ত,,,,sahadat hossain ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ইরান সফরে গিয়ে শুনলাম নামাজ তিন ওয়াক্ত


সাহাদত হোসেন খান


অনেক দিন আগের কথা। ১৯৯৭ সালের জুনে ইরানের মরহুম আয়াতুল­াহ খোমেনির ৮ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ইরান সফরে গিয়েছিলাম। তখন জানতে পারি, নামাজ তিন ওয়াক্ত। সারাজীবন জানতাম এবং এখনো জানি, নামাজ পাঁচ ওয়াক্ত। ইরানে গিয়ে হেঁাচট খাই। প্রথম দিনই কেমন কেমন মনে হলো। তেহরানে পৌঁছে মেহেরাবাদ বিমান বন্দর ত্যাগ করতে করতে মাগরেবের নামাজের ওয়াক্ত হয়ে যায়। আমাকে এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবদূর নূরকে নিয়ে গাড়ি শহরের ভেতর ছুটে চলে। আমার মন শুধু নামাজ পড়ার জন্য খচ খচ করছিল। ভাবছিলাম, আজান হয়ে গেলে হয়তো গাড়ি থামাবে। পথে নামাজ পড়ে নেবো। গাড়ি ছুটছে তো ছুটছেই। গাড়ি কিছুতেই থামছে না। বাইরে তাকিয়ে দেখছিলাম নামাজের সময় আছে কিনা। অন্ধকার হয়ে আসে। মনটা খারাপ হয়ে যায়। চালক আবার বুঝে না ইংরেজি।

১৬ তলা উঁচু একটি হোটেলে এসে ওঠি। ১৩ তলায় আমাদের থাকার জায়গা হয়। আমাদের রুমের সামনে সুউচ্চ এল বুর্জ পাহাড়। পাহাড়ের মাথায় বরফ। পাহাড়ের তুলনায় ১৬ তলা ভবনকে আমার কাছে ম্যাচ বাতির মতো মনে হলো। আমি শুধু নামাজ পড়ার সুযোগ খুঁজছিলাম। সমস্যা হলো দিক তো জানা নেই। কারো কাছে জিজ্ঞেস করবো এমন কোনো লোকও নেই। নিজের ধারণা মতো কেবলা ধরে নিয়ে নামাজ পড়ে নেই। রাতের খাবারের জন্য নিচে নামি। হোটেলের ডেস্কে জানতে চাই কেবলা কোনদিকে। কেবলা শুনে বুঝে ফেলি যে, হোটেলে এসে আমি মাগরেবের নামাজ পড়েছি উল্টোদিকে।

  ঘনিয়ে আসে এশার নামাজ। কিন্তু কোনো আজানের সুর শুনতে পাইনি। কিরে আজান গেল কই? আমাদের দেশে নামাজের সময় হাজার হাজার মসজিদে একটানা আজান শুরু হয়। অন্তত ১৫ মিনিট চলে আজান। কেউ নামাজ পড়–ক বা নাই পড়–ক সবাই আজান শুনতে পায়। কিন্তু ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানে আমি চারদিন আজান শুনতে পাইনি। আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি। ওষুধ আনার জন্য এক মেডিকেল সেন্টারে যাই। তখন সন্ধ্যা হয় হয়। ঠিক তখন মেডিকেল সেন্টারের মাইক্রোফেনে ক্ষীণকণ্ঠে আজান শুনতে পাই। মৃদু শব্দ। একটু দূরে গেলে শোনা যায় না। আমি যেন কি শুনলাম। দিনে পাঁচ বার আজান শুনি। আর টানা চারদিন আজানের সুর না শোনায় আমি যেন তৃষ্ণার্ত হয়ে পড়ি। কার কাছে কি বলবো। আমরা হলাম মেহমান। তাদের দেশে গিয়েছি। তারা যেভাবে রাখে সেভাবে থাকতে হবে। আবার সব কথা বুঝাতেও পারি না।

একদিন সকালে আয়াতুল­াহ খোমেনির মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনায় যোগদানে আমাদেরকে হোটেল থেকে তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। আলোচনা শুরু হয়। দুপুর গড়িয়ে যায়। নামাজের কোনো আয়োজন দেখিনি। হোটেলে ফিরে এসে নামাজ আদায় করি। বিকেলের সেশনে যোগদানে আমাদেরকে আবার নিয়ে যাওয়া হয়। আলোচনা শুনছিলাম। কিন্তু আমার মন শুধু আছরের নামাজের প্রতি। নামজের সময় হয়ে যায়। কাউকে আমি নামাজ পড়তে দেখছিলাম না। বিরতি দেয়া হয়। ভাবলাম, এবার হয়তো নামাজ পড়া যাবে। কিন্তু দেখলাম সবাই চা বিস্কুট খাচ্ছে। গল্প করছে। লোকগুলো সাধারণ নয়। কারো মাথায় সাদা পাগড়ি আবার কারো মাথায় কালো। মাথায় সাদা পাগড়ি থাকার মানে হলো তিনি আয়াতুল­াহ এবং কালো পাগড়ি থাকার মানে হলো তিনি সৈয়দ। সৈয়দরা অত্যন্ত সম্মানিত ব্যক্তি। তারা হলেন আমাদের নবীর (সা.) বংশধর। তাদেরকে প্রেসিডেন্টের বেশি সম্মান দেয়া হয়। তাদের মতো সম্ভ্রান্ত লোক নামাজ না পড়ায় আমি বিস্মিত হই। মনটা খারাপ হয়ে যায়। তাদের প্রতি ঘৃণা এসে যায়। নামাজ পড়ে না আবার শ্রদ্ধা কিসের! এগিয়ে আসে মাগরেবের নামাজের সময়। তখনো কারো নামাজের গরজ নেই। মনটা ভেঙ্গে খান খান হয়ে যায়। মনে মনে গালি দিচ্ছিলাম। বলছিলাম, ‘রাখ বেটা তোদের ইসলামি প্রজাতন্ত্র। ইসলামি বিপ¬ব। ইসলাম না থাকলেও আমাদের দেশ হাজার গুণে ভালো। আমাদের দেশে ইসলাম আছে। তোদের মতো ইসলাম আমাদের দরকার নেই।’

অবশেষে আমাদের গাইড থাকাবির কাছে জানতে চাই যে, কয়েক বেলা নামাজের সময় গড়িয়ে গেলেও কেন নামাজ পড়তে পারিনি। তখন আমাদেরকে জানানো হয়, শিয়া মাজহাবে নামাজ তিন ওয়াক্ত। একটা প্রচণ্ড ধাক্কা খাই। গাইড আরো জানালো, কোরআানে নাকি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের স্পষ্ট সময় উলে­খ করা হয়নি। আমি কথা বাড়াতে যাইনি। আর জানি—ই বা কি। আমার বাবাকে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে দেখেছি। আমি তাকে অনুসরণ করছি। আমার আর কিছু জানার দরকার নেই।  


তেহরান বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদে অদ্ভূত নামাজ 

ইরান সফরের আরেকটি অভিজ্ঞতা এতদিনেও ভুলিনি। এক শুক্রবার ইরানি গাইডের সঙ্গে জামারানে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা ইমাম আয়াতুল­াহ রুহুল­াহ খোমেনির মাজার দেখতে যাই। ফিরতে ফিরতে দুুপুর হয়ে যায়। জুম্মার নামাজ পড়ার জন্য সোজা তেহরান বিশ্ববিদ্যালয় মসজিদে প্রবেশ করি। টুপি না থাকায় আফসোস করছিলাম। প্যান্টের পকেট থেকে রুমাল বের করে মাথায় বাঁধি। ভেতরটা খচ খচ করছিল। টুপি নেই। না জানি কে কি মনে করে। ইরানের প্রেসিডেন্ট সৈয়দ মোহাম্মদ খাতামি নামাজে শামিল হন। আমি তাকে বার বার দেখছিলাম। নামাজের জন্য লাইনে দাঁড়াই। ডানে—বামে তাকিয়ে দেখি কারো মাথায় টুপি নেই। একটু পরে পরে মুষ্টিবদ্ধ হাত তুলে আমেরিকা ও ইসরাইল বিরোধী শে­াগান। শে­াগানে সুশোভিত চত্বর গম গম করে উঠছিল। যেন রণাঙ্গন। একটু আগে টুপি না থাকার জন্য আফসোস করছিলাম। আর তখন মাথায় রুমাল বাঁধা থাকায় নিজেকে বিসদৃশ মনে হতো লাগলো। এক ফাঁকে প্যান্টের পকেটে রুমাল গুঁজে ফেলি। আমার পাশে ইরানি গাইড। নামাজ শুরু না হতেই দেখি তিনি একটি কৃত্রিম হাত খুলে নিচে রেখেছেন। আমি রীতিমতো ভয় পেয়ে যাই। আমাদের বিস্ময় দূর করার জন্য ইরানি গাইড বললেন, তিনি ইরানি সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য। ইরান—ইরাক যুদ্ধের সময় আহওয়াজে ইরাকি হামলায় একটি হাত হারান। ১৯৮০—৮৮ সালে ইরান—ইরাক যুদ্ধের সময় বহুবার আহওয়াজের নাম শুনেছিলাম। সামরিক বাহিনী থেকে ইরানি গাইড অবসর গ্রহণ করেছেন। তিনি একটি কৃত্রিম হাত লাগিয়েছেন। তার কথা শুনে ভীতি দূর হয়। নামাজ শুরু হয়ে যায়। এক কি দুই রাকায়াত পড়ে দেখি অন্যদের সঙ্গে আমাদের নামাজ মিলে না। নামাজ বাদ দিয়ে ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে থাকি। দেখলামসেজদায় গিয়ে তারা একটি মাটির টুকরো কপালে ঠেকায়। এমন অদ্ভূত নামাজ জীবনে দেখিনি।  শিয়াদের নামাজ জানা না থাকায় আমার জায়গায় আমি বসে থাকি। অপেক্ষা করতে থাকি কখন সবার নামাজ শেষ হয়। একসময় অপেক্ষার পালা শেষ হয়। এ অভিজ্ঞতা আমি কখনো ভুলবো না। ভাবছিলাম, নামাজ পড়লাম নাকি রাজনৈতিক সমাবেশে  যোগ দিলাম।

(লেখাটি আমার ‘ধর্ম সমাজ ও রাজনীতি’ থেকে নেয়া। বইটি প্রকাশ করেছে রাবেয়া বুকস)

যেকোনো ধরনের ভেষজ গাছ গাছড়া ঔষধ আস্ত এবং গুঁড়া খুচরা ও পাইকারি নিতে যোগাযোগ করুন,,,,হেকিমী দাওয়াখানা ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 যেকোনো ধরনের ভেষজ গাছ গাছড়া ঔষধ আস্ত এবং গুঁড়া খুচরা ও পাইকারি নিতে যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে আমাদের কাছে যে সকল পণ্য সমূহ পেয়ে থাকবেন তার একাংশের তালিকা।

উল্লেখিত তালিকার বাহিরেও কোন প্রকার ভেষজ পণ্যের প্রয়োজন হলে আমাদের জানাতে পারেন...


১.অশ্বগন্ধা

২.কালোমেঘ

৩.মরিঙ্গা গুড়া

৪.সাদা চন্দন 

৫.সোনা পাতা

৬.আমলকি

৭.শিকাকাই 

৮.তালমাখনা

৯.কমলা খোসা 

১০. ব্রাক্ষি 

১১.  ইসবগুল

১২. মেহেদি পাতা 

১৩. সমুদ্র শঙ্খ

১৪. অর্জুন 

১৫. লাল চন্দন  

১৬.  ডালিম খোসা 

১৭. অনন্তমূল

১৮. জবা ফুল গুড়া 

১৯. আমরুল

২০. রিঠা 

২১. অ্যালোভেরা গুড়া 

২২. আদা গুড়া 

২৩. মাজুফল গুড়া

২৪. আখরোট

২৫. মসুর ডাল গুড়া 

২৬. কারিপাতা গুড়া 

২৭.  তালমূল

২৮. পুনর্নভা গুড়া 

২৯. কাজু বাদাম 

৩০. কাঠ বাদাম 

৩১.  চিনা বাদাম 

৩২. হরতকি 

৩৩. বহেরা 

৩৪. ত্রিফলা 

৩৫. নীম পাতা

৩৬. থানকুনি পাতা 

৩৭. অনন্তমূল

৩৮. পুদিনা পাতা 

৩৯. পিপলটি 

৪০. আকরকরা

৪১. ত্বীন ফল 

৪২. আম করালি

৪৩. জাম বীজ 

৪৪. বাসক পাতা 

৪৫. আম বীজ

৪৬ আলু বোখারা

৪৭. কাতিলা গাম 

৫১. চিরতা

৪৮. বেল শুট

৪৯. লবঙ্গ 

৫০. নিশিন্দা

৫১. ইন্দ্রযব

৫২. কস্তুরী হলুদ

৫৩. ঈশ্বর মূল

৫৪. মুলতানি মাটি

৫৫. শিমুল মূল 

৫৬. শতমূল 

৫৭. তেতুল বীজ 

৫৮. ভূইকুমড়া  

৫৯. কাবাব চিনি 

৬০. বীর্যমনি 

৬১. নীম পাতা গুঁড়া 

৬২. শংখমূল 

৬৩. আলকুশি

৬৪. গোক্ষুর কাটা

৬৫. তালমাখনা 

৬৬. হালিম দানা

৬৭. একাঙ্গী 

৬৮. গাব

৬৯. ডুমুর ফল 

৭০. কালোজিরা 

৭১. উলট কম্বল

৭২. কেশরাজ 

৭৩. মেথি গুড়া 

৭৪. তুলসি পাতা গুড়া 

৭৫. ইসুবগুলের ভূসি 

৭৬. দারুচিনি 

৭৭. মকরদ্বজ 

৭৮. তাল মিছরি

৭৯. সাফেদ মুসলি 

৮০. লতাকস্তুরী 

৮১. শিলাজুত

৮২. ইরানি জাফ্রান 

৮৩.  কালো জিরা তেল

৮৪. ভৃঙ্গরাজ 

৮৫. জয়তুন ফল

৮৬. জয়তুন তেল

৮৭. নিম তেল

 ৮৮. বাদাম তেল

 ৮৯. ক্যাস্টর অয়েল

 ৯০. চামেলি ফুলের তেল

 ৯১. পিতরাজ তেল

৯২. তিসি তেল 

৯৩. তিলের তেল 

৯৪. বিটরুট 

৯৫. ইন্ডিগো 

৯৬. জোয়ান বীর 

৯৭. আপাং

৯৮. মেনথল

৯৯.রোজমেরি

১০০. পুদিনা পাতা 

১০১. গুড়মার

১০২. পিংক সল্ট 

১০৩. আটমোড়

১০৪. বীজ ছাড়া আমলকী 

১০৫. কৃষ্ণ জিরা

১০৬.তেতো মুছাব্বর

১০৭. মিষ্টি মুছাব্বর

১০৮. সাদা এলাচ 

১০৯.কালো এলাচ

১১০.স্টার মসলা 

১১১. শাহী জিরা 

১১২.বন নীল

১১৩. কুমড়া বীজ 

১১৪. তরমুজ বীজ 

১১৫. সূর্যমুখী ফুলের বীজ 

১১৬. আখরোট 

১১৭. কালো কিচমিচ

১১৮.মশুর ডাউল গুঁড়া 

১১৯. মুগ ডাউল গুঁড়া 

১২০.সমরাজী

১২১. মুচরস

১২২. নাগরমুথা

১২৩. কুড়

১২৪. ঘিলাফল

১২৫. হিং

১২৬. তালীশ পত্রজ 

১২৭. ইন্দ্রজব 

১২৮. লাটাই ফল

১২৯. মরা মাংসী

১৩০. জটা মাংসী

১৩১. বংশীলোচন 

১৩২. লাল কুচ

১৩৩. কুচিলা 

১৩৪. পোস্তদানা 

১৩৫. কুলেখারা 

১৩৬. কাকলী 

১৩৭. তোপ চিনি 

১৩৮. মারিয়া বীজ 

১৩৯. আওবেল 

১৪০. হস্তি কর্ণ পলাশ 

১৪১. জয়পাল

১৪২. জায়ফল

১৪৩. চিরতা

১৪৪. তুলসী বীজ 

১৪৫. গুরবজ 

১৪৬. তাম্বুল

১৪৭.বুচকীদানা

১৪৮. স্টেভিয়া

১৪৯. রোজেলা চা 

১৫০. সমুদ্র ফেনা 

১৫১. কাল কাসুন্দি 

১৫২. মুন্ডারি ফুল 

১৫৩. নীল কন্ঠী 

১৫৪. রেউচিনি


এছাড়াও আমাদের কাছে নিজস্ব তত্ত্বাবধানে তৈরি ১০০% পিওর সকল প্রকার ভেষজের শুট এবং পাউডার পাবেন। আমাদের সকল পন্য খুচরা ও পাইকারী বিক্রয় করা হয় এবং সারাদেশে কুরিয়ার এর মাধ্যমে ডেলিভারি দেওয়া হয়। আপনার পছন্দের পন্য টি নিতে এই নাম্বারে যোগাযোগ করুন 01892705011

হোয়াটসঅ্যাপ

ঘরোয়া হোমিওপ্যাথিক ২০টি ঔষধ-

 ঘরোয়া হোমিওপ্যাথিক ২০টি ঔষধ-


১. ★ Aconitum napellus (অ্যাকোনাইট)-


১. হঠাৎ শুরু হওয়া রোগে প্রথম মনে আসে

২. শীতল শুকনো বাতাসে আক্রান্ত হলে

৩. জ্বর খুব দ্রুত ওঠে

৪. ত্বক শুষ্ক ও গরম

৫. প্রবল অস্থিরতা

৬. তীব্র মৃত্যুভয়

৭. ভয় পেলে উপসর্গ বাড়ে

৮. মাঝরাতে রোগ শুরু

৯. তীব্র মাথাব্যথা

১০. মুখ শুকনো

১১. তৃষ্ণা থাকে

১২. হার্টবিট দ্রুত

১৩. দুশ্চিন্তা প্রবল

১৪. আলো সহ্য হয় না

১৫. শব্দে বিরক্ত

১৬. ঠান্ডা লাগার পর

১৭. শক অবস্থায় উপকারী

১৮. হঠাৎ আতঙ্কে

১৯. শিশুদের তীব্র জ্বর

২০. জরুরি অবস্থার ঔষধ


২. ★ Apis mellifica (এপিস)-


১. হঠাৎ ফোলা

২. লালচে রং

৩. জ্বালাপোড়া

৪. মৌমাছির কামড়ের মতো ব্যথা

৫. ঠান্ডায় আরাম

৬. গরমে কষ্ট

৭. পানি চায় না

৮. ফোলা শক্ত

৯. চোখ ফোলা

১০. এলার্জিতে উপকারী

১১. হঠাৎ প্রদাহ

১২. ত্বক টানটান

১৩. স্পর্শে ব্যথা

১৪. ঘাম কম

১৫. জ্বরের সাথে ফোলা

১৬. প্রস্রাব কম

১৭. নারীদের সমস্যা

১৮. গলা ফোলা

১৯. দ্রুত কাজ করে

২০. জরুরি এলার্জিতে


৩. ★ Arnica montana (আর্নিকা)-


১. আঘাতের প্রথম ঔষধ

২. পড়ে গেলে

৩. মারধরের পর

৪. শরীর ব্যথা

৫. বিছানা শক্ত লাগে

৬. বলে “আমি ভালো আছি”

৭. স্পর্শ অপছন্দ

৮. নীলচে দাগ

৯. রক্তক্ষরণ

১০. অপারেশনের পর

১১. ভাঙাভাব

১২. ঘুম অস্থির

১৩. শক অবস্থা

১৪. মানসিক ট্রমা

১৫. মাথায় আঘাত

১৬. দাঁতের চিকিৎসার পর

১৭. পেশির ব্যথা

১৮. খেলাধুলার আঘাত

১৯. দুর্ঘটনার পর

২০. জরুরি প্রয়োজনে অপরিহার্য


৪. ★ Arsenicum album (আর্সেনিকাম)-


১. প্রচণ্ড দুর্বলতা

২. অস্থিরতা

৩. মৃত্যু ভয়

৪. রাতের দিকে বাড়ে

৫. ঠান্ডা লাগে

৬. গরমে আরাম

৭. অল্প অল্প পানি

৮. বারবার খেতে চায়

৯. ডায়রিয়া

১০. বমি

১১. পোড়া ব্যথা

১২. দুশ্চিন্তা

১৩. একা থাকতে ভয়

১৪. বিষক্রিয়ায় উপকারী

১৫. খাদ্য বিষক্রিয়া

১৬. মানসিক ক্লান্তি

১৭. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা পছন্দ

১৮. দ্রুত অবসাদ

১৯. শীতলতা অনুভব

২০. জরুরি দুর্বলতায়


৫. ★ Belladonna (বেলাডোনা)-


১. হঠাৎ তীব্র জ্বর

২. মুখ লাল টকটকে

৩. চোখ উজ্জ্বল

৪. মাথা খুব গরম

৫. ধকধক ব্যথা

৬. আলোতে কষ্ট

৭. শব্দ অপছন্দ

৮. গলা শুকনো

৯. গিলতে কষ্ট

১০. হঠাৎ ঘাম

১১. ঠান্ডা সহ্য হয় না

১২. ছটফট করে

১৩. বিভ্রম

১৪. শিশুদের জ্বর

১৫. রাতে বাড়ে

১৬. গরমে কষ্ট

১৭. প্রদাহে কার্যকর

১৮. চোখ লাল

১৯. স্পন্দনযুক্ত ব্যথা

২০. দ্রুত কাজ করে


৬. ★ Bryonia alba (ব্রায়োনিয়া)-


১. ধীরে শুরু রোগ

২. নড়াচড়ায় ব্যথা বাড়ে

৩. সম্পূর্ণ বিশ্রাম চায়

৪. চুপচাপ থাকতে চায়

৫. কথা অপছন্দ

৬. মুখ শুকনো

৭. তীব্র তৃষ্ণা

৮. একবারে বেশি পানি

৯. গরমে বাড়ে

১০. কোষ্ঠকাঠিন্য

১১. মাথাব্যথা নড়াচড়ায়

১২. শুষ্ক কাশি

১৩. বুকে চাপ

১৪. রাগী স্বভাব

১৫. রাতে ব্যথা

১৬. ঠান্ডায় আরাম

১৭. ফুসফুসে উপকারী

১৮. জয়েন্ট পেইন

১৯. পানি না পেলে অস্থির

২০. শুষ্ক প্রকৃতি


৭. ★ Calcarea carbonica (ক্যালকেরিয়া কার্ব)-


১. সহজে ঠান্ডা লাগে

২. মাথায় ঘাম

৩. দুর্বল হজম

৪. ধীর প্রকৃতি

৫. মোটা গড়ন

৬. সহজে ক্লান্ত

৭. সিঁড়ি ভাঙতে কষ্ট

৮. দুধ অপছন্দ

৯. কোষ্ঠকাঠিন্য

১০. ভয়প্রবণ

১১. শিশুদের দেরিতে হাঁটা

১২. হাড় দুর্বল

১৩. ঠান্ডা পানিতে কষ্ট

১৪. দুশ্চিন্তা

১৫. স্মৃতিশক্তি দুর্বল

১৬. ঘুম বেশি

১৭. সকালে অলস

১৮. ঘাম দুর্গন্ধ

১৯. দীর্ঘস্থায়ী অসুখ

২০. পুষ্টিহীনতায় উপকারী


৮. ★ Carbo vegetabilis (কার্বোভেজ)-


১. চরম দুর্বলতা

২. ঠান্ডা অনুভূতি

৩. শরীর ঠান্ডা

৪. বাতাস চাই

৫. জানালা খুলতে চায়

৬. মুখ ফ্যাকাশে

৭. নীলচে ঠোঁট

৮. শ্বাসকষ্ট

৯. গ্যাস

১০. বদহজম

১১. অজ্ঞান ভাব

১২. ডায়রিয়া

১৩. রক্ত সঞ্চালন দুর্বল

১৪. বার্ধক্যজনিত সমস্যা

১৫. অপারেশনের পর

১৬. অক্সিজেনের অভাব

১৭. দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব

১৮. খাবারের পর কষ্ট

১৯. জীবনশক্তি কম

২০. শেষ মুহূর্তের ঔষধ


৯. ★ Gelsemium (জেলসেমিয়াম)-


১. ভয় ও দুশ্চিন্তাজনিত অসুখ

২. পরীক্ষাভীতি

৩. খারাপ খবরের পর

৪. শরীর ভারী

৫. চোখ খুলে রাখতে কষ্ট

৬. কাঁপুনি

৭. দুর্বলতা প্রধান

৮. জ্বরের আগে শীত শীত

৯. তৃষ্ণা কম

১০. মাথা ঝিমঝিম

১১. কথা বলতে অনীহা

১২. একা থাকতে চায়

১৩. আতঙ্কে প্রস্রাব

১৪. ঘুম ঘুম ভাব

১৫. ডায়রিয়ার সাথে ভয়

১৬. হঠাৎ ভয় পেলে

১৭. মঞ্চভীতি

১৮. হাত-পা কাঁপে

১৯. অলসতা

২০. মানসিক চাপের জরুরি ঔষধ


১০. ★ Hepar sulphuris (হিপার সালফ)


১. অতিরিক্ত স্পর্শকাতর

২. সামান্য ঠান্ডায় কষ্ট

৩. ঠান্ডা বাতাস সহ্য হয় না

৪. রাগী স্বভাব

৫. পুঁজযুক্ত সংক্রমণ

৬. ফোঁড়া প্রবণতা

৭. গলা ব্যথা

৮. কাশি ঠান্ডায় বাড়ে

৯. গরমে আরাম

১০. কাপড়েও ব্যথা

১১. ঘাম বেশি

১২. রাতে বাড়ে

১৩. কানে পুঁজ

১৪. দাঁতের ফোঁড়া

১৫. চামড়ার সংক্রমণ

১৬. ইনফেকশনের শুরুতে

১৭. ঠান্ডা পানিতে কষ্ট

১৮. তীব্র ব্যথা

১৯. শিশু কান্নাকাটি

২০. পুঁজ হওয়ার আগেই


১১. ★ Ignatia amara (ইগ্নেশিয়া)-


১. মানসিক আঘাত

২. শোকের পর

৩. চাপা কান্না

৪. হঠাৎ হাসি-কান্না

৫. গলায় ঢোক

৬. দীর্ঘশ্বাস

৭. মুড পরিবর্তন

৮. মাথাব্যথা

৯. নিঃসঙ্গতা পছন্দ

১০. সান্ত্বনা অপছন্দ

১১. অনিদ্রা

১২. আবেগপ্রবণ

১৩. বুক ধড়ফড়

১৪. খিঁচুনি প্রবণতা

১৫. নারীদের সমস্যা

১৬. দুঃখজনিত অসুখ

১৭. খাবারে অরুচি

১৮. গ্যাস

১৯. মন খারাপ

২০. মানসিক জরুরি ঔষধ


১২. ★ Mercurius solubilis (মার্ক সল)-


১. মুখে দুর্গন্ধ

২. অতিরিক্ত লালা

৩. জিহ্বা মোটা

৪. দাঁতের ছাপ

৫. রাতে বাড়ে

৬. ঠান্ডা ও গরমে কষ্ট

৭. ঘাম বেশি

৮. গলা ব্যথা

৯. গিলতে কষ্ট

১০. মুখের ঘা

১১. মাড়ি ফোলা

১২. দাঁতের ব্যথা

১৩. নাক দিয়ে পানি

১৪. কফ ঘন

১৫. শিশুর ডায়রিয়া

১৬. সংক্রমণজনিত জ্বর

১৭. দুর্বলতা

১৮. চুলকানি

১৯. ত্বকে ফুসকুড়ি

২০. সংক্রমণের জরুরি ঔষধ


১৩. ★ Natrum muriaticum (নাট মিউর)-


১. চাপা দুঃখ

২. একা কাঁদে

৩. সান্ত্বনা অপছন্দ

৪. লবণ পছন্দ

৫. রোদে মাথাব্যথা

৬. আবেগ নিয়ন্ত্রণ

৭. সম্পর্কের কষ্ট

৮. স্মৃতিচারণে কষ্ট

৯. চুপচাপ স্বভাব

১০. দীর্ঘদিনের দুঃখ

১১. ত্বক শুষ্ক

১২. ঠোঁট ফাটা

১৩. নাক দিয়ে পানি

১৪. দুর্বলতা

১৫. ঘুমের সমস্যা

১৬. মানসিক চাপ

১৭. আত্মসম্মান

১৮. পুরোনো স্মৃতি

১৯. বিষণ্ণতা

২০. নীরব কষ্টের ঔষধ


১৪. ★ Nux vomica (নাক্স ভমিকা)-


১. অতিরিক্ত কাজের পর

২. মানসিক চাপ

৩. রাগী স্বভাব

৪. শব্দে বিরক্ত

৫. বদহজম

৬. গ্যাস

৭. কোষ্ঠকাঠিন্য

৮. ঘুম কম

৯. ঠান্ডায় কষ্ট

১০. গরমে কিছু আরাম

১১. সকালে খারাপ

১২. রাতে জাগে

১৩. কফি পছন্দ

১৪. অতিরিক্ত ওষুধে

১৫. অফিসকর্মীদের

১৬. অলসতা নেই

১৭. তাড়াহুড়া স্বভাব

১৮. হজমে সমস্যা

১৯. মাথাব্যথা

২০. মানসিক ক্লান্তিতে


১৫. ★ Phosphorus (ফসফরাস)-


১. বন্ধুসুলভ

২. একা থাকতে ভয়

৩. অন্ধকারে ভয়

৪. বজ্রপাতে ভয়

৫. ঠান্ডা পানি চায়

৬. বমির পরও খেতে চায়

৭. সহজে রক্তপাত

৮. নাক দিয়ে রক্ত

৯. কাশি

১০. বুকে জ্বালা

১১. দুর্বল ফুসফুস

১২. দ্রুত ক্লান্ত

১৩. আবেগপ্রবণ

১৪. সান্ত্বনায় আরাম

১৫. লম্বা গড়ন

১৬. স্মৃতিশক্তি দুর্বল

১৭. উদ্বেগ

১৮. ঘুমে ভয়

১৯. জ্বলন্ত ব্যথা

২০. জরুরি রক্তপাত প্রবণতায়


১৬. ★ Pulsatilla nigricans (পালসাটিলা)-


১. নরম স্বভাব

২. কাঁদুক প্রকৃতি

৩. সান্ত্বনায় ভালো

৪. একা থাকতে চায় না

৫. গরমে কষ্ট

৬. ঠান্ডা বাতাসে আরাম

৭. তৃষ্ণা কম

৮. পরিবর্তনশীল উপসর্গ

৯. হরমোনজনিত সমস্যা

১০. নারী ও শিশু উপযোগী

১১. রাতে বাড়ে

১২. দিনে কমে

১৩. হজম দুর্বল

১৪. তেল-চর্বিতে কষ্ট

১৫. মাথাব্যথা

১৬. বন্ধ নাক

১৭. ঘন স্রাব

১৮. আবেগপ্রবণ

১৯. লাজুক

২০. সান্ত্বনায় আরাম


১৭. ★ Rhus toxicodendron (রাস টক্স)-


১. ভেজা ঠান্ডায় অসুখ

২. শুরুতে নড়াচড়ায় ব্যথা

৩. চললে আরাম

৪. বিশ্রামে কষ্ট

৫. জয়েন্ট শক্ত

৬. পিঠ ব্যথা

৭. রাতে বাড়ে

৮. ঠান্ডায় খারাপ

৯. গরমে ভালো

১০. ফুসকুড়ি

১১. চুলকানি

১২. স্যাঁতসেঁতে সমস্যা

১৩. ঘুম ভাঙে ব্যথায়

১৪. পেশির টান

১৫. বাতব্যথা

১৬. ফ্লুর পর

১৭. স্টিফনেস

১৮. সকালে বেশি

১৯. হাঁটলে উন্নতি

২০. ভেজা কাপড়ে বসলে


১৮. ★ Sulphur (সালফার)-


১. গরমে কষ্ট

২. পায়ে জ্বালাপোড়া

৩. মাথায় গরম

৪. ঘুমে পা বের করে

৫. এলোমেলো স্বভাব

৬. দাঁড়িয়ে ভাবতে ভালো

৭. সকালে দুর্বল

৮. দুপুরে ভালো

৯. ত্বক শুষ্ক

১০. চুলকানি

১১. ত্বক লাল

১২. পুরোনো রোগ

১৩. পরিষ্কার অপছন্দ

১৪. অহংবোধ

১৫. চিন্তাশীল

১৬. পুরোনো অসুখ জাগায়

১৭. কোষ্ঠকাঠিন্য

১৮. গ্যাস

১৯. হিট সেনসিটিভ

২০. ক্রনিক রোগে


১৯. ★ Thuja occidentalis (থুজা)-


১. আঁচিল প্রবণতা

২. চামড়ায় বৃদ্ধি

৩. টিকা-পরবর্তী সমস্যা

৪. লুকানো দুশ্চিন্তা

৫. অপরাধবোধ

৬. গোপন কষ্ট

৭. দুর্গন্ধযুক্ত ঘাম

৮. মাথার ত্বক সমস্যা

৯. তেলতেলে চামড়া

১০. কাঁধ ব্যথা

১১. মলমূত্র সমস্যা

১২. প্রস্রাবে জ্বালা

১৩. যৌন দুর্বলতা

১৪. ভয়ংকর স্বপ্ন

১৫. মানসিক চাপ

১৬. গোপন রোগ

১৭. দীর্ঘস্থায়ী চর্মরোগ

১৮. ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

১৯. ইমিউন দুর্বলতা

২০. গভীর স্তরের ঔষধ


২০. ★ Zincum metallicum (জিংকাম মেটালিকাম)-


১. দীর্ঘদিনের অসুখ দমে রাখা (Suppressed disease)

২. স্নায়বিক দুর্বলতা প্রধান

৩. মস্তিষ্ক ক্লান্ত, চিন্তা করতে কষ্ট

৪. কথা বলতে গেলে আটকে যায়

৫. বারবার পা নড়াচড়া করার প্রবণতা (Restless feet)

৬. বসে থাকলেও পা নাড়ায়

৭. রাতে ঘুমের সময় পা কাঁপে

৮. সামান্য শব্দে চমকে ওঠে

৯. শব্দে বিরক্তি

১০. স্মৃতিশক্তি দুর্বল

১১. পড়াশোনায় মনোযোগ ধরে রাখতে পারে না

১২. মানসিক অবসাদ

১৩. শিশুদের খিঁচুনি প্রবণতা

১৪. জ্বরের সময় খিঁচুনি

১৫. মাথাব্যথা—মাথার পেছনে

১৬. মাথার ত্বকে খুশকি

১৭. ত্বক শুষ্ক

১৮. অতিরিক্ত ঘাম—বিশেষ করে পায়ে

১৯. রাতে উপসর্গ বাড়ে

২০. শারীরিক ও মানসিক অতিশ্রমের পর অসুখ বাড়ে।

👉 “স্নায়ু ক্লান্ত + পা নড়ানো + দমনকৃত রোগ” = Zincum met.


ডা. জিয়াউল হক 


#homeopathy 

#হোমিওপ্যাথি 

#homoeopathy 

#Homoeopathymedicin

#DrZiaulHaque

#MahinHomoeoMedical

নরম কোমল মন” ধরনের ৯০টি হোমিওপ্যাথি ঔষধ প্রতিটির সাথে ১টি করে প্রধান মানসিক লক্ষণ~

 🎍"নরম কোমল মন” ধরনের ৯০টি হোমিওপ্যাথি ঔষধ প্রতিটির সাথে ১টি করে প্রধান মানসিক লক্ষণ~


নরম কোমল মন – ৯০টি ঔষধ ও ৯০টি লক্ষণ

 1. Pulsatilla – সহজে কাঁদে, সান্ত্বনা দিলে ভালো লাগে।

 2. Ignatia – মানসিক আঘাত বা দুঃখে কান্না চেপে রাখে।

 3. Phosphorus – একা থাকতে পারে না, সবসময় সঙ্গ চায়।

 4. Natrum muriaticum – একা কাঁদে, সান্ত্বনা অপছন্দ করে।

 5. Sepia – আবেগহীন হয়ে যায়, পরিবার থেকেও দূরে থাকতে চায়।

 6. Silicea – লাজুক ও ভীরু, অন্যের সমালোচনায় ভেঙে পড়ে।

 7. Calcarea carbonica – সামান্য চিন্তায় ভয় ও দুশ্চিন্তা।

 8. Causticum – দুঃখী স্বভাব, অন্যের কষ্টে কাঁদে।

 9. Staphysagria – মানসিক অপমান সহ্য করতে পারে না।

 10. Lycopodium – আত্মবিশ্বাস কম, ভেতরে ভেতরে ভীতু।

 11. Arsenicum album – একা থাকতে ভয়, নিরাপত্তা চায়।

 12. Baryta carbonica – শিশুসুলভ ভীরুতা, অন্যের ওপর নির্ভরশীল।

 13. Aurum metallicum – অতিরিক্ত দুঃখে আত্মহত্যার চিন্তা আসে।

 14. Lachesis – ঈর্ষাপরায়ণ ও আবেগী।

 15. Sulphur – চিন্তাশীল, কিন্তু সামান্য সমালোচনায় কষ্ট পায়।

 16. Carcinosinum – অতিরিক্ত সংবেদনশীল ও আজ্ঞাবহ স্বভাব।

 17. Conium – নীরব, চাপা আবেগে কষ্ট পায়।

 18. Cimicifuga – মানসিক ভয় থেকে বিষণ্নতা।

 19. Calcarea phosphorica – নিরাশ স্বভাব, সমর্থন চায়।

 20. Magnesia carbonica – মানসিক আঘাতে নীরব কান্না।

 21. Magnesia muriatica – শৈশবের মানসিক কষ্টে ভোগে।

 22. Hepar sulph – রাগী হলেও ভেতরে ভীরু।

 23. Belladonna – ভয় পেলে চিৎকার করে কাঁদে।

 24. Chamomilla – খিটখিটে, সামান্য ব্যথায় সহ্য করতে পারে না।

 25. Cina – অবাধ্য ও রাগী শিশু, আদরে শান্ত হয়।

 26. Coffea cruda – আনন্দ বা দুঃখে ঘুম হারায়।

 27. Spongia – ভয়ের কারণে অস্থির হয়।

 28. Ammonium carbonicum – আত্মবিশ্বাস কম, সবসময় নির্ভরশীল।

 29. Cyclamen – অপরাধবোধে ভোগে, সহজে কাঁদে।

 30. Moschus – আবেগে কান্না ও অজ্ঞান হওয়ার প্রবণতা।

 31. Asafoetida – স্নায়বিক উত্তেজনায় কাঁদে।

 32. Argentum nitricum – অজানা ভয় ও দুশ্চিন্তা।

 33. Zincum metallicum – মানসিক চাপ সহ্য করতে পারে না।

 34. Platina – অহংকারী হলেও ভেতরে ভঙ্গুর মন।

 35. Nux moschata – মানসিক দুর্বলতা, সহজেই কাঁদে।

 36. Petroleum – মানসিক চাপ থেকে অস্থিরতা।

 37. Graphites – সহজেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ে।

 38. Natrum carbonicum – একাকিত্বে বিষণ্ন হয়।

 39. Natrum phosphoricum – লাজুক, স্নায়বিক ভীরু।

 40. Kalium carbonicum – অন্যের ওপর নির্ভরশীল, সহজেই কাঁদে।

 41. Kalium phosphoricum – অতিরিক্ত সংবেদনশীল ও ভীরু।

 42. Kalium bromatum – ভয় ও কল্পনায় অস্থিরতা।

 43. Kalium iodatum – রাগী, কিন্তু একা হলে কাঁদে।

 44. Dulcamara – আবেগপ্রবণ, আবহাওয়ায় প্রভাবিত।

 45. Gelsemium – ভয়ে অবসন্ন ও ভীরু।

 46. Aethusa cynapium – শিশুদের অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা।

 47. Stramonium – অন্ধকারে ভয়, একা থাকতে পারে না।

 48. Hyoscyamus – ভয়ের কারণে চঞ্চল।

 49. Opium – মানসিক আঘাতের পর উদাসীনতা।

 50. Digitalis – দুঃখে ভেঙে পড়ে, আশা হারায়।

 51. Helleborus – মানসিক ধীরগতি, আবেগে দুর্বল।

 52. Mezereum – মানসিক চাপ সহ্য করতে পারে না।

 53. Rhus tox – অস্থির, একা থাকতে ভয়।

 54. Clematis – স্বপ্নালু ও আবেগপ্রবণ।

 55. Verbascum – ভীরু ও চাপা স্বভাব।

 56. Colocynthis – রাগে কাঁদে, অন্যের ওপর নির্ভরশীল।

 57. Sabina – মানসিক শোক থেকে অসুস্থতা।

 58. Senecio aureus – আবেগী, অল্পতেই ভেঙে পড়ে।

 59. Bovista – সহজে লজ্জা পায় ও কাঁদে।

 60. Carbo vegetabilis – স্নায়বিক দুর্বলতায় আবেগী।

 61. Carbo animalis – একাকিত্বে কষ্ট পায়।

 62. Crocus sativus – হাসি-কান্না একসাথে হয়।

 63. Coccus cacti – মানসিক দুর্বলতা ও ভীরুতা।

 64. Muriatic acid – মানসিক অবসাদ ও নিরাশা।

 65. Nitric acid – সংবেদনশীল, সহজেই কষ্ট পায়।

 66. Sulphuric acid – অস্থির, সহজেই রেগে যায়।

 67. Fluoric acid – মানসিক দায়িত্বহীনতা।

 68. Phosphoric acid – দুঃখে অবসন্ন ও দুর্বল।

 69. Psorinum – হতাশা ও নিরাশ স্বভাব।

 70. Syphilinum – অন্ধকার ভবিষ্যতের ভয়ে কষ্ট।

 71. Medorrhinum – দ্রুত পরিবর্তনশীল মেজাজ।

 72. Tuberculinum – অস্থির, সহজে সন্তুষ্ট নয়।

 73. Thuja – নিজেকে ভগ্নমনা ভাবে।

 74. Kali sulphuricum – সামাজিকভাবে নির্ভরশীল।

 75. Ferrum phosphoricum – লাজুক ও ভীরু।

 76. Ferrum metallicum – মানসিক আঘাতে দুর্বল।

 77. Ferrum muriaticum – দুঃখে সহজেই ভেঙে পড়ে।

 78. Manganum – মানসিক সংবেদনশীলতা বেশি।

 79. Magnesia sulphurica – নির্ভরশীল ও আবেগী।

 80. Cactus grandiflorus – মানসিক আঘাতে হৃদয় দুর্বল।

 81. Croton tiglium – অস্থির, সহজেই ভীতু হয়।

 82. Euphrasia – সহজেই কাঁদে, বিশেষ করে সহানুভূতিতে।

 83. Hura brasiliensis – মানসিক নিরাশা ও দুঃখ।

 84. Ipecacuanha – রাগী কিন্তু কোমল মন।

 85. Lobelia inflata – দুশ্চিন্তায় শ্বাসকষ্ট হয়।

 86. Sabadilla – ভয়ে সহজেই কাঁপে।

 87. Sarsaparilla – নির্ভরশীল, দুঃখী মন।

 88. Scrophularia nodosa – চাপা স্বভাব, কান্না প্রবণ।

 89. Tarentula hispanica – অস্থির, আবেগে চঞ্চল।

 90. Moschus – মানসিক চাপ থেকে অজ্ঞান হওয়ার প্রবণতা।


👉 প্রতিটি ঔষধের সাথে ১টি করে “নরম কোমল মন”মানসিক লক্ষণ যুক্ত আছে । 


🤷‍♂️🌷সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পেতে হলে জানতে হবে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ সেবন করা উচিৎ নয়।🩺Dr.Md.Forhad Hossain  D.H.M.S(B.H.😎,DHAKA Pdt(Hom) Consultant:Homoeopathic  Medicine  Helpline:01955507911

মৃত্যু আসবে, কিন্তু অসুস্থতা কেন?” — ওষুধ ছাড়াই ১০০ 

 🛑 “মৃত্যু আসবে, কিন্তু অসুস্থতা কেন?” — ওষুধ ছাড়াই ১০০ বছর বাঁচার গোপন সংবিধান! 📜🔥


আপনার কি মনে হয় ফার্মেসির ওই রঙিন ক্যাপসুলগুলোই আপনার প্রাণভোমরা? 💊 আপনি কি বিশ্বাস করেন বয়স ৪০ পেরোলেই সুগার, প্রেশার, বাতের ব্যথা আপনার বিধিলিপি? 🏥 নাকি আপনি সেই দলের মানুষ, যারা মনে করেন—"ওষুধ ছাড়া আমি অচল"?


🌿 অধ্যায় ১:  আধুনিক চিকিৎসার মায়াজাল ও আপনার শরীর (The Illusion of Medicine)

আমরা এমন এক সমাজে বাস করি যেখানে সুস্থতার সংজ্ঞাটাই বদলে দেওয়া হয়েছে। আজ সুস্থ থাকার অর্থ—'রিপোর্ট ঠিক রাখা'। কিন্তু আপনি কি জানেন, রিপোর্ট ঠিক থাকার মানেই সুস্থতা নয়?


আমাদের শরীর কোনো যন্ত্র নয় যে কোনো একটি পার্টস খারাপ হলে তা বদলে ফেলব বা তেল দিয়ে ঠিক করব। শরীর হলো এক মহাজাগতিক বুদ্ধিমত্তা (Cosmic Intelligence)। আপনি যখন সামান্য মাথাব্যথার জন্য একটি প্যারাসিটামল খান, আপনি আসলে আপনার শরীরের 'সতর্কবার্তা' বা অ্যালার্ম সিস্টেমটি বন্ধ করে দিচ্ছেন। মাথাব্যথা ছিল শরীরের ভাষা—সে বলছিল আপনার বিশ্রাম দরকার, বা জল দরকার। আপনি ওষুধ দিয়ে তার মুখ বন্ধ করে দিলেন।


ভয়ঙ্কর সত্য: দীর্ঘমেয়াদী ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা 'Side Effects' নতুন রোগের জন্ম দেয়। প্রেশারের ওষুধ কিডনি নষ্ট করে, ব্যথার ওষুধ লিভার পচিয়ে দেয়। একে বলা হয় 'Iatrogenics'—অর্থাৎ চিকিৎসার কারণে সৃষ্ট রোগ।


উপদেশ: ছোটখাটো অসুখে ওষুধের বাক্সে হাত দেবেন না। জ্বর হলে শরীরকে পুড়তে দিন, সেই উত্তাপেই ভাইরাস মরবে। পেট খারাপ হলে উপবাস করুন, শরীর আবর্জনা বের করে দেবে। শরীরের ওপর বিশ্বাস রাখুন, সে আপনাকে ঠকাবে না।


🔥 অধ্যায় ২:  অটোফেজি – শরীরের ভেতরের ডাস্টবিন পরিষ্কার (The Magic of Fasting)


আমাদের দাদু-দিদারা বলতেন, "লংঘনম্ পরম্ ঔষধম্"। অর্থাৎ উপবাসই শ্রেষ্ঠ ওষুধ। তখন আমরা হাসতাম। আজ ২০১৬ সালে জাপানি বিজ্ঞানী ইওশিনোরি ওসুমি (Yoshinori Ohsumi) নোবেল পুরস্কার পেলেন 'অটোফেজি' (Autophagy) আবিষ্কারের জন্য।


অটোফেজি কী? যখন আপনি ১৬ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় না খেয়ে থাকেন, আপনার শরীর বাইরে থেকে খাবার পায় না। তখন বাঁচার তাগিদে শরীর তার ভেতরের মৃত কোষ, টক্সিন, এবং ক্যান্সারের প্রাথমিক সেলগুলোকে খেয়ে ফেলে শক্তি উৎপাদন করে। সোজা কথায়, শরীর নিজের ভেতরের ডাস্টবিন নিজেই পরিষ্কার করে।

কীভাবে করবেন? ৩৫ বছরের পর তিন বেলা পেট ভরে খাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।


• Intermittent Fasting: রাত ৮টায় খেয়ে নিন, পরদিন দুপুর ১২টার আগে ভারী কিছু খাবেন না। এই ১৬ ঘণ্টার গ্যাপে আপনার শরীর নিজেকে সারিয়ে নতুন করে তুলবে।

• সপ্তাহে অন্তত একদিন শুধু জল বা ফল খেয়ে থাকুন। দেখবেন, আপনার বয়স ১০ বছর কমে গেছে।


🧠 অধ্যায় ৩:  মন-ই আসল হিলিং সেন্টার (Psychoneuroimmunology)

আমাদের অসুখের শিকড় শরীরে নয়, মনে। বিজ্ঞান বলছে, ৯০% অসুখ 'সাইকোসোমাটিক' (Psychosomatic)। 'সাইকো' মানে মন, 'সোমা' মানে শরীর।


আপনার কি মনে আছে শেষ কবে আপনি প্রাণখুলে হেসেছিলেন? বা শেষ কবে কোনো কারণ ছাড়াই কেঁদেছিলেন? আমরা আমাদের আবেগগুলোকে দমিয়ে রাখি।


• যে রাগ আপনি প্রকাশ করেননি, তা উচ্চ রক্তচাপ হয়ে বের হয়।

• যে কান্না আপনি চেপে রেখেছেন, তা হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট হয়ে দেখা দেয়।

• যে ভয় আপনাকে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে, তা কিডনির অসুখ ডেকে আনে।

• আর কাউকে ক্ষমা না করার জেদ ক্যান্সার তৈরি করে।

মনোবল শক্ত রাখার উপায়: নিজেকে এক্সপ্রেস করুন। চিৎকার করে গান গাইলে গান, নাচতে ইচ্ছে হলে নাচুন। কে কী ভাবল—তা নিয়ে ভাবার সময় এখন আর নেই। মনের আবর্জনা বের করে দিলেই শরীর হালকা হবে। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে বলুন, "আমি আমাকে ভালোবাসি, আমি আমাকে গ্রহণ করেছি।" এই ছোট বাক্যটি পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী মন্ত্র।


💧 অধ্যায় ৪:  জলই জীবন, নাকি জলই বিষ? (The Water Memory)


আমরা জানি জলের অপর নাম জীবন। কিন্তু আপনি কি জানেন, ভুল পদ্ধতিতে জল পান করলে তা বিষের মতো কাজ করে? বেশিরভাগ মানুষ দাঁড়িয়ে জল পান করেন। এতে কিডনির ফিল্টার নষ্ট হয় এবং আর্থ্রাইটিসের সমস্যা বাড়ে। আবার অনেকে খাবারের মাঝখানে ঢকঢক করে জল খান। এটি পেটের জঠরাগ্নি (Digestive Fire) নিভিয়ে দেয়, ফলে খাবার হজম না হয়ে পচে যায় এবং গ্যাস্ট্রিকের সৃষ্টি হয়।


সঠিক নিয়ম:

• জল সবসময় বসে, চুমুক দিয়ে (Sip by sip) পান করুন, যেন মুখের লালা (Saliva) জলের সাথে মিশে পেটে যায়। এই লালা ক্ষারীয় (Alkaline), যা পেটের অ্যাসিড প্রশমিত করে।

• খাওয়ার ৩০ মিনিট আগে এবং খাওয়ার ১ ঘণ্টা পর জল পান করুন।

• প্লাস্টিকের বোতল বর্জন করুন। মাটির কলসি বা তামার পাত্রের জল পান করুন। এতে জলের 'Life Energy' বা প্রাণশক্তি বজায় থাকে।


🥗 অধ্যায় ৫:  খাবার যখন ওষুধ (Let Food Be Thy Medicine)


হিপোক্রেটিস বলেছিলেন, "তোমার খাবারই হোক তোমার ওষুধ।" কিন্তু আমরা খাবারকে বানিয়েছি বিনোদন। জিহ্বার স্বাদের জন্য আমরা যা খাই, তা আমাদের অন্ত্রের (Gut) জন্য অত্যাচার।

আমাদের শরীর 'মৃত' খাবার চেনে না। প্যাকেটজাত খাবার, ফ্রিজে রাখা বাসি খাবার, রিফাইন করা তেল ও চিনি—এগুলো সবই 'মৃত খাবার' (Dead Food)। এগুলো শরীরে গিয়ে কোনো শক্তি দেয় না, শুধু বোঝা বাড়ায়।

কী খাবেন?

• জীবন্ত খাবার (Living Food): প্রতিদিনের খাবারে অন্তত ৫০% কাঁচা শাকসবজি, ফল এবং সালাদ রাখুন। রান্না করা খাবারে এনজাইম নষ্ট হয়ে যায়, কিন্তু কাঁচা খাবারে 'প্রাণ' থাকে।

• সাদা বিষ বর্জন: সাদা চিনি, সাদা লবণ এবং ময়দা—এই তিনটি জিনিস রান্নাঘর থেকে বিদায় করুন। এগুলো সরাসরি হাড় ক্ষয় করে এবং ডায়াবেটিস ডেকে আনে।

• চিবিয়ে খাওয়া: খাবার এমনভাবে চিবাবেন যেন তা মুখে জল হয়ে যায়। মনে রাখবেন, "পাকস্থলীতে কোনো দাঁত নেই।"


🛌 অধ্যায় ৬:  ঘুম যখন মেরামতের সময় (The Circadian Rhythm)


আপনি হয়তো দিনে ৮ ঘণ্টা ঘুমান, তবুও সকালে ক্লান্ত লাগে। কেন জানেন? কারণ আপনি প্রকৃতির ঘড়ির সাথে মিল রেখে ঘুমাচ্ছেন না। আমাদের শরীরে একটি বায়োলজিক্যাল ক্লক আছে। রাত ১০টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত সময়টা হলো আমাদের শরীরের 'মেরামত' করার সময়। এই সময়ে আমাদের লিভার ডিটক্স করে, হরমোন ব্যালেন্স হয়।

কিন্তু আপনি যদি রাত ১টায় ঘুমান, তবে শরীর তার মেরামতের সময় পায় না। দিনের পর দিন এমন চলতে থাকলে শরীর ভাঙতে শুরু করে।

টিপস:

• রাত ১০টার মধ্যে বিছানায় যান।

• শোয়ার ১ ঘণ্টা আগে মোবাইল, ল্যাপটপ থেকে দূরে থাকুন। নীল আলো (Blue Light) আমাদের মস্তিষ্কের মেলাটোনিন হরমোন নষ্ট করে দেয়, যা ঘুমের জন্য দায়ী।

• শোয়ার ঘর সম্পূর্ণ অন্ধকার রাখুন। সামান্য আলোও আপনার গভীর ঘুমে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।


👣 অধ্যায় ৭:  হাঁটা মানে জিম নয়, প্রকৃতির সাথে সংযোগ (Earthing & Movement)


৪০-এর পর জিমে গিয়ে ভারী লোহা তোলার দরকার নেই। দরকার 'ফাংশনাল মুভমেন্ট'। আমাদের শরীর তৈরি হয়েছে নড়াচড়া করার জন্য, চেয়ারে বসে থাকার জন্য নয়। কিন্তু এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো 'Earthing' বা মাটির সাথে সংযোগ।

আমরা এখন জুতো ছাড়া মাটিতে পা ফেলি না। ফলে পৃথিবী থেকে যে নেগেটিভ ইলেকট্রন আমাদের শরীরে প্রবেশ করে প্রদাহ (Inflammation) কমানোর কথা, তা আর হতে পারে না।

করনীয়:

• প্রতিদিন অন্তত ১০ মিনিট খালি পায়ে ঘাসের ওপর বা মাটিতে হাঁটুন। এটি আপনার নার্ভ সিস্টেম শান্ত করবে, প্রেশার কমাবে এবং ঘুমের উন্নতি ঘটাবে।

• সূর্যের আলো গায়ে মাখুন। ভিটামিন ডি কোনো ট্যাবলেট থেকে পাওয়া যায় না, তা পাওয়া যায় সূর্যের আলো আর চামড়ার কোলেস্টেরলের বিক্রিয়ায়। প্রতিদিন সকালে ১৫ মিনিট রোদ পোহান।


❤️ অধ্যায় ৮:  সম্পর্ক ও ক্ষমা – হৃদরোগের আসল প্রতিষেধক (Forgiveness Detox)


শুনতে অবাক লাগবে, কিন্তু অনেক মানুষ হার্ট অ্যাটাকে মারা যায় শুধু মনের ভেতর বছরের পর বছর পুষে রাখা ক্ষোভের কারণে। কাউকে ক্ষমা না করা মানে হলো—নিজে বিষ পান করে আশা করা যে অন্য কেউ মারা যাবে।


আপনার বয়স যদি ৫০-এর বেশি হয়, তবে আজই একটা কাজ করুন। চোখ বন্ধ করুন এবং সেই মানুষগুলোকে ক্ষমা করে দিন যারা আপনাকে ঠকিয়েছে, কষ্ট দিয়েছে। তাদের জন্য নয়, আপনার নিজের জন্য। বিশ্বাস করুন, ক্ষমা করে দেওয়ার পর আপনার বুকের ওপর থেকে যে পাথরটা নেমে যাবে, তা ১০টা হার্টের ওষুধের চেয়েও বেশি কার্যকরী।

একাকীত্ব ধূমপানের চেয়েও ক্ষতিকর। তাই মানুষের সাথে মিশুন। পুরানো বন্ধুদের খুঁজে বের করুন। নতুন সম্পর্ক গড়ুন। নাতি-নাতনিদের সাথে সময় কাটান। ভালোবাসার হরমোন 'অক্সিটোসিন' আপনার ইমিউনিটি বাড়াবে।


🌬️ অধ্যায় ৯:  শ্বাস – প্রাণের অদৃশ্য সুতো (The Power of Breath)


আমরা শ্বাস নিই, কিন্তু আমরা জানি না কীভাবে শ্বাস নিতে হয়। আমরা বুক ভরে ছোট ছোট শ্বাস নিই, যা আমাদের শরীরকে সবসময় 'ফাইট অর ফ্লাইট' (Stress Mode) মোডে রাখে। দীর্ঘ ও গভীর শ্বাস (Deep Breathing) আমাদের প্যারাসিম্প্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেমকে সক্রিয় করে, যা শরীরকে শান্ত করে।


প্রাণায়াম: প্রতিদিন সকালে ১০ মিনিট 'অনুলোম-বিলোম' বা 'গভীর শ্বাস' অনুশীলন করুন। কল্পনা করুন, প্রতিটি শ্বাসের সাথে মহাবিশ্বের পজিটিভ শক্তি আপনার শরীরে ঢুকছে, আর প্রতিটি নিঃশ্বাসের সাথে শরীরের সব রোগ, হতাশা কালো ধোঁয়া হয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। অক্সিজেনই হলো সেই জ্বালানি যা ক্যান্সার সেলকে ধ্বংস করতে পারে (ক্যান্সার সেল অক্সিজেন সমৃদ্ধ পরিবেশে বাঁচতে পারে না)।


🌟 অধ্যায় ১০:  মৃত্যুর ভয় ও আধ্যাত্মিক জাগরণ (Spiritual Acceptance)


সবশেষে, সুস্থ থাকার সবচেয়ে বড় বাধা হলো—মৃত্যুভয়। আমরা মরতে ভয় পাই বলেই বাঁচতে ভুলে যাই। যে মানুষ জানে যে মৃত্যু কোনো শেষ নয়, বরং এক নতুন যাত্রার শুরু, বা এক পোশাক বদলে অন্য পোশাক পরা—সে কখনো অসুস্থ হয় না। তার মনের জোর অসীম।

বার্ধক্য কোনো অভিশাপ নয়, এটি জীবনের একটি রাজকীয় অধ্যায়। চুলে পাক ধরা মানে আপনি অভিজ্ঞ, চামড়ায় ভাঁজ মানে আপনি জীবনের অনেক ঝড় সামলেছেন। নিজেকে বুড়ো ভাবা বন্ধ করুন।


জীবনের উদ্দেশ্য (Ikigai):  জাপানিরা একে বলে 'ইকিগাই'। অর্থাৎ, সকালে ঘুম থেকে ওঠার একটি কারণ। রিটায়ারমেন্ট মানে জীবনের শেষ নয়। নতুন কিছু শিখুন। বাগান করুন, বই লিখুন, সমাজসেবা করুন। যেদিন আপনার জীবনের উদ্দেশ্য শেষ হয়ে যাবে, সেদিন শরীরও হাল ছেড়ে দেবে। তাই শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত স্বপ্ন দেখুন।


🚀 উপসংহার:  চাবি আপনার হাতেই


প্রিয় পাঠক, এতক্ষণ যা পড়লেন, তা কোনো জাদুর মন্ত্র নয়, এটিই শাশ্বত জীবনধারা। ডাক্তার আপনাকে বাঁচাবে না, হাসপাতাল আপনাকে সুস্থ করবে না। সুস্থ থাকার চাবিকাঠি আপনার রান্নাঘরে, আপনার চিন্তায়, আপনার জীবনযাত্রায়।


সৃষ্টিকর্তা আপনাকে পাঠিয়েছেন একটি নিখুঁত মেশিন হিসেবে। এর যত্ন নিন। প্রকৃতির সাথে মিশুন। হাসুন, ভালোবাসুন, ক্ষমা করুন। আপনার মনের শক্তি যখন জেগে উঠবে, তখন কোনো রোগ আপনার শরীরে বাসা বাঁধতে সাহস পাবে না।


আপনি কি প্রস্তুত আপনার জীবনটাকে বদলে ফেলার জন্য? নাকি সেই ওষুধের বাক্সের কাছেই আত্মসমর্পণ করবেন? সিদ্ধান্ত আজই নিন।


 


#HolisticHealingRevolution #PsychoneuroimmunologyFacts #AutophagyBenefits #AgelessLivingSecrets #MindBodyMedicine #NaturalLongevityCodes #Healthylifestyle #MotivationDaily #WellnessJourney #MentalHealthMatters #InspirationalQuotes #LifeHacks #HealthyAgingTips #SeniorCitizenWellness #DrugFreeIndia #SpiritualityAndScience #BengaliWriterCommunity #LifeLessonsFromElders #NaturopathyInBengali #GutHealthAwareness #BengaliHealthGuide #AyurvedaLifestyle #EmotionalHealingJourney #সুস্থতা_ও_জীবন #বাঙালি_জীবনদর্শন #অনুপ্রেরণার_গল্প

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২৭-০১-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৭-০১-২০২৬ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম: জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচারাভিযান --- দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ছুটছেন নেতারা --- ভোট চাইছেন দলীয় প্রার্থী ও নিজ মার্কার পক্ষে।


নির্বাচিত হলে দুর্নীতি ও মাদক মুক্ত দেশ গড়তে চায় বিএনপি --- ময়মনসিংহে নির্বাচনী জনসভায় বললেন তারেক রহমান।


ক্ষমতায় গেলে দেশে ন্যায় ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করার প্রতিশ্রুতি জামায়াতে ইসলামী আমিরের।


জুলাই সনদ সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করবে যেখানে প্রত্যেক নাগরিকের ধর্মীয় অধিকার নিশ্চিত হবে --- বললেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক ডক্টর আলী রিয়াজ।


তিন পার্বত্য জেলার ১২টি বিদ্যালয়ে ই-লার্নিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন প্রধান উপদেষ্টা।


ইরানের পাশে যুক্তরাষ্ট্রের রণতরী মোতায়েন করায় উত্তেজনা বৃদ্ধি --- মার্কিন হামলার গুরুতর পরিণতি সম্পর্কে সতর্ক করল ইরান।


এবং কলম্বোয় তৃতীয় ও শেষ একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচে ইংল্যান্ডের বেঁধে দেওয়া ৩৫৮ রানের জয়ের লক্ষ্যে এখন ব্যাট করছে শ্রীলঙ্কা।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ২৭-০১-২০২৪

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ২৭-০১-২০২৪

আজকের সংবাদ শিরোনাম:


অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিলেন প্রধান উপদেষ্টা।


ঋণখেলাপি বা দ্বৈত নাগরিকত্বের প্রমাণ পেলে ভোটের পরও ব্যবস্থা --- বললেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।


প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগে সহায়তাকারী প্রবাসী বাংলাদেশিদের নগদ প্রণোদনা দেবে সরকার --- মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে প্রতিরক্ষা শিল্প পার্ক স্থাপনের সিদ্ধান্ত।


জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকারীদের মামলা প্রত্যাহার ও দায়মুক্তির বিধান রেখে অধ্যাদেশ জারি।


চব্বিশের জুলাই-আগস্টে ছাত্র জনতার গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে রাজধানীর চানখাঁরপুলে ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড।


যুক্তরাষ্ট্রে শীতকালীন ঝড়ে অন্তত ২০ জনের প্রাণহানি 

এবং কলম্বোয়ে তৃতীয় ও শেষ একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচে আজ ইংল্যান্ডের মোকাবেলা করবে স্বাগতিক শ্রীলঙ্কা।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২৬-০১-২০২৬খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৬-০১-২০২৬খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন নিশ্চিত করতে সশস্ত্র বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিলেন প্রধান উপদেষ্টা।


ঋণখেলাপি বা দ্বৈত নাগরিকত্বের প্রমাণ পেলে ভোটের পরও ব্যবস্থা --- বললেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ।


জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকারীদের মামলা প্রত্যাহার ও দায়মুক্তির বিধান রেখে অধ্যাদেশ জারি।


চব্বিশের জুলাই-আগস্টে ছাত্র জনতার গণ-অভ্যুত্থান চলাকালে রাজধানীর চানখাঁরপুলে ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ তিন পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যুদণ্ড ।


ফিলিপাইনে একটি ফেরি ডুবে নিহত কমপক্ষে ১৮ নিখোঁজ ২৪  ।


জিম্বাবুয়ের বুলাওয়েতে পুরুষ অনূর্ধ্ব- ১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশকে ৭ উইকেটে পরাজিত করেছে ইংল্যান্ড।

সকাল ৭টার সংবাদ । তারিখ: ২৬-০১-২০২৬খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ ।

তারিখ: ২৬-০১-২০২৬খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


একনেকে ৪৫ হাজার একশো ৯১ কোটি টাকা ব্যয় সম্বলিত ২৫টি প্রকল্পের অনুমোদন।

 

নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে কমিশনের প্রতি বিদেশি কূটনীতিকদের শতভাগ আস্থা প্রকাশ

--- জানালেন সিইসি। 

 

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে মানুষের উন্নয়ন ও নিরাপত্তায় কাজ করবে --- কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে নির্বাচনী জনসভায় বললেন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান।  

 

দেশের মানুষ আর কোনো ফ্যাসিবাদী শাসন দেখতে চায় না --- বললেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাক্তার শফিকুর রহমান।

 

মানবতা বিরোধী অপরাধে দন্ডিত ও পলাতক শেখ হাসিনার নয়াদিল্লিতে দেওয়া বক্তব্য দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণ এবং শান্তি ও নিরাপত্তাকে বিপন্ন করছে --- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি।

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে চানখাঁরপুলে শহীদ আনাসসহ ৬ জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতা বিরোধী অপরাধের মামলার রায় আজ।

 

যুক্তরাষ্ট্রে শীতকালীন ঝড়ে বিপর্যস্ত জনজীবন --- ১০ লাখের বেশি বাড়িঘর বিদ্যুৎবিহীন ও ১০ হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল।

 

এবং ব্যাংককে মালদ্বীপকে ১৪ - ২ গোলে হারিয়ে প্রথম সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ --- সাফজয়ী দলকে অভিনন্দন প্রধান উপদেষ্টার।

থুজা হোমিও ঔষধটিকে কে কীভাবে চিনেন জানিনা,আমি বলব এভাবে চিনে রাখুন~

 🎍থুজা হোমিও ঔষধটিকে কে কীভাবে চিনেন জানিনা,আমি বলব এভাবে চিনে রাখুন~

🌿 Thuja occidentalis

📚 Complete Materia Medica Symptom Profile

(Educational | Non-Prescriptive)

Thuja মূলত একটি Sycotic remedy, যেখানে দেহ ও মনে

👉 অতিরিক্ত বৃদ্ধি (overgrowth)

👉 গোপনীয়তা, লজ্জা ও অপরাধবোধ

👉 warts ও vaccination-related সমস্যা

প্রাধান্য পায়।

🧠 Mind & Emotional Sphere

নিজের শরীর ভঙ্গুর, ভেঙে যাবে—এমন অনুভূতি

মনে হয় কেউ তাকে নিয়ন্ত্রণ করছে

রোগ ও কষ্ট গোপন রাখতে চায়

ধর্মীয় বিষয় নিয়ে অযৌক্তিক ভয়

একাকীত্বে স্বস্তি

সামান্য বিষয় নিয়ে গভীর চিন্তা

আত্মবিশ্বাসের অভাব

মনোযোগ ধরে রাখতে কষ্ট

চিন্তা ও প্রতিক্রিয়া ধীর

কম কথা বলতে পছন্দ

ভবিষ্যৎ নিয়ে অস্বস্তি

আলো ও শব্দে অতিসংবেদনশীল

বাইরে স্বাভাবিক, ভেতরে দুর্বলতা

তুচ্ছ কারণে রাগ

যৌন বিষয়ে চরম লজ্জাবোধ

নিজের শরীর “অপরিষ্কার” মনে হয়

আবেগে অতিসংবেদনশীল

বিষণ্ন ভাব ও কান্নার প্রবণতা

সিদ্ধান্ত নিতে দ্বিধা

নিজেকে অসহায় মনে করা

🧍 General Constitution

ডান দিকের সমস্যা প্রধান

ঠান্ডা প্রকৃতি, উষ্ণতায় অস্বস্তি

স্যাঁতসেঁতে ঠান্ডায় উপসর্গ বাড়ে

সকাল খারাপ, বিকেলে কিছুটা ভালো

দীর্ঘস্থায়ী দুর্বলতা

ক্রনিক রোগপ্রবণ গঠন

ওজন বাড়ার ঝোঁক

অতিরিক্ত ঘাম (বিশেষত যৌনাঙ্গে)

ত্বক তেলতেলে

শরীরে অতিরিক্ত বৃদ্ধি হওয়ার প্রবণতা

ভ্যাকসিনের পর সমস্যা শুরু/বাড়ে

শরীরে ঝিনঝিন ভাব

নরম খাবার হজমে কষ্ট

অ্যালার্জিক প্রবণতা

চুল ও নখ দুর্বল

🌿 Skin & Appendages

সব ধরনের warts — নরম, শক্ত, pedunculated, cauliflower-like

Genital warts / Condylomata

ত্বকে তেলতেলে ভাব

একজিমা (বিশেষত হাঁটুর পিছনে)

বাদামী pigmentation

ত্বক ফাটা ও শুষ্ক

অস্বাভাবিক excrescences

নখ ভঙ্গুর

ঘামের কারণে চুলকানি

Seborrheic scaling

🧠 Head & Face

মাথা ভারী অনুভূত

ডান পাশের মাথাব্যথা

টেম্পোরাল অঞ্চলে ব্যথা

সামনের দিক থেকে চুল পড়া

মাথায় ঠান্ডা বাতাস লাগার অনুভূতি

মুখে বাদামী তিল

দাড়ির জায়গায় খুসকির মতো দাগ

👀 Eyes

চোখের পাতায় wart

চোখে চাপ

পানি পড়া

আলো সহ্য না হওয়া

চোখ শুষ্ক ভাব

👂 Ears

কানে শব্দ

কানে চুলকানি

কানে ভেতরে চাপ

ডান কান বেশি আক্রান্ত

👃 Nose

নাকের পলিপ

নাক বন্ধ ভাব

পাতলা স্রাব

ঠান্ডায় সহজে নাক দিয়ে পানি

নাকের ডগা লাল

😷 Mouth & Throat

মুখের ভেতরে ছোট গাছা/ওয়ার্ট

জিহ্বা কাঁপে

মাড়ি নরম

মুখে দুর্গন্ধ

স্বাদ তিতা বা নষ্ট

মুখ শুকনো

🫁 Respiratory

শুকনো কাশি

স্যাঁতসেঁতে পরিবেশে শ্বাসকষ্ট

বুকে চাপ

গভীর শ্বাস নিতে কষ্ট

🍽 Gastro-Intestinal

অতিরিক্ত গ্যাস ও ঢেকুর

পেট ফোলা

কোষ্ঠকাঠিন্য — মল কেটে কেটে

পায়ুপথে wart/polyp

মলদ্বারে চুলকানি

হজম ধীর

চর্বিযুক্ত খাবারে অস্বস্তি

⚡ Genito-Urinary System

যৌনাঙ্গে wart — প্রধান লক্ষণ

প্রস্রাবের শুরুতে জ্বালা

প্রস্রাব মাঝপথে থেমে যায়

ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব

পুরুষদের অণ্ডকোষে ব্যথা

নারীদের সবুজাভ পাতলা leucorrhoea

সহবাসের পর দুর্বলতা

যৌনাঙ্গে অতিরিক্ত ঘাম

🦵 Extremities

হাঁটু ব্যথা

জোড়ে খটখট শব্দ

ডান দিক বেশি আক্রান্ত

হাত-পা ঠান্ডা

পায়ে দুর্গন্ধযুক্ত ঘাম

আঙুলে wart

😴 Sleep & Dreams

ঘন ঘন ঘুম ভাঙে

ঘুমে অস্থিরতা

পড়ে যাওয়ার স্বপ্ন

সকালে ঘুম ভেঙে ক্লান্তি

🔍 Grand Keynotes of Thuja

Great Wart Remedy

Sycotic miasmatic picture

Overgrowth tendency

Vaccination after-effects

Oily skin constitution

Right-sided affinity

Trouble after suppressed discharges

Bloating with flatulence

Genital warts with shame & secrecy

⚠️ Disclaimer

এই তথ্যসমূহ শুধুমাত্র ম্যাটেরিয়া মেডিকা অধ্যয়ন ও শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে।

নিজে থেকে চিকিৎসা প্রয়োগ নয়—

👉 যোগ্য হোমিওপ্যাথের পরামর্শ অপরিহার্য।

🌿 True homoeopathy begins with correct symptom understanding 🌿

🚫 Respect Original Creation

কপি করলে কপিরাইটের ঝুকি থাকে। 

 নিরাপদ থাকতে শেয়ার করে রেখে দিন। 


🩺Dr.Md.Forhad Hossain 

D.H.M.S(B.H.B),DHAKA

Pdt(Hom)

Consultant:Homoeopathic  Medicine 

Helpline:01955507911

সোমবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২৬

অ্যান্টি-ক্যান্সার প্রপার্টি সমৃদ্ধ সরিষা বীজ কেন আপনার প্রতিদিনের খাবারে রাখা জরুরি জানুন,,,, স্বাস্থ পরামর্শ ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 অ্যান্টি-ক্যান্সার প্রপার্টি সমৃদ্ধ সরিষা বীজ কেন আপনার প্রতিদিনের খাবারে রাখা জরুরি জানুন


ক্যান্সার কোষের আক্রমণ আর নীরব প্রদাহ আপনার শরীরে যেকোনো সময় বড় ধরনের স্বাস্থ্য বিপর্যয় ঘটিয়ে দেওয়ার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে। আপনার কোষগুলো যদি পর্যাপ্ত অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট না পায় তবে অকাল বার্ধক্য ও পঙ্গুত্ব আপনার জীবনের চলার পথকে রুদ্ধ করতে পারে। এই অবহেলা আপনার হৃদপিণ্ড ও ধমনীকে নিঃশব্দে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়ার একটি বড় সংকেত।


বিস্ময়কর তথ্য হলো যে সরিষার বীজে থাকা বিশেষ উপাদানগুলো আপনার শরীরে ক্যান্সারের বিস্তার রুখতে জাদুর মতো কাজ করতে পারে। এটি আপনার মস্তিস্কের স্মৃতিশক্তি বাড়াতে এবং শরীরের প্রতিটি শিরা পরিষ্কার রাখতে অনন্য সাধারণ ভূমিকা পালন করে। সামান্য এই মসলাটি যে আপনার শরীরের জন্য এক পরম রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করবে তা আপনি আগে জানতেন কি।


২০১০ সালে ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ড তাদের গবেষণায় গ্লুকোসিনোলেটস অ্যান্ড ক্যান্সার প্রিভেনশন শীর্ষক প্রতিবেদনে সরিষা বীজের বৈজ্ঞানিক ক্ষমতা প্রমাণ করেছে। এর গ্লুকোসিনোলেট নামক যৌগটি শরীরে কার্সিনোজেন বা ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদানগুলোকে নিষ্ক্রিয় করে বের করে দিতে সরাসরি কাজ করে। গবেষণার ভিত্তিতে প্রতিদিনের তরকারিতে বা সালাদে এক চামচ সরিষার বীজের বাটা বা গুঁড়ো মিশিয়ে খাওয়া সবথেকে বিজ্ঞানসম্মত নিয়ম।


সরিষা বীজ নিয়মিত গ্রহণের ফলে আপনার শরীরের জয়েন্টের ব্যথা কমে যাবে এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া অনেক সহজ হবে। এটি একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টি-বায়োটিক হিসেবে কাজ করে আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে এক অন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়। আপনার সাধারণ খাবারের স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি এটি আপনার আয়ু বৃদ্ধিতেও বিশেষ ভূমিকা রাখে।


প্রকৃতির এই ক্ষুদ্র দানকে অবহেলা না করে নিজের জীবনের অংশ করে নেওয়া আপনার ভবিষ্যতের জন্য সবথেকে বড় বিনিয়োগ। নিজের শরীরকে সুস্থ রাখার দায় আপনার নিজেরই এবং এই ছোট অভ্যাসটি আপনাকে মরণব্যাধি থেকে চিরকাল দূরে রাখবে। আজই সরিষা বীজের এই জাদুকরী গুণকে কাজে লাগান এবং এক সুস্থ জীবনের নিশ্চয়তা গ্রহণ করুন।

জৈব কীটনাশক তৈরির সহজ উপায়,,,sarkar agro BD ফেইসবুক থেকে নেওয়া #কৃষি,,

 জৈব কীটনাশক তৈরির সহজ উপায়

রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহারের বদলে ঘরে তৈরি জৈব কীটনাশক ব্যবহার করলে ফসল বিষমুক্ত থাকে এবং মাটির উপকারী পোকা (যেমন: মৌমাছি) রক্ষা পায়। নিচে খুব সহজে তৈরি করা যায় এমন ৫টি কার্যকর জৈব কীটনাশকের পদ্ধতি দেওয়া হলো:


১. নিমের তেল বা নিমের নির্যাস (সবচেয়ে শক্তিশালী)

নিম প্রাকৃতিকভাবেই পোকা তাড়াতে ও ছত্রাক দমনে জাদুর মতো কাজ করে। এটি জাব পোকা, সাদা মাছি ও লেদা পোকা দমনে সেরা।


তৈরি পদ্ধতি: ১ লিটার হালকা গরম পানিতে ২ চা-চামচ নিমের তেল এবং আধা চা-চামচ লিকুইড ডিশ ওয়াশিং সোপ বা শ্যাম্পু ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।


ব্যবহার: মিশ্রণটি সরাসরি গাছের আক্রান্ত পাতায় স্প্রে করুন।


২. মরিচ ও রসুনের স্প্রে (কড়া কীটনাশক)

যেকোনো চোষক পোকা বা শুঁয়োপোকা তাড়াতে এই কড়া মিশ্রণটি অত্যন্ত কার্যকর।


তৈরি পদ্ধতি: ৫-৬টি কড়া ঝাল মরিচ এবং ২ কোয়া রসুন ব্লেন্ড করে বা বেটে নিন। এটি ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে ২৪ ঘণ্টা রেখে দিন। এরপর মিশ্রণটি ছেঁকে তাতে কয়েক ফোঁটা সাবান পানি মিশিয়ে নিন।


ব্যবহার: কড়া রোদে এটি স্প্রে করবেন না, বিকেলের দিকে স্প্রে করুন। (সাবধান: স্প্রে করার সময় চোখে যেন না লাগে)।


৩. তামাক পাতার পানি

এটি মাটির নিচের কাটুই পোকা এবং পাতার জাব পোকা দমনে বেশ পুরোনো ও কার্যকর পদ্ধতি।


তৈরি পদ্ধতি: ১০০ গ্রাম তামাকের গুঁড়ো বা শুকনো পাতা ১ লিটার পানিতে সারা রাত ভিজিয়ে রাখুন। পানির রং কড়া চায়ের মতো লালচে হলে তা ছেঁকে নিন।


ব্যবহার: কড়া লিকারের সাথে আরও ৩-৪ গুণ পানি মিশিয়ে পাতলা করে স্প্রে করুন। এটি তামাক গাছ বা টমেটো গাছে স্প্রে করবেন না।


৪. সাবান পানির স্প্রে (সবচেয়ে সহজ)

নরম দেহের পোকা যেমন জাব পোকা বা মাকড় দমনে এটি খুব দ্রুত কাজ করে।


তৈরি পদ্ধতি: ১ লিটার পানিতে ১ চা-চামচ যেকোনো লিকুইড সাবান বা শ্যাম্পু মেশান। কোনো ডিটারজেন্ট ব্যবহার না করাই ভালো, কারণ এটি গাছের ক্ষতি করতে পারে।


ব্যবহার: সরাসরি পোকার শরীরের ওপর স্প্রে করুন। সাবান পোকার শ্বাসরোধ করে তাদের মেরে ফেলে।


৫. কাঠের ছাই

এটি গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতি যা পিঁপড়া, ছোট ছোট পোকা এবং ছত্রাক দমনে কার্যকর।


ব্যবহার: শীতকালীন সবজি যেমন: শিম বা লাউয়ের ডগায় জাব পোকা লাগলে সকালে শিশির ভেজা অবস্থায় শুকনো কাঠের ছাই ছিটিয়ে দিন। এটি গাছের গোড়ায় দিলেও গোড়া পচা রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।


জৈব কীটনাশক ব্যবহারের ৩টি সোনালী নিয়ম:

স্প্রে করার সময়: সব সময় বিকেলের দিকে রোদ পড়ে যাওয়ার পর স্প্রে করবেন। কড়া রোদে স্প্রে করলে পাতা পুড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।


পরীক্ষামূলক ব্যবহার: পুরো গাছে স্প্রে করার আগে ছোট একটি ডাল বা পাতার অংশে পরীক্ষা করে দেখুন ২-৩ ঘণ্টা পর কোনো ক্ষতি হচ্ছে কিনা।


সতর্কতা: প্রাকৃতিক হলেও এগুলো কড়া হতে পারে। ব্যবহারের সময় হাত ও মুখ ঢেকে নিন এবং ব্যবহারের পর হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

আঙ্গুলের ছাপে লুকানো মহাবিশ্ব,,,,, azmol hossain ফেইসবুক থেকে নেওয়া  

 আঙ্গুলের ছাপে লুকানো মহাবিশ্ব এবং ডিজিটাল পরিচয়ের ঐশ্বরিক অলৌকিকতা: ১৬ বিলিয়ন আঙুলের ছাপের অনন্যতা এবং "আল-মুসাওয়ির" বৈজ্ঞানিক চ্যালেঞ্জ! -


এক মুহূর্তের জন্য থামুন, আপনার ডান হাত তুলুন এবং আপনার বুড়ো আঙুলের (থাম্ব) ছাপটি ভালো করে দেখুন।


দেখতে তো এটা মাংস এবং চামড়ার একটা সাধারণ, ছোট্ট টুকরো মনে হয়, যার উপর কিছু রেখা, কিছু বৃত্ত এবং কিছু ঘূর্ণি আঁকা।


আপনি প্রতিদিন এই বুড়ো আঙুল দিয়ে মোবাইল আনলক করেন, কাগজে সই করেন এবং জিনিসপত্র ধরেন।


কিন্তু আপনি কি জানেন যে, আপনি এখন আপনার চোখের সামনে মহাবিশ্বের সবচেয়ে বড়, সবচেয়ে জটিল এবং সবচেয়ে অবিশ্বাস্য "গাণিতিক ও জৈবিক অলৌকিকতা" দেখছেন?


আজকের বিশ্বে ৮২০ কোটি (৮.২ বিলিয়ন) মানুষ শ্বাস নিচ্ছে। প্রত্যেক মানুষের দুটি বুড়ো আঙুল আছে। অর্থাৎ এখন পৃথিবীতে ১৬৪০ কোটি বুড়ো আঙুল রয়েছে। আর যদি আমরা মানব ইতিহাসের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত জন্ম নেওয়া এবং মারা যাওয়া মানুষের অনুমান করি (যা গবেষকদের মতে প্রায় ১০০ বিলিয়ন), তাহলে এই সংখ্যা ট্রিলিয়নে পৌঁছে যায়।


কিন্তু এখানে এসে মানুষের বুদ্ধি, সবচেয়ে আধুনিক সুপার কম্পিউটার এবং ডারউইনের তত্ত্ব সবাই সিজদায় লুটিয়ে পড়ে। এটা এমন একটা সত্য যা জীববিজ্ঞান এবং গণিতের নিয়মগুলোকে হিলিয়ে দিয়েছে:


"আজ পর্যন্ত জন্ম নেওয়া ট্রিলিয়ন মানুষের মধ্যে কোনো দুজনের, এমনকি অভিন্ন যমজ ভাইদের (Identical Twins)ও, আঙুলের ছাপ একে অপরের সাথে মিলে না।"


প্রত্যেক আঙুলের ছাপ, প্রত্যেক আঙুলের প্যাটার্ন, একটা "অনন্য ডিজাইন" (Unique Design) যা মহাবিশ্বের পুরো ইতিহাসে কখনো আগে তৈরি হয়নি, এবং কিয়ামত পর্যন্ত আবার তৈরি হবে না।


প্রশ্ন হলো, মাত্র দুই থেকে তিন বর্গ সেন্টিমিটারের ছোট্ট জায়গায়, চামড়ার এই সূক্ষ্ম রেখাগুলোতে এত "অসীম বৈচিত্র্য" (Infinite Variety) কীভাবে ধরে রাখতে পারে?


এটা কি অন্ধ বিবর্তন?  

এটা কি পদার্থের দুর্ঘটনাজনিত খেলা?  

নাকি এটা সেই "আল-মুসাওয়ির" (আকৃতি দানকারী) এর স্বাক্ষর, যিনি প্রত্যেক মানুষকে তার নিজস্ব আলাদা ও অনন্য পরিচয় দিয়ে সৃষ্টি করেছেন?


আজ আমি আপনাদের ডার্মাটোগ্লিফিক্স (Dermatoglyphics) এর ল্যাবরেটরি এবং কুরআনের হিকমতের মিলনস্থলে নিয়ে যাব, যেখানে আমরা দেখব যে আপনার আঙুলের ছাপ শুধু বায়োমেট্রিক আইডি নয়, বরং আল্লাহর অস্তিত্বের সবচেয়ে বড় প্রমাণ।


গল্পের শুরু মায়ের গর্ভের সেই অন্ধকার কক্ষ থেকে, যেখানে জীবন গঠিত হচ্ছে।


বিজ্ঞানীরা শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এটা বুঝেছিলেন যে আঙুলের ছাপ শুধু "জিন" (Genes) এর খেলা। কিন্তু তারপর এক অদ্ভুত রহস্য সামনে এল।


অভিন্ন যমজ বাচ্চারা (Identical Twins), যাদের ডিএনএ ১০০% একই, তাদের চেহারা মিলে যায়, কণ্ঠস্বর মিলে যায়, কিন্তু তাদের আঙুলের ছাপ ভিন্ন কেন?


এখানে এসে বিজ্ঞানকে স্বীকার করতে হয়েছে যে আঙুলের ছাপ তৈরি হওয়া শুধু জেনেটিক কোডিং নয়, বরং এটা "কেয়াস থিয়োরি" (Chaos Theory) বা প্রকাশের তত্ত্বের একটা শ্রেষ্ঠকর্ম।


যখন বাচ্চা মায়ের গর্ভে ১০ সপ্তাহের হয়, তখন তার আঙুলে "ভোলার প্যাডস" (Volar Pads) উঠতে শুরু করে। কিন্তু এই রেখাগুলোর চূড়ান্ত ডিজাইন ১৭তম সপ্তাহ পর্যন্ত সম্পূর্ণ হয়।


এই সময়ে কী হয়?


মায়ের গর্ভে অ্যামনিয়োটিক ফ্লুইড (Amniotic Fluid) এর চাপ, বাচ্চার অবস্থান, বাচ্চার গর্ভের দেয়াল স্পর্শ করা, নাভির কর্ড (Umbilical Cord) এর দৈর্ঘ্য, মায়ের রক্তচাপ, এবং এমনকি আঙুলের নড়াচড়ার গতি—এই লক্ষ লক্ষ "পরিবর্তনশীল" (Variables) মিলে এই ডিজাইন গঠন করে।


এটা ঠিক যেমন কোনো চিত্রকর বাতাসে ব্রাশ ঘুরিয়ে দেন এবং প্রতিবার ক্যানভাসে একটা নতুন ও অনন্য শিল্পকর্ম তৈরি হয়ে যায়।


বিজ্ঞানীরা বলেন, এই সব উপাদানের ঠিক একই ক্রমে, একই তীব্রতায় আবার ঘটা গাণিতিকভাবে "অসম্ভব" (Impossible)।


অর্থাৎ আল্লাহ প্রত্যেক মানুষের সৃষ্টির জন্য একটা "অনন্য পরিবেশ" সাজিয়েছেন যা আর কখনো পুনরাবৃত্তি করা যাবে না।


এটা প্রমাণ করে যে প্রত্যেক মানুষ আল্লাহর কাছে "বিশেষ" (Special)। তিনি "মাস প্রোডাকশন" (Mass Production) করেন না, তিনি প্রত্যেকটাকে "কাস্টম মেড" (Custom Made) বানান।


এবার গণিতের ময়দানে আসুন। স্যার ফ্রান্সিস গালটন (Sir Francis Galton), যিনি আঙুলের ছাপ বিজ্ঞানের প্রতিষ্ঠাতাদের একজন, তিনি একটা সহজ গাণিতিক হিসাব করেছিলেন।


তিনি বলেছিলেন যে, যদি আমরা আঙুলের ছাপের শুধু কয়েকটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য (রিজ, লুপ, হুয়ার্ল) নিই, তাহলে দুজন মানুষের আঙুলের ছাপ মিলে যাওয়ার সম্ভাবনা ৬৪ বিলিয়নের মধ্যে একটি (১ in ৬৪ বিলিয়ন)।


এটা ছিল উনিশ শতকের হিসাব। আজকের আধুনিক প্রযুক্তির মতে এই সম্ভাবনা ট্রিলিয়ন এর মধ্যে একটি।


এই "স্পেস" (জায়গা) এর কল্পনা করুন!


আপনার কাছে মাত্র ২ সেন্টিমিটার জায়গা আছে। আপনাকে এর মধ্যে রেখা আঁকতে হবে।


আপনি কতগুলো ডিজাইন বানাতে পারেন?


১০টা?  

১০০টা?  

হাজারটা?  

লক্ষটা?


কিন্তু এখানে ১০০ বিলিয়নের বেশি ডিজাইন তৈরি হয়ে গেছে এবং "স্টক" এখনো শেষ হয়নি।


এটা "সীমিতের মধ্যে অসীম" (Infinity within the Finite) এর সেই ধারণা যা মানুষের বুদ্ধিকে স্তব্ধ করে দেয়।


এই ডিজাইনগুলো কে বানিয়েছে?


যদি এগুলো "ন্যাচারাল সিলেকশন" (বিবর্তন) এর ফল হতো, তাহলে বিবর্তন সবসময় "সবচেয়ে ভালো" টাকে বেছে নিত।


যেমন গাড়ির টায়ারের একটা ডিজাইন যা রাস্তায় সবচেয়ে ভালো গ্রিপ দেয়, সব টায়ার কোম্পানি সেই একই ডিজাইন বানায়।


যদি আঙুলের ছাপের উদ্দেশ্য শুধু "জিনিস ধরা" (গ্রিপ) হতো, তাহলে সব মানুষের হাতে "একই সেরা ডিজাইন" থাকা উচিত ছিল (যেমন সোজা রেখা)।


কিন্তু তা নেই।


প্রত্যেক আঙুলের ডিজাইন আলাদা।


কেন?


কারণ এখানে উদ্দেশ্য শুধু "গ্রিপ" নয়, এখানে উদ্দেশ্য "পরিচয়" (Identity)।


এখানে উদ্দেশ্য এটা বলা যে "আমি সেই, যে আর কেউ নয়।" এই অনন্যতা (Individuality) অন্ধ পদার্থ থেকে উৎপন্ন হতে পারে না।


পদার্থ অন্ধ, সে প্যাটার্ন পুনরাবৃত্তি করতে পারে, কিন্তু সে খর্ব বার "অনন্যতা" (Uniqueness) তৈরি করতে পারে না।


এই কাজ শুধু একজন "আলীম ও খবীর" সত্তাই করতে পারেন যাঁর কাছে ডিজাইনের অফুরন্ত ভাণ্ডার আছে।


এবার ইতিহাসের পাতা উল্টান এবং কুরআন মজীদের সেই অলৌকিকতার দৃশ্য দেখুন যা ১৪০০ বছর আগে আরবের মরুভূমিতে নাযিল হয়েছিল।


যখন মক্কার কাফিররা নবী করীম (সা.) এর মজা উড়াত এবং পচা হাড় হাতে নিয়ে বলত:


"হে মুহাম্মদ (সা.)! তোমার রব কি এই পচা হাড়গুলোকে আবার জীবিত করবেন? এটা কীভাবে সম্ভব?"


তখন আল্লাহ তাদের জবাবে মুখ, চোখ বা হৃদয়ের উল্লেখ করেননি, বরং এমন একটা জিনিসের উল্লেখ করেছেন যা সেই সময় কারো কল্পনাতেও ছিল না যে তার কোনো গুরুত্ব থাকতে পারে।


সূরা কিয়ামাহ, আয়াত ৩ ও ৪-এ আল্লাহ বলেন:


أَيَحْسَبُ الْإِنسَانُ أَلَّن نَّجْمَعَ عِظَامَهُ   بَلَىٰ قَادِرِينَ عَلَىٰ أَن نُّسَوِّيَ بَنَانَهُ“


(মানুষ কি মনে করে যে আমরা তার হাড়গুলো জড়ো করতে পারব না? কেন পারব না! বরং আমরা তো তার " আঙুলের ছাপকেও ঠিক করে দেওয়ার ক্ষমতা রাখি। 


"بنانہ" (তার আঙুলের ডগা) শব্দটির উপর চিন্তা করুন!


আল্লাহ কেন এটা বলেননি যে আমরা তার মুখ বানিয়ে দেব?  

বা তার নাক বানিয়ে দেব?


কারণ আল্লাহ জানতেন যে মুখ মিলে যেতে পারে (খুব কম হলেও), ডিএনএ মিলে যেতে পারে (যমজ বাচ্চাদের), কিন্তু "পুর" (আঙুলের ডগা) সেই একমাত্র জিনিস যা কখনো মিলবে না।


কিয়ামতের দিন মানুষের "পরিচয়" তার আঙুলের ছাপ দিয়ে হবে।


আজ ১৪ শতাব্দী পর, যখন আমরা এয়ারপোর্টে যাই, ইমিগ্রেশন অফিসার মুখ দেখে সন্তুষ্ট হন না, তিনি বলেন "আপনার আঙুল মেশিনে রাখুন।" যখন আমরা ফোন আনলক করি, পাসওয়ার্ডের বদলে আঙুল দিই।


আজকের প্রযুক্তি প্রমাণ করেছে যে মানুষের "চূড়ান্ত পরিচয়" (Ultimate ID) তার আঙুল। আর কুরআন ১৪০০ বছর আগে চ্যালেঞ্জ দিয়েছিল যে


"আমি তোমাদের আঙুলের রেখাগুলোকেও  আবার বানাতে সক্ষম।"


এই আয়াত প্রমাণ করে যে কুরআনের রচয়িতা সেই একই সত্তা যিনি আঙুলের ডিজাইন বানিয়েছেন। এই দুটি বই (কুরআন ও বিশ্বজগৎ) একই লেখকের লেখা।


এখানে আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় "ফরেনসিক সায়েন্স" (Forensic Science) এর।


উনিশ শতকের আগে পৃথিবীর কোনো অপরাধী জানত না যে সে তার পেছনে কী রেখে যাচ্ছে। চোর চুরি করত, খুনি খুন করত এবং তার হাতের চিহ্ন সর্বত্র রেখে যেত। তার মনে হতো সে কোনো প্রমাণ রাখেনি।


কিন্তু আল্লাহর ব্যবস্থা দেখুন!


আল্লাহ প্রত্যেক মানুষের হাতে একটা "প্রাকৃতিক সিল" (Natural Stamp) লাগিয়ে দিয়েছেন। আপনি যা কিছু স্পর্শ করেন, সেখানে আপনি আপনার "স্বাক্ষর" রেখে যান।


এটা আল্লাহর "ন্যায়বিচারের ব্যবস্থা"।


দুনিয়ায় হয়তো আপনি বেঁচে যান, কিন্তু আপনার হাত সাক্ষ্য দিচ্ছে। কুরআন বলে:


" الیوم نختم علی افواھھم و تکلمنا ایدھم

(আজ আমি তাদের মুখে সিল মেরে দেব এবং তাদের হাত আমাদের সাথে কথা বলবে) [ইয়াসীন: ৬৫]।


আগে লোকেরা ভাবত হাত কীভাবে কথা বলবে?  

আজ বিজ্ঞান বলছে হাতের চিহ্ন (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) কথা বলে। এগুলো বলে যে


"এই ব্যক্তি এখানে ছিল, সে এই বন্দুক ধরেছিল, সে এই চুরি করেছিল।"


এই আঙুল আপনার বিরুদ্ধে আল্লাহর সাক্ষী।


আজকের যুগে যখন আমরা "ইনক্লুশন" এবং "আইডেন্টিটি" নিয়ে কথা বলি, তখন আঙুলের ছাপ আমাদের একটা খুব সুন্দর সামাজিক শিক্ষাও দেয়।


পৃথিবীতে কোনো মানুষ "অপ্রয়োজনীয়" (Redundant) নয়। আফ্রিকার জঙ্গলে বাসকারী হাবশী হোক বা নিউইয়র্কের পেন্টহাউসে বাসকারী বিলিয়নিয়ার, মজদুর হোক বা বাদশাহ—প্রকৃতির দৃষ্টিতে সবার পরিচয় "অনন্য"।


আল্লাহ কারো "কার্বন কপি" বানাননি। প্রত্যেক আঙুল একটা আলাদা গল্প, একটা আলাদা কোড এবং একটা আলাদা শিল্পকর্ম। এটা প্রমাণ করে যে আল্লাহর ভাণ্ডারে ডিজাইনের কোনো অভাব নেই। তিনি প্রথমবার সৃষ্টিকার  যিনি প্রতিবার নতুন কিছু সৃষ্টি করেন।


নাস্তিকরা বলে বিশ্বজগতে "শৃঙ্খলা" (Order) নেই। তারা বলে সবকিছু র‍্যান্ডম। আমি তাদের জিজ্ঞাসা করি:


"১৬ বিলিয়ন আঙুলের মধ্যে একটাও অন্যটার সাথে না মেলা কি 'র‍্যান্ডমনেস' না 'অত্যন্ত সূক্ষ্ম নিয়ন্ত্রণ'?"


যদি এটা র‍্যান্ডম হতো, তাহলে কোথাও না কোথাও, কখনো না কখনো দুটো ডিজাইন মিলে যেত। ১০০ বিলিয়ন মানুষের মধ্যে একবার তো "ভাগ্য" লাগত।


কিন্তু লাগেনি!


এটা "জিরো এরর" (Zero Error)। এটা প্রমাণ করে যে এই পুরো যন্ত্রপাতি চালানোর পেছনে একটা "সুপার ইন্টেলিজেন্ট মাইন্ড" আছে যিনি প্রত্যেক শুক্রাণুর বিভাজন, প্রত্যেক কোষের নড়াচড়া এবং প্রত্যেক রেখার কোণ নিয়ন্ত্রণ করছেন।


হে মানুষ!

তুমি নিজেকে তুচ্ছ মনে করো?  


তুমি মনে করো তুমি মাটির ঢেলা আর মরে শেষ হয়ে যাবে?


তোমার আঙুলের দিকে তাকাও!


এই তোমার আঙুল তোমার রবের পক্ষ থেকে তোমার জন্য লেখা একটা "লাভ লেটার" (Love Letter)। এটা তোমাকে বলছে যে তোমার রব তোমাকে বিলিয়ন মানুষের ভিড়ের মধ্যেও "একা" চিনতে পারেন। তিনি তোমাকে ভুলে যাননি। যে রব তোমার আঙুলের ডগায় এত পরিশ্রম করেছেন যে সেই রকম রেখা বিশ্বজগতে আর কাউকে দেননি, তিনি কি তোমাকে এমনি অর্থহীন ও বেকার ছেড়ে দেবেন?


প্রতিবার যখন তুমি তোমার আঙুল দেখবে, তাকে শুধু মাংসের টুকরো মনে করো না, তাকে "আল্লাহর স্বাক্ষর" মনে করো।


এটা সেই শিল্পীর স্বাক্ষর যিনি তার ছবি (তুমি) এর উপর সই করে গর্ব করেন যে


فتبارک الله احسن الخالقین 

বরকত ময় সত্তা আল্লাহ যিনি উত্তম সৃষ্টিকারী 


এই পরিচয়ের হেফাজত করো। তোমার হাতগুলোকে জুলুম ও গুনাহ দিয়ে নোংরা করো না, কারণ এই হাত, এই রেখা আর এই আঙুল একদিন সেই আদালতে হাজির হবে যেখানে কোনো মিথ্যা চলে না, শুধু "বায়োমেট্রিক সাক্ষ্য" চলে।


اردو تحریر سر بلال شوکت ازاد

مترجم رکؤل شیخ

#ইসলামিক_রিমাইন্ডার #Love #আল্লাহরকুদরত #মহাবিশ্ব

বিবাহিত পুরুষ ও মহিলাদের হরমোন সমস্যা কেন হয়,,,md abdur razzaq ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বিবাহিত পুরুষ ও মহিলাদের হরমোন সমস্যা কেন হয়

বিশিষ্ট চিকিৎসা বিজ্ঞানী ও গবেষক - 🖤 বর্তমান জামানার যুগশ্রেষ্ঠ আল্লাহর ওলি, মুজাদ্দিদ এ যমান, শাইখুল হাদিস, ফকীহ উল আযম, আলহাজ্ব হযরত মাওলানা আল্লামা ড. মুহাম্মাদ মনযুরুল ইসলাম ছিদ্দিকী ছাহিব (হাফিযাহুল্লাহ) 🌹শায়খ,তা‘লিমে ইসলাম, মানিকগঞ্জ দরবার শরীফ🇧🇩


🌿 প্রাকৃতিক সমাধান ও বিস্তারিত আলোচনা


হরমোন মানবদেহের একটি অদৃশ্য কিন্তু অত্যন্ত শক্তিশালী নিয়ামক। বিবাহিত জীবনে প্রবেশের পর অনেক নারী ও পুরুষ অজান্তেই বিভিন্ন হরমোনজনিত সমস্যায় ভোগেন—যেমন দুর্বলতা, ওজন বৃদ্ধি, যৌন অনীহা, মানসিক অস্থিরতা, সন্তান ধারণে সমস্যা, ক্লান্তি, ঘুমের সমস্যা ইত্যাদি।


🔴 হরমোন সমস্যা হওয়ার প্রধান কারণ

১️⃣ অনিয়মিত জীবনযাপন


দেরিতে ঘুমানো


পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়া


অতিরিক্ত মোবাইল ও স্ক্রিন ব্যবহার


➡️ এতে Melatonin, Cortisol, Growth Hormone নষ্ট হয়।


২️⃣ অতিরিক্ত মানসিক চাপ (Stress)


সংসারের দুশ্চিন্তা


আর্থিক চাপ


দাম্পত্য অশান্তি


➡️ Stress বাড়লে Cortisol hormone বেড়ে যায়, যা অন্য হরমোন ধ্বংস করে।


৩️⃣ ভেজাল ও প্রক্রিয়াজাত খাবার


ফাস্টফুড


অতিরিক্ত চিনি


কেমিক্যালযুক্ত খাবার


➡️ এতে থাইরয়েড, ইনসুলিন, টেস্টোস্টেরন ও ইস্ট্রোজেন ব্যালান্স নষ্ট হয়।


৪️⃣ অতিরিক্ত যৌনাচার বা সম্পূর্ণ অনিয়ম


অতিরিক্ত যৌনাচার


অথবা দীর্ঘদিন দমন


➡️ এতে Sex Hormone imbalance তৈরি হয়।


৫️⃣ প্রাকৃতিক খাদ্যের অভাব


ক্যালসিয়াম


ম্যাগনেসিয়াম


জিঙ্ক


ভিটামিন D ও B12


➡️ এসব অভাবে হরমোন তৈরি ঠিকমতো হয় না।


🟢 হরমোন সমস্যার সাধারণ লক্ষণ

👨 পুরুষদের ক্ষেত্রে


যৌন দুর্বলতা


দ্রুত ক্লান্তি


পেট বেড়ে যাওয়া


স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া


👩 মহিলাদের ক্ষেত্রে


মাসিক অনিয়ম


হরমোনাল ওজন বৃদ্ধি


সন্তান ধারণে সমস্যা


মুড সুইং ও বিষণ্নতা


🌿 প্রাকৃতিক সমাধান (ওষুধ ছাড়া)

✅ ১️⃣ সঠিক ঘুম


রাত ১০–১১টার মধ্যে ঘুম


অন্তত ৭–৮ ঘণ্টা


➡️ ঘুমই সবচেয়ে বড় হরমোন মেডিসিন।


✅ ২️⃣ প্রাকৃতিক খাদ্যাভ্যাস


নিয়মিত খান—


কাঁচা পেঁয়াজ


আদা


রসুন


মধু


কালোজিরা


দেশি শাকসবজি


✅ ৩️⃣ পানি ও সূর্যালোক


সকালে খালি পেটে কুসুম গরম পানি


প্রতিদিন ১৫–২০ মিনিট রোদ


➡️ ভিটামিন D বাড়ে, হরমোন ঠিক হয়।


✅ ৪️⃣ দাম্পত্য জীবনে সংযম


অতিরিক্ত নয়


অনিয়মও নয়


শরীরের শক্তি বুঝে চলা


✅ ৫️⃣ মানসিক ও আধ্যাত্মিক শান্তি


নামাজ


যিকির


ধ্যান


আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল


➡️ মন শান্ত হলে হরমোন নিজে থেকেই ব্যালান্স হয়।


✨ বিশেষ কথা


হরমোন সমস্যা কোনো অভিশাপ নয়।

এটা জীবনযাপনের ভুল সংকেত মাত্র।

প্রকৃতির নিয়মে ফিরলে,

শরীর নিজেই নিজেকে ঠিক করে নেয় — ইনশাআল্লাহ।


ভাই ও দোস্ত বুজুর্গ , আপনাদের কে বলছি, মানিকগঞ্জ পীর সাহেব আত্মা ও দেহের চিকিৎসার মাধ্যমে আল্লাহ ও রাসূলের, আল-কোরআনুল করিম ওহাদিস শরীফের ভিত্তিতে মানুষদের কে চিকিৎসা করে থাকেন।  তাই আসুন, মানিকগঞ্জ দরবার শরীফের শায়েখের সাথে দেখা করার জন্য , প্রত্যেক মাসেরব ১৫ তারিখে মানিকগঞ্জ দরবার শরীফে মাসিক মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় ও প্রত্যেক মাসের ০৭ তারিখে উত্তর বাড্ডা খানকা শরীফে মাসিক মাহফিল হয়।  আপনারা সকলেই আমন্ত্রীত।  আল্লাহ আপনাকে ও আমাকে সুস্থতার সাথে ইবাদত করার তৌফিক দান করেন।  আমিন।

জরুরী ২০টি ঘরোয়া হোমিও ঔষধ ও সংক্ষিপ্ত লক্ষন।শেয়ার করে রেখে দিন কাজে দিবেই।

 🎍জরুরী ২০টি ঘরোয়া হোমিও ঔষধ ও সংক্ষিপ্ত লক্ষন।শেয়ার করে রেখে দিন কাজে দিবেই।

 🌿 Aconitum napellus (অ্যাকোনাইট)

১. হঠাৎ শুরু হওয়া রোগে প্রথম মনে আসে।

২. শীতল শুকনো বাতাসে আক্রান্ত হলে।

৩. জ্বর খুব দ্রুত ওঠে।

৪. ত্বক শুষ্ক ও গরম।

৫. প্রবল অস্থিরতা।

৬. তীব্র মৃত্যুভয়।

৭. ভয় পেলে উপসর্গ বাড়ে।

৮. মাঝরাতে রোগ শুরু।

৯. মাথাব্যথা তীব্র।

১০. মুখ শুকনো।

১১. তৃষ্ণা থাকে।

১২. হার্টবিট দ্রুত।

১৩. দুশ্চিন্তা প্রবল।

১৪. আলো সহ্য হয় না।

১৫. শব্দে বিরক্ত।

১৬. ঠান্ডা লাগার পর।

১৭. শক অবস্থায় উপকারী।

১৮. হঠাৎ আতঙ্কে।

১৯. শিশুদের তীব্র জ্বর।

২০. জরুরি অবস্থার ঔষধ।


🪴 Belladonna (বেলাডোনা)

১. হঠাৎ তীব্র জ্বর।

২. মুখ লাল টকটকে।

৩. চোখ উজ্জ্বল।

৪. মাথা খুব গরম।

৫. ধকধক ব্যথা।

৬. আলোতে কষ্ট।

৭. শব্দ অপছন্দ।

৮. গলা শুকনো।

৯. গিলতে কষ্ট।

১০. হঠাৎ ঘাম।

১১. ঠান্ডা সহ্য হয় না।

১২. ছটফট করে।

১৩. বিভ্রম দেখা।

১৪. শিশুদের জ্বর।

১৫. রাতের দিকে বাড়ে।

১৬. গরমে কষ্ট।

১৭. প্রদাহে কার্যকর।

১৮. চোখ লাল।

১৯. স্পন্দনযুক্ত ব্যথা।

২০. দ্রুত কাজ করে।


🎋 Bryonia alba (ব্রায়োনিয়া)

১. ধীরে শুরু রোগ।

২. নড়াচড়ায় ব্যথা বাড়ে।

৩. সম্পূর্ণ বিশ্রাম চায়।

৪. চুপচাপ থাকতে চায়।

৫. কথা অপছন্দ।

৬. মুখ শুকনো।

৭. তীব্র তৃষ্ণা।

৮. একবারে বেশি পানি।

৯. গরমে বাড়ে।

১০. কোষ্ঠকাঠিন্য।

১১. মাথাব্যথা নড়াচড়ায়।

১২. শুষ্ক কাশি।

১৩. বুকে চাপ।

১৪. রাগী স্বভাব।

১৫. রাতে ব্যথা।

১৬. ঠান্ডায় আরাম।

১৭. ফুসফুসে উপকারী।

১৮. জয়েন্ট পেইন।

১৯. পানি না পেলে অস্থির।

২০. শুষ্ক প্রকৃতি।


🌿 Arnica montana (আর্নিকা)

১. আঘাতের প্রথম ঔষধ।

২. পড়ে গেলে।

৩. মারধরের পর।

৪. শরীর ব্যথা।

৫. বিছানা শক্ত লাগে।

৬. বলে আমি ভালো আছি।

৭. স্পর্শ অপছন্দ।

৮. নীলচে দাগ।

৯. রক্তক্ষরণ।

১০. অপারেশনের পর।

১১. ভাঙাভাব।

১২. ঘুম অস্থির।

১৩. শক অবস্থা।

১৪. মানসিক ট্রমা।

১৫. মাথায় আঘাত।

১৬. দাঁতের চিকিৎসার পর।

১৭. পেশির ব্যথা।

১৮. খেলাধুলার আঘাত।

১৯. দুর্ঘটনা পরবর্তী।

২০. জরুরি প্রয়োজনে অপরিহার্য।


🪴 Rhus toxicodendron (রাস টক্স)

১. ভেজা ঠান্ডায় অসুখ।

২. শুরুতে নড়াচড়ায় ব্যথা।

৩. চললে আরাম।

৪. বিশ্রামে কষ্ট।

৫. জয়েন্ট শক্ত।

৬. পিঠ ব্যথা।

৭. রাতে বাড়ে।

৮. ঠান্ডায় খারাপ।

৯. গরমে ভালো।

১০. ফুসকুড়ি।

১১. চুলকানি।

১২. স্যাঁতসেঁতে সমস্যা।

১৩. ঘুম ভাঙে ব্যথায়।

১৪. পেশির টান।

১৫. বাতব্যথা।

১৬. ফ্লুর পর।

১৭. স্টিফনেস প্রধান।

১৮. সকালে বেশি।

১৯. হাঁটলে উন্নতি।

২০. ভেজা কাপড়ে বসলে বাড়ে।


🎋 Nux vomica (নাক্স ভমিকা)

১. অতিরিক্ত কাজের পর।

২. মানসিক চাপ।

৩. রাগী স্বভাব।

৪. সামান্য শব্দে বিরক্ত।

৫. বদহজম।

৬. গ্যাস।

৭. কোষ্ঠকাঠিন্য।

৮. ঘুম কম।

৯. ঠান্ডায় কষ্ট।

১০. গরমে কিছু আরাম।

১১. সকালে খারাপ।

১২. রাতে জাগে।

১৩. কফি-পছন্দ।

১৪. অতিরিক্ত ওষুধে।

১৫. অফিসকর্মীদের জন্য।

১৬. অলসতা নেই।

17. তাড়াহুড়া স্বভাব।

১৮. হজমে সমস্যা।

১৯. মাথাব্যথা।

২০. জরুরি মানসিক ক্লান্তিতে।


🌿 Pulsatilla nigricans (পালসাটিলা)

১. নরম স্বভাব।

২. কাঁদুক প্রকৃতি।

৩. সান্ত্বনায় ভালো।

৪. একা থাকতে চায় না।

৫. গরমে কষ্ট।

৬. ঠান্ডা বাতাসে আরাম।

৭. তৃষ্ণা কম।

৮. পরিবর্তনশীল উপসর্গ।

৯. হরমোনজনিত সমস্যা।

১০. শিশু ও নারী উপযোগী।

১১. রাতে কষ্ট।

১২. দিনে কমে।

১৩. হজম দুর্বল।

১৪. তেল-চর্বিতে সমস্যা।

১৫. মাথাব্যথা।

১৬. বন্ধ নাক।

১৭. স্রাব ঘন।

১৮. আবেগপ্রবণ।

১৯. লাজুক স্বভাব।

২০. সান্ত্বনায় আরাম।


🪴 Apis mellifica (এপিস)

১. হঠাৎ ফোলা।

২. লালচে রং।

৩. জ্বালাপোড়া।

৪. মৌমাছির কামড়ের মতো।

৫. ঠান্ডায় আরাম।

৬. গরমে কষ্ট।

৭. পানি চায় না।

৮. ফোলা শক্ত।

৯. চোখ ফোলা।

১০. এলার্জিতে উপকারী।

১১. হঠাৎ প্রদাহ।

১২. ত্বক টানটান।

১৩. স্পর্শে ব্যথা।

১৪. ঘাম কম।

১৫. জ্বরের সাথে ফোলা।

১৬. প্রস্রাব কম।

১৭. নারীদের সমস্যা।

১৮. গলা ফোলা।

১৯. দ্রুত কাজ করে।

২০. জরুরি এলার্জিতে।


🎋 Arsenicum album (আর্সেনিকাম)

১. প্রচণ্ড দুর্বলতা।

২. অস্থিরতা।

৩. মৃত্যু ভয়।

৪. রাতের দিকে বাড়ে।

৫. ঠান্ডা লাগা।

৬. গরমে আরাম।

৭. অল্প অল্প পানি।

৮. বারবার খেতে চায়।

৯. ডায়রিয়া।

১০. বমি।

১১. পোড়া ব্যথা।

১২. দুশ্চিন্তা।

১৩. একা থাকতে ভয়।

১৪. বিষক্রিয়ায় উপকারী।

১৫. খাদ্য বিষক্রিয়া।

১৬. মানসিক ক্লান্তি।

১৭. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা পছন্দ।

১৮. দ্রুত অবসাদ।

১৯. শীতলতা অনুভব।

২০. জরুরি দুর্বলতায়।


🌿 Gelsemium (জেলসেমিয়াম)

১. ভয় ও দুশ্চিন্তাজনিত অসুখে।

২. পরীক্ষাভীতি।

৩. খারাপ খবরের পর।

৪. শরীর ভারী লাগে।

৫. চোখ খুলে রাখতে কষ্ট।

৬. কাঁপুনি অনুভূতি।

৭. দুর্বলতা প্রধান।

৮. জ্বরের আগে শীত শীত।

৯. তৃষ্ণা কম।

১০. মাথা ঝিমঝিম।

১১. কথা বলতে অনীহা।

১২. একা থাকতে চায়।

১৩. আতঙ্কে প্রস্রাব।

১৪. ঘুম ঘুম ভাব।

১৫. ডায়রিয়ার সাথে ভয়।

১৬. হঠাৎ ভয় পেলে।

১৭. মঞ্চভীতি।

১৮. হাত-পা কাঁপে।

১৯. অলসতা বেশি।

২০. মানসিক চাপের জরুরি ঔষধ।


🪴 Hepar sulphuris (হিপার সালফ)

১. অতিরিক্ত স্পর্শকাতর।

২. সামান্য ঠান্ডায় কষ্ট।

৩. ঠান্ডা বাতাস সহ্য হয় না।

৪. রাগী স্বভাব।

৫. পুঁজযুক্ত সংক্রমণ।

৬. ফোঁড়া হওয়ার প্রবণতা।

৭. গলা ব্যথায় কার্যকর।

৮. কাশি ঠান্ডায় বাড়ে।

৯. গরমে আরাম।

১০. কাপড়েও ব্যথা।

১১. ঘাম বেশি।

১২. রাতে কষ্ট বাড়ে।

১৩. কানে পুঁজ।

১৪. দাঁতের ফোঁড়া।

১৫. চামড়ার সংক্রমণ।

১৬. ইনফেকশনের শুরুতে।

১৭. ঠান্ডা পানিতে কষ্ট।

১৮. ব্যথা তীব্র।

১৯. শিশুরা বেশি কান্নাকাটি করে।

২০. পুঁজ হওয়ার আগেই উপকারী।


🎋 Mercurius solubilis (মার্ক সল)

১. মুখে দুর্গন্ধ।

২. অতিরিক্ত লালা।

৩. জিহ্বা মোটা।

৪. দাঁতের ছাপ থাকে।

৫. রাতে কষ্ট বাড়ে।

৬. ঠান্ডা ও গরমে দুটোতেই কষ্ট।

৭. ঘাম বেশি।

৮. গলা ব্যথা।

৯. গিলতে কষ্ট।

১০. মুখের ঘা।

১১. মাড়ি ফোলা।

১২. দাঁতের ব্যথা।

১৩. নাক দিয়ে পানি।

১৪. কফ ঘন।

১৫. শিশুর ডায়রিয়া।

১৬. সংক্রমণজনিত জ্বর।

১৭. দুর্বলতা।

১৮. চুলকানি।

১৯. চামড়ায় ফুসকুড়ি।

২০. সংক্রমণের জরুরি ঔষধ।


🌿 Sulphur (সালফার)

১. গরমে কষ্ট।

২. পায়ে জ্বালাপোড়া।

৩. মাথায় গরম অনুভূতি।

৪. ঘুমের সময় পা বের করে।

৫. এলোমেলো স্বভাব।

৬. দাঁড়িয়ে ভাবতে ভালো লাগে।

৭. সকালে দুর্বল।

৮. দুপুরে কিছু ভালো।

৯. ত্বক শুষ্ক।

১০. চুলকানি।

১১. ত্বকে লালভাব।

১২. দীর্ঘদিনের রোগ।

১৩. পরিষ্কার পছন্দ না।

১৪. অহংবোধ।

১৫. চিন্তাশীল।

১৬. পুরোনো অসুখ জাগিয়ে তোলে।

১৭. কোষ্ঠকাঠিন্য।

১৮. গ্যাস।

১৯. হিট সেনসিটিভ।

২০. ক্রনিক রোগে গুরুত্বপূর্ণ।


🪴 Calcarea carbonica (ক্যালকেরিয়া কার্ব)

১. সহজে ঠান্ডা লাগে।

২. মাথায় ঘাম।

৩. দুর্বল হজম।

৪. ধীর প্রকৃতি।

৫. মোটা গড়ন।

৬. সহজে ক্লান্ত।

৭. সিঁড়ি ভাঙতে কষ্ট।

৮. দুধ অপছন্দ।

৯. কোষ্ঠকাঠিন্য।

১০. ভয়প্রবণ।

১১. শিশুদের দেরিতে হাঁটা।

১২. হাড় দুর্বল।

১৩. ঠান্ডা পানিতে কষ্ট।

১৪. দুশ্চিন্তা।

১৫. স্মৃতিশক্তি দুর্বল।

১৬. ঘুম বেশি।

১৭. সকালে অলস।

১৮. ঘাম দুর্গন্ধ।

১৯. দীর্ঘস্থায়ী অসুখে।

২০. পুষ্টিহীনতায় উপকারী।


🎋 Phosphorus (ফসফরাস)

১. বন্ধুসুলভ স্বভাব।

২. একা থাকতে ভয়।

৩. অন্ধকারে ভয়।

৪. বজ্রপাতে ভয়।

৫. ঠান্ডা পানি চায়।

৬. বমি হলেও আবার খেতে চায়।

৭. সহজে রক্তপাত।

৮. নাক দিয়ে রক্ত।

৯. কাশি।

১০. বুকে জ্বালা।

১১. দুর্বল ফুসফুস।

১২. দ্রুত ক্লান্ত।

১৩. আবেগপ্রবণ।

১৪. সান্ত্বনায় আরাম।

১৫. লম্বা গড়ন।

১৬. স্মৃতিশক্তি দুর্বল।

১৭. উদ্বেগ।

১৮. ঘুমে ভয়।

১৯. জ্বলন্ত ব্যথা।

২০. জরুরি রক্তপাত প্রবণতায়।


🌿 Ignatia amara (ইগ্নেশিয়া)

১. মানসিক আঘাত।

২. শোকের পর।

৩. চাপা কান্না।

৪. হঠাৎ হাসি-কান্না।

৫. গলায় ঢোক গিলে কষ্ট।

৬. দীর্ঘশ্বাস।

৭. মুড পরিবর্তন।

৮. মাথাব্যথা।

৯. নিঃসঙ্গতা পছন্দ।

১০. সান্ত্বনা অপছন্দ।

১১. অনিদ্রা।

১২. আবেগপ্রবণ।

১৩. বুক ধড়ফড়।

১৪. খিঁচুনি প্রবণতা।

১৫. নারীদের সমস্যা।

১৬. দুঃখজনিত অসুখ।

১৭. খাবারে অরুচি।

১৮. গ্যাস।

১৯. মন খারাপ।

২০. মানসিক জরুরি ঔষধ।


🪴 Carbo vegetabilis (কার্বোভেজ)

১. চরম দুর্বলতা।

২. ঠান্ডা অনুভূতি।

৩. শরীর ঠান্ডা।

৪. বাতাস চাই।

৫. জানালা খুলতে চায়।

৬. মুখ ফ্যাকাশে।

৭. নীলচে ঠোঁট।

৮. শ্বাসকষ্ট।

৯. গ্যাস।

১০. বদহজম।

১১. অজ্ঞান ভাব।

১২. ডায়রিয়া।

১৩. রক্ত সঞ্চালন দুর্বল।

১৪. বার্ধক্যজনিত সমস্যা।

১৫. অপারেশনের পর।

১৬. অক্সিজেনের অভাব।

১৭. দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব।

১৮. খাবারের পর কষ্ট।

১৯. জীবনশক্তি কম।

২০. শেষ মুহূর্তের ঔষধ।


🎋 Natrum muriaticum (নাট মিউর)

১. চাপা দুঃখ।

২. একা কাঁদে।

৩. সান্ত্বনা অপছন্দ।

৪. লবণ পছন্দ।

৫. সূর্যের আলোতে মাথাব্যথা।

৬. আবেগ নিয়ন্ত্রণে।

৭. সম্পর্কের কষ্ট।

৮. স্মৃতিচারণে কষ্ট।

৯. চুপচাপ স্বভাব।

১০. দীর্ঘদিনের দুঃখ।

১১. ত্বক শুষ্ক।

১২. ঠোঁট ফাটা।

১৩. নাক দিয়ে পানি।

১৪. দুর্বলতা।

১৫. ঘুমের সমস্যা।

১৬. মানসিক চাপ।

১৭. আত্মসম্মানবোধ।

১৮. পুরোনো স্মৃতি আঁকড়ে ধরা।

১৯. বিষণ্ণতা।

২০. নীরব কষ্টের ঔষধ।


🪴 Thuja occidentalis (থুজা)

১. আঁচিল প্রবণতা।

২. চামড়ায় বৃদ্ধি।

৩. টিকা-পরবর্তী সমস্যা।

৪. লুকানো দুশ্চিন্তা।

৫. নিজের সম্পর্কে অপরাধবোধ।

৬. গোপন কষ্ট।

৭. ঘাম দুর্গন্ধ।

৮. মাথার ত্বকে সমস্যা।

৯. তেলতেলে চামড়া।

১০. কাঁধ ব্যথা।

১১. মলমূত্রে সমস্যা।

১২. প্রস্রাবে জ্বালা।

১৩. যৌন দুর্বলতা।

১৪. স্বপ্নে ভয়।

১৫. মানসিক চাপ।

১৬. গোপন রোগ।

১৭. দীর্ঘস্থায়ী চামড়ার অসুখ।

১৮. ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।

১৯. ইমিউন দুর্বলতা।

২০. গভীর স্তরের ঔষধ।

⚠️ Notice:All content in this post - including text and images - is owned© Dr. Farhad Hossain | Copying without permission will be reported 🚫 Respect Original Creation ~প্রয়োজনে শেয়ার করে রেখে দিন।   🤷‍♂️🌷সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পেতে হলে জানতে হবে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ সেবন করা উচিৎ নয়।  🩺Dr.Md.Forhad Hossain  D.H.M.S(B.H.😎,DHAKA Pdt(Hom) Consultant:Homoeopathic  Medicine  Helpline:01955507911

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২৫-০১-২০২৬খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৫-০১-২০২৬খ্রি:।০

আজকের শিরোনাম:


একনেকে ৪৫ হাজার একশো ৯১ কোটি টাকা ব্যয় সম্বলিত ২৫টি প্রকল্পের অনুমোদন।


নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানে কমিশনের প্রতি বিদেশি কূটনীতিকদের শতভাগ আস্থা প্রকাশ

--- জানালেন সিইসি। 


আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে জয়ী হলে দুর্নীতি বিরোধী কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে --- চট্টগ্রাম পোলো গ্রাউন্ড মাঠে নির্বাচনী জনসভায় বললেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।  


দেশের মানুষ আর কোনো ফ্যাসিবাদী শাসন দেখতে চায় না --- বললেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাক্তার শফিকুর রহমান।


মানবতা বিরোধী অপরাধে দন্ডিত ও পলাতক শেখ হাসিনার নয়াদিল্লিতে দেওয়া বক্তব্য বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের প্রতি স্পষ্ট অবমাননাকর --- বিবৃতি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের।


জুলাই গণঅভ্যুত্থানে চানখারপুলে শহীদ আনাসসহ ৬ জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতা বিরোধী অপরাধের মামলার রায় আগামীকাল।


মিয়ানমারে জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষে নিরঙ্কুশ জয়ের পথে সেনা সমর্থিত রাজনৈতিক দল --- বিতর্কিত এ নির্বাচনকে স্বীকৃতি না দেওয়ার ঘোষণা আসিয়ানের।


এবং ব্যাংককে মালদ্বীপকে ১৪- দুই গোলে হারিয়ে প্রথম সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ --- সাফজয়ী দলকে অভিনন্দন প্রধান উপদেষ্টার।

সকাল ৭টার সংবাদ শিরোনাম ২৫/০১/২০২৬ রবিবার 

 সকাল ৭টার সংবাদ শিরোনাম ২৫/০১/২০২৬ রবিবার 

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৫-০১-২০২৬খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে ভোটারদের কাছে যেয়ে ভোট চাচ্ছেন প্রার্থীরা --- দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি।


চট্টগ্রামে পোলোগ্রাউন্ড মাঠে নির্বাচনী জনসভায় আজ ভাষণ দেবেন বিএনপি চেয়ারম্যান --- গণতন্ত্রের চর্চা করতে হবে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জাতীয় সংসদ পর্যন্ত --- ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে তরুণদের উদ্দেশ্যে বললেন তারেক রহমান ।


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটের প্রার্থীদের ভোট দেওয়ার পাশাপাশি গণভোটে হ্যাঁ-তে ভোট দেওয়ার আহ্বান জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাক্তার শফিকুর রহমানের --- জুলাই শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার। 


এবারের জাতীয় নির্বাচন ভূমিদস্যু, চাঁদাবাজ ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে --- ঢাকায় নির্বাচনী পথসভায় বললেন এনসিপির আহ্বায়ক মোহাম্মদ নাহিদ ইসলাম।


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে পোস্টাল ব্যালটে নিবন্ধিত ভোটারদের দ্রুত ভোট দেওয়ার অনুরোধ নির্বাচন কমিশনের --- গণনায় অন্তর্ভুক্ত করতে ব্যালট পৌঁছুতে হবে ১২ই ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে ।


আগামী ৩১শে জানুয়ারির মধ্যে নিকটস্থ থানায় লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র জমার নির্দেশ দিয়ে ঢাকা জেলা প্রশাসনের গণবিজ্ঞপ্তি জারি --- ১৫ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও প্রদর্শন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।


চীনের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি করলে কানাডার সকল পণ্যের উপর শতভাগ শুল্ক আরোপের হুমকি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।


এবং থাইল্যান্ডে আজ সাফ নারী ফুটসাল ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপে নিজেদের শেষ ম্যাচে মালদ্বীপের মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২৪-০১-২০২৬খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৪-০১-২০২৬খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে ভোটারদের কাছে গিয়ে ভোট চাচ্ছেন প্রার্থীরা --- দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি।


গণতন্ত্রের চর্চা করতে হবে ইউনয়ন পরিষদ থেকে জাতীয় সংসদ পর্যন্ত --- তরুণদের উদ্দেশ্যে বললেন বিএনপির চেয়ারম্যান --- আগামীকাল চট্টগ্রাম পোলোগ্রাউন্ড মাঠে নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দেবেন তারেক রহমান।  


কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ও জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তনে ১০ দলীয় জোটকে জাতীয় নির্বাচনে ভোট দেওয়ার আহ্বান জামায়াতে ইসলামীর আমির ডাক্তার শফিকুর রহমানের --- জুলাই শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার।  


এবারের জাতীয় নির্বাচন ভূমিদস্যু, চাঁদাবাজ ও আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে --- ঢাকায় নির্বাচনী পথসভায় বললেন এনসিপির আহ্বায়ক মোহাম্মদ নাহিদ ইসলাম।


ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে পোস্টাল ব্যালটে নিবন্ধিত ভোটারদের দ্রুত ভোট দেওয়ার অনুরোধ নির্বাচন কমিশনের --- গণনায় অন্তর্ভূক্ত করতে ব্যালট পৌঁছাতে হবে ১২ই ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে।


আগামী ৩১শে জানুয়ারির মধ্যে নিকটস্থ থানায় লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র জমার নির্দেশ দিয়ে ঢাকা জেলা প্রশাসনের গণবিজ্ঞপ্তি জারি --- ১৫ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও প্রদর্শন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।


পারস্য উপসাগরে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের উপস্থিতিতে আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে মধ্যপ্রাচ্যে একটি ইউরোপীয় বিমান সংস্থার ফ্লাইট স্থগিত।


এবং নেপালে নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটের বাছাই পর্বে আয়ারল্যান্ডকে নয় রানে হারিয়ে সুপার সিক্সে বাংলাদেশ।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ: ২৪-০১-২০২৬খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ: ২৪-০১-২০২৬খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষ্যে প্রচারাভিযানে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও স্বতন্ত্র প্রার্থী।


নির্বাচিত সরকারই মানুষের সমস্যার সমাধানে কাজ করতে পারে উল্লেখ করে ভাষানটেকে নির্বাচনী জনসভায় নিজের জন্য ধানের শীষে ভোট চাইলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।


নির্বাচিত হলে উত্তরবঙ্গকে কৃষিভিত্তিক শিল্পের রাজধানীতে রূপান্তর করা হবে --- পঞ্চগড়ে নির্বাচনী জনসভায় বললেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডাক্তার শফিকুর রহমান।


আসন্ন জাতীয় নির্বাচন প্রকৃত দেশপ্রেমিকদের সংসদে পাঠানোর নির্বাচন --- মন্তব্য এনসিপি’র আহ্বায়ক মোহাম্মদ নাহিদ ইসলামের।


রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে আবুধাবিতে প্রথমবারের মতো সরাসরি আলোচনায় বসেছে মস্কো, কিয়েভ ও ওয়াশিংটন।


এবং মিরপুরে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে চট্টগ্রাম রয়্যালসকে ৬৩ রানে হারিয়ে শিরোপা জিতলো রাজশাহী ওয়ারিয়র্স।

হার্ট ব্লকেজ, কী? কারণ?

 🫀হার্ট ব্লকেজ, কী? কারণ?



সমাধানঃ-

হার্ট এর ওজন প্রায় 300 গ্রাম। 

✅ হার্টের কাজঃ

পুরো শরীরে ব্লাড পাম্প করা। হার্ট ১ মিনিটে প্রায় ৭২ বার পাম্প করে।

হার্ট, প্রতিদিন প্রায় ১ লক্ষ বার পাম্প করে থাকে।

হার্ট একবার পাম্প করলো মানে পুরো বডি তে ব্লাড পৌঁছে গেলো।


✅ হার্ট এর অসুখ কী :-

হার্ট এর অসুখ মানে আর্টারি তে চর্বি জমে যাওয়া, কোলেষ্টেরোল জমে যাওয়া, ফ্যাট জমে  যাওয়া।

এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে ধীরে ধীরে হার্ট এর ব্লাড সাপ্লাই ক্ষমতা কমে যায়।

এটাকেই বলা হয় হার্টের অসুখ।

বর্তমানে হার্টের অসুখ টি বিশ্বের সব চেয়ে বড় অসুখ।

যেদিন হার্টের ব্লাড সাপ্লাই বন্ধ হয়ে যাবে সেদিন  হার্ট টাও বন্ধ হয়ে যাবে, মানে হার্ট এট্যাক হয়ে যাবে।

হার্ট এর আর্টারি গুলো 3-4 mm মোটা হয়।


✅ হার্ট এ ব্লকেজ হতে কত সময় লাগে?

বছরের পর বছর ধরে ধীরে ধীরে হার্ট ব্লকেজ তৈরী হয়।

মানুষ জন্মের পর পর ই ব্লকেজ তৈরী শুরু হয় না।

18-20 বছর বয়স থেকে এই ব্লকেজ তৈরী হতে শুরু করে।

70%, 80%, 90% ব্লকেজ তৈরী হতে কম করে 30-40 বছর সময় লাগে।

50% ব্লকেজ হয়ে গেলেও মানুষ কোনো কষ্ট অনুভব করে না।

কারণ ব্লাড সাপ্লাই এর জন্য আরও 50% বাকি থাকে।


✅ ব্লাড সাপ্লাই এর জন্য হার্ট এর প্রয়োজন 10%, 20%, 30% জায়গা।

10% প্রয়োজন যখন মানুষ বসে থাকে।

20% প্রয়োজন যখন হাঁটা চলা করে।

30% প্রয়োজন যখন মানুষ দৌড়ায়।

যেদিন মানুষের ব্লকেজ 70% এর বেশি হয়ে যায় সেদিন থেকে মানুষ হার্ট এর সমস্যা অনুভব করতে থাকে। সেদিন থেকে কষ্ট শুরু হয়ে যায়।


✅ যদি দৌড়ালে বুকে ব্যাথা অনুভব হয় তবে বুঝতে হবে ব্লকেজ 70% ক্রস করেছে।


যদি হাঁটতে গিয়ে ব্যাথা হয় তাহলে বুঝতে হবে ব্লকেজ 80%।


যদি সামান্য 10 ধাপ হাঁটলেই ব্যাথা হয় তবে বুঝতে হবে ব্লকেজ 90%।


✅ এখানে বোঝা গেলো হার্ট এর পেশেন্ট 70% ব্লকেজ না হওয়া পর্যন্ত কোনো সমস্যা সাধারণত বুঝতে পারে না।


✅ হাঁটতে গিয়ে ব্যাথা হলে এই পর্যায়কে বলা হয় "এনজাইনা।"

2%/year ব্লকেজ তৈরী হতে শুরু করে 20 বছর বয়সের পর থেকে।


*** আমার লিখা পড়ে হার্ট এর অসুখ সম্পর্কে বুঝতে সময় লাগলো মাত্র কয়েক মিনিট, কিন্তু আপনি যদি কোন হাসপাতাল কিংবা ক্লিনিক যান তাহলে উনারা আপনাকে এতো বিস্তারিত বোঝাবে না, শুধু বলবে আপনার "করোনারী আর্টারি ডিজিজ "এ আক্রান্ত।


✅ আধুনিক উপায়ে ব্লকেজ পরীক্ষা, যেটা ও সঠিক নয়ঃ

আধুনিক যুগের ক্যার্ডিওলোজিস্ট রা ব্লকেজ এর পার্সেন্টেজ বোঝার জন্য তার ঢুকিয়ে এনজিওগ্রাফিক করেন, যেটাতে রেজাল্ট আসে রাউন্ড ফিগার যেমন 70%, 80%, 90%।

আমাদের মতে যেটা সঠিক নয়। কারণ সঠিক হলে রাউন্ড ফিগার না হয়ে হতো 70.25%, 80.03%, 90.৮১%।


✅ হার্ট এট্যাক মানে কি?

70% ব্লকেজ এর পর ধীরে ধীরে ব্লকেজ বাড়তে থাকে। এই ব্লকেজ এর উপর একটা পর্দা থাকে এবং ব্লকেজ বাড়ার সাথে সাথে পর্দাটির উপরেও চাপ তৈরী হতে থাকে।

এই চাপ বাড়তে বাড়তে একদিন হঠাৎ পর্দাটা ছিঁড়ে যায়।

পর্দা ছিঁড়ার সাথে সাথে পর্দার নিচে থাকা কেমিক্যাল রক্তে গিয়ে মিশে যার ফলে রক্তের ঘনত্ব বেড়ে যায়।

রক্ত জমাট বেঁধে গেলে এটাকে বলা হয় "ক্লট"।

এটি আর্টারির রাস্তা পুরো পুরি ব্লক করে দেয়। ব্লক 100% হয়ে যায়, হার্ট এ রক্ত পৌঁছতে পারে না তখন এটাকেই বলা হয় "হার্ট অ্যাটাক"।


✅ হার্ট অ্যাটাক থেকে বাঁচার উপায়ঃ

ব্লকেজ 70%, 80%, 90% হয়ে গেলেও চেষ্টা করতে হবে ব্লকেজকে রুখে দেয়া।

ব্লকেজ না বাড়লে পর্দাটা ছিঁড়বে না, হার্ট অ্যাটাকও হবে না।


আরও ভালো হয় পর্দার নিচে জমে থাকা কিছু চর্বি যদি ধীরে ধীরে বের করে দেয়া যায়। সেজন্য নিয়মিত কমকরে হলেও ৪০ মিনিট হাঁটতে হবে। চর্বি জাতীয় খাদ্য বর্জন করতে হবে, ভাত, রুটি, মিষ্টি জাতীয় খাবার কমিয়ে দিতে হবে।

শরীরে ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।


✅ বুকে ব্যাথা অনুভব করলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।


#heart #HeartHealthTips #healthtips

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২০-০৩-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২০-০৩-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: এক মাস সিয়াম সাধনা শেষে যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও ব্যাপক উৎসাহ, উদ্দী...