এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬

কখনই সহকর্মীর প্রতিবেশী হবেন না

 কখনই সহকর্মীর প্রতিবেশী হবেন না ⚠️

 

 🏠➡️🏢 মানুষ সাধারণত মনে করে, একই অফিসে কাজ করা মানুষ যদি একই এলাকায় বাস করে তবে সম্পর্ক আরও ভালো হবে, সহযোগিতা বাড়বে এবং জীবন সহজ হবে। কিন্তু বাস্তবতা প্রায়ই ভিন্ন চিত্র দেখায়। অফিসের সহকর্মী কখনোই পুরোপুরি বন্ধু নয়; বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তারা একই পদোন্নতি, একই সুযোগ এবং একই স্বীকৃতির জন্য প্রতিযোগী।


যখন সেই প্রতিযোগিতামূলক সম্পর্ক বাসা-বাড়ির প্রতিবেশী সম্পর্কের সঙ্গে মিশে যায়, তখন ব্যক্তিগত জীবন এবং পেশাগত জীবনের সীমানা ভেঙে যায়। এর ফলে অফিসের রাজনীতি, ঈর্ষা, তুলনা, গোপন তথ্যের অপব্যবহার এবং মানসিক চাপ বাড়তে থাকে।


বাংলাদেশের কর্মক্ষেত্র বিষয়ক বিভিন্ন সমাজবিজ্ঞানী ও শ্রম গবেষণায় দেখা যায়, পেশাগত প্রতিযোগিতা যদি ব্যক্তিগত জীবনে প্রবেশ করে, তাহলে তা সম্পর্কের অবনতি ও মানসিক অস্থিরতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। তাই অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করেন—সহকর্মীর প্রতিবেশী হওয়া সুবিধার চেয়ে সমস্যাই বেশি সৃষ্টি করে।


সহকর্মীর প্রতিবেশী হলে যে সমস্যাগুলো দেখা দেয়

১️⃣ প্রতিযোগিতা ব্যক্তিগত জীবনে ঢুকে পড়ে


অফিসে সহকর্মীরা প্রায়ই একই পদোন্নতি, বেতন বৃদ্ধি কিংবা স্বীকৃতির জন্য প্রতিযোগিতা করেন। যখন সেই সহকর্মী পাশের বাসায় থাকেন, তখন প্রতিযোগিতার মনোভাব ব্যক্তিগত জীবনেও প্রবেশ করে।


বাংলাদেশের Institute of Social Research (University of Dhaka) এর একটি গবেষণায় দেখা যায়, কর্মক্ষেত্রের প্রতিযোগিতা ব্যক্তিগত সম্পর্কে চাপ তৈরি করে এবং সামাজিক দূরত্ব বাড়ায়। ফলে প্রতিবেশী হিসেবে সৌহার্দ্য বজায় রাখা কঠিন হয়ে যায়।


২️⃣ অফিসের রাজনীতি বাসা পর্যন্ত পৌঁছে যায় 🏢➡️🏠


অনেক অফিসেই অভ্যন্তরীণ রাজনীতি থাকে—গ্রুপিং, পক্ষপাতিত্ব বা গোপন প্রতিযোগিতা। যদি সহকর্মী একই এলাকায় বাস করেন, তবে সেই রাজনীতি বাসায়ও আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।


গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে কর্পোরেট কর্মীদের মধ্যে প্রায় ৬০% মানুষ মনে করেন অফিসের দ্বন্দ্ব ব্যক্তিগত সম্পর্ককে প্রভাবিত করে। এতে বাসার শান্ত পরিবেশও নষ্ট হয়।


৩️⃣ আজ ভালো সম্পর্ক, কাল খারাপ হলে বড় সমস্যা


আজ সহকর্মীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো থাকতে পারে। কিন্তু কাল যদি কোনো পদোন্নতি, ভুল বোঝাবুঝি বা অফিস রাজনীতির কারণে সম্পর্ক খারাপ হয়ে যায়, তখন পরিস্থিতি অত্যন্ত অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে।


প্রতিবেশী হলে প্রতিদিন দেখা হওয়া, একই রাস্তা ব্যবহার করা কিংবা পারিবারিক অনুষ্ঠানে মুখোমুখি হওয়া—এসবই মানসিক চাপ তৈরি করে। এতে বাসা আর শান্তির জায়গা থাকে না।


৪️⃣ ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নষ্ট হয় 🔐


সহকর্মী যখন প্রতিবেশী হন, তখন ব্যক্তিগত জীবনের অনেক বিষয় অনিচ্ছাকৃতভাবে তাদের সামনে প্রকাশ হয়ে যায়। যেমন—


পরিবারের আর্থিক অবস্থা


জীবনযাত্রার মান


পারিবারিক সম্পর্ক


এই তথ্যগুলো কখনো কখনো অফিসে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠতে পারে, যা পেশাগত মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করতে পারে।


৫️⃣ তুলনা ও ঈর্ষা তৈরি হয় 📊


প্রতিবেশী সহকর্মীদের মধ্যে প্রায়ই তুলনা তৈরি হয়—

কার বাসা বড়, কার জীবনযাত্রা ভালো, কার সন্তান ভালো স্কুলে পড়ে ইত্যাদি।


বাংলাদেশের BRAC Institute of Governance and Development এর এক গবেষণায় দেখা গেছে, সামাজিক তুলনা কর্মক্ষেত্রের সহকর্মীদের মধ্যে ঈর্ষা ও মানসিক দূরত্ব বাড়ায়।


৬️⃣ পারিবারিক সম্পর্কেও প্রভাব পড়ে 👨‍👩‍👧


সহকর্মী প্রতিবেশী হলে শুধু কর্মীদের সম্পর্কই নয়, তাদের পরিবারও এতে জড়িয়ে পড়ে।


যদি অফিসে কোনো দ্বন্দ্ব তৈরি হয়, তাহলে তা পরিবারগুলোর মধ্যেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। এতে প্রতিবেশী সম্পর্ক ভেঙে যায় এবং সামাজিক অস্বস্তি সৃষ্টি হয়।


৭️⃣ গোপন তথ্য ফাঁস হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে


অফিসে অনেক সময় গোপন তথ্য বা সিদ্ধান্ত থাকে। সহকর্মী প্রতিবেশী হলে অনানুষ্ঠানিক আড্ডায় এসব তথ্য আলোচনা হয়ে যেতে পারে।


পরে যদি সেই তথ্য অন্যদের কাছে পৌঁছে যায়, তাহলে কর্মক্ষেত্রে বড় ধরনের সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে।


৮️⃣ মানসিক চাপ বাড়ে 😟


মানুষ সাধারণত বাসায় ফিরে কর্মক্ষেত্রের চাপ থেকে মুক্ত হতে চায়। কিন্তু সহকর্মী যদি পাশের বাসায় থাকেন, তখন সেই সুযোগ আর থাকে না।


বাংলাদেশের National Institute of Mental Health এর গবেষণায় দেখা গেছে, কর্মক্ষেত্র ও ব্যক্তিগত জীবনের সীমারেখা ভেঙে গেলে মানসিক চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়।


সুবিধা থাকলেও কেন অসুবিধা বেশি?


অনেকে যুক্তি দেন যে সহকর্মী প্রতিবেশী হলে অফিসে যাতায়াত সহজ হয় এবং পারস্পরিক সহযোগিতা পাওয়া যায়। কিন্তু বাস্তবে এই সুবিধাগুলো সাময়িক।


অন্যদিকে প্রতিযোগিতা, গোপনীয়তা ভঙ্গ, অফিস রাজনীতি এবং ব্যক্তিগত অস্বস্তির মতো সমস্যাগুলো দীর্ঘমেয়াদে অনেক বড় প্রভাব ফেলে।


তাই অধিকাংশ সমাজবিজ্ঞানী মনে করেন—পেশাগত সম্পর্ক ও ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে একটি স্বাস্থ্যকর দূরত্ব থাকা প্রয়োজন।


🌿 সহকর্মীর সঙ্গে ভালো সম্পর্ক থাকা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু সেই সম্পর্ককে ব্যক্তিগত জীবনের খুব কাছাকাছি নিয়ে আসা সবসময় বুদ্ধিমানের কাজ নয়। কারণ অফিসের সম্পর্ক মূলত পেশাগত, যেখানে প্রতিযোগিতা, স্বার্থ এবং পদোন্নতির হিসাব থাকে।


যদি সেই সম্পর্ক প্রতিবেশী সম্পর্কের সঙ্গে মিশে যায়, তাহলে অফিসের দ্বন্দ্ব, রাজনীতি ও প্রতিযোগিতা সহজেই বাসার পরিবেশকে প্রভাবিত করতে পারে।


তাই দীর্ঘমেয়াদে মানসিক শান্তি ও পারিবারিক স্থিতি বজায় রাখতে কর্মক্ষেত্র এবং ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যে একটি সুস্থ দূরত্ব রাখা প্রয়োজন। অনেক সময় ভালো সহকর্মী হওয়া সম্ভব, কিন্তু ভালো প্রতিবেশী হওয়া সম্ভব হয় না।


References : 


Institute of Social Research, University of Dhaka – Workplace Competition and Social Relations Study


BRAC Institute of Governance and Development – Workplace Culture in Bangladesh


Bangladesh Institute of Labour Studies – Corporate Work Environment Report


National Institute of Mental Health Bangladesh – Occupational Stress and Mental Health Study


Bangladesh Institute of Development Studies – Social Dynamics of Urban Professionals

#SAMMotivation #Abdullahsahed #Viralpost #lifestyle #lifemotivation #motivation #lifeproblems #viralfbpost #trendingpost #trending #viraltrending #motivationalquotes #quotes #lifequotes #success #inspiration #life #পরিবার #স্বামীস্ত্রী #সুখেরসংসার #সুখীপরিবার #জীবন #জীবনেরস্বাদ #জীবনযাপন #লাইফস্টাইল #জীবনভাবনা #inspirationalquotes #positivevibes #successquote #loveyourself

মৃত ব্যক্তিকে গোসল করিয়েছেন কখনো?

 মৃত ব্যক্তিকে গোসল করিয়েছেন কখনো?

কিংবা নিয়মগুলো জানা আছে?


প্রত্যেক মাঁ-বোনের জানা মহা-জরুরী।


❑ এটা অনেক ফজিলতপূর্ণ কাজ। আর বর্তমানে গ্রাম্য এলাকায় বেশিরভাগ এমন মানুষেরা গোসল করায়, বিশেষ করে মহিলাদের মধ্যে যারা নিজেরাই পাক পবিত্রতার বিষয়ে বেখবর, ফরজ ইবাদতটুকুতেও নেয় সতর্কতা। 


এজন্য এই গুরুত্বপূর্ণ গোসলের নিয়মটা আমাদের প্র্যাকটিসিং মুসলিমাহ বোনদেরসহ সকলের জেনে রাখা ভালো। যাতে করে আমরাও এ কাজে শরীক হতে পারি ইংশাআল্লহ।


⚰️ মুসলিম মৃত নারীকে গোসলের পর্ব - (১)

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

১/ প্রয়োজনীয় উপকরণ,

২/ কার্যপদ্ধতি (এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ),

৩/ সতর্কতা। 


কোন মৃত বাড়িতে আপনি দেখবেন, একদল মহিলা যারা যায় শুধু গসিপিং করতে। তারা বলে মুখের কাপড়টা সরাও তো- একটু দেখতে দাও।


কিছু কিছু বিষয় অসম্ভব কঠোর হতে হয়, এটা তার মধ্যে অন্যতম।

আপনি কিছুতেই মৃতের মুখের কাপড় সরাবেননা।

আপনি কঠোর হয়ে মৃতের মুখ ঢেকে রাখবেন। 


⚰️ ডেডবডি রিলেটেড যারা আছে তাদের সাথে নিয়ে পর্দা এমন ভাবে ঢেকে দিবেন, যেন একটু ফাঁক ফোকরও না থাকে।


যাচাই করে নিবেন, মৃতের গোসল দেয়ার আগে আপনার সাথে  গোসল দিতে সহায়তা কারীরা আপনার সমমনা কি না।


❑ শুরুতে ডেডবডি এমন ভাবে ধরতে হবে—

যেন সে ব্যথা না পায়। মৃত ব্যক্তির শরীরে তখন খুব ব্যথা।


মৃত্যু বড় কষ্টের।


ডেডবডি ধরলেই বোঝা যায় কে ভালো কে মন্দ।

ভালো অনুভব হলে বলবো - হে আরশের মালিক! আমাকেও এমন মৃত্যু দিয়েন।


খারাপ কিছু অনুভব হলে টু শব্দ ও করবোনা।


⚰️ যে ব্যক্তি কোন মৃত ব্যক্তিকে গোসল করাবে,

আল্লাহ তাকে চল্লিশ বারের বেশি ক্ষমা ঘোষণা করেছেন।


▪️যে মৃতের জন্য ঘর বানাবে—

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা জান্নাতে তার জন্য ঘর বানাবেন।


▪️যে মৃতের কাফন পরিয়ে দিবে—

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা জান্নাতে তাকে উত্তম পোশাক পরিধান করাবেন


❑ কি কি লাগবে?

▬▬▬▬▬▬▬▬☞

১/ চারটা বড় বালতি চার কোনায় রাখবো

২/ চারটা বড় মগ চারজন ধরবে

৩/ বড়ই পাতা বেজোড় সংখ্যায় লাগবে ৫/৭/৯টি

৪/ এক হাড়ি উষ্ণ গরম পানি

৫/ tooth pick - নখের কোনা পরিষ্কার করার জন্য 

৬/ বাস্কেট দুইটা

৭/ খাটিয়া

৮/ কটন/তুলা

৯/ কেচি/ছুরি

১০/ দুইটা সাবানের বাটি

১১/ চারটা বড় ওড়না

১২/ একটা নরম পাতলা কাঁথা। 

১৩/ তায়াম্মুমের /বা নদীর পাক (অথেনটিক) মাটি

১৪/ তিনটা কাফনের কাপড়

এক্সিডেন্টাল কেসের ক্ষেত্রে কাপড় আরো বেশী লাগবে।

১৫/ ডেডবডি বাধার তিনটা ফিতা

১৬/ একটি হালাল দেশী সাবান (কেয়া সাবান)- কুরবানির আগে গরুকে গোসল দেয় যে দেশী হালাল সাবান সেই সাবান।

১৭/ কুলুপের মাটি পাতলা নরম কাপড় দিয়ে পেচিয়ে নেবো সাতটি কুলুপ।

১৯/ কর্পূর।


❑ মুসলিম মৃত নারীরকে গোসল পর্ব - (২)

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

প্রত্যেক জীবকে মৃত্যু বরণ করতে হবে। 

— [আল ইমরান, ১৮৫]


☞ প্রথম মৃতের চোখ দুটো বন্ধ করে দিতে হবে।

একটা কাপড় দিয়ে তার সম্পূর্ণ শরীর ঢেকে দিতে হবে। 

মৃত ব্যক্তির সম্পর্কে উপস্থিত সকলে ভালো কথা বলবে।

কারণ ফিরেশতারা তখন আমীন বলে।


☞ দ্রুত তার লোন পরিশোধ করে। 

তাকে দাফনকাজ শুরু করতে হবে। 


আল্লাহর রসূল (সঃ) বলেন—

যে ব্যক্তি কোন মৃত মুসলিম কে গোসল করাবে ও গোপনীয়তা রক্ষা করবে, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তাকে ৪০ বার ক্ষমা করে দিবেন।


যে ব্যক্তি মৃতের জন্য কবর খুড়বে অতপর ঢেকে দিবে, 

কিয়ামত দিবস পর্যন্ত তার বসবাসের জন্য সদাকা হিসাবে একটি ঘর তৈরি করে দিলে যে সওয়াব পেত -সেই পরিমাণ সওয়াব লিখে দেয়া হবে। 


আর যে ব্যক্তি কাফন পরিয়ে দিবে, 

আল্লাহ তাকে জান্নাতে ইসতিবরাকের রেশমী পোশাক পরিয়ে দিবেন।

— হাদীস টি হাকিম ১/৩৫৪,৩৬২; বায়হাক্বী-৩/৩৯৫

হাদিসটি মুসলিম এর শর্তানুযায়ী সহীহ।


❑ ধাপ সমূহ—

▬▬▬▬▬▬☞

১/ মৃত ব্যক্তির শরীর থেকে সবকিছু অপসারণ করা 

২/ সর্বাবস্থায় ঢেকে ঢেকে গোসল করানো

৩/ বরই পাতা মেশানো পানি দিয়ে ওজু ও গোসল করানো

৪/ ডানদিক থেকে ও অজুর স্হান দিয়ে গোসল করানো 

৫/ বেজোড় সংখ্যায় গোসল করানো 

৬/ শেষ বার গোসলের পানিতে কর্পূর মেশানো।

৭/ মহিলাদের চুল তিনটা ভাগ করে মাথার পেছনে ছড়িয়ে দেয়া

৮/ ৩টি সাদা কাপর( সেলাই বিহীন) দিয়ে কাফন পরানো


❑ কার্যপদ্ধতি—

▬▬▬▬▬▬▬☞

প্রথমে মৃত ব্যক্তির শরীরে কোথাও স্কচটেপ, তবিজ, গহনা, কেনুলা, নাকফুল, ক্যাথেটার, কানের দুল, temporary dialysis pipe, ডাক্তারের সাহায্যে খুলে ফেলতে হবে।


গায়ে পরিহিত  কাপড় কাধের উপর থেকে কেচি দিয়ে কাটতে হবে কনুই পর্যন্ত। আবার নীচের দিক থেকে পেট পর্যন্ত। 

কোন ভাবে মৃত ব্যক্তি যেন ব্যথা না পায়।


সাবান কুচি করে কেটে দুই বাটিতে পাতলা করে গুলাতে হবে।

১টি বাটি পায়ের কাছে,

১টি বাটি মাথার কাছে রাখতে হবে। 

কোন অবস্থায় বাটি পরিবর্তন করা যাবেনা।


⚰️ ঢেকে ঢেকে তিন চারটা ওরনা, কাফনের কাপড়, কটন, দড়ি, মোছার জন্য বড় পাতলা নরম কাঁথা, কর্পূর একটা ট্রেতে রাখতে হবে। 


⚰️ অন্য ট্রেতে toothpicks, কুলুপের মাটি (মাটির দলা ৭ টা ছোট টুকরা করে সাদা নরম কাপরে বেধে কুলুপ বানিয়ে নিতে হবে। এই মাটিটা তায়াম্মুমের বা নদীর বা ইট ভাটার কাচা ইট থেকে সংগ্রহ করা উত্তম। 


⚰️ হাতে পেচানোর জন্য  পাতলা ছাট কাপড়, /ওড়না/গ্লাভস, চাকু রাখতে হবে। 


⚰️ পানি চুলায় ফুটিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে বেজোড় সংখ্যক বড়ই পাতা ছেঁচে বা ছিড়ে পানিতে মিশাতে হবে।


চুলার পানিতে বড়ই পাতা না মিশানো ভালো। আগুনের তাপে বড়ই পাতার কার্যকারিতা নষ্ট  হওয়ার সম্ভাবণা থাকে।


❑ মুসলিম মৃত নারীরকে গোসল পর্ব - (৩)

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

চারজন চারকোনা ধরে ১টা ওড়না দিয়ে মুর্দাকে ঢেকে দিয়ে পড়নের কাপড় কেটে একটা ঝুড়িতে রাখতে হবে। 

সর্বাবস্হায় ঢেকে রাখবেন। 


☞ কার্যক্রম—

▬▬▬▬▬▬☞

প্রথমে দেখে নিতে হবে শরীরের কোথাও ময়লা আছে কিনা।

এরপর মাথা থেকে পা পর্যন্ত সমস্ত শরীরে পানি ঢালতে হবে।

পেশাবের জায়গা, কুচকি, মলদ্বার ভালো করে চেক করে পরিস্কার করে নিতে হবে।


⚰️ যদি দেখা যায় অনবরত  মল বের হতেই থাকে-

আবার সাবান দিয়ে প্রথম বারের মতো পরিষ্কার করতে হবে। 

৪র্থ বার মাটির কুলুপের সাহায্য আবার মলদ্বার চেক করতে হবে।

যতক্ষণ মল বের হওয়া শেষ না হয় -অপেক্ষা করতে হবে।

আবার পরিষ্কার করতে হবে। এবং কুলুপ গুলো দ্বিতীয় বাস্কেটে ফেলতে হবে।


☞ আল্লাহর রসূল সঃ বলেছেন—

পৃথিবী যখন শেষ হবে, কুফরি কালামে ভরে যাবে। তাই এই বাস্কেটের সব বর্জ্য পুড়িয়ে ছাই করে ফেলতে হবে অথবা মাটির গভীরে পুতে ফেলতে হবে।


এরপরও যদি মল বের হতে থাকে -

তখন কটনের আগায় কর্পূর বেশী দিয়ে জায়গা আটকে দেবো মলদ্বারে ঢুকিয়ে দিবো। যাতে কাফন নষ্ট না হয়।

যারা লাশ বহন করে নিয়ে যাবে তাদের কষ্ট না হয়।


⚰️ গুপ্তাঙ্গ পরিষ্কার করার জন্য আমরা মাইয়্যাতের মা/মেয়ে/বোন /ছেলের বৌ-এর সাহায্য নেবো।


কিন্তু লোম (বগলের /নাভীর নীচের) কাটা যাবেনা।

নখ কাটা যাবেনা।


⚰️ মাইয়্যাতের পেশাবের জায়গা থেকে টেনে একটা করে কুলুপ  মলদ্বার পর্যন্ত ৩ বার টেনে আনতে হবে। 


যদি ময়লা লেগে থাকে—

প্রথম বারেই হাতের তালুর ঠিক মাঝখানে নাভী রেখে ডান দিকে ৩ বার, ও বাম দিকে ৩ বার (clock wise and anti clock wise)করে নাভীর চারপাশে হাত ঘোরাতে হবে।


🚫 প্রচলিত নিয়মে মুর্দাকে উঠিয়ে বসিয়ে পেটে চাপ দেয়া যাবেনা।


▪️এরপর আমরা ওজুর গোসল যেভাবে করি,

ঠিক সেভাবে ওজুর অঙ্গ গুলো আগে ধুয়ে  গোসল করাতে হবে।


❑ ওজুর প্রথম ধাপ—

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

প্রথমে ডান হাত তিনবার কব্জি পর্যন্ত ধোয়াতে হবে। এরপর বাম হাত।

মুর্দাকে কুলি করানো সম্ভব নয়।

তাই হাতে পানি নিয়ে ফেলে দিয়ে শাহাদাৎ আঙ্গুলি / তর্জনী দিয়ে মুখের ডানদিকে ১ বার, ও বাম দিকে ১ বার পরিষ্কার করতে হবে। এভাবে ৩ বার পরিষ্কার  করতে হবে। 


যদি পান / জর্দা খাওয়ার অভ্যাস থাকে তাহলেও মুখে বেশি ঘষামাজা করা যাবেনা।


▪️এরপর নাকে বাম হাতের বৃদ্ধা ও কনিষ্ঠ আঙুল দিয়ে নাকের দুই ছিদ্র  ৩ বার সাফ করতে হবে। 

চাইলে নাক কটন বাড দিয়েও সাফ করা যাবে।


▪️তিনবার ডান হাত দিয়ে মুখমন্ডল মুছে নিতে হবে।

▪️চোখের কোনা সাফ করতে হবে। 


▪️শরীরের নীচের পরশন পরিষ্কার করবে তারা শুধু কোমর থেকে নীচ পর্যন্ত ধোবে। যারা মাথার কাছে থাকবে, তারা শুধু উপরের অংশ নাভী পর্যন্ত ধোবে।


▪️এবার মাথা মাসেহ করবে।

দুই হাতের কনিষ্ঠ ও অনামিকা  আঙুল দিয়ে কপাল থেকে পুরা চুল মাসেহ করতে হবে। 


শাহাদাত আঙুল দিয়ে কানের প্যাচ গুলো, 

বুড়ো আঙুল দিয়ে কানের পিছনে,

মধ্যমা ও বৃদ্ধা আঙুল দিয়ে কানের লতি পরিষ্কার করতে হবে। 

ঘাড় মাসেহ করার প্রয়োজন নেই। 


☞ এরপর গোসলের পর্ব—

❑ মুসলিম মৃত নারীরকে গোসল পর্ব - (৪)

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

যেখানে গোসল করাবেন উপরে যেন ছাদ থাকে।

চারিদিকে যেন বেড়া থাকে।

পানির লাইন যেন কাছে থাকে।

জায়গা প্রশস্ত হলে ভালো হয়।


🚫 আগরবাতি গোবর শুকিয়ে বানায়-সাথে একটু পারফিউম মিক্সড করে দেয়-তাই আগরবাতি জালাবেন না।


🚫 মশারীর নীচে গোসল করানো বিদআত। এটা করা যাবেনা।

🚫 মৃতদেহের চোখে সুরমা লাগাবেন না।

🚫 জর্দা যদি থেকে যায় মৃতদেহের মুখে তাহলে গোসল হবেনা।


🚫 মাইয়্যাতের হাতে নেইলপালিশ লাগানো আছে কিনা চেক করুন। রিমুভ করুন।

🚫 পিরিয়ডের সময় ও হাতে নেইলপালিশ লাগানো থেকে বিরত থাকুন। কারণ কেউ জানেনা মৃত্যু কখন আসবে, পিরিয়ড শুরু হলেও মৃত্যু হয়, হতে পারে।


▪️ওজু শেষ হলে কোন উৎসুক জনতাকে মাইয়্যাতের মুখ দেখতে দিবেন না।

সে যেই হোক। আমি স্ট্রিক্টলি দেখতে দেবোনা।

প্রথম কাজ হচ্ছে প্রত্যেকের হাতে প্যাচানোর জন্য চারটা বড় ওড়না জড়িয়ে বেধে নেবো।

চাইলে গ্লোবসও নেয়া যায় তবে এতে অর্থের অপচয় হয় এবং  গ্লোবস পোড়ানোর সময় পরিবেশ দূষণ হবে। তাই ওড়নার কাপড় নেয়া ভালো।


আমার হাত সরাসরি যেন ডেডবডির গায়ে না লাগে।

তাই ওড়না দিয়ে হাত বেধে নেবো। 


এবার মাইয়্যাতের উপরের পরশন, লোয়ার পরশন, লেফট্ পরশন ও রাইট পরশনে লোক ভাগ করে দেবো।


🚫 যিনি উপরের অংশ ধোয়াবেন,

তিনি কোন অবস্থায় নীচের অংশে যাবেন না।


পিছনে অনেক সময় স্টুল /মল থাকে।

এটা দেখবে লোয়ার পরশনে যারা থাকবে শুধু তারা।


প্রথম ধাপে শরীরের কোথায় কোথায় সূচ আছে, ক্যাথেটার আছে সব রিমুভ করবো।


🚫 সব দায়িত্ব আপনি নেবেন না।

নার্স ডাকবেন।

যদি মাইয়্যাত লিভার সিরোসিস এর হয়-

তবে রস ঝড়তেই থাকে একটু একটু করে। 


যে মানুষটা মারা গেছেন, তার ক্যানসার আছে কি না, জেনে নেবো।

☞ মাইয়্যাতের ব্লিডিং শুরু হতে পারে -

কি করবো তখন?


- কটনটা কেটে ভাজ করে তার মধ্যে একটু বেশী কর্পূর দিয়ে ব্লাডকে আটকে দিবো।


▪️লিভার সিরোসিস হলে পুজ সদৃশ ব্লাড বের হবে।

ভয় পাবোনা ইনশাআল্লাহ। 

▪️ল্যাপ্রোস্কোপি করে মারা গেলে ফুটোটা থেকে যায়-

তখন কি করব?


-কটন/তুলা ভাজ করে কর্পূর লাগিয়ে সেখানে আটকে দেবো।


ঘরে সবসময় তায়াম্মুমের মাটি রাখবেন।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আমাকে যে মাটি দিয়ে তৈরি করেছেন।

সূরা মায়েদার ৬ নং আায়াতে তার প্রমান -

সেই প্রমান এখন আপনি পাবেন।


—কিভাবে?


-এক মুঠো মাটি নিয়ে অনবরত ঝড়ে পরা মল আটকে দিবেন।

আচ্ছা এতো পাতা থাকতে বরই পাতা কেন লাগবে?


—কারণ, বরই পাতার এমন একটি সাইন্টিফিক ভ্যালু আছে যা শরীরকে অন্যরকম করে দেয়। 


নাভীটাকে বিসমিল্লাহ বলে -

নাভীর মিডল পয়েন্টে horizontally এবং ক্লক ওয়েরি 

একটু হাত দিয়ে মেসেজ করতে হবে।


▪️নাভীর নীচের অংশ পরিষ্কার করার জন্য মাই্য়্যাতের মেয়ে/বোন/ছেলের বৌ/নিকট আত্মীয় হলে ভালো হয়।


▪️বিশ পচিশটা কুলুপ বানিয়ে ট্রেতে রাখবো।


🚫 প্রচলিত নিয়মে মাইয়্যাতকে ব্যায়াম করানোর কোন অধিকার আমার নাই। পেটে এভাবে চাপ দিয়ে মল বের করা যাবেনা।


একটা বাস্কেটে পরিধেয় কাপড় ফেলবো-

আরেকটা বাস্কেটে কুলুপ ফেলবো।


▪️মলদ্বার ভালো করে সাফ করে ওজু করিয়ে সমস্ত শরীরে সাবান মাখাবো।


একজন গ্রেটার দিয়ে কুচি কুচি করে সাবান কেটে একটা বাটিতে নেবো।


- লিকুইড সাবান ইউস না করা ভালো। 


▪️একজন মাথায় সাবান মাখবে।

▪️২/১ জন হাতে কাপড় বেধে সমস্ত শরীরে কাধ থেকে পিঠ নাভীর উপর পর্যন্ত কর্পূর ও বরই পাতা মেশানো গরম পানি দিয়ে ধোব।

কাত করবো ডান ও বাম দিকে। 


কাত করে পিঠের একপাশ করে করে ধোব। হাতে সাবান লাগিয়ে নেবো।


▪️শরীর কিচ্ছু নেবেনা। দুনিয়ার কিচ্ছু না।

এমনকি এই দুনিয়ার ময়লাও না।

এভাবে সাবান ও বরই পাতা মেশানো পানি দিয়ে পায়ের আঙুল, হাতের আঙুল সব ময়লা বের হয়ে আসবে।


❑ মুসলিম মৃত নারীরকে গোসল পর্ব - (৫)

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

▪️কুলুপের কাপড়, সাহায্য কারীদের হাতে পেচানো কাপড় ইত্যাদি মৃত ব্যক্তির গোসল ও কাফনের ব্যবহৃত ফেলে দেয়ার জিনিস পত্র সব কিছু একত্রিত করে কেরোসিন বা কোন দাহ্য পদার্থের সাহায্যে পুড়িয়ে ছাই করে দিন। 

যাতে কেউ এগুলোর সাহায্যে কুফরি করতে না পারে।


▪️কাফন পড়ানোর পর গোলাপজল ছিটাবেন না।

ফুলের তোড়া, ফুল দিবেন না।


▪️কাফনের উপর দুয়া লিখবেন না।

▪️মুর্দা গোসল করালে গোসল ফরজ না। নাপাকী লাগলে গোসল করতে পারেন।


🚨 সতর্কতা—

▬▬▬▬▬▬☞

১/মুর্দার খারাপ কিছু দেখলে আলোচনা করবেন না।

২/শুধু মাত্র যারা গোসল করাবেন তারাই থাকবেন।

উৎসুক জনতাকে দেখতে দিবেন না।মুর্দার ব্যপারে যেন কন গীবত না হয়।

৩/আতর, সুরমা, জাফরান ব্যবহার নিষিদ্ধ। 

৪/কাফনের উপর আলাদা চাদর দিয়ে ঢেকে দিবেন।

৫/কাফন পরানোর পর মাহরাম বাদে কোন পুরুষের সামনে মুখ খুলবেন না।

৬/গোসলের আগে পরে গোসলের সহায়তাকারীগণ। 

আনুষ্ঠানিক ভাবে কোন দুয়া মোনাজাত করবেন না।

৭/মুর্দা গোসল করানোর পর শরীরে নাপাকি না লাগলে 

সাহায্য কারী গণের গোসল ফরজ না। 


গোসল না করে ঘরে ঢোকা যাবেনা, এ ধারনা ভুল। 

চাইলে আপনি গোসল করতে পারেন।


৮/যেখানে গোসল করানো হয়েছে, সেখানে কন রকম বাতি জ্বালিয়ে রাখবেন না।


❑ উক্ত আলোচনার কোন তথ্য ভুল পেলে অনুগ্রহ পূর্বক আমাকে জানাবেন।

তাইবাহ একাডেমির লেকচার থেকে নেয়া।

— আসমা খাতুন


▪️আপনার মহা-উপকারের জন্য পেইজটা ফলো দিয়ে রাখবেন।

▪️ডিপ্রেশন?

▪️জ্বীনের সমস্যা? 

▪️সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন?

▪️ইসলামিক সমাধান দরকার?

▪️ইসলামের যে কোনো বিষয়ের সমাধানসহ মাসয়ালা জানতে Guidelines to Jannah কে ফলো দিয়ে রাখুন।


📬 আপনার যে কোনো সমস্যার সমাধান পেতে আমাদের SMS করুন।

পুরুষের প্রজনন অঙ্গ সম্পর্কে জানা কেন দরকার

 🔍 পুরুষের প্রজনন অঙ্গ সম্পর্কে জানা কেন দরকার?


পুরুষের প্রজনন অঙ্গগুলো শুধু সন্তান জন্মদানের সাথেই জড়িত নয়—এগুলো শরীরের গুরুত্বপূর্ণ হরমোন তৈরি, যৌনস্বাস্থ্য এবং সামগ্রিক শারীরিক সুস্থতার সাথেও গভীরভাবে সম্পর্কিত। নিজের শরীরের গঠন ও কাজ সম্পর্কে ধারণা থাকলে অনেক সমস্যাকে শুরুতেই চিহ্নিত করা সম্ভব হয়।


📌 ছবিতে যে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলো দেখা যায়—


🔹 Testicles (অণ্ডকোষ) – এখানে শুক্রাণু তৈরি হয় এবং পুরুষ হরমোন টেস্টোস্টেরন উৎপন্ন হয়।

🔹 Epididymis – অণ্ডকোষে তৈরি হওয়া শুক্রাণু এখানে জমা থাকে এবং ধীরে ধীরে পরিপক্ব হয়।

🔹 Vas Deferens – এটি একটি নালি যা শুক্রাণুকে অণ্ডকোষ থেকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যায়।

🔹 Seminal Vesicle – একটি বিশেষ তরল তৈরি করে যা শুক্রাণুর সাথে মিশে বীর্যের অংশ হয়।

🔹 Prostate Gland – বীর্যের তরল তৈরিতে সহায়তা করে এবং প্রজনন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

🔹 Urethra – এই নালির মাধ্যমে প্রস্রাব ও বীর্য শরীরের বাইরে বের হয়।


⚠️ কিছু লক্ষণ দেখা দিলে গুরুত্ব দিন—


❗ অণ্ডকোষে ব্যথা বা অস্বাভাবিক ফোলা

❗ প্রস্রাবের সময় জ্বালা বা ব্যথা

❗ অস্বাভাবিক স্রাব

❗ যৌনক্ষমতায় হঠাৎ পরিবর্তন

❗ অণ্ডকোষে শক্ত গাঁট বা অস্বাভাবিক কিছু অনুভব হওয়া


👉 এ ধরনের লক্ষণ দেখা গেলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।


✅ নিজের শরীর সম্পর্কে জানুন, সচেতন থাকুন এবং স্বাস্থ্য সম্পর্কে অন্যদেরও জানাতে সাহায্য করুন।


___ Asha Mondal 


#MensHealth

#MaleHealthAwareness

#KnowYourBody

#HealthEducation

#MensCare

#StayHealthy

কিছু আরবী নামের অর্থ

 ১. রিয়া( Ria)

রিয়া নামটি অনেক ক্ষেত্রে আরবি শব্দ “রিয়া (Riya)” থেকে এসেছে, যার অর্থ লোক দেখানো বা প্রদর্শনমূলক কাজ।

ইসলামী দৃষ্টিতে রিয়া মানে মানুষের প্রশংসা পাওয়ার জন্য ইবাদত করা, যা নেতিবাচক অর্থ বহন করে।

নামের অর্থ মানুষের ব্যক্তিত্বের সাথে মানসিক প্রভাব ফেলতে পারে বলে ভালো অর্থের নাম রাখা উত্তম।

তাই সুন্দর শোনালেও অর্থগত কারণে অনেকেই এই নামটি রাখা থেকে বিরত থাকতে পরামর্শ দেন।


২. জাইফা (Zaifa)

অর্থ: দুর্বল, শক্তিহীন বা ভঙ্গুর নারী।

নামের মাধ্যমে সাধারণত ভালো গুণ বা শক্তির পরিচয় দেওয়া হয়। কিন্তু এই নামটি ব্যক্তিত্বের দুর্বলতা নির্দেশ করে। শিশুর জন্য এমন অর্থের নাম রাখা ইতিবাচক আত্মপরিচয় গঠনে সহায়ক নয় বলে অনেকেই মনে করেন।


৩. মাইসা (Maisa)

অর্থ: অহংকার ভরে দুলে দুলে হাঁটা।

আরবি ভাষায় এই শব্দটি এমন ব্যক্তিকে বোঝায় যে নিজ সৌন্দর্য বা অবস্থান নিয়ে গর্ব প্রকাশ করে হাঁটে। ইসলামে অহংকার (কিবর) বড় গুনাহ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাই অর্থগত কারণে এই নাম এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়।


৪. গাদিরা (Ghadira)

অর্থ: বিশ্বাসঘাতক বা প্রতারণাকারী নারী।

নামের অর্থ সরাসরি নেতিবাচক চরিত্র প্রকাশ করে। বিশ্বাসঘাতকতা ইসলামে কঠোরভাবে নিন্দিত। তাই এমন অর্থ বহনকারী নাম ব্যক্তিত্বের সাথে সাংঘর্ষিক মনে করা হয়।


৫. আসিয়া (Asiya – শব্দমূল অর্থ অনুযায়ী)

অর্থের একটি দিক: অবাধ্য বা বিদ্রোহী নারী।

যদিও ইতিহাসে ফেরাউনের স্ত্রী আসিয়া (আ.) অত্যন্ত সম্মানিত নারী, কিন্তু আরবি শব্দমূল বিশ্লেষণে “আসিয়া” শব্দের একটি অর্থ অবাধ্যতা বোঝায়। তাই নাম রাখার সময় অনেকে অর্থের দিকটিও বিবেচনা করেন।


৬. শাহিনা (Shahina)

অর্থ: শিকারি বাজপাখি।

বাজপাখি শক্তিশালী হলেও এটি শিকার ও আক্রমণের প্রতীক। ইসলামী নামকরণে সাধারণত কোমলতা, দয়া ও সৌন্দর্যের অর্থকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। তাই কিছু আলেম প্রাণীর হিংস্র বৈশিষ্ট্য বোঝায় এমন নাম নিরুৎসাহিত করেন।


৭. নাহিদ (Nahid)

অর্থ: প্রাচীন ফারসি সংস্কৃতির এক নারী দেবীর নাম।

ইসলামে আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো দেবতা বা দেবীর নাম ব্যবহার করা সমর্থনযোগ্য নয়। যদিও অনেকেই অর্থ না জেনে নাম রাখেন, কিন্তু এর ঐতিহাসিক উৎস ধর্মীয়ভাবে উপযুক্ত নয়।


৮. লামিয়া (Lamia)

অর্থ: পুরাতন কাহিনীতে এক ভয়ংকর নারী দানবের নাম।

আরবি ও গ্রিক সাহিত্যিক গল্পে “লামিয়া” এমন এক চরিত্র, যাকে শিশু ভক্ষক দানব হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তাই অর্থগতভাবে এটি ইতিবাচক নয়।


৯. রানিয়া (Rania)

অর্থের একটি দিক: দীর্ঘ সময় তাকিয়ে থাকা বা লোভাতুর দৃষ্টিতে চাওয়া।

যদিও আধুনিক সময়ে নামটি জনপ্রিয়, কিন্তু শব্দমূলের একটি অর্থ নেতিবাচক মানসিক অবস্থার ইঙ্গিত দেয়। তাই অর্থ যাচাই করে নাম রাখা উত্তম।


১০. সামিরা (Samira)

অর্থ: রাত জেগে গল্প বা আড্ডা দেওয়া।

রাত জাগা নিজে খারাপ নয়, তবে শব্দটি সাধারণত অপ্রয়োজনীয় আলাপ বা সময় নষ্টের সাথে যুক্ত। ইসলামে সময়ের সঠিক ব্যবহারকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, তাই কিছু আলেম এটিকে আদর্শ নাম মনে করেন না।


১১. লায়লা (Layla)

অর্থ: গভীর অন্ধকার রাত।

নামটি সাহিত্য ও প্রেমকাহিনীতে জনপ্রিয় হলেও মূল অর্থ অন্ধকারকে বোঝায়। ইসলামী নাম নির্বাচনে সাধারণত আলো, নূর, সৌন্দর্য বা কল্যাণের অর্থ বেশি পছন্দ করা হয়।

১২. জারিনা (Zarina)


অর্থ: রানী বা রাজকীয় নারী।

অর্থ শুনতে সুন্দর হলেও এতে ক্ষমতা ও গর্বের ধারণা জড়িত থাকে। ইসলামে অতিরিক্ত আত্মগর্ব নিরুৎসাহিত, তাই অনেক আলেম বিনয়ী অর্থের নামকে বেশি গুরুত্ব দেন।


১৩. তাবাসসুম (Tabassum)

অর্থ: হাসি বা মুচকি হাসা।

অর্থ খারাপ নয়, তবে এটি গভীর চরিত্রগত গুণ নির্দেশ করে না। অনেক সময় শুধু আধুনিক শোনায় বলে রাখা হয়, অথচ ইসলামীভাবে অর্থবহ নামকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।


১৪. ফারিহা (Fariha)

অর্থ: আনন্দিত বা অতিরিক্ত খুশি।

কুরআনে এমন আনন্দের সমালোচনা আছে যা অহংকার বা আত্মতুষ্টির দিকে নিয়ে যায়। তাই অর্থের একটি দিক সতর্কতার বিষয় হিসেবে দেখা হয়।


১৫. উলাইমা (Ulaima)

অর্থ: নিজেকে জ্ঞানী ভাবা বা ছোট জ্ঞানী (ব্যাখ্যাভেদে)।

নামের মাধ্যমে আত্মপ্রশংসা বা নিজেকে বড় ভাবার ইঙ্গিত ইসলামী আদর্শের সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। বিনয় প্রকাশ করে এমন নামকে বেশি উত্তম ধরা হয়।

বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬

জীবনে এগিয়ে থাকার ৪১টি ছোট কিন্তু শক্ত নিয়মঃ

 ♦️জীবনে এগিয়ে থাকার ৪১টি ছোট কিন্তু শক্ত নিয়মঃ


১. গোপনীয়তাই শক্তি—সবাইকে সবকিছু জানাতে নেই।

২. একাকীত্বকে ভয় নয়, শক্তি বানাও।

৩. সুখ-দুঃখ সবই ক্ষণস্থায়ী—বিনয়ী থাকো।

৪. সবাই নিজের লড়াই লড়ছে—সদয় হও।

৫. জীবনসঙ্গী বেছে নাও মূল্যবোধ দেখে।

৬. মানসিক শান্তিকে অগ্রাধিকার দাও।

৭. ফোকাস থাকলে সময়ই যথেষ্ট।

৮. সময় দাও শুধু যারা তোমাকে মূল্য দেয়।

৯. সম্মান নেই যেখানে, সেখানে থেকো না।

১০. নিজেকে ভালোবাসা দায়িত্বের অংশ।

১১. যারা তোমার বোঝা হালকা করে, তাদের ধরে রাখো।

১২. বন্ধু বেছে নাও বুঝে।

১৩. শান্তিই সবচেয়ে দামি সম্পদ।

১৪. ভালোবাসার পেছনে দৌড়াও না—নিজেকে গড়ো।

১৫. এমন সঙ্গী খুঁজো যে তোমাকে এগিয়ে নেয়।

১৬. ভুল থেকে শিক্ষা নাও।

১৭. তোমার সঙ্গী যেন তোমাকে নিয়ে গর্ব করে।

১৮. কঠিন সময়েও হাল ছাড়ো না।

১৯. ক্লান্ত হলে বিশ্রাম নাও, থেমো না।

২০. মাঝে মাঝে আড়ালে গিয়ে নিজেকে শক্ত করো।

২১. সফলতা ও ব্যর্থতা—দুটো থেকেই শেখো।

২২. কম আশা = বেশি শান্তি।

২৩. ইতিবাচক থাকো।

২৪. চেষ্টা চালিয়ে যাও।

২৫. পারস্পরিক প্রচেষ্টা সম্পর্ককে শক্ত করে।

২৬. যেখানে মূল্য নেই, সেখান থেকে সরে যাও।

২৭. সাহায্য না পেলে নিজেই পথ তৈরি করো।

২৮. নিজের উন্নতিতে বিনিয়োগ করো।

২৯. খোলামেলা আলোচনায় ভুল বোঝাবুঝি কমে।

৩০. “কাল করব” মানে দেরি—আজই শুরু করো।

৩১. প্রতিদিন আগের চেয়ে ভালো হও।

৩২. ধৈর্য অনেক সময় সবচেয়ে বড় শক্তি। 

৩৩. সবাই তোমাকে বুঝবে না—এটাই স্বাভাবিক।

৩৪. নিজেকে সারিয়ে তোলো।

৩৫. কম কিন্তু সত্যিকারের বন্ধু রাখো।

৩৬. সাময়িক মানুষকে স্থায়ী জায়গা দিও না।

৩৭. নিজের পায়ে শক্ত হয়ে দাঁড়াও।

৩৮. মাঝে মাঝে নিজেকে নতুন করে গড়তে হারিয়ে যাও।

৩৯. পরিবর্তন সবাই মেনে নিতে পারে না।

৪০. অন্যদের প্রমাণ নয়—নিজেকে উন্নত করো।

৪১. যে জায়গা একসময় ভেঙে দিয়েছে, সেখানে আর ফিরে যেও না।


সামনে এগিয়ে যাও, তোমার জীবনের সেরা দিনগুলো এখনও আসেনি। 


🌸 ভালো লাগলে Like 👍, Comment ✍️ ও Share 🧑‍করুন।

সময় দিয়ে পড়ার জন্য ধন্যবাদ ❤️


#সংগৃহীত 


#selfconfidence #positivevibes

#motivational #successstory #success  #smartwork #লক্ষ্যপথ #selfimprovement   #BanglaInformation #BanglaWriting #প্রেরণা

#lifelessons  #SmartWork

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ১৭-০৩-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ১৭-০৩-২০২৬ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


পহেলা বৈশাখে টাঙ্গাইল সদর থেকে ‘কৃষক কার্ড’ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।


ঈদের ছুটির সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে মন্ত্রীদের বিশেষ নজরদারির নির্দেশনা তারেক রহমানের।


ঈদ উপলক্ষ্যে টানা সাত দিনের সরকারি ছুটি শুরু --- পরিবারের সাথে ঈদ করতে রাজধানী ছাড়ছেন ঘরমুখো মানুষ।


ঈদযাত্রা সুষ্ঠু, সুন্দর ও নির্বিঘ্ন করতে সারাদেশে মোতায়েন থাকবে পুলিশের সব ইউনিটের ফোর্স --- জানালেন পুলিশ মহাপরিদর্শক।


শেষ মুহূর্তের কেনাকাটায় জমজমাট ঈদ বাজার --- ফুটপাত থেকে শপিংমল সবখানে ভিড় ক্রেতাদের। 


ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা প্রধান আলী লারিজানিকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের --- এখনো নিশ্চিত করেনি তেহরান।


এবং পার্থে প্রথম সেমি-ফাইনালে চীনকে দুই-এক গোলে পরাজিত করে এএফসি নারী এশিয়ান কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠলো অস্ট্রেলিয়া।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ১৭-০৩-২০২৬

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ১৭-০৩-২০২৬

আজকের সংবাদ শিরোনাম: 

দিনাজপুরের কাহারোলের সাহাপাড়া থেকে দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন --- মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটানোই বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য --- বললেন প্রধানমন্ত্রী।

দিনাজপুরে কৃষি প্রক্রিয়াজাত শিল্প কারখানা গড়ে তোলা হবে --- সুধি সমাবেশে বললেন তারেক রহমান --- সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ফ্রি ওয়াই-ফাই সেবার উদ্বোধন।

খাল খনন কর্মসূচি নিয়ে কোন সিন্ডিকেট তৈরি করতে দেওয়া হবে না – জানালেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।

পালিত হলো পবিত্র লাইলাতুল কদর --- দেশবাসীসহ মুসলিম উম্মাহকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা।

পবিত্র ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে মানুষের বাড়িফেরা অব্যাহত --- টানা ৭ দিনের সরকারি ছুটি শুরু আজ।

পাকিস্তান কাবুলে একটি হাসপাতালে হামলা চালিয়ে চারশো জনকে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ আফগানিস্তানের।

এবং আজ এএফসি-নারী এশিয়ান কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের প্রথম সেমি-ফাইনালে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে চীন।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ১৬-০৩-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ১৬-০৩-২০২৬ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


দিনাজপুরের কাহারোলের সাহাপাড়া থেকে দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন --- মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটানোই বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য --- বললেন প্রধানমন্ত্রী।


জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে আগামী মাসের মধ্যে কৃষক কার্ড দেওয়া হবে --- সুধি সমাবেশে বললেন তারেক রহমান।


খাল খনন কর্মসূচি নিয়ে কোন সিন্ডিকেট তৈরি করতে দেওয়া হবে না – জানালেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।


আজ রাতে পালিত হচ্ছে পবিত্র লাইলাতুল কদর --- দেশবাসীসহ মুসলিম উম্মাকে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা।


পবিত্র ঈদ-উল ফিতর উপলক্ষে মানুষের বাড়িফেরা অব্যাহত --- টানা ৭ দিনের সরকারি ছুটি শুরু আগামীকাল।


শত্রুদের জন্য হরমুজ প্রণালী বন্ধ ঘোষণা তেহরানের --- প্রণালীটি উন্মুক্ত করতে ব্যর্থ হলে ন্যাটোর ভবিষ্যত খারাপ হবে --- বললেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।


এবং আগামীকাল এএফসি-নারী এশিয়ান কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের প্রথম সেমি-ফাইনালে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হবে চীন।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ  ১৬-০৩-২০২৬

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ  ১৬-০৩-২০২৬

আজকের সংবাদ শিরোনাম:


আজ দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলা থেকে দেশের ৫৩টি খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।  


দেশের ১২টি সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের পাঁচ হাজার টাকা করে ঈদ উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী।  


গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করার আগে সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে -- সংসদে বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।   


পেট্রোল, অকটেন এবং ডিজেল বিক্রির ক্ষেত্রে রেশনিং ব্যবস্থাসহ সব ধরণের বিধিনিষেধ প্রত্যাহার -- জানালেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী। 


উন্নত চিকিত্সার জন্য সিঙ্গাপুর নেওয়া হলো প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাসকে। 


তেহরান যুদ্ধবিরতি আলোচনা চায় -- ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন দাবি প্রত্যাখ্যান করলেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।  


এবং গতকাল মিরপুরে তৃতীয় ও শেষ একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে পাকিস্তানকে ১১ রানে হারিয়ে দুই-এক ব্যবধানে সিরিজ জিতে নিলো বাংলাদেশ।

মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬

প্রধান মন্ত্রীর এখানে ২৮ দিনে নেওয়া প্রধান পদক্ষেপগুলো তুলে ধরা হলো,,,,,, BNP ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 প্রধানমন্ত্রীর ২৮ দিনের ২৮ পদক্ষেপ: এক অভূতপূর্ব কর্মযজ্ঞ


আজ ১৭ মার্চ। ঠিক এক মাস আগে, জনগণের ভোটে নির্বাচিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠন করে। মাত্র ২৮ দিনে, রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি মুহূর্তে তিনি নির্বাচনী অঙ্গীকার পূরণে নিরলসভাবে কাজ করেছেন। এই পদক্ষেপগুলো শুধু প্রশাসনিক কার্যক্রম নয়, এটি জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার স্পষ্ট প্রতিফলন।


এখানে ২৮ দিনে নেওয়া প্রধান পদক্ষেপগুলো তুলে ধরা হলো, যা সামাজিক সুরক্ষা, অর্থনীতি, প্রশাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় মূল্যবোধের প্রতিটি অঙ্গনকে আলোকিত করেছে।


সামাজিক সুরক্ষা ও মানবিক সহায়তা:

১. ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি – ৩৭,৫৬৭ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হয়েছে, প্রতিটি কার্ডে মাসিক ২,৫০০ টাকা সহায়তা। মাত্র ২১ দিনে বাস্তবায়ন, সরকারের মানবিক অগ্রাধিকারের উদাহরণ।

২. ইমাম, মুয়াজ্জিন ও ধর্মীয় সেবকদের সম্মানী – ৪,৯০৮ মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন, ৯৯০ মন্দিরের পুরোহিত, ১৪৪ বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ এবং ৩৯৬ গির্জার যাজক ও পালকরা মাসিক সম্মানী পাচ্ছেন।

৩. ঈদে ত্রাণ ও উপহার বিতরণ – নির্বাচনী এলাকার অসহায় ও গরিবদের জন্য শাড়ি, থ্রিপিস ও হাজি রুমাল বরাদ্দ। সকল পরিচ্ছন্নতা কর্মীর জন্য ঈদ উপহার।

৪. প্রাতিষ্ঠানিক জাকাত ব্যবস্থা – দরিদ্রদের কাছে সম্পদ পৌঁছানো ও কল্যাণমূলক কার্যক্রমে সহায়তার জন্য আলেম মাশায়েখদের সাথে আলোচনার প্রেক্ষিতে প্রাতিষ্ঠানিক জাকাত ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ।

কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতি:

৫. কৃষক কার্ড ও কৃষিঋণ মওকুফ – প্রায় ২৭,০০০ কৃষককে বহুলপ্রত্যাশিত কৃষক কার্ড প্রদানের মাধ্যমে শীঘ্রই কার্যক্রম শুরু, প্রায় ১২ লাখ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত ঋণ মওকুফ, নতুন উদ্যমে চাষাবাদে সহায়তা।

৬. দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি – ২০,০০০ কিলোমিটার খাল ও জলাশয় খনন, ইতোমধ্যে ৫৪ জেলায় শুরু। সেচ উন্নত হবে, জলাবদ্ধতা কমবে, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে।

প্রশাসনিক সংস্কার ও সুশাসন:

৭. সাপ্তাহিক অফিস ও অফিস সময় – প্রধানমন্ত্রী শনিবারও অফিস করছেন; কর্মকর্তাদের সকাল ৯টার মধ্যে উপস্থিতি বাধ্যতামূলক।

৮. ভিভিআইপি প্রটোকল হ্রাস – প্রধানমন্ত্রীর অতি সাধারণ চলাফেরায় ট্রাফিক ব্যবস্থায় নজিরবিহীন পরিবর্তন, জনগণও ট্রাফিক আইন মেনে চলতে উৎসাহিত।

৯. বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা সীমিত – উপস্থিত থাকবেন একজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী, চিফ হুইপ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব।

১০. এমপিদের বিশেষ সুবিধা বাতিল – শুল্কমুক্ত গাড়ি ও সরকারি প্লট গ্রহণ না করার ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত, যার ফলে রাষ্ট্রীয় ব্যয় কমবে, জনগণের আস্থা পুনঃস্থাপিত হবে।

অর্থনীতি ও বাজার স্থিতিশীলতা:

১১. বাজার মনিটরিং ও জ্বালানি স্থিতিশীলতা – রমজান ও ঈদে মূল্যবৃদ্ধি রোধ, বৈশ্বিক জ্বালানি অস্থিতিশীলতার মাঝেও বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল রাখতে স্পট এলএনজি ক্রয়।

১২. বিদেশি বিনিয়োগ সহজীকরণ – ১০০ কোটি টাকা পর্যন্ত বিদেশি বিনিয়োগ প্রত্যাবাসনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পূর্বানুমোদনের বাধ্যবাধকতা তুলে দেওয়া।

১৩. শ্রমিকদের বেতন ও বোনাস নিশ্চিতকরণ – সব শিল্পকারখানার শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাস সময়মতো পরিশোধ। পোশাকসহ রপ্তানিমুখী শিল্পে ২,৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ।

১৪. রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু – পর্যায়ক্রমে সরকারি মালিকানাধীন বন্ধ কারখানা ও শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো চালু করে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি।

১৫. স্থানীয় উদ্যোগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি – স্বল্প ব্যবহৃত ইকোনমিক জোন, ইপিজেড, বিসিক এলাকা, হাই-টেক পার্ক ও ইন্ডাস্ট্রি ক্লাস্টারের তালিকা প্রস্তুত করে সেখানে সম্ভাবনাময় ব্যবসা ও স্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে ইকোসিস্টেম তৈরী শুরু। 

শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন:

১৬. পুনর্ভর্তি ফি বাতিল ও লটারী বাতিল – প্রতি বছর পুনরায় ভর্তি ফি বাতিল; লটারীর পরিবর্তে আধুনিক ভর্তি পরীক্ষা বা সাক্ষাৎকার, শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত ।

১৭. বিদেশে উচ্চশিক্ষায় সহায়তা – রাষ্ট্রীয় অর্থনৈতিক সহায়তায় সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা জামানতবিহীন ব্যাংক গ্যারান্টি।

১৮. ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ – ৯,০০০ শিক্ষক নিয়োগ, নৈতিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ জোরদার।

১৯. ক্রীড়া উন্নয়ন ও নতুন কুঁড়ি কর্মসূচি – শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাঠ শিশু-কিশোরদের জন্য উন্মুক্ত; নতুন কুঁড়ি সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও কোরআন তেলাওয়াত উদ্যোগ; উপজেলা পর্যায়ে ৬টি খেলায় ৩ জন করে মোট ১৮ জন ক্রীড়া শিক্ষক নিয়োগ শুরু।

স্বাস্থ্য ও জনকল্যাণ:

২০. ই-হেলথ কার্ড ও চিকিৎসা কেন্দ্র – স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছাতে ই-হেলথ কার্ড চালু; ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ শুরু যার ৮০ ভাগ হবেন নারী।

২১. ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান – সাপ্তাহিক জাতীয় পরিচ্ছন্নতা অভিযান; স্থানীয় প্রশাসন ও কমিউনিটি সমন্বয়ে কার্যক্রম।

আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা:

২২. চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা – গোয়েন্দা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে, আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার।

২৩. নারীর নিরাপত্তা ও পিংক বাস – সম্পূর্ণ নারী পরিচালিত পিংক বাস চালুর নির্দেশ; সাইবার বুলিং প্রতিরোধ।

রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলা ও মূল্যবোধ:

২৪. রাষ্ট্রীয় ইফতার সীমিতকরণ ও বিদ্যুৎ সাশ্রয় – সরকারি অফিসে অর্ধেক ফ্যান ও এসি; অপচয় রোধে ইফতার সীমিত।

২৫. অবৈধ দোকান উচ্ছেদ – কক্সবাজার সুগন্ধা সি বিচে ২০ বছর পরে অবৈধ দোকানপাট উচ্ছেদ এবং দেশজুড়ে সমন্বিত উদ্যোগ।

২৬. শহীদ সেনা দিবস – ২৫ ফেব্রুয়ারি ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’ ঘোষণা ও পালনের পাশাপাশি পিলখানা হত্যাকাণ্ডের স্বচ্ছ বিচারে গুরুত্বারোপ। 

২৭. ঢাকা হয়রত শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল – উচ্চপর্যায়ের সভার মাধ্যমে এবং বহুপাক্ষিক আলোচনা ও কর্মকৌশল ঠিক করে দ্রুত তৃতীয় টার্মিনাল চালুর উদ্যোগ।

২৮. বিমানবন্দর ও চলন্ত ট্রেনে ফ্রি ইন্টারনেট – ঢাকা, চট্রগ্রাম ও সিলেটে শাহজালাল, শাহ আমানত ও এম এ জি ওসমানী বিমানবন্দরে উন্নত দেশের মতো ফ্রি ওয়াইফাই ব্যবস্থার নির্দেশ ও সৈয়দপুর বিমানবন্দরে উদ্বোধন। 


সরকার গঠনের প্রথম ২৮ দিনে নেওয়া পদক্ষেপগুলো তারেক রহমানের দৃঢ় নেতৃত্ব, অক্লান্ত পরিশ্রম এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার প্রতিফলন। তাঁর নেতৃত্ব এভাবেই সাধারণ মানুষের আশা ও অনুভূতিকে ধারণ করছে, স্বপ্ন ও আকাঙ্খাকে বাস্তবায়ন করছে। অভূতপূর্ব এ পথযাত্রা নতুন প্রজন্মকে দেশের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করবে, ইনশাআল্লাহ। 


তাই তো তিনি বলেন, 'সবাই মিলে করবো কাজ, গড়বো দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।'

শিশুর দাঁত ওঠার সময় সূচি

 1️⃣ বাচ্চার প্রথম দাঁত কখন ওঠে? 👉 সাধারণত ৬–১০ মাসে 👉 একটু আগে বা দেরিতে উঠলেও চিন্তার কিছু নেই ⚠️ ১৮ মাসেও দাঁত না উঠলে শিশু বিশেষজ্ঞ দে...