এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৫

পারভীন সুলতানা দিতি যিনি দিতি নামে বেশি পরিচিত (৩১ মার্চ, ১৯৬৫- ২০ মার্চ ২০১৬) একজন বাংলাদেশী

 পারভীন সুলতানা দিতি যিনি দিতি নামে বেশি পরিচিত

(৩১ মার্চ, ১৯৬৫- ২০ মার্চ ২০১৬) একজন বাংলাদেশী

অভিনেত্রী।বাংলাদেশের তুমুল জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী

জন্ম নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ে।তাঁর অভিনীত

১ম চলচ্চিত্র হল উদয়ন চৌধুরী পরিচালিত "ডাক দিয়ে

যাই"।৩১ বছরের অভিনয় জীবনে দুই শতাধিক ছবিতে

কাজ করেছিলেন দিতি। ১৯৮৭ সালে স্বামী স্ত্রী (১৯৮৭)

চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ "পার্শ্ব অভিনেত্রী"

বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। তিনি

সিনেমার পাশাপাশি টিভি নাটকেও অভিনয় করেছেন।

বেশ কিছু নাটকও পরিচালনা করেছেন তিনি।এছাড়াও

তিনি রান্নাবিষয়ক অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছেন।তাকে

অভিনয়ের বাইরে মাঝেমধ্যে গান গাইতেও দেখা গেছে।

প্রকাশিত হয়েছে তাঁর একক গানের অ্যালবামও। শুধু

তাই নয়, বিভিন্ন বিজ্ঞাপনচিত্রে মডেলও হয়েছেন তিনি।

১৯৮৪ সালে "নতুন মুখের সন্ধান" - এর মাধ্যমে দেশীয়

চলচ্চিত্রে দিতির সম্পৃক্ততা ঘটে। তাঁর অভিনীত প্রথম

চলচ্চিত্র উদয়ন চৌধুরী পরিচালিত "ডাক দিয়ে যাই"।

কিন্তু চলচ্চিত্রটি আর শেষ পর্যন্ত মুক্তি পায়নি। দিতি

অভিনীত মুক্তিপ্রাপ্ত ১ম চলচ্চিত্র ছিল "আমিই ওস্তাদ"।

চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছিলেন আজমল হুদা মিঠু।


সুভাষ দত্ত পরিচালিত স্বামী স্ত্রী (১৯৮৭) চলচ্চিত্রটিতে

দিতি আলমগীরের স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন।

এই সিনেমাতেই অভিনয় করে দিতি প্রথম বারের মতো

শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার

অর্জন করেন। পরবর্তীতে তাঁর অভিনীত উল্লেখযোগ্য

সিনেমা গুলোর মধ্যে রয়েছে - হীরামতি,দুই জীবন,ভাই

বন্ধু,স্নেহের প্রতিদান,শেষ উপহার,কাল সকালে,মেঘের

কোলে রোদ।


মৃত্যু : ২০ মার্চ ২০১৬ (বয়স ৫০), ঢাকা।


♦️তথ্য ও ছবি উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহীত।

কোন মন্তব্য নেই:

নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...