এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২২

শ্রেনী কক্ষে একদিন

 টিচার খুব আন্তরিকতার সাথেই পাশের মেয়েটাকে বললেন,

__জননী তোমার কি বিয়ে হয়েছে? 

"মেয়েটা একটু লজ্জা পেয়ে বলল"

__হ্যাঁ স্যার। আমার একটা দুই বছরের ছেলে

আছে।

.

টিচার চট করে দাঁড়ালেন। খুব হাসি হাসি মুখ নিয়ে বললেন, "আমরা আজ আমাদেরই একজনের প্রিয় মানুষদের নাম জানবো। এই কথা বলেই মেয়েটার দিকে তাকিয়ে বললেন,

.

__মা আজকে তুমিই টিচার। এই নাও চক, ডাষ্টার।

যাও তোমার প্রিয় দশ জন মানুষের নাম লেখো। মেয়েটা বোর্ডে গিয়ে দশ জন মানুষের নাম লেখলো। টিচার বললেন,

.

এরা কারা? তাদের পরিচয় ডান পাশে লেখো। মেয়েটা এদের পরিচয় লেখলো।

.

সংসারের সবার নামের পাশে দুই একজন বন্ধু, প্রতিবেশীর নামও আছে। টিচার এবার বললেন,

.

–লিষ্ট থেকে পাঁচ জনকে মুছে দাও। মেয়েটা তার প্রতিবেশী, আর ক্লাশমেটদের নাম মুছে দিলো।

টিচার একটু মুচকি হাসি দিয়ে বললেন, আরো তিন জনের নাম মুছো। মেয়েটা এবার একটু ভাবনায় পড়লো। ক্লাশের অন্য ষ্টুডেন্টরা এবার সিরিয়াসলি নিলো বিষয়টাকে। খুব মনযোগ

দিয়ে দেখছে মেয়েটার সাইকোলজি কিভাবে কাজ

করছে। মেয়েটার হাত কাঁপছে।

.

সে ধীরে ধীরে তার বেষ্ট ফ্রেন্ডের নাম মুছলো।

এবং বাবা আর মায়ের নামও মুছে দিলো। এখন মেয়েটা রিতিমত

কাঁদছে।

.

যে মজা দিয়ে ক্লাশটা শুরু হয়েছিলো, সেই মজা আর

নেই। ক্লাশের অন্যদের মাঝেও টানটান উত্তেজনা।

লিষ্টে আর বাকী আছে দুইজন। মেয়েটার হাজবেন্ড আর

সন্তান। টিচার এবার বললেন, আরো একজনের নাম মুছো।

কিন্তু মেয়েটা ঠায় দাঁড়িয়ে রইলো। কারো নাম মুছতে সে

আর পারছেনা। টিচার বললেন 

.

–মা গো, এইটা একটা খেলা।

সাইকোলজিক্যাল খেলা। জাষ্ট প্রিয় মানুষদের নাম মুছে দিতে

বলেছি, মেরে ফেলতে তো বলিনি!!!

.

মেয়েটা কাঁপা কাঁপা হাত নিয়ে ছেলের নামটা মুছে দিলো।

টিচার এবার মেয়েটার কাছে গেলেন, পকেট থেকে একটা

গিফ্ট বের করে বললেন– তোমার মনের উপর দিয়ে যে

ঝড়টা গেলো তার জন্য আমি দুঃখিত। আর এই গিফ্ট বক্সে

দশটা গিফ্ট আছে। তোমার সব প্রিয়জনদের জন্য।

.

এবার বলো, কেন তুমি অন্য নামগুলো মুছলে। মেয়েটা

বলল- প্রথমে বন্ধু আর প্রতিবেশীদের নাম মুছে দিলাম।

.

কারন তবু আমার কাছে বেষ্ট ফ্রেন্ড আর পরিবারের সবাই

রইলো। পরে যখন আরো তিন জনের নাম মুছতে

বললেন, তখন বেষ্ট ফ্রেন্ড আর বাবা মায়ের নাম মুছে

দিলাম। ভাবলাম, বাবা মা তো আর চিরদিন থাকবে না। আর বেষ্ট

ফ্রেন্ড না থাকলে কি হয়েছে?

.

আমার কাছে আমার পুত্র আর তার বাবাই বেষ্ট ফ্রেন্ড। কিন্তু

সবার শেষে যখন এই দুইজন থেকে একজনকে মুছতে

বললেন তখন আর সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলাম না।

.

পরে ভেবে দেখলাম, ছেলেতো বড় হয়ে একদিন

আমাকে ছেড়ে চলে গেলেও যেতে পারে। কিন্তু

ছেলের বাবাতো কোন দিনও আমাকে ছেড়ে যাবে না।


লেখা ও ছবি সংগৃহীত। 

#শিক্ষা_ও_তথ্য_কেন্দ্র।

ফেসবুক থেকে কপি করে
পেষ্ট করা

ময়মনসিংহের ত্রিশালে বিমান বন্দরের দাবি,,,, ময়মনসিংহ বিভাগ ফেইসবুক থেকে কপি করা

 বাংলাদেশের উওর-পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্ত বিভাগ ময়মনসিংহ।দেশের সকল বিভাগে বিমানবন্দর থাকলেও নেই কেবল ময়মনসিংহ বিভাগে।


অথচ সকল দিক বিবেচনায় ঢাকা, চট্টগ্রামের পরই ময়মনসিংহ বিভাগের অবস্থান এবং দেশের ভবিষ্যৎ প্রাণকেন্দ্র।


ময়মনসিংহের বিভাগের ০৪ টি জেলাই সীমান্তবর্তী জেলা।

মেঘালয় রাজ্যের সাথে আছে স্থলবন্দর।


*** ময়মনসিংহ বিভাগে আছে- ০৪ টি বিশ্ববিদ্যালয়-------


১/ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ।

২/ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়, ত্রিশাল, ময়মনসিংহ।

৩/ শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয়, নেত্রকোণা।

৪/ শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, মেলান্দহ, জামালপুর।


**** প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়- ০২ টি


১/ ময়মনসিংহ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় - মুয়েট ( বর্তমমান ময়মনসিংহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ)।

২/ বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ।


****ময়মনসিংহ বিভাগে আছে ০৫ টি মেডিকেল কলেজ


১/ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ময়মনসিংহ

২/ জামালপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

৩/ নেত্রকোণা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।

৪/ কমিউনিটি বেজড মেডিকেল কলেজ, ময়মনসিংহ।

৫/ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ, ময়মনসিংহ।


*** প্রস্তাবিত মেডিকেল প্রকল্প---- 


১/ ময়মনসিংহ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বর্তমান ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ)

২/ ময়মনসিংহ মহিলা মেডিকেল কলেজ ( বর্তমান এস কে হাসপাতাল ও কালাজ্বর গবেষণা কেন্দ্র, ময়মনসিংহ)


**** ময়মনসিংহ বিভাগের শিল্পাঞ্চল সমূহ--- (৫০০+)


১/ ত্রিশাল শিল্পাঞ্চল(সিরামিক ও গার্মেন্টস, বেভারেজ) ময়

২/ ভালুকা শিল্পাঞ্চল (সিরামিক, গার্মেন্টস, বেভারেজ), ময়

৩/ গৌরিপুর শিল্পাঞ্চল (গার্মেন্টস, অয়েল, জুট মিল), ময়.

৪/ নান্দাইল শিল্পাঞ্চল (গার্মেন্টস, নীটিং), ময়মনসিংহ

৫/ ঈশ্বরগঞ্জ ইজোনোমিক জোন, ময়মনসিংহ

৬/ জামালপুর ইকোনোমিক জোন-১, জামালপুর।

৭/ জামালপুর ইকোনোমিক জোন-২, জামালপুর।

৮/ জিলবাংলা সুগার মিল, দেওয়ানগঞ্জ, জামালপুর।

৯/ ময়মনসিংহ জুট মিলস, ময়মনসিংহ।

১০/ গ্লোবাল জুট মিলস, গৌরিপুর, ময়মনসিংহ।


*** ময়মনসিংহ বিভাগে আছে - ০৪ টি স্থলবন্দর


১/ কইড়তলী স্থলবন্দর, হালুয়াঘাট, ময়মনসিংহ।

২/ গোবরাকুড়া স্থলবন্দর, হালুয়াঘাট, ময়মনসিংহ।

৩/ ধানুয়া কামালপুর স্থল বন্দর, বকশীগঞ্জ, জামালপুর।

৪/ নাকুগাঁও স্থলবন্দর, নালিতাবাড়ি, শেরপুর।


*** ময়মনসিংহ বিভাগের বিদ্যুৎকেন্দ্র সমূহ---


১/রুরাল পাওয়ার স্টেশন-১, ময়মনসিংহ। (২১০ MW)

২/ রুরাল পাওয়ার স্টেশন-২, ময়মনসিংহ (৩৬০ MW)

৩/ ইউনাইটেড ময়মনসিংহ পাওয়ার লি:, ময়মনসিংহ।

৪/ সুতিয়াখালী সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র, ময়মনসিংহ।

৫/ ইউনাইটেড ময়মনসিংহ পাওয়ার লি:, জামালপুর।

৬/ ইউনাইটেড জামালপুর পাওয়ার লি:, জামালপুর।


*** ময়মনসিংহ বিভাগ ০৪ টি জংশন রেল জংশন---


১/ ময়মনসিংহ রেলওয়ে জংশন স্টেশন, ময়মনসিংহ।

২/ গৌরিপুর রেলওয়ে জংশন স্টেশন, ময়মনসিংহ।

৩/ শ্যামগঞ্জ রেলওয়ে জংশন স্টেশন, ময়মনসিংহ।

৪/ জামালপুর রেলওয়ে জংশন স্টেশন, ময়মনসিংহ।


**** জাতীয় মহাসড়ক ময়মনসিংহ বিভাগ ---


১/ ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক(জাতীয় মহাসড়ক)০৪ লেন

২/ ঢাকা-জামালপুর মহাসড়ক (জাতীয় মহাসড়ক) ০৪ লেন

৩/ ময়মনসিংহ-টাংগাইল মহাসড়ক (জাতীয় মহাসড়ক)


**** ময়মনসিংহে আছে নৌযোগাযোগ ব্যবস্থা--

১/ ময়মনসিংহ নৌবন্দর, ময়মনসিংহ (প্রস্তাবিত)

২/ বাহাদুরাবাদ ঘাট, জামালপুর

৩/ জগন্নাতগঞ্জ ঘাট, জামালপুর।


ময়মনসিংহ একটি উদীয়মান শিল্পোন্নত বিভাগ। এছাড়া ময়মনসিংহ হলো ৮ম বিভাগীয় শহর।


কাজেই ভবিষ্যৎ এর কথা চিন্তা করলে দেখা যায় এই বিকাশমান রাষ্ট্রীয়, অর্থনৈতিক, সামাজিক চাহিদা- সড়ক, নৌ এবং রেলপথের মাধ্যমে চালানো সম্ভবপর হবে না। যানজট এর কারণে জনজীবন স্থবির হয়ে পড়বে।


তাই ময়মনসিংহ বিভাগে একটি আন্তর্জাতিজ বিমানবন্দর স্থাপন খুবই জরুরী। যেহেতু ত্রিশাল এ বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নির্মাণ এর জায়গা নির্ধারিত আছে এবং জনগণও সঠিক পাওনা পেলে জমি ছাড়তে রাজি তাই বিষয়টি বিবেচনার অনুরোধ রইলো।


কারণ ময়মনসিংহ বিভাগের বিকাশমান অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে আজ না হউ কাল ময়মনসিংহে বিমানবন্দর করতেই হবে।

কপি
পেস্ট

অনুকরণীয়,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

অনুকরণীয়।


আমেরিকায় পনেরো বছরের একটি বালক দোকান থেকে চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়লো। বিচারক অপরাধের কাহিনী শুনে বালকটিকে জিজ্ঞাসা করলেন - "তুমি কি সত‍্যিই কিছু চুরি করেছিলে ? রুটি- চিজের কোনো প‍্যাকেট ?"


মাথা নিচু করে ছেলেটি উত্তর দিলো - "হ‍্যাঁ"।


বিচারক - কেনো চুরি করলে ?


বালক - আমার প্রয়োজন ছিলো।


বিচারক - কিনে নিতে পারতে।


বালক - টাকা ছিলো না।


বিচারক - পরিবার থেকে নিলেই হতো।


বালক - আমার বাড়িতে শুধু মা আছেন। মা অসুস্থ, কর্মহীন। মায়ের জন‍্যই রুটি চিজ চুরি করেছিলাম।


বিচারক - তুমি কোনো কাজ করো না ?


বালক - গাড়ি ধোওয়ার কাজ করতাম। মাকে সেবা করার জন‍্য একদিন ছুটি নিয়েছিলাম। তাই আমার কাজ চলে গেলো।


বিচারক - কারও কাছে সাহায্য চাওনি ?


বালক - সকালে বাড়ি থেকে বেরিয়েছি। একটা কাজের জন‍্য প্রায় পঞ্চাশ জনের কাছে গিয়েছি। সবশেষে এই চূড়ান্ত পথটাই নিতে হলো।


ছেলেটির সাথে কথাবার্তার শেষে বিচারক রায় ঘোষণা করতে গিয়ে বললেন - "চুরি, বিশেষ করে রুটি চুরি একটি অত‍্যন্ত লজ্জাজনক অপরাধ। আর এই অপরাধের জন‍্য আমরা সবাই দায়ী। এই আদালতে উপস্থিত প্রত‍্যেকে, আপনাদের মধ‍্যে আমিও আছি, এই অপরাধের সাথে যুক্ত। তাই এখানে উপস্থিত প্রত‍্যেক ব‍্যক্তিকে দশ ডলার করে জরিমানা করা হলো। দশ ডলার এখানে জমা না দিয়ে কেউ এখান থেকে যেতে পারবে না।"


এই বলে বিচারক তার পকেট থেকে দশ ডলার বের করলেন এবং কলম তুলে নিয়ে লিখতে শুরু করলেন - এ ছাড়াও যে দোকান ক্ষুধার্ত ছেলেটিকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে সেই দোকানকেও আমি এক হাজার ডলার জরিমানা দিতে আদেশ করছি। জরিমানার টাকা যদি চব্বিশ ঘণ্টার মধ‍্যে জমা দেওয়া না হয়, আদালত দোকানটিকে সিল করে দিতে নির্দেশ দেবে। জরিমানার সমস্ত টাকা এই ছেলেটির হাতে তুলে দিয়ে আদালত তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করবে।


বিচারকের রায় শোনার পর আদালতে উপস্থিত সকলের চোখে পানি। ছেলেটিও একেবারে বাকরুদ্ধ। বিচারককে সে বারবার দেখছিলো। চোখের পানি লুকিয়ে বিচারক আদালত ত‍্যাগ করলেন।


আমাদের সমাজ, প্রশাসনিক ব‍্যবস্থা, আদালত এমন সিদ্ধান্ত নিতে কি প্রস্তুত ? রুটি চুরি করতে গিয়ে যদি কোনো ব‍্যক্তি ধরা পড়ে, সেই দেশের জনগণের লজ্জিত হওয়া উচিত।


সংগৃহীত

কপি

পেস্ট 

সকাল সাতটার সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ১৪/১০/২০২২ শুক্রবার

 বাংলাদেশ বেতারের সকাল ৭টার সংবাদ

(১৪-১০-২০২২)

আজকের শিরোনাম -


* সেনাবাহিনী পেশাদারিত্ব ও কর্তব্যপরায়ণতার সাথে দেশের সেবা করবে - আশাবাদ প্রধানমন্ত্রীর। 


* দায়িত্বজ্ঞানহীন কেউ যাতে ক্ষমতায় না আসতে পারে সে ব্যাপারে সজাগ থাকতে দেশবাসীর প্রতি শেখ হাসিনার আহবান। 


* সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচন কমিশন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে - বলেছেন ওবায়দুল কাদের। 


* গাইবান্ধা-৫ আসনের উপ-নির্বাচন বাতিল করায় প্রমাণিত হয় ভোটের উপর নির্বাচন কমিশনের নিরঙ্কুশ কর্তৃত্ব রয়েছে - মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর। 


* ২৪ ঘণ্টায় আট জন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু, চলতি বছরে ডেঙ্গুতে দেশে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। 


* আবদেল লতিফ রশিদ ইরাকের নতুন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত। 


* এবং ক্রাইস্টচার্চে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের ফাইনালে আজ পাকিস্তানের মুখোমুখী হবে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড ।

টায়ার সম্পর্কে কিছুকথা,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 টায়ার সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য


আপনার গাড়ির গুরুত্বপূর্ণ একটি পার্টস হচ্ছে চাকা। চাকা তৈরিতে বিভিন্ন ধরনের উপাদান ব্যবহার হয়। যেমন- টেক্সটাইল, রাবার, স্টীল ইত্যাদি ।আপনার গাড়ির টায়ার যতো খারাপ হতে থাকবে, ততো আপনার জন্য বিপদ ঝুঁকি বাড়তে থাকবে। গাড়ির দূর্ঘটনা ঘটার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটা কারণ হলো, ত্রুটিপূর্ণ চাকা অথবা পুরানো চাকা।


১- কিভাবে বুঝবেন গাড়ির টায়ার কতবছর পুরানো?


গাড়ির চাকায় কিছু  নাম্বার থাকে যেটা দেখে আপনি বুঝতে পারবেন চাকা কতদিন আগে তৈরি করা হয়েছিলো। যদি চাকার গায়ে ২৬ লেখা থাকে এরপর ১৫ থাকে তাহলে বুঝতে হবে চাকাটি ২০১৫ সালের ২৬ সপ্তাহ অর্থাৎ জুলাই মাসে তৈরি করা হয়েছে। চাকার গায়ে শেষের দিকে থাকা নম্বর তিনটির শেষের নাম্বর বছর আর মাস নির্দেশ করে। যেমন- যদি কোন চাকার গায়ে এমন লেখা থাকে, XXX YYY ZZZ 269 , তাহলে বুঝবেন ২৬ সপ্তাহ নির্দেশ করে আর পরের সংখ্যাটি ৯ম বছর নির্দেশ করছে। একটি চাকা সর্বোচ্চ ১০ বছর ব্যবহার করা ভালো।


২- চাকা পুরাতন হলে কতটা বিপদজনক হয়ে ওঠে?


চারটি চাকার উপর ভর করে আপনার গাড়ি চলে। গাড়ির পার্টস , যাত্রী, মালামাল ইত্যাদি সবকিছুই ভার থাকে চাকার উপর। আর এই চাকার ক্ষয়ের কারনে সৃষ্টি হতে পারে ভয়াবহ সব দূর্ঘটনা। দুর্ঘটনার ফলে মৃত্যু পর্যন্ত ও হতে পারে!


৩- বিস্ফোরণের সম্ভাবনা

নতুন চাকার তুলনায় চাকা পুরাতন হলে বিষ্ফোরণ হবার সম্ভাবনা খুব বেশি থাকে। কারন পুরানো চাকা ভেতরে বাতাস ধরে রাখতে পারে না। বেশি চাপ নিতে পারে না। টায়ার বেশি পুরানো হয়ে গেলে নিয়মিত টায়ারের দিকে নজর ‌দিয়ে রাখা উচিত। এছাড়াও টায়ারে হাওয়া দেয়ার সময় অনেক সতর্ক হতে হবে। কারণ, অতিরিক্ত প্রেশারে টায়ার ফেটে যায়। গাড়িতে সবসময় নির্ধারিত প্রেশারে টায়ার মেইনটেইন করা উচিৎ। আপনার গাড়ির সামনের দরজায় লিখা থাকে, আপনার গাড়ির জন্য উপযুক্ত টায়ার প্রেশার। সেই অনুযায়ীই টায়ার প্রেশার রাখবেন। এছাড়াও গাড়িতে টায়ার প্রেশার মনিটরিং সিস্টেম রাখতে পারেন। অনেক প্রয়োজনীয় জিনিস এটি। এটার মাধ্যমে লাইভ টায়ার প্রেশার দেখতে পারবেন। কারণ, গাড়ির টায়ার প্রেশার সবসময় একই থাকে না।


৪- দৃঢ়তা কমে যাওয়া


নতুন টায়ারের গায়ে যে খাঁজ কাটা অংশ দেখা যায় সেগুলো চাকা পুরানো হবার সাথে সাথে মিশে যায়। আর এই রোমশ অংশুলোই টায়ারকে রাস্তার সাথে ধরে রাখতে সাহায্য করে এবং রাস্তার সাথে ঘর্ষণ তৈরি করে। এইগুলোকে গ্রিপ বলা হয়ে থাকে। এই গ্রিপ যদি খারাপ হয়ে যায়, তাহলে গাড়ির ঘর্ষণ শক্তি কমে যায়। যার কারণে, ব্রেক করলে, গাড়ি স্কীড করার সম্ভাবনা থাকে। যা অনেক বিপদজনক এবং দুর্ঘটনার কারণ।


৫- পাংচার হওয়া

টায়ার যখন ক্ষয় হয়ে যায় তখন একেবারে সরু হয়ে যায়। অর্থাৎ টায়ারের পুরুত্ব কমে যায়। তখন টায়ার পাংচার হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাছাড়া, টায়ার বেশি ক্ষয় হলে, বড় গর্তে গাড়ির চাকা পড়লেও পাংচার হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে! আর রাস্তায় পড়ে থাকা যেকোন সূক্ষ জিনিস যেমন- ভাঙ্গা গ্লাসের টুকরো বা কোন পিন দিয়ে সহজেই ছিদ্র হয়ে যায়। এছাড়া পুরানো টায়ার থেকে হাওয়া সহজেই বের হয়ে যায় তার ফলে টায়ার পাংচার বেশি হয়। আর হাইওয়েতে এরকম ভাবে টায়ার পাংচার হওয়া খুবই বিপজ্জনক। হাইওয়েতে গাড়ির গতি বেশি থাকা অবস্থায় পাংচার হলে, গাড়ি ড্রাইভারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটার বড় সম্ভাবনা থাকে!


৬- ব্রেকিং সিস্টেম দূর্বল করে দেয়া

সবধরনের গাড়ি সাধারণত অনেক ওজনসম্পন্ন হয়ে থাকে এবং গাড়ির সম্পূর্ণ ওজন চাকার উপরেই থাকে। টায়ারের যে অংশ রাস্তার উপরিভাগে থাকে সেটাকে বলে বিস্তৃত স্ট্র্যাপ। এই স্ট্র‍্যাপ যখন কমে যায়, তাহলে গাড়ির টায়ারের কন্ডিশন খারাপ হয়ে যায়। আর এই অবস্থায় গাড়ির ব্রেকিং খারাপ হয়ে যায়। আর গাড়ির ব্রেকিং সিস্টেম যদি ভালো না থাকে, তাহলে যেইকোনও সময়ে ঘটতে পারে, দূর্ঘটনা!

This

 blog

 is

 the

 property

 of 

HOTSHOTAUTOMOTIVE ‼️

কপি
পেস্ট

বৃহস্পতিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২২

রাত সাড়ে আটটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ১৩/১০/২০২২

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ ।  

(১৩-১০-২০২২) 

আজকের শিরোনাম-


* সেনাবাহিনী পেশাদারিত্ব ও কর্তব্যপরায়নতার সাথে দেশের সেবা করবে - আশাবাদ প্রধানমন্ত্রীর। 


* দায়িত্বজ্ঞানহীন কেউ যাতে ক্ষমতায় না আসতে পারে সে ব্যাপারে সজাগ থাকতে দেশবাসীর প্রতি শেখ হাসিনার আহবান। 


* সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচন কমিশন যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে - বলেছেন ওবায়দুল কাদের। 


* গাইবান্ধা-৫ আসনের উপ-নির্বাচন বাতিল করায় প্রমাণ হয় ভোটের উপর নির্বাচন কমিশনের নিরঙ্কুশ কর্তৃত্ব রয়েছে - মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর। 


* ২৪ ঘণ্টায় আট জন ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু, চলতি বছরে ডেঙ্গুতে দেশে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু। 


* পাকিস্তানে বাসে অগ্নিকান্ডে ১৮ জনের প্রাণহানি। 


* এবং নারী এশিয়া কাপ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে উন্নীত শ্রীলংকা ও ভারত।


গান শুনাতে পরিমাণ ,,,, কাজী মহিউদ্দিন ফেইসবুকে থেকে নেওয়া

 ⭕⭕"গান শুনার পরিণাম"⭕⭕

একজন বৃদ্ধ শায়খ গল্পটা শুনিয়েছেন, যিনি আরবের একটি মসজিদের ইমাম।


তিনি বলেন-একদিন ফজর নামাজ পড়ে বসে আছি এমন সময় তেরো চৌদ্দ বছরের একটি বালক দৌঁড়ে আসল হন্তদন্ত হয়ে। হাফাতে হাফাতে সে আমাকে বলল,আমার আব্বা দ্রুত আপনাকে আমাদের বাসায় নিয়ে যেতে বলেছেন।


আমি তার সাথে দ্রুতপদে তাদের বাসায় গেলাম। দেখলাম, ছেলেটির বাবা আমার অপেক্ষায় দাড়িয়ে আছে। পঞ্চাশোর্ধ একজন লোক, অস্থির হয়ে আমাকে তিনি বললেন, হুজুর! আমার মেয়ে মৃত্যু পথযাত্রী, তাকে একটু তালকীন করুন।


আমি ঘরের ভেতর প্রবেশ করলাম, দেখলাম বোরকাবৃত করে রাখা হয়েছে তরুণী মেয়েটিকে। তার অবস্থা দেখেই বুঝতে পারলাম, আর বেশি সময় বাকি নেই। শেষ নিঃশ্বাস গুলো শেষ হতে যতক্ষণ।


আমি অত্যন্ত আগ্রহ নিয়ে বললাম, মা ! বলো- লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ / কয়েকবার এভাবে তালকীন করলাম।

সে কালিমা তো পড়লোই না, উল্টো চিৎকার করে আমাকে বলল, আমার বুক ভেঙ্গে আসছে, আমার পাজরের হাড্ডিগুলো মচরে যাচ্ছে।


আমি আবার কালিমার তালকিন করলাম, এবার সে এমন একটি বাক্য বলল যা বজ্রের মতো শোনাল আমার কানে। মেয়েটি বলল, ঐ যে আমার জাহান্নাম আমাকে দেখানো হচ্ছে। খোদার কসম, আমি আমার দোযখ দেখতে পাচ্ছি।


এ-কয়টা কথা বলেই সে চলে গেল, হয়তো যে ভয়ংকর স্থান তাকে দেখানো হয়েছিল সেদিকেই নিয়ে যাওয়া হলো কিশোরি মেয়েটির রুহকে। কারণ, যে যে স্থানের অধিবাসী মৃত্যুর পূর্বে তাকে সে স্থানটিই দেখানো হয়।


আমি প্রচণ্ড আঘাত পেলাম, ভয়ে দেহ কাপতে লাগল, মনটা বিষণ্ন হয়ে উঠল। এমন একজন মানুষকে আমাকে দেখানো হলো, যে কি না জাহান্নামে যাচ্ছে আমাদেরকে জানিয়ে। এর চেয়ে দুঃখের ও আক্ষেপের বিষয় আর কী হতে পারে!


আমি সবিনয়ে তার বাবাকে জিজ্ঞেস করলাম, আচ্ছা ভাই ! সে কী এমন করতো যে জন্য আজ তার এমন ভয়াবহ পরিণতি হলো ?


মেয়েটির বাবা ঢুকরে কেদে উঠলেন। বললেন, হুজুর ! আমার মেয়ে সবসময় কানে এয়ারফোন দিয়ে গান শুনতো। এই গান-বাজনায় ডুবে সে কোন এবাদতই করতো না, নামাজ- রোজার প্রতি তার ছিল প্রচণ্ড অনীহা।


বৃদ্ধ ইমাম সাহেব বলেন- বুঝতে পারলাম গুনাহ ও পাপের প্রতি নির্ভিক আসক্তি ও এবাদতের প্রতি অবহেলা প্রদর্শনের কারণেই মৃত্যুর সময় কালিমা পরে দেয়ার পরও, মেয়েটি কালিমা পড়তে পারছিল না। তার বুক সংকীর্ণ হয়ে ভেঙ্গে আসছিল।


যাদের গান শুনার শখ আছে তাদের কাছে অনুরোধ, গান শুনা থেকে বিরত থাকুন।

কপি
পেস্ট

কাবা ঘরের ভেতরের তথ্য,,, ফেইসবুকে থেকে নেওয়া

 (১) কাবা ঘরের ভেতরে কোনো ইলেকট্রিক লাইট নাই।

(২) এ ঘরের মেঝে এবং ওয়াল মার্বেল পাথর দ্বারা নির্মিত।

(৩) এ ঘরের কোনো জানালা নাই।

(৪) কাবা ঘরের ১টি মাত্র দরজা। 


কাবা ঘরের ছাদে ১২৭ সে.মি লম্বা ও ১০৪ সে.মি. প্রস্থের একটি ভেন্টিলেটার আছে যেটি দিয়ে সূর্যের আলো ভেতরে প্রবেশ করে। এটি একটি কাচ দিয়ে ঢাকা থাকে। যখন কাবা ঘরের ভেতর পরিস্কার করা হয় তখন এই কাচটি খোলা হয়। কাবা শরীফের দুটি সিলিং রয়েছে। এর ভেতরের দেয়ালগুলি সবুজ ভেলভেটের পর্দা দিয়ে আবৃত। এই পর্দাগুলি প্রতি তিন বছর পর পর পরিবর্তন করা হয়। এর সিলিংকে তিনটি কাঠের পিলার ধরে রেখেছে। প্রতিটি পিলারের ব্যাস ৪৪ সে.মি.।


পবিত্র কাবা শরীফ পরিস্কার করার জন্যে এর দরজা বছরে দুইবার খোলা হয়। রমজান এর ১৫ দিন আগে এবং হজ্জ এর ১৫ দিন আগে। পরিস্কারের পরে মেঝে এবং দেয়াল সাদা কাপড় ও টিসু দিয়ে মোছা হয়। এরপর দেয়ালগুলি পারফিউম দিয়ে সুগন্ধযুক্ত করা হয়। কাবা শরীফের কালো কাপড়ের আবরনটি (কিশওয়া)

প্রতি বছর ৯ই জিলহজ্জ পরিবর্তন করা হয়। কাবা শরীফের দরজার চাবি বনী সায়বা নামক এক গোত্রের কাছে থাকে। মহানবী মুহাম্মদ (সাঃ) এই চাবি এই গোত্রের কাছে দিয়েছিলেন,

যা কিয়ামতের আগ পর্যন্ত তাদের কাছেই থাকবে। তারা কাবা শরীফ পরিস্কার করার কাজের জন্য বিভিন্ন মুসলিম দেশের প্রেসিডেন্ট, মন্ত্রী, কুটনীতিক ও গন্যমান্য ব্যক্তিদেরদের অভিবাদন জানান। মক্কা শহরের গভর্নর তাদের কাবা শরীফের ভিতরে নিয়ে যান এবং তারা জমজম কুপের পানি এবং গোলাপ জল দিয়ে কাবা শরীফের ভিতর পরিস্কার করেন!


হে-আল্লাহ্‌ আমাদের সবাইকে তোমার ঘরে যাওয়ার তৌফিক দান করুন।

"আমীন"।

কপি
পেস্ট

সকাল সাতটার সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ১৩/১০/২০২২

 বাংলাদেশ বেতারের সকাল ৭টার সংবাদ

(১৩-১০-২০২২)

আজকের শিরোনাম -


* বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার প্রদান করে বৈশ্বিক দুর্ভিক্ষের আশঙ্কায় দেশে খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর। 


* বিশ্বের অন্যান্য স্থানের মতো আজ দেশে পালিত হবে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমন দিবস - কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন শেখ হাসিনা। 


* এ মাসের ৩০ তারিখে শুরু হচ্ছে একাদশ জাতীয় সংসদের ২০-তম অধিবেশন। 


* বাংলাদেশ থেকে আরও দক্ষ ও আধা-দক্ষ জনশক্তি নিয়োগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহবান। 


* আগুন নিয়ে খেললে পরিণতি শুভ হবে না - বিএনপি নেতাদের হুঁশিয়ার করলেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। 


* জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচিত হওয়াই প্রমাণ করে বিএনপিসহ দেশবিরোধীদের অপপ্রচার মিথ্যা এবং বাংলাদেশ সঠিক পথেই আছে - মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর। 


* রুশ ক্ষেপনাস্ত্র হামলার পর ইউক্রেনে অত্যাধুনিক বিমান প্রতিরক্ষা অস্ত্র সরবরাহের ঘোষণা ন্যাটোর । 


* এবং ক্রাইস্টচার্চে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট সিরিজে আজ পাকিস্তানের মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ।

কপি
পেষ্ট

ক্রুজ কন্ট্রোল কি

 #ক্রুজ_কন্ট্রোল_কি?


ক্রুজ কন্ট্রোল বেশ প্রয়োজনীয় একটি ফিচার। বিশেষ করে হাইওয়েতে চলাচল করার জন্য এটি বেশ সহায়ক। বর্তমান সময়ে মোটামুটি বেশিরভাগ গাড়িতেই এই ফিচার্স দেখা যায়। উচ্চগতিতে গাড়ি চালানোর সময় ড্রাইভারকে যেন সারাক্ষণ গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণ করতে না হয়, সে জন্য ক্রুইজ কন্ট্রোল সিস্টেম দেয়া হয়। অর্থাৎ ড্রাইভার চাইলেই একটি নির্দিষ্ট গতি সেট করে দিয়ে এক্সিলেটরে প্যাডেলে চাপ না দিয়েই গাড়ি চালাতে পারবে। 

মনেকরেন, আপনি গাড়ির গতি ৭০ কিলোমিটারে সেট করে দিলেন। পরবর্তীতে ব্রেক প্রেস করার আগমুহূর্ত পর্যন্ত গাড়ি নির্ধারিত গতি, অর্থাৎ ৭০ কিলোমিটার স্পীডেই চলতে থাকবে। এমনকি বাতাসের বিপরীতে গাড়ি চালালেও নির্ধারিত গতির কোনও পরিবর্তন হবে না। ফলে ড্রাইভারকে শুধু স্টিয়ারিং কন্ট্রোল করলেই হবে। তবে গাড়ির গতি কমানোর প্রয়োজন হলে ব্রেক প্যাডেল চাপ দিলেই গাড়ির গতি হ্রাস পাবে এবং ক্রুইজ কন্ট্রোল বন্ধ হয়ে যাবে। অত:পর, পুনরায় আপনি চাইলে আবার স্পীড সেট করে নিতে পারবেন।


তবে ক্রুইজ কন্ট্রোল সিস্টেম চালু থাকলেও আপনাকে রাস্তার উপর অবশ্যই তাকাতে হবে, মনোযোগ সরানো যাবে না এবং অবশ্যই ষ্টেয়ারিং এ হাত রাখতে হবে। ক্রুইজ কন্ট্রোল শুধুমাত্র আপনাকে ড্রাইভিং এ সহায়তা করবে। তবে সে নিজ থেকে গাড়ির গতি কমাতে পারবে না।

কপি
পেষ্ট

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...