এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:৩০-০৪-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ

তারিখ:৩০-০৪-২০২৬ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


ভারী বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আগামী তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার - জাতীয় সংসদে বললেন প্রধানমন্ত্রী।


পরিচ্ছন্ন ও সবুজ ঢাকা গড়তে ১২ দফা কর্মপরিকল্পনার কথা জানালেন তারেক রহমান।


দেশের কৃষি, ইলেকট্রনিক্স ও অটোমোবাইল খাতে জাপানের বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর।


উপকূলে সবুজ বেষ্টনি তৈরিতে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপন করা হবে - বললেন পানি সম্পদ মন্ত্রী।


পরমাণু চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত ইরানের ওপর নৌ-অবরোধ অব্যাহত রাখার ঘোষণা ট্রাম্পের - অবরোধ তুলে না নেওয়া পর্যন্ত আলোচনায় বসবে না তেহরান।


আজ সিলেটে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে সফররত শ্রীলংকা নারী দলের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।

রাত ০৮:৩০ মিনিটের বাংলা সংবাদ।  তারিখ: ২৯-০৪-২০২৬ খ্রি.

 রাত ০৮:৩০ মিনিটের বাংলা সংবাদ। 

তারিখ: ২৯-০৪-২০২৬ খ্রি.


আজকের শিরোনাম:


ভারী বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের আগামী তিন মাস সহায়তা দেবে সরকার - জাতীয় সংসদে বললেন প্রধানমন্ত্রী।


পরিচ্ছন্ন ও সবুজ ঢাকা গড়তে ১২ দফা কর্মপরিকল্পনার কথা জানালেন তারেক রহমান


আজ ভয়াল ২৯শে এপ্রিল - ১৯৯১ সালের এই দিনে প্রলয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড়ে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে প্রাণহানি ঘটে এক লাখ ৩৮ হাজার মানুষের - উপকূলে সবুজ বেষ্টনি তৈরিতে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপন করা হবে - বললেন পানি সম্পদ মন্ত্রী।


ওয়াশিংটনের সঙ্গে চুক্তি করার জন্য ইরানকে হুমকি - কৌশল ও সমরাস্ত্র দিয়ে হুমকির জবাব দেওয়া হবে বলে তেহরানের পাল্টা হুঁশিয়ারি।


জাকার্তায় নারী এশিয়ান গেমস বাছাই পর্ব হকি টুর্নামেন্টের ফাইনালে চীনা তাইপের মোকাবেলা করছে বাংলাদেশ।

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৯-০৪-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ

তারিখ:২৯-০৪-২০২৬ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


অসচ্ছল মানুষের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিতে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার - বললেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিং শুরু - পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের দেশে নাম লেখালো বাংলাদেশ।


দেশে জঙ্গিবাদের কোনো অস্তিত্ব নেই - বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার রাজনৈতিক স্বার্থে শব্দটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতো - বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।


জলবায়ু অভিবাসীদের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্তির আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর।


যুক্তরাষ্ট্রে নিহত দুই শিক্ষার্থীর দেহাবশেষ দেশে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে - সংসদে জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।


হরমুজ প্রণালীকে দাবী আদায়ের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা উচিত হবে না বলে উপসাগরীয় দেশগুলোর বৈঠকে মন্তব্য করলো কাতার।


আজ চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে সফররত নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬

প্রকৃতি ইউরেনিয়াম ধারন করেছে অদ্ভুত এক অনুপাতে।

 প্রকৃতি ইউরেনিয়াম ধারন করেছে অদ্ভুত এক অনুপাতে। পাহাড় থেকে খোঁড়া প্রতি ১০০ ভাগ ইউরেনিয়ামের মধ্যে মাত্র ০.৭ ভাগ হলো U-235 যেটা সত্যিকারে মিরাকল। বাকি ৯৯.৩ ভাগ U-238, যেটা একেবারে বেকার।

এই ০.৭ ভাগেই লুকিয়ে আছে অকল্পনীয় শক্তি।


একদল মানুষ চায় এই সংখ্যাটা ৩ থেকে ৫ এ নিয়ে যেতে। আরেকদল চায় ৯০ এর উপরে। কিন্তু কেন?


রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিশাল রিয়্যাক্টরের কোরে ঘটবে এক অলৌকিক ঘটনা। একটি ইউরেনিয়াম পরমাণুর নিউক্লিয়াসে একটি নিউট্রন এসে ধাক্কা দিবে। নিউক্লিয়াসটা দু টুকরো হয়ে যাবে আর বেরিয়ে আসবে তিনটি নতুন নিউট্রন এবং প্রচণ্ড তাপ। সেই তিনটি নিউট্রন ছুটে গিয়ে আঘাত করবে আরো তিনটি পরমাণুকে, একটি চেইন রিয়্যাকশন। যেহেতু চেইন রিয়্যাকশন তাহলে কি চলতেই থাকবে? ফলাফল চেরনোবিল। রিয়্যাক্টরের ভেতরে যদি বোরনের তৈরি control rod নামানো হয় তাহলে চেইন রিয়্যাকশনটি বন্ধ, কারন বোরন নিউট্রনকে শুষে নিয়ে পরবর্তী পরমানুকে আঘাত করা থেকে বিরত রাখে। প্রকৌশলীরা এই রড একটু তুললে বিক্রিয়া বাড়ে, একটু নামালে কমে। যেন চুলার আঁচ নিয়ন্ত্রণ। সেই তাপে পানি গরম হয়। বাষ্প হয়। টার্বাইন ঘোরে। বিদ্যুৎ তৈরি হয়। এটাই Low Enriched Uranium (LEU), মাত্র ৩ থেকে ৫ ভাগ বিশুদ্ধ U-235 এর খেলা।


১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট। একটি "B-29 সুপারফরট্রেস" বিমান থেকে ফেলে দেওয়া হয় "Little Boy" কে। সেই Little Boy এর ভেতরে ছিল ৬৪ কেজি ইউরেনিয়াম। কিন্তু এই ইউরেনিয়াম রূপপুরের ইউরেনিয়ামের মতো নয়। এখানে ৬৪ কেজি U-235 এর বিশুদ্ধতা ছিলো ৯৩ ভাগ।


বোমাটি মাটি থেকে ৬০০ মিটার উপরে বিস্ফোরিত হয়। নিউট্রন ইনিসিয়েটর থেকে ছুটে যায় অসংখ্য নিউট্রন কিন্তু কোনো বোরন control rod নেই। কেউ থামাচ্ছে না। এক সেকেন্ডের কোটি ভাগের এক ভাগ সময়ে কোটি কোটি U-235 পরমাণু একসাথে ভেঙে ফেলে । এতো বিপুল পরিমানের তাপ উৎপন্ন হয় যা প্রায় সূর্যের কেন্দ্রের কাছাকাছি। ৭০,০০০ মানুষ মুহূর্তে শেষ। এটাই HEU (Highly Enriched Uranium)। ৯০ ভাগের উপরে U-235।


একই নিউক্লিয়াস কিন্তু পরিনতি দুটি, এখানেই প্রশ্নটা চলে আসে কেন?


রূপপুরের রিয়্যাক্টর আর হিরোশিমার বোমা দুটোতেই ইউরেনিয়াম। দুটোতেই fission। দুটোতেই চেইন রিয়্যাকশন। তাহলে পার্থক্য কোথায়? পার্থক্য একটাই সেটা হচ্ছে পিওরিটি বা ঘনত্ব।


LEU তে U-235 এর পিওরিটি এত কম যে চেইন রিয়্যাকশন ধীরে ধীরে চলে, যাকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। বোমা বানাতে এত বেশি LEU লাগবে যে সেটা বহন করা অসম্ভব। অপর দিকে HEU তে U-235 এর পিওরিটি এতো বেশি যে মাত্র ১৫ থেকে ৫০ কেজিতেই critical mass তৈরি হয়। এক মুহূর্তে সব শক্তি বেরিয়ে আসে। রূপপুরের জ্বালানি দিয়ে বোমা বানানো সম্ভব নয়। গাণিতিকভাবে, পদার্থবিজ্ঞানের নিয়মে অসম্ভব।


রিয়্যাক্টরে পোড়া জ্বালানি থেকে Plutonium তৈরি হয়। সেই Plutonium দিয়েও পারমানবিক বোমা বানোনো যার ফলাফল "ফ্যাট ম্যান"। তাই সবার দৃষ্টি তীক্ষ্ণ, রূপপুর কি সেই আলো দেখাবে?

ইমাম ও খতীব সাহেবদের "ভাই" বলা একটি অনুচিত সম্বোধন

 ইমাম ও খতীব সাহেবদের "ভাই" বলা

একটি অনুচিত সম্বোধন


আমাদের সমাজে একটি প্রবণতা ক্রমশ বাড়ছে। মসজিদের ইমাম সাহেব খুতবা দিচ্ছেন, দরস দিচ্ছেন, ফতওয়া দিচ্ছেন — আর মুসল্লিরা তাঁকে ডাকছেন "ভাই" বলে। বিষয়টি শুনতে সাধারণ মনে হলেও এর মধ্যে একটি গভীর সাংস্কৃতিক ও দ্বীনি সমস্যা লুকিয়ে আছে।


আলেমের মর্যাদা কুরআনের দৃষ্টিতে

আল্লাহ তাআলা সুরা ফাতিরে ইরশাদ করেছেন —


> **إِنَّمَا يَخْشَى اللَّهَ مِنْ عِبَادِهِ الْعُلَمَاءُ**

"আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে কেবল আলেমরাই তাঁকে যথাযথভাবে ভয় করেন।"

এই আয়াত আলেমদের একটি বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে। যাঁরা আল্লাহর ভয়ে সবচেয়ে এগিয়ে, তাঁদের সাথে সাধারণ মানুষের মতো "ভাই ভাই" সম্পর্কের ভাষায় কথা বলা এই মর্যাদার অবমাননা।


সুরা মুজাদালায় আল্লাহ বলেছেন —

> **يَرْفَعِ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا مِنكُمْ وَالَّذِينَ أُوتُوا الْعِلْمَ دَرَجَاتٍ**

"যারা ইমান এনেছে এবং যাদের ইলম দেওয়া হয়েছে, আল্লাহ তাদের মর্যাদা উচ্চ করেন।"

আল্লাহ নিজে যাঁদের মর্যাদা উঁচু করেছেন, আমরা সম্বোধনের মাধ্যমে সেই মর্যাদা নামিয়ে আনব — এটি কি সঙ্গত?


#হাদিসের শিক্ষা

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন —

> **لَيْسَ مِنَّا مَنْ لَمْ يُجِلَّ كَبِيرَنَا**

"যে আমাদের বড়দের সম্মান করে না, সে আমাদের দলভুক্ত নয়।" (আবু দাউদ)

ইমাম ও খতিব সাহেব শুধু বয়সে বড় নন — ইলম, দ্বীনি দায়িত্ব ও আধ্যাত্মিক মর্যাদায়ও তিনি সমাজের উঁচু স্তরে। তাঁকে "ভাই" বলা এই হাদিসের শিক্ষার পরিপন্থী।


#সালাফের আদর্শ

সাহাবায়ে কেরাম রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সামনে এমন আদবের সাথে বসতেন যেন মাথায় পাখি বসে আছে — নড়াচড়া করতেও ভয় পেতেন। তাবেঈরা আলেমদের সামনে এতটাই বিনম্র থাকতেন যে ইমাম মালিক রহ.-এর দরসে উচ্চস্বরে কথা বলা অসম্ভব ছিল।


ইমাম আবু হানিফা রহ.-এর ছাত্র ইমাম আবু ইউসুফ রহ. বলেন — উস্তাদের সামনে পা ছড়িয়ে বসা তাঁর পক্ষে কখনো সম্ভব হয়নি।

এই ছিল আদবের সংস্কৃতি। আর আজ আমরা সেই আসনে বসা মানুষটিকে "ভাই" বলে ডাকছি।


#ভাই" বলার সমস্যা কোথায়?

প্রথমত, এটি শ্রেণিবিন্যাস মুছে দেয়। সমাজে শিক্ষক ও ছাত্র, আলেম ও সাধারণ মানুষের মধ্যে একটি স্বাভাবিক স্তরভেদ আছে। "ভাই" বলা এই স্তরভেদকে অস্বীকার করে।

দ্বিতীয়ত, এটি ইমামের কথার গুরুত্ব কমিয়ে দেয়। যাকে "ভাই" মনে করি, তার ফতওয়া বা নসিহত কতটা মনে গেঁথে থাকে? কিন্তু যাকে সম্মানের আসনে রাখি, তাঁর একটি কথাও হৃদয়ে স্থায়ী ছাপ ফেলে।

তৃতীয়ত, এটি পশ্চিমা সাম্যবাদী মানসিকতার অনুকরণ। পশ্চিমে সবাই সমান — শিক্ষককেও নামে ডাকো, বড়কেও "বন্ধু" বলো। এই মানসিকতা আমাদের দ্বীনি সংস্কৃতির সাথে সাংঘর্ষিক।


#সঠিক সম্বোধন কী হওয়া উচিত?

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ইমাম ও খতিব সাহেবকে সম্বোধন করতে হবে —

"হুজুর", "মাওলানা সাহেব", "শায়খ", "ইমাম সাহেব" খতিব মহোদয় ,ওস্তাদ — মুহতারাম । ইত্যাদি এই শব্দগুলো আদব ও সম্মানের ভাষা। এগুলো শুধু শব্দ নয়, একটি সভ্যতার প্রতিফলন।

আদব হলো ইলমের আগের সিঁড়ি। ইমাম মালিক রহ. বলতেন —

> **تَعَلَّمُوا الأَدَبَ قَبْلَ أَنْ تَتَعَلَّمُوا العِلْمَ**

"ইলম শেখার আগে আদব শেখো।"

যে সমাজে আলেমের সম্মান নেই, সে সমাজে ইলমের আলোও ম্লান হয়ে যায়। ইমাম ও খতিব সাহেবকে যথাযথ সম্মানের সাথে সম্বোধন করা শুধু ব্যক্তির প্রতি সৌজন্য নয় — এটি দ্বীনের প্রতি, ইলমের প্রতি এবং আল্লাহর নির্দেশের প্রতি সম্মানের প্রকাশ।

 ইমাম ও আলেমদের সম্মান — কুরআন, হাদিস ও ওলামাদের বক্তব্যের আলোকে


#প্রথম অধ্যায় — কুরআনের দলিল

**দলিল ১**

> **لَا تَجْعَلُوا دُعَاءَ الرَّسُولِ بَيْنَكُمْ كَدُعَاءِ بَعْضِكُمْ بَعْضًا**

"তোমরা রাসুলকে ডাকাকে তোমাদের পরস্পর ডাকার মতো করো না।"

**(সুরা নূর: ৬৩)**

ইমাম কুরতুবি রহ. এই আয়াতের তাফসিরে লিখেছেন — রাসুলকে সাধারণ মানুষের মতো নাম ধরে ডাকা হারাম। তাঁকে "ইয়া রাসুলাল্লাহ" বা "ইয়া নাবিয়্যাল্লাহ" বলতে হবে। এই আদব শুধু নবীর জন্য নয়, নবীর ওয়ারিস আলেমদের প্রতিও এই মানসিকতা থাকা উচিত।

**(তাফসিরে কুরতুবি: ১২/৩২১)**


**দলিল ২**

> **يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَرْفَعُوا أَصْوَاتَكُمْ فَوْقَ صَوْتِ النَّبِيِّ**

"হে মুমিনগণ! তোমরা নবীর কণ্ঠস্বরের উপর তোমাদের কণ্ঠস্বর উঁচু করো না।"

**(সুরা হুজুরাত: ২)**

ইমাম ইবন কাসির রহ. বলেন — এই আয়াত থেকে শিক্ষা হলো আলেম ও বুযুর্গদের সামনে উচ্চস্বরে কথা বলা, তাদের কথার উপর নিজের কথা প্রাধান্য দেওয়া অনুচিত।

**(তাফসিরে ইবন কাসির: ৭/৩৬৪)**

**দলিল ৩**

> **يَرْفَعِ اللَّهُ الَّذِينَ آمَنُوا مِنكُمْ وَالَّذِينَ أُوتُوا الْعِلْمَ دَرَجَاتٍ**

"যারা ইমান এনেছে এবং যাদের ইলম দেওয়া হয়েছে, আল্লাহ তাদের মর্যাদা উচ্চ করেন।"

**(সুরা মুজাদালা: ১১)**

আল্লামা আলুসি রহ. বলেন — এই আয়াতে আলেমদের জন্য বিশেষ দরজার উল্লেখ আল্লাহর পক্ষ থেকে তাঁদের মর্যাদার স্বীকৃতি। বান্দার উচিত আল্লাহ যাকে যে মর্যাদা দিয়েছেন তাকে সেই মর্যাদায় রাখা।

**(রুহুল মাআনি: ২৮/২১)**


**দলিল ৪**

> **إِنَّمَا يَخْشَى اللَّهَ مِنْ عِبَادِهِ الْعُلَمَاءُ**

"আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে কেবল আলেমরাই তাঁকে যথাযথভাবে ভয় করেন।"

**(সুরা ফাতির: ২৮)**

ইমাম ইবন রজব হাম্বলি রহ. বলেন — এই আয়াত প্রমাণ করে আলেমরা আল্লাহর সবচেয়ে কাছের বান্দা। তাদের সম্মান করা আল্লাহর নিদর্শনকে সম্মান করার অন্তর্ভুক্ত।

**(ফাদলু ইলমিস সালাফ: পৃ. ৪৩)**


# দ্বিতীয় অধ্যায় — হাদিসের দলিল

**হাদিস ১**

> **الْعُلَمَاءُ وَرَثَةُ الْأَنْبِيَاءِ**

"আলেমরা নবীদের উত্তরাধিকারী।"

**(আবু দাউদ: ৩৬৪১, তিরমিযি: ২৬৮২ — সহিহ)**

ইমাম মুনাবি রহ. বলেন — নবীর ওয়ারিস হওয়ার অর্থ হলো নবীর ইলম, দ্বীন ও মর্যাদার ধারক হওয়া। যে ব্যক্তি নবীর ওয়ারিসকে সম্মান করে না, সে নবীর ইলমকেই অসম্মান করে।

**(ফায়যুল কাদির: ৪/৩৮৫)**

**হাদিস ২**

> **لَيْسَ مِنَّا مَنْ لَمْ يُجِلَّ كَبِيرَنَا وَيَرْحَمْ صَغِيرَنَا وَيَعْرِفْ لِعَالِمِنَا حَقَّهُ**

"যে আমাদের বড়দের সম্মান করে না, ছোটদের স্নেহ করে না এবং আলেমদের হক চেনে না — সে আমাদের দলভুক্ত নয়।"

**(মুসনাদে আহমাদ: ৭১৫৭, সহিহ লি গায়রিহি)**

ইমাম আহমাদ রহ. এই হাদিস বর্ণনা করার পর বলেন — আলেমের হক চেনা মানে তার ইলমের কারণে তাকে যথাযোগ্য মর্যাদা দেওয়া, তার সামনে বিনম্র থাকা এবং তার সাথে সাধারণ মানুষের মতো আচরণ না করা।

**হাদিস ৩**

> **إِنَّ مِنْ إِجْلَالِ اللهِ إِكْرَامَ ذِي الشَّيْبَةِ الْمُسْلِمِ، وَحَامِلِ الْقُرْآنِ غَيْرِ الْغَالِي فِيهِ وَالْجَافِي عَنْهُ، وَإِكْرَامَ ذِي السُّلْطَانِ الْمُقْسِطِ**

"আল্লাহকে সম্মান করার অংশ হলো বৃদ্ধ মুসলিমকে, কুরআনের ধারককে এবং ন্যায়পরায়ণ শাসককে সম্মান করা।"

**(আবু দাউদ: ৪৮৪৩ — হাসান)**

ইমাম খাত্তাবি রহ. বলেন — "হামিলুল কুরআন" অর্থ শুধু হাফেয নয়, বরং যিনি কুরআনের ইলম ও আমল বহন করেন অর্থাৎ আলেম। তাঁকে সম্মান করা আল্লাহকে সম্মান করার অংশ।

**(মাআলিমুস সুনান: ৪/১১৫)**

**হাদিস ৪**

> **أَكْرِمُوا الْعُلَمَاءَ فَإِنَّهُمْ وَرَثَةُ الْأَنْبِيَاءِ، فَمَنْ أَكْرَمَهُمْ فَقَدْ أَكْرَمَ اللَّهَ وَرَسُولَهُ**

"আলেমদের সম্মান করো। কারণ তারা নবীদের উত্তরাধিকারী। যে তাদের সম্মান করল, সে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলকে সম্মান করল।"

**(কানযুল উম্মাল: ২৮৬৮৭)**


## তৃতীয় অধ্যায় — ওলামায়ে কেরামের বক্তব্য

**ইমাম শাফেয়ি রহ. (মৃ. ২০৪ হি.)**

> **مَنْ أَهَانَ العُلَمَاءَ فَقَدْ أَهَانَ الشَّرِيعَةَ، وَمَنْ أَهَانَ الشَّرِيعَةَ فَقَدْ أَهَانَ اللهَ**

"যে আলেমদের অপমান করল সে শরিয়তকে অপমান করল। আর যে শরিয়তকে অপমান করল সে আল্লাহকেই অপমান করল।"

**(মানাকিবুশ শাফেয়ি, বায়হাকি: ২/১৫৪)**

**ইমাম মালিক রহ. (মৃ. ১৭৯ হি.)**

তাঁর দরসে কেউ উচ্চস্বরে কথা বললে তিনি বলতেন —

> **هَذَا مَجْلِسُ العِلْمِ، لَا يُرْفَعُ فِيهِ الصَّوْتُ**

"এটি ইলমের মজলিস, এখানে কণ্ঠ উঁচু করা যায় না।"

**(তারতিবুল মাদারিক: ১/১৩৮)**

**ইমাম আহমাদ ইবন হাম্বল রহ. (মৃ. ২৪১ হি.)**

তাঁর ছেলে আবদুল্লাহ বলেন — আমি কখনো বাবার সামনে পা ছড়িয়ে বসিনি, কোনো প্রশ্ন করার আগে অনুমতি নিতাম। তিনি ছিলেন আমার পিতা — তবুও আলেম হিসেবে তাঁর আদব আলাদাভাবে রক্ষা করতাম।

**(মানাকিবুল ইমাম আহমাদ, ইবন জাওযি: পৃ. ৩২১)**

**ইমাম নববি রহ. (মৃ. ৬৭৬ হি.)**

> **يَنْبَغِي لِلْمُتَعَلِّمِ أَنْ يَتَوَاضَعَ لِشَيْخِهِ وَيُعَظِّمَهُ، وَأَنْ يَعْلَمَ أَنَّ تَعْظِيمَهُ تَعْظِيمٌ لِلْعِلْمِ**

"ছাত্রের উচিত উস্তাদের সামনে বিনম্র থাকা এবং তাঁকে সম্মান করা। জেনে রাখো — উস্তাদকে সম্মান করা ইলমকেই সম্মান করা।"

**(আল-মাজমু শরহুল মুহাযযাব: ১/৩৭)**

**আল্লামা ইবন আবিদিন শামি রহ. (মৃ. ১২৫২ হি.)**

> **تَعْظِيمُ أَهْلِ الْعِلْمِ وَاجِبٌ شَرْعًا، وَإِهَانَتُهُمْ مِنَ الْكَبَائِرِ**

"আলেমদের সম্মান করা শরঈভাবে ওয়াজিব। আর তাদের অপমান করা কবিরা গুনাহের অন্তর্ভুক্ত।"

**(রদ্দুল মুহতার: ১/৪৫)**

**হযরত থানভি রহ. (মৃ. ১৩৬২ হি.)**

 আলেমদের সাথে সাধারণ মানুষের মতো ব্যবহার করা দ্বীনের অবমাননার আলামত। যে জাতি আলেমদের কদর করে না, সে জাতির দ্বীনি অবনতি অনিবার্য।

**(মালফুযাতে থানভি: ৩/২১৭)**

**মুফতি রশিদ আহমাদ লুধিয়ানভি রহ.**

আহসানুল ফাতাওয়ায় তিনি লিখেছেন — আলেমকে তাচ্ছিল্য করা, তাঁর সম্মানহানি করা, তাঁকে সাধারণ মানুষের কাতারে নামিয়ে আনা — এসব কাজ ঈমানের দুর্বলতার লক্ষণ এবং কিছু ক্ষেত্রে কুফরের নিকটবর্তী।

**(আহসানুল ফাতাওয়া: ১/৫৩)**


#চতুর্থ অধ্যায় — সালাফের আমলি নমুনা

ইমাম শাফেয়ি রহ. বলেন — আমি ইমাম মালিকের সামনে পাতার শব্দ না হয় এ জন্য অত্যন্ত আস্তে কিতাবের পাতা উল্টাতাম, যাতে তাঁর মনোযোগ বিচ্ছিন্ন না হয়।

ইমাম আবু ইউসুফ রহ. বলেন — ইমাম আবু হানিফার দিকে পা দিয়ে ঘুমানো আমার পক্ষে কখনো সম্ভব হয়নি, যদিও তাঁর বাড়ি ছিল অনেক দূরে।

আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস রাযি. হযরত যায়িদ ইবন সাবিতের উটের লাগাম ধরে হাঁটতেন এবং বলতেন — "এভাবেই আমাদের আলেমদের সম্মান করতে বলা হয়েছে।"


#সারসংক্ষেপ

কুরআন, হাদিস এবং ওলামায়ে কেরামের বক্তব্য একটিই কথা বলে — আলেম ও ইমামদের সাধারণ মানুষের কাতারে রাখা শরঈ দৃষ্টিতে অনুচিত, বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে গুনাহ। "ভাই" বলে সম্বোধন করা শুধু ভাষার সমস্যা নয় — এটি আলেমের মর্যাদা সম্পর্কে ভুল ধারণার প্রকাশ।


আল্লাহ তাআলা আমাদের আলেমদের যথাযথ সম্মান করার তাওফিক দান করুন। আমিন।©

https://www.facebook.com/junaid.ahmad.367631


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২৮-০৪-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৮-০৪-২০২৬ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


অসচ্ছল মানুষের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিতে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার --- বললেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।  


রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে জ্বালানি লোডিং শুরু --- পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের দেশে নাম লেখালো বাংলাদেশ।


দেশে জঙ্গিবাদের কোনো অস্তিত্ব নেই --- বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার রাজনৈতিক স্বার্থে শব্দটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতো ---বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।


জলবায়ু অভিবাসীদের উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্তির আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর।


যুক্তরাষ্ট্রে নিহত দুই শিক্ষার্থীর দেহাবশেষ দেশে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে --- সংসদে জানালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।


বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের মধ্যে তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট ওপেক ও ওপেক প্লাস থেকে বের হয়ে যাওয়ার ঘোষণা সংযুক্ত আরব আমিরাতের।


এবং জাকার্তায় সিঙ্গাপুরকে তিন-এক গোলে হারিয়ে নারী এশিয়ান গেমস বাছাইয়ের ফাইনালে বাংলাদেশ নারী হকি দল।

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৮-০৪-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ

তারিখ:২৮-০৪-২০২৬ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


দেশের জনগণ বিএনপি’র নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন দেখতে চায় - যারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে - যশোর জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


মেয়েদের পড়ালেখার ব্যবস্থা ডিগ্রী পর্যন্ত বিনামূল্যে করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে - শার্শায় ঐতিহাসিক উলসীখাল পুনঃখনন উদ্বোধন শেষে বললেন তারেক রহমান।


দেশের সব স্তরের স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করতে প্রায় এক বছর সময় লাগতে পারে - সংসদে বললেন এলজিআরডি মন্ত্রী।


মাদক ও জুয়া নির্মূলে আগামী বৃহস্পতিবারের পর দেশব্যাপী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে - জানালেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী।


আগামী সপ্তাহ থেকে বিদ্যুতের লোডশেডিং পরিস্থিতির উন্নতি হবে - বললেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী।


ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের অপব্যবহার রোধে বিশ্বের সকল দেশকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে - যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতকে বললেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।


ইরান শান্তি পরিকল্পনা পর্যালোচনা করছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট - পুনরায় হরমুজ প্রণালী খুলে দিতে জাতিসংঘের আহ্বান।


সিলেটে আজ তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট সিরিজের প্রথমটিতে শ্রীলংকা নারী দলের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২৭-০৪-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৭-০৪-২০২৬ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


দেশের জনগণ বিএনপি’র নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন দেখতে চায় --- যারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে --- যশোর জেলা বিএনপি আয়োজিত জনসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


মেয়েদের পড়ালেখার ব্যবস্থা ডিগ্রী পর্যন্ত বিনামূল্যে করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে --- শার্শায় ঐতিহাসিক উলসীখাল পুনঃখনন উদ্বোধন শেষে বললেন তারেক রহমান।


দেশের সব স্তরের স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করতে প্রায় এক বছর সময় লাগতে পারে --- সংসদে বললেন এলজিআরডি মন্ত্রী।


মাদক ও জুয়া নির্মূলে আগামী বৃহস্পতিবারের পর দেশব্যাপী বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হবে --- জানালেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী।


আগামী সপ্তাহ থেকে বিদ্যুতের লোডশেডিং পরিস্থিতির উন্নতি হবে --- বললেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী।


ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের অপব্যবহার রোধে বিশ্বের সকল দেশকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে --- যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতকে বললেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।


পাকিস্তানে শান্তি আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করলো ইরান।


এবং চট্টগ্রামে টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে ছয় উইকেটে নিউজিল্যান্ডকে পরাজিত করলো বাংলাদেশ।

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৭-০৪-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ

তারিখ:২৭-০৪-২০২৬ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং জনসভায় অংশগ্রহণ করতে আজ যশোর যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


একনেকে সমন্বিত স্বাস্থ্য সেবা সম্প্রসারণসহ ১৪টি প্রকল্প অনুমোদন - প্রকল্প ব্যয়ে মিতব্যয়ী হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর।


পুলিশসহ জরুরি সেবায় নিয়োজিত বাহিনীর জ্বালানি তেলের রেশনিং প্রত্যাহার - সংসদে জানালেন তারেক রহমান।


সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার রোধে মূলধারার গণমাধ্যমকে জোরালো ভূমিকা রাখার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর।


 ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে বৈশ্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন - বললেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী।


প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে দেখা করতে রাশিয়ার পথে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী - লেবাননে যুদ্ধ বিরতির মধ্যে ইসরাইলি হামলায় ১৪ জন নিহত।


চট্টগ্রামে আজ প্রথম টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট ম্যাচে সফররত নিউজিল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৬

সূরা লাহাব: কুরআনের এক জীবন্ত ভবিষ্যদ্বাণী! ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সূরা লাহাব: কুরআনের এক জীবন্ত ভবিষ্যদ্বাণী!


কুরআনের ১১১ নং সূরা হলো সূরা আল-লাহাব (তাব্বাত ইয়াদা আবি লাহাব)। এই সূরায় আল্লাহ তাআলা সরাসরি রাসূল ﷺ–এর চাচা আবু লাহাব–এর পরিণতি ঘোষণা করে দেন—


“ধ্বংস হোক আবু লাহাবের দুই হাত, আর সে নিজেও ধ্বংস হোক।

তার ধন-সম্পদ ও যা সে উপার্জন করেছে তা তার কোনো কাজে আসবে না।

সে অচিরেই দগ্ধ হবে প্রজ্বলিত আগুনে।”

(সূরা লাহাব ১১১:১–৩)


এই আয়াতগুলো কোনো সাধারণ ব্যক্তিকে নয়, বরং জীবিত অবস্থায় থাকা এক প্রভাবশালী মানুষকে উদ্দেশ্য করে নাজিল হয়েছিল। এখানেই এই সূরার তাৎপর্য ও অলৌকিকতা সবচেয়ে বেশি স্পষ্ট হয়।


সূরা লাহাব কখন নাজিল হয়েছিল.?


ইতিহাসবিদ ও মুফাসসিরদের মতে,

সূরা লাহাব নাজিল হয় নবুয়তের একেবারে শুরুর দিকে, অর্থাৎ—নবুয়তের প্রথম বা দ্বিতীয় বছর

আনুমানিক ৬১৩ খ্রিস্টাব্দে,এই সময় আবু লাহাব সম্পূর্ণ জীবিত ছিলেন, সমাজে প্রভাবশালী ছিলেন এবং চাইলে প্রকাশ্যে ইসলাম গ্রহণ করার সুযোগ তার সামনে খোলা ছিল।


আবু লাহাব কত বছর পরে মারা যায়..?


আবু লাহাব মারা যায়—২ হিজরি সনে,বদর যুদ্ধের কিছুদিন পরে,আনুমানিক ৬২৪ খ্রিস্টাব্দে।

অর্থাৎ—সূরা লাহাব নাজিল হওয়ার প্রায় ১০–১১ বছর পরে আবু লাহাব মারা যায়।


এই দীর্ঘ সময়জুড়ে সে একবারও ঈমান আনেনি, বরং মৃত্যু পর্যন্ত ইসলাম ও রাসূল ﷺ–এর বিরোধিতা করে গেছে।


কেন এই ঘটনা কুরআনের সত্যতার শক্ত প্রমাণ

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ যুক্তি উঠে আসে—

কুরআন স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছিল যে আবু লাহাব জাহান্নামে যাবে,যদি আবু লাহাব লোক দেখানো হলেও একদিনের জন্য ঈমান আনত, তাহলে কুরআনের এই ঘোষণা প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যেত,

ইসলাম বিরোধীরা এটাকে বড় অস্ত্র বানাতে পারত।


কিন্তু বাস্তবে কী হলো?


আবু লাহাব কখনো ঈমান আনেনি,

বরং মৃত্যু পর্যন্ত কুফরেই অটল থেকেছে,

এবং অপমানজনক অবস্থায় মারা গেছে।

এটা কোনো কাকতালীয় বিষয় নয়,কারণ মানুষ ভবিষ্যৎ সম্পর্কে অনুমান করতে পারে না,কিন্তু একজন শত্রু জীবিত থাকাকালীন তার শেষ পরিণতি নিশ্চিতভাবে ঘোষণা করা—মানুষের পক্ষে অসম্ভব।


মানুষের লেখার সাথে কুরআনের পার্থক্য!


যদি কুরআন মানুষের লেখা হতো, তাহলে—

এমন ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা কখনোই করা হতো না,

কারণ এক ব্যক্তির সিদ্ধান্তেই পুরো বক্তব্য মিথ্যা হয়ে যেতে পারত।


কিন্তু কুরআন এই ঘোষণা করেছে নির্ভয়ে, এবং ইতিহাস তা শতভাগ সত্য প্রমাণ করেছে।


সূরা লাহাব প্রমাণ করে—

কুরআন কোনো সাধারণ গ্রন্থ নয়,

এটি ভবিষ্যৎ সম্পর্কে নিশ্চিত সংবাদ দেয়,

এবং আল্লাহর পক্ষ থেকেই নাজিল হয়েছে।

আবু লাহাব সূরা নাজিল হওয়ার প্রায় ১০–১১ বছর পর মারা গিয়েও ঈমান আনেনি—এটাই কুরআনের সত্যতার এক জীবন্ত সাক্ষ্য।


#foryoupageシ   #foryouシ

প্রজেক্ট ফাইল অটোমেশন করার জন্য ২০টি গুরুত্বপূর্ণ Excel ফর্মুলা:👇

 ⛔প্রজেক্ট ফাইল অটোমেশন করার জন্য ২০টি গুরুত্বপূর্ণ Excel ফর্মুলা:👇


1. SUM

Formula: =SUM(A1:A10)

Argument: (range)

ব্যাখ্যা: নির্দিষ্ট রেঞ্জের সব সংখ্যা যোগ করে।


2. AVERAGE

Formula: =AVERAGE(A1:A10)

Argument: (range)

ব্যাখ্যা: গড় মান বের করে।


3. COUNT

Formula: =COUNT(A1:A10)

Argument: (range)

ব্যাখ্যা: শুধুমাত্র সংখ্যাসূচক সেল গণনা করে।


4. COUNTA

Formula: =COUNTA(A1:A10)

Argument: (range)

ব্যাখ্যা: খালি ছাড়া সব সেল গণনা করে।


5. IF

Formula: =IF(A1>50,"Pass","Fail")

Argument: (logical_test, value_if_true, value_if_false)

ব্যাখ্যা: শর্ত অনুযায়ী ফলাফল দেয়।


6. SUMIF

Formula: =SUMIF(A1:A10,">50")

Argument: (range, criteria, [sum_range])

ব্যাখ্যা: শর্ত অনুযায়ী যোগফল করে।


7. COUNTIF

Formula: =COUNTIF(A1:A10,"Yes")

Argument: (range, criteria)

ব্যাখ্যা: নির্দিষ্ট শর্তে সেল গণনা করে।


8. VLOOKUP

Formula: =VLOOKUP(A2,A:B,2,FALSE)

Argument: (lookup_value, table_array, col_index_num, [range_lookup])

ব্যাখ্যা: টেবিল থেকে ডাটা খুঁজে আনে (vertical)।


9. HLOOKUP

Formula: =HLOOKUP(A1,B1:E2,2,FALSE)

Argument: (lookup_value, table_array, row_index_num, [range_lookup])

ব্যাখ্যা: হরাইজন্টালভাবে ডাটা খোঁজে।


10. XLOOKUP

Formula: =XLOOKUP(A2,A:A,B:B)

Argument: (lookup_value, lookup_array, return_array)

ব্যাখ্যা: আধুনিক ও শক্তিশালী lookup ফাংশন।


11. INDEX

Formula: =INDEX(A1:B10,2,2)

Argument: (array, row_num, column_num)

ব্যাখ্যা: নির্দিষ্ট অবস্থানের ডাটা রিটার্ন করে।


12. MATCH

Formula: =MATCH("Apple",A1:A10,0)

Argument: (lookup_value, lookup_array, [match_type])

ব্যাখ্যা: ডাটার পজিশন বের করে।


13. LEFT

Formula: =LEFT(A1,4)

Argument: (text, [num_chars])

ব্যাখ্যা: বাম দিক থেকে নির্দিষ্ট অক্ষর নেয়।


14. RIGHT

Formula: =RIGHT(A1,3)

Argument: (text, [num_chars])

ব্যাখ্যা: ডান দিক থেকে অক্ষর নেয়।


15. MID

Formula: =MID(A1,2,3)

Argument: (text, start_num, num_chars)

ব্যাখ্যা: মাঝখান থেকে অক্ষর নেয়।


16. LEN

Formula: =LEN(A1)

Argument: (text)

ব্যাখ্যা: টেক্সটের মোট দৈর্ঘ্য গণনা করে।


17. TRIM

Formula: =TRIM(A1)

Argument: (text)

ব্যাখ্যা: অতিরিক্ত স্পেস সরায়।


18. CONCAT

Formula: =CONCAT(A1,B1)

Argument: (text1, text2, ...)

ব্যাখ্যা: একাধিক টেক্সট একত্র করে।


19. ROUND

Formula: =ROUND(A1,2)

Argument: (number, num_digits)

ব্যাখ্যা: নির্দিষ্ট দশমিক পর্যন্ত সংখ্যা রাউন্ড করে।


20. TODAY

Formula: =TODAY()

Argument: ()

ব্যাখ্যা: আজকের তারিখ দেখায়।


#exceltips #excelformullas #excelbasic #SkillDevelopment  #everyone

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।  তারিখ: ২৬-০৪-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। 

তারিখ: ২৬-০৪-২০২৬ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


একনেকে সমন্বিত স্বাস্থ্য সেবা সম্প্রসারণসহ ১৪টি প্রকল্প অনুমোদন - প্রকল্প ব্যয়ে মিতব্যয়ী হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের।


পুলিশসহ জরুরি সেবায় নিয়োজিত বাহিনীর জ্বালানি তেলের রেশনিং প্রত্যাহার - সংসদে জানালেন প্রধানমন্ত্রী।


উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধন, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং জনসভায় অংশগ্রহণ করতে আগামীকাল যশোর জেলা সফর করবেন তারেক রহমান।


সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার রোধে মূলধারার গণমাধ্যমকে জোরালো ভূমিকা রাখার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর।


ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মকে শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে বৈশ্বিক সহযোগিতা প্রয়োজন - বললেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী।


হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় বিশ্বব্যাপী মানবিক সংকট সৃষ্টি হচ্ছে -মন্তব্য জাতিসংঘের।


বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথমটি আগামীকাল চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত হবে।

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৬-০৪-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ

তারিখ:২৬-০৪-২০২৬ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


মেধানির্ভর, আত্মবিশ্বাসী, সৃজনশীল ও দায়িত্ববান মানব সম্পদ গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর - বিয়াম ফাউন্ডেশন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বললেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক থেকে উচ্ছেদ হওয়া হকারদের দ্রুত পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর।


গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা নস্যাতের যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিরোধে সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানালেন এলজিআরডি মন্ত্রী।


প্রযুক্তিনির্ভর আধুনিক সমাজ গঠনে আইসিটি খাতের সকল অংশীজনের সম্মিলিত প্রয়াস জরুরী - বললেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।


ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পাকিস্তান ত্যাগের পরপরই শান্তি আলোচনার জন্য মার্কিন প্রতিনিধিদলের পূর্বনির্ধারিত সফর বাতিল করলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।


চীনে এশিয়ান বিচ গেমস কাবাডি ইভেন্টে চাইনিজ তাইপেকে হারিয়ে সেমিফাইনালে বাংলাদেশ নারী দল - গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লড়াইয়ে নেপালের মুখোমুখি হচ্ছে আজ।

লজ্জাস্থানের চুল কাটা সম্পর্কে যাবতীয় মাসয়ালা—

লজ্জাস্থানের চুল কাটা সম্পর্কে যাবতীয় মাসয়ালা—

১। নাভির নিচের লোম কাটার সীমানা কতটুকু?


২। স্বামী-স্ত্রী কেউ কারো লজ্জাস্থানের লোম কেটে দিতে পারবে?


‌৩। অন্ডকোষ ও পায়ুপথের চারপাশের লোমও কাটতে হবে?


৪। পুরুষ ও নারী কি কি ব্যবহার করে লজ্জাস্থানের লোম কাটতে পারবে?


৫। কত দিনের মধ্যে অবাঞ্ছিত লোম কাটতে হবে?


🔲 নাভির নিচের লোম কাটার সীমানা কতটুকু?


▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞


পায়ের পাতার উপর ভর করে বসা অবস্থায়, নাভী থেকে চার পাঁচ আঙ্গুল পরিমাণ নীচে যে ভাঁজ বা রেখা সৃষ্টি হয়, সেখান থেকেই অবাঞ্ছিত লোমের সীমানা শুরু। ঐ ভাঁজ থেকে দুই উরু পর্যন্ত ডান বামের লোম, গোপনাঙ্গের চার পাশের লোম, অণ্ডকোষ থেকে মলদ্বার পর্যন্ত উদগত লোম এবং প্রয়োজনে মলদ্বারের আশ-পাশের লোম অবাঞ্ছিত লোমের অন্তর্ভুক্ত। (আল মাউসুয়াতুল ফিকহিয়্যা কুয়েতিয়্যা ৩/২১৬-২১৭, মরদূকে লেবাস আউর বালূঁকে শরয়ী আহকাম ৮১)


🔲 স্বামী তার স্ত্রী’র এবং স্ত্রী তার স্বামীর-


নাভির নিচের লোম কেটে দিতে পারবে?


▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞


হ্যাঁ, স্বামী-স্ত্রী একে অপরের অবাঞ্চিত লোম কেটে দিতে পারবে।


তবে নিজ হাত দিয়ে অবাঞ্চিত লোম পরিস্কারের সামর্থ থাকা সত্বেও একে অপরের সাহায্য না নেওয়া উত্তম।


স্বামী স্ত্রীর মাঝেও লজ্জা শীলতা থাকা আবশ্যক। স্বামী-স্ত্রী পরস্পরের মাঝে লজ্জা না থাকলে সংসারে সুখ হয় না।


যদিও স্বামী স্ত্রীর পরস্পরের লজ্জাস্থানের লোম পরিষ্কার করে দেওয়া জায়েয। তবে ইহা আদব তথা শিষ্টাচার পরিপন্থী কাজ।


ইবন কুদামা আল মাকদেসী (রহ.) বলেন,


 وَيُبَاحُ لِكُلِّ وَاحِدٍ مِنْ الزَّوْجَيْنِ النَّظَرُ إلَى جَمِيعِ بَدَنِ صَاحِبِهِ ، وَلَمْسُهُ ، حَتَّى الْفَرْجِ … ؛ وَلِأَنَّ الْفَرْجَ يَحِلُّ لَهُ الِاسْتِمْتَاعُ بِهِ ، فَجَازَ النَّظَرُ إلَيْهِ وَلَمْسُهُ ، كَبَقِيَّةِ الْبَدَنِ 


 স্বামী-স্ত্রী একে অপরের সমস্ত দেহের দিকে তাকানো, স্পর্শ করা, এমনকি যৌনাঙ্গের ক্ষেত্রেও বৈধ। কেননা, যৌনাঙ্গে মিলন হালাল। সুতরাং শরীরের অন্যান্য অঙ্গের মত তা দেখা ও স্পর্শ করাও জায়েয। (আল মুগনী ৭/৭৭)।


🔲 অন্ডকোষ ও মলদ্বারের-


চারপাশের লোমও কাটতে হবে?


▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞


মুত্র থলির নিচে নিম্নাঙ্গের যে হাড্ডি থেকে- যেখানে তলপেটের নিচে উক্ত হাড্ডি বরাবর চামড়ার ওপর একটি ভাঁজ থাকে। (পেটের নীচে লজ্জাস্থানের উপরে ত্রিভুজ অঞ্চলের শুরুতে যে ভাঁজ থাকে) এখান থেকেই সাধারণত ঘন পশম গজানো শুরু হয়। উক্ত ভাঁজ থেকে নিয়ে লিঙ্গ, অণ্ডকোষ এবং মলদ্বার- এই তিন অঙ্গের আশপাশে এবং উরুর ওই অংশ, যা অণ্ডকোষদ্বয়ের কাছাকাছি থাকে এবং যা পশমের কারণে ময়লাযুক্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে পুরোটাই অবাঞ্ছিত পশম থেকে মুক্ত করতে হবে। [সূত্র: ফাতাওয়ায়ে মাদানিয়া : ৩/৪৮২]


পায়খানার রাস্তার আশেপাশের লোম কাটতে হবে।


যদি নাপাকি লেগে না থাকে, সন্দেহমুক্তভাবে পরিষ্কার রাখা সর্বদা সম্ভব হয়, তাহলে সমস্যা নেই।


তবে কেটে ফেলা উত্তম, কেটে ফেলবেন, এটা অধিকাংশ মত।(বিস্তারিত পরবর্তী পোস্টে আলোচনা করা হবে ইংশাআল্লাহ্)।


☞ আর নাভীর নিচের লোম, অন্ডকোষ, পায়ুপথ তথা শরীরের অবাঞ্ছিত লোম পরিষ্কার করতে যেয়ে একটা-দুইটা লোম থেকে গেলে কোন গোনাহ হবেনা। (আল মাউসুয়াতুল ফিকহিয়্যা কুয়েতিয়্যা ৩/২১৬-২১৭, মরদূকে লেবাস আউর বালূঁকে শরয়ী আহকাম ৮১)


🔲 পুরুষ ও নারী কি কি ব্যবহার করে-


নাভির নিচের লোম কাটতে পারবে?


▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞


পুরুষের জন্য চেঁছে ফেলা এবং মহিলাদের জন্য উপড়িয়ে ফেলা মুস্তাহাব।—(কিতাবুল ফিকহ আ’লাল মাযাহিবিল আরবাআ’ ২/৪৫)


ব্লেড, ক্ষুর বা কাঁচি দ্বারা গোপনাঙ্গের লোম পরিস্কার করা পুরুষ ও নারী উভয়ের জন্য জায়েয। অনুরূপভাবে হেয়ার রিমুভার জাতীয় ক্যামিক্যাল দ্বারা পরিস্কার করাতেও শরীয়তের কোন বাধা নেই। কেউ যদি কাঁচি দ্বারা ছোট করে রাখে, তাহলে জায়েয হবে, তবে উত্তম হবে না।


فإن أزال شعره بغير الحديد لا يكون على وجه السنة


যদি কেউ চেঁছে না ফেলে অন্য কোনভাবে পরিষ্কার করে তাহলে তা সুন্নাহ অনুযায়ী হবে না। (কিতাবুন নাওয়াযিল ১৫/৫৪৭)


❑ মেশিন দিয়ে লজ্জাস্থানের লোম কাটার মূলনীতি হলো—


▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞


☞ ছাটা না ক্লিন?


☞ লোম ক্লিন করা সুন্নাত। 


☞ তাই মেসিন দিয়ে তো কাটা হয়/ছাটা হয়, ক্লিন হয় না। 


☞ আর যদি একেবারে ন্যানো হয় তাহলে করা যেতে পারে।


তবে একবারে ক্লিন করাই উত্তম, সুন্নাহ।


▪️হযরত আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত—


وعن أبي هريرة، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: ((الفطرة خمس: الختان، والاستحداد، وقص الشارب، وتقليم الأظفار، ونتف الإبط)) متفق عليه.


রাসূলুল্লাহ (সাঃ) বলেন, ফিতরাত তথা স্বভাবগত সুন্নত পাচঁটি।


১) খৎনা করা। ২) খুর দ্বারা নাভীর নীচ পরিস্কার করা। ৩) মুছ কাট। ৪) নক কাটা। ৫) বগলের চুলকে উপড়িয়ে ফেলা। (মিশকাতুল মাসাবিহ-৪৪২০)


▪️মুল্লা আলী ক্বারী (রঃ) উক্ত হাদীসের ব্যখ্যায় লিখেন,


(والاستحداد) : أي حلق العانة، وهو استفعال من الحديد، وهو استعمال الحديد من نحو الموسى في حلق العانة ذي الشعر الذي حوالي ذكر الرجل وفرج المرأة. زاد ابن شريح: وحلقة الدبر، فجعل العانة منبت الشعر مطلقا، والمشهور الأول، فإن أزال شعره بغير الحديد لا يكون على وجه السنة. كذا في شرح المشارق، ويجب أن يعلم أنه لا يقطع شيئا من شعر وهو جنب.


ইস্তেহদাদ অর্থ হলো– নাভীর নীচ কে খুর ইত্যাদি দ্বারা পরিস্কার করা। পুরুষাঙ্গ ও যোনিপথের আশপাশের সবকিছুকে খুর দ্বারা পরিস্কার করতে হবে।


ইবনে শুরাইহ বলেন, মলমূত্রত্যাগের স্থানকেও খুর দ্বারা পরিস্কার করতে হবে। উনি নাভীর নীচের সকল চুলকে তাতে শামিল রাখেন তা যেখানেই হোকনা কেন। তবে প্রথম মতটাই অধিক প্রসিদ্ধ। যদি কেউ খুর ব্যতীত অন্য কিছু দ্বারা নাভীর চুলকে পরিস্কার করে, তাহলে সেটা সুন্নত অনুযায়ী হবে না।(শরহে মাশারিক্ব) সবার জানা থাকা উচিৎ যে, জুনুবী অবস্থায় নাভীর চুলকে কাটা যাবে না।


🔲 কত দিনের মধ্যে অবাঞ্ছিত লোম কাটতে হবে?


▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞


অবাঞ্ছিত লোম, নখ ইত্যাদি সপ্তাহে একবার কাটা সুন্নত। কমপক্ষে ৪০ দিনের ভিতরে একবার হলেও কাটতে হবে বিনা ওজরে চল্লিশ দিন পর কাটা মাকরূহ তাহরীমি বা গোনাহর কাজ। এ মর্মে সাহাবী আনাস (রাযি.) বলেন,


وُقِّتَ لَنَا فِي قَصِّ الشَّارِبِ، وَتَقْلِيمِ الأَظْفَارِ، وَنَتْفِ الإِبِطِ، وَحَلْقِ الْعَانَةِ، أَنْ لاَ نَتْرُكَ أَكْثَرَ مِنْ أَرْبَعِينَ يَوْماً


অর্থাৎ, গোঁফ ছোট রাখা , নখ কাঁটা, বগলের লোম উপড়িয়ে ফেলা এবং নাভীর নিচের লোম চেঁছে ফেলার জন্যে আমাদেরকে সময়সীমা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল যেন, আমরা তা করতে চল্লিশ দিনের অধিক দেরী না করি। (মুসলিম ২৫৮)

রবিবার, ২৬ এপ্রিল, ২০২৬

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২৫-০৪-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৫-০৪-২০২৬ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


মেধা নির্ভর, আত্মবিশ্বাসী, সৃজনশীল ও দায়িত্ববান মানব সম্পদ গড়ে তুলতে সরকার বদ্ধপরিকর --- বিয়াম ফাউন্ডেশন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বললেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক থেকে উচ্ছেদ হওয়া হকারদের দ্রুত পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর।


গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার প্রচেষ্টা নস্যাতের যেকোনো ষড়যন্ত্র প্রতিরোধে সকলকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানালেন এলজিআরডি মন্ত্রী।


ইউরোপের শ্রমবাজারে দক্ষ জনশক্তি প্রেরণে বাস্তবসম্মত ‘রোডম্যাপ’ তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর।


সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু।


শান্তি আলোচনার জন্য পাকিস্তানে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রী --- ইসলামাবাদের পথে মার্কিন প্রতিনিধি দল --- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সরাসরি আলোচনার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানালো তেহরান।


এবং রাজশাহীতে বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই-এক-ব্যবধানে তিন ম্যাচ একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সিরিজ জিতলো শ্রীলংকা নারী দল।

সকাল ০৭ টার বাংলা সংবাদ,  তারিখ: ২৫-০৪-২০২৬ খ্রি.

 সকাল ০৭ টার বাংলা সংবাদ, 

তারিখ: ২৫-০৪-২০২৬ খ্রি.


আজকের শিরোনাম:


দেশকে যারা অস্থিতিশীল করতে চায়, তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না - বললেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী।


জনদুর্ভোগ এড়াতে জ্বালানির দাম সতর্কতার সাথে সমন্বয় করা হয়েছে - মূল্যস্ফীতিতে কোনো প্রভাব পড়বে না - মন্তব্য বাণিজ্য মন্ত্রীর।


সরকার প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে খাস জমি বিতরণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ - বললেন ভূমি মন্ত্রী।


গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও বস্তুনিষ্ঠতা মিলে একটি কাঠামো দাঁড় করানোর চেষ্টা করছে সরকার, যা দেশের সংবাদ মাধ্যমকে আর শক্তিশালী করবে - জানালেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।


যুদ্ধবন্ধে তেহরানের মনোভাব পাকিস্তানকে অবহিত করতে ইসলামাবাদে পৌঁছেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।


রাজশাহীতে সিরিজ নির্ধারণী তৃতীয় ও শেষ একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচে আজ সফররত শ্রীলংকা নারী দলের মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ।

রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ ২৪ - ০৪ -২০২৪

 রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ

তারিখ ২৪ - ০৪ -২০২৪


আজকের সংবাদ শিরোনাম


জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার ও বিরোধী দলের সমন্বয়ে ১০ সদস্যের সংসদীয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব সংসদে প্রধানমন্ত্রীর।

 

 


দেশ ও জনগণের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যে কোন আলোচনায় বসতে প্রস্তুত আছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল --- মন্তব্য তারেক রহমানের। 

 

 


জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির সঙ্গে সংগতি রেখে ডিজেল চালিত দূরপাল্লা ও আন্তঃজেলা যানবাহনের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে বাড়লো ১১ পয়সা, কার্যকর আজ থেকে ।

 


 


বন্ধ থাকা ছয়টি পাটকল আগামী ছয় মাসের মধ্যে বেসরকারি উদ্যোগে চালুর সিদ্ধান্ত সরকারের।

 

 


সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের জন্য মোট ৪৯ জনের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।  

 

 


জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নারায়ণগঞ্জে ১০ জনকে হত্যার ঘটনায় শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ ৫ই মে।

 


 


ইরান সংলাপ ও চুক্তি চায়, তবে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ, অবরোধ ও হুমকি আলোচনার পথে প্রধান প্রতিবন্ধক --- মন্তব্য তেহরানের।

 

 


 এবং চট্টগ্রামে তৃতীয় ও শেষ একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচে সফরকারি নিউজিল্যান্ডকে ৫৫ রানে হারিয়ে দুই-এক ব্যবধানে সিরিজ জিতলো বাংলাদেশ।

সকাল ০৭ টার বাংলা সংবাদ।  তারিখঃ২৪-০৪-২০২৬ খ্রি.

 সকাল ০৭ টার বাংলা সংবাদ। 

তারিখঃ২৪-০৪-২০২৬ খ্রি.


আজকের শিরোনাম: 


বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতার নিরিখে সংসদ সদস্যদের শুল্কমুক্ত গাড়ি সুবিধা বাতিল সংক্রান্ত আইন মন্ত্রিসভায় অনুমোদন।


জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার ও বিরোধী দলের সমন্বয়ে ১০ সদস্যের সংসদীয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর।


সেচকাজে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে রাজধানীতে পরীক্ষামূলকভাবে ১১০ মেগাওয়াট লোডশেডিং চালুর সিদ্ধান্ত - ৩০০ বিধিতে দেওয়া বিবৃতিতে সংসদকে জানালেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী।


জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্যের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ডিজেল-চালিত গণপরিবহনের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বৃদ্ধি।


সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের জন্য মোট ৪৯ জনের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন।


ইসরাইল-লেবানন যুদ্ধ বিরতি চুক্তি আরো তিন সপ্তাহ বৃদ্ধির ঘোষণা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের - যুদ্ধের ফলে সৃষ্ট জ্বালানি এবং সার সঙ্কট বিশ্বব্যাপী তিন কোটিরও বেশি মানুষকে পুনরায় দরিদ্র করবে - আশঙ্কা জাতিসংঘের।


চট্টগ্রামে তৃতীয় ও শেষ একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচে সফরকারি নিউজিল্যান্ডকে ৫৫ রানে হারিয়ে দুই-এক ব্যবধানে সিরিজ জিতলো বাংলাদেশ।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২৩-০৪-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২৩-০৪-২০২৬ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার ও বিরোধী দলের সমন্বয়ে ১০ সদস্যের সংসদীয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব সংসদে প্রধানমন্ত্রীর।


দেশ ও জনগণের স্বার্থে বিরোধীদলের সঙ্গে যে কোন আলোচনায় বসতে প্রস্তুত আছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল --- মন্তব্য তারেক রহমানের। 


জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির সঙ্গে সংগতি রেখে ডিজেল চালিত দূরপাল্লা ও  আন্তঃজেলা যানবাহনের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে বাড়লো ১১ পয়সা, কার্যকর আজ থেকে ।


বন্ধ থাকা ছয়টি পাটকল আগামী ছয় মাসের মধ্যে বেসরকারি উদ্যোগে চালুর সিদ্ধান্ত সরকারের।


সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচনের জন্য মোট ৪৯ জনের প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা  করেছে নির্বাচন কমিশন।  


জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নারায়ণগঞ্জে ১০ জনকে হত্যার ঘটনায় শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ ৫ই মে।


ইরান সংলাপ ও চুক্তি চায়, তবে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ, অবরোধ ও হুমকি আলোচনার পথে প্রধান প্রতিবন্ধক --- মন্তব্য তেহরানের।


 এবং চট্টগ্রামে তৃতীয় ও শেষ একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচে সফরকারি নিউজিল্যান্ডকে ৫৫ রানে হারিয়ে দুই-এক ব্যবধানে সিরিজ জিতলো বাংলাদেশ।

AI রেডি ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 প্রিয় পাঠক,

আসসালামু আলাইকুম।

আমরা খুব অদ্ভুত এক সময়ে প্রবেশ করতে যাচ্ছি — এমন এক সময়, যেখানে অর্থনৈতিক কাজে মানুষের সরাসরি প্রয়োজন ক্রমেই কমে যাবে, কারণ AI প্রায় সবই করে ফেলবে।

এই বিষয়টা যেমন একই সঙ্গে প্রচণ্ড এলার্মিং, তেমনি সম্ভাবনাময়ও।


আমরা যদি এমন একটি ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ কল্পনা করি, যেখানে প্রতিটি বাংলাদেশি ছাত্র তার AI সঙ্গীকে ব্যবহার করে শেখার গভীর থেকে গভীরে যাচ্ছে, চার মাসের পড়ালেখা এক দিনে শেষ করে ফেলছে…

একজন বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সার একাই পুরো এজেন্সির কাজ করছেন…

একজন বাংলাদেশি উদ্যোক্তা এমন সব সমস্যার সমাধান করে ফেলছেন, যা আগে অকল্পনীয় ছিল…

ভালো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হয়ে দেশের বাইরে না গিয়েও ট্যালেন্টেড মানুষ দেশ থেকেই ফেসবুক-গুগলের মতো SaaS তৈরি করে ফেলছেন…

তাহলে আশা করাই যায়, AI বিপ্লবের ফলে যে গ্লোবাল অগ্রগতি হবে, সেই মিছিলের একদম সামনে বাংলাদেশ থাকবে, ইন শা আল্লাহ।


সেরকম একটি AI রেডি বাংলাদেশের স্বপ্ন নিয়েই AI Ready Movment Bangladesh-এর এই প্রাথমিক প্রয়াস —

AI রেডি বই।

এই বইতে আমি চেষ্টা করেছি যতটা সম্ভব সহজভাবে 

AI যুগে রেডি হওয়ার একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডলাইন দিতে।


আল্লাহ আপনাদের সবাইকে দুনিয়া ও আখিরাতে সফল করুন। আমিন।


আবিদ আদনান

Head of AI, Onnorokom EdTech

Founder & CEO, AI Ready Movement Bangladesh

Aiready.com.bd

শ্বশুরবাড়ির সাথে সম্পর্ক মজবুত করা কঠিন মনে হয়

 শ্বশুরবাড়ির সাথে সম্পর্ক মজবুত করা কঠিন মনে হয়? সঠিক কৌশল জানলে অনেক সহজ!


সম্পর্ক ভালো রাখতে জোর নয়, দরকার বুদ্ধিমত্তা আর ধৈর্য—

• সম্মান ও ভদ্রতা বজায় রাখুন — ছোট বড় সবার সাথে আচরণে সৌজন্য রাখলে গ্রহণযোগ্যতা বাড়ে

• নিয়মিত যোগাযোগ রাখুন — খোঁজখবর নেওয়া, কথা বলা—এগুলো দূরত্ব কমায়

• ছোট ছোট সাহায্য করুন — প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ালে বিশ্বাস তৈরি হয়

• তাদের দৃষ্টিভঙ্গি বোঝার চেষ্টা করুন — সবকিছু নিজের মতো ভাবলে ভুল বোঝাবুঝি বাড়ে

• সীমারেখা ঠিক রাখুন — সম্মান রেখেই নিজের ব্যক্তিগত জায়গা পরিষ্কার করুন

• সমালোচনা না করে কৌশলে কথা বলুন — সরাসরি বিরোধ না করে নরমভাবে নিজের কথা বলুন

• তুলনা এড়িয়ে চলুন — নিজের পরিবার ও শ্বশুরবাড়ির মধ্যে তুলনা করলে সম্পর্ক খারাপ হয়

• স্বামী/স্ত্রীর সাথে সমন্বয় রাখুন — যেকোনো সমস্যায় একে অপরকে সাপোর্ট করুন

সবচেয়ে বড় বিষয়—সম্পর্ক সময় নিয়ে তৈরি হয়। ধৈর্য, ভালো ব্যবহার, আর ধারাবাহিক আচরণই এটাকে শক্ত করে।


Educational purpose only.


#পরিবার #সম্পর্ক #দাম্পত্য

নারীরা বাবার নামে পরিচিত হবে।  ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 নারীরা বাবার নামে পরিচিত হবে। 


নাম ছিল শাহানা আক্তার। এসএসসি, এইচএসসি, অনার্স, মাস্টার্স সব পরীক্ষার সনদেও তার এই নাম। কিন্তু বিয়ের পর শাহানা আক্তার হয়ে যান শাহানা চৌধুরী। স্বামীর চাকরির সুবাদে তাঁকে পাড়ি জমাতে হয় সুদূর কানাডায়। সেখানে তিনি শুধুই মিসেস চৌধুরী নামে পরিচিত। বিয়ের পর স্বামীর পদবি যুক্ত হচ্ছে নারীদের নামের পাশে। ফলে হারিয়ে যাচ্ছে তার নিজস্ব নামটি।


ইসলাম জন্ম পরিচয়ের সূত্র প্রকাশের সময় আপন পিতা ছাড়া অন্যের দিকে নিজের পরিচয়কে সম্পর্কযুক্ত করতে কঠিনভাবে নিষেধ করেছে।


এমনকি ইচ্ছায়-অনিচ্ছায়, ভক্তি-শ্রদ্ধা, সম্মান প্রদর্শনসহ অন্য যে কোনো কারণ দেখিয়েই হোক না কেন, জন্মদাতা ছাড়া পরিচয় দিতে নিষেধ করা হয়েছে।


কোরআন বলছে: তোমরা তাদেরকে তাদের বাবার নামে ডাক। (আল-কুরআন, ৩৩:৫) 


এই আয়াতটি পালকপুত্রদেরকে তাদের প্রকৃত পিতার নামে ডাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। কেননা যারা বর্তমানে তাদের লালন-পালন করছেন বা ভরণ-পোষণ যোগান দিচ্ছেন, প্রকৃতপক্ষে তারা তাদের পিতা নন। বরং যারা তাদেরকে জন্ম দিয়েছেন তারাই তাদের আসল পিতা। অনুরূপভাবে মেয়েরাও তাদের  পিতার পরিচয়ে পরিচিত হবেন স্বামীর পরিচয়ে নন। এখানে পালক পুত্রকে প্রকৃত পিতার নামে ডাকার নির্দেশ প্রমাণ করে যে, স্ত্রীদেরকেও তাদের পিতার নামে ডাকতে হবে।


সাঈদ ইবনে যুবায়ের হযরত ইবনে আব্বাসকে (রা)  বলতে শুনেছেন যে, রসূল (ছাঃ) বলেছেন: যে কেউ নিজেকে বাবার নাম ছাড়া অন্য নামে ডাকবে তার উপর আল্লাহ, ফিরিশতা ও সমগ্র মানুষের লানত বর্ষিত হবে। (মুসনাদে আহমাদ) ইমাম বুখারীও (র) এই হাদীসটি হযরত সাদ (রা) সূত্রে বর্ণনা করেছেন।


সাদ ও আবু বাকরা (রা) হতে বর্ণিত, তাঁরা প্রত্যেকে বলেছেন: আমার দু' কান শুনেছে এবং আমার অন্তর মুহাম্মদ (ছাঃ) এর এ কথা সংরক্ষণ করেছে যে, নবী মুহাম্মদ (ছাঃ) বলেছেন: যে ব্যক্তি জেনেশুনে নিজেকে নিজের পিতা ছাড়া অন্যের সাথে সংযুক্ত করে তার জন্য জান্নাত হারাম হয়ে যাবে। (ইবনে মাজাহ)


আবার আব্দুল্লাহ ইবন আমর (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি নবী মুহাম্মদ (ছাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি (ছাঃ) বলেছেন: যে কেউ নিজের বাবা ব্যতীত অন্যের পরিচয়ে পরিচয় দেয় সে জান্নাতের গন্ধও  পাবে না, যদিও জান্নাতের সুঘ্রাণ সত্তর বছর হাঁটার রাস্তার দূরত্ব থেকেও পাওয়া যাবে। (মুসনাদে আহমাদ)


সকল বোনদের বলি!

বাবার নামে পরিচিত হোন। 

১. স্বামী ও স্ত্রীর মাঝে কোন রক্ত সম্পর্ক থাকে না কিন্তু বাবা-মেয়ের রক্ত সম্পর্ক চিরদিনের। 


২. স্বামী-স্ত্রী একে অপরের সাথে মনোমালিন্য হলে তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটতে পারে তখন এই নাম থাকে না। 


৩. স্বামী  মারা গেলে স্ত্রী অন্য পুরুষকে বিয়ে করতে পারে, তখন এই নামের কী দশা হবে তা সহজেই অনুমেয়। 


৪. স্বামী তো বিয়ের পর নিজের নাম পরিবর্তন করে না, তাহলে আপনি কেন করবেন? এটা কি আপনার অধিকারের লংঘন নয়?

:

#Hadith #হাদিস

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের **“স্বল্প বেতন”** নিয়ে আবেগ বনাম বাস্তবতা: মুদ্রার ওপিঠটা দেখুন!

 ইমাম-মুয়াজ্জিনদের **“স্বল্প বেতন”** নিয়ে আবেগ বনাম বাস্তবতা: মুদ্রার ওপিঠটা দেখুন!

আমরা প্রায়ই চোখ বন্ধ করে আবেগে ভাসি — “আহা, ইমাম-মুয়াজ্জিনরা কী মানবেতর জীবন যাপন করেন!” শুধু মূল বেতনের অঙ্ক দেখেই কান্না চলে আসে। কিন্তু পর্দার আড়ালের পুরো ছবিটা ইচ্ছাকৃতভাবে এড়িয়ে যাই। গ্রামের সাধারণ মসজিদ থেকে শুরু করে শহরের মসজিদ পর্যন্ত, বাস্তব হিসাবটা আসলে কী?


### দৃশ্যমান + অদৃশ্য আয়ের খতিয়ান (গড় অনুমান, গ্রাম-শহর মিলিয়ে)


- **মসজিদের মূল বেতন + সরকারি/ফাউন্ডেশন ভাতা**: ৮,০০০–১২,০০০ টাকা।


- **মক্তব/কুরআন শিক্ষা ও মাদ্রাসা পরিচালনা**: ৫,০০০–১০,০০০ টাকা।


- **হাদিয়া (তারাবিহ, জুমা, মিলাদ, আকিকা, জানাজা, দুয়া-মুনাজাত)**: ৮,০০০–১৫,০০০ টাকা।


- **ঝাড়ফুঁক, তাবিজ, রুকইয়াহ, বদনজর-কালজাদু “চিকিৎসা”**: ৫,০০০–১২,০০০ টাকা (অনেকের জন্য সবচেয়ে লাভজনক সার্ভিস)।


- **আতর, টুপি, তসবিহ, ইসলামী বই বিক্রি/কমিশন**: ৩,০০০–৮,০০০ টাকা।


- **ফ্রি বাসস্থান (বাজার মূল্যে সাশ্রয়)**: ৩,০০০–৬,০০০ টাকা।


- **প্রতিদিন একেক বাড়ি থেকে ৩ বেলা খাবার**: মাসিক বাজার মূল্যে **১০,০০০–১৫,০০০ টাকা** (অনেক ইমাম-মুয়াজ্জিনের বাড়িতে রান্না করতে হয় না, প্রতিদিন বিভিন্ন বাড়ি থেকে ভাত-তরকারি-মাছ-মাংস আসে)।


- **অন্যান্য ফ্রি হাদিয়া ও উপহার**: মানুষ যা যা দেয় তার হিসাব নেই — কাপড়-চোপড়, ফল-মিষ্টি, টাকা, মোবাইল রিচার্জ, সাবান-তেল, এমনকি ঈদ-পূজায় নতুন জামা-কাপড়, জুতা ইত্যাদি। এগুলোর মাসিক মূল্যও কম নয়।


- **ঈদ-কুরবানির অতিরিক্ত**: মাংস, চামড়া বিক্রি, বোনাস হাদিয়া (আলাদা বড় অঙ্ক)।


**গড় মোট মাসিক আয় (সব মিলিয়ে)**: **৫০,০০০–৭০,০০০ টাকা** (গ্রামে ৪৫-৬০ হাজার, শহরে আরও বেশি)। অনেক ক্ষেত্রে এর চেয়েও উপরে চলে যায়।


### বাস্তবতার আরও কিছু চিত্র


ইমামতি করে অনেকেই **মোটরবাইক** কিনেছেন এবং পরিবার নিয়ে আরামে চলাফেরা করেন। তাদের অনেকেরই **নিজস্ব ঘর-বাড়ি**, জমি, সোনা-দানা এবং ব্যাংক ব্যালেন্স রয়েছে — যা অনেক সাধারণ চাকরিজীবীর তুলনায় কম নয়। কেউ কেউ একাধিক মসজিদ বা মক্তব দেখাশোনা করে আয় আরও বাড়িয়ে নেন।


### অন্ধকার দিক (যেটা আমরা সাধারণত চুপ করে থাকি)


- মসজিদ ফান্ডের টাকা লুটপাট, অনিয়মিত চাঁদাবাজি ও কমিশন বাণিজ্য।


- অন্ধবিশ্বাসী মানুষের দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে “ঝাড়ফুঁক-তাবিজের ব্যবসা”।


- কিছু ক্ষেত্রে ধর্মের নামে অনৈতিক সুবিধা নেওয়া — যা ইসলামী শিক্ষার সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক।


প্রশ্নটা খুব সোজা:  


এটা কি সত্যিই **দারিদ্র্যের চিত্র**? নাকি আমরা শুধু মূল বেতনের অঙ্ক দেখে আবেগের ড্রামা করি, আর অদৃশ্য আয়ের স্তূপ, ফ্রি খাবার, হাদিয়া ও অনৈতিক খাতগুলো দেখেও “আল্লাহর রহমত” বলে চোখ বন্ধ করে ফেলি?


বুকে হাত দিয়ে ভাবুন — এই “স্বল্প বেতন” ন্যারেটিভটা কতটা সত্যি, আর কতটা **সুবিধাবাদী ভণ্ডামি**? ধর্মকে ব্যবসায় পরিণত করা যদি কোনো ক্ষেত্রে হয়, তাহলে সেটা সবার আগে ধর্মপ্রাণ মানুষদেরই প্রশ্ন করা উচিত।


সত্যটা সামনে আনলে আবেগের ঝড় থামবে, আর বাস্তবতা-ভিত্তিক আলোচনা শুরু হবে। 


লেখাটা কপি করে যত খুশি শেয়ার করুন — ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, এক্স বা যেখানে ইচ্ছা। আবেগ নয়, বাস্তবতাই ছড়িয়ে দিন। 


#ইমাম_মুয়াজ্জিন #আবেগ_বনাম_বাস্তবতা #মসজিদের_অর্থনীতি #ধর্ম_ও_ব্যবসা৫

৪৭টি আয়াত (সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যাসহ) যেটা আল্লাহর প্রধান বিধান।

 #everyone 

📖 ৪৭টি আয়াত (সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যাসহ)

যেটা আল্লাহর প্রধান বিধান।


🔹 আল্লাহর বিধান মানা


1. 5:44 → আল্লাহর নাযিল অনুযায়ী বিচার না করলে গুরুতর বিচ্যুতি


2. 5:45 → না মানলে জুলুম


3. 5:47 → না মানলে অবাধ্যতা


4. 6:114 → আল্লাহ ছাড়া অন্যকে বিচারক বানানো ঠিক না


5. 12:40 → হুকুম শুধু আল্লাহর


6. 18:26 → তাঁর হুকুমে কেউ শরিক না


7. 28:70 → সিদ্ধান্ত একমাত্র তাঁর


---


🔹 কোরআন অনুসরণ


8. 6:153 → একটাই সোজা পথ—এটা অনুসরণ কর


9. 7:3 → যা নাযিল হয়েছে তাই মানো


10. 33:2 → ওহী অনুসরণ কর


11. 46:9 → নবীও শুধু ওহী অনুসরণ করেন


12. 10:15 → নিজের থেকে বদলানোর অধিকার নেই


---


🔹 শিরক বর্জন


13. 4:48 → শিরক ক্ষমা করা হবে না


14. 4:116 → শিরক বড় গুনাহ


15. 6:151 → শিরক করতে নিষেধ


16. 31:13 → শিরক বড় জুলুম


17. 39:65 → শিরক করলে আমল নষ্ট


18. 30:13 → মুশরিকদের জন্য সুপারিশ নেই


---


🔹 মানুষ/পূর্বপুরুষ অন্ধ অনুসরণ


19. 2:170 → পূর্বপুরুষের অন্ধ অনুসরণ ভুল


20. 31:21 → না বুঝে অনুসরণ করা বিপদ


21. 9:31 → আলেমদেরও ‘রব’ বানানো যাবে না


22. 42:21 → আল্লাহ ছাড়া আইন বানানো শিরক


23. 45:23 → নফসকে ইলাহ বানানো


---


🔹 আয়াত অস্বীকার


24. 2:85 → আংশিক মানা-আংশিক অস্বীকার ভুল


25. 6:21 → আল্লাহর নামে মিথ্যা বড় জুলুম


26. 6:33 → আয়াত অস্বীকার করা হয়


27. 29:68 → আল্লাহর উপর মিথ্যা চাপানো


28. 61:7 → আয়াত অস্বীকারকারীরা জালিম


---


🔹 দ্বীন বিভক্ত করা


29. 6:159 → দ্বীন ভাগ করা নিষিদ্ধ


30. 30:32 → দলাদলি করা মুশরিকদের কাজ


31. 42:13 → দ্বীনে বিভক্ত না হও


---


🔹 অনুমান/মনগড়া


32. 10:36 → অধিকাংশই ধারণা অনুসরণ করে


33. 53:28 → অনুমান সত্যের বিকল্প না


34. 6:116 → অধিকাংশ মানুষ পথভ্রষ্ট করতে পারে


---


🔹 কিতাবের পূর্ণতা


35. 6:38 → কিতাবে কিছু বাদ নেই


36. 16:89 → সব কিছুর ব্যাখ্যা আছে


37. 18:27 → আল্লাহর বাণী পরিবর্তন হয় না


---


🔹 কোরআন ছাড়া অন্য কথা


38. 7:185 → এর পর আর কোন কথা মানবে?


39. 77:50 → কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?


40. 45:6 → আল্লাহর আয়াতের পর আর কি?


---


🔹 সতর্কবার্তা


41. 24:63 → নবীর আদেশ অমান্য করলে ফিতনা


42. 33:36 → আল্লাহ-রাসূলের সিদ্ধান্তের পর বিকল্প নেই


43. 4:14 → সীমা লঙ্ঘনে শাস্তি


44. 6:112 → শয়তানরা বিভ্রান্ত করে


---


🔹 নবীদের অবস্থান


45. 46:9 → শুধু ওহী অনুসরণ


46. 10:15 → নিজের থেকে বদলান না


47. 6:50 → আমি শুধু ওহী মানি


---


🎯 শেষ কথা (এক লাইনে)


👉 এই আয়াতগুলো একসাথে দেখায়:

আল্লাহর নির্দেশ মানা, শিরক বর্জন, ওহী অনুসরণ—এটাই কোরআনের মূল বার্তা।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২৬

মৃত্যু ব্যাক্তিকে গোসল করানোর নিয়ম ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 মৃত ব্যক্তিকে গোসল করিয়েছেন কখনো?

কিংবা নিয়মগুলো জানা আছে?


প্রত্যেক মাঁ-বোনের জানা মহা-জরুরী।


❑ এটা অনেক ফজিলতপূর্ণ কাজ। আর বর্তমানে গ্রাম্য এলাকায় বেশিরভাগ এমন মানুষেরা গোসল করায়, বিশেষ করে মহিলাদের মধ্যে যারা নিজেরাই পাক পবিত্রতার বিষয়ে বেখবর, ফরজ ইবাদতটুকুতেও নেয় সতর্কতা। 


এজন্য এই গুরুত্বপূর্ণ গোসলের নিয়মটা আমাদের প্র্যাকটিসিং মুসলিমাহ বোনদেরসহ সকলের জেনে রাখা ভালো। যাতে করে আমরাও এ কাজে শরীক হতে পারি ইংশাআল্লহ।


⚰️ মুসলিম মৃত নারীকে গোসলের পর্ব - (১)

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

১/ প্রয়োজনীয় উপকরণ,

২/ কার্যপদ্ধতি (এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ),

৩/ সতর্কতা। 


কোন মৃত বাড়িতে আপনি দেখবেন, একদল মহিলা যারা যায় শুধু গসিপিং করতে। তারা বলে মুখের কাপড়টা সরাও তো- একটু দেখতে দাও।


কিছু কিছু বিষয় অসম্ভব কঠোর হতে হয়, এটা তার মধ্যে অন্যতম।

আপনি কিছুতেই মৃতের মুখের কাপড় সরাবেননা।

আপনি কঠোর হয়ে মৃতের মুখ ঢেকে রাখবেন। 


⚰️ ডেডবডি রিলেটেড যারা আছে তাদের সাথে নিয়ে পর্দা এমন ভাবে ঢেকে দিবেন, যেন একটু ফাঁক ফোকরও না থাকে।


যাচাই করে নিবেন, মৃতের গোসল দেয়ার আগে আপনার সাথে গোসল দিতে সহায়তা কারীরা আপনার সমমনা কি না।


❑ শুরুতে ডেডবডি এমন ভাবে ধরতে হবে—

যেন সে ব্যথা না পায়। মৃত ব্যক্তির শরীরে তখন খুব ব্যথা।


মৃত্যু বড় কষ্টের।


ডেডবডি ধরলেই বোঝা যায় কে ভালো কে মন্দ।

ভালো অনুভব হলে বলবো - হে আরশের মালিক! আমাকেও এমন মৃত্যু দিয়েন।


খারাপ কিছু অনুভব হলে টু শব্দ ও করবোনা।


⚰️ যে ব্যক্তি কোন মৃত ব্যক্তিকে গোসল করাবে,

আল্লাহ তাকে চল্লিশ বারের বেশি ক্ষমা ঘোষণা করেছেন।


▪️যে মৃতের জন্য ঘর বানাবে—

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা জান্নাতে তার জন্য ঘর বানাবেন।


▪️যে মৃতের কাফন পরিয়ে দিবে—

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা জান্নাতে তাকে উত্তম পোশাক পরিধান করাবেন


❑ কি কি লাগবে?

▬▬▬▬▬▬▬▬☞

১/ চারটা বড় বালতি চার কোনায় রাখবো

২/ চারটা বড় মগ চারজন ধরবে

৩/ বড়ই পাতা বেজোড় সংখ্যায় লাগবে ৫/৭/৯টি

৪/ এক হাড়ি উষ্ণ গরম পানি

৫/ tooth pick - নখের কোনা পরিষ্কার করার জন্য 

৬/ বাস্কেট দুইটা

৭/ খাটিয়া

৮/ কটন/তুলা

৯/ কেচি/ছুরি

১০/ দুইটা সাবানের বাটি

১১/ চারটা বড় ওড়না

১২/ একটা নরম পাতলা কাঁথা। 

১৩/ তায়াম্মুমের /বা নদীর পাক (অথেনটিক) মাটি

১৪/ তিনটা কাফনের কাপড়

এক্সিডেন্টাল কেসের ক্ষেত্রে কাপড় আরো বেশী লাগবে।

১৫/ ডেডবডি বাধার তিনটা ফিতা

১৬/ একটি হালাল দেশী সাবান (কেয়া সাবান)- কুরবানির আগে গরুকে গোসল দেয় যে দেশী হালাল সাবান সেই সাবান।

১৭/ কুলুপের মাটি পাতলা নরম কাপড় দিয়ে পেচিয়ে নেবো সাতটি কুলুপ।

১৯/ কর্পূর।


❑ মুসলিম মৃত নারীরকে গোসল পর্ব - (২)

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

প্রত্যেক জীবকে মৃত্যু বরণ করতে হবে। 

— [আল ইমরান, ১৮৫]


☞ প্রথম মৃতের চোখ দুটো বন্ধ করে দিতে হবে।

একটা কাপড় দিয়ে তার সম্পূর্ণ শরীর ঢেকে দিতে হবে। 

মৃত ব্যক্তির সম্পর্কে উপস্থিত সকলে ভালো কথা বলবে।

কারণ ফিরেশতারা তখন আমীন বলে।


☞ দ্রুত তার লোন পরিশোধ করে। 

তাকে দাফনকাজ শুরু করতে হবে। 


আল্লাহর রসূল (সঃ) বলেন—

যে ব্যক্তি কোন মৃত মুসলিম কে গোসল করাবে ও গোপনীয়তা রক্ষা করবে, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তাকে ৪০ বার ক্ষমা করে দিবেন।


যে ব্যক্তি মৃতের জন্য কবর খুড়বে অতপর ঢেকে দিবে, 

কিয়ামত দিবস পর্যন্ত তার বসবাসের জন্য সদাকা হিসাবে একটি ঘর তৈরি করে দিলে যে সওয়াব পেত -সেই পরিমাণ সওয়াব লিখে দেয়া হবে। 


আর যে ব্যক্তি কাফন পরিয়ে দিবে, 

আল্লাহ তাকে জান্নাতে ইসতিবরাকের রেশমী পোশাক পরিয়ে দিবেন।

— হাদীস টি হাকিম ১/৩৫৪,৩৬২; বায়হাক্বী-৩/৩৯৫

হাদিসটি মুসলিম এর শর্তানুযায়ী সহীহ।


❑ ধাপ সমূহ—

▬▬▬▬▬▬☞

১/ মৃত ব্যক্তির শরীর থেকে সবকিছু অপসারণ করা 

২/ সর্বাবস্থায় ঢেকে ঢেকে গোসল করানো

৩/ বরই পাতা মেশানো পানি দিয়ে ওজু ও গোসল করানো

৪/ ডানদিক থেকে ও অজুর স্হান দিয়ে গোসল করানো 

৫/ বেজোড় সংখ্যায় গোসল করানো 

৬/ শেষ বার গোসলের পানিতে কর্পূর মেশানো।

৭/ মহিলাদের চুল তিনটা ভাগ করে মাথার পেছনে ছড়িয়ে দেয়া

৮/ ৩টি সাদা কাপর( সেলাই বিহীন) দিয়ে কাফন পরানো


❑ কার্যপদ্ধতি—

▬▬▬▬▬▬▬☞

প্রথমে মৃত ব্যক্তির শরীরে কোথাও স্কচটেপ, তবিজ, গহনা, কেনুলা, নাকফুল, ক্যাথেটার, কানের দুল, temporary dialysis pipe, ডাক্তারের সাহায্যে খুলে ফেলতে হবে।


গায়ে পরিহিত কাপড় কাধের উপর থেকে কেচি দিয়ে কাটতে হবে কনুই পর্যন্ত। আবার নীচের দিক থেকে পেট পর্যন্ত। 

কোন ভাবে মৃত ব্যক্তি যেন ব্যথা না পায়।


সাবান কুচি করে কেটে দুই বাটিতে পাতলা করে গুলাতে হবে।

১টি বাটি পায়ের কাছে,

১টি বাটি মাথার কাছে রাখতে হবে। 

কোন অবস্থায় বাটি পরিবর্তন করা যাবেনা।


⚰️ ঢেকে ঢেকে তিন চারটা ওরনা, কাফনের কাপড়, কটন, দড়ি, মোছার জন্য বড় পাতলা নরম কাঁথা, কর্পূর একটা ট্রেতে রাখতে হবে। 


⚰️ অন্য ট্রেতে toothpicks, কুলুপের মাটি (মাটির দলা ৭ টা ছোট টুকরা করে সাদা নরম কাপরে বেধে কুলুপ বানিয়ে নিতে হবে। এই মাটিটা তায়াম্মুমের বা নদীর বা ইট ভাটার কাচা ইট থেকে সংগ্রহ করা উত্তম। 


⚰️ হাতে পেচানোর জন্য পাতলা ছাট কাপড়, /ওড়না/গ্লাভস, চাকু রাখতে হবে। 


⚰️ পানি চুলায় ফুটিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে বেজোড় সংখ্যক বড়ই পাতা ছেঁচে বা ছিড়ে পানিতে মিশাতে হবে।


চুলার পানিতে বড়ই পাতা না মিশানো ভালো। আগুনের তাপে বড়ই পাতার কার্যকারিতা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবণা থাকে।


❑ মুসলিম মৃত নারীরকে গোসল পর্ব - (৩)

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

চারজন চারকোনা ধরে ১টা ওড়না দিয়ে মুর্দাকে ঢেকে দিয়ে পড়নের কাপড় কেটে একটা ঝুড়িতে রাখতে হবে। 

সর্বাবস্হায় ঢেকে রাখবেন। 


☞ কার্যক্রম—

▬▬▬▬▬▬☞

প্রথমে দেখে নিতে হবে শরীরের কোথাও ময়লা আছে কিনা।

এরপর মাথা থেকে পা পর্যন্ত সমস্ত শরীরে পানি ঢালতে হবে।

পেশাবের জায়গা, কুচকি, মলদ্বার ভালো করে চেক করে পরিস্কার করে নিতে হবে।


⚰️ যদি দেখা যায় অনবরত মল বের হতেই থাকে-

আবার সাবান দিয়ে প্রথম বারের মতো পরিষ্কার করতে হবে। 

৪র্থ বার মাটির কুলুপের সাহায্য আবার মলদ্বার চেক করতে হবে।

যতক্ষণ মল বের হওয়া শেষ না হয় -অপেক্ষা করতে হবে।

আবার পরিষ্কার করতে হবে। এবং কুলুপ গুলো দ্বিতীয় বাস্কেটে ফেলতে হবে।


☞ আল্লাহর রসূল সঃ বলেছেন—

পৃথিবী যখন শেষ হবে, কুফরি কালামে ভরে যাবে। তাই এই বাস্কেটের সব বর্জ্য পুড়িয়ে ছাই করে ফেলতে হবে অথবা মাটির গভীরে পুতে ফেলতে হবে।


এরপরও যদি মল বের হতে থাকে -

তখন কটনের আগায় কর্পূর বেশী দিয়ে জায়গা আটকে দেবো মলদ্বারে ঢুকিয়ে দিবো। যাতে কাফন নষ্ট না হয়।

যারা লাশ বহন করে নিয়ে যাবে তাদের কষ্ট না হয়।


⚰️ গুপ্তাঙ্গ পরিষ্কার করার জন্য আমরা মাইয়্যাতের মা/মেয়ে/বোন /ছেলের বৌ-এর সাহায্য নেবো।


কিন্তু লোম (বগলের /নাভীর নীচের) কাটা যাবেনা।

নখ কাটা যাবেনা।


⚰️ মাইয়্যাতের পেশাবের জায়গা থেকে টেনে একটা করে কুলুপ মলদ্বার পর্যন্ত ৩ বার টেনে আনতে হবে। 


যদি ময়লা লেগে থাকে—

প্রথম বারেই হাতের তালুর ঠিক মাঝখানে নাভী রেখে ডান দিকে ৩ বার, ও বাম দিকে ৩ বার (clock wise and anti clock wise)করে নাভীর চারপাশে হাত ঘোরাতে হবে।


🚫 প্রচলিত নিয়মে মুর্দাকে উঠিয়ে বসিয়ে পেটে চাপ দেয়া যাবেনা।


▪️এরপর আমরা ওজুর গোসল যেভাবে করি,

ঠিক সেভাবে ওজুর অঙ্গ গুলো আগে ধুয়ে গোসল করাতে হবে।


❑ ওজুর প্রথম ধাপ—

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

প্রথমে ডান হাত তিনবার কব্জি পর্যন্ত ধোয়াতে হবে। এরপর বাম হাত।

মুর্দাকে কুলি করানো সম্ভব নয়।

তাই হাতে পানি নিয়ে ফেলে দিয়ে শাহাদাৎ আঙ্গুলি / তর্জনী দিয়ে মুখের ডানদিকে ১ বার, ও বাম দিকে ১ বার পরিষ্কার করতে হবে। এভাবে ৩ বার পরিষ্কার করতে হবে। 


যদি পান / জর্দা খাওয়ার অভ্যাস থাকে তাহলেও মুখে বেশি ঘষামাজা করা যাবেনা।


▪️এরপর নাকে বাম হাতের বৃদ্ধা ও কনিষ্ঠ আঙুল দিয়ে নাকের দুই ছিদ্র ৩ বার সাফ করতে হবে। 

চাইলে নাক কটন বাড দিয়েও সাফ করা যাবে।


▪️তিনবার ডান হাত দিয়ে মুখমন্ডল মুছে নিতে হবে।

▪️চোখের কোনা সাফ করতে হবে। 


▪️শরীরের নীচের পরশন পরিষ্কার করবে তারা শুধু কোমর থেকে নীচ পর্যন্ত ধোবে। যারা মাথার কাছে থাকবে, তারা শুধু উপরের অংশ নাভী পর্যন্ত ধোবে।


▪️এবার মাথা মাসেহ করবে।

দুই হাতের কনিষ্ঠ ও অনামিকা আঙুল দিয়ে কপাল থেকে পুরা চুল মাসেহ করতে হবে। 


শাহাদাত আঙুল দিয়ে কানের প্যাচ গুলো, 

বুড়ো আঙুল দিয়ে কানের পিছনে,

মধ্যমা ও বৃদ্ধা আঙুল দিয়ে কানের লতি পরিষ্কার করতে হবে। 

ঘাড় মাসেহ করার প্রয়োজন নেই। 


☞ এরপর গোসলের পর্ব—

❑ মুসলিম মৃত নারীরকে গোসল পর্ব - (৪)

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

যেখানে গোসল করাবেন উপরে যেন ছাদ থাকে।

চারিদিকে যেন বেড়া থাকে।

পানির লাইন যেন কাছে থাকে।

জায়গা প্রশস্ত হলে ভালো হয়।


🚫 আগরবাতি গোবর শুকিয়ে বানায়-সাথে একটু পারফিউম মিক্সড করে দেয়-তাই আগরবাতি জালাবেন না।


🚫 মশারীর নীচে গোসল করানো বিদআত। এটা করা যাবেনা।

🚫 মৃতদেহের চোখে সুরমা লাগাবেন না।

🚫 জর্দা যদি থেকে যায় মৃতদেহের মুখে তাহলে গোসল হবেনা।


🚫 মাইয়্যাতের হাতে নেইলপালিশ লাগানো আছে কিনা চেক করুন। রিমুভ করুন।

🚫 পিরিয়ডের সময় ও হাতে নেইলপালিশ লাগানো থেকে বিরত থাকুন। কারণ কেউ জানেনা মৃত্যু কখন আসবে, পিরিয়ড শুরু হলেও মৃত্যু হয়, হতে পারে।


▪️ওজু শেষ হলে কোন উৎসুক জনতাকে মাইয়্যাতের মুখ দেখতে দিবেন না।

সে যেই হোক। আমি স্ট্রিক্টলি দেখতে দেবোনা।

প্রথম কাজ হচ্ছে প্রত্যেকের হাতে প্যাচানোর জন্য চারটা বড় ওড়না জড়িয়ে বেধে নেবো।

চাইলে গ্লোবসও নেয়া যায় তবে এতে অর্থের অপচয় হয় এবং গ্লোবস পোড়ানোর সময় পরিবেশ দূষণ হবে। তাই ওড়নার কাপড় নেয়া ভালো।


আমার হাত সরাসরি যেন ডেডবডির গায়ে না লাগে।

তাই ওড়না দিয়ে হাত বেধে নেবো। 


এবার মাইয়্যাতের উপরের পরশন, লোয়ার পরশন, লেফট্ পরশন ও রাইট পরশনে লোক ভাগ করে দেবো।


🚫 যিনি উপরের অংশ ধোয়াবেন,

তিনি কোন অবস্থায় নীচের অংশে যাবেন না।


পিছনে অনেক সময় স্টুল /মল থাকে।

এটা দেখবে লোয়ার পরশনে যারা থাকবে শুধু তারা।


প্রথম ধাপে শরীরের কোথায় কোথায় সূচ আছে, ক্যাথেটার আছে সব রিমুভ করবো।


🚫 সব দায়িত্ব আপনি নেবেন না।

নার্স ডাকবেন।

যদি মাইয়্যাত লিভার সিরোসিস এর হয়-

তবে রস ঝড়তেই থাকে একটু একটু করে। 


যে মানুষটা মারা গেছেন, তার ক্যানসার আছে কি না, জেনে নেবো।

☞ মাইয়্যাতের ব্লিডিং শুরু হতে পারে -

কি করবো তখন?


- কটনটা কেটে ভাজ করে তার মধ্যে একটু বেশী কর্পূর দিয়ে ব্লাডকে আটকে দিবো।


▪️লিভার সিরোসিস হলে পুজ সদৃশ ব্লাড বের হবে।

ভয় পাবোনা ইনশাআল্লাহ। 

▪️ল্যাপ্রোস্কোপি করে মারা গেলে ফুটোটা থেকে যায়-

তখন কি করব?


-কটন/তুলা ভাজ করে কর্পূর লাগিয়ে সেখানে আটকে দেবো।


ঘরে সবসময় তায়াম্মুমের মাটি রাখবেন।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আমাকে যে মাটি দিয়ে তৈরি করেছেন।

সূরা মায়েদার ৬ নং আায়াতে তার প্রমান -

সেই প্রমান এখন আপনি পাবেন।


—কিভাবে?


-এক মুঠো মাটি নিয়ে অনবরত ঝড়ে পরা মল আটকে দিবেন।

আচ্ছা এতো পাতা থাকতে বরই পাতা কেন লাগবে?


—কারণ, বরই পাতার এমন একটি সাইন্টিফিক ভ্যালু আছে যা শরীরকে অন্যরকম করে দেয়। 


নাভীটাকে বিসমিল্লাহ বলে -

নাভীর মিডল পয়েন্টে horizontally এবং ক্লক ওয়েরি 

একটু হাত দিয়ে মেসেজ করতে হবে।


▪️নাভীর নীচের অংশ পরিষ্কার করার জন্য মাই্য়্যাতের মেয়ে/বোন/ছেলের বৌ/নিকট আত্মীয় হলে ভালো হয়।


▪️বিশ পচিশটা কুলুপ বানিয়ে ট্রেতে রাখবো।


🚫 প্রচলিত নিয়মে মাইয়্যাতকে ব্যায়াম করানোর কোন অধিকার আমার নাই। পেটে এভাবে চাপ দিয়ে মল বের করা যাবেনা।


একটা বাস্কেটে পরিধেয় কাপড় ফেলবো-

আরেকটা বাস্কেটে কুলুপ ফেলবো।


▪️মলদ্বার ভালো করে সাফ করে ওজু করিয়ে সমস্ত শরীরে সাবান মাখাবো।


একজন গ্রেটার দিয়ে কুচি কুচি করে সাবান কেটে একটা বাটিতে নেবো।


- লিকুইড সাবান ইউস না করা ভালো। 


▪️একজন মাথায় সাবান মাখবে।

▪️২/১ জন হাতে কাপড় বেধে সমস্ত শরীরে কাধ থেকে পিঠ নাভীর উপর পর্যন্ত কর্পূর ও বরই পাতা মেশানো গরম পানি দিয়ে ধোব।

কাত করবো ডান ও বাম দিকে। 


কাত করে পিঠের একপাশ করে করে ধোব। হাতে সাবান লাগিয়ে নেবো।


▪️শরীর কিচ্ছু নেবেনা। দুনিয়ার কিচ্ছু না।

এমনকি এই দুনিয়ার ময়লাও না।

এভাবে সাবান ও বরই পাতা মেশানো পানি দিয়ে পায়ের আঙুল, হাতের আঙুল সব ময়লা বের হয়ে আসবে।


❑ মুসলিম মৃত নারীরকে গোসল পর্ব - (৫)

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

▪️কুলুপের কাপড়, সাহায্য কারীদের হাতে পেচানো কাপড় ইত্যাদি মৃত ব্যক্তির গোসল ও কাফনের ব্যবহৃত ফেলে দেয়ার জিনিস পত্র সব কিছু একত্রিত করে কেরোসিন বা কোন দাহ্য পদার্থের সাহায্যে পুড়িয়ে ছাই করে দিন। 

যাতে কেউ এগুলোর সাহায্যে কুফরি করতে না পারে।


▪️কাফন পড়ানোর পর গোলাপজল ছিটাবেন না।

ফুলের তোড়া, ফুল দিবেন না।


▪️কাফনের উপর দুয়া লিখবেন না।

▪️মুর্দা গোসল করালে গোসল ফরজ না। নাপাকী লাগলে গোসল করতে পারেন।


🚨 সতর্কতা—

▬▬▬▬▬▬☞

১/মুর্দার খারাপ কিছু দেখলে আলোচনা করবেন না।

২/শুধু মাত্র যারা গোসল করাবেন তারাই থাকবেন।

উৎসুক জনতাকে দেখতে দিবেন না।মুর্দার ব্যপারে যেন কন গীবত না হয়।

৩/আতর, সুরমা, জাফরান ব্যবহার নিষিদ্ধ। 

৪/কাফনের উপর আলাদা চাদর দিয়ে ঢেকে দিবেন।

৫/কাফন পরানোর পর মাহরাম বাদে কোন পুরুষের সামনে মুখ খুলবেন না।

৬/গোসলের আগে পরে গোসলের সহায়তাকারীগণ। 

আনুষ্ঠানিক ভাবে কোন দুয়া মোনাজাত করবেন না।

৭/মুর্দা গোসল করানোর পর শরীরে নাপাকি না লাগলে 

সাহায্য কারী গণের গোসল ফরজ না। 


গোসল না করে ঘরে ঢোকা যাবেনা, এ ধারনা ভুল। 

চাইলে আপনি গোসল করতে পারেন।


৮/যেখানে গোসল করানো হয়েছে, সেখানে কন রকম বাতি জ্বালিয়ে রাখবেন না।


❑ উক্ত আলোচনার কোন তথ্য ভুল পেলে অনুগ্রহ পূর্বক আমাকে জানাবেন।

তাইবাহ একাডেমির লেকচার থেকে নেয়া।

— আসমা খাতুন


#foryou #CopyPost #viralpost #foryoupage #viralমৃত ব্যক্তিকে গোসল করিয়েছেন কখনো?

কিংবা নিয়মগুলো জানা আছে?


প্রত্যেক মাঁ-বোনের জানা মহা-জরুরী।


❑ এটা অনেক ফজিলতপূর্ণ কাজ। আর বর্তমানে গ্রাম্য এলাকায় বেশিরভাগ এমন মানুষেরা গোসল করায়, বিশেষ করে মহিলাদের মধ্যে যারা নিজেরাই পাক পবিত্রতার বিষয়ে বেখবর, ফরজ ইবাদতটুকুতেও নেয় সতর্কতা। 


এজন্য এই গুরুত্বপূর্ণ গোসলের নিয়মটা আমাদের প্র্যাকটিসিং মুসলিমাহ বোনদেরসহ সকলের জেনে রাখা ভালো। যাতে করে আমরাও এ কাজে শরীক হতে পারি ইংশাআল্লহ।


⚰️ মুসলিম মৃত নারীকে গোসলের পর্ব - (১)

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

১/ প্রয়োজনীয় উপকরণ,

২/ কার্যপদ্ধতি (এটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ),

৩/ সতর্কতা। 


কোন মৃত বাড়িতে আপনি দেখবেন, একদল মহিলা যারা যায় শুধু গসিপিং করতে। তারা বলে মুখের কাপড়টা সরাও তো- একটু দেখতে দাও।


কিছু কিছু বিষয় অসম্ভব কঠোর হতে হয়, এটা তার মধ্যে অন্যতম।

আপনি কিছুতেই মৃতের মুখের কাপড় সরাবেননা।

আপনি কঠোর হয়ে মৃতের মুখ ঢেকে রাখবেন। 


⚰️ ডেডবডি রিলেটেড যারা আছে তাদের সাথে নিয়ে পর্দা এমন ভাবে ঢেকে দিবেন, যেন একটু ফাঁক ফোকরও না থাকে।


যাচাই করে নিবেন, মৃতের গোসল দেয়ার আগে আপনার সাথে গোসল দিতে সহায়তা কারীরা আপনার সমমনা কি না।


❑ শুরুতে ডেডবডি এমন ভাবে ধরতে হবে—

যেন সে ব্যথা না পায়। মৃত ব্যক্তির শরীরে তখন খুব ব্যথা।


মৃত্যু বড় কষ্টের।


ডেডবডি ধরলেই বোঝা যায় কে ভালো কে মন্দ।

ভালো অনুভব হলে বলবো - হে আরশের মালিক! আমাকেও এমন মৃত্যু দিয়েন।


খারাপ কিছু অনুভব হলে টু শব্দ ও করবোনা।


⚰️ যে ব্যক্তি কোন মৃত ব্যক্তিকে গোসল করাবে,

আল্লাহ তাকে চল্লিশ বারের বেশি ক্ষমা ঘোষণা করেছেন।


▪️যে মৃতের জন্য ঘর বানাবে—

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা জান্নাতে তার জন্য ঘর বানাবেন।


▪️যে মৃতের কাফন পরিয়ে দিবে—

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা জান্নাতে তাকে উত্তম পোশাক পরিধান করাবেন


❑ কি কি লাগবে?

▬▬▬▬▬▬▬▬☞

১/ চারটা বড় বালতি চার কোনায় রাখবো

২/ চারটা বড় মগ চারজন ধরবে

৩/ বড়ই পাতা বেজোড় সংখ্যায় লাগবে ৫/৭/৯টি

৪/ এক হাড়ি উষ্ণ গরম পানি

৫/ tooth pick - নখের কোনা পরিষ্কার করার জন্য 

৬/ বাস্কেট দুইটা

৭/ খাটিয়া

৮/ কটন/তুলা

৯/ কেচি/ছুরি

১০/ দুইটা সাবানের বাটি

১১/ চারটা বড় ওড়না

১২/ একটা নরম পাতলা কাঁথা। 

১৩/ তায়াম্মুমের /বা নদীর পাক (অথেনটিক) মাটি

১৪/ তিনটা কাফনের কাপড়

এক্সিডেন্টাল কেসের ক্ষেত্রে কাপড় আরো বেশী লাগবে।

১৫/ ডেডবডি বাধার তিনটা ফিতা

১৬/ একটি হালাল দেশী সাবান (কেয়া সাবান)- কুরবানির আগে গরুকে গোসল দেয় যে দেশী হালাল সাবান সেই সাবান।

১৭/ কুলুপের মাটি পাতলা নরম কাপড় দিয়ে পেচিয়ে নেবো সাতটি কুলুপ।

১৯/ কর্পূর।


❑ মুসলিম মৃত নারীরকে গোসল পর্ব - (২)

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

প্রত্যেক জীবকে মৃত্যু বরণ করতে হবে। 

— [আল ইমরান, ১৮৫]


☞ প্রথম মৃতের চোখ দুটো বন্ধ করে দিতে হবে।

একটা কাপড় দিয়ে তার সম্পূর্ণ শরীর ঢেকে দিতে হবে। 

মৃত ব্যক্তির সম্পর্কে উপস্থিত সকলে ভালো কথা বলবে।

কারণ ফিরেশতারা তখন আমীন বলে।


☞ দ্রুত তার লোন পরিশোধ করে। 

তাকে দাফনকাজ শুরু করতে হবে। 


আল্লাহর রসূল (সঃ) বলেন—

যে ব্যক্তি কোন মৃত মুসলিম কে গোসল করাবে ও গোপনীয়তা রক্ষা করবে, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তাকে ৪০ বার ক্ষমা করে দিবেন।


যে ব্যক্তি মৃতের জন্য কবর খুড়বে অতপর ঢেকে দিবে, 

কিয়ামত দিবস পর্যন্ত তার বসবাসের জন্য সদাকা হিসাবে একটি ঘর তৈরি করে দিলে যে সওয়াব পেত -সেই পরিমাণ সওয়াব লিখে দেয়া হবে। 


আর যে ব্যক্তি কাফন পরিয়ে দিবে, 

আল্লাহ তাকে জান্নাতে ইসতিবরাকের রেশমী পোশাক পরিয়ে দিবেন।

— হাদীস টি হাকিম ১/৩৫৪,৩৬২; বায়হাক্বী-৩/৩৯৫

হাদিসটি মুসলিম এর শর্তানুযায়ী সহীহ।


❑ ধাপ সমূহ—

▬▬▬▬▬▬☞

১/ মৃত ব্যক্তির শরীর থেকে সবকিছু অপসারণ করা 

২/ সর্বাবস্থায় ঢেকে ঢেকে গোসল করানো

৩/ বরই পাতা মেশানো পানি দিয়ে ওজু ও গোসল করানো

৪/ ডানদিক থেকে ও অজুর স্হান দিয়ে গোসল করানো 

৫/ বেজোড় সংখ্যায় গোসল করানো 

৬/ শেষ বার গোসলের পানিতে কর্পূর মেশানো।

৭/ মহিলাদের চুল তিনটা ভাগ করে মাথার পেছনে ছড়িয়ে দেয়া

৮/ ৩টি সাদা কাপর( সেলাই বিহীন) দিয়ে কাফন পরানো


❑ কার্যপদ্ধতি—

▬▬▬▬▬▬▬☞

প্রথমে মৃত ব্যক্তির শরীরে কোথাও স্কচটেপ, তবিজ, গহনা, কেনুলা, নাকফুল, ক্যাথেটার, কানের দুল, temporary dialysis pipe, ডাক্তারের সাহায্যে খুলে ফেলতে হবে।


গায়ে পরিহিত কাপড় কাধের উপর থেকে কেচি দিয়ে কাটতে হবে কনুই পর্যন্ত। আবার নীচের দিক থেকে পেট পর্যন্ত। 

কোন ভাবে মৃত ব্যক্তি যেন ব্যথা না পায়।


সাবান কুচি করে কেটে দুই বাটিতে পাতলা করে গুলাতে হবে।

১টি বাটি পায়ের কাছে,

১টি বাটি মাথার কাছে রাখতে হবে। 

কোন অবস্থায় বাটি পরিবর্তন করা যাবেনা।


⚰️ ঢেকে ঢেকে তিন চারটা ওরনা, কাফনের কাপড়, কটন, দড়ি, মোছার জন্য বড় পাতলা নরম কাঁথা, কর্পূর একটা ট্রেতে রাখতে হবে। 


⚰️ অন্য ট্রেতে toothpicks, কুলুপের মাটি (মাটির দলা ৭ টা ছোট টুকরা করে সাদা নরম কাপরে বেধে কুলুপ বানিয়ে নিতে হবে। এই মাটিটা তায়াম্মুমের বা নদীর বা ইট ভাটার কাচা ইট থেকে সংগ্রহ করা উত্তম। 


⚰️ হাতে পেচানোর জন্য পাতলা ছাট কাপড়, /ওড়না/গ্লাভস, চাকু রাখতে হবে। 


⚰️ পানি চুলায় ফুটিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে বেজোড় সংখ্যক বড়ই পাতা ছেঁচে বা ছিড়ে পানিতে মিশাতে হবে।


চুলার পানিতে বড়ই পাতা না মিশানো ভালো। আগুনের তাপে বড়ই পাতার কার্যকারিতা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবণা থাকে।


❑ মুসলিম মৃত নারীরকে গোসল পর্ব - (৩)

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

চারজন চারকোনা ধরে ১টা ওড়না দিয়ে মুর্দাকে ঢেকে দিয়ে পড়নের কাপড় কেটে একটা ঝুড়িতে রাখতে হবে। 

সর্বাবস্হায় ঢেকে রাখবেন। 


☞ কার্যক্রম—

▬▬▬▬▬▬☞

প্রথমে দেখে নিতে হবে শরীরের কোথাও ময়লা আছে কিনা।

এরপর মাথা থেকে পা পর্যন্ত সমস্ত শরীরে পানি ঢালতে হবে।

পেশাবের জায়গা, কুচকি, মলদ্বার ভালো করে চেক করে পরিস্কার করে নিতে হবে।


⚰️ যদি দেখা যায় অনবরত মল বের হতেই থাকে-

আবার সাবান দিয়ে প্রথম বারের মতো পরিষ্কার করতে হবে। 

৪র্থ বার মাটির কুলুপের সাহায্য আবার মলদ্বার চেক করতে হবে।

যতক্ষণ মল বের হওয়া শেষ না হয় -অপেক্ষা করতে হবে।

আবার পরিষ্কার করতে হবে। এবং কুলুপ গুলো দ্বিতীয় বাস্কেটে ফেলতে হবে।


☞ আল্লাহর রসূল সঃ বলেছেন—

পৃথিবী যখন শেষ হবে, কুফরি কালামে ভরে যাবে। তাই এই বাস্কেটের সব বর্জ্য পুড়িয়ে ছাই করে ফেলতে হবে অথবা মাটির গভীরে পুতে ফেলতে হবে।


এরপরও যদি মল বের হতে থাকে -

তখন কটনের আগায় কর্পূর বেশী দিয়ে জায়গা আটকে দেবো মলদ্বারে ঢুকিয়ে দিবো। যাতে কাফন নষ্ট না হয়।

যারা লাশ বহন করে নিয়ে যাবে তাদের কষ্ট না হয়।


⚰️ গুপ্তাঙ্গ পরিষ্কার করার জন্য আমরা মাইয়্যাতের মা/মেয়ে/বোন /ছেলের বৌ-এর সাহায্য নেবো।


কিন্তু লোম (বগলের /নাভীর নীচের) কাটা যাবেনা।

নখ কাটা যাবেনা।


⚰️ মাইয়্যাতের পেশাবের জায়গা থেকে টেনে একটা করে কুলুপ মলদ্বার পর্যন্ত ৩ বার টেনে আনতে হবে। 


যদি ময়লা লেগে থাকে—

প্রথম বারেই হাতের তালুর ঠিক মাঝখানে নাভী রেখে ডান দিকে ৩ বার, ও বাম দিকে ৩ বার (clock wise and anti clock wise)করে নাভীর চারপাশে হাত ঘোরাতে হবে।


🚫 প্রচলিত নিয়মে মুর্দাকে উঠিয়ে বসিয়ে পেটে চাপ দেয়া যাবেনা।


▪️এরপর আমরা ওজুর গোসল যেভাবে করি,

ঠিক সেভাবে ওজুর অঙ্গ গুলো আগে ধুয়ে গোসল করাতে হবে।


❑ ওজুর প্রথম ধাপ—

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

প্রথমে ডান হাত তিনবার কব্জি পর্যন্ত ধোয়াতে হবে। এরপর বাম হাত।

মুর্দাকে কুলি করানো সম্ভব নয়।

তাই হাতে পানি নিয়ে ফেলে দিয়ে শাহাদাৎ আঙ্গুলি / তর্জনী দিয়ে মুখের ডানদিকে ১ বার, ও বাম দিকে ১ বার পরিষ্কার করতে হবে। এভাবে ৩ বার পরিষ্কার করতে হবে। 


যদি পান / জর্দা খাওয়ার অভ্যাস থাকে তাহলেও মুখে বেশি ঘষামাজা করা যাবেনা।


▪️এরপর নাকে বাম হাতের বৃদ্ধা ও কনিষ্ঠ আঙুল দিয়ে নাকের দুই ছিদ্র ৩ বার সাফ করতে হবে। 

চাইলে নাক কটন বাড দিয়েও সাফ করা যাবে।


▪️তিনবার ডান হাত দিয়ে মুখমন্ডল মুছে নিতে হবে।

▪️চোখের কোনা সাফ করতে হবে। 


▪️শরীরের নীচের পরশন পরিষ্কার করবে তারা শুধু কোমর থেকে নীচ পর্যন্ত ধোবে। যারা মাথার কাছে থাকবে, তারা শুধু উপরের অংশ নাভী পর্যন্ত ধোবে।


▪️এবার মাথা মাসেহ করবে।

দুই হাতের কনিষ্ঠ ও অনামিকা আঙুল দিয়ে কপাল থেকে পুরা চুল মাসেহ করতে হবে। 


শাহাদাত আঙুল দিয়ে কানের প্যাচ গুলো, 

বুড়ো আঙুল দিয়ে কানের পিছনে,

মধ্যমা ও বৃদ্ধা আঙুল দিয়ে কানের লতি পরিষ্কার করতে হবে। 

ঘাড় মাসেহ করার প্রয়োজন নেই। 


☞ এরপর গোসলের পর্ব—

❑ মুসলিম মৃত নারীরকে গোসল পর্ব - (৪)

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

যেখানে গোসল করাবেন উপরে যেন ছাদ থাকে।

চারিদিকে যেন বেড়া থাকে।

পানির লাইন যেন কাছে থাকে।

জায়গা প্রশস্ত হলে ভালো হয়।


🚫 আগরবাতি গোবর শুকিয়ে বানায়-সাথে একটু পারফিউম মিক্সড করে দেয়-তাই আগরবাতি জালাবেন না।


🚫 মশারীর নীচে গোসল করানো বিদআত। এটা করা যাবেনা।

🚫 মৃতদেহের চোখে সুরমা লাগাবেন না।

🚫 জর্দা যদি থেকে যায় মৃতদেহের মুখে তাহলে গোসল হবেনা।


🚫 মাইয়্যাতের হাতে নেইলপালিশ লাগানো আছে কিনা চেক করুন। রিমুভ করুন।

🚫 পিরিয়ডের সময় ও হাতে নেইলপালিশ লাগানো থেকে বিরত থাকুন। কারণ কেউ জানেনা মৃত্যু কখন আসবে, পিরিয়ড শুরু হলেও মৃত্যু হয়, হতে পারে।


▪️ওজু শেষ হলে কোন উৎসুক জনতাকে মাইয়্যাতের মুখ দেখতে দিবেন না।

সে যেই হোক। আমি স্ট্রিক্টলি দেখতে দেবোনা।

প্রথম কাজ হচ্ছে প্রত্যেকের হাতে প্যাচানোর জন্য চারটা বড় ওড়না জড়িয়ে বেধে নেবো।

চাইলে গ্লোবসও নেয়া যায় তবে এতে অর্থের অপচয় হয় এবং গ্লোবস পোড়ানোর সময় পরিবেশ দূষণ হবে। তাই ওড়নার কাপড় নেয়া ভালো।


আমার হাত সরাসরি যেন ডেডবডির গায়ে না লাগে।

তাই ওড়না দিয়ে হাত বেধে নেবো। 


এবার মাইয়্যাতের উপরের পরশন, লোয়ার পরশন, লেফট্ পরশন ও রাইট পরশনে লোক ভাগ করে দেবো।


🚫 যিনি উপরের অংশ ধোয়াবেন,

তিনি কোন অবস্থায় নীচের অংশে যাবেন না।


পিছনে অনেক সময় স্টুল /মল থাকে।

এটা দেখবে লোয়ার পরশনে যারা থাকবে শুধু তারা।


প্রথম ধাপে শরীরের কোথায় কোথায় সূচ আছে, ক্যাথেটার আছে সব রিমুভ করবো।


🚫 সব দায়িত্ব আপনি নেবেন না।

নার্স ডাকবেন।

যদি মাইয়্যাত লিভার সিরোসিস এর হয়-

তবে রস ঝড়তেই থাকে একটু একটু করে। 


যে মানুষটা মারা গেছেন, তার ক্যানসার আছে কি না, জেনে নেবো।

☞ মাইয়্যাতের ব্লিডিং শুরু হতে পারে -

কি করবো তখন?


- কটনটা কেটে ভাজ করে তার মধ্যে একটু বেশী কর্পূর দিয়ে ব্লাডকে আটকে দিবো।


▪️লিভার সিরোসিস হলে পুজ সদৃশ ব্লাড বের হবে।

ভয় পাবোনা ইনশাআল্লাহ। 

▪️ল্যাপ্রোস্কোপি করে মারা গেলে ফুটোটা থেকে যায়-

তখন কি করব?


-কটন/তুলা ভাজ করে কর্পূর লাগিয়ে সেখানে আটকে দেবো।


ঘরে সবসময় তায়াম্মুমের মাটি রাখবেন।

আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আমাকে যে মাটি দিয়ে তৈরি করেছেন।

সূরা মায়েদার ৬ নং আায়াতে তার প্রমান -

সেই প্রমান এখন আপনি পাবেন।


—কিভাবে?


-এক মুঠো মাটি নিয়ে অনবরত ঝড়ে পরা মল আটকে দিবেন।

আচ্ছা এতো পাতা থাকতে বরই পাতা কেন লাগবে?


—কারণ, বরই পাতার এমন একটি সাইন্টিফিক ভ্যালু আছে যা শরীরকে অন্যরকম করে দেয়। 


নাভীটাকে বিসমিল্লাহ বলে -

নাভীর মিডল পয়েন্টে horizontally এবং ক্লক ওয়েরি 

একটু হাত দিয়ে মেসেজ করতে হবে।


▪️নাভীর নীচের অংশ পরিষ্কার করার জন্য মাই্য়্যাতের মেয়ে/বোন/ছেলের বৌ/নিকট আত্মীয় হলে ভালো হয়।


▪️বিশ পচিশটা কুলুপ বানিয়ে ট্রেতে রাখবো।


🚫 প্রচলিত নিয়মে মাইয়্যাতকে ব্যায়াম করানোর কোন অধিকার আমার নাই। পেটে এভাবে চাপ দিয়ে মল বের করা যাবেনা।


একটা বাস্কেটে পরিধেয় কাপড় ফেলবো-

আরেকটা বাস্কেটে কুলুপ ফেলবো।


▪️মলদ্বার ভালো করে সাফ করে ওজু করিয়ে সমস্ত শরীরে সাবান মাখাবো।


একজন গ্রেটার দিয়ে কুচি কুচি করে সাবান কেটে একটা বাটিতে নেবো।


- লিকুইড সাবান ইউস না করা ভালো। 


▪️একজন মাথায় সাবান মাখবে।

▪️২/১ জন হাতে কাপড় বেধে সমস্ত শরীরে কাধ থেকে পিঠ নাভীর উপর পর্যন্ত কর্পূর ও বরই পাতা মেশানো গরম পানি দিয়ে ধোব।

কাত করবো ডান ও বাম দিকে। 


কাত করে পিঠের একপাশ করে করে ধোব। হাতে সাবান লাগিয়ে নেবো।


▪️শরীর কিচ্ছু নেবেনা। দুনিয়ার কিচ্ছু না।

এমনকি এই দুনিয়ার ময়লাও না।

এভাবে সাবান ও বরই পাতা মেশানো পানি দিয়ে পায়ের আঙুল, হাতের আঙুল সব ময়লা বের হয়ে আসবে।


❑ মুসলিম মৃত নারীরকে গোসল পর্ব - (৫)

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬☞

▪️কুলুপের কাপড়, সাহায্য কারীদের হাতে পেচানো কাপড় ইত্যাদি মৃত ব্যক্তির গোসল ও কাফনের ব্যবহৃত ফেলে দেয়ার জিনিস পত্র সব কিছু একত্রিত করে কেরোসিন বা কোন দাহ্য পদার্থের সাহায্যে পুড়িয়ে ছাই করে দিন। 

যাতে কেউ এগুলোর সাহায্যে কুফরি করতে না পারে।


▪️কাফন পড়ানোর পর গোলাপজল ছিটাবেন না।

ফুলের তোড়া, ফুল দিবেন না।


▪️কাফনের উপর দুয়া লিখবেন না।

▪️মুর্দা গোসল করালে গোসল ফরজ না। নাপাকী লাগলে গোসল করতে পারেন।


🚨 সতর্কতা—

▬▬▬▬▬▬☞

১/মুর্দার খারাপ কিছু দেখলে আলোচনা করবেন না।

২/শুধু মাত্র যারা গোসল করাবেন তারাই থাকবেন।

উৎসুক জনতাকে দেখতে দিবেন না।মুর্দার ব্যপারে যেন কন গীবত না হয়।

৩/আতর, সুরমা, জাফরান ব্যবহার নিষিদ্ধ। 

৪/কাফনের উপর আলাদা চাদর দিয়ে ঢেকে দিবেন।

৫/কাফন পরানোর পর মাহরাম বাদে কোন পুরুষের সামনে মুখ খুলবেন না।

৬/গোসলের আগে পরে গোসলের সহায়তাকারীগণ। 

আনুষ্ঠানিক ভাবে কোন দুয়া মোনাজাত করবেন না।

৭/মুর্দা গোসল করানোর পর শরীরে নাপাকি না লাগলে 

সাহায্য কারী গণের গোসল ফরজ না। 


গোসল না করে ঘরে ঢোকা যাবেনা, এ ধারনা ভুল। 

চাইলে আপনি গোসল করতে পারেন।


৮/যেখানে গোসল করানো হয়েছে, সেখানে কন রকম বাতি জ্বালিয়ে রাখবেন না।


❑ উক্ত আলোচনার কোন তথ্য ভুল পেলে অনুগ্রহ পূর্বক আমাকে জানাবেন।

তাইবাহ একাডেমির লেকচার থেকে নেয়া।

— আসমা খাতুন

oryou #CopyPost #viralpost #foryoupage #vira

গাঁয়ের নাম পরমেশ্বরপুর, গাঙের নাম নবগঙ্গা,পজিটভ নহাটা থৈকে নেওয়া

 

গাঁয়ের নাম পরমেশ্বরপুর, গাঙের নাম নবগঙ্গা: দেশভাগ, স্মৃতি ও শিকড়ের গল্প

ইতিহাস ও ঐতিহ্য

বাংলাদেশের গ্রামগুলো শুধু ভৌগোলিক সীমানা নয়—প্রতিটি গ্রামই বহন করে ইতিহাস, ঐতিহ্য ও মানুষের অগণিত স্মৃতির ভার। মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার নহাটা ইউনিয়নের একটি এমনই গ্রাম পরমেশ্বরপুর, যার অতীত, মানুষের জীবনগাথা ও দেশভাগের বেদনাময় স্মৃতি একত্রে ধরা পড়েছে “গাঁয়ের নাম পরমেশ্বরপুর, গাঙের নাম নবগঙ্গা” বইয়ে।

গ্রাম ও গাঙের গল্প

পরমেশ্বরপুর গ্রামের পাশে বয়ে যাওয়া নবগঙ্গা নদী শুধু একটি জলধারা নয়, বরং এই অঞ্চলের জীবন, সংস্কৃতি ও অর্থনীতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। নদীকে ঘিরেই গড়ে উঠেছিল মানুষের বসতি, জীবিকা ও সামাজিক কাঠামো। তাই বইটির নামেই গ্রাম ও গাঙকে পাশাপাশি তুলে ধরা হয়েছে—যেন একে অপরের অবিচ্ছেদ্য পরিচয়।

দেশভাগ ও বিচ্ছিন্নতার বেদনা

১৯৪৭ সালের দেশভাগ এই গ্রামের মানুষের জীবনে নিয়ে আসে এক গভীর পরিবর্তন। বহু পরিবার তাদের শতবর্ষের বসতভিটা ছেড়ে পাড়ি জমাতে বাধ্য হয় ভারতে। পরমেশ্বরপুরও সেই ইতিহাসের সাক্ষী—যেখানে একসময় গড়ে ওঠা সমাজ ছিন্নভিন্ন হয়ে পড়ে। এই বইতে সেইসব মানুষের স্মৃতি, কষ্ট, বিচ্ছেদ ও নতুন জীবনের গল্প উঠে এসেছে হৃদয়স্পর্শীভাবে।

দীর্ঘ গবেষণা ও তথ্যসংগ্রহ

ড. শঙ্করকুমার ঘোষ ও রতনকুমার ঘোষ প্রায় নয় বছরের নিরলস পরিশ্রমে এই বইটি সম্পাদনা করেছেন। তারা শুধু বইপত্র ঘেঁটে থেমে থাকেননি; বরং ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা পরমেশ্বরপুরের মানুষ ও তাদের উত্তর-প্রজন্মকে খুঁজে বের করেছেন। সংগ্রহ করেছেন তাদের স্মৃতিকথা, পারিবারিক ইতিহাস ও বংশতালিকা। এমনকি তারা সরাসরি গ্রাম পরিদর্শন করে বাস্তব তথ্যও সংগ্রহ করেছেন।

বইয়ের বৈশিষ্ট্য

🔸প্রায় হাজার পৃষ্ঠার এই গ্রন্থে রয়েছে—
গেজেটিয়ারধর্মী বিস্তারিত ঐতিহাসিক ও ভৌগোলিক তথ্য
🔸পঞ্চাশটিরও বেশি স্মৃতিকথা
🔸পারিবারিক ইতিবৃত্ত ও বংশতালিকা
🔸পুরনো আলোকচিত্র ও মানচিত্র

এই উপাদানগুলো বইটিকে শুধু একটি ইতিহাসগ্রন্থ নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ দলিল হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছে।

কেন বইটি গুরুত্বপূর্ণ

“গাঁয়ের নাম পরমেশ্বরপুর, গাঙের নাম নবগঙ্গা” আসলে একটি গ্রামের গল্প হলেও, এটি বৃহত্তর বাংলার ইতিহাসের প্রতিচ্ছবি। এখানে আছে দেশভাগের প্রভাব, মানুষের শিকড় হারানোর বেদনা এবং স্মৃতির মাধ্যমে সেই শিকড়কে ধরে রাখার প্রয়াস।
এ ধরনের বই আমাদের মনে করিয়ে দেয়—ইতিহাস শুধু রাজা-বাদশাহদের নয়, সাধারণ মানুষের জীবনগাথাও ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ছোট একটি গ্রামের এত বিস্তৃত ও গবেষণাভিত্তিক দলিল সত্যিই বিরল।

উপসংহার

পরমেশ্বরপুর শুধু একটি গ্রামের নাম নয়; এটি এক হারানো সময়ের প্রতিচ্ছবি, এক বিচ্ছিন্ন জনপদের স্মৃতির ভান্ডার। নবগঙ্গার জলে যেমন অতীতের ছায়া ভেসে ওঠে, তেমনি এই বইয়ের পাতায় পাতায় ধরা পড়ে মানুষের ভালোবাসা, বেদনা ও শিকড়ের টান।

যারা নিজের এলাকা, ইতিহাস ও শিকড়কে জানতে চান, তাদের জন্য এই বইটি নিঃসন্দেহে এক অমূল্য সম্পদ।

শিমুল পারভেজ
সম্পাদক, পজিটিভ নহাটা

সহযোগিতায়ঃ হাদিউজ্জামান


 








বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬

সকাল ০৭ টার বাংলা সংবাদ তারিখ: ২৩-০৪-২০২৬ খ্রি:। 

 সকাল ০৭ টার বাংলা সংবাদ

তারিখ: ২৩-০৪-২০২৬ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে পাটের ব্যাগ ও স্কুল ড্রেস বিতরণ করবে সরকার - প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠকে সিদ্ধান্ত । * পাঁচ বছরের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার - সংসদে জানালেন তারেক রহমান।


দেশে সব ধরনের টিকা পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুদ রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী।


অপতথ্য মোকাবিলায় ইউনেস্কোর সহযোগিতা চাইলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।


আগামী তেসরা মে থেকে সারাদেশে সরকারিভাবে ধান ও ১৫ই মে থেকে চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু।


যুদ্ধবিরতির প্রকাশ্য লঙ্ঘনের কারণে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে ইরান।


চট্টগ্রামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আজ তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে সিরিজ নির্ধারণী ক্রিকেট ম্যাচে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২২-০৪-২০২৬ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২২-০৪-২০২৬ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে পাটের ব্যাগ ও স্কুল ড্রেস বিতরণ করবে সরকার --- প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে বৈঠকে সিদ্ধান্ত ।


পাঁচ বছরের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার : সংসদে জানালেন তারেক রহমান। 


দেশে সব ধরনের টিকা পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী । 


অপতথ্য মোকাবিলায় ইউনেস্কোর সহযোগিতা চাইলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।


আগামী তেসরা মে থেকে সারাদেশে সরকারিভাবে ধান ও ১৫ই মে থেকে চাল সংগ্রহ অভিযান শুরু হবে।


হরমুজ প্রণালী অতিক্রমকালে তিনটি পণ্যবাহী জাহাজে হামলা চালানোর পর দুটি জাহাজ আটক করেছে ইরান।


এবং চট্টগ্রামে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে আগামীকাল তৃতীয় ও শেষ ওয়ান্ডেতে সিরিজ নির্ধারণী ক্রিকেট ম্যাচে মাঠে নামবে বাংলাদেশ।

সকাল ০৭ টার বাংলা সংবাদ তারিখ: ২২-০৪-২০২৬ খ্রি:। 

 সকাল ০৭ টার বাংলা সংবাদ

তারিখ: ২২-০৪-২০২৬ খ্রি:। 


সকাল ০৭ টার বাংলা সংবাদ

তারিখ: ২০-০৪-২০২৬ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু - প্রশ্নফাঁস ও গুজব রোধে সাইবার নজরদারি জোরদার করা হয়েছে - বললেন শিক্ষামন্ত্রী।


বর্তমান সরকার বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ করেছে ৯০ দশমিক ছয়-ছয় মিলিয়ন ডলার  - সংসদে অর্থমন্ত্রীর তথ্য প্রকাশ।


দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে - ‘প্যানিক বায়িং’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টার।


মাদক ও তামাকজাত দ্রব্যের বিস্তার রোধে সচেতনতা বৃদ্ধির তাগিদ দিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী।


বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচলের আশ্বাস দিল ইরান।


ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধির ঘোষণা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট - স্বাগত জানালেন জাতিসংঘ প্রধান।


আজ রাজশাহীতে বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কা নারী দলের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ।

বাংলা আমার ভালো নেই ১৪৩

 বাংলা আমার ভালো নেই ১৪৩


বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির দাবিনামার বাংলা বানান

ড. মোহাম্মদ আমীন


শুদ্ধীকরণ:

তারিখঃ> তারিখ: [বিসর্গ (ঃ) কোনো যতিচিহ্ন নয়, এটি বাংলা বর্ণমালার একটি পৃথক বর্ণ। পদান্তে অবস্থিত বিসর্গ বর্ণের উচ্চারণ: হ্। যতিচিহ্ন হিসেবে ব্যবহৃত কোলন ( : ) বা সংক্ষেপণচিহ্নের ( . ) স্থলে বিসর্গ বিধেয় নয়।]


২৭/০৮/২০২৪ ইং> ২৭/০৮/২০২৪ খ্রি. [‘ইং’ বা ‘ইংরেজি’ নামের কোনো বর্ষপঞ্জি নেই। এর নাম গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি। বাংলায়: খ্রিষ্টাব্দ, সংক্ষেপে: খ্রি.। খ্রিষ্টাব্দ (খ্রিষ্ট+অব্দ) ব্যক্তিনাম খ্রিষ্ট-এর সঙ্গে সংস্কৃত অব্দ মিলে গঠিত; অর্থ (বিশেষ্যে) খ্রিষ্টের জন্মের বৎসর থেকে পরিগণিত অব্দ, সাল।]


প্রসংগে> প্রসঙ্গে [তৎসম প্রসঙ্গ (প্র+√সন্জ্+অ) সন্ধিজাত নয়। তাই, বানানে অনুস্বার হবে না। সন্ধির ক্ষেত্রে ক খ গ ঘ পরে থাকলে পূর্ব পদের অন্তস্থিত ম্ স্থানে অনুস্বার (ং) হবে; সন্ধিবদ্ধ না হলে ঙ স্থানে ং হবে না। ‘বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম’, অনুচ্ছেদ: ১.৪।]


নিরসন প্রসংগে> নিরসন [‘বিষয়’ ও ‘প্রসঙ্গে’ সমার্থক। অনুচ্ছেদের প্রারম্ভে ‘বিষয়’ লেখা হয়েছে। বিষয় নির্ধারিত অনুচ্ছেদে বাক্যের শেষে পুনরায় ‘প্রসঙ্গে’ পরিহার্য।]


যথাবিহীত> যথাবিহিত [যথা+বিহিত=যথাবিহিত; বাএআবাঅ, পৃষ্ঠা: ১১৪২]

প্রদর্শন পূর্বক> প্রদর্শনপূর্বক [পূর্বক’ সংশ্লিষ্ট শব্দের শেষে সেঁটে বসে। বাএআবাঅ, পৃষ্ঠা: ৮৩৯]


সম্মান প্রদর্শন পূর্বক বিনীত নিবেদন এই যে,> সম্মান প্রদর্শনপূর্বক [বাকি অংশ বাক্যের গঠন ও পত্রের উদ্দেশ্য বিবেচনায় পরিহার্য।]


প্রসংগে> প্রসঙ্গে [প্রাগুক্ত]


পায়> পান [মানী সর্বনাম সমীচীন ছিল।]


ভাতা পায়> ভাতা পান [প্রাগুক্ত]


সরকারী> সরকারি [বিদেশি (ফারসি) উৎসের শব্দ। ঈ-কার পরিহার্য। আধুনিক বাংলা অভিধান, পৃষ্ঠা: ১৩০৪]


শিক্ষক পায়> শিক্ষক পান [প্রাগুক্ত]


৮ ম> ৮ম [অঙ্কের সঙ্গে ম য় ই ষ্ঠ প্রভৃতি প্রত্যয় সেঁটে বসে।]


শিক্ষক পায়> শিক্ষক পান [প্রাগুক্ত]


বাংলাদেশেই> বাংলাদেশে [বাক্য বিবেচনায়।]


পায়> পান [প্রাগুক্ত]


সহকারি> সহকারী [ইন্‌-প্রত্যয়ান্ত শব্দ। বানানে ঈ-কার অপরিহার্য। বাএআবঅ, পৃষ্ঠা: ১৩১০।]


১০ ম> ১০ম [প্রাগুক্ত]


পূনর্বহাল> পুনর্বহাল [পুনর্+বহাল; ঊ-কার পরিহার্য]


ম্যাজিষ্ট্রেট> ম্যাজিস্ট্রেট [স্ট=স্‌+ট]


পরিক্ষা> পরীক্ষা [ পরীক্ষা= পরি+ঈক্ষা). আধুনিক বাংলা অভিধান, পৃষ্ঠা: ৭৯৬]


আগের মত> আগের মতো [তুল্য, সদৃশ্য, যোগ্য, অনুযায়ী প্রভৃতি অর্থে ‘মতো’ লিখতে হয়। ‘মত’ শব্দের অর্থ অভিমত। বাএআবাঅ, পৃষ্ঠা: ১০৭০]


বৃত্তি পরিক্ষার> বৃত্তি পরীক্ষার [প্রাগুক্ত]


পূনর্বহাল> পুনর্বহাল [প্রাগুক্ত]


উপরোক্ত> উপর্যুক্ত [সংস্কৃত ‘উপরি’ শব্দের সঙ্গে সংস্কৃত ‘যুক্ত (√যুজ্+ত)’ শব্দের সন্ধি করলে পাওয়া যায় : “উপরি+যুক্ত= উপর্যুক্ত’’। তাই বৈয়াকরণগণ, ‘উপরোক্ত’ শব্দের পরিবর্তে ‘উপরিউক্ত’ বা ‘উপর্যুক্ত’ লেখা সমর্থন করে এই শব্দটিকে প্রমিত নির্দেশ করেছেন। যদিও বাংলামতে, উপরোক্ত লেখা দূষণীয় হবে না। তবে এটি স্বীকৃতি পায়নি। কিন্তু অশুদ্ধ প্রয়োগ হিসেবে প্রচলিত।]


মহোদয় সমীপে বিনীত আরজ উপরোক্ত বিষয়ে আপনার> উপর্যুক্ত বিষয়ে মহোদয়ের [বাক্য বিবেচনায় বাকি অংশ পরিহার্য।]

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ:১৮-০৫-২০২৬

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ:১৮-০৫-২০২৬ আজকের শিরোনাম: দেশে জিলহজ মাসের চাঁদ দেখা গিয়েছে - পবিত্র ঈদ-উল আযহা ২৮শে মে। প্রধানমন্ত্রীর সভ...