এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
এই ব্লগটি সন্ধান করুন
শুক্রবার, ২১ অক্টোবর, ২০২২
পারিবারিক শিক্ষা,,,, জি এম মাছুম ফেইসবুক থেকে নেওয়া
একেই বলে পারিবারিক শিক্ষা
বিয়ে করতে যাওয়া এক পুত্রকে তার পিতার উপদেশ মালা।
বাবা বললেন, তোমার দাদা বলেছিলেন,
১. নতুন বউকে পালকি করে কেন আনা হয় জানিস? তাকে তো গরুর গাড়িতেও আনা যেত।
তা না করে পালকিতে আনা হয়, কারণ সে কত সম্মানিত তা বোঝানোর জন্য।
পালকিতে নামানোর পর এ সম্মান কমানো যাবে না। সারাজীবন পালকির সম্মানেই তাকে রাখতে হবে।
২. নতুন বউ পালকিতে উঠে কী করে জানিস?
কাঁদে। কেন কাঁদে?
শুধু ফেলে আসা স্বজনদের জন্য না।
নতুন জীবন কেমন হবে সে ভয়েও কাঁদে।
তোর চেষ্টা হবে পালকির কান্নাই যাতে তার শেষ কান্না হয়।
এরপর আর মাত্র দুটো উপলক্ষ্যে সে কাঁদবে।
একটি হলো মা হওয়ার আনন্দে, আরেকবার কাঁদবে তুই চলে যাওয়ার পর।
মাঝখানে যত শোক আসবে তুই তার চোখের পানি মুছে দিবি।
৩. স্ত্রী সবচেয়ে কষ্ট পায় স্বামীর বদব্যবহারে,
দ্যাখ, আমি খুবই বদমেজাজি,
কিন্তু কেউ বলতে পারবে না আমি তোর মায়ের সামনে কোনোদিন উঁচু গলায় কথা বলেছি।
৪. বিয়ে মানে আরেকটি মেয়ের দায়িত্ব নেওয়া।
এটা ঠিকভাবে পালন না করলে আল্লাহর কাছে দায়ী থাকতে হয়।
৫. আরেকটি কথা, সব মেয়ের রান্নার হাত ভালো না, কিন্তু সবাই রান্না ভালো করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করে।
তাই রান্না নিয়ে বউকে কখনো খোঁটা দিবি না।
৬. বউয়ের মা-বাবাকে কখনো 'আমার শ্বশুর, আমার শাশুড়ি' এগুলো ডাকবি না।
মা-বাবা ডাকবি।
আগের ডাকগুলো কোনো মেয়ে পছন্দ করে না, তুই ওগুলো ডাকলে বউও আমাদের ওই ডাকেই ডাকবে।
তুই ওনাদের সম্মান না করলে সে আমাদের সম্মান করবে না।
এটাই নিয়ম।
আল্লাহতালার পাল্লা সমান, এক পাল্লায় তুই যা করবি, আরেক পাল্লায় তিনি তাই রেখে দুই পাল্লার ওজন ঠিক রাখেন।কপি
কপি
পেস্ট
নারকেলের মালা গুঁড়োর ব্যাবসা করে বছরে আয় লাখ টাকা
নারকেলের মালা গুড়োর ব্যবসায় মাসে আয় কয়েক লাখ টাকা!
দশ বছর আগে স্বল্প বেতনের কোম্পানির বিক্রয়কর্মীর চাকরি ছেড়ে উদ্যোক্তা হওয়ার পথে পা বাড়ান যশোরের খাদিজা ইসলাম। পরিবার, আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবের কাছে অবশ্য তিনি তন্বী নামেই বেশি পরিচিত। দেশের নামীদামি ৩২টি কোম্পানিতে এখন মশার কয়েল তৈরির কাঁচামাল সরবরাহ করেন খাদিজা ইসলাম।
চাকরি ছেড়ে উদ্যোক্তা হওয়া খাদিজার প্রতিষ্ঠানে এখন দুই শতাধিক মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। প্রতি মাসে এসব কর্মীর বেতনবাবদ খরচ হয় ২৬ লাখ টাকা। মাসে ব্যবসা গড়ে দুই কোটি টাকার। অথচ খাদিজার জীবনের শুরুটা মোটেই স্বস্তির ছিল না। ‘নুন আনতে পান্তা ফুরায়’ এমন এক পরিবারে জন্ম তাঁর। অভাবের কারণে মাধ্যমিক পরীক্ষার আগেই তাঁর বিয়ে হয়ে যায়।
স্বামীর আর্থিক অবস্থাও খুব একটা ভালো ছিল না। তাই জীবনসংগ্রামে নামা ছাড়া খাদিজার আর কোনো উপায় ছিল না। তাই শুরুতে স্থানীয় একটি কোম্পানিতে বিক্রয়কর্মীর চাকরি নেন। কিন্তু সেই চাকরিতে খুব বেশি দিন থাকা হলো না তাঁর। প্রত্যাশিত পদোন্নতি না পেয়ে বিক্রয়কর্মীর চাকরি ছেড়ে নিজে কিছু করার উদ্যোগ নেন। আর মনে মনে ব্যবসার ধারণা বা আইডিয়া খুঁজতে থাকেন।
এমন এক পরিস্থিতিতে ২০১৪ সালে যশোরে অনুষ্ঠিত হয় কৃষি মেলা। ওই মেলায় এসিআই কোম্পানির প্যাভিলিয়নে গিয়ে ব্যবসার নতুন এক ধারণা পান খাদিজা। এসিআইয়ের এক কর্মকর্তা মশার কয়েল তৈরির কাঁচামাল নারিকেলের মালার গুঁড়া (কোকোনাট পাউডার) তৈরির প্রক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা দেন খাদিজাকে। পাশাপাশি তিনি যদি নারিকেলের গুঁড়া তৈরি করেন, তা কেনারও প্রতিশ্রুতি দেন ওই কর্মকর্তা।
এরপর স্থানীয় বিভিন্ন কারখানা ঘুরে নারিকেলের মালার গুঁড়া কিনতে শুরু করেন খাদিজা। সেই গুঁড়া তিনি এসিআইয়ে সরবরাহ শুরু করেন।কিন্তু কাঁচামাল সরবরাহ করতে গিয়ে পড়েন অর্থসংকটে। কারণ, এক ট্রাক কাঁচামাল সরবরাহের মতো টাকা তাঁর কাছে ছিল না। খাদিজার কাছে তখন নিজের জমানো টাকা ছিল ১ লাখ ৩৫ হাজার।
কোম্পানির কাছ থেকে অগ্রিম নেন আড়াই লাখ টাকা। ওই টাকা দিয়েই ব্যবসার শুরু। ব্যবসা শুরুর প্রথম তিন মাস অন্য কারখানা থেকে নারিকেলের মালার গুঁড়া সংগ্রহ করে এসিআইতে সরবরাহ করেন। এরপর নিজেই বাগেরহাটে নারিকেলের একটি কারখানা স্থাপন করেন। ব্যবসা ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে। দুই বছর পর যশোর শহরের বাস টার্মিনাল এলাকায় আরেকটি কারখানা স্থাপন করেন।
এরপর থেকে তাঁকে আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। বাগেরহাট ও খুলনায় আরও দুটি কারখানা স্থাপন করেন। খুলনার কারখানাটির উৎপাদন শুরু হবে আগামী মাসে। সব মিলিয়ে খাদিজার কারখানার সংখ্যা এখন ৪। সম্প্রতি যশোরের কারখানায় গিয়ে দেখা যায়, শ্রমিকেরা নারিকেলের মালা থেকে গুঁড়া তৈরির কাজ করছেন। খাদিজা নতুন শ্রমিকদের কাজ বুঝিয়ে দিচ্ছেন।
কারখানার সঙ্গেই লাগোয়া খাদিজার কার্যালয়। সেখানে বসেই তিনি হিসাব-নিকাশ দেখভাল করেন। ওই কার্যালয়ে বসেই জীবনসংগ্রামের গল্প শোনান খাদিজা ইসলাম। খাদিজা ইসলাম বলেন, ‘আমার ব্যবসার শুরুটা একদমই মসৃণ ছিল না। শুরুতে কাউকে পাশে পাইনি। ব্যবসা করব এটা পরিবারের কেউ পছন্দ করেননি। এমনকি স্বামীও প্রথম দিকে কোনো সহযোগিতা করেননি।
ব্যাংকে ব্যাংকে ঘুরেও কোনো ঋণ মেলেনি। পরে অবশ্য আইডিএলসি ফাইন্যান্স তাঁকে ঋণ দেয়।’ উদ্যোক্তা খাদিজা ইসলাম এখন মাসে কর্মীদের বেতন, অন্যান্য খরচ বাদ দেওয়ার পরও কয়েক লাখ টাকা মুনাফা থাকে তাঁর। খাদিজা বলেন, চেষ্টা ও ইচ্ছে থাকলে সফল হওয়া যায় যেকোনো সংগ্রামে। তবে ব্যবসার শুরুতে যদি ব্যাংকের কাছ থেকে সহজে ঋণ পাওয়া যায়, তাহলে উদ্যোক্তাদের সংগ্রামের পথ কিছুটা হলেও মসৃণ হবে।
তথ্যসূত্র: প্রথমআলো।
কপি
পেস্ট
কুসংস্কার সমুহ ফেইসবুক থেকে নেওয়া
~কুসংস্কার~
ব্যাঙ ডাকলে বৃষ্টি আসে,
মোরগ ডাকলে ভোর।
কুকুর ডাকলে লেজ গুছিয়ে,
ছিটকে পালায় চোর।।
.
পেঁচা ডাকলে অশুভ হয়,
শকুন ডাকলে মরণ।
হঠাৎ কোন বিপদ নাকি,
কাকের ডাকের কারণ।।
.
পাখি ডাকলে কুটুম আসে,
মিষ্টি হাতে নিয়ে।
বৃষ্টির মাঝে রোদ হাসিলে,
শেয়াল মামার বিয়ে।।
.
সত্য-মিথ্যা যাচাই করি,
টিকটিকির টিক ডাকে।
বউ পাগল হয় সেই ছেলেটা,
ঘাম থাকে যার নাকে।।
.
হঠাৎ করে চোখ কাঁপিলে,
দুঃখ আসে বটে।
বসা নাকি যাবে না ঐ,
ঘরেরই চৌকাটে।।
.
যাত্রা নাকি অশুভ হয়,
দেখলে ঝাড়ু পথে।
কাড়িকাড়ি টাকা আসে,
চুলকালে ডান হাতে।।
.
খাবার সময় উঠলে হাঁচি,
কেউতো স্মরন করে।
দুইবার ভাত না নিলে,
তার অকালে বউ মরে।।
.
ভাঙ্গা আয়নায় মুখ দেখিতে
মুরুব্বিদের মানা।
কুসংস্কারে আমরা আজও,
চোখ থাকিতে কানা।।
.................★★★................
কপি
পেস্ট
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
🔴 *রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর* জীবনে যত দুঃখ বহন করেছেন তা পৃথিবীর আর কোন সাহিত্যিকের জীবনে ঘটেছে বলে জানা নেই।
১. তের বছর বয়সে মাতৃহারা হন।
২. তাঁর বিয়ের রাতে ভগ্নিপতি মারা যান।
৩. চারমাস পরে আত্মহত্যা করেন যার প্রেরণা ও ভালোবাসায় তিনি কবি হয়ে উঠেছেন, সেই নতুন বৌঠান কাদম্বরী দেবী।
৪. ১৯০২ কবিপত্নী মৃণালিনী দেবী ২৯, মারা গেলেন l রবীন্দ্রনাথ তখন একচল্লিশ।
৫. দুই মেয়ের বিয়ের সময় শর্ত ছিল জামাইদের বিলেতে ব্যারিস্টারি ও ডাক্তারি পড়াতে বিলেত পাঠালেন। কিন্তু স্কিছুদিনের মধ্যেই রেনুকা অসুস্থ হয়ে পড়লেন। বাঁচানো গেলনা তাঁকে।
৫. ১৯০৫-এ চলে গেলেন পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর।
৭. ১৯০৭ কনিষ্ঠ পুত্রের (১২ বছরের) কলেরায় মৃত্যু।
৮. ১৯১৩ রবীন্দ্রনাথ নোবেল পেলেন l
৯. ১৯১৮ বড়মেয়ে বেলি অসুস্থ, বেলাকে প্রতিদিন গাড়িতে করে দেখতে যেতেন কবি। বাবার হাত ধরে মেয়ে বসে থাকত বিছানায়। আর তখন রবীন্দ্রনাথের জামাই শরৎ টেবিলের ওপর পা তুলে সিগারেট খেতে খেতে রবীন্দ্রনাথকে ব্যাঙ্গ-বিদ্রুপ করতেন। একদিন বেলাকে দেখতে গিয়ে মাঝপথে শুনলেন সে মারা গেছে। মেয়েকে শেষ দেখা না দেখে ফিরে এলেন বাড়ি। পুত্র রথীন্দ্রনাথ লিখেছেন বাড়িতে এসে তিনি কাউকে বুঝতে দিলেন না কি শোকে, কি অপমানে, কি অসহ্য বেদনার মধ্য দিয়ে তিনি সন্তানকে হারিয়েছেন।
১০. কবির ছোটমেয়ে মীরার বিয়ে দিয়েছিলেন নগেন্দ্রনাথের সঙ্গে যাকে বিলাতে কৃষিবিজ্ঞানী করার জন্য প্রতিমাসে সেইসময় পাঁচশ টাকা করে পাঠাতেন, আর নগেন্দ্র চিঠি লিখে আরও টাকা পাঠানোর তাগাদা দিতেন। প্রত্যুত্তরে কবি লিখতেন, আমার জমিদারী থেকে প্রতিমাসে পাঁচশ টাকাই পাই, তার পুরোটাই তোমাকে পাঠাই। সেই নগেন্দ্র বিলাত থেকে ফিরে দুই সন্তান সহ মীরাকে পরিত্যাগ করে অন্যত্র চলে যান। কবির তিন জামাই যাদের প্রত্যেককে বিদেশে পড়িয়ে তিনি প্রতিষ্ঠিত করেছেন, তারা প্রতেকেই কোন না কোন ভাবে কবিকে দুঃখ দিয়েছেন। সারাজীবনে কবি দুঃখ পেয়েছেন বারেবারে, অপমানিত-উপেক্ষিতও হয়েছেন অসংখ্যবার।
১১. আর্জেন্টিনার কবিপ্রেমী লেখিকা ভিক্টোরিয়া ওকাম্পর সাথে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে কুৎসা করে সংবাদপত্রও প্রকাশিত হয়েছে।
১২. কবি তখন ৬৪, নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত বিশ্ববরেণ্য সাহিত্যিক l কবির নোবেল প্রাপ্তি নিয়েও কিছু লোক তাঁকে ব্যাঙ্গও করেছিলেন। চিঠি লিখে কবির কাছে জানতে চাইছেন নোবেল পুরস্কার পাওয়ার টেকনিক, সেক্ষেত্রে ভাবী পুরস্কারপ্রাপক কবিকে অর্ধেক টাকা দিতেও রাজি।
১৩. শান্তিনিকেতনে সাক্ষাৎ করতে এসে কেউ কবিকে বলছেন, রবিবাবু আপনি কি এখনো কবিতা-টবিতা লেখেন নাকি? মানে অতোগুলো টাকা পাওয়ার পর আবার কেউ লেখে নাকি! অথচ অনেকেই জানেননা, নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্তির খবরটা প্রশান্তচন্দ্র মহলনাবিশ যখন কবিকে দেন তখন কবির প্রথম প্রতিক্রিয়া ছিল, ‘ যাক, ওই টাকায় এবার বিশ্বভারতীর সেচখাল কাটার সংস্থানটা হবে’। যারা কবি বা লেখক তারা সকলেই সমাজের কাছে একটা স্বীকৃতি চায়, রবীন্দ্রনাথ বহুদিন সেটা বাঙালি সমাজের কাছে পাননি। তাই নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পর তাঁকে যখন সম্বর্ধনা দেওয়া হলো তখন তিনি বললেন, ‘আমি এই সম্মানের পাত্রকে ওষ্ঠ পর্যন্ত তুলব কিন্তু গলা পর্যন্ত যেতে দেবনা’। কতবড় অভিমান ও দুঃখ থাকলে এ কথা বলা যায়!
১৪. রবীন্দ্রনাথ নিজেই বলেছেন, 'পৃথিবীতে এসে যে ব্যক্তি দুঃখ পেলনা, সে লোক ঈশ্বরের কাছ থেকে সব পাওয়া পেলনা’। বারেবারে মৃত্যু-দুঃখ-অপমান রবীন্দ্রনাথকে শাণিত করেছে সৃষ্টিপথে, নির্মোহ করেছে জগৎসংসারে, নস্টালজিক করেছে ক্ষণেক্ষণে। তাই তিনি বলতে পেরেছেন, ‘ আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু, বিরহদহন লাগে। তবুও শান্তি, তবুও আনন্দ, তবুও অনন্ত জাগে’। আমরাও যেন সদা তাঁর সুরে সুর মিলিয়ে বলতে পারি, “ মনেরে আজ কহ যে/ ভালো মন্দ যাহাই আসুক/ সত্যরে লও সহজে”।
কপি
পোস্ট
জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি ও স্বাক্ষর পরিবর্তন পদ্ধতি,,, ফেইসবুকে থেকে নেওয়া
জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) এর ছবি ও স্বাক্ষর পরিবর্তনের পদ্ধতিঃ
জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি ও স্বাক্ষর পরিবর্তন করার জন্য আপনি যেই এলাকার ভোটার, সেই এলাকার সংস্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে সশরীরে উপস্থিত হয়ে সংশোধন ফরম-২ এ আবেদন করতে হবে।
ছবি ও স্বাক্ষর পরিবর্তন করার জন্য সরকারি ফি বাবদ ২৩০/- মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে জমা দিতে হবে। এই ফি বিকাশ/রকেট এর মাধ্যমে NID Info Correction এপ্লিকেশন টাইপে জমা দেয়া যাবে। উল্লেখ্য যে, জাতীয় পরিচয়পত্র সেবা সংক্রান্ত ফি এখন আর সোনালী ব্যাংকে বা চালানের মাধ্যমে জমা দেয়া যায় না।
আপনার আবেদনের পরে সংস্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে সরাসরি আপনার ছবি তোলা হবে ও স্বাক্ষর নেয়া হবে এবং তা সার্ভারে প্রেরন করা হবে অনুমোদনের জন্য। জাতীয় পরিচয়পত্রের ছবি ও স্বাক্ষর পরিবর্তন সংক্রান্ত আবেদন "খ" ক্যাটাগরির বিধায় তা সাধারণত সংস্লিষ্ট জেলা নির্বাচন অফিসার অনুমোদন করে থাকেন।
ছবি ও স্বাক্ষর পরিবর্তন আবেদন অনুমোদন হলে আপনাকে তা এসএমএস এর মাধ্যমে জানানো হবে এবং আপনি অনলাইন থেকে NID কার্ডের কপি ডাউনলোড করতে পারবেন অথবা সংস্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিস থেকে নতুন ছবি সংবলিত লেমিনেটেড জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করতে পারবেন। উল্লেখ যে, পূর্বে ছবি ও স্বাক্ষর পরিবর্তন আবেদন অনুমোদন হলে এসএমএস এর মাধ্যমে জানানোর সুযোগ না থাকলেও বর্তমানে এসএমএস দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
কপি
পোস্ট
স্বামী গরিব হলে
স্বামী গরীব হলে
.
নারী সাহাবিদের রীতি ছিল, যখন তাঁদের কারও স্বামী ঘর থেকে বের হতো, তিনি স্বামীকে বলতেন, ‘হারাম উপার্জন থেকে অবশ্যই বেঁচে থাকবেন। কারণ, ক্ষুধা লাগলে আমরা তা সহ্য করতে পারব; কিন্তু জাহান্নামের আগুন আমরা সহ্য করতে পারব না।’
.
কিন্তু বর্তমানে বহু নারী এমন আছে, যে তার স্বামীর আর্থিক সংকটে ধৈর্যধারণ করে না; বরং তার কাছে এমন কিছু চায়, যার সামর্থ্য সে রাখে না। তাহলে স্বামী বেচারা কী করবে? সে কি চুরি করবে বা ঘুষ নেওয়া শুরু করবে? স্ত্রী এটা বোঝে না যে, ধৈর্য ঈমানের অঙ্গ। শুধু তাই নয়, ধৈর্যশীলদের আল্লাহ অফুরন্ত ও বেহিসাব প্রতিদান দেবেন।
.
কাজেই প্রিয় বোন, তুমি এমন স্ত্রী হও, যে বিপদের বিরুদ্ধে স্বামীকে শক্তি জোগায়; স্বামীর বিরুদ্ধে বিপদকে শক্তি জোগায় না। নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই বাণীটি ভালো করে মনে রেখো : ‘আদমসন্তানের সৌভাগ্যের উপকরণ তিনটি, আর দুর্ভাগ্যের উপকরণও তিনটি। সৌভাগ্যেরগুলো : সতী নারী, উত্তম বাসস্থান ও উত্তম বাহন। আর দুর্ভাগ্যেরগুলো : অসতী নারী, নিকৃষ্ট বাসস্থান, নিকৃষ্ট বাহন।’ (আহমাদ)
.
'দাম্পত্যের ছন্দপতন' বই থেকে
কপি
পেস্ট
একটি ভুল কথা,,,
একটি ভুল কথা : বিয়েতে ‘কালেমা’ পড়ানো
তাবলীগের একজন সাথী আমাকে বলেছেন যে, একদিন গাশতে তিনি এক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, ভাই কালেমা পড়তে জানেন? লোকটি অবাক করে দিয়ে অত্যন্ত আশ্চর্য স্বরে বলল, নাহ! আমি তো এখনও বিয়ে করিনি!!
বিয়ের আক্বদ পড়ানোকে অনেকে ‘কালেমা’ পড়ানো বলে। কিন্তু এই তাবলীগী সাথীর ঘটনা শুনে বুঝলাম, ‘কালেমা পড়ানোর আরো অর্থ আছে।
সাধারণত কালেমা বলতে ‘কালেমা তাইয়েবা’ অর্থাৎ লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রসূলুল্লাহ বা ইসলামের বুনিয়াদী আক্বীদা সম্বলিত কয়েকটি কালেমাকেই বুঝায়। বিয়ের আক্বদের সময় এই ধরনের কোনো কালেমা পড়া বা পড়ানোর নিয়ম নেই। মাসনুন খুতবার পর স্বাক্ষীদের উপস্থিতিতে মেয়ে পক্ষের সম্মতিক্রমে খতীব ঈজাব বা প্রস্তাব দেন। ছেলে ‘কাবিলতু’ কিংবা কবুল করলাম শব্দ বলার সাথে আক্বদ পূর্ণ হয়ে ছেলেমেয়ে উভয়ে স্বামী-স্ত্রীতে পরিণত হয়ে যায়।
এখানে কালেমা পড়ানোর কোনো বিষয় নেই। তবে কাবিলতু বা কবুল করলাম শব্দটিকে যদি আরবী আভিধানিক অর্থে কালিমা বলা হয় তবুও তো এখানে পড়ানোর কিছু নেই। যেহেতু বিভ্রান্তির অবকাশ থাকে তাই বিয়ের আক্বদকে কালেমা পড়ানো না বলাই ভালো।
সবচেয়ে বড় কথা হল, দ্বীন সম্পর্কে কী পরিমাণ অজ্ঞতা ও উদাসীনতা থাকলে একজন মুসলমান কালেমা পড়াকে বিয়ের সময়ের বিষয় বলে মনে করতে পারে তা ভেবে দেখা উচিত এবং এ বিষয়ে আমাদের কোনো করণীয় আছে কি না তাও ভেবে দেখা কর্তব্য।
[সূত্র : মাসিক আল কাউসার
বর্ষ : ৬, সংখ্যা : ১১
যীকা'দাহ - ১৪৩১ || নভেম্বর - ২০১০]
কপি
পেস্ট
মদিনার আদব,,,,,,,, মুফতি দেলোয়ার ফেইসবুক ফরমান পেইজ
গতকাল বা'দ মাগরিব মেয়েকে কাঁধে নিয়ে প্রিয়তম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দরবারে সালাম পেশ করতে রওদ্বায়ে আত্বহারের কাছে গিয়েছিলাম। ভীড় ঠেলে প্রিয়তমের মাক্ববারার কাছাকাছি যেতেই আমি আর মেয়ে খুব মুহাব্বাতের সাথে সালাম পেশ করা শুরু করে দিই। এমন সময় হঠাৎ মেয়ের একটি প্রশ্নে আমি থমকে যাই!
মেয়ে আমাকে খুবই কৌতূহলী হয়ে জিজ্ঞাসা করলো;
বাবা! সবাই ছবি তুলছে কেন?
ভিডিও করছে কেন?
এখানে কি ছবি তুলতে হয়? ভিডিও করতে হয়?
স্বাভাবিকভাবে মেয়ে আমার কাঁধে হওয়ায় সে উপর থেকে দেখতে পাচ্ছিলো; যতদূর চোখ যায় সবার হাতে মোবাইল আর মোবাইল। সত্যি বলতে মেয়ে প্রশ্নটি করার আগে থেকেই বিষয়টি আমাকে খুবই পীড়া দিচ্ছিলো। আমি নিজেও আশপাশে তাকিয়ে খোঁজার চেষ্টা করেছি যে মোবাইল হাতে নেই এমন ক'জন আছে। খুব অল্পসংখ্যককেই এমন পেয়েছি, যাদের হাতে মোবাইল নেই, যারা কেবলই দরুদ আর সালাম পাঠেই ব্যস্ত।
রওদ্বার কাছে আসলেই তো চোখ থেকে অশ্রু প্রবাহিত হওয়ার কথা। আমাদের হৃদয়স্পন্দন প্রিয় মাদীনাওয়ালা তো এখানেই শুয়ে রয়েছেন। সেখানে আমাদের কী হলো! আমরা এখানে এসে ছবি তোলা আর ভিডিও করায় ব্যস্ত হয়ে যাই?
আমাদের হাবীবের কাছে কি এই খবর পৌঁছে না?
হাজারো কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে কারা তাঁর দরবারে ভালোবাসার নাযরানা পেশ করতে এসেছেন, আর কারা ছবি আর ভিডিও নিয়েই সন্তুষ্ট থাকছে....
মাদীনায় আসার আগে মাদীনার আদব শিখে আসতে না পারলে, মাদীনায় আপনি ঠিকই আসবেন, কিন্তু এখান থেকে কিছু নিয়ে ফিরতে পারবেন না। আপনাকে রিক্তহস্তেই ফিরতে হবে।
#মাদীনা
#মাসজিদে_নববী
কপি
পেস্ট
কোম্পানির চাকরির বৈশিষ্ট্য,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া
ইউনিফর্ম এর চাকরির বৈশিষ্ট্য 😢😢😢
১.ডিউটির শুরু আছে কিন্তু শেষ নেই।
২.বেতন আছে কিন্তু ভোগ করার সময় নেই।
৩.পরিবার আছে কিন্তু সংসার নেই।
৪.সন্তান আছে কিন্তু যত্ন নেই।
৫.আত্মীয় আছে কিন্তু যোগাযোগ নেই।
৬.ইচ্ছা আছে কিন্তু উপায় নেই।
৭.ঈদ আছে কিন্তু ছুটি নেই।
৮.কষ্ট আছে কিন্তু শেয়ার করার মতো
ভালোবাসার মানুষ কাছে নেই।
৯.ব্যাথা আছে কিন্তু চিৎকার করার অধিকার নেই।
১০.জীবনের চেয়েও সময়ের মূল্য বেশি দিতে হয়।
১১.ভালো না থেকেও ভালো থাকার অভিনয় করতে হয়।💔💔💔💔
কপি
পেস্ট
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)
রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ ১৪-০৫-২০২৬
রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ ১৪-০৫-২০২৬ আজকের সংবাদ শিরোনাম আগামী বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা জানুয়ারিতে, এইচএসসি জুনে --- জানালেন শিক...
-
🧪 বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল) টেস্ট ফি তালিকা (২০২৫) 🩸 রক্ত ও হেমাটোলজি টেস্ট: ✅ CBC (OPD): ৩০০ টাকা ✅ CBC (IPD): ২০...
-
#কোমর থেকে পা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়া ব্যথা: আসল কারণ কোথায়? স্নায়ুর লাইনে ব্যথা: Holistic approach কেন জরুরি- পা পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়া ব্যথা কেন হয়?...
-
✅ কাজের বুয়ার কাহিনীঃ আমাদের বাসার কাজের বুয়া (৫৪) মাসে ১৭ হাজার টাকা আয় করেন। উনি আমাদের বাসায় সকাল ৯ টায় আসার আগে একটা মেসে রুটি বানা...