এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ২ নভেম্বর, ২০২২

বেঁচে থাকার জন্য যতটুকু না হলেই নয়

বেঁচে থাকার জন্য যতটুকু নাহলেই নয় ততটুকুই কী যথেষ্ট না! এতো সম্পদ, ধন,টাকা-পয়সা! কী হবে এতো কিছু দিয়ে? কেন পাগলা ঘোড়ার মতো এভাবে ছুটছেন এসবের পেছনে? একটা নির্দিষ্ট সময়ের পর তো ঠিকই রুহটা বেরিয়ে যাবে, নিথর দেহটাকে কবরে রেখে আসার সময়ও অনেক প্রিয়জনরা হাতে থাকা ঘড়িটার দিকে তাকিয়ে বলে উঠবে, "আর কতক্ষণ দাফনের?"

আহা জীবন! কোন জীবনের পেছনে ছুটছেন আপনি? দেহ থেকে রুহ বেরিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে আপনার নামটা পর্যন্ত হারিয়ে যাবে। আপনাকে আর তমুক/অমুক বলে ডাকবে না। আপনাকে লাশ বলে ডাকা হবে। অথচ এই তুচ্ছ জীবনের মায়ায় জীবনের আসল উদ্দেশ্য ভুলে যাচ্ছেন!

.

জমিনের বুকে যত ধন-সম্পদের পেছনেই ছুটে চলুন না কেন, জমিনের গহবরে খালি হাতেই ফিরে যেতে হবে। এক টুকরো কাফনের কাপড়ও যেখানে খুলে রাখা হয়, সেখানে পুরো জীবনটাকে কেন এভাবে ব্যয় করে যাচ্ছেন এগুলোর পেছনে ছুটে, আল্লাহকে ভুলে?

.

জীবন! এর সঙ্গা কী? "মৃত্যু থেকে ধার করে আনা কয়েক প্রহর বা তার চেয়েও কিছু কম সময়ের মোহ" 

.

আপনার আসল জীবন তো শুরু হবে মৃত্যুর পর। সে জগতে পা রাখার সাথে সাথে আপনি বুঝতে পারবেন, উপলব্ধি করতে পারবেন যে বিগত দিনগুলো যে দুনিয়ার মোহে কাটিয়ে এসেছেন তা নিছক মরিচীকা ছিলো, ভ্রম ছিলো অল্প সময়ের। আসল জীবন তো এখন শুরু। এবার এ জীবনের স্বাদ গ্রহণ শুরু। স্বাদ গ্রহণ করুন হয় জান্নাতের অথবা জাহান্নামের!

.

কেন পাঠানো হয়েছিলো আর কী করে এলেন! কী নিয়ে আসতে বলা হয়েছিলো আর কী নিয়ে আসলেন! নেক আমল নিয়ে আসার কথা ছিলো। কিন্তু একটা ভালো লাইফস্টাইলের পেছনে ছুটতে ছুটতে, টাকা, সম্পদের পেছনে ছুটটে ছুটতে নেক আমলের কথা ভুলে গিয়েছিলেন! আফসোস হচ্ছে! কোথায় সেই ধন-সম্পদ? কিছুই তো কাজে আসল না মৃত্যু পরবর্তী জীবনে!

.

"এমন জীবন তুমি করিও গঠন

মরিলে হাসিবে তুমি, কাঁদিবে ভুবন"

.

বিশ্বাস করুন,দুনিয়াটা একটা মরিচীকা। কোনো উপমা দিচ্ছি না। সত্যিই এই দুনিয়া একটা মরিচীকা, শুধুই মরিচীকা। এর পেছনে আপনি যতই ছুটবেন ফলাফল শূন্য ছাড়া কিছু আসবে না। মরিচীকার পেছনে দৌড়ানোর ফলাফল সবসময় শূন্যই হয়। মরিচীকার পেছনে ছুটলে আপনি পথ হারাবেনই, অবশ্যই হারাবেন। হারিয়েছেনও,শুধু বুঝতে পারছেন না। দুনিয়া নামক মরিচীকার পেছনে ছুটতে ছুটতে কখন যে আপনি আপনার আসল পথ থেকে ছিটকে সরে গিয়েছেন আপনি টেরও পাননি, আপনি টেরও পাননি এই মরিচীকা আপনাকে ইতোমধ্যে বিপথগামী করে ফেলেছে, পথভ্রষ্ট করে ফেলেছে!

.

এখন তো শুধু সময়ের অপেক্ষা। এখন তো শুধু সেই সময়ের অপেক্ষা যখন দুনিয়ামুখী অন্তরগুলোও রবের কাঠগড়ায় দাঁড়াবে আর আখিরাতমুখী অন্তরগুলোও দাঁড়াবে সেই কাঠগড়ায়। সুসংবাদ তো তাদের জন্য, যারা স্রষ্টার কাছে ফিরে যাওয়ার আগেই স্রষ্টার হয়ে গিয়েছে, সুসংবাদ তো তাদের জন্য যারা আরোশে আযীমের মালিককে সন্তুষ্ট করে ফেলেছে। সফল তো তারাই যারা রবকে ভালোবেসে ফেলেছে, সফল তো তারাই যাদেরকে রব ভালোবেসে ফেলেছেন......


     Turn to Allah before you return to Allah


________________________________________

"জীবনঃ মৃত্যু থেকে ধার করে আনা কয়েক মূহুর্ত " 

কপি 

পেস্ট 


দলিল কত প্রকার

✅ বাংলাদেশ ভূমি আইন অনুযায়ি জমির দলিল মোট ৯ প্রকার।

জেনে নিন বিস্তারিত নিম্নে তুলে ধরা হলঃ


(১) সাফ-কবলা দলিল 

(২) দানপত্র দলিল 

(৩) হেবা দলিল 

(৪) হেবা বিল এওয়াজ দলিল 

(৫) এওয়াজ দলিল 

(৬) বন্টন নামা দলিল 

(৭) অছিয়তনামা দলিল 

(৮) উইল দলিল 

(৯) নাদাবি দলিল 


#সাফকবলা দলিলঃ

কোন ব্যক্তি তাহার সম্পত্তি অন্যের নিকট বিক্রয় করে যে দলিল সম্পাদন ও রেজিষ্টারী করে দেন তাকে সাফাকবালা বা বিক্রয় কবলা বা খরিদা কবালা বলা হয়। এই কবালা নির্ধারিত দলিল ষ্ট্যাম্পে লিখার পর দলিল দাতা অর্থাৎ বিক্রেতা সাবরেজিষ্টারী অফিসে উপস্থিত হয়ে দলিল সহি সম্পাদন করে গ্রহিতা অর্থাৎ খরিদ্দারের বরাবরে রেজিষ্টারী করে দিবেন। এই দলিল রেজিষ্টারী হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দলিলের তফসিলে লিখিত অর্থাৎ বিক্রিত ভূমির যাবতীয় স্বত্ব দলিল দাতা হতে বিলুপ্ত হয়ে দলিল গ্রহিতাতে অর্থাৎ খরিদ্দারের উপর অর্পিত হলো। দলিলদাতা ময় ওয়ারিশানক্রমে উক্ত জমি হতে নিঃস্বত্ববান হলেন।


#দানপত্র দলিলঃ

যে কোন সম্প্রদায়ের যে কোন ব্যক্তি তার সম্পত্তি দান করতে পারেন। এই দানপত্র দলিলে শর্তবিহীন অবস্থায় সকল প্রকার ক্ষমতা প্রদানের দান করতে হবে। স্বত্ব সম্পন্ধে দাতার কোন প্রকার দাবী থাকলে দানপত্র শুদ্ধ হবে না।


#হেবা দলিলঃ

মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য এই হেবা অর্থাৎ দানপত্র দলিল, এই দলিল কোনকিছুর বিনিময়ে নয়, কেবলমাত্র সন্তুষ্ট হয়ে এইরূপ দান করা হয়। কিন্তু এই হেবা শর্তবিহীন অবস্থায় দান বিক্রয়, কট রেহান ও রূপান্তর ইত্যাদি সকল ক্ষমতা প্রদানে দান বা হেবা করতে হবে। স্বত্ব সম্বন্ধে দাতার কোনরূপ দাবী থাকলে সেই দান বা হেবা শুদ্ধ হবে না এবং তা যে কোন সময় বাতিলযোগ্য। এরূপ দানপত্রে দাতার কোন স্বার্থ সংরক্ষিত থাকবে না।


#হেবা_বিল এওয়াজঃ

এই হেবা বিল এওয়াজ মুসলিম সম্প্রদায়ের একটি দানপত্র দলিল এই দানও সন্তুষ্ট হয়ে করা হয় বটে। কিন্তু ইহা কোন কিছুর বিনিময়ে হয়ে থাকে, যেমন- পবিত্র কোরআন, জায়নামাজ, তছবিহ, মোহরানার টাকা, এমন কি যে কোন জিনিসের বিনিময়েও হতে পারে, যেমন আংটি ইত্যাদি। এই হেবা বিল এওয়াজ দলিল সম্পূর্ণ শর্তবিহীন অবস্থায় গ্রহিতা যাবতীয় হস্তান্তর ও রূপান্তরের সকল প্রকার ক্ষমতার অধিকারী হবে এবং দাতার যাবতীয় স্বত্ব গ্রহিতাতে অর্পিত হবে। দাতার স্বার্থে কোন প্রকার স্বত্ব দাতার জন্য সংরক্ষিত থাকলে দলিল শুদ্ধ হবে না। এই হেবা বিল এওয়াজ অবশ্যই রেজিষ্টারী হতে হবে। এই হেবা বিল এওয়াজ যদি টাকা বিনিময়ে হয় এবং ক্রমিক ওয়ারিশী সূত্রে আগে পরে তিন ধাপের পরের ব্যক্তিকে বা তৃতীয় ব্যক্তিকে হেবা বিল এওয়াজ মুলে দান করে থাকে তা হলে শরীক কর্তৃক জানার তারিখ হতে ৪ মাসের মধ্যে প্রিয়েমশান করতে পারে।


#এওয়াজ দলিলঃ

যে কোন সম্প্রদায়ের বা একই সম্প্রদায়ের বা একই বংশের বা কোন ব্যক্তি যে কোন ব্যক্তির সহিত তাহাদের লপ্ত ও সুবিধা মত একের ভূমি অপরকে দিতে পারেন অর্থাৎ পরস্পর এওয়াজ পরিবর্তন করতে পারেন। এই দলিল অবশ্যই রেজিষ্টারী হতে হবে।

এওয়াজ পরিবর্তন দলিলের একটা ব্যাখ্যা দেওয়া হলো+: ক এর জমি খ এর বাড়ীর নিকট এবং খ এর জমি ক এর বাড়ীর নিকট। উভয়ের জমিই উভয়ের বেলপ্ত। কাজেই ক তার জমি খ কে এবং খ তার জমি ক কে দিয়ে উভয়ে একটি দলিল সম্পাদন করে রেজিষ্টারী করে নিল। একেই এওয়াজ পরিবর্তন দলিল বলে। এই দলিলের কেহ প্রিয়েমশান করতে পারে না।


#বন্টনমানা দলিলঃ

শরিকগণের মধ্যে সম্পত্তি ক্রমে নিজ নিজ ছাহাম প্রাপ্ত হয়ে উক্ত ছাহামের বাবদ যে দলিল করতে হয় তাকে বন্টননামা দলিল বলে। একই সম্পত্তিতে মালিক একই বংশের লোককে সাধারণত শরিক বলা হয়। শরিক দুই প্রকারের, যথা- উত্তরাধিকার সূত্রে শরিক ও কোন শরিক হতে পারে খরিদ সূত্রে শরিক। ইংরেজীতে বলা হয় কো-শেয়ারার বাই ইনহেরিটেন্স এন্ড কো-শেয়ারার বাই পারচেজ। বন্টননামা দলিল করবার সময় সকল শরিকগণ দলিলে পক্ষভুক্ত থেকে ও দস্তখত করে বন্টননামা দলিল করতে হবে। কোন একজন শরিক বাদ থাকলে বন্টননামা শুদ্ধ হবেনা। বন্টননামা দলিল রেজিষ্টারী করতে হবে কিন্তু ঘরোয়াভাবে বন্টন করে সকল পক্ষগণ যদি বন্টননামা দলিলে দস্তখত করে থাকেন তা হলেও বন্টননামা কার্যকরী হতে পারে। যদি শরিকগণের আপোষ মতে বন্টন করতে রাজী না হন তাহলে যে কোন শরিক বন্টনের জন্য আদালতে নালিশ করতে পারেন।


#অছিয়তনামা দলিলঃ

কোন ব্যক্তি তার সম্পত্তি কাউকে বা তার উত্তরাধিকারীদের মধ্যে অছিয়তকারী ব্যক্তির উত্তরাধিকারীদের মধ্যে সকলকে না দিয়ে যদি একজনকে বা কোন তৃতীয় ব্যক্তিকে প্রদান করে থাকেন এবং অছিয়তকারীর মৃত্যুর পর যদি তাহার উত্তরাধিকারীগণ দাবী উত্থাপন করেন তাহলে যাকে সম্পত্তি অছিয়ত করা হলো সেই ব্যক্তি উক্ত সম্পত্তির এক তৃতীয়াংশ পাবে এবং অবশিষ্ট দুই তৃতীয়াংশের মালিক উত্তরাধিকারী দের মধ্যে সকলেই হবেন।


#উইল দলিলঃ

হিন্দু সম্প্রদায়ের লোক তাদের নিজস্ব সম্পত্তি তাদের আত্মীয়দের মধ্যে যাকে ইচ্ছা উইল করে দিতে পারেন। যিনি উইল করলেন তিনি জীবত কালে একের অধিক উইল করতে পারেন। কিন্তু সর্বশেষ যে উইল করলেন কেবল ঐটাই কার্যকরী হবে।


#নাদাবী দলিলঃ

কোন ব্যক্তি সুনির্দিষ্ট কোন সম্পত্তিতে তার স্বত্ত্বাধিকার নাই মর্মে অথবা স্বত্ত্বাধিকার ত্যাগ করছেন মর্মে দলিল সম্পাদন ও রেজিষ্ট্রি করে দিতে পারেন। এরূপ দলিলকে নাদাবী দলিল বলে ।

তথ্য সংগ্রহ

কপি

পেস্ট 

ফেইসবুকের শিরোনাম হীন গল্প,,,, মনিরুজ্জামান মনির,,,, থেকে কপি করা

পাশের বাসার আন্টি আমাদের রুমে এসে আমাকে বললো,


--মা, কিছু টাকা হবে তোমার কাছে?


আমি খানিক বিব্রত হয়ে বললাম,


--আন্টি আমার কাছে চাল কেনার টাকা আছে।অতিরিক্ত টাকা নেই।


--তোমাকে চাল আমি দিচ্ছি।তার বিনিময়ে তুমি চালের টাকাটা আমাকে দাও।

ভদ্রমহিলা উদ্বিগ্ন দৃষ্টি নিয়ে আমাকে কথাগুলো বলে রুম থেকে বেরিয়ে যায়।


মুন্নী, তমা,স্বর্ণা আমরা তিনজন এ-ই বাসাতে থেকেই পড়াশোনা করছি।তিনজনের বাসা ভার্সিটি থেকে অনেক দূর।তাই এখানে বাসা ভাড়া নিয়ে আমরা থাকছি।আমরা নিজেদের রান্না নিজেরাই করি।

এ-ই ভদ্রমহিলা আমাদের পাশের বাসাতেই থাকে।উনার ছয় মেয়ে।আমার জানামতে উনার বর খুব সামান্য বেতনের কাজ করে।


কিছুক্ষণপর ভদ্রমহিলা প্রায় তিন কেজি চাল এনে আমার হাতে দিয়ে বললেন, 


--মাগো, টাকাটা তাড়াতাড়ি দাও।আমার মেয়ে খুব অসুস্থ, ওকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে।


জানিনা তিন কেজি চালের দাম দিয়ে উনি কিভাবে মেয়েকে ডাক্তার দেখাবেন কিংবা ঔষধ কিনবেন।আমার কাছেও অতিরিক্ত টাকা ছিলোনা।


পরেরদিন ভদ্রমহিলার মেয়ের খোঁজ নেওয়ার জন্য উনার বাসায় যাই।গিয়ে দেখি মেয়ে শুয়ে আছে আর ভদ্রমহিলা তার পাশে বসে আছেন।আমাকে দেখে খুব খুশি হয়ে বললেন,


--মাগো,তোমার উপকারের কথা কখনো ভুলবো না।ঐ টাকাটা না পেলে কি যে হতো!


আমি উনাকে বুঝালাম, টাকাটা আমি এমনি দেইনি।বিনিময়ে আপনি চাল দিয়েছেন, সুতরাং এতটা কৃতজ্ঞ হওয়ার কিচ্ছু নেই।


উনি আমাকে মেয়ের পাশে বসিয়ে হুট করে বেরিয়ে গেলেন।আমি বাচ্চাটার মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বললাম,


--কেমন আছো?


--ভালো আছি।

তারপর বাচ্চাটা শোয়া থেকে উঠে বসে বললো,


--জানেন আপু,গতকাল আপনাকে যে চাল দিয়ে মা টাকা এনেছে ওটা আমাদের ঘরের শেষ চাল ছিলো।মা রান্না করতে চাল পাতিলে নিয়েছিলেন।তারপর সেই চাল ই পলিথিনে ঢেলে আপনাকে দিয়ে আসে।

আমাদের ঘরে আজ নিয়ে দুইদিন ভাত রান্না হয়নি।আমি যে এ-ই কথা আপনাকে বলেছি,মাকে বলবেন না।কথাটা বলে বাচ্চাটা আবার শুয়ে পড়ে।


আমি আর ওর পাশে বসে থাকতে পারলাম না।খুব কষ্ট হচ্ছিলো।চোখ মুছতে মুছতে ঘর থেকে বের হয়ে আসলাম।


এ-ই ঘটনাটা প্রায় বিশ বছর আগের।বিশ বছর পর আজ কোনো একটা কাজে আমি সেই বাসার সামনে দিয়ে যাচ্ছিলাম।বাসার গেটের সামনে সেই ভদ্রমহিলাকে দেখে থেমে যাই।উনি এখনো এ-ই বাসাতে থাকেন, এটা দেখে অবাক হয়েছি।


আমি রাস্তার বিপরীতে দাঁড়িয়ে ভদ্রমহিলাকে দেখছি।কোনো পরিবর্তন নেই।সেই একইরকম মাথাভরতি কালো চুল,চেহারা।কাছে গিয়ে সালাম দিয়ে খোঁজখবর নিলাম।কথা বলার একপর্যায়ে উনি আমার মাথায় হাত রেখে বললো,


--সেই দিনের কথা আমার সারাজীবন মনে থাকবে, মা।তুমি হয়তো জানো না।

আমার বাচ্চারা জীবনে প্রথম ঐ সময়ে দুইদিন না খেয়ে ছিলো।আর সেটা আমাকে সহ্য করতে হয়েছে।

অথচ দেখো,আজ আমার কোনো কিছুর অভাব নেই।এ-ই যে বাসাটা, এটা এখন আমাদের নিজের।

আমার সেই মেয়েটা আজ একজন ডাক্তার।

জানো মা,

ধৈর্যশক্তি এমন এক জিনিস,যদি ধরতে পারা যায় তবে বেঁচে থাকতেই এ-র ফল দুনিয়াতে ভোগ করা যায়।


ভদ্রমহিলার হাসিখুশি জীবন দেখে ভীষণ আনন্দ নিয়ে বাসাটা অতিক্রম করি।


হাঁটতে হাঁটতে ভাবছি,জীবন বড় অদ্ভুত! কাকে,কখন, কোথায়, কিভাবে নিয়ে যায় তা কেউ বলতে পারে না।আর এর জন্য জীবনকে সুযোগ এবং সময় দুটোই দিতে হয়।সত্যি দিতে হয়।

সমাপ্ত

জীবন_কখনোই_থেমে_থাকেনা।

উম্মে_রোকসানা 

কপি
পেস্ট

ডিনামাইট আবিষ্কারের কাহিনী,,, পন্চানন মন্ডল ফেইসবুক থেকে থেকে নেওয়া

 আবিস্কার করলেন ডিনামাইট। ভাবলেন মানব সভ্যতা কয়েক কদম এগিয়ে যাবে।কিন্তু মানুষজন এটাকে ভালো কাজে না লাগিয়ে আরো ধংসাত্মক হয়ে উঠলো। তাঁর আবিস্কার মানব কল্যাণে না লেগে মারণাস্ত্র রূপে ব্যবহৃত হতে লাগলো। সে জন্য হয়তো  ডিনামাইট আবিষ্কার থেকে উপার্জিত অর্থ তার অনুশোচনার কারণ হয়েছিল।  তিনি বুঝতে পারছিলেন তাঁর মৃত্যুর পর পৃথিবীর মানুষ তাঁকে এক খারাপ মানুষ  হিসেবে মনে রাখবে। এই সংশয় দৃঢ় হয়েছিল কারণ তাঁর ভাইয়ের মৃত্যুর খবর ভুলবশত এক পত্রিকা তাঁর মৃত্যুর খবর হিসেবে ছেপেছিল।  শিরোনাম দিয়েছিল "মৃত্যু ব্যবসায়ীর মৃত্যু "! তখন থেকে ডিনামাইট আবিস্কারকে নিজের অপরাধ হিসেবে তিনি ভাবতে শুরু করেন। এই অপরাধবোধ থেকেই তাঁর উপার্জিত বিপুল পরিমাণ অর্থ মানবকল্যাণে কিভাবে ব্যবহার করা যায় তার উপায় খুঁজছিলেন। তাই তাঁর অর্থ সম্পদ মানবকল্যাণে কাজ করা ব্যক্তিদের পুরস্কার হিসেবে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন।

 তিনি বিজ্ঞানী অলফ্রেড নোবেল। তিনি ১৮৯৬ সালের ১০ ই ডিসেম্বর পৃথিবী থেকে চলে গেছেন কিন্তু তাঁর পদবী নোবেল পৃথিবীতে অক্ষয় হয়ে আছে।

তিনি নিজের স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তির ৯৪ শতাংশ পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, চিকিৎসাবিদ্যা,সাহিত্য, শান্তি এই পাঁচটি বিষয়ে বিশ্বব্যাপী  অসামান্য অবদান  রাখা সেরা কৃতিব্যক্তিদের পুরস্কার প্রদানের সিদ্ধান্ত নেন।তাঁর ইচ্ছাপত্রানুসারে  ১৯০১ সাল থেকে এ পর্যন্ত প্রতিবছর তাঁর প্রয়াণ দিবস ১০ ই ডিসেম্বর তাঁর নামে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে।

আজ আলফ্রেড নোবেলের জন্মদিবস।১৮৩৩ সালের ২১ অক্টোবর আজকের দিনে তাঁর জন্ম হয়। তাঁর জন্মদিনে  তাঁকে স্মরণ করি শ্রদ্ধা জানাই।

কপি

পেস্ট

বায়না দলিল সম্পর্কিত প্রশ্নের উত্তর,,,,, ফজলুলর রহমান রাফসান ফেইসবুক থেকে

 ✅ বায়না দলিল কি? ✅ বায়না দলিল কারা করে? 

✅ বায়না দলিল করার ফলে বিক্রেতার কী কী লাভ হতে পারে? 

✅ বায়না দলিল না করার ফলে বিক্রেতার কী কী ক্ষতি হতে পারে? 

✅ কখন বায়না দলিল রেজিষ্ট্রেশন করবেন ?


✅ বায়না দলিল কী?


আপনি একটা জায়গায় কিনতে চাচ্ছেন। জায়গায় মালিকের সাথে কথা বললেন। জায়গার মালিক একটা দাম নির্ধারণ করলো ১০ লক্ষ টাকা বা ১ কাণি ১৫ লক্ষ টাকা এই রকম। 

এখন জায়গাটা আপনার মন মতো হলো। দামটাও আপনার মনমতো হলো। কিন্তু আপনার কাছে ১০ লক্ষ বা ১৫ লক্ষ টাকা একবারে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। 

আপনি জায়গায় মালিকের সাথে কথা বললেন, টাকা তো সব গুলো একসাথে পরিশোধ করা সম্ভব হচ্ছে না, 

এখন অর্ধেক পরিশোধ করবো, বাকি অর্ধেক রেজিস্ট্রি করার সময় পরিশোধ করবো। আপনার প্রস্তাবটা জায়গার মালিক মেনে নিলেন। 

এখন, আপনি টাকা দেওয়ার সময় কোন ডকুমেন্ট ছাড়াই কি টাকা দিয়ে দিবে। নাকি স্টাম্প করে বা লিখিত কোন দলিলের মাধ্যমে টাকাটা দিবেন। 

আপনাকে অবশ্যই অবশ্যই লিখিত দলিলের মাধ্যমে টাকাটা দিবেন। লিখিত দলিলটাই হলো বায়না দলিল। 

আপনি এবং জায়গার মালিক দুইজনই উকিল বা ডেন্ডার এর কাছে গিয়ে একটা লিখিত ডকুমেন্টের মাধ্যমে উকিল বা ডেন্ডারকে সাক্ষী রেখে জমির কিনার অর্ধেক টাকা বুঝিয়ে দিবেন, সেইটা হচ্ছে বায়না দলিল।


🔹বায়না দলিল তারাই করে যারা সম্পত্তি (জমি) কিনার সময় একসাথে সমস্ত টাকা পরিশোধ করতে পারে না।

🔹 বায়না দলিল করার ফলে বিক্রেতার লাভ - 

১) ক্রেতা বা জমির মালিক  টাকা পাই নাই বলার কোন সুযোগ নেই 

২) জমির দাম পরিবর্তন করতে পারবে না। 

৩) জমির বিক্রি করবো না বলে অস্বীকার করতে পারবে না। 

৪) তৃতীয় পক্ষ ক্রেতাকে কুবুদ্ধি দিলেও কোন কাজ হবে না। 

🔹বায়না দলিল না করলে বিক্রেতার ক্ষতি - 

১) জমির মালিক বা ক্রেতা কিছু টাকা পেয়েও বলবে আমি টাকা পাইনি 

২) কিছু টাকা দেওয়ার পর ১ বা ২ মাস পর্যন্ত কোন টাকা দিতে পারেনি তখন মালিক বলতে পারে জমির দাম বাড়িয়ে দিতে হবে। 

৩) জমির বিক্রি করবো না। যদি কিনতে মন চাই তাহলে জমির দাম বাড়িয়ে দিতে হবে। 

৪) তৃতীয় পক্ষ জমির মালিককে কুবুদ্ধি দিতে পারে, বিক্রেতাকে কষ্টে ফেলানোর জন্য। 

৫) তৃতীয় পক্ষ বলবে  বিক্রেতার দামের চাইতে তিনগুন টাকাটা আমি বাড়িয়ে দিবো। তখন ক্রেতা নিজের মতামত পরিবর্তন করে বসে। পরিশেষে মাঝখানে বিক্রেতা কষ্টে পড়ে যাই। 

🔹কখন বায়না দলিল রেজিষ্ট্রেশন করবেনঃ -  

বায়নাপত্র দলিল সম্পাদনের ৩০ দিনের মধ্যে বায়না দলিল রেজিস্ট্রেশন করতে হবে এবং এটি বাধ্যতামূলক; 

রেজিস্ট্রেশন আইনের ১৭(ক) ধারা অনুসারে।

অর্থাৎ আপনাকে বায়নাপত্র দলিলটি দলিল লেখক বা আইনজীবীর মাধ্যমে সম্পাদন করার পরে ৩০ দিনের মধ্যে সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে রেজিস্ট্রেশন করে নিতে হবে।

🔹 বায়না দলিল রেজিস্ট্রেশনের দিন থেকে শুরু করে ৬ মাসের মধ্যে সাফ কবলা দলিল রেজিস্ট্রেশন করতে হবে; 

ধারা ৫৪(ক), সম্পত্তি হস্তান্তর আইন ১৮৮২।

🔹 বায়না দলিল অবশ্যই অবশ্যই রেজিস্ট্রেশন করবেন সাব - রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে। 

সামান্য খরচে আপনি বায়না দলিল রেজিস্ট্রি করতে পারবেন। 

অনেক সময় দেখা যাই টাকা বাঁচাতে গিয়ে বায়না দলিল করে কিন্তু রেজিস্ট্রেশন করে না। 

এই ভুল কোনদিনও করবেন না।

কপি
পেস্ট

জাহিদ সবুর মনের কথা,,,, কপি করা,,,

 দেখতে দেখতে প্রায় বছরখানেক হয়ে গেল সোশ্যাল মিডিয়া থেকে অনেকটাই উধাও হয়ে গেছি। মাঝে মধ্যে হয়তো ইনস্টাগ্রামে টুকটাক পোস্ট করার চেষ্টা করেছি কিন্তু বেশ অনেকদিন ধরেই সেটা করারও সময় করতে পারছিলাম না। জীবনের প্রায় বাকি সব কিছুই ভুলে গিয়ে, শুধুমাত্র একটা নির্দিষ্ট লক্ষ্যকে সামনে রেখে এক নাগাড়ে কাজে করে গেছি। আর সেই কারণেই আপনাদের জন্যেও কোন কিছু পোস্ট করতে পারিনি, পারিনি আপনাদের হাজারো মেসেজের উত্তর দিতে।


আজকে বহু মাস পরে ফেইসবুক, ইউটিউবে ফিরে আপনাদের মেসেজ, কমেন্টের ভিড়ে এত এত ভালবাসা দেখে মনটা যদিও ছুঁয়ে গেছে, কিন্তু একই সাথে নিজেকে প্রচণ্ড অপরাধী মনে হচ্ছে এই ভেবে যে গত প্রায় একটা বছর আপনাদের এত এত ভালবাসার আমি কোনই মূল্য দিতে পারিনি। I am truly sorry from the bottom of my heart! কিন্তু সেই সময়টা আমি যে লক্ষ্য অর্জনের পিছনে ছুটেছি, সেটা যতটা ছিল আমার নিজের জন্যে, ঠিক ততটাই ছিল আমার মতো লাখো বাংলাদেশি ছাত্র ছাত্রীকে স্বপ্ন দেখানোর জন্যে, অসম্ভব কে সম্ভব করার অনুপ্রেরণা যোগানোর জন্যে।


আপনারা অনেকেই হয়তো আমার - “পারবে না” শোনার দেশের, থেমে না যাবার গল্প - সেই ভিডিওটা দেখেছেন। ভিডিওটার ভিউ এখন ৮৩ লক্ষ পেরিয়েছে দেখলাম। আমাদের দেশের সমাজ ব্যবস্থার হাজারো প্রতিকূলতার কাছে হার না মেনে, জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে কতটা যুদ্ধ করে করে এগিয়ে যেতে হয়েছে, সেখানে তার অনেকটাই তুলে ধরেছিলাম। আমি যদিও মোটিভেশনাল স্পিকার নই কিন্তু সেই গল্পের কারণে অনুপ্রাণিত হয়ে অগণিত মানুষ আমাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন, আর প্রায় ১৫ লক্ষ মানুষ আমাকে ফেইসবুকে ফলো করেছেন। 


সেই অভিজ্ঞতা থেকেই আমি উপলব্ধি করি যে আসলে নিজে করে দেখানোর চেয়ে বড় মোটিভেশন হয়তো আর কিছুই হতে পারে না। একই সাথে আবার সেই অগণিত মানুষের ভালোবাসাই উল্টো আমাকেই মোটিভেশন যোগায় আরও এগিয়ে যেতে। সেই সব কিছুর বিনিময়েই হয়তো আজকে আপনাদের সাথে এমন একটা সুখবর শেয়ার করতে পারছি যেটার মূল্য বা মর্ম আমি নিজেও হয়তো এখনও পুরোপুরি বুঝে উঠতে পারিনি। আশাকরি সামনের দিনগুলোতে এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত আপনাদের সাথে শেয়ার করতে পারব। 


আপনারা অনেকেই হয়তো জানেন যে বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে আমিই সর্বপ্রথম সরাসরি গুগলে যোগ দিয়েছিলাম সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে, সেটা ছিল লেভেল ৩ পদে। তারপর একে একে ৫টা লেভেল পার করে ২০১৯ সালে আমি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে গুগলে প্রিন্সিপাল ইঞ্জিনিয়ার পদে পদোন্নতি পাই। যেটা লেভেল ৮ এবং একই সাথে পরিচালকের পদ। এখানে বলে রাখা প্রয়োজন যে গুগলে সর্বমোট কর্মীর সংখ্যা এখন দেড় লাখের উপড়ে। আর শুধুমাত্র ইঞ্জিনিয়ারের সংখ্যাই লক্ষাধিক। 


আমি সবসময় বলি যে জীবনে context অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একজন মানুষের অর্জনের সার্থকতা বা মর্ম বুঝতে হলে সে কি পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে কতটা প্রতিকূলতা পেরিয়ে সেটা অর্জন করেছে সেটা বোঝা খুবই জরুরি। যে বাংলাদেশে আজও বিশ্বের টপ ৫০০ র‍্যাঙ্কিং এর মধ্যে কোন বিশ্ববিদ্যালয় নেই বলে কত না আক্ষেপ, সেই বাংলাদেশেরই  বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে কেউ কখনো গুগলে প্রিন্সিপাল ইঞ্জিনিয়ারের মতো উচ্চপর্যায়ে যেতে পারবে এমনটা আশা করলেও যে মানুষ পাগল ভাবতো এমনটাই আমাদের সমাজের বাস্তবতা। 


স্বাভাবিক ভাবেই সেই সমাজে বেড়ে উঠে এমনটা অর্জনের স্বপ্ন দেখার অবকাশ পর্যন্ত ছিল না আমার। তারপরও বহু চড়াই-উতরাই পেরিয়ে যখন সেখানে পৌঁছেও যাই, তখনও কিন্তু স্বপ্নেও ভাবিনি যে এরও উপড়ে যাওয়া সম্ভব। কারণ এর উপড়ের পদের নাম Distinguished Engineer অর্থাৎ একদম আক্ষরিক অর্থেই এই পদের নাম "বিশিষ্ট ইঞ্জিনিয়ার"। যেটা লেভেল ৯ এবং একই সাথে গুগলের ঊর্ধ্বতন পরিচালকের পদ। 


গুগলের লক্ষাধিক ইঞ্জিনিয়ারদের মধ্যে বাংলাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে যোগ দিতে পেরেছে সেই সংখ্যাই যেখানে এখনও মাত্র কয়েকশো হবে, সেখানে তেমনই এক বাংলাদেশি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি সম্বল করে কেউ আবার পৃথিবীর অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান গুগলের "বিশিষ্ট ইঞ্জিনিয়ার" হবে - এ আবার কেমন গাঁজাখুরি স্বপ্ন? ... কিন্তু জীবনটাই এমন যে বাস্তবতা আসলেই কখনো কখনো স্বপ্নের চেয়েও অদ্ভুত হয়!


গুগলের লক্ষাধিক ইঞ্জিনিয়ারদের মধ্যে Distinguished Engineer, অর্থাৎ "বিশিষ্ট ইঞ্জিনিয়ার", রয়েছেন মাত্র শখানেক, আর এখন সেই দুর্লভ সন্মান আর স্বীকৃতির খাতায় যোগ হয়েছে একজন বাংলাদেশি। কখনো স্বপ্নেও ভাবিনি আমার আজকের এই পোস্টটা করার সৌভাগ্য হবে। বহু পরিশ্রম করতে হয়েছে, জয় করতে হয়েছে বহু বাধা আর প্রতিকূলতা। সৃষ্টিকর্তা, পরিবার, বন্ধুবান্ধব, শুভাকাঙ্ক্ষী - সবার প্রতি জানাই অসংখ্য কৃতজ্ঞতা আর ভালোবাসা।


পরিশেষে ছোট্ট একটা অনুরোধ রইল, দয়া করে কেউ যেন এই অর্জনকে না বুঝেই অন্য কোন কিছুর সাথে তুলনা করবেন না, বা আমার আরও কি অর্জন করতে হবে সেটা যেন বলবেন না। আমাদের সমাজে সন্তুষ্টি এবং পরিতৃপ্তির বড়ই অভাব। আমাদের চাওয়া পাওয়ার যেন কোন শেষ নেই। এমন বদভ্যাসগুলো ত্যাগ করতে হবে। যেখান থেকে জীবন শুরু করে আজ আমি যেখানে এসে পৌঁছেছি, আলহামদুলিল্লাহ, এরপরেও যদি এতটা অর্জন আমার এই এক জীবনের জন্যে যথেষ্ট না হয় তাহলে স্বয়ং সৃষ্টিকর্তাও নিশ্চয় নারাজ হবেন। 


আমি নাহয় বাংলাদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারদের সর্বোচ্চ অর্জনের ইতিহাসটা "গুগলের বিশিষ্ট ইঞ্জিনিয়ার" হওয়া পর্যন্ত এগিয়ে রেখে গেলাম। আশাকরি আমাদের আজকের প্রজন্মের লাখো কৃতি ছাত্র ছাত্রীদের কেউ একজন একদিন সেটাকে আরও সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে। অন্তত সেই স্বপ্নটা দেখায় তো আজ আর কারো কোন বাধা বা অনুপ্রেরণার অভাব থাকার কথা নয়, আর এটাই হয়তো আমার কাছে আমার এই অর্জনের সবচেয়ে বড় সার্থকতা।


ইতি,

জাহিদ সবুর, ডিস্টিংগুইশড ইঞ্জিনিয়ার, গুগল

পরে পড়ার জন্য  সেইভ করে রাখলাম,,,,
কপি
পেস্ট

সকাল সাতটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/০২ বুধবার

 সকাল ৭ টার সংবাদ। তারিখ: ০২-১১-২০২২ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


সম্ভাব্য সংকট মোকাবেলায় খাদ্য প্রস্তুত ও প্রক্রিয়াকরণে যুবদের সম্পৃক্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ। 


বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন (সংশোধন) বিল-২০২২ জাতীয় সংসদে পাশ।


বিএনপিকে নিয়েই  দেশবাসী বিপদে আছে  - মন্তব্য আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের।


বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক আরো জোরদারে সংবাদ মাধ্যমের ভূমিকার ওপর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর গুরুত্ব আরোপ।


দুর্নীতির মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং তার স্ত্রী ডাক্তার জুবায়দা রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি।


ইসরাইলের নির্বাচনে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জয়ের পথে রয়েছেন। 


এডিলেইডে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটেে আজ ভারতের মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ।

জমি নামজারী করার নিয়মাবলি,,,,, উকিলবাড়ি ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 জমি নামজারির জন্য আবেদন করতে কি কি কাগজপত্র লাগে এবং কত টাকা খরচ হয়?


নামজারির জন্য আবেদন করতে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্রঃ


১। ক্রয়সূত্রে মালিক হলে উক্ত দলিলের সার্টিফায়েড কপি।


২। ওয়ারিশ সূত্রে মালিকানা লাভ করলে অনধিক তিন মাসের মধ্যে ইস্যুকৃত ওয়ারিশ সনদ ।


৩। বায়া দলিলের ফটোকপি


৪। জমির সবগুলো খতিয়ানের ফটোকপি ।


৫। ১ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি ।


৬। জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা পাসপোর্ট অথবা ওয়ার্ড কাউন্সিলর কর্তৃক ইস্যুকৃত নাগরিকত্বের সনদ ।


৬। ভূমি উন্নয়ন কর বা খাজনা রসিদ ।


✅ কোথায় নামজারির জন্য আবেদন করতে হবে?


উপজেলা ভূমি অফিসে অথবা আমরা যাকে এসি ল্যান্ড অফিস নামে জানি সেখানে নামজারির জন্য আবেদন করতে হবে ।


✅ সর্বশেষ গেজেট অনুসারে জমি খারিজ করতে মোট 1150 টাকা লাগে। কোন ক্ষেত্রে কত টাকা লাগে তা land.gov.bd এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে উল্লেখ করা হয়েছে। তাছাড়া আপনারা যখন জমি খারিজ করে ফেলবেন তখন খারিজ কৃত কাগজের উপরে 20 টাকা দামের কোর্টফি লাগিয়ে দেওয়া হবে। অর্থাৎ অফিশিয়াল ভাবে আপনাদের মোট 1170 টাকা প্রদান করতে হবে। তাছাড়া অনলাইন খরচ এবং সামান্য কিছু খরচ হতে পারে।


১১৭০ টাকায় কেও কি নামজারি করছেন??

কপি
পেস্ট 

ক্যাপ্টেন ম্যাশ,,,, ফেইসবুক থেকে

'ক্যারিয়ারের শুরু থেকে অসংখ্য সাংবাদকর্মীরে সঙ্গে মিশেছি, তাদেরকে কাছ থেকে দেখেছি hi এমন অনেক সাংবাদিক আছেন, ক্রিকেট তাদের কাছে শুধু পেশাই নয়, আরও বেশি কিছু। অনেক সীমাবদ্ধতা, ক্যারিয়ার নিয়ে অনেক অনিশ্চয়তা মধ্যেও অনেকেই অনেক কষ্ট করে কাজ করে যান ক্রিকেট খেলাকে ভালোবেসে, দেশের ক্রিকেটকে ভালোবেসে। তাদের প্রতি আমার সম্মান ও শ্রদ্ধা সবসময়ই ছিল, আছে ও থাকবে।


আমাকে নিয়ে প্রকাশিত খবরটির জন্য এখানে দুঃখপ্রকাশ করা হয়েছে, অবশ্যই তাদেরকে সাধুবাদ জানাই। তবে সব মিডিয়ারই বোঝা উচিত, আমাদের পরিবার আছে, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব আছে, সামাজিক মর্যাদা ও আত্মমর্যাদা আছে। স্পর্শকাতর কোনো খবর প্রকাশের আগে তাই যতটা সম্ভব নিশ্চিত হওয়া উচিত। 


আর আমার বিরোধী মতের যে ভাইরা মনে করছেন, এসব উড়ো খবরকে পুঁজি করে আমার সম্মানহানি করবেন, তাদেরকে বলব, আপনারা কেবল সময় নষ্টই করছেন। রাজনীতির এই বিশাল জগতে মাশরাফি তুচ্ছ ও নগন্য একজন। আমার দল এত ঐতিহ্যবাহী এবং এতটা বড়, সেখানে আমি খুবই ক্ষুদ্র ও সামান্য একজন। আমার মতো একজনের পিছু লেগে থেকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখা মানে আকাশ-কুসুম কল্পনা। আমি আমার পথেই থাকব। আপনারা নিজেদের পথটা খুঁজতে থাকুন!'


-মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা

কপি

পেস্ট 

দুটি কথা বলি,,, প্রতিদিনের চাকরির খবর ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 * দুটি টি কথা বলি :

 ১. Yahoo কোম্পানি Google কে প্রত্যাখ্যান করেছিল

 ২. Nokia কোম্পানি Android কে প্রত্যাখ্যান করেছিল


 কি শিখলাম:

২টি কোম্পানি আজ মার্কেটে খুব খারাপ অবস্থায় আছে

 √  সময়ের সাথে নিজেকে আপডেট করুন, অন্যথায় আপনি টিকতে পারবেন না। 

 √ কোন ঝুঁকি না নেওয়া সবচেয়ে বড় ঝুঁকি।  ঝুঁকি নিন এবং নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ করুন। 


 #আরো ২ টি ঘটনা:

 ১. Google  কোম্পানি YouTube  এবং Android কিনে নিয়েছে। 

 ২. Facebook কোম্পানি Instagram এবং  WhatsApp কিনে নিয়েছে। 


      কি শিখলাম:

 √এত শক্তিশালী হয়ে যান যে আপনার শত্রুরা আপনার মিত্র হয়ে যায়। 

 √দ্রুত বড় হয়ে উঠুন। প্রতিযোগিতা আপনাথেকেই নির্মুল হয়ে যাবে। 


 #আরো ২ টি ঘটনা:

 ১. বারাক ওবামা একজন আইসক্রিম বিক্রেতা ছিলেন। 

 ২. এলন মাস্ক ছিলেন একটি কাঠের কারখানার শ্রমিক। 


     কি শিখলাম:

 √মানুষের অতীত কাজের ভিত্তিতে বিচার করবেন না। 

 √ আপনার বর্তমান আপনার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে না, আপনার সাহস এবং কঠোর পরিশ্রম তা নির্ধারণ  করে। 


 #আরো ২ টি ঘটনা:

 ১. কর্নেল স্যান্ডার্স ৬৫ বছর বয়সে KFC তৈরি করেছিলেন। 

 ২. KFC কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত জ্যাক মা আলিবাবা প্রতিষ্ঠা করেন। 


     কি শিখলাম:

 √বয়স শুধুমাত্র একটি সংখ্যা - আপনি যে কোন বয়সে সফল হতে পারেন। 

 √জীবনে কখনো হাল ছাড়বেন না - কেবল মাত্র তারাই জয়ী হবেন যারা কখনো হাল ছাড়েননি। 


 #২ টি শেষ ঘটনা:

 ১. ফেরারির মালিক একজন ট্রাক্টর প্রস্তুতকারককে অপমান করেছিলেন। 

 ২. সেই ট্র্যাক্টর নির্মাতা ল্যাম্বোরগিনি তৈরি করেছেন। 


     কি শিখলাম:

 √কখনই কাউকে অবমূল্যায়ন করবেন না বা অসম্মান করবেন না। 

 √সাফল্য হল সেরা প্রতিশোধ। 


  ∆ আপনি যে কোন বয়সে এবং যেকোনো পটভূমি থেকে সফল হতে পারেন।  


  ∆ বড় স্বপ্ন দেখুন, লক্ষ্য স্থির করুন,কঠোর পরিশ্রম করুন। 


 *কখনোই হাল ছাড়বেন না, জীবনে আশা হারাবেন না।* জয় নিশ্চিত। ইনশাআল্লাহ 

©️

কপি
পেস্ট

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...