এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ৪ নভেম্বর, ২০২২

দারুলউলুম দেওবন্দ সম্পর্কে

💕দারুল উলূম দেওবন্দের বিস্ময়কর ব্যবস্থাপনা :

(১) ভর্তি ফ্রি।

(২) কিতাব ফ্রি।

(৩) খাওয়া ফ্রি।

(৪) পরীক্ষা ফ্রি।

(৫) থাকার সিটের সাথে আলমারির সুব্যবস্থা।

(৬) একদিনের যে কোনো ঔষধ এক রুপি।

(৭) প্রতি মাসে দুইশ রুপি ভাতা।

(৮) প্রতি সাপ্তাহে স্পেশাল বিরিয়ানি জন প্রতি এক কেজি।

(৯) শীত মৌসুমে গরম পানির সুব্যবস্থা।

(১০) শীত মৌসুমে কম্বল-লেপ ফ্রি।

(১১) ছাত্রদের জন্য রয়েছে দারুল উলূম কর্ত্তৃক স্টুডেন্ট কার্ড, যা সর্বত্র প্রয়োজনীয় ও গ্রহণযোগ্য। এবং সফর-আসফারে বড় কা‌জের জি‌নিস।

(১২) অজু-গোসল ও শৌচাগারের সুব্যবস্থা।

(১৩) বৈদ্যুতিক ব্যবহার ফ্রি।

(১৪) সনদপত্র ফ্রি।

(১৫) রমযানে আরো উন্নত খাবার ও ডাবল ভাতা।

(১৬) প্রতিটি ছাত্রকে বার্ষিক পুরস্কার।

(১৭) মাঝেমধ্যে বিভিন্ন কিতাবাদি হাদিয়া।

(১৮)ছাত্ররা লিখনী শক্তি অর্জনের জন্য রয়েছে দেয়ালিকার সুব্যবস্থা।

(১৯) কথিত আছে যে,حسن الكتابة نصف العلم তাই ছাত্রদেরকে সুন্দর হাতের লিখা শিখানোর জন্য রয়েছে কিতাবত বিভাগের সুব্যবস্থা।

(২০) ছাত্ররা যেন লেখাপড়ার সাথে সাথে কর্মে অভ্যস্ত হয়ে উঠে, এর জন্য রয়েছে কারিগরি শিক্ষার সুব্যবস্থা।

(২১) ছাত্ররা যেন সুশৃঙ্খলভাবে খানা ওঠাতে পারে, এর জন্য রয়েছে পিতলে নাম্বার অঙ্কিত সকাল-সন্ধার টিকেট।

(২২) ছাত্ররা যেন সুন্দরভাবে পরীক্ষা দিতে পারে, এর জন্য রয়েছে প্রত্যেক ছাত্রের জন্য আলাদা আলাদা ডেক্স। চিত্তাকর্ষক বিশাল দারুল ইমতেহান, যাতে এক সাথে প্রায় পাঁচ হাজার ছাত্র পরীক্ষা দিতে পারে।

(২৩) ছাত্ররা মাসিক ভাতা ওঠানোর জন্য রয়েছে প্রতি মাসের নামসহ অযিফা কার্ড।

(২৪) ছাত্রদের যেন কোন ধরনের অসুবিধা না হয়,এ জন্য ছাত্রদের খেদমতের জন্য রয়েছে বিভিন্ন খেদমত বিভাগ। যেমন : পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ ইত্যাদি।

(২৫) ছাত্র ও দারুল উলূমের রক্ষণাবক্ষেণের জন্য রয়েছেন প্রতিটি গেইটে দারোয়ান।

(২৬) ছাত্রদের ব‌ক্তৃতাশক্তি অর্জনের নিমিত্তে প্রতি সপ্তাহে বিভিন্ন বিষয়ের উপর সেমিনারের আয়োজন।

(২৭) ছাত্ররা বিরোধীদের সাথে কিভাবে মুনাযারা করবে, তা শিক্ষাদানের জন্য মাঝেমধ্যে বিশাল মুনাযারার আয়োজন।

(২৮) ছাত্ররা ইলম অর্জনের সাথে সাথে আমলে পাবন্দী হওয়ার জন্য সপ্তাহের প্রায় প্রতিদিনই আছরের পর কোন না কোন উস্তাদের ইসলাহী মজলিসের আয়োজন।

(২৯) ছাত্রদের চাহিদা অনুযায়ী কিতাব পড়ার জন্য সর্ববিষয়ের উপর দারুল উলূম লাইব্রেরী সুশৃঙ্খল ব্যবস্থাপনা।

(৩০) ভর্তীচ্ছুক পরীক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে থাকার সুব্যবস্থা।

(৩১) আধুনিক যুগের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কোর্স।    

(৩২) দা'ওয়াত ইলাল্লাহ বা সাধারণ মানুষের মাঝে ইসলামের সহীহ আকিদা বিশ্বাস ও আমল পৌঁছে দেওয়ার নিমিত্তে দা'ওয়াত ও তাবলীগের সাপ্তাহিক ও বাৎসরিক বিভিন্ন কার্যক্রম।                         

(৩৩) এমন কি বহির্বিশ্বে দাওয়াতের কাজকে ব্যাপক করার জন্য বিশেষ কোর্সের মাধ্যমে ইংরেজি শিক্ষার সুব্যবস্থা।


মোটকথা : কেউ যদি দারুল উলূমের হয়ে যায়, দারুল উলূম তাঁর হয়ে যায়।


অর্থাৎ তাঁর লেখাপড়ার পাশাপাশি ধর্মীয় অঙ্গনে ক্যারিয়ার গড়ার সংক্রান্ত সমস্ত প্রয়োজনাদি পূরণের জন্য দারুল উলূম কর্তৃপক্ষ সবসময় তাঁর খেদমতে নিয়োজিত। মহান আল্লাহ পাক এই ঐতিহ্যবাহী প্রাচীনতম বিশ্বমানের এ সর্ববৃহৎ দ্বীনি প্রতিষ্ঠানটিকে কেয়ামত অবধি কায়েম দায়েম রাখুন। আমীন।💕

কপি
পেস্ট 

হাসির গল্প,,,, তাবলীগ জামাত ফেইসবুক পেইজ

 👷‍♂️এক রাজা একদিন দেখতে চাইলেন

 তার রাজ্যবাসীদের ঘরে কার হুকুম চলে?

🤵 স্বামীর... নাকি 

 স্ত্রীর।👩

 তিনি রাজ্যে ঘোষণা করলেন... 

 যার ঘরে বউ এর কথা মানা হয় সে রাজপ্রাসাদে এসে একটা করে আপেল নিয়ে যাবে।

 আর যার ঘরে স্বামীর কথা চলে সে পাবে একটা ঘোড়া।

 পরের দিন সমস্ত রাজ্য বাসী হাজির, 

 সবাই একটা করে আপেল নিয়ে ঘরে চলে যেতে লাগলো...

 রাজা ভাবলেন সন্ধ্যে হয়ে গেল এখনো কি এমন একজন কেও পাওয়া যাবে না যার ঘরে স্বামীর কথা চলে!

 এমন সময় একজন এলো লম্বা চওড়া স্বাস্থ্য, ইয়া বড় গোঁফ। সে এসে বললো, 

 "আমার ঘরে আমারই কথা চলে।"

 রাজা বেজায় খুশি হলেন তিনি বললেন, 

 "যাও, আমার ঘোড়াশাল থেকে সব থেকে ভালো ওই কালো ঘোড়াটা তোমায় দিলাম।"

 লোকটা ঘোড়া নিয়ে চলে গেলো। 

 রাজা খুশি মনে বললেন 

 "যাক অন্ততপক্ষে একজন তো পাওয়া গেলো"।

 কিন্তু কিছুক্ষণ পর দেখা গেল সেই লোকটা ঘোড়া নিয়ে ফিরে এলো এবং বললো, 

 "রাজা মশাই আমাকে ঘোড়াটা পাল্টে দিন, 

 আমার বউ বললো যে কালো রং অ শুভ, 🙂

 সাদা শান্তির প্রতীক, তাই সাদা ঘোড়া দিন।"

 রাজা রেগে গেলেন...

 "তুই ঘোড়া রেখে একটা আপেল নিয়ে এখুনি আমার সামনে থেকে বিদায় হও।"🙂

 রাতের বেলা মন্ত্রী এলো, বললো"রাজা মশাই, সবাই তো আপেলই নিলো! আপেলের বদলে আপনি যদি অন্তত পাঁচ কেজি করে চাল দিতেন তো আপনার প্রজাদের কিছু সাশ্রয় হত।"

 রাজা বললেন, "আমি ও সেটাই ভেবেছিলাম কিন্তু বড় রানী বললো আপেলই ভালো হবে।"

 মন্ত্রী শুধালো, "রাজা মশাই আপনাকেও কি একটা আপেল কেটে দেবো?"🙂

 রাজা লজ্জিত হয়ে বললেন, 

 "সে কথা থাক, আগে বলো তুমি রাজসভায় এই মতামত না দিয়ে এখন কেন দিতে এসেছো এই রাতের বেলায়??"

 মন্ত্রীর লাজুক উত্তর, 

 "আগামীকাল সকালেই বলতাম কিন্তু আমার 👩 বউ বললো এখনই যাও আর রাজামশাইকে বুদ্ধিটা এখনই দিয়ে এসো যাতে করে পরের বারে চাল দেওয়ার ঘোষণা দেন উনি।"🙂

 রাজা স্বস্তির হাসি হেসে বললেন, 

 "আপেলটা তুমি নিয়ে যাবে? 

  নাকি ঘরে পাঠিয়ে দেবো?"😁🤔😁


        ✍️ ফরিদুল ইসলাম ফরিদ

কপি
পেস্ট

উল্কা এক্সপ্রেস ঢাকা চট্টগ্রাম,,,,,, বাংলাদেশ রেলওয়ে ফেইসবুক থেকে কপি করা

 উল্কা-এক্সপ্রেস" -  ঢাকা-চট্টগ্রাম 


তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সবচেয়ে অত্যাধুনিক ও দ্রুতগতির ট্রেন ছিল উল্কা। ভারত উপ-মহাদেশের এক জরিপে দ্রুতগতির ১০ টি ট্রেনের তালিকায় স্থান করে নেয় উল্কা এক্সপ্রেস। স্বাধীনতার পর পূর্ব পাকিস্তান রেলওয়ে নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ রেলওয়ে রাখা হয় । 


তৎকালীন PER তথা পাকিস্তান পূর্ব রেলওয়ের  অধীনে ১৯৬৬ সালের ১ জানুয়ারি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের  মূল শহর চট্টগ্রাম -ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে  চালু হয় উল্কা এক্সপ্রেস ট্রেন। উল্কার মুল দুটো রেকই সাজানো হয় ক্রিমসন পেইন্টেড কোচ তথা প্রচলিত লাল রংয়ের কোচের রেক দ্বারা।  ক্রিমসন পেইন্টটি ছিলো আভিজাত্যের প্রতীক। 

 


শুরুতে ট্রেনটি চট্টগ্রাম ছাড়তো থেকে সকাল ৭ টায় এবং ঢাকা পৌঁছাতো ১৩.২৫ এ। ঢাকা ছাড়তো সকাল ০৮.২০ ঘন্টায়, চট্টগ্রাম পৌছাতো ১৪.৫০ ঘটিকায় ।। তখনকার সময়ে এই রুটের সবচেয়ে দ্রুতগামী  ট্রেন ছিল উল্কা এক্সপ্রেস । তবে ননস্টপ ট্রেন ছিল না এটি। একপথে তথা আপে সময় লাগতো ০৬.২৫ ঘন্টা এবং অপর পথে সময় লাগতো ০৬.৩০ ঘন্টা।  তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সবচেয়ে অত্যাধুনিক ও দ্রুতগতির ট্রেন ছিল উল্কা। ভারত উপ-মহাদেশের এক জরিপে দ্রুতগতির ১০ টি ট্রেনের তালিকায় স্থান করে নেয় উল্কা এক্সপ্রেস।শুরুর দিকে ট্রেনটি নারায়নগঞ্জ পর্যন্ত যেতো সম্ভবত।  আখাউড়া-সিলেট কানেক্টিং এর ব্যবস্থা ছিল যতোদূর জানা যায়। 


প্রথম পরিষেবাঃ ১ জানুয়ারি ১৯৬৬; ৫৬ বছর আগে; শেষ পরিষেবাঃ ১৯৮৬; ৩৬ বছর আগে। 


★ ব্যবহৃত লাইনঃ 

১)নারায়ণগঞ্জ - বাহাদুরাবাদ ঘাট, 

২)টঙ্গী-ভৈরব-আখাউড়া, 

৩)আখাউড়া-লাকসাম-চট্টগ্রাম। 


পরিচালকঃ পাকিস্তান ইস্টার্ন রেলওয়ে (১৯৬৬-১৯৭১), বাংলাদেশ রেলওয়ে (১৯৭১-১৯৮৬)। 


যাত্রাপথঃ শুরু 

➤চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন,

শেষ 

➤ফুলবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন (১৯৬৬-১৯৬৮), /কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন (১৯৬৮-১৯৮৬)। 


যাত্রা বিরতিঃ চট্টগ্রাম-লাকসাম-আখাউড়া-ভৈরব-টঙ্গী-ফুলবাড়িয়া/কমলাপুর।

মোট ৬টি স্টেশন। 


⭕ ভ্রমণ দূরত্বঃ ৩৪৬ কিলোমিটার (২১৫ মাইল) (চট্টগ্রাম-কমলাপুর)। 


⭕ যাত্রার গড় সময়ঃ ৬ ঘণ্টা ২৭ মিনিট ৩০ সেকেন্ড। 


⭕ রোলিং স্টকঃ এই ট্রেনে ২০০০ অথবা ২২০০ শ্রেণীর লোকোমোটিভ ব্যবহার করা হতো। ট্রেনটি লাল মেইল ভ্যাকুয়াম ব্রেকের কোচের দুই রেকে চলাচল করতো। 


১৯৮৬ সালে ঢাকা-চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে আন্তঃনগর মহানগর এক্সপ্রেসের উদ্বোধনের দিন থেকেই রেলের  আভিজাত্যের প্রতীক এই  উল্কা এক্সপ্রেস  বন্ধ হয়ে যায়। 


দুর্ঘটনাঃ ০১/০৮/১৯৭১ অথবা ২৮/০৮/১৯৭১: চট্টগ্রাম জেলার মীরসরাই ও মাস্তাননগর রেলওয়ে স্টেশনের মধ্যে অবস্থিত মহামায়া রেলসেতুতে মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে গেরিলা অভিযান চালানো হয়। উল্কা এক্সপ্রেস ট্রেন সেই ব্রীজ অতিক্রমকালীন সময়ে গেরিলা বাহিনী কর্তৃক বোমা বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ট্রেনের লোকোমোটিভ এবং চারটি কোচ খাদে পড়ে যায়। এই অভিযানে প্রায় ১০ জনের মতো পাকিস্তানি সেনা নিহত ও ৫ জন সেনা আহত হন। অনেক বাঙালীও এই বিস্ফোরণে নিহত হন।


ছবিঃ World Most Top Train 1900 ও ফেসবুক থেকে নেওয়া।

কপি
পেস্ট

ড্রাগনফ্লাই science news ফেইসবুক থেকে

 Dragonfly : বাংলায় গঙ্গাফড়িং। এদেরই মতো দেখতে আরেক প্রজাতির ফড়িং এশিয়ার বিভিন্ন নদনদী ও ছড়ার কাছাকাছি সমতলভাগে দেখা যায় যাদের ইংরেজিতে বলা হয় 'ডেমসেলফ্লাই' (Damselfly)।বাংলায় এই পতঙ্গগুলোকে কি বলা হয় তা জানা নেই। তবে গঙ্গাফড়িং আর এই ডেমসেলফ্লাইগুলো শিকার ধরতে পটু, বিশেষ করে এরা মশাদের কাছে জমরাজার মতো ভয়ংকর হয়ে থাকে আর মশাদের তাড়িয়ে তাড়িয়ে ধরে খেয়ে ফেলে। চারটি করে ডানাযুক্ত আর শক্ত চোয়ালের অধিকারী এরা। 


ড্রাগনফ্লাই আর ডেমসেলফ্লাইদের কিভাবে আলাদা করে চেনা যায়? 


গঙ্গাফড়িংগুলোর শরীরের চারটি ডানা খোলা থাকে সবসময়, কিন্তু ডেমসেলফ্লাইগুলোর চারটি ডানা শরীরের সাথে লেগে থাকে যখন এরা কোনো পাতায় কিংবা গাছের ডালে বসে বিশ্রাম করে। তাছাড়া আরো একটি ক্ষেত্রে এদের আলাদা করা যায়। গঙ্গাফড়িংয়ের চোখ দুটো কাছাকাছি থাকে আর তাদের মধ্যে খুবই কম গ্যাপ থাকে। তবে ডেমসেলফ্লাইয়ের চক্ষুদ্বয়ের মধ্যে দূরত্ব বেশী থাকে গঙ্গাফড়িংয়ের তুলনায়। 


ড্রাগনফ্লাই আর ডেমসেলফ্লাইদের মধ্যে এসব পার্থক্য বাদ দিলে এদের জীবনকালের অধিক সময়ই জলের সাথে আবদ্ধ। এরা উভয়েই নদী বা ছড়ার জলে বা জলের কাছাকাছি ডিম পাড়ে। তাদের লার্ভাগুলো জলেই বড় হয়। আমরা যেসব পূর্ণবয়স্ক ডেমসেলফ্লাইগুলো দেখতে পাই সেটিই তাদের জীবৎকালের সর্বশেষ সময়পর্যায়। 


নীচের ছবিতে একটি ডেমসেলফ্লাই দেখা যাচ্ছে। এই প্রজাতিটির বৈজ্ঞানিক নাম : Atrocalopteryx Atrata.

কপি
পেস্ট

রাত সাড়ে আটটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/০

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ ।  

(০৩-১১-২০২২) 

আজকের শিরোনাম-


* আজ জেল হত্যা দিবস - বিনম্র শ্রদ্ধায় জাতি স্মরণ করলো জাতীয় চার নেতাকে। 


* জেল হত্যা দিবসে বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন। 


* বিএনপি বেশি বাড়াবাড়ি করলে আবারো জেলে পাঠানো হবে খালেদা জিয়াকে - জেল হত্যা দিবসের আলোচনায় বললেন শেখ হাসিনা। 


* হত্যা ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের মূল হোতা বিএনপি - মন্তব্য ওবায়দুল কাদেরের। 


* সাংঘর্ষিক রাজনীতি বিদায় দিতে বিএনপির অপরাজনীতি বন্ধ হওয়া প্রয়োজন - বললেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী। 


* ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে চলতি বছরে দেশে ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ নয় জনের মৃত্যু। 


* পাকিস্তানে লংমার্চ চলাকালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান গুলিবিদ্ধ। 


* এবং আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ৩৩ রানে হারালো পাকিস্তান।

বৃহস্পতিবার, ৩ নভেম্বর, ২০২২

শিক্ষামূলক পোস্ট,,,আমরান হোসেন হোসেন ফেইসবুক থেকে

 মানুষ যদি কখনও অটোপসি(পোস্টমর্টেম) কিভাবে করা হয় তা দেখতো তাহলে কখনই হয়তো সুইসাইডের কথা চিন্তাও করতো না।

আজকে  অ অটোপসি দেখার সুযোগ হয়।অনেক এক্সাইমেন্ট নিয়ে দেখতে গিয়েছিলাম।

তিনটা লাশ (কেস) ছিলো তখন।

একজন ২৩ বছর বয়সি মেয়ের ফাসি দিয়ে আত্মহত্যার কেস।

আরেকজন ৩০ বছর বয়সি মহিলার বিষ খেয়ে আত্মহত্যার কেস।

এবং আরেকজন ৩০-৩২ বছর বয়সি পুরুষকে দা দিয়ে কুপিয়ে মার্ডার কেস।

প্রথমেই ডোম মামা গায়ের সব জামা কাপর কেটে খুলে ফেলে ২৩ বছর বয়সি মেয়েটার।আহা...আজ সেই পর্দা,লজ্জা,সম্ভ্রম সবই যেন অসহায়। তারপরেই গলা থেকে নাভির নিচ পর্যন্ত একটানে দুইভাগ করে দেয়।হয়তো আমরা কুরবানির সময়ও গরুকে অনেক কেয়ার করে কাটি।বাট এখানে দুইপাশে টেনে চামড়া ছিলে ফেল্লো।পাজরের কার্টিলেজ টা নাইফের একটানে কেটে ভেতরের সব অর্গান দেখা হলো।পেটে বাচ্চা ছিলো কিনা চেক করলো।

মাথার পেছনে একটা ইনসিশন দিয়ে নারিকেলের ছোবড়া ছোলার মত টেনে মাথার চামড়া টা কপাল পর্যন্ত ছোলে খুলিটা কুপিয়ে ভাঙ্গছিলো।কেমন যেনো গরুর হাড্ডি কুপানোর কথা মনে পরে যাচ্ছিলো🙂

এমন ভাবেই পয়সনিং এর মহিলাটারও এভাবেই কেটে স্টমাক,লিভার,কিডনি,ব্রেন বের করে ফেরিনসিক এর জন্য পাঠিয়ে দিলো।

মার্ডার কেসটা তো চোখের দেখাতেই মার্ডার কেস।তাও কাটাকাটি করতেই হলো।

সব শেষে আবার বস্তা সেলাইয়ের এর মত নিচ থেকে উপরে সেলাই করে লাশ খালাস।

বাথরুমে নাকি আরেকটা নতুন লাশ আসছে।সেটাকে আনতে চলে গেলো মামারা।

কোথায় গেলো এত সম্ভ্রম এত দাম্ভিকতা? 

বার বার একটা কথাই মনে হচ্ছিলো...মরে গেলে শরীরটার যেন আর একপয়সার ও দাম নেই।

বেচে থাকতে হয়তো ওই দুইটা মহিলার দিকে কেউ তাকানোর সাহস ও পেত না।বাট এখন মরার পরে নিথর দেহ পরে আছে।বিবস্র অবস্থায় লাশ ঘরে ধারালো ছুড়ি  আর কড়াতের ধারে মাথার খুলি আলাধা হওয়ার অপেক্ষায়।

আত্মহত্যার পরে তার শরীরটার সাথে কি করা হয় যদি কেউ কখনও দেখতো তাহলে হয়তো দেশে আত্মহত্যার পরিমান অনেকটা কমে যেতো।

অবশ্য মানুষের বডির মূল্য আর কত?!

মারা গেলে পশুরাও খায় না।

#এখন মনে হচ্ছে, এই দুনিয়ায় আমরা শুধু ব্যাটারি লাগানো একটা শরীর।

আত্মা ছাড়া শরীরের কোনো দাম নাই।আর বাপদাদার টাকা না থাকলে ডেডবডিটার ও কোনো সম্মান নাই।

 

পোস্টঃ শাহদাত হোসেন রাজু


কপি
পোস্ট 

Trial relationship

I am in a trial relationship with a boy. A trial relationship is a relationship without any commitment. At the beginning of our relationship, I told her that, "I will marry where my parents will marry. I will try to convince my family for you, but if the family does not agree, I will not be able to do anything." This is how we got married in the first year of university. 4 years passed like this. Our final exam is ahead. He took care of me so many years. He cared a lot about me. At different times, he gave many gifts even if he did not want them. In fact, even in a trial relationship, I did not understand when I became weak towards him. " 1 recently there was a rag day in our university. Then he smeared paint on one of his girlfriend's breasts which I feel bad about. Even though the girlfriend is married again, she has a husband but she hangs out with a lot of guys like that. Feeling bad, when I asked the reason why, he told me, "Why are you angry? We have no commitment. You will get married where your parents get married. So it's up to me and her where I paint my girlfriend. If he does not complain, why are you complaining? You have no right to say anything about it. "Actually, I am completely stunned after hearing these words. What should I do now? Those who are in a trial relationship means marry if family accepts and don't marry if they don't, how do they handle it or are your boyfriends loyal? (On Bihaf) 

আমি একটা ছেলের সাথে ট্রায়াল রিলেশনে আছি । ট্রায়াল রিলেশন বলতে কোন কমিটমেন্ট ছাড়া রিলেশন । আমাদের রিলেশনের শুরুতে আমি তাকে বলেছিলাম যে , " আমার বাবা মা যেখানে বিয়ে দিবে সেখানে আমি বিয়ে করব । আমি তোমার জন্য আমার ফ্যামিলিকে কনভিন্স করার চেষ্টা করব কিন্তু ফ্যামিলি না মানলে আমার কিছু করার থাকবে না । " এভাবে আমরা সম্পর্কে জড়াই ইউনিভার্সিটি ফার্স্ট ইয়ারে থাকতে । এভাবে ৪ বছর চলে যায় । আমাদের ফাইনাল পরীক্ষা সামনে । সে এত বছর অনেক কেয়ার নিত আমাকে । অনেক খেয়াল রাখত আমার উপর । বিভিন্ন সময়ে না চাইলেও অনেক গিফট দিত । আসলে ট্রায়াল রিলেশনে থাকলেও আমি কখন যে তার প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ি আমি বুঝতে পারি নাই । " 1 গত কিছুদিন আগে আমাদের ইউনিভার্সিটিতে র‍্যাগ ডে হয়ে যায় । তখন সে তার এক বান্ধবীর বুকের কাছে হাত দিয়ে রং মাখিয়ে দেয় যেটা আমার কাছে খারাপ লাগে । যদিও ওই বান্ধবী আবার বিবাহিত , তার স্বামী আছে কিন্তু সে এরকম অনেক ছেলেদের সাথেই মিশে । আমার কাছে খুব খারাপ লাগায় আমি বয়ফ্রেন্ড কে কারণ জিজ্ঞেস করলে , সে আমাকে বলে , " তুমি কেন রাগ করছ ? আমাদের মাঝে তো কমিটমেন্ট নাই । তোমার বাবা মা যেখানে বিয়ে দিবে তুমি সেখানে বিয়ে করবে । তাহলে আমি কোন বান্ধবীর যেখানে হাত দিয়েই রং মাখাই সেটা আমার আর তার ব্যাপার । সে কোন অভিযোগ না করলে , তুমি অভিযোগ কেন করছ ? তোমার তো এটা নিয়ে কোন কথা বলার অধিকার নাই । " আসলে এই কথাগুলো শুনে আমি পুরো স্তব্ধ হয়ে গেছি । আমার এখন কি করা উচিৎ ? যারা ট্রায়াল রিলেশনে আছেন মানে ফ্যামিলি মেনে নিলে বিয়ে করবেন আর না মানলে বিয়ে করবেন না , তারা কিভাবে হ্যান্ডেল করেন বা আপনাদের বফরা কি লয়াল থাকে ? ( অন বিহাফ )  

আন কমন এক বিবাহের গল্প,,, তাবলীগ জামাত ফেইসবুক থেকে

 এমন বিয়ে কেউ কখনো দেখেছেন? 

নেওয়া তো দূরের কথা দেওয়া নিয়ে কাড়াকাড়ি!!!


আলহামদুলিল্লাহ খুবই ভালো লাগলো। সত্যিই এমন বিয়ে বরকতময় কোন সন্দেহ নেই।


আসরের পরে বিয়ে, 

মাগরিবের পরে মেয়েকে তুলে নিল, 

তারপর দিন জোহরবাদ ওলিমা।


বরযাত্রী হলো শুধুমাত্র দুজন: ছেলে, ছেলের বাবা।

আরো আশ্চর্যের বিষয় হল: পূর্ব থেকেই শর্ত দেয়া আছে,

 কোন খাবার এর ব্যবস্থা করা যাবে না। করলেও তারা খাবে না।

বাধ্য হয়ে সকল অর্ডার ক্যানসেল করলাম। বাবুর্চিকেও বিদায় দিলাম।


অথচ ছেলেপক্ষ পূর্ণ মোহরানা আদায় করে মেয়েকে তুলে নিয়েছে, এক টাকাও বাকি রাখেনি।

ওদিকে পরদিন জোহরবাদ অলিমায় মেয়ে পক্ষের সকল আত্মীয়-স্বজনকে দাওয়াত দিয়েছে।

 এবং বলেছে যে কোন মূল্যে সকলকে আসতে হবে।


বাসর করেছে ছেলের ঘরে, মেয়ের ঘরে তারা বাসর করতে দেয়নি।

 যাতে তাদের কোন খরচ না হয়।


ফার্নিচারের অর্ডার দিতে চেয়েও পরামর্শ ক্রমে দেয়া হয়নি।

 কারণ ছেলেপক্ষ কোন ফার্নিচার গ্রহণ করবে না।


জিজ্ঞেস করলাম ছেলের বাবাকে আপনারা এমনটা কেন করছেন?

 কিছুই তো গ্রহণ করতে চাচ্ছেন না। এমনকি এক লোকমা খাবার খেতে চাচ্ছেন না।


ছেলের বাবা: একটা মেয়ের বাবা মেয়েকে ছোট সময় থেকে সম্পূর্ণ স্বার্থহীনভাবে ভরণপোষণ দিয়ে থাকে, শিক্ষা দীক্ষা দিয়ে থাকে। 

তারপরে সেই জলজ্যান্ত মেয়েটিকে অন্য একটি পুরুষের ঘরে দিয়ে দেয় জীবনের জন্য। 

এর চেয়ে বড় দুঃখ  এর চেয়ে বড় কষ্ট, আর কি হতে পারে?


 তারপর যদি আবার সেই পিতার উপরে বিভিন্ন বিষয় চাপিয়ে দেয়া হয়, এর চেয়ে বড় জুলুম আমার মনে হয় না পৃথিবীতে আর অন্য কিছু আছে।


এটা কোন বানানো ঘটনা নয় বরং এটা হচ্ছে আমারই এক বন্ধুর আপন মামাতো বোনের বিবাহের সংক্ষিপ্ত বিবরণ।

কপি
পেস্ট

এক আমেরিকান নাগরিকের ইসলাম গ্রহণের কারগুজারী,,,,তাবলীগ জামাত ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 এক আমেরিকান নাগরিকের 

ইসলাম গ্রহণের কারগুজারি

+++++++++++++++++++

মুলতানের একটি জামাত আমেরিকায় গিয়েছিল l একদা আমল থেকে অবসর হয়ে তারা খানা খাওয়র জন্য দস্তরখান বিছালেন l তখন এক মার্কিন নিগ্রো সেখানে এসে হাজির হলো এবং বললো, আপনাদের কাছে আমি কয়েকটি প্রশ্ন করতে চাই। জামাতের সাথীগন তাকে খানায় শরীক করলেন এবং খুব আদর যত্ন করলেন।

খানা শেষ করে সে বলে উঠলো- আমাকে মুসলমান বানিয়ে নিন। সাথীরা বললো, আপনি তো কিছু প্রশ্ন করার জন্য আগমন করেছিলেন? সে বললো, আপনারা যে একরাম ও মুহাব্বতের সাথে আমাকে খানায় শরীক করলেন, আমার স্ত্রী আজ পর্যন্ত আমাকে এভাবে আদর-যত্ন করেনি।

আমাদের ফ্যামিলিতে সবার জন্য আলাদা আলাদা প্লেট-গ্লাস। যেটাতে আমি হাত লাগাই সেটা শুধু আমি একাই ব্যবহার করি। আমার বাবা-মাও তার থেকে দূরে থাকে। অথচ এখানে তো আমরা সবাই একি প্লেটে খেলাম! একি গ্লাসে পান করলাম!। যদি এটাই ইসলাম হয়ে থাকে তবে আমার জন্য সেটা কবূল করা সৌভাগ্যের ব্যপার।

অতঃপর সে ইসলাম গ্রহণ করে সেই জামাতের সাথে কিছুদিন সময় লাগালো। সে অত্যন্ত আনন্দিত ছিলো যে, একটি সুন্নতের বরকতে আল্লাহ তায়ালা তাকে ঈমানের মতো মহামূল্যবান দৌলত নসীব করেছেন।★সুবহানাল্লাহ!

কপি
পেস্ট

দলিলে ব্যাবহৃত শব্দ

★ পুরাতন দলিলে ব্যবহৃত ১৩০ টি শব্দের অর্থ।


দলিলে লিখিত অনেক শব্দ আছে,যার সংক্ষিপ্ত রুপ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। যারা পুরাতন দলিলের ব্যবহৃত শব্দের অর্থ বোঝেন না,তাদের জন্য বিস্তারিত আলোচনা করা হলোঃ


১) মৌজা 👉 গ্রাম।

২) জে.এল নং 👉 মৌজা নং/গ্রাম নম্বর।

৩) ফর্দ 👉 দলিলের পাতা।

৪) খং 👉 খতিয়ান।

৫) সাবেক 👉 আগের/পূর্বের বুজায়

৬) হাল 👉 বর্তমান।

৭) বং 👉 বাহক, অর্থাৎ যিনি নিরক্ষর ব্যক্তির নাম লিখে।

৮) নিং 👉 নিরক্ষর।

৯) গং 👉 আরো অংশীদার আছে।

১০) সাং 👉 সাকিন/গ্রাম।

১১) তঞ্চকতা 👉 প্রতারণা।

১২) সনাক্তকারী 👉 যিনি বিক্রেতাকে চিনে।

১৩) এজমালী 👉 যৌথ।

১৪) মুসাবিদা 👉 দলিল লেখক।

১৫) পর্চা 👉 বুঝারতের সময় প্রাথমিক খতিয়ানের যে নকল দেওয়া হয় তাকে পর্চা বলে।

১৬) বাস্তু 👉 বসত ভিটা।

১৭) বাটোয়ারা 👉 বন্টন।

১৮) বায়া 👉 বিক্রেতা।

১৯) মং 👉 মবলগ/মোট

২০) মবলক 👉 মোট।

২১) এওয়াজ 👉 সমপরিমাণ কোন কিছু বদলে সমপরিমাণ কোন কিছু বদল করাকে এওয়াজ বলে।

২২) হিস্যা 👉 অংশ।

২৩) একুনে 👉 যোগফল।

২৪) জরিপ 👉 পরিমাণ।

২৫) এজমালী 👉 কোনো ভূমি বা জোতের একাধিক শরীক থাকিলে তাহাকে এজমালী সম্পত্তি বা এজমালী জোত বলে।

২৬) চৌহদ্দি 👉 সীমানা।

২৭) সিট 👉 নকশার অংশ বা মৌজার অংশের নকশাকে সিট বলে।

২৮) দাখিলা 👉 খাজনার রশিদ।

২৯) নক্সা 👉 ম্যাপ।

৩০) নল 👉 জমি পরিমাপের নিমিত্তে তৈরী অংশ দণ্ড।

৩১) নাল 👉 চাষাবাদের উপযোগী ভূমি।

৩২) পিং 👉 পিতা।

৩৩) জং 👉 স্বামী।

৩৪) দাগ নং 👉 জমির নম্বর।

৩৫) এতদ্বার্থে 👉 এতকিছুর পর।

৩৬) স্বজ্ঞানে 👉 নিজের বুঝ মতে।

৩৭) সমূদয় 👉 সব কিছু।

৩৮) ইয়াদিকৃত 👉 পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে শুরু করিলাম।

৩৯) পত্র মিদং 👉 পত্রের মাধ্যমে।

৪০) বিং 👉 বিস্তারিত।

৪১) দং 👉 দখলকার।

৪২) পত্তন 👉 সাময়িক বন্দোবস্ত।

৪৩) বদল সূত্র 👉 এক জমি দিয়া অন্য জমি গ্রহণ করা।

৪৪) মৌকুফ 👉 মাপ।

৪৫) দিশারী রেখা 👉 দিকনির্দেশনা।

৪৬) হেবা বিল এওয়াজ 👉 কোন জিনিসের পরিবর্তে ভূমি/জমি দান করাকে হেবা বিল এওয়াজ বলে।

৪৭) বাটা দাগ 👉 কাটা দাগ এটি ভগ্নাংশ আকারে থাকে, যার উপরের সংখ্যা আগের দাগ এবং নিচের সংখ্যা এই দাগের বাটা।

৪৮) অধুনা 👉 বর্তমান।

৪৯) রোক 👉 নগদ।

৫০) ভায়া 👉 বিক্রেতার পূর্বের ক্রয়কৃত দলিল।

৫১) দান সূত্র 👉 কোনো ভূমি দলিল মূলে দান করিলে দান গ্রহণকারী দান সূত্রে ভূমির মালিক বলিয়া গন্য হয়।

৫২) দাখিল খারিজ 👉 কোনো জোতের ভূমি ও জমা হইতে কতেকাংশ ভূমির খরিদ্দার ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত ব্যাক্তিকে পৃথকভাবে নাম জারি করিয়া দিলে তাহাকে দাখিল খারিজ বলে।

৫৩) তফসিল 👉 তালিকা, কোনো দলিলের নিম্নভাগে লিখিত সম্পত্তির তালিকাকে তফসিল বলে।

৫৪) খারিজ 👉 যখন কোনো সরকার বা জমিদার কোনো প্রজাকে তাহার অংশীদারের জমা হইতে পৃথকভাবে খাজনা দিবার অনুমতি দেন তখন তাহাকে খারিজ বলে।

৫৫) খতিয়ান 👉 প্রত্যেক মৌজার এক বা একাধিক ভূমির জন্য একত্রে যে রেকর্ড সৃষ্টি করা হয় তাহাকে খাতিয়ান বলা হয়। খতিয়ানে তৌজি নম্বর, পরগনার নাম, জে.এল বা গ্রামের নাম, খতিয়ান নম্বর, স্বত্ত্বের বিবরণ মালিকের নাম, তাহার পিতা ও গ্রামের নাম, দাগ নম্বর, প্রত্যেক দাগের উত্তর সীমানা, ভূমির প্রকার অর্থাৎ (ডাঙ্গা, ধানী, ডোবা, পতিত, গর্ত, হালট, ইত্যাদি) দখলকারের নাম, ভূমির ষোল আনা পরিমাণ, হিস্যা ও হিস্যা মত পরিমাণ একর লিখিত থাকে।

৫৬) জরিপ 👉 সাধারণত কর নির্ধারণ ভিত্তিতেই এই সার্ভে করা হইয়া থাকে।

৫৭) এওয়াজ সূত্র 👉সমপরিমাণ কোনো ভূমি বা জিনিসের বদলে সমপরিমাণ কোনো ভূমি বা জিনিস প্রাপ্ত হইলে তাহাকে এওয়াজ সূত্রে প্রাপ্ত বলা হয় ইহাকে বদল সূত্রও বলে।

৫৮) অছিয়তনামা 👉 যদি কোনো ব্যাক্তি মৃত্যুর পূর্বে তাহার ওয়ারিশ বা আত্বীয় স্বজনকে তার স্থাবর- অস্থাবর সম্পত্তির বাটোয়ারা সম্পর্কে দলিল মূলে কোনো নির্দেশ দিয়া যান তবে তাহাকে অছিয়তনামা বলে। মৃত্যুর পর উক্ত অছিয়ত প্রবলের জন্য জেলা জজ সাহেব হইতে অনুমতি লইতে হয় হিন্দু ধর্মে উহাকে উইল বলে।

৫৯) তফসিল 👉 বিক্রিত জমির তালিকা।

৬০) নামজারী 👉 অন্যান্য অংশীদার থেকে নিজের নাম খতিয়ানে খোলাকে নামজারী বলে।

৬১) অধীনস্থ স্বত্ত্ব 👉 উপরিস্থিত স্বত্ব বা জমিদারী স্বত্বের অধীনে কোনো স্বত্ত্ব সৃষ্টি করিলে তাহাকে অধীনস্থ স্বত্ত্ব বা নীচস্থ স্বত্ত্ব বলে।

৬২) আলামত 👉 ম্যাপের মধ্যে গাছপালা, বাড়ীঘর, মন্দির, মসজিদ, গোরস্থান, জলভূমি, ইত্যাদি বুঝাইবার জন্য ব্যবহৃত চিহ্নকে আলামত বলে।

৬৩) আমলনামা 👉 কোনো ব্যক্তি অন্যের নিকট হইতে কোনো ভূমি নিলাম বা খোস – খরিদ করিয়া ভূমিতে দখল লওয়ার যে দলিল প্রাপ্ত হয় তাহাকে আমনামা বলে।

৬৪) আসলি 👉 মূল ভূমি।

৬৫) আধি 👉 উৎপন্ন ফসলের অর্ধেক ভূমির মালিক, অর্ধেক প্রজায় রাখিলে তাহাকে আধি বা বর্গ বলে।

৬৬) ইজারা 👉 ঠিকা। নির্দিষ্ট খাজনায় নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তালুক বা মহলাদির বন্দোবস্ত দেওয়া বা নেওয়া।

৬৭) ইয়াদদন্ত 👉 স্মারকলিপি।

৬৮) ইন্তেহার 👉 ঘোষণাপত্র।

৬৯) এস্টেট 👉 ১৭৯৩ সালে সরকার বাহাদুর যে সমস্ত মহাল স্থায়ীভাবে বন্দোবস্ত দিয়াছেন তাহাদিগকে জমিদারী বা এস্টেট বলে।

৭০) ওয়াকফ 👉 ধর্মীয় কাজের উদ্দেশ্যে আল্লাহর নামে উৎসর্গকৃত সম্পত্তি।

৭১) কিত্তা 👉 চারিটি আইন দ্বারা বেষ্টিত ভূমি খন্ডকে এক একটি কিত্তা বা পট বলে।

৭২) কিস্তোয়ার জরিপ 👉 গ্রামের অন্তর্গত জমিগুলো কিত্তা কিত্তা করে জরিপ করার নাম কিস্তোয়ার

৭৩) কিস্তি 👉 নির্দিষ্ট তারিখ অনুযায়ী টাকা দিবার অঙ্গীকার বা ব্যবস্থা।

৭৪) কায়েম স্বত্ত্ব 👉 চিরস্থায়ীভাবে বন্দোবস্ত দেওয়া ভূমিকে কায়েম স্বত্ত্ব বলে।

৭৫) কবুলিয়ত 👉 মালিকের বরাবরে স্বীকারোক্তি করিয়া কোনো দলিল দিলে তাহাকে বকুলিয়ত বলে। কবুলিয়াত নানা প্রকার। যথা- রায়তি, দর রায়তি, কোর্ফা ও আদি বর্গা কবুলিয়াত।

৭৬) কটকোবালা 👉 সুদের পরিবর্তে মহাজনের দখলে জমি দিয়া টাকা কর্জ করত: যে দলিল দেওয়া হয় তাহাকে কটকোবালা বল।

৭৭) কান্দা 👉 উচ্চ ভূমি। গোবামের সন্নিকটস্থ ভূমিকেও কান্দা বলে।

৭৮) কিসমত 👉 মৌজার অংশকে কিসমত বলে।

৭৯) কোলা ভূমি 👉 বসত বাড়ীর সংলগ্ন নাল জমিকে কোলা ভূমি বলে।

৮০) কোল 👉 নদীর কোনো ছোট অংশ তাহার প্রধান স্রোতের সহিত বা হইতে সংযুক্ত হইয়া গেলে তাহাকে কোল বলে।

৮১) খানাপুরী 👉 প্রাথমিক স্বত্ত্ব লিপি। ইহা রেকর্ড অব রাইটস তৈরির ধাপ। খসড়া ও খতিয়ানের কলাম বা ঘর পূরণ করাই ইহার কাজ।

৮২) খামার 👉 ভূম্যধিকারী খাস দখলীয় ভূমিকে খামার, খাস-খামার, নিজ জোত বা কমত বলে।

৮৩) খাইখন্দক 👉 ডোবগর্ত, খাল, নালা ইত্যাদি চাষের অযোগ্য ভূমিকে খাইখন্দক বলে।

৮৪) খিরাজ 👉 কর, খাজনা।

৮৫) খানে খোদাঃ মসজিদ।

৮৬) খসড়াঃ জমির মোটামুটি বর্ণনা।

৮৭) গর বন্দোবস্তিঃ যে জমির কোনো বন্দোবস্ত দেওয়া হয় নাই।

৮৮) গরলায়েক পতিতঃ খাল, নালা, তীরচর, ঝাড়, জঙ্গল ইত্যাদি অনাবাদি ভূমিকে গরলায়েক পতিত বলে।

৮৯) গির্বিঃ বন্ধক।

৯০) চক 👉 থক বসত ম্যাপের এক একটি পটকে চক বলে।

৯১) জমা বন্দী 👉 খাজনার তালিকা।

৯২) চাকরাণ 👉 জমিদার বাড়ীর কাজ-কর্ম নির্বাহ করণার্থে ভোগ-দখল করিবার নিমিত্তে যে জমি দেওয়া হয় তাহাকে চাকরাণ বলে।

৯৩) চাঁদা 👉 জরিপ কার্যে নির্দিষ্ট করা স্টেশনকে চাঁদা বলে।

৯৪) চটান 👉 বাড়ীর সন্নিকটস্থ উচ্চ পতিত স্থানকে চটান বলে।

৯৫) চালা 👉 উচ্চ আবাদি ভূমি (পুকুরের পাড় ইত্যাদি)

৯৬) চর 👉 পলিমাটি গঠিত ভূমি।

৯৭) জবর-দখল 👉 জোরপূর্বক দখল।

৯৮) জমা 👉 এক বা একাধিক ভূমির জন্য একত্রে যে খাজনা দেওয়া হয় তাহাকে এক একটি জমা বলে।

৯৯) জোত 👉 এক প্রকার প্রজাস্বত্ত্ব।

১০০) জজিরা 👉 নাব্য নদীতে যে দ্বীপ গঠিত হয় তাহাকে জজিরা বলে।

১০১) জায়সুদী 👉 হস্তান্তরকরণ ক্ষমতা ব্যতীত কিয়ং কালের জন্য বন্ধক। অর্থাৎ মহাজনের নিকট বন্ধক দিয়া যদি এই মর্মে টাকা কর্জ করা যায়, যে যতদিন পর্যন্ত আসল টাকা পরিশোধ না হইবে ততদিন পর্যন্ত মহাজন উক্ত জমি ভোগ-দখল করিতে থাকিবেন, তবে তাহাকে জায়সুরি বলে।

১০২) জালি 👉 এক প্রকার ধান যাহা জলাভূমিতে জন্মে।

১০৩) টেক 👉 নদী ভগ্নস্থান ভরাট হইয়া যে পয়স্তি উৎপন্ন হয় তাহাকে টেক বলে।

১০৪) টাভার্স 👉 ঘের জরিপ।

১০৫) ঠিকা রায়ত 👉 নির্দিষ্ট মেয়াদে সাময়িকভাবে দখলকারকে ঠিক রায়ত বলে অথবা যে রায়তের কোনো দখলি স্বত্ত্ব নেই।

১০৬) ঢোল সহরত 👉 কোনো ক্রোক, নিলাম ইস্তেহার বা দখলি পরওয়ানা সরজমিনে ঢোল পিটাইয়া জারি করাকে ঢোল সহরত বলে।

১০৭) তামিল 👉 আদেশ মোতাবেক রেকর্ড সংশোধন করা।

১০৮) তামাদি 👉 খাজনা আদায় করার নির্দিষ্ট সময় অতিক্রম হইলে তাহাকে তামাদি বলে।

১০৯) তুদাবন্দী 👉 সীমানা নির্দেশ।

১১০) তহশিল 👉 খাজনাদি আয়ের নিমিত্ত নির্দিষ্ট এলাকাকে তহশিল বলে।

১১১) তলবানা 👉 সমন জারির সময় পিয়নকে প্রদত্ত ফিস।

১১২) তলববাকী 👉 বকেয়া খাজনা আদায়ের কিস্তি।

১১৩) তালুক 👉 নিম্নস্থ স্বত্ত্ব।

১১৪) তরমিমঃ শুদ্ধকরণ।

১১৫) তরতিব 👉 শৃংখলা।

১১৬) তৌজি 👉 ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তীয় ভূমির জন্য কালেক্টরীতে যে রেজিষ্ট্রী বই থাকে তাহাকে তৌজি বলে। প্রত্যেক তৌজির ক্রমিক নম্বর থাকে। জমিদারের অধীন প্রজার জোতকেও তৌজি বলা হয়।

🔸১১৭) দিয়ারা 👉 পলিমাটি দ্বারা গঠিত চর।

১১৮) দর পত্তনী 👉 পত্তনীর অধীন।

১১৯) দখলী স্বত্ত্ব বিশিষ্ট প্রজা 👉 দখলদার হিসেবে যে প্রজার স্বত্ত্ব আছে।

১২০) দশসালা বন্দোবস্ত 👉 দশ বৎসরের মেয়াদে বন্দোবস্ত দেওয়াকে দশসালা বন্দোবস্ত বলে।

১২১) দিয়ারা 👉 পলিমাটি দ্বারা গঠিত চর।

১২২) দাগ নম্বর 👉মৌজা নকশায় প্রত্যেক প্লটের যে সিরিয়াল নম্বর বসান হয়,তাহাকে দাগ নম্বর বলে।

১২৩) দরবস্ত 👉 সমুদয়।

১২৪) নথি 👉 রেকর্ড।

১২৫) দেবোত্তর 👉 দেবতাদিগকে প্রদত্ত নিষ্কর ভূমি।

১২৬) দেবিচর 👉 যে সকল বালুচর সাধারণ জোয়ারের পানিতে ডুবিয়া যায় তাহাদিগকে দেবিচর বলে।

১২৭) দিঘলি 👉 নির্দিষ্ট পরিমাণ খাজনা আদায়কারী একপ্রকার প্রজা।

১২৮) নক্সা ভাওড়ন 👉 পূর্ব জরিপ অনুসারে গ্রামের সীমাগুলো এখন আর ঠিক মতো পাওয়া যায় না। ফলে সীমানা লইয়া প্রায়ই জমিদারের মধ্যে ঝগড়া বাঁধে। পূর্বের ফিল্ডবুক অনুসারে প্রত্যেক লাইনের মাপ ও বিয়ারিং লইয়া, লাইনটি প্রথমে যেখানে যেভাবে ছিল, তা চিহ্নিত করিয়া, কোন জমি কোন মৌজার অন্তর্গত,তাহা ঠিক করার নামই,নক্সা ভাওড়ান বা রিলেইং বাউন্ডারীজ।

১২৯) নামজারী 👉 ভূম্যধিকারী সরকারের সাবেক নামের পরিবর্তে খরিদ্দার অথবা ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত ব্যক্তির নাম রেজিস্ট্রী করাকে নামজারী বলে।

১৩০) নাম খারিজ বা জমা খারিজ 👉 ১৬ আনা জোতার মোট জমা হইতে নামজারীকৃত ওয়ারিশ বা খরিদ্দারের দখলীয় জমির জমা ১৬ আনা জোতার জমার হার অনুসারে জাম ভাগ করিয়া দিয়া পৃথক জমা সৃষ্টি করাকে নাম খারিজ বা জাম খারিজ বলে।


সংগৃহীত 

কপি
পেস্ট

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...