এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ১০ নভেম্বর, ২০২২

সকাল সাতটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/১০ বৃহস্পতিবার

 সকাল ৭ টার সংবাদ। তারিখ: ১০-১১-২০২২ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে সাফল্য অর্জনে আরও প্রতিযোগিতা ও প্রশিক্ষণের প্রয়োজনের ওপর প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ।  


শান্তি ও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠায় নারীর অংশগ্রহণ বৃদ্ধির উপর জোর দিলেন স্পিকার ।


বিএনপির আন্দোলনের লক্ষ্য বর্তমান বৈশ্বিক সংকট উত্তরণ নয়, তাদের লক্ষ্য যে কোনোভাবে ক্ষমতায় যাওয়া - মন্তব্য আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের।


সরকারের লক্ষ্য-২০৪১ সালের মধ্যে দেশের মোট জ্বালানির ৪০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার - বললেন তথ্যমন্ত্রী।


বিভিন্ন কর্মসূচিতে আজ দেশে পালিত হচ্ছে শহীদ নূর হোসেন দিবস।


যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসের নেতৃত্বের প্রাধান্য না থাকার পাশাপাশি হাউজ অব রিপ্রেজেনটেটিভসে রিপাবলিকানদের নিয়ন্ত্রণে প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় দেশটির প্রেসিডেন্ট রিপাবলিকানদের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ ব্যক্ত করেছেন।


এবং অ্যাডিলেইডে আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটের দ্বিতীয় সেমি-ফাইনালে আজ ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে ভারত।

ভোটার স্থানান্তরের বা জাতীয় পরিচয়পত্রের বর্তমান ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য করনীয়ঃ,,, গেজেট ফেইসবুকে থেকে নেওয়া

ভোটার স্থানান্তরের বা জাতীয় পরিচয়পত্রের বর্তমান ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য  করনীয়ঃ


নির্বাচন কমিশন এর ফরম-১৩ পূরন করে সংস্লিষ্ট (যে উপজেলা/থানায় স্থানান্তর হবেন) উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে আবেদনকারীকে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে আবেদন করতে হবে।

আবেদনপত্রের সাথে নিন্মের কাগজপত্র জমা দিতে হবে:

১) আবেদনকারীর NID ফটোকপি,

২) যে এলাকায় স্থানান্তর হবেন সে এলাকার নাগরিকত্ব সনদ,

৩) বিদ্যুৎ/পানি বিল/ট্যাক্স রশিদ/জমির খতিয়ান/বাড়ি ভাড়ার প্রমানপত্র/ভাড়াটিয়া তথ্য ফরম,

৪) ফরম-১৩ এর ২য় পৃষ্ঠায় আবেদনকারীকে সনাক্তকারী হিসেবে সংশ্লিষ্ট জনপ্রতিনিধির (মেম্বার/কাউন্সিলর) NID নাম্বার সহ নাম ও স্বাক্ষর, সিল থাকতে হবে।

৫) সংস্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসের চাহিদামত অন্যান্য কাগজপত্র। 

বি.দ্র.: ভোটার স্থানান্তর হলে নতুন কার্ড দেয়া হয় না। কেউ স্থানান্তরিত ঠিকানায় নতুন কার্ড নিতে চাইলে তাকে ২৩০/- সরকারি ফি বিকাশ/রকেট 'এর মাধ্যমে জমা দিয়ে নতুন কার্ড এর জন্য রিইস্যু আবেদন করে কার্ড সংগ্রহ করতে হবে।


কি করে রক্তপাত বন্ধ করে শরীর ।,,,,skyf

জানুন দরকারি স্বাস্থ্য কথা


কি করে রক্তপাত বন্ধ করে শরীর ।


আহত হয়েছে রক্তনালি 

সেই ছিদ্র দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে অনেক রক্ত সে সাথে লোহিত কনিকা , শ্বেত কনিকা , অনুচক্রিকা বা প্লাটিলেট ।

প্লাটিলেট রক্ত ক্ষরন বন্ধের জন্য রক্তের জমাট পিন্ড গঠনে বড় ভুমিকা গ্রহন করে।

 অনুচক্রিকা বা প্লাটিটেট থেকে বেরিয়ে আসে থ্রম্বোপ্লাস্টিন বলে এক পদার্থ ।

থ্রম্বো পাস্টিন ও ক্যালসিয়াম আয়নের উপস্থিতিতে রক্তের প্রথোম্বিন রুপান্তরিত হয় থ্রম্বিনে ।


এই থ্রম্বিন এর পর অনুঘটক হয়ে ফাইব্রিনজেনকে ফিব্রিনে রুপান্তরিত্ত করে । 

ফিব্রিন এরপর ভ্রমন করে ইঞ্জুরির স্থলে। 

সুতার মত ফাইব্রিন গঠন করে ফাইব্রিন জালের বুনুনি।

 লোহিত কণিকা ধরা পড়ে জালে। 

এই লোহিত কনিকা আর এই ফাইব্রিন জাল একত্রে গঠন করে রক্ত তঞ্চন পিন্ড বা ব্লাড ক্লট ।

 এই ক্লট ছিপির মত বন্ধ করে ইঞ্জুরি স্থলের ছিদ্র।

 এভাবে বন্ধ হয় রক্ত ক্ষরন।

 আর দেহের ইম্মুন সিস্টেম মেরা মত করে ইঞ্জুরি।

 

রক্তের যে ক্লটিং ফ্যাক্টার থাকে এরা সবাভাবিক ক্ষেত্রে কর্মক্ষম থাকেনা আর তাতে অসবাভাবিক ব্লাড ক্লট হয়ার সম্ভাবনা থাকেনা। , 

কপি
পেস্ট

একজন নেককার মহিলা ৭০জন আউলিয়ার চেয়ে উত্তম।

১. একজন নেককার মহিলা ৭০জন আউলিয়ার চেয়ে উত্তম।

২. একজন বদকার মহিলা এক হাজার বদকার পুরুষের চেয়ে নিকৃষ্ট।

৩. একজন গর্ভবতী মহিলার দু'রাকাত নামায গর্ভহীন মহিলার ৮০ রাকাত নামাযের চেয়ে উত্তম।

৪. গর্ভবতী মহিলার প্রত্যেক রাত এবাদত ও দিনগুলো রোযা হিসেবে গণ্য করা হয়।

৫. একটি সন্তান ভূমিষ্ঠ হলে ৭০ বৎসরের নামায-রোযার নেকী তার আমলনামায় লিখা হয়।

৬. প্রসবের সময় যে কষ্ট হয়, ব্যথা হয়, প্রতিবারের ব্যথার কারণে হজের ছওয়াব দান করা হয়।

৭. সন্তান প্রসবের ৪০ দিনের মধ্যে মারা গেলে তাকে শাহাদাতের মর্যাদা দান করা হয়।

৮. যে মহিলা বাচ্চাকে দুধ পান করান, তিনি প্রতি ফোঁটা দুধের বিনিময়ে একটি নেকী লাভ করেন।

৯. যদি বাচ্চা কাঁদে আর 'মা' কোন প্রকার বদ দোয়া না দিয়ে তাকে দুধ পান করান, আল্লাহ তাকে এক বৎসরের নামায ও এক বৎসরের নেকী দান করেন।

১০. যখন বাচ্চার দুধ পান করানো হয়ে যায়, তখন আসমান থেকে একজন ফেরেশতা অবতীর্ণ হয়ে সে মাকে সুসংবাদ দান করে যে, আল্লাহপাক তোমার জন্য জান্নাত ওয়াজীব করে দিয়েছেন।

১১. যে মহিলা বাচ্চার কান্নার জন্যে ঘুমাতে পারেন না, তিনি ২০ জন গোলাম আযাদ করার নেকী পান।

১২. যে মহিলা তার অসুখের কারণে কষ্ট ভোগ করেন এবং তারপরও সন্তানের সেবা করেন আল্লাহপাক এ মহিলার পিছনের সব গুনাহ মাফ করে দেন এবং ১২ বৎসরের ইবাদতের ছাওয়াব দান করেন।

১৩. স্বামী পেরেশান হয়ে ঘরে আসলে যে স্ত্রী স্বামীকে খোশ-আমদেদ বলে এবং সান্ত্বনা দেয়, তিনি জেহাদের অর্ধেক নেকী লাভ করেন।

১৪. যখন স্বামী-স্ত্রী একে অন্যের প্রতি মহব্বতের দৃষ্টিতে তাকান, তখন আল্লাহপাকও তাদের প্রতি মহব্বতের দৃষ্টিতে তাকান।

১৫. যে মহিলা স্বামীকে আল্লাহর রাস্তায় পাঠান ও নিজেকে হেফাযত করেন এবং ঘরে থাকেন, তিনি পুরুষের ৫০০ বৎসর পূর্বে বেহেশতে প্রবেশ করবেন এবং ৭০ হাজার ফেরেশতা তাকে স্বাগত জানাবে এবং তিনি হুরদের নেত্রী হবেন। তাকে বেহেশতে গোসল দেওয়া হবে। সে ইয়াকুতের ঘোড়ার সওয়ার হয়ে স্বামীর জন্য অপেক্ষা করবে।

১৬. যে স্ত্রী স্বামীর অবাধ্য, তার নামায ও অন্যান্য এবাদত আসমানের উপরে উঠে না।

১৭. স্বামী যখন বাহির থেকে ঘরে ফিরে আসেন, তখন যদি স্ত্রী তাকে খানা খাওয়ান ও স্বামীর অনুপস্থিতিতে কোন খেয়ানত না করেন, তবে আল্লাহপাক সে স্ত্রীকে ১২ বৎসরের নামাযের সওয়াব দান করেন।

১৮. স্বামী স্ত্রীকে একটি মাসআলা শিক্ষা দিলে ৮০ বৎসরের এবাদতের সমান সওয়াব পাবেন।

১৯. যে পবিত্র মহিলা নামায-রোযার পাবন্দী করেন ও স্বামীর খেদমত করেন তার জন্য বেহেশতের ৮টি দরজা খুলে দেওয়া হয়।

২০. যে মহিলা যিকিরের সাথে ঘর ঝাড়ু দেয়, আল্লাহপাক তাকে "কাবাঘর" ঝাড়ু দেওয়ার সওয়াব দান করেন।

২১. যে মহিলা "বিসমিল্লাহ" বলে খাবার প্রস্তুুত করেন আল্লাহপাক তার রুজির মধ্যে বরকত দান করেন।

২২. যে স্ত্রী তার স্বামীর সন্তুষ্টি অবস্থায় মারা যায়, তার জন্য বেহেশত ওয়াজিব।

২৩. যে মহিলা পর্দা করে না, অন্য পুরুষকে নিজের দিকে আকৃষ্ট করে, ঐ সমস্ত মহিলা বেহেশতে যাবে না, এমনকি বেহেশতের সুঘ্রাণও পাবে না 

হাতঘড়ি কেন বাম হাতেই পরা হয়

হাতঘড়ি কেন বাম হাতেই পড়া হয়?


ঘড়ি পরেন নিশ্চয়? কোন হাতে? কোন হাতে আবার বাঁহাতেই হবে! কারণ পরিসংখ্যান বলছে, বিশ্বের মোট জনসংখ্যার সিংহভাগই বাঁহাতে ঘড়ি পরে থাকে। আর মজার বিষয় হলো বেশিরভাগই জানেন না কেন এমনটা করে থাকেন তারা।


এক সমীক্ষায় এমন প্রশ্ন করা হলে বেশিরভাগই জাবাব দিয়েছিল, বাকি অনেককে দেখেন, তাই তারাও নাকি কিছু না ভেবেই তাদের অনুসরণ করে বাঁহাতে ঘড়ি পরা শুরু করেছেন।কেন বেশিরভাগ মানুষ বাঁহাতে ঘড়ি পরে থাকেন তার উত্তর খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছে জীবনধারাবিষয়ক সাময়িকী বোল্ডস্কাই।


ইতিহাস কী বলছে?


বেশ কিছু গবেষণার পর একদল গবেষকের মনে হয়েছিল, শরীরের গঠনকে যদি গুরুত্ব দেওয়া হয়, তাহলে ছেলেদের নাকি ডান হাতে এবং মেয়েদের বাঁ-হাতে ঘড়ি পরা উচিত। কিন্তু তারপরও এই নিয়মটা কেউ মেনে


চলে না কেন?


এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায় যখন ছোট ঘড়ির জন্ম হয়েছিল, তখন বেশিরভাগই তা পকেটে রাখতেন। এ জন্য পকেট ঘড়ির চল সে সময় বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। কবজিতেও যে ঘড়ি পরা যেতে পারে, সে বিষয়ে কারও সে সময় কোনও ধারণা ছিল না।


তবে বোর যুদ্ধের সময় একদল সৈনিক চামড়ার স্ট্র্যাপে ঘড়ি আটকে কবজিতে পরা শুরু করে। তাদের মূল লক্ষ্য ছিল মিলিটারি অপারেশনের প্রতি মিনিটকে নথিবদ্ধ করা। আর এমনটা করতে গেলে বারে বারে পকেট থেকে ঘড়ি বের করা ছিল বেজায় মুশকিলের কাজ।


আর এ জন্যই সে সময় থেকে শুরু হয়েছিল কবজিতে ঘড়ি পরা। তবে তখনও তা আম জনতার মধ্যে সেভাবে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেনি।


কিন্তু বাঁ-হাতে কেন?


একথা ঠিক যে হাত ঘড়ির জন্মলগ্ন থেকেই বাঁহাতে ঘড়ি পরা শুরু হয়েছিল। কারণ ছিল একটাই। আসলে সে সময়কার হাত ঘড়ি ছিল বেজায় বড় এবং ভঙ্গুর। তাই সহজেই যাতে কোথাও ঠোকা লেগে ঘড়িটা ভেঙে না যায়, তা সুনিশ্চিত করতেই বাঁহাতে ঘড়ি পরা শুরু হয়েছিল।


কারণ বিভিন্ন কাজ করতে ডান হাত যতটা কাজে লাগে, ততটা কিন্তু বাঁহাত কাজে আসে না। তাই যদি বাঁহাতে ঘড়ি পরা যায়, তাহলে ভাঙার আশঙ্কা কম। তাই তখন থেকেই শুরু। তারপর থেকে যত সময় এগিয়েছে বাঁহাতের ঘড়ি পরার চল জনপ্রিয়তা পেয়েছে।


বিজ্ঞান কী বলছে ?


ইতিহাস ঘেঁটে বাঁহাতে ঘড়ি পরার কারণ সম্পর্কে ধরণা করা গেলেও এ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট উত্তর পাওয়া সম্ভব বিজ্ঞানের হাত ধরেই। একাধিক গবেষণার পর এই বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই যে সিংহভাগ মানুষই ডান হাতে কাজ করতে বেশি স্বচ্ছন্দবোধ করে ।


আর ডানহাতি মানুষদের চোখের গতিবিধি বিচার করলে একথা বুঝতে অসুবিধা হয় না বাঁহাতে ঘড়ি পরলে সহজে সময় দেখা সম্ভব। আর যদি ডান হাতে ঘড়ি পরা হয়, তাহলে কাজ করত করতে যদি সময় দেখার প্রয়োজন পরে, তাহলে কাজ থামিয়ে তা করতে হবে।


এতে বাঁহাতে ঘড়ি পরলে তা করার প্রয়োজন পরে না। তাই বেশিরভাগই বাঁহাতে ঘড়ি পরা শুরু করল। এক সময়ে ঘড়িকে বাঁচাতে যেখানে বাঁহাতে ঘড়ি পরা শুরু হয়েছিল। সেখানে এক সময়ে এসে তা প্রয়োজনে রূপান্তরিত হল। আর এই প্রয়োজন কখন যে অভ্যাসের রূপ নিলো, তা অনেকেরই জানা নেই।


স্মার্ট ওয়াচের যুগে


বর্তমান বিশ্বে দুনিয়ায় সব কিছুই স্মার্ট। ফোন স্মার্ট, এমনকি ঘড়িও। এ জন্য বাঁহাতে ঘড়ি পরার প্রয়োজন আরও বেড়েছে। কারণ আগেই আলোচনা করা হয়েছে যে এ বিশ্বের বেশিরভাগই ডান হাতি। আর বাঁহাতে ঘড়ি পরলে তবেই না ডান হাত দিয়ে সহজে তা অপারেট করা সম্ভব হবে।


তাই বর্তমানে বাঁহাতে ঘড়ি পরার প্রয়োজন বেড়েছে আরও বেশি মাত্রায়। তাহলে সব শেষে একথা বলতেই হয় যে বোর যুদ্ধের সময় ব্রিটিশ এম্পায়ারের সৈনিকরা যখন দক্ষিণ আফ্রিকান রিপাবলিককে ধ্বংস করছে। তখন জন্ম নেওয়া হাত ঘড়ি এতটাই ভঙ্গুর ছিল যে ডান হাতে পরলে তার আয়ু একদিনও হত না।


তাই কিছুটা বাধ্য হয়েই বাঁ-হাতে পরতে হয়েছিল ঘড়ি। এরপর সেই অভ্যাস ধীরে ধীরে মাসল মেমোরিতে রূপান্তরিত হয়।


কী এই মাসল মেমোরি?


একটা কাজ বারে বারে করত থাকলে তা মস্তিষ্কের অন্দরে চিরস্থায়ী ছাপ ফেলে। ফলে তা অভ্যাসে রূপান্তরিত হয়। আর মুষ্টিমেয় মানুষের অভ্যাস যখন অনেকের অভ্যাসে রুপান্তরিত হয়, তখন সেই অভ্যাসকে বদলায় এমন সাধ্য কার।


তাই তো বলি বন্ধু বাঁহাতে ঘড়ি পরার পিছনে যতটা ইতিহাসের অবদান রয়েছে, ততটাই রয়েছে শরীর বিজ্ঞানেরও। কারণ বাঁহাতে ঘড়ি পরলে যতটা সুবিধা হয় দেখতে, ততটা হয় না ডান হাতে পরলে। তাই এখন যেমন সবাই বাঁহাতে ঘড়ি পরছে, আগামী দিনেও পরবে এবং এই ভাবেই চলতে থাকবে।

কপি

পেস্ট 

১১০ সুরা নাসের,,,,, স্বর্গীয় সাহায্য,,,


بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ


উচ্চারণঃ বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।


অর্থঃ শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।



সূরা নাসর (النصر), আয়াত: ১


إِذَا جَآءَ نَصْرُ ٱللَّهِ وَٱلْفَتْحُ


উচ্চারণঃ ইযা-জাআ নাসরুল্লা-হি ওয়াল ফাতহ।


অর্থঃ যখন আসবে আল্লাহর সাহায্য ও বিজয়


সূরা নাসর (النصر), আয়াত: ২


وَرَأَيْتَ ٱلنَّاسَ يَدْخُلُونَ فِى دِينِ ٱللَّهِ أَفْوَاجًا


উচ্চারণঃ ওয়ারাআইতান্না-ছা ইয়াদখুলূনা ফী দীনিল্লা-হি আফওয়া-জা-।


অর্থঃ এবং আপনি মানুষকে দলে দলে আল্লাহর দ্বীনে প্রবেশ করতে দেখবেন,



সূরা নাসর (النصر), আয়াত: ৩


فَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ وَٱسْتَغْفِرْهُ إِنَّهُۥ كَانَ تَوَّابًۢا


উচ্চারণঃ ফাছাব্বিহবিহামদি রাব্বিকা ওয়াছতাগফিরহু ইন্নাহূকা-না তাওওয়া-বা-।


অর্থঃ তখন আপনি আপনার পালনকর্তার পবিত্রতা বর্ণনা করুন এবং তাঁর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করুন। নিশ্চয় তিনি ক্ষমাকারী।


,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,


১১১ সুরা লাহাব,,,, জলন্ত অঙ্গার,,,,,,,



بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ


উচ্চারণঃ বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।


অর্থঃ শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।



সূরা আল-ফালাক (الفلق), আয়াত: ১


قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلْفَلَقِ


উচ্চারণঃ কুল আ‘ঊযুবিরাব্বিল ফালাক


অর্থঃ বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি প্রভাতের পালনকর্তার,


সূরা আল ফাতিহা (الفاتحة), আয়াত: ১


بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ


উচ্চারণঃ বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।


অর্থঃ শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

সূরা লাহাব (المسد), আয়াত: ১


تَبَّتْ يَدَآ أَبِى لَهَبٍ وَتَبَّ


উচ্চারণঃ তাব্বাত ইয়াদাআবী লাহাবিওঁ ওয়া তাবব।


অর্থঃ আবু লাহাবের হস্তদ্বয় ধ্বংস হোক এবং ধ্বংস হোক সে নিজে,



সূরা লাহাব (المسد), আয়াত: ২


مَآ أَغْنَىٰ عَنْهُ مَالُهُۥ وَمَا كَسَبَ


উচ্চারণঃ মাআগনা-‘আনহু মা-লুহূওয়ামা-কাছাব।


অর্থঃ কোন কাজে আসেনি তার ধন-সম্পদ ও যা সে উপার্জন করেছে।


সূরা লাহাব (المسد), আয়াত: ৩


سَيَصْلَىٰ نَارًا ذَاتَ لَهَبٍ


উচ্চারণঃ ছাইয়াসলা-না-রান যা-তা লাহাব।


অর্থঃ সত্বরই সে প্রবেশ করবে লেলিহান অগ্নিতে


সূরা লাহাব (المسد), আয়াত: ৪


وَٱمْرَأَتُهُۥ حَمَّالَةَ ٱلْحَطَبِ


উচ্চারণঃ ওয়ামরাআতুহূ; হাম্মা-লাতাল হাতাব।


অর্থঃ এবং তার স্ত্রীও-যে ইন্ধন বহন করে,


সূরা লাহাব (المسد), আয়াত: ৫


فِى جِيدِهَا حَبْلٌ مِّن مَّسَدٍۭ


উচ্চারণঃ ফী জীদিহা-হাবলুম মিম মাছাদ।


অর্থঃ তার গলদেশে খর্জুরের রশি নিয়ে।



,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,


 

১১২ সুরা আল ইখলাস,,,,, একত্ব



بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ


উচ্চারণঃ বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।


অর্থঃ শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।



সূরা আল-ফালাক (الفلق), আয়াত: ১


قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلْفَلَقِ


উচ্চারণঃ কুল আ‘ঊযুবিরাব্বিল ফালাক


অর্থঃ বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি প্রভাতের পালনকর্তার,


সূরা আল ফাতিহা (الفاتحة), আয়াত: ১


بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ


উচ্চারণঃ বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।


অর্থঃ শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।

সূরা আল-ইখলাস (الإخلاص), আয়াত: ১


قُلْ هُوَ ٱللَّهُ أَحَدٌ


উচ্চারণঃ কুল হুওয়াল্লা-হু আহাদ।


অর্থঃ বলুন, তিনি আল্লাহ, এক,



সূরা আল-ইখলাস (الإخلاص), আয়াত: ২


ٱللَّهُ ٱلصَّمَدُ


উচ্চারণঃ আল্লা-হুসসামাদ।


অর্থঃ আল্লাহ অমুখাপেক্ষী,


সূরা আল-ইখলাস (الإخلاص), আয়াত: ৩


لَمْ يَلِدْ وَلَمْ يُولَدْ


উচ্চারণঃ লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইঊলাদ।


অর্থঃ তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং কেউ তাকে জন্ম দেয়নি


সূরা আল-ইখলাস (الإخلاص), আয়াত: ৪


وَلَمْ يَكُن لَّهُۥ كُفُوًا أَحَدٌۢ


উচ্চারণঃ ওয়া লাম ইয়াকুল্লাহূকুফুওয়ান আহাদ।


অর্থঃ এবং তার সমতুল্য কেউ নেই।

,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,


 

১১৩ সূরা আল ফালাক,,,, নিশিভোর,,,,



بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ


উচ্চারণঃ বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।


অর্থঃ শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।



সূরা আল-ফালাক (الفلق), আয়াত: ১


قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلْفَلَقِ


উচ্চারণঃ কুল আ‘ঊযুবিরাব্বিল ফালাক


অর্থঃ বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করছি প্রভাতের পালনকর্তার,

সূরা আল-ফালাক (الفلق), আয়াত: ২


مِن شَرِّ مَا خَلَقَ


উচ্চারণঃ মিন শাররি মা-খালাক।


অর্থঃ তিনি যা সৃষ্টি করেছেন, তার অনিষ্ট থেকে,



সূরা আল-ফালাক (الفلق), আয়াত: ৩


وَمِن شَرِّ غَاسِقٍ إِذَا وَقَبَ


উচ্চারণঃ ওয়া মিন শাররি গা-ছিকিন ইযা-ওয়াকাব।


অর্থঃ অন্ধকার রাত্রির অনিষ্ট থেকে, যখন তা সমাগত হয়,


সূরা আল-ফালাক (الفلق), আয়াত: ৪


وَمِن شَرِّ ٱلنَّفَّٰثَٰتِ فِى ٱلْعُقَدِ


উচ্চারণঃ ওয়া মিন শাররিন নাফফা-ছা-তি ফিল ‘উকাদ।


অর্থঃ গ্রন্থিতে ফুঁৎকার দিয়ে জাদুকারিনীদের অনিষ্ট থেকে




সূরা আল-ফালাক (الفلق), আয়াত: ৫


وَمِن شَرِّ حَاسِدٍ إِذَا حَسَدَ


উচ্চারণঃ ওয়া মিন শাররি হা-ছিদিন ইযা-হাছাদ।


অর্থঃ এবং হিংসুকের অনিষ্ট থেকে যখন সে হিংসা করে।


,,,,,,,,,,,,,,,

 

১১৪ সুরা আন নাস,,,, মানব জাতি,,,,



بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ


উচ্চারণঃ বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।


অর্থঃ শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।


সূরা আন-নাস (الناس), আয়াত: ১


قُلْ أَعُوذُ بِرَبِّ ٱلنَّاسِ


উচ্চারণঃ কুল আ‘ঊযুবিরাব্বিন্না-ছ,


অর্থঃ বলুন, আমি আশ্রয় গ্রহণ করিতেছি মানুষের পালনকর্তার,


সূরা আন-নাস (الناس), আয়াত: ২


مَلِكِ ٱلنَّاسِ


উচ্চারণঃ মালিকিন্না-ছ,


অর্থঃ মানুষের অধিপতির,


সূরা আন-নাস (الناس), আয়াত: ৩


إِلَٰهِ ٱلنَّاسِ


উচ্চারণঃ ইলা-হিন্না-ছ।


অর্থঃ মানুষের মা’বুদের


সূরা আন-নাস (الناس), আয়াত: ৪


مِن شَرِّ ٱلْوَسْوَاسِ ٱلْخَنَّاسِ


উচ্চারণঃ মিন শাররিল ওয়াছ ওয়া-ছিল খান্না-ছ।


অর্থঃ তার অনিষ্ট থেকে, যে কুমন্ত্রণা দেয় ও আত্নগোপন করে,

সূরা আন-নাস (الناس), আয়াত: ৫


ٱلَّذِى يُوَسْوِسُ فِى صُدُورِ ٱلنَّاسِ


উচ্চারণঃ আল্লাযী ইউওয়াছবিছুফী সুদূরিন্নাছ-।


অর্থঃ যে কুমন্ত্রণা দেয় মানুষের অন্তরে


সূরা আন-নাস (الناس), আয়াত: ৬


مِنَ ٱلْجِنَّةِ وَٱلنَّاسِ


উচ্চারণঃ মিনাল জিন্নাতি ওয়ান্না-ছ।


অর্থঃ জ্বিনের মধ্য থেকে অথবা মানুষের মধ্য থেকে।


,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,

 

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...