এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২২

সকাল সাতটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/১৬ বুধবার

 সকাল ৭ টার সংবাদ। তারিখ: ১৬-১১-২০২২ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম :


ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহের উদ্বোধন - অগ্নি নির্বাপকদের ‘দুঃসময়ের বন্ধু’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বললেন, ফায়ার সার্ভিসকে সর্বোচ্চ সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে কাজ করছে সরকার। 


আজ থেকে আবেদনকারীরা ঘরে বসেই পাবেন ড্রাইভিং লাইসেন্স - জানিয়েছেন সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী।


যারা পাকিস্তানই ভালো ছিল বলে স্লোগান দেয় সেই বিএনপির হাতে দেশ কখনও নিরাপদ নয় - মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর।


নতুন শিক্ষাবর্ষে স্কুলে ভর্তির জন্য অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে আজ।


পোল্যান্ডে রুশ ক্ষেপনাস্ত্রের আঘাতে দু’জন নিহত হওয়ায় বিশ্ব নেতৃবৃন্দের উদ্বেগ।


এবং স্বাধীনতা কাপ ফুটবলে আজ কুমিল্লায় বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন একাডেমীর মুখোমুখি হবে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব।

মঙ্গলবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২২

রাত সাড়ে আটটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/১৫ মঙ্গলবার

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ ।  

(১৫-১১-২০২২) 

আজকের শিরোনাম-


* ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহের উদ্বোধন - অগ্নি নির্বাপকদের ‘দুঃসময়ের বন্ধু’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বললেন, ফায়ার সার্ভিসকে সর্বোচ্চ সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে কাজ করছে সরকার। 


* আগামীকাল থেকে আবেদনকারীরা ঘরে বসেই পাবেন ড্রাইভিং লাইসেন্স - জানিয়েছেন সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী। 


* যারা পাকিস্তানই ভালো ছিল বলে স্লোগান দেয় সেই বিএনপির হাতে দেশ কখনও নিরাপদ নয় - মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর। 


* নতুন শিক্ষাবর্ষে স্কুলে ভর্তির জন্য অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হচ্ছে আগামীকাল। 


* দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও আটজনের প্রাণহানি। 


* যুদ্ধ বন্ধে রাশিয়াকে চাপ দিতে জি-টোয়েন্টি সম্মেলনে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের প্রতি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের আহবান। 


* এবং স্বাধীনতা কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে ঢাকা আবাহনী ও মুক্তিযোদ্ধা ক্রীড়াচক্র নিজ নিজ খেলায় জয়ী। 

রাসূল (সঃ) বলেছেন, কিয়ামতের দিন মানুষকে উলঙ্গ দেহে ও খাতনাহীন অবস্থায় কবর থেকে হাশরের ময়দানে জমায়েত করা হবে।'

 রাসূল (সঃ) বলেছেন, 

কিয়ামতের দিন মানুষকে উলঙ্গ দেহে ও খাতনাহীন অবস্থায় কবর থেকে হাশরের ময়দানে জমায়েত করা হবে।' 

একথা শুনে আমি জিজ্ঞেস করলাম, 

'হে আল্লাহর রাসুল! 

নারী পুরুষ সকলেই কি উলঙ্গ হবে? 

তারা কি একে অপরের প্রতি তাকাবে? (এরূপ হলে তো খুবই লজ্জার বিষয়)।' 

উত্তরে তিনি বললেন, 'হে আয়েশা! কিয়ামতের দিনটি এত কঠিন ও বিপদময় হবে যে, 

মানুষের মনে একে অপরের প্রতি তাকাবারও খেয়াল হবে না।’ 

(বুখারি-মুসলিম)


কিয়ামতের দিন 

রাসূল (স:) থাকবেন সবচেয়ে ব্যস্ত মানুষ।  পুলসিরাত, মিযানের পাল্লা,হাউসে কাউসার একসাথে ছুটাছুটি করতে থাকবেন 'ইয়া উম্মাতি'! 'ইয়া উম্মাতি'! বলে। 

জিব্রাইল আলাইহি ওয়াসাল্লাম উনাকে তুলবেন কবর থেকে। 

রাসূল (স:) জিজ্ঞেস করবেন,'কী ব্যাপার জিব্রাইল! আমার উম্মাত কী উঠেছে?' 

ওইদিকে আবার মূসা কালিমুল্লাহ আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরশের খুটি ধরে আছেন আর বলছেন 'ইয়া নাফসি! ইয়া নাফসি!' 

সেদিন ইমামুল আম্বিয়ার মুখে থাকবে 'উম্মাতি! উম্মাতি!' আর, সেদিন তাঁর পায়ে থাকবে দৌড় আর মুখে থাকবে আওয়াজ!

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইসি ওয়াসাল্লাম খুব অশান্ত ছোটাছুটি করছেন। হঠাৎ উনার মনে পড়ে, আমার উম্মাত ক্লান্ত, পিপাসার্ত নয়তো! ছুটে যান হাউজে কাউসারে। হ্যাঁ, এইতো পিপাসার্ত উম্মাত। নিজের হাতে হাউজে কাউসার থেকে পানি পান করাবেন আর বলবেন পান করো। আর কখনো তৃষ্ণার্থ হবে না।

হঠাৎ মনে হবে মিযানের সামনে দাড়ানো উম্মাতের কথা। ছুটে যাবেন সেখানে। দেখবেন উম্মাতের বাম পাল্লা ভারি হয়ে যাচ্ছে। 

পেরেশান, তিনি হয়রান!!!

অতঃপর দৌড়ে যাবেন দুরূদের পিটারার সামনে। যেখানে তাঁর জন্য পড়া দুরূদ উম্মাতের নামসহ একটা বক্সের মধ্যে জমা আছে। সেখান থেকে দুরূদ নিয়ে ডান পাল্লায় দিতে থাকবেন যতক্ষণ না তা বাম পাল্লা থেকে ভারি হয়ে যায়। 

মাক্বামে মাহমুদের পাশে উনার জন্য আসন পাতা থাকবে৷

আল্লাহ বলবেন۔ 'হে নবী বসুন।'

তিনি উত্তরে বলবেন, 'না বসবো না।' 

আল্লাহ্ বলবেন - 'জান্নাতে যান!' 

নবী (স:) বলবেন- 'না, যাবো না!' 

আল্লাহ্ বলবেন- 'জান্নাতের পোশাক পড়ুন!' 

নবী (স:) বলবেন- 'না, পড়বো না!' 

আল্লাহ্ বলবেন - 'বোরাকে উঠুন!' 

নবী (স:) বলবেন- 'না, উঠবো না। আমি চলে গেলে উম্মাতের কী হবে?'

কিয়ামতের দিন মানুষ তার ভাই থেকে, সন্তান থেকে, পিতা-মাতা থেকে পালিয়ে বেড়াবে। 

কিয়ামতের দিন এক রাসূল (স:) ছাড়া কেউ কাউকে চিনবেনা। 

অতএব রাসূল এর সূন্নাত ও আদর্শ অনুসারে জীবন তৈরি


কপি
পেস্ট

বাংলা নাটক ফেইসবুক থেকে

 ওয়েবফিল্ম : কফিন (২০২২)

ধরন-ঃ হররর,থ্রিলার 

পরিচালনা : রনি ভৌমিক

অভিনয়ে : মোশাররফ করিম, রোবেনা রেজা, অশোক বেপারী প্রমুখ। 

রান টাইম : ২৫ মিনিট


(নো স্পয়লার)


এক রাতে 'কফিন'র সাথে যাত্রা! যাত্রাপথে শরীরের রক্ত হিম হওয়ার মতো যদি অদ্ভুত কিছু ঘটনা ঘটতে থাকে তখন কেমন হয়? 


-----------------------------------------------


কফিন নিয়ে ছুটে চলেছে একটি লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্স। যাত্রাপথে লাশ ও গাড়ির ড্রাইভারের সাথে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনা। আসলেই কি এমন কিছু ঘটতে পারে? হ্যাঁ, রনি ভৌমিক নির্মিত 'কফিন'এ ঘটেছে অবিশ্বাস্য কিছু ভৌতিক ঘটনা। 


এই ভৌতিক যাত্রার সাথী হয়েছে ভূত প্রেতে বিশ্বাস না করা এক সাহসী অ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভার। কি ঘটেছিলো সে রাতের যাত্রায় সেটি দেখতে হবে 'কফিন'এ। ড্রাইভার চরিত্রে ছিলেন শক্তিমান অভিনেতা মোশাররফ করিম। সম্পূর্ণ ফিল্ম জুড়ে ক্যামেরার ফোকাস ছিলো প্রধানত মোশাররফ করিমের দিকে। 


মোশাররফ করিমের এক্সপ্রেশনকে ফিল্মের চুম্বুক অংশ বলে মনে হয়েছে আমার। মুহুর্তে এক্সপ্রেশন পরিবর্তন করার এক অদ্ভুত ক্ষমতা আছে তার। এধরণের কাজে মোশাররফ করিম এই প্রথম অভিনয় করলেন। সেদিক থেকে তার চরিত্রে পুরোপুরি সফল বলতে হবে। 


অন্য চরিত্রে রোবেনা রেজা, অশোক বেপারী সহ বাকিরা নিজেদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। মৃত সন্তানের বাবা চরিত্রে অশোক বেপারী অসাধারন অভিনয় দেখিয়েছেন। 


সত্যি বলতে হরর ফিল্ম ততটা দেখা হয় না, তাই দেখতে দেখতে বেশ ভয়ই পাচ্ছিলাম। লোকেশন, ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক ভৌতিক আবহে ইন্ধন দিয়েছে সফল ভাবে। তবে রান টাইমটা আরো বেশি হতে পারতো, খুব দ্রুত শেষ হয়ে গেলো। চাইলে  ডাউনলোড করে দেখে নিতে পারেন স্বল্পদৈর্ঘের এই ওয়েব ফিল্মটি।


Happy watching 🥰

কপি 

পেস্ট 


একটি বড় গল্প

 পাত্রপক্ষের সঙ্গে আসা সুদর্শন পাত্রকে দেখে পাত্রী জ্ঞান হারালো, এমন ঘটনা ইতিহাসে বিরল। অথচ এমনই একটা কান্ড ঘটিয়ে বসলো প্রিয়তা। সে কল্পনাও করতে পারেনি যে পাত্র কলেজের নুরুল স্যারের বড় ছেলে 'অভী' হবে। 

অপমানে মুখ থমথমে হয়ে গেলো অভীর। বাকিরা সবাই মেয়েটাকে নিয়ে পড়ে থাকলেও রাগে তার ব্রহ্মতালু ফেটে যাচ্ছে। তার মুখ দেখতে এতটাই কুৎসিত যে বাবার প্রিয় এই ছাত্রীটি তার মুখ দেখার সাথে সাথেই মূর্ছা গেলো?

প্রিয়তার চাচী তড়িঘড়ি করে পানি এনে ছিটা দিতে থাকলো মেয়েটার চোখে-মুখে। বেশ কিছুক্ষণ পর পিটপিট করে চোখ খুললো প্রিয়তা। মাথাটা ভনভন করছে। চট করে স্মরণ করতে পারলো না যে অজ্ঞান হলো ঠিক কি কারনে। যেই না মনে পড়লো, সেই মুখমন্ডল হয়ে গেলো বিবর্ণ। কি করলো বাবা? স্যারের ওই নিরামিষ ছেলেটার সাথে বিয়ে দেওয়ার জন্য এতবড় চক্রান্ত করলো? বাবা না বললো ছেলে আধবুড়ো? ওই লোকের ঘাড়েই নাকি প্রিয়তাকে বসিয়ে দিবে? যদিও প্রিয়তা জানতো এ মজার ছলেই বলা। তবে এখন অভীকে দেখে মনে হচ্ছে একটা আধবুড়ো ভুড়িওয়ালা বর-ই ভালো ছিলো। এ তো সাক্ষাৎ যম। বাবার মজার কথার ছলে তাই সে এটা ঘুণাক্ষরেও ভাবতে পারেনি যে ছেলেটা অভী হবে। 


নুরুল আলম বসা থেকে উঠে দাঁড়ালেন। এগিয়ে এলেন সোফায় মায়ের কোলে মাথা দেওয়া প্রিয়তার দিকে। নরম কন্ঠে বললেন,


' এখন ঠিকাছো প্রিয়তা?'


প্রিয়তা অকপটে চাইলো। সে জানে এই মানুষটা বাড়াবাড়ি রকমের স্নেহ করে প্রিয়তাকে। কলেজে থাকাকালীন অন্য সবার চোখেই এই বাড়াবাড়ি স্নেহটা পড়তো। তবে সে ভাবতো হয়তো সে প্রথম সারির ছাত্রী, নম্র-ভদ্র, রক্ষণশীল পরিবারের মেয়ে এজন্যই বোধহয় এতকিছু। তবে আজ প্রিয়তা স্পষ্ট বুঝলো কেন এত স্নেহের মূল কারন। প্রিয়তা উঠে সাবলীল ভাবে বসার চেষ্টা করলো। ওর মুখ হয়ে গিয়েছে নত৷ গালে লালাভ আভা। এতগুলো মানুষের সামনে এভাবে অভী কে দেখে বিস্ময়ে এমন কান্ড ঘটানোতে ওর নিজেকেই পৃথিবীর সেরা বোকা মনে হচ্ছে। আর প্রিয়তার ধারনা কমবেশি সবাই বুঝেছে সেটা। প্রিয়তা বলে উঠলো,


' ঠিক আছি স্যার।'


ব্যাস! প্রিয়তা নিশ্চুপ। তারপর প্রিয়তাকে ইশারায় নিয়ে যেতে বললো ওর বাবা। তাই হলো। যাওয়ার অনতিপূর্বে একঝলক দেখে নিলো অভীর রূপ। গালের একপাশ শুধু দেখা যাচ্ছে। লম্বাটে মুখের সেই নির্বিকার মুখ দেখে বোঝা গেলো না ছেলেটার প্রতিক্রিয়া। রুমে গিয়ে বিছানায় ধপ করে বসে পড়লো সে। ওকে ঘিরে বসলো ওর চাচাতো ভাই রুদ্র আর বোন অদ্রি। আর একজন অরিন যে ওর আপন বোন৷ রুদ্র-অদ্রি জমজ! প্রিয়তার সমবয়সী, একসাথেই তিনজন অনার্স তৃতীয় বর্ষে পড়ছে, তাই এই দুটোর সঙ্গেই তার বোঝাপড়া বেশি। ফ্যালফ্যাল করে সে চাইলো রুদ্র-অদ্রির দিকে। বলে উঠলো,


' তোরা জানতি?'


ভ্যাবাচ্যাকা খেলো দু'জন। কি বলবো বুঝে উঠতে পারলো না। প্রিয়তা কাঠ হয়ে পুনরুপি প্রশ্ন ছুঁড়লো,


' জানতি তোরা এ কথা?'


রুদ্র এবার বলে উঠলো,


' আজ সকালেই জেনেছিলাম!'


রুদ্র কথাটা বলতেই দেরি, তারপরই গালে সপাট করে চড়ের শব্দে কান ভোঁতা হয়ে গেলো ওর। চড়টা প্রিয়তাই মেরেছে। চোখে সরষে ফুল দেখছে এখন রুদ্র।  কিছুক্ষণ থম মেরে শেষমেশ গর্জে বলে উঠলো,


' আমার গালরে কি পাইসস তুই? তোর জামাইয়ের সম্পদ এটা যে কিছু হইলেই চড় মারস?'


' আগে বলিসনি কেন যে ছেলেটা অভী ভাইয়া?'


রুদ্র পরোয়া করলোনা প্রিয়তার কথায়। নিখাদ স্বরে অদ্রির কাধে বাহুর ভর করে বললো,


' আমি বলতে চয়েছিলাম। ছোট আব্বু তোকে বলতে দেয়নি। এমনিতেও গতরাত ছোটোআব্বু যখন তোকে বললো তোর বিয়ে এক বুইড়া ধেড়ী লোকের সাথে ঠিক করেছে মুখটা দেখার মতো ছিলো তোর। তাই ভেবেছিলো বুইড়া ব্যাডার সাথে এক্সচেন্জ হয়ে তোরই প্রাণপ্রিয় স্যারের বড় ছেলেকে দেখলে তুই সারপ্রাইজ হবি। কিন্তু যেই কান্ড ঘটালি বইন, জীবনেও ভুলবার মতো না। পাত্রদৃষ্টি হওয়ার সাথে সাথেই তুই ফিট খালি। আজ হুমায়ূন থাকলে তোর কাহিনী লিখলে হাসতে হাসতে মরে যেত সবাই।'


অদ্রিরও একই অভিরূপ। রুদ্র আর অদ্রি জমজ ভাইবোন হলেও ওদের বিরাট ফারাক। রুদ্র প্রানবন্ত হলেও ঠোঁটকাটা না, বাট অদ্রি গ্যাংস্টার। দুর্বোধ কথা দিয়েই বুক ফালা ফালা করে ফেলে। নিজের ভাইকে সায় দিয়ে সেও তুমুল উত্তেজনায় বললো,


' আরে তুই কি আসলেই মেয়ে প্রিয়তা? অভী ভাইয়া চরম একরোখা টাইপ হলেও ভার্সিটিতে তুমুল জনপ্রিয়তা। বিয়ে না-ই করতে পারলি তাই বলে দেখামাত্রই জ্ঞান হারাবি? জ্ঞান হারাবি ভালো কথা কষ্ট করে দু'পা এগিয়ে অভী মহাশয়ের বুকেই ঢলে পড়তি? উফফ! তাইলে তো পুরাই হতো সালমান শাহ্ টাইপ সিন হতো।'


মাথায় রাগ চেপে বসলো প্রিয়তার। ইচ্ছে করছে এই অসভ্য উজবুক মেয়েটার মুখে দাঁতে গোবর দিয়ে মাখামাখি করতে। অভী ভাইয়ার নাম শুনলেই বুক কাঁপে তার, এমন গম্ভীর মানুষটার সামনে দুদন্ড দাঁড়াতেই ভয় পেত এতকাল আর এই মেয়ে সরাসরি বুকে ঢলে পড়তে বলছে? প্রিয়তা তীক্ষ্ণ চাউনি দিলো। ব্যাধিগ্রস্থে বললো,


' ফাজলামো হচ্ছে? অশ্লীল কথাবার্তা বকবি না!'


' অশ্লীল কি বললাম আবার? আমি কি তোকে বলেছি তুই আব্বু, ছোটো আব্বু আর আমাদের ঠুনঠুনা দাদীজানকে সাক্ষী রেখে অভী ভাইয়া পুরু ঠোঁটে চু'মু খেতে?'


প্রিয়তা বাকশক্তি হারালো। রুদ্রর চোখে মুখেও ভাব নেই। যেন সে জানে ওর এই জমজ বোনটা এর থেকেও ভয়ঙ্কর কথাবার্তা বলতে পারে। প্রিয়তার কান দিয়ে গমগম করে বের হচ্ছে ধোঁয়া। ট্রেনের মতো সিটি বাজাচ্ছে। রুদ্রর তামাটে গালে চড় মারলেও ওর গাল রুদ্রর চেয়েও ভয়াবহভাবে লাল হয়ে আছে। দশম শ্রেণিতে পড়া অরিন নিজের ডোন্ট কেয়ার অদ্রি আপুর দিকে ফ্যালফ্যালিয়ে চেয়ে আছে। প্রিয়তা ঢোক গিললো। বললো,


' অভী ভাইয়ার ঠোঁট কেমন তুই এটাও খেয়াল করিস!'


' তো করবো না? হাজার হোক আমি তো তোর মতো নামেমাত্র মেয়ে নই। কোনো এক লেখক বলেছিলো মেয়ে মাত্রই তার কাজ পুরুষের প্রতিটা বৈশিষ্ট্য খুটিয়ে দেখা। আমার তো সেই ধারাটা বজায় রাখা উচিত তাই না রে? রুদ্র জীবনেও বলতে পারবো না কোন ছেলের ঠোঁট কান নাক  কেমন। এখন মাইয়ার কথা জিগা? হালায় মন্ত্র পড়ার মতো সব বলবো। এটাই স্বাভাবিক। মেয়ে তো ছেলের ঠোঁটই দেখবে। লেসবিয়ান তো না যে মেয়ের ঠোঁটের দিকে তাকাবে।'


হাল ছেড়ে দিলো প্রিয়তা। এদের সাথে কথা বলাই বেকার। প্রিয়তার অস্বস্তি  হচ্ছে। ভীষণ রকমের অস্বস্তি হচ্ছে। নিজের প্রিয় এবং সম্মানীয় স্যারের বড় ছেলে যে কি-না ওদেরই ইউনিভার্সিটির সিনিয়র স্টুডেন্ট। আর কিছুসময় পরই চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতোকোত্তর উপাধি নিয়ে বেরোবে তার সাথে নিজেকে ভাবতেই অন্যরকম লাগছে। আচ্ছা অভী কি জানে তার প্রতিক্রিয়া? সে কি জানে যে স্যারের এই গম্ভীর ছেলেটাকে প্রিয়তা যমের মতো ভয় পায়?

 

----


বাইরে নিকষ আঁধার। মনে হয়না এটা সন্ধ্যা। চট্টগ্রামে যেন সন্ধ্যা পেরোতে না পেরোতেই রাত হয়ে যায়। গহীন রাত। প্রিয়তার মুখ ভার। কেননা আজ বিয়ে পাকাপোক্তভাবে স্থির হয়েছে। এই মাসের শেষ শুক্রবারই আংটি পড়িয়ে দেবে। তারপর বিয়ে পড়াবে অভীর ইউনিভার্সিটির ফাইনাল ইয়ারের ইতির পর। 

মুনির সাহেব নিজের মেয়ের দিকে তাকিয়ে আছেন নিষ্পলকভাবে। কিন্তু প্রিয়তার কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। বোকা রমনীর মতো সে ঘড়ির টিকটিক কাটার দিকে দৃষ্টি রেখেছে যে একটু আগেই বললো নাকি জরুরি কথা আছে। সালেহা বানুও রীতিমতো ক্ষিপ্র মেয়ের কান্ডে। প্রথমত আজ বিকালে এত ভালো ভালো শাড়ি থাকতে ইচ্ছে করেই দাদীর সেই বাবা আমল যুগের বিশ্রি বেগুনি রঙের শাড়ি পড়ে গেছে। তারপর তো ঘটলো সিনেমা। পাত্রকে দেখার সাথে সাথেই মূর্ছা গেলো। অমন ভালো ছেলেকে দেখে মেয়ে এমন বিশ্রি কান্ড ঘটিয়ে ফেললো ভাবতেই লজ্জা লাগছে তার৷ মুনির সাহেব শেষমেশ নীরবতা কাটিয় বললো,


' কিছু বলবি প্রিয়তা?'


' বলার জন্যই তো এসেছি।'


ভ্রুকুটি করলো মুনির সাহেব। মেয়েটার ওপর রেগে যেতে ইচ্ছে করলেও চট করে রাগতে পারছে না। কেননা সে জানে একটু পরই তার স্ত্রী মেয়েকে ভয়াবহ একটা ঝাড়ি দিবে কোনো না কোনো কথার জন্য৷ দুজনের একসাথে কড়া হওয়া মানায় না। তাই বলে উঠলো,


' কি বলবি বল?'


প্রিয়তা এবার ঢোক গিললো। আম্মার দিকে একঝলক ভয়ার্ত চোখে তাকিয়ে বললো,


' আব্বু আমি এই বিয়ে করবো না?'


মুনির সাহেব নিশ্চল। যেন জানতেন এমন কিছুই হবো। কোনো কথা বললো না সে। আনমনে চায়ের কাপে চুমুক দিলো। প্রিয়তা অবাক। ভীষণ অবাক। সে তো প্রতিক্রিয়া দেখানোর মতোই কথা বলেছে। তাহলে এরা এমন করছে গেলো। সবাইকে ওই যমদূত তাবিজ টাবিজ করে ফেলেছে নাকি? প্রিয়তা পুনরায় ঢোক গিললো। স্থির করলো নিজেকে। এদে রমতিগতি ভালো দেখাচ্ছেনা। মনে হচ্ছে একটা কান্ড ঘটবে। খুবই ভয়াবহ কান্ড ঘটবে বাইরের শীতল হাওয়ারমমতো। সে বললো,


' শুনেছো কি বলেছি?'


' শুনলাম তো?'


বাবার একচ্ছটা বিহেভ প্রিয়তাকে বিস্ময়ে নিয়ে যাচ্ছে। বলে উঠলো,


' কিছু বলবে না?'


' কি বলবো?'


' এইযে আমি বিয়ে করবো না শুনে কিছু বলবে না? চড় থাপ্পড় মারবেনা?'


' বিয়েটা কেন করবিনা শুনি?'


প্রিয়তা কথা খুঁজে পেলো না। আমতা আমতা করে বললো,


' এমনেই।'


' এমনেই যেভাবে আমায় বলেছো ওমনেই তোর বড় আব্বুকে বল। নুরুল স্যারের ছেলের সাথে তোর বিয়ে তোর চাচাই ঠিক করেছে বুঝলি? তাকে বল।'


প্রিয়তা এতক্ষণে বুঝলো বাবার নির্বিকারে থাকার কারন। কোনো এক কারনে বড় আব্বুকে প্রিয়তা ভীষণ ভয় পায়। প্রিয়তা বুঝতে পারেনা তার বাবার মতো এত দুর্দান্ত  মানুষের এমন ক্যাটক্যাটে ভাই কিভাবে হলো। এরা ভালোমতোই জানে, আর  যাই হোক! বড় আব্বুর মুখের ওপর প্রিয়তা এজীবনে না বলতে পারবে না। অথচ বলা প্রয়োজন। প্রিয়তার দুশ্চিন্তায় মাথা ফেটে যাচ্ছে। যদি ভার্সিটিতে জানাজানি হয়ে যায় ভার্সিটির সিনিয়র ব্রিলিয়ান্ট স্টুডৃন্ট রিদওয়ান আহমেদ অভীর সাথে প্রিয়তার বিয়ের কথাবার্তা চলছে ব্যাপারটা দাবানলের মতো ছড়িয়ে যাবে। চট্টগ্রাম ইউনিভার্সিটির প্রীতিলতা হলের সামনে স্টলে বসা পুলু মামাও জিজ্ঞেস করবে,


' কি গো আফা, তোমার নাকি অভী ভাইজানের সাথে বিবাহ হইয়াছে?'


না হলেও এরা ধরে নিবে হয়েছে। প্রিয়তা মুখ থমথমে অবস্থায় বসে রইলো। অসহ্য লাগছে তার। এর একটা বিহিত করতেই হবে। অভীকে সে বিয়ে করবে না। কিছুতেই না।


______________


রোদ উঠেছে আকাশে। সে রোদ আবছাভাবে ছড়িয়ে পড়ছে সারা উঠোনে। সকালের এই রোদটা ভীষণ মিষ্টি। প্রিয়তা প্রতিদিনই এসময় বাড়ির সামনে থাকা বাগানে পানি দিতে আসে। প্রিয়তাদের বাড়িটা সুন্দর৷ সামনে বিশাল ফাঁকা জায়গা। দক্ষিণ পশ্চিম পাশে একটা কৃষ্ণচূড়া গাছ ছাদের দিকে বাকিয়ে আছে। বসন্তকালে তখন সেটা অবর্ণণাতীত সুন্দর দেখায়।বাড়িটা তার মরহুম দাদাজানের।  যৌথ পরিবারে থাকার সুবাদে ছোটোবেলা থেকেই রুদ্র অদ্রির সাথে ওর বোঝাপড়া। আরও কয়েকটা গিনিপিগ আছে৷ সবমিলিয়ে হৈ হুল্লোড়ে মশগুল তাদের এই সাখাওয়াত ভিলা।।


দাদীজান উঠোনে ভর্তা বানাচ্ছে। কাঁচকলা ভর্তা৷ একটু পরই সব গিনিপিগ হৈ হৈ করে ছুটে চলে আসবে দাদীর ভর্তা খাওয়ার জন্য৷ দাদী এবার বললো,


' ওই প্রিয়তা যা পাকের ঘর থেইকা ধনিয়া পাতা লইয়া আয়।'


মুখ ভেংচালো প্রিয়তা।  বললো,


' গাছে সার দিচ্ছি দেখো না। তুমি নিয়ে আসো যাওগে। আমার ঠেকা পড়ে নাই।'


' কয় কি মাইয়াডা দেইখা যাও কেউ। এই মাইয়ারে নাকি পরের বাইতে পাঠাইবো। শ্বাশুড়ি তো ঝাড়ু দিয়া পিটাইবো বুঝলি?'


প্রিয়তা পরোয়া করলো না। বললো,


' শ্বশুরবাড়িতে কি হইবো তোমার না ভাবলেও চলবো। আমি এখন বিয়ে করবো না। খবরদার বুড়ি কানপড়া দিবা না।'


রুদ্র একসাইডে বসে সাইকেল ধুচ্ছে। গতকাল বৃষ্টিতে সাইকেল চালিয়ে কাদায় মাখামাখি অবস্থা করে ফেলেছিলো৷ তখনই এসে পড়লো সায়রা বানু। বললো,


' এই প্রিয়তা। এই সব ময়লা পানি ফটাফট বাইরে ফেলে দে। একটু পর অভী আসবে। তোর নুরুল স্যার ফোন করেছিলো। কি যেন পাঠাবে তার সাথে।'


মুখ বিবর্ণ হয়ে গেলো প্রিয়তার। বললো,


' আসুক গে। আমার কি কাজ?'


' তোর কি কাজ মানে? তোরই তো সব কাজ। শোন এখনই এসব ছালাবালা জামাকাপড় পাল্টে ভালো জামা পড়। খবরদার দাদীর বিশ্রি কাপড়গুলো পড়বি না। অভী আসবো, তার সাথে মিষ্টি মিষ্টি কথা বলবি৷ এমনিতেও গতকাল ভয়াবহ কান্ড করেছিস তুই৷ আরেকবার এমন কিছু করলে বেলচা দিয়ে পেটাবো!'


অন্ধকার নামলো প্রিয়তার চোখেমুখে।  সেই সাথে চাপা ক্ষোভও। দাদী ফোকলা দাঁতে হাসছে। পান খাওয়া মুখটাতে কদাকার সেই হাসি৷ প্রিয়তা হাল ছাড়লো। এক হাতে বেলচা নিয়ে আগাছাগুলো কুড়োলো। তারপর ময়লা পানির বালতি দিয়ে চলে গেলো রাস্তার গেটের দিকে। শ্রীশদাস লেনের বরাবরই ওদের বাড়ি। উঠোনের একপাশে মার্বেল পাথরের রাস্তা পেরিয়ে গেট খুললেই লেনের রাস্তা। প্রিয়তা পানিগুলো রাস্তায় ফেলার জন্য উদ্যত হলো৷ ও প্রতিদিনই বাড়ির সামনের রাস্তাটি পানি দিয়ে ভিজিয়ে দেয় যাতে ধুলো না পড়ে। গেট খুলে স্বভাবসুলভ ভাবে পানি ছুড়ার জন্য উদ্যত হলো প্রিয়তা।  তবে হলো অন্যকিছু্। পরিস্থিতি তার নিয়মিত ধারা পাল্টে আজ অন্যকিছুই চেয়েছিলো প্রিয়তার কাছে। প্রিয়তা বোকার মতো দাঁড়িয়ে আছে। ডান হাতে খালি বালতি, বাম হাতে বেলচা। সামনে অভী, সমস্ত ময়লা পানি গায়ে মাখামাখি হয়ে আছে। ছেলেটার ধারালো চোয়াল, চোখে মুখে বিস্মের আভা। চুলগুলো ভিজে টুইটুম্বুর। গহীন চোখজোড়া দৃষ্টি ফেলেছে প্রিয়তার তটস্থ মুখের ওপর। বাবার পাঠানো হাতে বগুড়ার দইয়ে সে পানি ঢুকেছে কি না কে জানে!

অভী অবাক পানে তাকিয়ে রইলো বোকাসোকা মেয়েেটার দিকে। গতকাল তাকে দেখে জ্ঞান হারালো, আজ তাকে দেখে গায়ে পানি ছুঁড়ে মারলো। এই মেয়ে বোধহয় পণ করেছে পদে পদে অভীকে অপমান করে বেড়াবে। অভীর মনে হচ্ছে যেন পুরো পৃথিবী ওকে নিয়ে হাসছে। রুদ্র এদিকে সাইকেল নিয়ে আসতে আসতেই থমকালো। দেখামাত্রই গলা ফাটিয়ে বললো,


' ছোটআম্মু জলদি আসো, প্রিয়তা অভী ভাইয়ার গায়ে গোবরসহ ময়লা পানি ফেলে দিয়েছে!'

.

.

.

.

প্রিয়কাহন

লেখিকা - কায়ানাত আফরিন

পর্ব [১]


আসসালামু আলাইকুম। হুট করেই লিখা এই গল্পটি পোস্ট করলাম।  অল্প পর্বেই শেষ করবো এই গল্পটি। কেমন হয়েছে জানাবেন !

কপি
পেস্ট

ইরা চরিত্রে দাগ কাটলেন আইশা খান,,,,,,

 ইরা চরিত্রে দাগ কাটলেন আইশা খান

 
শিশুশিল্পী হিসেবে শোবিজে যাত্রা শুরু হবার পরে একটা সময় সিনেমাতেও কাজ করেছেন তিনি। তবে পরিনত বয়সে আলোচনায় আসেন ওয়েব সিরিজ ‘কন্ট্রাক্ট’ এর মাধ্যমে। তবে সম্প্রতি তিনি প্রশংসায় ভাসছেন সঞ্জয় সমদ্দারের ‘দাগ’ ওয়েব ফিকশনে অসাধারণ সুন্দর পারফরম্যান্স উপহার দেবার বদৌলতে। বলছি বা লিখছি এই সময়ের অন্যতম সম্ভাবনাময় অভিনেত্রী আইশা খানের কথা।

‘দাগ’ এ একজন জীবন যুদ্ধে প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করে যাওয়া তরুনী ইরা’র চরিত্রে আইশা খান শুধু আলো ছড়িয়েই গিয়েছেন যতোটা সময় স্ক্রিনে দেখা গেছে তাকে। না ঝকঝকে গ্ল্যামার বা মোহনীয় সৌন্দর্য দিয়ে নয় বরং নানা ধরনের লেয়ারের মধ্য দিয়ে ইরা চরিত্রটি সাবলীল এবং মনে দাগ কেটে যাবার মতো স্বতন্ত্র এক দক্ষতার সাথে স্ক্রিনে হাজির হয়েছেন আইশা। ট্রেলারে আইশা খানের চরিত্রটি নিয়ে একটা আগ্রহ থাকলেও ফিকশনে প্রথমে এক রহস্যময়ী নারী হিসেবে হাজির হয়েছেন তিনি। ডাস্টবিনে ফেলে যাওয়া একটি শিশুর দায়িত্ব যখন কোন দম্পতির কাছে সোপর্দ করা হবে এই নিয়ে ওসি আলমগীর রূপে মোশাররফ করিম জটিল সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন তখন রহস্য ঘেরা একজন নারী হিসেবে আইশা খানের এন্ট্রি আলাদা মাত্রা নিয়ে আসে ফিকশনটিতে। একজন বাচ্চাকে কাছে পাবার জন্য একজন নারীর ব্যাকুলতা, চাওয়া এবং যেকোনো ভাবে বাচ্চাটার কাছাকাছি থাকার প্রবল ইচ্ছাধারী ইরা কখন যে আমাদের মনে দাগ কেটে যান তা আলাদাভাবে মনে রাখাই কষ্টসাধ্য হয়ে যায়। একজন অভিনেত্রী হিসেবে এখানেই তার স্বার্থকতা।
কপি
পেস্ট

যিনা,,,, আল-কোরআনের আয়াত হাদিসের আলো ফেইসবুক থেকে ীীীীীীীীীীীীীীীীীীীীীীীীীীীীীীীীীীীীীীীীীীীীীীীীীীীীীীী

 ‼️ যিনা কারীর লজ্জা স্থানের দূর্গন্ধে জাহান্নাম বাসী অস্থির হয়ে উঠবে!‼️


■■ যিনা কাকে বলে?


কোন কাজ গুলো যিনা?


যিনা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিন এবং যিনা করার পূর্বে এই হাদীসটিএকবার পড়ে নিন!!


■▪যিনা কী?


■▪শুধুই অবৈধ ভাবে মেলামেশা করাকেই যিনা বলা হয়?


■▪না!!


   হাদীসের ভাষায় যিনা বহু প্রকারে বিভক্ত। যেমনঃ


 ▪০১। কোন বেগানা নারী অথবা পুরুষের প্রতি দৃষ্টি দেওয়া চোখের যিনা!


 ▪০২। যৌনতা সম্পর্কিত অশ্লীল কথাবার্তা বলা জিহ্বার যিনা!


 ▪০৩। বিবাহ সম্পর্ক ছাড়া অবৈধ ভাবে কাউকে স্পর্শকরা হাতের যিনা!


 ▪০৪। ব্যাভি চারের উদ্দেশ্যে হেঁটে যাওয়া পায়ের যিনা!


 ▪০৫। সে সম্পর্কিত খারাপ কথা শোনা কানের যিনা।


 ▪০৬। যিনার কল্পনা করা ও আকাংখা করা মনের যিনা!


 ▪০৭। অতঃপর লজ্জাস্থান একে পূর্ণতা দেয় অথবা অসম্পূর্ণ রেখে দেয়!


-----(বুখারী, মুসলিম, সুনানে আবু দাউদ, সুনানে আন-নাসাঈ)!


   অথচঃ আমরা কেবলমাত্র সর্বশেষ ধাপ টিকেই যিনা মনে করে থাকি! এবার ভেবে দেখুন আপনি এসব কাজের কোনো একটির সাথে জড়িত ননতো?


■■ যিনা স্পষ্ট হারামঃ


আল্লাহ তা'আলা যিনাকে হারাম ঘোষণা করে বলেনঃ -------"তোমরা যিনার ধারের কাছেও যাবে না। কেননা তা অত্যন্ত নির্লজ্জ এবং খারাপ কাজ।"


-----(সুরা বনী-ইসরাঈল আয়াতঃ ৩২)


■■ যিনার শাস্তিঃ


যিনার শাস্তি অত্যন্ত ভয়াবহ! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আ'লাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ


---------"আমি স্বপ্নে একটি চুলা দেখতে পেলাম। যার উপরের অংশ ছিল চাপা আর নিচের অংশ ছিল প্রশস্ত। আর সেখানে আগুন উত্তপ্ত হচ্ছিল এবং ভিতরে নারী পুরুষরা চিল্লাচিল্লি করছিলো! আগুনের শিখা উপরে আসলে তারাও উপরে উঠছে, আবার আগুন স্তিমিত হলে তারা নিচে যাচ্ছিলো! সর্বদা তাদের এঅবস্থা (এমন)চলছিলো! আমি জিবরাঈল(আঃ )কে জিজ্ঞেস করলামঃ এরা কারা???"


 ▪জিবরাঈল(আঃ) বললেনঃ


-------"তারা হলো অবৈধ যৌনচারকারী নারী ও পুরুষ!"


-----(বুখারী)


■■ যিনা কারীর লজ্জা স্থানের দূর্গন্ধে জাহান্নাম বাসী অস্থির হয়ে উঠবে!


■▪সেদিন যিনা কারীকে পিপাসা মেটানোর জন্য এই পঁচা পানিই পান করতে দেওয়া হবে!


   তাই সবারই উচিত প্রেমিক-প্রেমিকা নামের বিবাহ বহির্ভূত এই সব শয়তানি সম্পর্ক বাদ দেওয়া।


আল্লাহ আমাকে সহ সবাইকে সকল ধরনের গুণহা থেকে দুরে থাকার তৌফিক দান করুন। আমিন

কপি
পেস্ট

জীবন থেকে নেয়া,,,, অতীত ফেইসবুক থেকে নেওয়া

বিয়ের ৭ মাস পর আমার স্বামী আমাকে ডিভোর্স দিলো ৷ সীমাহীন কষ্ট বুকে নিয়ে স্বামীর বাড়ি ছেড়ে বাপের বাড়ি গিয়ে থাকতে হল ৷ বাবা, মায়ের কথামত মদখোর স্বামীকে ডিভোর্স দিতে একপ্রকার বাধ্যই হই ৷ তবে আমার স্বামীরই চাওয়া ছিল আমার সাথে সে সংসার করবেনা ৷ বাপের বাড়ি সুখে-দূঃখে দিন অতিবাহিত হলেও পাড়া-প্রতিবেশী তথা সমাজের লোকদের কটু কথা শুনতে শুনতে জীবনটা বিষিয়ে উঠছিল ৷ বিরক্তিকর প্রতিটা সময় কাটিয়ে যাচ্ছিলাম ৷ একেক জনের একেক রকম কথা ৷ একেকটা কথা বুকে তীরের মত হয়ে বিঁধতে থাকে ৷ কেউ কেউ বলতো, “দেখো কি অপয়া মহিলা, বিয়ে না হতেই তালাক দিয়ে আসছে; নিশ্চয় আরেক ভাতারের উপর নজর পড়েছে!" কেউ তো বলতো, “স্বামীর ঘর তার ভাললাগেনা, গোপনে পর-পুরুষের সাথে নোংরামী করতে স্বামীকে তালাক দিয়ে আসছে!" আরো যত প্রকার বাজে কথা আছে শুনতে হচ্ছিল ৷ অথচ যখন স্বামীর অমানসিক নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে শ্বশুর বাড়ি থেকে বাধ্য হয়ে বাপের বাড়ি চলে আসতাম, তখন এসব প্রতিবেশীরা বলতো, “ঐ কসাই জামাইকে ছেড়ে আসো, কত মেয়ে তালাক দিয়ে চলে আসছে! পারলে নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা করো!"'


আর আজ তাদের মুখে এসব কথা হারিয়ে গেছে ৷ উল্টা এখন আমার উপর তারা অকথ্য ও অসহনীয় কটু কথা নিয়ে এসে মুখের উপর ছুঁড়ে মারছে! 

.

বাবা, মায়ের অনুপ্রেরণায় আমি এসব সহ্য করে চলতে থাকি ৷ বাবা, মা আমার জন্য পাত্র দেখা শুরু করলে তাদের সোজাসাপ্টা বলে দিই, “আমি বিয়ে করব না"! কিন্তু তারা আমাকে জোর করতে লাগল ৷ তাদের ভাষ্য বিয়ে করতেই হবে আমাকে! 

জীবন শুরু না হতেই ধ্বংসের কাছাকাছি চলে গিয়েছিলাম ৷ সেই আমাকে আবারো ধ্বংসের মধ্যে পা ফেলতে হবে ভাবতেই কষ্ট লাগছিল ৷ তবুও বাবা, মায়ের কথামত দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে বসতেই হল! 

কতদিন আর বাবা, মায়ের আন্ডারে কাজ করব? এসএসসি পর্যন্ত পড়াশোনা করে কি বা চাকরির আশা করতে পারি? যেসব কোম্পানিতে চাকরির জন্য যাওয়া হয় তারা কুপ্রস্তাব করে বসে ৷ নিজের মান সম্মানকে জলাঞ্জলি দিয়ে জব করব এটা কল্পনাও করতে পারিনা! 


বিয়ে করে নিলাম ৷ আমার নতুন স্বামীর নাম ফাহাদ চৌধুরী ৷ উচ্চ মধ্যবিত্ত পরিবার! সংসার জীবনের প্রতি অনীহা তৈরি হয়ে আছে ৷ এরপরও ভয়ে আছি! সবসময় ভাবি ফাহাদ আগের স্বামীর মত যেন না হয়! সংকল্প করলাম ফাহাদকে মনপ্রাণ উজার করে ভালবাসা দেব! সেই মোতাবেক চলছিল আমার সংসার জীবন! 

প্রথম তিনদিন ভালই চলছিল ৷ কিন্তু তিনদিন পর আমাদের বাসায় ফাহাদের কাজিন আসলো ৷ সব সময় ফাহাদের সাথে তার কথা বার্তা আর ঢলাঢলি দেখে মোটেও সহ্য হলোনা ৷ এক রাতে ফাহাদকে ধীরস্থীর ভাবেই বললাম,

___আপনার কাজিনের সাথে এত কথাবার্তা মোটেও ভাললাগছেনা! 

.

ফাহাদ এর জবাবে কিছুই বললনা শুধু মুচকি হাসলো ৷ পরের দিন সকালে তার কাজিন বাসা থেকে চলে গেল ৷ ৫ দিন আমাদের বাসায় ছিল ওর কাজিন! 

আমি হাঁপ ছেড়ে বাঁচলাম সে চলে যাওয়ায় ৷ ফাহাদ জব নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লো ৷ রাত ১০ টার আগে ফিরতোনা একটা রাতও ৷ বড় একা হয়ে গেলাম ৷ রাতে এসেই সে না খেয়েই ঘুম ৷ বলে খেয়ে আসছে ৷ রাগে কষ্টে দূঃখে একা একা জোর করে দু-মুঠো ভাত খেতে হতো! 

বুঝতে পারলাম আবারো আমি সেই নরকের মধ্যে এসে পড়েছি ৷ দম বন্ধ হয়ে আসছিল দিনকে দিন ফাহাদের আচরণে! তাকে অফিস টাইমের ফাঁকে ঠিক দুপুর বেলায় ফোন দিয়েও একটা মিনিট কথাও বলতে পারতাম না ৷ বলতো ব্যস্ত ৷ এভাবেই চলছিল! 

শ্বাশুরি আম্মার ভালবাসা পেয়ে এবং ওনার অনুপ্রেরণায় মনে একটুর জন্য হলেও সাহস সঞ্চয় করি যে ঝড়ের পর শান্তি আসবেই! 

.

আমি তখন ৭ মাসের অন্তসত্তা ৷ ফাহাদ অফিস যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে ৷ আমি ভেবেছিলাম হয়তো চাকরি চলে গেছে তাই হয়তো অফিসে যাচ্ছেনা ৷ তার মন মরা চেহারা দেখে বলার সাহসও পেতাম না যে কেন অফিসে যাচ্ছনা? সাহসই হয়ে উঠতোনা ৷ তবে যতদিন ধরে সে অফিস যাচ্ছেনা ততোদিনে লক্ষ্য করলাম সে আমাকে ঘরের একটা কাজও করতে দেয়না সব কাজ সেই করে ৷ এমনকি আমাকে গোসল পর্যন্ত করিয়ে দিতো ৷ চুল আঁচড়ে দেওয়া, রাত্রে মাথা বুলিয়ে দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে দেওয়া, নিচতলা থেকে উপর তলায় সিড়ি বেয়ে আমাকে ওঠা নামা করানো সব করতো ৷ তার এমন ভালবাসা পেয়ে ভুলেই গেলাম ফেলে আসা ১১ টা মাসের কথা ৷ মনে হলো আমি ভালবাসার স্বপ্নপুরীতে বাস করছি প্রিয়তম স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে ৷ আমার হ্নদয় একটাবারের জন্যও বলে উঠলো, “আমি আমার স্বামীর প্রেমে পড়ে গেছি!" 

.

সেদিন গায়ে খুব জ্বর ছিল ৷ প্রসব বেদনাও উঠেছে ৷ মনে হচ্ছিল হাজারো চাকু দিয়ে লজ্জাস্থানে আঘাত করা হচ্ছে, মাথায় পেড়েক ঢুকানো হচ্ছে আর বুকে অসংখ্য হাতুড়ির পিটুনি দিচ্ছে শতশত লোক! হাসপাতালে নেওয়া হয়নি আমাকে ৷ দাই, আমার আম্মা, শ্বাশুরি পাশে বসা ছিল ৷ আমি বারবার শুধু ফাহাদের নাম বলে চিৎকার করছিলাম আর অসহ্য যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে মাতালের মত উল্টাপাল্টা বকছিলাম ৷ আমার স্বামী চাচ্ছিল আমার পাশে আসতে ৷ কিন্তু দাই আমার স্বামীকে আসতে দিচ্ছিলেন না ৷ ফাহাদ আমার চিৎকার চেঁচামেচি আর ব্যাথায় গোঙানী শুনে সহ্য করতে না পেরে বাচ্চা ছেলেদের মত কাঁদছিল ৷ খোলা দরজার ফাঁক দিয়ে ফাহাদের অশ্রুভেজা মুখটা লক্ষ্য করছিলাম ৷ যখন প্রসব বেদনা বেড়ে গেল তখন আর ফাহাদ নিজেকে শামলাতে পারলোনা ৷ ঢুকে পড়লো রুমে ৷ ফূঁপিয়ে কাঁদতে কাঁদতে সে আমার মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে বারবার বলছিল, “কিচ্ছু হবেনা তোমার, আমি পাশে আছি ৷ আমার আল্লাহ তোমার কোনো ক্ষতি করবেনা!" 

ফাহাদের এমন ভালবাসা মিশ্রিত সহানুভূতির ও সাহস যোগানো কথাগুলো শুনে দু-চোখ শীতল হয়ে গেল সুখের অশ্রুতে ৷ অন্যরকম ভাললাগা হ্নদয়ে এসে ভড় করলো ৷ ভুলে গেলাম আমি সন্তান ভূ্মিষ্ট করতে যাচ্ছি ৷ এর পনের মিনিট পরপরই আমার মনে হলো জ্ঞান হারিয়েছি ৷ তার দু মিনিট পর নবজাতক শিশুর কান্নার আওয়াজ শুনলাম ৷ বূঝতে পারলাম আমি মা হয়েছি ৷ ফাহাদের ভালবাসার প্রতিফল পেয়েছি! ফুটফুটে মেয়ে সন্তান হয়েছে আমাদের ৷ ওর বাবা ওকে কোলে তুলে নিলো ৷ ফাহাদের মুখে হাসি ৷ দু-চোখ অশ্রুতে ভেজা! বুঝতে পারলাম এই দিনটার অপেক্ষাতেই সে ছিল! 


.

যখন আমার মেয়ে অনিতার বয়স ১৯ তখন মেয়েটা এক ছেলের খপ্পরে পড়লো ৷ অনার্স প্রথম বর্ষে ভর্তি হবার টাকা চেয়ে বাসা থেকে বের হলো ৷ কিন্তু সন্ধ্যা হয়ে যায় তার ফেরার কোনো নাম গন্ধ নাই ৷ রাত্রে ফোন দিয়ে আমাকে শুধু বলল, “আমি পালিয়েছি মা, এছাড়া কোন উপায় ছিলনা, আমাকে ক্ষমা করে দিও!" 

এত বেশি কষ্ট পেয়েছিলাম যা ভাষায় প্রকাশ করা যাবেনা ৷ ওর বাবা খবরটি পেয়ে আমার সামনে শুধু মুচকি হেসেছিল ৷ কিন্তু লুকিয়ে ছাদে গিয়ে কখনো মধ্যরাতে ঘুম থেকে জেগে সে কি কান্নার কান্না ৷ কতটা কষ্ট পেয়েছিল সেটা তার চোখ মুখের দিকে তাকালে বুঝতে পারা যেত! মনে মনে বলতাম, “হয়তো জীবনে অনেক বড় পাপ করেছিলাম সেটার শাস্তি আজ পাচ্ছি, আমার স্বামীকেও শাস্তি দিচ্ছি!" 


অনিতা বাড়ি ছাড়ার ২ মাস সাত দিন পর বাসায় চলে আসলো ৷ আমাদের সাথে কোনো কথা বললোনা! 

হাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির এডমিশন পেপার ধরিয়ে দিলো ৷ বুঝতে পারলাম সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে ৷ ওর বাবা এখনো রেগে আছে মেয়ের উপর! কিন্তু যখন অনিতা বলল,

___তোমরা কেমনে ভাবলে আমি তোমাদের এত ভালবাসা পেয়ে বড় হয়েছি সেই আমি এতবড় ভুল করব? এইচএসসিতে অনেক ভাল রেজাল্ট করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য চেষ্টা চালাচ্ছি ৷ সবই তোমাদের ভালবাসায় সহযোগিতায় ৷ সেই আমি কারো সস্তা ভালবাসার টানে তোমাদের ভালবাসাকে কবর দিয়ে বাড়ি ছাড়ব? কখনো না! আমাকে তোমরা যতটা ভালবাসো তারচেয়ে বেশি তোমাদের ভালবাসি! হ্যাঁ, আমি সেই মানুষটার জন্য তাকে পরীক্ষার ছলে বাড়ি ছেড়েছিলাম এটা সত্য, তাকে পরীক্ষাও করেছি কিন্তু সে সফল হয়নি ৷ আমি আগে পরে কখনোই তার জন্য চিরতরে বাড়ি ছাড়তাম না ৷ সে আমার নেওয়া পরীক্ষায় সফল হলে সম্পর্ক চালিয়ে যেতাম কিন্তু সে সফল হয়নি ৷ আর এটা করে আমি নিজের ভবিষ্যতটা খুঁজে নিয়েছি ৷ তোমাদের ভালবাসাকে উপেক্ষা করিনি তবে নিজেকে নিয়ে গেম খেলেছি ৷ দুটা মাস বাইরে ছিলাম স্টাডির জন্যই ৷ তোমাদের ছেড়ে থাকা কষ্টসাধ্য ছিল ৷ তাই এমনটা করে দূরে থাকার চেষ্টা করেছি ৷ আমাকে ক্ষমা করে দিও!" 

.


.ফাহাদ আমাদের মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে দিয়ে শুধু বলল, “অনেক বড় হয়ে গেছো, মায়ের মত বোকা হওনি; বুদ্ধিমতি হয়েছো ৷ তবে একটা কথা মনে রেখো জীবনে কিছু ভুল করতে নেই যে ভুলের কোন ক্ষমা হয়না ৷ তেমনি একটা ভুল প্রেমিকের হাত ধরে বাড়ি ছেড়ে পালানো!"

.

.

জীবন থেকে নেওয়া 

কপি

পেস্ট

চার্লি চ্যাপলিন- আমাদের জন্য চারটি গুরুত্বপূর্ণ কথা রেখে গেছেন।,,,,

৮৮ বছর বয়সের চার্লি চ্যাপলিন- আমাদের জন্য চারটি গুরুত্বপূর্ণ কথা রেখে গেছেন।


১) জগতে কোনো কিছুই চিরস্থায়ী না। এমনকি আমাদের সমস্যাও না।

২) আমি বৃষ্টিতে হাঁটি যেন কেউ আমার অশ্রু দেখতে না পায়। 

৩) যেদিন হাসলাম না সে দিনটি নষ্ট করলাম। দেহের যন্ত্রণা থেকে তাই মুখের ঠোঁটকে সবসময় আলাদা রাখি।

৪) জগতে সবচেয়ে ভালো ছয় জন ডাক্তার হলোঃ

   সূর্য, 

   বিশ্রাম, 

   শরীর চর্চা, 

   পরিমিত খাবার, 

   আত্ম মর্যাদা এবং 

   বিশ্বস্ত বন্ধু। 


এই ছয় ডাক্তারের সাথে সুসম্পর্ক যার, সুন্দর শরীর আর দেহ মন তার।তুমি যদি চাঁদের সৌন্দর্য্য দেখো, তবে স্রষ্টার সৌন্দর্য্য কিছুটা হলেও অনুভব করতে পারবে।যদি তুমি সূর্য দেখো, তবে মহাপরাক্রমশালী বিধাতার ক্ষমতার নিদর্শন একটু হলেও বুঝতে পারবে।

আর তুমি যদি আয়নায় নিজের চেহারার প্রতিফলন দেখো, তবে ঈশ্বরের সবচেয়ে সুন্দর সৃষ্টি তুমি দেখতে পাবে।


আমরা সবাই যার যার গন্তব্যের পথে অভিযাত্রী। স্রষ্টা এই যাত্রাপথের মহাপরিকল্পনাকারী। কারো যাত্রা শুরু হচ্ছে, কারো যাত্রা শেষ হয়ে যাচ্ছে। মহাকালের হিসাবে এই যাত্রাপথ খুবই ক্ষণস্থায়ী ভাই। আজ আছি কাল নাই। ঘৃণায় সময় নষ্ট না করে তাই, এই যাত্রাপথটুকু ভালোবাসা দিয়েই উপভোগ করে যাই। 

কপি
পেস্ট

অতিরঞ্জিত কোন কিছুই ভালো না

 অতিরঞ্জিত কোন কিছুই ভালো না।


ছবিতে যাকে দেখছেন নাম মতিন।

বৃহত্তর নোয়াখালীর সন্তান।২০১৮ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার পতাকা উড়াতে গিয়ে বিদ্যুৎ পৃষ্ট হয়ে দুই হাত দুই পা হারিয়ে বসেন।বিশ্বকাপের উত্তেজনা তো শেষ ১ মাসেই কিন্তু মতিনের জীবনের উত্তেজনা আর ফিরেনি।ফিরেনি চঞ্চলতাময় তারুণ্য।মানবেতর জীবন যাপন করে চলছে মতিন।

পরিবার বয়ে চলছে তার গ্লানি।আর্জেন্টিনা, মেসি কিংবা ব্রাজিল,নেইমার আপনাকে দেখভাল করবে না।

আপনাকে আপনিই দেখভাল করতে হবে।


এমনও  অনেকে আছে তারুণ্যের উত্তেজনায় কত কিছু করে বসে।কখনো কখনো হাজার মাইল দূরের প্রিয় দল,খেলোয়াডদের সাপোর্ট করতে গিয়ে প্রতিবেশী ভাই বন্ধুকে গালি-তালি দিতেও পিছপা হয় না।

অনেকে ফল বাগান,ফসলি জমি বিক্রি করে অন্যান্য দেশের পতাকা সেলাচ্ছেন কঠিন ভাবে।

আর ব্রাহ্মণবাড়িয়া মাইরপিট তো লেগেই থাকে।

আবেগ যেন বিবেক গিলে না খায়

সেই দিতে নজর রাখা জরুরী।


খেলাধুলা বিনোদনের অংশ বিনোদনেই সীমাবদ্ধ থাকুক। 


সংগ্রহ

কপি
পেস্ট

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...