এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২২

প্রেম সম্পর্কিত গল্প,,,, অতিত,,,, ফেইসবুক থেকে

যৌবন বয়সে হাজারো মেয়ের সাথে চুটিয়ে প্রেম করা ছেলেটাও একদিন শুধু একজনের প্রেমে পড়ে। হাজারো মেয়ের মন ভাঙ্গা ছেলেটির মনেও একদিন শুধু একটি মেয়ে কড়া নাড়ে। শুধুমাত্র সেই মেয়েকে তুমুল ভাবে ভালোবাসে সে। এতোটাই ভালোবাসে যে, তার জন্য বোহেমিয়ান যুবকটি নিজেকে পুরোপুরি বদলে ফেলে। অগোছালো ছেলেটি নিজেকে একদম পরিপাটি করে ফেলে। 


তারপর সেই মেয়েটির সাথেই চোখে এক আকাশ পরিমান স্বপ্ন নিয়ে সংসার পাতে সে। দারুণ আড্ডাবাজ মানুষটি নিত্য দিনের নুন তেলের হিসাব করে তার বৌয়ের সাথে। সারাদিন ঘরের বাইরে থাকা ছেলেটির একদিন এমন সময়ও আসে যে, সে কেবল কাজের জন্য বাইরে থাকে। আর কাজ শেষে ঘরে ফেরার জন্য ছটফট করে বৌয়ের সাথে সময় কাটাবে বলে। 


এরপর সে একদিন সন্তানের বাবা হয়। একদম কেয়ারলেস ছেলেটি একদিন কেয়ারিং বাবা হয়। যে ছেলেটি একদিন ঘর সংসারের মানে কিছুই বুঝতো না, সেই ছেলেটিই একদিন পুরো সাংসারিক একজন মানুষ হয়ে যায়। যার পৃথিবী কেবল তার বউ আর সন্তানকে ঘিরেই আবর্তিত হয়। 


মানুষ বদলে যায়। সময় মানুষকে বদলে যেতে বাধ্য করে। আজকের উড়নচণ্ডী ছেলেটি কালকে কারো সত্যিকারের প্রেমে পড়ে, নিজেকে বদলে ফেলে। 

কপি

পেস্ট

কষ্টের জীবন,,,ইন্দো বাংলা বুক শপ থেকে নেওয়া

একবার এক পর্যটক মেক্সিকোয় গেলেন; জেলেদের মাছের খুব প্রশংসা করলেন। তারপর বললেন,

“আচ্ছা, মাছ ধরতে আপনাদের কত সময় লাগে?”

“বেশিক্ষণ না” জেলেদের এক কথার উত্তর।


“তাহলে আপনারা আরও বেশি সময় দিয়ে আরও বেশি মাছ ধরেন না কেন?” লোকটা প্রশ্ন করেন। জেলেরা বলেন, "আমরা যে মাছে ধরি তাতে আমাদের প্রয়োজন মিটে যায়"।

“তাহলে মাছ ধরার পর বাকি সময়টা আপনারা কী করেন?” লোকটা জিজ্ঞাসা করে। জেলেরা জবাব দেয়,

“আমরা ঘুমায়, মাছ ধরি, বাচ্চাদের সাথে খেলা করি, বৌয়ের সাথে খাই, সন্ধ্যায় বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেই, মজা করি, হাসি, গলা ছেড়ে গান গাই…”। পর্যটক তাদেরকে থামিয়ে বলেন,“আমি হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ করেছি। আমি আপনাদেরকে বুদ্ধি দিয়ে সাহায্য করতে পারি। আপনাদেরকে আরও বেশি সময় দিয়ে মাছ ধরতে হবে, বাড়তি মাছগুলো বিক্রি করে মাছ ধরার বড় নৌকা কিনতে হবে। ”


“তারপর?” জেলেদের প্রশ্ন।

“আপনারা বড় নৌকার সাহায্যে বেশি মাছ ধরবেন, বেশি আয় করবেন। সেটা দিয়ে আরও বড় দুটা, তিনটা বা আরও বেশি নৌকা কিনবেন। একসময় মাছ ধরার নৌবহর বানিয়ে ফেলবেন। তখন মধ্যসত্ত্বভোগী ব্যবসায়ীদের কাছে মাছ বিক্রি না করে, সরাসরি মাছ প্রসেসিং ফ্যাক্টরির সাথে বেচাকেনা করবেন। এক সময় নিজেরাই মাছ প্রসেসিং ফ্যাক্টরি খুলে বসবেন। তারপর অনেক ধনী হয়ে গ্রাম ছেড়ে মেক্সিকোর রাজধানী, আমেরিকার লসএঞ্জেলেস বা নিউ ইয়র্কে চলে যাবেন। সেখান থেকে আপনারা মেগা প্রজেক্ট চালু করবেন। ”


“এসব করতে কত সময় লাগবে?” জেলেদের প্রশ্ন।

“কুড়ি/পঁচিশ বছর তো লাগবেই।” জবাব দেয় পর্যটক।

“তারপর” জেলেরা প্রশ্ন করে।

লোকটা হেসে জবাব দেয়, “ব্যবসায় যখন আরও বড় হবে তখন আপনারা শেয়ার বাজারে যাবেন, মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার আয় করবেন।”


“মিলিয়র ডলার! ধরুন পেলাম মিলিয়ন ডলার। কিন্তু, তারপর?” জেলেরা সবিস্ময়ে প্রশ্ন করে। পর্যটক তখন জবাব দেন, “আপনারা তখন অবসরে যাবেন। শান্ত গ্রামে ফিরে এসে সমুদ্রের ধারে ঘুমাবেন, বাচ্চাদের সাথে খেলা করবেন, বৌয়ের সাথে খাবার খাবেন, সন্ধ্যায় বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিবেন, মজা করবেন…,”। তখন জেলেরা বলেন,

“সেই কাজটাই তো আমরা এখন করছি। তাহলে এই বিশ/পঁচিশ বছরের এই কষ্টের জীবনের মানে কী?”


(সংগৃহীত ও অনূদিত)

কপি

পেস্ট 

৯৩ সূরা আদ-দুহা,,,, পূর্বান্হের সূর্যকিরণ,,,,,

 



بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ


উচ্চারণঃ বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।


অর্থঃ শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।


সূরা আদ-দুহা (الضحى), আয়াত: ১


وَٱلضُّحَىٰ


উচ্চারণঃ ওয়াদদু হা-।


অর্থঃ শপথ পূর্বাহ্নের,


সূরা আদ-দুহা (الضحى), আয়াত: ২


وَٱلَّيْلِ إِذَا سَجَىٰ


উচ্চারণঃ ওয়াল্লাইলি ইযা-ছাজা-।


অর্থঃ শপথ রাত্রির যখন তা গভীর হয়,


সূরা আদ-দুহা (الضحى), আয়াত: ৩


مَا وَدَّعَكَ رَبُّكَ وَمَا قَلَىٰ


উচ্চারণঃ মা-ওয়াদ্দা‘আকা রাব্বুকা ওয়ামা-কালা-।


অর্থঃ আপনার পালনকর্তা আপনাকে ত্যাগ করেনি এবং আপনার প্রতি বিরূপও হননি।



সূরা আদ-দুহা (الضحى), আয়াত: ৪


وَلَلْءَاخِرَةُ خَيْرٌ لَّكَ مِنَ ٱلْأُولَىٰ


উচ্চারণঃ ওয়ালাল আ-খিরাতুখাইরুল্লাকা মিনাল ঊলা-।


অর্থঃ আপনার জন্যে পরকাল ইহকাল অপেক্ষা শ্রেয়।



সূরা আদ-দুহা (الضحى), আয়াত: ৫


وَلَسَوْفَ يُعْطِيكَ رَبُّكَ فَتَرْضَىٰٓ


উচ্চারণঃ ওয়া লাছাওফা ইউ‘তীকা রাব্বুকা ফাতারদা-।


অর্থঃ আপনার পালনকর্তা সত্বরই আপনাকে দান করবেন, অতঃপর আপনি সন্তুষ্ট হবেন।



সূরা আদ-দুহা (الضحى), আয়াত: ৬


أَلَمْ يَجِدْكَ يَتِيمًا فَـَٔاوَىٰ


উচ্চারণঃ আলাম ইয়াজিদকা ইয়াতীমান ফাআ-ওয়া-।


অর্থঃ তিনি কি আপনাকে এতীমরূপে পাননি? অতঃপর তিনি আশ্রয় দিয়েছেন।



সূরা আদ-দুহা (الضحى), আয়াত: ৭


وَوَجَدَكَ ضَآلًّا فَهَدَىٰ


উচ্চারণঃ ওয়া ওয়াজাদাকা দাল্লান ফাহাদা-।


অর্থঃ তিনি আপনাকে পেয়েছেন পথহারা, অতঃপর পথপ্রদর্শন করেছেন।



সূরা আদ-দুহা (الضحى), আয়াত: ৮


وَوَجَدَكَ عَآئِلًا فَأَغْنَىٰ


উচ্চারণঃ ওয়া ওয়াজাদাকা ‘আইলান ফাআগনা-।


অর্থঃ তিনি আপনাকে পেয়েছেন নিঃস্ব, অতঃপর অভাবমুক্ত করেছেন।



সূরা আদ-দুহা (الضحى), আয়াত: ৯


فَأَمَّا ٱلْيَتِيمَ فَلَا تَقْهَرْ


উচ্চারণঃ ফাআম্মাল ইয়াতীমা ফালা-তাকহার।


অর্থঃ সুতরাং আপনি এতীমের প্রতি কঠোর হবেন না;



সূরা আদ-দুহা (الضحى), আয়াত: ১০


وَأَمَّا ٱلسَّآئِلَ فَلَا تَنْهَرْ


উচ্চারণঃ ওয়া আম্মাছ ছাইলা ফালা-তানহার।


অর্থঃ সওয়ালকারীকে ধমক দেবেন না।


সূরা আদ-দুহা (الضحى), আয়াত: ১১


وَأَمَّا بِنِعْمَةِ رَبِّكَ فَحَدِّثْ


উচ্চারণঃ ওয়া আম্মা-বিনি‘মাতি রাব্বিকা ফাহাদ্দিছ।


অর্থঃ এবং আপনার পালনকর্তার নেয়ামতের কথা প্রকাশ করুন।


,,,,,,,,,,,,,,,,

৯৪ সূরা আল ইনশিরাহ,,,, বক্ষ প্রশস্তকরণ,,,,,,,,

 



بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ


উচ্চারণঃ বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।


অর্থঃ শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।


সূরা আল ইনশিরাহ (الشرح), আয়াত: ১


أَلَمْ نَشْرَحْ لَكَ صَدْرَكَ


উচ্চারণঃ আলাম নাশরাহলাকা সাদরাক।


অর্থঃ আমি কি আপনার বক্ষ উম্মুক্ত করে দেইনি?


সূরা আল ইনশিরাহ (الشرح), আয়াত: ২


وَوَضَعْنَا عَنكَ وِزْرَكَ


উচ্চারণঃ ওয়া ওয়াদা‘না-‘আনকা বিঝরাক


অর্থঃ আমি লাঘব করেছি আপনার বোঝা,


সূরা আল ইনশিরাহ (الشرح), আয়াত: ৩


ٱلَّذِىٓ أَنقَضَ ظَهْرَكَ


উচ্চারণঃ আল্লাযীআনকাদা জাহরাক।


অর্থঃ যা ছিল আপনার জন্যে অতিশয় দুঃসহ।


সূরা আল ইনশিরাহ (الشرح), আয়াত: ৪


وَرَفَعْنَا لَكَ ذِكْرَكَ


উচ্চারণঃ ওয়া রাফা‘না-লাকা যিকরাক।


অর্থঃ আমি আপনার আলোচনাকে সমুচ্চ করেছি।


সূরা আল ইনশিরাহ (الشرح), আয়াত: ৫


فَإِنَّ مَعَ ٱلْعُسْرِ يُسْرًا


উচ্চারণঃ ফাইন্না মা‘আল ‘উছরি ইউছরা-।


অর্থঃ নিশ্চয় কষ্টের সাথে স্বস্তি রয়েছে।

সূরা আল ইনশিরাহ (الشرح), আয়াত: ৬


إِنَّ مَعَ ٱلْعُسْرِ يُسْرًا


উচ্চারণঃ ইন্না মা‘আল ‘উছরি ইউছরা-।


অর্থঃ নিশ্চয় কষ্টের সাথে স্বস্তি রয়েছে।


সূরা আল ইনশিরাহ (الشرح), আয়াত: ৭


فَإِذَا فَرَغْتَ فَٱنصَبْ


উচ্চারণঃ ফাইযা-ফারাগতা ফানসাব।


অর্থঃ অতএব, যখন অবসর পান পরিশ্রম করুন।



সূরা আল ইনশিরাহ (الشرح), আয়াত: ৮


وَإِلَىٰ رَبِّكَ فَٱرْغَب


উচ্চারণঃ ওয়া ইলা- রাব্বিকা ফারগাব।


অর্থঃ এবং আপনার পালনকর্তার প্রতি মনোনিবেশ করুন।

,,,,,,,,,,


৯৫ সুরা তীন,,,, ডুমুর,,,,,

 



بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ


উচ্চারণঃ বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।


অর্থঃ শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।


সূরা ত্বীন (التين), আয়াত: ১


وَٱلتِّينِ وَٱلزَّيْتُونِ


উচ্চারণঃ ওয়াততীন ওয়াঝঝাইতূন।


অর্থঃ শপথ আঞ্জীর (ডুমুর) ও যয়তুনের,


সূরা ত্বীন (التين), আয়াত: ২


وَطُورِ سِينِينَ


উচ্চারণঃ ওয়া তূরি ছীনীন।


অর্থঃ এবং সিনাই প্রান্তরস্থ তূর পর্বতের,


সূরা ত্বীন (التين), আয়াত: ৩


وَهَٰذَا ٱلْبَلَدِ ٱلْأَمِينِ


উচ্চারণঃ ওয়া হা-যাল বালাদিল আমীন।


অর্থঃ এবং এই নিরাপদ নগরীর।


সূরা ত্বীন (التين), আয়াত: ৪


لَقَدْ خَلَقْنَا ٱلْإِنسَٰنَ فِىٓ أَحْسَنِ تَقْوِيمٍ


উচ্চারণঃ লাকাদ খালাকনাল ইনছা-না ফীআহছানি তাকবীম।


অর্থঃ আমি সৃষ্টি করেছি মানুষকে সুন্দরতর অবয়বে।


সূরা ত্বীন (التين), আয়াত: ৫


ثُمَّ رَدَدْنَٰهُ أَسْفَلَ سَٰفِلِينَ


উচ্চারণঃ ছু ম্মা রাদাদ না-হু আছফালা ছা-ফিলীন।


অর্থঃ অতঃপর তাকে ফিরিয়ে দিয়েছি নীচ থেকে নীচে।


সূরা ত্বীন (التين), আয়াত: ৬


إِلَّا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوا۟ وَعَمِلُوا۟ ٱلصَّٰلِحَٰتِ فَلَهُمْ أَجْرٌ غَيْرُ مَمْنُونٍ


উচ্চারণঃ ইল্লাল্লাযীনা আ-মানূওয়া‘আমিলুসসা-লিহা-তি ফালাহুম আজরুন গাইরু মামনূন।


অর্থঃ কিন্তু যারা বিশ্বাস স্থাপন করেছে ও সৎকর্ম করেছে, তাদের জন্যে রয়েছে অশেষ পুরস্কার।


সূরা ত্বীন (التين), আয়াত: ৭


فَمَا يُكَذِّبُكَ بَعْدُ بِٱلدِّينِ


উচ্চারণঃ ফামা-ইউকাযযি বুকা বা‘দুবিদ্দীন।


অর্থঃ অতঃপর কেন তুমি অবিশ্বাস করছ কেয়ামতকে?


সূরা ত্বীন (التين), আয়াত: ৮


أَلَيْسَ ٱللَّهُ بِأَحْكَمِ ٱلْحَٰكِمِينَ


উচ্চারণঃ আলাইছাল্লা-হু বিআহকামিল হা-কিমীন।


অর্থঃ আল্লাহ কি বিচারকদের মধ্যে শ্রেষ্টতম বিচারক নন?


,,,,,,,,,

সকাল সাতটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/১৭ বৃহস্পতিবার

 সকাল ৭ টার সংবাদ। তারিখ: ১৭-১১-২০২২ খ্রি:।  


আজকের শিরোনাম :


প্রথমবারের মত জাতীয় পর্যায়ে হজ্ব ও  ওমরাহ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক তিনদিনব্যাপী সম্মেলন ও মেলা রাজধানীতে শুরু হচ্ছে আজ-উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। 


সকল ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করতে এবং দেশকে এগিয়ে নিতে মিডিয়ার সহযোগিতা চাইলেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। 


জনব্যস্ত সড়কে সমাবেশ করে বিএনপি কেন মানুষের ভোগান্তি সৃষ্টি করতে চায়, তা বোধগম্য নয় - মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর। 


দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে অনলাইনে ভর্তির আবেদন শুরু। 


মার্কিন কংগ্রেসের নিম্ন কক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতায় জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ২১৮ আসন নিশ্চিত করেছে রিপাবলিকান।


এবং স্বাধীনতা কাপ ফুটবল টুর্ণামেন্টের আজকের খেলায় শেখ রাসেল ক্রীড়া চক্র -বাংলদেশ নেভি’র ও ঢাকা মোহামেডান -ফর্টিস এফসি’র মোকাবেলা করবে।


রাত সাড়ে আটটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/১৬ বুধবার

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ ।  

(১৬-১১-২০২২) 

আজকের শিরোনাম-


* প্রথমবারের মত জাতীয় পর্যায়ে হজ¦ ও ওমরাহ ব্যবস্থাপনা বিষয়ক তিনদিনব্যাপী সম্মেলন ও মেলা রাজধানীতে শুরু হচ্ছে আগামীকাল - উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। 


* বিএনপিকে আর আগুন নিয়ে খেলতে দেয়া হবে না, জনগণই তাদের প্রতিহত করবে - বললেন ওবায়দুল কাদের। 


* জনব্যস্ত সড়কে সমাবেশ করে বিএনপি কেন মানুষের ভোগান্তি সৃষ্টি করতে চায়, তা বোধগম্য নয় - মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর। 


* দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি স্কুলে আজ থেকে অনলাইনে ভর্তির আবেদন শুরু। 


* আজ পহেলা অগ্রহায়ণ - নানা আয়োজনে উদযাপিত হচ্ছে বাঙালির চিরায়ত নবান্ন উৎসব। 


* ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রুশ আগ্রাসনের নিন্দা জানিয়ে জি-টোয়েন্টি নেতৃবৃন্দের ঘোষণা গৃহীত। 


* এবং স্বাধীনতা কাপ ফুটবলে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব ও  বাংলাদেশ পুলিশ নিজ নিজ খেলায় জয়ী।

বুধবার, ১৬ নভেম্বর, ২০২২

হেদায়েত প্রাপ্ত গল্প ফেইসবুকে থেকে নেওয়া

🔘 রাতে ঘুমানোর আগে জরুরী ৭ টি আমল করার চেষ্টা করি,ইন শা আল্লাহ..


              ❏ -গুরুত্বপূর্ণ আমল গুলো হলো- ❏


(১) প্রিয় নবী হযরত মুহম্মদ (সাঃ) বলেছেন, 

যে ব্যক্তি শোয়ার সময় আয়াতুল কুরসী পড়বে শয়তান সারা রাত তার নিকটে যাবে না। 


__________(বুখারি-২৩১১)।


(৩) রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেন, 

যে ব্যক্তি রাতে সুরা বাকারার শেষ ২ আয়াত (আ-মানার রাসূলু–) তেলাওয়াত করবে এটা তার জন্য যথেষ্ট হবে ।


__________(বুখারি- ৪০০৮)।


(৪) প্রিয় নবী হযরত মুহম্মদ (সাঃ) বলেছেন, 

রাতে (কুল ইয়া আইয়্যু হাল কা-ফিরুন) (অর্থাৎ সূরা কা-ফিরুন) পাঠ করা খুব উপকারী। 


__________(সহীহ তারগীব-৬০২)।


(৫) একদা রাসূলুল্লাহ (সাঃ) তার সাহাবাদের বললেন, তোমাদের কেউ কি এক রাতে এক তৃতীয়াংশ কুরআন পড়তে অসমর্থ হবে? এতে সকলকে বিষয়টি ভারী মনে হলো। বলল, একাজ আমাদের মধ্যে কে পারবে, হে আল্লাহর রাসূল?! তিনি বললেন, সূরা ইখলাস হল এক তৃতীয়াংশ কুরআন।


__________(বুখারী- ৫০১৫)


(৬) রাসূলুল্লাহ (সাঃ) যখন ঘুমানোর ইচ্ছা করতেন তখন তাঁর ডান হাত তাঁর গালের নীচে রাখতেন, তারপর এ দো‘য়া টি বলতেন।


ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺑِﺎﺳْﻤِﻚَ ﺃَﻣُﻮﺕُ ﻭَﺃَﺣْﻴَﺎ


(আল্লাহুম্মা বিস্মিকা আমূতু ওয়া আহ্ইয়া)।


❛হে আল্লাহ্! আপনার নাম নিয়েই আমি মরছি (ঘুমাচ্ছি) এবং আপনার নাম নিয়েই জীবিত (জাগ্রত) হবো❜। 


__________(বুখারি- ৬৩২৪)।


(৭) প্রিয় নবী হযরত মুহম্মদ (সাঃ) হযরত আলী এবং ফতেমা (রাঃ)- কে বলেন, আমি কি তোমাদেরকে এমন কিছু বলে দিবো না যা তোমাদের জন্য খাদেম অপেক্ষাও উত্তম হবে? যখন তোমরা তোমাদের বিছানায় যাবে, তখন তোমরা (৩৩) বার সুবহানাল্লাহ, (৩৩) বার আলহামদুলিল্লাহ্, এবং (৩৪) বার আল্লাহু আকবার বলবে, তা খাদেম অপেক্ষাও তোমাদের জন্য উত্তম হবে। 


__________(বুখারী- ৩৭০৫)।


(৮) প্রিয় নবী হযরত মুহম্মদ (সাঃ) বলেন, 

যে ব্যাক্তি প্রত্যেক রাতে তাবারকাল্লাযী বিইয়াদিহিল মুলক (সূরা মূলক) পাঠ করবে এর মাধ্যমে মহিয়ান আল্লাহ্ তাকে কবরের আযাব থেকে রক্ষা করবেন। 


__________(নাসাই- শাইখ আলবানি (রঃ) হাদিসটাকে হাসান সহিহ বলেছেন এছাড়াও তিরমিজি-২৮৯০)।


➤ আল্লাহ্ পাক আমাদের সবাইকে আমল করার তাওফীক দিন আমীন।

 


১৫ নভেম্বর রেল দিবস,,,,,

 আজ রেল দিবস


আজ ১৫ নভেম্বর, রেল দিবস। বাংলাদেশ রেলওয়ের ১৫৯ বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো গত বছরের এই দিনে রেল দিবস পালন করা হয়েছে। আজ দেশে তৃতীয়য়বারের মতো দিবসটি পালন করা হবে‌।


বাংলাদেশ রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে, এ অঞ্চলে ১৮৬২ সালের ১৫ নভেম্বর প্রথম চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থেকে কুষ্টিয়ার জগতি পর্যন্ত ৫৩ কিলোমিটার ব্রডগেজ রেলপথ চালু করা হয়। তারপর বিভিন্ন ধরনের ঘাত-প্রতিঘাত মাড়িয়ে বাংলাদেশ রেলওয়ে এগিয়ে যায়।


🔴 বাংলাদেশ ভূখন্ডে রেলওয়ের আগমন

আজকের বাংলাদেশ ভূখণ্ডে সর্বপ্রথম সুনির্দিষ্ট রেলপথ নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয় ১৮৫২ সালে। ব্রিটিশ সামরিক কর্মকর্তা কর্নেল জে পি কেনেডি তার সামরিক সুবিধা বিবেচনায় ব্রিটিশ সরকারের কাছে গঙ্গা নদীর পূর্ব তীর ধরে সুন্দরবন হয়ে ঢাকা পর্যন্ত রেলপথ বসানোর প্রস্তাব দেন। তার এই প্রস্তাব ব্রিটিশ সরকার বেশ গুরুত্বের সঙ্গেই গ্রহণ করে। কিন্তু এরই মধ্যে ১৮৫৪ সালে ব্রিটিশ সরকার মিয়ানমার (তৎকালীন বার্মা) দখল করে নেয়। ব্রিটিশ সরকার চেয়েছিল মিয়ানমারকে ভারতীয় উপনিবেশের সাথে সংযুক্ত করতে। রাজনৈতিক এবং কৌশলগত সুবিধার কারণে মিয়ানমারের রাজধানী রেঙ্গুন থেকে কলকাতা পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগব্যবস্থা স্থাপনের প্রশ্ন তখন প্রকট হয়ে ওঠে। চাপা পড়ে যায় কর্নেল কেনেডির দেয়া প্রস্তাব।


এর ১৮৫৫ সালে বাংলায় নিযুক্ত ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর প্রকৌশল কোরের মেজর অ্যাবার ক্রমবি মাঠ পর্যায়ের একটি জরিপ পরিচালনা করেন। এতে তিনি ভূপ্রকৃতি যাচাই, রেলপথ নির্মাণের সম্ভব্য খরচ, বাণিজ্যিক সুবিধাদি ইত্যাদি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। তাছাড়া পর্যবেক্ষণে রাখা হয় সামরিক সুবিধাদিও। এই পর্যবেক্ষণানুযায়ী তিনি একটি রিপোর্ট পেশ করেন ব্রিটিশ সরকারের কাছে। ব্রিটিশ সরকার তার এই প্রস্তাবনা এবং প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নেয় যে বাংলায় রেলপথ স্থাপন করা হবে। এতে ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে নামে একটি রেল কোম্পানি প্রতিষ্ঠার সম্ভাব্যতা উল্লেখ করা হয়। অনেক যাচাই-বাছাই এবং সমীক্ষার জটিলতা শেষ হতেই দু’বছর কেটে যায়। অবশেষে ১৮৫৭ সালে লন্ডনে প্রতিষ্ঠিত হয় ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে। ব্রিটিশ প্রবীণ রেলওয়ে ইঞ্জিনিয়ার ওয়েলিংটন পার্ডান-এর তত্ত্বাবধানে বাস্তবে রূপ নেয় এই প্রকল্পটি।


🔴 কলকাতা- রানাঘাট-জগতী রেল সেকশন

ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে প্রতিষ্ঠার পর তাদের সর্বপ্রথম সফল কাজ ছিল কলকাতা থেকে রানাঘাট পর্যন্ত রেল সেকশন উন্মোচন। ১৮৫৮ সালের ৩০ জুলাই কলকাতার হুগলি নদীর পূর্ব পাড় থেকে (বর্তমানে শিয়ালদহ স্টেশন) রানাঘাট, দর্শনা, পোড়াদহ হয়ে কুষ্টিয়ার জগতি (বর্তমান বাংলাদেশ) পর্যন্ত একটি ব্রডগেজ (৫ ফুট ৬ ইঞ্চি) রেলপথ নির্মাণের জন্য ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে কোম্পানি এবং ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। প্রস্তাবিত এ লাইনের দৈর্ঘ্য ছিল ১১০ মাইল। প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছিল তৎকালীন ১ মিলিয়ন ব্রিটিশ পাউন্ড স্টার্লিং।


এর মধ্যেই ভারতবর্ষে শুরু হয়ে গেল সিপাহী বিদ্রোহ। সে কারণে রেলপথ নির্মাণ কার্যক্রম কিছুটা থমকে যায়। অবশেষে বিদ্রোহের অবসান ঘটলে ইস্টার্ন বেঙ্গল রেলওয়ে কোম্পানি পুরোদমে কাজ শুরু করে দেয়। ভূমির সম্ভাব্যতা যাচাই এবং জমি অধিগ্রহণ শেষে মূল নির্মাণকাজ শুরু হয়। ইস্টান বেঙ্গল রেলওয়ে কোম্পানি রেলপথ নির্মাণের জন্য দরপত্র আহবান করে। এতে করে মেসার্স ব্রেসী ও পেক্স অ্যান্ড ওয়াইটেস নামক দুটি প্রতিষ্ঠান কাজ পায়। ১৮৫৮ সালের ১ নভেম্বর নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তারা কলকাতা আসেন। শুরু হয়ে যায় এক এলাহী কর্মযজ্ঞ।


প্রস্তাবিত এই ১১০ মাইল লাইন নির্মাণের অংশ হিসেবে কলকাতা থেকে রানাঘাট পর্যন্ত নির্মাণ কাজ শেষ হয়ে যায় আগেই। সেসময় অবশ্য জগতি পর্যন্ত লাইন নির্মাণের কার্যক্রমও চলমান ছিল। কিন্তু ব্রিটিশ সরকার তাদের ব্যবসায়িক সুবিধা বিবেচনায় সম্পূর্ণ লাইন নির্মাণ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারলেন না। নির্মাণকাজ সমাপ্ত হওয়ায় কলকাতা থেকে রানাঘাট পর্যন্ত সেকশনে ট্রেন চলাচল শুরু করতে চাইল। অবস্থা তখন এমন হয়েছিল যে তারা যেন আর একটি দিনও অপেক্ষা করতে পারবে না।


১৮৬২ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর কলকাতা থেকে রানাঘাট সেকশনটি উদ্বোধন করা হয়। এই সেকশন দিয়ে সেদিন থেকেই ট্রেন চলাচল শুরু হয়ে যায়। তার কয়েক মাসের মধ্যেই রানাঘাট থেকে জগতি পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণের কাজও সমাপ্ত হয়। ফলে সেবছরই ১৮৬২ সালের ১৫ নভেম্বর রানাঘাট থেকে দর্শনা হয়ে কুষ্টিয়ার জগতি পর্যন্ত রেলপথ উন্মোচন করা হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রেন চলাচলের মাধ্যমে রেল পরিষেবার সূচনা ঘটে আজকের বাংলাদেশ ভূখণ্ডে। এই রেলপথের শেষ স্টেশন জগতিকে বলা হয় বাংলাদেশের প্রথম রেলওয়ে স্টেশন। যদিও এই সেকশনে জগতি ছাড়াও পোড়াদহ, চুয়াডাঙ্গা এবং দর্শনাও একই দিনে উদ্বোধন করা হয়।


নদীবিধৌত পূর্ববঙ্গের নরম মাটি বাষ্প-শকটের সদম্ভ পদভারে প্রকম্পিত হতে লাগল। অবহেলিত বাঙালিরা তাকিয়ে থাকল নতুন যুগের এই বার্তাবাহকের দিকে। দুর্ভিক্ষপীড়িত বাংলায় খাদ্য নিরাপত্তা অনেকটা সুসংহত হলো। অন্যদিকে আরো আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে ধরল ব্রিটিশ শাসনের নিগড়। প্রথম যেদিন ট্রেন এলো পূর্ব বাংলায়, একরাশ ভয় ও বিস্ময় গ্রাস করল বাঙালিকে। কারণ ইতিপূর্বে বাঙালি ধোঁয়ার কুণ্ডলী পাকিয়ে চলা বাষ্প-শকট চালিত এই গতিদানব দেখা তো দূরের কথা, এমন যান যে পৃথিবীতে আছে তা কল্পনাও করতে পারেনি।


কয়লা পুড়িয়ে ধোয়ার কুণ্ডলী পাকিয়ে ঝকঝকে রব তুলে যখন জগতি স্টেশনে ট্রেন এসে থামত, তখন রেলগাড়ি দেখার একরাশ কৌতূহল নিয়ে আশপাশের এলাকায় অগণিত মানুষের ভিড় লেগেই থাকত। কয়লার ট্রেন থেকে হয়েছে ডিজেল চালিত ট্রেন, ডিজেল থেকে হয়েছে বৈদ্যুতিক ট্রেন- কত কিছুই পরিবর্তন ঘটেছে কালের পরিক্রমায়, কিন্তু মানুষের মধ্যে রেলগাড়ির সেই কৌতূহল যেন আজও শেষ হয়ে যায়নি।


অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রথমভাগ থেকেই নীল চাষের জন্য বিখ্যাত ছিল কুষ্টিয়া। নীলচাষী ও নীলকরদের আগমনের পরই কুষ্টিয়ার নগরায়ন শুরু হয় বলে ধারণা করা হয়। তাছাড়া বস্ত্র শিল্পের জন্য কুষ্টিয়া বরাবরই বিখ্যাত ছিল। সম্রাট শাহজাহানের শাসনামলে এখানে একটি নদী বন্দর স্থাপিত হয়। ব্রিটিশ শাসনামলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এই বন্দরটি ব্যবহার করত। বিশেষত নীলকররা এবং নীল ব্যবসায়ীদের দখলে থাকতো এই বন্দরটি। কুষ্টিয়া ছিল নদীয়া জেলার একটি মহাকুমা। পরে কোম্পানি শাসনামলে এটি যশোর জেলার অধীনে চলে আসে। রেল যোগাযোগ স্থাপনের পর অত্রাঞ্চলে নগরায়নের সুবাতাস বইতে থাকে। তারই রেশ ধরে ১৮৬৯ সালে কুষ্টিয়া পৌরসভা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।


একটা প্রযুক্তি পুরো একটা সমাজকে বদলে দেবে”, কার্ল মার্ক্সের সেই ভবিষ্যদ্বাণী বিফলে যায়নি। কলকাতা থেকে কুষ্টিয়ার জগতি পর্যন্ত নিরবচ্ছিন্ন রেল যোগাযোগ প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক চাকা সচল হতে শুরু করে। কুষ্টিয়ায় স্থাপিত হতে থাকে বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান। আনাগোনা দেখা দেয় ব্রিটিশ ব্যবসায়ীদের। ১৯০৮ সালে কুষ্টিয়াতে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘মোহিনী মিল’ যা ছিল তৎকালীন সময়ে সমগ্র এশিয়া মহাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বড় কাপড়ের কারখানা। তাছাড়া ১৮৯৬ সালে যজ্ঞেশ্বর ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস রেনউইক এবং ১৯০৪ সালে যজ্ঞেশ্বর অ্যান্ড কোং নামে দুটি শিল্পকারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর দর্শনায় প্রতিষ্ঠিত হয় ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান ‘কেরু এন্ড কোং’। এটি ছিল ঐ অঞ্চলের মধ্যে তৎকালীন সবচেয়ে বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান। এভাবেই শিল্প ও বাণিজ্যক্ষেত্রে এ অঞ্চলের আমূল পরিবর্তন সাধিত হতে থাকে।


বর্তমানে বাংলাদেশ রেলওয়েতে ৪৮টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রকল্প, ঢাকা থেকে নির্মাণাধীন পদ্মা সেতু হয়ে যশোর পর্যন্ত রেলপথ নির্মাণ প্রকল্প। এই প্রকল্পে ব্যয় হবে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকা।


অতীত ফেইসবুক থেকে নেওয়া,,,,,,,

 বাহিরে যাওয়ার পর হঠাৎ করে মনে হলো ফোনটা আমি বাসায় রেখে এসেছি। ফোনটা নিয়ে আসতে যখন বাসায় গেলাম তখন বাবা আমায় দেখে বললো,

  -তুই যেন কোথায় যাচ্ছিস?

আমি আমতা আমতা করে বললাম,

 -- বাবা, তোমায় বললাম না একটা জবের ইন্টারভিউ আছে। সেখানে যাচ্ছি... 


  বাবা বইয়ের পাতা থেকে চোখ সরিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে বললো,

  - তুই তো বেকার ছেলে। রেস্টুরেন্টে প্রেম করতে করতে একদিন তো ফকির হয়ে যাবি। তখন রেস্টুরেন্টের বিল মেটানোর জন্য রাস্তাঘাটে ছিনতাই করা শুরু করবি আর লোকে আমাকে বলবে, ছিনতাইকারীর বাবা...

  আমি বাবার কথা শুনে অবাক হয়ে রইলাম। কি বলবো না বলবো বুঝতে পারছিলাম না।  বাবা তখন বললো,

  - রেস্টুরেন্টে প্রেম করতে হলে যোগত্যা লাগে। তাই আগে সেই যোগত্যা অর্জন কর তারপর  না হয় রেস্টুরেন্টে প্রেম করিস।  


  আমি মাথা চুলকাতে চুলকাতে বললাম, 

-- বাবা তুমি কি বলছো আমি ঠিক বুঝতে পারছি না..


  বাবা এইবার বইয়ের পাতার দিকে নজর দিয়ে বললো,

  -যাবি তো রেস্টুরেন্টে শ্রাবণীর সাথে দেখা করতে। তো আমায় মিথ্যা বলার কি আছে? এক কাজ কর মেয়েটাকে বাসায় নিয়ে আয়। আমি না হয় ছেলের ভবিষ্যত বউকে দেখলাম আর সবাই মিলে দুপুরের খাবারটাও একসাথে খেলাম।  আজ কচি লাউ দিয়ে চিংড়ি মাছ রান্না করেছি। আশা করি রেস্টুরেন্টের খাবার থেকে খুব একটা খারাপ হবে না... 


  আমি বাবার পাশে বসে বাবার হাতটা ধরে বললাম,

  --বাবা আমি তোমায় মিথ্যা বলতে চাই নি।আমি চিন্তা করেছিলাম যেদিন চাকরি পাবো সেদিন তোমায় সব খুলে বললো..

  বাবা মুচকি হেসে  বললো,

- প্রেমে পড়লে সবাই টুকটাক মিথ্যা কথা বলে এটা ব্যাপার না...


  আমার বাবা হামিদ আহমেদ একজন  সরকারি কর্মকর্তা।  মা মারা যাবার পর থেকে দেখছি বাবা এই সংসারটাকে আগলে রেখেছেন। আমাকে কখনো বুঝতেই দেয় নি যে আমার মা নেই। বাবা কখনো আমার সাথে বাবার মত আচরণ করে নি। সব সময় বন্ধুর মত মিশেছে...


  এমন সময় হঠাৎ কলিংবেলের আওয়াজ।  বাবা আমায় বললো,

 - যা দরজা খুল গিয়ে।  শ্রাবণী এসেছে বোধহয়। 

 আমি অবাক হয়ে বাবাকে বললাম,

-- মানে?

 বাবা বললো,

- তুই ফোন রেখে গেলে শ্রাবণী কল করেছিলো। তখনি ও সব বলেছে।আর আমিই ওকে বাসায় আসতে বলি...


  বাবা শ্রাবণীকে দেখে বললো,

- আচ্ছা মা, তুমি কি স্বাভাবিক ভাবে সুস্থ? না কি তোমাদের পরিবারে কারো মাথায় সমস্যা আছে? 

  শ্রাবণী অবাক হয়ে বললো,

~কেন আংকেল? হঠাৎ এই কথা কেন বলছেন?

  বাবা তখন হাসতে হাসতে বললো,

-- এত সুন্দর সুস্থ একটা মেয়ে কি করে আমার গর্দভ ছেলের প্রেমে পড়তে পারে সেটাই ভাবছি।

  বাবা আড়ালে আমায় ডেকে নিয়ে বললো,

- মেয়ে এত সুন্দরী হলে মেয়ের মা নিশ্চয়ই আরো বেশি সুন্দরী। সুন্দরী বিয়ানের সাথে আমারও সময়টা ভালোই কাটবে... 


   বাবা আমাকে নিয়ে আজ শ্রাবণীদের বাসায় এসেছে আমাদের বিয়ের কথা বলতে। বাবা শ্রাবণীর মাকে দেখে অনেকক্ষণ অবাক হয়ে তাকিয়ে রইলো। শ্রাবণীর মা আমাদের দেখে শ্রাবণীকে সরাসরি বললো,

  ~ ছেলে আমার পছন্দ হয় নি। আমি এই ছেলের কাছে তকে বিয়ে দিবো না।

  বাবা রেগে গিয়ে আমাকে বললো,

 -- তোর কি রুচি বলে কিছু নেই? শুধু ফর্সা হলেই কি মানুষ সুন্দর হয়। এই মেয়ে আমার একদম পছন্দ হয় নি।

  বাবার কথা শুনে শ্রাবণীর মা শ্রাবণীকে বললো,

~ছেলে যেমন তেমন ছেলের বাবা আরো বেশি খারাপ। এক নাম্বারের ধোঁকাবাজ আর অপদার্থ। 

  বাবা আমাকে বললো,

-- মেয়ে যেমন তেমন মেয়ের মা এক নাম্বারের  বদরাগী আর একরোখা...  


  বাবা আর শ্রাবণীর মা এমন ঝগড়া করছিলো যে আমাদের কিছু বলতেই দিচ্ছিলো না।  শেষে বাবা আমাকে নিয়ে বাসায় এসে পরলেন...


  রাত ২ঃ১১ বাজে। বাবা তো এত রাত কখনো জেগে থাকে না। রুমের ভিতর উঁকি মেরে দেখি বাবা বসে আছে। আমি বাবার পাশে যেতেই বাবা চোখের চশমা খুলে একটা সাদাকালো ছবি আমার হাতে দিয়ে বললো,

  -দেখতো মহিলাটাকে চিনতে পারিস কি না?

আমি ছবিটা দেখে অবাক হয়ে বললাম,

  -- এটা তো শ্রাবণীর আম্মু রিনা আন্টি..


বাবা বললো,

  -আমি তখন ঢাক বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩য় বর্ষের ছাত্র। নবীন বরণ অনুষ্ঠানের দিন দেখি একটা মেয়ে  কলা পাতা রঙের শাড়ি পড়েছে আর চুল লম্বা করে বেণী করা। প্রথম দেখেই মেয়েটাকে ভালো লেগে যায়। তারপর টুকটাক কথা বলা আর একটা সময় দুই জন দুই জনকে ভালোবেসে ফেলা। আমাদের সময় প্রেম ভালোবাসাটাকে পরিবার কখনো মেনে নিতো না। তাছাড়া  আজকালদের বাবারা সন্তানদের সাথে যেমন বন্ধুর মত মিশে তখন এমন ছিলো না। তখন ছেলে মেয়েরা বাবাদেরকে বাঘের মত ভয় পেতো। কিন্তু মেয়েটি ছিলো অন্য রকম। খুব একরোখা টাইপের। ও ওর বাবার মুখের উপর বলেছিলো ও আমাকেই বিয়ে করবে কিন্তু আমার তখন সাহস হয় নি বাবার বিরুদ্ধে কিছু করার। অতঃপর আমার ভালোবাসার মৃত্যু হয়।সেই মেয়েটি হলো আজকের শ্রাবণীর আম্মু....


  আমি চাই না আমার মত তোর ভালোবাসার মৃত্যু হোক। কারণ মৃত ভালোবাসা বয়ে বেড়ানো কতটা কষ্টের সেটা আমি খুব ভালো করে জানি।  তুই শ্রাবণীকে নিয়ে পালিয়ে যা। একদম বিয়ে করে ২ মাস সংসার করে তারপর আসবি....


  আজকেও রিনা কলাপাতা রঙের শাড়ির সাথে চুল বেণী করেছে। তবে আগের মত দীঘল কালো চুল না কাঁচা পাকা চুল।  ছাদের কার্ণিশ ধরে দূরে তাকিয়ে আছে রিনা। হামিদ রিনার পাশে যেতেই  রিনা বললো,

  ~ ছেলেকে বলেছো আমার মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে যেতে?  অথচ একসময় আমিও তোমার সাথে পালিয়ে যেতে চেয়েছিলাম।  আমি একটা মেয়ে হয়ে সারারাত স্টেশনে বসে পার করেছিলাম তোমার অপেক্ষায়। অথচ তুমি এলে না...


  হামিদ একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললো,

-- আমি সেদিন এসেছিলাম স্টেশনে তবে তোমায় নিয়ে পালিয়ে যেতে নয় তোমায় পাহারা দিতে। সেই সময় তোমায় নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সাহস আমার ছিলো না কিন্তু আজ আমি আমার ছেলের ভালোবাসার মানুষকে পেতে ঠিকিই ছেলের মনে সাহস যোগাতে পেরেছি। হতে পারে আমার ভালোবাসা পূর্ণতা পাই নি কিন্তু আজও আমার ভালোবাসা মিশে আছে একটা কলা পাতা রঙের শাড়িতে...


কলা_পাতা_রঙের_শাড়ি 

আবুল_বাশার_পিয়াস

কপি

পেস্ট

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...