এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২২

রাত সাড়ে আটটার বাংলা সংবাদ পরিক্রমা বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/৩০ বুধবার

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

(৩০-১১-২০২২) 

আজকের শিরোনাম-


* প্রতিবেশি হিসেবে বাংলাদেশ প্রতিটি ক্ষেত্রে ভারতের কাছ থেকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পায় - প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে বললেন ভারতীয় হাইকমিশনার। 


* সমাবেশকে ঘিরে আন্দোলনের নামে বিএনপি যদি কোনো সহিংসতা করে তবে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে তার সমুচিত জবাব দেবে আওয়ামী লীগ - হুঁশিয়ারি ওবায়দুল কাদেরের। 


* সরকার কাউকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার অনুমতি দিতে পারে না - মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর। 


* আগামীকাল শুরু হচ্ছে সপ্তাহব্যাপী বিশেষ কোর্ভিড টিকাদান অভিযান - সম্মুখ সারির কর্মী, ষাটোর্ধ্ব নাগরিক ও গর্ভবতী নারীদের চতুর্থ ডোজ প্রদানের সুপারিশ। 


* আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময়সীমা ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত বাড়িয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড। 


* আরও অস্ত্র সরবরাহ এবং ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যুৎ গ্রিড মেরামতে দ্রুত সহযোগিতার জন্য ন্যাটোর প্রতি ইউক্রেনের আহবান। 


* এবং কাতার বিশ্বকাপ ফুটবলে টিকে থাকার ম্যাচে আজ রাত একটায় পোল্যান্ডের মোকাবেলা করবে ফেভারিট আর্জেন্টিনা।

মুহিউসসুন্নাহ শাহ মুফতি নূরুল আমীন সাহেব দাঃ বাঃ এর- সংক্ষিপ্ত পরিচিতি,,,,মেসবাহউদ্দিন ফেইসবুক থেকে,,,

 মুহিউসসুন্নাহ শাহ মুফতি নূরুল আমীন সাহেব দাঃ বাঃ এর-

 সংক্ষিপ্ত পরিচিতি :


``আল্লাহর বান্দাগণের মাঝে এমন কিছু বান্দা রয়েছেন, যাঁরা স্বভাবজাত ওলী হয়ে থাকেন।  জন্মের থেকে মুকাল্লাফ হওয়ার পূর্বেই তাঁদের বেলায়েতের আলামত ফুটে ওঠে। 

তাঁদের মাধ্যমে মহান রব্বুল আলামীন নিজ পরিববার, সমাজ ও দেশকে আলোকিত করেন। যুগ-যুগান্তরে এমন মনীষীদের দ্বারা সহি দীনের ধারা চালু রাখেন।  তারা ব্যক্তিজীবনে, পারিবারিক জীবনে ও সামাজিক জীবনে বড় বড় বিষয় ও ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বিষয়ে দীনকে খুঁজে ফেরেন। শত বিপত্তি আর প্রলয়াঙ্করী ঝড়ের মাঝেও দীনের ঝান্ড উঁচু করে রাখেন। যাদের মুহুর্তগুলো কাটে জিকির ও ফিকিরে। এক-একটি মুহুর্ত তাদের কাছে অমূল্য রত্ন তুল্য। উম্মতের দরদে সর্বদাই অস্থির থাকেন। হুব্বুল্লাহ ও হুব্বে রাসূলের দরিয়ায় সর্বদা হাবুডুবু খান। দীন পালনে কোন তিরস্কারকারীর ভ্রুক্ষেপ বা কর্ণপাত কিছুই করেন না। ইলম ও মারেফাতে মত্ত থাকাই আসল কাজ। যাদের অবদান মুসলিম উম্মাহ কখনো ভুলতে পারেনা। আর তাদের নিয়ে লিখতে লিখতে ক্লান্ত হবো তবুও শেষ হবেনা। 

এমনি একজন আল্লাহর খাস বান্দা মাগুরা জেলার কৃতি সন্তান খ্যাতিমান আলেমে দীন, মুহিউসসুন্নাহ শাহ মুফতি নূরুল আমীন সাহেব দাঃ বাঃ এর সংক্ষিপ্ত পরিচয় তুলে ধরছি.....''


নাম: 

নূরুল আমীন


জন্ম: 

তিনি ১৯৫৫ ঈ সনে মাগুরা জেলার শাজিরকান্দী গ্রামের ঐতিহাসিক মুন্সি পরিবার ওরফে হাজী বাড়ীতে জন্ম গ্রহন করেন।


পিতা:

জনাব আলহাজ্ব আবু বকর সিদ্দিক (রহ.) যিনি বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী একজন মহান ব্যক্তিত্ব ছিলেন। যিনি আপন উস্তাদ, শাইখ ও মুরব্বীগণের নেক নজর ও আপন ইখলাস ওয়ালা মেহনতের বদৌলতে ‘বড় উস্তাদজী’ উপধীতে ভুষিত হন।


তাঁর সম্মানিত পিতার জীবনী জানতে এখানে ক্লিক করু।

https://www.assiddik.com/manishi_biography/abu_bakr_siddik_rah/memoir/

https://www.assiddik.com/manishi_biography/abu_bakr_siddik_rah/brief_biography/


মাতা:

তাঁর মাতার নাম ‘চেমন আফরোজ’ জিনি একজন রত্নগর্ভা মহিয়সী রমনী ছিলেন। যিনি মাগুরার শাজিরকান্দী গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত দ্বীনি পরিবারে জন্ম গ্রহন করেন। পারিবারিক জীবনে তিনি ছিলেন একজন আদর্শ বধু, আদর্শ মা, সম্ভ্রান্ত ও শিক্ষিত রমনী এবং দ্বীনি পরিবার গঠনের সুদক্ষ কারিগর।


শিক্ষাদীক্ষা:

প্রাথমিক শিক্ষা: তিনি প্রথমিক শিক্ষা অর্জন করেন মাগুরার শিমুলিয়া মাদরাসা ও যশোর রেল স্টেশন মাদরাসা হতে।

দাওরাতুল হাদিস: জামিয়া আহলিয়া দারুল উলুম হাটহাজারী (১৯৭৯) এবং দারুল উলূম দেওবন্দ ভারত (১৯৮০)

উচ্চতর শিক্ষা: উচ্চতর ইসলামী আইন (ইফতা) দারুল উলুম দেওবন্দ (১৯৮১)


কর্মজীবন:

দারুল উলুম খুলনা এ (১৯৮২-২০০২) পর্যন্ত সিনিয়র উস্তাদ ও মুফতী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।


সন্তান সন্ততি:

৪ ছেলে ও ৬ মেয়ে। (এক ছেলের ওফাত হয়েছে)

কন্যাদের সকলের বিবাহ হয়ে গেছে এবং তিন ছেলের মাঝে বড় ছেলের বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে। বাকী দুইজন অধ্যায়রত আছে। তারা দুইজন হাফেজে কুরআন।


ছেলেদের নামের তালিকা:

বড় ছেলে: মরহুম আবরারুল হক

মেজো ছেলে: মিয়াজি মুহাম্মাদুল্লাহ

সেজো ছেলে: হাফেজ আনাস আমীন (অধ্যায়নরত)

ছোট ছেলে: হাফেজ যায়েদ আবরার (অধ্যায়নরত)


মেয়ের জামাতাগন সকলেই যোগ্যতাসম্পন্ন আলেমে দীন


ভাই বোন:

 তাঁরা নয় ভাই ও পাঁচ বোন। (এক বোনের ওফাত হয়েছে) আল্লাহর রহমতে বাকীরা সবাই এখনো জীবিত আছেন।


নিম্নে ভাইদের নামের তালিকা দেওয়া হলো-

(এক) মাওলানা রূহুল আমীন

 ফাজেলে দারুল উলুম হাটহাজারী। 

শিক্ষক: জামিয়া নূরিয়া, কামরাঙ্গীরচর, ঢাকা।

(দুই) পীরে কামেল মুফতী নূরুল আমীন সাহেব

(তিন) মাওলানা ফজলুল করীম যশোরী

ফাজেলে জামিয়া কুরআনিয়া লালবাগ  ১৯৮৮

(চার) মুফতী মুমতাজুল করীম

১. ফাজেলে দারুল উলূম দেওবন্দ ভারত [দাওরা]।

২. ফাজলে দারুল উলূম খুলনা [খুলনা]

৩. কামিল হাদীস, বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড।

(পাঁচ) হাফেজ মাওঃ আহমাদ করিম সিদ্দীক সিদ্দীক

১. হাফিযুল কুরআন

২. দাওরায়ে হাদীস [ফার্স্ট ক্লাশ] (দারুল উলূম, দেওবন্দ, ভারত)

৩. উচ্চতর আরবী সাহিত্য, [ফার্স্ট ক্লাশ] (দারুল উলূম দেওবন্দ ভারত)

৪. কামিল হাদীস [ফার্স্ট ক্লাশ] (মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশ)

বহু গ্রন্থ প্রনেতা। 

(ছয়) হাফেজ মোহাম্মদ রিজাউল করিম

দারুল খুলনা ও  মাসনা মাদরাসা যশোর।

(সাত) হাফেজ মাও: ইমাম উদ্দীন

দারুল উলুম খুলনা ও মাসনা মাদরাসা যশোর।

(আট) মাওলানা মোসলেহ উদ্দীন

ফাযেলে দারুল উলুম হাটহাজারী।

(নয়) হাফেজ মাওলানা মুফতি মিসবাহুদ্দীন

ফাযেলঃ মারকাজুল ফিকরিল ইসলামী বসুন্ধরা, ঢাকা। 


আসাতিযাগণ:

★ স্বদেশে: মুফতি আব্দুল্লাহ মাগুরার হুজুর দা. বা, মুফতি আলী আকর রহ., মাওলানা রজব আলী রহ., মাওলানা আবুল হাসান রহ., মুফতি ফয়জুল্লাহ রহ, মুফতি আহমাদুল হক রহ. মাওলানা শাহ আহমাদ শফী দা. বা. প্রমুখ যুগশ্রেষ্ঠ বুজুর্গ আলেমগণ।

★ দেওবন্দে: কারী তৈয়্যব রহ. মুফতি মাহমুদুল হাসান গাঙ্গুহী রহ. মাওলানা ফখরুল হাসান রহ., মাওলানা নাসির আহমাদ খাঁন রহ. মাওলানা আনযার শাহ কাশ্মীরী রহ. মাওলানা ওয়াহিদুযযামান কিরানভী রহ. মুফতি সাঈদ আহমাদ পালনপূরী রাহিমাহুমুল্লাহ।


তিনি যার খলীফা:

তিনি আরেফ বিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ হাকীম মুহাম্মাদ আখতার (রহ.) ও হযরত মাওলানা শাহ মাহমুদুল হাসান দা. বা. এর খলীফা।


শাইখের সহচর্য:

১৯৮২-৮৩ সালে বাইআত হওয়ার পর থেকে করাচী হযরত রহ. বাংলাদেশে আসলেই তিনি সার্বক্ষণিক তার শাইখের সোহবতে থাকতেন। এছাড়া চারবার করাচীর খানকায় সফর করেছেন। এর মঝে ১৯৯৭ ও ২০০২ করাচীর খানকায় চিল্লা দিয়েছেন। অন্য দুইবার ২০/২২ দিন খানকায় থেকে নিজ শাইখের সোহবতে ধন্য হয়েছেন।


খেলাফত লাভ:

নব্বইয়ের দশকেই যশোর ঝিকরগাছা বাকুড়া মাদরাসায় বসেই করাচী হযরত রহ. তাঁকে খেলাফত প্রদান করেন।পরবর্তীতে যাত্রাবাড়ীর হযরতও তাঁকে খেলাফত প্রদান করেন।


শাগরেদ:

তিনি যাদেরকে বাইয়াত ও ইসলাহের অনুমতি দিয়েছেন (খেলাফত দিয়েছেন) তাদের সংখ্যা শাতাধিক হবে। যারা বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে আপন আপন যায়গায় ইসলাহে উম্মতের কাজ আঞ্জাম দিচ্ছেন।


ঈর্ষণীয় বিশেষ কিছু গুণাবলি :

 তিনি ইখলাস, তাকওয়া, যুহদ, মুআমালা-মুআশারা, শাওকুল ইলম, তামাসসুক বিদ্-দীন ওয়াস সুন্নাহ, নাশারুদ দীন, ইসলাহে নাফস, মুজাহাদা, তাফাক্কুহ, ইলমি মাহারত সর্বদিক দিয়ে তিনি অগ্রগামী।  দীন জিন্দা করার ফিকিরে নিরলস ভাবে ছুটে যান দেশের আনাচে-কানাচে। 


তিনি আশেকে বাইতুল্লাহ ও আশেকে মদীনা। ঋণ করে হলেও জিয়ারতে বাইতুল্লাহ ও জিয়ারতে মদীনায় গমন তাঁর মন শান্ত হয়না। 


আল্লাহ তা`আলা আমাদের জন্য তাঁর ছায়াকে দীর্ঘ করুন। 


বিস্তারিত জীবনী জানতে: 

https://www.assiddik.com/manishi_biography/muf_nurul_ameen/


খানকাহ ও ঠিকানা:


খানকাহ ইমদাদিয়া আশরাফিয়া, গুলশানে শাইখ হযরত মাওলানা শাহ হাকিম মুহাম্মাদ আখতার সাহেব দা. বা. রহ. ফাতেমাবাগ, জিরো পয়েন্ট, খুলনা।


ওয়েব সাইট: www.nurbd.net

ফেসবুক পেজ: https://facebook.com/khanqahimdadiakhulna


পারিবারিক সংগঠন:

আস-সিদ্দীক ফাউন্ডেশন

শাহজিরকান্দি, মুসাপুর বাজার, মাগুরা।

মোবাইল : 01712-544865, 01712-572359, 01967-119283

ওয়েসবাইট: www.assiddik.com

ইমেইল : info@assiddik.com, assiddik.com@gmail.com

কপি
পেস্ট

মোনালিসা চিত্রকর্মের রহস্য,,,,,,,,,

 মোনালিসা চিত্রকর্মের রহস্য:💮

🔹

🔴 লিওনার্দো ভিঞ্চির সৃষ্টি মোনালিসাকে পৃথিবীর

সবচেয়ে সুন্দরি মেয়ের ছবি বলা হয়। কিন্তু

মোনালিসার ছবিতে টর্চলাইট দিয়ে খুজেও সৌন্দর্য

খুজে পাওয়াটা কঠিন!

কিন্তু মোনালিসার ছবির সৌন্দর্য ঠিক

মোনালিসাতে নয়। সৌন্দর্যটা এই ছবির রহস্যে! রং

তুলিতে এই ছবি আকতে গিয়ে ভিঞ্চি জন্ম দিয়ে

গেছেন অসংখ্য রহস্যের.........

১৫০৩ সালে ভিঞ্চি মোনালিসা আকা শুরু করেন।

১৫১৫ সালে মোনালিসা আকার সময় তিনি রহস্যজনক

ভাবে মৃত্যবরণ করেন। ১২ বছর সময় নিয়ে আকা

মোনালিসার ছবি সম্পূর্ণ না করেই তিনি মারা যান!

অর্থাৎ আমরা মোনালিসার যে ছবিটি এখন দেখি

সেটিতে আরো কিছু আঁকার বাকি ছিল.......

ভিঞ্চি মোনালিসাকে কোন কাগজ বা কাপড়ে নয়,

এঁকেছিলেন পাতলা কাঠের উপর। অবাক করার বিষয়

হলো মোনালিসার ছবিটিকে যদি বিভিন্ন এঙ্গেল

থেকে দেখা হয় তবে মোনালিসা তার হাসি

পরিবর্তন করে!

এ যেন এক রহস্যময়ী মোনালিসা!

১৭৭৪ সালে সর্বপ্রথম প্যারিসের লুভর মিউজিয়ামে

মোনালিসার ছবিটির দেখা মিলে। কিন্তু ছবিটা

মিউজিয়ামে কিভাবে এল কিংবা কে আনল এমন

প্রশ্নের উত্তর মিউজিয়ামের কর্মীরাই জানতোনা!

কারণ তারা কাউকে ছবিটি নিয়ে আসতে দেখিনি!!

রহস্যময়ভাবে লুভর মিউজিয়ামে পৌছানো এই ছবি

১৯১১ সালে চুরি হয়ে যায়! রাতের আধারে চোরকে

দেখে মিউজিয়ামের এক কর্মী পরদিনই চাকড়ি

ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে সে বলেছিল সে চোরকে

দেখেছে। সেই চোর আর কেউ নয়। প্রায় ৩৫০ বছর

আগে মারা যাওয়া ভিঞ্চি!!

১০ বছর পর এই ছবিটি আবার ওই মিউজিয়ামে পাওয়া

যায়। লুভর মিউজিয়াম কতৃপক্ষ ছবিটি সংরক্ষনের

জন্য প্রায় ৫০ কোটি টাকা খরচ করে একটি নিরাপদ

কক্ষ তৈরী করে। হয়ত ভাবছেন একটা ছবির জন্য

এতো টাকা খরচ!!

এই ছবির বর্তমান মূল্যের তুলনায় ৫০ কোটি টাকা

কিছুই নয়। মোনালিসা ছবির বর্তমান অর্থমূল্য ৭৯০

মিলিয়ন ডলার।

টাকায় পরিমানটা ৫৩৮০ কোটি টাকা!!

মোনালিসা কে? প্রশ্নটির উত্তর ভিঞ্চি নিজেও

দিয়ে যাননি। ২০০৫ সালে খুজে পাওয়া এক চিঠিতে

অনেকে মোনালিসার পরিচয় খুজে পেয়েছেন বলে

দাবি করেন। ১৫০৩ সালে লেখা এই চিঠিতে

ভিঞ্চির বন্ধু ফ্রান্সিস জিয়াকন্ড তার স্ত্রী লিসা

জিয়াকন্ডের একটি ছবি আঁকতে ভিঞ্চিকে অনুরোধ

করেন। আর ওই সময় ভিঞ্চি মোনালিসার ছবি আঁকা

শুরু করেন।

২০০৪ সালে বিজ্ঞানী পাস্কেল পাটে মোনালিসার

ছবিকে আলাদা ভাগে ভাগ করে হাইডেফিনেশন

ক্যামেরায় ছবি তোলেন। পাস্কেল আবিষ্কার করেন

যে ভিঞ্চি যে রং ব্যাবহার করেছিলেন তার স্তর

৪০ মাইক্রোমিটার।

অর্থাৎ একটি চিকন চুলের থেকেও পাতলা!

পাস্কেল আরো আবিষ্কার করেন যে মোনালিসার

ছবিতে আরো ৩টি চিত্র আছে। তাদের একটি সাথে

লিসা জিয়াকন্ডের মুখের মিল খুজে পাওয়া যায়।

সম্ভবত ভিঞ্চি বন্ধুর অনুরোধে লিসার ছবিটিই

আঁকছিলেন। কিন্তু তিনি এমন কিছু দেখেছিলেন যা

পুরো ছবিতে অন্য এক নতুন মুখের জন্ম দিয়ে

দিয়েছে!

সান্ডারল্যান্ড ইউনিভার্সিটির এক সার্ভেতে

মোনালিসা সম্পর্কে অদ্ভুত কিছু তথ্য পাওয়া যায়।

মোনালিসাকে দূর থেকে দেখলে মনে হয় সে

হাসছে। কিন্তু কাছে গিয়ে তার দিকে তাকালে

মনে হয় সে গভীরভাবে কোন কিছু চিন্তা করছে।

মোনালিসার চোখের দিকে তাকালে তাকে

হাসিখুশি মনে হয়। কিন্তু তার ঠোটের দিকে

তাকালেই সে হাসি গায়েব!

সান্দারলেন্ড ভার্সিটির ছাত্ররা মোনালিসার

ছবির বামপাশ থেকে আল্ট্রা ভায়োলেট পদ্ধতি

ব্যাবহার করে ভিঞ্চির লেখা একটি বার্তা উদ্ধার

করে। বার্তাটি ছিল " লারিস্পোস্তা শ্রী

তোভাকি"। যার অর্থ "উত্তরটা এখানেই আছে।"

যুগের পর যুগ মানুষকে মুগ্ধ করে আসা মোনালিসার

এই ছবি দেখে জন্ম নেয়া হাজার প্রশ্নের মাঝে

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল, এই ছবি দিয়ে ভিঞ্চি কি

বোঝাতে চেয়েছিলেন?"

প্যারানোরমাল ম্যাগাজিনের একদল তরুন ছাত্র

উত্তরটা বের করার জন্য অনেক চেষ্টা করেছে।

অবশেষে তারা যা জানিয়েছে সেটাও চমকে

দেয়ার মত!

ভিঞ্চি মোনালিসার ছবির বামপাশে গোপন বার্তা

দিয়েছিলেন "উত্তর টা এখানেই আছে"।

সে বাম পাশকে আয়নার কাছে আনলে একটা ছবি

তৈরী হয়। অবাক করার বিষয় এই তৈরী হওয়া ছবির

জীবটিকে ভিঞ্চি ১৫০০ সালের দিকে

দেখেছিলেন!

ছবিটা একটা এলিয়েনের!!

ভিনগ্রহের এলিয়েন.....!!😲😲


কালেক্টেড


সকাল সাতটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/৩০ বুধবার

সকাল ৭ টার সংবাদ। তারিখ: ৩০-১১-২০২২ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম :


* সাধারণ রোগীর মত টিকেট কেটে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসা নিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 


* মুজিব সৈনিক হতে হলে মুজিব কোট পরে নয়, তাঁর আদর্শের সৈনিক হতে হবে, শেখ হাসিনার খাঁটি কর্মী হতে হবে - বললেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। 


* সমাবেশের সুবিধার্থে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বরাদ্দ করা হলেও বিএনপি নয়াপল্টনে সমাবেশের জন্য বাড়াবাড়ি করলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে সরকার - বলেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী। 


* সবাই মিলে দেবো কর, দেশ হবে স্বনির্ভর’ স্লোগান সামনে রেখে আজ দেশে পালিত হচ্ছে জাতীয় আয়কর দিবস। 


* বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তা সংকটের প্রেক্ষিতে চলতি অর্থবছরে ধান উৎপাদন বাড়াতে নানামুখী কার্যক্রম গ্রহণ করেছে সরকার। 


* ইউক্রেনকে আরও অস্ত্র সরবরাহ এবং রুশ ক্ষেপনাস্ত্র হামলায় মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামো সংস্কারে সহায়তা প্রদানে ন্যাটোর প্রতিশ্রুতি। 


* এবং কাতার বিশ্বকাপ ফুটবলে নেদারল্যান্ডস, যুক্তরাষ্ট্র, সেনেগাল ও ইংল্যান্ডের নিজ নিজ ম্যাচে জয়লাভ - আজ রাতে আর্জেন্টিনা মুখোমুখি হবে পোল্যান্ডের। 

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর একটি অসাধারন ঘটনার মুজিযা,,,,

# রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর একটি অসাধারন ঘটনার মুজিযা


জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন পরিখা খনন করা হচ্ছিল তখন আমি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ভীষণ ক্ষুধার্ত অবস্থায় দেখতে পেলাম।


তখন আমি আমার স্ত্রীর কাছে ফিরে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম, তোমার কাছে কোন কিছু আছে কি? আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে দারুন ক্ষুধার্ত দেখেছি। তিনি একটি চামড়ার পাত্র এনে তা থেকে এক সা‘ পরিমাণ যব বের করে দিলেন।


আমার বাড়ীতে একটা বাকরীর বাচ্চা ছিল। আমি সেটি যবহ করলাম। আর সে (আমার স্ত্রী যব পিষে দিল। আমি আমার কাজ শেষ করার সঙ্গে সঙ্গে সেও তার কাজ শেষ করল এবং গোশত কেটে কেটে ডেকচিতে ভরলাম। এরপর আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে ফিরে চললাম।


তখন সে (স্ত্রী বলল, আমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর সাহাবীদের নিকট লজ্জিত করবেন না।


এরপর আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গিয়ে চুপে চুপে বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা আমাদের একটি বাকরীর বাচ্চা যবহ করেছি এবং আমাদের ঘরে এক সা যব ছিল। তা আমার স্ত্রী পিষে দিয়েছে। আপনি আরো কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে আসুন।


তখন নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম উচ্চস্বরে সবাইকে বললেন, হে পরিখা খননকারীরা! জাবির খানার ব্যবস্থা করেছে। এসো, তোমরা সকলেই চল। এরপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমার আসার পূর্বে তোমাদের ডেকচি নামাবে না এবং খামির থেকে রুটিও তৈরি করবে না।


আমি (বাড়ীতে) আসলাম এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবা-ই-কিরামসহ আসলেন। এরপর আমি আমার স্ত্রীর নিকট আসলে সে বলল, আল্লাহ তোমার মঙ্গল করুন। আমি বললাম, তুমি যা বলেছ আমি তাই করেছি।


এরপর সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে আটার খামির বের করে দিলে তিনি তাতে মুখের লালা মিশিয়ে দিলেন এবং বারাকাতের জন্য দু‘আ করলেন। এরপর তিনি ডেকচির কাছে এগিয়ে গেলেন এবং তাতে মুখের লালা মিশিয়ে এর জন্য বারাকাতের দু‘আ করলেন। তারপর বললেন, রুটি প্রস্তুতকারিণীকে ডাক। সে আমার কাছে বসে রুটি প্রস্তুত করুক এবং ডেকচি থেকে পেয়ালা ভরে গোশত বেড়ে দিক। তবে (উনুন হতে) ডেকচি নামাবে না।


তাঁরা ছিলেন সংখ্যায় এক হাজার। আমি আল্লাহর কসম করে বলছি, তাঁরা সকলেই তৃপ্তি সহকারে খেয়ে বাকী খাদ্য রেখে চলে গেলেন। অথচ আমাদের ডেকচি আগের মতই টগবগ করছিল আর আমাদের আটার খামির থেকেও আগের মতই রুটি তৈরি হচ্ছিল।


(সহীহ বুখারী)

 

৮৭ সূরা আল আ'লা,,,,, সর্বোন্নত

بِسْمِ ٱللَّهِ ٱلرَّحْمَٰنِ ٱلرَّحِيمِ


উচ্চারণঃ বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম।


অর্থঃ শুরু করছি আল্লাহর নামে যিনি পরম করুণাময়, অতি দয়ালু।


সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ১


سَبِّحِ ٱسْمَ رَبِّكَ ٱلْأَعْلَى


উচ্চারণঃ ছাব্বিহিছমা রাব্বিকাল আ‘লা-।


অর্থঃ আপনি আপনার মহান পালনকর্তার নামের পবিত্রতা বর্ণনা করুন



সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ২


ٱلَّذِى خَلَقَ فَسَوَّىٰ


উচ্চারণঃ আল্লাযী খালাকা ফাছওওয়া-।


অর্থঃ যিনি সৃষ্টি করেছেন ও সুবিন্যস্ত করেছেন।



সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ৩


وَٱلَّذِى قَدَّرَ فَهَدَىٰ


উচ্চারণঃ ওয়াল্লাযী কাদ্দারা ফাহাদা-।


অর্থঃ এবং যিনি সুপরিমিত করেছেন ও পথ প্রদর্শন করেছেন



সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ৪


وَٱلَّذِىٓ أَخْرَجَ ٱلْمَرْعَىٰ


উচ্চারণঃ ওয়াল্লাযীআখরাজাল মার‘আ-।


অর্থঃ এবং যিনি তৃণাদি উৎপন্ন করেছেন,



সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ৫


فَجَعَلَهُۥ غُثَآءً أَحْوَىٰ


উচ্চারণঃ ফাজা‘আলাহূগুছাআন আহওয়া-।


অর্থঃ অতঃপর করেছেন তাকে কাল আবর্জনা।



সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ৬


سَنُقْرِئُكَ فَلَا تَنسَىٰٓ


উচ্চারণঃ ছানুকরিউকা ফালা-তানছা-।


অর্থঃ আমি আপনাকে পাঠ করাতে থাকব, ফলে আপনি বিস্মৃত হবেন না



সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ৭


إِلَّا مَا شَآءَ ٱللَّهُ إِنَّهُۥ يَعْلَمُ ٱلْجَهْرَ وَمَا يَخْفَىٰ


উচ্চারণঃ ইল্লা-মা-শাআল্লা-হু ইন্নাহূইয়া‘লামুল জাহরা ওয়ামা-ইয়াখফা-।


অর্থঃ আল্লাহ যা ইচ্ছা করেন তা ব্যতীত। নিশ্চয় তিনি জানেন প্রকাশ্য ও গোপন বিষয়।



সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ৮


وَنُيَسِّرُكَ لِلْيُسْرَىٰ


উচ্চারণঃ ওয়া নুইয়াছছিরুকা লিল ইউছরা-।


অর্থঃ আমি আপনার জন্যে সহজ শরীয়ত সহজতর করে দেবো।



সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ৯


فَذَكِّرْ إِن نَّفَعَتِ ٱلذِّكْرَىٰ


উচ্চারণঃ ফাযাক্কির ইন নাফা‘আতিযযিকরা-।


অর্থঃ উপদেশ ফলপ্রসূ হলে উপদেশ দান করুন,



সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ১০


سَيَذَّكَّرُ مَن يَخْشَىٰ


উচ্চারণঃ ছাইয়াযযাক্কারু মাইঁ ইয়াখশা-।


অর্থঃ যে ভয় করে, সে উপদেশ গ্রহণ করবে,



সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ১১


وَيَتَجَنَّبُهَا ٱلْأَشْقَى


উচ্চারণঃ ওয়া ইয়াতাজান্নাবুহাল আশকা-।


অর্থঃ আর যে, হতভাগা, সে তা উপেক্ষা করবে,



সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ১২


ٱلَّذِى يَصْلَى ٱلنَّارَ ٱلْكُبْرَىٰ


উচ্চারণঃ আল্লাযী ইয়াসলান্না-রাল কুবরা-।


অর্থঃ সে মহা-অগ্নিতে প্রবেশ করবে।



সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ১৩


ثُمَّ لَا يَمُوتُ فِيهَا وَلَا يَحْيَىٰ


উচ্চারণঃ ছু ম্মা লা-ইয়ামূতুফীহা-ওয়ালা-ইয়াহইয়া-।


অর্থঃ অতঃপর সেখানে সে মরবেও না, জীবিতও থাকবে না।



সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ১৪


قَدْ أَفْلَحَ مَن تَزَكَّىٰ


উচ্চারণঃ কাদ আফলাহা মান তাঝাকা-।


অর্থঃ নিশ্চয় সাফল্য লাভ করবে সে, যে শুদ্ধ হয়



সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ১৫


وَذَكَرَ ٱسْمَ رَبِّهِۦ فَصَلَّىٰ


উচ্চারণঃ ওয়া যাকারাছমা রাব্বিহী ফাসাল্লা-।


অর্থঃ এবং তার পালনকর্তার নাম স্মরণ করে, অতঃপর নামায আদায় করে।




সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ১৬


بَلْ تُؤْثِرُونَ ٱلْحَيَوٰةَ ٱلدُّنْيَا


উচ্চারণঃ বাল তু’ছিরূনাল হায়া-তাদ্দুনইয়া-।


অর্থঃ বস্তুতঃ তোমরা পার্থিব জীবনকে অগ্রাধিকার দাও,



সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ১৭


وَٱلْءَاخِرَةُ خَيْرٌ وَأَبْقَىٰٓ


উচ্চারণঃ ওয়াল আ-খিরাতুখাইরুওঁ ওয়া আবকা-।


অর্থঃ অথচ পরকালের জীবন উৎকৃষ্ট ও স্থায়ী।



সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ১৮


إِنَّ هَٰذَا لَفِى ٱلصُّحُفِ ٱلْأُولَىٰ


উচ্চারণঃ ইন্না হা-যা-লাফিসসুহুফিল উলা-।


অর্থঃ এটা লিখিত রয়েছে পূর্ববতী কিতাবসমূহে;



সূরা আল আ'লা (الأعلى), আয়াত: ১৯


صُحُفِ إِبْرَٰهِيمَ وَمُوسَىٰ


উচ্চারণঃ সুহুফি ইবরা-হীমা ওয়া মূছা।


অর্থঃ ইব্রাহীম ও মূসার কিতাবসমূহে।


,,,,,,,,,,,


 

রাত সাড়ে আটটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/২৯ মঙ্গলবার

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

(২৯-১১-২০২২) 

আজকের শিরোনাম-


* সাধারণ রোগীর মত টিকেট কেটে জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসা নিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 


* মুজিব সৈনিক হতে হলে মুজিব কোট পরে নয়, তাঁর আদর্শের সৈনিক হতে হবে, শেখ হাসিনার খাঁটি কর্মী হতে হবে - বললেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। 


* সমাবেশের সুবিধার্থে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বরাদ্দ করা হলেও বিএনপি নয়াপল্টনে সমাবেশের জন্য বাড়াবাড়ি করলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবে সরকার - বলেছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী। 


* ‘সবাই মিলে দেবো কর, দেশ হবে স্বনির্ভর’ স্লোগানকে সামনে রেখে আগামীকাল দেশে পালিত হবে জাতীয় আয়কর দিবস। 


* বৈশ্বিক খাদ্য নিরাপত্তা সংকটের প্রেক্ষিতে চলতি অর্থবছরে ধান উৎপাদন বাড়াতে নানামুখী কার্যক্রম গ্রহণ করেছে সরকার। 


* রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন শীতকালকে যুদ্ধের অস্ত্র হিসেবে কাজে লাগাচ্ছেন বলে অভিযোগ ন্যাটোর। 


* এবং কাতার বিশ্বকাপ ফুটবলে আজ রাতে বিভিন্ন ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে গ্রুপ পর্যায়ের চারটি ম্যাচ।

মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর, ২০২২

কুফু বা বিয়ের ক্ষেত্রে সমতা,,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে

 কুফু বা বিয়ের ক্ষেত্রে সমতাঃ 


বিয়ের ক্ষেত্রে ছেলে-মেয়ের বয়স, আর্থিক সচ্ছলতা, পরিবেশ-পারিপার্শ্বিকতা ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বয়সের অধিক ব্যবধানের ফলে অনেক সময় স্বামী-স্ত্রীর মাঝে মানসিক অশান্তি সৃষ্টি হয়। যা এক সময় স্থায়ী বিচ্ছেদের রূপ লাভ করে কিংবা তারা পরকীয়ার দিকে ঝুঁকে পড়ে। এজন্য ইসলাম বয়স, সম্পদ প্রভৃতি ক্ষেত্রে সমতাকে গুরুত্ব দিয়েছে। রাসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া ছাল্লাম বলেছেন, تَخَيَّرُوْا لِنُطَفِكُمْ وَانْكِحُوا الْأَكْفَاءَ وَأَنْكِحُوا إِلَيْهِمْ، ‘তোমরা ভবিষ্যত বংশধরদের স্বার্থে উত্তম মহিলা গ্রহণ কর এবং সমতা বিবচেনায় বিবাহ কর, আর বিবাহ দিতেও সমতার প্রতি লক্ষ্য রাখ’।[হাদীস ইবনু মাজাহ: ১৯৬৮; ছহীহাহ: ১০৬৭]


ইসলাম ধর্ম কখনোই অনৈতিক বা সমাজ গ্রহণ করে না এমন কোনো কার্যক্রম সমর্থন করে না। আর এরই ধারাবাহিকতায় পরকীয়া ধরনের অপরাধ হচ্ছে অনেক বড় ধরনের জঘন্য অপরাধ। যে অপরাধের শাস্তি দুনিয়াতে অনেক ভয়ানক এবং জীবননাশক। তাই একজন মুসলমানের জন্য এই কাজটি করার আগে অবশ্যই এর শাস্তির ব্যাপারে সচেতন থাকা উচিৎ। والله اعلم بالصواب

উত্তম দৃষ্টান্ত,,,,,, ফেইসবুক থেকে

মেয়ের বাবাকে জিজ্ঞাসা করলাম মোহর কত চান? তিনি বলেন ছেলের সামর্থ্য অনুযায়ী। ছেলেকে জিজ্ঞাসা করলাম, তোমার সামর্থ্য কতটুকু? সে বলল, সাত হাজার। মেয়ের বাবা বললেন, আলহামদুলিল্লাহ আমি রাজি। আমি সুপারিশ করে বললাম, দশ সংখ্যাটা পূর্ণ। আমরা তোমাকে কিছু হাদিয়া দিই। তুমি দশ পূর্ণ করে দিও।


ছেলে বলল, তাহলে আমি নিজেই দশ হাজার দিব ইনশাআল্লাহ। আমি বললাম, প্লিজ আমাদের একটু শরিক হতে দাও তোমার সাথে। আমি তোমাকে পাঁচশ টাকা দেব। একথা শুনে উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্যে অনেকেই বাকি টাকা দেয়ার জন্য হাত তুললেন।


কিন্তু মেয়ের বাপ সবাইকে আশ্চর্য করে ঘোষণা দিল, বাকি আড়াই হাজার টাকা ছেলেকে আমিই দিব ইনশাআল্লাহ। আল্লাহু আকবার। কত উদার মনের মানুষ! নিজের মেয়ের বিবাহের মোহর বরের পক্ষ থেকে নিজেই আদায় করলেন। সুবহানাল্লাহ।


আলহামদুলিল্লাহ আজ আমি একজন প্রকৃত রাজা খুঁজে পেলাম। বিশ্বনবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যথার্থই বলেছেন, আত্মিক ধনীই প্রকৃত ধনী।


✍️ আতাউর রহমান বিক্রমপুরী হাঃ


কতইনা উত্তম দৃষ্টান্ত সুবহানাল্লাহ ☝🏿

( প্রত্যেকটা পিতামাতা যদি এমন হতো কতই না উত্তম হত )


কপি
পেস্ট

নিয়মিত ইসলামিক লেখা পেতে আমাদের পেইজটি ফলো করুন Message বার্তা 

সকাল সাতটার বাংলা সংবাদ শিরোনাম বাংলাদেশ বেতার ২০২২/১১/২৯ মঙ্গলবার

 সকাল ৭ টার সংবাদ। তারিখ: ২৯-১১-২০২২ খ্রি:।  আজকের শিরোনাম :


* শান্তিরক্ষা মিশনে নারীদের ভূমিকা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে - বললেন প্রধানমন্ত্রী। 


* এ বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ - পরীক্ষার ফল গ্রহণ করে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের জন্য দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে যথাযথ শিক্ষা ও প্রযুক্তি জ্ঞান অর্জনের ওপর শেখ হাসিনার গুরুত্ব আরোপ।  


* বিশেষ পরিস্থিতিতে জ্বালানি ও বিদ্যুতের দাম সমন্বয়ের বিধান রেখে জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ কমিশন সংশোধন অধ্যাদেশ-২০২২ এর খসড়ায় মন্ত্রিসভার চূড়ান্ত অনুমোদন।


* ১০ই ডিসেম্বর বিএনপির শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করতে বাধা নেই, তবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করলে সমুচিত জবাব দেয়া হবে - বললেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। 


* তারেক রহমান হচ্ছে দুর্নীতি, লুটপাট, হাওয়া ভবন ও খোয়াব ভবনের প্রতীক - মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রীর।   


* চীনের শহরগুলোতে থেমে গেছে কোভিড বিধি-নিষেধের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ। 


* এবং কাতার বিশ্বকাপ ফুটবলে ফেভারিট ব্রাজিল ও পর্তুগাল নিজ নিজ ম্যাচে জিতে নকআউট পর্বে উন্নীত।

রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ ১১-০৫-২০২৬

 রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ ১১-০৫-২০২৬ আজকের সংবাদ শিরোনাম রাজনৈতিক পরিচয় নয় অপরাধীদের অপরাধী হিসেবেই বিবেচনা করতে পুলিশ বাহিনীকে নির্দে...