এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

আপনার বাগানের গাছের পাতা কুকড়ে যায়,,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌿🌿 আপনার বাগানের গাছের পাতা কুকড়ে যায়??🍃🍃


অনেকেই মরিচ,টমেটো, শিম, বরবটি পেপে বা অন্যান্য গাছের পাতা কোকড়ানো এর

জন্য কাংখিত ফলন পান না তাদের জন্য কার্যকরী কীটনাশক। ১০০% পরীক্ষিত।


মূলত মাছি পোকা ও মাকড়ের আক্রমণ হলে এমন হয়।


👉👉 যেভাবে দমন করবেনঃ-


আক্রমণ রোধে রিপকর্ড বা ইমিডাক্লোপিড গ্রুপের কীটনাশক ইমিটাফ

এবামেক্টিন গ্রুপের কীটনাশক ভারটিমেক ব্যবহার করলে ভাল ফলাফল পাওয়া যায় ।


✅ ব্যবহারবিধিঃ ১ লিটার পানিতে ইমিটাফ. ০.৫ মিলি ও ভারটিমেক ১ মিলি মিশিয়ে স্প্রে করে দিবেন পাতার উপর,নিচ সব গাছে বিকালে ।


👉 ৭ দিন পর আরেকবার স্প্রে করে দিবেন।

এর পর প্রতি ১৫ দিন পর পর নিয়মিত স্প্রে করে দিবেন। তাইলে আর কোকড়াবে না।


✅ তবে খেয়াল রাখতে হবে যে যদি গাছের গোড়ায় পানি থাকে অথবা গোঁড়া যদি ভিজা থাকে তাহলে অবশ্যই গাছের গোড়া খোঁচা অথবা আলগা করে দিয়ে মাটির রোদে শুকায় নিতে হবে। টপের ক্ষেত্রে একই পদ্ধতি অবলম্বন করলে আশা করি ভালো ফলন পাবেন। তবে খেয়াল রাখতে হবে যে এই অবস্থায় গাছে বেশি নাইট্রোজেন ব্যবহার করা যাবে না তাহলে গাছের ফুল এবং ফল দুইটাই ঝরে যাবে।



ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


রঙ্গন গাছের মাটি তৈরি যত্ন ও পরিচর্যা : (Ixora plant),,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 রঙ্গন গাছের মাটি তৈরি যত্ন ও পরিচর্যা : (Ixora plant)


🌿  টব নির্বাচন :

এই গাছটির জন্য ৮" টব সব থেকে উপযুক্ত।


🌿 পানি নিষ্কাশন :

টবের পানি নিষ্কাশনের জন্য অবশ্যই টবের নিচে ছিদ্র থাকতে হবে। ছিদ্র না থাকলে পানি জমে যাবে এবং গাছের গোড়া পঁ*চতে শুরু করবে এবং গাছ মা**রা যাবে।


🌿 মাটি তৈরির জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ :

এই গাছের জন্য ১ ভাগ মাটি , ১ ভাগ সাদা বালি, ১ ভাগ কোকোপিট, ১ ভাগ ভার্মি কম্পোস্ট বা ১ বছরের পুরোনো গোবর সার এবং হাফ চা চামুচ ফাঙ্গিসাইড ভালোভাবে মিশিয়ে মাটি তৈরী করতে হবে।  গাছ প্রতিস্থাপনের পর ভালো ভাবে পানি দিতে হবে। 

পেজ: মৌসুমিস ব্যালকনি


🌿 পানি :

রঙ্গন গাছ ১ম প্রতিস্থাপনের পর (ছোট অবস্থায়) ২দিন পরপর পানি দিতে হবে। গাছ বড় হওয়ার পর (৩/৪ মাস) টবের মাটি শুকানোর পর পানি দিতে হবে। এই গাছ হালকা ময়েশ্চার মাটি পছন্দ করে। কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে যেন গাছের গোড়ায় কখনোই পানি না জমে।


🌿 সূর্যালোক :

কাঠগোলাপ গাছ সম্পূর্ণ সূর্যালোকে (full Sunlight) সবথেকে বেশি ভালো ফুল হয়। এছাড়া ব্যালকনিতেও এই গাছ করা যায়। অনন্ত ৬ থেকে ৭ ঘন্টা সূর্যের আলো আসে এমন জায়গায়ও করা যাবে এই রঙ্গন ফুল গাছ।


🌿 সার: 

রঙ্গন গাছ জৈব সার বেশি পছন্দ করে। মাসে ১ বার, ৫০ গ্রাম (এক মুঠ) সরিষার খৈল গুঁড়া, ১ চা চামুচ হাড়ের গুঁড়া, ১ চা চামুচ শিং কুচি ভালো ভাবে মিশিয়ে সেটা থেকে ২ চামুচ নিয়ে গাছে দিতে হবে এবং ভালোভাবে পানি দিয়ে দিতে হবে। 

পেজ: মৌসুমিস ব্যালকনি


🌿 রোগ:

এই গাছে তেমন রোগ হয় না বললেই চলে। ১লিটার পানিতে ১চামুচ ফাঙ্গিসাইড ভালোভাবে মিশিয়ে গাছের পাতায় স্প্রে করতে হবে ৭দিন পরপর। তাহলে গাছের পাতা সবুজ থাকবে এবং পাতার রোগ থেকে মুক্ত থাকবে।


🌼 ছবিতে রঙ্গন ফুল গাছ (ঢাকার কোনো এক রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে মুঠোফনে তোলা ছবি) 🌼


Mousumi's Balcony 


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 



টবে বেগুন চাষ পদ্ধতি। --------------------------------- বেগুন সাধারনত একটি শীতকালিন সবজি, তবে সারা বছর এ চাষ করা যায়। বেগুন বাংলাদেশে অতি পরিচিত একটি সবজি। টবেও এটি ভাল ফলন হয়ে থাকে। আসুন জেনে নিই কিভাবে টবে বেগুন চারা রোপন করব। প্রথমেই জেনে নিতে হবে বেগুনের ভালো ফলন কোন ধরনের মাটিতে হয়। সাধারণত দেখা যায়, পলি দোআঁশ মাটি ও এটেঁল দোআঁশ মাটি বেগুন চাষের জন্য উপযোগী। ১০-১২ ইঞ্চি ব্যাসের মাটির টব, প্লাস্টিকের গামলা অথবা অর্ধেক করে কেটে নেওয়া প্লাস্টিকের ড্রামও ব্যবহার করা যেতে পারে। মাটি প্রস্তুতকরণ টবে বেগুন রোপনের জন্য ২ ভাগ এঁটেল দোআঁশ বা পলি-দোআঁশ মাটি, ১ ভাগ কোকোপিট বা গাছের গুড়া এবং ১ ভাগ জৈব সার ভাল করে মিশিয়ে নিন। মাটি তৈরি হয়ে গেলে তা ১০-১২ দিন ধরে পানি ছিটিয়ে ভিজিয়ে রাখতে হবে। তারপর আবার মাটি খুঁচিয়ে ঝুরঝুরে করে নিতে হবে। চারা সংগ্রহ: দেশের বিভিন্ন হাটে-বাজারে বা শহরের নার্সারিতে বেগুনের চারা কিনতে পাওয়া যায়। সেখান থেকে সুন্দর ও বলিষ্ঠ বেগুন চারা সংগ্রহ করতে পারেন। এ ছাড়া ভালো জাতের বীজ কিনে এনে চারা করে নিতে পারেন। সে ক্ষেত্রে বীজ কিনে এনে ভালো করে শোধন করার পর ছয় ঘণ্টার মতো ছায়ায় রেখে শুকিয়ে নিতে হবে। বালি, কমপোস্ট ও মাটি সমপরিমাণে মিশিয়ে বীজ বপনের জন্য উপযুক্ত মাটি তৈরি করতে হয়। বীজ বপনের পর মাসখানেকের মধ্যেই চারা টবে লাগানোর উপযুক্ত হয়ে যায়। চারা তোলার সময় লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে শিকড়ের ক্ষতি না হয়। শিকড়ের সঙ্গে কিছুটা মাটি রেখে চারা স্থানান্তর করতে হবে। বেগুনে রোগবালাই এবং পোকার আক্রমণ বেশি হয়ে থাকে। যে কারণে বেগুন চাষে কিছুটা সতর্কতা অবশ্যই অবলম্বন করতে হয়। লক্ষণ দেখা দিলেই কীটনাশক এবং ছত্রাকনাশক স্প্রে করতে হয়। বেগুনের রোগ দমন ব্যবস্থাপনা : গোড়া পচা, ঢলেপড়া ও ক্ষুদে পাতা রোগ : গোড়া পচা দমনের জন্য অটোস্টিন ২ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রয়োগ করা যেতে পারে। ঢলেপড়া রোগ ও খাটো আকৃতির পাতা রোগ দমনে ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকনাশক এবং ভাইরাস বাহক সাদামাছি ( ইমিটাফ/নাইট্রো প্রয়োগ) দমন করতে হবে। ফমপসিস রোগ (Phomopsis) : ফমপসিস রোগ দমনে বীজ শোধন করার জন্য গরম পানিতে ( ৫১ডিগ্রি সে) ১৫ মিনিট রাখা, অটোস্টিন ০.১ গ্রাম/৫০ গ্রাম বীজ, মূূল জমিতে অটোস্টিন ১০ গ্রাম/৫লিটার পানি স্প্রে করতে হবে। ডেম্পিং অফ বা চারা ধ্বসা/ঢলে পড়া রোগ : বীজতলায় ‘ডেম্পিং অফ’ ছত্রাক রোগের আক্রমণ হয়। চারার কাণ্ড ও শিকড়ে রোগ ছড়িয়ে চারা মারা যায়। রোভরাল (২ গ্রাম/লি) বা কম্প্যানিয়ন (২ গ্রাম/লি) ৮ দিন পর পর প্রয়োগ করতে হবে। অটোস্টিন দিয়ে বীজ শোধন করতে হবে । বেগুনের পোকা ফল ও কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকা, মেলিবাগ, বিটল, সাদা মাছি ও জেসিড। এসব পোকা দেখা গেলে যথানিয়মে ট্রেসার ২টি স্প্রে তারপর মারশাল এই চক্র অনুসরণ করে কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে। বেগুনের ডগা ও ফলের মাজরা পোকা : এই পোকার আক্রমণ অধিক হলে এই পোকা দ্বারা সর্বাধিক ৬৩% পর্যন্ত ফলন ক্ষতি হতে দেখা গেছে। বেগুন ছাড়াও এ পোকা টমেটো, আলু, মটরশুটি ইত্যাদি সবজিকেও আক্রমণ করতে পারে (বারি)। ফল বিস্বাদ, খাওয়ার অনুপোযুক্ত হয়ে যায়। বেগুনের ডগা ও ফল মাজরা পোকা গাছে মাটি থেকে নেয়া পানি চলাচল ব্যহত হয় এবং ডগা, পাতা ঢলে পড়ে মারা যায়। ছিদ্রের মুখে কীড়ার মল দেখা যায়। গাছে ফুল ধরতে বিলম্ব হয়। ক্রীড়া ফুলের কুঁড়ি এবং পরে বৃতির মাধ্যমে বর্ধনরত ফলের মধ্যে প্রবেশ করে। বর্ধনরত ফল আক্রান্ত হলে তাতে ছিদ্র দেখা যায়। বেগুনের এই একটি পোকা দমন করতে ১-২টি ফসল মৌসুমে গড় দৈনিক হিসাবে শতাধিক বার অতি বিষাক্ত কীটনাশক স্প্রে করার উদাহরণ রয়েছে। অথচ বায়োলজিক্যালি অতি কম বিষাক্ত ট্রেসার প্রয়োগ করে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে তা দমন করা সম্ভব। ট্রেসার মার্শাল প্রয়োগ : চারা রোপণের ২৫-৩০ দিনের মধ্যে জমিতে মথ দেখার সাথে সাথে ট্রেসার ১০ লিটার পানিতে ৪ মিলি হারে স্প্রে করতে হবে। জমিতে লক্ষণ দেখা দিলে আক্রান্ত ডগা অপসারণ করে একই হারে পুনরায় ট্রেসার প্রয়োগ করতে হবে। এর ৭-১০ দিন পর মার্শাল ২০ ইসি ১০ লিটার পানিতে ৩০ মিলি মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। রোপণের কয়েক দিন পর থেকেই এ পোকার আক্রমণ হয় এবং শেষ ফলটি সংগ্রহ করার আগ পর্যন্ত এর আক্রমণ চলতে থাকে। গ্রীষ্মকালে জীবনচক্র সম্পন্ন করতে ২০-৩০ দিন এবং শীতকালে ৩৪-৪৫ দিন লাগে। বছরে এরা ৫ বা বেশি বংশবিস্তার করতে পারে। মে-অক্টোবর ৩টি বংশ এবং নভেম্বর-এপ্রিল মাসের মধ্যে ২টি বংশবিস্তার হয়। স্ত্রী মথ পাতার উল্টো দিকে, কুঁড়িতে, বোঁটায় ও ডগায় ডিম পাড়ে। গ্রীষ্মকালে ৩-৫ দিন এবং শীতকালে ৭-৮ দিনে ডিম ফুটে কীড়া বের হয়। সমম্বিত বালাই দমন বেগুন ক্ষেতে প্রতি সপ্তাহে পোকার উপস্থিতি যাচাই করতে হবে। আক্রান্ত ডগা ও ফল কীড়াসহ ছিঁড়ে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে। নিরাপদ বেগুন উৎপাদনে ব্যাগিং ও অর্গানিক পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে। বেগুনের জমি গভীরভাবে চাষ-মই দিয়ে সমান করে আগাছামুক্ত করতে হবে। বেগুনের জমি স্বল্প ব্যয়ে আগাছামুক্ত রাখতে চাইলে চারা রোপণের ২-৩ দিনের মধ্যে মাটিতে পানিডা ৩৩ ইসি বিঘাতে ৩০০ মিলি প্রয়োগ করতে হবে। জমি তৈরির শেষ চাষে কার্বোটাফ ৫জি ১.৫ কেজি/বিঘা দিতে হবে। সুষম সার প্রয়োগ করতে হবে। ইউরিয়া অতিরিক্ত দেয়া যাবে না। রোপণের ১৫ দিন থেকে সপ্তাহে একদিন ক্ষেতে জরিপ করতে হবে। ক্ষেত আগাছানাশক (পানিডা) দিয়ে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। ফুল আসার আগে ডগা বা পাতায় পোকা দেখলে পোকা ধ্বংস করাসহ বালাইনাশক দিতে হবে। অন্যন্য পরিচর্যা: বেগুন গাছ রোদ পছন্দ করে তাই এটিকে রোদে রাখতে হবে, তবে হালকা রোদেও এটি হয়। পানি দেওয়ার সময় খেয়াল রাখতে হবে অবশ্যই টবের মাটি শুকিয়ে যাবার আগেই টবে পানি দিতে হবে। চারা রোপনের ১ সপ্তাহ পরে ১ চামচ ইউরিয়া, ১ চামচ ফসফেট,১ চামচ পটাশ এবং আধা চামচ ম্যাগনেসিয়াম সালফেট একসাথে মিশিয়ে আড়াই চামচ করে প্রত্যেক ২০ দিন পর পর প্রয়োগ করতে হবে। এভাবে করলে বেগুন গাছ প্রায় ২ বছর গাছটি ফল দিতে থাকবে। বেগুন গাছের বৃদ্ধি দ্রুত গতিতে হয়। গাছ সোজা রাখার জন্য কাঠি বেঁধে দেওয়া যেতে পারে। বৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে সার প্রয়োগের পাশাপাশি মাঝে মাঝে গোড়ার মাটি আলগা করে দিতে হয়। গাছের বয়স বাড়লে গোড়ার দিক থেকে ২০ সেন্টিমিটার রেখে উপরের অংশ ছেঁটে দিলে কেটে দেওয়া অংশ থেকে নতুন শাখা-প্রশাখা বের হয়। সেখানেও বেগুন আগের মতো বেগুন ধরবে।,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 টবে বেগুন চাষ পদ্ধতি।

---------------------------------

বেগুন সাধারনত একটি শীতকালিন সবজি, তবে সারা বছর এ চাষ করা যায়। বেগুন বাংলাদেশে অতি পরিচিত একটি সবজি। টবেও এটি ভাল ফলন হয়ে থাকে। আসুন জেনে নিই কিভাবে টবে বেগুন চারা রোপন করব।


প্রথমেই জেনে নিতে হবে বেগুনের ভালো ফলন কোন ধরনের মাটিতে হয়। সাধারণত দেখা যায়, পলি দোআঁশ মাটি ও এটেঁল দোআঁশ মাটি বেগুন চাষের জন্য উপযোগী। ১০-১২ ইঞ্চি ব্যাসের মাটির টব, প্লাস্টিকের গামলা অথবা অর্ধেক করে কেটে নেওয়া প্লাস্টিকের ড্রামও ব্যবহার করা যেতে পারে। 


মাটি প্রস্তুতকরণ


টবে বেগুন রোপনের জন্য ২ ভাগ এঁটেল দোআঁশ বা পলি-দোআঁশ মাটি, ১ ভাগ কোকোপিট বা গাছের গুড়া এবং ১ ভাগ জৈব সার ভাল করে মিশিয়ে নিন। 


মাটি তৈরি হয়ে গেলে তা ১০-১২ দিন ধরে পানি ছিটিয়ে ভিজিয়ে রাখতে হবে। তারপর আবার মাটি খুঁচিয়ে ঝুরঝুরে করে নিতে হবে। 


চারা সংগ্রহ:


দেশের বিভিন্ন হাটে-বাজারে বা শহরের নার্সারিতে বেগুনের চারা কিনতে পাওয়া যায়। সেখান থেকে সুন্দর ও বলিষ্ঠ বেগুন চারা সংগ্রহ করতে পারেন।


এ ছাড়া ভালো জাতের বীজ কিনে এনে চারা করে নিতে পারেন। সে ক্ষেত্রে বীজ কিনে এনে ভালো করে শোধন করার পর ছয় ঘণ্টার মতো ছায়ায় রেখে শুকিয়ে নিতে হবে। বালি, কমপোস্ট ও মাটি সমপরিমাণে মিশিয়ে বীজ বপনের জন্য উপযুক্ত মাটি তৈরি করতে হয়। বীজ বপনের পর মাসখানেকের মধ্যেই চারা টবে লাগানোর উপযুক্ত হয়ে যায়।


চারা তোলার সময় লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে শিকড়ের ক্ষতি না হয়। শিকড়ের সঙ্গে কিছুটা মাটি রেখে চারা স্থানান্তর করতে হবে। বেগুনে রোগবালাই এবং পোকার আক্রমণ বেশি হয়ে থাকে। যে কারণে বেগুন চাষে কিছুটা সতর্কতা অবশ্যই অবলম্বন করতে হয়। লক্ষণ দেখা দিলেই কীটনাশক এবং ছত্রাকনাশক স্প্রে করতে হয়।


বেগুনের রোগ  দমন ব্যবস্থাপনা :


গোড়া পচা, ঢলেপড়া ও ক্ষুদে পাতা রোগ : গোড়া পচা দমনের জন্য অটোস্টিন ২ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে প্রয়োগ করা যেতে পারে। ঢলেপড়া রোগ ও খাটো আকৃতির পাতা রোগ দমনে ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকনাশক এবং ভাইরাস বাহক সাদামাছি ( ইমিটাফ/নাইট্রো প্রয়োগ) দমন করতে হবে।    


ফমপসিস রোগ (Phomopsis) : ফমপসিস রোগ দমনে বীজ শোধন করার জন্য গরম পানিতে ( ৫১ডিগ্রি সে) ১৫ মিনিট রাখা, অটোস্টিন ০.১ গ্রাম/৫০ গ্রাম বীজ, মূূল জমিতে অটোস্টিন ১০ গ্রাম/৫লিটার পানি স্প্রে করতে হবে।


ডেম্পিং অফ বা চারা ধ্বসা/ঢলে পড়া রোগ : বীজতলায় ‘ডেম্পিং অফ’ ছত্রাক রোগের আক্রমণ হয়। চারার কাণ্ড ও শিকড়ে  রোগ ছড়িয়ে চারা  মারা যায়। রোভরাল (২ গ্রাম/লি) বা কম্প্যানিয়ন (২ গ্রাম/লি) ৮ দিন পর পর প্রয়োগ করতে হবে। অটোস্টিন  দিয়ে  বীজ শোধন করতে হবে ।    


বেগুনের পোকা


ফল ও কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকা, মেলিবাগ, বিটল, সাদা মাছি ও জেসিড। এসব পোকা দেখা গেলে যথানিয়মে ট্রেসার ২টি স্প্রে তারপর  মারশাল এই চক্র অনুসরণ করে কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে।     


বেগুনের ডগা ও ফলের মাজরা পোকা : এই পোকার আক্রমণ অধিক হলে এই পোকা দ্বারা সর্বাধিক ৬৩% পর্যন্ত ফলন ক্ষতি হতে দেখা গেছে। বেগুন ছাড়াও এ পোকা টমেটো, আলু, মটরশুটি ইত্যাদি সবজিকেও আক্রমণ করতে পারে (বারি)। ফল বিস্বাদ, খাওয়ার অনুপোযুক্ত হয়ে যায়। বেগুনের ডগা ও ফল মাজরা পোকা গাছে মাটি থেকে নেয়া পানি চলাচল ব্যহত হয় এবং ডগা, পাতা ঢলে পড়ে মারা যায়। ছিদ্রের মুখে কীড়ার মল দেখা যায়।  গাছে ফুল ধরতে বিলম্ব হয়। ক্রীড়া ফুলের কুঁড়ি এবং পরে বৃতির মাধ্যমে বর্ধনরত ফলের মধ্যে প্রবেশ করে। বর্ধনরত ফল আক্রান্ত হলে তাতে ছিদ্র দেখা যায়। বেগুনের এই একটি পোকা দমন করতে ১-২টি ফসল মৌসুমে গড় দৈনিক হিসাবে শতাধিক বার অতি বিষাক্ত কীটনাশক স্প্রে করার উদাহরণ রয়েছে। অথচ বায়োলজিক্যালি অতি কম বিষাক্ত ট্রেসার প্রয়োগ করে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে তা দমন করা সম্ভব।


ট্রেসার মার্শাল প্রয়োগ : চারা রোপণের ২৫-৩০ দিনের মধ্যে জমিতে মথ দেখার সাথে সাথে ট্রেসার ১০ লিটার পানিতে ৪ মিলি হারে স্প্রে করতে হবে। জমিতে লক্ষণ দেখা দিলে আক্রান্ত ডগা অপসারণ করে একই হারে পুনরায় ট্রেসার প্রয়োগ করতে হবে। এর ৭-১০ দিন পর মার্শাল ২০ ইসি ১০ লিটার পানিতে ৩০ মিলি মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। রোপণের কয়েক দিন পর থেকেই এ পোকার আক্রমণ হয় এবং শেষ ফলটি সংগ্রহ করার আগ পর্যন্ত এর আক্রমণ চলতে থাকে। গ্রীষ্মকালে জীবনচক্র সম্পন্ন করতে ২০-৩০ দিন এবং শীতকালে ৩৪-৪৫ দিন লাগে। বছরে এরা ৫ বা বেশি বংশবিস্তার করতে পারে। মে-অক্টোবর ৩টি বংশ এবং নভেম্বর-এপ্রিল মাসের মধ্যে ২টি বংশবিস্তার হয়। স্ত্রী মথ পাতার উল্টো দিকে, কুঁড়িতে, বোঁটায় ও ডগায় ডিম পাড়ে। গ্রীষ্মকালে ৩-৫ দিন এবং শীতকালে ৭-৮ দিনে ডিম ফুটে কীড়া বের হয়।    


সমম্বিত বালাই দমন  


বেগুন ক্ষেতে প্রতি সপ্তাহে পোকার উপস্থিতি যাচাই করতে হবে। আক্রান্ত ডগা ও  ফল কীড়াসহ ছিঁড়ে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে। নিরাপদ বেগুন উৎপাদনে ব্যাগিং ও অর্গানিক পদ্ধতি ব্যবহার করা যেতে পারে। বেগুনের জমি গভীরভাবে চাষ-মই দিয়ে সমান করে আগাছামুক্ত করতে হবে। বেগুনের জমি স্বল্প ব্যয়ে আগাছামুক্ত রাখতে চাইলে চারা রোপণের ২-৩ দিনের মধ্যে মাটিতে পানিডা ৩৩ ইসি বিঘাতে ৩০০ মিলি প্রয়োগ করতে হবে। জমি তৈরির শেষ চাষে কার্বোটাফ ৫জি ১.৫ কেজি/বিঘা দিতে হবে। সুষম সার প্রয়োগ করতে হবে। ইউরিয়া অতিরিক্ত দেয়া যাবে না। রোপণের ১৫ দিন থেকে সপ্তাহে একদিন ক্ষেতে জরিপ করতে হবে। ক্ষেত আগাছানাশক (পানিডা) দিয়ে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। ফুল আসার আগে ডগা বা পাতায় পোকা দেখলে পোকা ধ্বংস করাসহ বালাইনাশক দিতে হবে।


অন্যন্য পরিচর্যা:


বেগুন গাছ রোদ পছন্দ করে তাই এটিকে রোদে রাখতে হবে, তবে হালকা রোদেও এটি হয়। পানি দেওয়ার সময় খেয়াল রাখতে হবে অবশ্যই টবের মাটি শুকিয়ে যাবার আগেই টবে পানি দিতে হবে। চারা রোপনের ১ সপ্তাহ পরে ১ চামচ ইউরিয়া, ১ চামচ ফসফেট,১ চামচ পটাশ এবং আধা চামচ ম্যাগনেসিয়াম সালফেট একসাথে মিশিয়ে আড়াই চামচ করে প্রত্যেক ২০ দিন পর পর প্রয়োগ করতে হবে। এভাবে করলে বেগুন গাছ প্রায় ২ বছর গাছটি ফল দিতে থাকবে।


বেগুন গাছের বৃদ্ধি দ্রুত গতিতে হয়। গাছ সোজা রাখার জন্য কাঠি বেঁধে দেওয়া যেতে পারে। বৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে সার প্রয়োগের পাশাপাশি মাঝে মাঝে গোড়ার মাটি আলগা করে দিতে হয়।


গাছের বয়স বাড়লে গোড়ার দিক থেকে ২০ সেন্টিমিটার রেখে উপরের অংশ ছেঁটে দিলে কেটে দেওয়া অংশ থেকে নতুন শাখা-প্রশাখা বের হয়। সেখানেও বেগুন আগের মতো বেগুন ধরবে।


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


ন্যানো ফসফরাস   ন্যানো গোল্ড,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

  ন্যানো ফসফরাস   ন্যানো গোল্ড 


এই যে বস্তুটি দেখছেন এটা হচ্ছে উই পোকার বসতবাড়ি। জানিনা আপনারা কখনো দেখেছেন কিনা, মাটির ঢিবিতে এইরকম ভাবে বাড়ি বানিয়ে উইপোকারা মহানন্দে থাকে। উদ্ভিদের যেকোনো শুকনো অংশ কে প্রাকৃতিক ভাবে ডিকম্পোজ করার প্রানী হলো উইপোকা। এই যে ঘরটা ওরা বানায় থাকার জন্য এটায় প্রাকৃতিক ফসফরাসের ভান্ডার, এর সাথে এটায় খুবই সামান্য মাত্রায় সোনার কম্পোনেন্টও থাকে।


এখন কথা হচ্ছে এটাকে আপনার গাছের জন্য ব্যবহার করবেন কি ভাবে! এরকম উইপোকার ঘর যোগাড় করুন এক কেজির মতো, একটু কম হলেও অসুবিধা নেই। দশ - পনের কেজি দেশি গরুর গোবরে এক কেজি আখ/তাল/খেজুর গুড় মেশান, তারপর এই উই পোকার বসতবাড়ি কে ভেঙে টুকরো টুকরো করে ঐ গোবরের সাথে মিশিয়ে একটা মাটির কলসিতে ভরে কলসির মুখে একটা নারকেল খোলা বা মাটির সরা বসিয়ে ভালো করে কাদা লাগিয়ে বায়ুরুদ্ধ করে রোদ না লাগা জায়গায় রেখে দিন কমপক্ষে তিন মাস। এর পর এটাকে বের করে প্রতি একশো গ্রাম একশো লিটার জলে মিশিয়ে রাখুন একদিন, তারপর ছেঁকে নিয়ে গাছে স্প্রে করুন, ন্যানো ফসফরাস গাছের বডি বানাবে আর ন্যানো গোল্ড গাছ কে ভেতর থেকে শক্তিশালী করে তুলবে। এই টোটাল গোবর আর উইএর বাড়ি মেশানো সার টা চাইলে এক একরে ছড়িয়েও দিতে পারেন। তাতেও অসুবিধা কিছু নেই। 


ধন্যবাদ ❤️

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 



শনিবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

আজ দুপুরে স্যারের ম্যাসেজ,,,,,,,অফিসের হটস এ্যাপ গ্রুপ থেকে কপি করা,,,,,

 আজ দুপুরে স্যারের ম্যাসেজ,,,,,,,,

আসসালামু আলাইকুম সকল ভাই দৃষ্টি আকর্ষণ করছি

ভাই আপনাদের কে বিশেষভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি যে সকল ভাই নিজেরিয়া থেকে ভালোমতো সেলস করতে পারছেন না আপনারা সেলস নিয়ে একটু চিন্তাভাবনা করুন এবং কিভাবে সেলস করা যায় কোন প্রোডাক্ট কোন জায়গায় সেলস করা যায় সেসব নিয়ে চিন্তাভাবনা করুন।

এবং যে সকল এরিয়ায় কৃষি কাজ বেশি হয় সে এরিয়া গুলোতে বেশি বেশি যাওয়ার চেষ্টা করুন।,,,,,,,,,,,,,

আপনাদের সকলকে জানাতে চাচ্ছি আমাদের মাগুরা দিনাজপুর নীলফামারী ভোলা নেত্রকোনা নোয়াখালী এ সকল জায়গা ফাকা আছে আপনাদের যাদের মনে হচ্ছে আপনাদের এরিয়ায় সেলস করা সম্ভব হচ্ছে না কে কোন এরিয়ায় যাবেন মানসিকভাবে প্রিপারেশন নিয়েন।

যদি কারো এরিয়ায় সেলস না হয় সে সকল পেস্টিংম্যান ভাইদের কে উক্ত খালি জায়গাগুলোতে ট্রান্সফার দেওয়া হবে।,,,,,,,,,,,,

সুতরাং ভাই কাজের কথা বলেন তাহলে আপনারা ভালো থাকবেন আমরাও ভালো থাকবো অযথা কথা বললে যে সব কথার ভেলোনায় সে সকল কথা বললে আমাদের কাছেও কি করলে ভালো হবে সেরকম ব্যবস্থা আছে আশা করি বিষয়গুলো মাথায় নিয়ে আপনারা কাজ করবেন।,,,,,,,,,,,

অফিসের হটস এ্যাপ গ্রুপ থেকে কপি করা,,,,,


একটি রাতের গল্প,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ----আমায় একটা বাচ্চা দিবি পল্লব?তোর কাছে আর কিছু চাইবো না জীবনে?


শিমুল আপুর কথা শুনে মাথায় যেনো আসমান ভেঙ্গে পড়লো আমার।শিমুল আপু আমার থেকে পাঁচ বছরের বড়ো।ওর সাতাশ,আর আমার সবে বাইশ।আমাদের ভেতরে রক্তের কোনো সম্পর্ক নেই।বয়সের ব্যবধান থাকলো একে অপরের বন্ধুর মতো মেলামেশা ছিলো দুজনের।ওর বিয়ে হয়েছে চার বছর হয়ে গেছে।স্বামী কোনো একটা ব্যাংকে চাকরি করে।আমি যতোদূর জানি সবকিছু ঠিকঠাক আছে ওদের ভেতরে তাহলে এই কথাটা বললো কেনো হঠাৎ বুঝতে পারছি না।


----আপু তোর কি মাথা খারাপ হয়ে গেছে,কি বলছিস এগুলা!ভেবে চিন্তে বলছিস তো?


---হ্যাঁ,ভেবে চিন্তেই বলছি।দেখ এই ব্যপারটা তোর আর আমার ভেতরেই থাকবে কেউ কিচ্ছু জানবে না।


---কোন ব্যপারের কথা বলছো তুমি?


---বাচ্চার ব্যপারের!বল তুই আমায় এই শেষ সাহায্যটুকু করবি।


(18+ alert,সবাই নিজ দ্বায়িত্বে পড়বেন!কারো খারাপ লাগলে ইগনোর করুন।অযথা বাজে মন্তব্য করবেন না।)


ওর কথা শুনে লজ্জায় দাঁড়িয়ে থাকতে পারছি না আমি‌।জানি না শিমুল আপু কিভাবে বলছে কথাগুলো।নিজের কানকে যেনো নিজেই বিশ্বাস করতে পারছি না এই মূহুর্তে।


---কি হলো চুপ করে আছিস কেনো কিছু বল?


---কি বলবো আমি জানি না কিছু।


---তোর কিছু জানতে হবে না।শুধু বল আমার কথায় রাজি কিনা।তুই রাজি না হলে আমার মরা ছাড়া উপায় থাকবে না।


---দুলাভাই কোথায়,তুই তাকে কিছু বলেছিস?


---মাথা খারাপ,আমি এগুলো তাকে বলবো!


---তাহলে আমি তোর সাথে কেনো এমন একটা বাজে কাজ করবো।আর তুই তো একদম সুবিধার মানুষ না।আমি যথেষ্ট সম্মান করতাম তোকে,কিন্তু এখন মনে হচ্ছে সেই সম্মানের জায়গাটা আর থাকবে না‌।


বেশ রেগে গিয়েই কথাগুলো বললাম।আমি জানি এই কথাগুলো আমার বয়সের সাথে যায় না।শিমুল আপু আমার কথা শুনে কান্না শুরু করে দিলো।আমি লক্ষ্য করলাম ওর চোখ বেয়ে অঝোর ধারায় জল গড়িয়ে পড়ছে।হয়তো আমার কথায় মনে কষ্ট পেয়েছে।ওর সত্যিই হয়তো আমার সাহায্যের প্রয়োজন সেটা না হলে এইরকম একটা প্রস্তাব কেনো দেবে আমাকে শুধু শুধু।কোনো সাংঘাতিক কারণ তো নিশ্চয়ই আছে।সেটা না হলে ও কিছুতেই নিজের সমস্ত লাজ লজ্জা বিসর্জন দিয়ে আমার কাছে ছুটে আসতো না‌।একদিকে ওর চোখের জল সহ্য করতে পারছি না আমি,অন্যদিকে বিবেকের দংশনে মরে যাচ্ছি।কি করবো বুঝতে পারছি না।একটু ভেবে আমি শিমুল আপুর দিকে এগিয়ে গেলাম।ওর কাঁধের হাতটা রাখলাম।


----বল কবে আর কোথায় যেতে হবে আমায়?


আমায় রাজি হতে দেখে শিমুল আপুর মুখে হাসি ফুটে উঠলো।আমাকে বললো-


---কোথায় যেতে হবে না,আমি আজ রাতেই তোর ঘরে আসবো।তুই রেডি থাকিস!


---কিন্তু আমি তো এসব করিনি কখনো।


---সমস্যা নেই,আমি বুঝিয়ে দেবো।তুই শুধু নিজেকে তৈরী রাখিস।


---আচ্ছা আর একটা কথা বলি,


---হ্যাঁ,বল।


---যদি প্রথমবারেই কাজ না হয় তখন কি হবে?মানে তুই যেটা চাইছিস আমার থেকে?যদি বাচ্চা না আসে?


---তাহলে বুঝবি এই দুনিয়ায় আমার আয়ু ফুরিয়ে এসেছে।


এটা বলে শিমুল আপু হনহন করে আমার ঘর থেকে বেড়িয়ে গেলো।আমি ওর পথের দিকে হা করে তাকিয়ে রইলাম‌।ওর কথার মাথামুন্ডু কিছুই বুঝতে পারলাম না।কি চলছে ওর ভেতরে একমাত্র সৃষ্টিকর্তা ভালো জানেন।

শিমুল আপুকে কথা তো দিয়েই দিলাম কিন্তু রাতে কি ঘটবে সেটা ভেবে হাত পা কাঁপছে আমার।এতো বড়ো একটা পাপ করতে চলেছি না জানি লোকজানাজানি হলে আমার আর ওর কি হবে তখন?শারিরীক সম্পর্কের বিষয়ে বিন্দুমাত্র অভিজ্ঞতা নেই আমার।কোনোদিন মাথা ঘামাই নি এই নিয়ে।জানার বা বোঝার চেষ্টাও করিনি।পড়াশুনার মাঝে ডুবিয়ে রেখেছি নিজেকে।তবে আশ্চর্য ব্যপার হলো এতো অনিচ্ছা ভয় উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও কেমন একটা অদ্ভুদ অনুভূতি হচ্ছে নিজের ভেতর।যা আগে কখনো হয়নি।শিমুল আপু রাতে আমার কাছে আসবে এটা ভেবে আমার ভালো কেনো লাগছে বুঝতে পারছি না‌।আমি তো ওর সাথে করতে চাই না এসব।তারপরেও এই ভালোলাগার উৎপত্তি কোথায়?নিজেও জানি না আমি‌।

শিমুল আপুর সত্যিই আমার সাহায্যের প্রয়োজন?যা না পেলে নিজেকে শেষ করে দেবে ও!কি এমন কারণ আছে এর পেছনে?কোনো বিবাহিত নারী কেনো ইচ্ছে করে নিজের সতীত্ব নিজের হাতে নষ্ট করতে চাইবে?

কি হতে চলেছে আজ রাতে আমার সাথে?

চলবে......

     একটি_রাতের_গল্প

পর্ব ১ 

লেখা : প্রদীপ চন্দ্র তিয়াশ

(পর্যাপ্ত সাড়া পেলেই তবে নতুন পর্ব আসবে আর গল্পটা কাউকে ছোটো করার জন্য নয়,পুরো না পড়ে কেউ বাজে মন্তব্য করবেন না আশা করি।)

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

বসন্ত ঋতুর ফুলের নান,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বসন্ত আসন্ন: 


প্রকৃতিতে বসন্তের আগমনী বার্তা নিয়ে আসে এই ফুল গুলো। এগুলোর মধ্যে কিছু গাছের উপস্থিতি অনেক কম প্রকৃতিতে বা বিভিন্ন কারণে প্রকৃতি থেকে হারিয়ে যাচ্ছে। 

তাই, নতুন প্রজন্মকে এই ফুল গুলোর সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার জন্য, আপনার বাড়িতে এর যেকোনো একটি গাছ রোপণ করুন- 

শিমুল 

পলাশ

মহুয়া

কাঞ্চন

গামারি

পারিজাত

কৃষ্ণচূড়া 



ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


সকাল ০৭ টার সংবাদ তারিখ : ১০-০২-২০২৪,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সকাল ০৭ টার সংবাদ

তারিখ : ১০-০২-২০২৪


আজকের  শিরোনাম:


বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফল নেতৃত্বের জন্য দক্ষিণ এশিয়ার সকল নারীর গর্ব করা উচিত - নতুন দিল্লিতে সাক্ষাতকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডক্টর হাছান মাহমুদকে বললেন ভারতের রাষ্ট্রপতি।


নির্বাচনে না আসার খেসারত বিএনপিকে অনেকদিন দিতে হবে - মন্তব্য আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদকের।


চলতি শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন - দেশের ভবিষ্যৎ চিকিৎসকদের সৎ ও স্বচ্ছ হতে হবে - পরামর্শ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর।


টঙ্গীর তুরাগতীরে আম বয়ানের মধ্য দিয়ে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব শুরু।


পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে ইমরান খান সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা এগিয়ে থাকলেও জোট সরকার গঠনের আহ্বান জানালেন নওয়াজ শরীফ।


ঢাকায় বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নিজ নিজ খেলায় জয়লাভ করেছে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স ও সিলেট স্ট্রাইকার্স ।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট?,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 কোথায় কীভাবে পাবেন জমির এই উল্লেখযোগ্য ডকুমেন্ট?

➥১. পর্চা বা খতিয়ান। 

➥২. দলিল। 

➥৩. ম্যাপ বা নকশা।

এই ডকুমেন্টগুলো ছাড়া আপনি জমি বিক্রয়, হস্তান্তর অথবা ব্যাংক লোন হতে নানান সমস্যা হয়।

সেকারণে, জমির খতিয়ান, দলিলসহ সকল কাগজপত্র সংগ্রহে রাখার জন্য সরকারি নানান দপ্তর রয়েছে, যারা ভূমি সংক্রান্ত কাগজপত্র সংগ্রহ করে রাখে। এখন আপনার কাজ হল, ঐ সকল দপ্তরগুলো কে নিশ্চিত করে তাদের শরণাপন্ন হওয়া ও কাগজপত্র গুলো সংগ্রহ করা।

নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো, কোথায়, কীভাবে এবং কত সময়ের ভেতরে আপনি জমির খতিয়ান, দলিল ও নকশা সংগ্রহ করবেন।

➥প্রথমত,আপনার জমির খতিয়ান বা পর্চা কোথায় পাবেন.?

জমির পর্চা বা খতিয়ান মূলত চারটি অফিসে পাবেন। তা হলো, 

১/ইউনিয়ন ভূমি অফিস।

২/উপজেলা ভূমি অফিস।

৩/জেলা ডিসি অফিস।

৪/সেটেলমেন্ট অফিস।


➤ইউনিয়ন ভূমি অফিস বা তহশিল অফিস। ইউনিয়ন ভূমি অফিসে যদিও খতিয়ান বা পর্চার বালাম বহি থাকে কিন্তু আপনি এই অফিসে হতে খতিয়ানের কপি নিতে পারবেন না। ইউনিয়ন ভূমি অফিস হতে শুধু খসরা খতিয়ান নিতে পারবেন যেটা আইনত কোন মূল্য নেই তারপরেও এই অফিসটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ আপনার জমির খতিয়ান নাম্বার জানা না থাকলে এই অফিস থেকে জেনে নিতে পারবেন এছাড়া জমির খাজনা বা ভূমি উন্নয়ন কর এই অফিসে দিতে হয়।


➤উপজেলা ভূমি অফিস

যদিও উপজেলা ভূমি অফিসের মূল কাজ নামজারী বা খারিজ বা মিউটেশন করা তবে খসরা খতিয়ান তুলতে পারবেন। এই অফিস হতেও খতিয়ানের সার্টিফাইড পর্চা বা কোর্ট পর্চা তুলতে পারবেন না।


➤জেলা ডিসি অফিস

এই অফিস হতে পর্চা বা খতিয়ানের সার্টিফাইড কপি সংরক্ষণ করতে পারবেন। এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব সর্বাধিক। সব জায়গায় এই অফিসের খতিয়ান এর গুরুত্ব রয়েছে।


➤সেটেলমেন্ট অফিস

শুধুমাত্র নতুন রেকর্ড বা জরিপের পর্চা / খতিয়ান এই অফিস হতে সংগ্রহ করা যাবে।

পাশাপাশি নতুন রেকর্ড এর ম্যাপ ও সংগ্রহ করা যায়।

❖প্রশ্নঃ খতিয়ান তুলতে কত টাকা লাগবে.?

উত্তরঃ সি এস, এস এ, আর এস, এর জন্য কত টাকা দিতে হবে তা নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর। তবে সিটি জরিপের জন্য 100 টাকা খরচ হবে।

➥দ্বিতীয়ত, আপনার জমির দলিল বা বায়া দলিল কোথায় পাবেন?

দলিল বা দলিল এর সার্টিফাইড কপি বা নকল মূলত দুটি অফিস হতে সংগ্রহ করা যায়, তা হলো।

১/উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস।

২/জেলা রেজিস্ট্রি বা সদর রেকর্ড রুম অফিস।


➤উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রি অফিস

যেখানে নতুন দলিল রেজিস্ট্রেশন করা হয় এই অফিস হতে নতুন দলিলের নকল ও মূল দলিল পাওয়া যায়। কিন্তু পুরাতন দলিল বা বায়া দলিল এই অফিসে পাওয়া যায় না।


➤জেলা রেজিস্ট্রি অফিস বা সদর রেকর্ড রুম।

এই অফিসে নতুন বা পুরাতন দলিলের সার্টিফাইড কপি বা নকল পাওয়া যায়। 

❖ প্রশ্নঃ দলিল তুলতে কত টাকা খরচ হয়.?

উত্তরঃ সরকারি খরচ যদিও সামান্য কিন্তু নকলের খরচ নির্ভর করে ঐ স্থানের সিন্ডিকেটের উপর।

➥ আপনার জমির মৌজা ম্যাপ বা নকশা কোথায় পাবেন?

সাধারণত ম্যাপ বা নকশা দুইটি অফিসে পাবেন, তা হলো

১/জেলা ডিসি অফিস

২/ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর ( DLR) অফিস, ঢাকা।


➤জেলা ডিসি অফিস:

এই অফিস হতে সিএস, এসএ, আরএস, বিএস যেকোনো মৌজা ম্যাপ সংগ্রহ করা যাবে।

সংগ্রহ করতে যা লাগবে আবেদন ফরম + 20 টাকার কোর্ট ফি এবং 500 টাকা নগদ জমা বাবদ বা ডি.সি.আর বাবদ। অর্থাৎ 530 টাকায় মৌজা ম্যাপ তুলতে পারবেন।


➤ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, (তেজগাঁও সাতরাস্তার মোড়), ঢাকা।

সারা বাংলাদেশের যে কোনো মৌজা ম্যাপ সিএস, এসএ, আরএস, বিএস, জেলা ম্যাপ, বাংলাদেশ ম্যাপ উক্ত অফিস হতে তুলতে পারবেন।

এই অফিসের ম্যাপের গ্রহণযোগ্যতা ও অনেক বেশি। সারা বাংলাদেশের যে কোন ম্যাপ এই অফিসে পাওয়া যায়। ম্যাপ তুলতে খরচ আবেদন ফরম + কোর্ট ফি + ডি.সি.আর মোট= ৫৫০/= টাকা মাত্র।


❖প্রশ্নঃ ম্যপ তুলতে কতদিন সময় লাগে?

উত্তরঃ আবেদন করার দিন হতে, ৫-৮ কার্য দিবসের ভিতরে ম্যাপ সরবরাহ করা হয়।


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


বিভিন্ন সারের কাজ

 বিভিন্ন সারের কাজ 




বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...