এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

আল কুরআনে পদার্থ বিজ্ঞান,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 পদার্থবিজ্ঞানঃ

আল কুরআনে পদার্থ বিজ্ঞান সংক্রান্ত বেশ কিছু  আয়াত থেকে দুইটি আয়াতের(সূরা ইয়াসীন,৩৮-৪০)সামান্য বিশ্লেষণ। 


A.সূর্য নাগাল পেতে পারে না চন্দ্রের এবং রাত্রি অগ্রে চলে না দিনের প্রত্যেকেই আপন আপন কক্ষপথে সন্তরণ করে

(সূরা ইয়াসীন আয়াত-৪০)


আয়াতের সংক্ষিপ্ত আলোচনাঃ


১. সূর্যের জন্য সম্ভব নয় যে, সে চাঁদের কাছাকাছি হবে এবং তার ফলে তার আলো শেষ হয়ে যাবে। বরং উভয়ের নিজ নিজ কক্ষপথ ও আলাদা আলাদা গন্ডিসীমা আছে। 


২ সূর্য দিনে ও চাঁদ রাতেই উদিত হয়,মানে ভৌগোলিক অবস্থান  ভেদে এক অঞ্চলে এক এক সময় দৃশ্যমান হয়,আবার কোথাও, কোথাও একাধারে ছয় মাস রাত বা দিন থাকে (মেরু অঞ্চল) কখনও এর ব্যতিক্রম না ঘটা এ কথারই প্রমাণ যে, এ সবের নিয়ন্তা ও পরিচালক একজন আছেন।


৩. বরং এরাও এক নিয়ম-সূত্রে আবদ্ধ হয়ে আছে এবং এক অপরের পরে আসতে থাকে।


৪.كُلٌّ(কুল্লু) বলতে সূর্য, চন্দ্র, অথবা তার সাথে অন্য নক্ষত্রকেও বুঝানো হয়েছে। সব কিছু নিজ নিজ কক্ষপথে পরিক্রমণ করে, তাদের কারো একে অপরের সাথে সংঘর্ষ হয় না।


B.সূর্য তার নির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে চলমান। এটা পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞ, আল্লাহর নিয়ন্ত্রণ।" 

(সুরা ইয়াসিন: ৩৮)

 

সংক্ষিপ্ত আলোচনাঃ


১.অতীতে মানুষ ভাবতো পৃথিবী স্থির সূর্য তার চারিদিকে ঘুরছে। পরবর্তীতে কোপার্নিকাস, গ্যালেলিও প্রমুখ বিজ্ঞানীগণ বর্ণনা করেন যে, সূর্য স্থির পৃথিবী তার চারিদিকে ঘুরছে। তার পর আবিস্কৃত হল অত্যাধুণিক দূরবীণ; মানুষ আকাশের দিকে তাকিয়ে অবাক বিষ্ময়ে হতবাক হয়ে গেল, আবিস্কৃত হল মহাবিশ্বের সৃষ্টি সংক্রান্ত নানা তত্ত্ব। 


২.দেখা গেল যে সূর্যকে এতদিন স্থির ভাবা হত তা স্থির না; আপন অক্ষের উপর ঘুরছে। এক অস্বাভাবিক দ্রুতিতে ঘুরছে, হিসেব করে দেখা গেল মাত্র ২৫ দিনে এতবড় দেহটাকে একবার ঘুরিয়ে নিয়ে আসছে। 


৩.আবার পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর ঘুরতে ঘুরতে প্রচণ্ড গতিতে সূর্যকে প্রদক্ষিন করছে। আপাত দৃষ্টিতে সূর্যের কোন পরিক্রমন গতি না থাকলেও দেখা গেছে যে, সে এক বিশাল কক্ষপথে মহাজাগতিক বস্তু নিলয়ের সাথে আমাদের ছায়াপথের কেন্দ্রকে প্রদক্ষিন করছে। অসীম গতিতে এই কেন্দ্রকে একবার ঘুরে আসতে তার সময় লাগে প্রায় ২৫ কোটি বছর। 


৪.সুর্যের এই নানাবিধ গতি আবিস্কৃত হয়েছে বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে। 


৫.অথচ পবিত্র কোরআন কি অদ্ভুত গাম্ভীর্যের সাথেই না বর্ণনা করেছে সুর্যের এই গতিশীল প্রক্রিয়া। যেখানে বলা হয়েছে ‘সূর্য তার নির্দিষ্ট গন্তব্যের দিকে চলমান’।


৬. ১৪০০ বছর আগে অবতীর্ণ এই বাণী, কি করে বলবেন মানব রচিত? যদি বলেন এ তথ্য নবী মোহান্মদ (সাঃ) এর রচিত (যিনি তা কখনো নিজের বলে দাবী করেন নি), তবে অবশ্যই আজকের এই পরিপক্ক বিজ্ঞানকে অবনত হয়ে বলতে হবে, 'সেই বেদুইন মরুচারী কোন মানব শিশু নয়, নিশ্চয়ই কোন অলৌকিক দূত'।


৭."আফালা ইয়া তাদাব্বারুনাল কুরাআনা আম আলা কুলুবিন আকফালুহা।

(৪৭,নং সূরা মুহাম্মদ আয়াত ২৪) অর্থাৎ তারা কি কোরআন সম্পর্কে গভীর চিন্তা করে না? না তাদের অন্তর তালাবদ্ধ?


উপসংহারঃ

আল্লাহর এ সকল নিদর্শন থেকে ঈমানকে মজবুত করি, করার চেষ্টা করি,নাস্তিকতার ভীড়ে হতাশ না হই। 

হে আল্লাহ! হে আমাদের রব ! আমাদেরকে সত্য অনুধাবণ করার তাওফিক দান করুন।আমিন।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

২০২৪ সলে একুশে পদক প্রাপ্ত একজনের গল্প,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ভদ্রলোক পেলেন একুশে পদক। তাকে দেখতে অনেকে তার বাড়িতে যাচ্ছে। কিন্তু সকাল থেকে তিনি বাড়িতে নেই। ঘরে চাল কেনার টাকা না থাকায় দই ও ক্ষীর বিক্রি করতে বের হয়েছেন। ৯০ বছরের বৃদ্ধ সাধারণ মানুষটার একুশে পদক পাওয়ার কারণ কী?


ভদ্রলোক নিজের নামে একটা পাঠাগার গড়েছেন ১৯৬৯ সালে। সময়ের পরিক্রমায় তার পাঠাগারে এখন বইয়ের সংখ্যা ১৪০০০! পাঠাগারে পাঠ্যবই বাদেও অনেক গল্প, উপন্যাস, বিভিন্ন প্রবন্ধের বই রয়েছে। তিনি বলেছেন, “শুধু পাঠ্যবই পড়ে ছাত্রদের জ্ঞান অর্জন হবে না মনে করেই আমি নিজের নামে সাধারণ পাঠাগার স্থাপন করেছি।“ কী সুন্দর চিন্তাভাবনা! অথচ কত শিক্ষিত পরিবারেও পাঠ্যবইয়ের বাইরে অন্য বই হাতে নিলে মারপিট খাওয়ারও সম্ভাবনা থাকে। ১৯৫৫ সালে পঞ্চম শ্রেণি পাস করার পর টাকার অভাবে পড়ালেখা বন্ধ হয়ে যায় তার। পরবর্তীতে তার হাতে টাকা জমলেই তিনি গরীব ছাত্রছাত্রীদের বই কেনার ব্যবস্থা করে দিতেন। এভাবে অসংখ্য মানুষ তার নিকট থেকে উপকৃত হয়েছে। তার দেওয়া বই পেয়ে অনেক অনার্স মাস্টার্স পর্যন্ত করেছে। নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে। অনেক অসহায় নারীকে তিনি বাড়ি পর্যন্ত করে দিয়েছেন। অথচ এই ৯০ বছর বয়সেও তাকে কাজ করে খেতে হয়। এমন মানুষ দুনিয়ায় আছে ভাবা যায়!


ভদ্রলোকের নাম জিয়াউল হক। এরকম মানুষ শত বছরে হাতে গোণা দু'চারজন জন্মগ্রহণ করে। ইনারা দেশের গর্ব, দেশের সম্পদ। একুশে পদক এমন একজন পাওয়ায় ভীষণ আনন্দ লাগলো। কিছু পদক এখনো যারা যোগ্য তারাই পায় ভেবে মন ভালো হয়ে গেল। জিয়াউল হকের প্রতি রইলো অকুন্ঠ শ্রদ্ধা।


কলমে - আসাদ স্যার



ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


সোমবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

গল্প খেয়াল,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 কাজের বুয়াকে সন্দেহজনক লাগছে।খেয়াল করলাম উনি ঠিকমতো কাজ করছে না।মাথায় হাত! 


কাছে গিয়ে জিগ্যেস করলাম " কি হয়েছে টুকুর মা? "


বুয়া হাসির ভান করে বললো " কিচু হয়নাই গো মা"জান "


" সকাল থেকে দেখছি মাথায় হাত রেখে এখানে ওখানে বসে আছো,শরীর খারাপ? "


" না গো মা।শরীল তো ঠিকি আছে "


" ওহহ আচ্ছা "


তারপর চলে আসলাম।নজর রাখছি,উনি অনেক সময় নিয়ে চুলা পরিষ্কার করলেন।ওনার ব্যাপারটা এতক্ষণে আমি ধরতে পারলাম।


বুঝতে পেরে অনলাইনে এক প্যাকেট বিরিয়ানি অর্ডার করলাম।ডেলিভারি হলে প্লেটে বিরিয়ানি সাজিয়ে ডাকলাম


" টুকুর মা,একটু শুনে যাও তো "


টুকুর মা হেলেদুলে এলো।বললাম " খিদে পে'টে কাজ করলে হবে?আগে খেয়ে নাও "


টুকুর মায়ের চোখে জল টলমল করে উঠলো।খেতে বসে বললো 


" মা"জান,অর্ধেকটা টুকুর জন্য নিয়া যাই?কাল রাত থেকে ওর পেটে ভাত ঢুকেনাই "


" পুরোটা তুমি খাও।টুকুর জন্য আরেকটা প্যাকেট আছে,নিয়ে যেও "


খাওয়ার পর টুকুর মা হেসেখেলে কাজ করতে লাগলো।চুলা পরিষ্কার করতে যার এতোক্ষন সময় লেগেছে সে এইটুকু সময়েই এতো এতো বাসন,কাপড় ধুয়ে ফেললো।এই মানুষগুলিকে খিদে দমিয়ে রাখে! 


রাতে স্বামীকে বললাম " টুকুর মাকে এখন থেকে বেতনের সাথে পাঁচশ টাকা করে বেশি দিও তো।মাস শেষে ওদের খাবারের খুব কষ্ট হয় "


গল্প  খেয়াল

লেখক 


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 
জয়ন্ত_কুমার_জয়


সামাজিক গল্প পেতে পেজটা ফলো করে রাখতে পারেন।এইটা লেখকের নিজস্ব পেজ 🤍


নিম গাছে মিস্টি রস,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বিগত কয়েকদিনে নিম গাছ থেকে দুধের মতো দেখতে ও মিষ্ট স্বাদের রস নির্গত হওয়া নিয়ে তোলপাড় হয়েছিল । অনেক খোঁজাখুঁজি করে এই সমস্যার সমাধান পাওয়া গেছে ‌-


একে Slime flux বা Bacterial Wetwood বলে । এটা গাছের ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ । নিম গাছ ৫০ বছর বয়সে উন্নীত হলে গাছের বিভিন্ন কলা অতিরিক্ত পানি শোষণ করে ফলে গাছে প্রচুর তরুক্ষীর (Sap বা আঠা) তৈরি হয় । গাছে বিশেষ কিছু ব্যাকটেরিয়ার (যেমন Agrobacterium tumefaciens) সংক্রমণ ঘটলে তরুক্ষীরে ব্যাকটেরিয়া গাঁজন ঘটায় । ফলে এমন দুধের মতো মিষ্ট স্বাদের পদার্থে পরিণত হয় । শুকনো অবস্থায়  গাছের বিভিন্ন ফাটল দিয়ে এই পদার্থ বের হতে থাকে । বেশ কয়েকদিন ধরে নির্গত হয় ।


অনেক পোকামাকড় আকৃষ্ট হয়ে খাদ্য সংগ্রহে আসে, সাথে গাছে ফুল থাকলে পরাগায়নও ঘটায় ।


- রাশিক আজমাইন 

- Science Bee - বিজ্ঞান ও গবেষণা


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


এখানে কিছু পড়লেই পাথর হয়ে যায়,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 এখানে কিছু পড়লেই পাথর হয়ে যায় !! 


ন্যাট্রন হ্রদ (যেখানে কোনো প্রাণী পড়লেই পাথর হয়ে যায়) 🥶🥶🥶

______________________________________

তানজানিয়ার লেক ন্যাট্রন আফ্রিকার সবচেয়ে নির্মল হ্রদগুলির মধ্যে একটি। এর পানির সংস্পর্শে আসলে যেকোনো প্রাণীর চামড়া পুড়ে যায় এবং তারা সেখান থেকে পালিয়ে যেতে পারে না। এভাবে দীর্ঘকাল ধরে তাদের দেহ  সেখানে থাকার কারণে তা পাথরে পরিণত হয়। এর সৌন্দর্যের কারণে প্রতিবছর অনেক অতিথি পাখি এখানে আসে দুর্ঘটনাবসত এদের অনেকেই মারা যায়। 

 

 Natron লেকের ক্ষারীয় জলের pH 10.5 এর মতো এবং এটি এতই ক্ষারীয় যে এটি প্রাণীদের ত্বক এবং চোখ পুড়িয়ে ফেলতে পারে। জলের ক্ষারত্ব আসে সোডিয়াম কার্বনেট এবং অন্যান্য খনিজ থেকে যা পার্শ্ববর্তী পাহাড় থেকে হ্রদে প্রবাহিত হয়।পানিতে সোডিয়াম কার্বনেট থাকার কারণে মৃতদেহ গুলো পচে না। 


পূর্ব আফ্রিকার ওই এলাকার দুটি ক্ষারীয় হ্রদের মধ্যে একটি হ্রদ ন্যাট্রন;  অন্যটি হ্রদ বাহি।  উভয়  হ্রদ যা কোনো নদী বা সাগরে পানি নিষ্কাশন করে না।


source : Wikipedia



ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


ফ্রিজে খাবার সতেজ রাখার কিছু টিপসঃ—👇👇

 #ফ্রিজে খাবার সতেজ রাখার কিছু টিপসঃ—👇👇


🌹সবজি পলিথিনের ব্যাগে রাখবেন না। সবজি রাখুন কাগজের প্যাকেটে কিংবা খবরের কাগজ দিয়ে মুড়ে। অনেকদিন সতেজ থাকবে।


🌹মরিচের বোঁটা ফেলে রাখবেন, শাক কেটে না ধুয়ে রাখবেন, ধনে পাতা রাখবেন গোড়া ফেলে। শাকের পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ণ রাখার উপায় হচ্ছ একটু ভাপিয়ে রাখা। বেগুনের গায়ে মেখে রাখতে পারেন সামান্য একটু তেল।


🌹ফ্রিজের গায়ের সাথে লাগিয়ে কোন খাবার রাখবেন না। বিশেষ করে কোন রকমের তাজা ফলমূল বা সবজি তো একেবারেই না।


🌹মাখন তো ফ্রিজে রাখতেই হয়, ঘি-কেও ফ্রিজে রাখতে পারেন অনেকদিন ভালো রাখার জন্য। তবে দুটিই রাখবেন একদম এয়ার টাইট পাত্রে।


🌹গুঁড়ো দুধ কিংবা চানাচুর, বিস্কিটের মত খাবার ফ্রিজে একদম সতেজ ও মুচমুচে থাকে। এক্ষেত্রে সবচাইতে ভালো হবে প্লাস্টিকের পাত্রে সংরক্ষণ করলে।


🌹ফ্রিজে যাই রাখুন না কেন, প্লাস্টিকের এয়ার টাইট বাক্সে সংরক্ষন করুন। এবং ফ্রিজে সর্বদা এক টুকরো কাটা লেবু রাখুন। মাঝে মাঝে বেকিং সোডা মেশানো পানি দিয়ে ফ্রিজ মুছে নিন। এতে এক খাবারের গন্ধ অন্য খাবারে প্রবেশ করবে না। ফ্রিজেও দুর্গন্ধ হবে না।


🌹ফ্রিজে যেমন মাংসই রাখুন না কেন, সেগুলো অবশ্যই ভালো করে ধুয়ে একদম পরিষ্কার করে রাখুন। এতে  মাংসে বাজে গন্ধ হবে না, অনেকদিন পর্যন্ত সতেজ থাকবে, স্বাদ থাকবে অক্ষুণ্ণ।


🌹মাছ ফ্রিজে রাখার আগে ভালো করে কেটে বেছে, লবণ পানি দিয়ে ধুয়ে তবেই রাখুন। এতে স্বাদে কোন হেরফের হবে না। আঁশটে গন্ধ ওয়ালা মাছে সামান্য একটু ভিনেগার মাখিয়ে রাখুন।


🌹ফ্রিজে কাটা পেঁয়াজ রাখতে চাইলে পেঁয়াজ একটি এয়ার টাইট বাক্সে রেখে সামান্য লবণ ছিটিয়ে দিন। তারপর বাক্সটি মুখ বন্ধ করে প্লাস্টিকের ব্যাগে ভরে নিন। ব্যাগটি সিল করে ফ্রিজে রাখুন।


🌹ফ্রিজে ডিম রাখার সময় মোটা অংশটি নিচের দিকে ও সরু অংশটি ওপরে রাখুন। ডিম হাতলে না রেখে বাটিতে করে ফ্রিজের ভেতরে রাখুন। অনেকদিন ভালো থাকবে।


🌹ফ্রিজের ভিতরের আঁশটে গন্ধ দূর করতে ফ্রিজে এক টুকরো কাঠ কয়লা রেখে দিন। 


🌹মাছ কেটে ধুয়ে পানি ঝড়িয়ে তাতে লবন লেবুর রস এবং হলুদ গুড়ো মাখিয়ে প্যাকেট করে ফ্রিজে রাখলে মাছে একদম গন্ধ হবে না।


আমার দেওয়া পোস্ট গুলো যদি আপনাদের একটু ও উপকারে আশে তবে শেয়ার করে সবাই কে দেখার সুযোগ করে দিন সবার আগে আমার পোস্ট পেতে পোস্টে কমেন্ট করে সাথেই থাকুন ইনশাআল্লাহ আরও সুন্দর সুন্দর টিপস নিয়ে আসবো আপনাদের জন্য। সবার জন্য অনেক অনেক ভালোবাসা 💕💕💕


 


গ্রীন এগ্রো নিয়ে এসেছে আপনাদের জন্য আমন ধানের লাল চাল  ও  দেশি গমের  লাল আটা,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🔰গ্রীন এগ্রো নিয়ে এসেছে আপনাদের জন্য আমন ধানের লাল চাল  ও  দেশি গমের  লাল আটা


✋ উপকারিতা ঃ

উচ্চ ডায়াবেটিস কমাতে লাল চাল 

ওজন কমাতে লাল চাল 

হাটের সুস্থতায় লাল চাল 

হাড় মজবুত করতে লাল চাল 

বয়সের ছাপ রোধ করতে লাল চাল 

ক্যান্সারের আশঙ্কা কমায় 

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় শ্বাসকষ্ট প্রতিরোধ করে।


✅ প্রতিদিন ১ কাপ লাল চালের ভাত খেলে ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি ৬০ ভাগ পর্যন্ত কমে। লাল চালের ভাতে ক্ষুধা কম লাগে। লাল চালের ভাত খেলে আমাদের প্রতিদিনের প্রয়োজনীয় ফাইবারের ১০ ভাগ পূরণ হয়।


✋ লাল আটা কেন খাবেনঃ

১. লাল আটার অদ্রবণীয় খাদ্য আঁশ রক্তের কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।

২. ডায়াবেটিস রোগী ও স্থুল রোগীর রক্তে চিনি ও শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে।

৩. লাল আটা আঁশ রক্তে ক্ষতিকারক ফ্যাট কমায় ও উপকারি ফ্যাট বাড়ায়।

৪. লাল আটা ক্ষুধা প্রশমিত করে ও অতিরিক্ত ওজন কমায়।

৫. লাল আটায় রয়েছে থায়ামিন যা স্নায়ুতন্ত্রের সুস্থতা রক্ষা করে। (হাত ও পায়ের নার্ভ সচল রাখে)।

৬. পরির্পূণ পুষ্টি সমৃদ্ধ আঁশযুক্ত গমের আটা সুস্বাস্থের জন্য অপরির্হায।

৭. লাল আটায় লিগনান নামক এক ধরনের উপাদান রয়েছে, যা ক্যান্সার প্রতিরোধ করে।

৮. লাল আটা হৃদযন্ত্রের জন্যও উপকারি।

৯.  লাল আটা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।

১০. লাল আটায় প্রচুর ফাইটোনিউট্রিয়েন্ট থাকায় দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।


আইটেম সমূহ ঃ 

১) লাল চাল ( আমন)

২) লাল চাল ( বিরই)

৩) লাল বোরো ( টেপা বোরো)

৪)লাল বিন্নি

৫)সাদা বিন্নি

৬)কালো বিন্নি

৭)ব্ল্যাক রাইস 

৮)কাউন চাল

৯)লাল বাসমতি 

১০)বাংলা মতি ফুল ফাইবার 

১১) লাল আটা


🔰 সুগন্ধি চাল : 

১২) বাশফুল 

১৩)জামাই আদুরি " তুলসী মালা সুগন্ধি চাল "

১৪) বাশফুল

১৫) বাদশাভোগ


🔰 ডাল :

১৬) ফেলন ডাল 

১৭) মাসকলাই ডাল

১৮) রাজমা

১৯ ) কাবলি বুট 

২০) সবুজ মুগ ডাল


🔰 অন্নান্য :

যবের ছাতু 

যবের আটা 

লাল চিড়া 

আখের লাল চিনি  

চিয়া সিডস 


🔰 গ্রিন এগ্রো 

" আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতীক "


আমরা পাইকারী ও খুচরা বিক্রি করে থাকি প্রয়োজনে

০১৮৪১-১৭২৭৭০ ( WhatsApp)

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

খলিফা হারুন আর রশিদের গল্প,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 খলিফা হারুন অর রশিদ পানি পান করতে যাবেন, গ্লাস ঠিক ঠোঁটের কাছে নিয়েছেন, এমন সময় হযরত বহলুল (রহঃ) বললেন, "আমিরুল মুমিনীন! একটু থামুন। পানি পান করার আগে আমার একটি প্রশ্নের উত্তর দিন।"


খলিফা বললেন, "বলো কি জানতে চাও?"


বহলুল (রহঃ) বললেন, "মনে করুন আপনি প্রচন্ড তৃষ্ণার্ত হয়ে এমন মাঠে আছেন যেখানে পানি নাই। পিপাসায় আপনার প্রাণ ওষ্ঠাগত। এমন অবস্থায় আপনি এক গ্লাস পানির জন্য কতটা মূল্য ব্যয়  করবেন?"


খলিফা বললেন, "যেহেতু পানি না পেলে আমার মৃত্যু হবে তাই আমার পুরো সম্পত্তিও ব্যয় করে দিতে পারবো।"


হযরত বহলুল (রহঃ) বললেন, "ঠিক আছে এবার বিসমিল্লাহ বলে পানি পান করেন।"


খলিফা পানি পান করলেন। এবার হযরত বহলুল (রহঃ) বললেন, "আমার আর একটি প্রশ্ন আছে।"


খলিফা বললেন, "বলো।"


বহলুল (রহঃ) বললেন, "এই পানি যদি আপনার শরীর থেকে না বের হয়, পেটেই জমা থাকে। প্রসাব বন্ধ হয়ে যায়, সেই পানি বের করবার জন্য কত টাকা ব্যয় করবেন?" 


-প্রসাব বন্ধ হলে তো আমি সহ্য করতে পারবো না। মারা যাবো। জীবন বাঁচাতে একজন ডাক্তার যতটা চায় ততটাই দিবো। আমার পুরো রাজত্ব চাইলেও দিয়ে দিবো।"


হযরত বহলুল (রহঃ) বললেন, তাহলে বোঝা গেল আপনার পুরো রাজত্ব এক গ্লাস পানির দামের সমানও নয়। মাত্র এক গ্লাস পানি পান করতে বা বের করতে আপনি পুরো রাজত্বও দিয়ে দিতে চান। তাহলে কত গ্লাস পানি নিয়মিত পান করেন আর বের করেন, এটা একটু ভাবেন আর এই নেয়ামত যিনি দিয়েছেন তার শুকরিয়া আদায় করেন।"


শরীর থেকে পানি বের করার জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় যে অঙ্গ তাহলো কিডনি। করাচির এক  ডাক্তারকে (কিডনি বিশেষজ্ঞ) একবার একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেছিলেন, "বিজ্ঞান এখন এতো উন্নত, আপনারা একজনের কিডনি অন্যের শরীরে প্রতিস্থাপন করেন তাহলে কৃত্রিম কিডনি তৈরি করতে পারছেন না কেন?"


ডাক্তারের উত্তরটি ছিলো খুবই আশ্চর্যজনক। 


তিনি বলেছিলেন, "সায়েন্সের এই উন্নতি সত্ত্বেও কৃত্রিম কিডনি তৈরি করা খুব কঠিন। কারণ আল্লাহ তায়ালা কিডনির ভেতরে যে চালনি যুক্ত করেছেন তা খুব সুক্ষ্ম এবং পাতলা। এখনো পর্যন্ত এমন যন্ত্র আবিষ্কার হয়নি যা এমন সুক্ষ্ম ও পাতলা চালনি তৈরি করতে পারে। আর যদি কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে চালনি তৈরি করাও হয় তবুও কিডনির ভেতর এমন একটি জিনিস আছে যা তৈরি করা আমাদের ক্ষমতার বাইরে। জিনিসটি হলো একটি মস্তিষ্ক (sensor)। এই মস্তিষ্ক ফায়সালা করে যে, এই মানুষের শরীরে কতটুকু পানি রাখা চাই আর কতটুকু ফেলে দেওয়া চাই। তার ফায়সালা শতভাগ সঠিক হয়। 

ফলে আমরা যদি কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে কৃত্রিম কিডনি তৈরি করেও ফেলি, তবুও আমরা এতে মস্তিষ্ক তৈরি করতে পারবো না, যা আল্লাহ রাব্বুল আলামিন প্রতিটি মানুষের কিডনিতে সৃষ্টি করেছেন।"


পানি পান এবং নিষ্কাশনের প্রক্রিয়াটি খুব করে মনে পড়ে যখন সূরা যারিয়াতের ২১ নং আয়াত পড়ি। সেখানে মহান রব বলেছেন-


"তোমরা কী নিজেদের সত্ত্বা নিয়ে কখনো চিন্তা করে দেখেছো?"

---



বোরনের  ঘাটতি লক্ষণ,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ✅বোরনের  ঘাটতি লক্ষণ

বোরন এর ঘাটতির লক্ষণ সাধারণত কচি পাতায় দেখা যায়। বিভিন্ন শস্য ও ফলে বোরনের ঘাটতি বিভিন্ন ধরনের হয়। তবে ঘাটতি লক্ষণগুলো হলো-

০১. গাছের কাণ্ডের শীর্ষ ভাগ শুকিয়ে যায় বা মরে যায়।

০২. পাতা ঈষৎ হলুদ হয় এবং কখনও কখনও পাতা মোড়ানো আকার ধারণ করে এবং ভঙ্গুরতা প্রদশর্ন করে।

০৩. গাছে পর্যাপ্ত পানি সেচ দেয়ার পরও কচিপাতা নেতিয়ে পড়া অবস্থায় থাকে।

০৪. পেঁপে, কাঁঠাল, পেয়ারা ফলের আকার বিকৃতি  হয়।

০৫. ফুলকপি ও বাঁধাকপির পাতা সজীবতা হারায় এবং পাতায় হাত দিলে খসখসে অনুভূত হয়। ফুলকপির কাডবিবর্ণ হয়ে নষ্ট হয়।

০৬. অভাব তীব্র হলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে গাছের শিকড়ের বৃদ্ধি হয় না এবং ফুল ধারণ কমে যায়। 


✅পাতায় স্পে পদ্ধতিতে প্রয়োগ:

প্রতি লিটার পানিতে ১ গ্রাম বোরন মিশিয়ে স্প্রে মেশিন দিয়ে সমভাবে পাতায় স্প্রে করতে হবে। ফলজ গাছে বোরন ঘাটতি দেখা দিলে সঠিক মাত্রায় বোরন দ্রবণ স্প্রে করে গাছের পাতা ভিজিয়ে দিতে হবে। 


মূল্য : ১০০ গ্রাম ৬০ টাকা 


✅সারা দেশে দ্রুত হোম ডেলিভারি দেওয়া হয়।ডেলিভারি চার্জ প্রযোজ্য।


ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন আরও সহজ করল বিআরটিএ,,,,,,,

 ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন আরও সহজ করল বিআরটিএ


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন আরও সহজ করেছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। নবায়নের আবেদনসমূহ অনলাইনে দাখিলের ব্যবস্থা এরই মধ্যে শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি।


সোমবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বিআরটিএ জানিয়েছে, পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়ন প্রক্রিয়া সহজতর করার লক্ষ্যে ঢাকা মেট্রো সার্কেল-১ (মিরপুর), ঢাকা মেট্রো সার্কেল-২ (ইকুরিয়া), ঢাকা মেট্রো সার্কেল-৩ (দিয়াবাড়ি, উত্তরা), ঢাকা মেট্রো সার্কেল-৪ (পূর্বাচল) ও ঢাকা জেলা সার্কেলের অন্তর্ভুক্ত আবেদনসমূহ bsp.brta.gov.bd এই ওয়েসাইটের  মাধ্যমে গ্রহণ কার্যক্রম (পাইলটিং) শুরু করা হয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ থেকে এ প্রক্রিয়াই বিআরটিএ’র অন্যান্য সকল সার্কেলের অন্তর্ভুক্ত পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্স নবায়নের কার্যক্রম চালু করা হবে।


বিআরটিএ জানিয়েছে, অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া চালুর ফলে পেশাদার ড্রাইভিং লাইসেন্সধারীকে শুধুমাত্র একবার বিআরটিএ’র প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বা পরীক্ষাকেন্দ্রে গিয়ে বায়োএনরোলমেন্ট প্রদান ও দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হবে।


যেভাবে আবেদন:

প্রথমে এই bsp.brta.gov.bd গিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, জন্ম তারিখ ও মোবাইল নম্বর দিয়ে ইউজার আইডি খুলতে হবে। আবেদনকারী কর্তৃক তার bsp একাউন্টের মাধ্যমে প্রথমে অনলাইন ভেরিফিকেশন বেজড কিউআর কোড সংবলিত প্রবেশপত্র গ্রহণ করতে হবে। পরবর্তীতে রিফ্রেশার ট্রেনিং ও দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর অনলাইনেই ফি প্রদান ও ডোপ টেস্ট রিপোর্ট স্ক্যান কপি সংযুক্ত করে আবেদন সাবমিট করতে হবে।


এ ছাড়া আবেদনকারীর পরীক্ষার ফলাফল এবং আবেদন প্রক্রিয়াকরণের প্রতিটি পর্যায়ের স্ট্যাটাস অনলাইনে তার bsp একাউন্টে জানতে পারবেন এবং কিউআর কোড বেজড সিস্টেম জেনারেটেড মোটরযান চালনার ই-ড্রাইভিং লাইসেন্স গ্রহণ করতে পারবেন। প্রিন্টিং কার্যক্রম শেষে আবেদনকারীর চাহিত ঠিকানায় ডাকযোগে ড্রাইভিং লাইসেন্স স্মার্ট কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে।


এ বিষয়ে কোনো অভিযোগ বা পরামর্শ থাকলে এই ইমেইলে info@brta.gov.bd পাঠাতে পারবেন।


সূত্র:- Independent News

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...