এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪

 ছাদ বাগানে লাগসই টব প্রস্তুত পদ্ধতি।,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া


 ছাদ বাগানে লাগসই টব প্রস্তুত পদ্ধতি।


টবে মাটি তৈরি


টবে/পটের বা ছাদ বাগানের গাছ বৃদ্ধির সফলতা অনেকাংশে নির্ভর করে মাটির মিশ্রণ তৈরি করার ওপর। মাটি গুঁড়া করে মাটি থেকে অনাকাঙ্ক্ষিত বস্তু অপসারণ করতে হবে। সাধারণভাবে, দো-আঁশ মাটি ৫০%, বালু ৫%, শুকনো গোবর বা পাতা পচা সার ৪০% এবং ছাই ৫% মিশিয়ে মাটি তৈরি করে নিতে হবে। মাটি তৈরির সময় কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে। যেমন যদি মাটি এঁটেল হয় তবে মিশ্রণে বালুর পরিমাণ কিছুটা বাড়িয়ে দিতে হবে। যদি দেখা যায় মাটি বেলে দো-আঁশ টাইপের তবে বালুর একেবারেই দেওয়া যাবে না। তবে মাটির মিশ্রণে কোকো পিট ব্যবহার করলে, শোধনকৃত মাটিতে পরিমাণমতো গোবর ও কোকোপিট মিশিয়ে প্রতি কেজি মিশ্রণের জন্য ১ গ্রাম ইউরিয়া, ১ গ্রাম টিএসপি এবং ০.৫ গ্রাম হারে এমওপি সার যোগ করতে হবে। পটে/টবে, মাটিঃ গোবরঃ কোকোপিট মিশ্রণের অনুপাত হবে ২ঃ১ঃ১।


মাটি শোধন করা


মাটি তৈরির সময় ৩-৪ বস্তা (১২০-১৫০ কেজি) পরিমাণ মাটির সাথে ১০ গ্রাম হারে দানাদার কীটনাশক এবং কার্বেন্ডাজিম গ্রুপের ছত্রাকনাশক মিশিয়ে দেওয়া যেতে পারে। দানাদার কীটনাশকের বদলে জৈব কীটনাশক বায়োডার্মা সলিড প্রয়োগ করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে প্রতি কেজি ভার্মিকম্পোস্টের সাথে ১-২ গ্রাম হারে বায়োডার্মা মিশিয়ে ১৫ দিন রেখে দিতে হবে। ১৫ দিন পর সার মিশ্রিত মাটির সাথে বায়োডার্মা মিশ্রিত ভার্মিকম্পোস্ট মিশাতে হবে।


রাসায়নিক সার


ছাদের জন্য হাফ ড্রাম (হাফ ড্রামে প্রায় ১২০-১৫০ কেজি বা ৩-৪ বস্তা প্রায় মাটি ধরে) অথবা ২.০ ফুট ২.০ ফুট + ১.৫ ফুট আকারের গর্তের জন্য মাটির সাথে ৩০-৫০ কেজি জৈবসার, ১২০-১৫০ গ্রাম (0 - 8J) প্রায়) টিএসপি, ৮০-১০০ গ্রাম ( 2 - 0 1/20 প্রায়) পটাশ, ৪০-৫০ গ্রাম (১.০-১.৫ মুঠ প্রায়) জিপসাম, ১০-১৫ গ্রাম (১.৫- ২.০ চা চামচ প্রায়) করে বোরণ ও দস্তা সার ভালোভাবে মিশিয়ে ১৫ দিন ঢেকে রাখতে হবে। ১৫ দিন পর পুনরায় মাটি ভালোভাবে মিশিয়ে কয়েক ঘণ্টা খোলা রেখে চারা রোপণ করতে হবে।


টবে মাটি ভরাট


টব থেকে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের জন্য টবের নিচে তিন থেকে চারটি ছিদ্র রাখতে হবে। টবের তলায় ২/৩ সেমি, পুরু করে ইটের খোয়া সাজাতে হবে। এটা যদি সম্ভব না হয় তবে ছিদ্রের উপরিভাগে ভাঙা টবের ৩ অথবা ৪টি অংশ কিংবা ইটের টুকরা এমনভাবে সাজাতে হবে যাতে ছিদ্রগুলো মাটি দ্বারা বন্ধ না হয়ে যায়। টবে মাটি ভরার সময় টবের উপরিভাগে ০.৫ থেকে ১ ইঞ্চি পরিমাণ এবং হাফ ড্রামের ক্ষেত্রে ১.০ থেকে ১.৫ ইঞ্চি খালি রাখতে হবে যাতে পরবর্তীতে ঠিকমতো সার ও পানি দেয়ার যায়। সার মিশ্রিত মাটি দিয়ে নির্দিষ্ট উচ্চতা পর্যন্ত টব/পট ভরাট করতে হবে।


জেনারেটর চালু/বন্ধ করার নিয়মঃ A to Z,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 জেনারেটর চালু/বন্ধ করার নিয়মঃ

A to Z 


শেয়ার দিয়ে টাইম লাইনে রাখতে পারেন ❗


১। প্রথমে ইঞ্জিন রুমে ইঞ্জিন ফিজিক্যালি চেক

করতে হবে (ওয়েল লিকেজ, ওয়াটার লিকেজ,

ফুয়েল লাইন)।

২। গ্যাসের লাইন/ডিজেল লাইন অন করতে হবে।

গ্যাসের প্রেসার চেক করতে হবে। এয়ার ফিল্টার

চেক করতে হবে ।

৩। ইঞ্জিনে পানি ও লুব ওয়েল সঠিক পরিমান আছে

কিনা দেখতে হবে । পানি দেখার জন্য ওয়াটার

লেভেল ইন্ডিকেটর ও লুব ওয়েল দেখার জন্য

ডিপ স্টিক দেখে লেভেল দেখা হয়।

৪। ব্যাটারী ভোল্টেজ ও কানেকশন টাইট কিনা

দেখতে হবে।

৫। এবার কন্ট্রোল পানেলে এসে চেক করে

কন্ট্রোল প্যানেলের পাওয়ার অন করতে হবে ।

৬। Engine Control Switch (ECS) দিয়ে ইঞ্জিন চালু

করতে হবে। ইহা START/MAN এ রাখলে ইঞ্জিন

চালু হবে (আগে দেখে নিন IDLE/RATED সুইস

কোন পজিশনে আছে, এটা IDLE এ থাকবে।

৭। IDLE এ কিছুক্ষন চলবে (সাধারণত ৩-৫ মিনিট)।

RPM 1000-1100 হবে (যদি Rated Speed 1500

হয়)। ইঞ্জিন ও জেনারেটর মিটারিং চেক করতে

হবে। সব ঠিক থাকলে Rated Speed এ দিতে হবে

। এই ভাবে আরো ২-৪ মিনিট চলতে দিতে হবে।

Rated Speed এ আবার সকল মিটারিং দেখে নিতে

হবে। সব ঠিক থাকলে-

৮। এবার ইঞ্জিন লোড দেবার জন্য রেডি থাকতে

হবে। বাস ভোল্টেজ ও ফ্রিকুয়েন্সি এর সাথে

জেনারেটরের ভোল্টেজ ও ফ্রিকুয়েন্সি সমান

করতে হবে। এটা সাধারণত Auto হয়ে থাকে। Auto

না হলে মানুয়ালি Adjust করে নিতে হবে।

৯। Auto বা ACB Close বা Hand ON LOAD বাটনে

প্রেস করলে ইঞ্জিন লোড নিবে । এটা টাচ

স্ক্রিনে বা ম্যানুয়াল সুইসে হতে পারে।

১০। ACB ক্লোজ হলে লোড বাড়াতে হবে,

লোডের সুইস অন করতে হবে। প্যারালেলে

অন্য ইঞ্জিন থাকলে ভাল ভাবে লোড শেয়ার

করে দিতে হবে। Droop Mode এ থাকলে মানুয়ালি

লোড Adjust করতে হবে, Isochronus Mode

থাকলে Auto লোড শেয়ার (Rated Load সেটিং

অনুযায়ী) হবে।

১১। লোড অবস্থায় আবার সকল মিটারিং চেক করতে

হবে ।

১২। সকল মিটারিং লগ বইয়ে লিখতে হবে, প্রতি ঘন্টায়

তা চেকে করে লগ বইয়ে লিখে সংরক্ষণ করতে

হবে ।

১৩। বন্ধ করার জন্য ইঞ্জিনের লোড আস্তে

আস্তে কমাতে হবে । STOP/Cooldown অপশন

থাকলে এখানে প্রেস করলে ইঞ্জিনের লোড

আস্তে আস্তে কমে গিয়ে ACB Open হয়ে

যাবে । তারপর Rated Speed থেকে Idle Speed এ

আসবে এবং Auto ইঞ্জিন বন্ধ হয়ে যাবে ।

এভাবে Auto Mode না থাকলে এই অপশনগুলো

ম্যানুয়ালি করে নিতে হবে।

১৪। ইঞ্জিন বন্ধ অবস্থায় কন্ট্রোল প্যানেলের,

ব্যাটারী চার্জার ও ইঞ্জিনের ডিসি পাওয়ার অন রাখাই

ভাল। গ্যাসের/ফুয়েলের লাইন বন্ধ রাখতে হবে।

১৫। কোন কিছু না বুঝে কন্ট্রোল সিস্টেমে

কাজ করবেন না।



ধান চাষে পটাশ সারের গুরুত্ব,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

ধান চাষে পটাশ সারের গুরুত্ব,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া 




 

সকাল ০৭ টার সংবাদ  তারিখ : ২৫-০২-২০২৪,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ২৫-০২-২০২৪ 


আজকের শিরোনাম:


জনগণের অধিকার নিশ্চিত করতে বিচার বিভাগের পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনও স্বাধীন করা হয়েছে - বললেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 


বঙ্গবন্ধু অ্যাপ উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী বললেন, এর মাধ্যমে জাতির পিতার বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবন ও দেশের স্বাধীনতার ইতিহাস সম্পর্কে মানুষের জানার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। 


অসাধু চিকিৎসক ও অবৈধ চিকিৎসা কেন্দ্রের কারণে জনগণের মনে যাতে কোনো নেতিবাচক ধারণা তৈরি না হয়, সেজন্য চিকিৎসকদের সতর্ক থাকার আহবান রাষ্ট্রপতির।


দ্রব্যমূল্য নিয়ে মজুতদার ও সিন্ডিকেটগুলোকে মদদ দিচ্ছে বিএনপি - অভিযোগ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের। 


বিশ্বব্যাপী অপতথ্য ও ভুল তথ্য প্রতিরোধে যৌথভাবে কাজ করবে বাংলাদেশ ও তুরস্ক - জানালেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী।


যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে আজ দিবাগত রাতে দেশে পালিত হবে পবিত্র শবে বরাত।


ইয়েমেনের হুথিদের ওপর নতুন কোরে ইঙ্গ-মার্কিন হামলা।


অকল্যান্ডে তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ডের মোকাবেলা করছে অস্ট্রেলিয়া।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

 রূহ কবজ ও কবরের ঘোষণা: ২য় পর্ব-,,,,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 রূহ কবজ ও কবরের ঘোষণা: ২য় পর্ব-

------------------------------------------------------

হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, জবান যখন বন্ধ হয়ে যায়, তখন তার নিকট পাঁচজন ফেরেশতা আসে, প্রথম ফেরেশতা এসে বলে, ওহে আল্লাহর বান্দা! আমি তোমার রিজিকের ব্যবস্থা করিতাম, আজ সারা জাহান ঘুরিয়াও তোমার জন্য এক লোকমা খাদ্য আনতে পারলাম না, তোমার রিজিকের দরজা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। দ্বিতীয় ফেরেশতা এসে বলে, ওহে আল্লাহর বান্দা! আমি তোমার পানির ব্যবস্থা করে আসছিলাম, আজ সারা জাহান ঘুরিয়াও তোমার জন্য এক বিন্দু পানি পাইলাম না। তৃতীয় ফেরেশতা এসে বলে, ওহে আল্লাহর বান্দা! আমি তোমার চলা ফিরার ব্যবস্থা করিতাম, আজ সারা জাহান ঘুরিয়াও তোমার জন্য এক কদম জায়গাও পাইলাম না। চতুর্থ ফেরেশতা এসে বলে, ওহে আল্লাহর বান্দা তোমার শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যবস্থাকারী আমি ছিলাম, আজ সারা জাহান ঘুরিয়াও তোমার শ্বাস ফেলিবার একটু জায়গাও আমি পাইলাম না। অবশেষে পঞ্চম ফেরেশতা এসে বলে, ওহে আল্লাহর বান্দা, তোমার হায়াতের ব্যবস্থা আমার হাতে ছিল, আজ সারা জাহান ঘুরিয়াও আমি তোমার জন্য এক মুহুর্ত হায়াতও পাইলাম না। তাই আমরা সবাই বিদায় হয়ে গেলাম। ইহার পর কেরামান কাতেবীন ফেরেশতা এসে বলে, ওহে আল্লাহর বান্দা আমরা তোমার নেকী বদি লিখিয়া রাখিতাম, আজ তোমার নেকী বদি কিছুই পাইলাম না। এই কথা বলে দুই জনে দুইখানা পুস্তিকা বের করে তার সামনে ধরে, তখন তার শরীর দিয়ে ঘাম বাহিয়া পড়ে, আমলনামা পড়ার ভয়ে ভীত হয়ে ডানে-বামে তাকাইতে থাকে, তখন ফেরেশতারা চলে যায়। আজরাইল (আঃ) এসে হাজির হয়ে যায়, তার ডান দিকে রহমতের ফেরেশতা থাকে, বাম দিকে আজাবের ফেরেশতা থাকে, নেককার হইলে রহমতের ফেরেশতাগণকে ডাক দেওয়া হয়। বদকার হইলে আজাবের ফেরেশতাগণকে ডাক দেওয়া হয়। দুনিয়াতে সবচেয়ে কঠিন সময় হলো জান কান্দানির সময় তখন চক্ষু দুইটি খাড়া হয়ে যাবে, নাকের ছিদ্র মোটা হয়ে যাবে, ঠোঁট দুইখানা লটকিয়ে যাবে, চেহারা হলুদ হয়ে যাবে, নখগুলি সবুজ রং ধারণ করবে, কপাল হইতে ঘাম বাহির হবে, জবান বন্ধ হয়ে যাবে, কিছু জিজ্ঞাসা করলে উত্তর দিতে পারবে না। মাল দৌলত ছেলে-মেয়ে আত্মীয়-স্বজন বন্ধু-বান্ধব ঘর-বাড়ী যাহা ত্যাগ করে যাইতেছে, সবই খেয়ালে আসবে। মনে হবে হায়রে জীবনটা বৃথাই কাটাইয়াছি। শিরাগুলি শিথিল হয়ে আসবে আশা ভঙ্গ হয়ে যাবে, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলি অকেজো হয়ে যাবে। ছেলে-মেয়ে আত্মীয়-স্বজন তাকে বিদায় দিবার জন্য দৌড়িয়ে আসবে। পানির পিপাসায় কলিজা ফাটিয়া যাবে, মনে চাহিবে সাত দরিয়ার পানিও যদি মুখে ঢেলে দেওয়া হয় তবুও বুঝি পিপাসা যায়না। বুদ্ধি-বিবেচনা বদলায়ে যাবে, শয়তান ঈমান নিবার জন্য তখন বরফের পানি ভরা পেয়ালা এনেছি বলে পেয়ালা নাড়ায়। আর বলে তোমাকে পানি দিব, তুমি বল আল্লাহ্ দুই, তাহলে এই ভয়ানক কষ্ট হতে রেহাই পাবে। নেককার বন্ধু বা ওস্তাদ থাকলে, তাকে ডান পাশে দেখতে পাবে। সে বলবে, তুমি ঐ পানি পান করিওনা, তুমি বল,


لا حَولَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللَّهِ الْعَلِيِّ الْعَظِيمِ


(লা হাওলা ওয়ালা কুওওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিয়ি‍্যল আযীম)


আর নেককার বন্ধু বা ওস্তাদ না থাকলে ঐ সংকট মুহুর্তে পিপাসায় ধৈর্য ধরতে না পেরে তার সাথে একমত হয়ে পড়ে, শয়তানের প্রস্রাব খেয়ে কাফের হয়ে দুনিয়া ত্যাগ করে ইমাম আবু হানিফা (রহ.) বলেন, যারা ঈমান লাভের কারণে শোকর করে না, মউতের ভয় করে না, মানুষের উপর জুলুম করে, অধিকাংশ এমন লোকগুলো মৃত্যুর সময় ঈমান হারায়ে কাফের হয়ে দুনিয়া ত্যাগ করে। (নাউজুবিল্লাহ)

আজরাইল (আঃ)-এর সাহায্যকারী ফেরেশতাগণ রূহকে টেনে গলা পর্যন্ত আনলে, আজরাইল (আঃ) নিজেই রূহ বাহির করেন। তখন প্রাণপাখী উড়ে যাবে শূন্য খাঁচা পড়ে রবে। দুইখানা হাত, দুইখানা পা গতিহীন হয়ে পড়ে থাকবে। 


৩য় পর্ব আসিতেছে ইনশাআল্লাহ।



কান্ডারী হুঁশিয়ার __ কাজী নজরুল ইসলাম,,,,,,

 কান্ডারী হুঁশিয়ার

__ কাজী নজরুল ইসলাম


দুর্গম গিরি, কান্তার মরূ, দুস্তর পারাবার

লংঘিতে হবে রাত্রি নিশিথে যাত্রীরা হুশিয়ার ।

দুলিতেছে তরী, ফুলিতেছে জল, ভুলিতেছে মাঝি পথ ,

ছিড়িয়াছে পাল, কে ধরিবে হাল, আছে কার হিম্মত?

কে আছ জোয়ান হও আগুয়ান হাঁকিছে ভবিষ্যত ।

এ তুফান ভারী ,দিতে হবে পাড়ি , নিতে হবে তরী পার।।


তিমির রাত্রি, মাতৃমন্ত্রী সান্ত্রীরা সাবধান !

যুগ যুগান্ত সঞ্চিত ব্যথা ঘোষিয়াছে অভিযান।

ফেনাইয়া উঠে বঞ্চিত বুকে পুঞ্জিত অভিমান ,

ইহাদের পথে নিতে হবে সাথে ,দিতে হতে হবে অধিকার।।

অসহায় জাতি মরিছে ডুবিয়া, জানেনা সন্তরণ

কান্ডারী ! আজ দেখিব তোমার মাতৃমুক্তি পন ।


‘‘হিন্দু না ওরা মুসলিম ?” ওই জিজ্ঞাসে কোন জন ?

কান্ডারী ! বল ডুবিছে মানুষ, সন্তান মোর মা’র

গিরি সঙ্কট , ভীরু যাত্রীরা গুরু গরজায় বাজ ,

পশ্চাৎপদ -যাত্রীর মনে সন্দেহ জাগে আজ।

কান্ডারী ! তুমি ভুলিবে কি পথ ? ত্যেজিবে কি পথ -মাঝ ?

করে হানাহানি , তবু চলো টানি ,নিয়াছ যে মহাভার ।

কান্ডারী ! তব সম্মুখে ঐ পলাশীর প্রান্তর ,


বাঙালীর খুনে লাল হ‘ল যেথা ক্লাইবের খঞ্জর !

ঐ গঙ্গায় ডুবিয়াছে হায়, ভারতের দিবাকর !

উদিবে সে রবি আমাদেরি খুনে রাঙিয়া পূনর্বার !

ফাঁসির মঞ্চে গেয়ে গেল যারা জীবনের জয়গান ,

আসি অলক্ষ্যে দাঁড়ায়েছে তারা, দিবে কোন বলিদান

আজি পরীক্ষা , জাতির অথবা জাতের করিবে ত্রাণ ?

দুলিতেছে তরী , ফুলিতেছে জল ,কান্ডারী হুশিয়ার !


কাঠালের পুরুষ মুচি ও স্ত্রী মুচি চেনার উপায়,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 কাঠালের পুরুষ মুচি ও স্ত্রী মুচি চেনার উপায় ।


♂ পুরুষ মুচি: এটি মুচি নামেই বেশি পরিচিত। এটিকে বলা হয় পুরুষ পুষ্পমঞ্জরি। পুরুষ ফুল গাছের শাখা-প্রশাখা, কান্ড যে কোন অংশ থেকে বের হতে পারে। এটি লম্বা ও চিকন হয়। এর উপরের পৃষ্ঠ মসৃন হয়। পুষ্প মঞ্জরীর উপরে হালকা হলুদ পাউডারের মত দানার সৃষ্টি হয় এবং তা থেকে পরাগরেণু বের হয়।


♀ স্ত্রী মুচি: এটিই মূলত কাঠাল হয়। স্ত্রী পুষ্পমঞ্জরীর বোটা মোটা হয়ে থাকে ও বোটায় স্পষ্ট রিং এর মত থাকে । স্ত্রী পুষ্পমঞ্জরী পুরুষ পুষ্পমঞ্জরী অপেক্ষা দৈর্ঘ্য-প্রস্থ ও আকারে বড় হয়। এর উপরিভাগ খসখসে হয়ে থাকে। স্ত্রী পুস্পমঞ্জরীর গায়ে ফুলের স্টিগমা গুলো বাইরে থেকে দেখা যায়। 


* কাঁঠাল ফুল বায়ু পরাগী। বাতাসের মাধ্যমে পরাগায়ন হয়ে থাকে। কাঁঠালের স্ত্রীপুষ্পমঞ্জরী বিপুল সংখ্যক স্বতন্ত্র স্ত্রী ফুল নিয়ে গঠিত হয়। যত বেশী স্ত্রীফুল পরাগায়িত হবে কাঁঠালের কোষও তত বেশী হবে এবং আকারে বড় হবে। তাই কৃত্রিম পরাগায়নের মাধ্যমে পরাগায়ন নিশ্চিত করতে পারলে ফল ধারণ বৃদ্ধি পায়। 


বিঃ দ্রঃ আপনি জানেন কি পুরুষ মুচি পরাগায়নের পর কালো হয়ে ঝরে পড়বে এটাই নিয়ম। এখানে চিন্তার কোন কারণ নেই।তবে স্ত্রী মুচি যদি কালো হয়ে পচে যায় তাহলেই চিন্তার বিষয়।



স্ত্রীকে যেভাবে ভালবাসবেন,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 স্ত্রীকে যেভাবে ভালবাসবেন 🥰🥰


১| নাম নয় বরং সুন্দর সিফাতে ডাকবেন যেমনঃ ( রূপসী, রোদ্রময়ী,কামিনী, সুহাসীনি, সুভাগিনী,  লজ্জাবতী, কলিজা, পাগলী, ইত্যাদি। 


২| কোনো ভুল করলে আদর করে কাছে ডেকে নিয়ে চোখে চোখ রেখে ভালোবাসার সহিত বুঝিয়ে দিবেন 👉নারী ভালোবাসার পাগল👈


৩| রান্নার সময় পিছন থেকে জরিয়ে ধরে মুসকি হাসি দিয়ে তার কাজে সহযোগিতা করবেন।


৪| তার মনের কথা গুলো মনোযোগ দিয়ে শুনবেন এবং তার সাথে হাসবেন। 


৫ |তার শাড়ী পরিয়ে দিবেন,চুলে বেনি করে দিবেন নিজ হাতে, মাথায় বকুল ফুল গুঁজে দিবেন, এবং জোসনা রাতে তাকে নিয়ে বেলকনিতে অথবা ছাঁদের নির্জন স্থানে দাড়িয়ে চাঁদ দেখবেন ( অবশ্যই তখন তাকে পিছন থেকে জরিয়ে ধরে কানের কাছে গিয়ে বলবেন ঐ চাঁদ থেকেও তুমি অসম্ভব সুন্দরী 😌), সাথে এককাপ চা রাখবেন। তিনি চায়ের কাপে যেখানে ঠোঁট লাগিয়ে চুমুক দিবে আপনিও সেখানে ঠোঁট লাগিয়ে চুমুক দিয়ে তার ঠোঁটের উষ্ণতা ভোগ করবেন 😌।


৬ | প্রতিদিন নামাজে যাওয়ার আগে তার কপালে আপনার ভালোবাসার পরশ একে দিবেন। 


তাহলে পরকীয়া মুক্ত সুন্দর সংসার হবে। 🥰

ইনশাআল্লাহ!!




প্রিপেইড মিটারের শিক্ষা ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 সবার উদ্দেশ্যে ----যে সকল বাড়িতে প্রিপেইড মিটার আছে তারা এটা নিজ আইডিতে শেয়ার করে সঙ্গে রাখতে পারেন....


800 : মোট বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমান।


801 :বর্তমান ব্যালেন্সের (টাকা) পরিমাণ।


802: বর্তমান তারিখ দেখা।


803

: বর্তমান সময় দেখা।


804 : মিটারের সিরিয়াল নাম্বার।


806 : রিলে সংযোগ বিচ্ছিন্নের কারণ


807 : মিটারের অবস্থা দেখা।


808 : বর্তমান সংযুক্ত লোড


809 : ট্যারিপের সূচক দেখা।


810 ইমার্জেন্সি ব্যালেন্সের পরিমাণ


811 ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স সচল (Activate) করতে


812 : সংকেত (Alarm) বন্ধ করা.


813 : কত দিনের বিদ্যুতের ব্যবহার


814 : বর্তমান মাসের বিদ্যুত ব্যবহারের পরিমান


815 : সর্বশেষ রিচার্জের তারিখ


816 : সর্বশেষ রিচার্জের সময়


817 : সর্বশেষ রিচার্জের পরিমাণ


819 : বিদ্যুত বন্ধের সময়



গল্প মাতৃ শিক্ষা,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 মেহমানরা চলে গেলেও মা এখনো দরজায় দাঁড়িয়ে।জিজ্ঞেস করলাম " কি হলো মা?ওনারা তো গেছে, দরজা বন্ধ করছো না কেনো? "


মা বললো " আরো কয়েকটা সিঁড়ি নামুক,তারপর "


" কিন্তু কেন? "


" মেহমান যাওয়ার সাথে সাথে দরজা বন্ধ করাটা অভদ্রতা।ওনারা যেন দরজা বন্ধের শব্দ শুনতে না পান তাই অপেক্ষা করছি।এটা ভদ্রতা,আমাদের সংস্কৃতি "


ছোট থেকে মায়ের কাছে এমন ছোটখাটো অসংখ্য ভদ্রতা,ম্যানার শিখেছি।এসব ম্যানার কাজে লাগলো বিয়ের পর।মাকে ছোট কাল থেকে যা যা করতে দেখতাম শ্বশুর বাড়িতে আমিও সেসব করি।


ফলস্বরূপ স্বামী,শ্বশুর শ্বাশুড়ির কাছে আমি সংস্কৃতি জানা আদর্শ বউ।তারা প্রায়শই আদর মাখা স্বরে বলেন


" বেয়ান আমাদের বউমাকে স্বশিক্ষিত করেছেন।আচার ব্যবহার সবকিছুই কত নিখুঁত!আমাদের কিচ্ছুটি শেখাতে হয়নি।আদর্শ মায়ের আদর্শ মেয়ে "


গল্প  মাতৃশিক্ষা

লেখক 


জয়ন্ত_কুমার_জয় 


সামাজিক রোমান্টিক গল্প পেতে পেজটা ফলো করে রাখতে পারেন।এইটা লেখকের নিজস্ব পেজ 🤍


বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...