এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ৩ মার্চ, ২০২৪

সকাল ০৭ টার সংবাদ  তারিখ : ০২-০৩-২০২৪,,,,,

 সকাল ০৭ টার সংবাদ 

তারিখ : ০২-০৩-২০২৪ 


আজকের শিরোনাম:…


আজ ঢাকায় শুরু হচ্ছে জেলা প্রশাসকদের চারদিনব্যাপী বার্ষিক সম্মেলন - উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।


যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় দেশের সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক ও সময়োপযোগী করে গড়ে তুলছে সরকার - বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্ট এর পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে বললেন প্রধানমন্ত্রী।


রাজধানীর বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডে দগ্ধদের চিকিৎসার জন্য ১৭ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন - জানালেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।


জলবায়ু পরিবর্তনে স্থানচ্যুতদের জাতিসংঘের অভিবাসী সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্তির আহবান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর।


গাজায় বিমান থেকে মানবিক ত্রাণের প্রথম চালান ফেলেছে যুক্তরাষ্ট্র।


কাঠমাণ্ডুতে সাফ অনুর্ধ্ব-১৬ নারী ফুটবল চ্যাম্পিয়নশীপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে নেপালকে হারিয়ে শুভ সূচনা বাংলাদেশের।


জেনে নিন হলুদ চাষের সঠিক পদ্ধতি,,,,

 জেনে নিন হলুদ চাষের সঠিক পদ্ধতি

--------------------------------------------------

হলুদ বা হলদি হলো হলুদ গাছের শিকড় থেকে প্রাপ্ত এক প্রকারের মসলা। ভারত, বাংলাদেশ এবং পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের রান্নায় এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। সঠিক পদ্ধতিতে হলুদের চাষ করলে ভালো ফলন পাওয়া যায়।


তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক হলুদের সঠিক চাষ পদ্ধতি :


জমি ও মাটি নির্বাচন: 

সব ধরনের মাটিতে হলুদ চাষ করা যায়। তবে দো-আঁশ ও বেলে-দো-আঁশ মাটি হলুদ চাষের জন্য অতি উত্তম।


বীজ বপন: 

চৈত্র মাস কন্দ লাগানোর উপযুক্ত সময়। সাধারণতঃ ১৫-২০ গ্রাম ওজনের ১-২টি ঝুঁড়ি বিশিষ্ট কন্দ লাগাতে হয়। ৫০ সে.মি. দূরে দূরে সারি করে ২৫ সে.মি. দূরে দূরে ৫-৭ সে.মি. গভীরে কন্দ লাগাতে হয়। প্রতি হেক্টরে ২৫০০ কেজি কন্দ প্রয়োজন হয়। কন্দ লাগানোর পর ভেলী করে দিতে হয়।


জাত পরিচিতি: 

ডিমলা ও সিন্দুরী নামে বাংলাদেশে দু’টি উন্নত জাত রয়েছে। ডিমলা জাতটি স্থানীয় জাতের তুলনায় ৩ গুণ ফলন বেশী দেয়।


সার প্রয়োগ ও ব্যবস্থাপনা: 

জমির উর্বরতার উপর সারের পরিমাণ নির্ভর করে। সাধারণতঃ প্রতি হেক্টরে সারের পরিমাণ হলোঃ গোবর ৪-৬ টন, ইউরিয়া ২০০-২৪০ কেজি, টিএসপি ১৭০-১৯০ কেজি, এমওপি ১৬০-১৮০ কেজি, জিপসাম ১০৫-১২০ কেজি ও জিংক সালফেট ২-৩ কেজি। জমি তৈরির সময় সমুদয় গোবর, টিএসপি, জিপসাম, জিংক সালফেট ও ৮০ কেজি এমওপি সার মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হয়।


কন্দ লাগানোর ৫০-৬০ দিন পর ১০০-১২০ কেজি ইউরিয়া ভেলী হালকাভাবে কুপিয়ে প্রয়োগ করে আবার ভেলী করে দিতে হয়। ১ম কিস্তি-র ৫০-৬০ দিন পর দ্বিতীয় কিস্তির- এবং আরও ৫০-৬০ দিন পর তৃতীয় কিস্তি-র সার উপরি প্রয়োগ করতে হয়। ২য় ও ৩য় কিস্তি-র উপরি সার হিসেবে প্রতি হেক্টরে প্রতিবারে ৫০-৬০ কেজি ইউরিয়া ও ৪০-৪৫ কেজি এমওপি সার প্রয়োগ করতে হয়। ২য় ও ৩য় কিস্তি-র সার সারির মাঝে প্রয়োগ করে কোঁদাল দিয়ে কুপিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে এবং সামান্য মাটি ভেলীতে দিতে হবে।


ফসল সংগ্রহ: 

সাধারণত লাগানোর ৯-১০ মাস পর পাতা শুকিয়ে গেলে হলুদ সংগ্রহ করা হয়। প্রতি হেক্টরে ২৫-৩০ টন কাঁচা হলুদ পাওয়া যায়।


জেনে নিন হলুদ চাষের সঠিক পদ্ধতি শিরোনামে লেখাটির তথ্য কৃষি তথ্য সার্ভিস থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


👉পোস্ট ভালো লাগলে শেয়ার করুন অনেকের উপকারে আসবে।


কারো বাসায় গেলে পাঁচ পদ নিয়ে যাওয়া এবং কেউ বাসায় এলে দশ পদ রান্না করার কালচার থেকে বের হতে না পারলে আত্মীয়-স্বজন এবং প্রতিবেশীদের মধ্যকার স্বাভাবিক সম্পর্ক রক্ষা করা কঠিন

 কারো বাসায় গেলে পাঁচ পদ নিয়ে যাওয়া এবং কেউ বাসায় এলে দশ পদ রান্না করার কালচার থেকে বের হতে না পারলে আত্মীয়-স্বজন এবং প্রতিবেশীদের মধ্যকার স্বাভাবিক সম্পর্ক রক্ষা করা কঠিন।


মধ্যবিত্ত পরিবারে এক কেজি আঙ্গুরের চেয়ে এক ডজন ডিমের প্রয়োজনীয়তা বেশি। জাপানিরা কারো সাথে দেখা করতে গেলে এক কেজি চাল নিয়ে যায় উপহার হিসেবে। ওদের প্রধান খাদ্য ভাত, আমাদেরও ভাত। তাহলে আমরা চাল নিয়ে গেলে সমস্যা কোথায়?


যিনি বা যারা বেড়াতে যাচ্ছেন তারা যদি ঐ বেলার বাজারটাই করে নিয়ে যান সবচেয়ে ভালো হয়। সেগুলোই রান্না হবে। মেহমান এবং গৃহস্থী কারোই সমস্যা হবে না, কষ্ট হবে না। বাসায় দুটো বাচ্চা থাকলে সাথে পাঁচ টাকা দামের দুটো চকলেট নিয়ে যান, কোনো সমস্যা নেই।


যারা দশ পদ রান্না করেন এবং যারা দশ পদের রান্না না দেখলে মনে করেন সমাদর করা হয়নি—সবারই মনে রাখা উচিত তৃপ্তি ভরে খাওয়া যায় দুই পদ। আরেকটা পদ যোগ হতে পারে আগে বা পরে সাপ্লিমেন্টারি হিসেবে।


এই কালচার প্রোমোট করার ক্ষেত্রে তরুণদেরকেই এগিয়ে আসতে হবে। যারা একটা কালচারে তাদের জীবন শেষ করে দিয়েছেন প্রায়, তাদের পক্ষে অন্য কিছু ভাবা সম্ভব নয়।

অনুশ্রী তনু, আলী আরেফিন মুহাম্মাদ।,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 অনুশ্রী তনু,

আলী আরেফিন মুহাম্মাদ। 


বিধিবদ্ধ জীবনে 

আমি ভালো নেই

শুকনো পাতার মতো মরমরে হয়ে রোজ ভাঙছি

কুড়ে কুড়ে মরছি প্রতিনিয়ত।

অনেক বেশী সুখের খোঁজে

আমার কুঠি ঘর ছেড়ে

তুমি চলে যাওয়ার পর 

নতুন প্রাসাদ গড়েছো ভুমদ্য পাড়ে,

নতুন আকাশ ঘিরে 

জানি ভালো আছো।

কিন্তু বিশ্বাস করো!

 তুমি চলে যাওয়ার পর আমি 

বিন্দুমাত্র বিচলিত হইনি,

আমি বিরহে জ্বলছি,

তাইবলে

নিজেকে আর বিকিয়ে দিই না

তুমি চলে যাওয়ায় আমিও ভালো আছি,

হয়তো আমার প্রাসাাদ নেই

তবুও খর কঠোরের কুঠি ঘরে

একলাই থাকি

একলাই আছি বেশ।

রোজ এখন আর দেখতে হয় না আমার

আমাকে ফাঁকি দিয়ে তোমার আণবাড়ি যাওয়া

আমাকে শান্তনার ভাঁজে

আরতির থালা সাজিয়ে 

তোমাকে অন্য ভাবতে

আমার আর দেখতে হয় না,

আমার দেয়া নুপুর পড়ি

ভিনের চাঁপা খোঁপায় গাঁথি

তোমার আনমনা রুপের ঝলক 

এখন আর আমার দেখতে হয় না।

আমার কঠোরে আমি 

এখন একলাই থাকি

একলাই আছি বেশ।।


ক্ষমা করো হে পৃথিবী    - এসকে এম হেলাল উদ্দিন  তারিখ:- ২৬/০২/২০২৪ ইং

 ক্ষমা করো হে পৃথিবী 

  - এসকে এম হেলাল উদ্দিন 

তারিখ:- ২৬/০২/২০২৪ ইং


ক্ষমা করো হে পৃথিবী, ক্ষমা করে দিও আমায় 

কি বলে চাইবো ক্ষমা সে ভাষা জানা নেই তবুও ক্ষমা করো। 

জানি শত সহস্র অভিযোগ জমা আছে, 

হয়তো সবই ক্ষমার অযোগ্য, তবু...

তবুও ক্ষমা চাই তোমার কাছে, 

নিঃশর্ত ক্ষমা দিও আমাকে।  

আমার জন্য প্রেরিত নিয়ামত সযত্নে রেখেছো

যার সবই ভোগ করলাম আমি, 

বিনিময়ে কিছুই দিতে পারিনি তোমায়। 

কেউ না জানলেও তুমি জানো, কতটা..

কতটা স্বার্থপর আমি। 

এত এত অভিযোগ থাকার পরেও.. 

তুমি দিয়েই যাচ্ছো অফুরন্ত অভিযোগ বিহীন ভালোবাসো৷ 

আমিও তোমার ভালোবাসা স্বরণ করি খুব,

কিন্তু তোমাকে কিছুই দিতে পারি না।  

শত ব্যস্ততায় ভুলে থাকি তোমার অবদান অকৃতজ্ঞের মত, 

আমার কোন অভিযোগ নেই, কারন আমি নিজেই..

আমি নিজেই ব্যর্থ, আমিই দূরে সরে আছি তোমার থেকে।  

সৃষ্টির সেরা হয়েও আমি অধম, 

আমি যত সব কাজ করি তোমার বুকে অশান্তি ছড়াতে। 

জানি না কখনো শান্তির বরতা আনতে পারবো কিনা, 

যদি পারি আগলে রেখো তোমার সমস্ত ভালোবাসা দিয়ে, 

আর যদি না পারি, তাহলে ক্ষমা করো 

নিঃশর্তে ক্ষমা করে দিও আমাকে।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া

শিরোনামঃ নিয়মে বাঁধা  কলমেঃ তরুণ চ্যাটার্জ্জী তারিখঃ 28/02/24

 শিরোনামঃ নিয়মে বাঁধা 

কলমেঃ তরুণ চ্যাটার্জ্জী

তারিখঃ 28/02/24


এই জগতের সবই কেমন,

চলছে নিজের ছন্দ তালে।

 সবাই বাজে আপন সুরে,

আপন ভাবে বিভোর চলে।


সূর্য দেখায় দিনের আলো,

জোৎস্না ছড়ায় রাতের চাঁদ।

ওরাও কেমন নিয়ম মানে,

কেউ ভাঙে না নিজের বাঁধ।


আপন তালে ব‌ইছে নদী,

ওঠা নামার ছন্দ জানা।

কোথায় ধীরে কোথয় বেগে,

গতির ছন্দ  চলছে মানা।


মানে না বাতাস বাধার বাঁধ, 

শ্বাস বাতাসে সেই আধার।

যেখান খুশি ব‌ইছে দেখো,

মরু হতে ওই সাগর পাহাড়।


কতো রঙেই ফুটছে ফুল,

সাজিয়ে আপন রূপের বাহার।

সময় ডাকে সাড়া দেওয়ায়,

আসা যাওয়ার ছন্দ তার।


 স্বাদে গন্ধে ধরছে ফল,

ভিন্ন তাদের রকম ফের।

কালের তালে হারিয়ে গিয়ে,

জাগার আশা অন্য একের।


ছন্দ তালের এমন খেলায়,

নাচছে গোটা জগৎ সুরে।

কালের নিয়মে বাঁধা হয়ে,

আসা যাই নিকট দূরে।

          ------0------


গ্রিক পন্ডিত আর্কিমিডিস

 নিজের বাড়ির উঠোনে গণিতের সূত্র আঁকিবুঁকি করছেন গ্রিক পন্ডিত আর্কিমিডিস। তিনি যখন গণিতে ডুবে থাকেন, চারপাশের জগতের কোনো খোঁজ রাখেন না। ঠিক সে সময় রোমানরা আক্রমণ করেছে তার দেশ। যুদ্ধে তার দেশের সম্রাট হেরেও গেছেন। কিন্তু আর্কিমিডিসের সেদিকে খেয়াল নেই। তিনি তার কাজ নিয়েই ব্যস্ত।


ঠিক তখনি একজন সৈন্য এসে আর্কিমিডিসকে আত্মসমার্পণ করতে বলে। হাতে তার ধারালো খোলা তরবারি। তবে আর্কিমিডিস তাকে কোনো পাত্তাই দিলেন না। বরং তিনি বিরক্ত হয়ে বললেন,আহ, বিরক্ত করো না, দেখছ না ব্যস্ত আছি!


সৈনিক জ্যামিতি বা গণিতের কি বোঝে! আর্কিমিডিসকেও সে চেনে না, জানে শুধু যুদ্ধ করতে। আর্কিমিডিসের কথায় তার আঁতে ঘা লাগল।


তিনি বললেন, কী! পরাজিত দেশের নাগরিকের এত বড় স্পর্ধা!


তলোয়ারের এক কোপ বসিয়ে দিল আর্কিমিডিসের ঘাড়ে। সঙ্গে সঙ্গে ধুলোয় লুটিয়ে পড়ল আর্কিমিডিস।


পরে আর্কিমিডিসের কাটা মুন্ডু দেখে বিজয়ী রোমান সম্রাট দুঃখ পেয়েছিলেন। যুদ্ধের আগে সম্রাট বলে দিয়েছিলেন যেন আর্কিমিডিসকে হত্যা করা না হয়। তিনি গুণের কদর করতেন। যদিও আর্কিমিডিসের কারণে বারবার হেরেছিলেন তিনি। তার তৈরি আয়না পুড়িয়ে মেরেছে রোমান সৈন্যদের, তার অদ্ভুত যন্ত্র ডুবিয়ে দিয়েছে বহু জাহাজ। তবু আর্কিমিডিসের প্রতি ক্ষিপ্ত হননি সম্রাট। বরং এই গুণী মানুষটিকে একবার স্বচক্ষে দেখতে চেয়েছিলেন তিনি।


বাংলা ইনসাইডার/আরকে/রিডার্স ডাইজেস্ট


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


শনিবার, ২ মার্চ, ২০২৪

টুইটার থেকে নেওয়া

 আমি একটা কথা ভেবে অবাক হই, যদি মানুষ একজন আরেকজনকে সত্যি ভালোবাসবে তাহলে বিয়ের পর একজন আরেকজনের এঁটো খাবার খেতে সমস্যা কোথায়? আজ সকালে আমাদের পাশের বাড়িতে এক ভাইয়া ও ভাবি আছেন, তাদের না কি রিলেশন করে বিয়ে হয়েছিল৷ এমনকি ঐ ভাবি না কি এতটাই ভালোবাসতো ঐ ভাইয়াকে, যখন ভাবির প্রেমের সম্পর্ক মেনে নেয়নি, অন্য জায়গায় ভাবির পরিবার ভাবিকে বিয়ে দিয়েছিল, সেখান থেকেও না কি পালিয়ে এসেছিল ভাইয়ার কাছে, এবং ভাইয়াকে বিয়ে করে সংসার করছেন। অথচ আজ সকালে ভাইয়ার ব্রাশ না কি ভাবি ভুলবশত ব্যবহার করায় ভাবির সাথে ঝগড়া পর্যন্ত হয়েছে। একটা কথা ভাবলাম এটা কি আসলেই ভালোবাসা না কি ভালো লাগা। যদি সত্যি ভালোবাসা থাকে তাহলে বউ এর টুথব্রাশ স্বামী অথবা স্বামীর টুথব্রাশ বউ ব্যবহার করলে দোষ কোথায়? আশ্চর্য হই এগুলো দেখলে---যেখানে স্বামী আমার সবচেয়ে আপনজন, যার সাথে আমি মৃত্যুর পরেও একসাথে থাকতে চাই, তাহলে তার এঁটো খাবার, তার গ্লাসে পানি খাওয়া, তার টুথব্রাশ ব্যবহার করলে দোষ কোথায়? -----

টুইটার থেকে নেওয়া

জয়মালা ২০ এস পি (অ্যাসিটামিপ্রিড ২০%)

 জয়মালা ২০ এস পি (অ্যাসিটামিপ্রিড ২০%)

জয়মালা ২০ এসপি কি?

জয়মালা ২০ এসপি একটি স্পর্শক ও পাকস্থলীয় ক্রিয়াসম্পন্ন নিয়োনিকোটিনয়েড শ্রেণীর অন্তর্বাহী কীটনাশক যার মধ্যে ট্রান্সল্যামিনার ক্রিয়া বিদ্যমান। এর প্রতি কেজিতে ২০০ গ্রাম সক্রিয় উপাদান ‘অ্যাসিটামিপ্রিড’ আছে।


জয়মালা ২০ এসপি পি কেন ব্যবহার করবেন?

- এটি সিস্টেমিক কীটনাশক এবং এতে ট্রান্সল্যামিনার ক্রিয়া থাকার ফলে পাতার উপরের কোষ ভেদ করে সহজে পাতার নিচে থাকা ডিম এবং নিম্ফ মেরে ফেলতে পারে।

- ধানের বাদামী গাছ ফড়িং দমন করে।

- সব্জির বিভিন্ন চোষক পোকা (Sucking Pest) যেমন- সাদা মাছি, এফিড, জেসিড ও মশা দমনে খুবই কার্যকরী।

- সাদা মাছির (White Fly) ডিম, নিম্ফ এবং পূর্ণ বয়স্ক পোকা দমনে খুবই কার্যকরী কারণ এর মধ্যে ডিম্বাণুনাশক (Ovicidal) ক্রিয়া বিদ্যমান।

- ট্রান্সলেমিনার গুণসম্পন্ন তাই পাতার উভয় পাশেই কার্যকরী।

- অন্যান্য কীটনাশাকের তুলনায় কম পরিমাণে প্রয়োগ করলেই কার্যকরী ফলাফল পাওয়া যায়।


ফসলঃ শিম, পাট, তুলা, আলু, আম, চা, ধান


ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজী - বাংলা ভাষার ত্রানকর্তা,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজী - বাংলা ভাষার ত্রানকর্তা 


বাংলা ভাষা হাজার বছর ধরে এশিয়ার বিশাল জনগোষ্ঠীর মাতৃভাষা। আধুনা পৃথিবীতে বাংলা ভাষা বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানে (আটকে পড়া বাংলাদেশীদের মধ্যে), মিয়ানমারের (পূর্বতন বার্মা) রাখাইন রাজ্যে (পূর্বতন আরাকান) ব্যবহৃত হচ্ছে। এরমধ্যে বাংলাদেশে পেয়েছে রাষ্ট্রীয় ভাষা, ভারতে পেয়েছে প্রাদেশিক ভাষার স্বকৃতী। এই ভাষার জন্য আন্দোলন হয়েছে বিহারের মানভূম, আসামের শিলচর এবং বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায়। মানুষ এই ভাষার জন্য বিহারে, পূর্বতন পূর্ব পাকিস্তানে ও আসামে নিজের তাজা রক্ত ঢেলেছে। যা পৃথিবীর একমাত্র দৃষ্টান্ত। বর্তমানে ভাষার জন্য আত্মদানের স্বীকৃতি হিসেবে সারা পৃথিবীতে ২১শে ফেব্রুয়ারী পালন করা হয় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। উল্লেখ্য ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারী ভাষা আন্দোলনের মাধ্যমে প্রোথিত হয় স্বাধীন বাংলাদেশের ভিত্তি। 


 হাজার বছর পূর্বেও বাংলা ভাষা নিষিদ্ধ হয়েছিল এই বাংলাতেই। জোরপূর্বক কেড়ে নেওয়া হয়েছে বাঙালির প্রাণের ভাষা বাংলা। দক্ষিণ ভারত থেকে আগত সেন রাজারা তাদের ধর্মগুরুদের ঘৃণ্য পরিকল্পনায় রাজকীয় ফরমান জারি করে -  “যারা বাংলা ভাষা বলবে ও শুনবে তারা ‘রৌরব’ নামক নরকে যাবে।” কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় সেই সেন রাজবংশ ইতিহাস হয়ে যায়, আর বাংলা ভাষা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসেবে টিকে আছে আজ অবধি। যদিও ভারতে হিন্দীর আগ্রাসনের মুখে বাংলা ভাষা। তবে আশার কথা হলো "বাংলা পক্ষ" একটি সংগঠন সোচ্চার হয়েছে পশ্চিম বঙ্গে বাংলা ভাষা ও বাঙালির অধিকার প্রতিষ্ঠায়। সেন রাজাদের রাজকীয় ফরমান জারির পর হুমকির মুখে পড়ে বাংলা ভাষা। তখন নির্যাতিত ও নিগৃহীত বাঙালি ও বাংলা ভাষার ত্রানকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হন তুর্কি বংশোদ্ভূত উচ্চাভিলাসী সেনানায়ক ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজী। অত্যন্ত দক্ষ এই সেনানায়ক ১২০৪ সালে বাংলার প্রবেশদ্বার রাজমহল ও তেলিয়াগড় এড়িয়ে ঝাড়খণ্ডের শ্বাপদশংকুল অরণ্য দিয়ে বাংলায় প্রবেশ করেন। ঝাড়খণ্ডের শ্বাপদশংকুল অরণ্যের মধ্য দিয়ে এত দ্রুতগতিতে অগ্রসর হয়েছিলেন যে তার সাথে মাত্র ১৭ জন সৈনিকই তাকে অনুসরণ করতে পেরেছিলেন। বখতিয়ার খিলজী সরাসরি রাজা লক্ষ্মণসেনের প্রাসাদদ্বারে উপস্থিত হন এবং দ্বাররক্ষী ও প্রহরীদের হত্যা করে প্রাসাদের ভিতরে প্রবেশ করেন। এতে প্রাসাদের ভিতরে হইচই পড়ে যায় এবং লক্ষ্মণসেন দিগ্বিদিক হারিয়ে ফেলে প্রাসাদের পেছনের দরজা দিয়ে নৌপথে বিক্রমপুরে আশ্রয় নেন। ঐতিহাসিকগন বলেন, ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার বিন খিলজীর বাংলা বিজয়ের মাধ্যম দিয়ে সেইদিন শুধু ভূমির বিজয় হয়নি, সাথে মুক্ত হয়েছিলো বাঙ্গালীদের মুখের ভাষা ‘বাংলা’।


ভাষাবিদ দীনেশ চন্দ্র সেন বলেন, “মুসলমান সম্রাটগণ বর্তমান বঙ্গ-সাহিত্যের জন্মদাতা বললে অত্যুক্তি হয় না। বঙ্গ-সাহিত্য মুসলমানদেরই সৃষ্ট, বঙ্গ-ভাষা বাঙালি মুসলমানের মাতৃভাষা।” অধ্যাপক ও গবেষক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, “যদি বাংলায় মুসলিম বিজয় ত্বরান্বিত না হতো এবং এদেশে আরো কয়েক শতকের জন্য পূ্র্বের শাসন অব্যাহত থাকতো, তবে বাংলা ভাষা বিলুপ্ত হয়ে যেত এবং অবহেলিত ও বিস্মৃত-প্রায় হয়ে অতীতের গর্ভে নিমজ্জিত হতো।”


মধ্যযুগে মুসলিম শাসকরা বাংলা ভাষাকে দেন রাজকীয় মর্যাদা, এক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য হলেন শাহ্-ই-বাঙালিয়ান, বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা শামস্উদ্দিন ইলিয়াস শাহ্। মুসলিম শাসকদের রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলা ভাষার যে সাহিত্য চর্চা শুরু হয়, তার মাধ্যমে বাংলা ভাষা একটি পরিপূর্ণ ভাষা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার যোগ্যতা অর্জন করে।


বাংলা ভাষাকে কলুষিত করার চেষ্টা পরবর্তীতে যুগে যুগে আরো হয়। ১৮শ’ সালে ব্রিটিশরা কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠা করে বাংলা ভাষার আরবী ও ফারসী শব্দ বাদ দিয়ে সংস্কৃত শব্দ প্রবেশের উদ্দেশ্যে সাহিত্য চর্চা শুরু করে। তারা দেখাতে চায়, “বাংলা ভাষার সাথে মুসলমানদের কোন সম্পর্ক নেই”।


উপনিবেশিক শাসকদের প্ররোচনায় মুসলিমদের হেয় প্রতিপন্ন করতে প্রচার করা হয়, বাংলা ভাষায় প্রথম কুরআন শরীফ অনুবাদ নাকি গিরিশ চন্দ্র সেন করেছে। অথচ ১৮৮৬ সালে গিরিশ চন্দ্র সেনের অনুবাদের বহু পূর্বে ১৮০৮ সালে বাংলা ভাষায় কুরআন শরীফের আংশিক অনুবাদ করেন মাওলানা আমীরুদ্দীন বসুনিয়া। এরপর ১৮৩৬ সনে মৌলভী নাঈমুদ্দীন পূর্ণাঙ্গ কুরআন মাজীদের বাংলা অনুবাদ সম্পন্ন করেন। অথচ এরা রয়ে গেছে অনেকটা লোকচক্ষুর আড়ালে। এটি নিঃসন্দেহে সত্যি শ্রীযুক্ত গিরিশ চন্দ্র সেন ছিলেন একজন প্রকাশক। ‌তার সহায়তায় কুরআন আল কারীমের বাংলা অনুবাদ প্রকাশিত হয়।


আজ বহুজাতিক ভাষা ইংরেজির আগ্রাসনের শিকার বাংলা ভাষা। আজও স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মুক্ত হতে পারেনি ইংরেজির কবল থেকে। বিচার বিভাগ থেকে সকল রায় ও ফরমান জারি করা হয় ইংরেজি ভাষায়। যদিও বাংলাদেশের জনসাধারণ দীর্ঘ দিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছে বিচার বিভাগের বাংলা করনের জন্য। ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে ব্যবহার করা হচ্ছে ইংরেজি ভাষায় লেখা ফলক। এমনকি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ঋণ মঞ্জুরীপত্র লেখা হচ্ছে ইংরেজিতে। এটি অনভিপ্রেত। তাই নীতি নির্ধারণী মহলের নিকট জোর দাবি জানাচ্ছি বাংলা ভাষা রক্ষার্থে পশ্চিম বঙ্গ, ত্রিপুরা, আসাম ও রাখাইনে সকল ধরনের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের এবং বাংলাদেশে সর্বস্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার বাধ্যতামূলক করার জন্য।


তথ্যসূত্রঃ

১। খন্দকার কামরুল হুদা, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও শেখ মুজিব।

২। বাংলাপিডিয়া


নিবন্ধ - মাহফুয রহমান

শিক্ষাকর্মী এবং ভূতপূর্ব ব্যাংক কর্মকর্তা।

মালয়েশিয়া নিউজ


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...