এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ৯ মার্চ, ২০২৪

টারজান ফে,রো,মো,ন,,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 টারজান ফে ;রো ;মো; ন ফাঁদ  : ফ্রুট ফ্লাই

❌ফসলে আর নয় কীটনাশক এর ব্যবহার। 

🦟🪰 মাছিপোকা ,ভোমর পোকা বা ফল ছিদ্রকারী পোকা দমনের কার্র্য্যকারী ফাঁদ। 

☎ Hotline : 01770 144199

 👨‍🎤এবার হবে স্বাস্থ্যসম্মত কীটনাশক মুক্ত সবজি ও ফল চাষ ।

 মাছি পোকা বা ফল ছিদ্রকারী পোকা কোনো কীটনাশকেই মরে না ।

 এই পোকা কে ফসলের যম বলে। 

 🌳🍎🍆সকল প্রকার  সবজি জাতীয় গাছের  জন্যঃ ( টারজান মিলন ফ্লাই)।

 বেগুন ,মিষ্টি কুমড়া ,ধুন্দল ,লাউ ,করলা ,শসা ,চিচিঙ্গা ,ঝিঙ্গা ইত্যাদি ।

🌳🥭🍒সকল প্রকার ফল জাতীয় গাছের  জন্যঃ টারজান (ফ্রুটস   ফ্লাই ফাঁদ)।

আম, লিচু, পেয়ারা, মাল্টা, কমলা, তরমুজ, লেবু, কামরাঙা, 'বাঙ্গী' ইত্যাদি।

 👉মাছি পোকা ,ফল ছিদ্রকারী পোকা দমনে ১০০% কার্যকরী সমাধান। 

👉টারজান ফে ;রো ;মো; ন ফাঁদ দিবে এবার বিষমুক্ত ফসল উপহার।

 ❌তাই আমরা না করি আর কীটনাশকের ব্যবহার।

 🏪আপনি ছাদে বাগান করছেন ?ফেরোমোন ফাঁদ ব্যবহার করুন। 

 🏡বিভিন্ন বাসা বাড়ির ছাদে যেখানে ফল ও সবজির চাষ রয়েছে সেখানেই খুব সহজে ব্যবহার করা যাবে।

 🤷‍♂️এই ফাঁদ ব্যবহার করা খুব সহজ। 

 👉কোন প্রকার সাবান পানি ব্যবহার করতে হয় না। 

 ফ্রিজে রাখতে হয় না। 

 👉কমপক্ষে ৬০ দিন সমান ভাবে পোকা মরবে।


চট্টগ্রাম শহরের ভিতর দর্শনীয় স্থান সমূহঃ(টিকেট ছাড়া),,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 যাদের প্রয়োজন তারা নোট রাখতে পারেন।

চট্টগ্রাম শহরের ভিতর দর্শনীয় স্থান সমূহঃ(টিকেট ছাড়া) 

১. পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত

২. গোল্ডেন বীচ পতেঙ্গা

৩. কাঠগড় সি-বীচ

৪. ১৫ নং নেভাল এভেন্যু

৫. চট্টগ্রাম বোট ক্লাব (শুধুমাত্র রেস্টুরেন্ট এর জন্য)

৬. বিমান বন্দর

৭. ফইল্লাতলী সাগরের পাড় ও ম্যানগ্রোভ বন (রানী রাসমনি বীচ)

৮. চৌচালা-বীচ (সীভিউ পার্ক)

৯. শুকতারা রিসোর্ট

১০. পোর্টের টোল সড়ক

১১. রেলওয়ে জাদুঘর

১২. ঝাউতলা আবহাওয়া ওফিস ও  ব্র্যাক এর পাহাড়

১৩.  বাটালী পাহাড় (বিজয় স্তম্ভ)

১৪. জিলাপী পাহাড়

১৫. সিআরবি পাহাড়

১৬. ডি সি হিল

১৭. কর্ণফুলী নতুন ব্রীজ

১৮. ফিরিঙ্গিবাজার ব্রীজ ঘাট/ফিসারী ঘাট (নৌ-ভ্রমন পিয়াসুদের জন্য)

১৯. জাতীয় সংঘ পার্ক (পাচলাইশ)

২০. বিপ্লব উদ্যান (২নং গেইট)

২১. সানসেট পয়েন্ট ভাটিয়ারী ও ভাটিয়ারী লেক

২২. ক্যাফে ২৪ ভাটিয়ারী

২৩. ঠান্ডাছড়ি পার্ক ও পিকনিক স্পট

২৪. ওয়ার সিমেট্রি 

২৫. অভয় মিত্রঁ ঘাট (প্রকাশ নেভাল ২)

 

 

চট্টগ্রাম শহরের ভিতর দর্শনীয় স্থান সমূহঃ(টিকেট/পারমিশন প্রয়োজন)

১. ফয়েজ লেক

২. চিড়িয়া খানা

৩. মিনি বাংলাদেশ

৪. কাজীর দেওরী শিশু পার্ক

৫. আগ্রাবাদ কর্ণফুলী শিশু পার্ক

৬. বাটারফ্লাই পার্ক

৭. ভাটিয়ারী গলফ ও কান্ট্রি ক্লাব (আর্মি পারমিশন প্রয়োজন)

৮. জাতিতাত্তিক জাদুঘর আগ্রাবাদ

৯. জিয়া সৃতি জাদুঘর, সার্কিট হাউস।

 

 শহরের কাছাকাছি একদিনের ভ্রমন এ যাওয়া সম্ভব এমন দর্শনীয় স্থান সমূহঃ

১. কাপ্তাই

২. রাঙ্গামাটি

৩. বান্দরবন

৪. সীতাকুণ্ড

৫. মুহুরি প্রজেক্ট ফেনী

৬. মহামায়া রবার ডেম প্রকল্প মিরসরাই

৭. সহস্র ধারা ঝর্না বড় দারোগাহাট, সিতাকুন্ড

৮. পারকি সমুদ্র সৈকত, আনোয়ারা

৯.  বাশখালী বামের ছরা ইকোপার্ক

১০. চকোরিয়া ডুলাহাজরা সাফারী পার্ক


[সংগৃহীত]০


মাটির নীচের গুপ্ত পথ (Lost of paradise),,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ময়মনসিংহের হারানো ইতিহাস!

 মাটির নীচের গুপ্ত পথ (Lost of paradise) 


ময়মনসিংহের গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখল করে আছে আলাপসিং পরগনা। এই পরগণার জমিদারদের মধ্য একজন ছিলেন মহারাজা সূর্য্যকান্ত আচার্য । 


সূর্যকান্ত আচার্য চৌধুরীর শাসনামলে ব্রহ্মপুত্র তীরবর্তী জনপদে যুক্ত হয়েছিলো সোনালি মাত্রা। প্রায় ৪১ বছর জমিদারি পরিচালনার প্রেক্ষাপঠে বহু জনহিতকর কাজ করেছেন তিনি। ময়মনসিংহে স্থাপন করলেন একাধিক নান্দনিক স্থাপনা। রাজরাজেশ্বরী জলকল। 


ঊনবিংশ শতকের শেষের দিকে ময়মনসিংহ শহরের কেন্দ্রস্থলে নয় একর ভূমির ওপর একটি অসাধারণ দ্বিতল ভবন নির্মাণ করলেন সূর্যকান্ত। নিঃসন্তান সূর্যকান্তের দত্তক পুত্র শশীকান্ত আচার্য চৌধুরীর নামে এই ভবনের নাম রাখা হলো শশী লজ। বিখ্যাত এই ভবনটি ১৮৯৭ সালের ১২ জুন গ্রেট ইন্ডিয়ান ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত হলে অত্যন্ত ব্যথিত হন সূর্যকান্ত আচার্য চৌধুরী। ১৯০৫ সালে ঠিক একই স্থানে নতুনভাবে শশী লজ নির্মাণ করেন পরবর্তী জমিদার শশীকান্ত আচার্য চৌধুরী। ১৯১১ সালে শশী লজের সৌন্দর্যবর্ধনে তিনি সম্পন্ন করেন আরও কিছু সংস্কারকাজ।


জমিদার সূর্যকান্ত মুক্তাগাছার জমিদারদের বংশধর।  কথিত আছে জমিদার সূর্য্যকান্ত তার প্রাসাদের নীচে একটি সুরঙ্গপথ তৈরী করে ছিলেন, যেটি দিয়ে তিনি মুক্তাগাছাসহ ময়মনসিংহ শহরের বাঁশবাড়ি ও ব্রহ্মপুত্রের পাড়ে যেতে পারতেন। অনুমান করা হয় সেই দীর্ঘ সুরঙ্গ বা গুপ্ত পথটি হয়তো এরকম ছিলো। কে জানে?


তথ্য : ভিডিও ইন্টারনেট থেকে..

এটার মতো হয়তো ছিলো আমাদের ময়মনসিংহের সুরঙ্গ। 

এটা প্রতিকী ভিডিও।


মাসিক বিল ছাড়া ডিস চ্যানেল দেখুন, বাংলাদেশি প্রায় সব চ্যানেল দেখতে পারবেন । কোন প্রকার মাসিক বিল দিতে হবে না ।,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🆓🆓🆓 মাসিক বিল ছাড়া ডিস চ্যানেল দেখুন,

বাংলাদেশি প্রায় সব চ্যানেল দেখতে পারবেন ।

কোন প্রকার মাসিক বিল দিতে হবে না ।

এটি ব্যবহারে যে সুবিধা গুলো পাবেন,

☑সকল চ্যানেল দেখতে চকচকে-ঝকঝকে,এবং HD কোয়ালিটি পিকচার, যা আপনার এলাকার ডিস লাইন দেখাতে পারবে না এরকম কোয়ালিটি পিকচার ।

☑ঝড় বৃষ্টি হলে আপনার এলাকার ডিসের ক্যাবল ছিরে যায় ফলে সেটি ঠিক না হওয়া পর্যন্ত চ্যানেল দেখতে পাননা । 

আর আমাদের সেটাপটি সরাসরি স্যাটেলাইট থেকে ক্যাবল বিহীন চ্যানেল রিসিভ করে দেখায় ।

আর এটি আপনার বাসাতেই সেটাপ করা থাকবে যার কারনে ঝড় বৃষ্টি হলেও চ্যানেল দেখতে কোন সমস্যা হবে না ।

☑Live recording option থাকায় যেকোন পোগ্রাম রেকর্ড করে পরে আবার দেখতে পারবেন ।

☑এছারা অনেক আরো সুবিদা রয়েছে । 


যে চ্যানেল গুলো দেখতে পারবেন,

SA TV HD,

Asian TV HD,

Bijoy TV HD,

Boishakhi TV HD,

Channel 24 HD,

RTV HD,

Nexus TV HD,

ATN Bangla,

Bangla TV HD,

Bangla Vision HD,

channel i HD,

ekattor TV HD,

Global TV HD,

Gaan Bangla HD,

NTV,

DBC News HD,

News 24 HD,

Desh TV,

Mohona TV HD,

ATN News HD,

Ananda TV,

Ekushe TV,

Jomuna TV,

My TV HD,

Deepto TV HD,

Channel 9 HD,

SOMOY TV HD,

Independent tv,

Maasranga TV HD,

Madani TV bangla HD,

BTV National HD,

BTV World,

BTV Chattagram,

SANGSAD BANGLADESH

এছাড়া ku band LNB নিয়ে ভারতীয় 150 টি ফ্রি চ্যানেল এর সাথে দেখতে পারবেন এর জন্য কোন প্রকার মাসিক টাকা লাগবে না ।

⏩সিরাজগঞ্জ, পাবনা, নাটর, নওগা, বগুরা, গাইবান্ধা, টাংগাইল, জামালপুর, সেরপুর, ময়মনসিংহ, গাজিপুর, ঢাকা, নারায়ণগন্জ, নরসিংদী, 

এই জেলাগুলাতে বাসায় গিয়ে সেটাপ করে দেয়া যাবে ।

তবে এর জন্য আলাদা সার্ভিস চার্জ যোগ হবে । 

আর এই জেলা গুলোর বাহিরে যারা আছেন তারা কুরিয়ারে মাধ্যমে সেটাপটি নিতে পারেন ।

এর জন্য আপনাকে কুরিয়ার খরচ বাবদ 400 টাকা এডভান্স করতে হবে ।

⏩আপনি যদি সেটাপ করতে না পারেন । এ ক্ষেত্রে 

বুকিং দেয়ার আগে আমরা প্রায় ৮০% সেটাপের কাজ করে দিবো । 

⏩তা ছারাও সরাসরি কল এবং imo অথবা whatsapp ভিডিও কলে সেটাপ বিষয়ে সহযোগিতা পাবেন।

📦 এই প্যাকেজের সাথে যা যা পাবেন,

📡ডিস এন্টেনা 4 ফিট সাইজ(SDS company)

🔦LNB C band (SE company)

📼রিসিভার (Echolink 7777 HD)

🔧Canector 2 টি

ফুল প্যাকেজ মূল্য= 6500 টাকা

সিরাজগঞ্জ ডিস সপ

কল 01628-547572



গাছের পাতা কুকড়ে যায়??,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 গাছের পাতা কুকড়ে যায়??


অনেকেই মরিচ,টমেটো, শিম, বরবটি পেপে বা অন্যান্য  গাছের পাতা কোকড়ানো এর

 জন্য কাংখিত ফলন পান না তাদের জন্য কার্যকরী কীটনাশক। ১০০% পরীক্ষিত।  


মূলত থ্রিপিস, সাদা মাছি পোকা ও মাকড়ের আক্রমণ হলে এমন হয়।


আক্রমণ রোধে ইমিডাক্লোপিড গ্রুপের কীটনাশক ইমিটাফ

এবামেক্টিন গ্রুপের কীটনাশক ভেকটিন ব্যবহার করলে ভাল ফলাফল পাওয়া যায় ।


ব্যবহারবিধিঃ ১ লিটার পানিতে ইমিটাফ. ০.৫ মিলি(হাফ মিলি) ও ভেক্টিন ১ মিলি  একসাথে মিশিয়ে স্প্রে করে দিবেন সব গাছে পাতায় বিকালে বা রাতে। দুইটা এক সাথেই দিতে হবে। 


আক্রান্ত গাছে পাতায় ৩  দিন পর পর কয়েকবার  স্প্রে করে দিবেন।

সুস্থ্য হলে  প্রতি ১৫ দিন পর পর নিয়মিত একবার  স্প্রে করে দিবেন। তাইলে আর কোকড়াবে না। 


🔴দামঃ ইমিটাফ ১০০ টাকা

             ভেকটিন ১০০ টাকা।


লোকেশন অনুযায়ী ডেলিভারি চার্জ।




ত্রিদ্রাঙ্গভিটি (Tridrangaviti) লাইট হাউজ।,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 মাঝ সমুদ্র  এটি হচ্ছে পৃথিবীর অন্যতম বিচ্ছিন্নতম লাইট হাউজ !


ত্রিদ্রাঙ্গভিটি (Tridrangaviti) লাইট হাউজ।


 আইসল্যান্ডের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূল থেকে 4.5 মাইল দূরে ভেস্টমানেজার দ্বীপপুঞ্জে পাথরের উপর অবস্থিত একটি বাতিঘর , যা প্রায়শই বিশ্বের সবচেয়ে বিচ্ছিন্ন বাতিঘর হিসাবে বর্ণনা করা হয়।


ত্রিদ্রাঙ্গভিটি, লাইট হাউজে শুধুমাত্র হেলিকপ্টার দ্বারা প্রবেশযোগ্য।

লাইট হাউস টি, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে  110 ফুট উপরে অবস্থিত।


বাতিঘর বা লাইট হাউজ হচ্ছে এমন এক ধরনের সুউচ্চ মিনার আকৃতির দালান যা থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় আলো ফেলে সমুদ্রের জাহাজের নাবিকদের দিক নির্দেশনা দেয়া হয় এবং সেই সাথে সমুদ্রের অগভীর অঞ্চল সম্পর্কে নাবিকদের সতর্ক করতে বাতিঘর ব্যবহার করা হয়।


Photographer: Ernie Seberg

Source: Wikipedia



কুরআনের সব শব্দ ছোট ২টি বইয়ে,,,ফেইসবুকর বিজ্ঞাপন

 কুরআনের সব শব্দ ছোট ২টি বইয়ে


যারা কুরআন পড়ে সরাসরি আরবি থেকে এর অর্থ বুঝতে চান, তাদের জন্য এই প্যাকেজটি।


✅বইটি সেল্ফ লার্নিং পদ্ধতিতে সাজানো হয়েছে। 

✅হিফজ ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কুরআন/আরবি শেখানোর পাঠ্য হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে। 

✅‘শতভাগ কুরআনের ভোকাবুলারি, লেভেল ১’ বইটি আমাদের প্রায় ১০০০ (কুরআনের প্রায় ৮০% শব্দ)

✅আর লেভেল-২ এ নতুন আরও ৩৮০০ শব্দ শেখা যাবে। যার মাধ্যমে আমরা কুরআনের প্রায় শতভাগ শব্দ জানতে পারবো। 

✅প্রতিটি আরবি শব্দের বাংলা অর্থ দেওয়ার পাশাপাশি ঐ শব্দটি দ্বারা কুরআনের একটি আয়াত অর্থসহ দেয়া হয়েছে। 

✅কুরঅনের অব্যয়, সর্বনাম, বিশেষ্য ও ক্রিয়া আলাদা আলাদাভাবে বিন্যাস করা হয়েছে। 

✅প্রতিটি পাঠের পরে পাঠ চর্চা এবং কয়েকটি পাঠ শেষে ‘নিজেকে যাচাই করি’ মূল্যায়ণ ব্যবস্থা রয়েছে। 

✅ক্রিয়ার বিভিন্ন প্রয়োগ দেখানো হয়েছে।


'শতভাগ কুরআনের ভোকাবুলারি প্যাকেজ' এর লিংক: https://www.wafilife.com/?p=795765


পাগলা পুল বা মোগল আমালের সেতু, নারায়নগঞ্জ,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 পাগলা পুল বা মোগল আমালের সেতু, নারায়নগঞ্জ

===============================


পাগলা সেতু  একটি মুগল স্থাপত্যের ধ্বংসাবশেষ যা ঢাকার ৪.৫ কিমি পূর্বে পাগলার ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সড়কে অবস্থিত। সেতুটি সম্ভবত ১৬৬০ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট আরঙ্গজেবের সময় বাংলার সুবাদার মির্জা মওলার (মীর জুমলা) আমলে শীতালক্ষ্যা-বুড়িগঙ্গা নদীর সংযোগ স্থল দুলাই নদীর উপর নির্মিত হয়। মীর জুমলা তাঁর আসাম অভিযানের সময় সেতুটি নির্মাণ করেন।

১৬৬৬ সালে ট্যাভারনিয়ার যখন ঢাকায় এসেছিলেন তখন লিখেছিলেন ভাটিতে আছে আরেকটি নদী পাগলা। 


নদীর ওপর আছে সুন্দর একটি পুল, যা তৈরি করেছিলেন মীর জুমলা। তিনি আরো লিখেছিলেন, নদীর দুই পাশে ছিল বেশকিছু টাওয়ার, যেখানে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল ডাকাতদের কাটা মুণ্ড।


১৮২৪ সালে কলকাতার লর্ড বিশপ হেবার, পাগলা পুলের সৌন্দর্যের খ্যাতি শুনে তা দেখতে গিয়েছিলেন। কিন্তু তখন তা পরিণত হয়েছিল প্রায় ধ্বংসস্তূপে। এখনো নদীর তীরে পুলের একটি অংশ পড়ে আছে।


ঢাকার এগারোতম মোগল সুবেদার মীর জুমলা পাগলা পুলটি নির্মাণ করেন। ড'য়লির আঁকা ছবি থেকে এ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। শক্রদের ওপর নজর রাখার জন্য এতে 'পর্যবেক্ষণ টাওয়ার' যুক্ত ছিল। অ্যাটকিনসন জানান, 'পুলের জায়গাটিতে এক ধরনের আলো-ছায়ার খেলা দেখা যায়। 


দূরের ঢাকার ইউরোপিয়ান অধিবাসীদের সাদা ঘরবাড়িতে সূর্যের আলো ঠিকরে পড়ে যে উজ্জ্বলতার সৃষ্টি করে, তার সঙ্গে পুল ও পুলের নিকটবর্তী ভূমির ছায়া মিলে অদ্ভুত এক ভাবপ্রবণ দৃশ্যের অবতারণা করে।'


সূত্র : ড'য়লির ঢাকা, রিদওয়ান আক্রাম









ভারতীয় উপমহাদেশের মানুষের কেনো মোঘল সাম্রাজ্য ও এর প্রতিষ্ঠাতা সম্রাট বাবরের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত!?,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ভারতীয় উপমহাদেশের মানুষের কেনো মোঘল সাম্রাজ্য ও এর প্রতিষ্ঠাতা সম্রাট বাবরের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত!? 


মোঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা সম্রাট বাবর ১৪৮৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি বর্তমান উজবেকিস্তানের আন্দিজানে জন্মগ্রহণ করেন। ১২ বছর বয়সে রাজসিংহাসনে বসেছিলেন বাবর। বাবরের চিন্তাধারায় হার না মানার একটা মানসিকতা ছিল। উজবেকিস্তানে সমরখন্দ তিনবার দখল করেছিলেন, কিন্তু প্রতিবারই ফিরে আসতে হয়েছিল তাঁকে। তখন যদি তিনি সমরখন্দ দখলে সফল হতেন আর সেখানকার শাসক হিসাবেই থেকে যেতেন, তাহলে হয়তো কাবুল বা ভারত জয় করে রাজত্ব করার কথা তিনি ভাবতেনও না। ১৫২৬ সালে পানিপথের যুদ্ধে বিজয়ের মাধ্যমে মোগলদের ভারত শাসনের সূত্রপাত ক‌রেন বাবর। 

ভারতীয় উপমহাদেশে ইংরেজ, পর্তুগিজ, ডাচসহ যারাই বাহির থেকে এসে শাসন করেছিলেন তারা সবাই লুটপাট করে এখান থেকে সম্পদ নিজেদের দেশে নিয়ে গেছেন! কিন্তু একমাত্র মোঘলরাই উপমহাদেশ থেকে সম্পদ টাকা পয়সা কোন কিছুই নিজেদের দেশে নিয়ে যান নাই! বরং উপমহাদেশেই নিজেদের বসত করেছিলেন। শুধু তাইনা মোঘলরা এই অঞ্চলের অর্থনীতি এতোটাই ভালো করেছিলো যে মোঘল সাম্রাজ্যের সময় ভারতীয় উপমহাদেশ ছিলো অর্থনৈতিক দিক পৃথিবীর অন্যতম শক্তিশালী দেশ! এবং জিডিপির অনুপাতে বিশ্বের সর্ববৃহৎ ছিলো। মোঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের শাসনের সময় ভারতীয় উপমহাদেশে ছিলো আয়তন ও অর্থনৈতিক দিক দিয়ে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ। 

ঐতিহাসিক যেসব স্থাপনা উপমহাদেশে আছে তার অধিকাংশই মোঘলদের হাতে তৈরী। পৃথিবীর সপ্তাশ্চর্য এর অন্যতম তাজমহল বানিয়েছিলেন মোঘল সম্রাট শাহজাহান ভারতের আগ্রায় তার প্রিয়তমা স্ত্রীর জন্য। এই তাজমহল ভারতের টুরিজমে আয়ের সবচেয়ে বড় খ্যাত।

বর্তমান ভারতে মোঘলদের অনেককিছুই মুছে ফেলার চেষ্টা করতেছে। মোঘল আমলে নামকরণ করা অনেক জায়গার নাম ইতিমধ্যেই পরিবর্তন করে ফেলা হয়েছে!!


Why should the people of the Indian subcontinent be grateful to the Mughal Empire and its founder Emperor Babur!?


 Emperor Babur, the founder of the Mughal Empire, was born on February 14, 1483 in Andijan, present-day Uzbekistan.  Babur sat on the throne at the age of 12.  Babur's thinking had a mentality of not giving up.  He captured Samarkand in Uzbekistan three times, but had to return each time.  If he had succeeded in capturing Samarkand and remained the ruler there, he might not have thought of conquering Kabul or India.  By winning the battle of Panipat in 1526, Babur started the rule of the Mughals in India.

 In the Indian subcontinent, including the English, Portuguese, Dutch, who ruled from outside, they all looted and took the wealth from here to their own country!  But only the Mughals from the subcontinent did not take any wealth money money to their own country!  Instead, they settled themselves in the subcontinent.  Not only did the Mughals make the economy of the region so good that during the Mughal Empire, the Indian subcontinent was one of the most powerful countries in the world economically!  And was the largest in the world in proportion to GDP.  During the reign of Mughal emperor Aurangzeb, the Indian subcontinent was the largest in the world in terms of size and economy.

 Most of the historical buildings in the subcontinent were built by the Mughals.  One of the Seven Wonders of the World, the Taj Mahal was built by Mughal Emperor Shah Jahan in Agra, India for his beloved wife.  The Taj Mahal is India's biggest tourism earner.

 Mughals are trying to erase many things in present day India.  Many places named during the Mughal period have already been renamed!!




ঢাকা থেকে হারিয়ে যাওয়া/ প্রায় বিলুপ্ত কিছু আদি পেশা।,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া


 ঢাকা থেকে হারিয়ে যাওয়া/ প্রায় বিলুপ্ত কিছু আদি পেশা।

(দ্বিতীয় পর্ব)


চনরিওয়ালা:

ঢাকা ও আশেপাশের অঞ্চলে সাধারণত মাছি তাড়াবার জন্য এক ধরনের তালের পাখা বা চামর (চওনরি) ব্যবহৃত হতো। যারা এই পাখা বা চামর বানাতো তাদের বলা হতো চনরিওয়ালা। এরা সাধারণত ছিল মুসলমান সম্প্রদায়ের লোক। উনিশ শতকের শেষের দিকে ঢাকা থেকে এই পেশা বিলুপ্ত হয়ে যায়।


চিকনদোজ:

চিকনদোজ ছিল একটি শৈল্পিক পেশা। মসলিনের চাহিদা যতদিন ছিল ততদিন চিকনদোজরাও ছিলেন। মসলিনের সুতা দিয়ে যারা নকশা তুলতেন তাদেরকে বলা হতো চিকনদোজ। তখনকার সময়ে মহিলা -পুরুষ উভয়েই এ কাজ করতেন। মসলিনের চাহিদা ও ব্যবহার কমে যাওয়ার সাথে সাথে হারিয়ে যায় এ পেশা।


ছাপড়বন্দ: 

ছাপরবন্দ পেশাটি অনেকটা ঘরামী পেশার মতোই ছিল। উনিশ শতকের শেষার্ধে ঢাকার অধিকাংশ বাড়ি ছিল কুঁড়েঘর। কুঁড়েঘর তৈরির জন্য গরমের সময় ঢাকার বিভিন্ন স্থানে বসতো কুঁড়েঘর তৈরির উপকরণের বাজার যাকে বলা হতো ঘরকাচি মহল। যারা কুঁড়েঘর তৈরি করতো ঢাকায় এদের বলা হতো ছাপড়বন্দ, গ্রামে অবশ্য এদের ছায়াল নামে ডাকা হয়। ইট-পাথরের ঢাকার বুকে কুঁড়েঘর  বিলুপ্তির সাথে সাথে হারিয়ে যায় এ পেশাটিও।


ছিপিগর: 

ঢাকা ছিল বস্ত্র বয়নের জন্য বিখ্যাত একটি কেন্দ্র। একেক ধরনের বস্ত্র বয়নের জন্য প্রয়োজন ছিল একেক ধরনের কর্ম বিন্যাস। এমন এক ধরনের পেশা ছিল, মসলিনে নকশা তোলার আগে নকশার ছাপ দেওয়া। যারা এ কাজ করতো তাদের বলা হতো ছিপিগর। প্রধানত এ কাজটি মেয়ে কারিগরেরাই করতেন। পুরুষ কারিগরেরা এ কাজকে তাচ্ছিল্যের সাথে দেখতেন বা করতে চাইতেন না।


তাম্বুলি:

ইতিহাসবিদ টেইলর ১৮৪০ সালে তার লেখায় উল্লেখ করেছিলেন, তাম্বুলিরা প্রধানত পান-সুপারী ও অন্যান্য খাদ্যদ্রব্য বিক্রি করতেন। ১৮৮০ সালের দিকে আরেক ইতিহাসবিদ ওয়াইজ ঢাকায় ৫০ ঘর তাম্বুলির বসবাসের কথা উল্লেখ করেন। ঢাকায় আবার যারা খিলিপান বিক্রি করতেন তাদের বলা হতো খিলিওয়ালা। বর্তমানে পান-সুপারী বিক্রির দোকান থাকলেও তাম্বুলি নামটা অপ্রচলিত হয়ে পড়েছে।


তারওয়ালা:

সঙ্গীতের কিছু বাদ্যযন্ত্র যেমন বেহালা অথবা সারেঙ্গীতে তার হিসেবে ব্যবহার করা হতো ছাগল ও ভেড়ার অন্ত্র। অন্ত্রগুলো প্রক্রিয়াজাত করে এগুলো দিয়ে যারা এ যন্ত্রগুলোর তার তৈরি করতেন এদের বলা হতো তারওয়ালা। তারওয়ালারা মূলত মুসলমান সম্প্রদায়ের ছিলেন বলে সূত্র থেকে তথ্য পাওয়া যায়। 


দোসাদ:

উনিশ শতকেও ঢাকায় প্রায় বিশঘর দোসাদ ছিলেন বলে জানা যায়। এখন অবশ্য আর নেই। দোসাদরা আধা উপজাতীয় বলে ইতিহাসবিদ ওয়াইজ মন্তব্য করেছেন। ঢাকায় এরা গৃহ পরিচারক, কুলি বা পাংখা কুলির কাজ করতেন। তাদের সবগুলো কাজ বিলুপ্ত না হলেও নামটি একেবারেই অপ্রচলিত হয়ে পড়েছে।


নারদিয়া:

এ পেশার উদ্ভব হয়েছে মুঘল আমলে, যখন মসলিনের উদ্ভব হয়। মসলিন তৈরি হয় গিয়ে মাড় দেওয়ার পর পাঠানো হতো এক শ্রেণির কারিগরের কাছে। এদের কাজ ছিল কাপড়ের আলগা সূতা সাফ করে বস্ত্রটিকে পরিপাটি করা। লতার কাঁটা দিয়ে যারা এ কাজটি করতেন তাদের বলা হতো নারদিয়া। মসলিনের ব্যবহার কমে যাওয়ার সাথে সাথে তারাও বিলুপ্ত হয়েছে পেশাজীবীর তালিকা থেকে। 


নালবন্দ:

উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে ঢাকায় ঘোড়ার বেশ প্রচলন ছিল। ঘোড়ার গাড়ির উদ্ভব ও বিকাশই ছিল এর মূল কারণ। ঘোড়া এবং ঘোড়ার গাড়িকে কেন্দ্র করে সৃষ্টি হয়েছিল নতুন এই পেশার। এদের কাজ ছিল ঘোড়ার পায়ে নাল মারা। এ পেশার সাথে নিযুক্ত শ্রমজীবী মানুষদের বলা হতো নালবন্দ। বর্তমান ঢাকায় তেমন ঘোড়া ও ঘোড়ার গাড়ি না থাকায় পেশাটিও বিস্মৃত হয়ে গিয়েছে।


তথ্যসূত্র:

ক। বাংলাপিডিয়া

খ। ঢাকা: স্মৃতি-বিস্মৃতির নগরী: মুনতাসীর মামুন। 

গ। উইকিপিডিয়া।


Dhaka

ঋষণা রূপকথা-The First Myth


নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস ---

 নড়াইল জেলার  লোহাগড়ার ইতনার পরীর খাটের ইতিহাস --- পরীর খাটটি বাংলাদেশের জাদুঘরে দেখে থাকলেও ইতিহাস আমরা অনেকেই জানি না। নাটোরের মহারানী ভব...