এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ৯ মার্চ, ২০২৪

রূপালি পর্দার রোজী ভাবি                স্মরণীয়-বরণীয়,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 স্মরণ-


        রূপালি পর্দার রোজী ভাবি

               স্মরণীয়-বরণীয়

----------------------------------------------------

রোজী আফসারী। যিনি রোজী সামাদ নামেও পরিচিত। পুরো নাম শামীমা আক্তার রোজী। পিতা ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ।


যিনি পর্দায় বড় ভাবি অথবা করুণাময়ী মায়ের চরিত্রেই সকলের হৃদয়ের আসনে অধিষ্ঠিত।


তিনি ১৯৬৪ সালে অভিনয় শুরু করেন এবং ২০০৫ সালে তাঁর সর্বশেষ চলচ্চিত্র মুক্তি পায়। 


জন্ম ১৯৪৯ সালের ৯ মার্চ লক্ষ্মীপুর জেলায়।


বাংলাদেশি সিনেমার 'সুবর্ণ যুগ'খ্যাত সময় থেকে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত জনপ্রিয় ও বলিষ্ঠ অভিনেত্রি হিসেবে তিনি ছিলেন সকলের শ্রদ্ধার পাত্রি।


তাঁর শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো - সূর্য গ্রহন, সূর্য সংগ্রাম, জীবন থেকে নেয়া, তিতাস একটি নদীর নাম, লাঠিয়াল প্রভৃতি। 


তাঁর অভিনয় ব্যাপক দর্শক নন্দিত হয়। পর্দায় তাঁর অনন্য উপস্থিতি প্রায়ই ছায়াছবির প্রধান আগ্রহের বিষয় ছিল।


১৯৬২ সালে আব্দুল জব্বার খান পরিচালিত 'জোয়ার এলো' চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে পথ চলা শুরু হয় তাঁর।  


প্রায় ৪ দশক ধরে তিনি প্রায় ৩৫০টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। এর মধ্যে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে নির্মিত 'জাগো হুয়া সাভেরা', 'সঙ্গম', 'পুনম কি রাত'সহ প্রায় ২৫টি উর্দু ছবি রয়েছে।


তাঁর অন্যান্য জনপ্রিয় চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে, ওরা ১১ জন, এতটুকু আশা, নীল আকাশের নিচে, অশিক্ষিত, দেবর, প্রতিকার ইত্যাদি।


তাঁর সর্বশেষ অভিনীত ছবি 'পরম প্রিয়' ২০০৫ সালে মুক্তি পেয়েছিল। 


গুনী এই অভিনেত্রি ২০০৭ সালের ২৩ এপ্রিল চলে যান না ফেরার দেশে। শ্রদ্ধাঞ্জলি রোজী ভাবি।


-- মেসবা খান

ঢাকা, বাংলাদেশ



ফুটবল খেলে কী দেশ স্বাধীন করা সম্ভব?হ্যা অবশ্যই সম্ভব।,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ফুটবল খেলে কী দেশ স্বাধীন করা সম্ভব?হ্যা অবশ্যই সম্ভব।


দেশে যখন যুদ্ধ চলছিলো একদল যুবক তখন চিন্তা করেছিলো যে কীভাবে ফুটবল খেলে দেশকে সহযোগিতা করা যায় আর সে উদ্দেশ্যেই তৈরি হয় স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল।


১৯৭১ সালের ২৫ জুলাই কৃষ্ণনগর স্টেডিয়ামে নদিয়া একাদশের বিপক্ষে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল প্রথমবারের মতো খেলতে নামে।সেদিন মেহেরপুর সীমান্ত এলাকা দিয়ে বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি ম্যাচ উপভোগ করতে স্টেডিয়ামে আসে।ম্যাচ শুরুর পূর্বে ততকালীন স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অধিনায়ক জাকারিয়া পিন্টুই ছিলেন প্রথম ব্যাক্তি যিনি আঞ্চলিক বাংলাদেশের বাহিরে দেশের পতাকা উত্তোলন করেন।

নাদিয়া একাদশের বিপক্ষে স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল সে ম্যাচটি ২-২ গোলে ড্র করে।


স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল সমগ্র ভারতে ১৬টি স্বীকৃত ম্যাচ খেলেছে। যার মধ্যে ১২ টি জিতেছে, ৩ টি ড্র করেছে এবং একটিতে হেরেছে।স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল নিজেদের ১৬তম ম্যাচে শেষে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের কাছে ১৬.৩৩ লাখ টাকা হস্তান্তর করেছিলো।


স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সদস্যদের নামগুলো একটু স্মৃতিচারণ করে নেয়া যাক:-


জাকারিয়া পিন্টু(অধিনায়ক)

প্রতাপ শংকর হাজরা(সহ-অধিনায়ক)

কাজি সালাউদ্দিন 

এনায়েতুর রহমান খান 

একেএম নওশেরুজ্জামান

খন্দকার নুরুন্নবী 

আলি ইমাম

মো.শেখ তাসলিম উদ্দিন

আইনুল হক

ফজলে সাদাইন খোকন

লুতফর রহমান

শেখ আশরাফ আলী

আমালেশ সেন

আবদুল হাকিম

আমিনুল ইসলাম 

বিমল কর

সুভাস চন্দ্র সাহা

মুজিবুর রহমান

মো.কাইকোবাদ

সিরাজুদ্দিন সিরু

আব্দুস সাত্তার

সঞ্জিত কুমার দে

আবদুল মোমেন

মুনিরুজ্জামান পিয়ারা

শাহজাহান আলম

অনিরুদ্ধ চ্যাটার্জি 

নিহার রঞ্জন দাস

গোভিন্দ কুন্ডু

মাহমুদ রশিদ

শেখ মনসুর আলী


স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের অনুপ্রেরণায় খিজির হায়াত খানের পরিচালনায় ২০১০ সালে তৈরি করা হয়েছিলো জাগো নামক সিনেমা।স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলকে নিয়ে ২০২২ সালে পরিচালক রায়হান রাফী নির্মাণ করেন দামাল।


মার্চ মাস হলো স্বাধীনতার মাস আর স্বাধীনতার মাসে দেশের স্বাধীনতার ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা এই মানুষদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা।হয়তো এই প্রজন্ম তাদের এখনো মনে রেখেছে কিন্তু পরবর্তী প্রজন্মকে মনে রাখানোর দায়িত্ব টা আমাদের কাছেই।


তারা আমাদের শিখিয়েছে,"যদি দেশের জন্য কিছু করার সৎ উদ্দেশ্য থাকে তাহলে অন্যদের কাছে যেটা শুধু একটা খেলা বা বিনোদন মাত্র সেটা দিয়েও অনেক কিছু করা সম্ভব"


Hamza Bin Halim




টারজান ফে,রো,মো,ন,,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 টারজান ফে ;রো ;মো; ন ফাঁদ  : ফ্রুট ফ্লাই

❌ফসলে আর নয় কীটনাশক এর ব্যবহার। 

🦟🪰 মাছিপোকা ,ভোমর পোকা বা ফল ছিদ্রকারী পোকা দমনের কার্র্য্যকারী ফাঁদ। 

☎ Hotline : 01770 144199

 👨‍🎤এবার হবে স্বাস্থ্যসম্মত কীটনাশক মুক্ত সবজি ও ফল চাষ ।

 মাছি পোকা বা ফল ছিদ্রকারী পোকা কোনো কীটনাশকেই মরে না ।

 এই পোকা কে ফসলের যম বলে। 

 🌳🍎🍆সকল প্রকার  সবজি জাতীয় গাছের  জন্যঃ ( টারজান মিলন ফ্লাই)।

 বেগুন ,মিষ্টি কুমড়া ,ধুন্দল ,লাউ ,করলা ,শসা ,চিচিঙ্গা ,ঝিঙ্গা ইত্যাদি ।

🌳🥭🍒সকল প্রকার ফল জাতীয় গাছের  জন্যঃ টারজান (ফ্রুটস   ফ্লাই ফাঁদ)।

আম, লিচু, পেয়ারা, মাল্টা, কমলা, তরমুজ, লেবু, কামরাঙা, 'বাঙ্গী' ইত্যাদি।

 👉মাছি পোকা ,ফল ছিদ্রকারী পোকা দমনে ১০০% কার্যকরী সমাধান। 

👉টারজান ফে ;রো ;মো; ন ফাঁদ দিবে এবার বিষমুক্ত ফসল উপহার।

 ❌তাই আমরা না করি আর কীটনাশকের ব্যবহার।

 🏪আপনি ছাদে বাগান করছেন ?ফেরোমোন ফাঁদ ব্যবহার করুন। 

 🏡বিভিন্ন বাসা বাড়ির ছাদে যেখানে ফল ও সবজির চাষ রয়েছে সেখানেই খুব সহজে ব্যবহার করা যাবে।

 🤷‍♂️এই ফাঁদ ব্যবহার করা খুব সহজ। 

 👉কোন প্রকার সাবান পানি ব্যবহার করতে হয় না। 

 ফ্রিজে রাখতে হয় না। 

 👉কমপক্ষে ৬০ দিন সমান ভাবে পোকা মরবে।


চট্টগ্রাম শহরের ভিতর দর্শনীয় স্থান সমূহঃ(টিকেট ছাড়া),,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 যাদের প্রয়োজন তারা নোট রাখতে পারেন।

চট্টগ্রাম শহরের ভিতর দর্শনীয় স্থান সমূহঃ(টিকেট ছাড়া) 

১. পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত

২. গোল্ডেন বীচ পতেঙ্গা

৩. কাঠগড় সি-বীচ

৪. ১৫ নং নেভাল এভেন্যু

৫. চট্টগ্রাম বোট ক্লাব (শুধুমাত্র রেস্টুরেন্ট এর জন্য)

৬. বিমান বন্দর

৭. ফইল্লাতলী সাগরের পাড় ও ম্যানগ্রোভ বন (রানী রাসমনি বীচ)

৮. চৌচালা-বীচ (সীভিউ পার্ক)

৯. শুকতারা রিসোর্ট

১০. পোর্টের টোল সড়ক

১১. রেলওয়ে জাদুঘর

১২. ঝাউতলা আবহাওয়া ওফিস ও  ব্র্যাক এর পাহাড়

১৩.  বাটালী পাহাড় (বিজয় স্তম্ভ)

১৪. জিলাপী পাহাড়

১৫. সিআরবি পাহাড়

১৬. ডি সি হিল

১৭. কর্ণফুলী নতুন ব্রীজ

১৮. ফিরিঙ্গিবাজার ব্রীজ ঘাট/ফিসারী ঘাট (নৌ-ভ্রমন পিয়াসুদের জন্য)

১৯. জাতীয় সংঘ পার্ক (পাচলাইশ)

২০. বিপ্লব উদ্যান (২নং গেইট)

২১. সানসেট পয়েন্ট ভাটিয়ারী ও ভাটিয়ারী লেক

২২. ক্যাফে ২৪ ভাটিয়ারী

২৩. ঠান্ডাছড়ি পার্ক ও পিকনিক স্পট

২৪. ওয়ার সিমেট্রি 

২৫. অভয় মিত্রঁ ঘাট (প্রকাশ নেভাল ২)

 

 

চট্টগ্রাম শহরের ভিতর দর্শনীয় স্থান সমূহঃ(টিকেট/পারমিশন প্রয়োজন)

১. ফয়েজ লেক

২. চিড়িয়া খানা

৩. মিনি বাংলাদেশ

৪. কাজীর দেওরী শিশু পার্ক

৫. আগ্রাবাদ কর্ণফুলী শিশু পার্ক

৬. বাটারফ্লাই পার্ক

৭. ভাটিয়ারী গলফ ও কান্ট্রি ক্লাব (আর্মি পারমিশন প্রয়োজন)

৮. জাতিতাত্তিক জাদুঘর আগ্রাবাদ

৯. জিয়া সৃতি জাদুঘর, সার্কিট হাউস।

 

 শহরের কাছাকাছি একদিনের ভ্রমন এ যাওয়া সম্ভব এমন দর্শনীয় স্থান সমূহঃ

১. কাপ্তাই

২. রাঙ্গামাটি

৩. বান্দরবন

৪. সীতাকুণ্ড

৫. মুহুরি প্রজেক্ট ফেনী

৬. মহামায়া রবার ডেম প্রকল্প মিরসরাই

৭. সহস্র ধারা ঝর্না বড় দারোগাহাট, সিতাকুন্ড

৮. পারকি সমুদ্র সৈকত, আনোয়ারা

৯.  বাশখালী বামের ছরা ইকোপার্ক

১০. চকোরিয়া ডুলাহাজরা সাফারী পার্ক


[সংগৃহীত]০


মাটির নীচের গুপ্ত পথ (Lost of paradise),,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ময়মনসিংহের হারানো ইতিহাস!

 মাটির নীচের গুপ্ত পথ (Lost of paradise) 


ময়মনসিংহের গুরুত্বপূর্ণ জায়গা দখল করে আছে আলাপসিং পরগনা। এই পরগণার জমিদারদের মধ্য একজন ছিলেন মহারাজা সূর্য্যকান্ত আচার্য । 


সূর্যকান্ত আচার্য চৌধুরীর শাসনামলে ব্রহ্মপুত্র তীরবর্তী জনপদে যুক্ত হয়েছিলো সোনালি মাত্রা। প্রায় ৪১ বছর জমিদারি পরিচালনার প্রেক্ষাপঠে বহু জনহিতকর কাজ করেছেন তিনি। ময়মনসিংহে স্থাপন করলেন একাধিক নান্দনিক স্থাপনা। রাজরাজেশ্বরী জলকল। 


ঊনবিংশ শতকের শেষের দিকে ময়মনসিংহ শহরের কেন্দ্রস্থলে নয় একর ভূমির ওপর একটি অসাধারণ দ্বিতল ভবন নির্মাণ করলেন সূর্যকান্ত। নিঃসন্তান সূর্যকান্তের দত্তক পুত্র শশীকান্ত আচার্য চৌধুরীর নামে এই ভবনের নাম রাখা হলো শশী লজ। বিখ্যাত এই ভবনটি ১৮৯৭ সালের ১২ জুন গ্রেট ইন্ডিয়ান ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত হলে অত্যন্ত ব্যথিত হন সূর্যকান্ত আচার্য চৌধুরী। ১৯০৫ সালে ঠিক একই স্থানে নতুনভাবে শশী লজ নির্মাণ করেন পরবর্তী জমিদার শশীকান্ত আচার্য চৌধুরী। ১৯১১ সালে শশী লজের সৌন্দর্যবর্ধনে তিনি সম্পন্ন করেন আরও কিছু সংস্কারকাজ।


জমিদার সূর্যকান্ত মুক্তাগাছার জমিদারদের বংশধর।  কথিত আছে জমিদার সূর্য্যকান্ত তার প্রাসাদের নীচে একটি সুরঙ্গপথ তৈরী করে ছিলেন, যেটি দিয়ে তিনি মুক্তাগাছাসহ ময়মনসিংহ শহরের বাঁশবাড়ি ও ব্রহ্মপুত্রের পাড়ে যেতে পারতেন। অনুমান করা হয় সেই দীর্ঘ সুরঙ্গ বা গুপ্ত পথটি হয়তো এরকম ছিলো। কে জানে?


তথ্য : ভিডিও ইন্টারনেট থেকে..

এটার মতো হয়তো ছিলো আমাদের ময়মনসিংহের সুরঙ্গ। 

এটা প্রতিকী ভিডিও।


মাসিক বিল ছাড়া ডিস চ্যানেল দেখুন, বাংলাদেশি প্রায় সব চ্যানেল দেখতে পারবেন । কোন প্রকার মাসিক বিল দিতে হবে না ।,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🆓🆓🆓 মাসিক বিল ছাড়া ডিস চ্যানেল দেখুন,

বাংলাদেশি প্রায় সব চ্যানেল দেখতে পারবেন ।

কোন প্রকার মাসিক বিল দিতে হবে না ।

এটি ব্যবহারে যে সুবিধা গুলো পাবেন,

☑সকল চ্যানেল দেখতে চকচকে-ঝকঝকে,এবং HD কোয়ালিটি পিকচার, যা আপনার এলাকার ডিস লাইন দেখাতে পারবে না এরকম কোয়ালিটি পিকচার ।

☑ঝড় বৃষ্টি হলে আপনার এলাকার ডিসের ক্যাবল ছিরে যায় ফলে সেটি ঠিক না হওয়া পর্যন্ত চ্যানেল দেখতে পাননা । 

আর আমাদের সেটাপটি সরাসরি স্যাটেলাইট থেকে ক্যাবল বিহীন চ্যানেল রিসিভ করে দেখায় ।

আর এটি আপনার বাসাতেই সেটাপ করা থাকবে যার কারনে ঝড় বৃষ্টি হলেও চ্যানেল দেখতে কোন সমস্যা হবে না ।

☑Live recording option থাকায় যেকোন পোগ্রাম রেকর্ড করে পরে আবার দেখতে পারবেন ।

☑এছারা অনেক আরো সুবিদা রয়েছে । 


যে চ্যানেল গুলো দেখতে পারবেন,

SA TV HD,

Asian TV HD,

Bijoy TV HD,

Boishakhi TV HD,

Channel 24 HD,

RTV HD,

Nexus TV HD,

ATN Bangla,

Bangla TV HD,

Bangla Vision HD,

channel i HD,

ekattor TV HD,

Global TV HD,

Gaan Bangla HD,

NTV,

DBC News HD,

News 24 HD,

Desh TV,

Mohona TV HD,

ATN News HD,

Ananda TV,

Ekushe TV,

Jomuna TV,

My TV HD,

Deepto TV HD,

Channel 9 HD,

SOMOY TV HD,

Independent tv,

Maasranga TV HD,

Madani TV bangla HD,

BTV National HD,

BTV World,

BTV Chattagram,

SANGSAD BANGLADESH

এছাড়া ku band LNB নিয়ে ভারতীয় 150 টি ফ্রি চ্যানেল এর সাথে দেখতে পারবেন এর জন্য কোন প্রকার মাসিক টাকা লাগবে না ।

⏩সিরাজগঞ্জ, পাবনা, নাটর, নওগা, বগুরা, গাইবান্ধা, টাংগাইল, জামালপুর, সেরপুর, ময়মনসিংহ, গাজিপুর, ঢাকা, নারায়ণগন্জ, নরসিংদী, 

এই জেলাগুলাতে বাসায় গিয়ে সেটাপ করে দেয়া যাবে ।

তবে এর জন্য আলাদা সার্ভিস চার্জ যোগ হবে । 

আর এই জেলা গুলোর বাহিরে যারা আছেন তারা কুরিয়ারে মাধ্যমে সেটাপটি নিতে পারেন ।

এর জন্য আপনাকে কুরিয়ার খরচ বাবদ 400 টাকা এডভান্স করতে হবে ।

⏩আপনি যদি সেটাপ করতে না পারেন । এ ক্ষেত্রে 

বুকিং দেয়ার আগে আমরা প্রায় ৮০% সেটাপের কাজ করে দিবো । 

⏩তা ছারাও সরাসরি কল এবং imo অথবা whatsapp ভিডিও কলে সেটাপ বিষয়ে সহযোগিতা পাবেন।

📦 এই প্যাকেজের সাথে যা যা পাবেন,

📡ডিস এন্টেনা 4 ফিট সাইজ(SDS company)

🔦LNB C band (SE company)

📼রিসিভার (Echolink 7777 HD)

🔧Canector 2 টি

ফুল প্যাকেজ মূল্য= 6500 টাকা

সিরাজগঞ্জ ডিস সপ

কল 01628-547572



গাছের পাতা কুকড়ে যায়??,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 গাছের পাতা কুকড়ে যায়??


অনেকেই মরিচ,টমেটো, শিম, বরবটি পেপে বা অন্যান্য  গাছের পাতা কোকড়ানো এর

 জন্য কাংখিত ফলন পান না তাদের জন্য কার্যকরী কীটনাশক। ১০০% পরীক্ষিত।  


মূলত থ্রিপিস, সাদা মাছি পোকা ও মাকড়ের আক্রমণ হলে এমন হয়।


আক্রমণ রোধে ইমিডাক্লোপিড গ্রুপের কীটনাশক ইমিটাফ

এবামেক্টিন গ্রুপের কীটনাশক ভেকটিন ব্যবহার করলে ভাল ফলাফল পাওয়া যায় ।


ব্যবহারবিধিঃ ১ লিটার পানিতে ইমিটাফ. ০.৫ মিলি(হাফ মিলি) ও ভেক্টিন ১ মিলি  একসাথে মিশিয়ে স্প্রে করে দিবেন সব গাছে পাতায় বিকালে বা রাতে। দুইটা এক সাথেই দিতে হবে। 


আক্রান্ত গাছে পাতায় ৩  দিন পর পর কয়েকবার  স্প্রে করে দিবেন।

সুস্থ্য হলে  প্রতি ১৫ দিন পর পর নিয়মিত একবার  স্প্রে করে দিবেন। তাইলে আর কোকড়াবে না। 


🔴দামঃ ইমিটাফ ১০০ টাকা

             ভেকটিন ১০০ টাকা।


লোকেশন অনুযায়ী ডেলিভারি চার্জ।




ত্রিদ্রাঙ্গভিটি (Tridrangaviti) লাইট হাউজ।,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 মাঝ সমুদ্র  এটি হচ্ছে পৃথিবীর অন্যতম বিচ্ছিন্নতম লাইট হাউজ !


ত্রিদ্রাঙ্গভিটি (Tridrangaviti) লাইট হাউজ।


 আইসল্যান্ডের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূল থেকে 4.5 মাইল দূরে ভেস্টমানেজার দ্বীপপুঞ্জে পাথরের উপর অবস্থিত একটি বাতিঘর , যা প্রায়শই বিশ্বের সবচেয়ে বিচ্ছিন্ন বাতিঘর হিসাবে বর্ণনা করা হয়।


ত্রিদ্রাঙ্গভিটি, লাইট হাউজে শুধুমাত্র হেলিকপ্টার দ্বারা প্রবেশযোগ্য।

লাইট হাউস টি, সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে  110 ফুট উপরে অবস্থিত।


বাতিঘর বা লাইট হাউজ হচ্ছে এমন এক ধরনের সুউচ্চ মিনার আকৃতির দালান যা থেকে বিশেষ ব্যবস্থায় আলো ফেলে সমুদ্রের জাহাজের নাবিকদের দিক নির্দেশনা দেয়া হয় এবং সেই সাথে সমুদ্রের অগভীর অঞ্চল সম্পর্কে নাবিকদের সতর্ক করতে বাতিঘর ব্যবহার করা হয়।


Photographer: Ernie Seberg

Source: Wikipedia



কুরআনের সব শব্দ ছোট ২টি বইয়ে,,,ফেইসবুকর বিজ্ঞাপন

 কুরআনের সব শব্দ ছোট ২টি বইয়ে


যারা কুরআন পড়ে সরাসরি আরবি থেকে এর অর্থ বুঝতে চান, তাদের জন্য এই প্যাকেজটি।


✅বইটি সেল্ফ লার্নিং পদ্ধতিতে সাজানো হয়েছে। 

✅হিফজ ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কুরআন/আরবি শেখানোর পাঠ্য হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে। 

✅‘শতভাগ কুরআনের ভোকাবুলারি, লেভেল ১’ বইটি আমাদের প্রায় ১০০০ (কুরআনের প্রায় ৮০% শব্দ)

✅আর লেভেল-২ এ নতুন আরও ৩৮০০ শব্দ শেখা যাবে। যার মাধ্যমে আমরা কুরআনের প্রায় শতভাগ শব্দ জানতে পারবো। 

✅প্রতিটি আরবি শব্দের বাংলা অর্থ দেওয়ার পাশাপাশি ঐ শব্দটি দ্বারা কুরআনের একটি আয়াত অর্থসহ দেয়া হয়েছে। 

✅কুরঅনের অব্যয়, সর্বনাম, বিশেষ্য ও ক্রিয়া আলাদা আলাদাভাবে বিন্যাস করা হয়েছে। 

✅প্রতিটি পাঠের পরে পাঠ চর্চা এবং কয়েকটি পাঠ শেষে ‘নিজেকে যাচাই করি’ মূল্যায়ণ ব্যবস্থা রয়েছে। 

✅ক্রিয়ার বিভিন্ন প্রয়োগ দেখানো হয়েছে।


'শতভাগ কুরআনের ভোকাবুলারি প্যাকেজ' এর লিংক: https://www.wafilife.com/?p=795765


পাগলা পুল বা মোগল আমালের সেতু, নারায়নগঞ্জ,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 পাগলা পুল বা মোগল আমালের সেতু, নারায়নগঞ্জ

===============================


পাগলা সেতু  একটি মুগল স্থাপত্যের ধ্বংসাবশেষ যা ঢাকার ৪.৫ কিমি পূর্বে পাগলার ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সড়কে অবস্থিত। সেতুটি সম্ভবত ১৬৬০ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট আরঙ্গজেবের সময় বাংলার সুবাদার মির্জা মওলার (মীর জুমলা) আমলে শীতালক্ষ্যা-বুড়িগঙ্গা নদীর সংযোগ স্থল দুলাই নদীর উপর নির্মিত হয়। মীর জুমলা তাঁর আসাম অভিযানের সময় সেতুটি নির্মাণ করেন।

১৬৬৬ সালে ট্যাভারনিয়ার যখন ঢাকায় এসেছিলেন তখন লিখেছিলেন ভাটিতে আছে আরেকটি নদী পাগলা। 


নদীর ওপর আছে সুন্দর একটি পুল, যা তৈরি করেছিলেন মীর জুমলা। তিনি আরো লিখেছিলেন, নদীর দুই পাশে ছিল বেশকিছু টাওয়ার, যেখানে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল ডাকাতদের কাটা মুণ্ড।


১৮২৪ সালে কলকাতার লর্ড বিশপ হেবার, পাগলা পুলের সৌন্দর্যের খ্যাতি শুনে তা দেখতে গিয়েছিলেন। কিন্তু তখন তা পরিণত হয়েছিল প্রায় ধ্বংসস্তূপে। এখনো নদীর তীরে পুলের একটি অংশ পড়ে আছে।


ঢাকার এগারোতম মোগল সুবেদার মীর জুমলা পাগলা পুলটি নির্মাণ করেন। ড'য়লির আঁকা ছবি থেকে এ সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। শক্রদের ওপর নজর রাখার জন্য এতে 'পর্যবেক্ষণ টাওয়ার' যুক্ত ছিল। অ্যাটকিনসন জানান, 'পুলের জায়গাটিতে এক ধরনের আলো-ছায়ার খেলা দেখা যায়। 


দূরের ঢাকার ইউরোপিয়ান অধিবাসীদের সাদা ঘরবাড়িতে সূর্যের আলো ঠিকরে পড়ে যে উজ্জ্বলতার সৃষ্টি করে, তার সঙ্গে পুল ও পুলের নিকটবর্তী ভূমির ছায়া মিলে অদ্ভুত এক ভাবপ্রবণ দৃশ্যের অবতারণা করে।'


সূত্র : ড'য়লির ঢাকা, রিদওয়ান আক্রাম









বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...