এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ৪ মে, ২০২৪

বিবাহিত ভাইবোনেরা অবশ্যই পড়বেন।

 বিবাহিত ভাইবোনেরা অবশ্যই পড়বেন।💝


বিয়ের পর দয়া করে স্বামী-স্ত্রী বেশিদিন দূরে থাকবেন না। বিশ্বাস করুন ভালো থাকার জন্য অনেক বেশি টাকার দরকার একদম-ই নেই | দরকার আপনার ভালোবাসার |

.

জীবন থেকে যে একটা সেকেন্ড চলে যায় সেটা আমরা আর কখনো ফিরে পাই না | আর আপনি বছরের পর বছর স্ত্রী, সন্তান রেখে বহুদূরে পরে আছেন!

.

এই কি জীবন? কোথায় সুখ? কোথায় আপনার স্ত্রীর জন্য ভালোবাসা? কোথায় সন্তানের জন্য স্নেহ?

.

হ্যাঁ, টাকা-পয়সা জীবনে অনেক দরকার কিন্তু; ভেবে দেখেন তো সারাদিনে ৩০০ টাকা রোজগার করা মানুষটা যখন দিনশেষে বাসায় ফিরে তার সামনে পানি দেওয়ার জন্য একজন মানুষ আছে, সে রাতে তার স্ত্রী, সন্তানদের পাশে ঘুমাতে পারে, তার অসুস্থতায় তার স্ত্রী তাকে সেবা করে, তার সন্তান দূর থেকে তাকে দেখে দৌড়ে এসে কোলে ওঠে |

.

কোনো নারীর জীবন থেকে এমন সময় কেঁড়ে নিবেন না যে সময়টায় সে শুধু আপনাকে কাছে চায় |

.

বাইরে গেলে যখন তার চোখে পরে পাঞ্জাবি পরা কোনো এক ছেলে তার প্রিয়তমার হাত ধরে রাস্তা পার করে দিচ্ছে, তখন আপনার স্ত্রীর ভেতর থেকে দীর্ঘশ্বাস বের হওয়া ছাড়া আর কিছু-ই করার থাকে না |

..

আপনি সারাদিন মাথার ঘাম পায়ে ফেলে টাকা রোজগার করে বউকে দামী শাড়ি আর গহনা-ই পরিয়ে গেলেন | কিন্তু যে সময়গুলো আপনারা হারিয়েছেন সেটা আর আসবে না কোনোদিন | উত্তপ্ত প্রেম টাকার তলায় চাপা দিয়ে দিলেন |

.

আপনার সন্তান যখন রাস্তায় দেখে কোনো বাবা তার ছেলেকে রঙিন বেলুন কিনে দিচ্ছে, তখন সে আপনাকে খোঁজে |

.

সন্তান যখন দেখে তার বয়সী বাচ্চা তার বাবার হাত ধরে মাদ্রাসা/স্কুলে যাচ্ছে তখন সে আপনাকে খুব মিস করে|

সন্তানের জন্য মাসে এতো হাজার টাকা না পাঠিয়ে হাত ধরে মাদ্রাসা/স্কুলে দিয়ে আসুন |

.

সে আপনার আদর্শে বড় হবে |


তখন সে আপনার কাছে ৫ টাকার প্রয়োজনে ১০ টাকা চাইবে না | বরং ১০ টাকার কাজ টা ৫ টাকায় মিটমাট করার চেষ্টা করবে |

.

কাজের চাপে আপনি সারাদিনে বউকে মনে করার তেমন সময়ও পান না অনেক সময় | এদিকে দুপুরের নাওয়া-খাওয়া শেষ করার পর আপনার স্ত্রীর অলস বিকালে আর সন্ধ্যা নেমে আসতে চায় না |

জানালা দিয়ে সে বাইরে তাকিয়ে দূরের ঐ নীল আকাশে রং বেরঙের কত কী দেখে | দেখে না শুধু আপনাকে |

.

মাঝরাতে ঘুম ভাঙার পর বাম পাশে আপনাকে না পেয়ে বুকে আকাশ সমান বোঝা নিয়ে আপনার স্ত্রী ঘুমিয়ে যায় | এভাবেই আপনার বয়স ৫০ পেড়িয়ে যাবে, স্ত্রীর চোখ ধূসর হয়ে আসবে |

.

হলো না আপনাদের কদম হাতে বৃষ্টিতে ভেজা

আর হলো না আঁকাবাকা রাস্তায় পা মিলিয়ে সামনে হাটা হলো না | সন্তান বুকে নিয়ে ঘুমানো|

.

হলো টাকার পাহাড়, বিষের পাহাড়, বিষাদের পাহাড় | যার চাপায় পিষে যাবে কতগুলো রঙিন স্বপ্ন, পিষে যাবে স্ত্রীর প্রেম, খসে যাবে আপনার যৌবন |



নারকেল চাষে নতুন হুমকি সাদা মাছির দমন ব্যবস্থাপনা।

 নারকেল চাষে নতুন হুমকি সাদা মাছির দমন ব্যবস্থাপনা।

-----------------------------------------------------------------

বিভিন্নস্থানে নারকেল গাছে ব্যাপক আকারে সাদা মাছির আক্রমণ দেখা দিয়েছে। এতে রাতারাতি পাতা সাদা হয়ে যাচ্ছে। ছোট হচ্ছে নারকেলের আকার। ভেতরের পানি শুকিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এটি কোন পোকা-মাকড়ের আক্রমণ না। এটিকে সাদা মাছি বলা হয়।


ইংরেজিতে এই সাদা মাছিকে ‘Rugose Spiralling Whitefly’ অথবা সংক্ষেপে ‘আরএসডব্লিউ (RSW)’ (বিজ্ঞানসম্মত নাম: Aleurodicus rugioperculatus Martin) বলা হয়। বাংলায় একে সাধারণভাবে ‘নারকেলের সাদা মাছি’ বলতেই পারেন। যেহেতু, এই প্রজাতিটি বিজ্ঞানী মহলের কাছে বেশ নতুন, ফলে এদের সম্বন্ধে খুব বেশি তথ্য এখনো পর্যন্ত জানা যায়নি। এর আদি নিবাস অবশ্য মধ্য আমেরিকা। উত্তর আমেরিকার বেশ কিছু কীট বিশেষজ্ঞ এদের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য এবং অন্যান্য বিষয়ের উপর জানার জন্যে নিরন্তর গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন।


সাদা মাছি সনাক্তকরণ:


পাতার নিচের অংশ থেকে রস শুষে খেয়ে ফসলের প্রভূত ক্ষতিসাধন ছাড়াও এরা অনর্গল ‘হানি ডিউ’ অথবা আঠাল মধুর ন্যায় মিষ্ট তরল নিঃসরণ করতে থাকে। এই ‘হানি ডিউ’ আশে পাশের এবং নিচের পাতায় পড়ার পর তার উপর ‘ব্ল্যাক শুটি মোলড’ বা কালো রঙের ছোপ বিশিষ্ট ছত্রাক বাসা বাঁধে। এর ফলে গাছের পাতার উপরিভাগ সম্পূর্ণ কালো আস্তরণে ঢেকে যায় এবং তা গাছের সালোকসংশ্লেষন প্রক্রিয়ায় বাঁধা প্রদান করে।


নারকেলের সাদা মাছির পূর্ণাঙ্গ দশা সাধারণ সাদা মাছির তুলনায় ৩ গুণ (প্রায় ২.৫ মিলিমিটার) বড় হয় এবং এরা বেশ অলস প্রকৃতির। একটি পূর্ণাঙ্গ মাছির ডানার রঙ সাদা হয় এবং অগ্রভাগের ডানায় হালকা বাদামী রঙের ছোপ দেখতে পাওয়া যায়। পুরুষ মাছির দেহের নিম্নভাগে সাড়াশির ন্যায় গঠন দেখতে পাওয়া যায়।


সাদা মাছি নিয়ন্ত্রণ করার কৌশল:


» যেসব পাতায় কালো ছোপ বা ‘Black Sooty Mould’ রয়েছে, সেখানে ১% স্টার্চের দ্রবণ স্প্রে করুন। স্টার্চ শুকিয়ে গেলে তা পাঁপড়ের মত কালো ছোপ গুলি সমেত উঠে আসবে।


» বাগানে প্রতি নারিকেল গাছে হলুদ রঙের আঠালো ফাঁদ বা Yellow Sticky Trap ব্যবহার করুন।


» বাগানে বন্ধু পোকা/natural predator চাষাবাদ করতে হবে।


» প্রকোপ খুব বেশি হলে পাতায় এবং গাছের কাণ্ডে ০.৫% নিম তেলের মিশ্রণ স্প্রে করতে পারেন।


» যেহেতু, এটি নতুন ধরনের একটি কীট, তাই কোনভাবেই একই কীটনাশক বার বার ব্যবহার করা যাবে না। একই রাসায়নিক বারংবার ব্যবহার করলে এরা সহজেই তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে। তার ফলে পরবর্তীকালে তাদের নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়তে পারে। যদি, নিম তেল প্রয়োগে একান্তই সুফল না পাওয়া যায়, তবে এই নিম্নলিখিত, রাসায়নিকের মিশ্রণ যেমন-

Acephate ৫০ + Imidacloprid ১.৮ SP (১ মিলিলিটার/লিটার পানি), Buprofezin ১৫ + Acephate ৩৫ WP (১ মিলিলিটার/ লিটার পানি) অথবা Thiamethoxam ১২.৬ + Lambda cyhalothrin ৯.৫ ZC (০.৫ মিলিলিটার/ লিটার পানি) তরল সাবান সহযোগে ব্যবহার করতে পারেন।


যেহেতু নারকেল গাছ অনেক লম্বা। এ কারণে ফুট পাম্পের মাধ্যমে স্প্রে করতে হয় এবং সব গাছে একসঙ্গে করতে হয়। আসলে এটি ভালভাবে দমন করতে হলে সমন্বিত বালাই দমন ব্যবস্থার মাধ্যমে দমন করা দরকার।


সকাল ০৭ টার সংবাদ তারিখ: ০৪-০৫-২০২৪

 সকাল ০৭ টার সংবাদ

তারিখ: ০৪-০৫-২০২৪


সংবাদ শিরোনাম:


‘শান্তির সংস্কৃতি’ সংক্রান্ত বাংলাদেশের প্রস্তাব জাতিসংঘে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত -সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় বাংলাদেশের সাফল্যের প্রশংসায় যুক্তরাষ্ট্রের ‘নেসা সেন্টার’।


দীর্ঘ ছুটি শেষে মাধ্যমিক স্কুল খুলছে আজ, প্রাথমিক বিদ্যালয় আগামীকাল।


চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ ১২ই মে।


সরকারকে চাপে ফেলতে গিয়ে বিএনপি নিজেরাই চাপে আছে - বললেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক।


রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে আন্তর্জাতিক আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার দ্রুত নিষ্পত্তিতে আশাবাদী বাংলাদেশ ও গাম্বিয়া।


গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে পৌঁছুতে ইসরাইল ও হামাসের প্রতি পুনরায় আহ্বান জানালেন জাতিসংঘ প্রধান।


গতরাতে চট্টগ্রামে প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে ৮ উইকেটে হারিয়েছে বাংলাদেশ।

কতটুক বাচবেন!

 কতটুক বাচবেন!

- ৬০ বছর? বড়জোর ৭০ নাহয় ৭৫ বছর! খুব লাকি হলে ৮০+!

এক বছরে ৩৬৫ দিন হয়! প্রতিদিনে ৮৬৪০০ সেকেন্ড! 


খুব বেশি সময় নিয়ে আসেননিতো!

টিক টক করে করে সেকেন্ড কিন্তু চলে যাচ্ছে! 

টুপ করে হাতে জমে থাকা সব সেকেন্ড শেষ হয়ে আসবে একদিন! 


একজন মানুষের কাছে যখন কয়েকশো কোটি টাকা থাকে তখন তাকে টাকার বিলাসিতা মানায়! যার কাছে কয়েকশো টাকা আছে তাকে কিন্তু টাকার বিলাসিতা মানায়না!

আপনার আয়ু যদি কয়েক হাজার বছর হতো তাইলে সময়ের বিলাসিতা আপনাকে মানাতো! 

এতো অল্প আয়ুতে মন খারাপ, কষ্ট, পচা ব্যাপারস্যাপার গুলোতে সময় নষ্টের সুযোগ কই!?


ফ্যামিলিকে সময় দিন, ভালো বই পড়ুন, টুক করে বেড়িয়ে আসুন চমৎকার কোন জায়গায়! রাত জেগে আকাশ দেখুন! ভোরের সূর্যোদয় দেখুন! 

সন্ধ্যায় পাখিরা কিভাবে ঘরে ফেরে সেটা দেখুন!

নদীর ঢেউ অনুভব করুন!


ভরা পূর্ণিমাতে এবং ভরা অমাবস্যায় তীব্র জোয়ারে ফুসে ওঠা সাগরকে দেখুন! 

প্রতিদিন সময় করে আধাঘন্টা কোন শিশুবাবুর সাথে থাকুন! নিষ্পাপ আনন্দের ঔচ্ছল্য দেখুন! 

স্রষ্টাকে স্মরণ করুন!


পৃথিবী কতো সুন্দর সেটা ফীল করুন!

নি:শ্বাস কতোটা সুন্দর সেটা অনুভব করুন!


চমৎকার একটা কথা আছে জানেনতো?

- Don't count the days, make the days count!!  😊


হ্যাপ্পি লাইফিং..


সংগৃহীতঃ জয়ন্তী ভারতী❤️

অদ্ভুত লীলাখেলা

 নিজের রুমে বসে আছি হঠাৎই রান্নাঘরে আমার ভাবী আমার স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বললেন,

-শোনো! তোমাদের লজ্জা হওয়া উচিৎ এভাবে অন্যের উপর বসে বসে খাওয়ার কারণে। তোমার স্বামীতো কিছু করেইনা উল্টো সারাদিন বখাটে ছেলেপেলেদের মতো টই টই করে ঘুরে বেড়ায়। আর কত দিন এভাবে খাবে? আমার স্বামীতো আর তোমাদের জন্য বস্তা ভরে কামাই করে না তাইনাহ? তুমি তোমার স্বামীকে বুঝিয়ে বলবা একটু। জায়গা জমির ভাগ পেয়েছে বলেই যে অন্যের কামাই খাবে এটা কেমন কথা? তোমরা আলাদা হয়ে যাও নয়তো আমরাই আলাদা হয়ে যাবো। বুঝছো?

ভাবীর এমন কথায় রাইসা বেশ ইতোস্তত ভঙ্গিতে বললো,

-না না ভাবী! আপনারা কেন আলাদা হবেন? বড় ভাইয়া সেই তরুণ বয়স থেকে এই বাড়ির প্রতিটি মানুষকে নিঃস্বার্থভাবে দেখে এসেছে। সেই হিসেবে আপনারাই এই বাড়ির উপযুক্ত অংশীদার। আপনি একদম চিন্তা করবেন না, আমি আপনার দেবরকে অচিরেই একটি চাকরী না হোক অন্ততঃপক্ষে একটি কাজ হলেও করতে বলবো। আর আমারও লজ্জা হয় এভাবে অন্যের উপর বসে বসে খেতে। চিন্তা করবেন না কিছুদিনের মধ্যেই আমরা আলাদা হয়ে যাবো।

ভাবী কিছুটা নাক শিটকানো ভঙ্গিতেই বললেন,

-হুম তাই যেন হয়।

.

আমি এই ঘর থেকে তাঁদের কথোপকথন শুনে আমার মনের মধ্যে প্রবল জেদ চেপে বসলেও সেটা বাহিরে প্রকাশ করার আর সাহস পেলাম না। কারণ এমনিতে ভাবীতো ঠিকই বলেছেন যে আমি কোনো কাজ করিনা তবে একটি চাকরীর জন্য যে কম চেষ্টা করে যাচ্ছি তাও কিন্তু মিথ্যে নয়। তাছাড়া এভাবে প্রতিনিয়ত আমার স্ত্রীর অপমানিত হওয়াতে আমার মনেও বারবার কড়া নাড়ে। 

ভাবীর কাছ থেকে এমন অপমানজনক কথা শুনে প্রত্যেক মেয়েরই তাঁর স্বামীর প্রতি ভয়ঙ্কর রাগ ঝাড়ার কথা ছিল কিন্তু অবাক করা বিষয় হল রাইসা রান্নাঘর থেকে আমাদের রুমে এসে নির্লিপ্ত ভঙ্গিতে গোসলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। আমার মনে হল এতক্ষণ যাবৎ ও ভাবীর মুখ থেকে যেই কথাগুলো শুনলো সেগুলো সে গায়েই মাখেনি। নিরবতা ভেঙ্গে আমি বললাম,

-ভাবী কি বললো তোমাকে?

রাইসা জানে ভাবীর সমস্ত কথাই আমি শুনেছি তবুও সে আলনার কাপড়গুলো গোছাতে গোছাতে বললো,

-কি আর বলবে? প্রতিদিন যা বলে সেটাই বলেছে।

-তোমার খারাপ লাগেনা এসব শুনলে?

-লাগে মাঝেমধ্যে তবে স্বামীর অসহায়ত্বটাও তো দেখতে হবে তাইনাহ? তুমিতো চাকরির জন্য চেষ্টা করছোই, যদি না করতে তবে বেশি খারাপ লাগতো।

মেয়েটির এমন কথায় আমি ওর মুখের দিকে অবাক নয়নে তাকিয়ে থাকি এবং প্রতিবারই মনে হয় প্রভু হয়তো ওকে এক্সট্রা কোনো উপকরণ দিয়েই তৈরি করেছেন। রাইসার মতো এতোটা ধৈর্য্যশীল মেয়ে বাস্তব জীবনে আমি খুব কমই দেখেছি।

.

আমি তখন সবে অনার্স সেকেন্ড ইয়ারে পড়ি। আমার বাবা মারা গিয়েছিলেন আমার শিশুকালেই আর সেই থেকেই আমার বড় ভাই আমাদের মা ছেলের এই ছোট্ট সংসারের হাল ধরেছিলেন।

আমার মা যখন মুমূর্ষু অবস্থায় বিছানায় পরেছিলেন তখনই তিনি বড় ভাইয়ের কাছে এক অনাকাঙ্ক্ষিত আবদার করে বসেন। মায়ের ইচ্ছা ছিল মৃত্যুর আগে আমার বিয়ে দেখে যাওয়া কিন্তু অমন ছাত্রাবস্থাতে এই যুগে বিয়ে করাটা স্বাভাবিকভাবেই সমাজের শিক্ষিত মানুষের নিকট চোখে বিঁধে যাওয়া কাঁটা বৈকি কিছু নয়। তবুও আমার হাজারো অনিচ্ছাসত্ত্বেও বড় ভাইয়া অনেক খোঁজাখুঁজির পর রাইসার মতো এমন নমনীয় মনের অধিকারী মেয়েকে আমার বউ বানিয়ে আনেন। যদিও কোনো পরিবারই এমন অপরিপক্ব অনার্স পড়ুয়া ছেলের কাছে নিজেদের মেয়েকে সমর্পণ করতে চাননি কিন্তু আমার স্ত্রীর বাবা না থাকায় ওর পরিবার অনেকটা সুযোগ সন্ধানীর মতোই নিজেদের মেয়েকে এবাড়িতে বউ রূপে পাঠিয়ে দেন।

আমার মা মারা যাওয়ার পর থেকেই আমাদের প্রতি ভাবীর হিংসা বিদ্বেষ ক্রমেই বাড়তে থাকে। কারণ একেতো আমি কোনো কাজ করিনা এরমধ্যে আবার বড় ভাইয়ের উপর বসে বসে আমি এবং রাইসা ফ্রিতেই খাচ্ছি। স্বভাবতই এগুলো কোনো নারীই মেনে নিবে না সেখানে ভাবীর কথাতো বাদই দিলাম। 

.

রাতে আমি আর রাইসা নিজেদের রুমে বসে গল্পগুজব করছি হঠাৎই ভাইয়ার রুম থেকে চিৎকার চেচামেচির আওয়াজ শুনে দুজনেই কানটা একটু খাঁড়া করলাম। যতটুকু বুঝতে পারলাম যে ভাবী আমাদের ব্যপারেই ভাইয়ার সাথে ঝগড়া করছে। একপর্যায়ে ভাইয়া ঝগড়ার মাঝেই ভাবীর গালে চড় বসিয়ে দিলেন। অবস্থা ক্রমেই বেগতিক হচ্ছে দেখে আমরা আর একমুহূর্ত দেরী না করে তাঁদের রুমে পাড়ি জমাই। আমাদের দেখে ভাবীর রাগের মাত্রাটা বোধহয় আরো একটু বাড়লো। তিনি অনেকটা আক্রোশ কন্ঠেই আমাদের শুনিয়ে শুনিয়ে ভাইয়াকে বললেন,

-তোমার ভাই আর ভাইয়ের বউয়ের প্রতি যখন এতোই দরদ উতলিয়ে পরছে তবে তাঁদের নিয়েই তুমি এবাড়িতে থাকো। আমি কালই বাপের বাড়িতে চলে যাবো।

এই বলেই যখন তিনি রুম থেকে বের হতে যাবেন তখনই রাইসা তাঁর হাত ধরে থামাতে গিয়েও ব্যর্থ হল। তিনি অনেকটা ঝাড়ি দিয়েই রাইসার হাতটি ছুটিয়ে হনহন করে বের হয়ে গেলেন।

এমন পরিস্থিতি দেখে আমি ভাইয়াকে শান্ত স্বরে বলে উঠলাম,

-ভাইয়া, আমি একটা কাজ পেয়েছি। কালই রাইসাকে নিয়ে অন্যত্র পাড়ি জমাবো। তুমি আর চিন্তা করোনা এসব নিয়ে।

-ধুর কি বলিস! তোর ভাবীর কথায় কি সবকিছু হবে নাকি। এই বাড়িতে আমার যেমন অংশীদারিত্ব আছে তেমনি তোরও আছে। তুই এখানেই থাকবি ও যা বলার বলুক।

-থাক, আমরা চাইনা আমাদের কারণে তোমাদের মধ্যে কোনো অশান্তির সৃষ্টি হোক। আর এই বাড়িতে আমার অংশীদারিত্ব আছে সেটা আমি অস্বীকার করছি না তবে তুমি এই পর্যন্ত আমাদেরকে যেভাবে নিঃস্বার্থভাবে দেখে এসেছো সেই তুলনায় এই বাড়িতে তোমাদের থাকার যৌক্তিকতাটুকুই বেশি। আমরাতো মাঝেমধ্যেই বেড়াতে আসবো। তুমি একদম চিন্তা করবেনা আমাদের নিয়ে।

সেদিন ভাইয়াকে অনেক আত্মবিশ্বাস নিয়ে কথাগুলো বললেও পরবর্তীতে বাড়ি ছেড়ে চলের আসার পর বাস্তবতার কাঠিন্যতার মাঝে ভালোই আটকে গিয়েছিলাম। একজন শিক্ষিত ছেলের সিএনজি চালানোটা যে কতটা অপমানজনক ছিল সেটা আমি খুব ভালো করেই বুঝতে পারতাম। তবুও কোনো কাজই অসম্মানের নয় এই ধারণা মনে পুঁষে রেখে এবং আমার স্ত্রী এই অসহায়ত্বের মাঝেও আমার পাশে থাকায় নিজের মনে এক অন্যরকম প্রশান্তি অনুভব করতাম। তবে এতোকিছুর মাঝেও আমাদের সংসারে সুখের কোনো কমতি ছিল না। একটা সময় প্রভুর কল্যাণে আমি বেশ ভালো বেতনের একটি চাকরিও পেয়ে যাই। সেদিন আমার মনে হয়েছিল ভালো কিছু পেতে হলে অবশ্যই পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই।

.

অফিস থেকে বাসায় ফিরেছি হঠাৎই ভাইয়ার নাম্বার থেকে কল আসলো। রিসিভ করতেই অপরপাশ থেকে কান্নামিশ্রিত কন্ঠে আমার ভাবী বলে উঠলেন,

-তুমি তাড়াতাড়ি ঢাকা মেডিকেলে চলে আসো। তোমার ভাইয়া এ্যাক্সিডেন্ট করেছেন। প্লিজ তাড়াতাড়ি আসো।

ভাবীর কথা শুনে আমি অনেকটা নাওয়া খাওয়া ভুলেই আমার স্ত্রীকে নিয়ে ঢাকা মেডিকেলে রওয়ানা দেই।

শেষপর্যন্ত অজস্র চেষ্টা করার পরেও ভাইয়াকে বাঁচাতে পারিনি। ভাইয়ার এভাবে অকাল মৃত্যুতে স্বভাবতই আমার কষ্টের মাত্রাটা বেশ তীক্ষ্ণই ছিল বটে। আমার স্ত্রীও যে একমাত্র ভাসুরের এমন মৃত্যুতে কষ্ট লোপণ করেনি তাও কিন্তু নয়। ভাবী বারবারই অতি শোকে মূর্ছা যাচ্ছিলেন আর আমার দুই ভাতিজিও বাবার এমন মৃত্যুতে কাঁদতে কাঁদতে চোখের অবশিষ্ট জলটুকুও খুইয়ে ফেলেছিল।

.

ভাইয়ার মৃত্যুর দুইমাস চলে গেছে এমনকি এখন পরিস্থিতিটাও বেশ স্বাভাবিক হয়ে গেছে। আজ রাতে যখন ঘুমানোর প্রস্তুতি নিবো ঠিক তখনি রাইসা আমাকে বলে উঠলো,

-শোনো, ভাবী আজ কল দিয়েছিল।

-কেনো?

-না মানে সিমুর স্কুলের কয়েকমাসের বেতন নাকি বকেয়া রয়ে গেছে। ওর বেতন না দিলে নাকি স্যারেরা পরীক্ষা দিতে দিবেনা তাই তোমার কাছে কিছু টাকা চেয়েছিল ধার হিসেবে।

আমি কিছুক্ষণ চুপ থেকে বললাম,

-কাল বিকাশে পাঠিয়ে দিও।

.

এর কিছুদিন পর হঠাৎই এক অচেনা নাম্বার থেকে আমার ভাতিজি আমাকে ফোন দিয়ে বললো,

-চাচ্চু! এক লোক আমাদের বাসার সবকিছু নিয়ে যেতে এসেছে। ঐ লোক নাকি আম্মুর কাছে টাকা পেত, তুমি তাড়াতাড়ি আসো।

ভাতিজির ফোন পেয়ে নিজেকে আর স্থির রাখতে পারলাম না বরং তৎক্ষনাৎ রাইসাকে নিয়ে সেখানে রওয়ানা দিলাম। উপস্থিত হতেই দেখতে পাই ভাবী সেই লোকের নিকট অজস্র আকুতি মিনতি করছে কিন্তু লোকটি কোনোভাবেই তাঁর কথা না শুনে কিছু লোক নিয়ে ঘরের দামি দামি আসবাবপত্র গুলো বস্তায় ভরছে। আমি এমন কান্ড দেখে এগিয়ে গিয়ে লোকটিকে বললাম,

-ঐ মিয়া আর একটা জিনিসে যদি হাত লাগে তাহলে খবর আছে। সবগুলো জায়গা মতো রাখেন। কতটাকা পাবেন বলেন?

-দশ হাজার।

-ওকে এই নেন। আর সবকিছু জায়গা মতো রেখে এখনি বাসা থেকে বের হন।

অতঃপর লোকটি চলে যেতেই ভাবী কান্নায় রাইসার উপর ঢলে পরলেন। পরক্ষণেই কান্নামাখা স্বরে বললেন,

-তোমরা যদি আজ না আসতে তবে আমার যা সম্মান ছিল তার সাথে সাথে ঘরের মালামালও ওরা নিয়ে যেত।

-আচ্ছা! আমি থাকতে আপনি ওদের থেকে টাকা ধার নিতে গেলেন কেন? আমি কি মরে গিয়েছি নাকি?

-তোমার কাছে আর কত টাকা ধার চাইবো বলো। তোমাদেরকে আমি এতবার অপমান করার পরও তোমরা কিছু মনে না করে আমাকে টাকা ধার দিয়েছিলে। আমাকে ক্ষমা করে দিও তোমরা। আমি আজ সত্যিই এই দুটো মেয়েকে নিয়ে অসহায়।

রাইসা তাকে সান্ত্বনা দিয়ে বললো,

-ভাবী! বড় ভাইয়া আমাদের যে কতটা সাহায্য করেছিল সেটা আমরা ভুলে যাইনি। আর আপনার দেবর আপনাকে কোনো টাকা ধার দেয়নি বরং এগুলো নিজের দায়িত্ববোধ থেকে এমনিতেই দিয়েছে আর ভবিষ্যতেও দিয়ে যাবে।

রাইসার কথায় আমি তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করলাম না। কারণ মেয়েটি এমনই যে কখনোই নিজের মনে কোনো প্রতিশোধের আগুন প্রজ্জ্বলিত করে না। আমার যদিও ভাবীর মতো এমন অহংকারী মহিলার দায়িত্ব গ্রহণের ব্যপারে কোনো ইচ্ছাই ছিল না তবে আমার এমন নমনীয় হৃদয়ের অধিকারী স্ত্রীর সিদ্ধান্ত আদৌ আমার পক্ষে রিজেক্ট করা সম্ভব নহে। সত্যিই এমন হিংসা বিদ্বেষহীন মনের অধিকারী মেয়ে সমাজে খুব কমই আছে। তবে এই কথাও চিরন্তন সত্য যে সময় সবার সবসময় এক যায়না। একটা সময় ভাবী আমাদের অপমান করে বাড়িছাড়া করেছিল আর আজ তিনিই কিনা আমাদের উপর নির্ভরশীল। ইহা সত্যিই প্রভুর এক অদ্ভুত লীলাখেলাই বটে।

.

.

*অদ্ভুত লীলাখেলা

.

সমাপ্তির দ্বারপ্রান্তে

Misk Al Maruf

শুক্রবার, ৩ মে, ২০২৪

ইচ্ছে  করে হারিয়ে যাই আবার ছেলেবেলাতে আবার গিয়ে মেতে উঠি ছোট্টবেলার খেলাতে।

 ইচ্ছে করে হারিয়ে যাই আবার ছেলেবেলাতে

আবার গিয়ে মেতে উঠি ছোট্টবেলার খেলাতে।


ইচ্ছে করে আবার আমি গাঙ্গে গিয়ে নৌকাবাই

হারিয়ে যাওয়া পুতুলটারে আবার এনে বউ সাজাই।


সাত সকালে সবাই মিলে আবার গিয়ে ফুল তুলি

ফাঁদ পাতিয়া ধরি বনের ময়না টিয়া বুলবুলি।


ইচ্ছে করে আবার গিয়ে ঘুড়ির সুতায় ধার লাগাই

ইচ্ছে করে আবার গিয়ে বৃষ্টি ভিজে আম কুড়াই।


ইচ্ছে করে আবার গিয়ে সবাই মিলে স্কুল পালাই

আবার গিয়ে কঞ্চি দিয়ে লাঙ্গল জোয়ান মই বানাই।


ইচ্ছে করে গাড়ি বানাই তাল সুপারির ডাল দিয়ে

পুতুল খেলার ঘর বাঁধি সেই কলাপাতার চাল দিয়ে।


ইচ্ছে করে আবার গিয়ে শাপলা তুলি দল বেঁধে

সবাই মিলে নাচি পায়ে শাপলা ডাটার মল বেঁধে।


ইচ্ছে করে গাঙ্গে আবার বড়শি ফেলি জালটানি

ইচ্ছে করে মায়ের মধুর সেই বকা সেই গাল শুনি।


আজকে আমি হারিয়ে যাব সেই সে মধুর শৈশবে

আর কে যাবি আমার সাথে আয় রে তোরা আয় সবে।


স্মৃতির কান্না

ফেরদৌস আহাম্মদ।


আমার কালের চিত্র বইটি কেউ সংগ্রহ করতে চাইলে মেসেজ করুন আমার পেইজে অথবা ফোন করুন আমার এই নাম্বারে।


খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা টপিক.. ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা

টপিক.. 😊

অবশ্যই পড়ার চেষ্টা করবেন.. 🙏🏿


১৮০০/১৯০০ সালে দেশ দখল করে সম্পদ লুট করা হত, ইউরোপিয়ানরা এটা করেছে ।


এখন করা হয় অর্থনীতি লুট, 

আমাদের দেশের প্রধান সম্পদ - কৃষি লুট হয়ে যাচ্ছে ।


এই যেমন ধরেন, আমাদের দেশের যত সবজি, সব বীজের জন্য আমরা দেশি বীজ ধ্বংস করে বিদেশী হাইব্রিড বীজের উপর নির্ভরশীল হয়ে গেছি । 


বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) তথ্য অনুযায়ী স্থানীয়ভাবে মাত্র ৭ শতাংশ বীজ উৎপাদিত হয়। বাকি ৯৩ শতাংশই আমদানি করতে হয়। 


কিভাবে এটা হল ?

কেন হল ?


//.\


সবুজ বিপ্লবে নর্মান বর্লাগ গমের উপরে পরিক্ষা নিরিক্ষা করেন এবং সিলেক্টিভ মডেল এবং বায়োটেকনোলজি নিয়ে ।  যে জাত গুলো ফাঙ্গাস এবং রোগ প্রতিরোধি সেগুলোকে নিয়ে ফসল ফলানর চেস্টা করেন।


এটা এতই বেশি উতপাদন করা শুরু করে যে, ১৯৫৩ সালে শুরু করা প্রজেক্ট এর কারনে, মেক্সিকোর খাবারের সমাধান হবার পরেও তারা রফতানি করা শুরু করে ১৯৬৩ সালেই ।

এই সাফল্য পাকিস্তান এবং ইন্ডিয়াতেও প্রভাব ফেলে এবং এখানেও একই উপায়ে ফসল ফলানো শুরু হয় । পাকিস্তান ১৯৬৫ তে ৫ মিলিয়ন টনকে ১৯৭০ এ ৮ মিলিয়ন টনে নিয়ে যায় ।


এরপরে এটার বীজকে হাইব্রিড বীজ নাম দিয়ে এমন বীজ বাজারে নিয়ে আসা হয় যে বীজ একবার ফলন দেয়, কিন্তু সেই ফসলের বীজ আবার বুনলে তেমন বেশি ফলন হয় না ।


অতিরিক্ত বেশি উতপাদনের ফলে, চাষিরা বেশি লাভের আশায় বেশি পরিমানে এই ধরনের হাইব্রিড বীজ চাষাবাদ শুরু করে । 


আর, বিভিন্ন ন্যাটিভ বীজ গুলো সারা দুনিয়াতেই গুরুত্ব হারাতে থাকে ।

ফলে, বর্তমানে সারা দুনিয়াতেই পুজিবাদি কোম্পানিদের বীজের রাজত্ব । 


যেখানে আমাদের দেশের চাষিরা প্রতি ফলনের পরেই দেশী বীজ নিজেরাই সংরক্ষণ করতেন - এখন তেমনটা হয় না । 

এমনকি ধান বীজ পর্যন্ত চাষিরা বাজার থেকে কেনে । 


আমাদের দেশের ডলার সংকট চলছে খবরের কাগজে আমরা সবাই জানি । 

কোনভাবে যদি মাত্র ২ মাস বীজ আমদানি বন্ধ থাকে, তাহলে সামনের শীতের সিজনে  কাচা মরিচের কেজি ১২০০ তেও পাবেন ?


//.\


ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময়ে আমেরিকা একটা নতুন  পলিসি নেয়, ফুড অ্যাজ আ ওয়েপন ।


তারা মাঠের পর মাঠ ফসল পুড়িয়ে দিত যেন ভিয়েতনামিজরা খাবার না পায় । এই পলিসি থেকেই আসে বর্তমানের ফুড পলিসি । 


আফ্রিকার আছে সবচে বেশি  জমি অথচ সেখানের অনেক দেশেই মানুষ পুস্টিকর খাবার পায়না । 

ভারতীয় উপমহাদেশে আছে সবচে উর্বর জমি অথচ এখানে ৭০% শিশু পুস্টিকর খাবার পায়না ।


হাইব্রিড ফসল উতপাদন বাড়ায়, কিতু পুস্টি মান বিচারে তা ১০ গুণ কম পুস্টি দেয় । মনোক্রপ, যেখানে একটা ফসলই এক জমিতে ফলানো হয় সেখানে উতপাদন ত বাড়ে, কিন্তু এতে করে ফসলের সারের খরচ, কীটনাশক ব্যাহার এর খরচ যায় বেড়ে ।


আমরা ফসলে ইউরিয়া দেই যা নাইট্রোজেন দেয় মাটিতে, অথচ অইখানেই পলিক্রপ করলে, যেকোন ডাল জাতীয় কোন সবজি করলে সেটাই মাটিতে নাইট্রোজেন ফিক্স করে দিত ।

অথচ, ইউরিয়া দেয়ার কারনে পোকারা বেশী আসে । 


আমরা, সার দিয়ে খরচ বাড়াই, কীটনাশক দিয়ে খরচ আরো বাড়াই । 


এই বীজে তাদের উপর নির্ভরশীল আমরা, সেই ফসল যেন তাদেরই দেয়া কীটনাশক সহনশীল হয় সেটাই তারা তাদের ল্যাবে ডিজাইন করে আমাদের চাষীদের দেয় ।


এরপরে, তারা ট্রেনিং দেয়, বৃত্তি দেয়, তাদের তৈরি সিলেবাস আমাদের গেলায় - এবং এদের পক্ষে মিডীয়াও সাফাই গায় । 


আমরা পেট ভরে ত খাই, কিন্তু পুস্টি না পেয়ে পাই ক্যান্সার ! 


এরপরে তাদেরই বানানো ঔষধ খাই । 


এইসব সমস্যার সমাধান করবে কে ? 

কে বিড়ালের মুখোশ পড়ে থাকা চিতাবাঘের সামনে গিয়ে লড়াই করবে ? !!


//.\


আমেরিয়াক্য কোণ চাষী যদি ভুট্টা বীজ সংরক্ষন করেন পরের সিজনে লাগানর জন্য - তবে তিনি সেই কোম্পানির বীজ রাখার দায়ে জেলে যাবেন এবং বিরাট অংকের অর্থ দন্ড দিতে বাধ্য থাকবেন । 


পেটেন্ট করা আছে, কেউ বীজ সংরক্ষণ করতে পারবে না । 

তাকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট কোম্পানির কাছে থেকেই বীজ কিনতে হবে । 


আমাদের বাজারের কোণ বীজের দোকানে আপনি দেশি বীজ পাবেন না । ব্যাক্তি পর্যায়ে দেশি জাতের সবজি বীজ প্রায় বিলুপ্ত । 


এই যে ৩২০০ কোটি টাকার বীজ আমদানি করতে হয় - এইভাবে লুট করা আমাদের বীজের বাজার ফিরে পাবার তেমন আর কোন উপায় নাই । 


কিছুই, না, ইন্দোনেশিয়া আর ভারত যদি আমাদের কাছে বীজ না পাঠায় - তবে পরের সীজনে দেশের ৭০% জমিতে ফসল ফলবে না । 


এই যে বীজের ব্যাবসা  তাদের হাতে আমরা তুলে দিয়েছি - এটাকে তারা কিভাবে ব্যাবহার করবে  ? 

শুধুই কি ব্যাবসা হিসেবে নাকি অস্ত্র হিসেবে?

তোমাকে ভুলে যাওয়ার শক্তি আমার নেই !!

 তোমাকে ভুলে যাওয়ার শক্তি আমার নেই !!

তুমি টের পেয়ে ছিলে, তুমি ভালো করেই বুঝে গিয়ে ছিলে, তোমাকে ছাড়া অন্য কারো কথা আমি ভাবতেই পারি না, তুমি খুব ভালো ভাবেই বুঝে গিয়ে ছিলে তোমাকে ছাড়া আমার বেঁচে থাকা দায়।

তোমাকে ছেড়ে দেওয়ার শক্তি আমার নেই...


তাই তুমি দিনের পর দিন অ'ব'হে'লা করতে শুরু করলে, আমি যত আঁকড়ে ধরে রাখার চেষ্টা করলাম তুমি তত অ'ব'হে'লা বাড়িয়ে দিলে, মা'ন'সি'ক ভাবে ক'ষ্ট দিতে শুরু করলে, তোমাকে ছাড়া থাকতে পারবো না বলে-- সম্পর্কটা বাঁ'চাতে দিনের পর দিন অ'ব'হে'লা, তু'চ্ছ'তা'চ্ছি'ল্য, মা'ন'সি'ক য'ন্ত্র'ণা সব নীরবে স'হ্য করে নিয়েছি।


কিন্তু না! এতো কিছুতেও তোমার আশ মিটলো না... তোমার মন ভরল না, তুমি দিনের পর দিন রং বদলাতেই থাকলে, খো'লসের পর খো'লস ছা'ড়তেই থাকলে, বার বার আমাকে ভে'ঙ্গে'চু'রে এ'কাকার করার পর আমার অ'শ্রুসিক্ত আখি দেখে তুমি পি'চা'শে'র হাসিতে মেতে উঠতে শুরু করলে।


আমি একটু একটু করে নিজেকে বোঝাতে শুরু করলাম... তুমি হয়ত আমার ভাগ্যেই নেই, তবুও মাটি কা'মড়ে পরে ছিলাম, শুধুমাত্র "তোমাকে ভুলে যাওয়ার শক্তি আমার নেই বলে"; কিন্তু তুমি তো থামবে না... তুমি তো থামতেই জানো না, আমার প্রতি তো তোমার ভালোবাসা-ই ছিলো না, যেটা ছিলো সেটা ভালো লাগা, সেটা মো'হ, তাই ভালো লাগা আর মো'হ কে'টে যাওয়া মাত্রই তুমি মানুষ থেকে অ'মানুষ হয়ে গিয়ে ছিলে।


একদিন হঠৎ করেই তুমি নতুন কাউকে নিয়ে এলে, আমার চোখের সামনেই অন্য কাউকে ভালোবাসতে শুরু করলে, স'হ্য করতে পারছিলাম না, একদম স'হ্য করতে পারলাম না আর; সে মুহূর্তেই তোমাকে ছে'ড়ে দিয়ে ফিরে আসলাম, কারণ! সব কিছুর ভা'গ দেওয়া যায় কিন্তু স্বামীর ভা'গ কখনোই না, সব অ'ত্যা'চা'র স'হ্য করা যায় কিন্তু মা'ন'সি'ক অ'ত্যা'চা'র না, সব অ'প'মা'ন স'হ্য করা যায় কিন্তু নিজের অস্তিত্বের অ'প'মা'ন স'হ্য করা যায় না।


সব কিছু বি'স'র্জ'ন দিয়ে বাঁ'চা যায় কিন্তু ব্য'ক্তি'ত্ব বি'স'র্জ'ন দিয়ে বাঁ'চা যায় না, তাই তোমাকে নয় নিজেকেই নিজে মুক্তি দিলাম, মি'থ্যে বন্ধন থেকে নিজেকে মুক্ত করলাম, "তোমাকে ভুলে যাওয়ার শক্তি আমার নেই" অনুভূতিটাকেই ভু'লে গেলাম।


লেখা : রুমা রাণী ঘোষ

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

বৃহস্পতিবার, ২ মে, ২০২৪

সংসারের টুকিটাকি টিপস,,,,,,

 সংসারের টুকিটাকি টিপস


১। সাদা মোজা ধোয়ার জন্য গুড়া সাবানের সঙ্গে ১ চা চামচ সাদা সিরকা মিশিয়ে নিন। এতে মোজা যেমন সাদা হবে তেমনি মোলায়েম থাকবে।


২। ওয়াশিং মেশিনে কাপড় ধোয়ার সময় ওয়াশিং পাউডারের সঙ্গে ১ চামচ বরিক পাউডার মিশিয়ে দিন। এতে ধোয়ার পর কাপড় সব একসঙ্গে জট পাকাবে না।


৩। সাদা কাপড় থেকে হালকা কোন দাগ তোলার জন্য কাপড় ধোয়ার পর ২টি পাতি লেবুর রস আধা বালতি পানিতে মিশিয়ে ভিজা কাপড় ডুবিয়ে দিন। ১০ মিনিট পর তুলে না নিংড়ে মেলে দিন।


৪। বলপেনের দাগ কাপড় থেকে তুলতে চাইলে কাচা মরিচের রস ঘষে ঘষে দাগের ওপর লাগিয়ে শুকিয়ে নিন। তারপর গুঁড়া সাবান দিয়ে কাপড় ধুয়ে নিন। দাগ চলে যাবে।


৫। তেল চিটচিটে তাক বা কাঠের র‍্যাক পরিষ্কার করা জন্য ১ কাপ পানিতে ১ চা চামচ সরিষার তেল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ মসলিনের কাপড় দিয়ে ঘষে ঘষে মুছে নিন। তাকগুলো চমৎকার হয়ে উঠবে।


৬। ওয়াশ বেসিন বা সিল্ক বেসিন পরিষ্কার করার জন্য খানিকটা ফ্ল্যাট সোডা যেমন কোক-পেপসি ইত্যাদি ঢেলে দিন। ৫ মিনিট পর মুছুন। দেখুন কেমন নতুনের মত চকচকে হয়ে উঠেছে।


৭। হাঁড়ি-পাতিল থেকে পোড়া ও কালো দাগ তোলার জন্য সিরিষ কাগজে গুঁড়া সাবান লাগিয়ে ঘষুন। তারপর ধুয়ে নিন। পোড়া দাগ চলে যাবে।


৮। পুরোনো হাঁড়ি থেকে তেল কালির দাগ তোলার জন্য চা পাতা বা কফি দিয়ে ঘষুন। দেখবেন দাগ চলে যাবে।


৯। মশা, মাছি ও পিপড়ার উপদ্রব থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ঘর মোছার পানিতে সামান্য ডিজেল মিশিয়ে নিন। উপদ্রব বন্ধ হয়ে যাবে।


১০। ঘরের মেঝে বা যেকোন মোজাইক পরিষ্কার করার জন্য পানিতে কেরোসিন মিশিয়ে নিন ও এই পানি দিয়ে ঘর মুছে নিন। এতে মেঝে চকচক করবে।


১১। রান্নাঘরের কেবিনেট বা কাউন্টার যদি মার্বেল পাথরের হয় তাহলে পরিষ্কার করার জন্য খাবার সোডা পানিতে গুলে রাতে লাগিয়ে রাখুন। সকালে পানিতে সাদা সিরকা মিশিয়ে কাপড় দিয়ে মুছে নিন। সব দাগ চলে যাবে।


১২। রান্নাঘর থেকে পোড়া বা যেকোন গন্ধ দূর করতে চাইলে একটি পাত্রে কিছুটা সিরকা চুলায় চাপান। শুকান অবধি জ্বাল করুন।


১৩। বারান্দা বা জানালার গ্রিল পরিষ্কার করার জন্য প্রথমে শুকনা কাপড় দিয়ে মুছে নিন। তারপর আধা কাপ কেরোসিন তেলের সঙ্গে সরিষার তেল মিশিয়ে নিন। এই মিশ্রণ তুলোয় দিয়ে লাগিয়ে নিন। এতে গ্রিলে ময়লা বা জং লাগবে না।


১৪। বাসনকোসনে কোন কিছুর কষ লাগলে টক দই বা দুধের সর দিয়ে ঘষে ধুয়ে নিলে দাগ দূর হয়ে যাবে।


১৫। চিনেমাটির পাত্রে দাগ পড়লে লবণ পানি দিয়ে সহজেই পরিষ্কার করা যায়।


১৬। নারকেল ভাংগার পূর্বে কিছু সময় পানিতে ভিজিয়ে রাখলে নারকেলটি সমান দু'ভাগে ভেঙে যাবে।


১৭। সেদ্ধ ডিমের খোসা তাড়াতাড়ি এবং ভাল ভাবে ছাড়াতে চাইলে ফ্রিজের ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।


১৮। পাটালী গুড় শক্ত রাখতে চাইলে গুড়টি মুড়ির মাঝে রাখুন।


১৯। আদা টাটকা রাখার জন্য বালির মাঝে রেখে দিন।


২০। ঘি-এ সামান্য লবণ মিশিয়ে রাখলে অনেকদিন পর্যন্ত ভালো থাকবে।


২১। বিস্কুট টাটকা এবং মচমচে রাখার জন্য কৌটার মাঝে এক চামুচ চিনি অথবা ব্লটিং পেপার রেখে দিন।


২২। অপরিপক্ক লেবু থেকে রস পাওয়ার জন্য ১৫মিনিট গরম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন।


২৩। রান্না তাড়াতাড়ি করার জন্য মসলার সাথে ক'ফোটা লেবুর রস মিসিয়ে দিন, দেখবেন সবজি তাড়াতাড়ি সেদ্ধ হয়ে যাচ্ছে।


২৪। সবজির রঙ ঠিক রাখতে ঢাকনা দিয়ে জ্বাল না দেয়াই ভালো। আর কিছু সবজি আছে যেগুলো সামান্য সেদ্ধ করে ঠাণ্ডা পানি দিয়ে ধুয়ে ফেললেও রান্নার পরও রঙ ঠিক থাকে।


২৫। কড়াইতে গরম তেলে কিছু ভাজার সময়, যা দেবেন তার সঙ্গে সামান্য লবন দিল। তাহলে আর তেল ছিটবেনা।


২৬। খেজুরের গুড় দিয়ে পায়েস করতে গিয়ে অনেক সময় দুধটা ফেটে যায়। দুধ ঘন হয়ে গেলে নামিয়ে একটু ঠান্ডা করে তারপর গুড় মেশাবেন। ভালো করে নেড়ে আবার কিছুটা ফুটিয়ে নেবেন, দুধ ফাটবে না।


২৭। চিনেবাদাম ও কাজুবাদাম তেলে ভেজে পরে রান্নায় ব্যবহার করুন। খাবারের স্বাদ বাড়বে।


২৮। সেমাই বা মিষ্টিজাতীয় খাবারে অনেকে বাদাম ব্যবহার করেন। বাদামে যদি তেল মেখে পরে তাওয়ায় ভাজেন তাহলে তেল কম লাগবে। নয়তো শুকনো ভাজতে গেলে তেল বেশি লাগবে।


২৯। ওল, কচু অথবা কচুশাক রান্না করলে তাতে কিছুটা তেঁতুলের রস বা লেবুর রস দিয়ে দিন। তাহলে খাওয়ার সময় গলা চুলকানোর ভয় থাকবে না।


৩০। কেক বানাতে যদি ডিমের পরিমাণ কম হয়, তার বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন কর্নফ্লাওয়ার।


৩১। অনেক সময়ই তাড়াতাড়ি স্যুপ রান্না করতে গিয়ে তা পাতলা হয়ে যায়। তখন দুটো আলু সেদ্ধ করে স্যুপে মিশিয়ে ফোটালে স্যুপ ঘন হবে।


৩২। আলু ও ডিম একসঙ্গে সেদ্ধ করুন। দুটো দুই কাজে ব্যবহার করলেও সেদ্ধ তাড়াতাড়ি হবে।


#কপিপোস্ট

মানসিক ভাবে ভালো থাকার উপায়,,,

 **মানসিক ভাবে ভালো থাকার উপায়**

    গরু আমাদের দুধ দেয় না, আমরা কেড়ে নি। গাধাও মোট বয় না, ধোপারা এককালে জোর করে কাজটি করাতো। হিসেব মত সিংহীও দুধ দেয়, সিংহও ওজন বইতে সক্ষম। কিন্তু সিংহকে দিয়ে ওসব করানো মানুষের ক্ষমতার বাইরে।


ওই জন্য একটু বোকা আর ভালো মানুষদের গরু কিংবা গাধার সাথে তুলনা করা হয়। এই দুটো প্রাণীর নামে কোনো মানুষকে ডাকা মানে সেটা অপমান করা। কিন্তু কাউকে সিংহ বললে সে উল্টে গর্ববোধ করবে। সেই সিংহ, যে আজ অবধি মানুষের উপকার করল না, যার সামনে মানুষ গেলে মুহূর্তের মধ্যে পরপারে চলে যাবে, সেই সিংহ হচ্ছে মানুষের চোখে রাজা। উপকারী গাধা হচ্ছে হাসির বস্তু।


অতিরিক্ত ভালো হওয়ার সমস্যাই এটা। অতিরিক্ত ভালো মানুষরা কারোর কাছে গুরুত্ব পায় না। তুমি নিঃস্বার্থভাবে ত্যাগ করতে থাকো, ভালো মনে কারোর ক্রমাগত উপকার করতে থাকো, আঘাতের পর আঘাত সহ্য করেও হাসিমুখে কাউকে ভালোবাসতে থাকো, তুমি তার চোখে 'গাধা' ছাড়া আর কিছুই হবে না। যদি মনে করো সে একদিন এগুলোর মূল্য বুঝবে, তাহলে তুমি সত্যিই গাধা। কারুর কাছে নিজের দাম পেতে গেলে একবার অন্তত সিংহের মত হতেই হয় ।


মৃত্যুর পরও ব্যাংকে আপনার টাকা রয়ে যায়। দান করবেন বলে কথা দিয়েও হয়তো কয়েকজনকে দেন নাই অথচ আমরা আমাদের জীবদ্দশায় খরচ করার জন্য প্রয়োজনীয় টাকা পাই না। 


নিরেট সত্যটি হচ্ছে-অধিক ধনবান হওয়ার চেয়ে দীর্ঘ জীবন লাভ করা বেশি জরুরি। তাই অধিক ধনবান হওয়ার জন্য অবিরাম শ্রম না দিয়ে দীর্ঘ এবং সুস্থ্য জীবন যাপন করার চেষ্টা করা উচিত এবং নিজেকে সেভাবে গড়া উচিত।

      আমাদের জীবনের নানা ঘটনাতেই এই সত্যটি মর্মে মর্মে উপলব্ধি করা যায় :

           দামি এবং অনেক সুবিধা সম্পন্ন একটি মোবাইল ফোনের ৭০% অব্যবহৃতই থেকে যায়।

মাদক ব্যাবসা করতো বা করে বা ভালো হয়ে গিয়েছে এমন  বন্ধু বা পরিচিত কাউকে কখন ও বিশ্বাস করবেন না । এরা বেইমানী করবেই কারনে অকারনে ।

একটি মূল্যবান এবং দ্রুতগতি গাড়ির ৭০% গতির কোনো দরকারই হয় না।


প্রাসাদতুল্য মহামূল্যবান অট্টালিকার ৭০% অংশে কেউ বসবাস করে না।

     কারো কারো এক আলমারি কাপড়-চোপড়ের বেশির ভাগ কোনদিনই পরা হয়ে উঠে না।

      সারা জীবনের পরিশ্রমলব্ধ অর্থের ৭০% আসলে অপরের জন্যই। আপনার জমানো অর্থ যাদের জন্য রেখে যাবেন, বছরে একবারও আপনার জন্য প্রার্থনা করার সময় তাদের হবে না। এমনকি বেঁচে থাকতেই আপনার অর্থের প্রাচুর্যে বেড়ে ওঠা মানুষগুলো আপনাকে বৃদ্ধাশ্রমে ছুড়ে আসতে পারে। তাই বেঁচে থাকতেই ১০০% এর সুরক্ষা এবং পূর্ণ সদ্ব্যবহার করাই শ্রেয়।


করণীয় কী ?

১) অসুস্থ না হলেও মেডিকেল চেকআপ করুন।

২) অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করবেন না।

৩) মানুষকে ক্ষমা করে দিন।

৪) রাগ পুষে রাখবেন না। মনে রাখবেন কেউ-ই রগচটা মানুষকে পছন্দ করে না। আড়ালে-আবডালে পাগলা বলে ডাকে।

৫) পিপাসার্ত না হলেও জল পান করুন।

৬) সিদ্ধান্তটি সঠিক জেনেও কখনো কখনো ছাড় দিতে হয়।

৭) যতই বয়স হোক না আর ব্যস্ত থাকুন না কেন, জীবনসঙ্গীকে মাঝে মাঝে নিরিবিলি কোথাও নিয়ে হাত ধরে হাঁটুন, হোটেলে খাওয়াতে না পারলে বাদাম বা ঝালমুড়ি খান। আর তাকে বুঝতে দিন, সেই আপনার সবচেয়ে আপন। কারণ, আপনার সবরকম দুঃসময়ে সেই পাশে থাকে বা থাকবে।

৮) ক্ষমতাধর হলেও বিনয়ী হোন।

৯) আর্থিক সঙ্গতি থাকলে আর সুযোগ পেলেই পরিবার পরিজন নিয়ে নিজের দেশ এমনকি ভিন্নদেশকে দেখতে বেড়িয়ে পড়ুন। দান করুন ।

১০) ধনী না হলেও তৃপ্ত থাকুন।

১১) মাঝে মাঝে ভোরের সূর্যোদয় ,রাতের চাঁদ এবং সমুদ্র দেখতে ভুল করবেন না। বৃষ্টির জলে বছরে একবার হলেও ভিজবেন। আর দিনে ১০ মিনিট হলেও শরীরে রোদ লাগাবেন।

১২) মহাব্যস্ত থাকলেও নিয়মিত ব্যায়াম করুন আর ৩০ মিনিট হাঁটুন। আর মহান সৃষ্টিকর্তাকে নিয়মিত  স্মরণ করুন। মিথ্যা ত্যাগ করুন ।

১৩.সর্বদা হাসিখুশি থাকুন। সুযোগ পেলেই কৌতুক পড়বেন। পরিবারের সবার সঙ্গে মজার ঘটনাগুলো শেয়ার করবেন। মাঝে মাঝে প্রাণবন্ত ভাবে  হাসবেন।

১৪) সবার সাথে মিশবেন ছোটো বড় ভাববেন না।

--------------

(লেখাটি "WORLD MENTAL HEALTH DAY"

 উপলক্ষে প্রকাশিত জার্নাল থেকে নেওয়া , কিছুটা পরিমার্জিত)

নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...