এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ১ জুন, ২০২৪

ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল 

 ইংল্যান্ডের রানি ভিক্টোরিয়ার স্মৃতিতে নির্মিত হয়েছিল ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল। গড়ের মাঠের জেলখানা সরিয়ে তৈরি হয় এই স্মৃতিসৌধ। একটু জোরে হাওয়া দিলেই বিভিন্ন দিকে ঘুরে যায় ভিক্টোরিয়া পরী। জর্জ অরওয়েলের ১৯৩৯ সালে লেখা ‘1984’ উপন্যাসের সেই বিখ্যাত ‘বিগ ব্রাদার ইস ওয়াচিং ইউ’ স্লোগানটার কথা মনে পড়ে? ওই উপন্যাস লেখারও অন্তত আঠারো বছর আগে প্রায় সেই রকমই একটা স্লোগান উঠেছিল গত শতকের বিশের দশকের গোড়ায় কলকাতায় ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল তৈরির পর। কিন্তু কেন? কারণ হল ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল ভবনের মূল গম্বুজের উপরে বসানো সেই বিখ্যাত ‘পরী’!

বিশাল আকার সৌধের প্রধান হলের ঠিক মাথায় রয়েছে একটা গম্বুজ আর গম্বুজের বাইরের দিকে একটা পারা বা মার্কারি দিয়ে ভরা ব্রোঞ্জের গ্লোব। গ্লোবের উপর দাঁড়িয়ে আছে প্রায় সাড়ে ছয় টন ওজনের ব্রোঞ্জের তৈরি এক নারীমূর্তি, বাঁ হাতে একটি লম্বা শিঙা ফুঁকছে। ডান হাতে একগুচ্ছ ফুল, পেছনে দুটো পাখা। মূর্তির বৈশিষ্ট হল, একটু জোরে হাওয়া দিলেই সে ঘুরে যায় বিভিন্ন দিকে। আর তাই নিয়েই সে যুগে তৈরি হয়েছিল নানা গুজব। শোনা যায়, কেউ কেউ রটিয়ে দিয়েছিলেন, ‘এঞ্জেল ইস ওয়াচিং ইউ’। অর্থাৎ ওই পরী নাকি ব্রিটিশদের চর। ২০০ ফুট উঁচু থেকে চারিদিক ঘুরে কলকাতাবাসীদের উপর নজর রাখছে।

১৯০১ সাধারণাব্দের জানুয়ারি মাসে ইংল্যান্ডের রানি ভিক্টোরিয়ার মৃত্যু হয়। লন্ডন থেকে মৃত্যু সংবাদের টেলিগ্রাম তৎকালীন ভারতের রাজধানী কলকাতার লাটভবনের মাধ্যমে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ল। পরের দিন থেকেই দেশের অভিজাত সম্প্রদায় রানির মৃত্যুতে শোক পালনের প্রতিযোগিতায় নেমে পড়ল। বাঙালিও অংশ নিল সেই শোক পালনের প্রতিযোগিতায়। পাথুরিয়াঘাটার যতীন্দ্রমোহন ঠাকুরের উদ্যোগে হিন্দু পারলৌকিক বিধি অনুসারে মৃত্যুর তারিখ থেকে বারো দিনের দিন সঙ্গীত সমাজের ব্যবস্থাপনায় অসংখ্য মানুষ মাতৃবিয়োগের সমান শোকচিহ্ন অর্থাৎ সাদা ধুতি ও সাদা উত্তরীয় পরে খালিপায়ে গড়ের মাঠে কীর্তন অনুষ্ঠানে যোগদান করল। পরের দিন ৩ ফেব্রুয়ারি তারিখে কর্নওয়ালিশ স্ট্রিট অর্থাৎ, বর্তমান বিধান সরণির উপর বিডন স্ট্রিটের সংযোগস্থল থেকে মেছুয়াবাজার স্ট্রিট অর্থাৎ, বর্তমান কেশব চন্দ্র সেন স্ট্রিট পর্যন্ত দীর্ঘ রাস্তার উপর ফুটপাথ ধরে চারটি সারিতে কাঙালি ভোজন বা দরিদ্রনারায়ণ সেবা করানো হল। মেনু ছিল— খিচুড়ি, কপির তরকারি, দই, বোঁদে এবং ভীমনাগের দেওয়া সন্দেশ। খিচুড়ি তৈরি করতে লেগেছিল, সাড়ে চার টাকা মণ দামের দেড় শো মণ বালাম চাল, সেই পরীমাণ ডাল, ১২ মণ ঘি, হলুদ, লঙ্কা প্রভৃতি মশলা। সেই সময়ে ভারতের গর্ভনর জেনারেল ছিলেন লর্ড কার্জন। তাঁর প্রস্তাব অনুসারে ভিক্টোরিয়ান যুগের নানা শিল্পবস্তু দিয়ে সাজানো এক স্মৃতিসৌধ তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, নাম হবে ‘ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হল’। ময়দানের দক্ষিণ অংশে ক্যাথিড্রাল অ্যাভিনিউয়ের উপর যেখানে আগে একটা জেলখানা ছিল, সেই জায়গা পছন্দ হল কার্জন সাহেবের। সৌধ তৈরির জন্য সেই জেলখানাকে সরিয়ে নিয়ে নিয়ে যাওয়া হল আলিপুরে। সেটাই এখন আলিপুর সেন্ট্রাল জেল নামে পরীচিত, যা আবার এখন স্বদেশি মিউজিয়ামে রূপান্তরিত হয়েছে। ৫৪ একর জমির উপর সেই সৌধ তৈরির কাজ শুরু হল। ১৯০৬-এর ৪ জানুয়ারি, রানির নাতি জর্জ প্রিন্স অফ ওয়েল্‌স, বা পরবর্তীকালের রাজা পঞ্চম জর্জ, কলকাতায় এসে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে গেলেন ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হলের। স্যর উইলিয়ম এমারসনের নকশায় বেলফাস্ট সিটি হলের স্থাপত্যশৈলীর আদলে সাদা মার্বেলের এই সৌধ তৈরি হতে সময় লেগেছিল প্রায় পনেরো বছর। খরচ হয়েছিল এক কোটি পাঁচ লাখ টাকা, যার সবটাই এসেছিল রাজা-মহারাজা ও সাধারণ মানুষের দেওয়া দান থেকে। মাটি থেকে ৮ ফুট উঁচু, ৩৯৬ ফুট লম্বা এবং ২২৮ ফুট চওড়া মূল সৌধের চারদিকে চারটে টাওয়ার। ভিতরের দুটো তলা মিলিয়ে অনেকগুলো ঘর সাজানো হল বিভিন্ন শিল্পবস্তু দিয়ে। ১৯২১ সাধারণাব্দের ২৮ ডিসেম্বর, ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের দ্বার উদ্ঘাটন করেন প্রিন্স ওফ ওয়েলস এডোয়ার্ড অ্যালবার্ট।



চাকরি ছেড়ে কৃষিকাজ করছেন তিনি 

 চাকরি ছেড়ে কৃষিকাজ করছেন তিনি 


মে ৩০, সিএমজি বাংলা ডেস্ক: চীনের একজন উচ্চশিক্ষিত তরুণ, শহরের চাকরি ছেড়ে নিজের হোমটাউনে ফিরে বেছে নিলেন কৃষকের পেশা। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তিনি এখন দারুণ সফল। কিভাবে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সাফল্য পেলেন এই তরুণ কৃষক, চলুন শোনা যাক সেই গল্প। 


ফসলের ক্ষেত। এখানে ড্রোনের মাধ্যমে কীটনাশক ছিটানো হচ্ছে। উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহারে বাড়ছে উৎপাদন। ড্রোন নিয়ন্ত্রণ করছেন একজন তরুণ কৃষক। নাম তার থাং সিনছেন। 


থাং সিনছেন বলেন, ‘শুরুতে আমি শুধু চেয়েছিলাম নতুন ব্যক্তিগত মূল্য ও নতুন ক্ষেত্র আবিষ্কার করতে। সেইসময় আমি স্থানীয় কিউয়ি শিল্পকে এগিয়ে নিতে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সহযোগিতা করতে ফিরে আসি। বেশ গভীরভাবে গবেষণা করে বুঝতে পারি যে, সমস্যাগুলো শুধু যে পণ্য বিক্রির সময় হয় তা নয়, চাষের কাজ চলার সময়ও নানা রকম সমস্যা হয়। এখানে যে ফলগুলো উৎপন্ন করা হতো সেগুলো আকার আকৃতিতে স্টান্ডার্ড এর চেয়ে ছোট।’ 


দক্ষিণ পশ্চিম চীনের সিছুয়ান প্রদেশের ছেংতু সিটির ছিয়ংলাই কাউন্টির বাসিন্দা থাং একজন উচ্চশিক্ষিত তরুণ। দুই বছর আগে ২৮ বছর বয়সী থাং সিনছেন ছেংতু সিটির একটি ইন্টারনেট কোম্পানিতে চাকরি করতেন। তিনি সেই চাকরি ছেড়ে তার হোমটাউন ছিয়ংলাই কাউন্টিতে চলে আসেন। তিনি ১৩ হেকটর এলাকার একটি ফলের বাগান এবং ৬৬ হেকটর জমিতে ধানক্ষেত গড়ে তোলেন। 


তিনি তার খামার সাজিয়ে তোলেন ড্রোন, সেন্সর এবং অত্যাধুনিক সব যন্ত্রপাতি দিয়ে। তিনি তার উৎপাদিত পণ্য বিভিন্ন অনলাইন প্লাটফর্মের মাধ্যমে বিক্রি করেন। তিনি চার হেকটর জমিতে কিউয়ির পরিবর্তে কমলার চাষ শুরু করেন। তিনি ৯.৩ হেকটর জমিতে  পুরনোর বদলে নতুনভাবে কিউয়ি গাছ লাগান। মাটির গুণগতমান উন্নত করেন। গতানুগতিক চাষপদ্ধতির সমস্যাগুলো মোকাবেলায় নতুন প্রযুক্তি প্রবর্তন করেন।

থাং সিনছেন আরও বলেন,  আমরা যখন নতুনভাবে ফলের বাগান সাজাই তখন যন্ত্রপাতি , স্বয়ংক্রীয় যান এবং প্রযুক্তির ব্যবহারের জন্য বেশ কিছু জায়গা ছেড়ে রাখি।’ 

তিনি উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যে উৎপাদিত ফল বাছাই করার প্রক্রিয়া শুরু করেন। তিনি এআই সরটার প্রয়োগ করেন। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে মানসম্পন্ন ফল বেছে নেয়া হয়। তিনি ইন্টারনেটে শর্ট ভিডিও তৈরি করে প্রেচার করতে থাকেন। তার শর্ট ভিডিওগুলো লাখ লাখ ভিউ হয়। গত বছর ৫০ হাজার কিলোগ্রাম কমলা এবং ৫০ হাজার কিলোগ্রাম কিউয়ি বিক্রি করেন। 

থাং সিনছেন বলেন, ‘ আমাদের লক্ষ্য হলো উন্নত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে কৃষি উৎপাদনে সমস্যা দূর করা। বাজারের রুচির সঙ্গে খাপ খাওয়ানো, বিশাল পরিমাণে উৎপাদন এবং হাজার হাজার কৃষক যেন গ্রহণ করে সেটি দেখতে হয়।’


তিনি বেশ কিছু নতুন পদ্ধতি প্রয়োগ করেছেন এবং ফল উৎপাদনে সাফল্যও পেয়েছেন। কৃষিখামারে তার এই সাফল্য চীনের বর্তমান গ্রাম পুনরুজ্জীবনের ধারায় ইতিবাচক অবদান রাখছে। 


শান্তা/মিম 

তথ্য: সিসিটিভি 

China_Agriculture

আজকের দিনে, ৩০শে মে  জোয়ান অব আর্ককে নির্মম ভাবে পুড়িয়ে মারা হয়েছিল।

 আজকের দিনে, ৩০শে মে  জোয়ান অব আর্ককে নির্মম ভাবে পুড়িয়ে মারা হয়েছিল।


১৪১২(৬ জুলাই) থেকে ১৪৩১(৩০ মে)মাত্র উনিশ বছরের জীবন। দুনিয়া কাঁপানো যুদ্ধ করে বিদায় নিয়েছিলেন এই বীরকন্যা। তাঁর মৃত্যুকে নিয়ে রচিত হয়েছে গান,কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র। বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের স্মৃতির মণিকোঠায় তিনি বেঁচে থাকবেন তার দেশভক্তি ও অকুতোভয় যোদ্ধা হিসেবে।


ফ্রান্সের মিউজ নদীর তীরে দঁরেমি গ্রামে জোয়ানের জন্ম হয়েছিল এক দরিদ্র কৃষক পরিবারে। লেখাপড়া জানতেন না।জোয়ান যখন জন্মেছিলেন ফ্রানস তখন পরাধীন। ইংরেজদের দখলে। ১৩ বছর বয়েসে একদিন ভেড়ার  পাল চড়াতে গিয়ে হঠাৎ দৈববাণী শুনলেন, তুমিই  ফ্রানসকে মুক্তি দিতে পারবে। ফ্রানসের হয়ে যুদ্ধ কর। জোয়ান বিস্মিত হয়ে গেলেন! ফ্রানসের সম্রাট  তখন ৭ম চার্লস  লুকিয়ে বেড়াচ্ছেন। বহু চেষ্টায় এক প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তির সহায়তায় জোয়ান দেখা করলেন সম্রাট চার্লসের সঙ্গে।প্রথমে চার্লস নারী বলে তাঁকে গুরুত্ব দেননি। পরে ধর্ম যাজকদের পরামর্শে তাঁকে সেনাবাহিনীতে নিলেন। জোয়ান নাইটদের মত  পুরুষের ছদ্মবেশে যোদ্ধার সাজে সজ্জিত হলেন। এরপর জোয়ান সাদা পোশাক,  সাদা ঘোড়া, পঞ্চক্রুশধারী তরবারি হাতে ৪০০০হাজার সৈন্য নিয়ে ফ্রানসের অবরুদ্ধ নগরী অরলেয়াঁরে ১৪২৯, ২৮ এপ্রিল প্রবেশ করলেন। এবং প্রবল বীরত্ত্বে অরলেয়াঁরকে মুক্ত করলেন। এরপর  একের পর এক নগরীকে তিনি ইংরেজদের হাত থেকে দুর্দান্ত প্রতাপে সেনাবাহিনীর সাহায্যে মুক্ত করে ফ্রানসকে স্বাধীনতার পথে এগিয়ে দিলেন। সম্রাট চার্লসকে তার সিংহাসনে ফিরিয়ে আনলেন।

এই সময় প্যারিসের কাছে এক যুদ্ধে বার্গেডিয়ানরা তাঁকে আটক করে ইংরেজদের হাতে তুলে দিল। বার্গেনডিয়া হল ফ্রানসের  একটি জায়গার নাম। সেখানকার শাসনকর্তা ডিউক ছিলেন ইংরেজের বন্ধু।সে বিশ্বাসঘাতকতা করে জোয়ানকে ইংরেজের হাতে  তুলে দেয়। ইংরেজ এ সুযোগের অপেক্ষায় ছিল। তাদের মূল শত্রু জোয়ানকে হাতে পেয়ে এবার বিচারের নামে প্রহসন শুরু করল। (ভারতবর্ষও এই বিচার প্রহসনের সাক্ষী আছে যখন সেই সময়ের অতি উচ্চ পর্যায়ের রাজনৈতিক ব্যক্তিগনের বিশ্বাসঘাতকতায় লালকেল্লায় আজাদ হিন্দ ফৌজের যুদ্ধোপরাধী হিসেবে লোক দেখানো বিচার শুরু হয়)। এই কাজে ইন্ধন দিলেন দেশের ধর্ম যাজকরা। তাঁরা বলল, জোয়ান যা করেছে তা ধর্ম বিরোধী। পুরুষ সেজে যুদ্ধ করে ধর্মের অবমাননা করেছে। ও ডাইনি। বিচারে রায় দেওয়া হল জোয়ানকে পুড়িয়ে মারার। এরপর জোয়ানকে একটি পিলারের সঙ্গে বাঁধা হল। এইসময় জোয়ান একটা ক্রুশ চাইলেন। একজন এসে জোয়ানের গলায় একটি ক্রুশ ঝুলিয়ে দিল। অবশেষে জোয়ানকে আগুনে পুড়িয়ে মারা হল। এরপরই জোয়ানের সেই পুড়ে যাওয়া দেহের ছাই ফ্রান্সের শ্যেন নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়।

কিন্তু তিনি শতশত নারীর প্রেরণাদায়ী হয়ে মানুষের

মনে এখনও অমর হয়ে আছেন।


সৌজন্যে  --- বাংলা উইকিপিডিয়া।


ছবিটি গুগল থেকে সংগৃহীত।



লিওনার্দো ভিঞ্চি এর মোনালিসা রহস্যে ঘেরা এক সৃষ্টিকর্ম।

 🎨 ভিঞ্চি তার জীবনের ১৬ বছর মোনালিসা আঁকতে কাটিয়ে দিলেন (The Louvre says 1503 – 1519.. 16 years)। 


লিওনার্দো ভিঞ্চি এর মোনালিসা রহস্যে ঘেরা এক সৃষ্টিকর্ম।

তুলিতে এই ছবি আকতে গিয়ে লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি রেখে গেছেন অসংখ্য রহস্য! 


সালটা ১৫০৩,যখন ভিঞ্চি মোনালিসা আকা শুরু করেন এবং আঁকার সময় তিনি রহস্যজনকভাবে মৃত্যবরণ করেন। ১২ বছর,  মতান্তরে ১৬ বছর সময় নিয়ে আঁকা মোনালিসা এর ছবি সম্পূর্ণ না করেই তিনি মারা যান! অর্থাৎ আমরা মোনালিসার যে ছবিটি এখন দেখি তা অসম্পূর্ণ ছিলো।


ভিঞ্চি মোনালিসাকে এঁকেছিলেন পাতলা কাঠের উপর, কোন কাগজে নয়।  অবাক করার বিষয় হলো মোনালিসার ছবিটিকে যদি বিভিন্ন এঙ্গেল থেকে দেখা হয় তবে মোনালিসার হাসি পরিবর্তীত হয়!


এ যেন এক রহস্যময়ী নারীর হাসি!


১৭৭৪ সালে সর্বপ্রথম প্যারিসের লুভর মিউজিয়ামে মোনালিসার ছবিটির দেখা মিলে। কিন্তু ছবিটা

মিউজিয়ামে কিভাবে এল কিংবা কে আনল এমন প্রশ্নের উত্তর মিউজিয়ামের কর্মীরাই জানতোনা! কারণ তারা কাউকে ছবিটি নিয়ে আসতে দেখিনি!!


রহস্যময়ভাবে লুভর মিউজিয়ামে পৌছানো এই ছবি ১৯১১ সালে চুরি হয়ে যায়! রাতের আধারে চোরকে দেখে মিউজিয়ামের এক কর্মী পরদিনই চাকড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে সে বলেছিল সে চোরকে দেখেছে। সেই চোর আর কেউ নয়, প্রায় ৩৫০ বছর আগে মারা যাওয়া ভিঞ্চি! 


১০ বছর পর এই ছবিটি আবার ওই মিউজিয়ামে পাওয়া যায়। লুভর মিউজিয়াম কতৃপক্ষ ছবিটি সংরক্ষনের জন্য প্রায় ৫০ কোটি টাকা খরচ করে একটি নিরাপদ

কক্ষ তৈরী করে। হয়ত ভাবছেন একটা ছবির জন্য


এতো টাকা খরচ!! এই ছবির বর্তমান মূল্যের তুলনায় ৫০ কোটি টাকা কিছুই নয়। মোনালিসা ছবির বর্তমান অর্থমূল্য ৭৯০ মিলিয়ন ডলার।


টাকায় পরিমানটা ৫৩৮০ কোটি টাকা!! মোনালিসা কে? প্রশ্নটির উত্তর ভিঞ্চি নিজেও দিয়ে যাননি। ২০০৫ সালে খুজে পাওয়া এক চিঠিতে


অনেকে মোনালিসার পরিচয় খুজে পেয়েছেন বলে দাবি করেন। ১৫০৩ সালে লেখা এই চিঠিতে ভিঞ্চির বন্ধু ফ্রান্সিস জিয়াকন্ড তার স্ত্রী লিসা জিয়াকন্ডের একটি ছবি আঁকতে ভিঞ্চিকে অনুরোধ করেন। আর ওই সময় ভিঞ্চি মোনালিসার ছবি আঁকা শুরু করেন।


২০০৪ সালে বিজ্ঞানী পাস্কেল পাটে মোনালিসার ছবিকে আলাদা ভাগে ভাগ করে হাইডেফিনেশন ক্যামেরায় ছবি তোলেন। পাস্কেল আবিষ্কার করেন যে ভিঞ্চি যে রং ব্যাবহার করেছিলেন তার স্তর ৪০ মাইক্রোমিটার। অর্থাৎ একটি চিকন চুলের থেকেও পাতলা! পাস্কেল আরো আবিষ্কার করেন যে মোনালিসার ছবিতে আরো ৩টি চিত্র আছে। তাদের একটি সাথে লিসা জিয়াকন্ডের মুখের মিল খুজে পাওয়া যায়।সম্ভবত ভিঞ্চি বন্ধুর অনুরোধে লিসার ছবিটিই আঁকছিলেন। কিন্তু তিনি এমন কিছু দেখেছিলেন যা পুরো ছবিতে অন্য এক নতুন মুখের জন্ম দিয়ে দিয়েছে!


সান্ডারল্যান্ড ইউনিভার্সিটির এক সার্ভেতে মোনালিসা সম্পর্কে অদ্ভুত কিছু তথ্য পাওয়া যায়। মোনালিসাকে দূর থেকে দেখলে মনে হয় সে হাসছে। কিন্তু কাছে গিয়ে তার দিকে তাকালে মনে হয় সে গভীরভাবে কোন কিছু চিন্তা করছে। মোনালিসার চোখের দিকে তাকালে তাকে হাসিখুশি মনে হয়। কিন্তু তার ঠোটের দিকে তাকালেই সে হাসি গায়েব!


সান্দারলেন্ড ভার্সিটির ছাত্ররা মোনালিসার ছবির বামপাশ থেকে আল্ট্রা ভায়োলেট পদ্ধতি ব্যাবহার করে ভিঞ্চির লেখা একটি বার্তা উদ্ধার করে। বার্তাটি ছিল " লারিস্পোস্তা শ্রী

তোভাকি"। যার অর্থ "উত্তরটা এখানেই আছে।" যুগের পর যুগ মানুষকে মুগ্ধ করে আসা মোনালিসার এই ছবি দেখে জন্ম নেয়া হাজার প্রশ্নের মাঝে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল, এই ছবি দিয়ে ভিঞ্চি কি বোঝাতে চেয়েছিলেন?" প্যারানোরমাল ম্যাগাজিনের একদল তরুন ছাত্র উত্তরটা বের করার জন্য অনেক চেষ্টা করেছে।


অবশেষে তারা যা জানিয়েছে সেটাও চমকে দেয়ার মত! ভিঞ্চি মোনালিসার ছবির বামপাশে গোপন বার্তা দিয়েছিলেন "উত্তর টা এখানেই আছে"। সে বাম পাশকে আয়নার কাছে আনলে একটা ছবি তৈরী হয়। অবাক করার বিষয় এই তৈরী হওয়া ছবির জীবটিকে ভিঞ্চি ১৫০০ সালের দিকে দেখেছিলেন!

ছবিটা একটা এলিয়েনের...ভিনগ্রহের এলিয়েন!!



সকাল ৭ টার  সংবাদ।  তারিখ: ০১-০৬-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭ টার  সংবাদ। 

তারিখ: ০১-০৬-২০২৪ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


আজ সারাদেশে পালিত হচ্ছে ভিটামিন এ-প্লাস ক্যাম্পেইন। 


বাংলাদেশ জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার - নিউইয়র্কে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডক্টর হাছান মাহমুদের সঙ্গে বৈঠকে ঢাকার ভূয়সী প্রশংসা করলেন মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। 


দুর্নীতিবাজদের তালিকা করলে সবার আগে আসবে বিএনপি নেতাদের নাম - মন্তব্য ওবায়দুল কাদেরের। 


রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অস্ত্রের ব্যবহার হচ্ছে, আর কোন রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে ঢুকতে দেওয়া হবে না - দৃঢ়ভাবে বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। 


গাজায় যুদ্ধ বন্ধে নতুন ইসরাইলি প্রস্তাব মেনে নিতে হামাসের প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্টের আহ্বান।


দক্ষিণ আফ্রিকার সাধারণ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন এএনসি সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানোর পর জোট সরকার হচ্ছে দেশটিতে।


নিউইয়র্কে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটের দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচে ভারতের মুখোমুখি হচ্ছে আজ বাংলাদেশ।

বই পড়লেই কেউ জ্ঞানি হয়ে যাবে ব্যাপারটা আসলে তা না। বই পড়লে অনেক কিছু বদলে যায় এবং সুবিধা পাওয়া যায়।

 বই পড়লেই কেউ জ্ঞানি হয়ে যাবে ব্যাপারটা আসলে তা না। বই পড়লে অনেক কিছু বদলে যায় এবং সুবিধা পাওয়া যায়। নিচের দশটি কারণে প্রতিটি মানুষেরই সময় পেলেই নিয়মিত বই পড়া দরকার- 


১) মানসিক উদ্দীপনা বাড়াতে: স্থবির মনের উদ্দীপনা বাড়াতে বইয়ের চেয়ে ভালো আর কিছুই হতে পারে না।


২) স্ট্রেস কমানো : খুবই মানসিক চিন্তায় আছেন। সুন্দর একটি বই পড়া শুরু করুন। দেখবেন অবসাদ কমে যাচ্ছে।


৩) জ্ঞান বাড়াতে : কথা একটাই বই হলো জ্ঞানের ভাণ্ডার।


৪) শব্দভাণ্ডার বিস্তার : একমাত্র বই পড়ার মাধ্যমেই আপনি নতুন শব্দভাণ্ডারে নিজেকে সমৃদ্ধ করতে পারেন।


৫) স্মৃতি উন্নয়ন : বই আপনার স্মরণশক্তি বাড়াতে দারুণ এক কার্যকরী ভূমিকা রাখে।


৬) বিশ্লেষণাত্মক চিন্তার দক্ষতা : বই পড়ার মাধ্যমে আপনার যেকোনো একটা বিষয়ে বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা অথবা দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।


৭) চিন্তার উৎকর্ষতা : শুধু যে আপনি ভালো বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা অর্জন করবেন তা না। ভালো বই পাঠ চিন্তার উৎকর্ষতা বাড়াতে সাহায্য করে।


৮) ভালো লেখার ক্ষমতা : বই পড়লে শুদ্ধ করে, সুন্দর শব্দ চয়নে লিখার ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।


৯)প্রশান্তি : মানসিক প্রশান্তি বাড়াতে বইয়ের চেয়ে ভালো আর কিছুই হতে পারে না।


১০) বিনোদন : নির্জনতায় নিজের মতো করে শব্দহীন বিনোদন চান। নিজের মাঝে নির্মল পরিবেশের সুন্দর একটি আবহ তৈরি করতে চান। 

তবে বই, বই আর বই।


তাই বই পড়ুন জীবনের জন্য।

(বিঃদ্রঃ  এছাড়াও আরো একাধিক কারণ আছে, আপনাদের কাছে থাকা কারণগুলো লিখুন আমি এড করে নিব।)


শুক্রবার, ৩১ মে, ২০২৪

সকাল ৭ টার  সংবাদ।  তারিখ: ৩১-০৫-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭ টার  সংবাদ। 

তারিখ: ৩১-০৫-২০২৪ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় সবকিছু করবে সরকার - পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে বললেন প্রধানমন্ত্রী। 


ছোট দ্বীপ ও আফ্রিকার স্বল্পোন্নত দেশগুলোর জন্য বঙ্গবন্ধু মেরিন স্কলারশীপ চালু করতে চায় বাংলাদেশ - আইএমও মহাসচিবের সৌজন্য সাক্ষাৎকালে বলেছেন শেখ হাসিনা। 


হেলপার যেন ড্রাইভার হয়ে গাড়ি না চালায় সেদিকে নজরদারি বাড়ানোর তাগিদ দিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী। 


আসন্ন ঈদ-উল আযহায় কোরবানির জন্য স্বাস্থ্যসম্মত নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ করতে হবে - সাংবাদিকদের জানালেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী। 


 বিশ্বের অন্যান্য স্থানের মতো দেশে আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস।


ভারতের জম্মুতে বাস দুর্ঘটনায় তীর্থযাত্রী নিহতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে অন্তত ২২।


বঙ্গবন্ধু কাপ আন্তর্জাতিক কাবাডি টুর্নামেন্টে পোল্যান্ডকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উন্নীত বর্তমান চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার, ৩০ মে, ২০২৪

কিংবদন্তি রোমান্টিক কবি আলেক্সান্দার  পুশকিন  তাকে রুশ ভাষার শ্রেষ্ঠ কবি ও আধুনিক সাহিত্যের জনক বলা হয়।

 কিংবদন্তি রোমান্টিক কবি আলেক্সান্দার  পুশকিন 

তাকে রুশ ভাষার শ্রেষ্ঠ কবি ও আধুনিক সাহিত্যের জনক বলা হয়।

রুশ ভাষার স্বর্ণ যুগের কবির মৃত্যু দিবসে তার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।

কবি পুশকিন তৎকালীন জার শাসকের বিরুদ্ধে কবিতা লিখে নির্বাসিত হতে হয়েছে! তিনি শুধু একজন নন, তার উপন্যাস, কাব্যিক উপন্যাস, কবিতা, নাটক, ছোটগল্প, রূপকথা , সাহিত্য আন্দোলন , রোমান্টিকতা, বাস্তববাদী লেখক হিসেবে সমাদৃত হয়েছেন পৃথিবীর বুকে।

তার রোমান্টিক কবিতায় লিখেছেন ‍ঃ- 


তৃষ্ণার্ত ভিড় আপনার কোমল শোকে,

আপনার ঘনিষ্ঠতা যা আমাকে নেশা করে

এবং জ্বলন্ত, মধুর আকাঙ্ক্ষার জিহ্বা,

আবেগ যার ওয়াইন সন্তুষ্ট না।

তবে সেই গল্প দিয়ে কাটা,

লুকোও, তোমার স্বপ্ন বন্ধ করে দাও:

এর শিখা আমি জ্বলতে ভয় করি,

আমি তোমার গোপন রহস্য জানতে ভীত ।


কবি পুশকিন ৬ জুন ১৭৯৯ সালে রুশ  রাশিয়ার মস্কোতে এক অভিজাত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা, সের্গেই লভোভিচ পুশকিন, অভিজাত পুশকিন পরিবারের সদস্য ছিলেন। তার প্রমাতামহ ছিলেন মধ্য-আফ্রিকান বংশোদ্ভূত জেনারেল আব্রাম পেত্রোভিচ গ্যানিবাল। তিনি ১৫ বছর বয়সে তার প্রথম কবিতা প্রকাশ করেন এবং সারস্কোয়ে সেলো লাইসিয়াম থেকে স্নাতকত্ব লাভ করার সময় অবধি সাহিত্য মহলে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন।


কবি পুশকিন লাইসি থেকে স্নাতকত্ব লাভের পর পুশকিন তার বিতর্কিত কবিতা "ওড টু লিবার্টি" আবৃত্তি করেন, যা রাশিয়ার জার প্রথম আলেকজান্ডার কর্তৃক তার নির্বাসন দানের অন্যতম কারণ। জারের রাজনৈতিক পুলিশ বাহিনীর কঠোর নজরদারিতে, লেখা প্রকাশ করতে অক্ষম থাকা অবস্থাতেই পুশকিন তার সবচেয়ে বিখ্যাত নাটক বোরিস গোদুনোভ লিখেছিলেন। তার কাব্যিক উপন্যাস, ইউজিন ওনেজিন, ১৮২৫ থেকে ১৮৩২ সালের মধ্যে ধারাবাহিক ভাবে লিখিত হয়।


স্বদেশের প্রেমের কবিতায় তিনি লিখেছেন ঃ-


এটি ছিল তার স্বদেশে, সেই নীল আকাশের নীচে

সে, শুকনো গোলাপ ...

অবশেষে তিনি মারা গেলেন, একটি নিঃশ্বাস তুই

কৈশোরের ছায়া যা কেউ স্পর্শ করে না;

কিন্তু আমাদের মধ্যে একটি লাইন আছে, এটি একটি অতল গহ্বর।

আমি আমার অনুভূতিকে বৃথা চেষ্টা করার চেষ্টা করেছিলাম:

মৃত্যুই বলেছিল ঠোঁট অন্ধকার

এবং, আমি তাকে উদাসীনভাবে উপস্থিত হয়েছি।

আমি তখন তাকে উত্সাহিত আত্মার সাথে ভালবাসি,

সাসপেন্সে আমি কাকে ভালবাসি,

অনেক অসীম, প্রেমময় দুঃখের সাথে,

নীরব শাহাদাত, প্রলাপ সহ।

প্রেম আর শোকের কি হল? ওহ আমার আত্মায়

নিষ্পাপ, দরিদ্র ছায়ার জন্য

হারিয়ে যাওয়া দিনের সুখের স্মৃতির জন্য,

আমার কোনও অশ্রু নেই, এমন কোনও সংগীত নেই যা তার নাম রাখে।


মস্কোতে জন্মগ্রহণ কারী পুশকিন ধাত্রী ও ফরাসি শিক্ষকগণের নিকট শিক্ষা লাভ করেন এবং দশ বছর বয়স অবধি মূলত ফরাসি ভাষায় কথা বলতেন। তিনি গৃহভৃত্যগণ এবং তার আয়া, আরিনা রদিওনোভনা, যার প্রতি তিনি তার নিজের মায়ের চেয়ে বেশি অনুরক্ত ছিলেন, তাদের মাধ্যমে রুশ ভাষার সাথে পরিচিত হয়ে ওঠেন। তিনি ১৫ বছর বয়সে তার প্রথম কবিতা প্রকাশ করেন। সেন্ট পিটার্সবার্গের কাছে সারস্কোয়ে সেলোতে, মর্যাদাপূর্ণ ইম্পেরিয়াল লাইসিয়ামের প্রথম স্নাতক শ্রেণীর অংশ হিসেবে যখন তিনি পড়া শেষ করেন, ইতোমধ্যে তার প্রতিভা রুশ সাহিত্য জগৎ অবগত হয়ে যায়। বিদ্যালয় শেষে পুশকিন, রাজধানী সেন্ট পিটার্সবার্গের প্রাণবন্ত এবং উচ্ছৃঙ্খল বুদ্ধিজীবী তরুণদের সংস্কৃতিতে ডুব দেন। ১৮২০ সালে তিনি তার প্রথম দীর্ঘ কবিতা, রুসলান এবং লুডমিলা প্রকাশ করেন, যার বিষয় ও শৈলী নিয়ে বহু বিতর্ক হয়।


লাইসিয়ামে থাকাকালীন, পুশকিন, আলেকজান্ডার পেত্রোভিচ কুনিৎসিনের কান্টীয় উদারনৈতিক ব্যক্তিত্ববাদী শিক্ষা দ্বারা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হন এবং পরবর্তীতে ১৯ অক্টোবর কবিতায় পুশকিন তাকে স্মরণ করেন। পুশকিন এছাড়াও ফরাসি জ্ঞানের চিন্তায় নিজেকে ডুবিয়ে রাখেন, বিশেষ করে দিদেরো এবং ভলতেয়ার, যাদেরকে তিনি বর্ণনা করেছেন এভাবে "নতুন পথের প্রথম অনুসারী এবং ইতিহাসের অন্ধকার আধারে দর্শনের প্রদীপ আনয়নকারী ।


পুশকিন ধীরে ধীরে সামাজিক সংস্কার সম্পর্কে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়ে ওঠেন এবং সাহিত্যিক সংস্কারবাদীদের জন্য একজন মুখপাত্র হিসেবে আবির্ভূত হন। এর ফলে সরকার তার ওপর ক্ষুব্ধ হয় এবং ১৮২০ সালের মে মাসে তাকে রাজধানী ত্যাগ করতে হয়। তিনি প্রথমে ককেসাস ও ক্রিমিয়া ও পরবর্তীতে কামিয়ানকা এবং মলদোভার কিশিনাউ এ যান, যেখানে তিনি একজন ফ্রিম্যাসন হয়ে ওঠেন।


তিনি ফিলিকি ইটেরিয়া নামক একটি গোপন সংগঠনে যোগ দেন, যার উদ্দেশ্য ছিল গ্রীসে উসমানীয় শাসন উৎখাত এবং একটি স্বাধীন গ্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা। তিনি গ্রিক বিপ্লব দ্বারা অনুপ্রাণিত হন এবং যখন উসমানীয় তুর্কিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হয় তখন তিনি গণজাগরণের ঘটনাগুলো একটি ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ করে রাখেন।


কবি পুশকিন ২৬ মে ১৮৩৭ সালে ৩৭ বছর বয়সে রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে মৃত্যুবরণ করেন।

শিক্ষণীয় গল্প: ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 শিক্ষণীয় গল্প:

একজন বয়স্ক মহিলার দুটি বড় পাত্র ছিল, যা তার কাঁধের বাকের দুই প্রান্তে ঝোলানো ছিল। 


একটি পাত্রের মধ্যে সূক্ষ্ম একটি ফাটল ছিল কিন্তু অন্য পাত্রটি ছিল নিখুঁত এবং নদী থেকে জল আনার সময় একটি পাত্র পুরোপুরি জলে ভর্তি থাকতো অপরটি অর্ধেক জল পূর্ণ থাকত। 


পুরো দুই বছর ধরে,এভাবেই ভদ্রমহিলা দেড় পাত্র জল নিয়ে ঘরে ঢুকতেন। 


অবশ্যই, নিখুঁত পাত্র তার পূর্ণতার জন্য  গর্বিত ছিল কিন্তু বেচারা পটকা পাত্র নিজের অপূর্ণতার জন্য লজ্জিত ছিল এবং তার মনে দুঃখ ছিল যে পুরো জল কখনোই বহন করতে পারে না। 


দুই বছর পর খুঁত যুক্ত পাত্রটি বৃদ্ধার কাছে খুব দুঃখ করে বলল-আমি সত্যি সত্যি নিজে নিজের অক্ষমতার জন্য লজ্জিত। আমার যা করা উচিত ছিল আমি সেটা কখনোই করে উঠতে পারি না। আমার ভেতর একটা ফাটল আমাকে আমার কাজ করতে দেয় না।


বৃদ্ধা মুচকি হেসে বললেন, 'আচ্ছা খেয়াল করেছ,তোমাকে যে রাস্তা দিয়ে নিয়ে আসা হয় সেই রাস্তার পাশে কত ফুলের সারি! আমি তোমার ত্রুটি জানি, যে স্থান দিয়ে তোমাকে আনা হয় সেখানে আমি কিছু ফুলের বীজ ছড়িয়ে দিয়েছি, সেখান থেকে গাছ হয়ে ফুল জন্মেছে। পথের পাশের ওই ফুল গুলিকে তুমি নিজের অজান্তে প্রতিদিন যখন আমরা ফিরে যাই,

তুমি তাদের জল দাও।

আমি দু'বছর ধরে ওখান থেকে ফুল তুলে এনে আমার টেবিলের সাজিয়ে রাখি। তুমি অপূর্ন না হতে তাহলেই ফুল ফুটতো না, এ ফুল আমি পেতাম না 


গল্পের নৈতিক:

আমাদের প্রত্যেকের নিজস্ব স্বতন্ত্র ত্রুটি রয়েছে। এগুলি নিয়ে খুব বেশি ভাবার প্রয়োজন নেই। জীবনকে নিজের ছন্দে, নিজের মতো করে চলতে দেয়া উচিত। এতে জীবনের স্বাভাবিক সৌন্দর্য ফুটে ওঠে। ত্রুটিযুক্ত মানুষের ভেতরে যে সৎ গুনাবলী আছে, সেগুলোর সদব্যবহার যদি আমরা করতে পারি তাতে সুন্দর হয় সমাজ, সমৃদ্ধ হয় দেশ।


ব্রিটিশ আমল থেকে অভিনয় করছেন বাংলাদেশের এই অভিনেতা, চেনেন তো?

 ব্রিটিশ আমল থেকে অভিনয় করছেন বাংলাদেশের এই অভিনেতা, চেনেন তো?

ব্রিটিশ ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ—তিন আমলেই অভিনয় করা মানুষ মাসুদ আলী খান। মঞ্চ, টিভি ও চলচ্চিত্র—তিন মাধ্যমেই বিচিত্র সব চরিত্রে অভিনয় করে হয়ে উঠেছেন সবার চেনা। গুণী এই অভিনয়শিল্পী গতকাল শুক্রবার পেয়েছেন ‘মেরিল-প্রথম আলো আজীবন সম্মাননা ২০২৪’। তাঁর অভিনেতা হয়ে ওঠার গল্প শোনাচ্ছেন আলতাফ শাহনেওয়াজ


মঞ্চে রানাপ্রতাপ সিংহ নাটকের অভিনয় চলছে। মানিকগঞ্জের জামির্ত্তা সত্যগোবিন্দ উচ্চবিদ্যালয় মাঠে রাত নামলেও হ্যাজাকের আলোয় মাঠটি তখন দিনের চেয়েও উজ্জ্বল। মঞ্চে গুটিসুটি পায়ে উঠল দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়া ছোট্ট এক ছেলে। অভিনয় আর কী, মঞ্চে উঠে দরাজ গলায় গান গাইল। তাতেই ধন্য ধন্য পড়ে গেল। 


‘গলাডা কী সোন্দর! এইডা কার পোলা?’


‘চিনো না? ধানবাড়িয়ার আরশাদ আলীর পোলা।’


লোকজন যখন এসব বলাবলি করছিল, ছোট্ট বালক মাসুদ তখন উত্তেজনা আর আনন্দে আটখানা। নাটক শেষে সে মেকাআপও তুলল না, বাড়ি ফিরে সে বেশেই ঘুমিয়ে পড়ল। পরদিন স্কুলেও গেল ওই সাজে—যেন বরাবরই সে চারণ বালক!


‘ভবিষ্যতে আমি যে অভিনেতাই হব—সেদিনই বোধ হয় নির্ধারিত হয়ে গিয়েছিল,’ বললেন মাসুদ আলী খান। আমাদের দেশের জীবিত অভিনয়শিল্পীদের মধ্যে তিনিই সম্ভবত এখন সবচেয়ে বয়স্ক। তাঁর বয়স এখন ৯৪ বছর।


‘এত বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছেন…আপনি তো জাতীয় বাবা’ বলতেই আমাদের সংশোধন করে দিলেন এই বর্ষীয়ান অভিনেতা, ‘না না, বাবা ছাড়িয়ে আমি এখন দাদা।’


১৯৯৯ সালে পেয়েছিলেন প্রথম মেরিল-প্রথম আলো সমালোচক পুরস্কার। আর এবার রজতজয়ন্তীর বছরে পেলেন ‘আজীবন সম্মাননা’। সেই উপলক্ষেই দিন কয় আগে তাঁর গ্রিন রোডের বাসায় গিয়েছিলাম আমরা। ঘরে ঢুকতেই দেখা গেল শ পাঁচেক নাটকে অভিনয় করা মানুষটি চেয়ারে বসে আছেন। সামনে ওয়াকার। আট বছর আগে পা পিছলে পড়ে গিয়েছিলেন। তখন থেকেই ওয়াকার তাঁর সঙ্গী। বললেন, ‘এখনো অভিনয় করি, তবে শুয়ে শুয়ে। হাঁটতে তো পারি না। কিছু মনে করতেও কষ্ট হয়।’


ড্রামা সার্কেল প্রযোজিত দৃষ্টি নাটকে

স্মৃতি মনে করতে কষ্ট হয় বলেই কি পুরোনো ছবির অ্যালবামে খোঁজেন ফেলে আসা দিন? মাসুদ আলী খানের বসার ঘরে ঢুকতেই দেখা গেল টেবিলে একতাড়া সাদাকালো ছবি। সবই নাটকের। আমাদের হাত থেকে ছবিগুলো নিয়ে ছুঁয়ে ছুঁয়ে দেখেন, ‘এই সবই ড্রামা সার্কেলের নাটকের ছবি। এই যে রক্তকরবীর শো…এই যে লায়লা সামাদ… এই যে আর্মস অ্যান্ড দ্য ম্যান নাটকে আমি, মাঝখানে কেয়া চৌধুরী, তারপর বুলবুল আহমেদ…আর এই যে কালো চুলে যাকে দেখছেন, সে কে বলুন তো?’


প্রশ্নটি তিনি করলেন, উত্তরও তিনিই দিলেন। এর মধ্যেই এই অভিনেতার মুখে বাঁকা চাঁদের মতো একফালি হাসি ফুটেছে। ভাবছি, কালো চুলের এমন মাসুদ আলী খানকে কি আমরা কখনো দেখেছি!


মাসুদ আলী খান, ১৯৬০

মাসুদ, মাখন অথবা নিজাম


সনদপত্রে মাসুদ আলী খানের জন্মসাল ১৯৩১। তবে তাঁর কাছ থেকে জানা গেল, ‘আমার জন্ম এরও দুই বছর আগে, মানিকগঞ্জের পারিল নওধা গ্রামে, নানাবাড়িতে।’


বাবা আরশাদ আলী খান ছিলেন সরকারি চাকুরে। থাকতেন কলকাতায়। মা সিতারা খাতুন। পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে মাসুদ তৃতীয়। মা তাঁকে আদর করে ডাকতেন ‘মাখন’ আর বাবা ‘নিজাম’। আমাদের সঙ্গে গল্প করতে করতে মানিকগঞ্জের মাঠঘাট আর কলকাতার পথে পথে যেন ছুটে বেড়াচ্ছিলেন বাবা-মায়ের সেই মাখন বা নিজাম।


‘বাবা গান গাইতেন ও লিখতেন। বাদামি রঙের একটা বাঁধানো খাতায় সেই গান তুলে রাখতেন মা। আমাদের বাড়িতে গ্রামোফোন ছিল। আঙ্গুরবালা, হরিমতির গান বাজত। সেসব শুনে শুনে খুব ছোট থেকেই আমি গলায় গান তুলে নিতে পারতাম,’ স্মৃতি হাতড়ে শৈশবে চলে গেছেন মাসুদ। ‘ক্লাস টু পাস করে আমরা কলকাতা চলে গেলাম। দেশভাগের পরের বছর ১৯৪৮ সালে আবার এ বাংলায় ফিরে এলাম। তখন আমি নাইনে পড়ি। মানিকগঞ্জে নয়, কুমিল্লায় বড় বোনের বাড়িতে আমার ঠাঁই হলো। তখন আমি ফুটবল খেলি আর গলা ছেড়ে গাই, ‘ভালোবাসা মোরে ভিখারি করেছে তোমারে করেছে রানী।’


তাহলে কি নাটক তাঁর জীবনে ছিল না এ সময়?


মাথা ঝাঁকালেন মাসুদ আলী খান, ছিল। স্কুলের বার্ষিক নাটকগুলোতে তিনি ছিলেন অপরিহার্য অভিনেতা। আর কুমিল্লাবাসের সময় ভার্নাল থিয়েটারের সাহজাহান নাটকেও অভিনয় করেছিলেন।


মাসুদ আলী খান বিচিত্র সব চরিত্রে অভিনয় করে হয়ে উঠেছেন সবার চেনাছবি: কবির হোসেন

প্রেম এসেছিল নীরবে


১৯৪৯ সালে মাধ্যমিকের পর উচ্চমাধ্যমিক পড়তে চলে এলেন ঢাকা। তবে এর আগে তাঁর জীবনে ‘প্রেম এসেছিল নীরবে’। কুমিল্লায় যে বাড়িতে থাকতেন, তার মালিকের মেয়ে রুবী। তাঁকে দেখে তরুণ মাসুদ আলী খানের মনে অনুরাগ জন্মাল। কিন্তু রুবীকে মুখ ফুটে কখনো বলতে পারেননি সে কথা।


মজার ব্যাপার হলো, ১৯৫৫ সালে তাহমিনা খান নামে যাঁকে বিয়ে করেন, তাঁর ডাকনামও রুবী! ‘নামের কারণেই বোধ হয় তাঁর প্রেমে পড়েছিলাম,’ বলতে বলতে হেসে ফেললেন মাসুদ আলী খান। তাঁর স্ত্রী তখন পাশে বসে হাসিমুখেই শুনছিলেন এ গল্প।


ঢাকায় ‘বখে’ যাওয়া


‘ঢাকায় আজিমপুরে বড় ভাই মাহবুব আলী খানের মেসে এসে উঠলাম।’ পড়াশোনার পাশাপাশি এ সময় ডাক ও টেলিফোন বিভাগে কাজও জুটিয়ে ফেললেন। ‘পড়াশোনা লাটে উঠল। ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা দিলাম না। সবাই বলল, আমি বখে গেছি।’


এক বছর বাদে ১৯৫২ সালে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। দুই বছর পর জগন্নাথ কলেজ থেকে বিএ।


সেই ‘বখে’ যাওয়া জীবনেই প্রথম মার্ক্সবাদের সংস্পর্শে আসেন মাসুদ আলী খান। ‘তখন শুধু রাত জেগে পোস্টার মারতাম।’ এর মধ্যেই যুক্ত হন শহীদ সাবের, বদরুল হাসান, ফওজুল করিম, মেসবাহ-উল হক, মন্টু খানদের গড়ে তোলা সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘অগ্রণী শিল্পী সংঘ’-এর সঙ্গে।


সেই উত্তাল সময়ের গল্প আরও বিশদে জানতে চাই আমরা। কিন্তু অস্ফুট স্বরে, সলজ্জ ভঙ্গিতে মাসুদ আলী বললেন, ‘কিছুই যে মনে নেই!’


বাঁ থেকে (দাঁড়ানো): জামাতা নাজির আহমেদ খান, মেয়ে নাজমা খান, পুত্রবধূ মুতরিবা শিরিন, ছেলে মাহমুদ আলী খান। (নিচে বাঁ থেকে) নাতনি অমি, নাতনি শ্রেয়া, মাসুদ আলী খান, স্ত্রী তাহমিনা খান ও নাতি অয়নছবি: পারিবারিক অ্যালবাম থেকে

ড্রামা সার্কেলের দিনগুলো


আরও অনেক কিছুই তাঁর মনে নেই । একসময় যে ‘ড্রামা সার্কেল’–এর সক্রিয় সদস্য ছিলেন, এটা মনে থাকলেও কোথায় মহড়া করতেন, কীভাবে নাটক করতেন এবং কোন কোন প্রযোজনায় অংশ নিয়েছেন—এসব আর সেভাবে মনে নেই।


হেদায়েত হোসাইন মোরশেদের ‘ড্রামা সার্কেল: প্রসঙ্গকথা এবং একক বজলুল করিম’ লেখা থেকে জানা যায়, ১৯৫৬ সালে মাকসুদুস সালেহীন ও বজলুল করিম গড়ে তোলেন ড্রামা সার্কেল। দলটিকে বলা হয় ঢাকার প্রথম আধুনিক নাট্যদল। প্রায় শুরু থেকেই দলটির সঙ্গে ছিলেন মাসুদ আলী খান। ড্রামা সার্কেলের হয়ে রক্তকরবী, বহিপীর, রাজা ও রাণী, ইডিপাস, আর্মস অ্যান্ড দ্য ম্যান, দৃষ্টিসহ বহু নাটকে অভিনয় করেন তিনি। নব্বইয়ের দশকে দলটি পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় হয়ে যাওয়ার আগপর্যন্ত এখানে তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি ছিল।


অভিনয়ের পাশাপাশি কখনো কখনো নাট্যপরিচালনাও করেছেন তিনি। ১৯৬৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক সংসদের উদ্যোগে বাংলা একাডেমি মঞ্চে তাঁর পরিচালনায় মঞ্চস্থ হয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের তাসের দেশ।


বরেণ্য অভিনেতা মাসুদ আলী খানকে মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার ২০২৩ আজীবন সম্মাননা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে (বাঁ থেকে) উপস্থাপক হানিফ সংকেত, শিল্পী রফিকুন নবী, মাসুদ আলী খান ও স্কয়ার টয়লেট্রিজ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী। গতকাল রাজধানীর ইউনাইটেড কনভেনশন সেন্টারের দ্য গ্রেস মিলনায়তনেছবি: সাজিদ হোসেন

মঞ্চ থেকে ছোট-বড় পর্দায়


১৯৬৪ সালে ঢাকায় টেলিভিশন স্থাপিত হওয়ার পর পর নূরুল মোমেনের নাটক ভাই ভাই সবাই দিয়ে ছোট পর্দায় মাসুদ আলী খানের অভিষেক। আর সাদেক খানের নদী ও নারী দিয়ে বড় পর্দায় হাতেখড়ি। এই চলচ্চিত্রে নায়ক আসগর চরিত্রে অভিনয় করে সবার নজর কাড়েন।


এরপর পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে একের পর এক বৈচিত্র্যময় নানা চরিত্র করে চেনামুখ হয়ে ওঠেন মাসুদ আলী খান।


অনেক সিঁড়ি পেরিয়ে


ব্যক্তিজীবনে এই অভিনেতার এক ছেলে ও এক মেয়ে। ছেলে মাহমুদ আলী খান যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী। আর মেয়ে নাজমা খান ধানমন্ডির বাসিন্দা। চাকরিজীবনে সরকারের নানা দপ্তরে কাজ করেছেন তিনি। ১৯৬২ সালে শুরু করেন পর্যটন করপোরেশনের চাকরি। আর ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনের সচিব হিসেবে চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কাজ করেছেন আরও এক যুগ। এর পর থেকে অভিনয়ই তাঁর ‘পেশা’। আলাপের শেষ বেলায় হাসির ছলে যেমনটা বললেন, ‘অভিনেতার চাকরি করি।’


ওসিয়তনামা(উইল)।

 ⛔ওসিয়তনামা(উইল)।👇 ওসিয়তনামা (উইল) এর নমুনা ফরম্যাট নোট: বাংলাদেশে মুসলিম ব্যক্তির ওসিয়ত সাধারণত মোট সম্পদের এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত কার্যকর হয়...