এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ২৫ জুন, ২০২৪

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ২৪-০৬-২০২৪

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ২৪-০৬-২০২৪


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


আওয়ামী লীগের মূল শক্তি দেশের জনগণ, কোনো আঘাতেই আওয়ামী লীগকে নিশ্চিহ্ন করা যাবে না - দলের প্লাটিনাম জয়ন্তীর আলোচনা সভায় বললেন দলীয় সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


নানা কর্মসূচিতে উদযাপিত হলো দেশের বৃহত্তম ও উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।


বর্ণচোরা বিএনপির নেতৃত্বে গড়ে ওঠা সাম্প্রদায়িক অপশক্তিকে প্রতিহত করাই আওয়ামী লীগের আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ - বললেন দলের সাধারণ সম্পাদক।


বিএনপি স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক অপশক্তির তোষণ না করলে আওয়ামী লীগের ৭৫ বছরের দৃপ্ত পথচলায় দেশ আরও এগিয়ে যেতো - মন্তব্য ডক্টর হাছান মাহমুদের। 


 তীব্র দাবদাহে এ বছরের পবিত্র হজ মৌসুমে এক হাজার তিনশো’র বেশি হজযাত্রী মারা গেছে - জানিয়েছে সৌদি সরকার। 


আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার-এইটে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছে ইংল্যান্ড - এখন দক্ষিণ আফ্রিকার মুখোমুখি ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

সোমবার, ২৪ জুন, ২০২৪

রক্ষিতা ও স্ত্রী এর মধ্যে পার্থক্য,,,, বনি আমিন ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 র*ক্ষিতা ও স্ত্রী এর মধ্যে পার্থক্যঃ

-     -     -     -     -     -     - 

র*ক্ষিতা পালন করতে বেশ ঝামেলা আছে, বদনাম ও অপবাদ এর আশঙ্কা অনেক। তবে 'মজা মারে ফজা ভাই' এর মত থ্রিলিং এবং বেশ ফুর্তি লাগে। একজন ব্যাক্তি তার স্ত্রীর কাছে সাংসারিকভাবে দায়বদ্ধ থাকে অর্থাৎ 'কমিটেড' থাকে যেখানে স্ত্রীও নির্ভরতা পায় বা ভরসা পায় কিন্তু একজন র*ক্ষিতার ক্ষেত্রে বিষয়টি উল্টো। র*ক্ষিতা প্রয়োজন মোতাবেক তার র*ক্ষকের চাহিদা পূরণ করে। র*ক্ষক নিজে এমনকি 'সেদ্দ নুডুলস' হলেও [র*ক্ষিতা কি আদৌ মজা পেল নাকি পেলো না] সেটা নিয়ে সে ভাবেনা। তার যখন জল ছাড়ার প্রয়োজন হবে তখন সে জল ছাড়বে আর র*ক্ষিতা সে 'পাতলা জল' উঁহু আঁহা করে ভেতরে নিয়ে নেবে। র*ক্ষিতা তার সার্ভিস দিয়ে সে মোতাবেক নিজের ফায়দা আদায় করে নেয়, কিন্তু তার সম্পর্কের নির্ভরতা বা সিকিউরিটি পায় না। মোট কথা স্ত্রীর প্রতি একজন ব্যাক্তির যে দায় দেনা থাকে তা একজন র*ক্ষিতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। তবে ঘন ঘন আসা যাওয়া ও বেশি ফুর্তি করতে গেলে ধরা খাবার আশংকা থাকে, অতঃপর পাড়া পড়শীরা মৌলভী ডেকে র*ক্ষিতার সাথে র*ক্ষকের বিয়ে পড়িয়ে দেন। 


আমার জন্মদেশের সাথে প্রতিবেশী দেশ ভারতের সম্পর্ক র*ক্ষিতা ও র*ক্ষকের। কেউ স্বীকার করতে না চাইলেও বাস্তব বিষয় এটা। তবে ভারত বেশ বদনাম পাচ্ছে কিন্তু গায়ে মাখছে না। কারণ আমার জন্মদেশকে সরাসরি তার অন্তর্ভুক্ত রাজ্য বলে ঘোষণা দিলে তার দায়বদ্ধতা বেড়ে যাবে। কোন রাজস্ব ঘাটতি বা প্রকৃতিক দুর্যোগে সাহায্য সহ তার অন্যান্য স্টেট এর মত তাকে ভূর্তকি দিতে হবে। অর্থাৎ দায়বদ্ধতা বেড়ে যাবে। বউ হিসেবে পালন করতে গেলে তার খরচ বেড়ে যাবে। সামাজিক পরিচয় না দিয়ে তার চেয়ে দূরে আলাদা কোন ঘরে রেখে 'চুপকে চুপকে' অন্ধকারে গিয়ে মজা মেরে আসাটা বেশ সহজ। তবে ভয়ও আছে, প্রতিবেশী দেশ চায়না, পাকিস্তান বা মায়ানমার কখন যে দুজনকে ধরে জোর করে বিয়ে পড়িয়ে দেন সেটা এখন শুধু দেখার বাকি। ভারত বিনে পয়সায় বেশ ফুর্তি মারছে তার নিবেদিত দাসী রূপ র*ক্ষিতার সাথে। 


অনুরোধঃ আমার এই লেখা যিনি না বুঝে কোন কমেন্ট করবেন অথবা বাং*লা*দেশী ভাষায় অহেতুক গালি দেবে তাকে শেখ 'রাসেল ভাইপার' দিয়ে তাড়িয়ে 'দূর হ' বলে সাথে সাথে ব্লক মেরে শেখের বেটির কাছে পাঠিয়ে দেয়া হবে।

বনি আমিন ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

ফারাক্কা ব্রিজের ইতিহাস,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 📜 ফারাক্কা ব্রিজের ইতিহাস 


আমরা অনেকেই কলকাতার অভিমুখ থেকে পশ্চিমবঙ্গের উত্তরবঙ্গীয় অঞ্চলের দিকে যাত্রা করার সময় ফারাক্কা ব্যারেজ পার করেছি। তবে এই ফারাক্কা ব্রিজের গুরুত্ব ঠিক কতটা তা হয়তো অনেকেই জানিনা। চলুন আজ জেনে নেওয়া যাক ফারাক্কা বাধ সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।

ভারতের হুগলী নদীতে পানি সরবরাহ এবং কলকাতা বন্দরটি সচল করার জন্য ১৯৭৪ সালে এই ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করা হয়, যার অবস্থান বাংলাদেশ থেকে ১৮ কিলোমিটার উজানে ভারতের ভূখণ্ডে গঙ্গা নদীর ওপরে।

১৯৫০ ও ১৯৬০-এর দশকে কলকাতা বন্দরের কাছে হুগলি নদীতে পলি জমা একটা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। এই পলি ধুয়ে পরিষ্কার করার জন্য ফারাক্কা বাঁধ তৈরি করা হয়। শুখা মরসুমে (জানুয়ারি থেকে জুন) ফারাক্কা বাঁধ গঙ্গার ৪০,০০০ ঘনফুট/সে (১,১০০ মি৩/সে) জল হুগলি নদীর অভিমুখে চালিত করে। হিন্দুস্তান কনস্ট্রাকশন কোম্পানি বাঁধটি তৈরি করে।

ফারাক্কা বাঁধ, ভারতের মালদহ ও মুর্শিদাবাদ জেলার গঙ্গা নদীর উপরে নির্মিত একটি বিশাল আকৃতির বাঁধ। এই বাঁধের মাধ্যমে কলকাতা বন্দরের নাব্যতা বজায় রাখার চেষ্টা করছে ভারত সরকার। তবে ফারাক্কা বাঁধ পরিবেশগত ও কূটনৈতিক দৃষ্টিকোণে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও বিতর্কিত বিষয়।

ফারাক্কা বাঁধ গঙ্গা নদীর উপর অবস্থিত একটি বাঁধ। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মালদহ ও মুর্শিদাবাদ জেলায় এই বাঁধটি অবস্থিত। ১৯৬১ সালে এই বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়। শেষ হয় ১৯৭৫ সালে। সেই বছর ২১ এপ্রিল থেকে বাঁধ চালু হয়। ফারাক্কা বাঁধ ২,২৪০ মিটার (৭,৩৫০ ফু) লম্বা।

অবস্থান

মুর্শিদাবাদ, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত

স্থানাঙ্ক

২৪°৪৮′১৬″ উত্তর ৮৭°৫৫′৫৯″ পূর্ব

নির্মাণ শুরু

১৯৬১

উদ্বোধনের তারিখ

১৯৭২

নির্মাণ ব্যয়

₹১৫৬.৪৯ কোটি

নির্মাণ করেছে

হিন্দুস্তান কনস্ট্রাকশন কোম্পানি (এইচসিসি)

নকশাকার

হিন্দুস্তান কনস্ট্রাকশন কোম্পানি (এইচসিসি)

মালিক

ভারতীয় জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ

অপারেটর

ফারাক্কা ব্যারাজ কর্তৃপক্ষ

হিন্দুস্তান কনস্ট্রাকশন কোম্পানি বাঁধটি তৈরি করে। বাঁধটিতে মোট ১০৯টি গেট রয়েছে। ফারাক্কা সুপার তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জল এই বাঁধ থেকেই সরবরাহ করা হয়। এই বাঁধের উপর দিয়ে গিয়েছে ৩৪নং জাতীয় সড়ক যা কিনা বর্তমানে ১২নং জাতীয় সড়ক ও রেলপথ। যা কেবল উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গকেই নয়, ভারতের উত্তরপূর্ব অংশকে বাকী ভারতের সঙ্গে জুড়ে রাখতে বড় ভূমিকা পালন করে। এই বাঁধের মূখ্য উদ্দেশ্য ছিল জলের অভাবে হারিয়ে যেতে বসা গঙ্গার শাখানদী ভাগীরথীকে পুনরায় গঙ্গার জলে পুষ্ট করে, দিন দিন ন‍ব‍্যতা হারিয়ে যাওয়া কলকাতা বন্দরকে পূর্বারূপে কার্যক্ষম করে তোলা। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণে অবস্থিত হলদিয়া বন্দর থেকে উত্তরপ্রদেশের বেনারস অবধি অংশকে ভারতীয় জাতীয় জলপথ-১ এর স্বীকৃতি দিয়েছেন।

ফারাক্কা ব্যারেজ প্রজেক্ট কমপ্লেক্সের মূল উদ্দেশ্য হল ভাগীরথী-হুগলি নদী ব্যবস্থার শাসন ও নাব্যতা উন্নত করে কলকাতা বন্দরের সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য 38.38 কিলোমিটার দীর্ঘ ফিডার ক্যানেলের মাধ্যমে গঙ্গার জলের পর্যাপ্ত পরিমাণ ভাগীরথী-হুগলি নদী ব্যবস্থায় সরানো।

তথ্য কোনো ভুল থাকলে দয়া করে সঠিক তথ্য দিয়ে সাহায্য করবেন।


তথ্য সংগ্রহ - উইকিপিডিয়া 

North Bengal Explorer 

 

রাজদ্বীপ ঘোষ

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 




ইতালিতে কর্মসংস্থান ভিসা পাওয়ার জন্য বাংলাদেশ থেকে কোনো দালালের সাহায্য ছাড়াই কীভাবে আবেদন করবেন, তা জানার জন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 

ইতালিতে কর্মসংস্থান ভিসা পাওয়ার জন্য বাংলাদেশ থেকে কোনো দালালের সাহায্য ছাড়াই কীভাবে আবেদন করবেন, তা জানার জন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন:

1. ইতালিতে চাকরি খুঁজুন:


   - ইতালির কোনো নিয়োগকর্তার কাছ থেকে একটি চাকরির প্রস্তাব পেতে হবে। LinkedIn, Indeed, বা বিশেষ ইতালীয় চাকরির ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে পারেন।
   - আপনার নিয়োগকর্তাকে আপনার কর্মসংস্থান ভিসার জন্য স্পন্সর হতে হবে।

2. লেবার মার্কেট টেস্ট:


   - আপনার নিয়োগকর্তাকে প্রমাণ করতে হবে যে ওই পদে কোনো স্থানীয় বা ইইউ প্রার্থী পাওয়া যাচ্ছে না।

3. নুল্লা অস্টা (Nulla Osta) জন্য আবেদন:


   - আপনার নিয়োগকর্তাকে ইতালির স্থানীয় অভিবাসন অফিসে (Sportello Unico per l’Immigrazione) নুল্লা অস্টার জন্য আবেদন করতে হবে।
   - এটি প্রক্রিয়াকরণ করতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। একবার অনুমোদিত হলে, নুল্লা অস্টা ছয় মাসের জন্য বৈধ থাকে।

4. প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সংগ্রহ করুন:


   - বৈধ পাসপোর্ট
   - পূর্ণাঙ্গ ভিসা আবেদন ফর্ম
   - পাসপোর্ট সাইজের ছবি
   - ইতালিতে থাকার প্রমাণ
   - চাকরির চুক্তি বা নিয়োগপত্র
   - নুল্লা অস্টা (মূল এবং কপি)
   - যোগ্যতার প্রমাণ এবং পেশাগত অভিজ্ঞতা (যদি প্রয়োজন হয়)
   - পর্যাপ্ত আর্থিক সামর্থ্যের প্রমাণ
   - স্বাস্থ্য বীমা কভারেজ

5. ভিসা আবেদন জমা দিন:


   - বাংলাদেশে ইতালির দূতাবাস বা কনস্যুলেটের সাথে অ্যাপয়েন্টমেন্ট শিডিউল করুন।
   - সমস্ত প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস সহ ব্যক্তিগতভাবে আবেদন জমা দিন।
   - ভিসা আবেদন ফি পরিশোধ করুন।

6. সাক্ষাৎকারে অংশগ্রহণ করুন (যদি প্রয়োজন হয়):


   - সাক্ষাৎকারের জন্য প্রস্তুত থাকুন যেখানে আপনাকে আপনার চাকরি, যোগ্যতা এবং ইতালিতে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হতে পারে।

7. প্রক্রিয়ার জন্য অপেক্ষা করুন:


   - প্রক্রিয়াকরণের সময় পরিবর্তিত হতে পারে, তবে সাধারণত কয়েক সপ্তাহ সময় লাগে। আপনার আবেদন স্থিতির আপডেটের জন্য কনস্যুলেটের সাথে যোগাযোগ রাখুন।

8. আপনার ভিসা সংগ্রহ করুন:


   - একবার আপনার ভিসা অনুমোদিত হলে, আপনাকে দূতাবাস বা কনস্যুলেট থেকে এটি সংগ্রহ করতে বলা হবে।

9. ইতালিতে যান:


   - ভিসা পাওয়ার পরে, আপনি ইতালিতে ভ্রমণ করতে পারেন। ইতালিতে পৌঁছানোর আট দিনের মধ্যে আপনাকে স্থানীয় পুলিশ সদর দপ্তরে (Questura) একটি রেসিডেন্স পারমিট (Permesso di Soggiorno) এর জন্য আবেদন করতে হবে।

10. স্থানীয় রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করুন:


    - স্থানীয় নিবন্ধন অফিসে (Anagrafe) নিবন্ধন করুন যাতে আপনি আপনার আবাসনের স্থিতি পেতে পারেন এবং একটি কোডিচে ফিসকালে (কর কোড) পেতে পারেন।

এই ধাপগুলো সঠিকভাবে অনুসরণ করে এবং সমস্ত ডকুমেন্ট সম্পূর্ণ ও সঠিক রাখার মাধ্যমে, দালালের সাহায্য ছাড়াই ইতালির কর্মসংস্থান ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পাবে। সর্বদা বাংলাদেশে ইতালির দূতাবাসের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে সর্বশেষ প্রয়োজনীয়তা এবং নির্দেশিকা চেক করুন।

ফেইসবুক থেকে নেওয়া



রবিবার, ২৩ জুন, ২০২৪

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ২৩-০৬-২০২৪

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ২৩-০৬-২০২৪


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


ভারতে দু’দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 


নতুন দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক - দুই দেশের সম্পর্ক আরো সুসংহত করতে ১০টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর।


টেকসই ভবিষ্যত নিশ্চিত করতে ডিজিটাল ও সবুজ অংশীদারিত্বের জন্য সম্মত বাংলাদেশ ও ভারত।


দেশের বৃহত্তম ও উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ - দলের নেতাকর্মী ও দেশবাসীকে শেখ হাসিনার শুভেচ্ছা।


আওয়ামী লীগের রাজনীতি এদেশের মানুষের কল্যাণের জন্য - বললেন দলের সাধারণ সম্পাদক।


হাসপাতালগুলোতে রাসেল’স ভাইপার-এর এন্টিভেনম পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুদ আছে, জানালেন  স্বাস্থ্যমন্ত্রী - জনগণকে আতংকিত না হওয়ার আহ্বান।


চলতি সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বার ইউক্রেনের বিদ্যুৎ গ্রীডে ব্যাপক হামলা চালালো রাশিয়া।


টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সুপার এইটে কিংসটাউনে এখন পরষ্পরের মুখোমুখি অস্ট্রেলিয়া ও আফগানিস্তান - গতরাতে নর্থ সাউন্ডে ভারতের কাছে ৫০ রানে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


ভারতে দু’দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 


নতুন দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক - দুই দেশের সম্পর্ক আরো সুসংহত করতে ১০টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর।


টেকসই ভবিষ্যত নিশ্চিত করতে ডিজিটাল ও সবুজ অংশীদারিত্বের জন্য সম্মত বাংলাদেশ ও ভারত।


দেশের বৃহত্তম ও উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ - দলের নেতাকর্মী ও দেশবাসীকে শেখ হাসিনার শুভেচ্ছা।


আওয়ামী লীগের রাজনীতি এদেশের মানুষের কল্যাণের জন্য - বললেন দলের সাধারণ সম্পাদক।


হাসপাতালগুলোতে রাসেল’স ভাইপার-এর এন্টিভেনম পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুদ আছে, জানালেন  স্বাস্থ্যমন্ত্রী - জনগণকে আতংকিত না হওয়ার আহ্বান।


চলতি সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বার ইউক্রেনের বিদ্যুৎ গ্রীডে ব্যাপক হামলা চালালো রাশিয়া।


টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সুপার এইটে কিংসটাউনে এখন পরষ্পরের মুখোমুখি অস্ট্রেলিয়া ও আফগানিস্তান - গতরাতে নর্থ সাউন্ডে ভারতের কাছে ৫০ রানে পরাজিত হয়েছে বাংলাদেশ।

রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ তারিখ ২২-০৬-২০২৪

 রাত ৮টা ৩০ মিনিটের সংবাদ

তারিখ ২২-০৬-২০২৪


আজকের সংবাদ শিরোনাম


নতুন দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক --- দুই দেশের সম্পর্ক আরো সুসংহত করতে ১০টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর। 

 

টেকসই ভবিষ্যত নিশ্চিত করতে ডিজিটাল ও সবুজ অংশীদারিত্বের জন্য সম্মত বাংলাদেশ ও ভারত।

 

দেশের বৃহত্তম ও উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আগামীকাল --- দলের নেতাকর্মী ও দেশবাসীকে শেখ হাসিনার শুভেচ্ছা।  

 

আওয়ামী লীগের রাজনীতি এদেশের মানুষের কল্যাণের জন্য --- বললেন দলের সাধারণ সম্পাদক।

 

হাসপাতালগুলোতে রাসেল’স ভাইপার-এর এন্টিভেনম পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুদ আছে, জানালেন  স্বাস্থ্যমন্ত্রী --- জনগণকে আতংকিত না হওয়ার আহ্বান।

 

বরগুনার আমতলীতে সড়ক দুর্ঘটনায় নারী ও শিশুসহ অন্তত নয় জনের প্রাণহানি।

 

গাজায় সর্বশেষ ইসরাইলি হামলায় অন্তত ৪২ ফিলিস্তিনি নিহত।


এবং নর্থ সাউন্ডে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটের সুপার এইটে এখন ভারতের মোকাবেলা করছে বাংলাদেশ।

চীনারা খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকের প্রথম দিকে ঢালাই লোহা তৈরি করেছিল এবং এটি চতুর্দশ শতকের মধ্যে ইউরোপে বিক্ষিপ্তভাবে উত্পাদিত হয়েছিল,,,. ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 চীনারা খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকের প্রথম দিকে ঢালাই লোহা তৈরি করেছিল এবং এটি চতুর্দশ শতকের মধ্যে ইউরোপে বিক্ষিপ্তভাবে উত্পাদিত হয়েছিল। এটি প্রায় ১৫০০ সালে ইংল্যান্ডে চালু হয়েছিল;  ঢালাই লোহা পেটা লোহার তুলনায় একটি সস্তা প্রকৌশল উপাদান ছিল কারণ এর জন্য নিবিড় পরিমার্জন এবং হাতুড়ি দিয়ে কাজ করার প্রয়োজন ছিল না, যদিও এটি অনেক ভঙ্গুর তা সত্ত্বেও, এর ভার বহন করার শক্তি এটিকে গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোগত ধাতুতে পরিণত করেছিল এবং এটি প্রথম দিকের কিছু আকাশচুম্বী ভবনে ব্যবহৃত হত।


উপনিবেশিক ব্রিটিশ শাসনামলে আমাদের দেশের অধিকাংশ জমিদার বাড়ি গুলিতে এবং অভিজাত স্থাপনা গুলিতে এই ঢালাই লোহার একটি সংস্করণ যা স্থাপনা গুলির সৌন্দর্য বর্ধন এবং ভার  বহনের কাজে ব্যাপক আকারে ব্যবহৃত হত যা ইংরেজিতে ডেকোরেটেড কাস্ট  আয়রন  ওয়ার্কস যা বাংলা করলে অলংকৃত ঢালাই লোহার কাজ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে ।

অনেকের ধারণা করতে পারে এই ডেকোরেটেড কাস্ট আয়রনের যাবতীয় কাজ এ দেশেই হতো, ধারণাটা ভুল এর জন্য সবচেয়ে বিখ্যাত ছিল বৃটেনের গ্লাসগো। এবং সেখান থেকেই তখনকার অভিজাত শ্রেণিরা এটি আমদানি করত এই দেশে এবং স্থাপনা গুলিতে ব্যবহার করেছিল। 


ডেকোরেটেড কাস্ট আয়রনের কাজ গুলো এখনও পুরান ঢাকার ফরাসগঞ্জ এর  মঙ্গলাবাস এবং শ্রীশ দাস লেন এর শ্রী শ্রী প্রাণ বল্লভ জিও মন্দির দেখতে পাওয়া যায় ।কাস্ট আয়রনের সেই আদি কাল রূপ আর নেই এর উপরে রং করা হয়েছে।


Voyage Guide Bangladesh 

#পুরান_ঢাকা

শনিবার, ২২ জুন, ২০২৪

বসিরহাটের ঐতিহাসিক ধান্যকুড়িয়া,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বসিরহাটের ঐতিহাসিক ধান্যকুড়িয়া 🏤


আজ থেকে প্রায় দুশো তিরিশ বছর আগের কথা। সুবিশাল এই রাজবাড়ি বানিয়েছিলেন ধান্যকুড়িয়ার জমিদার মহেন্দ্রনাথ গায়েন। সেসময় ফুলেফেঁপে উঠেছিল তাঁর পাটের ব্যবসা। মূলত ইংরেজদের সঙ্গেই চলত তাঁর লেনদেন। আর সেই সুবাদেই উত্তর ২৪ পরগণার এই প্রান্তিক অঞ্চলেও নিত্যদিন লেগে থাকত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সাহেবদের আনাগোনা। তাঁদের বিলিতি সংস্কৃতি, ঐতিহ্যকে উস্কে দিতেই ইউরোপীয় দুর্গের আদলে এই রাজবাড়ি নির্মাণ করেন মহেন্দ্রনাথ।


৩০ একর জায়গায় জুড়ে দাঁড়িয়ে থাকা এই রাজবাড়ির মধ্যেই রয়েছে আস্ত এক পুষ্করিণী, যাতে রাজবাড়ির প্রতিচ্ছবি ঝলমল করে সারাদিন। গোটা দুর্গটিকে কেন্দ্র করে রয়েছে বিশাল এক বাগানও। দুর্গের ভেতরে ঢুকলেও রীতিমতো চমকে যেতে হবে। নানা ধরনের ভিক্টোরিয়ান কারুকাজ থেকে শুরু করে রয়েছে ইতালিয় কাচের তৈরি আসবাব। যা এক কথায় মন্ত্রমুগ্ধকর। গ্রীষ্মকালে এই রাজবাড়িতে এসে অনেক সময়ই ছুটি কাটাতেন ব্রিটিশ সাহেবরা। তাঁদের জন্য ছিল পৃথক নহবতখানা, অতিথিশালা। এমনকি সেসময় এই রাজবাড়ির জন্য পৃথক রেল স্টেশনও তৈরি করেছিল মার্টিন কোম্পানি। গায়েন গার্ডেন নামের সেই স্টেশনে এসে থামত ন্যারো গেজের ছোট্ট বাষ্পচালিত ট্রেন। বর্তমানে অবশ্য সেই স্টেশনের অস্তিত্ব নেই আর। ২০০৮ সালে তা অধিগ্রহণ করে সরকার। গড়ে ওঠে অনাথ মেয়েদের সরকারি হোম। তবে মূল বাড়িটির কিছু অংশের পুনর্নির্মাণ হলেও, সামগ্রিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে ধুঁকছে এই ঐতিহাসিক স্থাপত্যটি। বাড়ির সামনে অবস্থিত শ্বেত পাথরের দুটি সিংহ মূর্তির একটি চুরি গিয়েছিল বহু আগেই। কয়েক বছর আগে আরেকটি সিংহও চড়া দামে বিক্রি করে দেন মহেন্দ্রনাথের উত্তরসূরিরা। তবে শুধু ঔপনিবেশিক ইতিহাসই নয়, এই বাড়িতে শুটিং হয়েছে ‘সত্যান্বেষী’, ‘সাহেব-বিবি-গোলাম’, ‘সূর্যতপা’-সহ একাধিক জনপ্রিয় চলচ্চিত্রেরও। অভিনয় করে গেছেন স্বয়ং উত্তমকুমার। এমনকি বিদেশি বিভিন্ন চলচ্চিত্রেরও শুট হয়েছে এই দুর্গেই।

♦️লেখাটি ভালো লাগলে, দয়া করে শেয়ার করার অনুরোধ রইলো।💚


( #collected )

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


ইন্ডিয়ার কলকাতার দর্শনীয় স্থান সমুহ নিচে দেয়া হলো:,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ইন্ডিয়ার কলকাতার দর্শনীয় স্থান সমুহ নিচে দেয়া হলো: 

১. হাওড়া ব্রীজ, হাওরা 

২. ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল পার্ক 

৩. সায়েন্স সিটি 

৪. নিউমার্কেট এরিয়া, নিউ মার্কেট 

৫. কফি হাউজ, নিউ টাউন 

৬.  ইকো পার্ক, নিউ টাউন 

৭. ইন্ডিয়ান জাতীয় জাদুঘর, নিউ টাউন 

৮. ইন্ডিয়ান মিউজিয়াম, নিউ মার্কেট 

৯. জোড়া সাকো - রবীন্দ্রনাথের বাড়ি। 

১০. রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বড় বাজার।  

১১. নাখোদা জামে মসজিদ, বড় বাজার। 

১২. বিশ্ব বাংলা গেট রেস্টুরেন্ট, নিউ টাউন 

১৩. রবীন্দ্র তীর্থ, বিশ্ব বাংলা গেট।  

১৪. বড় বাজার পাইকারি মার্কেট।  

১৫. ওয়েস্ট বেঙ্গল ফিল্ম সেন্টার

১৬. ইডেন গার্ডেন স্টেডিয়াম। 

১৭. জেমস প্রিনসেপ ঘাট, স্ট্রান্ড রোড 

১৮. মিলেনিয়াম পার্ক, স্ট্রান্ড রোড 

১৯. সেন্ট পলস ক্যাথেড্রাল,

২০. বিড়লা মন্ডির, বালিগংগা 

২১. কালিঘাট মন্ডির, কালিঘাট 

২২. এম-পি বিড়লা তারামন্ডল 

২৩. বিড়লা ইন্ড্রস্ট্রিয়াল মিউজিয়াম 

২৪. আলিপুর চিড়িয়াখানা 

২৫. ইন্ডিয়ান কফি হাউস, কলেজ পাড়া রোড 

২৬. রবিন্দ্র সরোবর / ঢাকুরিয়া লেক, দক্ষিণ কলকাতা 

আপনার পেশা যাইহোক, ভ্রমণ হোক আপনার নেশা 

ধন্যবাদান্তে:,,,,,,,,,,, 

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

তাম্রলিপ্ত রাজবাড়ি, তমলুক পূর্ব মেদিনীপুর,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 একটি ভগ্নপ্রায় রাজবাড়ি ভ্রমণ

তাম্রলিপ্ত রাজবাড়ি, তমলুক পূর্ব মেদিনীপুর


তাম্রলিপ্ত রাজবাড়ি, পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকে অবস্থিত, একটি ঐতিহাসিক প্রাসাদ যা সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি তাম্রলিপ্ত রাজ্যের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের সাক্ষ্য বহন করে, যেখানে স্থাপত্যশৈলী এবং ঐতিহাসিক গুরুত্ব ফুটে উঠেছে। 


ঐতিহাসিক গুরুত্ব

তাম্রলিপ্ত রাজবাড়ির একটি সমৃদ্ধ ইতিহাস রয়েছে, যা তমলুক যখন তাম্রলিপ্ত নামে পরিচিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর শহর ছিল তখনকার সময় থেকে। রাজবাড়িটি প্রাক্তন রাজপরিবারের প্রতীক, যারা এই অঞ্চলের শাসন এবং সাংস্কৃতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। রাজবাড়ির সাথে জড়িত ঐতিহাসিক কাহিনীগুলি আকর্ষণীয়, যা স্থানীয় শাসকদের জীবন এবং প্রাচীন বাংলার সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে।


স্থাপত্যশৈলী

তাম্রলিপ্ত রাজবাড়ির স্থাপত্য ঐতিহ্যবাহী বাংলা এবং ঔপনিবেশিক শৈলীর মিশ্রণ, যা এর নির্মাণকালের স্থাপত্য প্রবণতাকে প্রতিফলিত করে। জটিল খোদাই, বিশাল হল এবং দেশীয় উপকরণের ব্যবহার সেই সময়ের কারুশিল্পের প্রতিচ্ছবি। মূল বৈশিষ্ট্যগুলির মধ্যে রয়েছে:


সামনের অংশ: প্রধান সামনের অংশটি শৈল্পিক অলংকরণ এবং জটিল পাথরের কাজ দ্বারা অলঙ্কৃত।

দরবার হল: একটি বিশাল হল যা সরকারি অনুষ্ঠান এবং সমাবেশের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা রাজপরিবারের ঐশ্বর্য প্রতিফলিত করে।


বর্তমান অবস্থা

বর্তমানে, রাজবাড়িটি একটি জনপ্রিয় পর্যটন আকর্ষণ, যদিও এটি অনেক ঐতিহাসিক স্থানের মতো রক্ষণাবেক্ষণ সমস্যা এবং সময়ের ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণবিদদের প্রচেষ্টা চলছে রাজবাড়িকে তার পুরনো গৌরবে সংরক্ষণ এবং পুনরুদ্ধার করার জন্য।


ফটোগ্রাফি: মনোরম পরিবেশ এবং স্থাপত্যের সৌন্দর্য এটিকে ফটোগ্রাফারের জন্য আদর্শ স্থান করে তুলেছে।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান: ভ্রমণের সময় নির্ভর করে, পর্যটকরা স্থানীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং উৎসব দেখতে পারেন।


একদিনের ভ্রমণ পরিকল্পনা করুন: পুরো প্রাসাদ এবং এর আশেপাশের এলাকাগুলি অন্বেষণ করার জন্য যথেষ্ট সময় বরাদ্দ করুন।  রাজবাড়ির মধ্যে থাকা রাধাকৃষ্ণ মন্দির টি অবশ্যই দেখবেন। এছাড়া আরো অনেক দর্শনীয় স্থানসমূহ হল ৫১ সতীপীঠের একটি বর্গভীমা মন্দির, রূপনারায়ণ নদ, শ্রী শ্রী গৌরাঙ্গ মহাপ্রভুর মন্দির ও রাসমঞ্চ, তাম্রলিপ্ত সংগ্রহশালা, রামকৃষ্ণ মিশন, তমলুক হ্যামিল্টন হাইস্কুল প্রভৃতি। 


তাম্রলিপ্ত রাজবাড়ি তমলুক, পূর্ব মেদিনীপুরে একটি উল্লেখযোগ্য ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক নিদর্শন হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। এর স্থাপত্যের সৌন্দর্য, সমৃদ্ধ ইতিহাস এবং সাংস্কৃতিক গুরুত্ব এটিকে ইতিহাসের উৎসাহী, স্থাপত্য প্রেমী এবং সাংস্কৃতিক অনুরাগীদের জন্য একটি অবশ্যই পরিদর্শনযোগ্য স্থান করে তোলে। ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য এর সমৃদ্ধ অতীত থেকে প্রশংসা করা এবং শেখার জন্য এই ঐতিহ্যবাহী স্থানটি সংরক্ষণের প্রচেষ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


কিভাবে আসবেন: হাওড়া বা সাত্রাগাছি থেকে হলদিয়া বা দীঘা যাওয়ার ট্রেন থেকে তমলুক স্টেশন এ নামুন। টোটো চেপে চলে আসুন রাজবাড়ি। মেছাদা স্টেশন থেকে অনেক বাস আসে তমলুকের উদ্দেশ্যে, যে কোনো একটিতে উঠে পড়ুন।


Post - Raju Sahoo 

ফেইসবুক থেকে নেওয়া 















ওসিয়তনামা(উইল)।

 ⛔ওসিয়তনামা(উইল)।👇 ওসিয়তনামা (উইল) এর নমুনা ফরম্যাট নোট: বাংলাদেশে মুসলিম ব্যক্তির ওসিয়ত সাধারণত মোট সম্পদের এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত কার্যকর হয়...