এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর, ২০২৪

মুসলমান হওয়ার পরও অনেক মানুষ জান্নাতে যাবে না কিছু গোনাহের কারণে।

 মুসলমান হওয়ার পরও অনেক মানুষ জান্নাতে যাবে না কিছু গোনাহের কারণে। এগুলো হলো


১. হারাম খাদ্য ভক্ষণকারী জান্নাতে যাবে না। সুনানে বায়হাকি : ৫৫২০


২. আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী জান্নাতে যাবে না। সহিহ্ বোখারি : ৫৫২৫


৩. প্রতিবেশীকে কষ্ট দানকারী জান্নাতে যাবে না। সহিহ্ মুসলিম : ৬৬


৪. মাতা-পিতার অবাধ্য সন্তান ও দাইয়ুস জান্নাতে যাবে না। হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘তিন শ্রেণির লোক জান্নাতে যাবে না। মাতা-পিতার অবাধ্য, দাইয়ুস (যে তার স্ত্রী-বোন প্রমুখ অধীনস্থ নারীকে বেপর্দা চলাফেরায় বাধা দেয় না) এবং পুরুষের বেশ ধারণকারী নারী।’ মুসতাদরাকে হাকেম : ২২৬


৫. অশ্লীলভাষী ও উগ্র মেজাজি জান্নাতে যাবে না। সুনানে আবু দাউদ : ৪১৬৮


৬. প্রতারণাকারী শাসক জান্নাতে যাবে না। সহিহ্ বোখারি : ৬৬১৮


৭. অন্যের সম্পদ আত্মসাৎকারী জান্নাতে যাবে না। যদিও (আত্মসাৎকৃত সম্পদ) পিপুলগাছের একটি ছোট ডাল হোক না কেন। সহিহ্ মুসলিম : ১৯৬


৮. খোঁটা দানকারী, অবাধ্য সন্তান ও মদ্যপানকারী জান্নাতে যাবে না। সুনানে নাসায়ি : ৫৫৭৭


৯. চোগলখোর জান্নাতে যাবে না। সহিহ্ মুসলিম : ১৫১


১০. অন্য পিতার সঙ্গে সম্বন্ধকারী জান্নাতে যাবে না। অর্থাৎ নিজেকে যে অন্য পিতার সন্তান বলে পরিচয় দেয়, তার জন্য জান্নাত হারাম। সহিহ্ বোখারি : ৬২৬৯


১১. গর্ব-অহংকারকারী জান্নাতে যাবে না। যার অন্তরে অণু পরিমাণ অহংকার রয়েছে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না। সহিহ্ মুসলিম : ১৩১


১২. হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর নাফরমান জান্নাতে যাবে না। হাদিসে ইরশাদ হয়েছে, ‘যে আমার আনুগত্য করে, সে জান্নাতে যাবে। আর যে আমার নাফরমানি করে, সে (জান্নাতে যেতে) অস্বীকার করেছে।’ সহিহ্ বোখারি : ৬৭৩৭


১৩. দুনিয়াবি উদ্দেশ্যে ইলম অর্জনকারী জান্নাতে যাবে না। হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, যে ইলম দ্বারা আল্লাহর সন্তুষ্টি অন্বেষণ করা হয়, সেই ইলম যে ব্যক্তি দুনিয়াবি কোনো স্বার্থ-সম্পদ হাসিলের উদ্দেশ্যে শিক্ষা করে, সে জান্নাতের ঘ্রাণও পাবে না।’ সুনানে আবু দাউদ : ৩১৭৯


১৪. অকারণে তালাক কামনাকারী নারী জান্নাতে যাবে না। সুনানে তিরমিজি : ১১০৮


১৫. কালো কলপ ব্যবহারকারী জান্নাতে যাবে না। হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘শেষ যুগে কিছু লোক কবুতরের সিনার মতো কালো কলপ ব্যবহার করবে। তারা জান্নাতের ঘ্রাণও পাবে না।’ সুনানে নাসায়ি : ৪৯৮৮


১৬. লৌকিকতা প্রদর্শনকারী জান্নাতে যাবে না। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) সূত্রে বর্ণিত এক দীর্ঘ হাদিসে হজরত রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, ‘কিয়ামতের দিন সর্বপ্রথম একজন শহীদকে ডাকা হবে। অতঃপর একজন কারিকে। তারপর একজন দানশীল ব্যক্তিকে হাজির করা হবে। প্রত্যেককে তার কৃতকর্ম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হবে। অতঃপর শহীদকে বীর বাহাদুর উপাধি লাভের উদ্দেশ্যে জিহাদ করার অপরাধে, কারি সাহেবকে বড় কারির উপাধি ও সুখ্যাতি লাভের জন্য কিরাত শেখার অপরাধে এবং দানশীলকে বড় দাতা উপাধি লাভের নিয়তে দান-সদকা করার অপরাধে উপুড় করে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে।’ সহিহ্ মুসলিম : ৩৫২৭


১৭. ওয়ারিশকে বঞ্চিতকারী জান্নাতে যাবে না। হাদিসে আছে, ‘যে ব্যক্তি কোনো ওয়ারিশকে তার অংশ থেকে বঞ্চিত করল, আল্লাহ তাকে জান্নাতের অংশ থেকে বঞ্চিত করবেন।’ সুনানে ইবনে মাজাহ : ২৬৯৪



স্ত্রী সহবাসের সুন্নাত নিয়ম?,,,,,ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌻 প্রশ্ন:- স্ত্রী সহবাসের সুন্নাত নিয়ম?


➜অনেকে স্ত্রীর সাথে সুন্নাত তরিকায় কি কিভাবে সহবাস করবো জানতে চেয়েছেন

সে জন্য অনেকেরই দরকারী মনে করে পোষ্ট লেখলাম। কেননা ইসলামি যৌন বিজ্ঞান সম্পর্কে বর্তমান সমাজের অনেকই অজ্ঞ! যেগুলির কারনে মানুষ অহরহ পাপ না জেনে পাপ কাজ করছে। সঠিক মাত্রা ও ব্যবহার পদ্ধতি না জানার কারনে তৈরি হচ্ছে নানাবিধ যৌন রোগ যার কারনই আমাদের গোপন থেকে যায়। যাই হোক মুল কথায় ফিরছি।


🌻উত্তর: সহবাসের সঠিক নিয়ম হলো স্ত্রী নিচে থাকবে আর স্বামী ঠিক তার উপরি ভাবে থেকে সহবাস করবে। মহান আল্লাহ তায়ালা সহবাসের নিয়ম এভাবেই সুরা আরাফের ১৮৯ নম্বর আয়াতে

বলেছেন


ﻓَﻠَﻤَّﺎ ﺗَﻐَﺸَّﺎﻫَﺎ ﺣَﻤَﻠَﺖْ ﺣَﻤْﻼً ﺧَﻔِﻴﻔًﺎ ﻓَﻤَﺮَّﺕْ ﺑِﻪِ ﻓَﻠَﻤَّﺎ ﺃَﺛْﻘَﻠَﺖ ﺩَّﻋَﻮَﺍ ﺍﻟﻠّﻪَ ﺭَﺑَّﻬُﻤَﺎ ﻟَﺌِﻦْ ﺁﺗَﻴْﺘَﻨَﺎ ﺻَﺎﻟِﺤﺎً ﻟَّﻨَﻜُﻮﻧَﻦَّ ﻣِﻦَ ﺍﻟﺸَّﺎﻛِﺮِﻳﻦَ 


অনুবাদ:- অতঃপর পুরুষ যখন নারীকে আবৃত করল, তখন, সে গর্ভবতী হল। অতি হালকা গর্ভ। সে তাই নিয়ে চলাফেরা করতে থাকল। ( সুরা অারাফ: ১৮৯ অংশ)

বিজ্ঞ ডাক্তারগন এটিই বার বার বলে থাকেন।

বিধায় স্পষ্ট নিয়ম হলো স্ত্রী নিচে থাকবে স্বামী উপরে থাকবে। আর তাতেই স্ত্রী গর্ভধারন করবে।


🍁সতর্কতা :- এমন যেন না হয় যে স্ত্রী স্বামীর উপর থেকে বসে সহবাস করছে আর সে সময় স্বামীর বীর্যপাত হয়ে গেল। তাহলে ডাক্তারী চিকিৎসা মতে তখন বীর্য পুরো বের হয় না ভেতরে বিশেষ জায়গায় থেকে যায় আর তাতে পুরুষের ভেতর পাথর তৈরি হয়ে বড় ধরনের রোগ হবার অাশংকা থাকে। তাছাডা স্ত্রী গর্ভধারণও করেনা।যদিও ইদানিং অনেক নিয়ম নেটে দেখানো হয় এ গুলো সঠিক নিয়ম নয় এগুলোতে প্রশান্তি নেই।

সহবাসের আরো কিছু সুন্নত নিয়ম হলো।


১/ স্ত্রী সহবাসের আগে ভাল করে দাতঁ ব্রাশ বা মিসওয়াক করবে।


২/ স্বামীও ভাল করে দাঁত মেসওয়াক বা ব্রাশ করবে। সিগারেট বা কোন বদ নেশার দুর্গন্ধ নিয়ে স্ত্রীর কাছে যাবে না।


৩/ স্বামী স্ত্রী সহবাসের পুর্বে উভয় ওজু করে নিবে


৪/ বিসমিল্লাহ বলে আরম্ভ করা মুস্তাহাব।


শুরুতে ভুলে গেলে বীর্যপাত হবার পর বিসমিল্লাহ পড়বে ।


৫/ স্ত্রীগণ শরীরে সুগন্ধি টেলকম পাউডার বা সুগন্ধি লাগিয়ে নিবে। স্বামীও আতর বা সুগন্ধি লাগিয়ে নিবে ।


৬/ সহবাসের সময় কেবলা মুখি হয়ে করবেনা।


৭/ সহবাসের সময় একেবারে উলঙ্গ হয়ে পড়বেনা। যদি তৃপ্তি না আসে তাহলে উপরে কোন কাপড় বা চাদর দিয়ে ঢেকে নিবে।


৮/ বীর্যপাত হয়ে গেলে সাথে সাথে স্ত্রীর উপর থেকে নেমে পড়বেনা। বরং কিছু সময় তার উপর শুয়ে থাকবে। আবার পুরো শরিরের ভর তার উপর ছেড়ে দিবে না যাতে তার কষ্ট না হয় সেদিকে খেয়াল রাখা সুন্নত।


৮/স্ত্রী-সহবাসের আগে এই দোয়া পড়তে হয়।

আরবি দোয়া

« ﺑِﺴْﻢِ ﺍﻟﻠَّﻪِ، ﺍﻟﻠَّﻬُﻢَّ ﺟَﻨِّﺒْﻨَﺎ ﺍﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥَ، ﻭَﺟَﻨِّﺐِ ﺍﻟﺸَّﻴْﻄَﺎﻥَ ﻣَﺎ ﺭَﺯَﻗْﺘَﻨَﺎ ».

বাংরা উচ্চারণ বিসমিল্লাহি আল্লা-হুম্মা জান্নিবনাশ্-শাইত্বানা ওয়া জান্নিবিশ্-শাইত্বানা মা রযাকতানা।

বাংলা অর্থ আল্লাহ্র নামে। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের থেকে শয়তানকে দূরে রাখুন এবং আমাদেরকে আপনি যে সন্তান দান করবেন তার থেকেও শয়তানকে দূরে রাখুন।

[বুখারী ৬/১৪১, নং ১৪১; মুসলিম ২/১০২৮, নং ১৪৩৪।]


৯/ কোন ভাবেই পায়ূ পথে সঙ্গমের চিন্তা ও করবে না এটা মহাপাপ, যেটা কোরআন হাদিসে কঠিন ভাবে নিষেধ করা হয়েছে।তা ছাডা ডাক্তারী সাইন্স মতে উভয়ের এমন কঠিন ব্যধির আশংকা রয়েছে যার চিকিৎসা পৃথিবীর কোন ডাক্তার ও করতে পারবে না।

তাই সাবধান!


১০/ কোন অবস্থায় নেশা জাতীয় খাদ্যে বা পানীয় খেয়ে বা পান করে সহবাস করবে না।


১১/ কারো সামনে এমনকি নিজের আড়াই/ তিন বছরের জাগ্রত শিশুর সামনে ও নয়।


ইসলাম শুধু নামাজ, রোজা, হজ্জ, যাকাত, নয়


প্রতিটি কাজের সাথে গভীর ভাবে জড়িয়ে আছে। ইসলামের হুকুম আহকাম ও নিয়ম কানুন তাই চলুন।

প্রিয় নবী (সা.)  আমাদের সব কিছু শিখিয়ে গেছেন, সেই ভাবে জীবন যাপন করি, জান্নাতি মানুষদের অনুসরণ করে। আমরা ও যেনো জান্নাতি হতে পারি। আমাদের সমস্ত মুসলমানদের সেই তাওফিক দান করুন, আমিন 🤲

সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ -৩০-০৯-২০২৪

সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ -৩০-০৯-২০২৪


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


বাংলাদেশে দ্রুত সংস্কার শেষে নির্বাচনের সংকল্প পুনর্ব্যক্ত করলেন প্রধান উপদেষ্টা।


আগামীকাল শিল্প এলাকায় ৪০ লাখ শ্রমিককে ন্যায্য মূল্যে পণ্য বিক্রি শুরু করবে টিসিবি।


শিগগিরই সংশোধন করা হবে সাইবার নিরাপত্তা আইন – বলেছেন আইন উপদেষ্টা।


সংস্কার ও উন্নয়নের জন্য বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ ও আইএফসি‘র সহায়তা চেয়েছে সরকার।


বাংলাদেশ ক্লিন এয়ার প্রকল্পের জন্য ৩০ কোটি মার্কিন ডলার সহায়তা দেবে বিশ্বব্যাংক।


চট্টগ্রাম বন্দরে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী সংযুক্ত আরব আমিরাত।


লেবাননে অব্যাহত ইসরাইলি হামলায় অন্তত ১০৫ জনের প্রাণহানি - ইয়েমেনে হুতি বিদ্রোহীদের লক্ষ্য করে ইসরাইলের বিমান হামলা।


থিম্পুতে সাফ অনূর্ধ্ব-১৭ ফুটবলের ফাইনালে আজ ভারতের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।

রবিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

বাঙ্গালাহ্ সালতানাত,,,,,,,,

 বাঙ্গালাহ সালতানাতঃ এক নজরে


★ অবস্থা: সম্রাজ্য


★ রাজধানী: 

১. ফীরূজাবাদ (পান্ডুয়া) 

২. গৌড় (জান্নাতাবাদ)

৩. মুয়াজ্জিমাবাদ (সোনারগাঁও) 

৪. খাওয়াসপুর-তানুরাহ বা তান্ডা 


আনুগত্য: আব্বাসীয় খিলাফাহ 


★ প্রতিষ্ঠাতা: শামসউদ্দিন ইলিয়াস শাহ্ 


★ প্রতিষ্ঠা সালঃ ১৩৫২


★ উপাধি:

১. শাহ-ই- বাঙ্গালিয়ান (বাঙালিদের শাহ)

২. শাহ- ই বাঙ্গালাহ (বাংলার শাহ) 

৩. সুলতান-ই বাঙ্গালাহ (বাংলার সুলতান)

৪. ইয়ামিন- আল খিলাফাহ (খিলাফাতের ডানহাত/সাহায্যকারী)

৫. খলিফাতুল্লাহ 

   


শাসকের উপাধি- সুলতান/বাদশাহ [সুলতানদের সকলে 'বাদশাহ' (পাদশাহ) ছিলেন না] 

             


সর্বশ্রেষ্ঠ শাসক: সুলতান শামসউদ্দিন ইলিয়াস শাহ্ 

সবচেয়ে ক্ষমতাবান শাসক: বাদশাহ্ জাহান  রুকন-উদ্দিন বারবাক শাহ্                                 

সবচেয়ে দীর্ঘসময় শাসন করেন: বাদশাহ সিকান্দার শাহ্ (৩৫ বছর)

একমাত্র হিন্দু শাসক: রাজা গণেশ উরফে সুলতান কানস শাহ

সবচেয়ে কম সময় শাসন করেন: সুলতান মুজাহিদ শাহ্ (১ সপ্তাহ)

সবচেয়ে বেশি ভূমি শাসন করেন: গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ্ 

সবচেয়ে বেশি ভূমি জয় করেন: সুলতান শামসউদ্দিন ইলিয়াস শাহ্ 

সবচেয়ে কম ভূমি শাসন করেন: সুলতান মুজাহিদ শাহ 

সাম্রাজ্যের সর্বোচ্চ বিস্তৃতি: ১৪ লক্ষ ৬৮ হাজার ৭০৬ বর্গকিলোমিটার (আজম শাহর সময়ে)


দ্বিগ্বিজয়ী শাসক: ২ জন।

(১) সুলতান শামসউদ্দিন ইলিয়াস শাহ্ (১৩৩৮-১৩৫৮)

(২) বাদশাহ রুকনউদ্দিন বারবাক শাহ্ (১৪৫৯-১৪৭৪)


ধর্ম - ইসলাম (রাজধর্ম ৯-১০%)

হিন্দু - (সংখ্যাগরিষ্ঠ ৮০-৯০%)

বৌদ্ধ, জৈন 


শাসকদের জাতিসত্ত্বা:


১. ইলিয়াস শাহী বংশ - পারসিক সিস্তানী ও বাঙ্গালীর মিশ্রিত রক্তধারা 

২. রাজা গণেশের পরিবার - বাঙ্গালী (আর্য)

৩. হোসেন শাহী বংশ -  বাঙ্গালী (অনার্য)

৪. হাবশী বংশ - আবিসিনিয়ান

৫.গাজী বংশ - পাঠান

৬. কররানী বংশ - পাঠান 


ভাষা: বাংলা (রাজভাষা), ফার্সী (রাজভাষা), আরবি (ধর্মীয়) 


★★ সবচেয়ে বড় বিজয়:- 

০১. ঐতিহাসিক একডালার প্রথম ও দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে দিল্লী সালতানাত কে পরাজিত করে চূড়ান্তভাবে  সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা

২. নেপাল বিজয়-১৩৫০ 

৩. বাহমনী সালতানাত কে করদ রাজ্যে পরিণতকরণ

৪. আরাকান বিজয়- ১৪৩০ 

৫. উড়িষ্যা বিজয়- বারবাক শাহর রাজত্বকালে

৬. উড়িষ্যার গজপতিদের চূড়ান্ত পতন- কালাপাহাড়ের নেতৃত্বে

৭. অহম বিজয়- ১৩৯৩ 


★ সবচেয়ে বড় পরাজয়:

১. যাউনপুরের শার্কীদের বিহার ও ত্রিহুত দখল-১৪১৫ 

২. নেপাল হাতছাড়া- ১৪১৩ 

৩. তুর্কোইয়ের যুদ্ধে মুঘল সাম্রাজ্যের কাছে পরাজয়

৪. রাজমহলের যুদ্ধে পতন ও বিলুপ্তি

৫. শেরখানের হাতে দেড় দশকের জন্য সার্বভৌমত্ব  হারানো 


★ গৌরব: চীনের পর পৃথিবীর সবচাইতে ধনী সাম্রাজ্য, সারা পৃথিবীতে পোশাক রপ্তানি বাণিজ্যে একচ্ছত্র আধিপত্য, জাহাজ নির্মাণে মুসলিম বিশ্বে শীর্ষে। 

 


★ শত্রু সমূহ:

১. মুঘল সাম্রাজ্য

২. দিল্লী সালতানাত (১৩৫৯ সালের পূর্বে)

৩. শূরী সালতানাত

৪. শার্কী সালতানাত

৫. কামরূপ রাজ্য

৬. গজপতি সাম্রাজ্য

    

★ মিত্রসমূহ: 

১. তৈমুরী সাম্রাজ্য

২. মামলুক সালতানাত (কায়রোর আব্বাসী খিলাফত) 

৩. মিং সাম্রাজ্য

৪. দিল্লী সালতানাত (১৩৫৯ সালের পর)

৫. পর্তুগাল

৬. ইথিওপিয়ান সাম্রাজ্য /হাবশা

 

রাজবংশঃ ১. ইলিয়াস শাহী রাজবংশ [১৩৫২-১৪১৪] 

২. রাজা গণেশের পরিবার [১৪১৪-১৪৩৬]

৩. দ্বিতীয় ইলিয়াস শাহী রাজবংশ [১৪৩৬-১৪৮৭]

৪. হাবশি শাসন [১৪৮৭-১৪৯৩]

৫. হোসেন শাহী রাজবংশ [১৪৯৪-১৫৩৮]

৬. মুহম্মদ শাহী রাজবংশ [১৫৫৪-১৫৬৩]

৭. কররানি রাজবংশ [১৫৬৪-১৫৭৬]


★ সবচেয়ে বড় লজ্জা: মোগলমারির যুদ্ধে পরাজিত হয়ে মুঘলদের কাছে সাময়িক সময়ের জন্য বাংলা ও বিহার হারানো।

 

★ সর্বশেষ শাসক: বাদশাহ দাঊদ শাহ্ কররানী 


★ বিলুপ্তি: ১৫৭৬ খ্রিস্টাব্দ


[ মুঘলবিরোধী স্বাধীনতা যুদ্ধ: ১৫৭৬-১৬১১ নেতৃত্ব প্রদানকারী- ভাটিরাজ ঈসা খাঁ মাসনাদ- ই আলা (হোসেন শাহী বংশের ওয়ারিশ) ও ভাটিরাজ মুসা খাঁ ] 


চিত্র- বাদশাহ বারবাক শাহের রাজত্বকালে বাংলা সালতানাত, ১৪৭০ খ্রিস্টাব্দ


লেখার কৃতজ্ঞতাঃ রাজিত তাহমীদ জিত

https://www.facebook.com/rouhan.joy

পৃথিবী বদলে দেয়া ১০০টি বই,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 পৃথিবী বদলে দেয়া ১০০টি বই।


বিশ্বের ৩৫টি দেশের লেখক, বইপ্রেমীদের মধ্যে 'বিবিসি কালচার' থেকে একটি জরিপ চালানো হয়, যেখানে জানতে চাওয়া হয়েছিলো, কোন বইগুলো প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম, এক মহাদেশ থেকে আরেক মহাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে, সমাজ বদলে দিয়েছে।


১০৮ জন লেখক, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, অনুবাদকরা ৫টি করে বই নির্ধারন করেন, যেগুলো পৃথিবী বদলে দিয়েছে। বিশ্বের ৩৩ ভাষার বই রয়েছে এর মধ্যে, যারা ভোট দিয়েছেন তাদের মধ্যে উগান্ডা থেকে পাকিস্তানি, কলম্বিয়া থেকে চায়নার মানুষ রয়েছে, যার মধ্যে মাত্র ৫১ শতাংশ মানুষের মাতৃভাষা ইংরেজি।


এই নির্বাচনকারীদের মধ্যে ৬০ ভাগ নারী ও ৪০ ভাগ পুরুষ ছিলেন। উইলিয়াম শেক্সপিয়ার, ফ্রাঞ্জ কাফকা, ভার্জিনিয়া উলফ এই লেখকদের ৩ টি করে বই স্থান পেয়েছে এই তালিকায়।

চলুন দেখে নেয়া যাক কোন বইগুলো পৃথিবী বদলে দিয়েছেঃ  


১. দ্য ওডিসি (হোমার, খ্রিস্টপূর্ব ৮ম শতক)


২. আঙ্কল টম'স কেবিন (হ্যারিয়েট বিচার স্টো, ১৮৫২)


৩. ফ্রাঙ্কেনস্টাইন (মেরি শেলি, ১৮১৮)


৪. নাইটিন এইটি-ফোর (জর্জ অরওয়েল, ১৯৪৯)


৫. থিংস ফল অ্যাপার্ট (চিনুয়া আচেবে, ১৯৫৮)


৬. ওয়ান থাউজ্যান্ড অ্যান্ড ওয়ান নাইটস (বিভিন্ন লেখক)


৭. ডন কিহোতে (মিগুয়েল দে সারভান্তেস, ১৬০৫–১৬১৫)


৮. হ্যামলেট (উইলিয়াম শেক্সপিয়ার, ১৬০৩)


৯. ওয়ান হান্ড্রেড ইয়ার্স অব সলিটিউড (গ্যাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ, ১৯৬৭)


১০. দ্য ইলিয়াড (হোমার, খ্রিস্টপূর্ব ৮ম শতক)


১১. বিলভড (টনি মরিসন, ১৯৮৭)


১২. দ্য ডিভাইন কমেডি (দান্তে আলিগিয়ারি, ১৩০৮–১৩২০)


১৩. রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট (উইলিয়াম শেক্সপিয়ার, ১৫৯৭)


১৪. দ্য এপিক অফ গিলগামেশ (লেখক অজানা)


১৫. হ্যারি পটার সিরিজ (জে কে রাওলিং, ১৯৯৭–২০০৭)


১৬. দ্য হ্যান্ডমেইড'স টেল (মার্গারেট অ্যাটউড, ১৯৮৫)


১৭. ইউলিসিস (জেমস জয়েস, ১৯২২)


১৮. অ্যানিমেল ফার্ম (জর্জ অরওয়েল, ১৯৪৫)


১৯. জেন আয়ার (শার্লট ব্রন্টি, ১৮৪৭)


২০. ম্যাডাম বোভারি (গুস্তাভ ফ্লবেয়ার, ১৮৫৬)


২১. রোমান্স অব দ্য থ্রি কিংডমস (লুয়ো গুয়ানঝং, ১৩২১–১৩২৩)


২২. জার্নি টু দ্য ওয়েস্ট (উ চেং'এন, আনুমানিক ১৫৯২)


২৩. ক্রাইম অ্যান্ড পানিশমেন্ট (ফিয়দোর দস্তয়েভস্কি, ১৮৬৬)


২৪. প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস (জেন অস্টেন, ১৮১৩)


২৫. ওয়াটার মার্জিন (শি নাই'আন, ১৫৮৯)


২৬. ওয়ার অ্যান্ড পিস (লিও টলস্টয়, ১৮৬৫–১৮৬৭)


২৭. টু কিল আ মকিংবার্ড (হার্পার লি, ১৯৬০)


২৮. ওয়াইড সারগাসো সি (জিন রাইস, ১৯৬৬)


২৯. ঈশপ'স ফেবলস (ঈশপ)


৩০. ক্যান্ডিড (ভলতেয়ার, ১৭৫৯)


৩১. মেডিয়া (ইউরিপিডিস, খ্রিস্টপূর্ব ৪৩১)


৩২. মহাভারত (বেদব্যাস, খ্রিস্টপূর্ব ৪র্থ শতক)


৩৩. কিং লিয়ার (উইলিয়াম শেক্সপিয়ার, ১৬০৮)


৩৪. দ্য টেল অফ গেনজি (মুরাসাকি শিকিবু, ১০২১-এর পূর্বে)


৩৫. দ্য সরোস অফ ইয়ং ওয়ের্থার (জোহান উলফগ্যাং ভন গোথে, ১৭৭৪)


৩৬. দ্য ট্রায়াল (ফ্রাঞ্জ কাফকা, ১৯২৫)


৩৭. রিমেমব্রেন্স অফ থিংস পাস্ট (মার্সেল প্রুস্ট, ১৯১৩–১৯২৭)


৩৮. উইদারিং হাইটস (এমিলি ব্রন্টি, ১৮৪৭)


৩৯. ইনভিজিবল ম্যান (রালফ এলিসন, ১৯৫২)


৪০. মবি-ডিক (হারম্যান মেলভিল, ১৮৫১)


৪১. দেয়ার আইজেস ওয়্যার ওয়াচিং গড (জোরা নীল হার্স্টন, ১৯৩৭)


৪২. টু দ্য লাইটহাউস (ভার্জিনিয়া উলফ, ১৯২৭)


৪৩. দ্য ট্রু স্টোরি অব আহ কিউ (লু সুন, ১৯২১–১৯২২)


৪৪. অ্যালিস'স অ্যাডভেঞ্চারস ইন ওয়ান্ডারল্যান্ড (লুইস ক্যারল, ১৮৬৫)


৪৫ আন্না ক্যারেনিনা (লিও টলস্টয়, ১৮৭৩–১৮৭৭)


৪৬. হার্ট অব ডার্কনেস (জোসেফ কনরাড, ১৮৯৯)


৪৭. মাঙ্কি গ্রিপ (হেলেন গার্নার, ১৯৭৭)


৪৮. মিসেস ড্যালোয়ে (ভার্জিনিয়া উলফ, ১৯২৫)


৪৯. ইডিপাস দ্য কিং (সফোক্লিস, খ্রিস্টপূর্ব ৪২৯)


৫০. দ্য মেটামরফোসিস (ফ্রাঞ্জ কাফকা, ১৯১৫)


৫১. দ্য ওরেস্টেইয়া (এস্কাইলাস, খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতক)


৫২. সিন্ডারেলা (লেখক অজানা, তারিখ অজানা)


৫৩. হাউল (অ্যালেন গিন্সবার্গ, ১৯৫৬)


৫৪. লে মিজারেবল (ভিক্টর হুগো, ১৮৬২)


৫৫. মিডলমার্চ (জর্জ এলিয়ট, ১৮৭১-১৮৭২)


৫৬. পেদ্রো পারামো (হুয়ান রুলফো, ১৯৫৫)


৫৭. দ্য বাটারফ্লাই লাভারস (লোককাহিনী)


৫৮. দ্য ক্যানটারবরি টেলস (জিওফ্রে চসার, ১৩৮৭)


৫৯. পঞ্চতন্ত্র (বিষ্ণু শর্মা, আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৩০০)


৬০. দ্য পোস্টহিউমাস মেমোয়ার্স অফ ব্রাস কিউবাস (হোয়াকিম মারিয়া মাচাদো দে আসিস, ১৮৮১)


৬১. দ্য প্রাইম অব মিস জিন ব্রডি (মুরিয়েল স্পার্ক, ১৯৬১)


৬২. দ্য র‍্যাগেড-ট্রাউজারড ফিলানথ্রপিস্টস (রবার্ট ট্রেসেল, ১৯১৪)


৬৩. সং অফ লাউইনো (ওকোট পি'বিটেক, ১৯৬৬)


৬৪. দ্য গোল্ডেন নোটবুক (ডোরিস লেসিং, ১৯৬২)


৬৫. মিডনাইট'স চিলড্রেন (সালমান রুশদি, ১৯৮১)


৬৬. নার্ভাস কন্ডিশনস (টসিতসি ডাংগারেমবগা, ১৯৮৮)


৬৭. দ্য লিটল প্রিন্স (অঁতোয়া দ্য সেন্ট-একজুপেরি, ১৯৪৩)


৬৮. দ্য মাস্টার অ্যান্ড মার্গারিটা (মিখাইল বুলগাকভ, ১৯৬৭)


৬৯. রামায়ন (বাল্মিকি, খ্রিস্টপূর্ব ১১শ শতক)


৭০. অ্যান্টিগোন (সফোক্লিস)


৭১. ড্রাকুলা (ব্রাম স্টোকার, ১৮৯৭)


৭২. দ্য লেফট হ্যান্ড অফ ডার্কনেস (উরসুলা কে. লে গুয়িন, ১৯৬৯)


৭৩. আ ক্রিসমাস ক্যারল (চার্লস ডিকেন্স, ১৮৪৩)


৭৪. আমেরিকা (রাউল ওতেরো রাইখ, ১৯৮০)


৭৫. বিফোর দ্য ল (ফ্রাঞ্জ কাফকা, ১৯১৫)


৭৬ চিলড্রেন অফ গেবেলাওয়ি (নাগিব মাহফুজ, ১৯৬৭)


৭৭. ইল কানজনিয়েরে (পেত্রার্ক, ১৩৭৪)


৭৮. কেবরা নাগাস্ট (বিভিন্ন লেখক, ১৩২২)


৭৯. লিটল ওমেন (লুইসা মে অ্যালকট, ১৮৬৮–১৮৬৯)


৮০. মেটামরফোসেস (ওভিড, ৮)


৮১. ওমেরোস (ডেরেক ওয়ালকট, ১৯৯০)


৮২. ওয়ান ডে ইন দ্য লাইফ অফ ইভান ডেনিসোভিচ (আলেক্সান্ডার সলঝেনিৎসিন, ১৯৬২)


৮৩. অরল্যান্ডো (ভার্জিনিয়া উলফ, ১৯২৮)


৮৪. রেইনবো সার্পেন্ট (অস্ট্রেলীয় গল্প)


৮৫. রেভল্যুশনারি রোড (রিচার্ড ইয়েটস, ১৯৬১)


৮৬. রবিনসন ক্রুসো (ড্যানিয়েল ডিফো, ১৭১৯)


৮৭. সং অফ মাইসেলফ (ওয়াল্ট হুইটম্যান, ১৮৫৫)


৮৮. দ্য অ্যাডভেঞ্চারস অফ হাকলবেরি ফিন (মার্ক টোয়েন, ১৮৮৪)


৮৯. দ্য অ্যাডভেঞ্চারস অফ টম সয়ার (মার্ক টোয়েন, ১৮৭৬)


৯০. দ্য আলেফ (হোর্হে লুইস বোর্হেস, ১৯৪৫)


৯১. দ্য ইলোকোয়েন্ট পিয়াজেন্ট (প্রাচীন মিশরীয় লোকগল্প)


৯২. দ্য এম্পেরর'স নিউ ক্লোদস (হ্যান্স ক্রিস্টিয়ান অ্যান্ডারসন, ১৮৩৭)


৯৩. দ্য জঙ্গল (আপটন সিনক্লেয়ার, ১৯০৬)


৯৪. দ্য খামরিয়াত (আবু নুওয়াস)


৯৫. দ্য রাডেটজকি মার্চ (জোসেফ রথ, ১৯৩২)


৯৬. দ্য রেভেন (এডগার অ্যালান পো, ১৮৪৫)


৯৭. দ্য স্যাটানিক ভার্সেস (সালমান রুশদি, ১৯৮৮)


৯৮. দ্য সিক্রেট হিস্টরি (ডোনা টার্ট, ১৯৯২)


৯৯. দ্য স্নোই ডে (এজরা জ্যাক কেটস, ১৯৬২)


১০০. টোবা টেক সিং (সাদাত হাসান মান্টো, ১৯৫৫)


তথ্যসূত্রঃ BBC Culture, BBC

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ -২৯-০৯-২০২৪

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ -২৯-০৯-২০২৪


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগদান শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস ।


বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহীদ হয়েছেন এক হাজার পাঁচশো ৮১ জন।


ঢাকার খালগুলো নিয়ে ব্লু নেটওয়ার্ক তৈরির পরিকল্পনা করছে সরকার - জানালেন পানি সম্পদ উপদেষ্টা।


হার্ট সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব হার্ট দিবস।


দেশে ডেঙ্গুতে একদিনে সাত জনের মৃত্যু - হাসপাতালে ভর্তি নতুন আটশো ৬০ জন।


নেপালে বন্যা ও ভূমিধসে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৬৬।


ভুটানের থিম্পুতে পাকিস্তানকে হারিয়ে অনূর্ধ্ব-১৭ সাফ ফুটবলের ফাইনালে  উঠেছে বাংলাদেশ।

ইসলামি শরিয়তে পুরুষদের জন্য যে কোনো পরিমাণ স্বর্ণের অলংকার ব্যবহার করা হারাম

 ইসলামি শরিয়তে পুরুষদের জন্য যে কোনো পরিমাণ স্বর্ণের অলংকার ব্যবহার করা হারাম। হাদিসে স্বর্ণ ব্যবহারের ব্যাপারে স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা এসেছে।  


বিখ্যাত সাহাবি হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে একদিন আল্লাহর রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক সাহাবির হাতে স্বর্ণের আংটি দেখতে পেয়ে তা তার হাত থেকে খুলে ছুড়ে ফেলে দিলেন এবং বললেন,

يَعْمِدُ أَحَدُكُمْ إِلَى جَمْرَةٍ مِنْ نَارٍ فَيَجْعَلُهَا فِي يَدِهِ 

"আপনাদের অনেকে জাহান্নামের জ্বলন্ত অঙ্গার হাতে পরিধান করেন!" 


 আল্লাহর রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ওই জায়গা থেকে চলে যাওয়ার পর ওই সাহাবিকে বলা হলো, আংটিটি তুলে নিয়ে অন্য কাজে লাগান। সাহাবি বললেন, না, আল্লাহর কসম! যে বস্তু রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফেলে দিয়েছেন তা আমি কখনোই আর নেবো না। 

---->[মুসলিম: ২০৯০]।

ইবনু আবূ লাইলা (রহঃ) থেকে বর্ণিত: 


তিনি বলেন, হুযাইফাহ (রাঃ) মাদাইনে অবস্থান করেছিলেন। তিনি পানি পান করতে চাইলেন। এক গ্রাম্য লোক একটি রৌপ্য পাত্রে কিছু পানি নিয়ে আসল। হুযাইফা (রাঃ) তা ছুঁড়ে ফেললেন এবং বললেনঃ আমি ছুঁড়ে ফেলতাম না; কিন্তু আমি তাকে নিষেধ করেছি, সে নিবৃত হয়নি। রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ স্বর্ণ, রৌপ্য, পাতলা ও মোটা রেশম তাদের (অর্থাৎ কাফিরদের জন্য) দুনিয়ায় এবং তোমাদের (মুসলিমদের) জন্য আখিরাতে। 

----->[সহীহ্ বুখারী, হাদীস নাম্বার ৫৮৩১; (আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪০৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩০২]। 


বারা’আ ইবনু ‘আযিব (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত: 


তিনি বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আমাদের সাতটি জিনিস থেকে নিষেধ করেছেনঃ স্বর্ণের আংটি বা তিনি বলেছেন, স্বর্ণের বলয়, মিহি রেশম, মোটা রেশম ও রেশম মিশ্রিত কাপড়, রেশম এর তৈরী লাল রঙের হাওদা, রেশম মিশ্রিত কিস্‌সী কাপড় ও রৌপ্য পাত্র। আর তিনি আমাদের সাতটি কাজের নির্দেশ দিয়েছেনঃ রোগীর শুশ্রূষা, জানাযার অনুসরণ করা, হাঁচির উত্তর দেয়া, সালামের জবাব দেয়া, দা’ওয়াত গ্রহণ করা, শপথকারীর শপথ পূরণে সাহায্য করা এবং মাযলূম ব্যক্তির সাহায্য করা।

--->[সহীহ্ বুখারী, হাদীস নাম্বার ৫৮৬৩; আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪২৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩৩২]। 


আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত: 


আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হতে বর্ণিত। তিনি স্বর্ণের আংটি ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন। ‘আম্‌র (রহঃ) বাশীর (রহঃ) -কে রকমই বর্ণনা করতে শুনেছেন।

---->[সহীহ্ বুখারী, হাদীস নাম্বার ৫৮৬৪ (মুসলিম ৩৭/১১, হাঃ ২০৮৯); আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪২৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩৩৩]। 


আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত: 


রাসূলুল্লাহ্‌ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্বর্ণের একটি আংটি ব্যবহার করেন। আংটির মোহর হাতের তালুর দিকে ঘুরিয়ে রাখেন। লোকেরা ঐ রকমই (আংটি) ব্যবহার করা শুরু করল। নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) স্বর্ণের আংটিটি ফেলে দিয়ে রৌপ্যের আংটি বানিয়ে নিলেন।

---->[সহীহ্ বুখারী, হাদীস নাম্বার ৫৮৬৫, ৫৮৬৬, ৫৮৬৭, ৫৮৭৩, ৫৮৭৬, ৬৬৫১, ৭২৯৮; (মুসলিম ৩৭/১১, হাঃ ২০৯১, আহমাদ ৫৮৫৫); আধুনিক প্রকাশনী- ৫৪৩৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫৩৩৪]। 


হজরত আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আছে, আল্লাহর রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, 


مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللهِ وَالْيَوْمِ الْآخِرِ فَلَا يَلْبَسْ حَرِيرًا وَلَا ذَهَبًا 


"যে ব্যক্তি মহান আল্লাহ এবং আখেরাতে ঈমান রাখে, সে যেন রেশমি কাপড় বা স্বর্ণ ব্যবহার না করে।"

---->[মুসনাদে আহমদ: ২২২৪৮]।

শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

কলকাতায় কোথায় কি বিশেষ খাবার পাওয়া যায়,,,,,,,

 কলকাতায় কোথায় কি বিশেষ খাবার পাওয়া যায় :


১) নিউ মার্কেট - নিজাম'স এর কাঠি রোল ও বটী কাবাব !

২) ধর্মতলা নিউ আলিয়া - মাটন স্পেশাল বিরিয়ানী, মাটন টিক্কা, মটন স্টিউ, ফিরনি ও হালিম।

৩) পার্ক স্ট্রিটে পিটার ক্যাট - চেলো কাবাব !! 

৪) ডেকার্স লেন চিত্ত দার দোকান - রুমালি রুটি + চিকেন ভর্তা, চিকেন আর মাটন্ স্ট্যু। 

৫) শোভাবাজার - বিডন স্ট্রীটের এলেন কিচেন - প্রন কাটলেট , চিকেন স্টিক !! 

৬) শোভাবাজার মেট্রো স্টেশন আর গ্রে স্ট্রীটের ক্রসিংয়ে মিত্র ক্যাফে - ব্রেন চপ , ব্রেন স্যুপ, টোস্ট, ফিস ফ্রাই এবং কবিরাজি !! 

৭) পার্ক সার্কাস রয়াল - মাটন বিরিয়ানি + চিকেন আর মাটন চপ !! 

৮) বাঙালি বুফে - ৬ বালিগঞ্জ প্লেস !! 

৯) কলেজ স্ট্রিট প্যারামাউন্ট - ডাব সরবত 

আর কালিকা - বিভিন্ন রকম চপ !! 

১০) মিষ্টি - বলরাম মল্লিক , নকুড় , পুটিরাম , ভিম নাগ , গাঙ্গুরাম !!

১১ )  দ্যা ভোজ কোম্পানী অবশ্যই নতুন ব্রাঞ্চ টা! 

১২) বিবেকানন্দ রোডের কাছে বিধান সরণীর ওপর স্বামিজীর বাড়ির উল্টো ফুটে চাচার !হোটেলের ফিস ফ্রাই আর মাটন্ কাটলেট।

১৩) শ্যামবাজারে ভূপেন বোস অ্যাভিনিউয়ে মণীন্দ্র কলেজের উল্টো দিকের গলিতে গৌরীমাতা সরণীতে মামুর দোকানের ( বড়ুয়া এ্যান্ড দে ) মাটন্ প্যান্থারাস্ আর ব্রেইজড্ কাটলেট।

১৪) গিরীশ পার্ক মেট্রো স্টেশনের (পশ্চিম পাড়ে) ঠিক পাশেই নিরঞ্জন আগারের  মাটন্ চপ ও লিভার কষা।

১৫) হেদুয়ার মোড়ে বসন্ত কেবিনের এবং দক্ষিনে লেক মার্কেটের কাছে রাদু বাবুর দোকানের চা এবং চপ, কাটলেট।

১৬) হাতিবাগানে টাউন স্কুলের উল্টো দিকের ফুটপাথে মালঞ্চর কবিরাজী কাটলেট।

১৭) কলেজ স্ট্রীটে পুঁটিরামের কচুরী।

১৮) প্যারামাউন্টের সরবত ।

১৯) কপিলা আশ্রমের সরবত!

২০) রয়্যালের মটন চাঁপ।

২১) সিরাজের বিরিয়ানি।

২২) সাবিরের রেজালা।

২৩) স্যাঙ্গিভ্যালি রেস্তরাঁর চপ, কাটলেট।

২৪) সিমলার নকুড়ের সন্দেশ।

২৫) ফড়িয়াপুকুরে সেন মহাশয়ের বাবু সন্দেশ।

২৬) ভবানীপুরের শ্রীহরির লুচি/ কচুরী আর পাতলা ছোলার ডাল।

২৭) বাগবাজার নবীন দাশের রসগোল্লা ।

২৮) শ্যামবাজার স্ট্রীটের চিত্তরঞ্জনের রসগোল্লা ও মধুপর্ক।

২৯) শ্যামবাজারের স্ট্রিট  ভবতারিণীর রসগোল্লা ।

৩০) ফড়িয়াপুকুরে অমৃতের দই।

৩১) বাগবাজারে পটলার দোকানের তেলেভাজা আর কচুরী।

৩২) নিউটাউন বাস স্ট্যান্ডে বিরিয়ানী বার - বিরিয়ানী, চাপ, রেজালা, কাঠি রোল।

৩৩) নিউ মার্কেট এর নাহুম্স এর বেকারী

৩৪) পার্ক স্ট্রিট ন্যাচারালস এর টেন্ডার কোকোনাট আইসক্রিম।

 ৩৫) কলেজ স্ট্রিট কফি হাউসের আড্ডা সহযোগে কফি।

৩৬) বউবাজার জাংশনে ভিমনাগের সন্দেশ 

৩৭) স্কুপের ড্রাইফ্রুট আইসক্রিম ।

৩৮) এসপ্লানেড মোড়ের কেসি দাসের রসগোল্লা 

৩৯) আওধের বিরিয়ানি ।

৪০) রিপন স্ট্রিটের জামজামের বিফ বিরিয়ানি ও মালাই।

৪১) গুপ্তা সুইটস এর ক্যাডবেরি সন্দেশ।

৪২) কস্তুরীর কচু পাতা বাটা চিংড়ি ।

৪৩) সল্টলেকের চার্নক সিটির ডাব চিংড়ি ।

৪৪) ভজহরি মান্নার নলেন গুড়ের আইসক্রিম।

৪৫) সিদ্ধেশ্বরী আশ্রমের বাঙালি খাদ্যসামগ্রী।

৪৬) খিদিরপুরের "ইন্ডিয়া" এর কাচ্চি বিরিয়ানি, গলৌটি কাবাব, চিকেন চাপ ও তন্দুরি।

৪৭) এম জি রোড বড়বাজার দেশবন্ধু মিষ্টান্নর সীতাভোগ ও সিঙাড়া।

 ৪৮) দমদমের হাজির মাটন বিরিয়ানি আর মালাই কাবাব।

৪৯) আগমনীর লাল ক্ষীর দই আর সরভাজা।

৫০) গড়িয়ার ফুটব্রিজের নীচের লাল আটার ফুচকা চুরমুর ও মোমো।

৫১) লেকটাউনে জয়া সিনেমা হলের উলটো দিকে চিকেন রোল।

৫২) বিরাটী মোড়ে ভোরের আলোর রসগোল্লা।।

৫৩) সিকিম হাউসের মোমো, পর্ক শাপটা।

৫৪) কালিঘাটে আপনজনের ফিশ চপ, ফিস ওরলি, মাটনের পুর ভরা আর কিমা মোগলাই।

৫৫) ফ্রেন্ডস্ এর চীজ ওনিয়ন ধোসা ।

৫৬) মাদ্রাস টিফিনের ধোসা।

৫৭) ওলি পাবের বিফ স্টিক।

 ৫৮) গড়িয়াহাট ক্যাম্পারির চিকেন কাটলেট ।

৫৯) গড়িয়াহাট দাস কেবিনের মোগলাই ।

৬০) হাজরা মোড় ক্যাফের পুডিং, চিকেন স্টু, কাটলেট, ফিস ফ্রাই।

৬১) করিমস এর বিরিয়ানি ও তন্দুরি পদ।

৬২) টেরিটিবাজার ছাত্তাওলা গলির চাইনিজ:   তুং নাম।

৬৩) নন্দলালের কচুরী ও ছোলার ডাল।

৬৪) বোহেমিয়ান এর ফিউশান ফুড - গন্ধরাজ জোলেপ্,  চিলি পিকল্ চীজ বেকড্ ক্রাব সংগে কলমী গ্রীণস।

৬৫) স্পাইসক্রাফ্ট এর ফিউশান ফুড - দাজাজ চারমৌলা, বীয়ার ক্যান টেম্পুরা ফিশ, জ্যাক ডানিয়েলস্ মৌশে।

 ৬৬) কাবুল কোলকাতার মটন রোশ, চিকেন সিজি।

৬৭) মোকাম্বো রেস্তরাঁর বেকড্ ক্রাব ও মিক্সড গ্রীলড্ প্লাটার।

৬৮) খিদিরপুর ফ্যান্সির পাশে ঠেলাগাড়ির বিফ হালিম।

৬৯) নিউ মার্কেট টিপু সুলতান মসজিদের পাশে ফালুদা।

৭০) ডেকার্স লেনের অগ্রণী গলিতে ম্যাংগো লস্যি 

৭১) জ্যাকারিয়া স্ট্রিট সুফিয়া- নিহারি, হালিম।

৭২)  জ্যাকারিয়া স্ট্রিট দিল্লি সিক্স- পেয়ারে কাবাব, শিরমল, আফগানি কাবাব।

৭৩) জ্যাকারিয়া স্ট্রিট হাজি লিয়াকত- মুসকত হালুয়া

৭৪) জ্যাকারিয়া স্ট্রিট হাজি আলাউদ্দিন- হালুয়া ও গুলাব জামুন।

৭৫) জ্যাকারিয়া স্ট্রিট দিলশাদ - বিফ মালাই কাবাব ও অন্যান্য।

৭৬) জ্যাকারিয়া স্ট্রিট আডামস্ - সুতলি কাবাব ।

৭৭) জ্যাকারিয়া স্ট্রিট বোম্বে হোটেল- বিফ  চাপ।

৭৮) মানজিলাৎ ফতিমা - আওধি কুজিন।

৭৯) নিউ মার্কেট এর রালিস্ এর কুলফি।

৮০) শ্যামবাজারের মেট্রো গেট - লস্যি ।

৮১) চাইনিজ: বারবিকিউ ( ফ্লেভারস ওফ চায়না), চায়নাটাউন ( কাফুলক), নমনম ( সল্টলেক)।

৮২) সি ফুড: সান্তাস ফানটাসিয়া, ফিউসন ফানটাসিয়া ।

৮৩) শ্যামবাজারের রুপা- মটন কষা।

৮৪) শ্যামবাজারের তৃপ্তির মোমো।

৮৫) আহিরিটোলা- ভূতনাথ লিট্টি।

৮৬) আহিরিটোলা  সাধুর চা।

৮৭) সিটি সেন্টারের কাছে চৌরাসিয়া - পাওভাজি ও চাট।

৮৮) হাজরা কাফে - পুডিং ।

৮৯) যতিনদাস পার্ক মেট্রোয় পণ্ডিত স্যান্ডউইচ।

৯০) নিউ মার্কেট এর ইন্দ্রমহল এর কুলফি।

৯১)  বারুইপুরের "আসমা হোটেল"-এর চিকেন ।চাঁপ আর লাচ্ছা পরোটা।

৯২) শিয়ালদা শিশির মার্কেট লাগোয়া "কল্পতরুর" লস্যি।

৯৩) ঢাকুরিয়া স্টেশন লাগোয়া "জিহ্বার জল"-এর ধোকা ভাজা, সোয়াবিনের চপ্।

৯৪) রাজপুরের মঙ্গল দা'র দোকানের কচুরী।

৯৫) গড়িয়া মোড়ে "জিতেন মাহাতো"র চিকেন মোমো।

৯৬) সোনারপুর বৈকুণ্ঠপুর মোড়ের লুচির সাইজের ফুচকা।

৯৭) গড়িয়া "আমিনিয়া"র চিকেন চট্-পটা

৯৮) সোনারপুর স্টেশন লাগোয়া "সুবোল সাহা"র লস্যি

৯৯) হোন্ডোর বিফ বার্গার।

১০০) কলেজস্ট্রিট এ কল্পতরুর পান।

১০১) কলেজস্ট্রিট স্বাধীন ভারতের মাংস ভাত 

১০২ ) শ্যাম বাজার ট্রাম ডিপোর পাশে ঘুগনি চাট 

১০৩ ) হেদুয়া বসন্ত কেবিন এর ফিস ফ্রাই 

১০৪ ) হাতিবাগান নিরামিষ তেলে ভাজা 

১০৫ ) সেন মহাশয় মিষ্টি দই 

১০৬ ) বাগবাজারের গণেশ দার মাছের কচুরি 

১০৭ ) ধর্মতলার আমিনিয়ার বিরিয়ানি 

১০৮ ) শ্যামবাজার মোড়ে গোলবাড়ী"র কষা মাংস ও পরোটা 

১০৯ ) ধর্মতলার অনাদি কেবিনের মোগলাই পরোটা 


শেয়ার করে টাইম লাইনে রেখে দিন.. আমিও দিলাম, কাজের সময় কিছুই মাথায় আসেনা।✓



সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ -২৮-০৯-২০২৪

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ -২৮-০৯-২০২৪


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের ভাষণ - তরুণদের অফুরান শক্তি বিদ্যমান রাষ্ট্র কাঠামো ও প্রতিষ্ঠানগুলোর আমূল রুপান্তরের দ্বার উন্মোচন করেছে উল্লেখ কোরে বিশ্ব সম্প্রদায়কে বাংলাদেশের নতুন যাত্রায় সম্পৃক্ত হওয়ার উদাত্ত আহ্বান।


রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের টেকসই সংস্কার এবং অবাধ, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য উপযোগী পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার - বললেন ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস।


মালদ্বীপের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক চায় বাংলাদেশ - প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জুর সঙ্গে বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা। 


দেশের প্রত্নতত্ত্ব স্থাপনাগুলো সংরক্ষণে নীতিমালা ঠিক করা হচ্ছে - বললেন সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা।


ভাষা সৈনিক অধ্যাপক আবদুল গফুরকে মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দাফন - তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টার শোক প্রকাশ।


যুক্তরাষ্ট্রে হারিকেন ‘হেলেনের’ আঘাতে অন্তত ৪৫ জনের প্রাণহানী।


কানপুর টেস্টের দ্বিতীয় দিনে ভারতের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসের ৩ উইকেটে ১০৭ রান নিয়ে আজ পুনরায় ব্যাটিং করবে বাংলাদেশ।

শুক্রবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪

লিওনার্দো ভিঞ্চির সৃষ্টি মোনালিসাকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরি মেয়ের ছবি বলা হয়।,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 *লিওনার্দো ভিঞ্চির সৃষ্টি মোনালিসাকে পৃথিবীর


সবচেয়ে সুন্দরি মেয়ের ছবি বলা হয়।


কিন্তু মোনালিসার ছবিতে টর্চলাইট দিয়ে খুজেও সৌন্দর্য খুজে পাওয়াটা কঠিন!


কিন্তু মোনালিসার ছবির সৌন্দর্য ঠিক


মোনালিসাতে নয়। সৌন্দর্যটা এই ছবির রহস্যে! রং


তুলিতে এই ছবি আকতে গিয়ে ভিঞ্চি জন্ম দিয়ে


গেছেন অসংখ্য রহস্যের.........


১৫০৩ সালে ভিঞ্চি মোনালিসা আকা শুরু করেন।


১৫১৫ সালে মোনালিসা আকার সময় তিনি রহস্যজনক


ভাবে মৃত্যবরণ করেন। ১২ বছর সময় নিয়ে আকা


মোনালিসার ছবি সম্পূর্ণ না করেই তিনি মারা যান!


অর্থাৎ আমরা মোনালিসার যে ছবিটি এখন দেখি


সেটিতে আরো কিছু আঁকার বাকি ছিল.......


ভিঞ্চি মোনালিসাকে কোন কাগজ বা কাপড়ে নয়,


এঁকেছিলেন পাতলা কাঠের উপর। অবাক করার বিষয়


হলো মোনালিসার ছবিটিকে যদি বিভিন্ন এঙ্গেল


থেকে দেখা হয় তবে মোনালিসা তার হাসি


পরিবর্তন করে!


এ যেন এক রহস্যময়ী মোনালিসা!


১৭৭৪ সালে সর্বপ্রথম প্যারিসের লুভর মিউজিয়ামে


মোনালিসার ছবিটির দেখা মিলে। কিন্তু ছবিটা


মিউজিয়ামে কিভাবে এল কিংবা কে আনল এমন


প্রশ্নের উত্তর মিউজিয়ামের কর্মীরাই জানতোনা!


কারণ তারা কাউকে ছবিটি নিয়ে আসতে দেখিনি!!


রহস্যময়ভাবে লুভর মিউজিয়ামে পৌছানো এই ছবি


১৯১১ সালে চুরি হয়ে যায়! রাতের আধারে চোরকে


দেখে মিউজিয়ামের এক কর্মী পরদিনই চাকড়ি


ছেড়ে পালিয়ে যায়। পরে সে বলেছিল সে চোরকে


দেখেছে। সেই চোর আর কেউ নয়। প্রায় ৩৫০ বছর


আগে মারা যাওয়া ভিঞ্চি!!


১০ বছর পর এই ছবিটি আবার ওই মিউজিয়ামে পাওয়া


যায়। লুভর মিউজিয়াম কতৃপক্ষ ছবিটি সংরক্ষনের


জন্য প্রায় ৫০ কোটি টাকা খরচ করে একটি নিরাপদ


কক্ষ তৈরী করে। হয়ত ভাবছেন একটা ছবির জন্য


এতো টাকা খরচ!!


এই ছবির বর্তমান মূল্যের তুলনায় ৫০ কোটি টাকা


কিছুই নয়। মোনালিসা ছবির বর্তমান অর্থমূল্য ৭৯০


মিলিয়ন ডলার।


টাকায় পরিমানটা ৫৩৮০ কোটি টাকা!!


মোনালিসা কে? প্রশ্নটির উত্তর ভিঞ্চি নিজেও


দিয়ে যাননি। ২০০৫ সালে খুজে পাওয়া এক চিঠিতে


অনেকে মোনালিসার পরিচয় খুজে পেয়েছেন বলে


দাবি করেন। ১৫০৩ সালে লেখা এই চিঠিতে


ভিঞ্চির বন্ধু ফ্রান্সিস জিয়াকন্ড তার স্ত্রী লিসা


জিয়াকন্ডের একটি ছবি আঁকতে ভিঞ্চিকে অনুরোধ


করেন। আর ওই সময় ভিঞ্চি মোনালিসার ছবি আঁকা


শুরু করেন।


২০০৪ সালে বিজ্ঞানী পাস্কেল পাটে মোনালিসার


ছবিকে আলাদা ভাগে ভাগ করে হাইডেফিনেশন


ক্যামেরায় ছবি তোলেন। পাস্কেল আবিষ্কার করেন


যে ভিঞ্চি যে রং ব্যাবহার করেছিলেন তার স্তর


৪০ মাইক্রোমিটার।


অর্থাৎ একটি চিকন চুলের থেকেও পাতলা!


পাস্কেল আরো আবিষ্কার করেন যে মোনালিসার


ছবিতে আরো ৩টি চিত্র আছে। তাদের একটি সাথে


লিসা জিয়াকন্ডের মুখের মিল খুজে পাওয়া যায়।


সম্ভবত ভিঞ্চি বন্ধুর অনুরোধে লিসার ছবিটিই


আঁকছিলেন। কিন্তু তিনি এমন কিছু দেখেছিলেন যা


পুরো ছবিতে অন্য এক নতুন মুখের জন্ম দিয়ে


দিয়েছে!


সান্ডারল্যান্ড ইউনিভার্সিটির এক সার্ভেতে


মোনালিসা সম্পর্কে অদ্ভুত কিছু তথ্য পাওয়া যায়।


মোনালিসাকে দূর থেকে দেখলে মনে হয় সে


হাসছে। কিন্তু কাছে গিয়ে তার দিকে তাকালে


মনে হয় সে গভীরভাবে কোন কিছু চিন্তা করছে।


মোনালিসার চোখের দিকে তাকালে তাকে


হাসিখুশি মনে হয়। কিন্তু তার ঠোটের দিকে


তাকালেই সে হাসি গায়েব!


সান্দারলেন্ড ভার্সিটির ছাত্ররা মোনালিসার


ছবির বামপাশ থেকে আল্ট্রা ভায়োলেট পদ্ধতি


ব্যাবহার করে ভিঞ্চির লেখা একটি বার্তা উদ্ধার


করে। বার্তাটি ছিল " লারিস্পোস্তা শ্রীমতি শিল্পী হাওলাদার


তোভাকি"। যার অর্থ "উত্তরটা এখানেই আছে।"


যুগের পর যুগ মানুষকে মুগ্ধ করে আসা মোনালিসার


এই ছবি দেখে জন্ম নেয়া হাজার প্রশ্নের মাঝে


সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল, এই ছবি দিয়ে ভিঞ্চি কি


বোঝাতে চেয়েছিলেন?"


প্যারানোরমাল ম্যাগাজিনের একদল তরুন ছাত্র


উত্তরটা বের করার জন্য অনেক চেষ্টা করেছে।


অবশেষে তারা যা জানিয়েছে সেটাও চমকে


দেয়ার মত!


ভিঞ্চি মোনালিসার ছবির বামপাশে গোপন বার্তা


দিয়েছিলেন "উত্তর টা এখানেই আছে"।


সে বাম পাশকে আয়নার কাছে আনলে একটা ছবি


তৈরী হয়। অবাক করার বিষয় এই তৈরী হওয়া ছবির


জীবটিকে ভিঞ্চি ১৫০০ সালের দিকে


দেখেছিলেন!


ছবিটা একটা এলিয়েনের!!


ভিনগ্রহের এলিয়েন.. 


#everyoneシ゚ #সংগৃহীত #everyonefollowme



নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...