এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৪

একটি শিক্ষামূলক গল্প ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 -- একটি শিক্ষামূলক গল্প 😊🖤


একদিন এক লোক তার ছোট্ট মেয়েকে নিয়ে পার্কে হাঁটছিলেন। পাশে ফলের দোকান দেখে মেয়েটি তার বাবাকে আপেল কিনতে বললো। লোকটির পকেটে খুব বেশি টাকা ছিলোনা, তাই, মাত্র দুটি আপেল কিনে মেয়েকে দিলেন,মেয়েটি দু'হাতে দুটি আপেল ধরল।


লোকটি বললো, এসো দুজনে ভাগাভাগি করে খাই, একথা শুনে মেয়েটি তাড়াতাড়ি একটা আপেলে কামড় দিয়ে একটু খেয়ে নিলো। আরেকটা আপেলের দিকে হাত বাড়িয়ে কিছু বলার আগেই মেয়েটি সেটিতেও কামড় বসিয়ে দিলো... 


তার মনটা খুব খারাপ হয়ে গেলো, মেয়েটা এত লোভী হলো কী করে! তাহলে সন্তানকে কি সঠিক শিক্ষা দিতে পারছেন না। লোকাচার, ভদ্রতা, মিলেমিশে চলা, ভাগাভাগি করে খাওয়া এগুলো কি তার সন্তানকে শেখানো হয়নি!!!তাহলে মেয়েটি এমন লোভী আচরণ করলো কেন? মুখ থেকে হাসি মুছে গেল, তিনি চিন্তায় ডুবে গেলেন...


এসময় হঠাৎ তার মেয়ে ডান হাতের আপেল টা বাবার দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বললো, "বাবা তুমি এটা খাও, এইটা অনেক বেশী টেষ্টি"।


লোকটা ভাষা হারিয়ে ফেললো!!


শিক্ষা: কোনো বিষয়ে দ্রুত কোনো কিছুর বিচার করতে নেই বা দ্রুত কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছতে নেই। ভালভাবে বোঝার জন্য হলেও একটু সময় নেয়া উচিত। এমনওতো হতে পারে যাকে ভুল বুঝে বসে আছি, তার ভেতরে আমারই জন্য ভিন্ন কোনও ভালোবাসা কাজ করছে...🙂🌸

স্মৃতির ক্যানভাস জুড়ে .... ========== রেডিয়োয় ভাষণ দিয়েছেন মাত্র একবার,রেকর্ডিং করতে বেতার কতৃপক্ষ এসেছিল আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের ঘরে... 

স্মৃতির ক্যানভাস জুড়ে ....

==========

রেডিয়োয় ভাষণ দিয়েছেন মাত্র একবার,রেকর্ডিং করতে বেতার কতৃপক্ষ এসেছিল আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের ঘরে... 


পরাধীন ভারতে আধুনিক বিজ্ঞানচর্চার অন্যতম শ্রেষ্ঠ রূপকার আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় তাঁর সুদীর্ঘ ৮৩বছরের জীবনে মাত্র একবার রেডিয়োয় বক্তব্য রেখেছিলেন,শুনতে হবাক হলেও সত্য মাত্র একটিবার তিনি বেতারে বলেছেন,ঐতিহাসিক ও স্মরণীয় সেই বেতার ভাষণ ১৯৪০সালের ৮ডিসেম্বর রাত্রি আটটায় রেডিয়োয় প্রচারিত হয়৷ 


মাত্র ১২মিনিট প্রফুল্লচন্দ্র রেডিয়োয় বলেছিলেন তাঁর বক্তব্যের বিষয় ছিল 'আমি ও আমার জীবন'৷ যদিও আচার্যদেব সেই বক্তৃতা রেডিয়োর স্টুডিয়োয় এসে দেন নি,কারণ তখন তিনি আশি বছর স্পর্শ করতে আর মাত্র কয়েক মাস বাকি,শরীর ভেঙেছে,কিন্তু মস্তিষ্কের আশ্চর্য কর্মদক্ষতা ও অনমনীয় মনোবল অক্ষুন্ন৷ এর আগে পর্যন্ত প্রফুল্লচন্দ্র রায় মহাশয়কে বেতার ভাষণে রাজি করানো যায় নি৷


১৯৪০সালের দিকে বেতার অফিসের অনেকেই নিজেদের মধ্যে আলোচনায় সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ভারতের আধুনিক বিজ্ঞান চর্চার অন্যতম শ্রেষ্ঠ রূপকার বিজ্ঞানী প্রফুল্লচন্দ্র রায় রেডিয়োয় কোনওদিন বক্তব্য রাখেন নি,এই লজ্জা বেতার কতৃপক্ষের৷ তখন তিনি প্রায় আশি,স্বাস্থ ক্রমশ অপটু হয়ে যাচ্ছে,এইবেলা যদি ব্যবস্থা না করা যায় তাহলে আফশোসের আর সীমা থাকবে না৷ এই বিষয়ে চমৎকার একটি নিবন্ধ লিখেছেন মনোমোহন ঘোষ(চিত্রগুপ্ত) খুলনা সন্মিলনী প্রকাশিত 'আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র জন্ম শতবর্ষ পূর্তি স্মারকগ্রন্থে মুদ্রিত হয়,শিরোনাম ছিল'বেতারে আচার্যদেবের রেকর্ড)৷

ওই নিবন্ধে মনোমোহন ঘোষ লিখেছেন কিছুদিন আগে বেতারের বক্তৃতাবিভাগের ভার তাঁর ওপর ন্যস্ত হওয়ায় তিনি অগ্রসর হলেন,গেলেন তাঁর বাসস্থান সার্কুলার রোডে (বর্তমানে আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রোড) বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান কলেজ ভবনে৷ সর্বত্যাগী আচার্যদেব রসায়ন—বিভাগের গবেষণাগারের একটি ঘরে বাস করেন৷ খবর পেয়ে তাঁর তখনকার সেক্রেটারি ভবেশচন্দ্র রায় বেরিয়ে এসে হাসিমুখে বললেন ' শরীর তো ওঁর খুবই খারাপ৷ বেশিক্ষণ বসতে পারেন না৷ অধিকাংশ সময়েই শুয়ে থাকেন৷ শুয়ে শুয়েই পড়াশুনা করেন৷ রেডিয়োতে বলতে যাবে কী করে'? তখন মনোমোহন বাবু বলেছিলেন আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায় কে রেডিয়ো স্টেশনে যেতে হবে না,তারা এখানে এসে রেকর্ড করে নিয়ে যাবেন,বক্তৃতা ব্রডকাস্ট হবে,রেকর্ডখানা থেকে যাবে৷


 ভবেশবাবু মনোমোহন ঘোষ কে সঙ্গে করে নিয়ে গিয়েছিলেন প্রফুল্লচন্দ্রের ঘরে,একদিকে ছোট একটা লোহার খাট,সামান্য উপকরণের বিছানা আর টেবিল চেয়ার৷ আচার্যদেব ঘরে প্রবেশ করে মনোমোহন বাবুকে বললেন খাটে চল৷ দু-এক কথায় তাকে আরও বলেছিলেন চা খাস?খাস না তো?খাস নি! যা ওই চেয়ারটা টেনে এনে বোস৷ এরপর মনোমোহন ঘোষ সুযোগ বুঝে বললেন আপনার গলার আওয়াজ রেকর্ড করে রাখতে হবে যে! এখানে এসে রেকর্ড করে নিয়ে ব্রডকস্ট করবো৷ স্মিতমুখে তাকিয়ে তিনি বলেছিলেন এবার তিনি মরে যেতে পারেন বলে ভয় হয়েছে বুঝি,কিন্তু কী বলবো বল দেখি,বলতে যে আর ভাল লাগে না'৷


বেতারের বক্তৃতা বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক বলেছিলেন তিনি দেশবাসীর উদ্দেশ্যে যা খুশি বলবেন,ভবেশবাবু বড় বড় অক্ষরে টুকে দেবেন,তারপর তিনি খাটে শুয়ে শুয়েই সেটা পড়বেন৷ তাঁর মুখের সামনে মাইক্রোফোন ধরে রাখা হবে,রেকর্ডিস্ট রেকর্ড করে নেবেন,মিনিট পনেরোর বেশি সময় লাগবে না৷

আচার্যদেব অবশ্য বলেছিলেন অত কান্ড তারা করবে!শুয়ে শুয়ে হবে! 


প্রফুল্লচন্দ্রের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল বেতারের লোকজন কবে আসবে,তিনি তাদের একদিন পরে সময় দিয়ে বললেন কাল লেখাটা তৈরি করে নেবেন৷ এরপর খ্যাতনামা সাহিত্যিক পরিমল গোস্বামী সহ বেতার কতৃপক্ষ রেকর্ডিং-এর সরঞ্জাম নিয়ে সবাই হাজির হয়েছিলেন৷ প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের লোহার খাটের মাথার দিকের রেলিং-এর গায়ে বালিশ জড়ো করা হয়,সেই বালিশের পিঠে ভর দিয়ে আধশোয়া অবস্থায় বক্তৃতা পড়েছিলেন৷বেশ ভারি মাইক-স্ট্যান্ডটিকে ঠিক তার মুখের কাছে বারো মিনিট ধরে রাখা হল,রেকর্ড হল আচার্য প্রফুল্লচন্দ্রের বানী : 'আমি ও আমার জীবন'৷ ১৯৪০সালের আট ডিসেম্বর রাত্রি ঠিক আটটায় আচার্য প্রফুল্লচন্দ্রের জীবনের একমাত্র বেতার ভাষণ ব্রডকাস্ট করা হয়৷

পরিমল গোস্বামী খ্যাতনামা সাহিত্যিক,ফটোগ্রাফিতে তাঁর ভারতজোড়া নাম,বেতার কতৃপক্ষের প্রস্তাবে সম্মত হয়ে তিনি বক্তৃতারত প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের ফটো তুলে দিতে তাদের সঙ্গে ওইদিন গিয়েছিলেন৷


গ্রন্থঋণ,চিত্রঋণ,ঐতিহ্য উত্তরাধিকার ও বিজ্ঞানী প্রফুল্লচন্দ্র,শ্যামল চক্রবর্তী


লেখাটি সংগৃহীত 

লেখক অরুণাভ সেন৷

ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে সফলতা আসে না।  জোর করে নিয়ে আসতে হয়। 

 ❣️💕 ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে সফলতা আসে না।  জোর করে নিয়ে আসতে হয়। 


🌹🥀শচীন টেন্ডুলকার জীবনে যতবার আউট হয়েছেন আপনি হয়তো ততবার ক্রিকেট খেলাও দেখেননি। কিন্তু দিন শেষে আজ  শচীনকে ক্রিকেট নক্ষত্র হিসাবেই জানে।


🌹🥀মার্ক জুকারবার্গকে তার গার্লফ্রেন্ড যখন সকল সোশ্যাল সাইট থেকে ব্লক করে দেয়, তখন সে জেদ করে সবচেয়ে বড়  সোশ্যাল সাইট ফেসবুক বানিয়ে ফেলে, যার মাধ্যমে সে ওয়ার্ল্ড এর টপ ফাইভ রিচম্যানদের একজন। আর আপনি হলে কি করতেন ? শেভ করা ছেড়ে দিয়ে সিগারেট টানতেন আর বলতেন- বেঁচে থেকে লাভ কি বল, তোকে ছাড়া আর...!!


🌹🥀টমাস আলভা এডিসন একটা বৈদ্যুতিক বাতি আবিষ্কার করতে গিয়ে যতবার ব্যর্থ হয়েছেন এই পৃথিবীর ইতিহাসে কেউ তত বছর বাঁচেওনি। ৯৯৯ বার ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। আর আপনি ? সফল হওয়ার আগে প্রশ্ন করুন নিজেকে কতবার চেষ্টাটা করতে পারবেন ?


🌹🥀সাইকেল গ্যারেজে কাজ করা রাইট ভ্রাতৃদ্বয় প্ল্যান করে যতবার চেষ্টা করে করে বিমান উড়াতে ব্যর্থ হয়েছেন, আপনি ততবার প্ল্যান করে পাখির উড়াও দেখেননি। তবু তিনি বিমান টা আবিষ্কার করেই ছাড়লেন। 


🌹🥀সৃষ্টিকর্তাকে একবার জানান দেন সাকসেস আসার আগ পর্যন্ত আপনি থামবেন না, হেরে গেলেও না, বারবার ব্যর্থ হলেও না...!!

ছোট বেলায় যেভাবে হাঁটতে না পারলে আবার চেষ্টা করতেন, পড়ে গিয়ে বেথা পেয়ে কান্না করতে করতে আবার দেয়াল ধরে হাঁটতে চাইতেন, এখন সময় এসেছে আবার দাঁতে দাঁত চেপে নাছোড়বান্দার মতো লেগে থাকার। 


🌹🥀যে যাই বলুক, যে যা করুক আপনি শুধু লেগে থাকুন, বাকিটা সিস্টেম্যাটিক্যালি স্রষ্টা আপনাকে দিয়ে দিবেন। সংগৃহীত❣️💕💞

ভারতীয় সিনেমা জগতের শ্রেষ্ঠ সুন্দরীদের মধ্যে নাফিসা আলী একদম প্রথম দিকে থাকবেন

 ভারতীয় সিনেমা জগতের শ্রেষ্ঠ সুন্দরীদের মধ্যে নাফিসা আলী একদম প্রথম দিকে থাকবেন।কোলকাতায় বাঙ্গালি পিতা আহমেদ আলী এবং  এংলো ইন্ডিয়ান মা ফিলোমেনা টরেসানের কন্যা নাসিফা ১৯৫৭ সালের ১৮ই জানুয়ারি জন্মগ্রহন করেন। তিনি ঐতিহ্যশালী একটি পরিবারে বেড়ে উঠে ছিলেন।তার পিতামহ ওয়াজিদ আলী ছিলেন একজন লেখক, এবং তার পিসি জাইব-উন-নিসা হামিদুল্লাহ ছিলেন একজন বিশিষ্ট পাকিস্তানি সাংবাদিক ও সমাজ কর্মী।বড় হয়ে, তিনি লা মার্টিনিয়ার কলকাতা থেকে পড়াশুনা করেন এবং পরে স্বামী চিন্মায়ানন্দের অধীনে বেদান্ত অধ্যয়ন করেন।নাসিফা আলী বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী ছিলেন।একাধিক ক্ষেত্রে সফলতা অর্জন করেছেন নাফিসা। তিনি 1972 থেকে 1974 সাল পর্যন্ত জাতীয় সাঁতার চ্যাম্পিয়ন ছিলেন, এবং 1976 সালে, তিনি ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া খেতাব জিতে মিস ইন্টারন্যাশনাল প্রতিযোগিতায় 2য় রানার-আপ হয়েছেন। তিনি ১৯৭৯ সালে কলকাতা জিমখানায় জকিও ছিলেন।

শশী কাপুরের বিপরীতে জুনুন (১৯৭৯) সিনেমার তিনি প্রথম নজর কাড়েন।মেজর সাব (১৯৯৮) বেওয়াফা (২০০৫), লাইফ ইন এ... মেট্রো (২০০৭) সহ আরও বেশ কিছু সিনেমায় অভিনয় করেন।লাইফ ইন এ মেট্রো সিনেমায় অসাধারন অভিনয় করে ছিলেন।রাজনীতির সঙ্গে ও ছিল তার প্রত্যক্ষ যোগাযোগ।কলকাতা থেকে লড়েছেন নির্বাচনেও।ভারতীয় সেনাবাহিনীর কর্নেল,অর্জুন পুরস্কার প্রাপ্ত পোলো খেলোয়াড় আর এস সোধি কে বিবাহ করেন।একজন প্রতিভাময়ী মানুষ হিসাবে তিনি প্রথম সারিতে থাকবেন।

ব্ল্যাক সোয়ালোয়ার, বিষ্ফোরক এক সমুদ্র দৈত্য। যার কাজকর্ম সত্যিই ভয়ংকর,,,,

 " ব্ল্যাক সোয়ালোয়ার, বিষ্ফোরক এক সমুদ্র দৈত্য। যার কাজকর্ম সত্যিই ভয়ংকর "

ব্ল্যাক সোয়ালোয়ার এই মাছটাকে এককথায় বলা যায় দুঃস্বপ্ন। আমাদের সৌভাগ্যই বলা যায়, এরা সমুদ্রের উপরিভাগে থাকে না। যদি এরা সমুদ্রের উপরিভাগে বসবাস করত তাহলে এদের বেশ কিছু কাজকর্ম মানুষের রাতের ঘুম কেড়ে নেওয়ার জন্য যথেষ্ট।


এরা কিন্তু দৈর্ঘ্যে খুবই ছোট। সর্বোচ্চ দৈর্ঘ্যই হয় এক ফুটের মতো, তবে বেশিরভাগের ক্ষেত্রে দৈঘ্যের পরিমাণ হয় ৬-৮ ইঞ্চি। কিন্তু মুখটা এদের প্রকান্ড। বিশাল সব শিকারকে অনায়াসে গিলে ফেলতে পারে। নিজেদের থেকে বিশাল কাউকে চট করে ঢুকিয়ে ফেলা তো সহজ কথা না। কাজেই, রেজর ব্লেডের মতো ধারালো দাঁত রয়েছে এদের। আর, একবার শিকার ঢুকে গেলে আর যেন বেরিয়ে আসতে না পারে, সেজন্য রয়েছে কাঁটাযুক্ত তালু। 


কিন্তু কোন প্রাণীকে শিকার করে তাকে খালি গিললেই তো হবে না, জায়গাও তো দিতে হবে। ছোট্ট দেহের নিচে তাই একটি বেলুনের মতো পেট আছে এদের। দৈর্ঘ্যে প্রায় দ্বিগুণ এবং ভরের দিক থেকে নিজের দশগুণ যেকোনো মাছকে এরা আস্ত গিলে ফেলতে পারে। সম্পূর্ণ অদ্ভুত ধরনের এক গঠন এদের শরীরের। শিকারকে এরা ঠেসে পেটের মধ্যে ঢুকিয়ে ফেলে। আর এভাবে স্বীকারকে আসতো পেটের মধ্যে ঢুকিয়ে ফেলতে এরা এদের তীক্ষ্ণ দাঁতের সাহায্য নিয়ে থাকে।


শুনতে অদ্ভুতুড়ে মনে হলেও এদের কাজকর্মের পেছনের ব্যাপারটা আসলে খুব সরল। এরা থাকে আটলান্টিক মহাসাগরের ট্রপিক্যাল এবং সাবট্রপিক্যাল অংশে, সমুদ্রের ব্যাথিপেলাজিক অঞ্চলে। কালিগোলা এই গভীর অন্ধকারময় জলে খুব সহজে শিকার পাওয়ার উপায় নেই। এরা তাই একবারে পুরোটুকু খেয়ে নিয়ে সেটাকে জমিয়ে রেখে বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি সংরক্ষণ করার চেষ্টা করে।


কিন্তু সবসময় ব্যাপারটা এত শান্তিপূর্ণ হয় না এদের জন্য।খাদ্যের পরিমাণ অতিরিক্ত বেশি হলে যথা সময়ে এরা পুরো খাবার হজম করতে পারে না। তখন এই খাবার পঁচতে শুরু করে, যার ফলে গ্যাস তৈরি হয়। এই গ্যাস পেটের মধ্যে চাপ দিতে থাকে। ফলাফল ক্ষেত্রবিশেষে পেটে অতিরিক্ত পরিমাণ গ্যাস হওয়ার কারণে বিস্ফোরিতও হতে দেখা যায় ব্ল্যাক সোয়ালোয়ারকে। অনেক সময় বিস্ফোরণের ফলে ব্ল্যাক সোয়ালোয়ারের মৃতদেহ সমদ্রপৃষ্ঠে ভেসে ওঠে।


From #জ্ঞানওবিজ্ঞান


সংগৃহীত পোস্ট

ঘুরে_দাঁড়ানোর_গল্প ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 #ঘুরে_দাঁড়ানোর_গল্প

“একজন ভারতীয় মহিলা শাস্ত্রীয় নৃত্যশিল্পী হিসেবে দর্শক আমার থেকে আশা রাখেন, যে আমার একঢাল লম্বা চুল থাকবে। মাথার চুল পরে গেলে মহিলারা এমনিতেই নিজেদের লোকচক্ষুর আড়াল করে নিতে চান।


কিন্তু আমি মনে করি আমার চুল হলো আমার জীবনের একটি ক্ষুদ্র অংশ; এর অভাবে আমি নিশ্চয়ই বাঁচা ছেড়ে দেবো, তাই না? আমি আজও নিজেকে আগের মতোই সুন্দর দেখি। আর এইভাবেই যখন কেউ নিজেকে সাদরে গ্রহণ করে নেয়, সমাজও তখন তাকে সেইভাবেই গ্রহণ করে নেয়।


কত্থকের অর্থ হলো কাহিনী ব্যক্ত করা; এবং নৃত্য শুধুমাত্র শরীরের নড়াচড়ার বিষয় নয় বরং এটি মানুষকে নতুনভাবে ভাবতে শেখায়, যা সমাজ পরিবর্তনের অনুঘটক হিসেবে কাজ করে।


এমনও সময় গেছে, যখন আমি কখনও কেমোর একদিন আগে বা একদিন পরেও নৃত্য উপস্থাপন করেছি। নাচ আমার কাছে অক্সিজেনের মতো। আমি নাচ ছাড়া কিছুতেই থাকতে পারবো না। আমার তৃতীয় এবং ষষ্ঠ কেমোর মধ্যবর্তী সময়ে, আমি 15টি শো করেছি।


আমার মানসিক স্বাস্থ্য এবং একটি প্রাথমিক রোগ নির্ণয় আমাকে দ্রুত আরোগ্য লাভ করতে সাহায্য করেছে। আমি যদি বিছানায় থাকতাম, আমি অবসাদে চলে যেতাম। পরিবর্তে, নাচ আমাকে এই কঠিন রজার মধ্যেও বাঁচার শক্তি ও অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে। কিন্তু আমিও একাকীত্বে চোখের জল ফেলি।


ঈশ্বরকে প্রশ্ন করি, ‘আমিই কেন?’ আমি তো কারো প্রতি কোন অন্যায় করিনি। কিন্তু যখন আমি দেখি কত মানুষ আমার থেকেও খারাপ পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে, তখন আমি লড়াই করার শক্তি খুঁজে পাই। আমি কারও সহানুভূতি চাই না। আমি ভালবাসা চাই। একজন নারী হিসাবে, আমরা প্রতিনিয়ত অন্যের জন্য বাঁচতে গিয়ে নিজের বাঁচার কথাই ভুলে যাই। আমি বিশ্বাস করি, আপনি নিজে যদি সুখী থাকেন, একমাত্র তখনি আপনি অন্যকে সুখী রাখতে পারবেন।


মৃত্যু তো একদিন আসবেই; কিন্তু সেই একদিন মরার আগে প্রত্যেকদিন প্রাণভরে বাঁচবো না কেন আমি? আমি যখন আজ ঘুম ভেঙে চোখ খুলে আজকের সকাল দেখতে পেরেছি, তার মানে, আমি আরও একটা সুযোগ পেলাম নতুনভাবে বাঁচার জন্যে, তাহলে আমি অযথা দুশ্চিন্তা করে সময় নষ্ট করবো কেন?”


-- অলকানন্দা দাশগুপ্ত

কবিতা: হে হৃদয় বন্দিনী। লেখক:আহমেদ নূর।(অমানুষ)

 কবিতা: হে হৃদয় বন্দিনী।

লেখক:আহমেদ নূর।(অমানুষ)


তুমি যে গেছ দূরে, শূন্য এ জীবন,

পৃথিবী দেখায় ম্লান, অন্ধকারে মন।

তোমারি কথা মনে, জাগে ব্যথা অপার,

কেমনে থাকি একা, তুমিহীন এ সংসার।


হে হৃদয় বন্দিনী, ফিরে এসো প্রিয়,

এই বিরহের ব্যথা সহে নাহি হৃদয়।

আলো হয়ে আসো তুমি, আঁধারে আমার,

তোমার স্পর্শ বিনা জীবন বৃথা আমার।


তোমার সেই হাসি, সেই মধুর বাক,

স্মরণে আনিয়া দেয় অমৃতের স্বাদ।

তোমার ছায়ায় ছিলাম স্নিগ্ধ নির্ভয়ে,

এখন শুধু আঁধার, চারিদিক ঝরে।


তোমা বিনা প্রিয়, পথিকের গন্তব্য নাই,

তুমি ছিলে হৃদয়ে, অক্ষয় আশ্রয়।

ফিরিয়া এসো তুমি, সুখের মেলবন্ধনে,

ভালোবাসার ছায়া দাও, চিরন্তন ভুবনে।


হে হৃদয় বন্দিনী, কোন দূরলোক হতে,

তোমার স্মৃতি লয়ে আসি, অশ্রুজল পথে।

সদা তব স্মরণে মগ্ন হৃদয়,

তোমারে ভুলি কেমনে, জীবন যে মায়ায় ভরায়।

মানুষের জীবনের চাওয়া পাওয়াঃ- ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 মানুষের জীবনের চাওয়া পাওয়াঃ-

≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈≈

❐ উকিল চায় আপনি ঝামেলায় পড়ুন।

❐ ডাক্তার চায় আপনি অসুখে পড়ুন।

❐ পুলিশ চায় আপনি বেআইনী কাজ করেন।

❐ ইলেকট্রিশিয়ান চায় আপনার

বাড়ির ওয়্যারিং জ্বলে যাক।

❐ বাড়িওয়ালা চায় আপনি যেন

জীবনে বাড়ি করতে না পারেন।

❐ মুচি চায় আপনার নতুন জুতো ছিঁড়ে যাক।

❐ ব্যাংকার চায় আপনি টাকা লোন

নিয়ে ঋনগ্রস্থ হোন।

❐ প্রাইভেট টিউটর চায় আপনার

সন্তান পাঠ্যপুস্তকের পড়া কম বুঝুক।


🎇৩টি জিনিসের উপর ভরসা করা ঠিক নয়।

১| নদীর পাড়ের বাড়ি

২। ব্রেক ছাড়া গাড়ি

৩। ঘর ছাড়া নারী।

🎇তিনটি জিনিস একবার আসেঃ

(১) মাতা-পিতা

(২) সৌন্দর্য্য

(৩) যৌবন।

তিনটি জিনিস

🎇ফিরিয়ে আনা যায়নাঃ

(১) বন্দুকের গুলি

(২) কথা

(৩) রূহ।

🎇তিনটি জিনিস মৃত্যুর পর উপকারে আসেঃ

(১)সু-সন্তান

(২)ভাল কাজ

(৩) ইলম।

🎇তিনটি জিনিস সম্মান নষ্ট করেঃ

(১)চুরি

(২)চোগলখুরী

(৩)মিথ্যা।

🎇তিনটি জিনিস

জীবনে রাখতে নেইঃ

(১)হিংসা

(২)অভাব

(৩)সন্দেহ।

🎇তিনটি জিনিসকে সর্বদা মনে রাখা উচিতঃ

(১) উপদেশ

(২) উপকার

(৩) মৃত্যু।

🎇তিনটি জিনিস কে আয়ত্বে রাখা উচিতঃ

(১) রাগ

(২) জিহবা

(৩) মন।

🎇তিনটি জিনিস অভ্যাস করা উচিতঃ

(১) সততা

(২) ভক্তি

(৩) ভালোবাসা

🎇তিনটি জিনিস থেকে দূরে থাকা উচিতঃ

(১) মিথ্যা

(২) অহংকার

(৩) অভিশাপ।

🎇তিনটি জিনিসকে চিন্তা করে ব্যবহার করা উচিতঃ

(১) কলম

(২) কথা

(৩) কদম


নুপুরের দাম হাজার টাকা,,

কিন্তু তার স্থান পায়েই হয়,,

টিপের দাম এক টাকা হলেও ,,

তার স্থান কপালে। "যে নুনের মতো

তিতকুটে জ্ঞান দেয়, সে আসল বন্ধু"।

ইতিহাস সাক্ষী আছে, নুনে কখনো পোকা ধরেনি,,

আর মিষ্টিতে তো প্রতিদিনই পোকা ধরে, পিঁপড়ারাও ছাড়েনি।

মোমবাতি জ্বালিয়ে মৃত মানুষকে স্মরণ করা হয় ,,

আর মোমবাতি নিভিয়ে জন্মদিন পালন করা হয়।

মানুষ সোজা পথে চলতে চায় না,,

আর বাঁকা পথের প্রতি সবারই

আগ্রহ বেশী।

এজন্যই তো মদ বিক্রেতাকে কারো কাছে যেতে হয় না,,

আর দুধ বিক্রেতাকে পাড়ায় পাড়ায় যেতে হয়।

আমরা দুধ বিক্রেতাকে সর্বদা বলি, পানি মেশাননি তো?",,

আর মদে নিজেরাই পানি  মিশিয়ে খাই।

আজ পর্যন্ত মানুষকে এটুকুই বুঝলাম,,,

যে -"তাকে জানোয়ার বললে ক্ষেপে যায়,,

কিন্তু সিংহ বললে খুব খুশি হয় !!


🤔মানুষ বড়ই আজব প্রানী🤔


আপনাদের  পোস্ট টি ভালো লেগে থাকলে   আমার একটি অনুরোধ  রাখবেন সবাই

দয়া করে গ্রুপে জয়েন হয়ে যাবেন এরকম আরো পোস্ট পেতে   🙏🙏🙏

লাল সোনা’ পাচার করে পুষ্পার এতো রমরমা । কেন এতো দাম রক্তচন্দনের?

 ‘লাল সোনা’ পাচার করে পুষ্পার এতো রমরমা । কেন এতো দাম রক্তচন্দনের ? আর চীনেই বা এই রক্তচন্দন কাঠের চাহিদা সবচেয়ে বেশী কেন ?


তামিলনাড়ু সংলগ্ন অন্ধ্রপ্রদেশের চার জেলা--নেল্লোর , কুর্নুল , চিত্তোর এবং কাডাপ্পা জেলায় এই গাছ মেলে । পূর্বঘাট পর্বতের আবহাওয়ায় এই গাছ খুব ভালো হয় । এক একটি গাছের উচ্চতা ৮-১২ মিটার ।


৫ই  ডিসেম্বর মুক্তি পেয়েছে অল্লু অর্জুনের বহুপ্রতীক্ষিত ছবি ‘পুষ্পা ২: দ্য রুল’ । ২০২১ সালটির সুপারহিট ছবি ‘পুষ্পা : দ্য রাইজ়’ ছবির দ্বিতীয়ভাগ । এই সিনেমাটিতে মূল চরিত্র একজনই , পুষ্পারাজ । প্রথম ছবিটির মতো তাকে ঘিরেই গল্প আবর্তিত হয়েছে । সেই চরিত্রকে অল্লু পর্দায় সাবলীলভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন ।


তবে পুষ্পারাজ ছাড়াও এই ছবির আর এক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হলো লালচন্দন ,যেমন ছিল ছবির প্রথমপর্বেও । রক্তচন্দন কাঠের চোরাপাচার নিয়ে এই ছবির কাহিনী । কেন্দ্রীয় চরিত্র পুষ্পা কীভাবে এই রক্তচন্দন কাঠ চোরা পাচার করে এক সাম্রাজ্য বিস্তার করেছে ,ছবিটির ছত্রে ছত্রে সেই দৃশ্যই ফুটিয়ে তুলেছেন পরিচালক ।


এটা তো গেল সিনেমার গল্প । কিন্তু ঐ সিনেমাটির মত বাস্তবেও লাল চন্দন অথবা রক্তচন্দনের গাছ বহুমূল্য একটি জিনিস ।


কিন্তু রক্তচন্দনের কেনই বা এতো দাম ? সেই কাঠটিরই এতো চাহিদা কেন ? কেনই বা কালোবাজারি চলে লাল চন্দনকাঠ নিয়ে ?


রক্তচন্দনকে এই দেশে ‘লাল সোনা’ বলা হয় । সোনার মতোই বহুমূল্যবান এই গাছ । আর এই গাছটি হল খুবই বিরল প্রজাতির ।


‘পুষ্পা’ চিত্রে যে জঙ্গলের কথা বলা হয়েছে , রক্তচন্দন  শেষাচলম পাহাড়ের ওই ঘন জঙ্গলেই পাওয়া যায় ।


তামিলনাড়ু সংলগ্ন অন্ধ্রপ্রদেশের চার জেলা--নেল্লোর , কুর্নুল , চিত্তোর এবং কাডাপ্পা জেলায় এই গাছ মেলে । পূর্বঘাট পর্বতের আবহাওয়ায় এই গাছ খুব ভালো হয় । এক একটি গাছের উচ্চতা ৮-১২ মিটার ।


লালচন্দন হল এক ‘এনডেমিক স্পিসিস’। ‘এনডেমিক স্পিসিস’ বলতে বোঝায় এমন একটি উদ্ভিদ বা প্রাণীর প্রজাতি যেটি একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ ।


প্রাকৃতিকভাবেই এই ‘এনডেমিক স্পিসিস’ পাওয়া যায় না বিশ্বের অন্য কোথাও । আর সেই জন‍্য আন্তর্জাতিক বাজারেও রক্তচন্দনের চাহিদা কল্পনাতীত ।


দুই ধরনের চন্দনকাঠই পাওয়া যায় । সাদা এবং লাল । সাদা চন্দনে সুন্দর গন্ধ থাকলেও লাল কিম্বা রক্তচন্দনে কোনও গন্ধই নেই ।


কিন্তু এই কাঠের বিশেষ গুণের জন্যই সারা বিশ্ব জুড়ে এর বিপুল চাহিদা । আর সেই চাহিদার জন‍্যই এই কাঠ পাচার হয় । ২০১৮ সালে আন্তর্জাতিক প্রকৃতি সংরক্ষণ সঙ্ঘ (আইইউসিএন) এই গাছকে ‘প্রায় বিলুপ্ত’ শ্রেণীর তালিকাভুক্ত করেছে ।


এই কাঠ এতো বিপুল পরিমাণে কাটা ও পাচার হয়েছে যে , সমগ্র বিশ্বে অবশিষ্ট রয়েছে আর মাত্র পাঁচ শতাংশ  গাছ ।


আয়ুর্বেদিক ওষুধ হিসেবেই এই কাঠের বিপুল ব্যবহার হয় । বদহজম , ডায়েরিয়া-সহ বেশ কয়েকটি দৈনন্দিন  রোগের চিকিৎসাতেই এই কাঠ কাজে লাগে ।


রক্ত শুদ্ধিকরণের গুণও রয়েছে এই রক্তচন্দন কাঠের । ঔষধি গুণ ছাড়া অন্যান্য শিল্পেও এই রক্তচন্দন কাঠের বিপুল চাহিদা । এসব ছাড়া পূজা-আর্চা অথবা প্রসাধনী দ্রব্য তৈরীতেও এই কাঠ ব্যবহৃত হয় ।


উল্লেখ্য , রক্তচন্দন থেকে যে নির্যাস পাওয়া যায় , তাও বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হয় । রক্তচন্দনে বেশ কিছু ‘আর্থ মেটাল’ পাওয়া যায় ।


রক্তচন্দনের কাঠ সহজে পোড়ানোও যায় না । পূর্বঘাট এলাকাটি শুষ্ক হওয়ায় সেখানকার জঙ্গলে আগুন ধরে যাওয়া অথবা দাবানলের ঘটনা ঘটবার আশঙ্কা প্রবল । রক্তচন্দন প্রাকৃতিকভাবেই আগুন রোধ করতে সক্ষম ।


বিশ্বের আন্তর্জাতিক বাজারে কেজি প্রতি তিনহাজারের বেশি টাকা দাম থেকেই এই কাঠ বিক্রয় শুরু হয় ।


ভারতে এই গাছ কাটা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ । তবে এমন কাঠও চোরা পাচার হয় আইনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে । পাচার রোখবার জন্য ‘রেড স্যান্ডলার্স অ্যান্টি-স্মাগলিং টাস্ক ফোর্স’ও গঠন করা হয়েছে ।


চীন , জাপান , সিঙ্গাপুর , সংযুক্ত আরব আমিরশাহী বা  অস্ট্রেলিয়ায় এই কাঠের বিপুল চাহিদা । তবে সবচেয়ে বেশি চাহিদা চীনেই । তাই পাচারও বেশী হয় ঐ দেশে । আসবাব , ঘরসজ্জা এবং বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র তৈরীতে সেই দেশে এই কাঠের চাহিদা খুবই বেশী ।


উল্লেখ্য , অন্ধ্রপ্রদেশে প্রাকৃতিকভাবে রক্তচন্দনের দেখা পাওয়া গেলেও এখন বাণিজ্যিক চাহিদা আর রক্তচন্দন বৃক্ষের অস্তিত্বের সঙ্কটের কথা ভেবে অন্য রাজ্যেও এই গাছের চাষ করার চেষ্টা চলছে ।...তথ‍্য  : আনন্দবাজার

ফেইসবুক গল্প ডাঃ ফারহানা জামান ফেইসবুক পেইজ থেকে নেওয়া

 বিয়ের আসরে ছেলের বাবা হাসিমুখে বললেন,

"বেয়াই সাহেব, বিয়েতো হয়ে যাচ্ছে তো আমার ছেলের জন্য বলছিলাম যে পাঁচ লাখ টাকা আর একটা বাইকের ব্যবস্থা করলে সুবিধা হতো। 


আসলে চাইতাম না তবুও ওর অফিসে যাতায়াতের জন্য বাইকটা খুবই প্রয়োজন ছিল। আর আমারও কিছু ঋণ-টিন আছে ওগুলাও পরিশোধ করতাম। ছেলে তো আমার একটাই। আমার যা আছে সবই তো ওর আর ওর মানে আমার বউমার।"

মেয়ে পক্ষের সকলে এই কথা শুনে চুপ করে রইলো। কিছুক্ষণ বাদেই কাজি সাহেব আসলেন বিয়ে পড়ানোর খাতা পত্র নিয়ে। যখন কাবিনের কথা উঠলো তখন মেয়ের বাবা কাউকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়ে কাজি সাহেবকে বললেন,

"আপনি দশ লাখ টাকা কাবিন লিখেন।"

এই কথা শুনে ছেলের বাবা ফুঁসে উঠে বললেন,

"দশ লাখ টাকা কাবিন? মগের মুল্লুক নাকি? আমার ছেলের সামর্থ্যও তো দেখতে হবে নাকি?"

মেয়ের বাবা সামান্য হেসে বলেন,

"মেয়ে তো আপনাদের কাছেই থাকবে তো দশ লাখ কাবিন হোক আর এক কোটি হোক তাতে কি আসে যায়?"

ছেলের বাবা রাগমিশ্রিত কণ্ঠে বলেন,

"যত যাই বলেন আমি এতো টাকা কাবিন দিবো না।"

মেয়ের বাবা ভরা মজলিসে সামান্য অট্টহাসি দিয়ে বলেন,

"দশ লাখ টাকা কাবিন দিতে আপনার ভয় যে ছেলে বউয়ের যদি কোনোভাবে ডিভোর্স হয়ে যায় তাহলে আপনার দশ লাখ টাকা গচ্চা যাবে আর এদিকে আপনি ঠিকই আমার কাছে ছেলের জন্য বাইক আর পাঁচলাখ টাকা নগদ চাচ্ছেন। বিষয়টা কেমন হয়ে গেলো না?"

"কিসের সাথে কি মিলান? জামাইকে শ্বশুর বাড়ি থেকে এসব টুকটাক তো সবাই দেয়। এটাতো সমাজেরই নিয়ম।"

মেয়ের বাবা ঠান্ডা মাথায় বললেন,

"যৌতুক নেওয়া যদি সমাজের নিয়ম হয় তাহলে কাবিনও বেশি দেওয়া সমাজের নিয়ম। একচোখে সবকিছু দেখলে হয় নাকি বেয়াই সাহেব?"

ছেলের বাবা এবার রাগান্বিত স্বরে বলেন,

"আমার ছেলে বড় চাকরি করে। দরকার হলে আপনার এখানে ছেলেকে বিয়ে দিবোনা, মেয়ের অভাব আছে নাকি?"

"আমার মেয়েও কিন্তু উচ্চশিক্ষিত, তাকেও আমি নিজের টাকা পয়সা খরচ করে এতোদূর এনেছি আর আপনিও আপনার ছেলের জন্য কষ্ট করেছেন, তাহলে যৌতুক কেনো মেয়ের বাবাকেই দেওয়া লাগবে? আর এখানে বিয়ের আসর ছেড়ে চলে গেলে ক্ষতি কিন্তু আপনারই। থানায় কল দিয়ে যদি বলি যৌতুকের জন্য বিয়ে ভেঙ্গে দিচ্ছেন তাহলে জেলে যাবেন কিন্তু আপনারাই। তাই ভেবে চিন্তেই সিদ্ধান্ত নিয়েন।"

মেয়ের বাবার কথা শুনে ছেলে পক্ষের সবাই চুপ। নিরবতা ঠেলে মেয়ের বাবা পুনরায় বলে উঠলেন,

"যাইহোক আপনাদের সাথে আমারও আর আত্মীয়তা করার সখ নেই। এখনই এই অবস্থা আর বিয়ের পর আমার মেয়েকে যৌতুকের জন্য অত্যাচার করবেন না তার কি গ্যারান্টি? তার থেকে বরং আমার এই বিয়ের আয়োজনের যেই খরচটা হলো সেটা দিয়ে কেটে পরুন। নাহলে বিষয়টা থানা পর্যন্ত গেলে কত কি হয়ে যাবে ভাবতে পারছেন?"

ছেলের বাবাসহ ছেলে পক্ষের সকলের মাঝে পিনপতন নীরবতা।


মেয়ের বাবা মেয়ের মাথায় হাত বুলিয়ে বললেন,

"যত যাই হোক আমি অন্ততঃ তোকে কোনো ছোটলোকের কাছে বিয়ে দিবো না। আমার রাজকন্যা আমৃত্যু যেনো রাজকন্যার মতোই থাকে সেই ব্যবস্থাই করবো।"

গল্পটি কেমন লাগলো জানাবেন। একটু কমেন্টে রেস্পন্স করবেন। আজকাল ফেসবুকের রিচ নেই বললেই চলে।

নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...