এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৪

নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি এবং এক নোবেল পুরস্কার বিজয়ী নাগরিক,

 নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার প্রথম নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি এবং এক নোবেল পুরস্কার বিজয়ী নাগরিক,

তিনি ৯৫ বছর বয়সে ৫ ডিসেম্বর ২০১৩ সালে মৃত্যুবরণ করেন। অ্যাপার্টহাইড নামে পরিচিত দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই-এর কারণে ২৭ বছর জেল খেটেছেন। তিনি ১৯৯০ সালে কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করেন,এর চার বছর পর দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন এবং মাত্র একটি মেয়াদে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন,যা আফ্রিকার রাজনীতিতে বিরল এক ঘটনা।


আন্তর্জাতিক অঙ্গনে অত্যন্ত প্রিয় এই নেতা বক্তা হিসেবে ছিলেন দারুন। তার অন্যতম এক বিখ্যাত উক্তি ১৯৬৪ সালে রিভোনিয়া ষড়যন্ত্র মামলার শুনানি চলাকালে প্রদান করা বক্তৃতা থেকে গ্রহণ করা হয়,

যেটিতে তিনি বলেন:-


👉 আমি সাদাদের আধিপত্যের বিরুদ্ধে লড়াই করেছি এবং আমি কালোদের আধিপত্যের বিরুদ্ধে লড়াই করছি। আমি আদর্শিক গণতন্ত্র এবং মুক্ত সমাজের প্রশংসা করি,যেখানে সকল ব্যক্তি শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করবে এবং সমান সুযোগ লাভ করবে। এটি হচ্ছে একটি আদর্শিক অবস্থান, যার মধ্যে দিয়ে বাঁচা দরকার এবং আমি তা অর্জনের আশা করি,কিন্তু এটি এমন এক আদর্শ,যদি প্রয়োজন পড়ে,তার জন্য আমি জীবন দিতেও প্রস্তুত।।


রিভোনিয়া মামলায় প্রদান করা বক্তৃতা ছাড়াও,সারা জীবন তিনি অনেক স্মরণীয় এবং জ্ঞানগর্ভ উক্তি করেছেন।


   ------- সংগৃহীত

বাড়ি কোথায়? -ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

 বাড়ি কোথায়?

-ব্রাহ্মণবাড়িয়া।


গ্রাম তাই না ?

ভাবনাটা যাদের এমন তাদের বলছি,

ভাই/বোন একটু আস্তে____


বেশি দূরে না ,ঢাকা থেকে মাত্র ১০৫ কি.মি. দূরত্ব। ট্রেনে দুই ঘন্টা আর বাসে দুই ঘন্টা ৩০ মিনিট। একটু এসে দেখে যান আমাদের সাজানো গোছানো পরিপাটি শহরটাকে,বাংলাদেশের "সাংস্কৃতিক রাজধানী" ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে ।


ব্রাহ্মণবাড়িয়া ___

চিনতে কষ্ট হচ্ছে ? আপনি কি বাংলাদেশেই থাকেন ?

আমাদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় একটি স্থল বন্দর, একটি নৌ-বন্দর এবং একটি রেল-জংশন আছে। বাংলাদেশের আর কোন জেলায় আছে এই তিনটা এক সাথে ?


বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ কি জানেন ?

প্রাকৃতিক গ্যাস।

"তিতাস গ্যাস" এর নাম শুনেছেন নিশ্চয়ই? ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাস বাংলাদেশের এক-তৃতীয়াংশ গ্যাস সরবরাহ করে। সেইটা আমার জেলায় উৎপাদিত গ্যাস । 

আচ্ছা ঢাকা তো বাংলাদেশের রাজধানী তাই না ? পুরো ঢাকার গ্যাস সহ সারা দেশের এক-তৃতীয়াংশ গ্যাস সরবরাহ করা হয় আমার জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া খেকে । কিছু বুঝলেন?

আরো আছে   

দেশের বৃহত্তম বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র আমার জেলাতেই। দেশের ইউরিয়া সারের বৃহত্তম শিল্প কারখানা আমার জেলাতেই । ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম পুতুল নাচের প্রচলন করে আমার জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া।


আমাদের গুনীজনদের কথা একটু শুনুন।

উপমহাদেশের প্রখ্যাত আলেমে দ্বীন হযরত মাওলানা তাজুল ইসলাম ফখরে বাঙ্গাল(রহ), কলকাতা ইউনিভারসিটির সাবেক প্রফেসর- কুদওয়াতুছ ছালেকীন, জুবদাতুল আরেফিন, কুতুবুল ইরশাদ আলহাজ শাহছুফী হযরত মাওলানা, প্রফেসর, আবদুল খালেক (রহঃ) , সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ- উপমহাদেশর প্রখ্যাত সংগীত ব্যক্তিত্ব , আলী আকবর খান- বিশ্ববিখ্যাত শাস্ত্রীয় সঙ্গীত শিল্পী, ১৯৭১ এর ১ আগস্ট নিউইর্য়কের ম্যাডিসন স্কয়ারে অনুষ্ঠিত কনসার্ট ফর বাংলাদেশ এর অন্যতম আয়োজক মনমোহন দত্ত , মলয়া সংগীতের জনক, সুরকার শেখ সাদী খান-বাংলাদেশের সঙ্গীতের জাদুকর বলে অভিহিত করা হয় যাকে, সৈয়দ আব্দুল হাদী-পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জয়ী সঙ্গীত শিল্পী, ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত -পাকিস্তানের গণপরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি উত্থাপনকারী, অলি আহাদ - ভাষা সৈনিক, শেখ আবু হামেদ ভাষা সৈনিক, ব্যারিস্টার আবদুর রসুল, প্রথম বাঙালী মুসলমান ব্যারিস্টার- আব্দুস সাত্তার খান, নাসার মহাকাশ গবেষক, ৪০টিরও বেশি সংকর ধাতু উদ্ভাবন করেছেন। (এই সংকর ধাতুগুলো ইঞ্জিনকে আরো


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 

গরুর উন্নত জাত ও পরিচিতি 

 গরুর উন্নত জাত ও পরিচিতি 


শাহীওয়াল জাতঃ

শাহীওয়াল এই উপমহাদেশের দুধাল গাভী রূপে সুপরিচিত। শাহীওয়াল গাভী দুধ উৎ‌পাদনের জন্য একটি উৎ‌কৃষ্ট জাত।

শাহীওয়াল গাভী সাধারনত পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে দেখা য়ায়।


শাহীওয়াল গরুর কিছু বৈশিষ্ঠ্যঃ

* শাহীওয়াল জাতের গরু ধীর ও শান্ত প্রকৃতির।

* শাহীওয়াল জাতের গরু আকারে বেশ লম্বা এবং মোটাসোটা ভারী দেহ।

* সাধারণত এ জাতের গরুর দেহের রং ফ্যাকাসে লাল বা হালকা হলুদ। তবে কখোনো গাঢ় লাল বা লালের মধ্যে সাদা ও কালো ছাপযুক্ত হয়।

* মাথা প্রশস্ত, পা ছোট, শিং ছোট কিন্তু মোটা।

* গলকম্বল বৃহদাকার যা ঝুলে থাকে।

* শাহীওয়াল জাতের গরুর ত্বক পাতলা ও শিথিল।

* গাভীর ওলান বেশ বড়, চওড়া, নরম, মেদহীন এবং ঝুলন্ত। বাটগুলো লম্বা মোটা ও সমান আকৃতি বিশিষ্ট। দুগ্ধ শিরা বেশ স্পষ্ট যা দূর থেকেও বোঝা যায়।

* লেজ বেশ লম্বা, প্রায় মাটি ছুয়ে যায়। লেজের আগায় দর্শনীয় এক গোছা কালো লোম থাকে।

* বলদ ও ষাঁড় ধীর ও অলস।

* শাহীওয়াল গাভী দৈনিক ১০-১৫ লিটার দুধ দেয় ।

* বাৎসরিক দুধ উৎপাদন ২,১৫০-৪,০০০ লিটার। চর্বির পরিমান ৪.৫%।

* শাহীওয়াল গাভীর ওজন ৩৪০ কেজি এবং ষাড়ের ওজন ৫২২ কেজি হয়।

* জন্মকালে বাছুরের ওজন ২২-২৮ কেজি


জার্সিঃ

জার্সি জাতের উৎপত্তি ইংলিশ চ্যানেলের জার্সি নামক ব্রিটিশ দ্বীপ থেকে। এই জাতটি এখন বিশ্বের প্রায় সব দেশেই পাওয়া যায়। সবচেয়ে বেশী পরিমানে পাওয়া যায় ইংল্যান্ড ও আমেরিকায় ।


জার্সি জাতের গরুর বৈশিষ্ঠঃ

* বিদেশী দুধাল গাভীর মধ্যে জার্সির আকার সবচেয়ে ক্ষুদ্রাকার।

* এ জাতের গাভী আচরণে শান্ত প্রকৃতির হয়।

* র্জাসি গাভীর রং সাধারনত লালচে বাদামী এবং বিভিন্ন রং এর হয়ে থাকে।

* এ জাতের গাভীর দেহ লম্বা,পা খাট, ভারী নিতম্ব ও চূড়া হতে কোমড় পর্যন্ত পিঠ একদম সোজা থাকে পিঠে কুজ থাকে না ।

* মুখবন্ধনী কালো ও চকচকে হয় ৷ মাথা ও ঘাড় বেশ মানানসই, শরীর মেদহীন।

* জিহবা ও লেজ কালো।

* শিং পাতলা এবং সামনের দিকে সামান্য বাঁকানো থাকে

* র্জাসি গাভীর সাধারনত হলিস্টিনের চেয়ে ছোট এবং ওজন কম হয়।

* জার্সি গাভী অপেক্ষাকৃত অল্প সময়ে বয়প্রাপ্ত হয় এবং অনেক বয়স পর্যন্ত দুধ প্রদানে সক্ষম।

* এ জাতের গাভী দৈনিক ১৫-২০ লিটার দুধ দেয় ।

* বাৎসরিক দুগ্ধ উৎপাদন ২,৭৫০ – ৪,০০০ লিটার

* এ জাতের গাভীর দুধে ফ্যাট/ননির (৬%) পরিমান বেশি থাকে।

* র্জাসি গাভীর সাধারনত ৩৬০-৫৪০ কেজি হয়ে থাকে।

#খামার বাড়ী


সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ১৫-১২-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ১৫-১২-২০২৪ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


চার দিনের সরকারি সফরে ঢাকায় এসেছেন পূর্ব তিমুরের প্রেসিডেন্ট হোসে রামোস হোর্তা - বিমানবন্দরে লাল গালিচা সংবর্ধনা।


যথাযথ মর্যাদায় শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালন করলো জাতি-শহিদ বুদ্ধিজীবীদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার শ্রদ্ধা।


তরুণদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে পাওয়া রাষ্ট্র গঠনের দ্বিতীয় সুযোগ নোভাবেই নষ্ট না করার আহ্বান আইন উপদেষ্টার।


গুমের ঘটনায় শেখ হাসিনার সম্পৃক্ততা পেয়েছে তদন্ত কমিশন - র‌্যাব বিলুপ্ত করার সুপারিশ - প্রধান উপদেষ্টার কাছে কমিশনের প্রতিবেদন পেশ। 


কারো স্বাধীনতায় এক বিন্দুও হস্তক্ষেপ করবে না অন্তর্বর্তী সরকার - বললেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব। 


ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ ভালো সম্পর্ক চায় দুই পক্ষের স্বার্থের ভিত্তিতে - মন্তব্য পররাষ্ট্র উপদেষ্টার।


সিরিয়ার শান্তিপূর্ণ ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় সহায়তা করতে আটটি আরব দেশের শীর্ষ  কূটনীতিকদের ঐকমত্য।


তৃতীয় ম্যাচে তিন উইকেটে জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট সিরিজ দুই-একে জিতে নিলো আফগানিস্তান।

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেম কাহিনী __

 সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রেম কাহিনী __


 পরিণত বয়সে সুনীল যাকে ভালবেসে ছিলেন তিনি ছিলেন একজন ফরাসী তরুণী। নাম মার্গারিট ম্যাথিউ । সাতাশ বছরের এই তরুণীর সঙ্গে সুনীলের সাক্ষাৎ হয়েছিল আমেরিকায়। সুনীল তথন মধ্য-পশ্চিম আমেরিকার আয়ওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্য বিভাগের ‘ক্রিয়েটিভ রাইটিং প্রোগ্রাম’-এ অংশ নিতে এক বছরের জন্য সেখানে গিয়েছিলেন। মার্গারিট ছিলেন ওই বিশ্ববিদ্যালয়েরই ফরাসী বিভাগের শিক্ষিকা। সুনীল আয়ওয়া যাওয়ার দু’বছর আগে থেকেই তিনি সেখানে শিক্ষকতা করছিলেন। -


মার্গারিটের আগ্রহ ছিল ভারতীয় পুরাণ ও সংস্কৃতিতে। অন্যদিকে সুনীলের গভীর অনুরাগ ছিল ফরাসী ভাষা ও সাহিত্যে। দু’জনে ছিলেন দু’জনার পরিপূরক। সুতরাং খুব দ্রুত তাদের মধ্যে অন্তরঙ্গতা হয়ে গিয়েছিল। ঘণ্টার পর ঘণ্টা, কথনো বা সারাদিন দু’জন একই ঘরে গল্প করেছেন, ড্রিঙ্ক করেছেন, খাবার ভাগাভাগি করে খেয়েছেন, এমন কী মাসিক খরচও শেয়ার করেছেন। দু’জন এতটাই অন্তরঙ্গ হয়ে উঠেছিলেন যে, কেউ কাউকে ছাড়া দীর্ঘ সময় থাকতে পারতেন না - 


সুনীল তার ‘ছবির দেশে, কবিতার দেশে’ শীর্ষক আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থে তাদের সম্পর্ক ও ঘটনা প্রবাহের যে বর্ণনা দিয়েছেন, এতে এটুকু পরিষ্কার যে তাদের সম্পর্কটা শুধু বন্ধুত্বের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। দু’জন দু’জনকে গভীরভাবে শুধু ভালই বাসেননি, প্রেমেও পড়েছিলেন। মার্গারিট তার ধর্মীয় সংস্কারের কারণে এবং সুনীল তার বাস্তব পরিস্থিতি ও দেশে ফেরার টানে প্রকাশ্যে এ প্রেমের কথা একে-অপরের কাছে স্বীকার করেননি। অবশ্য শেষের দিকে মার্গারিট অনেকখানি দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন, ভালবাসা ও ধর্মীয় বিশ্বাসের টানাপোড়নে ভেঙ্গে পড়েছিলেন। অন্যদিকে সুনীল নিজেকে সামলে নিতে পারলেও মার্গারিটের জন্য তার হাহাকারের কথা বহুবার স্বীকার করেছেন তার লেখায়। 


মার্গারিটের সঙ্গে সুনীলের বন্ধুত্বের সূত্রপাতটা ছিল বেশ মজার। একদিন সুনীল তার ‘ক্রিয়েটিভ রাইটিং প্রোগ্রাম’-এ অংশগ্রহণকারী বন্ধুদের নিমন্ত্রণ   করেছিলেন বাসায়। ওই দলে মার্গারিটও এসেছিলেন তার এক বান্ধবীর সঙ্গে। যাওয়ার সময় মার্গারিট তার একটি বই ফেলে রেখে যান সুনীলের বাসায়। পরের দিন বইটা নিতে যাওয়ার সময় মার্গারিট বলেন, তিনি শকুন্তলা উপাখ্যানটা বুঝতে চান। সুনীল যদি তাকে এটা বুঝিয়ে দেন, তাহলে তিনিও তাকে অনেক ফরাসী কবিতা পড়ে শোনাবেন। এ প্রস্তাবে সুনীল খুশী হয়েছিলেন। কিন্তু এরপর মার্গারিটের আর দেখা নেই। সুনীলও তাকে মনে মনে খুঁজছিলেন, কিন্তু লজ্জায় কাউকে সে কথা বলতে পারছিলেন না। পরে একদিন লাইব্রেরীতে দেখা হলে সুনীল তাকে বললেন, ‘কী ব্যাপার শকুন্তলার উপাখ্যান শুনতে তুমি আর এলে না?’ জবাবে মার্গারিট বলেন, ‘তুমি তো আমাকে ডাকোনি।…আমি নিজে থেকে তোমার বাড়িতে দু’বার গেছি। তারপরও কি আবার সেধে সেধে যাব ?’ মূলতঃ এ ঘটনার পর থেকেই দু’জনের বন্ধুতের শুরু। পরবর্তীকালে দু’জনের সম্পর্কটা যখন গাঢ় হয়, তখন মার্গারিট একদিন কথায় কথায় বলেন, বইটা তিনি সুনীলের বাসায় ইচ্ছে করেই ফেলে রেখে গিয়েছিলেন। যাতে তার সঙ্গে আরেকবার দেখা হয়। জবাবে সুনীলও বলেন, লাইব্রেরীতে মার্গারিটের সঙ্গে তার হঠাৎ দেখা হয়নি। তার দেখা পাওয়ার জন্য তিনিও কয়েকদিন ধরে লাইব্রেরীতে যাওয়া-আসা করছিলেন। সুনীল লিখেছেন, পুরনো এ ঘটনাটা নিয়ে পরে তারা দু’জনেই বেশ হাসাহাসি করেছেন। 


মার্গারিট ছিলেন গোঁড়া ক্যাথলিক পরিবারের মেয়ে। তার দুই বোন ছিল নান্ (সন্ন্যাসিনী)।  সুনীল লিখেছেন, মার্গারিটের বাড়িতে যাওয়ার কথা শুনে মার্গারিট তার হাত চেপে ধরে কাতর গলায় বলেছিল, “সুনীল, প্লীজ, তুমি আমাকে বিয়ে করতে চেও না।… তুমি চাইলে আমি না বলতে পারব না। কিন্তু আমার মা-বাবা এমন কষ্ট পাবেন, আমার অসুস্থ মা এমন আঘাত সহ্য করতে পারবেন না। না, না, তা আমি পারব না।


এর দুই-তিন বছর পর স্বাতীর প্রেমে বাঁধা পড়েন সুনীল। তবে স্বাতীকে সুনীল মার্গারিটের সব কথাই খুলে বলেছিলেন এবং একই সঙ্গে মার্গারিটকেও জানিয়েছিলেন স্বাতীর কথা। মার্গারিট মেনে নিয়েছিলেন সবকিছু। স্বাতীও মার্গারিটকে চিঠি লিখেছিলেন। মার্গারিট শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন সুনীল-স্বাতীর বিয়েতে।


সুনীলের বিয়ের কয়েক বছর পর মার্গারিটের জীবনে ঘটে এক দুঃখজনক ঘটনা। শ্বেতাঙ্গ মার্গারিটকে একদিন রাস্তা থেকে একটি মাইক্রোতে করে তুলে নিয়ে যায় কয়েকজন কৃষ্ণাঙ্গ দুর্বৃত্ত। তারপর তার আর কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। 


সুনীল লিখেছেন, “মার্গারিটের কাছ থেকে আমি অনেক দূরে সরে এসেছি। আমার বয়স বেড়েছে, কিন্তু তার বয়স একটুও বাড়েনি।… মার্গারিট বেঁচে থাকলে এতদিনে  তার সঙ্গে আমার কী রকম সম্পর্ক হতো, তা জানি না। তবে ফরাসী দেশের মাটিতে পা দিলেই আমি যেন শুনতে পাই তার যৌবনময় কণ্ঠস্বর। তার উচ্ছসিত হাসির শব্দ, তার চোখ দিয়েই এখনো অনেক কিছু দেখি।


   [ সংগৃহীত ]


সান্ধ্যকালীন শুভেচ্ছা 🌹

অভিনেতা হুমায়ূন ফরীদি এবং তাঁর প্রথম স্ত্রী মিনুর সংসার ছিল সর্বসাকুল্যে ৪ বছরের। সেই সংসারে ফুটফুটে এক মেয়েরও জন্ম হয়েছিল

 অভিনেতা হুমায়ূন ফরীদি এবং তাঁর প্রথম স্ত্রী মিনুর সংসার ছিল সর্বসাকুল্যে ৪ বছরের। সেই সংসারে ফুটফুটে এক মেয়েরও জন্ম হয়েছিল। কিন্তু ১৯৮৪ সালে বিচ্ছেদ হয়ে যায় তাদের। সেই বছরেই হুমায়ূন ফরীদি অভিনেত্রী সুবর্ণা মুস্তাফাকে বিয়ে করে নতুন সংসার সাজিয়ে বসেন। এই দৃশ্যটি দূর থেকে দেখার কষ্ট সহ্য করতে হয় মিনুকে। সন্দেহ নেই, পৃথিবীর ভয়াবহতম কষ্টগুলোর একটি হলো নিজের প্রিয়জনকে অন্যের হতে দেখা। 


পৃথিবী মানুষের পাওনা বুঝিয়ে দিতে পছন্দ করে। যে কষ্ট হুমায়ূন ফরীদি তাঁর প্রথম স্ত্রী মিনুকে দিয়ে এসেছিলেন, সেই একই কষ্ট ফিরে পেতে দুই যুগের বেশি সময় অপেক্ষা করতে হলো না তাঁর। ২০০৮ সালে ফরীদিকে ছেড়ে দিয়ে নিজের চেয়ে চৌদ্দ বছরের ছোটো বদরুল আনাম সৌদকে বিয়ে করে ফেললেন সুবর্ণা মুস্তাফা। এই দৃশ্যটি ফরীদিকে দেখতে হলো দূর থেকে, অনেক বছর আগে যেমনটি দেখেছিলেন তাঁর প্রথম স্ত্রী মিনু। 


বাংলাদেশের কোনো এক জেলায় সংঘটিত হওয়া একটি ঘটনা শুনে শিউরে উঠেছিলাম। বাবাকে হত্যার দায়ে ছেলেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হত্যা করার সময় সে ছিল মাতাল৷ এক কোপে শরীর থেকে মাথা আলাদা করে ফেলেছে ছেলে। পুলিশ তদন্তের পর জানা গেল আরেক ভয়ঙ্কর তথ্য। যে বাবাকে হত্যা করা হয়েছে, সেই ব্যক্তি অনেক বছর আগে তার নিজের মাকে খুন করেছিল। প্রকৃতি তার প্রাপ্য বুঝিয়ে দিয়েছে কড়ায়-গণ্ডায়। একটুও কৃপণতা করেনি। 


প্রকৃতির এই প্রতিশোধের বিষয়টি স্থান পেয়েছে বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ থেকে নিয়ে শিল্প-সাহিত্যেও। হিন্দুদের কোনো এক ধর্মগ্রন্থে একজন রাজার কথা উল্লেখ করা হয়েছে৷ এক যুদ্ধে তার ৫ ছেলের সবাই নিহত হলো। তখন তিনি কেঁদে কেঁদে ঈশ্বরকে বললেন, 'ঈশ্বর! আমার সঙ্গে তুমি এমন নিষ্ঠুরতা কেন করলে?' ঈশ্বর জবাব দিলেন, 'খুব ছোটোবেলায় তুমি ৫টি প্রজাপতি মেরেছিলে, মনে পড়ে?' রাজা বললেন, 'আমি তো ওটা খেলাচ্ছলে করেছিলাম।' ঈশ্বর জবাব দিলেন, 'আমিও এটা খেলাচ্ছলে করলাম।' উল্লেখ্য, এটি রূপকথা হলেও উদাহরণটি কিন্তু সিগনিফিকেন্ট!


হুমায়ূন আহমেদের একটি খুব জনপ্রিয় ছোটোগল্পের নাম 'পিঁপড়া'৷ এই গল্পে দেখা যায়—মকবুল নামে এক ধনী গৃহস্থকে সারাক্ষণই পিঁপড়া তাড়া করে। এর থেকে বাঁচার জন্য এহেন কোনো ব্যবস্থা নেই, যা সে করে না। রাতে ঘুমানোর আয়োজনেও আনে বিশেষত্ব। খাটের চার পায়ার নিচে পানির পাত্র রাখার ব্যবস্থা রাখে, যেন পিঁপড়া না ওঠে। কিন্তু কিছুতেই কোনো লাভ হয় না। সর্বশেষ এক চিকিৎসকের কাছে সে খুলে বলে তার বৃত্তান্ত। তার বাড়িতে থাকা দুঃসম্পর্কের এক কিশোরী আত্মীয়াকে ধর্ষণের পর হত্যা করেছিল সে। তার লাশে ওঠা পিঁপড়াই প্রথম পিছু নেয় তার। সেই থেকে চলছে...। 


মানুষের চূড়ান্ত বিচারের জন্য আল্লাহ পরকালের ব্যবস্থা রেখেছেন। কিন্তু অনেক পাপের শাস্তি তিনি দুনিয়াতেও দিয়ে থাকেন। আধুনিক সমাজ যেটাকে 'Revenge of nature' বলে থাকে। এটা সত্য, কোনো অংশেই মিথ্যে নয়। আমরা আজ অন্যায়ভাবে কাউকে কষ্ট দিলে কাল হয়তো অন্য কেউ একই কষ্টটা আমাদের দেবে। পৃথিবীটা এভাবেই ফাংশন করে। কাজেই নিজের ব্যাপারে সতর্ক থাকাটা প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি।


কবিগুরু লিখে গেছেন অনেক বছর আগে…..


'প্রত্যেক সামান্য ত্রুটি, ক্ষুদ্র অপরাধ/ ক্রমে টানে পাপ পথে, ঘটায় প্রমাদ।'


কপি পোস্ট,

বেদের মেয়ে জোসনা' খ্যাত চিত্রপরিচালক তোজাম্মেল হক বকুল এর ৬৬তম জন্মবার্ষিকী আজ। 

 'বেদের মেয়ে জোসনা' খ্যাত চিত্রপরিচালক তোজাম্মেল হক বকুল এর ৬৬তম জন্মবার্ষিকী আজ। 

====================================


বেদের মেয়ে জোসনা’ খ্যাত চিত্রপরিচালক তোজাম্মেল হক বকুল-এর ৬৬তম জন্মবার্ষিকী আজ। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যবসা সফল চলচ্চিত্র ‘বেদের মেয়ে জোসনা’র সফল পরিচালক তোজাম্মেল হক বকুল ১৯৫৮ সালের ১৩ ডিসেম্বর, সিরাজগঞ্জের সিমলার ভাটপিয়ারী গ্রামে, জন্মগ্রহণ করেন।


চিত্রপরিচালক আবদুস সামাদ খোকনের হাত ধরে চলচ্চিত্রে এসেছিলেন তোজাম্মেল হক বকুল। আবদুল্লাহ আল মামুন, মতিউর রহমান পানু ও আরো বেশ ক’জন পরিচালকের সহকারী হিসেবে কাজ করেন তিনি।


তাঁর পরিচালিত প্রথম ছবি ছিল ‘বেদের মেয়ে জোসনা’, যা মুক্তিপায় ১৯৮৯ সালে। প্রথম ছবিতেই তিনি বাজিমাৎ করেন। ব্যবসায়ীভাবে বিস্ময়কর সাফল্য অর্জন করে তাঁর নির্মিত ‘বেদের মেয়ে জোসনা’।


তোজাম্মেল হক বকুল আরো যেসব চলচ্চিত্র পরিচালনা করেছেন সেগুলো হলো- শঙ্খমালা, দিলরুবা, রঙ্গিলা, অচিন দেশের রাজকুমার, গাড়ীয়াল ভাই, পাগল মন, বালিকা হলো বধূ, বাঁশীওয়ালা, গরীবের বিচার নাই, আবদুল্লাহ, গলায় গলায় পীরিত, রাখাল রাজা, নাচনেওয়ালী, রাঙ্গা বাইদানী, প্রভৃতি।


তোজাম্মেল হক বকুল একাধারে ছিলেন কাহিনীকার, চিত্রনাট্যকার, গীতিকার, সংলাপ রচয়িতা, প্রযোজক-পরিবেশক ও পরিচালক। তাঁর প্রযোজনা ও পরিবেশনা সংস্থার নাম ‘বাউল চলচ্চিত্র’। নিজের পরিচালনার প্রায় সব ছবিরই কাহিনী, চিত্রনাট্য, গীত ও সংলাপ রচয়িতা তিনি নিজে।


একজন প্রতিভাবান মেধাবী চলচ্চিত্র পরিচালক ছিলেন তোজাম্মেল হক বকুল। সে সময়ে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল তাঁর নির্মিত “বেদের মেয়ে জোসনা”। কোটি কোটি টাকা ব্যাবসা করে, বদলে দিয়েছিল চলচ্চিত্র ব্যাবসার ধরণ।

শুধু বাংলাদেশেই নয়, ধুঁকে ধুঁকে চলা কোলকাতার চলচ্চিত্র শিল্পের ও ব্যবসার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল সেই সময়ে, তোজাম্মেল হক বকুলের “বেদের মেয়ে জোসনা”।


যিনি, ধুমধারাক্কা-মারদাঙ্গাসর্বস্ব তারকাবহুল ছবির ভিড়ে নিজেকে আলাদা ভাবে চিনিয়েছিলেন, প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন একজন শয়ংসম্পূর্ণ চিত্রপরিচালক হিসেবে, তিনি হলেন তোজাম্মেল হক বকুল।


ষাট-সত্তর দশকে যেসব বিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতারা

ফোক-ফ্যান্টাসি ছবির যে ধারা বাংলা চলচ্চিত্রে শুরু করেছিলেন, পরবর্তিতে তোজাম্মেল হক বকুল সেই ধারাকে ভিন্ন ও নতুন মাত্রায় এগিয়ে নিয়ে গেছেন, পূর্ণতা দিয়েছেন এবং ফোক ছবিকে সমৃদ্ধ করে গেছেন বাংলা চলচ্চিত্রে। 


তিনি ২০০৪ সালের ২ মে, ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল মাত্র ৪৬ বছর। 


অত্যন্ত নিরিহ, সহজ-সরল ও খুব ভালো মনের মানুষ ছিলেন, তোজাম্মেল হক বকুল। এই গুণী চলচ্চিত্র পরিচালক, বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ব্যবসাসফল চলচ্চিত্রের নির্মাতা হিসেবে, অবিস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।

লুমাযাহ কারা? (সুরা হুমাযাহ)

 লুমাযাহ কারা? (সুরা হুমাযাহ)


আমাদের আশেপাশে এমন অনেক মানুষ আছেন, যারা বুক ফুলিয়ে বলেন, "আমি উচিৎ কথা বলতে কাউকে ছাড়ি না!


আমি উচিৎ কথা মুখের উপর বলে দেই"!


আপনি অনেক স্ট্রেইট ফরোয়ার্ড!


যা মনে আসে তাই বলেন!


গালাগাল সহ সরাসরি মুখের উপর সব বলে দেন!


সব মহলে ঠোটকাটা স্বভাবের হিসেবে আপনি পরিচিত!


সবাইকে একদম সামনেই ধুয়ে দেন এবং এটা নিয়ে আপনি বেশ গর্বও করেন!


ইসলাম ধর্মে এটাকেই "লুমাযাহ" বলা হয় ।


◾যে ব্যক্তি:-


★ সরাসরি কাউকে লাঞ্চিত ও তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে।


★ কাউকে তাচ্ছিল্য ভরে কোনকিছু নির্দেশ করে (আঙুল,চোখ, মাথা বা ভ্রু দ্বারা) ।


★ কারও অবস্থান বা পদবি নিয়ে তাকে ব্যাঙ্গ করে।


★ কারো বংশের নিন্দা করে বা বংশ নিয়ে কথা বলে।


★ কাউকে হেয় প্রতিপন্ন করে কথা বলে, অপমান করে।


★ কারও মুখের উপর তার সম্পর্কে বিরুপ মন্তব্য করে।


★ সরাসরি বাজে কথা দিয়ে কাউকে আঘাত করে।


★ কাউকে এমন কোনো কথা বললো যাতে আরেকজন কষ্ট পাবে।


★ অসন্মান করে কথা বললো।


উপরোক্ত ব্যক্তিরাই মূলতঃ "লুমাযাহ" এর অন্তর্ভুক্ত।


আল্লহ্‌ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা এই মানুষদেরকে পরিবর্তন হতে বলেছেন। নয়তো তাদের জন্য অনিবার্য ধ্বংসের সতর্ক বাণী দিয়েছেন।


আল্লাহ তাদের প্রতি কঠোর লানত করেছেন।


নবী (সাঃ) বলেছেন, "যার ভিতরে নম্রতা নেই, সে সকল কল্যাণ থেকে বঞ্চিত"।


আসুন, আমরা একটু নরম হই, একটু সহনশীল হই, অন্তরকে পরিশুদ্ধ করি।


মনে রাখবেন- আল্লাহ যাকে নম্রতা দিয়েছেন, তিনি দুনিয়ার সেরা নিয়ামাহ পেয়ে গেছেন।


আল্লাহ আমাদের সবাইকে লুমাজার অন্তর্ভুক্ত,হওয়া থেকে রক্ষা করুন এবং আমাদের সবাইকে দ্বীন মেনে চলার তৌফিক দান করুন।


©️

শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৪

আমরা কেন MOP এমওপি সার বা পটাশ সার জমিতে ব্যবহার করবো? 

 আমরা কেন এমওপি সার বা পটাশ সার জমিতে ব্যবহার করবো? 


ধান চাষে পটাশ সারে, ফলন বাড়ে অধিক হারে।এমপি সার বা পটাশ সারের কাজ: এমওপি বা মিউরেট অব পটাশ সারে শতকরা ৫০ ভাগ পটাশিয়াম থাকে। এমওপি উদ্ভিদ কোষের ভেদ্যতা রক্ষা করে। উদ্ভিদে শর্করা বা শ্বেতসার দ্রব্য পরিবহনে সহায়তা করে। লৌহ ও ম্যাংগানিজের কার্যকারিতা বৃদ্ধি করে। 


👉পটাশ_সারের_কাজ:

১/ পটাশ সার গাছের শিকড় বৃদ্ধি করে এবং পাতার আকার বাড়ায়।

২/ প্রতি ছড়ায় পুষ্ট দানার সংখ্যা বৃদ্ধি করে ও দানার ওজন বাড়ায়।

৩/ গাছের দৃঢ়তা বৃদ্ধি করে বিভিন্ন প্রতিকূল পরিবেশ যেমন খরা, ঠান্ডা, রোগবালাই ইত্যাদি প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। 


৪/ ফসলের গুনগত মান বৃদ্ধি করে। 


👉পটাশিয়াম_অভাবের_কারণ: 


১/ মাটিতে পটাশিয়াম প্রয়োগের পরিমান প্রয়োজনের তুলনায় কম হলে পটাশের ঘাটতি হয়।

২/ ফসলের অবশিষ্টাংশ মাটি থেকে সম্পূর্ণরূপে অপসারণের ফলে।

৩/ বেলে মাটিতে চুয়ানি জনিত অপচয় বেশি হলে এর অভাব দেখা যায়। 


👉পটাশিয়াম সারের অভাবজনিত লক্ষণ:

১/ গাছ গাঢ় সবুজ ও ছোট হয়ে থাকে এবং নেতিয়ে পড়ে।

২/ পটাশিয়ামের অভাবে প্রাথমিক অবস্থায় পাতার আগার দিক হলদেটে কমলা রং ধারন করে পরে এ বিবর্ণ রঙ আস্তে আস্তে পাতার গোড়ার দিকে ছড়িয়ে পড়ে, ফলে পাতা মরপ বা শুকিয়ে যায়। 


৩/ অনেক সময় গাঢ় সবুজ পাতায় তিলের দানার মতো ছোট ছোট বাদামী দাগ দেখা যায়। 

৪/ গাছে রোগবালাইয়ের প্রকোপ বেশি দেখা যায়।

৫/ শিকড়ের বৃদ্ধি কম হয় এবং প্রায়শই তা পচন রোগে আক্রান্ত হয়।

৬/ চিটার হার বেড়ে যায়।

৭/ ধান গাছ হেলে পড়ে ফলন কমে যায়।

৮/ শীষে অনেক সময় অনিয়মিত ভাবে সাদা দাগ দেখা দেয়। 


👉পটাশিয়ামের অভাব দূরীকরণ:

১/ ফসল কাটার পর এর অবশিষ্টাংশ মাটিতে মিশিয়ে দিতে হবে।

২/ পরিমান মতো পটাশিয়াম সার মাটিতে প্রয়োগ করতে হবে। 

৩/ মাটি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে চুয়ানো জনিত অপচয় রোধ ও শিকড় বৃদ্ধিকে তরান্বিত করে পটাশিয়ামের গ্রহণ ক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এর অভাব অনেকাংশে দূর করা সম্ভব। 


👉পটাশ সার প্রয়োগের সময় পদ্ধতি

১/ সাধারণ জমি তৈরির শেষ চাষের সময় পটাশ সার প্রয়োগ করতে হয়। 

২/ পটাশ সার একক ভাবে অথবা নাইট্রোজেন ও ফসফরাস সারের সাথে মিশিয়ে প্রয়োগ করা যেতে পারে। 

৩/ বেলে মাটিতে পটাশের অতিরিক্ত চুয়ানিজনিত রোধে কিস্তিতে প্রয়োগ করা উচিত। সে ক্ষেত্রে অর্ধেক সার কুশি গজানোর সময় প্রয়োগ করতে হবে।

মুড়াপাড়া রাজবাড়ি নারায়ণগঞ্জ জেলার অন্তর্গত রূপগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ও শতবর্ষী জমিদার বাড়ি।

 মুড়াপাড়া রাজবাড়ি নারায়ণগঞ্জ জেলার অন্তর্গত রূপগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ও শতবর্ষী জমিদার বাড়ি। বিভিন্ন সময় এ জমিদার বাড়িটি কয়েকজন জমিদার কর্তৃক সংস্কার ও সম্প্রসারণ করা হয়েছিল। এটি উপজেলার মুড়াপাড়া নামক গ্রামে অবস্থিত। বাংলাদেশের রাজধানী শহর ঢাকা থেকে সড়ক পথে এর দুরত্ব প্রায় ১৮ কিলোমিটার। স্থানীয়রা একে মঠেরঘাট জমিদার বাড়ি বলেও অভিহিত করে।


মুড়াপাড়া রাজবাড়িটি ৬২ বিঘা জমির ওপর অবস্থিত। এই জমিদার বাড়িটি তৈরি করেন বাবু রামরতন ব্যানার্জী যিনি এ অঞ্চলে মুড়াপাড়া জমিদারি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এরপর তার কয়েকজন বংশধর কর্তৃক প্রাসাদটি সংস্কার ও সম্প্রসারণ করা হয়। ১৮৮৯ খ্রিষ্টাব্দে জমিদার প্রতাপচন্দ্র ব্যানার্জী এই ভবনের পিছনের অংশ সম্প্রসারণ করেন ও পরিবার নিয়ে এখানেই বসাবাস শুরু করেন।


তার পুত্র বিজয় চন্দ্র ব্যানার্জী ১৮৯৯ খ্রিষ্টাব্দে প্রাসাদের সামনের অংশে একটি ভবন নির্মাণ ও ২টি পুকুর খনন করেন। ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে তার দুই পুত্র জগদীশ চন্দ্র ব্যানার্জী ও আশুতোষ চন্দ্র ব্যানার্জী কর্তৃক প্রাসাদের দোতালার কাজ সম্পন্ন হয়।


১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে ভারত উপমহাদেশ বিভক্ত হওয়ার পর জগদীশ চন্দ্র তার পরিবার নিয়ে কলকাতা গমন করেন। এরপর থেকে বাড়িটি পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বাড়িটি দখল নেয় এবং এখানে হাসপাতাল ও কিশোরী সংশোধন কেন্দ্রের কার্যক্রম শুরু করে। ১৯৬৬ খ্রিষ্টাব্দে এখানে স্কুল ও কলেজের কার্যক্রম পরিচালনা করা হত। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৮৬ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর বাড়িটির দায়িত্ব গ্রহণ করে সেটিকে প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। বর্তমানে এটি সরকারি মুড়াপাড়া কলেজ নামে পরিচিত।


দ্বিতল এ জমিদার বাড়িটিতে ৯৫টি কক্ষ রয়েছে।

রয়েছে সংলগ্ন ২টি পুকুর,বাড়ির সামনে একটি বৃহদাকার পুকুর,পেছনভাগে মোটামুটি বড় "সামনেরটা থেকে কিছুটা ছোট" আরেকটি পুকুর। এছাড়াও পুরো জমিদার বাড়িটিতে রয়েছে বেশকিছু নাচঘর,আস্তাবল,

মন্দির,ভাণ্ডার ও কাচারি ঘর। মন্দিরের ওপরের চূড়াটি প্রায় ৩০ ফুট উঁচু। মূল প্রাসাদে প্রবেশের পথে রয়েছে বেশ বড় একটি ফটক। একটি আম বাগানও আছে জমিদার বাড়ির পাশে। দুটি পুরনো মঠ রয়েছে প্রধান সড়কের পাশে।।


-------- সংগৃহীত

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...