এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৪

১৫  বছর লন্ডন বাস চালানোর পর, অবশেষে আমার এই কাজ শেষ হলো।ভিক্টোরিয়া স্টেশনে শেষ দিনে আমি মাইকে ঘোষণা করেছিলাম: “১৫ বছর পর, আজ আমার লন্ডন বাস চালানোর শেষ দিন।

 ১৫ বছর লন্ডন বাস চালানোর পর, অবশেষে আমার এই কাজ শেষ হলো।ভিক্টোরিয়া স্টেশনে শেষ দিনে আমি মাইকে ঘোষণা করেছিলাম: “১৫ বছর পর, আজ আমার লন্ডন বাস চালানোর শেষ দিন। এই শহরের মানুষকে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় নিয়ে যাওয়াটা আমার জন্য সত্যিই আনন্দের ছিল। আমার এই যাত্রার অংশ হওয়ার জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ।” আমার কথা শুনে পুরো বাসে সবাই হাততালি দিল। বাস থেকে নামার সময় অনেকেই আমাকে শুভকামনা জানালেন।


যখন আমি এই পেশা শুরু করেছিলাম, তখন আমার কোনও GCSE ছিল না, আর ইংরেজিতে আমার মাত্র লেভেল ১-এর যোগ্যতা ছিল। তখন ভবিষ্যৎ খুব অনিশ্চিত মনে হয়েছিল। কিন্তু আজ, ছয় বছর পর, আমি গর্বের সঙ্গে বলতে পারি, কঠোর পরিশ্রম আর লক্ষ্যে দৃঢ় থাকলে অনেক কিছু অর্জন করা সম্ভব।


আমার অর্জন:

 • পিএইচডি (চলমান): লন্ডন সাউথ ব্যাংক ইউনিভার্সিটি, “বাসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে গবেষণা”

 • এমবিএ: ইউনিভার্সিটি অফ বোল্টন

 • বিএ (অনার্স): বাকস নিউ ইউনিভার্সিটি, বিজনেস ম্যানেজমেন্ট

 • ড্রাইভার প্রশিক্ষক (সিপিসি): আরটিআইটিবি

 • সার্টিফায়েড পরিবহন ম্যানেজার

 • হেড অফ থিঙ্কিং ইন্টু ক্যারেক্টার

 • হেড অফ ন্যাচারাল ইন্টেলিজেন্স

 • সিইও, গ্লোবাল ট্রান্সপোর্ট একাডেমি

 • ম্যানেজমেন্ট ও লিডারশিপ ডিপ্লোমা (লেভেল ৫ ও ৭): চার্টার্ড ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট

 • সিপিসি (পরিবহন ব্যবস্থাপনা): ওসিআর

 • চার্টার্ড ম্যানেজার (সিএমজিআর এমসিএমআই)

 • পরিবহন ব্যবস্থাপনা ডিপ্লোমা: অক্সফোর্ড বিজনেস স্কুল (অনলাইন)

 • ম্যানেজিং সেইফলি: ইনস্টিটিউশন অফ অকুপেশনাল সেফটি অ্যান্ড হেলথ


আজ আমি পিএইচডি গবেষক হিসেবে কাজ করছি। বাস পরিষেবায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নিয়ে গবেষণা করে, পরিবহন ব্যবস্থায় উন্নতি আনাই আমার লক্ষ্য।


শুরুর জায়গা যেমনই হোক না কেন, কঠোর পরিশ্রম আর শেখার ইচ্ছা থাকলে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।


লিংকড-ইন থেকে আবদি ফারাহ 🖋️


#ThinkingIntoCharacter #Inspiration #DreamBig #NeverGiveUp #SuccessStory #LifelongLearning #TransportManagement

OPC VS PPCওপিসি এবং পিপিসি সিমেন্টের মধ্যে পার্থক্য?

 ওপিসি এবং পিপিসি সিমেন্টের মধ্যে পার্থক্য?


ওপিসি (অর্ডিনারি পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট) এবং পিপিসি (পোর্টল্যান্ড পোজোলানা সিমেন্ট) হল দুটি ধরণের সিমেন্ট যা সাধারণত নির্মাণে ব্যবহৃত হয়। এখানে তাদের মধ্যে প্রধান পার্থক্য আছে:


OPC (সাধারণ পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট)


1. রচনা: ওপিসি চুনাপাথর, কাদামাটি এবং জিপসামের মিশ্রণ থেকে তৈরি।


2. বৈশিষ্ট্য: OPC এর উচ্চ প্রারম্ভিক শক্তি, হাইড্রেশনের উচ্চ তাপ এবং মাঝারি সালফেট প্রতিরোধ ক্ষমতা রয়েছে।


3. ব্যবহার: OPC সাধারণত সাধারণ নির্মাণের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন ভবনের ভিত্তি, দেয়াল এবং মেঝে।


4. খরচ: OPC সাধারণত PPC থেকে কম ব্যয়বহুল।


PPC (পোর্টল্যান্ড পোজোলানা সিমেন্ট)_


1. রচনা: পিপিসি ওপিসি এবং পোজোল্যানিক পদার্থের মিশ্রণ থেকে তৈরি করা হয়, যেমন ফ্লাই অ্যাশ বা সিলিকা ফিউম।


2. বৈশিষ্ট্য: PPC এর প্রাথমিক শক্তি কম, হাইড্রেশনের কম তাপ এবং OPC থেকে উচ্চতর সালফেট প্রতিরোধ ক্ষমতা রয়েছে।


3. ব্যবহার: PPC সাধারণত এমন নির্মাণ প্রকল্পের জন্য ব্যবহার করা হয় যার জন্য উচ্চ স্থায়িত্ব প্রয়োজন, যেমন সামুদ্রিক কাঠামো, সেতু এবং উঁচু ভবন।


4. খরচ: PPC সাধারণত OPC থেকে বেশি ব্যয়বহুল।


মূল পার্থক্য_


1. শক্তি: PPC এর তুলনায় OPC এর প্রারম্ভিক শক্তি বেশি, কিন্তু PPC এর দীর্ঘমেয়াদী শক্তি বেশি।


2. হাইড্রেশনের তাপ: OPC-তে PPC-এর তুলনায় হাইড্রেশনের তাপ বেশি থাকে, যা তাপীয় ক্র্যাকিং হতে পারে।


3. সালফেট প্রতিরোধের: PPC এর OPC থেকে উচ্চতর সালফেট প্রতিরোধ ক্ষমতা রয়েছে, যা এটিকে সামুদ্রিক পরিবেশে ব্যবহারের জন্য আরও উপযুক্ত করে তোলে।


4. কর্মযোগ্যতা: PPC ওপিসি-র তুলনায় কম কর্মক্ষমতা রয়েছে, যা এটিকে মিশ্রিত করা এবং স্থাপন করা আরও কঠিন করে তুলতে পারে।


যোগাযোগ করুনঃ 

M/S Raj-Minal Constitution 

ইঞ্জিনিয়ার মো:ইলিয়াছ হোসেন রাজ (সিভিল) 

মোবাইল নাম্বার, 017128-14916/017933-93493

সদর রোড মঠবাড়িয়া পৌরসভা,মঠবাড়িয়া পিরোজপুর।

=============================

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ২৪-১২-২০২৪ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ২৪-১২-২০২৪ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠাতে ভারতকে চিঠি দিয়েছে সরকার - জানালেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা।


বিডিআর হত্যাকাণ্ড তদন্তে ৭ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে - বললেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


একনেক বৈঠকে মৌলভীবাজারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক প্রকল্প বাতিল।


উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফের মৃত্যুতে পালিত হলো রাষ্ট্রীয় শোক - চিরনিদ্রায় শায়িত করা হলো মিরপুরে শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে।


চাঁদপুরে নৌযানে হামলার ঘটনায় শিল্প মন্ত্রণালয়ের ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন।


তেহরানে হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়াকে হত্যার দায় আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকার করলো ইসরাইল।


সিলেটে  জাতীয় ক্রিকেট লিগ টি-টোয়েন্টির ফাইনালে আজ ঢাকা মেট্রোর মুখোমুখি হবে রংপুর বিভাগ।

ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাস : দক্ষিণ এশিয়া

 ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাস : দক্ষিণ এশিয়া

• প্রস্তর যুগ ৫০,০০০-৩৩০০ খ্রীষ্টপূর্ব

• মেহেরগড় ৭০০০-৩৩০০ খ্রীষ্টপূর্ব

• হরপ্পা ও মহেঞ্জদর সভ্যতা ৩৩০০-১৭০০খ্রীষ্টপূর্ব

• হরপ্পা সংস্কৃতি ১৭০০-১৩০০ খ্রীষ্টপূর্ব

. বৈদিক যুগ ১৫০০-৫০০ খ্রীষ্টপূর্ব

. লৌহ যুগ ১২০০-৩০০ খ্রীষ্টপূর্ব

• ষোড়শ মহাজনপদ ৭০০-৩০০ খ্রীষ্টপূর্ব

• মগধ সাম্রাজ্য ৫৪৫খ্রীষ্টপূর্ব

• মৌর্য সাম্রাজ্য ৩২১-১৮৪খ্রীষ্টপূর্ব

• মধ্যকালীন রাজ্যসমূহ ২৫০ খ্রীষ্টপূর্ব

• চোল সাম্রাজ্য ২৫০খ্রীষ্টপূর্ব

• সাতবাহন সাম্রাজ্য  ২৩০খ্রীষ্টপূর্ব

• কুষাণ সাম্রাজ্য৬০-২৪০ খ্রীষ্টাব্দ

• বাকাটক সাম্রাজ্য ২৫০-৫০০ খ্রীষ্টাব্দ

• গুপ্ত সাম্রাজ্য ২৮০-৫৫০ খ্রীষ্টাব্দ

• পাল সাম্রাজ্য ৭৫০-১১৭৪ খ্রীষ্টাব্দ

• রাষ্ট্রকুট ৭৫৩-৯৮২

• ইসলামের ভারত বিজয় ৭১২

• সুলতানী আমল ১২০৬-১৫৯৬

• দিল্লি সালতানাত ১২০৬-১৫২৬

• দক্ষিণাত্য সালতানাত ১৪৯০-১৫৯৬

• হৈসল সাম্রাজ্য ১০৪০-১৩৪৬

• কাকতীয় সাম্রাজ্য ১০৮৩-১৩২৩

• আহমন সাম্রাজ্য ১২২৮-১৮২৬

. বিজয়নগর সাম্রাজ্য ১৩৩৬-১৬৪৬

. মুঘল সাম্রাজ্য ১৫২৬-১৮৫৮

. মারাঠা সাম্রাজ্য ১৬৭৪-১৮১৮

. শিখ রাষ্ট্র ১৭১৬-১৮৪৯

. শিখ সাম্রাজ্য ১৭৯৯-১৮৪৯

. ব্রিটিশ ভারত ১৮৫৮–১৯৪৭

. ভারত ভাগ ১৯৪৭

. স্বাধীন ভারত ১৯৪৭–বর্তমান 

. জাতীয় ইতিহাসঃ

. বাংলাদেশ • ভুটান • ভারত

. মালদ্বীপ • নেপাল • পাকিস্তান • শ্রীলঙ্কা

. আঞ্চলিক ইতিহাস

. আসাম • বেলুচিস্তান • বঙ্গ

. হিমাচল প্রদেশ • উড়িষ্যা • পাকিস্তানের অঞ্চল সমূহ

. পাঞ্জাব • দক্ষিণ ভারত • তিব্বত

. বিশেষায়িত ইতিহাস

. টঙ্কন • রাজবংশ • অর্থনীতি ভারততত্ত্ব

• ভাষাবিজ্ঞানের ইতিহাস • সাহিত্য • নৌসেনা

• সেনা • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি • সময়রেখা

এই বাক্সটি: দেখুনসম্পাদনা

এই নিবন্ধটি ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পূর্ববর্তী ভারতীয় উপমহাদেশের ইতিহাস-সম্পর্কিত। ১৯৪৭-পরবর্তী ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের ইতিহাস জানতে হলে দেখুন ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের ইতিহাস নিবন্ধটি। এছাড়া পাকিস্তান বা বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ইতিহাস জানতে হলে দেখুন যথাক্রমে পাকিস্তানের ইতিহাস ও বাংলাদেশের ইতিহাস। দক্ষিণ ভারত, অবিভক্ত বাংলা ও পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস জানতে হলে দেখুন যথাক্রমে দক্ষিণ ভারতের ইতিহাস, বাংলার ইতিহাস ও পশ্চিমবঙ্গের ইতিহাস।

অব্যবহিত পরবর্তীতেই একাধিক বৈদেশিক শাসনে আওতায় চলে আসে উত্তর-পূর্বের এই অঞ্চল। এগুলির মধ্যে ৫৪৩ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ নাগাদ প্রতিষ্ঠিত হখামনি পারসিক সাম্রাজ্য ৩২৬ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ নাগাদ মহামতি আলেকজান্ডারের রাজত্বকাল বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এছাড়া পাঞ্জাব ও গান্ধার অঞ্চলে ব্যাকট্রিয়ার প্রথম ডিমেট্রিয়াস কর্তৃক ১৮৪ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে স্থাপন করেন ইন্দো-গ্রিক রাজ্য। প্রথম মিনান্ডারের আমলে গ্রিকো-বৌদ্ধ যুগে এই রাজ্য বাণিজ্য ও সাংস্কৃতিক সমৃদ্ধির চরমে পৌঁছায়।


খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় ও চতুর্থ শতাব্দীতে মৌর্য সাম্রাজ্যের অধীনে উপমহাদেশে রাজনৈতিক ঐক্য সাধিত হয়। পরবর্তী দশ শতাব্দীকালে একাধিক ক্ষুদ্রকায় রাজ্য ভারতের বিভিন্ন অংশ শাসন করে। চতুর্থ খ্রিষ্টাব্দে উত্তর ভারত পুনরায় ঐক্যবদ্ধ হয় এবং পরবর্তী প্রায় দুই শতাব্দীকাল গুপ্ত সাম্রাজ্যের যাবৎ এই ঐক্য বজায় থাকে। এই যুগটি ছিল হিন্দুধর্মসংস্কৃতির পুনর্জাগরণের কাল। ভারতের ইতিহাসে এই যুগ "ভারতের সুবর্ণ যুগ" নামে অভিহিত । এই সময় ও পরবর্তী কয়েক শতাব্দীতে দক্ষিণ ভারতে রাজত্ব করেন চালুক্য, চোল, পল্লব ও পাণ্ড্য রাজন্যবর্গ। তাদের রাজত্বকাল দক্ষিণ ভারতের নিজস্ব এক সুবর্ণ যুগের জন্ম দেয়। এই সময়ই ভারতীয় সভ্যতা, প্রশাসন, সংস্কৃতি তথা হিন্দু ও বৌদ্ধধর্ম এশিয়ার অধিকাংশ অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। ৭৭ খ্রিষ্টাব্দ নাগাদ কেরলের সঙ্গে রোমান সাম্রাজ্যের সামুদ্রিক বাণিজ্যের কথাও জানা যায়।


৭১২ খ্রিষ্টাব্দে আরব সেনানায়ক মুহাম্মদ বিন কাশিম দক্ষিণ পাঞ্জাবের সিন্ধ ও উত্তর পাঞ্জাবের মুলতান অধিকার করে নিলে ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলমান শাসনের সূচনা ঘটে।এই অভিযানের ফলে দশম থেকে পঞ্চদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে মধ্য এশিয়া থেকে সংগঠিত একাধিক অভিযানের ভিত্তিভূমি সজ্জিত করে। এরই ফলস্রুতিতে ভারতীয় উপমহাদেশে দিল্লি সুলতানি ও মুঘল সাম্রাজ্যের মতো মুসলমানি সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়। মুঘল শাসনে উপমহাদেশের প্রায় সমগ্র উত্তরাঞ্চলটি ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। মুঘল শাসকরা ভারতে মধ্যপ্রাচ্যের শিল্প ও স্থাপত্যকলার প্রবর্তন ঘটান। মুঘলদের সমকালেই দক্ষিণ ও উত্তর-পূর্ব পশ্চিম ভারতে বিজয়নগর সাম্রাজ্য, অহোম রাজ্য এবং বাংলা, মারাঠা সাম্রাজ্য ও একাধিক রাজপুত রাজ্যের মতো বেশ কিছু স্বাধীন রাজ্যের উন্মেষ ঘটে। অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে ধীরে ধীরে মুঘলদের পতন শুরু হয়। এর ফলে আফগান, বালুচ ও শিখরা উপমহাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারে সক্ষম হয়।অবশেষে ব্রিটিশরা সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ার উপরে নিজেদের শাসন কায়েম করে।


অষ্টাদশ শতাব্দীর মধ্যভাগে ও পরবর্তী শতাব্দীতে ধীরে ধীরে ভারত ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনাধীনে চলে যায়। ভারতের প্রথম স্বাধীনতা যুদ্ধের নামে অভিহিত সিপাহী বিদ্রোহেরপ্রেক্ষিতে কোম্পানির শাসনে অসন্তুষ্ট ব্রিটিশ সরকার সরাসরি ভারতকে ব্রিটিশ রাজের প্রত্যক্ষ শাসনে নিয়ে আসেন। এই সময়টি ছিল ভারতের পরিকাঠামো উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অবনমনের এক অধ্যায়। যদিও পাশ্চাত্য আধুনিক শিক্ষার প্রসার এই যুগেই বাংলার মাটিতে নবজাগরণের জন্ম দেয়।


বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস দেশব্যাপী এক স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেয়। অবশেষে, ১৯৪৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশ গ্রেট ব্রিটেনের অধীনতাপাশ ছিন্ন করে ধর্মের ভিত্তিতে ভারত বিভক্ত হয়। উপমহাদেশের পূর্ব ও পশ্চিমাংশের মুসলমান অধ্যুষিত অঞ্চলগুলি নিয়ে পাকিস্তান ও অবশিষ্ট অঞ্চল ভারতীয় প্রজাতন্ত্র নামে পরিচিত হয়। পূর্ব পাকিস্তান নামে পরিচিত পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চল ১৯৭১ সালে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ রাষ্ট্র হিসেবে আত্ম-প্রতিষ্ঠা করে।


প্রাগৈতিহাসিক যুগ

বৈদিক ও বেদোত্তর যুগঃ


লিচ্ছবি রাজ্যের রাজধানী বৈশালী। লিচ্ছবি ছিল অরোয়াদের পর পৃথিবীর দ্বিতীয় গণতান্ত্রিক রাজ্য।

বৈদিক সংস্কৃতে মৌখিকভাবে রচিত হিন্দুদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ বেদকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা আর্য সভ্যতাই ছিল বৈদিক যুগের ভিত্তি। বেদ বিশ্বের প্রাচীনতম প্রাপ্ত গ্রন্থগুলির অন্যতম। এই গ্রন্থ মেসোপটেমিয়া ও প্রাচীন মিশরের ধর্মগ্রন্থগুলির সমসাময়িক। বৈদিক যুগের সময়কাল ১৫০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ থেকে ৫০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ। এই সময়েই হিন্দুধর্ম ও প্রাচীন ভারতীয় সমাজের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক উপাদানের মূল ভিত্তিগুলি স্থাপিত হয়। গাঙ্গেয় সমভূমি অঞ্চলকে কেন্দ্র করে সমগ্র উত্তর ভারতে বৈদিক সভ্যতাকে ছড়িয়ে দেয় আর্যরা। ভারতীয় উপমহাদেশে ইন্দো-আর্যভাষী উপজাতিগুলির অনুপ্রবেশের ফলে প্রাগৈতিহাসিক পরবর্তী হরপ্পা সভ্যতার পতন ঘটে এবং বিদ্যমান স্থানীয় সভ্যতার উপরেই স্থাপিত হয় বৈদিক সভ্যতা। স্থানীয় বাসিন্দারা আর্যদের কাছে দস্যু নামে পরিচিত হয়।


আদি বৈদিক সমাজ ছিল গ্রামকেন্দ্রিক। ফলত এই যুগে পরবর্তী হরপ্পা সভ্যতার নগরায়ণের ধারণাটি পরিত্যক্ত হয়।ঋগ্বেদোত্তর যুগে, আর্য সমাজ অধিকতর কৃষিভিত্তিক হয়ে পড়ে এবং এই সময়েই সমাজে বর্ণাশ্রম প্রথার উদ্ভব ঘটে। মনে করা হয়, হিন্দুদের আদি ধর্মগ্রন্থ বেদ ছাড়াও সংস্কৃত মহাকাব্য রামায়ণ ও মহাভারতের আদি সূত্রগুলি এই যুগেই নিহিত ছিল। বিভিন্ন পুরাতাত্ত্বিক খননের ফলে প্রাপ্ত মৃৎপাত্রগুলিতে আদি ইন্দো-আর্য সভ্যতার কিছু নিদর্শনের সন্ধান পাওয়া যায়। প্রাচীন ভারতের কুরু রাজ্যে,  কৃষ্ণ ও রক্ত ধাতব ও চিত্রিত ধূসর ধাতব সভ্যতার নিদর্শন পাওয়া যায়। ১০০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে উত্তর-পশ্চিম ভারতে লৌহ যুগের সুচনা হয়। এই সময়ে রচিত অথর্ববেদে প্রথম লৌহের উল্লেখ মেলে। উক্ত গ্রন্থে লৌহকে "শ্যাম অয়স" বা কালো ধাতু বলে চিহ্নিত করা হয়। চিত্রিত ধূসর ধাতব সভ্যতা উত্তর ভারতে ১১০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ থেকে ৬০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত স্থায়ী হয়।বৈদিক যুগেই ভারতে বৈশালীর মতো একাধিক গণরাজ্য স্থাপিত হয়। এগুলি খ্রিষ্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দী এমনকি কোনো কোনো অঞ্চলে চতুর্থ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্তও স্থায়ী হয়েছিল। এই যুগের পরবর্তী পর্যায়ে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মধ্যে রাজ্যস্থাপন ও রাজ্যবিস্তারের সংগ্রাম শুরু হয়। এই রাজ্যগুলিই পরিচিত হয় মহাজনপদ নামে।


বিঃদ্রঃ- ইতিহাস সম্পর্কিত লেখাগুলো বিভিন্ন সুত্র থেকে সংগৃহীত।

কীভাবে মানুষ বই পড়া শুরু করল?,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 📚 কীভাবে মানুষ বই পড়া শুরু করল? 


পড়ার ইতিহাস এমন চমৎকার, লিখতে লিখতে আমিই হতবাক। দেখা যাক, আমরা পড়ার এবং পাঠকের বিবর্তনের মৌলিক ইতিহাসের দিকে তাকালে কী আবিষ্কার করতে পারি।


▪ পড়ার শুরুর গল্প


খ্রিষ্টপূর্ব চতুর্থ সহস্রাব্দে, মেসোপটেমিয়ার শহরগুলো কৃষি সমৃদ্ধি এবং জটিল সামাজিক কাঠামোর নিয়ে গড়ে উঠতে শুরু করে। তখন এক অজানা ব্যক্তি মাটির ট্যাবলেটে কিছু আঁকিবুকি করে ছাগল আর ষাঁড় চিত্রিত করেন। এই ছোট্ট ঘটনাই ইতিহাস বদলে দেয়। লেখার সাথে সাথেই এর অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে জন্ম নেয় পড়ার শিল্প।


প্রথমদিকে লেখা ব্যবহার হতো লেনদেনের হিসাব রাখতে। খ্রিষ্টপূর্ব ২৬০০ সালে কিউনিফর্ম লিপি উদ্ভাবনের মাধ্যমে লেখার ধরন আরও উন্নত হয়। এটি তখন আইন, রাজাদের বীরত্বগাথা এবং লেনদেনের তথ্য নথিভুক্ত করার কাজে ব্যবহৃত হতো।


মেসোপটেমিয়ায় একজন লেখক বা পাঠক হওয়া ছিল বিরাট সাফল্যের। যদি কোনো রাজা পড়তে জানতেন, তাহলে তিনি তা তার শিলালিপিতে গর্বের সঙ্গে উল্লেখ করতেন। 


মেসোপটেমিয়ান সংস্কৃতিতে পাখিদের পবিত্র বলে মনে করা হতো, কারণ তারা ভেজা মাটিতে যে চিহ্ন রাখত, তা দেখতে কিউনিফর্ম লিপির মতো লাগত। এ ধরনের চিহ্নগুলো দেবতাদের বার্তা বলে মনে করা হতো।


▪ প্রথম সাহিত্যিক এনহেদুয়ান্না


ইতিহাসে প্রথম নামযুক্ত লেখক ছিলেন আক্কাদীয় রাজকুমারী ও পুরোহিত এনহেদুয়ান্না। তিনি খ্রিষ্টপূর্ব ২৩শ শতাব্দীতে মন্দিরের গীত রচনা করেন এবং নিজের নাম মাটির ট্যাবলেটে খোদাই করেন। এটি ছিল প্রথমবার, যখন লেখকদের পক্ষ থেকে ‘প্রিয় পাঠক’ বলে সম্বোধন করা হয়।


▪ পাঠের অভিনয়


প্রাচীন লেখাগুলো উচ্চস্বরে পড়ার জন্য তৈরি হতো। শব্দগুলো ধারাবাহিকভাবে লেখা থাকত, যা দক্ষ পাঠক উচ্চারণের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করতেন। খ্রিষ্টপূর্ব ২০০ সালের দিকে প্রথমবারের মতো বিরামচিহ্নের প্রচলন ঘটে, তবে এটি মধ্যযুগ পর্যন্ত বেশ এলোমেলো ছিল।


লিখিত তথ্য সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাত জনসমক্ষে পাঠের মাধ্যমে। রাজকীয় দরবার ও মঠে জনসমক্ষে পাঠ করা হতো। ১১ ও ১২ শতকে গল্পকার এবং জাদুকরদের পরিবেশনা জনপ্রিয় ছিল। এমনকি সাধারণ ঘরেও রোমান যুগ থেকে ১৯ শতক পর্যন্ত ডিনার টেবিলে বই পড়ে শোনানো একটি সাধারণ বিনোদন ছিল।


খ্রিষ্টপূর্ব ৫ম শতকে গ্রিক ইতিহাসবিদ হেরোডোটাস অলিম্পিক গেমসে তার লেখা পড়তেন। রোমান সভ্যতায় লেখকদের লেখা জনসমক্ষে পাঠ করার রীতি গড়ে ওঠে। চার্লস ডিকেন্সের সুপরিকল্পিত পাঠ থেকে শুরু করে অনেক লেখকের গম্ভীর কণ্ঠে পাঠ, এই প্রথার ভিন্নতা ছিল। জাঁ জ্যাক রুশোর মতো যে-সকল লেখক ছিলেন নিষিদ্ধ তালিকায়, বন্ধুবান্ধবের ঘরে পাঠের আয়োজনই ছিল পাঠকের কাছে পৌঁছানোর একমাত্র উপায়।


▪ নীরব পাঠ: এক নতুন অধ্যায়


নীরব পাঠ ছিল তখন এক অদ্ভুত অভ্যাস। খ্রিষ্টপূর্ব ৩৩০ সালে আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট তার মায়ের একটি চিঠি নীরবে পড়েন, যা দেখে তার সৈন্যরা মুগ্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে সেন্ট অগাস্টিন তার Confessions-এ সেন্ট অ্যামব্রোসের নীরবে পাঠ করার দক্ষতায় বিস্ময় প্রকাশ করেন।


৯ম শতকে মঠের লাইব্রেরিগুলোতে নীরব কাজের নিয়ম চালু হয়। মানে তখনকার লাইব্রেরির পরিবেশ আধুনিক লাইব্রেরির মতো শান্ত ছিল না। কোলাহল ছিল নিয়মিত বিষয়।

নীরব পাঠের ফলে বই পাঠকের কাছে আরও ব্যক্তিগত হয়ে ওঠে। ১৪ শতকে চসার বিছানায় বই পড়ার পরামর্শ দেন, ওমর খৈয়াম ও মেরি শেলি বাইরের প্রকৃতিতে পড়ার পক্ষে, আর হেনরি মিলার ও মার্সেল প্রুস্ত নির্জন বাথরুমে পড়া পছন্দ করতেন।


▪ পড়া যখন প্রতিবাদ


লেখার শক্তি শুরু থেকেই শাসকদের কাছে বিপজ্জনক বলে বিবেচিত হয়েছে। দাসপ্রথার শিকার মানুষদের পড়তে নিষেধ করা হয়েছিল। তবু তারা গোপনে নিজেরা পাঠ চালিয়ে যায় এবং পড়ার মধ্য দিয়ে জ্ঞান অর্জন করতে থাকে। এই শিক্ষা তাদের নিজেদের স্বাধীনতার সংগ্রামে শক্তিশালী অস্ত্র হয়ে ওঠে।


শুরুর দিকে নারীদেরও পড়তে বাধা দেওয়া হতো। তবে তারা নিজেদের গৃহস্থালির কাজের ফাঁকে লেখাপড়া শিখে নিজেদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। রাশসুন্দরী দেবী, যিনি বাংলা ভাষার প্রথম আত্মজীবনী লিখেছিলেন, তার লেখাপড়ার গল্প এক অনুপ্রেরণার উদাহরণ।


▪ পড়ার শক্তি বনাম দমন নীতি


চীনের শি হুয়াং তি তার সময়ের আগে লেখা সব বই পুড়িয়ে দিতে চেয়েছিলেন। রোমান ক্যাথলিক চার্চ ১৫৫৯ সালে নিষিদ্ধ বইয়ের একটি তালিকা প্রকাশ করে। নাজি জার্মানি বই পোড়ানোর মাধ্যমে নিজস্ব আদর্শ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে। তবে আন্তর্জাতিক পাঠক সমাজ এই বাধা সত্ত্বেও টিকে আছে। ইতিহাস জুড়ে পাঠকরা তাদের পড়ার জগতকে আরও উন্নত করার দাবি তুলেছে এবং নিজেরাই সেই পরিবর্তন এনেছে।


আজ আপনি কী পড়ছেন? হয়তো সেটিই ভবিষ্যতের ইতিহাস হবে।

মহুয়া ফল, প্রকৃতির মিষ্টি উপহার

 মহুয়া ফল, প্রকৃতির মিষ্টি উপহার

মং(Mahua) দক্ষিণ এশিয়ার একটি বিশেষ ফল, যা মূলত মহুয়া গাছ (*Madhuca longifolia*) থেকে পাওয়া যায়। এই গাছটি ভারত, বাংলাদেশ এবং নেপালসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে পাওয়া যায়। মহুয়া ফল তার পুষ্টিগুণ এবং ঐতিহ্যবাহী ব্যবহারের জন্য বহুদিন ধরে পরিচিত। এটি শুধু খাবার হিসেবেই নয়, বিভিন্ন স্বাস্থ্যকর পণ্য তৈরিতেও ব্যবহৃত হয়।  


মহুয়া ফলের বৈশিষ্ট্য


 ফলটি ছোট, গোলাকার বা ডিম্বাকৃতির।  

কাঁচা অবস্থায় সবুজ এবং পাকা অবস্থায় হালকা হলুদ থেকে বাদামি রঙের হয়ে যায়।  

মহুয়া ফল মিষ্টি এবং রসালো।  

মহুয়া গাছ বড় এবং ছায়াময়। এর পাতা, ফুল এবং ফল, সবই উপকারী।  


পুষ্টিগুণে ভরপুর


মহুয়া ফল পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। এতে রয়েছে:  

- প্রাকৃতিক শর্করা  

- ভিটামিন সি  

- ক্যালসিয়াম এবং ফসফরাস  

- অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট  

- ফাইবার  


স্বাস্থ্য উপকারিতা


শক্তি বৃদ্ধি: মহুয়া ফলের প্রাকৃতিক শর্করা শরীরে তাত্ক্ষণিক শক্তি যোগায়।  

হজমশক্তি উন্নত করে: এতে থাকা ফাইবার পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখে।  

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: ভিটামিন সি ঠান্ডা ও সর্দির মতো সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।  

হাড় মজবুত করে: ক্যালসিয়াম এবং ফসফরাস হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক।  

ডিটক্সিফিকেশন: মহুয়া ফল শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে সাহায্য করে।  


মহুয়া ফলের ব্যবহার


মহুয়া ফল কাঁচা বা শুকিয়ে খাওয়া হয়। এটি দিয়ে জ্যাম, মিষ্টি এবং বিভিন্ন প্রকারের পানীয় তৈরি করা হয়। মহুয়া গাছের ফুল থেকে মদ এবং বিভিন্ন প্রথাগত ঔষধি উপাদানও তৈরি হয়। গ্রামীণ অঞ্চলে মহুয়া ফল স্থানীয় খাবার এবং ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।  


মহুয়া ফল শুধু সুস্বাদু নয়, এটি পুষ্টিগুণেও ভরপুর। এটি গ্রামীণ অর্থনীতি এবং ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আপনি যদি প্রকৃতির এই মিষ্টি উপহারটি কখনো উপভোগ করার সুযোগ পান, তবে এর স্বাদ এবং উপকারিতা অনুভব করতে ভুলবেন না।

The 12 most important Formulas:

 The 12 most important Formulas:


Voltage V = I × R = P / I = √(P × R) in volts V


Current I = V / R = P / V = √(P / R) in amperes A


Resistance R = V / I = P / I2 = V2 / P in ohms Ω  


Power P = V × I = R × I2 = V2 / R in watts W



২৪  তারিখ উদ্ভোধন হওয়া ঢাকা-খুলনা, ঢাকা বেনাপোল ট্রেন সমূহের বিস্তারিত সময়সূচী : ৮২৫ জাহানাবাদ এক্সপ্রেস

 ২৪ তারিখ উদ্ভোধন হওয়া ঢাকা-খুলনা, ঢাকা বেনাপোল ট্রেন সমূহের বিস্তারিত সময়সূচী :


৮২৫ জাহানাবাদ এক্সপ্রেস


খুলনা থেকে ছাড়বে সকাল-০৬:০০

নোয়াপাড়া-সকাল ০৬:৩৩/০৬:৩৬

সিঙ্গিয়া জং- সকাল ০৬:৫১/০৬:৫৩

নড়াইল- সকাল ০৭:১৩/০৭:১৫

লোহাগড়া-সকাল ০৭:২৯/০৭:৩১

কাশিয়ানী জং-সকাল ০৭:৪১/০৭:৪৪

ভাঙ্গা জং-সকাল ০৮:১৩/০৮:১৬

ঢাকা পৌছাবে-সকাল ০৯:৪৫


৮২৬ জাহানাবাদ এক্সপ্রেস 


ঢাকা থেকে ছাড়বে রাত-০৮:০০

ভাঙ্গা জং- রাত ০৯:০৩/০৯:০৬

কাশিয়ানী জং রাত-০৯:৩৪/০৯:৩৭

লোহগড়া-রাত ০৯:৪৮/০৯:৫০

নড়াইল-রাত ১০:০৩/১০:০৬

সিঙ্গিয়া জং-রাত ১০:৩৪/১০:৪০(X৭২৫)

নোয়াপাড়া - রাত ১০:৫৪/১০:৫৬

খুলনা পৌঁছাবে-রাত ১১:৪৫

________________________________________

৮২৭ রূপসী বাংলা এক্সপ্রেস


বেনাপোল থেকে ছাড়বে-বিকেল ৩:২৫

যশোর জং-বিকেল ০৪:১২/০৪:১৫

নড়াইল-বিকেল ০৪:৪৩/০৪:৪৬

কাশিয়ানী জং-বিকেল ০৫:০৭/০৫:১০

ভাঙ্গা জং-সন্ধ্যা ০৫:৪৩/০৫:৪৬

ঢাকা পৌঁছাবে-সন্ধ্যা ০৭:০০


৮২৮ রূপসী বাংলা এক্সপ্রেস


ঢাকা থেকে ছাড়বে-সকাল ১০:৪৫

ভাঙ্গা জং-দুপুর ১১:৪৭/১১:৫০

কাশিয়ানী জং-দুপুর ১২:১৯/১২:২২

নড়াইল-দুপুর ১২:৪২/১২:৪৫

যশোর জং-দুপুর ০১:১৪/০১:১৭

বেনাপোল পৌঁছাবে: দুপুর ০২:২৫


ছবি ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত।

লতিরাজ কচুর চাষাবাদ পদ্ধতি।

 লতিরাজ কচুর চাষাবাদ পদ্ধতি।


লতিরাজ কচু আমাদের দেশে একটি অতি পরিচিত নাম। বর্তমানে আমদের দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও লতি রপ্তানি করা হচ্ছে। কচুর লতি মূলত পানি কচুই। লতিরাজ কচুতে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি রয়েছে। উৎপাদনের দিক দিয়ে মুখীকচুর পরই কচুর লতির স্থান। আসুন জেনে নেই লতিরাজ কচুর চাষাবাদ পদ্ধতি।


লতিরাজ কচুর বৈশিষ্ট


লতিরাজ কচুর লতি সবুজ, সামান্য চেপ্টা,ও লম্বায় ৯০-১০০ সেমি. হয়। এ কচুর পাতার সংযোগস্থলের ও বোঁটার রং বেগুনি। লতিরাজ কচুর জীবনকাল ১৮০-২১০ দিন। লতিরাজ কচু আমাদের দেশের সব অঞ্চলেই চাষ করা যায়।


জলবায়ু ও মাটি:


লতিরাজ কচুর লতি উষ্ণ জলবায়ু পছন্দ করে।এ জাতের কচুর লতি চাষের জন্য জমি হতে হবে মাঝারি নিচু  যেখানে বৃষ্টির পানি জমে। লতি কচু অল্প আলো বা ছায়াতেও ভাল জন্মাতে পারে। প্রখর রোদে ভাল ফলন হয়। প্রায় সব ধরনের মাটিতে কচুর লতির চাষ করা যায তবে পলি দো-আঁশ ও বেলে দোআঁশ মাটিতে কচুর লতি চাষ করা উত্তম।


উল্লেখযোগ্য জাত:


আমদের দেশে বেশ কয়েক প্রকার কচুর লতির জাত রয়েছে। এসব জাতের গাছ ছোট, পাতা ছোট ও চিকন সরু ও লম্বা লতি উৎপাদন করে।উন্নত জাতের লতি লম্বা ও মোটা এবং গিটযুক্ত, খাটো ও মোটা, শাসাল ও মাংসল দ্রুত গলে যায়।


বারি পানি কচু ১ ও বারি পানি কচু ২ এ দেশে উদ্ভাবিত পানিকচুর দুটি উন্নত জাত। এ দুটি জাত লতি চাষাবাদের জন্য ভালো জাত।


চারা তৈরি পদ্ধতি:


কচুর লতি চাষ করার জন্য সেপ্টেম্বর মাসে জমির লতি তোলা শেষ হবার আগেই লতির আগায় জন্মানো চারা সংগ্রহ করতে হবে। তারপরে সংরক্ষিত চারা গুলো কে আলাদা কোন জায়গায় পুঁতে রাখতে হবে। জমিতে এসকল চার পুনরায় শীতের আগে লাগালে ফেব্রুয়ারী মাস থেকে মার্চ মাসে এসব গাছে লতি আসে।


জমি তৈরি ও চারা রোপন পদ্ধতি:


লতিরাজ কচুর লতি চাষ করার ক্ষেত্রে প্রথমে জমি তৈরি করে নিতে হবে। এজন্য জমিতে ৩ থেকে ৪টি চাষ দিয়ে মাটি সমান করে নিতে হবে। চারা জমিতে সারিবদ্ধভাবে লাগাতে হবে। সারিতে চারা লাগালে প্রতি হেক্টরে প্রায় ৩৮০০০ চারা লাগবে। কচুর লতির চারা হিসেবে গুড়িচারা লাগানো হয়। অক্টোবর মাসে চারা লাগানোর উপুযুক্ত সময় এসময় চারা লাগালে ফেব্রুয়ারী থেকে মার্চ মাসে লতি পাওয়া যায়।


সার প্রয়োগ/ব্যবস্থাপনা :


কচুর লতির ভাল ফলন ও বেশি ফলন পেতে হলে জমিতে অবশ্যই সুষম মাত্রায় সার দিতে হবে।

বিঘাপ্রতি ৫০০ কেজি গোবর, ২৫ কেজি ইউরিয়া, ১৮ কেজি টিএসপি ও ২৫ কেজি এমওপি সার দিতে হবে।

কচুর লতি চাষ করার সময় সব সার একত্রে দেয়া যাবে না। প্রাথমিক পর্যায়ে ইউরিয়া ব্যতিত সব সার জমিতে ছিটিয়ে দিতে হবে।


চারা লাগানোর ২০ থেকে ২৫ দিন পরে জমিতে ইউরিয়া সার ব্যবহার করতে হবে।


পানি সেচ ও পানি নিষ্কাশন:


কচুর লতি চাষ করার ক্ষেত্রে সম্পূরক সেচের ব্যবস্থা থাকতে হবে। চারা লাগানোর সময় জমিতে বদ্ধ পানি না থাকলে প্লাবন সেচ দিয়ে জমি কাদা করতে হবে।

জমি শুকিয়ে গেলে পানি কচু গাছের ক্ষতি হয়। তাই বৃষ্টি না হলে জমিতে প্রবাহমান পানি না থাকলে সেচ দিতে হবে।


আগাছা ও নিড়ানি:


কচুর লতির জমিতে লতি কচুর গোড়ায় সব সময় পানি থাকতে হবে এবং দাঁড়ানো পানি মাঝে মাঝে নাড়াচাড়া করতে হবে। জমিতে সবসময় পানি থাকলে আগাছার উপদ্রব কম হয়।আগাছার মধ্যে শামুক আশ্রয় নেয় ও কচুর লতি গাছে উঠে পাতা খায়। তাই এসব আগাছা হাতে টেনে তুলে পরিষ্কার করে দিতে হবে।


রোগদমন ও পোকামাকড়:


আগাম কচুর লতি চাষ করা হলে ক্ষুদ্র লাল মাকড় বা রেড স্পাইডার মাইট কচু পাতার ক্ষতি করতে পারে।

কচুর লতির ক্ষেত মাকড় আক্রমণ করলে পাতার সবুজ রং নষ্ট হয়ে বিন্দু বিন্দু শুকনো দাগে ভরে যায়। মাকড় পোকা দূরীকরণে পানিতে গুঁড়ো সাবান ও ওমাইট বা ভার্টিমেক মাকড়নাশক মিশিয়ে পাতার উল্টো পাশে স্প্রে করতে হবে।


আবার অনেক সময় দেখা যায় কচুর লতির ক্ষেতে লেদা পোকার আক্রমণ হয়ে থাকে। ম্যালাথিয়ন ৫৭ ইসি স্প্রে করে লেদা পোকা দমন করা যায়।

কচুর লতি যে কোন বয়সেই গাছ থেকে তুলে খাওয়া যায়। তবে খেয়াল রাখতে হবে ছোট সাইজের লতি গাছ থেকে তুললে লতির ফলন কমে যায়। তাই ক্ষেতের সবচাইতে বড় বড় আর মোটা মোটা লতিগুলো তুলতে হবে।


ফসল সংগ্রহ:


লতি রোপণের ২ মাস পর থেকে ৭ মাস বয়স পর্যন্ত লতি সংগ্রহ করা হয়ে থাকে।


বাংলাদেশের অনেক জেলাতেই লতিরাজ কচু চাষ করে বেকার সমস্যার সমাধান ও ভাগ্য পরিবর্তন করেছে । লতিরাজ কচু চাষ পদ্ধতি জেনে বুঝে করলে সফল হওয়া যাবে।

গল্পে গল্পে Parts of speech

 🌸গল্পে গল্পে Parts of speech🌸


Noun আর তার ভাইয়েরা মোট ৮ জন । তাদের বাড়ির নাম হল Sentence ভিলা । সমাজের মানুষ তাদের Parts of speech বলে ডাকে । এক বাড়িতেই (Sentence) তারা ৮ ভাই থাকে । তবে তাদের কাজকর্ম এক না ।


১ম ভাইয়ের নাম হল Noun । তার কাজ হল সব কিছুর নাম বলা । বাড়িতে যা যা দরকার শাকসবজি, গোশত, মাছ সবকিছুর নাম বলা ।


২য় ভাইয়ের নাম হল Pronoun । Noun বাড়িতে না থাকলে সে noun এর কাজ করে দেয় । Noun এর অনুপস্থিতিতে Noun এর সব কাজ Pronoun ই করে ।


৩য় ভাইয়ের নাম হল Adjective । Noun ও Pronoun এর পিছনে গোয়েন্দাগিরি করা । তাদের দোষ-গুণ লিখে রাখাই হল Adjective এর কাজ ।


৪র্থ ভাইয়ের নাম হল Verb । তার কাজ হল সবার কাজ বলে দেওয়া । খাওয়া-দাওয়া, ঘুম, গোসল সব কাজ বলে দেওয়া ।


৫ম ভাইয়ের নাম হলো Adverb । তার কাজ হল ৩য় ও ৪র্থ ভাই (Verb, Adjective) এর নজরদারি করা । তাদের অবস্থা পর্যবেক্ষণ করা । মাঝেমধ্যে সে নিজের অবস্থাও পর্যবেক্ষণ করে ।


৬ষ্ঠ ভাইয়ের নাম হল Preposition । ভাইদের মাঝে সম্পর্কের বন্ধন তৈরি করাই তার কাজ ।

(Noun ➕ Verb➕Pronoun, Noun➕ Noun)


৭ম ভাইয়ের নাম হল Conjunction । তার কাজ Preposition এর কাজের চেয়ে বড় । সে এক বাড়ির সাথে অন্য বাড়ির আত্মীয়তার সম্পর্ক সৃষ্টি করে এবং তারা সবাই মিলে সেই বাড়িতে দাওয়াত খায় ।

(Sentence ➕ Sentence)


৮ম ভাইয়ের কাজটা খুবই দারুণ ! তার নাম Interjection । সে আনন্দে-দুঃখে সব সময় সবার পাশে থাকে । সবার আবেগ প্রকাশ করাই তার একমাত্র কাজ।


😱এক কোর্সেই ইংলিশে সেরা 🔥


🧑‍🏫 ধামাকা অফারে🔥এখন মাত্র 2540 টাকায় ভর্তি হওয়া যাবে সবার প্রিয় মুনজেরিন আপুর সবচেয়ে জনপ্রিয় "ঘরে বসে Spoken English" এবং "সবার জন্য vocabulary" কোর্স দুটিতে 😍


📌গ্রামার ছাড়াই ঘরে বসে Spoken English এ অনর্গল কথা বলুন 😲


💥 বিশেষ মুল্য ছাড়ে, 3200 টাকার কোর্স পেয়ে যাচ্ছেন মাত্র 2540 টাকায় ✅

(ঘরে বসে Spoken English + Vocabulary কোর্সটি)


অফারটি পাচ্ছেন সীমিত সময় এর জন্য ⌛


তাই দেরি না করে আজই ভর্তি হন 💖


✅ভর্তি হওয়ার লিংক➡️ https://10ms.io/mkiDhL


ইংরেজি কিভাবে শিখবেন তা নিয়ে চিন্তিত?🤔 আজই ভর্তি হয়ে যান "Spoken English + Vocabulary কোর্সে💁‍♂️


সারাজীবন মেয়াদি ( একবার ভর্তি হলে সারাজীবন ব্যবহার করতে পারবেন) এই কোর্স শেষে পাবেন একটি "সার্টিফিকেট" একদম ফ্রি💯


কোর্স মুল্য মাত্র= #2540Tk


⏹এটি বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় একটি কোর্স যেখানে এখন পর্যন্ত ১,৫০,০০০ -এর অধিক শিক্ষার্থী ভর্তি হয়ে গিয়েছে। 🔥

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...