এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৫

বাচ্চাদেরকে কীভাবে বইপোকা করা যায়?

 বাচ্চাদেরকে কীভাবে বইপোকা করা যায়? 


আমরা সবাই জানি যে, বই পড়ার অভ্যাস একটি শিশুর সঠিক বেড়ে ওঠার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে বর্তমানে ডিজিটাল মিডিয়া এবং গেমসের মাঝে বাচ্চাদের মনোযোগ ধরে রাখা অনেক কঠিন হয়ে পড়েছে। কিন্তু আমি মনে করি, বইপোকা হতে গেলে কিছু সহজ ও সৃজনশীল উপায় রয়েছে, যেগুলো আমি আমার অভিজ্ঞতা থেকে শিখেছি এবং প্রয়োগ করেছি।


১. প্রথমে বইকে আকর্ষণীয় করে তোলাঃ

বাচ্চাদের বইয়ের প্রতি আগ্রহ তৈরি করতে হলে, প্রথমে বইকে আকর্ষণীয় করে তুলতে হবে। বইয়ের আকার, রঙিন ছবি, সহজ ভাষা এবং গল্পের টানটান আকর্ষণ তাদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারে। ছোটদের জন্য ছবি বই খুবই উপযোগী, কারণ সেগুলো তাদের কল্পনাশক্তি জাগিয়ে তোলে। কখনও কখনও, আমি বইয়ের চেয়ে আরও মজার কিছু সাজাই—যেমন বিভিন্ন রঙের কভার, সুন্দর স্টিকার, এবং এমন গল্প যা তাদের বর্তমান অভিজ্ঞতার সঙ্গে সম্পর্কিত।


২. বই পড়ার সময়কে বিশেষ করে তুলুনঃ

একটি নির্দিষ্ট সময় ধরে বই পড়ার অভ্যাস তৈরি করুন। বিকেলে চা খাওয়ার পর, অথবা রাতে ঘুমানোর আগে, গল্পের সময় তৈরি করুন। আমি লক্ষ্য করেছি, যখন একটি নির্দিষ্ট সময় বই পড়ার জন্য নির্ধারণ করা হয়, তখন শিশুরা সেই সময়টার অপেক্ষা করে থাকে। এতে বই পড়া হয়ে ওঠে একটি রুটিন, যা পরবর্তীতে তাদের ভালো অভ্যাস হয়ে দাঁড়ায়।


৩. গল্পের চরিত্রদের সাথে পরিচয় করানোঃ

একটি ভালো গল্প শুধু কল্পনা নয়, একটি জীবনও হতে পারে। বাচ্চাদের জন্য আমি চেষ্টা করি তাদের গল্পের চরিত্রদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে, যেন তারা সেই চরিত্রের অনুভূতি বুঝতে পারে। যখন তারা চরিত্রগুলোর সাথে সম্পর্ক তৈরি করে, তখন তাদের গল্পের প্রতি আগ্রহ আরও বেড়ে যায়। আমি গল্পের মাঝে ছোট ছোট প্রশ্ন করে তাদের অংশগ্রহণও উৎসাহিত করি।


৪. পড়ার পরে আলোচনাঃ

পড়াশোনার পর আমি বাচ্চাদের সঙ্গে গল্পটি নিয়ে আলোচনা করি। এটা তাদের মনোযোগ আরও বাড়ায়, এবং তারা বইয়ের প্রতি আরও আকৃষ্ট হয়। বইটির শেষ পর্যন্ত কী হয়েছে, চরিত্রগুলো কেমন ছিল—এসব নিয়ে প্রশ্ন করে তাদের চিন্তা-ভাবনার জায়গাটিকে আরও প্রশস্ত করি। এতে বই পড়া তাদের কাছে একটি অভিজ্ঞতার মতো মনে হয়, যা শুধুমাত্র মস্তিষ্কের গণ্ডি পেরিয়ে হৃদয়েও প্রবাহিত হয়।


৫. বইয়ের সাথে যুক্ত একটি কার্যকলাপঃ

গল্পের সাথে সম্পর্কিত কিছু কার্যকলাপ যুক্ত করা খুবই কার্যকরী। যেমন, একটি চরিত্রের পোশাক বানানো, কোনো দৃশ্য আঁকানো ইত্যাদি। 


উল্লেখিত পদ্ধতিসমূহ আপনি

শতাংশ ও একর অন্য জমি পরিমাপ

 

শতাংশ ও একর

৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর,
৪৩৫৬০ বর্গফুট= ১ একর,
১৬১৩ বর্গগজ= ১ বিঘা,
১৪৫২০বর্গফুট= ১ বিঘা,
৪৩৫.৬০ বর্গফুট= ০১ শতাংশ,
৮০.১৬ বর্গগজ= ১ কাঠা,
৭২১.৪৬ বর্গফুট= ১ কাঠা,
৫.০১ বর্গগজ = ১ ছটাক,
৪৫.০৯ বর্গফুট= ১ কাঠা,
২০ বর্গহাত = ১ ছটাক,
১৮ ইঞ্চি ফুট= ১ হাত (প্রামাণ সাই)
শতাংশের হিসাবের একক: ১ শতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গ ফুট
১ শতাংশ = ১৯৩.৬০ বর্গহাত
১ শতাংশ = ৪৮.৪০ বর্গগজ
১ শতাংশ = ৪০.৪৭ বর্গ মিটার


মিলিমিটার ও ইঞ্চি

১ মিলিমিটার= ০.০৩৯৩৭ (প্রায়),
১ সেন্টিমিটার= ০.০৩৯৩৭ (প্রায়),
১ মিটার = ৩৯.৩৭ ইঞ্চি বা ৩.২৮ ফুট/ ১.০৯৩ গজ (প্রায়),
১০০০ মিটার = ১ কিলোমিটার,
১ কিলোমিটার= ১১ শত গজ,
২ কিলোমিটার = (সোয়া মাইল),
১৭৬০ গজ = ১ মাইল,
১৩২০ গজ = পৌন এক মাইল,
৮৮০ গজ = আধা মাইল,
৪৪০ গজ = পোয়া মাইল,
১ বর্গ মিটার = ১০.৭৬ বর্গফুট (প্রায়),
১ হেক্টর = ২.৪৭ একর (প্রায়),
১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেন্টিমিটার (প্রায়)


কাঠা, বিঘা ও একর

১ কাঠা = ১৬ ছটাক,
১ কাঠা = ১৬৫ অযুতাংশ,
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ,
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ,
২০ (বিশ) কাঠা = ১ বিঘা,
১.০০ একর = ১০০ শতাংশ=৩.০৩০৩০৩০৩... বিঘা।
একশত শতাংশ বা এক হাজার সহস্রাংশ বা দশ হাজার অযুতাংশ= ১.০০ (এক) একর। দশমিক বিন্দুর (.) পরে চার অঙ্ক হলে অযুতাংশ পড়তে হবে।


গান্টার শিকল

ভূমির পরিমাপ পদ্ধতি সঠিক এবং সহজ করার জন্য ফরাসি বিজ্ঞানী এডমন্ড গান্টা এই পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। তিনি ভূমি পরিমাপের জন্য ইস্পাত দ্বারা এক ধরণের শিকল আবিষ্কার করেন। পরবর্তীতে তার নাম অনুসারেই এই শিকলের নামকরণ করা হয় গান্টার শিকল।

আমাদের দেশে গান্টার শিকল দ্বারা জমি জরিপ অত্যন্ত জনপ্রিয়। একর, শতক এবং মাইলষ্টোন বসানোর জন্য গান্টার শিকল অত্যন্ত উপযোগী। এই শিকলের দৈর্ঘ্য ২০.৩১ মিটার (প্রায়) বা ৬৬ ফুট।

গান্টার শিকল ভূমি পরিমাপের সুবিধার্থে একে ১০০ ভাগে ভাগ করা হয় থাকে। এর প্রতিটি ভাগকে লিঙ্ক বা জরীপ বা কড়ি বিভিন্ন নামে ডাকা হয়।

প্রতি এক লিঙ্ক = ৭.৯২ ইঞ্চি দৈর্ঘ্য 

১০ চেইন ×প্রস্থে ১ চেইন = ১০ বর্গ চেইন = ১ একর গান্টার শিকলে ১০ লিঙ্ক বা ৭৯.২ ইঞ্চি পর পর নস বা ফুলি স্থাপন করা হয় (নস ফুলি)।

২০ লিঙ্ক বা ১৫৮.৪ ইঞ্চি পর স্থাপিত হয়-

 ৩০ লিঙ্ক বা ২৩৭.৩ ইঞ্চি পর স্থাপিত হয়- ৪০ লিঙ্ক বা ৩১৬.৮ ইঞ্চি পর স্থাপিত হয়- 

৫০ লিঙ্ক বা ৩৯৬.০ ইঞ্চি পর স্থাপিত হয়-

 ৮০ গান্টার বা ১৭৬০ গজ পর স্থাপিত হয়- মাইল ষ্টোন।

বিঘা এবং কাঠা

১ বিঘা = (৮০ হাত×৮০ হাত) ৬৪০০ বর্গহাত,

১ বিঘা = ২০ কাঠা,

১ কাঠা = ১৬ ছটাক,

১ ছটাক = ২০ গন্ডা,

১ বিঘা = ৩৩,০০০ বর্গলিঙ্ক,

১ বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট,

১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট,

১ ছটাক = ৪৫ বর্গফুট।

লিঙ্ক এর সাথে ফুট ও ইঞ্চির পরিবর্তনঃ

লিঙ্ক = ৭.৯ ইঞ্চি,

৫ লিঙ্ক = ৩ ফুট ৩.৬ ইঞ্চি,

১০ লিঙ্ক = ৬ ফুট ৭.২ ইঞ্চ,

১৫ লিঙ্ক = ৯ ফুট ১০.৮ ইঞ্চি,

২০ লিঙ্ক = ১৩ ফুট ২.৪ ইঞ্চি,

২৫ লিঙ্ক = ১৬ ফুট ৬.০ ইঞ্চি,

৪০ লিঙ্ক = ২৬ ফুট ৪.৮ ইঞ্চি,

৫০ লিঙ্ক = ৩৩ ফুট,

১০০ লিঙ্ক = ৬৬ ফুট


আঞ্চলিক পরিমাপ

আমাদের দেশে অঞ্চলভেদে বিভিন্ন প্রকারের মাপ ঝোক প্রচলিত রয়েছে। এগুলো হলো কানি-গন্ডা, বিঘা-কাঠা ইত্যাদি। অঞ্চলে ভেদে এই পরিমাপগুলো আয়তন বিভিন্ন রকমের হয়ে তাকে। বিভিন্ন অঞ্চলে ভূমির পরিমাপ বিভিন্ন পদ্ধতিতে হলেও সরকারি ভাবে ভূমির পরিমাপ একর, শতক পদ্ধতিতে করা হয়। সারাদেশে একর শতকের হিসাব সমান।

কানিঃ কানি দুই প্রকার। যথা- (ক) কাচ্চা কানি (খ) সাই কানি

কাচ্চা কানি: ৪০ শতকে এক বাচ্চা কানি। কাচ্চা কানি ৪০ শতকে হয় বলে একে ৪০ শতকের কানিও বলা হয়।

সাই কানিঃ এই কানি কোথাও ১২০ শতকে ধরা হয়। আবার কোথাও কোথাও ১৬০ শতকেও ধরা হয়।


একর শতক ও একর হেক্টর

১০০ লিঙ্ক = ১ গান্টার শিকল ১০০০ বর্গ লিঙ্ক = ১ শতক ১,০০,০০০ বর্গ লিঙ্ক = ১ একর

আমাদের দেশে জমি-জমা মাপ ঝোকের সময় চেইনের সাথে ফিতাও ব্যবহার করা হয়। সরকারি ভাবে ভূমি মাপার সময় চেইন ব্যবহার করা হয় এবং আমিন সার্ভেয়ার ইত্যাদি ব্যাক্তিগণ ভূমি মাপার সময় ফিতা ব্যবহার করেন। ভূমির পরিমাণ বেশি হলে চেইন এবং কম হলে ফিতা ব্যবহার করাই বেশি সুবিধাজনক।

১ হেক্টর = ১০,০০০ বর্গমিটার

১ হেক্টর = ২.৪৭ একর

কানি ও গণ্ডা

কানি গন্ডার সাথে বিভিন্ন প্রকারের পরিমাপের তুলনাঃ ২ কানি ১০ গন্ডা (৪০ শতকের কানিতে) = ১ একর

১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট

১ কানি = ১৯৩৬ বর্গগজ

১ কানি = ১৬১৯ বর্গমিটার

১ কানি = ৪০ বর্গ লিঙ্ক

১ একর = ১০ বর্গ চেইন

১ একর = ১০০ শতক

১ একর = ৪,০৪৭ বর্গমিটার

১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক

১ একর = ৬০.৫ কাঠা

১ শতক = ১ গন্ডা বা ৪৩২.৬ বর্গফুট






১ হেক্টর = ৭.৪৭ বিঘা

১ হেক্টর = ১০০ এয়র।




জরিপ পদ্ধতি ও গজ,,,,

 

জরিপ পদ্ধতি ও গজ

১২ ইঞ্চি = ১ ফুট এবং ৩ ফুট= ১ গজ

ভূমি যে কোন সাইজের কেন ভূমির দের্ঘ্য ও প্রস্থে যদি ৪৮৪০ বর্গগজ হয় তাহলে এটা ১.০০ একর (এক একর) হবে।

যেমনঃ ভূমির দৈর্ঘ্য ২২০ গজ এবং প্রস্থ ২২ গজ সুতরাং ২২০ গজ×২২ গজ= ৪৮৪০ বর্গগজ।
ভূমি জরিপকালে যে সকল পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় তা হল:
শিকল জরিপ
কম্পাস জরিপ
প্লেনটেবিল জরিপ
থিয়োডোলাইট জরিপ

শিকল জরিপ : ভূমি জরিপের জন্য শিকল জরিপ সবচেয়ে সহজ। য়ে জায়গায় পরিপ করতে হবে তা কতকগুলো ত্রিভুজে ভাগ করে নিতে হয় এবং ত্রিভুজের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য শিকল দিয়ে মাপ করা হয়। জ্যামিতিক ক্ষেত্রগুলির মধ্যে ত্রিভুজ অংক পদ্ধতি সর্র্বাপেক্ষা সহজঅ পুরো জায়গাটিকে সারি সারি ত্রিভুজে ভায করে নিতে হয়। ত্রিভুজের কোণগুলি ৬০ ডিগ্রির কর বা ১২০ ডিগ্রির বেশী না হয় তা দেখতে হবে। মাঠের মাঝামাঝি দিয়ে একটি বা দুটি মেরুদন্ড রেখা টেনে নেয়া যায়। এই মেরুদন্ড রেখার সালে প্রধান প্রধান ত্রিভুজগুলো আবদ্ধ থাকরে এবং এরপর বড় বড় ত্রিভুজগুলোকে আরো ছোট ছোট ত্রিভুজে বিভক্ত করতে হবে। এভাবে ই শিকল জরিপ সম্পন্ন করা হয়।

কম্পাস জরিপ : কম্পাসের সাহায্যে যে জরিপ পরিচালিত হয় তার নাম কম্পাস জরিপ। এতে দুই ধরনের কম্পাস ব্যাবহার করা হয়। এ কম্পাস দুটি হল প্রিজমেটিক কম্পাস এবং সার্ভেয়াস কম্পাস। বিস্তারিত নকশা প্রণয়ন, রাস্তা, নদী এবং ধারাবাহিক রেখার নকশা প্রণয়ন কাজে প্রিজমেটিক কম্পাস ব্যাবহার করা হয়। আর বড় নদী বা সমুদ্র এলাকায় যখন বিশাল চর জেগে উঠে তখন তা নরম থাকে যে তার উপর দিয়ে চলাফের করা যায় না । তখন কম্পাস জরিপের মাধ্যমে তার অবস্থান, সীমানা এবং আয়তন নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। তবে এ জরিপের বর্তমানে কোন ব্যাবহার নেই বললেই চলে।

নামজারি কি ও কেন?,,,,,,,

 

নামজারি কি ও কেন?

এক কথায় ‘নামজারি’ বলতে-কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কোন বৈধ পন্থায় ভূমি/জমির মালিকানা অর্জন করলে সরকারি রেকর্ড সংশোধন করে তার নামে রেকর্ড আপটুডেট (হালনাগাদ) করাকেই নামজারি বলা হয়। কোন ব্যক্তির নামজারি সম্পন্ন হলে তাকে একটি খতিয়ান দেয়া হয় যেখানে তার অর্জিত জমির একখানি সংক্ষিপ্ত হিসাব বিবরণী উল্লেখ থাকে। উক্ত হিসাব বিবরণী অর্থাৎ খতিয়ানে মালিকের নাম, কোন্ মৌজা, মৌজার নম্বর (জে এল নম্বর), জরিপের দাগ নম্বর, দাগে জমির পরিমান, একাধিক মালিক হলে তাদের নির্ধারিত হিস্যা ও প্রতি বছরের ধার্যকৃত খাজনা (ভূমি উন্নয়ন কর) ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে। কিন্তু কেন নামজারি এত জরুরি। কারণ তার মধ্যে নিম্নলিখিতগুলি গুরুত্বপূর্ণঃ

১। শুধুমাত্র কোন দলিলের মাধ্যমে অর্জিত মালিকানার ভিত্তিতে অথবা ওয়ারিশ হিসেবে পিতা-মাতার জমিতে দখলসূত্রে থাকলেই সরকারি রেকর্ডে উক্ত ভূমিতে তাঁর মালিকানা নিশ্চিত হয় না। কোন ভূমিতে বৈধ ওয়ারিশ বা ক্রয়সূত্রে মালিক হবার পর পূর্বের মালিকের নাম হতে নাম কেটে বর্তমান মালিকের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে হয়, তাহলেই তার মালিকানা সরকার কর্তৃক নিশ্চিত হয়। আর এটিই হল নামজারি পদ্ধতি।

২। আপনি যদি ওয়ারিশ হিসাবে বা ক্রয়সূত্রে কোন জমির মালিক হন কিন্তু নামজারি না করান, তবে আপনার অজান্তে কোনভাবে এক/একাধিক দলিল সম্পাদন করে কোন স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি আপনার আগে নামজারি করে ফেলতে পারে। তাতে আপনি পরবর্তীতে নামজারি করতে গেলে স্বাভাবিকভাবেই সমস্যায় পড়বেন। বাস্তবক্ষেত্রে জটিলতা আরো বাড়তে দেখা গেছে যখন উক্ত স্বার্থানেষী ব্যক্তি অপর এক বা একাধিক ব্যক্তির নিকট ঐ জমি ইতোমধ্যে বিক্রয় করে ফেলেছে। বর্তমানে এরকম ঘটনা অহরহ ঘটছে। এসব ক্ষেত্রে নানারকম মামলা মোকদ্দমার সৃষ্টি হয়ে থাকে যা দীর্ঘদিন যাবৎ অর্থ, সময় ও মানুষে-মানুষে সম্পর্কের অবনতি ঘটায়।

৩। সাধারণভাবে আমাদের ধারণা, দলিল সম্পাদন হলেই কাজ শেষ। নামজারির দরকার কী? এটি অত্যন্ত ভুল ধারণা। দলিল সম্পাদনের মাধ্যমে শুধুমাত্র মালিকানা হস্তান্তর হয়, সরকারের খাতায় মালিক হিসাবে স্বীকৃতি পাওয়া যায় না।

৪। রেজিস্ট্রেশন দপ্তরটি আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি অফিস। সকল প্রকার দলিল সম্পাদন, রেজিস্ট্রিকরণ উক্ত দপ্তরের কাজ। দলিল রেজিস্ট্রিকরণের ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত যিনি বিক্রেতা তিনি আদৌ উক্ত জমির মালিক হিসাবে সরকারের রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত আছেন কী না তার কোন রেকর্ড জেলা রেজিস্টার বা সাব-রেজিস্টারের দপ্তরে নেই। ফলে ভুলবশত: একই জমির এক বা একাধিক দলিলের মাধ্যমে বিক্রয়ের ঘটনা ঘটে। অপরদিকে ভূমি অফিসগুলি ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন যার কাছে সরকারের কাছে রেকর্ডভুক্ত মালিকদের নাম, পূর্ববর্তী নামজারিকৃত মালিকদের নাম, নথিসহ বিস্তর তথ্য থাকে। ফলে একবার নামজারি করাতে সক্ষম হলে একই জমির একাধিকবার বিক্রয় হলেও মূল মালিকের আর ক্ষতিগ্রস্ত বা হয়রানী হবার সম্ভাবনা কম থাকে।

৫। নামজারি আবেদনের মাধ্যমে আবেদনকারি যে স্বত্বলিপি অর্জন করেন, যাকে প্রচলিত ভাষায় আমরা ‘খতিয়ান’ বলে থাকি, এর মাধ্যমে তার উক্ত জমিতে মালিকানা স্বত্ব প্রমাণে নিশ্চয়তা লাভ করেন যা অন্য কোন দালিলিক মাধ্যমে লাভ করেন না।

৬। নামজারি করা না থাকলে শুধু একাধিক বিক্রয়ের আশঙ্কাই বিদ্যামান থাকেনা, পরবর্তীতে আপনার অর্জিত সম্পত্তিতে দখলে থাকলেও পরবর্তীতে আপনার অবর্তমানে আপনার উত্তরাধিকারগণ উক্ত সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হবার আশঙ্কা থাকে।

৭। যে কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে ঋণ নিতে গেলে জমি বন্ধকের ক্ষেত্রে খতিয়ান ছাড়া আবেদন গ্রহণ করা হয় না।

৮। ওয়ারিশনমূলে প্রাপ্ত জমির মালিকরা যদি নামজারি না করান তাহলে তাদের মধ্যে বিশেষত: নারী অংশীদারগণ এবং ভবিষ্যতে তাদের ওয়ারিশগণদের মধ্যে মারাত্নক জটিলতা সৃষ্টি হয়। এ জন্য ওয়ারিশগণ সমঝোতার মাধ্যমে প্রথমেই নামজারি সম্পন্ন করে রাখলে পরবর্তীতে অনেক জটিলতা পরিহার করা সম্ভব হয়।

ইসলামে জ্বিনের উপদ্রব বা ক্ষতি থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য কুরআনের কিছু নির্দিষ্ট আয়াত এবং দোয়া পড়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে "জ্বিন পুড়িয়ে মারা"র মতো কোনো বিশেষ আয়াত কুরআনে নেই।

 ইসলামে জ্বিনের উপদ্রব বা ক্ষতি থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য কুরআনের কিছু নির্দিষ্ট আয়াত এবং দোয়া পড়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে "জ্বিন পুড়িয়ে মারা"র মতো কোনো বিশেষ আয়াত কুরআনে নেই। কুরআনের আয়াতগুলো মূলত মানুষের সুরক্ষা, শিফা (আরোগ্য), এবং আল্লাহর সাহায্য চাওয়ার জন্য।


জ্বিন বা শয়তানের প্রভাব থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য নিচের আয়াত ও দোয়াগুলো কার্যকর হতে পারে:


১. সূরা আল ফাতিহা


সূরা ফাতিহা পুরোটা পড়া।


২. আয়াতুল কুরসি (সূরা আল-বাকারা: ২৫৫)


> "আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়ুল কাইয়্যুম..."


৩. সূরা আল-বাকারা (২:২৮৫-২৮৬)


> "আমানার রাসূলু..." থেকে সূরার শেষ পর্যন্ত।


৪. সূরা আল-ইখলাস, সূরা আল-ফালাক ও সূরা আন-নাস


এগুলোকে একত্রে তিনবার করে পড়া।


৫. ইস্তিগফার এবং আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া


> "আউযু বিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজীম" "হাসবুনাল্লাহু ওয়া নিয়ামাল ওয়াকিল"


করণীয়:


১. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা। ২. নিয়মিত নামাজ পড়া। ৩. আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল রাখা এবং তাঁকে বেশি বেশি স্মরণ করা।


যদি কারও উপর জ্বিনের উপদ্রব হয়, তবে অভিজ্ঞ আলেম বা রুকইয়াহ বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়া ভালো।


টাকা নিয়ে উক্তি,,,,,,,

 টাকা নিয়ে উক্তি 

1. যখন টাকা থাকে তখন সবাই পাশে থাকে!!! আর টাকা না থাকলে, নিজের পরিচিত মানুষ গুলোও অপরিচিত হয়ে যায়।

2. প্রতিটি সুখ টাকা দিয়ে অর্জন করা যায় না!!!!! এর জন্য প্রিয়জনের সঙ্গ থাকাও প্রয়োজন।

3. টাকা থাকলে পৃথিবী কেনা যায়,,, আর টাকা না থাকলে পৃথিবী চেনা যায়।

4. সুখী হতে যদি টাকা লাগে….!!!!! তবে আপনার সুখের সন্ধান কখনই শেষ হবে না।

5. এটা স্বার্থপর দুনিয়া! এখানে বুকভর্তি ভালোবাসার থেকে পকেট ভর্তি টাকার মূল্য অনেক বেশি।

6. যখন কাছে টাকা থাকবে, তখন ভালোবাসার মানুষের অভাব হবে না।

7. অতিরিক্ত টাকা.. একজন ব্যক্তিকে স্বার্থপর এবং অহংকারী করে তোলে।

8. প্রয়োজনের অতিরিক্ত অর্থ, কোনো মানুষের মঙ্গল আনতে পারে না।

9. আপনার যদি টাকা না থাকে, সম্পদ না থাকে, এবং কোন আশা না থাকে! তাহলে বিশ্বাস করুন আপনি এই পৃথিবীতে সবচেয়ে সুখী মানুষ।

10. বেকার ছেলেটাও বোঝে, টাকা ছাড়া ভালোবাসার কোন মূল্য নেই এই সমাজে।

11. যখন আমাদের টাকা থাকে….! তখন আমরা ভুল করা শুরু করি।

12. মানুষ তখনই ভুলে যায় কে আপন কে পর! যখন সে টাকার ঘোরে থাকে।

13. লোকে বলে টাকা এলে কিছু করে দেখাবো! আর টাকা বলে কিছু করলে আমি আসবো।

14. যে পৃথিবীতে টাকার বিনিময়ে আপন মানুষ কেনা যায়, সেই পৃথিবীতে টাকার চেয়ে আপন আর কেউই হতে পারে না…!!

15. একটি বাস্তব সত্য হলো, অর্থ যেখানে নেই ভালোবাসা সেখানে দুর্লভ।

16. টাকায় টাকা আনতে পারে, কিন্তু সম্মান আনতে পারেনা…!!

17. যার টাকা আছে তার কাছে আইন খোলা আকাশের মতো! আর যার টাকা নেই, তার কাছে আইন মাকড়সার জালের মতো।

18. টাকা মানুষকে সুখী করে না!!! এটি কেবল তাকে ব্যস্ত করে তোলে।

19. নিজের উপার্জিত টাকা হয়তো তোমাকে ধনী বানাবে না…! কিন্তু তোমাকে স্বাধীন হয়ে উঠতে সাহায্য করবে নিশ্চই।

20. যারা খেটে খায় তারা টাকার মূল্য বোঝে!! আর যারা পরের টাকা মেরে খায়, তারা টাকার মূল্য বোঝে না, শুধু টাকার গরম দেখায়।

21. টাকা মানুষকে পরিবর্তন করে না!!!!! এটি শুধুমাত্র তাদের মুখোশ খুলে দেয়।

22. বাস্তব এটাই যে, নিজের পকেটের টাকা না থাকলে, পৃথিবীর কেউ কারো আপন হয় না।

23. টাকা ছাড়া জীবন জল ছাড়া মাছের মতো!

24. যখন একজন ব্যক্তির কাছে টাকা থাকে, তখন সে ভুলে যায় সে কে! কিন্তু যখন তার টাকা থাকে না, তখন পৃথিবী ভুলে যায় সে কে।

25. যে লোকের খুব কম আছে, সে কখনো গরীব নয়! যে লোক বেশি কামনা করে, সেই আসলে গরীব।

26. জীবনে অনেক টাকা থাকাটা খুব জরুরী নয়! কিন্তু জীবনে শান্তিতে থাকাটা অত্যন্ত জরুরী।

27. আগে টাকা কামাও, তারপর ভালোবাসো!! কারণ গরীবের ভালোবাসা নীলাম হয় চৌরাস্তার মোড়ে।

28. একজন ধনী ব্যক্তি…..! অর্থ-বিশিষ্ট গরীব ছাড়া আর কিছুই নয়!

29. আপনি যত বেশি অর্থ উপার্জন করবেন, তত বেশি সমস্যার সম্মুখীন হবেন।

30. অর্থ মানুষের অবস্থান পরিবর্তন করলেও,, স্বভাব বদলাতে পারে না।

31. টাকা যদি অন্যের উপকারে কাজে লাগে, তবে তার কিছু মূল্য আছে! অন্যথায় তা মন্দের স্তূপ।

32. সবসময় টাকা সবকিছু করতে পারেনা! মাঝে মাঝে মনুষ্যত্বের কাছে টাকাও পরাজিত হয়।

33. এই পৃথিবীতে আপনার আপন মানুষ, কাছের মানুষ, পাশের মানুষ, কোনো কিছুরই অভাব হবে না…!! যদি আপনার টাকা থাকে।

34. টাকা ধার দেওয়ার সময় নিজেকে মহান মনে হয়! তার পাওনা টাকা চাওয়ার সময় নিজেকে ভিক্ষুক মনে হয়।

35. এই পৃথিবীতে সবাই টাকা ও প্রশংসা নিতে চায়..! কিন্তু কেউ দিতে চায় না।

36. যে ব্যক্তি টাকার অহংকার করে…! তার সর্বনাশ হতে বেশি সময় লাগে না।

37. যদি একজন ব্যক্তির কাছে শুধুমাত্র টাকা থাকে,, তাহলে পৃথিবীতে সেই ব্যক্তির চেয়ে গরীব আর কেউ নেই।

38. টাকায় ভরা হাতটির চেয়ে….! বিশ্বাসে ভরা হাতটি অনেক বেশি দামী।

39. কিছু মানুষের অনেক টাকা থাকলেও, মানুষকে সাহায্য করার মন থাকে না…!! আর কিছু মানুষের টাকা কম থাকলেও নিজের সাধ্যমত চেষ্টা করে অন্যকে সাহায্য করার..!!

40. টাকাই সব কিছু নয়; কিন্তু সব কিছুর জন্যই টাকা দরকার।

41. টাকা লবণের মতো প্রয়োজনীয়! কিন্তু যদি এটি অতিরিক্ত হয়ে যায়, তবে তা জীবনের স্বাদ নষ্ট করে দেয়।

42. টাকা রোজগার করা বড় কথা! কিন্তু পরিবারের সাথে বসে একসঙ্গে খাওয়া, তার থেকেও বড় কথা।

43. আজকের যুগে যার টাকা আছে, সবাই তার বন্ধু!

44. টাকার প্রশ্ন হলে, সবাই একই ধর্মের!

45. অনেকে বলে আমি নাকি টাকা কে ভালোবাসি? কিন্ত আমি টাকা কে ভালোবাসি না,, আমি অভাব কে ভয় পাই।

46. টাকা দিয়ে খুশি কেনা যায়!! কিন্তু শান্তি কেনা যায় না।

47. পার্থিব জীবনে টাকা ছাড়া সুখী হওয়া যায়না।

48. টাকা ছাড়া প্রত্যেকটা পুরুষ অসহায়!

49. জীবনে টাকা ইনকাম করতে না পারলে, কাউকে পাশে পাবে না।

50. স্বার্থ আর অর্থ…!! ভালো মানুষকেও অমানুষ করে তোলে।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ০৪-০১-২০২৫ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ০৪-০১-২০২৫ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


হাইকোর্টে নতুন অধ্যায়ের সূচনা - শুরু হচ্ছে কাগজমুক্ত বিচার কার্যক্রম।


বাড়ানো হলো সংস্কার কমিশনগুলোর মেয়াদ।


শুরু হলো চট্টগ্রামে শহীদ ওয়াসিম আকরাম উড়াল সড়কে টোল আদায় - উদ্বোধন করলেন শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান ।


সংকীর্ণতার উর্ধ্বে উঠে সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানালেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।


ইনসাফের বাংলাদেশ গড়তে ঐক্যের ডাক দিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের আমির ডাক্তার শফিকুর রহমান।


শৈত্যপ্রবাহ এবং ঘন কুয়াশার কারণে যানবাহন চলাচলে সতর্কতার নির্দেশনা।


গাজায় ইসরাইলী হামলায় ৬১ জন ফিলিস্তিনি নিহত।


মিরপুরে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে গতকাল চট্টগ্রাম কিংস ও খুলনা টাইগার্সের নিজ নিজ ম্যাচে জয়লাভ।

স্বামীর উপর স্ত্রীর হকসমূহ:,,,,,,,, ইমাম উদ্দিন চাচার ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 #স্বামীর উপর স্ত্রীর হকসমূহ:

১. স্ত্রীর জন্য মাসে কত টাকা খরচ করা জরুরি? এবং খরচের কোয়ালিটি কেমন হবে?

২. বছরে কত জোড়া কাপড় কিনে দিতে হবে?

৩. প্রসাধনীর জন্য কত টাকা ব্যায় করতে হব?

৪. কত ঘর বিশিষ্ট বাসায় রাখতে হবে?

৫. কতদিন পর পর সহবাস করা জরুরি?

৬. কোন স্বামী যদি স্ত্রীকে পূর্ণ তৃপ্তি দিতে না পারে, অর্থাৎ স্ত্রীর অর্গাজম করাতে না পারে, এতে কি পুরুষের গুনাহ হবে? স্ত্রীকে অর্গাজম করিয়ে দেওয়া কি একজন পুরুষের উপর জরুরি?

৭. স্ত্রী যখন চাইবে, তখনই কি তার সাথে সহবাস করা জরুরি?

৮. স্ত্রীর অন্য ঘরের সন্তান লালন-পালন করা কি দায়িত্ব?

৯. অধিক বিবাহ করার জন্য স্ত্রীর অনুমতি নেয়া কি জরুরি?

১০. স্ত্রীর জন্য স্থায়ী বাড়ি করে দেয়া, স্থাবর সম্পত্তি লেখে দেয়া বা গহনা-গাটি কিনে দেয়া কি জরুরি?


#উত্তর:

#একজন স্বামীর উপর স্ত্রীর প্রতি কতটুকু হক আাদায় করা ওয়াজিব? আর কতটুকু মুস্তাহাব? নিম্নে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো: 

#১নং হক: মোহর আদায় করা। 

মোহরের সর্বনিম্ন পরিমান ২.৬ ভরি রূপা, যার বর্তমান মূল্য প্রায় ৩০০০ টাকা, এতটুকু দেওয়া জরুরী। এর থেকে বেশি ধার্য্য করতে পারবে। সামর্থের চেয়ে বেশি আথবা অধিক বেশি মোহর ধার্য্য করা মাকরূহ। 


#২নং হক: বাসস্থানের ব্যবস্থা করা।(ভাড়ার বাড়ি হোক অথবা মালিকানা) 

পরিমান: একটা বেডরুম, একটা কিচেন, আর একটা বাথরুম। আর থাকার জন্য কাথা,বালিশ, বিছানা যা লাগবে। এর থেকে বেশি ব্যবস্থা করলে সেটা মুস্তাহাব।( স্ত্রী যদি সেপারেট চায় তাহলে সেপারেট দিতে হবে) ।


#৩নং হক: নফকা দেওয়া ( ভরণ-পোষন)  

নফকা হলো তিনটি জিনিস :

১.খাদ্য 

২. বস্ত্র 

৩.চিকিৎসা


(এছাড়া অন্যান্য যত খরচ আছে , যেমন: গহনা বানিয়ে দেওয়া, মাঝে মাঝে ঘুরতে নিয়ে যাওয়া, দামী দামী জামাকাপড় ও প্রোসাধনি কিনে দেওয়া, বড়ো মোবাইল কিনে দেওয়া, রেস্টুরেন্টে খেতে নিয়ে যাওয়া,  বিয়ের বাড়িতে বেড়াতে নিয়ে যাওয়া, বাপের বাড়ি নিয়ে যাওয়া, হজ্জ ওমরা করানো, তার পক্ষ থেকে কোরবানি দেওয়া, সদক্বা ফিতর আদায় করা, তার অন্য ঘরের সন্তান লালন-পালনের দায়িত্ব নেওয়া, স্থাবর কোন সম্পত্বি লিখে দেওয়া বা বাড়ি বানিয়ে দেওয়া ইত্যাদি কোনটাই হক না। কোনটাই জরুরী না। যদি কেউ করে তাহলে হবে মুস্তাহাব। একান্তই ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ।) 


১.খাদ্য: একদিনের পুর্ণ খাবারের ব্যবস্থা করা। পরিমাণ: আধা সা'অ। যার বর্তমান মূল্য ১০০টাকা। সেই হিসেবে মাসে খানা বাবদ ৩০০০ টাকা খরচ করা ওয়াজিব। ( যদি সন্তান থাকে তার হিসাব ভিন্ন) এর থেকেও বেশি খরচ করলে সেটা হবে মুস্তাহাব। একান্তই এহসান। 


২-বস্ত্র: পরিমান হলো, রানিং তিন সেট পোশাকের ব্যবস্থা করা। শীতবস্ত্র দেওয়া এবং পারলে নামাজের জন্য এক সেট পোশাকের ব্যবস্থা করা। কোন একটি ব্যবহারের অযোগ্য হলে আবার ব্যবস্থা করা। এতটুকু জরুরী। এর থেকেও যদি বেশি জামাকাপড় কিনে দেয় তাহলে সেটা হবে গিফ্ট হাদিয়া। যদি মোহরের নিয়ত করে, মোহরও আদায় হয়ে যাবে।

 

৩. চিকিৎসা: যদি স্ত্রী এমন অসুস্থ হয় যার কারণে সহবাস বন্ধ না থাকে, সেই চিকিৎসা করানো স্বামীর দায়িত্ব।‌ আর যদি এমন অসুস্থ হয় যার কারণে স্ত্রীর সাথে সহবাস বন্ধ থাকে, ওই চিকিৎসার ব্যায় বহন করা স্বামীর উপর জরুরী না। যদি করে তা হবে মুস্তাহাব, সওয়াব পাবে। এক্ষেত্রে স্ত্রী নিজের মোহরের টাকা বা নিজের সম্পত্তি থেকে খরচ করবে।


#বাসস্থান এবং উল্লেখিত তিনটি হকের কোয়ালিটি কেমন হবে? : 

বাসস্থান, খাদ্য, বস্ত্র ও চলাচলের ক্ষেত্রে স্ত্রীর বাবার বাড়ীর কোয়ালিটি এবং স্বামীর কোয়ালিটির মাঝামাঝি হবে।


#বি:দ্র: উল্লেখিত তিনটি হক স্বামীর উপর ঐ সময়ই জরুরী যখন স্ত্রী তার বাড়িতে তার বাধ্য হয়ে থাকবে। যদি স্ত্রী স্বামীর অবাধ্য হয়ে বাবার বাড়িতে বা বোনের বাসায় অথবা অন্য কোথাও অবস্থান করে, তাহলে তখন স্বামীর উপর এই হকগুলো আদায় করা জরুরী না। 


#৪নং হক: সহবাস করা: যদি স্ত্রীর সম্মতি না থাকে, তাহলে চার মাসে কমপক্ষে একবার সহবাস করা ওয়াজিব । যদি এর থেকে বেশি করে তাহলে সেটা স্বামীর ইচ্ছা। স্ত্রীর অর্গাজম করে দেওয়া জরুরী না। তবে মুস্তাহাব হলো, নিজের বীর্য আউট হয়ে যাওয়ার পরেও ভিতরে কিছুক্ষণ রেখে দিবে। সাথে সাথে নেমে যাবে না। যাতে স্ত্রী তৃপ্ত হতে পারে। তবে যদি এর থেকেও বেশি সহবাস করে এবং অর্গাজম করিয়ে দেয়, উত্তম হবে। উল্লেখ্য, স্বামী যখনই করতে চাইবে তখনই দিতে হবে। স্ত্রী যখন চাইবে তখনই সাড়া দেওয়া জরুরি না। 


#বি:দ্র: যদি স্বামীর লিঙ্গের আয়োতনে ছোট হওয়া বা টাইমিং কম হওয়ার কারনে স্ত্রী পূর্ণ তৃপ্তি না পায় অর্থাৎ স্বামী যদি স্ত্রীর অর্গাজম করে দিতে না পারে তাহলে স্বামী হক নষ্টকারী হয় না। তবে এক্ষেত্রে স্ত্রীর জন্য তার থেকে খোলা তালাক নিয়ে অন্য কাউকে বিয়ে করার অনুমতি আছে।  কিন্তু একথা কখনোই বলতে পারবে না যে, স্বামী আমার হক আদায় করতে পারে না। কারণ স্ত্রীর অর্গাজম করিয়ে দেয়া স্বামীর জন্য হক আদায়ের পর্যায়ে পড়েনা।


#৫নং হক: স্ত্রীর আরেকটি হক হলো, স্বামী মারা গেলে তার সম্পদের ৪/৮ ভাগের এক অংশ পাবে।


#সতর্কীকরণ: যদি কোনো স্বামী উল্লেখিত ফরজ হকগুলো আদায় করে, তাহলে হক আদায়কারী বলে বিবেচিত হবে। মুস্তাহাব হকগুলো আদায় না করার কারণে যদি স্ত্রী বলে যে, আমার স্বামী আমার হক আদায় করে না। সেই মহিলা ফাসেক,মাল'উন ও জাহান্নামী বলে বিবেচিত হবে। ভালো না লাগলে, না পোষালে তালাক নিয়ে  চলে যাবে। কিন্তু স্বামীর বিরুদ্ধে অপবাদ দিতে পারবে না।


#বি.দ্র.: এই হকগুলো ঐ সমস্ত ভাইদের জন্য, যাদের স্ত্রী মাত্র একটা। তবে যাদের একাধিক স্ত্রী আছে তাদের উপর আরও কিছু হক জরুরি। যা পরবর্তীতে আলোচনা করা হবে ইনশাআল্লাহ।

কলেবরের বৃদ্ধির কারণে দলিল উল্লেখ করা হলো না।


Ideal Marriage Bureau-IMB 

• IMB-র সদস্য হওয়ার জন্য ফরম পূরণ করুন:

  পুরুষের ফরম: t.ly/PBW9w

   নারীর ফরম: t.ly/2HZ_4

• যোগাযোগ অফিসিয়াল হোয়াটসঅ্যাপ:

   wa.me/+8801722446038 (শুধু মেসেজ)

   wa.me/+8801712572359 (কল ও মেসেজ)

   wa.me/+8801709909501 (নারীদের যোগাযোগ)

• IMB সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ওয়েবসাইট দেখুন।


-----------------------_----------------------


#Many answers of questions about Rights of Wives in Islam are mentioned below:-


1. How much money do you have to spend monthly for the wife? How will the cost be quality?

2. How many pairs of clothes to buy in a year?

3. How much money is it important to spend on cosmetics?

3. How many rooms have to be kept?

4. How long is it important to have sex?

5. If a husband cannot give full satisfaction to a wife, that is, can a wife's orgasm, will it be a man's sin? Is it important for a man to have a wife orgasm? Then what to do for both?

6. Is it important to have sex with her whenever she wants? 

7. Is it important for the wife to raise the child from another husband?

6. Is it legal to force a wife to earn income?

9. Is it important to get a wife's permission to get married more?

10. Is it important for a permanent house for the wife, to write the property or buy jewellery?


#Answer :


How many rights are there for a wife on a husband, how many rights have in Sharia? How much is mustahab in it?

All the answers are discussed below:


#1st : Giving Mahr

The low amount of Mahr is 2.6 rupees, whose current price is 3000 taka. It's important to give that much. Anyone can give more than that. But more claim that husband's ability is Makruh.


#2nd : - Arranging the habitat. Whether to rent a house or own property.

Quantity: A bedroom, a kitchen, and a bathroom, bed cover, bed sheets, and what is needed for being there. (However, if the wife wants it individually then the husband has to pay. If anyone gives more than that it is mustahab.


#3rd : Giving Nafka (Bharan Poshan)

Nafka is three things

1 food

2 clothes

3 treatments


(Also, there are as many other expenses as there are to make jewellery, take them to restaurants to visit the wedding house, take them to their father's house, to make them Umrah, to sacrifice from him, to perform charity, to write any property, to make any house, etc., neither is necessary. If anyone does, then Mustahab is the manifestation of love.)


1) Food: Arrange food a day full. Amount: Half a row. The current price is 100 taka. As such, it is obligatory to spend 3000 taka for food every month (if you have a child, it will be different). If anyone spends more than that it will be mustahab. Such as desirable . 


2) Clothes: the amount is, arrange three running sets of clothes. Arranging a set of clothing for winter clothing and if possible. If any one is unusable, arrange again. That's all important. If you buy more clothes than this, it's a gift. If the mahar is intended, the power will be performed.

 

3) Treatment: If the wife is sick due to which the intercourse is not stopped, it is the responsibility of the husband to get the treatment. And if the wife gets sick, the husband doesn't have to have sex with his wife, it's not necessary for him to spend that treatment. If it is done, Mustahab will get thawab. In this case, the wife will spend her money from mahr or her own property.


What will be the quality of the habitat and the three mentioned right? 

In the case of residence, food, clothing and movement, there will be a middle class in the quality of the father's house and the quality of the husband.


#Note: The three mentioned rights husbands are urgent at that time when the wife is obedient to her house. If the wife disobeys her husband or sister's house or somewhere else, then it is not necessary to perform these rights on her husband.


#4th: To have sex: If the wife does not have consent, it is obligatory at least once in four months. It is not necessary to orgasm with a wife. However, the mustahab is that he will keep his semen inside for a while after his semen is out. Will not go down immediately. So that the wife can be satisfied. But it would be better if he had more sex and orgasm than this.

Note that, the husband must give whenever he wants. It is not necessary to respond whenever the wife wants.


#Note: If the husband does not get full satisfaction due to being small or timing for the husband's gender, that is, if the husband cannot perform the wife's orgasm, then the husband will not be humiliated. However, in this case, she is allowed to marry someone else with a divorce from her husband. But she can never say that my husband cannot realise my right. Because the husband who has performed the wife's orgasm does not fall into the court.


#No.5: Another right of the wife is, when the husband dies, she will get one part of the 4/8 share of his wealth.


#Warning: If a husband performs the mentioned issues, then he will be considered as the Judicial. If the wife says that my husband does not pay for my rights because he does not realise the hobbies as mustahab. That woman will be considered to be hanged, Mal'aun and hell. If she doesn't like it, she will get a divorce. But she can't slander against her husband.


#Note: These rights are for those poor brothers, whose wives are only one. But those who have more than one wife need some more. That will be discussed in the next program.


All the information is not mentioned in detail due to the bulkiness of discussion.

শুক্রবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৫

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ০৩-০১-২০২৫ খ্রি:।

সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ০৩-০১-২০২৫ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ, এক দশমিক পাঁচ শতাংশ বেড়ে দেশে এখন মোট ভোটার  ১২ কোটি ৩৬ লাখের বেশি।


জনস্বার্থে কাজ করার ব্রত নিয়ে সমাজসেবায় এগিয়ে আসার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানালেন প্রধান উপদেষ্টা ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস।


আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের শর্ত পূরণে নয়, বরং রাজস্ব বাড়াতেই বিভিন্ন পণ্যের ওপর কর বাড়ানো হয়েছে - মন্তব্য অর্থ উপদেষ্টা ডক্টর সালেহউদ্দিনের।


ক্ষমতায় গেলে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে হওয়া সব বিদ্যুৎ ও জ্বালানি চুক্তি পুনর্বিবেচনা করা হবে - বললেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।


কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশের জাতীয় কবির স্বীকৃতি দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি।


 সারাদেশে চলছে মৃদু শৈত্য প্রবাহ।


গাজায় ইসরাইলের সর্বশেষ বিমান হামলায় অন্তত ৭১ ফিলিস্তিনি নিহত।


বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে নিজ নিজ ম্যাচে দুর্বার রাজশাহী ও রংপুর রাইডার্সের জয় - চিটাগং কিংস - দুর্বার রাজশাহীর এবং ঢাকা ক্যাপিটালস - খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে খেলবে আজ।

রোজ সকালে মোরগের ডাকে সবার ঘুম ভাঙ্গতো।  তো, একদিন তার মালিক খুব বিরক্ত হয়ে তাকে হুমকি দিল যে, "আরেকদিন যদি সকালে ডেকে ঘুম ভাঙ্গাস তাহলে তোর সমস্ত পালক আমি তুলে  ফেলবো

 রোজ সকালে মোরগের ডাকে সবার ঘুম ভাঙ্গতো।  তো, একদিন তার মালিক খুব বিরক্ত হয়ে তাকে হুমকি দিল যে, "আরেকদিন যদি সকালে ডেকে ঘুম ভাঙ্গাস তাহলে তোর সমস্ত পালক আমি তুলে  ফেলবো ।"

ভয় পেয়ে গেল মোরগ! মনে মনে যুক্তি দাঁড় করালো প্রয়োজনে অনেক কিছুই করতে হয়। মোরগ মনে মনে বললো,,,, আমার উচিত সকাল বেলা ডাকাডাকি বন্ধ করে নীতির সঙ্গে আপোষ করে নিজেকে বাঁচানো। 

কাজেই মোরগ সকালে ডাকাডাকি বন্ধ করে দিল।


এক সপ্তাহ পর আবার তার মালিক ফিরে এসে তাকে হুমকি দিল, "তুই যদি মুরগির মতো গরগর শব্দ না করিস তাহলে গায়ের একটা পালকও থাকবে না "। মোরগ নীতির সাথে আপোষ করল আবারও মোরগ হয়ে মুরগির মতো গরগর করতে লাগলো। 


এক মাস চলে গেল, মালিক আবার আসলো। এবার দিল ভয়াবহ হুমকি। এখনই যদি তুই ডিম না পারিস তাহলে আমি আগামীকালই তোকে জবাই করব! বেচারা মোরগ কোন উপায় না পেয়ে কাঁদতে শুরু করল। চোখের জলে ভিজিয়ে দিল পুরো দেহ। কাঁদতে কাঁদতে বলতে লাগল, ইশ! প্রথমবারই যদি আপোষ না করতাম। 


নীতির সাথে একটু আপোষ করলে এরকম একটার পর একটা আপোষ করে যেতে হয়। 

পরিস্থিতি যাই হোক না কেন কখনোই মন্দ নীতির সঙ্গে আপোষ করা যাবে না। প্রথমবার আপনি স্বেচ্ছায় আপোষ করবেন কিন্তু  নিশ্চিত থাকুন এর পরেরবার থেকে আপনি আপোষ করবেন কারণ আপনাকে আপোষ করতে বাধ্য করা হবে। 


বলা হয়ে থাকে," যদি আপনি আপোষের পথের পথিক হন তাহলে নীতিতে অবিচল মানুষদের কখনো অপবাদ দিবেন না, বলবেন না যে এরা উগ্র"। তারচেয়ে বরং নিজের দিকে নজর দিন। দেখুন কি এক গভীর চোরাবালিতে ডুবে গেছেন আপনি। 


দুনিয়ার সমস্ত মানুষ যদি একটি হারাম কাজ করে তারপরও ওইটা হারামই থেকে যাবে।

অন্য সবাই করছে আমিও একটু করি এরকম ভাববেন না। আপনার কাজের জবাবদিহিতা আপনাকে দিতেই হবে। নিজের খেয়াল খুশি মতো কোন পথে নয় বরং সেই পথে অবিচল থাকুন যে পথে আল্লাহ আপনাকে অবিচল থাকার আদেশ দিয়েছেন। 


একটা প্রবাদ আছে , " সিংহ ক্ষুধার্ত হলেও ঘাস খায় না। "

আপনার পেটে খাবার নেই, এ কারণে নীতির সাথে আপোষ করবেন না কখনোই। 

হালাল-হারামের যে অনুভূতি আপনার মনে আছে, খুব সাবধান! খুব সাবধানে তা জিইয়ে রাখুন।

নারীর স্তন দেখতে ভালো লাগে? আমারো লাগতো, কিন্তু একদিন ....... ফেইসবুক থেকে নেওয়া,, তিনি ও নিয়েছেন ফেইসবুক থেকে

 নারীর স্তন দেখতে ভালো লাগে? আমারো লাগতো, কিন্তু একদিন ....... ছেলেবেলায়, আমি ভাবতাম—নারীর সৌন্দর্যের মধ্যে সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ নাকি তার ...