এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৫

রাসূল (সঃ) এর বয়স ছিল 40 বছর। রাসূল (সঃ) 570 খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, খ্রিষ্টাব্দে, যখন তিনি 40 বছর বয়সে পৌছান।

 রাসূল (সঃ) এর বয়স ছিল 40 বছর। রাসূল (সঃ) 570 খ্রিষ্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেছিলেন, খ্রিষ্টাব্দে, যখন তিনি 40 বছর বয়সে পৌছান।


রাসূল (সঃ) এর উপর প্রথম ওহি নাযিল হয়েছিল 610 খ্রিষ্টাব্দের ঈদের মাসের ২১ তারিখে। এটি ছিল রবিউল আউয়াল মাসের ১৭ তারিখ, যেদিন রাসূল (সঃ) মক্কার হিরা গুহায় ছিলেন। এই দিনটি ছিল সোমবার।


এই প্রথম ওহি নাযিলের সময় রাসূল (সঃ) এর বয়স ছিল 40 বছর।


ওহি নাযিল হওয়ার সময় ছিল সকাল বেলা, যখন রাসূল (সঃ) গুহায় একাকী অবস্থান করছিলেন।


এটি ছিল একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা, যা ইসলামের ইতিহাসে প্রথম নুবুয়ত বা প্রথম ওহি হিসেবে পরিচিত। প্রথম ওহি ইকরা (পড়ো) আয়াত দিয়ে শুরু হয়েছিল, যা সূরা আল-আলাকের প্রথম ৫টি আয়াত থেকে এসেছে:


1. পড়ো তোমার প্রভুর নামে, যিনি সৃষ্টি করেছেন।


2. যিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন রক্তের কণা থেকে।


3. পড়ো, এবং তোমার প্রভু সবচেয়ে মহিমান্বিত, যিনি কলম দ্বারা শিক্ষা দিয়েছেন।


4. যিনি মানুষকে সে জ্ঞান দিয়েছেন যা সে জানত না।


এই ওহি গ্রহণের পর, রাসূল (সঃ) কিছুটা উদ্বিগ্ন ছিলেন, এবং তার স্ত্রী খাদিজা (রাঃ) তাকে সান্ত্বনা দেন ও তার প্রতি সমর্থন জানান।


এটি ছিল ইসলামের সূচনা, এবং তার পর থেকে ২৩ বছর ধরে রাসূল (সঃ) এর উপর বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ওহি নাযিল হতে থাকে।

চা বানানোর গুরুত্বপূর্ণ টিপসঃ  (যাদের চা মজা হয়না!!!)  




 চা বানানোর গুরুত্বপূর্ণ টিপসঃ 

(যাদের চা মজা হয়না!!!)  


☕ চিনি দিয়ে চা খাওয়ার অভ্যাস থাকলে কাপে চিনি দিন।কখনই চিনি,চা পাতা,পানি একসঙ্গে ফুটতে দেবেন না।এতে চায়ের গন্ধ নষ্ট হয়।


☕ এলাচ,লবঙ্গ,দারচিনি দেওয়া চা পছন্দ হলে তা ড্রাইরোস্ট করে থেঁতো করে তবেই ব্যবহার করুন।এতে আরও ভাল গন্ধ পাওয়া যায়।


☕ চা পাতা কখনই প্লাস্টিকের কৌটোতে নয়,কাঁচ কিংবা স্টিলের জারে সংরক্ষণ করুন।খেয়াল রাখবেন যাতে সরাসরি রোদ না লাগে কৌটোতে।


☕ রং চা বানানোর ক্ষেত্রে,পানি আর চা পাতা কিন্তু কখনই একসঙ্গে ফোটাবেন না।এতে গ্যাস নষ্ট,সময় নষ্ট সেই সঙ্গে চায়ের কোনও রকম স্বাদও পাওয়া যায় না।যেমনই চা পাতা হোক না কেন আগে পানি ফুটিয়ে গ্যাস বন্ধ করে তবেই চা পাতা দিন।এরপর ২ থেকে ৩ মিনিট ঢাকা দিয়ে রেখে ছেঁকে নিন।


☕ দুধ চা আর লিকার চা বানানোর পদ্ধতি কিন্তু একদম আলাদা।যে চায়ের পাতায় ভাল লিকার হয়,সেই পাতা দিয়ে দুধ চা বানাবেন না।এক্ষেত্রে দানা চা ( CTC Tea) ব্যবহার করুন।ভাল রং পাবেন।


☕ আদা দিয়ে চা করতে চাইলে আদা গ্রেট করে প্রথমে গরম পানির মধ্যে দিন।তাতে দু-একটা তুলসি পাতা,তিন থেকে চারটে লবঙ্গ,গোলমরিচ ফেলে দিতে পারেন।এই পানি ভাল ভাবে ফুটলে তারপরই গ্যাস বন্ধ করে চা পাতা দিন।দুকাপ চা হলে এক চা চামচ চা পাতা দিন।এই অনুপাতে চায়ের পাতা ব্যবহার করবেন।অতিরিক্ত চা পাতা দিলেই চা খেতে ভাল হবে,এই ধারনা একেবারে ভুল।


☕ লেবু চা বা কমলালেবুর চা পছন্দ হলে আগে থেকে খোসা ছাড়িয়ে তা রোদে শুকিয়ে রাখুন।খুব ভাল করে শুকনো হলে সেই খোসা গুঁড়ো করে অল্প পরিমাণ চায়ের সঙ্গে মিশিয়ে রাখুন।এতে স্বাদ ভাল হয়।


চা লাভারদের জন্য কিছু স্পেশাল চায়ের রেসিপি! আপনাদের অবশ্যই ভালো লাগবে! 


🟩 মশলা চা 


উপকরণঃ 

সবুজ এলাচ- ৫টি

দারুচিনি- ১ টুকরা

চিনি- স্বাদ মতো

গুড়া দুধ- ১ কাপ

গোলমরিচ- ১টি

লবঙ্গ- ৪টি

চা পাতা- ২ চা চামচ

আদা গুঁড়া- ১ চা চামচ

আদা- মিহি করে কাটা কয়েক টুকরা


প্রস্তুত প্রণালিঃ 

এলাচের খোসা ফেলে ভেতরের মসলা বের করে নিন। সব মসলা একসঙ্গে গুঁড়া করে ফেলুন মিহি করে। প্যানে ৪ কাপ পানি গরম করে চা পাতা দিন। চাইলে আধা চা চামচ গ্রিন টি পাতাও দিতে পারেন ব্ল্যাক চায়ের সঙ্গে। গুঁড়া করে রাখা মসলা ও চিনি দিন। দুধ ও আদা গুঁড়া দিয়ে জ্বাল দিতে থাকুন। নামানোর আগে আদা কুচি দিয়ে মৃদু জ্বালে রেখে দিন কয়েক মিনিট। পরিবেশন করুন গরম গরম।


🟩 কালিজিরা ও গোলমরিচের চা


উপকরণঃ

চা-পাতা ২ চা-চামচ 

কালিজিরা আধা চা-চামচ 

আস্ত গোলমরিচ আধা চা-চামচ 

আদাকুচি এক চামচের কিছু অংশ 

চিনি কিংবা মধু নিজের স্বাদ অনুযায়ী ও পানি আধা লিটার।


প্রস্তুত প্রণালিঃ 

পানি ফুটিয়ে চা, কালিজিরা, আস্ত গোলমরিচ আর আদাকুচি দিন। ৫-৬ মিনিট জ্বাল দিন। এরপর ছেঁকে চিনি কিংবা মধু মিশিয়ে গরম-গরম চা পান করুন। 


🟩 মাল্টা চা 


উপকরণঃ  

পানি ২ কাপ 

এলাচি ১টি 

চা-পাতা ১ চা-চামচ 

মাল্টার রস ২ চা-চামচ

মাল্টা দুই টুকরা ও 

চিনি ২ চা-চামচ


প্রস্তুত প্রণালিঃ

একটি পাত্রে পানি, চিনি আর এলাচি দিয়ে ফুটতে দিন। টগবগ করে ফুটে উঠলে চা-পাতা দিয়ে দিতে হবে। ১ মিনিট জ্বাল দিন। এবার মাল্টার রস দিয়ে দিন। চামচ দিয়ে নেড়ে সঙ্গে সঙ্গেই নামিয়ে ফেলতে হবে। চায়ের কাপে ছেঁকে নিয়ে এক টুকরা (স্লাইস) মাল্টা দিয়ে পরিবেশন করুন। 


🟩 জাফরানি চা 


উপকরনঃ

পানি – ২ কাপ

জাফরান – ৪-৫ টি

অর্গানিক মধু- ১/৪ চা চামচ

চা পাতা – ১ চা চামচ (ঐচ্ছিক)

আদা কুচি – সামান্য

দারচিনি – ১ টুকরো


প্রস্তুত প্রণালিঃ  

পানির সাথে আদা এবং দারচিনি দিয়ে জ্বাল দিন।

কিছু সময় হলে সঙ্গে জাফরান মিশিয়ে জ্বাল দিন।

হয়ে গেলে ছেকে মধু মিশিয়ে খেয়ে নিন।

এই দারুণ জাফরান চা হজমশক্তিকে উন্নত করে, ত্বকের রঙ ফর্সা করে, ত্বক উজ্জ্বল ও কোমল করে, চুলকে করে তোলে ঝলমলে, ত্বকে বয়সের ছাপ প্রতিরোধ করে।

প্রতিদিন ১ কাপ খেতে পারবেন।


🟩 বাদশাহী চা


ঊপকরনঃ

পানি ২ কাপ

চা পাতা ১-১.৫ চা চামচ

কিসমিস ১ চামচ

কনডেন্স মিল্ক ২ চামচ

হরলিক্স ১ চামচ

কফি পাউডার ১ চামচ


প্রস্তুত প্রণালিঃ 

প্রথমে পানি বয়েল করে নিতে হবে। এরপর বয়েল করা পানি তে চা পাতা দিয়ে দিতে হবে। কিছু সময় জাল করে নামিয়ে নিতে হবে।

কিসমিস খুব ভালো কোনো কফি মিক্সচারে ব্লেন্ড করে নিতে হবে অথবা শিলা পাটাতে পিষে নিতে হবে। তবে পানি ব্যবহার করা যাবে না এক্ষেত্রে।

তৃতীয়ত একটি মগে কিছুটা জাল করে রাখা লিকার নিয়ে সেখানে কিসমিস এর মিশ্রণ, কনডেন্স মিল্ক, হরলিক্স, কফি পাউডার খুব ভালো করে বিটারের সাহায্যে মিশিয়ে নিতে হবে।

চায়ের ওপর সুন্দর একটি ফোমের লেয়ার তৈরী হবে সুন্দর করে ডেকোরেশন করে নিন। ব্যস তৈরী হয়ে গেল বাদশাহি চা।

 বুক রিভিউ লেখার নিয়ম,,,,,,,,,

 বুক রিভিউ লেখার নিয়ম


অনেকেই জানতে চান কীভাবে বুক রিভিউ লিখতে হয়। সত্যি কথা বলতে, বুক রিভিউ লেখার ধরাবাঁধা কোন নিয়ম নেই। আপনার মনমতো যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে লিখতে পারেন। এর গঠনগত কোনো মডেল নেই, শুরু করার নির্দিষ্ট ব্যাকরণ নেই, শেষ করার কোন বিশেষ বিধি নেই। 


বুক রিভিউ কাকে বলে? 

উত্তর হতে পারে এমন : এটা জাস্ট আপনার একটা প্রতিক্রিয়া। একটা বই পড়ে আপনার কেমন লেগেছে সেই অনুভূতি। কেন এই বইটা অন্যদের পড়া উচিত সেই সম্পর্কে আপনার মতামত। যদি মনে করেন, বইটি আপনার খুব খারাপ লেগেছে বা পড়ে সময় নষ্ট হয়েছে—সেটা বলাও বুক রিভিউ। এটি অনেকটা পণ্যের গুণমানের মতো, যাতে আপনার রিভিউ পড়ে অন্যরা আগ্রহী অথবা সতর্ক হয়।


রিভিউয়ে কী থাকবে?

আগের আলোচনা নিয়ে একটু চিন্তা করলেই বোঝা যাবে একটা বইয়ের রিভিউয়ে কী কী থাকতে পারে। যেহেতু আপনি বইটি সম্পর্কে মানুষকে জানাতে চাচ্ছেন তাহলে বইটির পরিচিতি থাকবে। অর্থাৎ এটি কী ধরনের বই– কবিতা নাকি উপন্যাস, প্রবন্ধ নাকি ফিকশন, ধর্ম নাকি বিজ্ঞান, অর্থনৈতিক নাকি রাজনৈতিক? বইটির লেখক কে? লেখকের বিশেষ কোন পরিচয় থাকলে উল্লেখ করা যেতে পারে। বইটির প্রকাশনী কোনটা, কত সালে বইটি প্রকাশিত হয়েছে–এ ধরনের তথ্যও দিলে পাঠকের জন্য সুবিধা হবে।


দ্বিতীয়ত, বইটি কোন ধরনের পাঠকের জন্য উপযোগী? অর্থাৎ বইটি বুঝতে নির্দিষ্ট বয়স বা যোগ্যতা প্রয়োজন আছে কিনা। বইটি পড়লে তাদের কী লাভ হতে পারে? কোন ক্ষেত্রে এই বইয়ের জ্ঞান কাজে লাগতে পারে? সব বই যে জ্ঞানের হবে তা না। তাহলে বিনোদন হবে কিনা, আনন্দ পাবে কিনা, সুন্দর সময় কাটবে কিনা!


তৃতীয়ত, বইয়ের বিষয়বস্তু সংক্ষেপে বলা যেতে পারে, যাতে পাঠক একটু ধারণা লাভ করে। সারসংক্ষেপ জানলে পাঠক সিদ্ধান্ত নিতে পারবে বইটি পড়বে কিনা। তবে যদি উপন্যাস হয়, থ্রিলিং কোনো টুইস্ট থাকে– সেসব উল্লেখ করা উচিত নয়। কারণ রহস্য জেনে গেলে বইটি পড়ে আর মজা পাবে না।


চতুর্থত, লেখকের দক্ষতা প্রসঙ্গ। অর্থাৎ যে বিষয়টি নিয়ে তিনি লিখেছেন তা কতটা ফুটিয়ে তুলতে পেরেছেন। লেখক কতটা মুন্সিয়ানার পরিচয় দিয়েছেন, কতটা গভীরে যেতে পেরেছেন, কতটা নতুন কথা বলতে পেরেছেন, কতটা নতুন কিছু শেখাতে পেরেছেন। বইটি কি তার মৌলিক সৃষ্টি মনে হয়েছে নাকি কপিপেস্ট মার্কা চর্বিতচর্বণ হয়েছে—সেটাও বলতে পারেন।


পঞ্চমত, বইয়ের প্রশংসনীয় দিকগুলো বলতে পারেন। কী কারণে লেখক বাহবা পেতে পারেন, কোন কোন বিষয়ের কারণে আপনি সন্তুষ্ট হয়েছেন সেসব লিখতে পারেন। লেখক পাঠককে কতটা আলোড়িত করতে পেরেছেন, কতটা ভাবনার উদ্রেক ঘটাতে পেরেছেন, কতটা আবেগাপ্লুত করতে পেরেছেন?


ষষ্ঠত, বইটি পড়ে আপনার কতটা ভালো লেগেছে, কতটা খারাপ লেগেছে, আপনার উপর কেমন প্রভাব ফেলেছে— সেসব কথা বলতে পারেন। আপনার খুব পছন্দ হয়েছে এমন কোনো উক্তি, ডায়লগ, বা চরিত্র থাকলে সেটাও উল্লেখ করতে পারেন।


সপ্তমত, বইটির অসঙ্গতি তুলে ধরতে পারেন। কোনো তথ্যগত ভুল, প্রসঙ্গগত অমিল, উপস্থাপনের ত্রুটি থাকলে পাঠককে জানিয়ে দিতে পারেন। আপনার কাছে কোনো কিছু উদ্ভট-আজগুবি মনে হলে, পাগলের প্রলাপ মনে হলে, লেখকের উদ্দেশ্যগত অসততা দেখলে সেটার প্রমাণও তুলে ধরতে পারেন।


ভালো রিভিউ কোনটা?

আগেই বলেছি রিভিউয়ের কোনো নির্দিষ্ট মডেল নেই। তাহলে ভালো রিভিউ কোনটা? উত্তর হচ্ছে, আপনার রিভিউয়ে আপনি কতগুলো বিষয় আনতে পেরেছেন। উপরে আমি যে বিষয়গুলো বললাম, এগুলোর বাইরেও কিছু থাকতে পারে। তথ্যগুলোর কোন সিরিয়াল বা ধারাবাহিকতা নেই। আপনি যখন যেভাবে তথ্যের উপস্থাপন উপযোগী মনে করেন সেভাবেই করতে পারেন। এবার দেখা যাবে বই বা লেখকের আলোচনা-সমালোচনা বিষয়ে আপনার দক্ষতার প্রশ্ন। আপনি কতটা গঠনমূলকভাবে এই মতামত ব্যক্ত করতে পেরেছেন, কতটা সুন্দরভাবে আপনার রিভিউটা উপস্থাপন করতে পেরেছেন! আপনার রিভিউ পড়ে পাঠকও রিভিউ করবে তারা কতটা ভালোভাবে জানতে পেরেছে‍! 


রিভিউ লিখতে করণীয় কী?

বইটি পড়ার সময় মনোযোগ দিতে হবে। আগে থেকে করা ভালো বা খারাপ ধারণা বাদ দিয়ে খোলা মনে বইকে উপলব্ধির চেষ্টা করতে হবে। পড়তে গিয়ে প্রয়োজনীয় বিষয় নোট করতে হবে অথবা চিহ্নিত করে রাখতে হবে। বইটি লেখক যেভাবে বুঝাতে চেয়েছেন তার ইন্টেশনটা আপনাকে ধরতে পারতে হবে। না বুঝে বা কম বুঝে আন্দাজে তার সমালোচনা করা হবে লেখকের প্রতি অবিচার।  সর্বশেষ মনে রাখুন, আপনাকে নির্মোহ হতে হবে। পক্ষপাতিত্ব করা যাবে না। আপনাকে সৎ থাকতে হবে। অযথা প্রশংসা করবেন না, আবার আন্দাজে নিন্দেও করবেন না।


লেখা—তানিম ইশতিয়াক

বাচ্চাদেরকে কীভাবে বইপোকা করা যায়?

 বাচ্চাদেরকে কীভাবে বইপোকা করা যায়? 


আমরা সবাই জানি যে, বই পড়ার অভ্যাস একটি শিশুর সঠিক বেড়ে ওঠার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে বর্তমানে ডিজিটাল মিডিয়া এবং গেমসের মাঝে বাচ্চাদের মনোযোগ ধরে রাখা অনেক কঠিন হয়ে পড়েছে। কিন্তু আমি মনে করি, বইপোকা হতে গেলে কিছু সহজ ও সৃজনশীল উপায় রয়েছে, যেগুলো আমি আমার অভিজ্ঞতা থেকে শিখেছি এবং প্রয়োগ করেছি।


১. প্রথমে বইকে আকর্ষণীয় করে তোলাঃ

বাচ্চাদের বইয়ের প্রতি আগ্রহ তৈরি করতে হলে, প্রথমে বইকে আকর্ষণীয় করে তুলতে হবে। বইয়ের আকার, রঙিন ছবি, সহজ ভাষা এবং গল্পের টানটান আকর্ষণ তাদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে পারে। ছোটদের জন্য ছবি বই খুবই উপযোগী, কারণ সেগুলো তাদের কল্পনাশক্তি জাগিয়ে তোলে। কখনও কখনও, আমি বইয়ের চেয়ে আরও মজার কিছু সাজাই—যেমন বিভিন্ন রঙের কভার, সুন্দর স্টিকার, এবং এমন গল্প যা তাদের বর্তমান অভিজ্ঞতার সঙ্গে সম্পর্কিত।


২. বই পড়ার সময়কে বিশেষ করে তুলুনঃ

একটি নির্দিষ্ট সময় ধরে বই পড়ার অভ্যাস তৈরি করুন। বিকেলে চা খাওয়ার পর, অথবা রাতে ঘুমানোর আগে, গল্পের সময় তৈরি করুন। আমি লক্ষ্য করেছি, যখন একটি নির্দিষ্ট সময় বই পড়ার জন্য নির্ধারণ করা হয়, তখন শিশুরা সেই সময়টার অপেক্ষা করে থাকে। এতে বই পড়া হয়ে ওঠে একটি রুটিন, যা পরবর্তীতে তাদের ভালো অভ্যাস হয়ে দাঁড়ায়।


৩. গল্পের চরিত্রদের সাথে পরিচয় করানোঃ

একটি ভালো গল্প শুধু কল্পনা নয়, একটি জীবনও হতে পারে। বাচ্চাদের জন্য আমি চেষ্টা করি তাদের গল্পের চরিত্রদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে, যেন তারা সেই চরিত্রের অনুভূতি বুঝতে পারে। যখন তারা চরিত্রগুলোর সাথে সম্পর্ক তৈরি করে, তখন তাদের গল্পের প্রতি আগ্রহ আরও বেড়ে যায়। আমি গল্পের মাঝে ছোট ছোট প্রশ্ন করে তাদের অংশগ্রহণও উৎসাহিত করি।


৪. পড়ার পরে আলোচনাঃ

পড়াশোনার পর আমি বাচ্চাদের সঙ্গে গল্পটি নিয়ে আলোচনা করি। এটা তাদের মনোযোগ আরও বাড়ায়, এবং তারা বইয়ের প্রতি আরও আকৃষ্ট হয়। বইটির শেষ পর্যন্ত কী হয়েছে, চরিত্রগুলো কেমন ছিল—এসব নিয়ে প্রশ্ন করে তাদের চিন্তা-ভাবনার জায়গাটিকে আরও প্রশস্ত করি। এতে বই পড়া তাদের কাছে একটি অভিজ্ঞতার মতো মনে হয়, যা শুধুমাত্র মস্তিষ্কের গণ্ডি পেরিয়ে হৃদয়েও প্রবাহিত হয়।


৫. বইয়ের সাথে যুক্ত একটি কার্যকলাপঃ

গল্পের সাথে সম্পর্কিত কিছু কার্যকলাপ যুক্ত করা খুবই কার্যকরী। যেমন, একটি চরিত্রের পোশাক বানানো, কোনো দৃশ্য আঁকানো ইত্যাদি। 


উল্লেখিত পদ্ধতিসমূহ আপনি

শতাংশ ও একর অন্য জমি পরিমাপ

 

শতাংশ ও একর

৪৮৪০ বর্গগজ = ১ একর,
৪৩৫৬০ বর্গফুট= ১ একর,
১৬১৩ বর্গগজ= ১ বিঘা,
১৪৫২০বর্গফুট= ১ বিঘা,
৪৩৫.৬০ বর্গফুট= ০১ শতাংশ,
৮০.১৬ বর্গগজ= ১ কাঠা,
৭২১.৪৬ বর্গফুট= ১ কাঠা,
৫.০১ বর্গগজ = ১ ছটাক,
৪৫.০৯ বর্গফুট= ১ কাঠা,
২০ বর্গহাত = ১ ছটাক,
১৮ ইঞ্চি ফুট= ১ হাত (প্রামাণ সাই)
শতাংশের হিসাবের একক: ১ শতাংশ = ১০০০ বর্গলিংক
১ শতাংশ = ৪৩৫.৬০ বর্গ ফুট
১ শতাংশ = ১৯৩.৬০ বর্গহাত
১ শতাংশ = ৪৮.৪০ বর্গগজ
১ শতাংশ = ৪০.৪৭ বর্গ মিটার


মিলিমিটার ও ইঞ্চি

১ মিলিমিটার= ০.০৩৯৩৭ (প্রায়),
১ সেন্টিমিটার= ০.০৩৯৩৭ (প্রায়),
১ মিটার = ৩৯.৩৭ ইঞ্চি বা ৩.২৮ ফুট/ ১.০৯৩ গজ (প্রায়),
১০০০ মিটার = ১ কিলোমিটার,
১ কিলোমিটার= ১১ শত গজ,
২ কিলোমিটার = (সোয়া মাইল),
১৭৬০ গজ = ১ মাইল,
১৩২০ গজ = পৌন এক মাইল,
৮৮০ গজ = আধা মাইল,
৪৪০ গজ = পোয়া মাইল,
১ বর্গ মিটার = ১০.৭৬ বর্গফুট (প্রায়),
১ হেক্টর = ২.৪৭ একর (প্রায়),
১ ইঞ্চি = ২.৫৪ সেন্টিমিটার (প্রায়)


কাঠা, বিঘা ও একর

১ কাঠা = ১৬ ছটাক,
১ কাঠা = ১৬৫ অযুতাংশ,
১ বিঘা = ৩৩ শতাংশ,
১ শতাংশ = ১০০ অযুতাংশ,
২০ (বিশ) কাঠা = ১ বিঘা,
১.০০ একর = ১০০ শতাংশ=৩.০৩০৩০৩০৩... বিঘা।
একশত শতাংশ বা এক হাজার সহস্রাংশ বা দশ হাজার অযুতাংশ= ১.০০ (এক) একর। দশমিক বিন্দুর (.) পরে চার অঙ্ক হলে অযুতাংশ পড়তে হবে।


গান্টার শিকল

ভূমির পরিমাপ পদ্ধতি সঠিক এবং সহজ করার জন্য ফরাসি বিজ্ঞানী এডমন্ড গান্টা এই পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। তিনি ভূমি পরিমাপের জন্য ইস্পাত দ্বারা এক ধরণের শিকল আবিষ্কার করেন। পরবর্তীতে তার নাম অনুসারেই এই শিকলের নামকরণ করা হয় গান্টার শিকল।

আমাদের দেশে গান্টার শিকল দ্বারা জমি জরিপ অত্যন্ত জনপ্রিয়। একর, শতক এবং মাইলষ্টোন বসানোর জন্য গান্টার শিকল অত্যন্ত উপযোগী। এই শিকলের দৈর্ঘ্য ২০.৩১ মিটার (প্রায়) বা ৬৬ ফুট।

গান্টার শিকল ভূমি পরিমাপের সুবিধার্থে একে ১০০ ভাগে ভাগ করা হয় থাকে। এর প্রতিটি ভাগকে লিঙ্ক বা জরীপ বা কড়ি বিভিন্ন নামে ডাকা হয়।

প্রতি এক লিঙ্ক = ৭.৯২ ইঞ্চি দৈর্ঘ্য 

১০ চেইন ×প্রস্থে ১ চেইন = ১০ বর্গ চেইন = ১ একর গান্টার শিকলে ১০ লিঙ্ক বা ৭৯.২ ইঞ্চি পর পর নস বা ফুলি স্থাপন করা হয় (নস ফুলি)।

২০ লিঙ্ক বা ১৫৮.৪ ইঞ্চি পর স্থাপিত হয়-

 ৩০ লিঙ্ক বা ২৩৭.৩ ইঞ্চি পর স্থাপিত হয়- ৪০ লিঙ্ক বা ৩১৬.৮ ইঞ্চি পর স্থাপিত হয়- 

৫০ লিঙ্ক বা ৩৯৬.০ ইঞ্চি পর স্থাপিত হয়-

 ৮০ গান্টার বা ১৭৬০ গজ পর স্থাপিত হয়- মাইল ষ্টোন।

বিঘা এবং কাঠা

১ বিঘা = (৮০ হাত×৮০ হাত) ৬৪০০ বর্গহাত,

১ বিঘা = ২০ কাঠা,

১ কাঠা = ১৬ ছটাক,

১ ছটাক = ২০ গন্ডা,

১ বিঘা = ৩৩,০০০ বর্গলিঙ্ক,

১ বিঘা = ১৪,৪০০ বর্গফুট,

১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট,

১ ছটাক = ৪৫ বর্গফুট।

লিঙ্ক এর সাথে ফুট ও ইঞ্চির পরিবর্তনঃ

লিঙ্ক = ৭.৯ ইঞ্চি,

৫ লিঙ্ক = ৩ ফুট ৩.৬ ইঞ্চি,

১০ লিঙ্ক = ৬ ফুট ৭.২ ইঞ্চ,

১৫ লিঙ্ক = ৯ ফুট ১০.৮ ইঞ্চি,

২০ লিঙ্ক = ১৩ ফুট ২.৪ ইঞ্চি,

২৫ লিঙ্ক = ১৬ ফুট ৬.০ ইঞ্চি,

৪০ লিঙ্ক = ২৬ ফুট ৪.৮ ইঞ্চি,

৫০ লিঙ্ক = ৩৩ ফুট,

১০০ লিঙ্ক = ৬৬ ফুট


আঞ্চলিক পরিমাপ

আমাদের দেশে অঞ্চলভেদে বিভিন্ন প্রকারের মাপ ঝোক প্রচলিত রয়েছে। এগুলো হলো কানি-গন্ডা, বিঘা-কাঠা ইত্যাদি। অঞ্চলে ভেদে এই পরিমাপগুলো আয়তন বিভিন্ন রকমের হয়ে তাকে। বিভিন্ন অঞ্চলে ভূমির পরিমাপ বিভিন্ন পদ্ধতিতে হলেও সরকারি ভাবে ভূমির পরিমাপ একর, শতক পদ্ধতিতে করা হয়। সারাদেশে একর শতকের হিসাব সমান।

কানিঃ কানি দুই প্রকার। যথা- (ক) কাচ্চা কানি (খ) সাই কানি

কাচ্চা কানি: ৪০ শতকে এক বাচ্চা কানি। কাচ্চা কানি ৪০ শতকে হয় বলে একে ৪০ শতকের কানিও বলা হয়।

সাই কানিঃ এই কানি কোথাও ১২০ শতকে ধরা হয়। আবার কোথাও কোথাও ১৬০ শতকেও ধরা হয়।


একর শতক ও একর হেক্টর

১০০ লিঙ্ক = ১ গান্টার শিকল ১০০০ বর্গ লিঙ্ক = ১ শতক ১,০০,০০০ বর্গ লিঙ্ক = ১ একর

আমাদের দেশে জমি-জমা মাপ ঝোকের সময় চেইনের সাথে ফিতাও ব্যবহার করা হয়। সরকারি ভাবে ভূমি মাপার সময় চেইন ব্যবহার করা হয় এবং আমিন সার্ভেয়ার ইত্যাদি ব্যাক্তিগণ ভূমি মাপার সময় ফিতা ব্যবহার করেন। ভূমির পরিমাণ বেশি হলে চেইন এবং কম হলে ফিতা ব্যবহার করাই বেশি সুবিধাজনক।

১ হেক্টর = ১০,০০০ বর্গমিটার

১ হেক্টর = ২.৪৭ একর

কানি ও গণ্ডা

কানি গন্ডার সাথে বিভিন্ন প্রকারের পরিমাপের তুলনাঃ ২ কানি ১০ গন্ডা (৪০ শতকের কানিতে) = ১ একর

১ কানি = ১৭২৮০ বর্গফুট

১ কানি = ১৯৩৬ বর্গগজ

১ কানি = ১৬১৯ বর্গমিটার

১ কানি = ৪০ বর্গ লিঙ্ক

১ একর = ১০ বর্গ চেইন

১ একর = ১০০ শতক

১ একর = ৪,০৪৭ বর্গমিটার

১ একর = ৩ বিঘা ৮ ছটাক

১ একর = ৬০.৫ কাঠা

১ শতক = ১ গন্ডা বা ৪৩২.৬ বর্গফুট






১ হেক্টর = ৭.৪৭ বিঘা

১ হেক্টর = ১০০ এয়র।




জরিপ পদ্ধতি ও গজ,,,,

 

জরিপ পদ্ধতি ও গজ

১২ ইঞ্চি = ১ ফুট এবং ৩ ফুট= ১ গজ

ভূমি যে কোন সাইজের কেন ভূমির দের্ঘ্য ও প্রস্থে যদি ৪৮৪০ বর্গগজ হয় তাহলে এটা ১.০০ একর (এক একর) হবে।

যেমনঃ ভূমির দৈর্ঘ্য ২২০ গজ এবং প্রস্থ ২২ গজ সুতরাং ২২০ গজ×২২ গজ= ৪৮৪০ বর্গগজ।
ভূমি জরিপকালে যে সকল পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় তা হল:
শিকল জরিপ
কম্পাস জরিপ
প্লেনটেবিল জরিপ
থিয়োডোলাইট জরিপ

শিকল জরিপ : ভূমি জরিপের জন্য শিকল জরিপ সবচেয়ে সহজ। য়ে জায়গায় পরিপ করতে হবে তা কতকগুলো ত্রিভুজে ভাগ করে নিতে হয় এবং ত্রিভুজের বাহুগুলোর দৈর্ঘ্য শিকল দিয়ে মাপ করা হয়। জ্যামিতিক ক্ষেত্রগুলির মধ্যে ত্রিভুজ অংক পদ্ধতি সর্র্বাপেক্ষা সহজঅ পুরো জায়গাটিকে সারি সারি ত্রিভুজে ভায করে নিতে হয়। ত্রিভুজের কোণগুলি ৬০ ডিগ্রির কর বা ১২০ ডিগ্রির বেশী না হয় তা দেখতে হবে। মাঠের মাঝামাঝি দিয়ে একটি বা দুটি মেরুদন্ড রেখা টেনে নেয়া যায়। এই মেরুদন্ড রেখার সালে প্রধান প্রধান ত্রিভুজগুলো আবদ্ধ থাকরে এবং এরপর বড় বড় ত্রিভুজগুলোকে আরো ছোট ছোট ত্রিভুজে বিভক্ত করতে হবে। এভাবে ই শিকল জরিপ সম্পন্ন করা হয়।

কম্পাস জরিপ : কম্পাসের সাহায্যে যে জরিপ পরিচালিত হয় তার নাম কম্পাস জরিপ। এতে দুই ধরনের কম্পাস ব্যাবহার করা হয়। এ কম্পাস দুটি হল প্রিজমেটিক কম্পাস এবং সার্ভেয়াস কম্পাস। বিস্তারিত নকশা প্রণয়ন, রাস্তা, নদী এবং ধারাবাহিক রেখার নকশা প্রণয়ন কাজে প্রিজমেটিক কম্পাস ব্যাবহার করা হয়। আর বড় নদী বা সমুদ্র এলাকায় যখন বিশাল চর জেগে উঠে তখন তা নরম থাকে যে তার উপর দিয়ে চলাফের করা যায় না । তখন কম্পাস জরিপের মাধ্যমে তার অবস্থান, সীমানা এবং আয়তন নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। তবে এ জরিপের বর্তমানে কোন ব্যাবহার নেই বললেই চলে।

নামজারি কি ও কেন?,,,,,,,

 

নামজারি কি ও কেন?

এক কথায় ‘নামজারি’ বলতে-কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কোন বৈধ পন্থায় ভূমি/জমির মালিকানা অর্জন করলে সরকারি রেকর্ড সংশোধন করে তার নামে রেকর্ড আপটুডেট (হালনাগাদ) করাকেই নামজারি বলা হয়। কোন ব্যক্তির নামজারি সম্পন্ন হলে তাকে একটি খতিয়ান দেয়া হয় যেখানে তার অর্জিত জমির একখানি সংক্ষিপ্ত হিসাব বিবরণী উল্লেখ থাকে। উক্ত হিসাব বিবরণী অর্থাৎ খতিয়ানে মালিকের নাম, কোন্ মৌজা, মৌজার নম্বর (জে এল নম্বর), জরিপের দাগ নম্বর, দাগে জমির পরিমান, একাধিক মালিক হলে তাদের নির্ধারিত হিস্যা ও প্রতি বছরের ধার্যকৃত খাজনা (ভূমি উন্নয়ন কর) ইত্যাদি লিপিবদ্ধ থাকে। কিন্তু কেন নামজারি এত জরুরি। কারণ তার মধ্যে নিম্নলিখিতগুলি গুরুত্বপূর্ণঃ

১। শুধুমাত্র কোন দলিলের মাধ্যমে অর্জিত মালিকানার ভিত্তিতে অথবা ওয়ারিশ হিসেবে পিতা-মাতার জমিতে দখলসূত্রে থাকলেই সরকারি রেকর্ডে উক্ত ভূমিতে তাঁর মালিকানা নিশ্চিত হয় না। কোন ভূমিতে বৈধ ওয়ারিশ বা ক্রয়সূত্রে মালিক হবার পর পূর্বের মালিকের নাম হতে নাম কেটে বর্তমান মালিকের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে হয়, তাহলেই তার মালিকানা সরকার কর্তৃক নিশ্চিত হয়। আর এটিই হল নামজারি পদ্ধতি।

২। আপনি যদি ওয়ারিশ হিসাবে বা ক্রয়সূত্রে কোন জমির মালিক হন কিন্তু নামজারি না করান, তবে আপনার অজান্তে কোনভাবে এক/একাধিক দলিল সম্পাদন করে কোন স্বার্থান্বেষী ব্যক্তি আপনার আগে নামজারি করে ফেলতে পারে। তাতে আপনি পরবর্তীতে নামজারি করতে গেলে স্বাভাবিকভাবেই সমস্যায় পড়বেন। বাস্তবক্ষেত্রে জটিলতা আরো বাড়তে দেখা গেছে যখন উক্ত স্বার্থানেষী ব্যক্তি অপর এক বা একাধিক ব্যক্তির নিকট ঐ জমি ইতোমধ্যে বিক্রয় করে ফেলেছে। বর্তমানে এরকম ঘটনা অহরহ ঘটছে। এসব ক্ষেত্রে নানারকম মামলা মোকদ্দমার সৃষ্টি হয়ে থাকে যা দীর্ঘদিন যাবৎ অর্থ, সময় ও মানুষে-মানুষে সম্পর্কের অবনতি ঘটায়।

৩। সাধারণভাবে আমাদের ধারণা, দলিল সম্পাদন হলেই কাজ শেষ। নামজারির দরকার কী? এটি অত্যন্ত ভুল ধারণা। দলিল সম্পাদনের মাধ্যমে শুধুমাত্র মালিকানা হস্তান্তর হয়, সরকারের খাতায় মালিক হিসাবে স্বীকৃতি পাওয়া যায় না।

৪। রেজিস্ট্রেশন দপ্তরটি আইন মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি অফিস। সকল প্রকার দলিল সম্পাদন, রেজিস্ট্রিকরণ উক্ত দপ্তরের কাজ। দলিল রেজিস্ট্রিকরণের ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত যিনি বিক্রেতা তিনি আদৌ উক্ত জমির মালিক হিসাবে সরকারের রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত আছেন কী না তার কোন রেকর্ড জেলা রেজিস্টার বা সাব-রেজিস্টারের দপ্তরে নেই। ফলে ভুলবশত: একই জমির এক বা একাধিক দলিলের মাধ্যমে বিক্রয়ের ঘটনা ঘটে। অপরদিকে ভূমি অফিসগুলি ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীন যার কাছে সরকারের কাছে রেকর্ডভুক্ত মালিকদের নাম, পূর্ববর্তী নামজারিকৃত মালিকদের নাম, নথিসহ বিস্তর তথ্য থাকে। ফলে একবার নামজারি করাতে সক্ষম হলে একই জমির একাধিকবার বিক্রয় হলেও মূল মালিকের আর ক্ষতিগ্রস্ত বা হয়রানী হবার সম্ভাবনা কম থাকে।

৫। নামজারি আবেদনের মাধ্যমে আবেদনকারি যে স্বত্বলিপি অর্জন করেন, যাকে প্রচলিত ভাষায় আমরা ‘খতিয়ান’ বলে থাকি, এর মাধ্যমে তার উক্ত জমিতে মালিকানা স্বত্ব প্রমাণে নিশ্চয়তা লাভ করেন যা অন্য কোন দালিলিক মাধ্যমে লাভ করেন না।

৬। নামজারি করা না থাকলে শুধু একাধিক বিক্রয়ের আশঙ্কাই বিদ্যামান থাকেনা, পরবর্তীতে আপনার অর্জিত সম্পত্তিতে দখলে থাকলেও পরবর্তীতে আপনার অবর্তমানে আপনার উত্তরাধিকারগণ উক্ত সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হবার আশঙ্কা থাকে।

৭। যে কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে ঋণ নিতে গেলে জমি বন্ধকের ক্ষেত্রে খতিয়ান ছাড়া আবেদন গ্রহণ করা হয় না।

৮। ওয়ারিশনমূলে প্রাপ্ত জমির মালিকরা যদি নামজারি না করান তাহলে তাদের মধ্যে বিশেষত: নারী অংশীদারগণ এবং ভবিষ্যতে তাদের ওয়ারিশগণদের মধ্যে মারাত্নক জটিলতা সৃষ্টি হয়। এ জন্য ওয়ারিশগণ সমঝোতার মাধ্যমে প্রথমেই নামজারি সম্পন্ন করে রাখলে পরবর্তীতে অনেক জটিলতা পরিহার করা সম্ভব হয়।

ইসলামে জ্বিনের উপদ্রব বা ক্ষতি থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য কুরআনের কিছু নির্দিষ্ট আয়াত এবং দোয়া পড়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে "জ্বিন পুড়িয়ে মারা"র মতো কোনো বিশেষ আয়াত কুরআনে নেই।

 ইসলামে জ্বিনের উপদ্রব বা ক্ষতি থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য কুরআনের কিছু নির্দিষ্ট আয়াত এবং দোয়া পড়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তবে "জ্বিন পুড়িয়ে মারা"র মতো কোনো বিশেষ আয়াত কুরআনে নেই। কুরআনের আয়াতগুলো মূলত মানুষের সুরক্ষা, শিফা (আরোগ্য), এবং আল্লাহর সাহায্য চাওয়ার জন্য।


জ্বিন বা শয়তানের প্রভাব থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য নিচের আয়াত ও দোয়াগুলো কার্যকর হতে পারে:


১. সূরা আল ফাতিহা


সূরা ফাতিহা পুরোটা পড়া।


২. আয়াতুল কুরসি (সূরা আল-বাকারা: ২৫৫)


> "আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হুয়াল হাইয়ুল কাইয়্যুম..."


৩. সূরা আল-বাকারা (২:২৮৫-২৮৬)


> "আমানার রাসূলু..." থেকে সূরার শেষ পর্যন্ত।


৪. সূরা আল-ইখলাস, সূরা আল-ফালাক ও সূরা আন-নাস


এগুলোকে একত্রে তিনবার করে পড়া।


৫. ইস্তিগফার এবং আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া


> "আউযু বিল্লাহি মিনাশ শাইতানির রাজীম" "হাসবুনাল্লাহু ওয়া নিয়ামাল ওয়াকিল"


করণীয়:


১. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকা। ২. নিয়মিত নামাজ পড়া। ৩. আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল রাখা এবং তাঁকে বেশি বেশি স্মরণ করা।


যদি কারও উপর জ্বিনের উপদ্রব হয়, তবে অভিজ্ঞ আলেম বা রুকইয়াহ বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়া ভালো।


টাকা নিয়ে উক্তি,,,,,,,

 টাকা নিয়ে উক্তি 

1. যখন টাকা থাকে তখন সবাই পাশে থাকে!!! আর টাকা না থাকলে, নিজের পরিচিত মানুষ গুলোও অপরিচিত হয়ে যায়।

2. প্রতিটি সুখ টাকা দিয়ে অর্জন করা যায় না!!!!! এর জন্য প্রিয়জনের সঙ্গ থাকাও প্রয়োজন।

3. টাকা থাকলে পৃথিবী কেনা যায়,,, আর টাকা না থাকলে পৃথিবী চেনা যায়।

4. সুখী হতে যদি টাকা লাগে….!!!!! তবে আপনার সুখের সন্ধান কখনই শেষ হবে না।

5. এটা স্বার্থপর দুনিয়া! এখানে বুকভর্তি ভালোবাসার থেকে পকেট ভর্তি টাকার মূল্য অনেক বেশি।

6. যখন কাছে টাকা থাকবে, তখন ভালোবাসার মানুষের অভাব হবে না।

7. অতিরিক্ত টাকা.. একজন ব্যক্তিকে স্বার্থপর এবং অহংকারী করে তোলে।

8. প্রয়োজনের অতিরিক্ত অর্থ, কোনো মানুষের মঙ্গল আনতে পারে না।

9. আপনার যদি টাকা না থাকে, সম্পদ না থাকে, এবং কোন আশা না থাকে! তাহলে বিশ্বাস করুন আপনি এই পৃথিবীতে সবচেয়ে সুখী মানুষ।

10. বেকার ছেলেটাও বোঝে, টাকা ছাড়া ভালোবাসার কোন মূল্য নেই এই সমাজে।

11. যখন আমাদের টাকা থাকে….! তখন আমরা ভুল করা শুরু করি।

12. মানুষ তখনই ভুলে যায় কে আপন কে পর! যখন সে টাকার ঘোরে থাকে।

13. লোকে বলে টাকা এলে কিছু করে দেখাবো! আর টাকা বলে কিছু করলে আমি আসবো।

14. যে পৃথিবীতে টাকার বিনিময়ে আপন মানুষ কেনা যায়, সেই পৃথিবীতে টাকার চেয়ে আপন আর কেউই হতে পারে না…!!

15. একটি বাস্তব সত্য হলো, অর্থ যেখানে নেই ভালোবাসা সেখানে দুর্লভ।

16. টাকায় টাকা আনতে পারে, কিন্তু সম্মান আনতে পারেনা…!!

17. যার টাকা আছে তার কাছে আইন খোলা আকাশের মতো! আর যার টাকা নেই, তার কাছে আইন মাকড়সার জালের মতো।

18. টাকা মানুষকে সুখী করে না!!! এটি কেবল তাকে ব্যস্ত করে তোলে।

19. নিজের উপার্জিত টাকা হয়তো তোমাকে ধনী বানাবে না…! কিন্তু তোমাকে স্বাধীন হয়ে উঠতে সাহায্য করবে নিশ্চই।

20. যারা খেটে খায় তারা টাকার মূল্য বোঝে!! আর যারা পরের টাকা মেরে খায়, তারা টাকার মূল্য বোঝে না, শুধু টাকার গরম দেখায়।

21. টাকা মানুষকে পরিবর্তন করে না!!!!! এটি শুধুমাত্র তাদের মুখোশ খুলে দেয়।

22. বাস্তব এটাই যে, নিজের পকেটের টাকা না থাকলে, পৃথিবীর কেউ কারো আপন হয় না।

23. টাকা ছাড়া জীবন জল ছাড়া মাছের মতো!

24. যখন একজন ব্যক্তির কাছে টাকা থাকে, তখন সে ভুলে যায় সে কে! কিন্তু যখন তার টাকা থাকে না, তখন পৃথিবী ভুলে যায় সে কে।

25. যে লোকের খুব কম আছে, সে কখনো গরীব নয়! যে লোক বেশি কামনা করে, সেই আসলে গরীব।

26. জীবনে অনেক টাকা থাকাটা খুব জরুরী নয়! কিন্তু জীবনে শান্তিতে থাকাটা অত্যন্ত জরুরী।

27. আগে টাকা কামাও, তারপর ভালোবাসো!! কারণ গরীবের ভালোবাসা নীলাম হয় চৌরাস্তার মোড়ে।

28. একজন ধনী ব্যক্তি…..! অর্থ-বিশিষ্ট গরীব ছাড়া আর কিছুই নয়!

29. আপনি যত বেশি অর্থ উপার্জন করবেন, তত বেশি সমস্যার সম্মুখীন হবেন।

30. অর্থ মানুষের অবস্থান পরিবর্তন করলেও,, স্বভাব বদলাতে পারে না।

31. টাকা যদি অন্যের উপকারে কাজে লাগে, তবে তার কিছু মূল্য আছে! অন্যথায় তা মন্দের স্তূপ।

32. সবসময় টাকা সবকিছু করতে পারেনা! মাঝে মাঝে মনুষ্যত্বের কাছে টাকাও পরাজিত হয়।

33. এই পৃথিবীতে আপনার আপন মানুষ, কাছের মানুষ, পাশের মানুষ, কোনো কিছুরই অভাব হবে না…!! যদি আপনার টাকা থাকে।

34. টাকা ধার দেওয়ার সময় নিজেকে মহান মনে হয়! তার পাওনা টাকা চাওয়ার সময় নিজেকে ভিক্ষুক মনে হয়।

35. এই পৃথিবীতে সবাই টাকা ও প্রশংসা নিতে চায়..! কিন্তু কেউ দিতে চায় না।

36. যে ব্যক্তি টাকার অহংকার করে…! তার সর্বনাশ হতে বেশি সময় লাগে না।

37. যদি একজন ব্যক্তির কাছে শুধুমাত্র টাকা থাকে,, তাহলে পৃথিবীতে সেই ব্যক্তির চেয়ে গরীব আর কেউ নেই।

38. টাকায় ভরা হাতটির চেয়ে….! বিশ্বাসে ভরা হাতটি অনেক বেশি দামী।

39. কিছু মানুষের অনেক টাকা থাকলেও, মানুষকে সাহায্য করার মন থাকে না…!! আর কিছু মানুষের টাকা কম থাকলেও নিজের সাধ্যমত চেষ্টা করে অন্যকে সাহায্য করার..!!

40. টাকাই সব কিছু নয়; কিন্তু সব কিছুর জন্যই টাকা দরকার।

41. টাকা লবণের মতো প্রয়োজনীয়! কিন্তু যদি এটি অতিরিক্ত হয়ে যায়, তবে তা জীবনের স্বাদ নষ্ট করে দেয়।

42. টাকা রোজগার করা বড় কথা! কিন্তু পরিবারের সাথে বসে একসঙ্গে খাওয়া, তার থেকেও বড় কথা।

43. আজকের যুগে যার টাকা আছে, সবাই তার বন্ধু!

44. টাকার প্রশ্ন হলে, সবাই একই ধর্মের!

45. অনেকে বলে আমি নাকি টাকা কে ভালোবাসি? কিন্ত আমি টাকা কে ভালোবাসি না,, আমি অভাব কে ভয় পাই।

46. টাকা দিয়ে খুশি কেনা যায়!! কিন্তু শান্তি কেনা যায় না।

47. পার্থিব জীবনে টাকা ছাড়া সুখী হওয়া যায়না।

48. টাকা ছাড়া প্রত্যেকটা পুরুষ অসহায়!

49. জীবনে টাকা ইনকাম করতে না পারলে, কাউকে পাশে পাবে না।

50. স্বার্থ আর অর্থ…!! ভালো মানুষকেও অমানুষ করে তোলে।

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ০৪-০১-২০২৫ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ০৪-০১-২০২৫ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


হাইকোর্টে নতুন অধ্যায়ের সূচনা - শুরু হচ্ছে কাগজমুক্ত বিচার কার্যক্রম।


বাড়ানো হলো সংস্কার কমিশনগুলোর মেয়াদ।


শুরু হলো চট্টগ্রামে শহীদ ওয়াসিম আকরাম উড়াল সড়কে টোল আদায় - উদ্বোধন করলেন শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান ।


সংকীর্ণতার উর্ধ্বে উঠে সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার আহ্বান জানালেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।


ইনসাফের বাংলাদেশ গড়তে ঐক্যের ডাক দিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামের আমির ডাক্তার শফিকুর রহমান।


শৈত্যপ্রবাহ এবং ঘন কুয়াশার কারণে যানবাহন চলাচলে সতর্কতার নির্দেশনা।


গাজায় ইসরাইলী হামলায় ৬১ জন ফিলিস্তিনি নিহত।


মিরপুরে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে গতকাল চট্টগ্রাম কিংস ও খুলনা টাইগার্সের নিজ নিজ ম্যাচে জয়লাভ।

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:১২-০৫-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:১২-০৫-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: রাজনৈতিক পরিচয় নয় অপরাধীদের অপরাধী হিসেবেই বিবেচনা করতে পুলিশ বাহিনীকে নির্দে...