এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৫

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ১১-০১-২০২৫ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ১১-০১-২০২৫ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত অজ্ঞাত ৬ মরদেহের সন্ধান ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।


পরিবেশ সংরক্ষণ ও সমাজ উন্নয়নে নারী-পুরুষের সমান ভূমিকার ওপর জোর দিলেন পরিবেশ উপদেষ্টা।


লন্ডনে চিকিৎসাধীন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল - বিএনপি নেতাদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা বাসস।


দেশে প্রথমবারের মতো ৫ জনের শরীরে রিওভাইরাস সনাক্ত - এ ভাইরাস নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।


ঘুষ দেওয়ার তথ্য গোপন মামলায় মার্কিন নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিঃশর্ত অব্যাহতি দেশটির সুপ্রিম কোর্টের।


পরিস্থিতি সামাল দিতে লস অ্যাঞ্জেলসের দাবানল উপদ্রুত এলাকায় রাত্রিকালিন কারফিউ জারি - মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১


সিলেটে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দুর্বার রাজশাহী এবং সিলেট স্ট্রাইকার্স নিজ নিজ খেলায় জয়ী।

মৌমাছির প্রকার ------------------

 মৌমাছির প্রকার

----------------------

সামাজিক মৌমাছি :


আমেরিকান বাম্বল বি

ওয়েস্টার্ন হানি বি

কমন ইস্টার্ন বাম্বল বি

হত্যাকারী মৌমাছি

ইউরোপীয় অন্ধকার মৌমাছি

ইতালীয় মৌমাছি

কেপ হানি বি

গোল্ডেন নর্দার্ন বাম্বল বি

ওয়েস্টার্ন বাম্বল বি

ব্রাউন-বেল্টেড বাম্বল বি

রাশিয়ান মৌমাছি

বকফাস্ট বি


নির্জন মৌমাছি:


ভায়োলেট কার্পেন্টার মৌমাছি

ইস্টার্ন কর্পেন্টার বি

টাউনি মাইনিং বি

মেসন বি

Mignonette হলুদ-মুখ মৌমাছি

ব্যাঙ্কসিয়া বি

ভ্যালি কার্পেন্টার বি

গোল্ডেন-গ্রিন কার্পেন্টার বি

ছোট স্ক্যাবিস মাইনিং 

বাগান মেসন মৌমাছি

ইউরোপীয় পাই উল কার্ডার মৌমাছি




যশোরের ঝিকরগাছা গদখালী: বাংলাদেশের ফুলের রাজ্য

 🌸 যশোরের ঝিকরগাছা গদখালী: বাংলাদেশের ফুলের রাজ্য 🌼

যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালী অঞ্চলটি বাংলাদেশের 🌺 ফুলের রাজ্য 🌺 নামে পরিচিত। এ স্থানটি দেশের অন্যতম বৃহৎ ফুল উৎপাদন কেন্দ্র। গদখালীতে 💐 রজনীগন্ধা, গাঁদা, গোলাপ, জারবেরা, গ্লাডিওলাসসহ বিভিন্ন ধরনের ফুলের চাষ হয়। এই ফুলগুলো দেশের বিভিন্ন স্থানে 🌏 সরবরাহ করা হয় এবং এমনকি বিদেশেও ✈️ রপ্তানি করা হয়।


গদখালীর বিশেষত্ব 💖:

✔️ বাংলাদেশের ৭০% ফুলের চাহিদা গদখালী থেকেই পূরণ হয়।

✔️ এখানে প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে 🌼 ফুলের মেলা 🌼 অনুষ্ঠিত হয়, যা দেশ-বিদেশের দর্শনার্থীদের মন আকর্ষণ করে।

✔️ গদখালীর কৃষকরা সারা বছর 🌾 ফুলের চাষে ব্যস্ত থাকেন এবং এর মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন।


🌷 কেন গদখালীকে ঘুরে আসবেন? 🌷


প্রকৃতির নৈসর্গিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে।


তাজা ও মনোরম ফুলের বাগানে 📸 ছবি তোলার জন্য।


স্থানীয় ফুলচাষীদের জীবনধারা সম্পর্কে জানার জন্য।


ফুলের সৌরভে মোড়ানো এই অঞ্চলটি একবার ঘুরে এলে 💕 আপনার মনও সতেজ হয়ে উঠবে। যশোরের গদখালী যেন বাংলাদেশের 🌟 গর্ব!


আসুন, আমরা আমাদের ফুলচাষী ভাই-বোনদের সমর্থন করি এবং দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করি। 🌺

শুক্রবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৫

চিটাগাং গিয়েছি ... শুটকি কিনব বলে একটা দোকানে যেয়ে জিজ্ঞেস করলাম;

 চিটাগাং গিয়েছি ... শুটকি কিনব বলে একটা দোকানে যেয়ে জিজ্ঞেস করলাম;


“এটার দাম কতো?’


‘সাসশো’


“কতো ... সাতশো ??” 


‘উহু ... একদাম সাসশো’


“কতো? চারশো??”


‘‘বাই সিম্পল খতা বুজেন না? খাগজ খলম এনে লিকে দিতে হবে নাকি যে?'


... ইচ্ছে হচ্ছিলো, শুটকি রেখে এই কিউট বান্দাটারে কোলে করে ঢাকা নিয়ে আসি


শুধু চিটাগাং না... বাংলাদেশের যে প্রান্তেই যান; একবার তো সিলেটে যেয়ে একজন আমাকে বলছে, "আফনারে আমি বালাফাই... অন্য কেউরর লগে মাততাম ফারিনা"


... বুঝলাম না, প্রথম পরিচয়েই মাতামাতির কি আছে 😑


দিনাজপুরের লোক, অপরিচিতদের তুই করে বলে... কিন্তু বাক্যের শেষে যেয়ে আপনিতে ফিরে আসে


“কিরে তুই হামার বাড়িত আইসলেন না”


ময়মনসিংহের মানুষ তো কথায় কথায় ইংলিশ বলে; “বাড়িত গেস লাইন??”


অন্য কেউ হয়ত হুট করে শুনলে ভাব্বে তার বাসার Gas line নিয়ে কোন প্রশ্ন করা হচ্ছে


কিন্তু আদতে জিজ্ঞেস করা হচ্ছে 'বাড়ি গিয়েছিলেন?' 


...একবার ‘ইঞ্জেকশান ভয় পায়’ এমন কিশোরগঞ্জের একজনকে জোরপূর্বক ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া হলো;


ডাক্তারঃ আপনার সমস্যা কি?


রোগীঃ মাতা বেদ্‌না। এইবাই বালা ঐয়া যায়াম, ইঞ্জিশন লাকতো না


ডাক্তারঃ আর কোন সমস্যা?


রোগীঃ শইল্ল জ্বর। বরি খাইলেই বালা অইয়া যায়াম, ইঞ্জিশন লাকতো না


ডাক্তারঃ বাথরুম ঠিকমত হয়? বেশী নরম না তো?


রোগীঃ অয় মানে, কি কইন ?!! মিল্লা মারলে আইন্নের কফাল ফাইট্টা যাইবো ... এরুম শক্ত ! ইঞ্জিশন লাকতো না।


...নোয়াখালীর মানুষ নিয়ে কথা বলা শুরু করলে লেখা শেষ করা যাবে না... সামান্য পানি, তাদের কাছে honey 😋


মনে আছে কয়েকদিন আগে বরিশালের লঞ্চের ডাইনিং রুমে এক ওয়েটারকে বললাম, “তরকারী এনে দেন তো এক বাটি”


সে উত্তর দিলো, ‘ট্যাংগা শালুনের হুররা চুক্কা’ 


আমি মুখ চোখা করে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলাম তার দিকে... মনে মনে ভাবছি এটা কি কোড ল্যাংগুয়েজ? আলফা রোমিও টেঙ্গ টাইপ?


পরে শুনলাম তারা তেতুলকে বলে ট্যাংগা, তরকারির ঝোলকে বলে শালুনের হুররা আর টককে বলে চুক্কা 


গতকাল হোম পেইজে দেখলাম UNESCO has declared the Bengali language to be the sweetest language of the world.


আসলেই ব্যাপারটা সঠিক নাকি জানি না... না সঠিক না হওয়ার কোনও কারণ অবশ্য নেই


শুধু দেশের মাটিতে না, বিদেশের মাটিতেও আমরা এটা ধরে রাখতে পেরেছি 


কয়েকদিন আগে ইংল্যান্ডে এক বাসায় দাওয়াত খেতে গেলাম... তারা সিলেটি


সেই বাসার পিচ্চি বাচ্চার জন্য আমি কিছু প্ল্যাস্টিকের তেলাপোকা নিয়ে গেলাম


সে সেটা দেখেই বলে উঠলো, “আই এম স্কেএএআর্ড” 


আমি তার প্রনাউন্সিয়েশান শুনে মুগ্ধ... একদম ব্রিটিশ টান


আমি আবার তার প্রনাউন্সিয়েশান শুনার জন্য ওকে তেলাপোকা গুলো দেখালাম


সে আবার বলে উঠলো, “আই এম স্কেএএআর্ড... আমি বুইফাই”  ❤️Copied❤️.


♦️ফটো: সিলেটের ভাষায় লেখা একটি বিয়ের কার্ড!



বীমঃ * বীম কাকে বলে? কত প্রকার ও কী কী?

 বীমঃ

* বীম কাকে বলে? কত প্রকার ও কী কী?

উ: বীম এক প্রকার আনুভূমিক কাঠামো, যা এক বা একাধিক খুটি,কলাম,পিলার,দেওয়াল ইত্যাদি উপর অবস্থান করে এবং এর আরোপিত লোডকে সাপোর্ট এ স্থানান্তরিত করে।


বীম ৫ প্রকার।যথা-

i)সাধারণভাবে স্থাপিত বীম

ii)ক্যান্টিলিভার বীম

iii)ঝুলন্ত বীম

iv)আবদ্ধ বীম

v)ধারাবাহিক বীম


#সাধারণভাবে_স্থাপিত_বীম(Simply Supported beam):যে সকল বীমের উভয় প্রান্ত মুক্ত অবস্থায় সাপোর্টের উপর অবস্থান করে লোড বহন করে তাকে সাধারণভাবে স্থাপিত বীম(Simply Supported beam)বলে।


#ক্যান্টিলিভার_বীম(Cantilever beam):যে সকল বীমের একপ্রান্ত দৃঢ় ভাবে আবদ্ধ এবং অন্য প্রান্ত মুক্ত অবস্থায় থেকে লোড বহন করে তাকে ক্যান্টিলিভার বীম(Cantilever beam)বলে।


#ঝুলন্ত_বীম(Over hanging beam):যে সকল বীমের এক প্রান্ত বা উভয় প্রান্তই সাপোর্টের বাহিরে বাড়ানো অবস্থায় লোড বহন করে।তাকে ঝুলন্ত বীম(Over hanging beam)বলে।


#আবদ্ধ_বীম(Fixed beam):যে সকল বীমের উভয় প্রান্তই সাপোর্টের সাথে দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ থাকা অবস্থায় লোড বহন করে তাকে আবদ্ধ বীম(Fixed beam)বলে।


#ধারাবাহিক_বীম(Continuous beam):যেসকল বীম একাধিক সাপোর্টের উপর অবস্থান করে এর উপর আরোপিত লোড বহন করে থাকে ধারাবাহিক বীম(Continuous beam)বলে।


২.বীমে কী কী ধরননের লোড কাজ করে?

উ: ৩ ধরনের লোড কাজ করে।যথা-

i)কেন্দ্রিভূত লোড

ii)সমভাবে বিস্তৃত লোড

iii)অসমভাবে বিস্তৃত লোড


৩.বীমের উপর কী কী লোড ক্রিয়া করে?

উ: বীমের উপর ৩ ধরনের লোড ক্রিয়া করে।যথা-

i)নিশ্চল ভর

ii)সচল ভর

iii)পারিপার্শ্বিক ভর


৪.বীম কি ধরনের ফোর্স ফেল করে?

উ: টেনশন ফোর্স।


৫. বীমে স্টিরাপ কেন ব্যবহার করা হয়?

উত্তর: শিয়ার ফোর্স প্রতিরোধে এবং ডায়াগোনাল টেনশনকে চেক দেওয়ার জন্য ।


৬.বীমের চাপ এলাকা (Compression zone) ও টান এলাকা (Tension zone)কাকে বলে?

উ: বীমের নিরপেক্ষ অক্ষ থেকে সর্ব উপরি তল পর্যন্ত এলাকা কে চাপ এলাকা বা Compression zone বলে।


নিরপেক্ষ অক্ষ থেকে সর্বনিম্ন তল পর্যন্ত এলাকাকে টান এলাকা বা Tension zone বলে।


৭.স্টিরাপ প্রয়োগ করেও কখন বীমে ব্যর্থ রোধ করা যায় না?

উ:কোন R.C.C বীমে সৃষ্ট শিয়ার পীড়নের মান কংক্রিট ও স্টীলের অনুমোদনযোগ্য শিয়ার পীড়নের মানের চেয়ে বেশি হলে।


৮.লোডের কারনে R.C.C বীম কিভাবে ব্যর্থ হতে পারে?

উ:৩ ভাবে ব্যর্থ হতে পারে।যথা-

i)প্রসারণ স্টীলে ব্যর্থ

ii)সংকোচন কংক্রিটে ব্যর্থ

iii)প্রসারন স্টিল ও সংকোচন কংক্রিট একই সাথে ব্যর্থ


৯.ক্যান্টিলিভার বীমের প্রধান রড কোথায় ব্যবহার করা হয়?

উ: মোমেন্টের মান সবসময় ঋণাত্মক হয় বলে প্রধান রড বিমের উপরিভাগে দেয়া হয়।


১০.টি-বীম কাকে বলে?

উ: বীম এবং স্ল্যাব একত্রে ঢালাই করলে এবং বীম ও স্ল্যাব সম্মিলিত অংশ দেখতে T এর মত হয়,একে টি-বীম বলে।


১১.বীমে সর্বনিম্ন কভারিং কত ধরা হয়?

উ: ১.৫"।


১২. বীম তদন্ত কেন করা হয়?

উ: বীমের প্রকৃত পীড়নদ্বয় অর্থাৎ fc ও fs এর মান নির্নয় করে বীম আরোপিত লোডে নিরাপদ কিনা যাচাই করার জন্য বীম তদন্ত করা হয়।


১৩. বীমে ব্যবহৃত রডের ক্র‍্যাংক করার পদ্ধতিটা কি?

উ: সাধারণভাবে স্থাপিত উভয় প্রান্তে সাপোর্ট থেকে L/7 দুরত্বে এবং আংশিক অবিচ্ছিন্ন বীমের অবিচ্ছিন্ন প্রান্তে এবং ধারাবাহিক বীমের উভয় প্রান্তে সাপোর্ট থেকে L/5 দুরত্বে ক্র‍্যাংক করা হয়।


১৪.বীমের শাটারিং এ খাড়া দিক ও তলার ঠেকনা কতদিন পর খোলা হয়?

উ: খাড়া দিক ১-২ দিন পর এবং ঠেকনা ৭ দিন পর।


১৫.বীমের আর সি সি কাজে কী হারে রড ব্যবহার করা হয়?

উ: ১%-২% হারে।


১৬.বীমে বা স্ল্যাবে ক্র‍্যাংক বার কেন ব্যবহার করা হয়?

উ : ঋণাত্মক বেন্ডিং মোমেন্ট ও সাপোর্টের কাছাকাছি সর্বাধিক শিয়ার ফোর্সকে প্রতিরোধের জন্য ।


১৭.ঢালাই এর আগে কি কি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে?

উ: ঢালাইয়ের আগে ফর্মওয়ার্ক, রডের সঠিক অবস্থান,স্পেসিংঅর্থাৎ ড্রইং মোতাবেক হয়েছে কিনা,ক্লিয়ার কভার চেক, বেশি উচু থেকে কংক্রিট না ঢালা,বৃষ্টির দিন হলে পলিথিনের ব্যবস্থা রাখা,ভালোভাবে ভাইব্রেটর করা,সর্বোপরি ঢালাই পর্যন্ত সাথে থাকা।


১৮.বীমে বা স্ল্যাবের এক্সটা টপ কেন ব্যবহার করা হয়?

উত্তর :লোডের তীব্রতা হ্রাস করার জন্য ।


১৯.কনসিল বীম কি ?


উত্তর : কনসীল বীম এর অন্য একটি নাম হলো হিডেন বীম। স্ল্যাবের সমান পুরুত্বের বীমকে কনসীল বীম বলা হয়ে থাকে।


#বিস্তারিত :

মুলত ফ্লাট স্ল্যাবে কলাম বরাবর যেভাবে স্ট্রীপ চিন্তা করে অতিরিক্ত রিইনফোর্সমেন্ট দেয়া হয়, এমন চিন্তা থেকেই এই কনসীল বীমের ধারণা এসেছে। তবে ইঞ্জিনিয়ারিং এ এই কনসীল বীম হিসাবে আসলে তেমন কিছু নেই।


200 মিমি এর নিচের পুরত্বের কোন ছাদে এই জাতীয় বীম ব্যবহার করা উচিত না। তবে সবসময়ই এই কনসীল বীম পরিহার করে চলা উচিত।


যদি করতেও হয় তাহলে শুধু বীম নয়, পুরো স্ল্যাব সহ মডেলটি এনালাইসিস করতে হবে।


কনসীল বীমের জন্য কলামের পাঞ্চিং শেয়ার অবশ্যই চেক করে নিতে হবে।

(Collected)

কেন বলে গেল সেই কথাটি বলে গেল না - অভিনন্দন -                  শুভ জন্মদিন 

 কেন বলে গেল সেই কথাটি বলে গেল না -


অভিনন্দন -


                 শুভ জন্মদিন 

          শামীমা ইয়াসমিন দীবা

---------------------------------------------------

‘বাবা বলে গেল আর কোনোদিন গান করো না, কেন বলে গেল সেই কথাটি বলে গেল না' গানটির কথা সবাই জানলেও শিল্পী শামীমা ইয়াসমিন দীবার কথা আমরা অনেকেই জানি না। 


প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক আমজাদ হোসেনের কথা ও আলাউদ্দিন আলীর সুরে ১৯৮১ সালে গানটির রেকর্ডিং হয়। আর সেটি ব্যবহৃত হয় তাঁরই পরিচালিত ‘জন্ম থেকে জ্বলছি’ চলচ্চিত্রে। 


দীবা বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে নেপথ্য কন্ঠদান করেছেন, এগুলো হলো রামের সুমতি, দুই জীবন, ভেজা চোখ, সখিনার যুদ্ধ, লালু মাস্তান প্রভৃতি। 


আজ ৯ জানুয়ারি সেই দীবার জন্মদিন। ১৯৬৭ সালের এই দিনে পৃথিবীতে আসেন তিনি। বর্তমানে কোথায় আছেন, কেমন আছেন তিনি? জানা যায় বিয়ের পর তিনি আজমীরে থাকতেন। তবে বিশ্বস্ত সূত্রের তথ্য মতে অনুমান করা হয় যে, পরবর্তীতে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় সপরিবারে বসবাস করছেন। 


যেখানেই থাকুন ভালো থাকুন তিনি। ফেসবুক পরিবারের পক্ষে তাঁর জন্য রইল শুভ কামনা আজকের এই বিশেষ দিনটিতে।


-- মেসবা খান

কাজলা  দিদি ___যতীন্দ্রমোহন বাগচী

 কাজলা  দিদি

___যতীন্দ্রমোহন বাগচী


ফেইসবুক থেকে নেওয়া 


বাঁশবাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই

মাগো, আমার শোলক-বলা কাজলা দিদি কই?

পুকুর ধারে, লেবুর তলে  থোকায় থোকায় জোনাক জ্বলে,

ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না, একলা জেগে রই;

মাগো, আমার কোলের কাছে কাজলা দিদি কই?

সেদিন হতে দিদিকে আর কেনই-বা না ডাকো,

দিদির কথায় আঁচল দিয়ে মুখটি কেন ঢাকো?


খাবার খেতে আসি যখন দিদি বলে ডাকি, তখন

ও-ঘর থেকে কেন মা আর দিদি আসে নাকো,

আমি ডাকি, - তুমি কেন চুপটি করে থাকো?

বল মা, দিদি কোথায় গেছে, আসবে আবার কবে?

কাল যে আমার নতুন ঘরে পুতুল-বিয়ে হবে!

দিদির মতন ফাঁকি দিয়ে আমিও যদি লুকোই গিয়ে-

তুমি তখন একলা ঘরে কেমন করে রবে?

আমিও নাই দিদিও নাই কেমন মজা হবে!


ভুঁইচাঁপাতে ভরে গেছে শিউলি গাছের তল,

মাড়াস নে মা পুকুর থেকে আনবি যখন জল;

ডালিম গাছের ডালের ফাঁকে বুলবুলিটি লুকিয়ে থাকে,

দিস না তারে উড়িয়ে মা গো, ছিঁড়তে গিয়ে ফল;

দিদি এসে শুনবে যখন, বলবে কী মা বল!


বাঁশবাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই

এমন সময়, মাগো, আমার কাজলা দিদি কই?

বেড়ার ধারে, পুকুর পাড়ে ঝিঁঝিঁ ডাকে ঝোঁপে-ঝাড়ে;

নেবুর গন্ধে ঘুম আসে না- তাইতো জেগে রই;

রাত হলো যে, মাগো, আমার কাজলা দিদি কই?

ব্যর্থ সমাজের প্রকৃতি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে - রাশিয়ান লেখক আন্তন চেখভ বলেন!

 ব্যর্থ সমাজের প্রকৃতি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে - রাশিয়ান লেখক আন্তন চেখভ বলেন!


ব্যর্থ সমাজে মানুষ জ্ঞান বিজ্ঞানে জেগে ওঠে না। সে জেগে ওঠে শ্লোগানে। এখানে পাঠাগার কম থাকে। চায়ের আড্ডা বেশি থাকে। 


ব্যর্থ সমাজে প্রতিটি চিন্তাশীল মানুষের বিপরীতে  হাজার হাজার বোকা থাকে এবং প্রতিটি সচেতন শব্দের বিপরীতে থাকে হাজার হাজার পচনশীল শব্দ। তারা সমস্যার উপরে ভেসে বেড়ায়,গভীরে প্রবেশ করতে পারে না।


সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ হয় সর্বদা নির্বোধ,সমাজের অতি  তুচ্ছ বিষয়গুলি নিয়ে মানুষ আলোচনায় মেতে থাকে। মূল বিষয়গুলো হারিয়ে যায়। সমস্যা সমাধানের চেয়ে একে অন্যের উপর প্রতিনিয়ত দোষ চাপাতে থাকে।  


অর্থহীন গান ও সস্তা বিনোদনের পিছনে লক্ষ লক্ষ মানুষ ছুটে,ফলে,সস্তা বিনোদন করেও মানুষ প্রচুর জনপ্রিয়তা অর্জন করে এবং এইসব গান,বাদ্য বাজনার মানুষগুলো জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।


রাজনৈতিক নেতাদের দেবতার মতো করে পূজা-অর্চনা করা হয়। আর এক দলের দেবতাকে অন্য দল সহ্য করতে পারে না। যে কোনো একটা খেলা দিয়ে মানুষকে দিনের পর দিন নেশাগ্রস্থ করে রাখা হয়। 


চিন্তাশীল মানুষের মূল্য বা ওজন কেউ বুঝেনা। অধিকাংশ মানুষ আজেবাজে কথায় সময় পার করে দেয়। আজে বাজে কথা বলে যে মানুষকে হাসায়,তার চেয়ে কঠিন সত্য বলে যে বাস্তবতাকে জাগিয়ে তোলে তাকে কেউ গ্রহণ করেনা। অজ্ঞ সংখ্যাগরিষ্ঠরা এখানে আপনার ভাগ্য নির্ধারণ করে। সবার যেমন একটি করে পশ্চাতদেশ থাকে। ঠিক তেমনি ব্যর্থ সমাজে যে কোনো বিষয়ের উপর সবার একটি করে মতামতও থাকে।


ব্যর্থ সমাজে মানুষ ব্যর্থ হয়না,এখানে সচতুরভাবে তাকে ব্যর্থ বানানো হয়।।


🔹🔸 সংগৃহীত

প্রতিনিয়ত এই পৃথিবী আমাকে মনে করিয়ে দেয়  আমাকে কঠিন হতে হবে। 

 প্রতিনিয়ত এই পৃথিবী আমাকে মনে করিয়ে দেয় 

আমাকে কঠিন হতে হবে। 

আমি কঠিন হয়ে গেছি প্রচন্ড,

প্রকৃতি আমাকে তা বুঝিয়েও দেয়। 


আমি বুঝতে শিখেছি মানুষ মূলত এক। 

জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত,জীবনের পথ এ পথে 

চলতে চলতে অনেকেই সঙ্গী হবে, 

যার সঙ্গ দেবার সময় শেষ,তিনি চলে যাবে। 

চলে যেতে হয়, চলে যেতে দিতে হয়! তবেই তো মুক্তি!

 আমি জেনে গেছি মানুষ মূলত একা।


শিমুল তুলোর মতো নরম এক মনকে আমি ভেঙেচুড়ে কংক্রিট করে ফেলেছি। 

আমি সবাইকে বুঝিয়ে গেছি,মানুষ মূলত একা। 

মনে হয়েছে,এ আমার দায়িত্ব। 

ভালোবাসি বলেই সেই দায়িত্ব মাথা পেতে নিয়েছি।

 আসির আরমানের বলা সে কথাটা আমার কানে বাজে, 

"একা বেঁচে থাকতে শেখো প্রিয়।"


আমি জেনে গেছি, দিনশেষে মানুষ মূলত একা। 

আগে, পিছে কিংবা সাথে কেউ নেই। কেউ থাকে না।


 আমি জন্মেছিলাম আমার মায়ের কোলে, 

শিমুল তুলোর মতো নরম মনে। 

এই পৃথিবী আমাকে প্রতিবার বুঝিয়ে দিয়েছে কঠিন হতে হবে। কঠিন হতে হয়। 

অস্তিত্বের লড়াইয়ে টিকে থাকতে হলে কঠিন তোমাকে হতেই হবে।


এই পৃথিবীর সবাই আগলে রাখবার জন্যে জন্মায় না।

 কেউ কেউ কঠিন বাস্তবকে বুঝিয়ে যাবার জন্যেও জন্মায়। আমার কোমল কবিতারা হারিয়ে গেছে।

 সেখানে আজ কেবল বিধ্বংসী,ক্ষতবিক্ষত লাশের ছড়াছড়ি। 

এই পৃথিবীতে কত কোমল কবিতা চাপা পড়ে মরে গেছে কংক্রিটের আড়ালে,তার হিসেব আমার সৃষ্টিকর্তাই রাখুক। ভালোবাসুক।

সঙ্গীতের জগতে কতকগুলি বাদ্যযন্ত্র রয়েছে, যা শুধু শৈল্পিক পরিবেশ তৈরি করে না, বরং তার মাধুর্য ও বৈচিত্র্যে মনকে ভরিয়ে তোলে,,,,,,,,,,,, তথ্যসূত্র : উইকিপিডিয়া।

 সঙ্গীতের জগতে কতকগুলি বাদ্যযন্ত্র রয়েছে, যা শুধু শৈল্পিক পরিবেশ তৈরি করে না, বরং তার মাধুর্য ও বৈচিত্র্যে মনকে ভরিয়ে তোলে। হারমোনিয়াম, একটি অতি পরিচিত এবং জনপ্রিয় বাদ্যযন্ত্র, যার মৃদু শব্দের মধ্য দিয়ে সঙ্গীতের আঙ্গিকে এক নতুন রূপ আসে।হারমোনিয়াম সংগীতসাধক সবার কাছেই অত্যন্ত প্রিয় একটি বাদ্যযন্ত্র। মূলত সংগীত শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক তালিমের সময় এই যন্ত্র ব্যবহার করে থাকে। এ বাদ্যযন্ত্রটি "ক্যাবিনেট অর্গ্যান" নামেও পরিচিত। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সঙ্গীতশিল্পের এক বিস্ময়কর মিলনমেলা হিসেবে হারমোনিয়াম আজ সঙ্গীতপ্রেমীদের প্রিয় যন্ত্র। হারমোনিয়াম একটি বিদেশী বাদ্যযন্ত্র, যার উদ্ভব পাশ্চাত্যে হলেও এটি পরবর্তীতে প্রাচ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। 


হারমোনিয়ামের উৎপত্তি পাশ্চাত্যে হলেও, এটি ভারতের সঙ্গীত জগতে একটি বিশেষ স্থান দখল করেছে। ১৮৪২ সালে প্যারিসে 'আলেকজান্ডার ডেবিয়ান' নামক একজন ফরাসি উদ্ভাবক প্রথম হারমোনিয়াম আবিষ্কার করেন। মূলত এটি ছিল একটি কিবোর্ড চালিত যন্ত্র, যা রিড বা বাঁশির মাধ্যমে সুর সৃষ্টি করত। প্রথমে পাশ্চাত্যে ব্যাপক জনপ্রিয় হলেও, ভারতীয় উপমহাদেশে এই বাদ্যযন্ত্রটি প্রবর্তিত হয় খ্রিষ্টান মিশনারীদের মাধ্যমে। ১৮৬০ সালে 'দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর' কলকাতায় সখের থিয়েটারে এর ব্যবহার শুরু করেন, এবং সেখান থেকেই হারমোনিয়ামের জনপ্রিয়তা ধীরে ধীরে সারা ভারতবর্ষে ছড়িয়ে পড়ে।


হারমোনিয়াম একটি বিশেষ ধরনের যন্ত্র, যা দেখতে বাক্সের মতো এবং এর মধ্যে ধাতব রিডগুলি রিডবোর্ডে সাজানো থাকে। রিডগুলো সপ্তক অনুযায়ী অবস্থান করা থাকে, যেখানে সাদা পর্দা সাধারণত শুদ্ধ স্বর এবং কালো পর্দা কোমল স্বরের নির্দেশক। যন্ত্রটি বাজানোর জন্য হাতচালিত বা পাম্প চালিত বেলো ব্যবহার করা হয়, যা বাতাস রিডগুলির মধ্যে প্রবাহিত করে এবং সেগুলি কম্পিত হয়ে সঙ্গীতের শব্দ তৈরি করে। হারমোনিয়ামের দুটি প্রধান ধরন রয়েছে—টেবিল হারমোনিয়াম ও বক্স হারমোনিয়াম। টেবিল হারমোনিয়ামটি বড় আকারের, যার রিড সংখ্যা সাড়ে তিন থেকে পাঁচ অক্টেভ পর্যন্ত হতে পারে, এবং এটি সাধারণত কোরাস গানে বা নাট্যগীতির আবহ সঙ্গীতে ব্যবহৃত হয়। অপরদিকে, বক্স হারমোনিয়ামটি ছোট আকারের, যা কণ্ঠসঙ্গীত বা মাহফিলাদিতে ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত "সি থেকে সি" তিন অক্টেভ বিশিষ্ট হয় এবং দুটি উপধারায় বিভক্ত—সিঙ্গেল রীড হারমোনিয়াম, যা এক সারি রিড নিয়ে শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে ব্যবহৃত হয়, এবং ডাবল রীড হারমোনিয়াম, যা দুটি সারি রিড নিয়ে কণ্ঠ সঙ্গীতে ব্যবহৃত হয়।


প্রথম দিকে হারমোনিয়াম ছিল ডায়াটোনিক স্কেলে তৈরি, যার ফলে বিভিন্ন সুরে সঙ্গীত পরিবেশন করা ছিল কিছুটা কঠিন। তবে, পরবর্তীতে এটি 'ইকুয়ালিটি টেম্পারড স্কেল'-এ রূপান্তরিত হয়, যা সঙ্গীত পরিবেশনকে আরও সহজ এবং সুবিধাজনক করে তোলে। এই পরিবর্তনের ফলে হারমোনিয়াম ভারতের সঙ্গীত জগতে আরো জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। বিশেষত শাস্ত্রীয় সঙ্গীত, ভজন, কীর্তন এবং নানা ধরনের সঙ্গীত অনুষ্ঠানে এটি অপরিহার্য বাদ্যযন্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।


সঙ্গীতে হারমোনিয়ামের ভূমিকা অপরিসীম। এটি একদিকে যেমন কণ্ঠসঙ্গীতের সঙ্গী, তেমনি বিভিন্ন শাস্ত্রীয় সঙ্গীতেও একটি সহায়ক বাদ্যযন্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যদিও কিছু বিশিষ্ট সঙ্গীতজ্ঞ, যেমন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, হারমোনিয়ামের ব্যবহার সমর্থন করতেন না, তবুও এটি সঙ্গীতপ্রেমীদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ১৯৪০ সালে অল ইন্ডিয়া রেডিওতে হারমোনিয়াম ব্যবহারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি হলেও, এর জনপ্রিয়তা কমে যায়নি। বরং, নতুন নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে হারমোনিয়াম এর উন্নতি ঘটেছে এবং এটি ভারতীয় সঙ্গীতের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।


হারমোনিয়াম শুধুমাত্র একটি বাদ্যযন্ত্রই নয়, এটি  সঙ্গীত সংস্কৃতির এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। এটি প্রাথমিকভাবে ধর্মপ্রচারক এবং ব্যবসায়ীদের মাধ্যমে ভারতে আসলেও, শীঘ্রই এটি সাধারণ সঙ্গীত শিল্পীদের হাতেও চলে আসে। বর্তমানে, সঙ্গীত শিক্ষায় এটি একটি সহায়ক যন্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কারণ এটি সুর সৃষ্টি এবং সুরের অভ্যস্ততার জন্য খুবই সহায়ক। বিশেষ করে, শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য এটি একটি অপরিহার্য উপকরণ।


হারমোনিয়াম, একটি বিদেশী বাদ্যযন্ত্র হিসেবে পৃথিবীতে পা রাখলেও, আজ তা সঙ্গীত জগতে এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর সুরেলা ধ্বনি এবং সহজ ব্যবহার সঙ্গীত পরিবেশনকে সহজ ও সুন্দর করে তোলে। ভারতীয় সঙ্গীতের চিরায়ত সৌন্দর্য রক্ষা করতে হারমোনিয়াম একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে, যা শাস্ত্রীয় সঙ্গীত, ভজন, কীর্তন এবং অন্যান্য সঙ্গীত অনুষ্ঠানগুলির অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। তাতে কোনো সন্দেহ নেই যে, হারমোনিয়াম সঙ্গীত জগতের এক অমূল্য রত্ন, যা যুগে যুগে সঙ্গীতপ্রেমীদের হৃদয়ে বাস করতে থাকবে।


তথ্যসূত্র : উইকিপিডিয়া।।

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...