এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৫

জীবনানন্দ দাশের কাল্পনিক নাটোরের এই সেই বিখ্যাত  "বনলতা সেন" __জীবনানন্দ দাশ

 জীবনানন্দ দাশের কাল্পনিক নাটোরের এই সেই বিখ্যাত 

"বনলতা সেন"

__জীবনানন্দ দাশ


হাজার বছর ধ’রে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে,

সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীথের অন্ধকারে মালয় সাগরে

অনেক ঘুরেছি আমি; বিম্বিসার অশোকের ধূসর জগতে

সেখানে ছিলাম আমি; আরো দূর অন্ধকারে বিদর্ভ নগরে;

আমি ক্লান্ত প্রাণ এক, চারিদিকে জীবনের সমুদ্র সফেন,

আমারে দু-দণ্ড শান্তি দিয়েছিলো নাটোরের বনলতা সেন।


চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা,

মুখ তার শ্রাবস্তীর কারুকার্য; অতিদূর সমুদ্রের ’পর

হাল ভেঙে যে-নাবিক হারায়েছে দিশা

সবুজ ঘাসের দেশ যখন সে চোখে দেখে দারুচিনি-দ্বীপের ভিতর,

তেমনি দেখেছি তারে অন্ধকারে; বলেছে সে, ‘এতদিন কোথায় ছিলেন?’

পাখির নীড়ের মতো চোখ তুলে নাটোরের বনলতা সেন।


সমস্ত দিনের শেষে শিশিরের শব্দের মতন

সন্ধ্যা আসে; ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল;

পৃথিবীর সব রং নিভে গেলে পাণ্ডুলিপি করে আয়োজন

তখন গল্পের তরে জোনাকির রঙে ঝিলমিল;

সব পাখি ঘরে আসে— সব নদী— ফুরায় এ-জীবনের সব লেনদেন;

থাকে শুধু অন্ধকার, মুখোমুখি বসিবার বনলতা সেন।



শনিবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২৫

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কিছু গুরুত্বপূর্ণ উক্তি...

 রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কিছু গুরুত্বপূর্ণ উক্তি...


১)  "এ জগতে হায়, সেই বেশী চায় আছে যার ভুরি ভুরি / রাজার হস্ত করে সমস্ত কাঙালের ধন চুরি”-- দুই বিঘা জমি


২) "যে আমারে দেখিবারে পায় অসীম ক্ষমায় ভালো মন্দ মিলায়ে সকলি, / এবার পূজায় তারি আপনারে দিতে চাই বলি'। 


৩) "মানুষ যা চায় ভুল করে চায়, যা পায় তা চায় না' ।


৪) 'এনেছিলে সাথে করে মৃত্যুহীন প্রাণ, মরণে তাই তুমি করে গেলে দান" ।


৫)"আজ হতে শতবর্ষ পরে, কে তুমি পড়িছ বসি আমার কবিতাখানি কৌতূহলভরে"।


৬)“ছোট প্রাণ ছোট ব্যথা, ছোট ছোট দুঃখ কথা, নিতান্তই সহজ সরল"।


৭) "মা তোর বদন খানি মলিন হলে, আমি নয়ন জলে ভাসি"।


৮) "ধরাতলে দীনতম ঘরে যদি জন্মে প্রেয়সী।' 


৯)"বাদলা হাওয়ায় মনে পড়ে ছেলে বেলার গান- বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর, নদেয় এলো বান।


১০) "নীল নবঘনে আষাঢ় গগনে তিল ঠাঁই আর নাহিরে।"


১১) "গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা। কূলে একা বসে আছি, নাহি ভরসা"।


১২) "ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই, ছোটো সে তরী / আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি।"


১৩)"খাঁচার পাখি ছিল সোনার খাঁচাটিতে / বনের পাখি ছিল বনে। একদা কী করিয়া মিলন হল দোঁহে, কী ছিল বিধাতার নার মনে।" 


১৪) "কেরোসিন শিখা বলে মাটির প্রদীপে, ভাই বলে ডাক যদি দেব গলা টিপে। হেনকালে গগনেতে উঠিলেন চাঁদা, কেরোসিন বলি উঠে, এসো মোর দাদা।”


১৫). "আজি এ প্রভাতে রবির কর কেমনে পশিল প্রাণের পর, কেমনে পশিল গুহার আঁধারে প্রভাত পাখির গান। না জানি কেন রে এত দিন পরে জাগিয়া উঠিল প্রাণ।" 


১৬) "কাদম্বিনী মরিয়া প্রমাণ করিল সে মরে নাই।" 


১৭)"কিন্তু মঙ্গল আলোকে আমার শুভ উৎসব উজ্জ্বল হইয়া উঠিল।"


১৮) 'নমো নমঃ নমঃ সুন্দরী মম জননী বঙ্গভূমি।'


১৯) "আমি শুনে হাসি, আঁখিজলে ভাসি, এই ছিল মোর ঘটে তুমি মহারাজ সাধু হলে আজ, আমি আজ চোর বটে।"


২০). "মরিতে চাহিনা আমি সুন্দর ভুবনে, মানবের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই।" 


২১) "মানুষের প্রতি বিশ্বাস হারানো পাপ।" 


২২), "সমগ্র শরীরকে বঞ্চিত করে কেবল মুখে রক্ত জমলে তাকে স্বাস্থ্য বলা যায় না"। 


২৩) "আমরা সবাই রাজা আমাদের এই রাজার রাজত্বে"।


২৪ "আমরা আরম্ভ করি, শেষ করি না: আড়ম্বর করি, কাজ করি না; যাহা অনুষ্ঠান করি, তাহা বিশ্বাস করি না।" 


২৫)"হে মোর চিত্ত, পুণ্য তীর্থে জাগো রে ধীরে- এই ভারতের মহামানবের সাগরতীরে।" 


২৬),"ও আমার দেশের মাটি, তোমার পরে ঠেকাই মাথা"।


২৭) "আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে বিরাজ সত্য সুন্দর"।

১১৪ টি সুরার নাম ও বাংলা অর্থ

 ১১৪ টি সুরার নাম ও বাংলা অর্থ


১। সুরাঃ ফাতেহা অর্থ= সূচনা


২। সুরা বাক্বারাহ অর্থ= গাভী


৩। সুরা আলে-ইমরান অর্থ ইমরানের পরিবার


৪। সুরা নিসা অর্থ = নারী জাতি


৫। সুরা মায়িদা অর্থ খাদ্যপরিবেশিত টেবিল


৬। সুরা আন'আম অর্থ গৃহপালিত পশু


৭। সুরা আ'রাফ অর্থ = উচ্চস্থান সমূহ


৮। সুরা আনফাল অর্থ যুদ্ধলব্ধ ধনসম্পদ


৯। সুরা তাওবা অর্থ = অনুশোচনা


১০। সুরা ইউনুস অর্থ হযরত ইউনুস (আঃ)


১১। সুরা হুদ - অর্থ = হযরত হুদ (আঃ)


১২। সুরা ইউসুফ অর্থ হযরত ইউসুফ (আঃ)


১৩। সূরা রা'দ অর্থ= বজ্রপাত


১৪। সুরা ইব্রাহীম অর্থ হযরত ইবরাহীম (আঃ)


১৫। সুরা হিজর অর্থ = পাথরের পাহাড়


১৬। সুরা নাহল অর্থ= মৌমাছি


১৭। সূরা বানী ইসাঈল অর্থ ইসরাইলের বংশধর।


১৮। সূরা কাহাফ- অর্থ = গুহা


১৯। সূরা মারইয়াম অর্থ ঈসা (আঃ) এর মাতা


২০। সুরা ত্ব-হা- অর্থ = দুটি আরবি হরফ


২১। সুরা আম্বিয়া- অর্থ = নবীগণ


২২। সুরা হাজ্জ- অর্থ= মহাসম্মেলন


২৩। সুরা মু'মিনুন অর্থ বিশ্বাসীগণ


২৪। সুরা নূর অর্থ = জ্যোতি


২৫। সুরা ফুরকান অর্থ = পার্থক্যকারী


২৬। সুরা শু'আরা অর্থ= কবিগণ


২৭। সুরা নামল অর্থ = পিপীলিকা


২৮। সুরা কাসাস অর্থ= কাহিনী


২৯। সুরা আনকাবুত অর্থ= মাকড়সা


৩০। সুরা রূম অর্থ = রোমান জাতি


৩১। সুরা লুকমান-অর্থ= একজন প্রজ্ঞাবান অলির নাম।


৩২। সুরা সাজদাহ অর্থ = সিজদা


৩৩। সুরা আহযাব অর্থ = সংযুক্ত শক্তিসমূহ


৫৮। সুরা মুজাদালাহ অর্থ অনুযোগকারী নারী


৫৯। সুরা হাশর অর্থ= মহাসমাবেশ


৬০। সুরা মুমতাহিনা অর্থ পরীক্ষা সাপেক্ষ নারী


৬১। সুরা দ্বাফ অর্থ= সারিবদ্ধ সৈন্যদল


৬২। সুরা জুমু'আ অর্থ= সম্মেলন


৬৩। সুরা মুনাফিকুন অর্থ= কপট বিশ্বাসীগণ


৬৪। সূরা তাগাবুন অর্থ= মহা বিজয়


৬৫। সুরা ত্বালাক অর্থ = বিচ্ছেদ


৬৬। সুরা তাহরীম অর্থ = নিষিদ্ধকরণ


৬৭। সুরা মূলক্ অর্থ = উচ্চ মর্যাদাশীল


৬৮। সুরা ক্বালাম অর্থ কলম


৬৯। সুরা হাকক্কাহ অর্থ নিশ্চিত সত্য


৭০। সুরা মা'রিজ অর্থ উন্নয়নের সোপান


৭১। সুরা নূহ অর্থ হযরত নূহ (আঃ)


৭২। সুরা জ্বিন অর্থ = জ্বিন জাতি


৭৩। সুরা মুয্যাম্মিল অর্থ কম্বল আবৃত নবী


৭৪। সুরা মুদ্দাসসির অর্থ চাদর আবৃত নবী


৭৫। সুরা ক্বিয়ামাহ অর্থ পুনরুত্থান


৭৬। সূরা দাহর অর্থ = মানবজাতি


৭৭। সুরা মুরসালাত অর্থ প্রেরিত পুরুষগণ


৭৯। সুরা নাযিয়াত অর্থ প্রচেষ্টাকারী


৮০। সুরা আবাসা অর্থ তিনি ভ্রুকুটি করলেন


৮১। সুরা তাকবীর অর্থ অন্ধকারাচ্ছন্ন


৭৮। সুরা নাবা অর্থ= মহা সংবাদ


৮২। সুরা ইনফিতার অর্থ বিদীর্ণকরন


৮৩। সুরা মুতাফফিফীন অর্থ প্রবঞ্চনা করা


৮৪। সুরা ইনশিকাকু- অর্থ = চূর্ণবিচূর্ণকরণ


৮৫। সুরা বুরূজ অর্থ নক্ষত্রপুঞ্জ


৮৬। সুরা ত্বারিকু অর্থ= রাতের আগন্তক


৮৭। সুরা আলা অর্থ= সর্বোউপরে


৮৮। সুরা গাশিয়াহ্ - অর্থ = বিহ্বলকারী ঘটনা


৮৯। সুরা ফাজ্বর অর্থ ভোর বেলা


৯০। সুরা বালাদ অর্থ = নগর


৩৪। সুরা সাবা অর্থ একটি নগরের নাম


৩৫। সুরা ফাতির অর্থ= আদিস্রষ্টা


৩৬। সুরা ইয়াসিন অর্থ= ইয়াসিন


৩৭। সুরা সাফ্ফাত অর্থ= সারিবদ্ধভাবে দাঁড়ানো


৯১। সুরা শাম্স অর্থ = সূর্য


৯২। সুরা লাইল অর্থ= রাত্রি


৯৩। সুরা-যুহা অর্থ দিনের আলো


৩৮। সুরা ছোয়াদ অর্থ একটি আরবি হরফ


৩৯। সুরা যুমার অর্থ দলবদ্ধ জনতা


৪০। সুরা মুমিন অর্থ = বিশ্বাসী


৪১। সুরা ফুসসিলাত -অর্থ = সুস্পষ্ট বিবরণ


৪২। সুরা শূরা অর্থ = পরামর্শ


৪৩। সুরা যুথরূফ অর্থ = স্বর্ণালংকার


৪৪। সুরা দুখান অর্থ = ধোঁয়া


৪৫। সুরা জাছিয়াহ - অর্থ = নতজানু


৪৬। সুরা আহক্বাফ অর্থ= বালুর পাহাড়


৪৭। সুরা মুহাম্মদ অর্থ সর্বশেষ নবী ও রাসূলের নাম


৪৮। সুরা ফাতহ অর্থ = বিজয়


৪৯। সুরা হুজরাত অর্থ= বাসগৃহসমূহ


৫০। সুরা ক্বাফ অর্থ= একটি আরবি হরফ


৫১। সূরা যারিয়াত অর্থ = বিক্ষোপকারী


৫২। সুরা তুর- অর্থ = তুর পর্বত


৫৩। সুরা নাজম অর্থ নক্ষত্র


৫৪। সুরা ক্বামার অর্থ = চাঁদ


৫৫। সুরা আর-রহমান অর্থ পরম করুণাময়


৫৬। সুরা ওয়াক্বিয়া অর্থ= নিশ্চিত ঘটনা


৫৭। সুরা হাদীদ অর্থ= লোহা


৯৪। সুরা আলামনাশরাহ -অর্থ বক্ষ প্রশস্তকরণ


৯৫। সুরা তীন অর্থ = ডুমুর জাতীয় ফল


৯৬। সুরা আলাক অর্থ রক্তপিন্ড


৯৭। সুরা কুদর অর্থ = মহিমান্বিত


৯৮। সুরা বাইয়্যিনাহ অর্থ সুস্পষ্ট প্রমাণ


৯৯। সুরা যিলযাল অর্থ ভূমি কম্পন


১০০। সুরা আদিয়াত অর্থ অভিযানকারী


১০১। সুরা ক্বারি'আহ অর্থ= মহা সংকট


১০২। সুরা তাকাছুর অর্থ প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা


অর্থ= সময় যুগ ১০৩। সুরা আসর


অর্থ = পরনিন্দাকারী ১০৪। সুরা হুমাযাহ


১০৫। সূরা ফীল অর্থ = হাতি


অর্থ একটি গোত্রের নাম ১০৬। সুরা কুরাইশ


১০৭। সুরা মাউন অর্থ= সাহায্য/ সহযোগিতা


১০৮। সুরা কাওসার অর্থ = প্রাচুর্য


১০৯। সুরা কাফিরুন অর্থ অবিশ্বাসী গোষ্ঠী


১১০। সুরা নাসর অর্থ = স্বর্গীয় সাহায্য


১১১। সুরা লাহাব অর্থ = জ্বলন্ত অঙ্গার


১১২। সুরা ইখলাস অর্থ= একত্ব


১১৩। সুরা ফালাক অর্থ নিশীভোর


১১৪। সুরা নাস অর্থ = মানুষ জাতি

 ৯ (নয়) ধরণের জমি কিনতে যাবেন না..!!

 ৯ (নয়) ধরণের জমি কিনতে যাবেন না..!!



বর্তমানে জমির দাম অনেক বেশি এবং দিন দিন তা হু হু করে বাড়ছে। অনেকেই স্বপ্ন লালন করেন নিজের একটি জমি হবে। কিন্তু আবাসযোগ্য ভালো জমির পরিমাণ অনেক কম এবং পাওয়াও কঠিন।

এজন্য বিভিন্ন প্রতারক চক্র ” ভালো জমি” বিক্রির লোভ দেখান। সহজ সরল মানুষ একটি ভালো জমির মালিক হবার জন্য দ্রুত টাকা পরিশোধ করে রেজিস্ট্রি করে নেন। কিন্তু দখল করতে গিয়ে দেখেন জমিটি ঝামেলাপূর্ণ। এজন্য জমি কেনার আগে জানা উচিত কোন জমিগুলো একদমই কেনা উচিত নয়।

একটা ভালো জমি যেমন আপনার সারা জীবনের একটা সম্বল হতে পারে। ঠিক তেমনি, ভুল জমি ক্রয় আপনার সারা জীবনের কান্নার কারণ হতে পারে।

আসুন জেনে নেই, কোন্ জমিগুলো ভুলেও কেনা উচিত নয়-


১. খাস জমিঃ

জমি কেনার সময় খোজ নিয়ে দেখবে যেন সেটি খাস জমি না হয়। যে জমিগুলো সরাসরি সরকারের মালিকানাধীন থাকে সেগুলোকে খাস জমি বলা হয়। অনেক সময় অনেক প্রতারক জাল দলিল তৈরি করে “খাস জমি” বিক্রি করা হয়।

আইনে বলা আছে, কোনো জমি যদি সরকারের হাতে ন্যস্ত থাকে ও সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন থাকে সেইগুলোই খাস জমি। সরকার এ জমিগুলো বন্দোবস্ত দিতে পারেন। সাধারণত ভূমিহীন ব্যক্তিরা সরকারীভাবে খাস জমি পায়। এজন্য জমি কিনার পূর্বে ভুমি অফিসে খোঁজ নিয়ে দেখুন যে জমিটি খাস জমি কিনা?


২. অর্পিত সম্পত্তিঃ

অনেক হিন্দু নাগরিক তাদের জমি-জমা পরিত্যাগ করে ভারতে চলে গেছেন এবং সেখানে নাগরিকত্ব লাভ করে বসবাস করেছেন। তাদের অনেকের ভূমি অর্পিত ও অনাবাসী সম্পত্তি (Vested and Non-Resident Property) হিসেবে সরকারের তালিকাভুক্ত হয়েছে এবং এগুলো সরকারের তত্ত্বাবধানে রয়েছে।

এসকল জমি সরকার ছাড়া অন্য কেও ক্রয় বিক্রয় করতে পারে না। এজন্য, যেকোন জমি ক্রয়ের আগে খোঁজ নিন এগুলো সরকারের তালিকাভুক্ত অর্পিত জমি কিনা?


৩. অধিগ্রহণকৃত জমি বা এরূপ সম্ভাবনার জমিঃ

রাষ্ট্র বা সরকার দেশের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড যেমন শিল্প কারখানা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, রেলপথ, সড়ক বা সেতুর প্রবেশ পথ বা এ জাতীয় অন্য কিছুর জন্য জনগণের কোন ভূমি যদি দখল করে নেয় তাকে বলে “অধিগ্রহণ”। সরকার দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে যে কারো জমি অধিগ্রহণ করতে পারে।

অনেকেই সরকারের অধিগ্রহণকৃত জমি প্রতারণা করে বিক্রি করে। এজন্য, জমি ক্রয়ের পূর্বে ভূমি অফিসে খোঁজ নিয়ে জেনে নিন জমিটি সরকারের অধিগ্রহণকৃত জমি কিনা বা ভবিষ্যতে অধিগ্রহণ করার সম্ভবনা আছে কিনা?


৪. যাতায়াতের রাস্তা নেই এরূপ জমিঃ

যে জমিটি ক্রয় করবেন সেটির মৌজা ম্যাপ যাচাই করে বা সশরীরে উপস্থিত হয়ে খোঁজ নিন যে জমিটিতে যাতায়াতের রাস্তা আছে কিনা। যে জমিতে যাতায়াতের ব্যবস্থা নেই এমন জমি ভুলেও কিনবেন না?


৪. ইতোমধ্যে অন্যত্র বিক্রয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ কিনাঃ

অনেক বিক্রেতা একই জমি কয়েকজনের কাছে বিক্রি করেন। ফলে, আসল বিক্রেতার কাছ থেকে ক্রয় করার পরও জমির প্রকৃত মালিক হওয়া যায় না।

এজন্য জমি ক্রয় এর পূর্বে খোঁজ নিন বিক্রেতা পূর্বে অন্য কারো কাছে জমিটি বিক্রি করেছে কিনা বা বিক্রির জন্য বায়না চুক্তি করেছে কিনা।

সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়ে খোঁজ নিন এর পূর্বে জমি হস্তান্তর জনিত কোন দলিল রেজিস্ট্রি হয়েছে কিনা?


৫. বন্ধকীকৃত জমিঃ

অনেক সময় জমি বিভিন্ন ব্যাংক বা প্রতিষ্ঠানে বন্ধক বা মর্টগেজ থাকে। এমন জমি কখনই ক্রয় করবেন না। কারণ বন্ধককৃত জমি ক্রয় – বিক্রয় সম্পূর্ণ বে-আইনী।


৬. কোন আদালতে মামলায় আবদ্ধ জমিঃ

অনেক সময় একই জমির মালিকানা নিয়ে আদালতে মামলা চলে। মামলা চলছে বা মামলা এখন নিষ্পত্তি হয়নি, এমন জমি কেনা উচিত নয়।


৭. বিরোধপূর্ণ জমিঃ

অনেক সময় ওয়ারিশসূত্রে জমির মালিক হলে ঠিকমত ওয়ারিশ সনদ বা বন্টননামা করা হয় না। এসব জমি নিয়ে ওয়ারিশদের মধ্যে বিরোধ চলে।

এসকল বিরোধপূর্ণ জমি কেনা কোনভাবেই উচিৎ নয়।

কৃষি জমি ক্রয়ের ক্ষেত্রে রেকর্ডীয় মালিকানায় অংশীদারগণ অগ্রক্রয়াধিকার প্রয়োগ করতে পারেন। সুতরাং অংশীদারদের সম্মতি সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে।


৮. দখলহীন জমিঃ

যেকোন জমির মালিকানার জন্য প্রয়োজন দলিল ও দখল। একটি ছাড়া অন্যটি অসম্পূর্ণ। এজন্য যিনি জমি বিক্রি করছেন জমিটি তার দখলে আছে কিনা জেনে নিন।

যদি দখলে না থাকে তবে এমন জমি ক্রয় করা থেকে বিরত থাকুন। দখলহীন মালিকদের জমি ক্রয় অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এতে জমি দখলের জন্য ঝগড়া, দাঙ্গা ফ্যাসাদ এবং মামলা মোকদ্দমায় জড়িত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।


৯. নাবালকের নামে জমিঃ

জমি যদি নাবালকের নামে থাকে, তবে সে জমি আদালত কর্তৃক নিযুক্ত অভিভাবক ছাড়া বিক্রি করা যায় না। সাধারনত ১৮ বছরের নিচে ব্যক্তিকে নাবালক বলা হয়।


মা অংক বোঝে না!

 মা অংক বোঝে না!


এক চামচ ভাত চাইলে প্লেটে দুই-তিন চামচ তুলে দেয়। কোথাও যাওয়ার সময় আমি পঞ্চাশ টাকা চাইলে একশ টাকা পকেটে ঢুকিয়ে দেয়।


মা ইংরেজিও জানে না!


'I hate you' বললে মানে না বুঝে আমাকে ভালোবেসে বুকে টেনে নেয়।


মা মিথ্যেবাদী!


না খেয়ে বলে খেয়েছি। পেটে খিদে থাকা সত্ত্বেও নিজে না খেয়ে প্রিয় খাবারটা আমার জন্য যত্ন করে তুলে রাখে।


মা বোকা!


সারাজীবন চিনির বলদের মতো সংসারের উন্নতির পিছনে ছুটে কাটিয়ে দেয়। 


মা চোর!


আমি বন্ধুদের সাথে পিকনিকে যাবে শুনলে বাবার পকেট থেকে টাকা চুরি করে আমার হাতে গুঁজে দেয়।


মা নির্লজ্জ!


মাকে কতবার বলি আমার জিনিসে যেন হাত না দেয়। তবুও মা নির্লজ্জের মতো আমার এলোমেলো পড়ে থাকা জিনিসগুলো নিজের হাতে গুছিয়ে রাখে।


মা বেহায়া!


আমি কথা না বললেও জোর করে এসে বেহায়ার মতো গায়ে পড়ে কথা বলে। রাতে ঘুমের ঘোরে আমাকে দরজা দিয়ে উঁকি মেরে দেখে যায়।


মায়ের কোনো কমনসেন্স নেই!


আমার প্লেটে খাবার কম দেখলে 'খোকা এত কম খাচ্ছিস কেন?' বলে সবার সামনেই জোর করে খাওয়ায়। মায়ের চোখে আমার স্বাস্থ্য কখনো ভালো হয় না!


মা কেয়ারলেস!


নিজে কোমরের ব্যথায় ধুঁকে ধুঁকে মারা গেলেও কখনো ডাক্তার দেখানোর কথা বলে না। অথচ আমার একটা কাশিতে তার দিনটা যেন ওলটপালট হয়ে যায়।


মা  আনস্মার্ট!


মা নতুন দামী শাড়ি পড়ে না। ভ্যানিটি ব্যাগ ঝুলিয়ে, স্মার্টফোন হাতে নিয়ে ঘুরতেও যায় না। সারাদিন সন্তানের ভালোমন্দের কথা চিন্তা করে কাটিয়ে দেয়।


মা স্বার্থপর!


নিজের সন্তান ও স্বামীর জন্য মা দুনিয়ার সব কিছু ত্যাগ করতে পারে।


পৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ মানুষ হচ্ছে মা। তাই বুঝি আমরা সন্তানেরা তাদের এত কষ্ট দিই। তবুও তাদের পরিবর্তন হয় না। প্রতিদিন এসব আচরণ তারা বারবার করে। নিজের পায়ে দাঁড়াতে শিখেই আমরা তাদেরকে আমাদের জীবন থেকে দূরে সরিয়ে রাখি। তবুও তারা নির্বোধের মতো সৃষ্টিকর্তার কাছে আমাদের জন্য প্রার্থনা করে। সারাজীবন তারা আমাদের ভালোবাসা দিয়েই যায়, বিনিময়ে শুধু দিনে একবার হলেও সন্তানের মুখে আদরের 'মা' ডাক শুনতে চায়!


Collected

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ১১-০১-২০২৫ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ১১-০১-২০২৫ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত অজ্ঞাত ৬ মরদেহের সন্ধান ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে।


পরিবেশ সংরক্ষণ ও সমাজ উন্নয়নে নারী-পুরুষের সমান ভূমিকার ওপর জোর দিলেন পরিবেশ উপদেষ্টা।


লন্ডনে চিকিৎসাধীন বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল - বিএনপি নেতাদের উদ্ধৃতি দিয়ে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা বাসস।


দেশে প্রথমবারের মতো ৫ জনের শরীরে রিওভাইরাস সনাক্ত - এ ভাইরাস নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।


ঘুষ দেওয়ার তথ্য গোপন মামলায় মার্কিন নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিঃশর্ত অব্যাহতি দেশটির সুপ্রিম কোর্টের।


পরিস্থিতি সামাল দিতে লস অ্যাঞ্জেলসের দাবানল উপদ্রুত এলাকায় রাত্রিকালিন কারফিউ জারি - মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১


সিলেটে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দুর্বার রাজশাহী এবং সিলেট স্ট্রাইকার্স নিজ নিজ খেলায় জয়ী।

মৌমাছির প্রকার ------------------

 মৌমাছির প্রকার

----------------------

সামাজিক মৌমাছি :


আমেরিকান বাম্বল বি

ওয়েস্টার্ন হানি বি

কমন ইস্টার্ন বাম্বল বি

হত্যাকারী মৌমাছি

ইউরোপীয় অন্ধকার মৌমাছি

ইতালীয় মৌমাছি

কেপ হানি বি

গোল্ডেন নর্দার্ন বাম্বল বি

ওয়েস্টার্ন বাম্বল বি

ব্রাউন-বেল্টেড বাম্বল বি

রাশিয়ান মৌমাছি

বকফাস্ট বি


নির্জন মৌমাছি:


ভায়োলেট কার্পেন্টার মৌমাছি

ইস্টার্ন কর্পেন্টার বি

টাউনি মাইনিং বি

মেসন বি

Mignonette হলুদ-মুখ মৌমাছি

ব্যাঙ্কসিয়া বি

ভ্যালি কার্পেন্টার বি

গোল্ডেন-গ্রিন কার্পেন্টার বি

ছোট স্ক্যাবিস মাইনিং 

বাগান মেসন মৌমাছি

ইউরোপীয় পাই উল কার্ডার মৌমাছি




যশোরের ঝিকরগাছা গদখালী: বাংলাদেশের ফুলের রাজ্য

 🌸 যশোরের ঝিকরগাছা গদখালী: বাংলাদেশের ফুলের রাজ্য 🌼

যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার গদখালী অঞ্চলটি বাংলাদেশের 🌺 ফুলের রাজ্য 🌺 নামে পরিচিত। এ স্থানটি দেশের অন্যতম বৃহৎ ফুল উৎপাদন কেন্দ্র। গদখালীতে 💐 রজনীগন্ধা, গাঁদা, গোলাপ, জারবেরা, গ্লাডিওলাসসহ বিভিন্ন ধরনের ফুলের চাষ হয়। এই ফুলগুলো দেশের বিভিন্ন স্থানে 🌏 সরবরাহ করা হয় এবং এমনকি বিদেশেও ✈️ রপ্তানি করা হয়।


গদখালীর বিশেষত্ব 💖:

✔️ বাংলাদেশের ৭০% ফুলের চাহিদা গদখালী থেকেই পূরণ হয়।

✔️ এখানে প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসে 🌼 ফুলের মেলা 🌼 অনুষ্ঠিত হয়, যা দেশ-বিদেশের দর্শনার্থীদের মন আকর্ষণ করে।

✔️ গদখালীর কৃষকরা সারা বছর 🌾 ফুলের চাষে ব্যস্ত থাকেন এবং এর মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন।


🌷 কেন গদখালীকে ঘুরে আসবেন? 🌷


প্রকৃতির নৈসর্গিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে।


তাজা ও মনোরম ফুলের বাগানে 📸 ছবি তোলার জন্য।


স্থানীয় ফুলচাষীদের জীবনধারা সম্পর্কে জানার জন্য।


ফুলের সৌরভে মোড়ানো এই অঞ্চলটি একবার ঘুরে এলে 💕 আপনার মনও সতেজ হয়ে উঠবে। যশোরের গদখালী যেন বাংলাদেশের 🌟 গর্ব!


আসুন, আমরা আমাদের ফুলচাষী ভাই-বোনদের সমর্থন করি এবং দেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করি। 🌺

শুক্রবার, ১০ জানুয়ারি, ২০২৫

চিটাগাং গিয়েছি ... শুটকি কিনব বলে একটা দোকানে যেয়ে জিজ্ঞেস করলাম;

 চিটাগাং গিয়েছি ... শুটকি কিনব বলে একটা দোকানে যেয়ে জিজ্ঞেস করলাম;


“এটার দাম কতো?’


‘সাসশো’


“কতো ... সাতশো ??” 


‘উহু ... একদাম সাসশো’


“কতো? চারশো??”


‘‘বাই সিম্পল খতা বুজেন না? খাগজ খলম এনে লিকে দিতে হবে নাকি যে?'


... ইচ্ছে হচ্ছিলো, শুটকি রেখে এই কিউট বান্দাটারে কোলে করে ঢাকা নিয়ে আসি


শুধু চিটাগাং না... বাংলাদেশের যে প্রান্তেই যান; একবার তো সিলেটে যেয়ে একজন আমাকে বলছে, "আফনারে আমি বালাফাই... অন্য কেউরর লগে মাততাম ফারিনা"


... বুঝলাম না, প্রথম পরিচয়েই মাতামাতির কি আছে 😑


দিনাজপুরের লোক, অপরিচিতদের তুই করে বলে... কিন্তু বাক্যের শেষে যেয়ে আপনিতে ফিরে আসে


“কিরে তুই হামার বাড়িত আইসলেন না”


ময়মনসিংহের মানুষ তো কথায় কথায় ইংলিশ বলে; “বাড়িত গেস লাইন??”


অন্য কেউ হয়ত হুট করে শুনলে ভাব্বে তার বাসার Gas line নিয়ে কোন প্রশ্ন করা হচ্ছে


কিন্তু আদতে জিজ্ঞেস করা হচ্ছে 'বাড়ি গিয়েছিলেন?' 


...একবার ‘ইঞ্জেকশান ভয় পায়’ এমন কিশোরগঞ্জের একজনকে জোরপূর্বক ডাক্তারের কাছে নিয়ে যাওয়া হলো;


ডাক্তারঃ আপনার সমস্যা কি?


রোগীঃ মাতা বেদ্‌না। এইবাই বালা ঐয়া যায়াম, ইঞ্জিশন লাকতো না


ডাক্তারঃ আর কোন সমস্যা?


রোগীঃ শইল্ল জ্বর। বরি খাইলেই বালা অইয়া যায়াম, ইঞ্জিশন লাকতো না


ডাক্তারঃ বাথরুম ঠিকমত হয়? বেশী নরম না তো?


রোগীঃ অয় মানে, কি কইন ?!! মিল্লা মারলে আইন্নের কফাল ফাইট্টা যাইবো ... এরুম শক্ত ! ইঞ্জিশন লাকতো না।


...নোয়াখালীর মানুষ নিয়ে কথা বলা শুরু করলে লেখা শেষ করা যাবে না... সামান্য পানি, তাদের কাছে honey 😋


মনে আছে কয়েকদিন আগে বরিশালের লঞ্চের ডাইনিং রুমে এক ওয়েটারকে বললাম, “তরকারী এনে দেন তো এক বাটি”


সে উত্তর দিলো, ‘ট্যাংগা শালুনের হুররা চুক্কা’ 


আমি মুখ চোখা করে কিছুক্ষণ তাকিয়ে রইলাম তার দিকে... মনে মনে ভাবছি এটা কি কোড ল্যাংগুয়েজ? আলফা রোমিও টেঙ্গ টাইপ?


পরে শুনলাম তারা তেতুলকে বলে ট্যাংগা, তরকারির ঝোলকে বলে শালুনের হুররা আর টককে বলে চুক্কা 


গতকাল হোম পেইজে দেখলাম UNESCO has declared the Bengali language to be the sweetest language of the world.


আসলেই ব্যাপারটা সঠিক নাকি জানি না... না সঠিক না হওয়ার কোনও কারণ অবশ্য নেই


শুধু দেশের মাটিতে না, বিদেশের মাটিতেও আমরা এটা ধরে রাখতে পেরেছি 


কয়েকদিন আগে ইংল্যান্ডে এক বাসায় দাওয়াত খেতে গেলাম... তারা সিলেটি


সেই বাসার পিচ্চি বাচ্চার জন্য আমি কিছু প্ল্যাস্টিকের তেলাপোকা নিয়ে গেলাম


সে সেটা দেখেই বলে উঠলো, “আই এম স্কেএএআর্ড” 


আমি তার প্রনাউন্সিয়েশান শুনে মুগ্ধ... একদম ব্রিটিশ টান


আমি আবার তার প্রনাউন্সিয়েশান শুনার জন্য ওকে তেলাপোকা গুলো দেখালাম


সে আবার বলে উঠলো, “আই এম স্কেএএআর্ড... আমি বুইফাই”  ❤️Copied❤️.


♦️ফটো: সিলেটের ভাষায় লেখা একটি বিয়ের কার্ড!



বীমঃ * বীম কাকে বলে? কত প্রকার ও কী কী?

 বীমঃ

* বীম কাকে বলে? কত প্রকার ও কী কী?

উ: বীম এক প্রকার আনুভূমিক কাঠামো, যা এক বা একাধিক খুটি,কলাম,পিলার,দেওয়াল ইত্যাদি উপর অবস্থান করে এবং এর আরোপিত লোডকে সাপোর্ট এ স্থানান্তরিত করে।


বীম ৫ প্রকার।যথা-

i)সাধারণভাবে স্থাপিত বীম

ii)ক্যান্টিলিভার বীম

iii)ঝুলন্ত বীম

iv)আবদ্ধ বীম

v)ধারাবাহিক বীম


#সাধারণভাবে_স্থাপিত_বীম(Simply Supported beam):যে সকল বীমের উভয় প্রান্ত মুক্ত অবস্থায় সাপোর্টের উপর অবস্থান করে লোড বহন করে তাকে সাধারণভাবে স্থাপিত বীম(Simply Supported beam)বলে।


#ক্যান্টিলিভার_বীম(Cantilever beam):যে সকল বীমের একপ্রান্ত দৃঢ় ভাবে আবদ্ধ এবং অন্য প্রান্ত মুক্ত অবস্থায় থেকে লোড বহন করে তাকে ক্যান্টিলিভার বীম(Cantilever beam)বলে।


#ঝুলন্ত_বীম(Over hanging beam):যে সকল বীমের এক প্রান্ত বা উভয় প্রান্তই সাপোর্টের বাহিরে বাড়ানো অবস্থায় লোড বহন করে।তাকে ঝুলন্ত বীম(Over hanging beam)বলে।


#আবদ্ধ_বীম(Fixed beam):যে সকল বীমের উভয় প্রান্তই সাপোর্টের সাথে দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ থাকা অবস্থায় লোড বহন করে তাকে আবদ্ধ বীম(Fixed beam)বলে।


#ধারাবাহিক_বীম(Continuous beam):যেসকল বীম একাধিক সাপোর্টের উপর অবস্থান করে এর উপর আরোপিত লোড বহন করে থাকে ধারাবাহিক বীম(Continuous beam)বলে।


২.বীমে কী কী ধরননের লোড কাজ করে?

উ: ৩ ধরনের লোড কাজ করে।যথা-

i)কেন্দ্রিভূত লোড

ii)সমভাবে বিস্তৃত লোড

iii)অসমভাবে বিস্তৃত লোড


৩.বীমের উপর কী কী লোড ক্রিয়া করে?

উ: বীমের উপর ৩ ধরনের লোড ক্রিয়া করে।যথা-

i)নিশ্চল ভর

ii)সচল ভর

iii)পারিপার্শ্বিক ভর


৪.বীম কি ধরনের ফোর্স ফেল করে?

উ: টেনশন ফোর্স।


৫. বীমে স্টিরাপ কেন ব্যবহার করা হয়?

উত্তর: শিয়ার ফোর্স প্রতিরোধে এবং ডায়াগোনাল টেনশনকে চেক দেওয়ার জন্য ।


৬.বীমের চাপ এলাকা (Compression zone) ও টান এলাকা (Tension zone)কাকে বলে?

উ: বীমের নিরপেক্ষ অক্ষ থেকে সর্ব উপরি তল পর্যন্ত এলাকা কে চাপ এলাকা বা Compression zone বলে।


নিরপেক্ষ অক্ষ থেকে সর্বনিম্ন তল পর্যন্ত এলাকাকে টান এলাকা বা Tension zone বলে।


৭.স্টিরাপ প্রয়োগ করেও কখন বীমে ব্যর্থ রোধ করা যায় না?

উ:কোন R.C.C বীমে সৃষ্ট শিয়ার পীড়নের মান কংক্রিট ও স্টীলের অনুমোদনযোগ্য শিয়ার পীড়নের মানের চেয়ে বেশি হলে।


৮.লোডের কারনে R.C.C বীম কিভাবে ব্যর্থ হতে পারে?

উ:৩ ভাবে ব্যর্থ হতে পারে।যথা-

i)প্রসারণ স্টীলে ব্যর্থ

ii)সংকোচন কংক্রিটে ব্যর্থ

iii)প্রসারন স্টিল ও সংকোচন কংক্রিট একই সাথে ব্যর্থ


৯.ক্যান্টিলিভার বীমের প্রধান রড কোথায় ব্যবহার করা হয়?

উ: মোমেন্টের মান সবসময় ঋণাত্মক হয় বলে প্রধান রড বিমের উপরিভাগে দেয়া হয়।


১০.টি-বীম কাকে বলে?

উ: বীম এবং স্ল্যাব একত্রে ঢালাই করলে এবং বীম ও স্ল্যাব সম্মিলিত অংশ দেখতে T এর মত হয়,একে টি-বীম বলে।


১১.বীমে সর্বনিম্ন কভারিং কত ধরা হয়?

উ: ১.৫"।


১২. বীম তদন্ত কেন করা হয়?

উ: বীমের প্রকৃত পীড়নদ্বয় অর্থাৎ fc ও fs এর মান নির্নয় করে বীম আরোপিত লোডে নিরাপদ কিনা যাচাই করার জন্য বীম তদন্ত করা হয়।


১৩. বীমে ব্যবহৃত রডের ক্র‍্যাংক করার পদ্ধতিটা কি?

উ: সাধারণভাবে স্থাপিত উভয় প্রান্তে সাপোর্ট থেকে L/7 দুরত্বে এবং আংশিক অবিচ্ছিন্ন বীমের অবিচ্ছিন্ন প্রান্তে এবং ধারাবাহিক বীমের উভয় প্রান্তে সাপোর্ট থেকে L/5 দুরত্বে ক্র‍্যাংক করা হয়।


১৪.বীমের শাটারিং এ খাড়া দিক ও তলার ঠেকনা কতদিন পর খোলা হয়?

উ: খাড়া দিক ১-২ দিন পর এবং ঠেকনা ৭ দিন পর।


১৫.বীমের আর সি সি কাজে কী হারে রড ব্যবহার করা হয়?

উ: ১%-২% হারে।


১৬.বীমে বা স্ল্যাবে ক্র‍্যাংক বার কেন ব্যবহার করা হয়?

উ : ঋণাত্মক বেন্ডিং মোমেন্ট ও সাপোর্টের কাছাকাছি সর্বাধিক শিয়ার ফোর্সকে প্রতিরোধের জন্য ।


১৭.ঢালাই এর আগে কি কি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে?

উ: ঢালাইয়ের আগে ফর্মওয়ার্ক, রডের সঠিক অবস্থান,স্পেসিংঅর্থাৎ ড্রইং মোতাবেক হয়েছে কিনা,ক্লিয়ার কভার চেক, বেশি উচু থেকে কংক্রিট না ঢালা,বৃষ্টির দিন হলে পলিথিনের ব্যবস্থা রাখা,ভালোভাবে ভাইব্রেটর করা,সর্বোপরি ঢালাই পর্যন্ত সাথে থাকা।


১৮.বীমে বা স্ল্যাবের এক্সটা টপ কেন ব্যবহার করা হয়?

উত্তর :লোডের তীব্রতা হ্রাস করার জন্য ।


১৯.কনসিল বীম কি ?


উত্তর : কনসীল বীম এর অন্য একটি নাম হলো হিডেন বীম। স্ল্যাবের সমান পুরুত্বের বীমকে কনসীল বীম বলা হয়ে থাকে।


#বিস্তারিত :

মুলত ফ্লাট স্ল্যাবে কলাম বরাবর যেভাবে স্ট্রীপ চিন্তা করে অতিরিক্ত রিইনফোর্সমেন্ট দেয়া হয়, এমন চিন্তা থেকেই এই কনসীল বীমের ধারণা এসেছে। তবে ইঞ্জিনিয়ারিং এ এই কনসীল বীম হিসাবে আসলে তেমন কিছু নেই।


200 মিমি এর নিচের পুরত্বের কোন ছাদে এই জাতীয় বীম ব্যবহার করা উচিত না। তবে সবসময়ই এই কনসীল বীম পরিহার করে চলা উচিত।


যদি করতেও হয় তাহলে শুধু বীম নয়, পুরো স্ল্যাব সহ মডেলটি এনালাইসিস করতে হবে।


কনসীল বীমের জন্য কলামের পাঞ্চিং শেয়ার অবশ্যই চেক করে নিতে হবে।

(Collected)

হার্নিয়ার(Hernia) হোমিও ঔষধসমূহ

 🛑হার্নিয়ার(Hernia) হোমিও ঔষধসমূহ🛑 ♦️Lycopodium - ডান পাশে হার্নিয়া ।  - গ্যাস, অম্বল, পেট ফোলা ।  - ক্ষুধা কম আবার না খেতে পারলে শরীর কাঁ...