এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৫

আমার বিয়ের বয়স আজ প্রায় ১৫ বছর হল! বাচ্চা ৩ টা

 আমার বিয়ের বয়স আজ প্রায় ১৫ বছর হল! বাচ্চা ৩ টা!

স্বাভাবিকভাবেই ১৫ বছর আগের রূপ যৌবন না থাকারই কথা!

তার উপর বাচ্চাগুলো সিজারিয়ান! তাই এখন আর বউ এর প্রতি আকর্ষণ নাই বললেই চলে!

বউকে এখন বুয়ার মতই লাগে!


সকাল থেকে সবগুলো বাচ্চাকে নাস্তা করাও, স্কুলে পাঠাও, ঘরের বাকী সবার নাস্তা বানাও! এরমাঝে দুপুরে খাবারের মেন্যু ঠিক করো! তারপর দুপুরের রান্না শুরু! এর মাঝে বাচ্চারা স্কুল থেকে আসা শুরু করে! আবার কাউকে নিয়েও আসতে হয়!

দুপুরের খাবারের পর্ব শেষ হতে না হতে আবার বিকেলের নাস্তা!


বাচ্চাদের পড়া, রাতের খাবার, খুচরা বাজার, অসুস্থ সদস্যদের সেবা! এভাবে অনবরত দিনরাত্রি চলে!

আর মিঃ দেখেন যে সব ঠিকঠাকমতো চলছে!

নিজের খেদমত, বাচ্চাদের দেখাশোনা, বাবা মায়ের খেদমত সবই চলছে! শুধুমাত্র সামান্য ব্যত্যয় ঘটলেই সিংহ পুরুষের গর্জন শুরু হয়! একটা সময় মনেই হয়না এই মেয়েটিকে বিভিন্নভাবে পছন্দ করে ঘরে আনা হয়েছে! মনে হয়, ২/৩ টা কাজের মানুষ রাখলেই এই কাজগুলো সঠিকভাবে আঞ্জাম দেয়া যায়!


লাবণ্য হারিয়ে যাওয়া শারীরিক এবং মানসিকভাবে বিপর্যস্ত মহিলাটিকে আর লাস্যময়ী লাগেনা! ঘরের চাইতে বাইরে সময় কাটানোই শ্রেয় মনে হয়! যারা ধর্ম চর্চা করেন, তারা খুঁজে খুঁজে স্বামীর অধিকারের আয়াত এবং হাদীস বের করেন!

কিন্তু স্ত্রী অধিকারের আয়াত ও হাদীস এড়িয়ে চলেন।

কখনো কখনো অসহ্য বেদনায় কষ্ট মুখ দিয়ে উদগীরণ হলে সিংহ পুরুষের হুংকার - বের হয়ে যাও ঘর থেকে,

দরজা খোলা আছে!

শুধু মেয়েটি বলতে পারেনা "আমার ১৫ বছর আগের আমাকে ফেরত দাও।"


নিদারুণ বাস্তবতা থেকে কথাগুলা লিখা।কেমন লাগলো, পড়ার পর প্লিজ কমেন্টে জানাবেন অবশ্যই।

জীবনে যে-কোনো শখ বা আহ্লাদ পূরণের নির্দিষ্ট একটা সময় থাকে।

 জীবনে যে-কোনো শখ বা আহ্লাদ পূরণের নির্দিষ্ট একটা সময় থাকে। সঠিক সময়টা একবার পেরিয়ে গেলে শখ হয়ত পূরণ হয় ঠিকই, তবে তৃপ্তিটা ঠিক পাওয়া যায় না।


১৭ বছর বয়সে যে বিরিয়ানিটা খেতে অমৃতের মতো লাগে, ৩২ বছর বয়সে এসে সেটা ভালো নাও লাগতে পারে।


১৮ বছর বয়সে সমবয়সী কারো সাথে পাঞ্জাবি বা শাড়ি পরে রিকশায় ঘুরতে ভীষণ রোমান্টিক লাগে, ৩৬ এ পা দিয়ে একই কাজ করতে রোমান্টিক লাগবেই তার কোনো গ্যারান্টি নাই। 


২১ বছর বয়সে ভার্সিটির বন্ধুবান্ধব নিয়ে সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে গেলে যেই আনন্দ পাওয়া যাবে, ৪০ পার করে সেই আনন্দ পাওয়া নাও যেতে পারে। 


একদিন নিজের ছাদে বাগান করব, এই আশায় বসে থেকে যেই মানুষটা বারান্দার টবে কোনো গোলাপের চারা লাগাল না, ছাদ হওয়ার পর দেখা গেল সেই মানুষটার আর বাগান করার সময়ই নেই। 


একদিন চাকরি করে বাবা-মাকে দামী দামী জিনিস কিনে দেয়ার স্বপ্ন দেখা মানুষটা চাকরি করে টাকা কামাবে ঠিকই, কিন্তু ততদিনে মা-বাবা এই দুনিয়ায় নাও থাকতে পারে। 


জীবনের ছোটখাট সাধ আহ্লাদ খুব দামী জিনিস। এগুলোই একটা মানুষের হৃদয়কে জীবিত রাখে, সতেজ রাখে, প্রাণবন্ত রাখে। মানুষের হৃদয় একটু একটু করে মরে যায় ইচ্ছা পূরণের অভাবের নীরব হাহাকারে! এজন্য সময় থাকতেই এসব শখ পূর্ণ করে ফেলতে হয়। 


অনেক টাকা জমলে একদিন খাব, এই চিন্তা না করে অল্প কিছু টাকা জমিয়ে এখনি খেয়ে আসুন পছন্দের কাচ্চিটা। বিশ্বাস করুন, জীবনের শ্রেষ্ঠ স্বাদটা পাবেন।


দেরি না করে পছন্দের মানুষটাকে আজকেই রিকশা ডেটিংয়ের অফারটা দিয়ে দেখুন। রাজি হলে শাড়ি বা পাঞ্জাবি পরে হুডখোলা রিকশায় বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে শহরময় ঘুরে বেড়ান। লিখে নিন, লাইফের সেরা রোমান্সটা পাবেন।


পকেটে কিছু টাকা হলেই বন্ধুর ঘাড়ে হাত রেখে বলে বসুন, চল ব্যাটা, সাজেক যাব। আজকেই যাব, এক্ষণি যাব। ব্যাগ গুছিয়ে নে, বাস ধরতে হবে।


নিজের ছাদে বাগান হবে, এই আশায় বসে না থেকে ভাড়া বাসার বারান্দার টবেই লাগিয়ে ফেলুন পছন্দের গোলাপের চারাটা। টিউশানির টাকায় কম দামেই কিনে ফেলুন বাবা-মায়ের জন্য শার্ট বা শাড়ি, হোক না সুতি, শখ পূরণটাই বড় কথা! 


মনে রাখবেন, একদিন সব হবে - এই আশায় যে নিজেকে বঞ্চিত করে, তার জীবনে কিছুই হয় না। তার জীবন কাটে বিষন্নতা আর অপেক্ষায়, শেষ হয় আফসোস আর হতাশা দিয়ে।

৫ হাজার টাকায় জাদুপিসি


  ৫ হাজার টাকায় জাদুপিসি


June 20, 2023


৫ হাজার টাকায় জাদুপিসি

হাসান জাকির : দেশের মোট জনগোষ্ঠীর বড় অংশ এখনও রয়েছে  কম্পিউটার ডিভাইসের আওতার বাইরে। ২০৪১ সালে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে, বিশেষ করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রত্যেক শিক্ষার্থীর হাতে কম্পিউটার থাকা জরুরি। কিন্তু দামের কারণে সবার জন্য কম্পিউটার কেনা সত্যিই কষ্টসাধ্য। এ অবস্থা সমাধান দিতে দুই তরুণের স্বপ্নের প্রকল্প ‘জাদুপিসি’।

 জাদুপিসি হচ্ছে সাশ্রয়ী দামের ডেস্কটপ কম্পিউটার। লিনাক্সনির্ভর কাস্টমাইজড অপারেটিং সিস্টেম ‘স্বপ্ন ওএস’ চালিত এ পিসি শিশু শিক্ষার্থীসহ কম্পিউটার কেনার যাদের সামর্থ্য নেই, তাদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিতে পারে। প্রচলিত কম্পিউটারে যা যা করা যায়, এ পিসিতেও তার সবাই করা সম্ভব। এর মধ্যে ওয়েব ব্রাউজিং, পেইন্টিং, ওয়ার্ড ফাইলে লেখালেখি থেকে শুরু করে প্রোগ্রামিং কিংবা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রোবটিকসনির্ভর কাজ অনায়াসে করা যাবে ডিভাইসটিতে।

জাদুপিসি বৃত্তান্ত


জাদুপিসি মিনি ও জাদুপিসি ডেস্কটপ সংস্করণে এখন মিলবে কম্পিউটারটি। জাদুর বাক্স নামে জাদুপিসিতে আইওটি এবং রোবটিকস শেখার জন্য রয়েছে বিশেষ প্যাকেজ। এআরএমভিত্তিক সিঙ্গেল বোর্ড এ কম্পিউটারে রয়েছে কোয়াড কোর প্রসেসর। ১.৮ গিগাহার্টজ গতির কোর্টেক্স এ৫৩ প্রসেসর চালিত কম্পিউটারটিতে রয়েছে তিনটি ইউএসবি পোর্ট, একটি এইচডিএমআই পোর্ট, একটি মাইক্রো এসডি স্লট এবং একটি ল্যান পোর্ট। পিসিটে ১৯ ইঞ্চি টিএফটি এলইডি মনিটরের সঙ্গে যুক্ত হয়, যার রেজ্যুলেশন ১৩৬৬ বাই ৭৮৬ পিক্সেল। লিনাক্সনির্ভর স্বপ্ন ওএস চালিত পিসিটিতে রয়েছে প্রিইনস্টল শিক্ষামূলক সফটওয়্যার। ডিভাইসটিতে পাবেন ৪ জিবি ডিডিআরথ্রি র‍্যাম, ৩২/৬৪ জিবি স্টোরেজ, যা এক টেরাবাইট পর্যন্ত বাড়ানো যায়। এটি কিবোর্ড, মাউস, সাউন্ড কার্ড, হেডফোন সমর্থন করে। ওয়াই-ফাই সমর্থিত সাশ্রয়ী দামের এ কম্পিউটারটি অল-ইন-ওয়ান সংস্করণ আনার ঘোষণা দিয়েছেন নির্মাতারা। মূল জাদুপিসির দাম ৫ হাজার টাকা। মনিটর, মাউস, কিবোর্ড তথা পূর্ণাঙ্গ সেটআপসহ ডিভাইসটি কিনতে খরচ পড়বে মাত্র ১২ হাজার থেকে ১৩ হাজার টাকা।


২০১৪ সালে জাদুপিসির যাত্রা শুরু হয়। স্কুল-সংক্রান্ত প্রকল্পের কাজে স্পেকট্রাম ইঞ্জিনিয়ারিং কনসোর্টিয়ামের পরিচালক খন্দকার আসিফ হাসানের সঙ্গে দেখা করেন জাদুপিসির প্রতিষ্ঠাতা মাসরুর হান্নান। তিনি দেখেন ‘অ্যান্ড্রয়েড ডঙ্গল’ ডিভাইসে স্কুল ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার পিএইচপিতে বানিয়ে ইনস্টলের চেষ্টা করছেন আসিফ হাসান। তবে অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস হওয়ায় পিএইচপি ইনস্টলে ঝামেলা হচ্ছিল। মাসরুর বলেন, যন্ত্রটি আমি আসিফ ভাইয়ের কাছ থেকে বাসায় এনে টিভিতে যুক্ত করে বুঝতে পারি, এটি দিয়ে কম্পিউটার বানানো সম্ভব। তখনই আমার মাথায় গেড়ে বসে জাদুপিসি। তবে ডিভাইসটি দিয়ে কম্পিউটার বানানোর কাজ মোটেও সহজ ছিল না। বিভিন্নভাবে চেষ্টা করি, আশাভঙ্গ হয় আমার। আমি এটা বাদ দিই। এর পর আমি পড়াশোনার জন্য যুক্তরাজ্যে যাই। এবার যুক্তরাজ্যে গিয়ে আমি ফের জাদুপিসি নিয়ে চেষ্টা করি, কিন্তু কিছুই হয় না। মায়ের অসুস্থতাজনিত কারণে ২০১৮ সালে দেশে ফিরি।


দেশে ফিরে জাদুপিসি নিয়ে আবার আমার উন্মাদনা শুরু হয়। জাদুপিসির জন্য অ্যান্ড্রয়েডের মতো একটি অপারেটিং সিস্টেম দাঁড় করানোর চেষ্টা করি। দুই বছর চেষ্টা করে ফের ব্যর্থতা। কিন্তু ২০২২ সালে জাদুপিসির মোড় ঘুরে যায়। বাংলাদেশে বসে মাসরুর হান্নান যখন বারবার ব্যর্থ হচ্ছেন, তখন দক্ষিণ আফ্রিকায় বসে একই কাজ সফলতার সঙ্গেই করছেন আরেক বাংলাদেশি রাগীব এহসান। তরুণ এ উদ্ভাবক আফ্রিকার পিছিয়ে পড়া শিশুদের প্রযুক্তি সুবিধা পৌঁছে দিতে কাজ করছেন। তিনি লিনাক্সনির্ভর ‘স্বপ্নওএস’ নামে চমৎকার একটি অপারেটিং সিস্টেম দাঁড় করিয়েছেন। খোঁজ পাওয়ার পর মাসরুর হান্নান তাঁদের ডিভাইসটি রাগীবকে পাঠান। আমন্ত্রণ জানান জাদুপিসির টিমে যোগ দিতে। মাসরুর বলেন, রাগীবের স্বপ্ন আমাদের স্বপ্নের সঙ্গে যুক্ত হয়।

রাগীবের যোগ দেওয়ার আগে অ্যান্ড্রয়েডকে ঠিকমতো কাস্টমাইজ না করতে পারায় ৫০০ ইউনিট জাদুপিসি ধ্বংস করতে বাধ্য হন মাসরুর। তবে রাগীব যুক্ত হওয়ার পর ঘুরে দাঁড়ায় জাদুপিসি। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান নাভিদ মাহবুব ও মাসরুর হান্নানের অর্থায়নে ভালোভাবে এগিয়ে চলছে জাদুপিসি। এ ছাড়া সহপ্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান কারিগরি কর্মকর্তা রাগীব এহসানের স্বপ্ন তো আছেই, সঙ্গে প্রধান পণ্য কর্মকর্তা তাহমিদ আবির। আগামী মাসেই ডেভেলপারদের জন্য ১ হাজার জাদুপিসি বাজারে আনতে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। একই সঙ্গে একটি পরীক্ষামূলক স্ক্র্যাচ প্রোগ্রামিং, রোবটিকস নিয়ে ৫০টিরও বেশি স্কুলে কাজ করার কথা জানান তিনি। জাদুপিসির সঙ্গে রয়েছে একটা করে জাদুর বাক্স রোবটিকস কিট, যার মাধ্যমে শিশুরা রোবটিকসও শিখতে পারবে।


লক্ষ্য স্মার্ট বাংলাদেশ

চলতি বছর কোম্পানিটি ১০ হাজার ইউনিট  জাদুপিসি বিক্রি করতে চায়। ২০২৬ সালের মধ্যে এক কোটি মানুষের হাতে জাদুপিসি পৌঁছে দিতে চায় তারা। মাসরুর হান্নান বলেন, দেশের অধিকাংশ মানুষ এখনও  কম্পিউটার সুবিধার বাইরে। অথচ ২০৪১ সালে যে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের স্বপ্ন, সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে নতুন প্রজন্মের শিশু-কিশোরদের হাতে কম্পিউটার তুলে দেওয়ার বিকল্প নেই। আমাদের চাওয়া, প্রত্যেকটি শিশু স্কুলে যাক, তাদের হাতে বইয়ের পাশাপাশি থাকুক কম্পিউটার ডিভাইস। আর সেই কম্পিউটার ডিভাইস হোক জাদুপিসি। জাদুপিসির স্ক্রিনে তারা বিশ্বকে আবিষ্কার করুক। স্মার্ট বাংলাদেশের স্মার্ট প্রজন্ম দেশকে তুলে ধরুক নতুন উচ্চতায়। সূত্র : সমকাল


কাজী সাহেব,নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছেন না, 

 বিয়ের দেনমোহর মাত্র ১০০১ টাকা !!!


কাজী সাহেব,নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছেন না, বিয়ে পড়াচ্ছেন আজ ১৪বছর ধরে- এমন অদ্ভুত কথা কখনো শোনেন নাই। দেনমোহর মাত্র ১০০১ টাকা? কনে পক্ষের মুরুব্বিদের মুখে কথা নাই। 

ছেলে পক্ষের মুরুব্বিরা অবাক! এটা হয় না-কি ? উভয় পক্ষ বরের ওপর চরম বিরক্ত, নানাভাবে তাকে বুঝানোর চেষ্টা চলছে। হট্টগোল দেখে বিয়ের মঞ্চ থেকে নেমে এলো কনে, এক মুরুব্বি এগিয়ে গেলেন মেয়ের কাছে। 

মাঃ ছেলে বলছে দেনমোহর মাত্র ১০০১টাকা।

কনে, হ্যাঁ জানি; এটা আমার'ই ডিসিশান।

কি বলছো তুমি ? ১০০১টাকায় বিয়ে দেবো ? আমাদের মেয়ে কি এত শস্তা?

তোমরা কি আমাকে বিয়ে দিচ্ছো নাকি বিক্রি করছো?

না, বিক্রি হবে কেন?

তা'হলে সস্তা-দামীর কথা উঠলো কেনো ? আচ্ছা; বলো- আমার দাম কত ? ঠিক কত টাকা হলে তোমাদের মনে হয় আমাকে দিয়ে দেয়া যায় ?

তোমার দাম আবার কি ? মানুষের কোন দাম ঠিক করা যায় না-কি ? মানুষ অমূল্য।

মানুষ অমূল্য বলেই আমরা কোন দাম ঠিক করিনি; একটা প্রতীকী দেনমোহর ধার্য করেছি মাত্র।

দেনমোহর একটা সিকিউরিটি মানি; তোমার সিকিউরিটির চিন্তা আমরা করবো না ?

আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স করেছি; 

এখন ভালো চাকুরী করছি। আমার সিকিউরিটি হাসবেন্ডের কাছ থেকে নিতে হবে কেন? আমি নিজের খরচ নিজেই চালাতে পারবো, ইনশাআল্লাহ্ 

কিন্তু ইসলামী শরীয়াহ্ ?

শোন! তোমরা এখন একটা বড় অ্যামাউন্ট ঠিক করলে কি হবে ? ও কি সেটা এখন দিতে পারবে ? ওর পুরো সেভিংস বিয়েতে খরচ হয়ে গেছে আর ও কখনো'ই ওর বাবার কাছ থেকে টাকা নেবে না। তা'হলে ? 

ইসলামী শরীয়াহ্ বলে সংসার শুরুর আগেই দেনমোহর শোধ করতে হবে। বাংলাদেশের কতজন মেয়ে দেনমোহরের টাকা পায় ? গহনা বাবদ কিছু উসুল দেখায়; যেই গহনা আসলে গিফট দেবার কথা আর বাকিটা কাগজে কলমেই থেকে যায়।

এই হিপোক্রেসির কি দরকার?

পরে যদি কিছু হয় ?

ডিভোর্সের কথা বলছো ? আমি বিয়ের আগেই ডিভোর্সের কথা ভাবি না। হাসবেন্ড আমাকে পছন্দ করছে না কিন্তু বড় দেনমোহরের ভয়ে ডিভোর্স ও দিচ্ছে না। 

এই দয়ার জীবন আমি চাই না। যদি কখনো আমাদের মাঝে দূরত্ব আসে; তা'হলে আমি স্বেচ্ছায় ওকে ছেড়ে দিবো। যে মানুষটাকেই আমি পেলাম না; তার টাকা নিয়ে বাকি জীবন চালাবো- এতটা খারাপ অবস্থা আমার আসবে না ইনশাআল্লাহ। 

আমার একটা আত্মসম্মান আছে। আর সম্মান নিয়েই বেঁচে থাকতে চাই।

সম্পর্ক নিয়ে,যারা অশান্তিতে আছেন লেখাটি তাদের জন্য।

 সম্পর্ক নিয়ে,যারা অশান্তিতে আছেন লেখাটি তাদের জন্য।


▪️সম্পর্কের প্রথমে হলো বিশ্বাস। 

এই বিশ্বাসটাই একটা সম্পর্কের মূল, যে সম্পর্কে বিশ্বাস নেই সে সম্পর্ক টিকে থাকে না।


▪️সম্পর্কের দ্বিতীয় হলো সন্মান। 

যে সম্পর্কে সন্মান নেই একজন একজনকে সন্মান দেয় না, সে সম্পর্ক টিকে থাকে না।


▪️সম্পর্কের তৃতীয় হলো সেক্রিফাইস। 

এই সেক্রিফাইস টা যদি দু'জন দু'জনকে সেক্রিফাইস করতে না পারে, সে সম্পর্ক টিকে থাকে না।


▪️সম্পর্কের মধ্যে তৃতীয় ব্যাক্তি।

সম্পর্কের মধ্যে তৃতীয় মানুষকে সুযোগ দিবেন না।

তাহলে ওই সম্পর্ক টিকে থাকবে না।


এবার আসি মূল কথায়⬇️


▪️একটা সম্পর্কের মধ্যে উপরের ৪টি কথাই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 

বিবাহিত জীবন শুরু করা খুবই কষ্টকর,যদি আপনি উপরের তিনটি কথা মানতে না পারেন।


▪️বিবাহিত জীবনে নানান সমস্যা হবে সবকিছুকে দোষ ভেবে আলাদা হয়ে যাবেন না। দোষ কোথায় সেটা খোঁজার চেষ্টা করুন। দেখবেন নিজেই সমস্যার সমাধান করতে পারবেন। 


▪️আপনি জানেন আপনার দোষ তারপর ও আপনি চুপ থাকেন, দেখবেন অনেক সহজ হয়ে গেছে সবকিছু। 


▪️এক/দুই কথায় সম্পর্কের মধ্যে তৃতীয় মানুষকে আসতে দিবেন না।নিজেরা বসে সমাধান করার চেষ্টা করুন।


▪️কখনো ডিভোর্সের কথা কখনো মাথায় ও আনবেন না।ডিভোর্সে কখনো শান্তি আনতে পারে না।আপনি মনে করেন যে, ডিভোর্স দিলে হয়তো আমি মুক্তি পেয়ে যাবো,আসলে তা কখনো হয় না,সমাজের এক/দুইটা ডিভোর্সী ভাই/বোন দেরকে প্রশ্ন করে দেখুন যে তারা কেমন আছেন? তাদের নিজ পরিবার এবং সমাজের মানুষের সাথে কেমন সম্পর্ক এবং সমাজ তাদেরকে কোন চোখে দেখে সেটা একবার কল্পনা করুন,নিজেই তার প্রমাণ পেয়ে যাবেন। 


▪️আপনাদের সম্পর্কের মধ্যে কি সমস্যা?  কি কারণে বিছিন্ন হতে চাচ্ছেন এগুলোর সমাধান খুঁজুন। ওই বিষয় গুলো ত্যাগ করতে চেষ্টা করুন, দেখবেন সমাধান আপনার হাতেই।

রাগ / অহংকার / জেদ এগুলো ত্যাগ করে প্রিয় মানুষের সাথে সংসার করতে শিখুন। দেখবেন পৃথিবীতে আপনার মতো সুখী মানুষ আর কেউ হবে না।


▪️এসব কথা গুলো যদি আপনি মানতে না পারেন,তাহলে আপনার জন্য সংসার নয়।আপনি কখনোই কোথাও সুখী হবেন না।


▪️ভালো থাকুক পৃথিবীর সকল সম্পর্কের মানুষ গুলো।ভালো থাকুক প্রিয় মানুষ গুলো।

❤️🥀

বীম কাকে বলে? কত প্রকার ও কী কী?

 বীমঃ

* বীম কাকে বলে? কত প্রকার ও কী কী?

উ: বীম এক প্রকার আনুভূমিক কাঠামো, যা এক বা একাধিক খুটি,কলাম,পিলার,দেওয়াল ইত্যাদি উপর অবস্থান করে এবং এর আরোপিত লোডকে সাপোর্ট এ স্থানান্তরিত করে।


বীম ৫ প্রকার।যথা-

i)সাধারণভাবে স্থাপিত বীম

ii)ক্যান্টিলিভার বীম

iii)ঝুলন্ত বীম

iv)আবদ্ধ বীম

v)ধারাবাহিক বীম


#সাধারণভাবে_স্থাপিত_বীম(Simply Supported beam):যে সকল বীমের উভয় প্রান্ত মুক্ত অবস্থায় সাপোর্টের উপর অবস্থান করে লোড বহন করে তাকে সাধারণভাবে স্থাপিত বীম(Simply Supported beam)বলে।


#ক্যান্টিলিভার_বীম(Cantilever beam):যে সকল বীমের একপ্রান্ত দৃঢ় ভাবে আবদ্ধ এবং অন্য প্রান্ত মুক্ত অবস্থায় থেকে লোড বহন করে তাকে ক্যান্টিলিভার বীম(Cantilever beam)বলে।


#ঝুলন্ত_বীম(Over hanging beam):যে সকল বীমের এক প্রান্ত বা উভয় প্রান্তই সাপোর্টের বাহিরে বাড়ানো অবস্থায় লোড বহন করে।তাকে ঝুলন্ত বীম(Over hanging beam)বলে।


#আবদ্ধ_বীম(Fixed beam):যে সকল বীমের উভয় প্রান্তই সাপোর্টের সাথে দৃঢ়ভাবে আবদ্ধ থাকা অবস্থায় লোড বহন করে তাকে আবদ্ধ বীম(Fixed beam)বলে।


#ধারাবাহিক_বীম(Continuous beam):যেসকল বীম একাধিক সাপোর্টের উপর অবস্থান করে এর উপর আরোপিত লোড বহন করে থাকে ধারাবাহিক বীম(Continuous beam)বলে।


২.বীমে কী কী ধরননের লোড কাজ করে?

উ: ৩ ধরনের লোড কাজ করে।যথা-

i)কেন্দ্রিভূত লোড

ii)সমভাবে বিস্তৃত লোড

iii)অসমভাবে বিস্তৃত লোড


৩.বীমের উপর কী কী লোড ক্রিয়া করে?

উ: বীমের উপর ৩ ধরনের লোড ক্রিয়া করে।যথা-

i)নিশ্চল ভর

ii)সচল ভর

iii)পারিপার্শ্বিক ভর


৪.বীম কি ধরনের ফোর্স ফেল করে?

উ: টেনশন ফোর্স।


৫. বীমে স্টিরাপ কেন ব্যবহার করা হয়?

উত্তর: শিয়ার ফোর্স প্রতিরোধে এবং ডায়াগোনাল টেনশনকে চেক দেওয়ার জন্য ।


৬.বীমের চাপ এলাকা (Compression zone) ও টান এলাকা (Tension zone)কাকে বলে?

উ: বীমের নিরপেক্ষ অক্ষ থেকে সর্ব উপরি তল পর্যন্ত এলাকা কে চাপ এলাকা বা Compression zone বলে।


নিরপেক্ষ অক্ষ থেকে সর্বনিম্ন তল পর্যন্ত এলাকাকে টান এলাকা বা Tension zone বলে।


৭.স্টিরাপ প্রয়োগ করেও কখন বীমে ব্যর্থ রোধ করা যায় না?

উ:কোন R.C.C বীমে সৃষ্ট শিয়ার পীড়নের মান কংক্রিট ও স্টীলের অনুমোদনযোগ্য শিয়ার পীড়নের মানের চেয়ে বেশি হলে।


৮.লোডের কারনে R.C.C বীম কিভাবে ব্যর্থ হতে পারে?

উ:৩ ভাবে ব্যর্থ হতে পারে।যথা-

i)প্রসারণ স্টীলে ব্যর্থ

ii)সংকোচন কংক্রিটে ব্যর্থ

iii)প্রসারন স্টিল ও সংকোচন কংক্রিট একই সাথে ব্যর্থ


৯.ক্যান্টিলিভার বীমের প্রধান রড কোথায় ব্যবহার করা হয়?

উ: মোমেন্টের মান সবসময় ঋণাত্মক হয় বলে প্রধান রড বিমের উপরিভাগে দেয়া হয়।


১০.টি-বীম কাকে বলে?

উ: বীম এবং স্ল্যাব একত্রে ঢালাই করলে এবং বীম ও স্ল্যাব সম্মিলিত অংশ দেখতে T এর মত হয়,একে টি-বীম বলে।


১১.বীমে সর্বনিম্ন কভারিং কত ধরা হয়?

উ: ১.৫"।


১২. বীম তদন্ত কেন করা হয়?

উ: বীমের প্রকৃত পীড়নদ্বয় অর্থাৎ fc ও fs এর মান নির্নয় করে বীম আরোপিত লোডে নিরাপদ কিনা যাচাই করার জন্য বীম তদন্ত করা হয়।


১৩. বীমে ব্যবহৃত রডের ক্র‍্যাংক করার পদ্ধতিটা কি?

উ: সাধারণভাবে স্থাপিত উভয় প্রান্তে সাপোর্ট থেকে L/7 দুরত্বে এবং আংশিক অবিচ্ছিন্ন বীমের অবিচ্ছিন্ন প্রান্তে এবং ধারাবাহিক বীমের উভয় প্রান্তে সাপোর্ট থেকে L/5 দুরত্বে ক্র‍্যাংক করা হয়।


১৪.বীমের শাটারিং এ খাড়া দিক ও তলার ঠেকনা কতদিন পর খোলা হয়?

উ: খাড়া দিক ১-২ দিন পর এবং ঠেকনা ৭ দিন পর।


১৫.বীমের আর সি সি কাজে কী হারে রড ব্যবহার করা হয়?

উ: ১%-২% হারে।


১৬.বীমে বা স্ল্যাবে ক্র‍্যাংক বার কেন ব্যবহার করা হয়?

উ : ঋণাত্মক বেন্ডিং মোমেন্ট ও সাপোর্টের কাছাকাছি সর্বাধিক শিয়ার ফোর্সকে প্রতিরোধের জন্য ।


১৭.ঢালাই এর আগে কি কি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে?

উ: ঢালাইয়ের আগে ফর্মওয়ার্ক, রডের সঠিক অবস্থান,স্পেসিংঅর্থাৎ ড্রইং মোতাবেক হয়েছে কিনা,ক্লিয়ার কভার চেক, বেশি উচু থেকে কংক্রিট না ঢালা,বৃষ্টির দিন হলে পলিথিনের ব্যবস্থা রাখা,ভালোভাবে ভাইব্রেটর করা,সর্বোপরি ঢালাই পর্যন্ত সাথে থাকা।


১৮.বীমে বা স্ল্যাবের এক্সটা টপ কেন ব্যবহার করা হয়?

উত্তর :লোডের তীব্রতা হ্রাস করার জন্য ।


১৯.কনসিল বীম কি ?


উত্তর : কনসীল বীম এর অন্য একটি নাম হলো হিডেন বীম। স্ল্যাবের সমান পুরুত্বের বীমকে কনসীল বীম বলা হয়ে থাকে।


#বিস্তারিত :

মুলত ফ্লাট স্ল্যাবে কলাম বরাবর যেভাবে স্ট্রীপ চিন্তা করে অতিরিক্ত রিইনফোর্সমেন্ট দেয়া হয়, এমন চিন্তা থেকেই এই কনসীল বীমের ধারণা এসেছে। তবে ইঞ্জিনিয়ারিং এ এই কনসীল বীম হিসাবে আসলে তেমন কিছু নেই।


200 মিমি এর নিচের পুরত্বের কোন ছাদে এই জাতীয় বীম ব্যবহার করা উচিত না। তবে সবসময়ই এই কনসীল বীম পরিহার করে চলা উচিত।


যদি করতেও হয় তাহলে শুধু বীম নয়, পুরো স্ল্যাব সহ মডেলটি এনালাইসিস করতে হবে।


কনসীল বীমের জন্য কলামের পাঞ্চিং শেয়ার অবশ্যই চেক করে নিতে হবে।

ইকড়ি মিকড়ি চাম-চিকড়ি, চামের কাঁটা মজুমদার,

 “ইকড়ি মিকড়ি চাম-চিকড়ি,

চামের কাঁটা মজুমদার,

ধেয়ে এল দামোদর।

দামোদরের হাঁড়ি-কুঁড়ি,

দাওয়ায় বসে চাল কাঁড়ি।

চাল কাঁড়তে হল বেলা,

ভাত খাওগে দুপুরবেলা।

ভাতে পড়ল মাছি,

কোদাল দিয়ে চাঁছি।

কোদাল হল ভোঁতা,

খা কামারের মাথা।”


ছোটবেলায় আমরা অনেকেই এই ছড়াটি পড়েছি। কিন্তু কখনো কি ভেবেছি নান্দনিক ছন্দের এই ছড়াটির অর্থ কি? এই ছড়া কোন ইতিহাস বয়ে বেড়ায় কিনা?


এই প্রশ্ন করলে হয়তো এই উত্তরই আসবে যে শিশুদের নির্ভেজাল আনন্দের জন্য এই ছড়ার রচনা হয়েছে। কিন্তু সত্যটা বেশ করুণ। আদতে আনন্দের ছিঁটেফোঁটাও নেই এই ছড়ায়, শিশুদের জন্য তো না বটেই।


মূলত এই ছড়ায় ছড়াকার অসাধারণ দক্ষতার সাথে চিরন্তন বাংলার সাধারণ মানুষের দুঃসহ আর্থ-সামাজিক অবস্থা তুলে ধরেছেন। চলুন এবার ছড়াটির প্রতিটি শব্দ ও পংক্তি ধরে বিশ্লেষণ করে দেখি।


'ইকড়ি' অর্থ সংসার পরিপালনের জন্য সারাদিন খেটেখুটে কঠোর পরিশ্রম করা। কিন্তু তাতেও যখন সংসার চলে না, তখন প্রয়োজন হয় 'মিকড়ি', অর্থাৎ আরও কিছু অতিরিক্ত উপার্জনের চেষ্টা করা। 'চাম' অর্থ রুজি-রোজগারের এলাকা। আর 'চিকড়ি' অর্থ সেই রোজগারের এলাকায় ঘুরে ঘুরে কিছু (অর্থ বা ফসল) উপার্জন করে তা ঘরে নিয়ে আসা।


কিন্তু সমস্যা হয়ে দাঁড়ায় এই "চামের কাঁটা মজুমদার"। 'মজুমদার' মূলত এক প্রকার রাজকর্মচারীর পদবী যার কাজ ছিল খাজনা বা রাজস্ব আদায় ও হিসেব রাখা। আর তাই অনেক সময় খাজনা আদায়ের নামে দরিদ্র খেটে খাওয়া মানুষের সর্বস্ব কেড়ে নিয়ে যেত বলে তাকে পথের কাঁটা বলা হয়েছে।


আর অতঃপর "ধেয়ে এল দামোদর"। এই 'দামোদর' হলো মূলত ফড়ে-পাইকারের দল, যারা সাধারণ কৃষকের উৎপাদিত ফসল অথবা কুমারের বানানো তৈজসপত্র স্বল্প দামে কিনে নিয়ে বাজারে চড়া দামে বিক্রি করতো।


কিন্তু এই দামোদর শুধু এসেই ক্ষান্ত হয় না। এখানে বলা হয়েছে "দামোদরের হাঁড়ি-কুঁড়ি"। এর অর্থ হলো, তারা যখন আসে তখন সাথে করে হাঁড়ি কুঁড়ি নিয়ে আসে। অর্থাৎ খেটে খাওয়া মানুষের উৎপাদিত সব দ্রব্য সাথে করে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিয়ে আসে।


এরপর বলা হয়েছে "দাওয়ায় বসে চাল কাঁড়ি", অর্থাৎ মজুমদার আর ফড়ে পাইকারের থেকে লুকিয়ে যেটুকু চাল বাঁচানো গিয়েছে, এবার সেটা দিয়েই ঘরের দরজায় বসে ভাত রাঁধার প্রস্তুতি শুরু।


কিন্তু "চাল কাঁড়তে হল বেলা", অর্থাৎ এতসব ঝামেলা ঝক্কি সামলাতে সামলাতে ভাত রাঁধায় দেরী হয়ে যায়। তাই "ভাত খাওগে দুপুরবেলা", অর্থাৎ প্রথম প্রহরে বা সকালে খাওয়া আর সম্ভব হয় না। একেবারে দ্বিপ্রহরে বা দুপুরে খেতে হয়।


কিন্তু খাবে কী করে! কারণ "ভাতে পড়ল মাছি"। এখানে 'মাছি' বলতে আসলে চোরকে বুঝানো হয়েছে। অর্থাৎ গরীবের যে যৎসামান্য খাদ্য, তারও শেষ রক্ষা হয় না। ছিঁচকে চোর সেটাও চুরি করে নিয়ে যায়। তাই "কোদাল দিয়ে চাঁছি"। এই 'কোদাল'ও আক্ষরিক অর্থে ব্যবহৃত হয়নি। বরং কোদাল বলতে এখানে কোতোয়াল বা পুলিশের কথা বুঝানো হয়েছে। অর্থাৎ পুলিশের কাছে গিয়ে চোরের ব্যাপারে নালিশ করা হয়েছে।


তবে তাতেও যে গরীব মানুষের হয়রানি কম হয়, তা কিন্তু নয়। কারণ "কোদাল হল ভোঁতা"। অর্থাৎ পুলিশ বা কোতোয়াল কোন কাজই করে না। আর তাই "খা কামারের মাথা"। অর্থাৎ এই কোদাল যে কামার বানিয়েছে, মানে পুলিশ কোতোয়াল সৃষ্টিকারী গ্রামের উচ্চপর্যায়ের লোকেরা, শেষমেশ তাদের কাছে গিয়েই এই হতদরিদ্র মানুষ গুলোর মাথা কুটে কাঁদতে হয়।


সুতরাং এক কথা বললে, এই ছড়ায় ছড়াকার গ্রাম বাংলার সেই খেটে খাওয়া মানুষের জীবনবৃত্তান্ত তুলে ধরেছেন যে কিনা কঠোর পরিশ্রম করেও জমিদার, খাজনা আদায়কারী, অসাধু ব্যবসায়ী, চোর, পুলিশ এদের উপদ্রবে নিজের পরিবারের জন্য দু' বেলার খাবারও জোটাতে পারে না।


তথ্যসূত্রঃ

১। কলিম খান ও রবি চক্রবর্তী, "বঙ্গীয় শব্দার্থকোষ", ভাষাবিন্যাস

২। ড. মোহাম্মদ আমিন, "ইকড়ি মিকড়ি : অসাধারণ অর্থপূর্ণ একটি ছড়া", ব্লগ পোস্ট

জমি নামজারির পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত জানুন।

 ◆ জমি নামজারির পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত জানুন।


যা যা লাগবেঃ

১) জমির দলিল এর সার্টিফাইড কপি/মূল কপি।

২) এস এ খতিয়ান, আর এস খতিয়ান বা যে খতিয়ান থেকে দলিল হয়েছে সেইটার কপি।

৩) ওয়ারিশান সনদ (হাল) এর কপি যদি ওয়ারিশ সম্পত্তি হয়।

৪) ছবি (যদি জন্ম নিবন্ধন দিয়া নামজারী হয়)।

৫) বায়া দলিল এর কপি যদি প্রয়োজন হয়।

৬)মোবাইল নাম্বার।

৭) এনআইডি/জাতীয় পরিচয়পত্র।

৮) কর/খাজনার রশিদ।


🔴প্রথম কাজঃ

এইসবগুলা ডকুমেন্ট নিয়ে নাগরিক/কম্পিউটার কর্ণার থেকে অনলাইনে আবেদন করবেন। একটা আইডি নাম্বার পড়বে বা কেস নাম্বার এটা আপনার মোবাইলে সাথে সাথে এসএমএস পাবেন।


🔴দ্বিতীয় কাজঃ

আবেদন ফাইল কপি ইউনিয়ন ভূমি অফিস এ যাবে তদন্তে আপনার সব কিছু ঠিক থাকলে ইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে প্রস্তাব পাঠাবে উপজেলা ভূমি অফিসে।

🔴তৃতীয় কাজঃ এসিল্যান্ড অফিস আপনাকে একটি শুনানির তারিখ দিবে এসএমএসের মাধ্যমে। কাজ সম্পন্ন হলে তারপর ডিসিআর ফি দিয়ে দুই একদিন পর অনলাইনে কিউআর কোডযুক্ত নামজারি তুলতে পারবেন। পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে ১৫ থেকে ২০ দিন সময় লাগতে পারে। মোট খরচ হবে ১১৭০ টাকা।



সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ১৭-০১-২০২৫ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ১৭-০১-২০২৫ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘোষণাপত্র চূড়ান্ত করতে সর্বদলীয় বৈঠক - অন্তর্বর্তী সরকার ঐক্যের মাধ্যমে জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে - সূচনা বক্তব্যে বললেন প্রধান উপদেষ্টা।


ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য ধরে রাখাই সবচেয়ে জরুরি - সর্বদলীয় বৈঠক শেষে মন্তব্য করলেন বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন আহমেদ।


জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ  ৮’শো ৩৪ জনের গেজেট প্রকাশ।


১৭ বছর পর কারামুক্ত হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর।


বিশ্বে চতুর্থ সফল দেশ হিসেবে স্পেস ডকিং টেকনোলজির সূচনা করেছে ভারত। 


চট্টগ্রামে বিপিএল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ফরচুন বরিশাল ও চিটাগং কিংসের নিজ নিজ খেলায় জয়লাভ - দুর্বার রাজশাহী – সিলেট স্ট্রাইকার্সের এবং চিটাগং কিংস – রংপুর রাইডার্সের মুখোমুখি হবে আজ।

কাপড় শুখাতে গিয়ে গোপনীয়তা হারাবেন না

 বারান্দায় কাপড় শুকোতে দেয়া আমাদের মা-বোনদের নিত্যদিনের অভ্যাস। বিশেষত শহুরে ফ্ল্যাটে বারান্দা ছাড়া উপায়ও নেই যেন। তবে এ ক্ষেত্রে অনেকেই মস্তবড় ভুলটি করে বসেন। শহরের ঘিঞ্জি এলাকায় তারা বারান্দায় কাপড় শুকোতে দিয়ে রাখেন, এমনকি পরিধেয় বিশেষ পোশাকটিও তারা বারান্দায় উন্মুক্তভাবে রোদে দেন। এতে কিছু সমস্যা হতে পারে।

.

যেমন আশেপাশের ফ্ল্যাট থেকে এসব কাপড়ের দিকে লোলুপ দৃষ্টি দেয়া হয়। এরপর এটা সীমা ছাড়িয়ে ইভটিজিংয়ে পরিণত হয়। ইভটিজিং না হলেও দুশ্চরিত্র ব্যক্তিরা এসব কাপড় দেখেই অনেক মাপজোখ করে ফেলে। এরপর থেকে অসৎ উদ্দেশ্যে বারবার উঁকিঝুঁকি মারতে থাকে।

.

এ জন্য উত্তম হলো, বারান্দায় বড় কাপড় দিয়ে পর্দা লাগিয়ে দেয়া। কমপক্ষে গাঢ় কালারের নেট-জাতীয় পর্দা হলেও লাগিয়ে নেয়া যেতে পারে। এরপর বারান্দায় কাপড় শুকানো। অথবা বারান্দায় দুই স্তর করে রশি লাগানো। সামনের দিকে পুরুষদের কাপড় দিয়ে ভেতরের দিকে মহিলাদের কাপড় শুকাতে দেয়া। এতে করে বাইরে থেকে শুধু পুরুষদের কাপড়গুলোই দেখা যাবে।

.

কাপড় শুকানোর পর রশিতে তা ফেলে না রাখা। অনেকেই একদিন গোসল করে কাপড় শুকাতে দেয়ার পর পরদিন গোসলের সময় রশি থেকে কাপড় আনতে যান। আবার কেউ কেউ ছাদেও সারারাত ধরে কাপড় ফেলে রাখেন। এতেও বদজিনের আছর পড়ার সমূহ আশঙ্কা থাকে।

.

এ ক্ষেত্রে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কাপড় পরার সময় সব সময় বিসমিল্লাহ বলে পরা। পোশাক-আশাক খোলা ও পরিধানের সময় দুআ পড়া। এবং নিরাপত্তার দুআসমূহের ওপর আমল করা।




হার্নিয়ার(Hernia) হোমিও ঔষধসমূহ

 🛑হার্নিয়ার(Hernia) হোমিও ঔষধসমূহ🛑 ♦️Lycopodium - ডান পাশে হার্নিয়া ।  - গ্যাস, অম্বল, পেট ফোলা ।  - ক্ষুধা কম আবার না খেতে পারলে শরীর কাঁ...