এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৫

ফার্সি গদ্যের জনক মহাকবি শেখ সাদি'র জীবন বদলে দেওয়ার মতো ১৫টি বিখ্যাত উপদেশ :-     *******************

 ফার্সি গদ্যের জনক মহাকবি শেখ সাদি'র জীবন বদলে দেওয়ার মতো ১৫টি বিখ্যাত উপদেশ :-

    *******************


’ ফার্সি গদ্যের জনক মহাকবি শেখ সাদি দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাভাষী পাঠকের কাছে অতি প্রিয় কবি। শুধু বাঙালিই নয় বিশ্বজুড়ে তিনি অত্যন্ত সমাদৃত। তার ১৫টি বিখ্যাত উপদেশ যা কিনা আপনার জীবনকে বদলে দিবে।


১. তিন জনের নিকট কখনো গোপন কথা বলিও না- (ক) স্ত্রী লোক. (খ) জ্ঞানহীন মূর্খ. (গ) শত্রু।


২. অকৃতজ্ঞ মানুষের চেয়ে কৃতজ্ঞ কুকুর শ্রেয়।


৩. আমি আল্লাহকে সবচেয়ে বেশী ভয় পাই, তার পরেই ভয় পাই সেই মানুষকে যে আল্লাহকে মোটেই ভয় পায় না।


৪. এমনভাবে জীবনযাপন করে যেন কখনো মরতে হবে না, আবার এমনভাবে মরে যায় যেন কখনো বেচেই ছিল না।


৫. হিংস্র বাঘের উপর দয়া করা নিরীহ হরিণের উপর জুলুম করার নামান্তর।


৬. যে সৎ, নিন্দা তার কোন অনিষ্ঠ করতে পারে না।


৭. প্রতাপশালী লোককে সবাই ভয় পায় কিন্তু শ্রদ্ধা করে না।


৮. দেয়ালের সম্মুখে দাঁড়িয়ে কথা বলার সময় সতর্ক হয়ে কথা বলো, কারন তুমি জান না দেয়ালের পেছনে কে কান পেতে দাঁড়িয়ে আছে।


৯. মুখের কথা হচ্ছে থুথুর মত, যা একবার মুখ থেকে ফেলে দিলে আর ভিতরে নেওয়া সম্ভব নয়। তাই কথা বলার সময় খুব চিন্তা করে বলা উচিত।


১০. মন্দ লোকের সঙ্গে যার উঠা বসা, সে কখনো কল্যানের মুখ দেখবে না।


১১. দুই শত্রুর মধ্যে এমন ভাবে কথাবার্তা বল, তারা পরস্পরে মিলে গেলেও যেন তোমাকে লজ্জিত হতে না হয়।


১২. বাঘ না খেয়ে মরলেও কুকুরের মতো উচ্ছিষ্ট মুখে তুলে না।


১৩. ইহ-পরকালে যাহা আবশ্যক তাহা যৌবনে সংগ্রহ করিও।


১৪. কোন কাজেই প্রমাণ ছাড়া বিশ্বাস করিও না ।


১৫. অজ্ঞের পক্ষে নীরবতাই হচ্ছে সবচেয়ে উত্তম পন্থা। এটা যদি সবাই জানত তাহলে কেউ অজ্ঞ হত না।


(সংগৃহীত)

♥♦♥

একজন পুরুষ কেমন স্ত্রী অপছন্দ করে?,, আউলা ঝাউলা ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ◑ একজন পুরুষ কেমন স্ত্রী অপছন্দ করে?


•  অভিযোগকারিণী নারী : যে নারী সমস্যা ও জটিলতা সৃষ্টি করতেই থাকে। যখন স্বামী ঘর থেকে বেরোয়, তখন সে রাগ করে; যখন স্বামী ঘরে ফিরে আসে, তখনও রাগ করে। একটা দিনও তার কারণে ঝগড়া ছাড়া যায় না।


• প্রশ্নকারী নারী : যে নারী সব সময় তার স্বামীর পেছনে লেগে থাকে প্রশ্ন নিয়ে—কী চিন্তা করছেন? কী কাজে ব্যস্ত? আপনি বদলে যাচ্ছেন? কখন আমরা ঘুরতে যাব? এমন নারী সব সময় কিছু না কিছু বলতে থাকবেই আর স্বামীর স্নায়ুতে আঘাত করে করে স্বামীর ধৈর্যের পরীক্ষা নিতে থাকবে। যদিও স্বামী ক্লান্তও হয়ে পড়ে তার কথা শুনতে শুনতে, অথবা কাজে ব্যস্তও থাকে, তবুও সে তার কথা থামাবে না।


• হঠকারী নারী : যে নারী সব সময় তার স্বামীর সামনে হঠকারিতা করতে থাকে। কখনো স্বামীর কথা শুনে না। স্বামীর কোনো কথা-আদেশের অনুসরণ করে না; বরং তার উলটোটা করে। সে তার অভিমতের ওপরই সব সময় দৃঢ় থাকে। খুব কমই তার স্বামীর কথায় তার মন ভেজে।


• উদাসীন নারী : যে নারী নিজের খেয়াল রাখে না, নিজের কাপড়-চোপড়ের খেয়াল রাখে না, বাড়ির পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার খেয়াল রাখে না।


• সংশংয়বাদী নারী : যে নারী নিজের ওপর বিশ্বাস রাখতে পারে না। সব সময় মনে করে তার স্বামী অন্য কোনো নারীর পেছনে লেগে আছে বা তাকে ছাড়া অন্য কোনো নারীকে নিয়ে ভাবছে। 


এরপর সে তার স্বামীর পেছনে পড়ে যে, তার সন্দেহ ঠিক না ভুল। সে তালাশ করে তার স্বামীর পকেটে, স্বামীর অফিসের কাগজপত্রের ভেতরে বা তার ব্যক্তিগত লাইব্রেরিতে তার সংশয়ের অনুকূলে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় কি না।


• আদবহীন নারী : যে নারী ইসলাম ও শরিয়তের কোনো আদব ও নিয়মের ধার ধারে না, যা ইচ্ছে পরে, যেমন ইচ্ছে তেমন আচরণ করে।


• ধোঁকায় পড়ে থাকা নারী : যে নারী তার আশপাশের লোকদের সামনে অহংকার করে বেড়ায়। অন্যদের সামনে ভাব নেয় যে, তাকে বিয়ে করার মতো কোনো পুরুষ পৃথিবীতে নেই।


• মিথ্যাবাদী নারী : মিথ্যাবাদী নারী হচ্ছে সবচেয়ে বিপজ্জনক নারীদের এক প্রকার।


• দাম্ভিক নারী : যে কেবল নিজের প্রতিই আগ্রহী। যদি স্বামী ঘরে থাকে, তাহলে কেবল তার সাথেই স্বামীকে সময় কাটাতে হবে। 


• বাচাল নারী : যে নারী বাচাল, তাকে নিয়ে পুরুষ খুবই ক্লান্ত ও বিরক্ত হয়ে পড়ে।


• ছোট-বড় যেকোনো অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া দেখানো নারী : সব সময় ছোট-বড় যেকোনো কারণে রাগে ফুঁসে ওঠে বা কাঁদতে শুরু করে। 


• অতিরিক্ত অভিযোগ শোনা অপছন্দ করে পুরুষ : যে নারী এখন একটা অভিযোগ নিয়ে আসে, একটু পর আরেকটা অভিযোগ নিয়ে আসে স্বামীর মানসিক সমর্থন পাওয়া পর্যন্ত। 


• যে নারী পুরুষের সম্মান খর্ব করে সে নারীকে সে অপছন্দ করে। পুরুষের সম্মানে ঘা দেওয়া খুবই সহজ; কিন্তু এ আঘাতের চিকিৎসা করা খুবই কঠিন।


• এমন স্ত্রী যে তার স্বামীর হাল-অবস্থার কোনো কেয়ার করে না। এ নারী স্বামীর কাছে কেবল খারাপ সংবাদ বা পারিবারিক সমস্যা নিয়েই হাজির হয়। ঘরে আসার সাথে সাথে বা ঘুমানোর সময় এসে এসবের ফিরিস্তি খুলে বসে।... তার স্বামী চিন্তিত থাকে, আর সে এক গালে হাসতে থাকে বা স্বামীর নিন্দা করে, তাকে ধমকাতে থাকে।


• বাজারমুখী নারী : যে নারী সব সময় বাজারে গিয়ে কেনাকাটা করতে থাকে আর কখনো সে এটাতে পরিতৃপ্ত হয় না।


• গিবতকারী নারী : যে নারী সব সময় গিবত আর ঝগড়া নিয়ে পড়ে থাকে।


• যে নারী স্বামীর ছাড় দেওয়াকে দুর্বলতা মনে করে : যখন স্ত্রীর গলার আওয়াজ উঁচু হয়, তখন স্বামী চুপ করে সবর করে। কিন্তু এ প্রকারের নারী মনে করে তার স্বামী দুর্বল। এমন সব নারী কোনো স্বামীর পছন্দ নয়।


জামায়াতে ইসলামীর সদস্য (রোকন) হতে হলে এগুলো বই পড়া লাগে।,,,, মির্জা মোহাম্মদ ঝিকু ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 জামায়াতে ইসলামীর সদস্য (রোকন) হতে হলে এগুলো বই পড়া লাগে। 

রুকন সিলেবাস (শিক্ষিত)

সদস্য সিলেবাস ‘খ’

(উচ্চ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষিত ব্যক্তিদের জন্য)


ক) সহিহ করে আল কুরআন তিলাওয়াত শিখা।


খ) আল কুরআনের মর্মকথা (তাফহীমুল কুরআনের ভূমিকা) – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি)।


গ) তাফহীমুল কুরআন সূরা আল ফাতিহা থেকে সূরা আন’আম (১ম, ২য়, ৩য় খন্ড), সূরা হাশর থেকে সূরা নাস (১৭, ১৮, ১৯ খন্ড), সূরা আল-আনফাল (চতুর্থ খন্ড), আত্‌-তাওবা (৫ম খন্ড), আল-হাজ্জ (৮ম খন্ড), আন-নূর (৯ম খন্ড), আল-আনকাবুত, লুকমান (১১শ খন্ড), আল-আহযাব (১২শ খন্ড), হামীম আস সাজদা (১৪শ খন্ড), মুহাম্মাদ, আল-ফাতহ, আল-হুজুরাত (১৫শ খন্ড) এবং আল হাদিদ (১৬শ খন্ড)।


মুখস্থকরণ :


ক) আমপারা থেকে ২৫টি সূরা অর্থসহ সহিহভাবে মুখস্থ করার চেষ্টা করা।


খ) বিষয় ভিত্তিক আয়াত মুখস্থকরণ নির্দেশিকা। নিম্নলিখিত আয়াত ও অন্যান্য আয়াত মুখস্থের চেষ্টা করা :


তাওহিদ : আয়াতুল কুরসি, সূরা হাশরের শেষ রুকু, সূরা আল বাকারা : ২৮৫।


        দাওয়াত ইলাল্লাহ : 

💠 =============💠

সূরা আলে ইমরান : ১০৪, ইউসুফ : ১০৮, আন-নাহল :১২৫, হামীম আস সাজদাহ : ৩৩ ও মায়েদা : ৬৭ নং আয়াত।


    আন্দোলন : 

🔸🔸🔸🔸🔸🔸

সূরা আন-নিসা : ৭৪ ও ৭৬, আত তাওবা : ২৪ ও ৩৮-৪১, আস-সফ : ১০ থেকে ১২, সূরা আশ শুরা : ১৩, সূরা হজ্জ : ৭৮ নং আয়াত।


    সংগঠন : 

🔸🔸🔸🔸🔸

সূরা আলে-ইমরান : ১০৩ ও ১০৪, আস্ সফ : ৪ নং আয়াত।


   তাকওয়া সংক্রান্ত : 

🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸

সূরা আল-বাকারাহ : ১৭৭ ও ২৫৫, সূরা আলে ইমরান : ১০২।


    বাইআত : 

🔸🔸🔸🔸🔸

সূরা আত-তাওবা : ১১১, আল-আন’আম : ১৬২, আল-ফাতহ : ১০ ও ১৮, মুমতাহিনা : ১২ নং আয়াত ।

ইনফাক ফি সাবিলিল্লাহ : সূরা আল-বাকারা : ২৬১, আলে-ইমরান : ৯২, আল-হাদীদ : ১১ নং আয়াত ৷


ঈমানি পরীক্ষা : 

🔸🔸🔸🔸🔸

সূরা আল বাকারা : ২১৪, আনকাবুত ১,২ ও ৩ আয়াত।


আনুগত্য : সূরা আন নিসা : ৫৯ নং আয়াত।

আল – হাদীস


ক) রিয়াদুস সালেহীন ১ম, ২য়, ৩য় ও ৪র্থ খন্ড (বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার কর্তৃক প্রকাশিত) অথবা হাদিস শরীফ ১ম ও ২য় খন্ড- মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম।

খ) বিষয়ভিত্তিক হাদিস মুখস্থ করার চেষ্টা করা : ঈমানের ভিত্তি, ইসলামের ভিত্তি, দাওয়াত, আন্দোলন, সংগঠন, বাই’আত ইনফাক ফি সাবিলিল্লাহ, মুয়ামালাত (কমপক্ষে ১০ খানা হাদিস)।

গ) সালাত ও দৈনন্দিন জীবনে পঠিত প্রয়োজনীয় দুআ-দরূদ, তাসবিহ- তাহলিল অর্থসহ সহিহভাবে মুখস্থ করা।

ঘ) সুন্নাতে রাসূলের আইনগত মর্যাদা – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি)।


আল-ফিকহ


আসান ফিকাহ ১ম ও ২য় খন্ড অথবা ফিকহ মুহাম্মদী ১ম ও ২য় খন্ড অথবা ফিকহুস সুন্নাহ ১ম খন্ড সাইয়্যেদ সাবিক।


ঈমান-আক্বীদাহ


১। তাওহীদ, রিসালাত ও আখিরাত – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

২। আল কুরআনের চারটি মৌলিক পরিভাষা – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৩। ইসলামী সংস্কৃতির মর্মকথা – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।


দাওয়াত ও তাবলিগ


৪। সত্যের সাক্ষ্য – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৫। দাওয়াত ইলাল্লাহ দায়ী ইলাল্লাহ – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৬। ইসলামী দাওয়াত ও কর্মনীতি – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।


ইসলাম ও ইবাদাত


৭। ইসলামের হাকীকত – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৮। নামাজ রোযার হাকীকত – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৯। যাকাতের হাকীকত – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

১০। হজ্জের হাকীকত – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

১১। জিহাদের হাকীকত – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

১২। ইসলাম পরিচিতি – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

১৩। শান্তিপথ – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

১৪। ইসলামের জীবন পদ্ধতি – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

১৫। ইসলাম ও জাহেলিয়াত – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

১৬। ইসলাম ও আধুনিক অর্থনৈতিক মতবাদ – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

১৭। ইসলামী অর্থ ব্যবস্থায় যাকাত – ড. জাবেদ মুহাম্মাদ ।

১৮। কবীরা গুনাহ (বিআইসি) – ইমাম শামসুদ্দীন আয যাহাবী (রাহি.)।

১৯। আর রিবা – ড. মুহাম্মাদ নুরুল ইসলাম।

২০। ইসলাম ও জাহেলিয়াতের চিরন্তন দ্বন্দ্ব – আব্বাস আলী খান (রাহি.)।


আমল-আখলাক ও মু‘আমালাত


২১। আল্লাহর নৈকট্য লাভের উপায় – মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী (রাহি.)।

২২। চরিত্র গঠনের মৌলিক উপাদান – নঈম সিদ্দিকী (রাহি.)।

২৩। ইসলামী আদাবে জিন্দেগী – মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী (রাহি.)।


ইসলামী আন্দোলন ও সংগঠন


২৪। জামায়াতে ইসলামীর কার্যবিবরণী ১ম ও ২য় খন্ড।

২৫। গঠনতন্ত্র, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

২৬। সংগঠন পদ্ধতি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

২৭। ইসলামী আন্দোলন : সাফল্যের শর্তাবলী – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

২৮। হেদায়াত – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

২৯। ইসলামী রেনেসাঁ আন্দোলন – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৩০। ইসলামী আন্দোলনের ভবিষ্যত কর্মসূচি – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৩১ । ইসলামী রাষ্ট্র কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় (ই: বিপ্লবের পথ) – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৩২। একটি সত্যনিষ্ঠ দলের প্রয়োজন – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৩৩। ভাঙ্গা ও গড়া – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৩৪। ইসলামী আন্দোলনের নৈতিক ভিত্তি – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৩৫। ইসলামের রাজনৈতিক মতবাদ – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৩৬। ইসলাম ও পাশ্চাত্য সভ্যতার দ্বন্দ্ব – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৩৭। ইসলামী আন্দোলন ও সংগঠন – মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী (রাহি.)।

৩৮। একটি আদর্শবাদী দলের পতনের কারণ ও তার থেকে বাঁচার উপায় – আব্বাস আলী খান (রাহি.)।

৩৯। ইনফাক ফি সাবিলিল্লাহ – মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী (রাহি.)।

৪০। ইসলামী আন্দোলন: সমস্যা ও সম্ভাবনা – মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী (রাহি.)।

৪১। ইসলামী সমাজ গঠনে নারী সমাজের ভূমিকা – হাফেজা আসমা খাতুন।

৪২। দ্বীন প্রতিষ্ঠায় মহিলাদের দায়িত্ব – শামসুন্নাহার নিজামী।

৪৩। অমুসলিম নাগরিক ও জামায়াতে ইসলামী – অধ্যাপক গোলাম আযম (রাহি.)।

৪৪। শ্রমিক সংকলন – কল্যাণ প্রকাশনী।

৪৫। জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক ভূমিকা – অধ্যাপক গোলাম আযম (রাহি.)।

৪৬। ইসলামী আন্দোলনের পথে আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার উপযুক্ত হওয়াই আমাদের কাজ – মকবুল আহমাদ (রাহি.)।


পারিবারিক জীবন ও সামাজিক সম্পর্ক


৪৭। স্বামী-স্ত্রীর অধিকার – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৪৮। ইসলামের দৃষ্টিতে মজুরের অধিকার – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৪৯। মাতা-পিতা ও সন্তানের অধিকার – আল্লামা ইউসুফ ইসলাহী (রাহি.)।

৫০। ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের পারস্পরিক সম্পর্ক – খুররম জাহ্ মুরাদ (রাহি.)।

৫১। মুমিনের পারিবারিক জীবন – অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউসুফ আলী (রাহি.)।

৫২। পর্দা ও ইসলাম – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৫৩। ষ্ট্যাটাস অব উইমেন ইন ইসলাম – ড. ইউসুফ আল কারযাভী (রাহি.)।

৫৪। সফল জীবনের পরিচয় – অধ্যাপক এ.কে.এম নাজির আহমদ (রাহি)।

৫৫। ইসলাম ও জাতীয়তাবাদ – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৫৬। সমাজকল্যাণ ম্যানুয়েল – জামায়াত প্রকাশনী।


সিরাত ও ইতিহাস


৫৭। সিরাতে সরওয়ারে আলম (৩য়, ৪র্থ ও ৫ম খণ্ড) – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৫৮। সিরাতে ইবনে হিশাম (বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার কর্তৃক প্রকাশিত) ইবনে হিশাম (রাহি.)।

৫৯। রাসূলুল্লাহর (সা.) বিপ্লবী জীবন – আবু সলীম মুহাম্মদ আবুল হাই (রাহি.)।

৬০। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর মক্কার জীবন – মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী (রাহি.)।

৬১। আসহাবে রাসূলের জীবনকথা ১ম, ২য় এবং ৫ম খন্ড – ড. মুহাম্মদ আবদুল মা’বুদ।

৬২। খেলাফত ও রাজতন্ত্র – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৬৩। ইসলামী জাগরণের তিন পথিকৃৎ – অধ্যাপক এ.কে.এম. নাজির আহমদ (রাহি.)।

৬৪। পলাশী থেকে বাংলাদেশ – অধ্যাপক গোলাম আযম (রাহি.)।

৬৫। জামায়াতে ইসলামীর ইতিহাস ১ম, ২য় ও ৩য় খন্ড – জামায়াত প্রকাশনী।

যাদের বাচ্চা হচ্ছে না তাদের জন্য।

 #স্পার্ম  #শুক্রাণু  #বাড়ানোর_উপায় 


যাদের বাচ্চা হচ্ছে না তাদের জন্য।


স্পার্ম মটিলিটি (sperm motility) বা শুক্রাণুর গতিশীলতা বাড়ানো প্রাকৃতিকভাবে অনেক ক্ষেত্রেই সম্ভব, তবে এর জন্য সঠিক জীবনযাপন, খাদ্যাভ্যাস, এবং কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস অবলম্বন করা জরুরি। শুক্রাণুর মটিলিটি (গতি) একজন পুরুষের প্রজননক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ সূচক, যা গর্ভধারণের সম্ভাবনাকে প্রভাবিত করে। মটিল স্পার্মের সংখ্যা বেশি থাকলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা বেশি থাকে।


নিম্নলিখিত কিছু পদক্ষেপ এবং পরামর্শ আছে যা স্পার্ম মটিলিটি বৃদ্ধি করতে সহায়ক হতে পারে:


১. স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস

   সুষম খাদ্য স্পার্মের স্বাস্থ্য এবং মটিলিটি বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিছু পুষ্টি উপাদান আছে যেগুলি স্পার্মের গুণগত মান এবং গতিশীলতা বাড়াতে সহায়ক:


   - অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট: ভিটামিন C এবং ভিটামিন E স্পার্মের স্বাস্থ্য এবং গতিশীলতা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। এই ভিটামিনগুলি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে, যা শুক্রাণুকে সুরক্ষিত রাখে এবং তার মটিলিটি বাড়ায়। 

     - ভিটামিন C: সাইট্রাস ফল, স্ট্রবেরি, পেঁপে।

     - ভিটামিন E: বাদাম, সাদা শাক, অ্যাভোকাডো।


   - জিঙ্ক (Zinc): জিঙ্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ যা শুক্রাণুর গুণগত মান এবং গতিশীলতা উন্নত করতে সাহায্য করে। জিঙ্কের অভাব শুক্রাণুর পরিমাণ এবং গতিশীলতা কমিয়ে দিতে পারে।

     - জিঙ্কের উৎস: মাংস, বাদাম, ডাল, মাছ।


   - ফোলেট (Folate): এটি শুক্রাণুর স্বাস্থ্য এবং উত্পাদন বাড়াতে সহায়ক।

- ফোলেটের উৎস: সবুজ শাকসবজি, বিনস, অরেঞ্জ।


   - অমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড: শুক্রাণুর গতি ও গুণমানের উন্নতির জন্য অমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড গুরুত্বপূর্ণ। এটি রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং শুক্রাণুর গতিশীলতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

     - অমেগা-৩ এর উৎস: মাছ, বাদাম, চিয়া সিড, ফ্ল্যাক্স সিড।


---


২. নিয়মিত ব্যায়াম

   - অতিরিক্ত ওজন: অতিরিক্ত মেদ বা ওজন শুক্রাণুর গুণগত মান এবং মটিলিটি কমিয়ে দিতে পারে। তাই, স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা জরুরি।

   - কার্ডিও এবং শক্তি বৃদ্ধি ব্যায়াম: কার্ডিও (দৌড়ানো, সাইকেল চালানো) এবং শক্তি বৃদ্ধি ব্যায়াম শুক্রাণু উৎপাদন এবং মটিলিটি বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। তবে অতিরিক্ত ব্যায়াম বা অত্যাধিক শারীরিক চাপও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, তাই ব্যালান্স রাখা প্রয়োজন।


---


৩. মানসিক চাপ কমানো

   মানসিক চাপ বা উদ্বেগ শুক্রাণুর গুণগত মান এবং মটিলিটিকে প্রভাবিত করতে পারে। উচ্চ মানসিক চাপের ফলে কোর্টিসল (stress hormone) বৃদ্ধি পায়, যা শুক্রাণুর উৎপাদন এবং গতি কমিয়ে দেয়।


   - যোগব্যায়াম (Yoga), ধ্যান (Meditation), এবং গভীর শ্বাসপ্রশ্বাস (Deep breathing) চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে।

   - পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং ঘুমও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ঘুমের সময় শরীর রিচার্জ হয় এবং প্রজনন ক্ষমতা উন্নত হয়।


চলবে ---


⭕ এটি শেয়ার করতে লজ্জা করবেন না। ধন্যবাদ


✅ বিঃদ্রঃ পোষ্ট টা কেমন লেগেছে আপনার? কমেন্ট (Comment) করতে ভুলবেন না যেন।


#গাছ_গাছড়ার_বনাজী_ঔষধ_ও_কোরআনী_চিকিৎসা #লাইক #গুডলাইফ

#everyone #everyonefollowers #everyonehighlights #entertainment #followers #পেজে #লাইক #কমেন্ট #শেয়ার করে পাশে থাকুন।

https://www.facebook.com/gacha.gacharar.banaji.ausadha

লেখাটা পুরোপুরি পড়ার জন্য অনুরোধ রইল!!

 লেখাটা পুরোপুরি পড়ার জন্য অনুরোধ রইল!!

__________________________ 

১.  মা ৯  মাস বহন করেন, বাবা ২৫ বছর ধরে বহন করেন,


      উভয়ই সমান, তবুও কেন #বাবা পিছিয়ে আছেন তা জানেন

       না।


 ২।  মা বিনা বেতনে সংসার চালায় বাবা তার সমস্ত বেতন


       সংসারের জন্য ব্যয় করেন উভয়ের প্রচেষ্টাই সমান, তবুও

      কেন বাবা পিছিয়ে আছেন তা জানেন না।


 ৩.  মা আপনার যা ইচ্ছা তাই রান্না করেন বাবা আপনি যা চান

      তা কিনে দেন তাদের উভয়ের ভালবাসা সমান, তবে মায়ের

     ভালবাসা উচ্চতর হিসাবে দেখানো হয়েছে জানিনা কেন

      বাবা পিছিয়ে।

 ৪.  ফোনে কথা বললে প্রথমে মায়ের সাথে কথা বলতে চান

      কষ্ট পেলে ‘মা’ বলে কাঁদেন, আপনার প্রয়োজন হলেই

      আপনি বাবাকে মনে রাখবেন কিন্তু বাবার কি কখনও

      খারাপ লাগেনি যে আপনি তাকে অন্য সময় মনে করেন না?

       ছেলেমেয়েদের কাছ থেকে ভালবাসা পাওয়ার ক্ষেত্রে,

      প্রজন্মের জন্য বাবা কেন পিছিয়ে আছে জানি না।


 ৫.  আলমারি ভরে যাবে রঙিন শাড়ি আর বাচ্চাদের অনেক

      জামা-কাপড় দিয়ে কিন্তু বাবার জামা খুব কম নিজের

      প্রয়োজনের তোয়াক্কা করেন না, তারপরও জানেন না কেন

       বাবা পিছিয়ে আছেন।

 ৬.  মায়ের অনেক সোনার অলঙ্কার আছে, কিন্তু বাবার একটাই

      আংটি আছে যেটা তার বিয়ের সময় দেওয়া হয়েছিল,

      তবুও মা কম গহনা নিয়ে অভিযোগ করতে পারেন আর

     বাবা করেন না তারপরও জানি না কেন বাবা পিছিয়ে।


 ৭.  বাবা সারাজীবন কঠোর পরিশ্রম করেন পরিবারের যত্ন

      নেওয়ার জন্য, কিন্তু যখন স্বীকৃতি পাওয়ার কথা আসে

      কেন বাবা পিছিয়ে থাকেন।


 ৮.  মা বলে, আমাদের এই মাসে কলেজের টিউশন দিতে হবে

      দয়া করে আমার জন্য উৎসবের জন্য একটি শাড়ি কিনবে

     অথচ বাবা নতুন জামাকাপড়ের কথাও ভাবেননি, দুজনেরই

      ভালোবাসা সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে।

 ৯.  বাবা-মা যখন বুড়ো হয়ে যায় তখন বাচ্চারা বলে মা ঘরের

      কাজ দেখাশোনা করার জন্য অন্তত উপকারী কিন্তু তারা

      বলে বাবা অকেজো!!


 বাবা পিছনে কারণ তিনি পরিবারের মেরুদণ্ড আর আমাদের

  মেরুদণ্ড তো আমাদের শরীরের পিছনে অথচ তার কারণেই

  আমরা নিজেদের মতো করে দাঁড়াতে পারছি সম্ভবত এই

  কারণেই তিনি পিছিয়ে আছেন...!!!!

  ---------+-+----------+-+--------+-------

স্যালুট জানাই পৃথিবীর সকল বাবাকে!!!

শনিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৫

লেবুর ফুল ঝরার কারণ ও সমাধান।


লেবুর ফুল ঝরার কারণ ও সমাধান।


➡️১. বোরন এর অভাব (  সলুবোর বোরন ২ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করবেন)। পাশাপাশি লিটোসেন,  ফ্লোরা, মিরাকুলান বা বুস্টার ২ ভিটামিন স্প্রে করে দিবেন। 


➡️২. শোষক পোকা যেমন থ্রিপস/হোয়াইট ফ্লাই এর আক্রমণ ইমিডাক্লোরপ্রিড গ্রুপ এর ইমিটাফ(০.৫মিলি/লিটার) সাথে এবামেক্টিন গ্রুপের কীটনাশক ভেকটিন বা ভার্টিমেক  একসাথে মিশিয়ে   স্প্রে করবেন সাত দিন অন্তর অন্তর। 


➡️৩. অল্প পটাশ সার মাটিতে দিবেন। টব হলে  গোড়া থেকে একটু দূরে হাফ চা চামচ পরিমান মাটির নিচে। 


➡️৪. জমিতে পানির অভাব বা পানি বেশি হওয়া। পানি বেশি হয়ে স্যাতস্যাতে হলে ও ফুল ঝড়ে যায়।


➡️৫. নাইট্রোজেন সার ফুল আসলে ব্যবহার করা যাবে না। 


আপনার যেটা হয়েছে ওই অনুযায়ী ব্যাবস্থা নেন।


👉কৃষি বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে আমাদের সাথেই থাকুন অথবা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করুন।


@topfans Md Biplob Hossain The natural beauty

দেশভাগের বিয়োগান্ত প্রেমপত্র! (First Long-distance relationship)

 দেশভাগের বিয়োগান্ত প্রেমপত্র!

(First Long-distance relationship)



১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট রাত ১২টায় রাজশাহীতে বসে এক তরুণ লিখেছেন কলকাতার এক তরুণীকে। চিঠিতে দুজনের কারোরই নাম নেই। সম্বোধনের জায়গায় মেয়েটার ছবি। একইভাবে ছয় পাতার চিঠির শেষে নাম না লিখে ‘ইতি’র পরে ছেলেটা নিজের ছবি দিয়েছেন।


কলকাতার ফুটপাতের বইয়ের দোকানে বছর সাড়ে তিন আগে একটি পুরোনো বইয়ের ভেতরে চিঠিখানা আবিষ্কার করেন সংগ্রাহক উজ্জ্বল সরদার। রাজশাহীতে সোমবার ও মঙ্গলবার দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত চিহ্নমেলায় উজ্জ্বল এনেছিলেন সেই চিঠি। নিছক প্রেমপত্র হলেও পড়ে বোঝা যায়, দেশভাগের কারণে মেয়েটা রয়ে গেছেন কলকাতায় আর ছেলেটা রাজশাহীতে। চিঠির ছত্রে ছত্রে সেই বিয়োগান্ত কথা ঘুরেফিরে!


চিঠিতে মেয়েটার ছদ্মনাম ‘মিত্তি’ আর ছেলেটার নাম ‘মানা’ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। সে সময় রাজশাহী বানানে দন্ত্যস লেখা হতো। চিঠিতে ওভাবেই লেখা। তারিখের জায়গায় ‘রাজসাহী, ১৫ই আগস্ট রাত বারোটা।’ ভেতরের আরেকটা পাতায় সাল লেখা ১৯৪৭।


ছেলেটা শুরুতেই লিখেছেন, ‘এখানে এসে অবধি তোমায় তিনখানা চিঠি লিখেছি, এটা হলো চতুর্থ। তুমি লিখেছ মাত্র একটা। তার জন্য অনুযোগ করব না।’ রাতের বেলায় খেয়ালমতো ঘুরে বেড়ানোর প্রসঙ্গে লিখেছেন, ‘হয়তো ভাবছো কেন আমি অন্ধকারের মধ্যে বেড়াতে যাই-তাই না! হ্যাঁ, তুমি অন্ধকার ভালোবাস বলেই যাই। তুমি অন্ধকারের মধ্যে কী এত খোঁজ!’


নিজের ঘরের বর্ণনা দিতে বলেছেন, এখানে আমার ঘরটা বড্ড বড়, আমার একার পক্ষে। পড়ার টেবিল, খাট, ড্রেসিং টেবিল। এ ছাড়া এত জিনিস আছে ঘরটার ভেতরে, তা–ও মনে হয়, একেবারে ফাঁকা।’ লিখতে লিখতে রাত একটা বেজে গেছে। আলো নিভে গেছে। ফ্যান বন্ধ হয়ে গেছে।


মোম জ্বালিয়েছেন। এই জায়গায় লিখেছেন, ‘বলতো, মোমের শিখায় এসে পোকাগুলো মরছে, এ দোষ কার, আলোর না পোকাগুলোর?—উত্তর পেলে কলকাতায় তুমি একদিন আমাকে কতগুলো কথা বলেছিলে, আমি তার উত্তর দিব।’ ছয় পাতার চিঠিতে জর্জ বার্নার্ড শর একটি নাটক সদ্য শেষ করে তার কয়েকটি সংলাপ ইংরেজিতে লিখেছেন, নিঝুম রাতের ঘড়ির কাঁটার টিকটিক শব্দ, কলকাতার কোনো এক বেনুদার ঝগড়া, কাকে যেন ‘বেলুন’ সম্বোধন করে জানতে চেয়েছেন তার খবর। লিখেছেন আরও অনেক কিছু।


শেষাংশে লিখেছেন, ‘খুব পড়াশোনা করছো নিশ্চয়ই! আর আমায় ফেলে ফেলে বেড়াচ্ছোও নিশ্চয়-খুব।’


শেষে লিখেছেন, ‘প্রীতি নিও। ইতি।’ তারপরে শুধু নিজের ছবিটা লাগিয়ে দিয়েছেন।


সূত্র: প্রথম আলো

সৌজন্যে: বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র গ্রুপ


#bdcs #loveletter #antiqueletter #1940s #Rajshahi #Kolkata #bangladesh #itihaserkhojegiridhar #giridhardey #ইতিহাসেরখোঁজেগিরিধর #বাংলাদেশের_দুষ্প্রাপ্য_ছবি_সমগ্র

চণ্ডীদা, কথা রাখলেন না!

 চণ্ডীদা, কথা রাখলেন না!

  


        ✍️দেবাশিস বন্দ্যোপাধ্যায়


চল্লিশের দশকের মাঝামাঝি। ব্যান্ডেল-কাটোয়া রুটের লোকাল ট্রেনে কৌটো নাড়িয়ে ভিক্ষে করছেন জনাকয়েক ছাত্র। কারও কারও পরনে হাফপ্যান্টও। এমন সব ছেলেদের ভিক্ষে করতে দেখে কৌতুহলী যাত্রীরা জানতে চাইলেন, ‘‘ব্যাপার কী?’’


ছোটখাট চেহারার ছেলেটি এগিয়ে এসে জবাব দিয়েছিল, ‘‘আমাদের কলেজের স্যারেরা বেতন পাচ্ছেন না। তাই স্যারেদের মাইনে তুলতেই পথে নেমেছি।’’ টাকা যে খুব বেশি উঠেছিল, এমন নয়। কিন্তু বিনা টিকিটের ছাত্রদের রাতভর কাটোয়া জিআরপি-র হেফাজতে কাটাতে হয়েছিল। এ খবর নবদ্বীপ বিদ্যাসাগর কলেজের অধ্যক্ষের কানে পৌঁছতে তিনি স্তম্ভিত হয়ে যান। খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন, এ কর্মকাণ্ডের হোতা চণ্ডী। কোন চণ্ডী?


নবদ্বীপ বিদ্যাসাগর কলেজের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক নিমাই বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, ‘‘তামাম বিশ্ব যাঁকে কার্টুনিস্ট হিসাবে চেনেন, ইনি সেই চণ্ডী লাহিড়ী।’’ নিমাইবাবু জানাচ্ছেন, নবদ্বীপকে ঘিরে চণ্ডীদার কর্মকাণ্ড তাঁর কার্টুনের মতোই বর্ণময়।


১৯৩১ সালের ১৫ মার্চ বুড়ো শিবতলায় মামার বাড়িতে জন্ম চণ্ডী লাহিড়ীর। বাবা মোহিনীমোহন লাহিড়ী ছিলেন বর্ধমান চণ্ডীপুরের বাসিন্দা। প্রথমে নবদ্বীপ হিন্দু স্কুল ও পরে বিদ্যাসাগর কলেজে পাশ করে তিনি পাড়ি দেন কলকাতা। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলায় এমএ করেন। তত দিনে হাতে তুলে নিয়েছেন রং-তুলি। কিন্তু শহরে গেলেও নবদ্বীপের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ কখনও ফিকে হয়নি। নবদ্বীপের বিভিন্ন স্কুলের পত্র-পত্রিকায় স্মৃতিচারণে বহু বার তিনি লিখেছেন তাঁর নবদ্বীপ-কথা। কর্তৃপক্ষের অনুরোধে নবদ্বীপ হিন্দু স্কুলের শতবর্ষ, বিদ্যাসাগর কলেজের সুবর্ণ জয়ন্তী, বকুলতলা প্রাক্তনী রজত জয়ন্তী, সারস্বত মন্দিরের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রকাশিত স্মারক পত্রপত্রিকায় তিনি এঁকেছেন প্রচ্ছদ ও কার্টুন। সঙ্গে একটি নাতিদীর্ঘ লেখাও। সে সব ছবি ও আঁকা আজও যত্ন করে রেখে দিয়েছে নবদ্বীপ। মঠ-মন্দিরের শহরে সারস্বত মন্দির বহু পুরনো স্কুলগুলির অন্যতম। সে স্কুলের প্রধানশিক্ষক শচীন্দ্রমোহন নন্দীকে গুরু বলেই মানতেন চণ্ডীবাবু। ফলে হিন্দু স্কুলে পড়লেও সারস্বত মন্দিরের সঙ্গে তাঁর নিবিড় যোগাযোগ ছিল।


চণ্ডীবাবু লিখেছেন, ‘যারা লেখাপড়ায় ভাল, তাদের এই স্কুলে ভর্তি করা হত না। এটি ছিল উলট্পুরাণের দেশ। তুমি ভাল ছেলে। পাশ করে আইপিএস, আইসিএস, জজ, ম্যাজিস্ট্রেট হওয়ার লক্ষ্য যদি থাকে তবে অন্য স্কুলে যাও। এখানে একটু কম মেধার ছেলেদের নেওয়া হয়। কারণ, এই স্কুলটির লক্ষ্য ইংরেজদের সেবা করা নয়, দেশসেবক তৈরি করা।’ ২০০৯ সালে স্কুলের ৭৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে সেই লেখার সঙ্গে তিনি একটি কার্টুনও আঁকেন।


নবদ্বীপ মণিমেলার কর্মকর্তা শান্তিরঞ্জন দেব বলছেন, ‘‘আগামী ১৫ মার্চ, চণ্ডীদার জন্মদিনে তাঁকে সম্মাননা জানানো হবে বলে ঠিক হয়েছিল। তিনি আসবেন বলে কথাও দিয়েছিলেন। এই প্রথম চণ্ডীদা কথা রাখতে পারলেন না।’’


[ FROM A WRITE UP PUBLISHED IN ANANDA BAZAR PATRIKA AFTER THE DEMISE OF CHANDI LAHIRI ]

আজ সকালে  জাহাজের ছাদের উপর রেলিঙ ধরিয়া দাঁড়াইয়াছিলাম ।  আকাশের পান্ডুর নীল ও সমুদ্রের নিবিড় নীলিমার মাঝখান দিয়া   পশ্চিম দিগন্ত হইতে মৃদুশীতল বাতাস আসিতেছিল ।  আমার ললাট মাধুর্যে অভিষিক্ত হইল 

 আজ সকালে  জাহাজের ছাদের উপর রেলিঙ ধরিয়া দাঁড়াইয়াছিলাম ।  আকাশের পান্ডুর নীল ও সমুদ্রের নিবিড় নীলিমার মাঝখান দিয়া   পশ্চিম দিগন্ত হইতে মৃদুশীতল বাতাস আসিতেছিল ।  আমার ললাট মাধুর্যে অভিষিক্ত হইল ।  আমার মন বলিতে লাগিল,  "এই তো  তাঁহার প্রসাদসুধার প্রবাহ ।”

 

        সকল সময়  মন এমন করিয়া বলে না ।  অনেক সময় বাহিরের সৌন্দর্যকে  আমরা বাহিরে দেখি —- তাহাতে চোখ জুড়ায়,  কিন্তু  তাহাকে অন্তরে গ্রহণ করি না ।  ঠিক যেন অমৃতফলকে আঘ্রাণ করি,  তাহার স্বাদ লই না ।

 

        কিন্তু  সৌন্দর্য  যেদিন  অন্তররাত্মাকে প্রত্যক্ষ স্পর্শ করে  সেই দিন  তাহার মধ্য হইতে  অসীম একেবারে উদ্ভাসিত হইয়া উঠে ।  তখনি  সমস্ত মন  এক  মূহূর্তে গান গাহিয়া উঠে,  " নহে, নহে,  এ  শুধু বর্ণ নহে,  গন্ধ নহে —- এই  তো অমৃত,  এই  তাঁহার  বিশ্বব্যাপী প্রসাদের ধারা ।”


        আকাশ ও সমুদ্রের মাঝখানে  প্রভাতের আলোকে  এই-যে অনির্বচনীয় মাধুর্য স্তরে স্তরে  দিকে দিকে  বিকশিত হইয়া উঠিয়াছে,  ইহা আছে কোন্‌খানে ?  ইহা  কি জলে  ইহা  কি বাতাসে ?  এই  ধারণার অতীতকে  কে  ধারণ করিতে পারে ।

 

        ইহাই  আনন্দ,  ইহাই  প্রসাদ ।  ইহাই  দেশে দেশে, কালে কালে,  অগণ্য প্রাণীর  প্রাণ জুড়াইয়া দিতেছে, মন হরণ করিতেছে —- ইহা  আর  কিছুতেই ফুরাইল না ।  ইহারই অমৃতস্পর্শে  কত কবি  কবিতা লিখিল,  কত শিল্পী  শিল্প রচনা করিল,  কত  জননীর হৃদয় স্নেহে গলিল,  কত  প্রেমিকের চিত্ত প্রেমে  ব্যাকুল হইয়া উঠিল —- সীমার বক্ষ  রন্ধ্রে রন্ধ্রে ভেদ করিয়া  এই অসীমের অমৃত-ফোয়ারা  কত লীলাতেই  যে লোকে লোকে  উৎসারিত  প্রবাহিত হইয়া চলিল  তাহার আর অন্ত দেখি না —- অন্ত  দেখি না ।  তাহা  আশ্চর্য, পরমাশ্চর্য ।


         ইহার  আনন্দরূপমমৃতম্ ‌।  রূপ  এখানে শেষ কথা নহে,  মৃত্যু  এখানে শেষ অর্থ নহে ।  এই-যে  রূপের মধ্য দিয়া আনন্দ,  মৃত্যুর মধ্য দিয়া অমৃত ।  শুধুই রূপের মধ্যে আসিয়া  মন ঠেকিল,  মৃত্যুর মধ্যে আসিয়া  চিন্তা ফুরাইল,  তবে  জগতে জন্মগ্রহণ করিয়া  কী পাইলাম !  বস্তুকে দেখিলাম  সত্যকে দেখিলাম না !

 

        আমার কি  কেবলই চোখ আছে,  কান আছে ।  আমার মধ্যে  কি সত্য নাই,  আনন্দ নাই ।  সেই  আমার সত্য দিয়া  আনন্দ দিয়া  যখন  পরিপূর্ণ দৃষ্টিতে  জগতের দিকে চাহিয়া দেখি  তখনি  দেখিতে পাই,  সম্মুখে  আমার  এই তরঙ্গিত  সমুদ্র —- এই  প্রাবাহিত বায়ু —- এই  প্রসারিত আলোক —- বস্তু নহে,  ইহা  সমস্তই আনন্দ,  সমস্তই লীলা,  ইহার  সমস্ত  অর্থ  একমাত্র  তাঁহারই  মধ্যে আছে ;  তিনি  এ  কী  দেখাইতেছেন,  কী  বলিতেছেন,  আমি  তাহার  কী-ই বা জানি ! 


        এই  আকশপ্লাবী আনন্দের  সহস্রলক্ষ ধারা  যেখানে  এক মহাস্রোতে মিলিয়া  আবার  তাঁহারই  এই হৃদয়ের মধ্যে ফিরিয়া যাইতেছে  সেইখানে  মূহূর্তকালের জন্য দাঁড়াইতে পারিলে  এই সমস্ত-কিছুর  মহৎ অর্থ,  ইহার  পরম পরিণামটিকে দেখিতে পাইতাম ।  এই-যে  অচিন্তনীয় শক্তি,  এই-যে  অবর্ণনীয় সৌন্দর্য,  এই-যে  অপরিসীম সত্য,  এই-যে  অপরিমেয় আনন্দ,  ইহাকে  যদি কেবল মাটি  এবং  জল বলিয়া জানিয়া গেলাম  তবে  সে  কী  ভয়ানক ব্যর্থতা,  কী  মহতী বিনষ্টি । 


        নহে  নহে,  এই তো  তাঁহার প্রসাদ,  এই  তো  তাঁহার প্রকাশ,  এই  তো  আমাকে  স্পর্শ করিতেছে,  আমাকে  বেষ্টন করিতেছে,  আমার  চৈতন্যের তারে তারে  সুর বাজাইতেছে,  আমাকে  বাঁচাইতেছে,  আমাকে  জাগাইতেছে,  আমার মনকে  বিশ্বের নানা দিক দিয়া  ডাক দিতেছে,  আমাকে পলে পলে  যুগযুগান্তরে  পরিপূর্ণ করিতেছে ;  শেষ নাই,  কোথাও  শেষ নাই,  কেবলই  আরও  আরও  আরও ;  তবু  সেই  এক,  কেবলই  এক,  সেই  আনন্দময়  অমৃতময় এক !  সেই  অতল  অকূল  অখণ্ড  নিস্তব্ধ  নিঃশব্দ  সুগম্ভীর  এক —- কিন্তু,  কত  তাহার ঢেউ,  কত  তাহার  কলসংগীত !


 

                                 প্রাণ ভরিয়ে,  তৃষা হরিয়ে

                মোরে     আরো  আরো  আরো  দাও  প্রাণ !

                                 তব ভুবনে,  তব ভবনে

                মোরে      আরো আরো আরো দাও স্থান!

                                     আরো আলো  আরো আলো

                      মোর         নয়নে, প্রভু, ঢালো !

                                      সুরে সুরে বাঁশি পূরে

                তুমি       আরো আরো  আরো দাও তান ! 

                                     আরো বেদনা,  আরো বেদনা,

                     মোরে        আরো আরো  দাও চেতনা !

                                     দ্বার ছুটায়ে,  বাধা টুটায়ে

                মোর      করো ত্রাণ,  মোরে করো ত্রাণ !

                                     আরো প্রেমে,  আরো প্রেমে

                     মোর         আমি ডুবে যাক নেমে !

                                     সুধাধারে আপনারে

                তুমি     আরো আরো করো দান ।


লোহিত সমুদ্র

২২ জ্যৈষ্ঠ  ১৩১৯

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

 আনন্দরূপ ( প্রবন্ধ )

সাগিনা মাহাতো' ছবির কথা। ওই ছবিতে সায়রা বানুর বিপরীতে চিন্ময় রায়কে সিলেক্ট করেছিলেন তপন সিনহা। কিন্তু, সায়রাকে আগে থেকে সে কথা বলা হয়নি।

 সাগিনা মাহাতো' ছবির কথা। ওই ছবিতে সায়রা বানুর বিপরীতে চিন্ময় রায়কে সিলেক্ট করেছিলেন তপন সিনহা। কিন্তু, সায়রাকে আগে থেকে সে কথা বলা হয়নি।


কলকাতায় শুটিং করতে আসার আগে পর্যন্ত তিনি জানতেন না তাঁর বিপরীতে কে। হাসতে হাসতে গল্প করছিলেন চিন্ময় রায়।


সাগিনা মাহাতো ছবির সেট পড়েছিল কলকাতায়। শুটিংয়ের ডেট অনুযায়ী সায়রা এলেন কলকাতায়। এমন নামি, সুন্দরী হিরোইন, বম্বে থেকে উড়িয়ে আনা হয়েছে। বিপরীতে উত্তম, সৌমিত্র থাকবেন, এ রকম ধারণা থাকে সবার। নিদেনপক্ষে শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায় বা সমিত ভঞ্জের কেউ একজন। কিন্তু পরিচালক নাম ঘোষণা করলেন চিন্ময় রায়ের।


তখনও চিন্ময়-সায়রা মুখোমুখি হননি। যখন দেখা হলো, সায়রার চোখ তো ছানাবড়া। বলেই ফেললেন, ইয়ে মেরা হাজব্যান্ড? তারপর প্রায় অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার জোগাড়। মাথা ঘুরে পড়লেন টেবিলে।


সবাই মিলে দৌড়দৌড়ি। চোখে মুখে জলের ছিটে দিয়ে জ্ঞান ফেরাতে হলো। জ্ঞান ফিরলে তিনি বললেন, আমি এর সঙ্গে অভিনয় করতে পারব না। মুডই পাব না। এ কথা শুনে স্বাভাবিকভাবেই খারাপ লেগেছিল চিন্ময় দা'র। তা তো লাগবেই। সেটাই স্বাভাবিক। খারাপ লেগেছিল এ কথা ভেবে যে গুণের বিচার কেউ করে না। রূপই মানুষ দেখে। তপন সিনহা তো আর এমনি এমনি তাঁকে নির্বাচন করেননি। কিন্তু...। যাই হোক। নিজের মনকে সান্ত্বনা দিয়েছিলেন, বিদেশে পড়াশোনা করেছেন। বম্বেতে থাকেন। বলিউডের টপ হিরোইন। এটুকু তো বলতেই পারেন।


সেই খারাপ লাগা নিয়েই সেদিন রিহার্সাল শুরু করলেন চিন্ময় রায়। পরিচালক তপন সিনহার কছেও করলেন, নিজে নিজেও করলেন। তারপর এলো শটের সময়। শট তো হলো। সায়রার সঙ্গেই হলো। শটের শেষে তপনবাবু চিন্ময়দাকে বললেন, কাট। ভালো শট হয়েছে। চিন্ময়দারও মনে হয়েছিল শটটা ভালোই দিয়েছেন তিনি। আর সায়রা?


শটের পর বাইরে দাঁড়িয়েছিলেন। দেখলেন, সায়রা বানু ফ্লোর থেকে বেরিয়ে তাঁর দিকেই এগিয়ে আসছেন। এসে তাঁরই সামনে দাঁড়ালেন। হাত বাড়িয়ে বললেন, ''হায় চিনু। ইউ আর হ্যান্ডসাম।'' চিনুদা'র রি-অ্যাকশন- সেদিন তো আমিই অজ্ঞান হয়ে গিয়েছিলাম।

নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...