এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৫

মরিচ গাছ থাকলে ২ টা কী

 মরিচ গাছ থাকলে ২ টা কীটনাশক সংগ্রহে রাখুন। ১.ভেকটিন

২.ইমিটাফ


ব্যবহারঃ- 

১| ভেকটিন(পাতা নিচের দিকে মুড়োনো দেখলে) 


২| ইমিটাফ(পাতা উপরের দিকে মুড়োনো দেখলে)


১ মিলি ১ লিটারে মিক্স করে পুরো গাছে স্প্রে করুন।


♦️*ছাদ বাগান টিপস ও কৃষি পরামর্শ পেতে পেইজটি লাইক ফলো দিয়ে যুক্ত হন  আমাদের সাথে,ধন্যবাদ।

বোরো ধান আবাদে শতকে ও বিঘায় সারের পরিমানঃ

 #বোরো_ধান_আবাদে_শতকে_ও_বিঘায়_সারের_পরিমানঃ


শতক প্রতি হিসাব:


ইউরিয়া= ১.০৯ কেজি

টিএসপি/ডিএপি= ৪৫৪ গ্রাম 

জিপসাম= ৪৫৪ গ্রাম

পটাশ= ৩৩৬ গ্রাম 

জিংক/দস্তা= ৪৫ গ্রাম

বোরন = ৩৫ গ্রাম 

ম্যাগসার = ৬০ গ্রাম 

দানাদার= ৩৫ গ্রাম 


বিঘা প্রতি ৩৩ শতকে সারের পরিমান

ইউরিয়া= ৩৬ কেজি

টিএসপি/ডিএপি= ১৫ কেজি

জিপসাম= ১৫ কেজি 

পটাশ= ২১ কেজি

জিংক/দস্তা= ১.৫০ কেজি

বোরন = ১ কেজি

ম্যাগসার =২ কেজি

দানাদার= ১ কেজি


টিএসপি সারের পরিবর্তে ডিএপি সার দিলে ৪০%  ইউরিয়া সার কম প্রয়োগ করতে হবে। 


#সার_প্রয়োগ_পদ্ধতিঃ 


জমি তৈরির শেষ চাষে সমস্ত টিএসপি+জিপসাম+বোরন+ম্যাগসার+জিংক+দানাদার (আলাদাভাবে) তিন ভাগের দুই ভাগ পটাশ ছিটিয়ে দিতে পারেন। 


জিংক/দস্তা সার প্রথম বা দ্বিতীয় চাষে দেওয়া ভালো। 


ইউরিয়া সার তিন কিস্তিতে প্রয়োগ করতে হবে। 


#প্রথম_কিস্তি:

চারা রোপনের ১০-১২ দিনের মধ্যে ইউরিয়া উপরি করতে হবে। 


#দ্বিতীয়_কিস্তি: 

চারা রোপনের ২৫-৩০ দিনের মধ্যে উপরি প্রয়োগ করতে হবে। 


#তৃতীয়_কিস্তি: 

চারা রোপনের ৪৫-৫০ দিনের মধ্যে উপরি প্রয়োগ করতে হবে। এবং তিন ভাগের এক ভাগ পটাশ তৃতীয় কিস্তি ইউরিয়া সারের সাথে মিশিয়ে প্রয়োগ করতে হবে। 


মোঃ ফরিদুল ইসলাম 

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা 

ব্লকঃ ভোটমারী, কালিগঞ্জ, লালমনিরহাট।

লিচু গাছে মুকুল ও ফল ঝরা রোধে করনীয়।

 লিচু গাছে মুকুল ও ফল ঝরা রোধে করনীয়।


✅✅লিচু গাছে মুকুল আসার আগ থেকে ফল আসা পর্যন্ত প্রায় ৩ মাস সঠিক পরিচর্যা করা অত্যন্ত জরুরি।


👉গাছের যথাযথ বৃদ্ধি ও ভালো ফলনের জন্য সঠিক নিয়মে ও পরিমাণমতো সার প্রয়োগ করা জরুরি। নিম্নে সারের পরিমাণ উল্লেখ করা হলো-


👉এক থেকে তিন বছর বয়সী গাছের জন্য গাছপ্রতি জৈবসার ১০ কেজি, ইউরিয়া ১৫০ গ্রাম, টিএসপি ৬০০ গ্রাম, এমওপি ২০০ গ্রাম।


👉চার-ছয় বছর বয়সী গাছের জন্য গাছপ্রতি জৈবসার ১০-১৫ কেজি, ইউরিয়া ৩০০ গ্রাম, টিএসপি ৬০০ গ্রাম, এমওপি ২৫০-৩০০ গ্রাম।


👉৭-১০ বছর বয়সী গাছের জন্য গাছপ্রতি জৈবসার ১৫-২০ কেজি, ইউরিয়া ৬০০ গ্রাম, টিএসপি ৭০০ গ্রাম, এমওপি ৫০০ গ্রাম।


👉১০ বছরের বেশি বয়সী গাছের জন্য গাছপ্রতি জৈবসার ২০-২৫ কেজি, ইউরিয়া ১০০০ গ্রাম, টিএসপি ৭৫০ গ্রাম, এমওপি ৬০০ গ্রাম।


গাছে যদি জিঙ্কের অভাব দেখা দেয় অর্থাৎ পাতা যদি তামাটে রঙ ধারণ করে তবে প্রতি বছর ৫০০ লিটার পানির সাথে ২ কেজি চুন ও ৪ কেজি জিঙ্ক সালফেট গুলে বসন্তকালে গাছে ছিটাতে হবে। ফল ঝরা কমাতে এটা সাহায্য করবে। ফল ফেটে যাওয়া কমাতে প্রতি ১০ লিটার পানিতে ১০ গ্রাম বোরিক পাউডার গুলে ফলে স্প্রে করা যেতে পারে।


উল্লিখিত সার বছরে ৩ কিস্তিতে ৩ ভাগ করে লিচু গাছে প্রয়োগ করতে হবে। ১ম কিস্তি বর্ষার শুরুতে ( ফল আহরণের পর ), ২য় কিস্তি বর্ষার শেষে ( আশ্বিন- কার্তিক মাসে ) এবং শেষ কিস্তি গাছে ফুল আসার পর প্রয়োগ করতে হবে। দুপুর বেলা গাছের ছায়া যতটুকু স্থানে পড়ে সেটুকু স্থানে মাটি কুপিয়ে আলগা করে সার প্রয়োগ করতে হবে।


👉নিয়মিত সেচ প্রদান করতে হবে। মাটির ধরণ অনুসারে খরার সময় ১০-১৫ দিন পর পর সেচ দিতে হবে।


👉গাছে মুকুল আসার আগে ১ বার, গাছে যখন ফল মটরদানার সমান হবে তখন ১ বার এবং মার্বেল আকার ধারণ করলে ১ বার প্লানোফিক্স ( ১ মিলি/৪.৫ লিটার পানি)/মিরাকুলান (১ মিলি/ লিটার পানি)/ফ্লোরা ( ২ মিলি/লিটার পানিতে ) মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

👉লিচু গাছে মুকুল আসার পর কিন্তু ফুল ফোটার আগে 

ল্যামডা সাইহ্যালোথ্রিন জাতীয় কোনো কীটনাশক ( ফাইটার/ ফাইটার প্লাস/ রীভা ২.৫ ইসি) ১ মিলি/লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। এছাড়া কার্বেন্ডাজিম জাতীয় একটি ছত্রাকনাশক (আটোস্টিন/নোইন/বেনডাজিম ২ গ্রাম/লিটার পানি/এমকোজিম ১ গ্রাম/লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। একই সময় ফ্লোরা ২ মিলি/লিটার পানিতে মিশিয়ে গাছে ভালোভাবে স্প্রে করতে হবে। লিচু গুটি বা মটরদানার সমান হলে একইভাবে উল্লিখিত কীটনাশক, ছত্রাকনাশক এবং পিজিআর ( PGR ) আরেক বার গাছে ভালোভাবে স্প্রে করতে হবে।


👉ফল বৃদ্ধির সময় জিংক সালফেট ২ গ্রাম/ লিটার পানিতে মিশিয়ে ৩ সপ্তাহ পর পর গাছে স্প্রে করলে গাছে ফল ফাটা ও ফল ঝরা সমস্যা দূর হওয়াসহ এবং ফলের আকৃতিও বড় হয়।


👉 মনে রাখবেন ফুল ফোটার ১ থেকে ৭ দিনের মধ্যে কোন প্রকার স্প্রে করা যাবে না। 


👉প্রয়োজনীয় তথ্যের জন্য নিকটস্থ কৃষি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করুন। 


@highlight The natural beauty

ফার্সি গদ্যের জনক মহাকবি শেখ সাদি'র জীবন বদলে দেওয়ার মতো ১৫টি বিখ্যাত উপদেশ :-     *******************

 ফার্সি গদ্যের জনক মহাকবি শেখ সাদি'র জীবন বদলে দেওয়ার মতো ১৫টি বিখ্যাত উপদেশ :-

    *******************


’ ফার্সি গদ্যের জনক মহাকবি শেখ সাদি দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাভাষী পাঠকের কাছে অতি প্রিয় কবি। শুধু বাঙালিই নয় বিশ্বজুড়ে তিনি অত্যন্ত সমাদৃত। তার ১৫টি বিখ্যাত উপদেশ যা কিনা আপনার জীবনকে বদলে দিবে।


১. তিন জনের নিকট কখনো গোপন কথা বলিও না- (ক) স্ত্রী লোক. (খ) জ্ঞানহীন মূর্খ. (গ) শত্রু।


২. অকৃতজ্ঞ মানুষের চেয়ে কৃতজ্ঞ কুকুর শ্রেয়।


৩. আমি আল্লাহকে সবচেয়ে বেশী ভয় পাই, তার পরেই ভয় পাই সেই মানুষকে যে আল্লাহকে মোটেই ভয় পায় না।


৪. এমনভাবে জীবনযাপন করে যেন কখনো মরতে হবে না, আবার এমনভাবে মরে যায় যেন কখনো বেচেই ছিল না।


৫. হিংস্র বাঘের উপর দয়া করা নিরীহ হরিণের উপর জুলুম করার নামান্তর।


৬. যে সৎ, নিন্দা তার কোন অনিষ্ঠ করতে পারে না।


৭. প্রতাপশালী লোককে সবাই ভয় পায় কিন্তু শ্রদ্ধা করে না।


৮. দেয়ালের সম্মুখে দাঁড়িয়ে কথা বলার সময় সতর্ক হয়ে কথা বলো, কারন তুমি জান না দেয়ালের পেছনে কে কান পেতে দাঁড়িয়ে আছে।


৯. মুখের কথা হচ্ছে থুথুর মত, যা একবার মুখ থেকে ফেলে দিলে আর ভিতরে নেওয়া সম্ভব নয়। তাই কথা বলার সময় খুব চিন্তা করে বলা উচিত।


১০. মন্দ লোকের সঙ্গে যার উঠা বসা, সে কখনো কল্যানের মুখ দেখবে না।


১১. দুই শত্রুর মধ্যে এমন ভাবে কথাবার্তা বল, তারা পরস্পরে মিলে গেলেও যেন তোমাকে লজ্জিত হতে না হয়।


১২. বাঘ না খেয়ে মরলেও কুকুরের মতো উচ্ছিষ্ট মুখে তুলে না।


১৩. ইহ-পরকালে যাহা আবশ্যক তাহা যৌবনে সংগ্রহ করিও।


১৪. কোন কাজেই প্রমাণ ছাড়া বিশ্বাস করিও না ।


১৫. অজ্ঞের পক্ষে নীরবতাই হচ্ছে সবচেয়ে উত্তম পন্থা। এটা যদি সবাই জানত তাহলে কেউ অজ্ঞ হত না।


(সংগৃহীত)

♥♦♥

একজন পুরুষ কেমন স্ত্রী অপছন্দ করে?,, আউলা ঝাউলা ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ◑ একজন পুরুষ কেমন স্ত্রী অপছন্দ করে?


•  অভিযোগকারিণী নারী : যে নারী সমস্যা ও জটিলতা সৃষ্টি করতেই থাকে। যখন স্বামী ঘর থেকে বেরোয়, তখন সে রাগ করে; যখন স্বামী ঘরে ফিরে আসে, তখনও রাগ করে। একটা দিনও তার কারণে ঝগড়া ছাড়া যায় না।


• প্রশ্নকারী নারী : যে নারী সব সময় তার স্বামীর পেছনে লেগে থাকে প্রশ্ন নিয়ে—কী চিন্তা করছেন? কী কাজে ব্যস্ত? আপনি বদলে যাচ্ছেন? কখন আমরা ঘুরতে যাব? এমন নারী সব সময় কিছু না কিছু বলতে থাকবেই আর স্বামীর স্নায়ুতে আঘাত করে করে স্বামীর ধৈর্যের পরীক্ষা নিতে থাকবে। যদিও স্বামী ক্লান্তও হয়ে পড়ে তার কথা শুনতে শুনতে, অথবা কাজে ব্যস্তও থাকে, তবুও সে তার কথা থামাবে না।


• হঠকারী নারী : যে নারী সব সময় তার স্বামীর সামনে হঠকারিতা করতে থাকে। কখনো স্বামীর কথা শুনে না। স্বামীর কোনো কথা-আদেশের অনুসরণ করে না; বরং তার উলটোটা করে। সে তার অভিমতের ওপরই সব সময় দৃঢ় থাকে। খুব কমই তার স্বামীর কথায় তার মন ভেজে।


• উদাসীন নারী : যে নারী নিজের খেয়াল রাখে না, নিজের কাপড়-চোপড়ের খেয়াল রাখে না, বাড়ির পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার খেয়াল রাখে না।


• সংশংয়বাদী নারী : যে নারী নিজের ওপর বিশ্বাস রাখতে পারে না। সব সময় মনে করে তার স্বামী অন্য কোনো নারীর পেছনে লেগে আছে বা তাকে ছাড়া অন্য কোনো নারীকে নিয়ে ভাবছে। 


এরপর সে তার স্বামীর পেছনে পড়ে যে, তার সন্দেহ ঠিক না ভুল। সে তালাশ করে তার স্বামীর পকেটে, স্বামীর অফিসের কাগজপত্রের ভেতরে বা তার ব্যক্তিগত লাইব্রেরিতে তার সংশয়ের অনুকূলে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় কি না।


• আদবহীন নারী : যে নারী ইসলাম ও শরিয়তের কোনো আদব ও নিয়মের ধার ধারে না, যা ইচ্ছে পরে, যেমন ইচ্ছে তেমন আচরণ করে।


• ধোঁকায় পড়ে থাকা নারী : যে নারী তার আশপাশের লোকদের সামনে অহংকার করে বেড়ায়। অন্যদের সামনে ভাব নেয় যে, তাকে বিয়ে করার মতো কোনো পুরুষ পৃথিবীতে নেই।


• মিথ্যাবাদী নারী : মিথ্যাবাদী নারী হচ্ছে সবচেয়ে বিপজ্জনক নারীদের এক প্রকার।


• দাম্ভিক নারী : যে কেবল নিজের প্রতিই আগ্রহী। যদি স্বামী ঘরে থাকে, তাহলে কেবল তার সাথেই স্বামীকে সময় কাটাতে হবে। 


• বাচাল নারী : যে নারী বাচাল, তাকে নিয়ে পুরুষ খুবই ক্লান্ত ও বিরক্ত হয়ে পড়ে।


• ছোট-বড় যেকোনো অতিরিক্ত প্রতিক্রিয়া দেখানো নারী : সব সময় ছোট-বড় যেকোনো কারণে রাগে ফুঁসে ওঠে বা কাঁদতে শুরু করে। 


• অতিরিক্ত অভিযোগ শোনা অপছন্দ করে পুরুষ : যে নারী এখন একটা অভিযোগ নিয়ে আসে, একটু পর আরেকটা অভিযোগ নিয়ে আসে স্বামীর মানসিক সমর্থন পাওয়া পর্যন্ত। 


• যে নারী পুরুষের সম্মান খর্ব করে সে নারীকে সে অপছন্দ করে। পুরুষের সম্মানে ঘা দেওয়া খুবই সহজ; কিন্তু এ আঘাতের চিকিৎসা করা খুবই কঠিন।


• এমন স্ত্রী যে তার স্বামীর হাল-অবস্থার কোনো কেয়ার করে না। এ নারী স্বামীর কাছে কেবল খারাপ সংবাদ বা পারিবারিক সমস্যা নিয়েই হাজির হয়। ঘরে আসার সাথে সাথে বা ঘুমানোর সময় এসে এসবের ফিরিস্তি খুলে বসে।... তার স্বামী চিন্তিত থাকে, আর সে এক গালে হাসতে থাকে বা স্বামীর নিন্দা করে, তাকে ধমকাতে থাকে।


• বাজারমুখী নারী : যে নারী সব সময় বাজারে গিয়ে কেনাকাটা করতে থাকে আর কখনো সে এটাতে পরিতৃপ্ত হয় না।


• গিবতকারী নারী : যে নারী সব সময় গিবত আর ঝগড়া নিয়ে পড়ে থাকে।


• যে নারী স্বামীর ছাড় দেওয়াকে দুর্বলতা মনে করে : যখন স্ত্রীর গলার আওয়াজ উঁচু হয়, তখন স্বামী চুপ করে সবর করে। কিন্তু এ প্রকারের নারী মনে করে তার স্বামী দুর্বল। এমন সব নারী কোনো স্বামীর পছন্দ নয়।


জামায়াতে ইসলামীর সদস্য (রোকন) হতে হলে এগুলো বই পড়া লাগে।,,,, মির্জা মোহাম্মদ ঝিকু ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 জামায়াতে ইসলামীর সদস্য (রোকন) হতে হলে এগুলো বই পড়া লাগে। 

রুকন সিলেবাস (শিক্ষিত)

সদস্য সিলেবাস ‘খ’

(উচ্চ মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষিত ব্যক্তিদের জন্য)


ক) সহিহ করে আল কুরআন তিলাওয়াত শিখা।


খ) আল কুরআনের মর্মকথা (তাফহীমুল কুরআনের ভূমিকা) – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি)।


গ) তাফহীমুল কুরআন সূরা আল ফাতিহা থেকে সূরা আন’আম (১ম, ২য়, ৩য় খন্ড), সূরা হাশর থেকে সূরা নাস (১৭, ১৮, ১৯ খন্ড), সূরা আল-আনফাল (চতুর্থ খন্ড), আত্‌-তাওবা (৫ম খন্ড), আল-হাজ্জ (৮ম খন্ড), আন-নূর (৯ম খন্ড), আল-আনকাবুত, লুকমান (১১শ খন্ড), আল-আহযাব (১২শ খন্ড), হামীম আস সাজদা (১৪শ খন্ড), মুহাম্মাদ, আল-ফাতহ, আল-হুজুরাত (১৫শ খন্ড) এবং আল হাদিদ (১৬শ খন্ড)।


মুখস্থকরণ :


ক) আমপারা থেকে ২৫টি সূরা অর্থসহ সহিহভাবে মুখস্থ করার চেষ্টা করা।


খ) বিষয় ভিত্তিক আয়াত মুখস্থকরণ নির্দেশিকা। নিম্নলিখিত আয়াত ও অন্যান্য আয়াত মুখস্থের চেষ্টা করা :


তাওহিদ : আয়াতুল কুরসি, সূরা হাশরের শেষ রুকু, সূরা আল বাকারা : ২৮৫।


        দাওয়াত ইলাল্লাহ : 

💠 =============💠

সূরা আলে ইমরান : ১০৪, ইউসুফ : ১০৮, আন-নাহল :১২৫, হামীম আস সাজদাহ : ৩৩ ও মায়েদা : ৬৭ নং আয়াত।


    আন্দোলন : 

🔸🔸🔸🔸🔸🔸

সূরা আন-নিসা : ৭৪ ও ৭৬, আত তাওবা : ২৪ ও ৩৮-৪১, আস-সফ : ১০ থেকে ১২, সূরা আশ শুরা : ১৩, সূরা হজ্জ : ৭৮ নং আয়াত।


    সংগঠন : 

🔸🔸🔸🔸🔸

সূরা আলে-ইমরান : ১০৩ ও ১০৪, আস্ সফ : ৪ নং আয়াত।


   তাকওয়া সংক্রান্ত : 

🔸🔸🔸🔸🔸🔸🔸

সূরা আল-বাকারাহ : ১৭৭ ও ২৫৫, সূরা আলে ইমরান : ১০২।


    বাইআত : 

🔸🔸🔸🔸🔸

সূরা আত-তাওবা : ১১১, আল-আন’আম : ১৬২, আল-ফাতহ : ১০ ও ১৮, মুমতাহিনা : ১২ নং আয়াত ।

ইনফাক ফি সাবিলিল্লাহ : সূরা আল-বাকারা : ২৬১, আলে-ইমরান : ৯২, আল-হাদীদ : ১১ নং আয়াত ৷


ঈমানি পরীক্ষা : 

🔸🔸🔸🔸🔸

সূরা আল বাকারা : ২১৪, আনকাবুত ১,২ ও ৩ আয়াত।


আনুগত্য : সূরা আন নিসা : ৫৯ নং আয়াত।

আল – হাদীস


ক) রিয়াদুস সালেহীন ১ম, ২য়, ৩য় ও ৪র্থ খন্ড (বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার কর্তৃক প্রকাশিত) অথবা হাদিস শরীফ ১ম ও ২য় খন্ড- মাওলানা মুহাম্মাদ আবদুর রহীম।

খ) বিষয়ভিত্তিক হাদিস মুখস্থ করার চেষ্টা করা : ঈমানের ভিত্তি, ইসলামের ভিত্তি, দাওয়াত, আন্দোলন, সংগঠন, বাই’আত ইনফাক ফি সাবিলিল্লাহ, মুয়ামালাত (কমপক্ষে ১০ খানা হাদিস)।

গ) সালাত ও দৈনন্দিন জীবনে পঠিত প্রয়োজনীয় দুআ-দরূদ, তাসবিহ- তাহলিল অর্থসহ সহিহভাবে মুখস্থ করা।

ঘ) সুন্নাতে রাসূলের আইনগত মর্যাদা – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি)।


আল-ফিকহ


আসান ফিকাহ ১ম ও ২য় খন্ড অথবা ফিকহ মুহাম্মদী ১ম ও ২য় খন্ড অথবা ফিকহুস সুন্নাহ ১ম খন্ড সাইয়্যেদ সাবিক।


ঈমান-আক্বীদাহ


১। তাওহীদ, রিসালাত ও আখিরাত – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

২। আল কুরআনের চারটি মৌলিক পরিভাষা – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৩। ইসলামী সংস্কৃতির মর্মকথা – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।


দাওয়াত ও তাবলিগ


৪। সত্যের সাক্ষ্য – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৫। দাওয়াত ইলাল্লাহ দায়ী ইলাল্লাহ – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৬। ইসলামী দাওয়াত ও কর্মনীতি – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।


ইসলাম ও ইবাদাত


৭। ইসলামের হাকীকত – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৮। নামাজ রোযার হাকীকত – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৯। যাকাতের হাকীকত – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

১০। হজ্জের হাকীকত – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

১১। জিহাদের হাকীকত – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

১২। ইসলাম পরিচিতি – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

১৩। শান্তিপথ – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

১৪। ইসলামের জীবন পদ্ধতি – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

১৫। ইসলাম ও জাহেলিয়াত – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

১৬। ইসলাম ও আধুনিক অর্থনৈতিক মতবাদ – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

১৭। ইসলামী অর্থ ব্যবস্থায় যাকাত – ড. জাবেদ মুহাম্মাদ ।

১৮। কবীরা গুনাহ (বিআইসি) – ইমাম শামসুদ্দীন আয যাহাবী (রাহি.)।

১৯। আর রিবা – ড. মুহাম্মাদ নুরুল ইসলাম।

২০। ইসলাম ও জাহেলিয়াতের চিরন্তন দ্বন্দ্ব – আব্বাস আলী খান (রাহি.)।


আমল-আখলাক ও মু‘আমালাত


২১। আল্লাহর নৈকট্য লাভের উপায় – মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী (রাহি.)।

২২। চরিত্র গঠনের মৌলিক উপাদান – নঈম সিদ্দিকী (রাহি.)।

২৩। ইসলামী আদাবে জিন্দেগী – মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী (রাহি.)।


ইসলামী আন্দোলন ও সংগঠন


২৪। জামায়াতে ইসলামীর কার্যবিবরণী ১ম ও ২য় খন্ড।

২৫। গঠনতন্ত্র, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

২৬। সংগঠন পদ্ধতি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

২৭। ইসলামী আন্দোলন : সাফল্যের শর্তাবলী – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

২৮। হেদায়াত – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

২৯। ইসলামী রেনেসাঁ আন্দোলন – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৩০। ইসলামী আন্দোলনের ভবিষ্যত কর্মসূচি – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৩১ । ইসলামী রাষ্ট্র কীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় (ই: বিপ্লবের পথ) – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৩২। একটি সত্যনিষ্ঠ দলের প্রয়োজন – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৩৩। ভাঙ্গা ও গড়া – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৩৪। ইসলামী আন্দোলনের নৈতিক ভিত্তি – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৩৫। ইসলামের রাজনৈতিক মতবাদ – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৩৬। ইসলাম ও পাশ্চাত্য সভ্যতার দ্বন্দ্ব – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৩৭। ইসলামী আন্দোলন ও সংগঠন – মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী (রাহি.)।

৩৮। একটি আদর্শবাদী দলের পতনের কারণ ও তার থেকে বাঁচার উপায় – আব্বাস আলী খান (রাহি.)।

৩৯। ইনফাক ফি সাবিলিল্লাহ – মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী (রাহি.)।

৪০। ইসলামী আন্দোলন: সমস্যা ও সম্ভাবনা – মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী (রাহি.)।

৪১। ইসলামী সমাজ গঠনে নারী সমাজের ভূমিকা – হাফেজা আসমা খাতুন।

৪২। দ্বীন প্রতিষ্ঠায় মহিলাদের দায়িত্ব – শামসুন্নাহার নিজামী।

৪৩। অমুসলিম নাগরিক ও জামায়াতে ইসলামী – অধ্যাপক গোলাম আযম (রাহি.)।

৪৪। শ্রমিক সংকলন – কল্যাণ প্রকাশনী।

৪৫। জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক ভূমিকা – অধ্যাপক গোলাম আযম (রাহি.)।

৪৬। ইসলামী আন্দোলনের পথে আল্লাহর সাহায্য পাওয়ার উপযুক্ত হওয়াই আমাদের কাজ – মকবুল আহমাদ (রাহি.)।


পারিবারিক জীবন ও সামাজিক সম্পর্ক


৪৭। স্বামী-স্ত্রীর অধিকার – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৪৮। ইসলামের দৃষ্টিতে মজুরের অধিকার – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৪৯। মাতা-পিতা ও সন্তানের অধিকার – আল্লামা ইউসুফ ইসলাহী (রাহি.)।

৫০। ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের পারস্পরিক সম্পর্ক – খুররম জাহ্ মুরাদ (রাহি.)।

৫১। মুমিনের পারিবারিক জীবন – অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউসুফ আলী (রাহি.)।

৫২। পর্দা ও ইসলাম – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৫৩। ষ্ট্যাটাস অব উইমেন ইন ইসলাম – ড. ইউসুফ আল কারযাভী (রাহি.)।

৫৪। সফল জীবনের পরিচয় – অধ্যাপক এ.কে.এম নাজির আহমদ (রাহি)।

৫৫। ইসলাম ও জাতীয়তাবাদ – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৫৬। সমাজকল্যাণ ম্যানুয়েল – জামায়াত প্রকাশনী।


সিরাত ও ইতিহাস


৫৭। সিরাতে সরওয়ারে আলম (৩য়, ৪র্থ ও ৫ম খণ্ড) – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৫৮। সিরাতে ইবনে হিশাম (বাংলাদেশ ইসলামিক সেন্টার কর্তৃক প্রকাশিত) ইবনে হিশাম (রাহি.)।

৫৯। রাসূলুল্লাহর (সা.) বিপ্লবী জীবন – আবু সলীম মুহাম্মদ আবুল হাই (রাহি.)।

৬০। রাসূলুল্লাহ (সা.) এর মক্কার জীবন – মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী (রাহি.)।

৬১। আসহাবে রাসূলের জীবনকথা ১ম, ২য় এবং ৫ম খন্ড – ড. মুহাম্মদ আবদুল মা’বুদ।

৬২। খেলাফত ও রাজতন্ত্র – সাইয়েদ আবুল আ’লা মওদূদী (রাহি.)।

৬৩। ইসলামী জাগরণের তিন পথিকৃৎ – অধ্যাপক এ.কে.এম. নাজির আহমদ (রাহি.)।

৬৪। পলাশী থেকে বাংলাদেশ – অধ্যাপক গোলাম আযম (রাহি.)।

৬৫। জামায়াতে ইসলামীর ইতিহাস ১ম, ২য় ও ৩য় খন্ড – জামায়াত প্রকাশনী।

যাদের বাচ্চা হচ্ছে না তাদের জন্য।

 #স্পার্ম  #শুক্রাণু  #বাড়ানোর_উপায় 


যাদের বাচ্চা হচ্ছে না তাদের জন্য।


স্পার্ম মটিলিটি (sperm motility) বা শুক্রাণুর গতিশীলতা বাড়ানো প্রাকৃতিকভাবে অনেক ক্ষেত্রেই সম্ভব, তবে এর জন্য সঠিক জীবনযাপন, খাদ্যাভ্যাস, এবং কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস অবলম্বন করা জরুরি। শুক্রাণুর মটিলিটি (গতি) একজন পুরুষের প্রজননক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ সূচক, যা গর্ভধারণের সম্ভাবনাকে প্রভাবিত করে। মটিল স্পার্মের সংখ্যা বেশি থাকলে গর্ভধারণের সম্ভাবনা বেশি থাকে।


নিম্নলিখিত কিছু পদক্ষেপ এবং পরামর্শ আছে যা স্পার্ম মটিলিটি বৃদ্ধি করতে সহায়ক হতে পারে:


১. স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস

   সুষম খাদ্য স্পার্মের স্বাস্থ্য এবং মটিলিটি বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিছু পুষ্টি উপাদান আছে যেগুলি স্পার্মের গুণগত মান এবং গতিশীলতা বাড়াতে সহায়ক:


   - অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট: ভিটামিন C এবং ভিটামিন E স্পার্মের স্বাস্থ্য এবং গতিশীলতা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। এই ভিটামিনগুলি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে, যা শুক্রাণুকে সুরক্ষিত রাখে এবং তার মটিলিটি বাড়ায়। 

     - ভিটামিন C: সাইট্রাস ফল, স্ট্রবেরি, পেঁপে।

     - ভিটামিন E: বাদাম, সাদা শাক, অ্যাভোকাডো।


   - জিঙ্ক (Zinc): জিঙ্ক একটি গুরুত্বপূর্ণ খনিজ যা শুক্রাণুর গুণগত মান এবং গতিশীলতা উন্নত করতে সাহায্য করে। জিঙ্কের অভাব শুক্রাণুর পরিমাণ এবং গতিশীলতা কমিয়ে দিতে পারে।

     - জিঙ্কের উৎস: মাংস, বাদাম, ডাল, মাছ।


   - ফোলেট (Folate): এটি শুক্রাণুর স্বাস্থ্য এবং উত্পাদন বাড়াতে সহায়ক।

- ফোলেটের উৎস: সবুজ শাকসবজি, বিনস, অরেঞ্জ।


   - অমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড: শুক্রাণুর গতি ও গুণমানের উন্নতির জন্য অমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড গুরুত্বপূর্ণ। এটি রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং শুক্রাণুর গতিশীলতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে।

     - অমেগা-৩ এর উৎস: মাছ, বাদাম, চিয়া সিড, ফ্ল্যাক্স সিড।


---


২. নিয়মিত ব্যায়াম

   - অতিরিক্ত ওজন: অতিরিক্ত মেদ বা ওজন শুক্রাণুর গুণগত মান এবং মটিলিটি কমিয়ে দিতে পারে। তাই, স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা জরুরি।

   - কার্ডিও এবং শক্তি বৃদ্ধি ব্যায়াম: কার্ডিও (দৌড়ানো, সাইকেল চালানো) এবং শক্তি বৃদ্ধি ব্যায়াম শুক্রাণু উৎপাদন এবং মটিলিটি বাড়াতে সহায়ক হতে পারে। তবে অতিরিক্ত ব্যায়াম বা অত্যাধিক শারীরিক চাপও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, তাই ব্যালান্স রাখা প্রয়োজন।


---


৩. মানসিক চাপ কমানো

   মানসিক চাপ বা উদ্বেগ শুক্রাণুর গুণগত মান এবং মটিলিটিকে প্রভাবিত করতে পারে। উচ্চ মানসিক চাপের ফলে কোর্টিসল (stress hormone) বৃদ্ধি পায়, যা শুক্রাণুর উৎপাদন এবং গতি কমিয়ে দেয়।


   - যোগব্যায়াম (Yoga), ধ্যান (Meditation), এবং গভীর শ্বাসপ্রশ্বাস (Deep breathing) চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে।

   - পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং ঘুমও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ ঘুমের সময় শরীর রিচার্জ হয় এবং প্রজনন ক্ষমতা উন্নত হয়।


চলবে ---


⭕ এটি শেয়ার করতে লজ্জা করবেন না। ধন্যবাদ


✅ বিঃদ্রঃ পোষ্ট টা কেমন লেগেছে আপনার? কমেন্ট (Comment) করতে ভুলবেন না যেন।


#গাছ_গাছড়ার_বনাজী_ঔষধ_ও_কোরআনী_চিকিৎসা #লাইক #গুডলাইফ

#everyone #everyonefollowers #everyonehighlights #entertainment #followers #পেজে #লাইক #কমেন্ট #শেয়ার করে পাশে থাকুন।

https://www.facebook.com/gacha.gacharar.banaji.ausadha

লেখাটা পুরোপুরি পড়ার জন্য অনুরোধ রইল!!

 লেখাটা পুরোপুরি পড়ার জন্য অনুরোধ রইল!!

__________________________ 

১.  মা ৯  মাস বহন করেন, বাবা ২৫ বছর ধরে বহন করেন,


      উভয়ই সমান, তবুও কেন #বাবা পিছিয়ে আছেন তা জানেন

       না।


 ২।  মা বিনা বেতনে সংসার চালায় বাবা তার সমস্ত বেতন


       সংসারের জন্য ব্যয় করেন উভয়ের প্রচেষ্টাই সমান, তবুও

      কেন বাবা পিছিয়ে আছেন তা জানেন না।


 ৩.  মা আপনার যা ইচ্ছা তাই রান্না করেন বাবা আপনি যা চান

      তা কিনে দেন তাদের উভয়ের ভালবাসা সমান, তবে মায়ের

     ভালবাসা উচ্চতর হিসাবে দেখানো হয়েছে জানিনা কেন

      বাবা পিছিয়ে।

 ৪.  ফোনে কথা বললে প্রথমে মায়ের সাথে কথা বলতে চান

      কষ্ট পেলে ‘মা’ বলে কাঁদেন, আপনার প্রয়োজন হলেই

      আপনি বাবাকে মনে রাখবেন কিন্তু বাবার কি কখনও

      খারাপ লাগেনি যে আপনি তাকে অন্য সময় মনে করেন না?

       ছেলেমেয়েদের কাছ থেকে ভালবাসা পাওয়ার ক্ষেত্রে,

      প্রজন্মের জন্য বাবা কেন পিছিয়ে আছে জানি না।


 ৫.  আলমারি ভরে যাবে রঙিন শাড়ি আর বাচ্চাদের অনেক

      জামা-কাপড় দিয়ে কিন্তু বাবার জামা খুব কম নিজের

      প্রয়োজনের তোয়াক্কা করেন না, তারপরও জানেন না কেন

       বাবা পিছিয়ে আছেন।

 ৬.  মায়ের অনেক সোনার অলঙ্কার আছে, কিন্তু বাবার একটাই

      আংটি আছে যেটা তার বিয়ের সময় দেওয়া হয়েছিল,

      তবুও মা কম গহনা নিয়ে অভিযোগ করতে পারেন আর

     বাবা করেন না তারপরও জানি না কেন বাবা পিছিয়ে।


 ৭.  বাবা সারাজীবন কঠোর পরিশ্রম করেন পরিবারের যত্ন

      নেওয়ার জন্য, কিন্তু যখন স্বীকৃতি পাওয়ার কথা আসে

      কেন বাবা পিছিয়ে থাকেন।


 ৮.  মা বলে, আমাদের এই মাসে কলেজের টিউশন দিতে হবে

      দয়া করে আমার জন্য উৎসবের জন্য একটি শাড়ি কিনবে

     অথচ বাবা নতুন জামাকাপড়ের কথাও ভাবেননি, দুজনেরই

      ভালোবাসা সমান, তবুও কেন বাবা পিছিয়ে।

 ৯.  বাবা-মা যখন বুড়ো হয়ে যায় তখন বাচ্চারা বলে মা ঘরের

      কাজ দেখাশোনা করার জন্য অন্তত উপকারী কিন্তু তারা

      বলে বাবা অকেজো!!


 বাবা পিছনে কারণ তিনি পরিবারের মেরুদণ্ড আর আমাদের

  মেরুদণ্ড তো আমাদের শরীরের পিছনে অথচ তার কারণেই

  আমরা নিজেদের মতো করে দাঁড়াতে পারছি সম্ভবত এই

  কারণেই তিনি পিছিয়ে আছেন...!!!!

  ---------+-+----------+-+--------+-------

স্যালুট জানাই পৃথিবীর সকল বাবাকে!!!

শনিবার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৫

লেবুর ফুল ঝরার কারণ ও সমাধান।


লেবুর ফুল ঝরার কারণ ও সমাধান।


➡️১. বোরন এর অভাব (  সলুবোর বোরন ২ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করবেন)। পাশাপাশি লিটোসেন,  ফ্লোরা, মিরাকুলান বা বুস্টার ২ ভিটামিন স্প্রে করে দিবেন। 


➡️২. শোষক পোকা যেমন থ্রিপস/হোয়াইট ফ্লাই এর আক্রমণ ইমিডাক্লোরপ্রিড গ্রুপ এর ইমিটাফ(০.৫মিলি/লিটার) সাথে এবামেক্টিন গ্রুপের কীটনাশক ভেকটিন বা ভার্টিমেক  একসাথে মিশিয়ে   স্প্রে করবেন সাত দিন অন্তর অন্তর। 


➡️৩. অল্প পটাশ সার মাটিতে দিবেন। টব হলে  গোড়া থেকে একটু দূরে হাফ চা চামচ পরিমান মাটির নিচে। 


➡️৪. জমিতে পানির অভাব বা পানি বেশি হওয়া। পানি বেশি হয়ে স্যাতস্যাতে হলে ও ফুল ঝড়ে যায়।


➡️৫. নাইট্রোজেন সার ফুল আসলে ব্যবহার করা যাবে না। 


আপনার যেটা হয়েছে ওই অনুযায়ী ব্যাবস্থা নেন।


👉কৃষি বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে আমাদের সাথেই থাকুন অথবা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করুন।


@topfans Md Biplob Hossain The natural beauty

দেশভাগের বিয়োগান্ত প্রেমপত্র! (First Long-distance relationship)

 দেশভাগের বিয়োগান্ত প্রেমপত্র!

(First Long-distance relationship)



১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট রাত ১২টায় রাজশাহীতে বসে এক তরুণ লিখেছেন কলকাতার এক তরুণীকে। চিঠিতে দুজনের কারোরই নাম নেই। সম্বোধনের জায়গায় মেয়েটার ছবি। একইভাবে ছয় পাতার চিঠির শেষে নাম না লিখে ‘ইতি’র পরে ছেলেটা নিজের ছবি দিয়েছেন।


কলকাতার ফুটপাতের বইয়ের দোকানে বছর সাড়ে তিন আগে একটি পুরোনো বইয়ের ভেতরে চিঠিখানা আবিষ্কার করেন সংগ্রাহক উজ্জ্বল সরদার। রাজশাহীতে সোমবার ও মঙ্গলবার দুই দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত চিহ্নমেলায় উজ্জ্বল এনেছিলেন সেই চিঠি। নিছক প্রেমপত্র হলেও পড়ে বোঝা যায়, দেশভাগের কারণে মেয়েটা রয়ে গেছেন কলকাতায় আর ছেলেটা রাজশাহীতে। চিঠির ছত্রে ছত্রে সেই বিয়োগান্ত কথা ঘুরেফিরে!


চিঠিতে মেয়েটার ছদ্মনাম ‘মিত্তি’ আর ছেলেটার নাম ‘মানা’ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। সে সময় রাজশাহী বানানে দন্ত্যস লেখা হতো। চিঠিতে ওভাবেই লেখা। তারিখের জায়গায় ‘রাজসাহী, ১৫ই আগস্ট রাত বারোটা।’ ভেতরের আরেকটা পাতায় সাল লেখা ১৯৪৭।


ছেলেটা শুরুতেই লিখেছেন, ‘এখানে এসে অবধি তোমায় তিনখানা চিঠি লিখেছি, এটা হলো চতুর্থ। তুমি লিখেছ মাত্র একটা। তার জন্য অনুযোগ করব না।’ রাতের বেলায় খেয়ালমতো ঘুরে বেড়ানোর প্রসঙ্গে লিখেছেন, ‘হয়তো ভাবছো কেন আমি অন্ধকারের মধ্যে বেড়াতে যাই-তাই না! হ্যাঁ, তুমি অন্ধকার ভালোবাস বলেই যাই। তুমি অন্ধকারের মধ্যে কী এত খোঁজ!’


নিজের ঘরের বর্ণনা দিতে বলেছেন, এখানে আমার ঘরটা বড্ড বড়, আমার একার পক্ষে। পড়ার টেবিল, খাট, ড্রেসিং টেবিল। এ ছাড়া এত জিনিস আছে ঘরটার ভেতরে, তা–ও মনে হয়, একেবারে ফাঁকা।’ লিখতে লিখতে রাত একটা বেজে গেছে। আলো নিভে গেছে। ফ্যান বন্ধ হয়ে গেছে।


মোম জ্বালিয়েছেন। এই জায়গায় লিখেছেন, ‘বলতো, মোমের শিখায় এসে পোকাগুলো মরছে, এ দোষ কার, আলোর না পোকাগুলোর?—উত্তর পেলে কলকাতায় তুমি একদিন আমাকে কতগুলো কথা বলেছিলে, আমি তার উত্তর দিব।’ ছয় পাতার চিঠিতে জর্জ বার্নার্ড শর একটি নাটক সদ্য শেষ করে তার কয়েকটি সংলাপ ইংরেজিতে লিখেছেন, নিঝুম রাতের ঘড়ির কাঁটার টিকটিক শব্দ, কলকাতার কোনো এক বেনুদার ঝগড়া, কাকে যেন ‘বেলুন’ সম্বোধন করে জানতে চেয়েছেন তার খবর। লিখেছেন আরও অনেক কিছু।


শেষাংশে লিখেছেন, ‘খুব পড়াশোনা করছো নিশ্চয়ই! আর আমায় ফেলে ফেলে বেড়াচ্ছোও নিশ্চয়-খুব।’


শেষে লিখেছেন, ‘প্রীতি নিও। ইতি।’ তারপরে শুধু নিজের ছবিটা লাগিয়ে দিয়েছেন।


সূত্র: প্রথম আলো

সৌজন্যে: বাংলাদেশের দুষ্প্রাপ্য ছবি সমগ্র গ্রুপ


#bdcs #loveletter #antiqueletter #1940s #Rajshahi #Kolkata #bangladesh #itihaserkhojegiridhar #giridhardey #ইতিহাসেরখোঁজেগিরিধর #বাংলাদেশের_দুষ্প্রাপ্য_ছবি_সমগ্র

হার্নিয়ার(Hernia) হোমিও ঔষধসমূহ

 🛑হার্নিয়ার(Hernia) হোমিও ঔষধসমূহ🛑 ♦️Lycopodium - ডান পাশে হার্নিয়া ।  - গ্যাস, অম্বল, পেট ফোলা ।  - ক্ষুধা কম আবার না খেতে পারলে শরীর কাঁ...