এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৫

ফসলের পোকা🦗 দমনে মেহগনি গাছের বীজ থেকে জৈব কীটনাশক তৈরির পদ্ধতি জেনে রাখুন!

 ফসলের পোকা🦗 দমনে মেহগনি গাছের বীজ থেকে জৈব কীটনাশক তৈরির পদ্ধতি জেনে রাখুন!


বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। এদেশের গ্রামীণ অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম উপাদান হলো কৃষি। দেশের জাতীয় অর্থনীতিতে কৃষির অবদান অপরিসীম। কৃষির উৎপাদন এখন দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। কিন্তু কৃষির উৎপাদন বাড়ানোর জন্য ফসলের জমিতে নানা ধরনের কীটনাশক ব্যবহার হয়ে থাকে। এসব কীটনাশক ব্যবহারের ফলে ফসলের জমির পাশাপাশি মানব দেহেরও ক্ষতি হয়। তাই জৈব বালাইনাশক বা জৈব কীটনাশক ব্যবহার করলে বিষমুক্ত নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন করা যায়। আর জৈব কীটনাশক হিসেবে মেহগনির বীজ অত্যন্ত কার্যকর।


➡️জৈব কীটনাশক তৈরির পদ্ধতি :


পরিবেশবান্ধব এই ভেষজ কীটনাশক তৈরির জন্য প্রথমে ২ থেকে আড়াই কেজি মেহগনির বীজ সংগ্রহ করে কুচি কুচি করে কেটে প্রায় ১০ লিটার পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে(সিডস মার্ট)। ৩ থেকে ৪ দিন পর এটি তুলে ছেঁকে নিতে হবে। তারপর এর নির্যাসের সঙ্গে প্রায় ৫০ গ্রাম ডিটারজেন্ট পাউডার ভালোভাবে মিশ্রণ করতে হবে। এই নির্যাসের সাথে পাঁচগুণ পানি মিশিয়ে ফসলের জমিতে ব্যবহার করা যাবে।


➡️এই জৈব কীটনাশক ব্যবহারে মাজরা পোকা, পাতামোড়া রোগ, বাদামি গাছ, ফড়িং, জাব পোকা, পাতা ছিদ্রকারী পোকা দমনে ভালো ফল পাওয়া যায়। ফসলের ডগা ও ফলের মাজরা পোকা, কাঁঠালি পোকা, ঢ্যাঁড়শের জ্যাসিড, সবজিতে পোকামাকড় দমনসহ ছত্রাক নাশ ও নানা রোগব্যাধি দূর করে। পিঁপড়া ও উঁইপোকা দমনেও মেহগনি কীটনাশকের কার্যকারিতা অপরিসীম। মেহগনির কীটনাশক ছিটালে শুধু ফসলের ক্ষতিকর পোকাই দমন হয় না, মশাও বিতাড়িত হয়।


তাই ফসলের জমিতে রাসায়নিক কীটনাশক ব্যবহার না করে জৈব কীটনাশক ব্যবহার করে বিষমুক্ত ফসল উৎপাদন ও পরিবেশ রক্ষায় এগিয়ে আসা উচিত।


@topfans Md Biplob Hossain

আপনার গাছ হলুদ হয়ে যাচ্ছে? বৃদ্ধি হচ্ছে  না? ডালপালা কম? 

 (১) আপনার গাছ হলুদ হয়ে যাচ্ছে? বৃদ্ধি হচ্ছে  না? ডালপালা কম? 


ইউরিয়া সার প্রয়োগ করুন  বা মুরগীর বিষ্টার সার প্রয়োগ করতে পারেন। ডিএপি সারও প্রয়োগ করতে পারেন। 

(২) আপনার গাছে ফুল ফল হচ্ছে না? গাছ নরম? শক্ত করার দরকার? পাতা চিকুন? ফল ঝরে যাচ্ছে? 

কোন চিন্তা নাই- টিএসপি( ট্রিপল সুপার ফসফেট)  সার দিন। প্রতি বর্গ ফুটে ১.৪ গ্রাম। ১ চা চামচের অর্ধেকের কম। 

(৩)  আপনার গাছের পাতা পুড়ে যাবার মত হচ্ছে? তিলের দানার মত দাগ পড়েছে? রোগ ব্যাধি বা পোকা মাকড়ের আক্রমণ বেশি?  

যদি উত্তর হ্যা হয় তাহলে  এমওপি( মিউরেট ও পটাশ)  বা হাড়ের গুড়া / ভার্মি কম্পোস্ট সার প্রয়োগ করুন।

(৪) আপনার গাছের পাতা চিকুন হয়ে যাচ্ছে? ফল ঝরে যায়? পাতার কিনারা সাদা হয়?  গাছ দুর্বল হয়? 

সালফার সার প্রয়োগ করুন। ১ গ্রাম / লিটার।

(৫) পুরাতন পাতায় মরিচার মত দাগ পড়ে? নতুন পাতার গোড়া ও মধ্যশিরার দুই কিনারা সবুজ হয়?

জিংক সার প্রয়োগ করুন। ১ গ্রাম/ প্রতি লিটারে।

(৬) ফল আঁকাবাকা হচ্ছে? অমসৃন  ত্বক? ফল ঝরে যাচ্ছে? 

কোন চিন্তা নাই- বোরণ প্রয়োগ করুন। 

(৭) পোকায় আক্রমণ করছে?  পাতা খেয়ে যাচ্ছে?  

বায়োক্লিন বা ইমিডা ক্লোরোপিড গ্রুপের কীটনাশক( ইমিটাব) বা অন্যান্য কীট নাশক প্রয়োগ করুন। প্রথমটি জৈব কীট নাশক। পরের গুলো ব্যবহারে সতর্ক হতে হবে। 

(৮) আপনার গাছ বা পাতা পচে যাচ্ছে?  কান্ড বা শেকড় পচে যাচ্ছে,গাছ ঢ়লে পড়ছে?  

ছত্রাক নাশক প্রয়োগ করুন (বায়োডার্মা, ট্রাইকো ডার্মা, সাবান পানি ইত্যাদি) এতে কাজ না হলে  ম্যানকোজেব,ম্যানসার, কাজিম প্রয়োগ করতে পারেন।

(৯) ফল পচে যাচ্ছে বা ফল ছিদ্র করে দিচ্ছে?  

জাদুর ফাদ বা ফেরোমন ট্রাপ ব্যবহার করুন। 

(১০)সাদা মাছি পোকা আক্রমন  করেছে?  মাকড় নাশক ইমিটাব ব্যবহার করতে পারেন। 

(১১) জাব পোঁকা পাতা খেয়ে যাচ্ছে ?  

হলুদ ফাদ বা কাগজ ব্যবহার করুন। 


কোন প্রশ্ন থাকলে  মন্তব্যে লিখে দিবেন প্লিজ!   বাগানীরা শেয়ার করে নিজের প্রফাইলে রেখে দিন।



সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ ২০-০১-২০২৫ খ্রি:।

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ ২০-০১-২০২৫ খ্রি:।


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরামের সম্মেলনে যোগ দিতে সুইজারল্যান্ড- এর উদ্দেশ্যে আজ ঢাকা ছেড়ে যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা।


বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার এবং তাদের সংস্কার উদ্যোগের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে অস্ট্রেলিয়া। 


সীমান্ত সম্পূর্ণরূপে সুরক্ষিত আছে – বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে – বললেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সরকার লেভেল প্লেইং ফিল্ড তৈরিতে কাজ করে যাচ্ছে - জানালেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার।


শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮৯তম জন্মবার্ষিকী পালিত।


যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শপথ আজ।


মালয়েশিয়ায় অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটে আজ অস্ট্রেলিয়ার মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ।

চট্টগ্রাম জেলার ১০৬টি দর্শনীয় স্থানঃ কোন জায়গার নাম এই প্রথম শুনলেন ?  কয়টি ভ্রমণ করেছেন ? 

 প্রিয় চট্টগ্রাম জেলার ১০৬টি দর্শনীয় স্থানঃ কোন জায়গার নাম এই প্রথম শুনলেন ?  কয়টি ভ্রমণ করেছেন ? 

১. পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত ২. ফয়েজ লেক ৩. মহামায়া লেক

৪. চন্দ্ৰনাথ পাহাড় ও মন্দির ৫. বাঁশবাড়িয়া সমুদ্র সৈকত ৬. গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত ৭. কুমিরা ঘাট ৮. ভাটিয়ারী লেক

৯. বাঁশখালী সমুদ্র সৈকত

১০. সোনাইছড়ি ট্রেইল

১১. সুপ্তধারা ঋণী

১২. নাপিত্তাছড়া ঝর্ণা

১৩. লালদীঘি

১৪. খেজুরতলা বীচ

১৫. আকিলপুর সী-বিচ

১৬. খৈয়াছড়া ঝর্ণা

১৭. ঝরঝরি ঝর্ণা

১৮. কমলদহ ঝর্ণা

১৯. সোনাইছড়া ঝর্ণা

২০. বোয়ালিয়া ঝর্ণা

২১.  বাওয়াছড়া লেক

২২. হরিণমারা হাঁটুভাঙ্গা ট্রেইল

২৩. হাজারিখিল অভয়ারণ্য

২৪. বাঁশখালী ইকোপার্ক

২৫. কালুরঘাট ব্রিজ

২৬. চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রি

২৭. বেলগাঁও চা বাগান

২৮. সহস্র ধারা ঝর্ণা

২৯. চট্টগ্রাম ডিসি পার্ক

৩০. জাম্বুরী পার্ক

৩১. ডিসি হিল / নজরুল স্কয়ার

৩২. সিআরবি পাহাড়

৩৩. ছাগল কান্দা পাহাড়

৩৪. চেরাগি পাহাড়

৩৫. চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানা

৩৬. হযরত বায়েজিদ বোস্তামী (রঃ) মাজার

৩৭. হযরত শাহ আমানত (রঃ) মাজার

৩৮. চালন্দা গিরিপথ

৩৯. বোটানিক্যাল গার্ডেন এবং ইকোপার্ক, সীতাকুণ্ড

৪০. আন্দরকিল্লা শাহী মসজিদ

৪১. জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর

৪২. পারকি সমুদ্র সৈকত

৪৩. শেখ রাসেল এভিয়ারি ইকো পার্ক

৪৪. বুদবুদির ছড়া

৪৫. মুহুরী প্রজেক্ট

৪৬. সন্দ্বীপ

৪৭. কল্পলোক বীচ

৪৮. বাড়বকুণ্ড

৪৯. নেভাল একাডেমি এবং নেভাল এরিয়া

৫০. চেরাগি পাহাড় মোড় (স্মৃতি মিনার)

৫১. কালুরঘাট বেতার

৫২. পার্কির চর 

৫৩. বৌদ্ধ তীর্থ স্থান চক্রশালা, পটিয়া

৫৪. বাটালী হিল

৫৫. কর্ণফুলী টি গার্ডেন

৫৬. মিনি বাংলাদেশ এবং স্বাধীনতা কমপ্লেক্সে

৫৭. মহামুনি বৌদ্ধ বিহার

৫৮. রাঙ্গুনিয়া কোদালা চা বাগান

৫৯. বাটারফ্লাই পার্ক

৬০. অভয়মিত্র ঘাট

৬১. ফিশারি ঘাট

৬২. কর্ণফুলী টানেল

৬৩. খানখানাবাদ সমুদ্র সৈকত, বাঁশখালী

৬৪. খিরাম সংরক্ষিত বনাঞ্চল, ফটিকছড়ি

৬৫. লোহাগাড়া বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য 

৬৬. চুনতি বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্য

৬৭. বারৈয়াঢালা জাতীয় উদ্যান

৬৮. বেলগাঁও চা বাগান, পুকুরিয়া, বাশখালী 

৬৯. বিপ্লব উদ্যান, শহর

৭০. খেজুরতলা পর্যটন কেন্দ্র

৭১. বাশখালি চা বাগান

৭২. আশুনিয়া চা বাগান

৭৩. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

৭৪. ভুজপুর সংরক্ষিত বনাঞ্চল

৭৫. কর্ণফুলী নদী

৭৬. চট্টগ্রাম বন্দর

৭৭. চারুলতা পার্ক, শহর

৭৮. রানী রাসমনি ঘাট

৭৯. হামিদ চর

৮০. আরশি নগর ফিউচার পার্ক

৮১. শেখ রাসেল শিশু পার্ক

৮২. রেলওয়ে জাদুঘর

৮৩. জিয়া স্মৃতি জাদুঘর

৮৪. কর্ণফুলী নতুন ব্রীজ

৮৫. জাতিসংঘ পার্ক

৮৬. ঠাণ্ডাছড়ি পিকনিক স্পট

৮৭. আগ্রাবাদ কর্ণফুলী শিশু পার্ক

৮৮. ভাটিয়ারী গলফ ও কান্ট্রি ক্লাব

৮৯. কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র

৯০. কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার

৯১. গুপ্ত জমিদার বাড়ি

৯২. চাকমা রাজবাড়ি

৯৩. প্রসন্ন কুমার জমিদার বাড়ি

৯৪. পরৈকোড়া জমিদার বাড়ি

৯৫. ভুজপুর জমিদার বাড়ি

৯৬. সত্য সাহার জমিদার বাড়ি

৯৭. চট্টগ্রাম তোরণ

৯৮. মাইজ ভান্ডার দরবার শরীফ

৯৯. শমসের গাজীর কেল্লা

১০০. আমানত শাহ দরগাহ

১০১. ভুজপুর রাবার ড্যাম

১০২. হারুয়ালছড়ি রাবার ড্যাম

১০৩. দাঁতমারা রাবার বাগান বা সেলফি রোড

১০৪. বাগানবাজার রাবার বাগান

১০৫. হালদা নদী

১০৬. বায়েজিদ লিংক রোড়


#chittagong_Bangladesh #Chattogram #Chittagong

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ১৮-০১-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ১৮-০১-২০২৫ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


জুলাই ঘোষণাপত্র নিয়ে রাজনৈতিক দলসহ সকল অংশীজনের মতামত চেয়েছে সরকার - জানিয়েছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং।


আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার করা হবে - বললেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব।


আমদানি-রপ্তানি প্রক্রিয়া আরো সহজ করতে আগামী মার্চের মধ্যে 'বাংলাদেশ সিঙ্গেল উইন্ডো' চালু করবে সরকার।


লন্ডনে বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় মেডিকেল বোর্ড গঠন - দেশবাসীর কাছে দোয়া চাইলেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।


আগামীকাল কার্যকর হচ্ছে হামাসের সঙ্গে ইসরাইলের যুদ্ধবিরতি - বাস্তবায়িত হবে তিন ধাপে।


মালয়েশিয়ায় আইসিসি অনুর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে নেপালকে পাঁচ উইকেটে হারিয়ে বাংলাদেশের শুভ সূচনা

রবিবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৫

বাটোয়ারা দলিল: জমির বিরোধ মেটানোর অমূল্য হাতিয়ার"

 "বাটোয়ারা দলিল: জমির বিরোধ মেটানোর অমূল্য হাতিয়ার"


জমি ও সম্পত্তি বণ্টনকে কেন্দ্র করে বিরোধ ও ঝামেলার ইতিহাস বহু পুরনো। আধুনিক যুগে জমি সংক্রান্ত সমস্যাগুলোর প্রধান কারণগুলোর একটি হলো বাটোয়ারা দলিল বা বণ্টন দলিলের অভাব।


বাটোয়ারা দলিলের প্রয়োজনীয়তা কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?


১. জমি বিরোধের অবসান:


বাটোয়ারা দলিলের অনুপস্থিতিতে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে জমি নিয়ে বিরোধ সৃষ্টি হয়। অতীতে মুখে মুখে জমি বণ্টন করাই ছিল প্রচলিত, কিন্তু বর্তমান সমাজে মানুষের বিশ্বাস এবং জবানের মূল্য অনেকটাই হ্রাস পেয়েছে। লিখিত দলিলের অভাবে সকালের এক কথা বিকালে অস্বীকার করার ঘটনা ঘটছে, যা বিরোধের সৃষ্টি করে।


২. সম্পত্তি বণ্টনের আইনি প্রমাণ:


ওয়ারিশান সম্পত্তি বণ্টনের জন্য বাটোয়ারা দলিল একটি মৌলিক প্রমাণ। মুসলিম ফারায়েজ অনুযায়ী সম্পত্তি বণ্টন না হলেও, পক্ষগণ যদি পরস্পর সম্মতিতে দলিল সম্পাদন করেন, তবে সেটি সর্বদা গ্রহণযোগ্য।


৩. ভূমি রেজিস্ট্রেশন এবং নামজারি:


জমির সুনির্দিষ্ট মালিকানা নিশ্চিত করতে এসি ল্যান্ড অফিসে বাটোয়ারা দলিল জমা দিতে হয়। এটি নামজারি এবং হালনাগাদ খতিয়ান তৈরি করতে সহায়ক।


৪. ভবিষ্যৎ বিরোধ রোধ:


বাটোয়ারা দলিল রেজিস্ট্রেশন করতে হলে সমস্ত অংশীদারদের সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে উপস্থিত হতে হয়। এতে করে কেউ ঠকানোর সুযোগ পায় না এবং দলিলের ভিত্তিতে ভবিষ্যতে কেউ পুনরায় জমির মালিকানা দাবি করতে পারে না।


৫. জমি বিক্রির ক্ষেত্রে সহায়ক:


ওয়ারিশান জমি বিক্রি করার সময় বাটোয়ারা দলিল প্রদর্শন করা অপরিহার্য। এটি ক্রেতার কাছে জমির মালিকানা ও বণ্টনের নিশ্চয়তা প্রদান করে।


৬. ভূমি জরিপ ও হালনাগাদ মালিকানা:


ভূমি জরিপকালীন সঠিক মালিকানা লিপিবদ্ধ করতে এবং নিজ নামে খতিয়ান পেতে বাটোয়ারা দলিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।


পরিবারের সম্প্রীতি রক্ষায় বাটোয়ারা দলিলের ভূমিকা


বাটোয়ারা দলিল কেবল আইনি নিরাপত্তার জন্য নয়, বরং পরিবারের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় রাখার জন্যও অপরিহার্য। এতে পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি দূর হয় এবং সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে স্থায়িত্ব আসে।


উপসংহার:


একটি সঠিকভাবে প্রস্তুতকৃত বাটোয়ারা দলিল জমি সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান এবং ভবিষ্যৎ বিরোধ প্রতিরোধে এক অনন্য হাতিয়ার। তাই, জমি বণ্টনের সময় দলিল রেজিস্ট্রেশন করা শুধু প্রয়োজনীয় নয়, বরং পরিবারের সম্প্রীতি এবং আইনি নিশ্চয়তার জন্য অপরিহার্য।

গরিব কেন সারা জীবন গরিব থাকে? 

 ✍️গরিব কেন সারা জীবন গরিব থাকে? 🤔


আয় সাধারণত তিন ধরনের হয়ে থাকে:

1. একটিভ ইনকাম

2. প্যাসিভ ইনকাম

3. পোর্টফোলিও ইনকাম


---


✍️১. একটিভ ইনকাম 


একটিভ ইনকাম মানে হচ্ছে এমন আয় যা আপনি সরাসরি পরিশ্রম এবং সময় দিয়ে উপার্জন করেন। যেমন: চাকরি, ব্যবসা, অথবা এমন কোনো কাজ যা আপনি যতটুকু সময় দেবেন, ততটুকু আয় করবেন। উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি একটি দোকান চালান, তবে আপনি যতক্ষণ দোকান চালাবেন, ততক্ষণ আয় হবে; কিন্তু যদি আপনি দোকানে না যান, তবে আয় হবে না। 


এই ধরনের আয় বেশিরভাগ মানুষের কাছে সহজ এবং দ্রুত মনে হয়। এটি সাধারণত সবার কাছে পরিচিত একটি মাধ্যম, এবং বেশিরভাগ মানুষ একটিভ ইনকামের দিকে ছুটে চলে। উদাহরণস্বরূপ, চাকরি পাওয়া, মাসে নির্দিষ্ট স্যালারি পাওয়া, কিংবা ছোটখাটো ব্যবসা করা। কিন্তু এই ধরনের আয় সীমিত, কারণ আপনি যতটুকু পরিশ্রম করবেন, ততটুকু আয় হবে। আর একজন মানুষ প্রতিদিন সর্বোচ্চ ১০-১২ ঘণ্টা পরিশ্রম করতে পারে, এর বেশি নয়। 


যত বড় ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার বা অভিনেতা হোন না কেন, একটিভ ইনকামে আপনি সর্বোচ্চ কতটুকু আয় করতে পারেন? এর পরিমাণ নির্দিষ্ট, এবং এক সময় আপনি সেই সীমার মধ্যে আটকে পড়বেন। তাই, একটিভ ইনকাম দীর্ঘমেয়াদী ধন-সম্পদ গড়ার জন্য যথেষ্ট নয়। 


---


✍️২. প্যাসিভ ইনকাম 


প্যাসিভ ইনকাম হচ্ছে এমন আয় যা আপনি কাজ না করেও উপার্জন করতে পারেন। অর্থাৎ, আপনি ঘুমাচ্ছেন, বা অন্য কোনো কাজ করছেন, তবুও আপনার আয় চলতে থাকে। যারা প্যাসিভ ইনকাম তৈরি করেন, তারা অনেক সময় ধনী হয়ে ওঠেন। কারণ, প্যাসিভ ইনকামের একটা বড় সুবিধা হলো, এটি সময়ের সাথে বৃদ্ধি পায় এবং কখনো থেমে যায় না। 


উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, আপনি যদি একটি বাড়ি ভাড়া দেন, তবে আপনি প্রতি মাসে ভাড়া পাবেন, আর আপনাকে বাড়ির দিকে কোনো বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে না। এছাড়া বই লেখা, ইউটিউব চ্যানেল চালানো, ওয়েবসাইট তৈরি করে আয় করা, ফেসবুক পেজ বা ইনস্টাগ্রাম থেকে আয়, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, সিপিএ (Cost Per Action) এই সবই প্যাসিভ ইনকামের উদাহরণ। 


প্যাসিভ ইনকাম শুরু করা সহজ নয়, কারণ এর জন্য প্রথমে কিছু সময় এবং পরিশ্রম দিতে হয়। আপনি যদি ইউটিউব চ্যানেল শুরু করেন, তবে প্রথম কয়েক মাস হয়তো আপনি আয় পাবেন না, কিন্তু একসময় যখন আপনার ভিডিওগুলো জনপ্রিয় হবে, তখন আয় আসতে থাকবে। অনেক সময়, এই ধরনের ইনকাম শুরু করতে কিছু পুঁজি এবং পরিকল্পনা প্রয়োজন। 


এ কারণে অধিকাংশ মানুষ প্যাসিভ ইনকাম এর প্রতি আগ্রহী নয়, এবং তারা একটিভ ইনকামে আটকে থাকে। তবে যাদের প্যাসিভ ইনকাম থাকে, তারা কখনো অর্থ কষ্টে পড়েন না, কারণ তাদের আয় কখনো বন্ধ হয় না। তাই, যদি আপনি জীবনে সফল হতে চান, তবে একটিভ ইনকাম থেকে কিছু টাকা বাঁচিয়ে প্যাসিভ ইনকামের উৎস তৈরি করুন। 


---


✍️৩. পোর্টফোলিও ইনকাম 


পোর্টফোলিও ইনকাম হল সেই আয় যা মূলত ইনভেস্টমেন্টের মাধ্যমে আসে। যারা টাকা আছে, তারা সেই টাকা বিভিন্ন জায়গায় বিনিয়োগ করে আয় করেন। এই ধরনের ইনকামের জন্য তাদের কোনও কঠোর পরিশ্রম করতে হয় না। 


উদাহরণস্বরূপ, আপনি শেয়ার বাজারে বা মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করতে পারেন। এছাড়া, আপনি যদি কোনো ব্যবসায়িক উদ্যোগে বিনিয়োগ করেন, তবে সেই ব্যবসা থেকে আয় পাবেন, যদিও আপনার কোনও সরাসরি অংশগ্রহণের প্রয়োজন নেই। 


ধনী মানুষ সাধারণত এই ধরনের ইনভেস্টমেন্টে অর্থ রাখেন। কারণ, ব্যাংকে টাকা রাখলে, আসল অর্থের মূল্য দিন দিন কমে যায়। অর্থাৎ, সময়ের সাথে সাথে আপনার টাকা ক্ষয় হতে থাকে। তবে, যদি আপনি সেই টাকা শেয়ার বাজারে, মিউচুয়াল ফান্ডে বা কোনো ভালো ব্যবসায়িক উদ্যোগে বিনিয়োগ করেন, তবে আপনার টাকা বৃদ্ধি পাবে এবং আপনি ধনী হতে পারবেন। 


যারা পোর্টফোলিও ইনকামে আগ্রহী নয়, তারা হয়তো জানেন না যে বিনিয়োগের মাধ্যমে কীভাবে তারা তাদের সম্পদ বৃদ্ধি করতে পারেন। 


---


২০-৮০ সিস্টেম এবং আপনার ভবিষ্যৎ 


আপনার যদি প্যাসিভ ইনকাম কিংবা পোর্টফোলিও ইনকামের প্রতি আগ্রহ না থাকে, তাহলে আপনি হয়তো ২০-৮০ সিস্টেমে আটকে যাবেন। এই সিস্টেম অনুযায়ী, ২০% মানুষ ধনী হয়, এবং ৮০% মানুষ গরিব থাকে। পৃথিবীর সম্পদের বড় একটা অংশ ২০% মানুষের কাছে থাকে।


এই কারণে, আপনি যে প্রফেশনে আছেন না কেন, চেষ্টা করুন প্যাসিভ ইনকাম শুরু করতে। আপনি যদি শুধুমাত্র একটিভ ইনকামে আটকে থাকেন, তবে আপনার আয় এক সময় সীমাবদ্ধ হয়ে যাবে। আর প্যাসিভ ইনকাম অথবা পোর্টফোলিও ইনকাম না থাকলে, আপনি সেই ৮০% মানুষের মধ্যে পড়ে যাবেন, যারা সারাজীবন অর্থ কষ্টে ভুগবে। 


তাই, আজ থেকেই আপনার আয় বাড়ানোর পরিকল্পনা করুন এবং একটিভ ইনকাম থেকে কিছু টাকা বাঁচিয়ে প্যাসিভ ইনকাম অথবা পোর্টফোলিও ইনকাম তৈরি করুন। 


আপনার ভবিষ্যত সুরক্ষিত হবে এবং আপনি ধনী হতে পারবেন। 


--- 


উদাহরণ আরও কিছু:  

- বই লেখা: আপনি যদি একটি বই লিখে প্রকাশ করেন, তবে প্রতি বিক্রির সাথে আপনাকে কিছু পরিমাণ আয় হবে, যা অবিরাম চলতে থাকবে।

- ইনভেস্টমেন্ট: আপনি যদি স্টক মার্কেট, রিয়েল এস্টেট অথবা কিপট (Crypto) মার্কেটে বিনিয়োগ করেন, তবে আপনি প্যাসিভ ইনকাম উপার্জন করতে পারবেন। 

- অনলাইন কোর্স তৈরি করা: আপনি যদি কোনো বিশেষ বিষয়ে দক্ষ হন, তাহলে আপনি একটি অনলাইন কোর্স তৈরি করতে পারেন, যা মানুষ কিনে নেবে এবং আপনাকে অবিরাম আয় এনে দিবে। 


সুতরাং, জীবনে সফল হতে এবং ধনী হতে হলে, একটিভ ইনকাম ছাড়াও প্যাসিভ ইনকাম এবং পোর্টফোলিও ইনকামের প্রতি মনোযোগ দিন।

মরিচ গাছ থাকলে ২ টা কী

 মরিচ গাছ থাকলে ২ টা কীটনাশক সংগ্রহে রাখুন। ১.ভেকটিন

২.ইমিটাফ


ব্যবহারঃ- 

১| ভেকটিন(পাতা নিচের দিকে মুড়োনো দেখলে) 


২| ইমিটাফ(পাতা উপরের দিকে মুড়োনো দেখলে)


১ মিলি ১ লিটারে মিক্স করে পুরো গাছে স্প্রে করুন।


♦️*ছাদ বাগান টিপস ও কৃষি পরামর্শ পেতে পেইজটি লাইক ফলো দিয়ে যুক্ত হন  আমাদের সাথে,ধন্যবাদ।

বোরো ধান আবাদে শতকে ও বিঘায় সারের পরিমানঃ

 #বোরো_ধান_আবাদে_শতকে_ও_বিঘায়_সারের_পরিমানঃ


শতক প্রতি হিসাব:


ইউরিয়া= ১.০৯ কেজি

টিএসপি/ডিএপি= ৪৫৪ গ্রাম 

জিপসাম= ৪৫৪ গ্রাম

পটাশ= ৩৩৬ গ্রাম 

জিংক/দস্তা= ৪৫ গ্রাম

বোরন = ৩৫ গ্রাম 

ম্যাগসার = ৬০ গ্রাম 

দানাদার= ৩৫ গ্রাম 


বিঘা প্রতি ৩৩ শতকে সারের পরিমান

ইউরিয়া= ৩৬ কেজি

টিএসপি/ডিএপি= ১৫ কেজি

জিপসাম= ১৫ কেজি 

পটাশ= ২১ কেজি

জিংক/দস্তা= ১.৫০ কেজি

বোরন = ১ কেজি

ম্যাগসার =২ কেজি

দানাদার= ১ কেজি


টিএসপি সারের পরিবর্তে ডিএপি সার দিলে ৪০%  ইউরিয়া সার কম প্রয়োগ করতে হবে। 


#সার_প্রয়োগ_পদ্ধতিঃ 


জমি তৈরির শেষ চাষে সমস্ত টিএসপি+জিপসাম+বোরন+ম্যাগসার+জিংক+দানাদার (আলাদাভাবে) তিন ভাগের দুই ভাগ পটাশ ছিটিয়ে দিতে পারেন। 


জিংক/দস্তা সার প্রথম বা দ্বিতীয় চাষে দেওয়া ভালো। 


ইউরিয়া সার তিন কিস্তিতে প্রয়োগ করতে হবে। 


#প্রথম_কিস্তি:

চারা রোপনের ১০-১২ দিনের মধ্যে ইউরিয়া উপরি করতে হবে। 


#দ্বিতীয়_কিস্তি: 

চারা রোপনের ২৫-৩০ দিনের মধ্যে উপরি প্রয়োগ করতে হবে। 


#তৃতীয়_কিস্তি: 

চারা রোপনের ৪৫-৫০ দিনের মধ্যে উপরি প্রয়োগ করতে হবে। এবং তিন ভাগের এক ভাগ পটাশ তৃতীয় কিস্তি ইউরিয়া সারের সাথে মিশিয়ে প্রয়োগ করতে হবে। 


মোঃ ফরিদুল ইসলাম 

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা 

ব্লকঃ ভোটমারী, কালিগঞ্জ, লালমনিরহাট।

লিচু গাছে মুকুল ও ফল ঝরা রোধে করনীয়।

 লিচু গাছে মুকুল ও ফল ঝরা রোধে করনীয়।


✅✅লিচু গাছে মুকুল আসার আগ থেকে ফল আসা পর্যন্ত প্রায় ৩ মাস সঠিক পরিচর্যা করা অত্যন্ত জরুরি।


👉গাছের যথাযথ বৃদ্ধি ও ভালো ফলনের জন্য সঠিক নিয়মে ও পরিমাণমতো সার প্রয়োগ করা জরুরি। নিম্নে সারের পরিমাণ উল্লেখ করা হলো-


👉এক থেকে তিন বছর বয়সী গাছের জন্য গাছপ্রতি জৈবসার ১০ কেজি, ইউরিয়া ১৫০ গ্রাম, টিএসপি ৬০০ গ্রাম, এমওপি ২০০ গ্রাম।


👉চার-ছয় বছর বয়সী গাছের জন্য গাছপ্রতি জৈবসার ১০-১৫ কেজি, ইউরিয়া ৩০০ গ্রাম, টিএসপি ৬০০ গ্রাম, এমওপি ২৫০-৩০০ গ্রাম।


👉৭-১০ বছর বয়সী গাছের জন্য গাছপ্রতি জৈবসার ১৫-২০ কেজি, ইউরিয়া ৬০০ গ্রাম, টিএসপি ৭০০ গ্রাম, এমওপি ৫০০ গ্রাম।


👉১০ বছরের বেশি বয়সী গাছের জন্য গাছপ্রতি জৈবসার ২০-২৫ কেজি, ইউরিয়া ১০০০ গ্রাম, টিএসপি ৭৫০ গ্রাম, এমওপি ৬০০ গ্রাম।


গাছে যদি জিঙ্কের অভাব দেখা দেয় অর্থাৎ পাতা যদি তামাটে রঙ ধারণ করে তবে প্রতি বছর ৫০০ লিটার পানির সাথে ২ কেজি চুন ও ৪ কেজি জিঙ্ক সালফেট গুলে বসন্তকালে গাছে ছিটাতে হবে। ফল ঝরা কমাতে এটা সাহায্য করবে। ফল ফেটে যাওয়া কমাতে প্রতি ১০ লিটার পানিতে ১০ গ্রাম বোরিক পাউডার গুলে ফলে স্প্রে করা যেতে পারে।


উল্লিখিত সার বছরে ৩ কিস্তিতে ৩ ভাগ করে লিচু গাছে প্রয়োগ করতে হবে। ১ম কিস্তি বর্ষার শুরুতে ( ফল আহরণের পর ), ২য় কিস্তি বর্ষার শেষে ( আশ্বিন- কার্তিক মাসে ) এবং শেষ কিস্তি গাছে ফুল আসার পর প্রয়োগ করতে হবে। দুপুর বেলা গাছের ছায়া যতটুকু স্থানে পড়ে সেটুকু স্থানে মাটি কুপিয়ে আলগা করে সার প্রয়োগ করতে হবে।


👉নিয়মিত সেচ প্রদান করতে হবে। মাটির ধরণ অনুসারে খরার সময় ১০-১৫ দিন পর পর সেচ দিতে হবে।


👉গাছে মুকুল আসার আগে ১ বার, গাছে যখন ফল মটরদানার সমান হবে তখন ১ বার এবং মার্বেল আকার ধারণ করলে ১ বার প্লানোফিক্স ( ১ মিলি/৪.৫ লিটার পানি)/মিরাকুলান (১ মিলি/ লিটার পানি)/ফ্লোরা ( ২ মিলি/লিটার পানিতে ) মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

👉লিচু গাছে মুকুল আসার পর কিন্তু ফুল ফোটার আগে 

ল্যামডা সাইহ্যালোথ্রিন জাতীয় কোনো কীটনাশক ( ফাইটার/ ফাইটার প্লাস/ রীভা ২.৫ ইসি) ১ মিলি/লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। এছাড়া কার্বেন্ডাজিম জাতীয় একটি ছত্রাকনাশক (আটোস্টিন/নোইন/বেনডাজিম ২ গ্রাম/লিটার পানি/এমকোজিম ১ গ্রাম/লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। একই সময় ফ্লোরা ২ মিলি/লিটার পানিতে মিশিয়ে গাছে ভালোভাবে স্প্রে করতে হবে। লিচু গুটি বা মটরদানার সমান হলে একইভাবে উল্লিখিত কীটনাশক, ছত্রাকনাশক এবং পিজিআর ( PGR ) আরেক বার গাছে ভালোভাবে স্প্রে করতে হবে।


👉ফল বৃদ্ধির সময় জিংক সালফেট ২ গ্রাম/ লিটার পানিতে মিশিয়ে ৩ সপ্তাহ পর পর গাছে স্প্রে করলে গাছে ফল ফাটা ও ফল ঝরা সমস্যা দূর হওয়াসহ এবং ফলের আকৃতিও বড় হয়।


👉 মনে রাখবেন ফুল ফোটার ১ থেকে ৭ দিনের মধ্যে কোন প্রকার স্প্রে করা যাবে না। 


👉প্রয়োজনীয় তথ্যের জন্য নিকটস্থ কৃষি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করুন। 


@highlight The natural beauty

নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...