এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

আনসার উদ্দিন খান লিখেছেন --------রাকিব হাসান ফেইসবুক,, জুম বাংলা

 আনসার উদ্দিন খান লিখেছেন ----------- -------—————“২০০৩ সন। আমি তখন ডি এম পি-র ডেপুটি পুলিশ কমিশনার ট্রাফিক -নর্থ। পুরো ঢাকায় তখন মাত্র দু'জন ডিসি ট্রাফিক ছিলেন, নর্থ আর সাউথ। ফার্মগেট পড়েছিল উত্তর ডিভিশনের  কর্ম এলাকায়। আমার অভ্যাস ছিল সকাল ৭টায় রমনা পুলিশ কমপ্লেক্সের সরকারি বাসা থেকে বেরিয়ে পুরো উত্তর ঢাকার প্রধান প্রধান রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশের ডিউটি তদারকি করে মোহাম্মদপুরস্থ অফিসে ঢোকা এবং দিনের দাপ্তরিক  কাজ শুরু করা।


সেদিন সবে মাত্র অত্যন্ত ব্যস্ত  ট্রাফিক  ক্রসিং ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া এভিনিউ ধরে অফিসে এসে বসি। কিছুক্ষণের মধ্যেই ফার্মগেট থেকে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর ওবায়েদ ফোন করে জানান , একজন বিচারপতি তাঁকে এবং সেখানকার ৩ পুলিশ সার্জেন্টকে  হাইকোর্টের ফ্ল্যাগওয়ালা গাড়ির কাছে ডেকে উচ্চস্বরে বকাঝকা করছেন এবং বলছেন , তিনি রাস্তাতেই ক্ষমতাবলে কোর্ট বসাচ্ছেন এবং তাদের সাজা দিবেন। কি অপরাধ? সার্জেন্টদের কেউ তার গাড়ি লক্ষ্য করে স্যালুট করেনি।ওবায়েদ সাহেব আমাকে ঘটনাস্থলে যাওয়ার অনুরোধ করলেন। আমি রওনা হলাম। 


অফিস শুরুর সময়, রাস্তায় বেশ জ্যাম।ভিড় ঠেলে গিয়ে দেখি মাননীয় বিচারপতি চলে গেছেন। ঘটনা শুনলাম সবিস্তারে। 


বিচারপতি মানিক ( যাবার সময় তাঁর ড্রাইভার পরিচয় বলে যায়) ক্যান্টনমেন্টের দিক থেকে ফার্মগেট হয়ে হাইকোর্টের দিকে যাচ্ছিলেন।তিন সার্জেন্ট গলদঘর্ম হয়ে ট্রাফিকের পিক আওয়ারে ্দাঁড়িয়ে সিগন্যাল দিচ্ছিলেন সেখানে। প্রচন্ড ভিড়ের মধ্যে কালো রঙের ছোট্ট ফ্ল্যাগ লাগানো গাড়িটি তারা কেউ লক্ষ্য করেনি , স্যালুট করেনি। বিচারপতি তাঁর গাড়িটি হলিক্রস কলেজের গেটের  কাছে নিয়ে থামালেন। ড্রাইভারকে দিয়ে কর্মরত সার্জেন্টকে ডাকলেন।সার্জেন্ট গাড়ির কাছে আসার পর রাগতস্বরে জানতে চাইলেন , তাঁকে স্যালুট করা হয়নি কেন। সার্জেন্ট হতভম্ব , ব্যস্ত রাস্তায় এমন প্রশ্ন কেউ কখনও করেনি। তবু মাপ চাইলেন। বিচারপতি আরও ক্ষেপে গেলেন। তিনি এখানে যারা ট্রাফিক ম্যানেজমেন্টের কাজ করছেন সবাইকে তাঁর গাড়ির কাছে ডেকে আনতে বললেন। যথারীতি ইন্সপেক্টর ওবায়েদের নেতৃত্বে ৩ সার্জেন্ট এসে হাজির হলেন।ওদিকে পুরো ক্রসিং এ অস্বাভাবিক ট্রাফিক জ্যামের সৃষ্টি হল। তিনি তোয়াক্কা করলেন না। পুলিশ কেন ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স জানে না, কেন এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পুলিশ একাডেমির ট্রেনিং এ শেখানো হয় না , কেন পুলিশ চোখকান খোলা রাখেনি,  এসব নিয়ে অস্বাভিক রেগে গিয়ে  বকাঝকা করলেন তিনি। বার বার ক্ষমা চাওয়াতেও তিনি ক্ষান্ত হলেন না। তিনি বললেন, হলিক্রসের সামনের রাস্তাতেই তিনি কোর্ট হিসেবে ঘোষণা দিচ্ছেন, এবং এখানেই তিনি অফিসারদের শাস্তি দিবেন। 


তারপর তিনি অফিসারদের নামধাম লিখে নেন, ডিসি ট্রাফিক হিসেবে এই অধমের নামটিও নিয়ে যান। সেদিন বিকেলেই ফার্মগেট পুলিশ বক্সে সমন এলো , তিন সার্জেন্ট এবং ইন্সপেক্টর যেন পরদিন হাইকোর্টে বিচারপতির মানিকের এজলাসে হাজির হন। সকালে যথারীতি অফিসাররা হাই কোর্টে হাজির হন।তাদের দেখে হাইকোর্টে সাংবাদিক এবং এডভোকেট সাহেবদের ভিড় লেগে যায়। সবাই উৎসুক , ঘটনা জানার জন্য। এডভোকেট মামুন নামের একজন  বিনা পারিশ্রমিকে পুলিশের সাহায্যে এগিয়ে আসেন। তিনি এজলাসে পুলিশের পক্ষে লড়েন। শেষ পর্যন্ত বিচারপতি মানিক ৩ সার্জেন্টকে প্রত্যেককে ২০০ টাকা করে জরিমানা করেন অনাদায়ে ৩ মাসের জেল দেন। ইন্সপেক্টর ওবায়েদকে বন্ড দিতে বলা হয় , এমন অপরাধ আর তিনি করবেন না মর্মে। তারা জরিমানা ও বন্ড দিয়ে মুক্তি পান। 


আমি তার পরদিন সমন পাই হাইকোর্টে সশরীরে হাজির হওয়ার। আমিও হাজির হই। আমাকেও  ঘিরে ধরেন কোর্টের উৎসুক মানুষজন।নানান প্রশ্ন। রীতিমত ভড়কে গেলাম।  ভিড় ঠেলে কেউ একজন আমাকে নিয়ে যায় এটর্নী জেনারেলের অফিসে। এ এফ হাসান আরিফ ( বর্তমানে তিনি  অন্তর্বর্তী সরকারের মাননীয় উপদেষ্টা ) তখন এটর্নি জেনারেল। তিনি সব শুনে বিচারপতির এই কর্মের জন্য বিরক্তি প্রকাশ করলেন। আমাকে বললেন, আপনি ভয় পাবেন না। এজলাসে হাজির হয়ে শুধু বলবেন, এই ঘটনার জন্য আমি ক্ষমা চাই। বললেন,  কোর্টে এর বাইরে কিছু বললে ঝামেলা বাড়তেই থাকবে। কক্ষে উপস্থিত একজন এডভোকেট সাহেবকে বললেন আমাকে এজলাসে নিয়ে গিয়ে যথাযথ সহায়তা দিতে। 


সেই আমার প্রথম কোন বিচারকের সামনে হাজির হওয়া। এডভোকেট সাহেব আমাকে শিখিয়ে দিলেন,  কিভাবে কোর্টে ক্যাপ খুলে হাতজোড় করে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়  এবং বিচারপতির কথার পর  কিভাবে নি:শর্ত ক্ষমা চাইতে হয়। তাই করেছি সেদিন। বিচারপতি মানিক আমাকে সতর্ক করে দিলেন , আমার অধীনস্থ পুলিশ সদস্যরা যেন ভবিষ্যতে কোন বিচারপতিকে স্যালুট করতে ভুলে না যায়। আমি মুক্তি পেলাম। সেদিনই তিনি কোর্টে নির্দেশ দিলেন, আই জি পি-র কাছে যেন  ঘটনার ব্যাখ্যা চাওয়া হয় , অধীনস্থদের যেন আই জি পি বলে দেন বিচারপতিকে যেন অবশ্যই স্যালুট করা হয় এবং পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে যেন ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স এবং বিচারকদের যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের বিষয় পড়ানো হয়। 


তখন আই জি পি ছিলেন জনাব শহুদুল হক ( টক শো কাঁপানো দলকানা আই জি পি শহীদুল হক নয়)। জনাব শহুদুল হক সামরিক বাহিনীর একজন অবসরপ্রাপ্ত মেজর হিসেবে পুলিশ বাহিনীতে ১৯৭৭ সনে যোগ দেন। অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন এবং দৃঢ়চেতা অফিসার হিসেবে তিনি পরিচিত ছিলেন। যেহেতু তাঁকে জিয়াউর রহমান পুলিশে এনেছিলেন তাই আওয়ামীলীগের ১৯৯৬-২০০১ শাসনকালে  তাঁকে চাকুরীচ্যুত করা হয়। ২০০১ সনে বি এন পি দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসে তাঁকে পুনরায় পুলিশে ফিরিয়ে এনে চুক্তিভিত্তিক আই জি পি পদে অধিষ্ঠিত করে। জনাব হক হাইকোর্টের ব্যাখ্যা তলব দেখে বিস্মিত হন। তিনি তার উত্তর দেয়ার প্রস্তুতি নেন। 


ভুক্তভোগী হিসেবে আমাকেসহ আরও দুইজন অভিজ্ঞ পুলিশ অফিসারকে আই জি পি মহোদয় ডাকলেন তাঁর দপ্তরে। অন্য দুই জন ছিলেন এডিশনাল আই জি পি জনাব শাহ জামান রাজ এবং অবসরপ্রাপ্ত আমন্ত্রিত  এডিশনাল ডি আই জি প্রয়াত  কুতুবুর রহমান।আমি ইতিপূর্বে আমাকে দেয়া এটর্নী জেনারেলের পরামর্শ মনে করে ঘটনার জন্য সকলের সাথে সুর মিলিয়ে আদালতের কাছে ক্ষমা  চাওয়াই ভাল হনে মর্মে মতামত দিলাম। কুতুবুর রহমান সাহেব বললেন ভিন্ন কথা। তার মতে , রাস্তায় কর্তব্যরত অবস্থায় স্যালুট দেয়ার কোন বিধান নেই। যার বিধান নেই তার জন্য ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই উঠে না। জনাব রাজও একই মত রাখলেন। পরে জনাব হক আরও কয়েকজন ব্যক্তির সাথে পরামর্শ করেন বলে শুনেছি। এর ক'দিন পর আই জি পি শহুদুল হক ক্ষমা না চেয়েই নানান যুক্তি দিয়ে ব্যাখ্যা প্রদান করলেন হাইকোর্টে। 


অত্যন্ত ক্ষুন্ন হলেন কোর্টের বিচারপতি। ব্যাখ্যা অগ্রহনযোগ্য ধরে নিয়ে আই জি পি কে ৬ মাসের বিনাশ্রম জেল দেয়ার রায় দিলেন। ৬ মাসের জেল মানেই সরকারি দপ্তরের পদ হারানো। রায়ের দিন জনাব হক বিদেশে সফরে ছিলেন। এরপর যখন ফিরলেন এয়ারপোর্টে আই জি পি-র ফ্ল্যাগবিহীন গাড়ি গেল তাঁকে আনতে। শুধুমাত্র আই জি পি-র স্টাফ অফিসার ছিলেন তাঁকে রিসিভ করতে। তিনি নেমে বললেন , Everyone seems to be very hostile. I shouldn’t be there anymore. তিনি সোজা অফিসে গিয়ে তার দরকারী ব্যক্তিগত জিনিসপত্র নিয়ে আই জি পি পদে  ইস্তফা দিয়ে চলে গেলেন। ক্ষমতাসীন দল বা সরকারের কেউ তাঁর পক্ষে দাঁড়াননি। আদালতের আদেশ , সরকারের কিছু করার নেই, সাফ জানিয়ে দেয়া হল। অনেকটা অপমানিত হয়েই তিনি পদ ছাড়লেন। 

তারপর তিনি মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে শাস্তি মওকুফের আবেদন জানান এবং রাষ্ট্রপতি তাঁকে ক্ষমা করেন। 


দলকানা বিচারপতি মানিকের বিতর্কিত কথাবার্তা আর আপত্তিকর আচরণ সম্পর্কে দেশবাসী অবহিত। টেলিভিশনে তার অভিনব বাতচিত আর সেই এজলাসে দেখা চেহেরাসুরত মনে করে আমি হা হয়ে থাকতাম। একেই কি বলে বিচারপতি? ১৯৭১ সনে স্বাধীনতা যুদ্ধকালে আমি ৮/৯ বছরের শিশু। তবু তার বেশ কিছু স্মৃতি  মনের আঙিনায় উজ্জ্বল হয়ে আছে। আমাদের গ্রামের বাড়ির উঠোনে প্রতি সন্ধ্যায় চাটাই বিছিয়ে অনেক গ্রামবাসী  গোল হয়ে  বসে যেত রেডিও শুনতে।  স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সংবাদ আর উদ্দীপক গান ছিল সবার প্রিয়। একটা গান ছিল , 'বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা / আজ জেগেছে এই জনতা'।সেই বিচারপতি বলতে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী তথা চরম ঘৃনিত ইয়াহিয়া খানকেই আমরা কল্পনা করতাম। 


বিচারপতি মানিকের আজকের এই করুণ পরিণতি দেখে ইউটিউবে সেই পুরনো গানটি আবার  বার কয়েক শুনলাম। মনের মধ্যে সেই পুরনো উদ্দীপনা ,  সেই পুরনো স্বাদ টের পেলাম। 


স্যালুট  দেই দেশের দ্বিতীয় স্বাধীনতা যোদ্ধাদের।”

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ ১০-০২-২০২৫ খ্রি:। 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ ১০-০২-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সন্ধ্যায় বৈঠকে বসছে বিএনপি প্রতিনিধি দল।


আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গাজীপুরসহ সারাদেশে চলছে যৌথবাহিনীর অপারেশন ডেভিল হান্ট, গ্রেফতার হাজারেরও বেশি।


সন্ত্রাসীদের নির্মূল না করা পর্যন্ত সারাদেশে অপারেশন ডেভিল হান্ট অব্যাহত থাকবে - জানালেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


তিস্তা চুক্তি বাস্তবায়নে ভারতের সঙ্গে মাথা উঁচু করে কথা বলবে সরকার - রংপুরে গণশুনানিতে বললেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।


সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে নির্বাচন কমিশনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করলেন- সিইসি।


গাজায় কৌশলগত নেতজারিম করিডোর থেকে ইসরাইলি সেনাবাহিনী সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহার । 


কটক-এ একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে সফররত ইংল্যান্ডকে পরাজিত করে ভারতের সিরিজ জয়।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০৯-০২-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৯-০২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গাজীপুরসহ সারাদেশে যৌথবাহিনীর অপারেশন ডেভিল হান্ট চলছে, গ্রেফতার হাজারেরও বেশি। 

 

সন্ত্রাসীদের নির্মূল না করা পর্যন্ত সারাদেশে 'অপারেশন ডেভিল হান্ট' অব্যাহত থাকবে --- জানালেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণে গঠিত সমন্বিত কমান্ড সেন্টার আজ সন্ধ্যা থেকে কাজ শুরু করেছে।

 

সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে নির্বাচন কমিশনকে রাজনৈতিক প্রভাব মুক্ত করার উপর গুরুত্বরোপ করলেন- সিইসি।

 

সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি মোহাম্মদ আবদুর রউফের ইন্তেকাল --- প্রধান উপদেষ্টার শোক প্রকাশ। 

 

ভারতের ছত্তিশগড়ে মাওবাদী বিদ্রোহীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষে নিহত ৩৩।

 

এবং গল-এ দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের দ্বিতীয়টিতে স্বাগতিক শ্রীলংকাকে ৯ উইকেটে হারিয়ে হোয়াইট ওয়াশ করলো অস্ট্রেলিয়া।

রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

পিঁয়াজ এবং রসুনের জন্য সেচের পরিমাণ এবং ফ্রিকোয়েন্সি মাটির ধরন, আবহাওয়া এবং চাষাবাদের পদ্ধতির ওপর নির্ভর করে। তবে সাধারণভাবে:

 পিঁয়াজ এবং রসুনের জন্য সেচের পরিমাণ এবং ফ্রিকোয়েন্সি মাটির ধরন, আবহাওয়া এবং চাষাবাদের পদ্ধতির ওপর নির্ভর করে। তবে সাধারণভাবে:


পিঁয়াজের জন্য সেচ


1. চারা লাগানোর পরপরই প্রথম সেচ দেওয়া হয়।


2. প্রতি ৭-১০ দিন পর পর সেচ দিতে হয় (মাটির আর্দ্রতা অনুযায়ী)।


3. কন্দ বৃদ্ধির সময় (৫০-৭০ দিন বয়সে) প্রতি ৫-৭ দিন পর সেচ প্রয়োজন হয়।


4. পরিপক্ব হওয়ার ১০-১৫ দিন আগে সেচ বন্ধ করতে হয়।


মোট সেচ: সাধারণত ৭-১০বার প্রয়োজন হয়।


রসুনের জন্য সেচ


1. চারা গজানোর পর প্রথম সেচ দিতে হয়।


2. প্রতি ১০-১২ দিন পর সেচ দেওয়া ভালো।


3. রসুনের কন্দ বড় হওয়ার সময় (৫০-৬০ দিন বয়সে) প্রতি ৭-১০ দিন পর সেচ দেওয়া দরকার।


4. ফসল সংগ্রহের ১৫ দিন আগে সেচ বন্ধ করতে হয়।


মোট সেচ: সাধারণত ৫-৭ বার প্রয়োজন হয়।


বিঃদ্রঃ বেলে মাটিতে বেশি সেচ দিতে হয়, আর দোআঁশ মাটিতে অপেক্ষাকৃত কম সেচ লাগে। বেশি পানি দিলে পচন ধরতে পারে, আবার কম পানি দিলে কন্দের আকার ছোট হতে পারে।

অবশেষে একুশে পদক পাচ্ছেন অভ্র কিবোর্ডের আবিষ্কারক ডাঃ মেহেদী হাসান খান। মধুদার আপডেট ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 অবশেষে একুশে পদক পাচ্ছেন অভ্র কিবোর্ডের আবিষ্কারক ডাঃ মেহেদী হাসান খান।


ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পড়ছিলেন মেধাবী মেহেদী হাসান খান। কিন্তু শিক্ষকরা বলেছিলেন, এই ছেলে ডাক্তার হওয়ার অযোগ্য। মেডিকেল কলেজ ছেড়ে দেওয়া উচিত মেহেদীর। কারণ ডাক্তারির পড়াশুনা বাদ দিয়ে, দিন-রাত এক করে, খাওয়া-ঘুম ভুলে হস্টেলের ঘরেই একটা ছোট্ট কম্পিউটার সম্বল করে  মেহেদী তখন লড়ছিলেন অন্য লড়াই। বাংলা ভাষার জন্য লড়াই।


১৮ বছর বয়সের যুবক স্বপ্ন দেখছিলেন বাংলা ভাষাকে সারা পৃথিবীর কাছে খুব সহজে পৌঁছে দেওয়ার। কম্পিউটারে বাংলা লিখতে তাঁর খুব অসুবিধা হয়, এবং সেই পদ্ধতি মেহেদীর পছন্দ নয়। তাই তিনি চান এমন একটা সফটওয়্যার, যার সাহায্যে ইংরেজি অক্ষরে টাইপ করেই বাংলা লেখা সম্ভব।


বন্ধুরা মেহেদীকে বলে পাগল, ডাক্তারি পড়তে এসে কেউ সময় নষ্ট করে! তাও আবার নাকি বাংলা লেখার সুবিধার্থে! কিন্তু মেহেদী মেহেদীই। বাংলা ভাষার জন্য তাঁর দেশের মানুষ প্রাণ দিতে পারেন, আর সেই বাংলাকে লেখার দিক থেকে সহজ করতে কেরিয়ার বিসর্জন দিতে পারবেন না! হাল ছাড়েননি মেহেদী।


২৬ মার্চ,২০০৩ সাল, মেহেদীর জীবনে শুধু নয়, লক্ষ লক্ষ বাঙালির জীবনের একটি বিশেষ দিন। সেই দিন মেহেদী বিশ্বের সামনে আনলেন ‘অভ্র’ সফটওয়ার। যা আজ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা বাঙালিদের সব চেয়ে পছন্দের বাংলা রাইটিং সফটওয়ার। আজ বাঙালির কম্পিউটার, ল্যাপটপ খুললেই স্ক্রিনে একটি স্লোগান ভেসে ওঠে , ‘ভাষা হোক উন্মুক্ত’। এটিই  ডাক্তার মেহেদী হাসান খানের তৈরি করা স্লোগান। তাঁর স্বপ্ন ছিল, ভাষাকে উন্মুক্ত করতে হবে সবার জন্য, বেঁধে রাখা যাবে না জটিলতার নাগপাশে।


আজ কিন্তু তিনি ডাঃ মেহেদী হাসান খান। হাজার তাচ্ছিল্য সত্ত্বেও তিনি ‘অভ্র’ আবিষ্কারের সঙ্গে সঙ্গে কৃতিত্বের সঙ্গে পাশ করেছেন ডাক্তারিও। আজ ভারত ও বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সরকারি দপ্তরেও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে ‘অভ্র কিপ্যাড’। লেখা হচ্ছে সরকারি ফাইল থেকে পরিচয়পত্র। মেহেদীর এই আবিষ্কার বাঁচিয়ে দিয়েছে দুই দেশের কোটি-কোটি টাকা। যার জন্য এত কিছু, সেই মানুষটাকে আমরা চিনিই না। চিরকাল প্রচারবিমুখ, ৩২ বছরের এই বিনয়ী তরুণ বাংলা ভাষার জন্য এত বড় অবদান রেখে গেলেও, রয়ে গেলেন প্রচারের আলোর বাইরেই।


অভ্র টিমের সদস্যদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন রিফাত উন নবী, সিয়াম রুপালী ফন্টের জনক সিয়াম, সারিম, ভারতের নিপন এবং মেহেদীর সহধর্মিণী সুমাইয়া নাজমুন।


#ঊষাদাদু


ক্যান্সার থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার সহজ উপায়

 ক্যান্সার থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার সহজ উপায়-


১) প্রথমেই সব ধরনের সুগার বা চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন। কেননা শরীরে চিনি না পেলে ক্যান্সার সেলগুলো প্রাকৃতিকভাবেই বিনাশ হয়ে যায়।


২) প্রতিদিন সকালে ও রাতে তিন থেকে চার চামচ অর্গানিক নারিকেল তেল খান ক্যান্সার সেরে যাবে। 


৩) এক গ্লাস গরম পানিতে একটি লেবু চিপে রস বের করে মিশিয়ে নিন। সকালে খাবারের আগে প্রতিদিন নিয়ম করে তিন মাস খালি পেটে লেবু মিশ্রিত গরম পানি পান করুন।


বন্টননামা দলিল কেন প্রয়োজন?

 🟥 বন্টননামা দলিল কেন প্রয়োজন?

বন্টননামা দলিল না করলে যে সকল জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে। ওয়ারিশসূত্রে নামজারি খারিজের কারণ ও মঞ্জুর এর ক্ষেত্রে অদূর ভবিষ্যতে সৃষ্ট জটিলতা সম্পর্কেঃ


১. দাখিলা (খাজনা/এলডি ট্যাক্স): অধিকাংশ ওয়ারিশসূত্রে নামজারির আবেদনে রেকর্ডীয় মালিকের জমির পরিমাণ বেশি থাকে। ফলে খাজনা/এলডি ট্যাক্স এর পরিমাণও বেশি থাকে এবং আবেদনকারী খাজনা/এলডি ট্যাক্স পরিশোধ ছাড়াই মিউটেশনের আবেদন করেন। অথচ ভূমির মালিকানা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে দখল, দাখিলা ও দলিল অত্যাবশ্যকীয়।


২. দখল: অধিকাংশ ওয়ারিশসূত্রে নামজারির আবেদনে রেকর্ডীয় মালিকের একাধিক খতিয়ানে ও দাগে জমি থাকে। কিন্তু ওয়ারিশসূত্রে আবেদনকারী সকল দাগে অংশ অনুসারে দখলে থাকেন না। বরং এক বা গুটিকয়েক দাগে দখল থাকে। সকল দাগে অংশ মোতাবেক দখল না থাকায় মালিকানা পরিবর্তনের শর্তানুসারে (দখল, দাখিলা ও দলিল) মিউটেশনের মাধ্যমে মালিকানা পরিবর্তন সম্ভব নয়। 


৩. মিউটেশন তামিল: ওয়ারিশসূত্রে (অনেক ক্ষেত্রে ওয়ারিশের সংখ্যা ২০ জন বা তার বেশি) নামজারির একাধিক আবেদন মঞ্জুর হলে সেক্ষেত্রে ২নং রেজিষ্টারে তামিল করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। 


৪. ওয়ারিশকে বঞ্চিত করা: অনেকক্ষেত্রে এক বা একাধিক ওয়ারিশকে অথবা বিশেষ করে সৎ ভাই-বোনদের বঞ্চিত করা হয় এবং ১৫০ ধারার মামলার সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।

 

৫. খাজনা/এলডি ট্যাক্স আদায়ে জটিলতা: একজন ওয়ারিশ মিউটেশনের মাধ্যমে রেকর্ডীয় খতিয়ান থেকে বের হয়ে গেলে বাকি ওয়ারিশদের রেকর্ডীয় খতিয়ান সমুদয় খাজনা/এলডি ট্যাক্স পরিশোধ করতে হয় নতুবা বাকি ওয়ারিশদের খাজনা/এলডি ট্যাক্স বকেয়া হিসেবে থেকে যায়। 


৬. হস্তান্তর পরবর্তী দখল: এক বা একাধিক ওয়ারিশ প্রভাবশালী ব্যক্তির কাছে জমি হস্তান্তর করলে নতুন প্রভাবশালী মালিক একাধিক দাগে ও খতিয়ানে জমি ক্রয় করলেও তুলনামূলক দামি ও সুবিধাজনক জমি দখল করেন। ফলে বাকি ওয়ারিশরা ন্যায্য অধিকারের আশায় দ্বারে দ্বারে ঘুরে বেড়ান। 


৭. পরবর্তী জরিপ: একাধিক দাগে ও খতিয়ানে অংশ অনুযায়ী জমি থাকলেও এক বা গুটিকয়েক  দাগে ভোগদখল থাকলে পরবর্তীতে জরিপের সময় জটিলতার সৃষ্টি হবে। একাধিক দাগে জমি থাকলে দখল অনুসারে এক দাগে রেকর্ড করার সুযোগ থাকবে না।


নিজে জানুন এবং অন্যকে জানতে সুযোগ দিন।


#followers #trending #foryou #everyone #follow #highlights #advice #highlight #follower #উপদেশ #viral #Bangladesh 

Online Collected info


এক যুবক তার দাদাকে জিজ্ঞেস করল, "দাদু, প্রযুক্তি ছাড়া অতীতে কীভাবে বসবাস করতেন।।.

 এক যুবক তার দাদাকে জিজ্ঞেস করল,

"দাদু, প্রযুক্তি ছাড়া অতীতে কীভাবে বসবাস করতেন।।.

কম্পিউটার ছাড়া

ড্রোন ছাড়া

বিটকয়েন ছাড়া

ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়া

টিভি ছাড়া

এয়ার কন্ডিশনার ছাড়া

গাড়ি ছাড়া

মোবাইল ছাড়া? "


দাদা উত্তর দিলেন:

"ঠিক যেমন তোমার প্রজন্ম আজ বেঁচে আছে . . .

কোন প্রার্থনা নেই,

কোন সহানুভূতি নেই,

কোন সম্মান নেই,

প্রকৃত শিক্ষা নেই,

দরিদ্র ব্যক্তিত্ব,

মানুষের কোন দয়া নেই,

লজ্জা নেই,

কোন শালীনতা নেই,

সততা নেই।।


১৯৩০-১৯৮০ সালের মধ্যে জন্ম নেওয়া মানুষ আমরা ধন্য ছিলাম। আমাদের জীবন তার জলজ্যান্ত প্রমাণ। "


¶ স্কুলের পরে আমরা আমাদের হোমওয়ার্ক নিজেরা করেছি এবং সূর্যাস্ত পর্যন্ত আমরা সবসময় মাঠে খেলি

¶ আমরা বাস্তব বন্ধুদের সাথে খেলেছি, ভার্চুয়াল বন্ধুদের সাথে নয়।

¶ যদি আমাদের তৃষ্ণা থাকতো, তাহলে আমরা ঝরনা, জলপ্রপাত থেকে, ফসেট ওয়াটার পান করতাম, মিনারেল ওয়াটার নয়।

¶ আমরা কখনও চিন্তিত হইনি এবং অসুস্থ হইনি এমনকি আমরা একই কাপ বা প্লেট আমাদের বন্ধুদের সাথে ভাগ করে নিয়েছি।

¶ প্রতিদিন রুটি পাস্তা খেয়ে আমরা কখনো ওজন বৃদ্ধি পাইনি।

¶ খালি পায়ে হেঁটেও আমাদের পায়ের কিছুই হয়নি।

¶ সুস্থ থাকার জন্য আমরা কখনো ফুড সাপ্লিমেন্ট ব্যবহার করিনি।

¶ আমরা নিজেদের খেলনা বানিয়ে সেগুলো নিয়ে খেলতাম।

¶ আমাদের বাবা-মা ধনী ছিলেন না। তারা আমাদের ভালবাসা দিয়েছে, বস্তুগত উপহার নয়।

¶ আমাদের কখনও সেল ফোন, ডিভিডি, পিএসপি, গেম কনসোল, এক্সবক্স, ভিডিও গেম, পিসি, ল্যাপটপ, ইন্টারনেট চ্যাট ছিল না . . . কিন্তু আমাদের প্রকৃত বন্ধু ছিল।

¶ আমরা আমাদের বন্ধুদের আমন্ত্রণ ছাড়াই পরিদর্শন করেছি এবং তাদের পরিবারের সাথে খাবার ভাগ করে নিয়েছি এবং উপভোগ করেছি। পরিবারের সাথে সময় কাটানোর সুযোগ নিতে বাবা-মা কাছাকাছিই বসবাস করতেন।

¶ সাদা কালো ছবি হয়তো আমাদের কাছে ছিল, কিন্তু এই ছবিগুলোতে তুমি রঙিন স্মৃতি খুঁজে পাবে।

¶ আমরা একটি অনন্য এবং সবচেয়ে বুদ্ধিমান প্রজন্ম, কারণ আমরাই শেষ প্রজন্ম যারা তাদের বাবা-মায়ের কথা শুনেছিলো।


এবং আমরাই প্রথম যারা তাদের সন্তানদের কথা শুনতে বাধ্য হয়েছি। 


#𝑪𝒐𝒍𝒍𝒆𝒄𝒕𝒆𝒅

ফেইসবুক গল্প সুস্নিগ্ধা ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 উঠতি বয়সে প্রায় সব মেয়েদেরই প্রচন্ড বিয়ের মোহ থাকে। সারাক্ষন দু’চোখ দিয়ে চারপাশে শুধু সুন্দর ছেলে খুঁজে বেড়ায়। এ বয়সে মেয়েরা প্রেমে পড়লেই বিয়ের জন্য ব্যাকুল হয়ে উঠে। এমন কি পালিয়ে বিয়ে করতেও এক পায়ে প্রস্তুত থাকে তারা।


কিন্তু যদি না কারো সাথে দীর্ঘ ও গভীর কোন এফেয়ার থাকে, বয়স বাড়লে, শিক্ষিত হলে, বিয়ের প্রতি তাদের অধিকাংশেরই একটা অনীহা জন্ম নেয়। পড়ালেখা করে ক্যারিয়ার গড়বার এক দুরন্ত জেদ চেপে বসে তাদের মনে। সে সময়ে অনেক ছেলেকে ভালো লাগলেও পছন্দ করবার মতো যোগ্য ছেলেটিকে তারা তখন আর খুঁজে পায় না কিংবা খোঁজার গরজও বোধ করে না।


এরপর  প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পুরুষদের পাশাপাশি যোগ্যতার প্রমান দেয়ার প্রচন্ড নেশা চাপে তাদের। সে পরীক্ষায় অনেকে সাফল্যও পায়। তারপর চলে নিজের পায়ে দাঁড়াবার, স্বাবলম্বী হবার সংগ্রাম, নিজেকে গুছিয়ে নেয়ার সংগ্রাম।


কিন্তু ততোদিনে পদ্মা যমুনার জল গড়িয়ে যায় অনেক। মেঘে মেঘে হয়ে যায় অনেক বেলা। খরচ হয়ে যায় আয়ুর সোনালী অধ্যায়। বিয়ের বাজারে নিজের চাইতে যোগ্য ছেলে খুঁজে পাওয়া তখন দুস্কর হয়ে দাঁড়ায় তাদের জন্য। প্রচন্ড মেধাবী যে মেয়েটি অনার্স, মাস্টার্স পাশ করে phd শেষ করে ফেলে, কিংবা হয়ে যায় BCS ক্যাডার, বিয়ের বাজারে তারচেয়ে অধিক যোগ্যতাসম্পন্ন পাত্রের খোঁজ করতে গিয়ে এক বিশাল ধাক্কা খায় সে—তিরিশ প্লাস যোগ্য পাত্রগুলি তার তিরিশ প্লাস বয়সটার দিকে আড়চোখে তাকিয়ে মুখ ঘুরিয়ে নেয়।


একুশ বাইশ বয়সের যুবতীর বর্ণিল স্বপ্নগুলি তিরিশ পেরিয়ে বিবর্ণ হয়ে পড়ে। তার একদা উপচে পড়া চকচকে যৌবনের কোথাও কোথাও গোপন মরচে পড়ে। তার বিশাল আর আলো ঝলমলে পৃথিবীতে রাত নামতে থাকে। এই পৃথিবীতে একটা নিরাপদ আশ্রয় আর অবলম্বন ছাড়া যে সে ভীষন অসহায়, এতোদিন পর এই নির্মম সত্য অনুধাবন করে সে কাঁপতে থাকে অনিশ্চয়তায়। স্বামী সন্তান নিয়ে একটা ছোট্ট সুখী সংসারের জন্য সে সারা জীবনের কষ্টার্জিত সকল ডিগ্রী ও যোগ্যতা বিসর্জন দিতেও প্রস্তুত হয়ে পড়ে।


পাত্রী দের অবস্থা কেমন হয় তখন ???

============================

০১। ফ্রেন্ডলিস্টের একজন নারী সফল BCS যিনি ৩৪ বছর বয়সে এসে 'যোগ্য' পাত্র খোঁজা বন্ধ করে এখন 'মোটামুটি' মার্কা পাত্র খুঁজছেন। কতোটা কম্প্রোমাইজ ভাবা যায়???


০২। ফ্রেন্ডলিস্টের একজন ডাক্তার। ৬ বছর ধরে 'যোগ্য' পাত্র খুঁজতে খুঁজতে তিনি নিজেই অযোগ্য হবার যোগাড় হয়ে পড়েছেন। বয়স ৩৫ চলছে। ওনার পরিবারের প্রথম টার্গেট ছিল ডাক্তার পাত্র ছাড়া বিয়ে করবে না। ২৯ বছর বয়সে যখন বিয়ের সিদ্ধান্ত নিলো তখন কিছু সিনিয়র অবিবাহিত ডাক্তার পাত্র পাওয়া যাচ্ছিল, কিন্তু সেগুলো তাদের পছন্দ হচ্ছিল না। পাত্র খুঁজতে খুঁজতে বয়স এখন ৩৫ এ এসে দাঁড়িয়েছে। এখন আর ডাক্তার পাত্র পাচ্ছে না। মনে হয় আর পাবেনও না। এখন 'কম্পাউন্ডার' ছেলে পেলেও চলবে। ইভেন জুনিয়র ডাক্তার বা ওষুধের দোকানের মালিক কোন ব্যাপার না।


০৩। এই আপা একজন উচ্চশিক্ষিত, বিদেশে উচ্চতর ডিগ্রী নিতে গিয়ে বিয়ের বয়স পার হয়ে গেছে। ওনার জীবনের লক্ষ্যই ছিল উচ্চতর ডিগ্রী নেয়া। সেই লক্ষ্য পূরণ হয়েছে কিন্তু ততোদিনে বিয়ের বয়স পার হয়ে গেছে। এখন এতো এতো ডিগ্রী সত্বেও পাত্র পাচ্ছেন না। ওনার বয়স এখন ৩৮/৩৯।


আসলে সময়ের কাজ সময় থাকতেই করতে হয়। লেখাপড়া, ক্যারিয়ার ইত্যাদির জন্য অনেক মেয়ে বিয়ের ব্যাপারে উদাসীন থাকেন। 


কিন্তু যতো বড় ক্যারিয়ার থাকুক না কেন ছেলেরা চাইবে তার চাইতে মিনিমাম ৫/৬ বছর জুনিয়র মেয়েকে বিয়ে করতে। সেই হিসেবে শিক্ষিত সমাজে সবচেয়ে বেশি ডিমান্ডের মেয়েরা হয় ২০/২১ থেকে ২৬ বছর বয়সী।


অফিসে এক সিনিয়র কলিগ বললো-- "একটা সময় টাকার অভাবে চুলে শ্যাম্পু দিতে পারতাম না, আর এখন চুলের অভাবে শ্যাম্পু দিতে পারি না"।


সুতরাং সঠিক সময় সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হয়।


একজন বলেছিল-- বিয়ে প্রেম আবেগের বশেই হয়ে যাওয়া উচিত। বিবেক এসে গেলে সেটা আর সঠিক বয়সে হয় না।

গল্পের_নামঃঅভিযোগ    পর্ব- ১ ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ১৮+এলার্ট

__তুমি আমার বয়'ফ্রেন্ড যা ই'চ্ছা করো ! তোমার বন্ধু'কে দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব না ! তুমি কেমন বয়ফ্রে/ন্ড আমার! আমি তোমার বন্ধুর সাথে নোং/রা'মো করবো তোমার খা'রাপ লাগবে না ? ~~লামিয়া /আমি ।


__আমার বন্ধু সে ! সমস্যা নাই!~~নাইম ।


__নাইম আর তাঁর দু'জন বন্ধু কে নিয়ে আসছে । এর মধ্যে একজন প্রায়ই নাইমের সাথে থাকতো । আমি ভাইয়া বলে ডাকতাম ।


__এটা আমাদের ফাস্ট মিট না ! নাইম কে প্রচুর বিশ্বাস করি আমি কিন্তু আজকে সে কি করলো ! ছিঃ ছিঃ আমার ভাবতেই ঘৃ'ণা হচ্ছে!


__দু'জন মিলে হিং/স্র প্রাণী'র মতো করে আমাকে ন*ষ্ট করলো ! এমন'টা আশা করি নি নাইম এর কাছে ! 


__ভাবছি এখন নাইম যদি আমাকে বিয়ে না করে তবে আমার কি হবে! তবে তো আমার ম/রে যাওয়া ছাড়া আর কোন উপায় হাতে থাকবে না! 


__আমার আর দেরি করা চলবে না! নাইম কে এবার আমার বিয়ের কথা বলতেই হবে! আমি আজকে'ই বলবো ।


__আমি/লামিয়া: নাইম আমি এখন'ই তোমাকে বিয়ে করতে চাই । প্লিজ বেবস্থা করো... জা'ন"!


__নাইম: আরে তুমি পা'গল হলে নাকি এখন আমি বিয়ে করতে পারবো না! আমি এখন বিয়ে করে তোমাকে খাওয়াবো কি ? তা'ছাড়া আমার কাছে কোন টাকা পয়সাও নাই এখন!


__লামিয়া/আমি: তুমি কোন টে/ন /শ/ন করিও না! আমি সব বেবস্থা করবো! টাকা আমার কাছে আছে ! তুমি কালকে কাজি অফিসে চলে এসো । আর আমি কথা দিচ্ছি আমি এখন'ই তোমার বাড়িতে গিয়ে উঠবো না! যখন তোমার ইচ্ছে হবে তখন তোমার বাড়িতে যাবো । কালকে চলে এসো জান..।


__আমি সময় মতো কাজি অফিসে আসলাম। কিন্তু কোথায় নাইম! প্রতিদিন নাইম খুব তাড়াতাড়ি চলে আসতো , তবে আজকে কেন আসতে'ছে না ! তবে কি আমার সন্দেহ'ই ঠিক ! নাইম আমাকে ভালোবাসতো না !😭! সব ছিলো যৌ/ব/ন এর জো/য়া/র! 😭 


__অনেক চেষ্টা করলাম তাঁর সাথে যোগাযোগ করার কিন্তু পারলাম না! সে আমার সাথে কোন ভাবেই যোগাযোগ করতে'ছে না !


__তবে কি আমি আমার গা/র্ডি/য়া/ন কে জানাবো ! নাঃ নাঃ সে কি করে সম্ভব! এর চেয়ে আমার ম/রে যাওয়া টাই অনেক সহজ।


__খুব কষ্ট করে নাইম এর সাথে থাকা বন্ধু রাজিন এর সাথে দেখা করলাম! 


__রাজিন আমাকে কখনো খা'রাপ চোখে দেখে নি! (কখনো স্পর্শ করে নি) 


__লামিয়া/আমি: রাজিন প্লিজ একটা বেবস্থা করো । নাইম তো আমার সাথে দেখা করতেছে না ! 


__রাজিন: আর দেখা করবেও না ! তবুও আমি বলবো তুমি তার জন্য অপেক্ষা করো যদি কখনো নিজের ভুল বুঝতে পারে ! তাহলে তো হয়েই গেলো ।


__লামিয়া/আমি: না আমি আর তার জন্য অপেক্ষা করবো না! তার প্রতি কোন অভিযোগ ও রাখবো না ! কিন্তু আজকে রাতে ঘুম আমার জীবনের শেষ ঘুম! আমি চললাম!😭


__রাস্তায় এক দোকান থেকে বি/শ কিনে নিয়ে বাড়িতে চলে গেলাম। দরজা লক করে ভিতরে বসে আছি ... বি'শ হাতে নিয়ে! আর ভাবছি যদি নাইম এসে এখন আমাকে বাঁচিয়ে নিতো......😭


__এমন সময় দরজায় খুব জোরে জোরে কেউ নক করতে শুরু করলো .....

চলবে...


গল্পের_নামঃঅভিযোগ

   পর্ব- ১


👉Sornali Entertainment

সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৩-০৫-২০২৬ খ্রি:।

 সকাল ০৭টার বাংলা সংবাদ তারিখ:২৩-০৫-২০২৬ খ্রি:। আজকের শিরোনাম: দিনব্যাপী সফরে আজ ময়মনসিংহ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান - যোগ দেবেন খাল ...