এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

ভুল সবই ভুল। জেনে নিন কোনটা ভুল আর কোনটা নির্ভুল:

 ভুল সবই ভুল। জেনে নিন কোনটা ভুল আর কোনটা নির্ভুল:

১. ভুলঃ কোমর ব্যথা মানে কিডনি রোগ!

নির্ভুলঃ কিডনি রোগে প্রস্রাব কমে যায়, খাওয়ার রুচি কমে যায়, বমি বমি লাগে, মুখ ফুলে যায়!

২. ভুলঃ ঘন ঘন প্রস্রাব মানেই ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগ!!

নির্ভুলঃ ডায়াবেটিস হলে প্রথম অনুভূতি হল- এতো খেলাম, তবুও কেন শক্তি পাইনা, এছাড়া ওজন কমে যায়, মুখে দুর্গন্ধ হয়, ঘা শুকাতে চায়না!

৩. ভুলঃ ঘাড়ে ব্যথা মানেই প্রেসার!

নির্ভুলঃ প্রেসার বাড়লে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কোন উপসর্গ পাওয়া যায় না! একটু অস্বস্তিকর অনুভুতি হয় মাত্র।

৪. ভুলঃ বুকের বামে ব্যথা মানে হার্টের রোগ!

নির্ভুলঃ হার্টের রোগে সাধারণত বুকে ব্যথা হয় না। হলেও বামে নয়তো বুকের মাঝখানে ব্যথা হয়... হার্টের সমস্যায় সাধারণত বুকের মাঝখানে চাপ চাপ অনুভূতি হয়, মনে হয় বুকের মাঝখানটা যেন কেউ শক্ত করে ধরে আছে!!

৫. ভুলঃ মিষ্টি খেলেই ডায়াবেটিস হয়।

নির্ভুলঃ ডায়াবেটিস হরমোনাল অসুখ। অগ্ন্যাশয় ঠিকমত কাজ না করলে ডায়াবেটিস হয়। তাই মিষ্টি খাওয়ার সাথে এই রোগ হবার সম্পর্ক নেই। কিন্তু ডায়াবেটিস হয়ে গেলে মিষ্টি খেতে হয় না।

৬. ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে বেশি পানি খেলে পায়ে পানি আসে।

নির্ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে প্রোটিন কম খেয়ে, কার্বোহাইড্রেট বেশি খেলে পায়ে পানি আসে। তাই প্রোটিন বেশি বেশি খেতে হয়।

৭. ভুলঃ এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং করাকালীন বেবির (৬মাসের আগে পানিও খাওয়ানো যায় না একারণে) ডায়রিয়া হলে, মা স্যালাইন খেলেই বেবিরও চাহিদা পূরণ হয়ে যায়।

নির্ভুলঃ মা খেলেই বাচ্চার চাহিদা পূরণ হয় না... বেবিকেও স্যালাইন খাওয়াতে হয়।

৮. ভুলঃ দাঁত তুললে চোখের আর ব্রেইনের ক্ষতি হয়।

নির্ভুলঃ দাঁত তোলার সাথে চোখের আর ব্রেইনের কোনো সম্পর্ক নেই। দাঁত, চোখ, মাথার নার্ভ সাপ্লাই সম্পূর্ণ আলাদা।

৯. ভুলঃ মাস্টারবেশন করলে চোখের জ্যোতি কমে যায়!

নির্ভুলঃ ভিটামিন এ জাতীয় খাবার না খেলে চোখের জ্যোতি কমে যায়।

১০. টক/ ডিম/ দুধ খেলে ঘা দেরীতে শুকায়।

নির্ভুলঃ টক/ ডিমের সাদা অংশ/ দুধ খেলে ঘা তাড়াতাড়ি শুকায়।

১১. ভুলঃ অস্বাভাবিক আচরন, ভাংচুর, পাগলামি মানেই জ্বিন ভুতে ধরা!!!

নির্ভুলঃ এটা বাইপোলার ডিসঅর্ডার, সিজোফ্রেনিয়া, হ্যালুসিনেশন।

১২. ভুলঃ তালু কাটা, এক চোখ, কপালে চোখ, বাঘের মত ডোরাকাটা দাগ নিয়ে জন্ম গ্রহন করা বাচ্চা কিয়ামতের আলামত, আল্লাহর গজব, বাঘের বাচ্চা।

নির্ভুলঃ মানুষের পেট থেকে বাঘের বাচ্চা হয় না আর কিয়ামতের আলামত বা গজব বাচ্চাদের উপর আসে না। এসব জিনগত রোগ বা জন্মগত রোগ।

১৩. ভুলঃ প্রেগন্যান্ট মহিলা আয়রণ, ক্যালসিয়াম এসব খেলে বাচ্চা বড় হয়ে যায়। তাই গাইনী ডাক্তার সিজার করার জন্য এগুলা প্রেসক্রাইব করে....

নির্ভুলঃ প্রেগন্যান্ট মহিলা আয়রণ, ক্যালসিয়াম না খেলে গর্ভস্থ বেবির নিউরাল টিউব ডিফেক্ট হয়।

১৪. ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে সাদাস্রাব হলে ফ্লুইড কমে যায়।

নির্ভুলঃ White discharge এবং Amniotic fluid সম্পূর্ণ আলাদা দুটো ফ্লুইড.. একটার সাথে আর একটার কোনো সম্পর্ক নেই।

১৫. বাচ্চা না হওয়া মানেই বন্ধ্যা নারী।

নির্ভুলঃ বন্ধ্যা, নারী এবং পুরুষ উভয়ই হতে পারে।।______________________________________

এ ধরণের আরো অনেক ধরণের গুজব বা কুসংস্কার আমাদের সমাজে প্রচলিত, যেগুলোর কোনো ভিত্তি বা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই।

সৌজন্যেঃ ডাক্তার তানিয়া সুলতানা

গল্প_খালতো_বোন  পর্ব:-১ লেখা ও কাহিনী #অভ্রনীল_শুভ

 আজ আমার বড় ভাইয়ের বিয়ে কিন্তু বড় ভাই বিয়ের আসর থেকে পালিয়ে গিয়েছে। 

বাধ্যতামূলক বিয়েটা আমার করতে হচ্ছে। 

বাসর ঘরে যে বসে আছে সে আর কেউ নয় আমার আপন খালতো বোন, যে কিনা  আমার কয়েক বছরের সিনিয়র।

আমার বড় ভাইয়ের সাথে বিয়ে হবার কথা ছিল কিন্তু তার অন্য কোথাও সম্পর্ক থাকার কারণে সে ওই মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে। 

এখন  আমি ফেঁসে গিয়ে বিয়েটা করতে হল। 

মা-বাবার কথার উপর আমি আর কিছু বলতে পারিনি।

মা-বাবাকে আমি ভীষণ ভয় পাই।

আর অন্যদিকে আমি আমার গার্লফ্রেন্ডকে কি জবাব দিব সেটাই বুঝতে পারছি না। আমার গার্লফ্রেন্ড আমাকে একটার পর একটা কল দিয়েই যাচ্ছে। 

এমন সময় আমার বাবা ডাক দিয়ে বলল, এত রাতে বারান্দায় কি করিস রুমে যা তোর জন্য বসে আছে মিমি।

তারপর আমি বাসর ঘরে ঢুকতেই আমার খালতো বোন মানে আমার বউ বলল, কখন থেকে বসে আছি তোর জন্য তুই কোথায় ছিলি। 

আমার জন্য মানে? 

তোর জন্য মানে তোর জন্য। আজকে থেকে তুই আমার বর। আর আজকে আমাদের বাসর রাত। 


এসব বিয়ে শাদী আমি মানি না। 


তুই মানিস না তোর ফেসবুকের পাসওয়ার্ড দে? 


তুমি আমার ফেসবুকের পাসওয়ার্ড দিয়ে কি করবে তুমি আমার বোন বোনই থাকো সেটাই ভালো। 

তোমার সাথে সংসার করা আমার কাছে সম্ভব না। 


তুই ফেসবুকের পাসওয়ার্ড দিবি না আমি তোর বাপকে ডাক দিব। 


আমার সাথে কথা বলছো আবার তার মধ্যে বাবাকে জরাচ্ছ কেন। 

পাসওয়ার্ড নাও দিচ্ছি 


এখন থেকে আমার কথা শুনবি, আমি যা যা বলবো তা করবি,কোন মেয়ের সাথে ঘোরাফেরা করবি না। আর এগুলা যদি তোর মনে থাকে তাহলে তোর জীবন সুন্দর আর নয় তো জানিস কি হবে তোর।


ভাবছিলাম আমার হাসবেন্ড টা অনেক রোমান্টিক হবে কিন্তু কে জানত তোর মতন আনরোমান্টিক আমার কপালে জুটবে।

সে যাই হোক এখন বিয়ে হয়ে গেছে কিছু করার নেই তোকে দিয়েই চলতে হবে।

তোর ফেসবুক মেসেঞ্জার এখন আর চেক করলাম না কারণ আজকের রাতটা আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা রাত। 

প্লিজ বোন তুমি আমার ইজ্জত হরণ করো না এভাবে,আমি তোমার ছোট ভাইয়ের মতো। 

তুই কথা না বলে ফ্রেশ হতে যাবি নাকি খালুকে ডাক দিব। 


যাচ্ছি-যাচ্ছি ভয় দেখাও কেন এত।


ওয়াশরুম থেকে বের হয়ে বিছানার বালিশটার হাতে নিয়ে যেতেই খালতো বোন হাতটা ধরে বিছানায় ধাক্কা মেরে ফেলে দিল। প্লিজ আমাকে ছেড়ে দাও আমি তোমার ছোট ভাইয়ের মত।


অভ্র তুই চুপ করবি নাকি আমি খালুকে ডাক দিব। 


কি বলছ তুমি আপু, আমি যদি চুপ থাকি তাহলে তো সব হরণ হয়ে যাবে। কিভাবে চুপ থাকব বুঝতে পারছি না।


চলবে,,,,,,


#গল্প_খালতো_বোন 

পর্ব:-১

লেখা ও কাহিনী #অভ্রনীল_শুভ


দ্বিতীয় পর্ব ১৮+ হবে সবাই নিজ দায়িত্বে পড়ুন

পরবর্তী পর্বের জন্য অবশ্যই কমেন্ট করা আবশ্যক

এটাকে কি শাক বা আগাছা বলেন আপনারা? 

 এটাকে কি শাক বা আগাছা বলেন আপনারা? 


কারও বাগানে এ রকম আগাছার দেখা পেলে পা দিয়ে কখনোই মাড়িয়ে দিবেন না। এটা সোনার খনির মত মহা মুল্যবান বস্তু। আমরা একে শাক, জুস, ঔষধি ও হার্ব জাতীয় গাছ হিসাবে ব্যবহার করতে পারি । এটাকে ইংরেজীতে Purslane বলে। এটা আমাদের দেশে অবহেলিত আগাছা হলেও বিদেশে এটাকে স্বাস্থ্যের জন্য সর্বাধিক উপকারী Superfood হিসাবে মর্যাদা দেয়া হয়েছে। সুপার ফুড মানেই হচ্ছে নানা ধরনের পুষ্টির ভান্ডার ও বিভিন্ন প্রকার রোগ থেকে বেঁচে থাকার অতি প্রয়োজনীয় ঔষধ। 

স্বাস্থের উপকারিতা:

এর মধ্যে আছে  Omega-3 Fatty Acids: 

এই ওমেগা 3 ফ্যাটি এসিডের কথা বলে কেউ কেউ কাফির লাইম লেবুর চারা ১২০০০ হাজার টাকা বিক্রির চেষ্টা করে। 

সামান্য এই আগাছা থেকেই আমরা পেতে পারি Omega-3 Fatty Acids,  Omega-3 Fatty Acids যা আমাদের হার্টের রোগ প্রতিরোধ ও সুস্থতা, ব্যাথা কমানো ও ব্রেন ফাংশনের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

এন্টি এক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি  পাওয়া যায় প্রচুর পরিমানে।

মন ভালো রাখার Mood Regulation এটা একি সাথে হতাশাও দূর করে।

কোলেস্টেরাল হ্রাস করে,  আর্থাইটিসের ব্যাথা কমানো,

হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি  স্কীনের উন্নতি, মাংশ পেশীর  সমস্যা দূর করে। 

এর মধ্যে আছে Melatonin Content যা ঘুম ও সর্বপরি সারা দেহের জন্য খুবই ভালো ঔষধ। 

সবশেষে একটি কথাই বলবো, কারও বাগানে এই শাকের দেখা পেলে একে বাগান থেকে পুরোপুরিভাবে নিশ্চিহ্ন হতে বা হারিয়ে যেতে দিবেন না। সম্ভব হলে প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় অল্প পরিমানে হলেও এই শাক রাখুন।

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ ১১-০২-২০২৫ খ্রি:। 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ ১১-০২-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


জুলাই অভ্যুত্থানে শহিদ ও আহতদের রাষ্ট্রীয়ভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান শুরু - জুলাইয়ের শহিদ ও আহতরা ইতিহাসের স্রষ্টা - বললেন প্রধান উপদেষ্টা।


প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপি প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ - দ্রুত জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন বিষয় আলোচনা।


দেশ সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত অপারেশন ডেভিল হান্ট চলবে - জানালেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


মুদ্রাস্ফীতি কমানোর লক্ষ্যে নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রেখে চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের মুদ্রানীতি ঘোষণা। 


ইসরাইলের বিরুদ্ধে যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভঙ্গের অভিযোগে জিম্মি মুক্তি স্থগিত করলো হামাস।


গুয়াতেমালায় একটি যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে অন্তত ৫১ জন নিহত।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ১০-০২-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ১০-০২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


 শিরোনাম


জুলাই অভ্যুত্থানে শহিদ ও আহতদের রাষ্ট্রীয়ভাবে আর্থিক সহায়তা প্রদান শুরু --- জুলাইয়ের শহিদ ও আহতরা ইতিহাসের স্রষ্টা --- বললেন প্রধান উপদেষ্টা।


প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বিএনপি প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ --- দ্রুত জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানসহ বিভিন্ন বিষয় আলোচনা।


দেশ সন্ত্রাসী ও দুষ্কৃতকারীমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত অপারেশন ডেভিল হান্ট চলবে --- বললেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


মুদ্রাস্ফীতি কমানোর লক্ষ্যে নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রেখে চলতি অর্থবছরের দ্বিতীয়ার্ধের মুদ্রানীতি ঘোষণা।


ফিলিস্তিনিদের গাজা থেকে স্থানান্তরের মার্কিন প্রস্তাব প্রত্যাখান করলো তুরস্ক ও সৌদি আরব।  


এবং পাকিস্তানে ত্রিদেশীয় এক দিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সিরিজের ফাইনালে  নিউজিল্যান্ড।

১বলে১ বলে ২৮৬ রান! ঘটনাটি অবিশ্বাস্য  লাগলেও ঘটনাটি  কিন্তু সত্যি। এমনই ঘটনা ঘটেছিলো অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটে। ঘটনাটি ১৮৯৪ সালের। 

 ১ বলে১ বলে ২৮৬ রান! ঘটনাটি অবিশ্বাস্য  লাগলেও ঘটনাটি  কিন্তু সত্যি। এমনই ঘটনা ঘটেছিলো অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটে। ঘটনাটি ১৮৯৪ সালের। দেশটির প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে মুখোমুখি হয়েছিলো ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া ও ভিক্টোরিয়া। ইনিংসের প্রথম বলেই সজোরে ব্যাট চালান ভিক্টোরিয়ার ব্যাটসম্যান।


মাঠের ভেতরেই ছিলো বিশাল আকৃতির একটি জাররাহ গাছ। গাছের ডালে গিয়ে আটকে যায় বলটি। বলটি এত ওপরে আটকে যায়, যা ফিল্ডারদের ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলো। বলটি হারিয়ে গেছে বলে আম্পায়ারের কাছে আবেদন করেন তারা। কিন্তু আম্পায়াররা অসম্মতি জানান, কেননা বলটি স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিলো কোথায় আটকে আছে।


অন্যদিকে চতুর ব্যাটসম্যানরা দৌড় থামাননি। তাঁরা দৌড়াতেই থাকেন। ফিল্ডাররাও কম বুদ্ধিমান ছিলেন না। তাঁদের মধ্যে একজন কুঠার দিয়ে গাছ কেটে ফেলার চেষ্টা করতে থাকেন।


তাদের মধ্যে আরেকজন ছিলেন, যিনি কিনা আইনস্টাইনের চেয়েও বেশি বুদ্ধিমান। গুলি করে বল পাড়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। যাই হোক শেষ পর্যন্ত কয়েকটা গুলি খরচের পর বলটি মাটিতে পড়ে।


দুর্ভাগ্যবশতঃ বলটি কোনও ফিল্ডারই ধরতে পারেনি। বলটি যখন তারা মাটি থেকে কুড়িয়ে নেয়, এরই মধ্যে ২৮৬ বার নিজেদের মধ্যে ক্রিজ বদল করে নেন ভিক্টোরিয়ার দুই ব্যাটসম্যান। এ সময় তাঁরা প্রায় ৬ কি.মি. পথ দৌড়ান। যেটা যুক্তরাজ্যের একটি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিলো। এই ঘটনার একমাত্র প্রমাণও এটি। এক বলে ২৮৬ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে ভিক্টোরিয়া। ম্যাচটি তারা জিতেও যায়। এক বলেই ইনিংস ঘোষণা করার আর কোনো নজির নেই ক্রিকেট ইতিহাসে। ২৮৬ রান! ঘটনাটি অবিশ্বাস্য  লাগলেও ঘটনাটি  কিন্তু সত্যি। এমনই ঘটনা ঘটেছিলো অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটে। ঘটনাটি ১৮৯৪ সালের। দেশটির প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে মুখোমুখি হয়েছিলো ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া ও ভিক্টোরিয়া। ইনিংসের প্রথম বলেই সজোরে ব্যাট চালান ভিক্টোরিয়ার ব্যাটসম্যান।


মাঠের ভেতরেই ছিলো বিশাল আকৃতির একটি জাররাহ গাছ। গাছের ডালে গিয়ে আটকে যায় বলটি। বলটি এত ওপরে আটকে যায়, যা ফিল্ডারদের ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলো। বলটি হারিয়ে গেছে বলে আম্পায়ারের কাছে আবেদন করেন তারা। কিন্তু আম্পায়াররা অসম্মতি জানান, কেননা বলটি স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিলো কোথায় আটকে আছে।


অন্যদিকে চতুর ব্যাটসম্যানরা দৌড় থামাননি। তাঁরা দৌড়াতেই থাকেন। ফিল্ডাররাও কম বুদ্ধিমান ছিলেন না। তাঁদের মধ্যে একজন কুঠার দিয়ে গাছ কেটে ফেলার চেষ্টা করতে থাকেন।


তাদের মধ্যে আরেকজন ছিলেন, যিনি কিনা আইনস্টাইনের চেয়েও বেশি বুদ্ধিমান। গুলি করে বল পাড়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। যাই হোক শেষ পর্যন্ত কয়েকটা গুলি খরচের পর বলটি মাটিতে পড়ে।


দুর্ভাগ্যবশতঃ বলটি কোনও ফিল্ডারই ধরতে পারেনি। বলটি যখন তারা মাটি থেকে কুড়িয়ে নেয়, এরই মধ্যে ২৮৬ বার নিজেদের মধ্যে ক্রিজ বদল করে নেন ভিক্টোরিয়ার দুই ব্যাটসম্যান। এ সময় তাঁরা প্রায় ৬ কি.মি. পথ দৌড়ান। যেটা যুক্তরাজ্যের একটি পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিলো। এই ঘটনার একমাত্র প্রমাণও এটি। এক বলে ২৮৬ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে ভিক্টোরিয়া। ম্যাচটি তারা জিতেও যায়। এক বলেই ইনিংস ঘোষণা করার আর কোনো নজির নেই ক্রিকেট ইতিহাসে।

সোমবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

হঠাৎ করে প্রেসার বেড়ে বা কমে গেলে খুব দ্রুত যা করবেন এবং খাবেন-------

 ®® হঠাৎ করে প্রেসার বেড়ে বা কমে গেলে খুব দ্রুত যা করবেন এবং খাবেন-------

® ® হঠাৎ প্রেসার বেড়ে গেলে কী করবেন?

হঠাৎ করে প্রেসার – হাই ব্লাড প্রেসার বা উচ্চ র*ক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন অনেকেই। সঠিক খাদ্যগ্রহণের মাধ্যমে এর থেকে দূরে থাকা সম্ভব। উচ্চ র*ক্তচাপ কমানোর জন্য এমন সব খাবারের পরিকল্পনা করতে হবে, যাতে থাকবে পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম।

কারণ খাদ্যের এসব উপাদান উচ্চ র*ক্তচাপ কমাতে সহায়ক। কম চর্বিযুক্ত দুধ বা চর্বিবিহীন দুধ বা দুধজাত খাদ্য যেমন দই ইত্যাদিতে পাওয়া যায় পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম।

তাজা ফল যেমন আপেল, কলা আর শাকসবজি হচ্ছে পটাশিয়ামের ভালো উৎস। টমেটোতেও আছে বেশ পটাশিয়াম।

বেশি ম্যাগনেশিয়াম পাওয়া যায় দানা শস্য বা গোটা শস্য, বিচি জাতীয় খাবার, বাদাম, শিমের বিচি, ডাল, ছোলা, লাল চালের ভাত, লাল আটা, আলু, সবুজ শাকসবজি, টমেটো, তরমুজ, দুধ ও দই ইত্যাদিতে।

১. কম চর্বিযুক্ত দুধ বা চর্বিবিহীন দুধ বা দুধজাত খাবার প্রতিদিন খেতে হবে ২ থেকে ৩ সার্ভিং। এক সার্ভিং দুধ বা দুধজাত খাবার মানে আধা পাউন্ড বা এক গ্লাস দুধ অথবা এক কাপ দই।

৩. ফল ৪ থেকে ৫ সার্ভিং প্রতিদিন। টুকরো টুকরো করে কাটা আধা কাপ ফল কিংবা মাঝারি সাইজের একটা আপেল বা অর্ধেকটা কলা অথবা আধা কাপ ফলের রস এতে হবে ফলের এক সার্ভিং। ফলের রসের চেয়ে আস্ত ফলই ভালো।

৪. শাকসবজি প্রতিদিন প্রয়োজন ৪ থেকে ৫ সার্ভিং। শাকসবজির এক সার্ভিং মানে এক কাপ কাঁচা শাক বা আধা কাপ রান্না করা শাক।

৫. দানা শস্য প্রতিদিন দরকার ৭ থেকে ৮ সার্ভিং। দানা শস্যের এক সার্ভিংয়ের উদাহরণ হলো এক স্লাইস রুটি অথবা আধাকাপ ভাত বা এক কাপ পরিমাণ গোটা দানা শস্য।

৬. বিচি জাতীয় খাবার প্রতি সপ্তাহে প্রয়োজন ৪ থেকে ৫ সার্ভিং। বিচি জাতীয় খাবারের এক সার্ভিংয়ের উদাহরণ হলো এক কাপের তিন ভাগের এক ভাগ বাদাম বা আধাকাপ রান্না করা শিম বা মটরশুঁটি।

® ® হঠাৎ প্রেসার কমে গেলে কী করবেন?

ব্লা*ড প্রেসার বা র*ক্তচাপ মানবদেহে র*ক্ত সঞ্চালনে চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করে। মানবদেহে র*ক্তচাপের একটি স্বাভাবিক মাত্রা আছে। তার ওপর ভিত্তি করেই উচ্চ র*ক্তচাপ বা হাই ব্লা*ড প্রেসার ও নিম্ন র*ক্তচাপ বা লো ব্লা*ড প্রেসার পরিমাপ করা হয়। উচ্চ র*ক্তচাপের মতোই নিম্ন র*ক্তচাপও কিন্তু শরীরের জন্য ক্ষতিকর। লো ব্লা*ড প্রেসারের আরেক নাম হাইপোটেনশন।চিকিৎসকের মতে, একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের র*ক্তচাপ থাকে ১২০/৮০। অন্যদিকে র*ক্তচাপ যদি ৯০/৬০ বা এর আশপাশে থাকে তাহলে লো ব্লা*ড প্রেসার হিসেবে ধরা হয়। প্রেসার যদি অতিরিক্ত নেমে যায় তাহলে মস্তিষ্ক, কিডনি ও হৃদপিণ্ডে সঠিকভাবে র*ক্ত প্রবাহিত হতে পারে না তখন এ রোগ দেখা দেয়। আবার অতিরিক্ত পরিশ্রম, দুশ্চিন্তা, ভয় ও স্নায়ুর দুর্বলতা থেকে লো ব্লা*ড প্রেসার হতে পারে।

® লক্ষণঃ

সাধারণত প্রেসার লো হলে মাথা ঘোরানো, ক্লান্তি, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, বমি বমি ভাব, বুক ধড়ফড় করা, অবসাদ, দৃষ্টি ঝাপসা হয়ে আসা ও স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাস নিতেও কষ্ট হয়। অতিরিক্ত ঘাম, ডায়রিয়া বা অত্যধিক বমি হওয়া, দেহের ভেতরে কোনো কারণে র*ক্তক্ষরণ হলে যেমন: র*ক্তবমি, পায়খানার সঙ্গে অতিরিক্ত র*ক্তক্ষরণ হলে, শারীরিকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত বা দুর্ঘটনার ফলে র*ক্তপাত ঘটলে এবং অপুষ্টিজনিত কারণেও লো ব্লা*ড প্রেসার দেখা দিতে পারে।আবার গর্ভবতী মায়েদের গর্ভের প্রথম ৬ মাস হরমোনের প্রভাবে লো প্রেসার হতে পারে। এ সময় মাথা ঘোরানো বা মাথা হালকা অনুভূত হওয়া, মাথা ঘুরে অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, বসা বা শোয়া থেকে হঠাৎ উঠে দাঁড়ালে মাথা ঘোরা বা ভারসাম্যহীনতা, চোখে অন্ধকার দেখা, ঘন ঘন শ্বাস-প্রশ্বাস নেওয়া, হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া, খুব বেশি তৃষ্ণা অনুভূত হওয়া, অস্বাভাবিক দ্রুত হৃদকম্পন, নাড়ি বা পালসের গড়ি বেড়ে যায়।

প্রাথমিক চিকিৎসাঃ

লো ব্লা*ড প্রেসার বা নিম্ন র*ক্তচাপ নিয়ে অনেকেই চিন্তায় থাকেন। তবে বিষয়টি নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। কারণ এটা উচ্চ র*ক্তচাপের চেয়ে কম ক্ষতিকর ও স্বল্পমেয়াদী সমস্যা। আর প্রেসার লো হলে বাড়িতেই প্রাথমিক কিছু পদক্ষেপ নেওয়া যায়।

এক্ষেত্রে হঠাৎ প্রেসার কমে গেলে যা করবেন-লবণ-পানি লবণ র*ক্তচাপ বাড়ায়। কারণ এতে সোডিয়াম আছে। তবে পানিতে বেশি লবণ না দেওয়াই ভালো। সবচেয়ে ভালো হয়, এক গ্লাস পানিতে দুই চা-চামচ চিনি ও এক-দুই চা-চামচ লবণ মিশিয়ে খেলে। তবে যাদের ডায়াবেটিস আছে, তাদের চিনি বর্জন করাই ভালো।

কফি-হট চকলেটঃ

হঠাৎ করে লো প্রেসার দেখা দিলে এক কাপ কফি খেতে পারেন। স্ট্রং কফি, হট চকোলেট, কমল পানীয়সহ যে কোনো ক্যা*ফেইন সমৃদ্ধ পানীয় দ্রুত ব্লা*ড প্রেসার বাড়াতে সাহায্য করে। আর যারা অনেক দিন ধরে এ সমস্যায় ভুগছেন, তারা সকালে ভারী নাশতার পর এক কাপ কফি খেতে পারেন।

বিটের রসঃ

বিটের রস হাই ও লো প্রেসার দুটোর জন্য সমান উপকারী। এটি রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। এভাবে এক সপ্তাহ খেলে উপকার পাবেন।

বাদামঃ

লো-প্রেসার হলে পাঁচটি কাঠবাদাম ও ১৫ থেকে ২০টি চিনাবাদাম খেতে পারেন। এটা পেসার বাড়াতে সহায়তা করে।

পুদিনাঃ

ভিটামিন ‘সি’, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম ও প্যান্টোথেনিক উপাদান যা দ্রুত ব্লা*ড প্রেসার বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে মানসিক অবসাদও দূর করে পুদিনা পাতা। এর পাতা বেটে নিয়ে এর সঙ্গে মধু মিশিয়ে পান করতে পারেন।

যষ্টিমধুঃ

আদিকাল থেকেই যষ্টিমধু বিভিন্ন রোগের মহৌষধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এক কাপ পানিতে এক টেবিল চামচ যষ্টিমধু দিয়ে রেখে দিন। ২-৩ ঘণ্টা পর পান করুন। এছাড়া দুধে মধু দিয়ে খেলেও উপকার পাবেন।

স্যালাইনঃ

শরীরে পানিশূন্যতা ও ইলেকট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতার কারণে নিম্ন র*ক্তচাপ হলে শুধু খাবার স্যালাইন মুখে খেলেই প্রেসার বেড়ে যায়। লো ব্লা*ড প্রাসারে খাবার স্যালাইন সবচেয়ে উপযোগী এবং তাৎক্ষণিক ফলদায়ক। তবে যেসব ওষুধে র*ক্তচাপ কমে বা লো প্রেসার হতে পারে, সেসব ওষুধ ব্যবহারের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করুন। যাদের দীর্ঘমেয়াদি নিম্ন র*ক্তচাপে ভুগছেন তারা অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। চিকিৎসকরা নিম্ন র*ক্তচাপের কারণ শনাক্ত করে তারপর ব্যবস্থাপত্র দিয়ে থাকেন। লো ব্লা*ড প্রাসারে খাবার স্যালাইনের পাশাপাশি কার্বোহাইড্রেট এবং গ্লুকোজ খেলেও কিন্তু ভালো উপকার পাওয়া যায়। এছাড়া লো প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সময় মতো পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করা উচিত।

ছাদ ঢালাইয়ের সময় কী কী বিষয় খেয়াল রাখা উচিত ??

 ছাদ ঢালাইয়ের সময় কী কী বিষয় খেয়াল রাখা উচিত ??

----------------------------------------------------------------------


১। ছাদ বা ফ্লোরের শাটারিং কোনোভাবেই ধাপে ধাপে করা যাবে না। একটি ফ্লোর বা ছাদ ঢালাই করার সময় পুরো ছাদের শাটারিং একবারে করা অত্যাবশ্যক। এর সাথে সম্পূর্ণ ফর্মা সমতল হয়েছে কিনা তা-ও একবারেই যাচাই করে নিতে হবে।


২। ছাদ ও বীম ঢালাইয়ের কাজও করতে হবে একসাথেই। যদিও ছাদের লোড বীমের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়, তবুও তৈরির ক্ষেত্রে এদের একসাথে তৈরি করা অত্যাবশ্যক। ছাদ ৪ থেকে ৮ ইঞ্চি পুরু হতে পারে।


৩। সাধারণত ২১ দিন পর থেকেই ফর্মা খোলা হয়। তবে ২৮ দিন ফর্মা খোলাই ভালো। অবশ্যই ঢালাইয়ের একদিন পরই ছাদের উপরিভাগে পানি ধরে রেখে কিউরিং করতে হবে।


৪। ঢালাইয়ের জন্য যে কাঠের কাজ করা হয়, তাকে বলা হয় সেন্টারিং। এর জন্য যে তক্তা বা প্লেট ব্যবহার করা হয়, তাতে ছিদ্র থাকা চলবে না এবং তক্তার উপরে কোনো তৈলাক্ত পদার্থ (যেমন- ডিজেল বা গ্রিজ) লাগানো থাকলে তা সুন্দর হয়। তবে বর্তমানে পাতলা পলিথিন ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এসব প্রক্রিয়া মেনে চললে সর্বনিম্ন সময়ে শাটার খোলা সম্ভব।


৫। মর্টার মেশাতে যদি মেশিন ব্যবহার করা হয়, তাহলে খেয়াল রাখতে হবে দুটি ব্যাপারে-

১. কমপক্ষে ২ মিনিট ধরে মেশাতে হবে।

২. মেশানোর সময় সম্পূর্ণ পানির সাথে মিক্সচার গুলে যাওয়া যাবে না।


৬। হাতে মিক্সচার তৈরি না করাই উচিত। এতে করে গুণগত মানের ধারাবাহিকতা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না। মানসম্পন্ন কংক্রিট অনেকদিন স্থায়ী ছাদ তৈরিতে খুবই দরকারি।


৭। ছাদ ঢালাইয়ের সময় সেটিং শুরু হবার আগেই প্রক্রিয়া শেষ করা উচিত। আধা ঘণ্টা থেকে ১ ঘণ্টা সময় নেওয়াটা ভালো মানের পরিচায়ক। দেরি হয়ে গেলে ঢালাই আবার নতুন করে তৈরি করা উচিত। অতিরিক্ত পানি ব্যবহার করলে তা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।


৮। পিলারের শাটার তৈরির পরে তার মধ্যে ঢালাই ঢালার নিয়ম হচ্ছে, ঢালাই ১.৫ মিটারের বেশি উপর থেকে না ঢালা। এতে মিক্সচারের উপাদান আলাদা হয়ে যাবার ঝুঁকি থাকে।


৯। ঢালাই করার পর যাচাই করে দেখতে হবে ঢালাই যেন নিরেট হয় ও তাতে কোনো ফাঁকফোকর না থাকে। এক্ষেত্রে নিডল ভাইব্রেটর বা লোহার রড দিয়ে ঠাসাই করা উচিত।


ছাদ ঢালাই করার নিয়মঃ-


১। উপাদান – সিমেন্ট, বালি এবং নুড়ি/খোয়া।

২। উপাদানের অনুপাত – সিমেন্টঃ বালিঃ খোয়া – ১ঃ২ঃ৪।

৩। এই মিশ্রণ প্রতি ৫০ কেজির সিমেন্টের বস্তার ক্ষেত্রে মেনে চলতে হবে এবং পানির পরিমাণ হবে সর্বোচ্চ ২৫ লিটার।

৪। ২ মিনিট ধরে এই মিশ্রণ মেশিনে প্রস্তুত করতে হবে। যদি হাতে তৈরি করতে হয় তাহলে পাকা মেঝেতে সিমেন্ট-বালুর মিশ্রণ তৈরি করে দক্ষ হাতে মর্টার তৈরি করতে হবে। ১ ফুট পরপর মোটা বাঁশ দিয়ে ঢেকে দিতে হবে বা ধাতব ফ্রেম ব্যবহার করতে হবে, যাতে ছাদ ও বীমের ফর্মা যথেষ্ট মজবুত হয়। আগের বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করে সেন্টারিং, শাটারিং, ঢালাই, জমাট বাঁধা ও কিউরিং ইত্যাদি ধাপ মেনে ঢালাই সম্পন্ন করতে হবে।


মেঝে ঢালাই করার নিয়মঃ-


মেঝে ঢালাই দেবার নিয়ম অনেকটা ছাদ ঢালাইয়ের মতোই। তবে মেঝে ঢালাই তুলনামূলক সহজ, কারণ, এটি ভেঙে গিয়ে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হবার আশঙ্কা তুলনামূলক কম। তবে এখানেও মান নিয়ন্ত্রণ করতে হবে সবক্ষেত্রেই। এক্ষেত্রে অতিরিক্ত যা করতে হবে তা হলো-

•    মেঝে ভিটে বালি দিয়ে ভরাট করতে হবে।

•    ভালোভাবে মুগুর দিয়ে দুরমুজ করে সমান করে নিতে হবে।

•    পানি ঢালতে হবে।

•    ঢালাইয়ের আগে ইট বিছাতে হবে।

•    ঢালাইয়ের পুরুত্ব হতে হবে তিন ইঞ্চি।


ঢালাইয়ের উপর নিরাপত্তা ও স্থায়িত্ব দুইই নির্ভরশীল। তাই ঢালাইয়ের আগে নকশা সম্পর্কে নিশ্চিত হোন। অভিজ্ঞ মিস্ত্রির সাহায্য তো প্রয়োজন হবেই, তবে পুরো প্রক্রিয়াতে মিস্ত্রির উপর নির্ভর না করে অবশ্যই দক্ষ প্রকৌশলীর সাহায্য নেওয়া উচিৎ।

কারণ, শুধু অভিজ্ঞতা থেকে আধুনিক পদ্ধতিতে নির্মাণকাজ পরিচালনা ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ অসম্ভব। এজন্যই ঢালাইয়ের খুঁটিনাটি সম্পর্কে নিজে সম্যক ধারণা রাখুন ও পেশাদার নির্মাণ নিশ্চিতকরণে হয়ে উঠুন সতর্ক।

আনসার উদ্দিন খান লিখেছেন --------রাকিব হাসান ফেইসবুক,, জুম বাংলা

 আনসার উদ্দিন খান লিখেছেন ----------- -------—————“২০০৩ সন। আমি তখন ডি এম পি-র ডেপুটি পুলিশ কমিশনার ট্রাফিক -নর্থ। পুরো ঢাকায় তখন মাত্র দু'জন ডিসি ট্রাফিক ছিলেন, নর্থ আর সাউথ। ফার্মগেট পড়েছিল উত্তর ডিভিশনের  কর্ম এলাকায়। আমার অভ্যাস ছিল সকাল ৭টায় রমনা পুলিশ কমপ্লেক্সের সরকারি বাসা থেকে বেরিয়ে পুরো উত্তর ঢাকার প্রধান প্রধান রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশের ডিউটি তদারকি করে মোহাম্মদপুরস্থ অফিসে ঢোকা এবং দিনের দাপ্তরিক  কাজ শুরু করা।


সেদিন সবে মাত্র অত্যন্ত ব্যস্ত  ট্রাফিক  ক্রসিং ফার্মগেট হয়ে মানিক মিয়া এভিনিউ ধরে অফিসে এসে বসি। কিছুক্ষণের মধ্যেই ফার্মগেট থেকে ট্রাফিক ইন্সপেক্টর ওবায়েদ ফোন করে জানান , একজন বিচারপতি তাঁকে এবং সেখানকার ৩ পুলিশ সার্জেন্টকে  হাইকোর্টের ফ্ল্যাগওয়ালা গাড়ির কাছে ডেকে উচ্চস্বরে বকাঝকা করছেন এবং বলছেন , তিনি রাস্তাতেই ক্ষমতাবলে কোর্ট বসাচ্ছেন এবং তাদের সাজা দিবেন। কি অপরাধ? সার্জেন্টদের কেউ তার গাড়ি লক্ষ্য করে স্যালুট করেনি।ওবায়েদ সাহেব আমাকে ঘটনাস্থলে যাওয়ার অনুরোধ করলেন। আমি রওনা হলাম। 


অফিস শুরুর সময়, রাস্তায় বেশ জ্যাম।ভিড় ঠেলে গিয়ে দেখি মাননীয় বিচারপতি চলে গেছেন। ঘটনা শুনলাম সবিস্তারে। 


বিচারপতি মানিক ( যাবার সময় তাঁর ড্রাইভার পরিচয় বলে যায়) ক্যান্টনমেন্টের দিক থেকে ফার্মগেট হয়ে হাইকোর্টের দিকে যাচ্ছিলেন।তিন সার্জেন্ট গলদঘর্ম হয়ে ট্রাফিকের পিক আওয়ারে ্দাঁড়িয়ে সিগন্যাল দিচ্ছিলেন সেখানে। প্রচন্ড ভিড়ের মধ্যে কালো রঙের ছোট্ট ফ্ল্যাগ লাগানো গাড়িটি তারা কেউ লক্ষ্য করেনি , স্যালুট করেনি। বিচারপতি তাঁর গাড়িটি হলিক্রস কলেজের গেটের  কাছে নিয়ে থামালেন। ড্রাইভারকে দিয়ে কর্মরত সার্জেন্টকে ডাকলেন।সার্জেন্ট গাড়ির কাছে আসার পর রাগতস্বরে জানতে চাইলেন , তাঁকে স্যালুট করা হয়নি কেন। সার্জেন্ট হতভম্ব , ব্যস্ত রাস্তায় এমন প্রশ্ন কেউ কখনও করেনি। তবু মাপ চাইলেন। বিচারপতি আরও ক্ষেপে গেলেন। তিনি এখানে যারা ট্রাফিক ম্যানেজমেন্টের কাজ করছেন সবাইকে তাঁর গাড়ির কাছে ডেকে আনতে বললেন। যথারীতি ইন্সপেক্টর ওবায়েদের নেতৃত্বে ৩ সার্জেন্ট এসে হাজির হলেন।ওদিকে পুরো ক্রসিং এ অস্বাভাবিক ট্রাফিক জ্যামের সৃষ্টি হল। তিনি তোয়াক্কা করলেন না। পুলিশ কেন ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স জানে না, কেন এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পুলিশ একাডেমির ট্রেনিং এ শেখানো হয় না , কেন পুলিশ চোখকান খোলা রাখেনি,  এসব নিয়ে অস্বাভিক রেগে গিয়ে  বকাঝকা করলেন তিনি। বার বার ক্ষমা চাওয়াতেও তিনি ক্ষান্ত হলেন না। তিনি বললেন, হলিক্রসের সামনের রাস্তাতেই তিনি কোর্ট হিসেবে ঘোষণা দিচ্ছেন, এবং এখানেই তিনি অফিসারদের শাস্তি দিবেন। 


তারপর তিনি অফিসারদের নামধাম লিখে নেন, ডিসি ট্রাফিক হিসেবে এই অধমের নামটিও নিয়ে যান। সেদিন বিকেলেই ফার্মগেট পুলিশ বক্সে সমন এলো , তিন সার্জেন্ট এবং ইন্সপেক্টর যেন পরদিন হাইকোর্টে বিচারপতির মানিকের এজলাসে হাজির হন। সকালে যথারীতি অফিসাররা হাই কোর্টে হাজির হন।তাদের দেখে হাইকোর্টে সাংবাদিক এবং এডভোকেট সাহেবদের ভিড় লেগে যায়। সবাই উৎসুক , ঘটনা জানার জন্য। এডভোকেট মামুন নামের একজন  বিনা পারিশ্রমিকে পুলিশের সাহায্যে এগিয়ে আসেন। তিনি এজলাসে পুলিশের পক্ষে লড়েন। শেষ পর্যন্ত বিচারপতি মানিক ৩ সার্জেন্টকে প্রত্যেককে ২০০ টাকা করে জরিমানা করেন অনাদায়ে ৩ মাসের জেল দেন। ইন্সপেক্টর ওবায়েদকে বন্ড দিতে বলা হয় , এমন অপরাধ আর তিনি করবেন না মর্মে। তারা জরিমানা ও বন্ড দিয়ে মুক্তি পান। 


আমি তার পরদিন সমন পাই হাইকোর্টে সশরীরে হাজির হওয়ার। আমিও হাজির হই। আমাকেও  ঘিরে ধরেন কোর্টের উৎসুক মানুষজন।নানান প্রশ্ন। রীতিমত ভড়কে গেলাম।  ভিড় ঠেলে কেউ একজন আমাকে নিয়ে যায় এটর্নী জেনারেলের অফিসে। এ এফ হাসান আরিফ ( বর্তমানে তিনি  অন্তর্বর্তী সরকারের মাননীয় উপদেষ্টা ) তখন এটর্নি জেনারেল। তিনি সব শুনে বিচারপতির এই কর্মের জন্য বিরক্তি প্রকাশ করলেন। আমাকে বললেন, আপনি ভয় পাবেন না। এজলাসে হাজির হয়ে শুধু বলবেন, এই ঘটনার জন্য আমি ক্ষমা চাই। বললেন,  কোর্টে এর বাইরে কিছু বললে ঝামেলা বাড়তেই থাকবে। কক্ষে উপস্থিত একজন এডভোকেট সাহেবকে বললেন আমাকে এজলাসে নিয়ে গিয়ে যথাযথ সহায়তা দিতে। 


সেই আমার প্রথম কোন বিচারকের সামনে হাজির হওয়া। এডভোকেট সাহেব আমাকে শিখিয়ে দিলেন,  কিভাবে কোর্টে ক্যাপ খুলে হাতজোড় করে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়  এবং বিচারপতির কথার পর  কিভাবে নি:শর্ত ক্ষমা চাইতে হয়। তাই করেছি সেদিন। বিচারপতি মানিক আমাকে সতর্ক করে দিলেন , আমার অধীনস্থ পুলিশ সদস্যরা যেন ভবিষ্যতে কোন বিচারপতিকে স্যালুট করতে ভুলে না যায়। আমি মুক্তি পেলাম। সেদিনই তিনি কোর্টে নির্দেশ দিলেন, আই জি পি-র কাছে যেন  ঘটনার ব্যাখ্যা চাওয়া হয় , অধীনস্থদের যেন আই জি পি বলে দেন বিচারপতিকে যেন অবশ্যই স্যালুট করা হয় এবং পুলিশ ট্রেনিং সেন্টারে যেন ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স এবং বিচারকদের যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের বিষয় পড়ানো হয়। 


তখন আই জি পি ছিলেন জনাব শহুদুল হক ( টক শো কাঁপানো দলকানা আই জি পি শহীদুল হক নয়)। জনাব শহুদুল হক সামরিক বাহিনীর একজন অবসরপ্রাপ্ত মেজর হিসেবে পুলিশ বাহিনীতে ১৯৭৭ সনে যোগ দেন। অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন এবং দৃঢ়চেতা অফিসার হিসেবে তিনি পরিচিত ছিলেন। যেহেতু তাঁকে জিয়াউর রহমান পুলিশে এনেছিলেন তাই আওয়ামীলীগের ১৯৯৬-২০০১ শাসনকালে  তাঁকে চাকুরীচ্যুত করা হয়। ২০০১ সনে বি এন পি দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় এসে তাঁকে পুনরায় পুলিশে ফিরিয়ে এনে চুক্তিভিত্তিক আই জি পি পদে অধিষ্ঠিত করে। জনাব হক হাইকোর্টের ব্যাখ্যা তলব দেখে বিস্মিত হন। তিনি তার উত্তর দেয়ার প্রস্তুতি নেন। 


ভুক্তভোগী হিসেবে আমাকেসহ আরও দুইজন অভিজ্ঞ পুলিশ অফিসারকে আই জি পি মহোদয় ডাকলেন তাঁর দপ্তরে। অন্য দুই জন ছিলেন এডিশনাল আই জি পি জনাব শাহ জামান রাজ এবং অবসরপ্রাপ্ত আমন্ত্রিত  এডিশনাল ডি আই জি প্রয়াত  কুতুবুর রহমান।আমি ইতিপূর্বে আমাকে দেয়া এটর্নী জেনারেলের পরামর্শ মনে করে ঘটনার জন্য সকলের সাথে সুর মিলিয়ে আদালতের কাছে ক্ষমা  চাওয়াই ভাল হনে মর্মে মতামত দিলাম। কুতুবুর রহমান সাহেব বললেন ভিন্ন কথা। তার মতে , রাস্তায় কর্তব্যরত অবস্থায় স্যালুট দেয়ার কোন বিধান নেই। যার বিধান নেই তার জন্য ক্ষমা চাওয়ার প্রশ্নই উঠে না। জনাব রাজও একই মত রাখলেন। পরে জনাব হক আরও কয়েকজন ব্যক্তির সাথে পরামর্শ করেন বলে শুনেছি। এর ক'দিন পর আই জি পি শহুদুল হক ক্ষমা না চেয়েই নানান যুক্তি দিয়ে ব্যাখ্যা প্রদান করলেন হাইকোর্টে। 


অত্যন্ত ক্ষুন্ন হলেন কোর্টের বিচারপতি। ব্যাখ্যা অগ্রহনযোগ্য ধরে নিয়ে আই জি পি কে ৬ মাসের বিনাশ্রম জেল দেয়ার রায় দিলেন। ৬ মাসের জেল মানেই সরকারি দপ্তরের পদ হারানো। রায়ের দিন জনাব হক বিদেশে সফরে ছিলেন। এরপর যখন ফিরলেন এয়ারপোর্টে আই জি পি-র ফ্ল্যাগবিহীন গাড়ি গেল তাঁকে আনতে। শুধুমাত্র আই জি পি-র স্টাফ অফিসার ছিলেন তাঁকে রিসিভ করতে। তিনি নেমে বললেন , Everyone seems to be very hostile. I shouldn’t be there anymore. তিনি সোজা অফিসে গিয়ে তার দরকারী ব্যক্তিগত জিনিসপত্র নিয়ে আই জি পি পদে  ইস্তফা দিয়ে চলে গেলেন। ক্ষমতাসীন দল বা সরকারের কেউ তাঁর পক্ষে দাঁড়াননি। আদালতের আদেশ , সরকারের কিছু করার নেই, সাফ জানিয়ে দেয়া হল। অনেকটা অপমানিত হয়েই তিনি পদ ছাড়লেন। 

তারপর তিনি মহামান্য রাষ্ট্রপতির কাছে শাস্তি মওকুফের আবেদন জানান এবং রাষ্ট্রপতি তাঁকে ক্ষমা করেন। 


দলকানা বিচারপতি মানিকের বিতর্কিত কথাবার্তা আর আপত্তিকর আচরণ সম্পর্কে দেশবাসী অবহিত। টেলিভিশনে তার অভিনব বাতচিত আর সেই এজলাসে দেখা চেহেরাসুরত মনে করে আমি হা হয়ে থাকতাম। একেই কি বলে বিচারপতি? ১৯৭১ সনে স্বাধীনতা যুদ্ধকালে আমি ৮/৯ বছরের শিশু। তবু তার বেশ কিছু স্মৃতি  মনের আঙিনায় উজ্জ্বল হয়ে আছে। আমাদের গ্রামের বাড়ির উঠোনে প্রতি সন্ধ্যায় চাটাই বিছিয়ে অনেক গ্রামবাসী  গোল হয়ে  বসে যেত রেডিও শুনতে।  স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সংবাদ আর উদ্দীপক গান ছিল সবার প্রিয়। একটা গান ছিল , 'বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা / আজ জেগেছে এই জনতা'।সেই বিচারপতি বলতে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী তথা চরম ঘৃনিত ইয়াহিয়া খানকেই আমরা কল্পনা করতাম। 


বিচারপতি মানিকের আজকের এই করুণ পরিণতি দেখে ইউটিউবে সেই পুরনো গানটি আবার  বার কয়েক শুনলাম। মনের মধ্যে সেই পুরনো উদ্দীপনা ,  সেই পুরনো স্বাদ টের পেলাম। 


স্যালুট  দেই দেশের দ্বিতীয় স্বাধীনতা যোদ্ধাদের।”

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ ১০-০২-২০২৫ খ্রি:। 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ ১০-০২-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সন্ধ্যায় বৈঠকে বসছে বিএনপি প্রতিনিধি দল।


আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে গাজীপুরসহ সারাদেশে চলছে যৌথবাহিনীর অপারেশন ডেভিল হান্ট, গ্রেফতার হাজারেরও বেশি।


সন্ত্রাসীদের নির্মূল না করা পর্যন্ত সারাদেশে অপারেশন ডেভিল হান্ট অব্যাহত থাকবে - জানালেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা।


তিস্তা চুক্তি বাস্তবায়নে ভারতের সঙ্গে মাথা উঁচু করে কথা বলবে সরকার - রংপুরে গণশুনানিতে বললেন উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।


সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে নির্বাচন কমিশনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করলেন- সিইসি।


গাজায় কৌশলগত নেতজারিম করিডোর থেকে ইসরাইলি সেনাবাহিনী সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাহার । 


কটক-এ একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে সফররত ইংল্যান্ডকে পরাজিত করে ভারতের সিরিজ জয়।

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...