এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

পাশে_থাকা  চলবে.....  Nusrat হক ১ ফেইসবুক থেকে নেওয়া

বিয়ের ৮ মাস পর আমার জরায়ু কেটে ফেলতে হয়।। আমার ২৩ বছর বয়সে বিয়ে হয় এক প্রবাসীর সাথে। তিনি চীনে থাকেন।। পারিবারিক ভাবেই আমাদের বিয়ে হয়। 

বিয়ের আগে থেকেই আমার তলপেটে খুব ব্যাথা করতো। আর আমার পিরিয়ড নিয়মিত ছিলো না। ডাক্তার দেখিয়েছিলাম কিন্তুু কখনও কোনো পরীক্ষা করা হয়নি। 

এমনি ওষুধ খেতাম ভালো হয়ে যেতো। আবার শুরু হতো। এমন করেই দিন গুলো পার করেছি৷ 


বিয়ের পর থেকে পেটে ব্যাথা আমার অনেক তীব্র আকার ধারণ করে। যখনি শারীরিক সম্পর্ক হতো সবসময় রক্ত যেতো। 

আমি খুব অসুস্থ হয়ে যায় বিয়ের ৭ দিন পরেই। 

শশুর বাড়ির সবাই বলেছিলো অসুস্থ বউ এনেছে তারা। 

কিন্তুু আমার স্বামী ভীষণ ভালো মানুষ ছিলো। সে সবসময় আমার টেককেয়ার করতো এবং আমাকে ওষুধ এনে দিতো ফার্মেসী থেকে।। 

স্বামী ২ মাস থেকে চলে যায় চীনে। যাওয়ার সময় আমাকে বাপের বাড়িতে দিয়ে যায়৷ এবং সাথে কিছু টাকা দেয় চিকিৎসা করানোর জন্য। 

বাপের বাড়িতে এসে একজন গাইনি ডাক্তার দেখায়। 

তিনি আমাকে বিভিন্ন টেস্ট দেয়। 

এবং টেস্ট গুলো করার পর ধরা পড়ে আমার জরায়ু তে টিউমার।। 

এরপর আমি আর উনাকে না দেখিয়ে বড় নামকরা প্রফেসর গাইনি ডাক্তার কাছে যায়। 

তিনি রিপোর্ট এবং আরো পরীক্ষা- নীরিক্ষা করার পর আমাকে ঢাকায় চলে যেতে বলে। 

কারণ উনি ধারণা করছে জরায়ুর টিউমার গুলো থেকে   ক্যান্সার টাইপ কিছু হয়েছে। 


আমার পরিবার এর  আলহামদুলিল্লাহ আর্থিক অবস্থা ভালো ছিলো। 

তাই দেরি না করে ঢাকার বঙ্গবন্ধু মেডিকেল এ চলে যায়।। সেখানে একজন ক্যান্সার  বিশেষজ্ঞ দেখায় উনি বলেন যত তাড়াতাড়ি পসিবল হয় জরায়ু কেটে ফেলা উচিত।  আপনারা অনেক দেরি করে ফেলেছেন। আরো আগে কেন আসেন নাই। তাহলে মেয়েটার জরায়ু কাটা লাগতো না। অনেক বড় ভুল করে ফেলেছেন। না হলে এ টিউমার থেকে ক্যান্সার ছড়িয়ে যাবে। টিউমার গুলো থেকে কিছু টা ক্যান্সার এর ভাব আসছে। 

ওই সময়টাতে মানসিক অবস্থা টা বুঝাতে পারবো না। 

আমার স্বামী আমাকে অনেক ভালো বাসতো। 

কিন্তুু এ সমস্যা টা আমি শশুর বাড়ির কাউকে বলি নি এমনকি আমার স্বামীকে ও না। সংসার ভাঙার ভয়ে। 


আমার পরিবার বলে দিতে চেয়েছিলো কিন্তুু আমি বলতে দি নাই। ভয়ে যদি উনি আমাকে ছেড়ে দেন এ ভয় টা আমি পেয়েছি। 

অপারেশন এর আগের দিন আমি উনি যখন আমাকে ফোন করেন আমি বলি আচ্ছা আপনি কি কখনও আমায় ভুলে যাবেন। 

উনি বলেন কেন এ কথা বলছো। তোমাকে ভীষণ ভালোবাসি আমি।। 


কিন্তুু মনে মনে বলি সত্যি টা জানলে হয়তো আপনি ভুলে যাবেন আমাকে। 


সেদিন রাতে নামাজ রত অবস্থায় রবের দরবারে অনেক কান্না কাটি করি। 

আল্লাহ শুধু বলেছি আল্লা রে মানুষ টা যেন আমার জীবনে থাকে। 

পরের দিন অপারেশন হয়। 

আমার জরায়ু কেটে ফেলে দেয়।। আমার অপারেশন এর ৯ ঘন্টা পর সেন্স আসে৷ 

ডাক্তার রা আমাকে প্রতি ৪ ঘন্টা পর পর একটা একটা ইনজেকশন মারতো।। 

মেডিকেল এ ১২ দিন ছিলাম। 

এরপর আমরা চিটাগং এ আসি। 

মাসে ১ বার ঢাকায় যেতাম চেকাপ এর জন্য।। 


আমার স্বামীকে কিছু বলি নি। অপারেশন এর সময় অসুস্থ ছিলাম উনি প্রতিদিন ফোন দিতো। তখন বলতাম জ্বর উঠেছে শুয়ে আছি তাই। উনি পাগল হয়ে যেতেন।। টাকা পাঠিয়েছিলেন ডাক্তার দেখানোর জন্য ১০ হাজার।। 

আমি বলেছিলাম জ্বর উঠেছে সামান্য এত টাকা পাঠাতে হবে না। 

উনি বলেছেন আর গুলো দিয়ে কিছু কিনি ও তুমি। 

আস্তে আস্তে আমি সুস্থ হলাম। ৫ মাস বাপের বাড়িতে ছিলাম। 

৫ মাস পর শশুর বাড়িতে যায়। আমার শাশুড়ী অনেক রাগারাগি করে এত দিন কেন ছিলাম। 

কিন্তুু স্বামী নিষেধ করায় উনি তেমন কিছু বলেনি। 


শশুর বাড়িতে সবসময় মনমরা হয়ে থাকতাম। খেতে ইচ্ছে করতো। কিছু করতে ইচ্ছে করতো না। তারপরেও কাজ করতে হতো। লুকিয়ে লুকিয়ে ওষুধ খেতাম। কারণ উনারা দেখলে জিজ্ঞেস করবে এত ওষুধ কেন খাচ্ছি। আমার মা এসে ওষুধ শেষ হলে লুকিয়ে ওষুধ দিয়ে যেতো। 

আমার মা বার বার বলেছিলো শশুর বাড়ির কাউকে না বললেও যেন জামাইকে বলে দি। 

কিন্তুু আমি বলিনি উনাকে হারানোর ভয়ে।। 


আমার স্বামী ২ বছর পর ছুটিতে আবার আসে ৪ মাসের জন্য। 

আমার স্বামী আমাকে বলে তুমি এত শুকিয়ে গেছো কেন। 

আমি হেঁসে বলি আপনার চিন্তায় চিন্তায়। আপনি এসেছেন এখন মোটা হয়ে যাবো। 

উনার সাথে আমার শারীরিক সম্পর্ক করতে তেমন ইচ্ছে হতো না। 

কিন্তুু কিছু বলতাম না তারপরেও। 


আমি খুব ভয় পেতাম। সুযোগ পেলে উনাকে ছড়িয়ে ধরতাম সবসময় মনে হতো সত্যি টা জানলে হয়তো আমাকে ছেড়ে দিবেন। 

আমার শশুর বাড়ির মানুষ জন বলে বাচ্চা নিয়ে ফেলো।। 

আমার  স্বামী ও চাইছিলেন একটা বাচ্চা হয়ে যাক। 

আমি চুপচাপ শুনতাম কিছু বলতাম না। কারণ আমি তো জানি আমার জরায়ু নাই বাচ্চা কোথা থেকে আসবে। 


এভাবে ৪ মাস শেষ হলে উনার ছুটি শেষ হয়ে যায় উনি চলে যান। 


আমার শাশুড়ী পিরিয়ড হয়ছে কিনা জিজ্ঞেস করলে মিথ্যা বলি। বলি পিরিয়ড হয়ে গিয়েছে। 

আমার তো পিরিয়ড ও হয়না কারণ জরায়ু নাই। 


অনেক বার সুইসাইড করতে চেয়েছি। কিন্তুু পারিনি। 

বাপের বাড়ি আসি উনি চলে যাওয়ার পর। 


আমার তখন মনে হচ্ছিলো আমি উনাকে ঠকাচ্ছি সত্যি টা বলে দেওয়া উচিত। 

আমি তখন উনাকে এসএমএস এ সব বলে দি এবং বলি আমার জরায়ু নেই আমার তো বাচ্চা হবে না। 

উনি সিন করে কোনো রিপ্লাই দেয় না। 

এভাবে ১ মাস কেটে যায় রিপ্লাই দেয় না। 

২ মাস কেটে যায় রিপ্লাই দেয় না। 

যোগাযোগ হয়না ফোন করে না। 

আমি তো কান্না করতে করতে শেষ। উনাকে জীবন থেকে হারিয়ে ফেললাম। 


পাশে_থাকা 

চলবে..... 

Nusrat হক

আগামী ১৪ ই ফেব্রুয়ারি রোজ শুক্রবার দিবাগত রাত অর্থাৎ দিন শেষ হয়ে যেই রাতটি আসে সেই রাতটি হচ্ছে “লাইলাতুন নিসফি মিন শা'বান” তথা মধ্য শা'বানের রাত।

 🔲 আগামী ১৪ ই ফেব্রুয়ারি রোজ শুক্রবার দিবাগত রাত অর্থাৎ দিন শেষ হয়ে যেই রাতটি আসে সেই রাতটি হচ্ছে “লাইলাতুন নিসফি মিন শা'বান” তথা মধ্য শা'বানের রাত।


🔸 আরবীতে শব শব্দের অর্থ রাত্রি, আর বারা'আত শব্দের অর্থ মুক্তি। তাহলে শবে বারা'আত শব্দের অর্থ দাঁড়ালো মুক্তির রাত৷ কিন্তু আমরা বাংলা ভাষায় এর অর্থটি পাল্টে দিয়ে শবে বারা'আতকে “শবে বরাত” তথা “ভাগ্য রজনী” বানিয়ে ফেলেছি। [শবে বরাত অর্থ হচ্ছে ভাগ্য রজনী]


🔹 অথচ আল্লাহ তা'য়ালা এই রাত্রিতে বান্দার গুনাহ সমূহ মাফ করে থাকেন, যেটা কিনা সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। 


🔸 কিন্তু এই রাত্রিতে আল্লাহ তা'য়ালা বান্দার ভাগ্য নির্ধারণ করে থাকেন এই কথাটি সম্পূর্ণরূপে ভিত্তিহীন.!! এই ব্যাপারে যতগুলো হাদীস পাওয়া যায়, তার সবগুলোই জাল হাদীস, আর তাফসীরে যে দু-একটি কথা বলা হয়েছে, সেটাকেও কোনো তাফসীরকারক সমর্থন করেন নি।


🔹 হাদীসে পাকে বর্ণিত আছে, রাসূল সল্লল্ল-হু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,


“আল্লাহ তা'য়ালা মধ্য শা'বানের রাতে আত্নপ্রকাশ করেন এবং মুশ-রিক ও হিং-সুক ব্যক্তি ব্যতীত তাঁর সৃষ্টির সকলকে ক্ষমা করে দেন।” [সুনানে ইবনে মাজাহ- ১৩৯০]


🔸 অর্থাৎ এই রাত্রিতে মহান আল্লাহ তা'য়ালা দুই শ্রেণীর মানুষ অর্থাৎ মুশ-রিক এবং বিদ্বেষ পোষণকারী (হিংসুক) ব্যতীত সকলকেই ক্ষমা করে দেন। তাই আমাদের সকলের জন্য উচিত হচ্ছে প্রতিদিনের ন্যায় এই রাত্রিতেও বেশি বেশি করে ক্ষমা প্রার্থণা করা।


🔹 তবে বর্তমানে শবে বারা'আতকে কেন্দ্র করে যে সকল মিলাদ-মাহফিল, জলশা-জুলুশ এবং হালুয়া রুটি... ইত্যাদী খাবারের আয়োজন করা হয়, এসবের কোনো ভিত্তি কুরআন হাদীসে নেই। এসব কাজকে সুন্নাহ এবং জরুরী মনে করে করলে বিদ'আত হবে। আর বিদআতকারীর কোনো ইবাদত আল্লাহ তা'য়ালা কবুল করবেন না এবং বিদআতী ব্যক্তি হাউযে কাউসারেরও পানি পাবে না। [সহীহ বুখারী- ৭২৭৭]


🔸 আবার অনেকে আছে যারা শবে বারা'আতকে কেন্দ্র করে শবে বারা'আতের নিয়তে নির্দিষ্ট করে ১২ রাকাত নফল নামাজ আদায় করে থাকে। এসব আমলেরও কোনো ভিত্তি কুরআন হাদীসে নেই, এসবই মানুষের বানানো আমল


🔹 তবে একটি দুর্বল হাদীসে এই দিনে রোজা রাখার কথা বলা হয়েছে। তাই এই দিনে রোযা রাখা সুন্নত আমল নয়, তবে মুস্তাহাব আমল বলা যেতে পারে। আর যেহেতু একটি দূর্বল হাদীসে নফল রোজা রাখার কথা বলা হয়েছে, তাই কেউ চাইলে এই দিনে নফল রোজা রাখতে পারবে। আর রাসূল সল্লাল্ল-হু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম শা'বান মাসে খুব বেশি পরিমাণে নফল রোজা রাখতেন, তাই এই মাসের যেকোনো দিন নফল রোজা রাখা যাবে ইন শা আল্লাহ।


🔸 আবার প্রতি আরবী মাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ রোজা রাখা সুন্নত। এই রোজাকে আইয়্যামে বীজে রোজা বলা হয়। তাই সেই দৃষ্টিকোণ থেকে এই দিন সমূহে আইয়্যামে বীজের নিয়তে রোজা রাখা যেতে পারে। চলতি মাসের আইয়্যামে বীজের রোজা ১৩, ১৪ ও ১৫ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ বৃহস্পতি শুক্র ও শনিবার রাখতে হবে ইন শা আল্লাহ


🔹 সর্বোপরি মূল কথা হচ্ছে, আপনারা সকলেই রমাদানের প্রস্তুতি স্বরূপ এই রাত্রিতে সাধ্য মোতাবেক কিছু নফল নামাজ (যেমনঃ- সালাতুত তাসবীহ, সালাতুল হাজত, তাহাজ্জুদ, পূর্বের কাজা নামাজ), কুরআন তিলাওয়াত, জিকির আযকার, তাসবীহ তাহলীল ও তওবা এস্তেগফার পাঠ করতে পারবেন ইন শা আল্লাহ। তবে নির্দিষ্ট করে শবে বারাআতের নিয়তে ১২ রাকাত নফল নামাজ আদায় করার প্রয়োজন নেই, অন্যথায় সেটা বিদ'আত হিসেবে গন্য হবে।


🔲 আমলের নিয়তে এবং দ্বীন প্রচারের উদ্দেশ্যে লিখাটি কপি করে নিজ নিজ আইডি, স্টোরি এবং গ্রুপগুলোতে পোষ্ট করে দিবেন ইন শা আল্লাহ। এতে করে অনেকেই শবে বারা'আত এবং আইয়্যামে বীজের রোজা সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানতে পেরে উপকৃত হবে ইন শা আল্লাহ 💝✅

নামাজের নিয়ম ও দোয়া

পেঁয়াজ চাষে বিঘা প্রতি সার প্রয়োগের পরিমাণও সেচ পদ্ধতি। সার ব্যবস্থাপনা:

 পেঁয়াজ চাষে বিঘা প্রতি সার প্রয়োগের পরিমাণও সেচ পদ্ধতি।


সার ব্যবস্থাপনা:

একবিঘা জমির জন্য ইউরিয়া ৩৫ কেজি, টিএসপি/ডিএপি ৩০ কেজি, এমপি ২০ কেজি, ফুরাডান ৫জি ৩ কেজি, মুক্তাপ্লাস ২ কেজি এবং গোবর ১.৫ টন। শেষ চাষের সময় সব গোবর, টিএসপি, অন্যান্য সার এবং ইউরিয়া, এমপি সারের অর্ধেক জমিতে সমানভাবে ছিটিয়ে দিতে হবে। বাকি ইউরিয়া, এমপি সার রোপণের ২৫ দিন এবং ৫০ দিন পর দুই ভাগ করে দিতে হবে। পিএইচের মাত্রা তিনের নিচে হলে চুন প্রয়োগ করতে হবে।


💧সেচ

মাটির অবস্থা ভেদে ১০-১৫ দিন পর পর সেচ প্রয়োজন। জলাবদ্ধতায় পেঁয়াজের ক্ষতি হয়।


✅✅পেঁয়াজ চাষে সার প্রয়োগ ও সেচ ব্যবস্থা। 


পেঁয়াজ একটি মসলা জাতীয় ফসল,বাংলাদেশের হাতে গুনে ৫-৮ টা জেলায় চাষ হয়।

অন্যান্য জেলার মধ্যে রাজশাহী কোনো অংশে কম নয় কারন পেঁয়াজের জন্মস্থান রাজশাহী। আর আমাদের চাষ পদ্ধতি সবচেয়ে আধুনিক ও উন্নত। 

আমাদের দেশি জাত তাহেরপুরি আমাদের এখানে শুরু থেকেই  বিঘা প্রতি ১০০+ মন উৎপাদন হয়ে থাকে।

আর বর্তমানে অন্যান্য জাত বিঘা প্রতি ১৫০+ ছাড়িয়েছে।

এটা আমাদের সফলতার অংশ।

আমাদের এখানে

তাহেরপুর, বানেশ্বর,ঝলমলিয়া,দূর্গাপুর,মোল্লাপাড়া হাট থেকে সপ্তাহে শতশত টন পেঁয়াজ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে যায় ১২ মাস।


➡️আসুন_জেনে_নিই_সার_প্রয়োগ_পদ্ধতি 


রোপণের পূর্বে, শেষ চাষে৷ বা বেড করার পূর্বে।


★★জৈবসার_ও_ট্রাইকোডার্মা

বিঘা প্রতি ৮০ কেজি।

সাথে ট্রাইকোডার্মা ২  কেজি মিশিয়ে নিতে হবে,অথবা ট্রাইকোডার্মা মিশ্রিত জৈবসার নিতে হবে।

এতে জমির স্বাস্থ্য ঠিক থাকবে এবং জৈবভাবে ছত্রাক দমন হবে।

পেঁয়াজ পঁচে যাবেনা।

জনপ্রিয় কয়েকটি কোম্পানির ট্রাইকোডার্মা হলোঃ

ইস্পাহানি-বায়োডার্মা,

হেকিম-ট্রাইকষ্ট,

জি এম ই- জি ডার্মা।


👉রোপণের_পূর্বে_শেষ_চাষে।

★★বিঘা প্রতি রাসায়নিক সার।

টি এস পি ৪০ কেজি।

ডি এ পি ৩০ কেজি।

এম ও পি ২০ কেজি।

জীব ১০ কেজি।

রুটণ(শিকড় বর্ধক) ৪ কেজি।

বোরণ ১ কেজি।

২.৫ ইসি বিষ ৪০০ মিলি।

দানাবিষ ৪ কেজি।


❌আগাছানাশক

★★★★রোপণের পরে অথবা পূর্বে, আগাছানাসক

পেন্ডামিথালিন ৩৩ ইসি দিতে হবে তাহলে ঘাস অনেক রোধ করা যায়। 

আমরা পেঁয়াজ চারা রোপণের পূর্বে দিয়ে থাকি।

আর পানিডা স্প্রে করার ২৪ ঘন্টার মধ্যে সেচ দিতে হবে।

এটা লিটার পানিতে ৪/৫ মিলি ব্যবহার করতে হবে ভালো ফলাফল পেতে।

কয়েকটি জনপ্রিয় কোম্পানির প্রোডাক্টঃ

অটো-পানিডা,

ইনতেফা-দাফা

স্কয়ার-তরুনীল

জি এম ই-পেন্ডি কেয়ার,

জি এম ই-ফুল ক্লিয়ার।


ফুল ক্লিয়ার,রোপণের পরে স্প্রে করা যাবেনা কারন এটায় মেটাক্লোর নামের উপাদান যোগ যার ফলে যেকোনো গাছের পাতায় পড়লে পাতা পুড়ে যায়।

আর আবহাওয়ার সাথে ম্যাচিং না হলে পেঁয়াজেও পার্শপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।


পেঁয়াজ চারা রোপণের ৯০ দিন পর  উত্তলোন করা যায়। 

আর এসময়টাতে ৩-৭/৮ টা সেচ দেওয়া লাগে এলাকা ভেদে কম বেশি হে পারে।

আমরা ৬/৭ টা সেচ দিয়ে থাকি তাই সেভাবে পরবর্তী সার প্রয়োগ আলোচনা,করা হলো।


রোপণের পর

★★১ম_সেচঃ💧

১২-১৫ দিন বয়সে দিয়ে থাকি।

এই সেচ দেওয়ার পূর্বে কোনো সার দিইনা।

সেচের পরদিন বিকলে বিঘা প্রতি

 ম্যাগনেসিয়াম ৪ কেজি।

ইউরিয়া ৮ কেজি।


★★২য়_সেচ💧

৩০ দিন বয়সে দিয়ে থাকি।

এসময়টাতে পেঁয়াজের গঠন ও মোটাতাজা হতে থাকে তাই এই সময় ভালো একটা ডোজ দিতে হয়।

বিঘা প্রতি 

টি এস পি ২০ কেজি

ডি এ পি ২০ কেজি 

এম ও পি ১০ কেজি

দস্তা ২ কেজি।

লবন ৮ কেজি কনফিডেন্স বা ফ্রেশ

হিউমিক এসিড ১ কেজি।

থিয়োভিট ১ কেজি।

৫৫ ইসি বিষ ৪০০ গ্রাম সব একসাথে মিশিয়ে সেচের পূর্বে দিয়ে সেচ দিতে হবে।

এবং সেচের পরদিন বিকেলে ইউরিয়া ১০ কেজি।


★★৩য়_সেচ💧

এটা ৪২-৪৫ দিন বয়সে দিয়ে থাকি।

এই সেচে বিঘা প্রতি 

ডি এ পি ১০

এম ও পি ১০ কেজি

দস্তা ১ কেজি

বোরণ ১ কেজি।


সেচের পর ৮ কেজি ইউরিয়া ও ৪ কেজি ম্যাগনেসিয়াম


★★৪র্থ_সেচ 💧

এটা ৬০ দিন বয়সে দিতে হবে।

এই সেচে বিঘা প্রতি শুধু 

এম ও পি ১০ কেজি ছিটিয়ে সেচ দিতে হবো।

সেচের পর প্রয়োজনবোধে ইউরিয়া ৭/৮ কেজি,দেওয়া যাবে।


★★৫ম_সেচ💧

৭২ দিন বয়সে দিতে হবে,

কোনো সার দরকার নাই।ফাঁকা সেচ।


★★৬ষ্ঠ_সেচ💧

এটা ৮৪ দিন বয়সে দিতে হবে কোনো সার দরকার নাই।তারপর ৯০+ দিন বয়সে হারভেষ্ট। 


👉জমির অবস্থা ও এলাকা ভেদে সার, সেচ কম বেশি হতে পারে।


👉কৃষি বিষয়ক প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে নিকটস্থ উপজেলা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করুন অথবা আমাদের সাথেই থাকুন।

অ্যালার্জি দূর করতে কাজে লাগান’ ঘরোয়া পদ্ধতি জেনে নিন ... নিমিষেই পাবেন মুক্তি

 অ্যালার্জি দূর করতে কাজে লাগান’ ঘরোয়া পদ্ধতি

জেনে নিন ... নিমিষেই পাবেন মুক্তি

---------------------------------------------------

হিমেল হাওয়া বদলে যাচ্ছে ভ্যাপসা গরমে। একটু বেলা হলে আর বেশি ক্ষণ রোদে দাঁড়ানো যাচ্ছে না। অর্থাৎ গ্রীষ্মকালের পূর্বাভাস। আর গরম মনেই ঘাম। তার সঙ্গে উপরি পাওনা ঘামাচি আর বিভিন্ন ত্বকের অ্যালার্জি।


এই সমস্যা থেকে রেহাই পাওয়ার অবশ্য কিছু ঘরোয়া উপায়ও আছে। আমাদের বাড়ির আশেপাশেই এমন কিছু গাছ আছে যেগুলো ওষুধের মতোই দ্রুত কাজ করে ত্বকের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনে। কী সেগুলো দেখে নিন:


লেবু : লেবু প্রায় সব বাঙালি বাড়িতেই থাকে। লেবুর অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি গুণ জ্বালাভাব কমায়। ত্বকের যে জায়গায় সমস্যা হচ্ছে সেখানে একটা পাতিলেবুর রস লাগিয়ে দিন।


তুলসী : গ্রামের দিকে এখনও বাড়ির চারপাশে আগাছার মতোই জন্মে থাকে তুলসীগাছ। তাছাড়া বাড়িতে বাড়িতে তুলসীর পুজো করারও রীতি রয়েছে। তুলসীতে ইউজেনল নামে এক ধরনের রাসায়নিক আছে। তুলসীর রস বা তুলসী পাতা ফোটানো জল ওই অংশে লাগান।


পুদিনা : প্রচুর পরিমাণে মেনথল আছে পুদিনাতে। র‌্যাশের উপর পুদিনার রস লাগালে সেই অংশটা খুব ঠাণ্ডা হয়ে যায় এবং আরাম দেয়।


ফলের খোসা : ফল খাওয়ার পর খোসা না ফেলে লাগিয়ে নিতে পারেন অ্যালার্জির উপরে। কলা এবং তরমুজের খোসা অ্যালার্জির জন্য বিশেষ উপকারী

পেঁয়াজ চাষে লোনা (Nacl) এবং ফ্লোরা (Boron) প্রয়োগের সঠিক সময় ও উপকারিতা নিচে বিস্তারিত দেওয়া হলো—

 #JoyShorif ভাই জানতে চেয়েছেন! 


পেঁয়াজ চাষে লোনা (Nacl) এবং ফ্লোরা (Boron) প্রয়োগের সঠিক সময় ও উপকারিতা নিচে বিস্তারিত দেওয়া হলো—


১. পেঁয়াজে লোনা (NaCl) প্রয়োগ


প্রয়োগের সময়:


পেঁয়াজ চারা রোপণের ২৫-৩০ দিন পরে।


পেঁয়াজ গাছ যখন ৪-৫ টি পাতা গজিয়ে ওঠে।


প্রয়োজনে দ্বিতীয়বার প্রয়োগ করা যেতে পারে ৫০-৬০ দিন বয়সে।


উপকারিতা:


পেঁয়াজের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।


গুঁড়া রোগ (Downy Mildew) ও ফিউজেরিয়াম (Fusarium rot) প্রতিরোধে কার্যকর।


কন্দের আকার বড় ও স্বাস্থ্যবান হয়।


পেঁয়াজের সংরক্ষণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।


উচ্চ ফলন নিশ্চিত করে।


প্রয়োগ পদ্ধতি:


২-৩ গ্রাম লবণ (NaCl) ১ লিটার পানিতে গুলিয়ে পাতায় স্প্রে করতে হবে।


প্রয়োগের পর পর্যাপ্ত পানি সেচ দিতে হবে, যাতে মাটিতে লবণের মাত্রা বেশি না হয়।


---


২. পেঁয়াজে ফ্লোরা (Boron) প্রয়োগ


প্রয়োগের সময়:


পেঁয়াজ চারা ৩০-৩৫ দিন বয়সে প্রথমবার।


প্রয়োজনে দ্বিতীয়বার প্রয়োগ ৫০-৬০ দিন বয়সে।


উপকারিতা:


পেঁয়াজের কন্দ গঠন ভালো হয় ও আকার বৃদ্ধি পায়।


কন্দের ফাটা সমস্যা কমে।


শিকড়ের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে, ফলে পেঁয়াজ গাছ বেশি পুষ্টি গ্রহণ করতে পারে।


ফুল ধরার হার কমায়, ফলে পেঁয়াজ কন্দ বেশি হয়।


ভালো মানের ও মজবুত পেঁয়াজ কন্দ উৎপাদন হয়।


প্রয়োগ পদ্ধতি:


২-৩ গ্রাম বোরন সার (Borax বা Boric acid) ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।


সরাসরি মাটিতে প্রয়োগ: ১০-১২ কেজি বোরন সার প্রতি হেক্টরে প্রয়োগ করা যেতে পারে।


বিঃদ্রঃ


অতিরিক্ত লবণ বা বোরন প্রয়োগ করা ক্ষতিকর হতে পারে, তাই নির্দিষ্ট মাত্রায় প্রয়োগ করতে হবে।


প্রয়োগের পর ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যদি অতিরিক্ত লবণের লক্ষণ (পাতা পুড়ে যাওয়া) দেখা যায়, তাহলে পর্যাপ্ত পানি সেচ দিতে হবে।


আপনার পেঁয়াজ চাষের জন্য আর কোনো পরামর্শ লাগলে জানাতে পারেন!

মহিলাদের জ*রায়ু অপারেশন করলে কি মেলা/মেশা করা যায়

 মহিলাদের জ*রায়ু অপারেশন করলে কি মেলা/মেশা করা যায়


মহিলাদের জ*রায়ু অপারেশন বা হিস্টেকটমি (যখন জ*রায়ু অপসারণ করা হয়) করার পর সে/ক্সের ব্যাপারে কিছু বিষয় লক্ষ্য রাখতে হয়। এটি মহিলার শারীরিক ও মানসিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে। তবে সঠিক চিকিৎসা ও যত্ন নিলে সাধারণত সে/ক্স করার ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা হওয়া উচিত নয়।


১. অপারেশন পরবর্তী সময়ের প্রাথমিক অবস্থা

অপারেশনের পর প্রথম কয়েক সপ্তাহ সে/ক্সে অংশগ্রহণ না করার পরামর্শ দেয়া হয়। এতে সার্জারি থেকে সেরে উঠতে সময় পাওয়া যায় এবং সংক্রমণ বা যন্ত্রণা এড়ানো যায়।

সাধারণত ৪-৬ সপ্তাহের পর ডাক্তারের অনুমতি নিলে সে/ক্স করার জন্য শারীরিকভাবে প্রস্তুত হওয়া উচিত।


২. অপারেশন প্রকার অনুযায়ী প্রভাব

হিস্টেকটমি (জরায়ু অপসারণ)

টোটাল হিস্টেকটমি: জ*রায়ু এবং সা*র্ভিক্স (গর্ভাশয় ও গলা) অপসারণ করা হয়। এতে মহিলার যৌ/নাঙ্গে বড় কোনো পরিবর্তন হওয়ার কথা নয়, তবে যো/নির শুষ্কতা বা উত্তেজনার অভাব হতে পারে।

সাবটোটাল হিস্টেকটমি: জরায়ু অপসারণ করা হয়, কিন্তু সার্ভিক্স থাকে। এই ধরনের অপারেশনে খুব কম সময়ের মধ্যে সে/ক্সের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা দেখা দেয়।

ল্যাপারোস্কোপিক বা রোবটিক হিস্টেকটমি

এই পদ্ধতিতে অপারেশন আরও কম আক্রমণাত্মক (minimally invasive) হওয়ায় সেরে উঠতে সময় কম লাগে, এবং পুনরুদ্ধারের পর সে/ক্সে অংশগ্রহণে কোনো সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা কম।


৩. যৌ/ন জীবন ও মানসিক পরিবর্তন

অপারেশনের পর কিছু মহিলার মানসিক পরিবর্তন (যেমন উদ্বেগ, হতাশা) হতে পারে, যা তাদের যৌ/ন জীবনে প্রভাব ফেলতে পারে।

অপারেশন পরবর্তী শারীরিক পরিবর্তন যেমন যো/নি শুষ্কতা, অস্বস্তি বা ব্যথা ঘটতে পারে, বিশেষ করে হরমোনের ভারসাম্য পরিবর্তন হলে। এ ক্ষেত্রে হরমোন থেরাপি বা লুব্রিকেন্ট ব্যবহার সহায়ক হতে পারে।

৪. পরামর্শ

অপারেশন পরবর্তী শারীরিক পুনরুদ্ধারের জন্য ডাক্তারের পরামর্শ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

হরমোন থেরাপি বা যো/নি লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করলে অনেক মহিলাই স্বাভাবিক যৌ/ন জীবন উপভোগ করতে পারেন।

মানসিকভাবে যদি কোনো পরিবর্তন ঘটে, তবে কাউন্সেলিং বা থেরাপি সহায়ক হতে পারে।

শেষ কথা

জ/রায়ু অপারেশন পরবর্তী সে/ক্সের সক্ষমতা এবং আনন্দ অনেকাংশে শরীরের পুনরুদ্ধার, মানসিক অবস্থা, ও চিকিৎসকের পরামর্শের ওপর নির্ভর করে। সুতরাং, সে/ক্সে অংশগ্রহণের জন্য ডাক্তারের অনুমতি এবং সঠিক যত্ন নিলে এটি সম্ভব এবং নিরাপদ।

অধিক ফলন পেতে পেঁপে চারা রোপণের নিয়ম:-

 অধিক ফলন পেতে পেঁপে চারা রোপণের নিয়ম:


পেঁপে চারা সোজাসুজি রোপণ না করে দক্ষিণমুখী করে কিছুটা বাঁকা করে (৪৫° কোণের মতো) রোপণ করতে হয়। কিছু দিন পর চারার মাথাটি সোজা হয়ে উপরের দিকে উঠে যায়।

এভাবে রোপণ করলে-

• চারার গোড়া অধিক মোটা হয়

• গাছ দ্রুত লম্বা লিকলিকে না হয়ে খাঁটো থাকে আর গঠন কাঠামো শক্তিশালী হয়

• গাছ খাঁটো অবস্থায় ফুল ফল দেয়

• গাছের গোড়া থেকে অধিক পরিমাণে শিকড় বের হয়

=====≠===============≠=≠==================

ইন্ডিয়ান হাইব্রিড পেপে, বেগুন, মরিচ,  টমেটো, বারোমাসি সজিনা, উচ্ছে, লাউ, মিষ্টি কুমড়ার বীজ ও মাটিবিহীন, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে উৎপাদিত চারা সারা দেশে হোম ডেলিভারি পেতে যোগাযোগ করুন:

সরকার এগ্রো প্রাইভেট লিমিটেড,  যশোর

লাইসেন্স প্রাপ্ত যশোরের একমাত্র সবজির চারা ও বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান 

কল:০১৭৪৬৭৭৬৬১৬/০১৭৫২০৭৩৩৩১

=====≠===============≠=≠==================

মরিচ গাছ ঝোপালো করার সহজ কৌশল, ফলন হবে দ্বিগুন ============

 মরিচ গাছ ঝোপালো করার সহজ কৌশল, ফলন হবে দ্বিগুন

=========================

মরিচ গাছ কেন ঝোপালো করবেন ? মরিচ গাছের ডালপালা বা শাখা প্রশাখা যত বেশি হবে, মরিচের ফলন তত বেশি হবে। গাছও দেখতে সুন্দর লাগবে। মরিচ পাকলে ফুলের মতো দেখাবে।

কিভাবে ঝোপালো করবেন ? মরিচের মুল গাছের আগা বা মাথা কেটে দিলে, গাছের পাশ দিয়ে শাখা প্রশাখা বের হয়ে ঝোপালো হবে।

কখন ডাল কাটবেন:

১। মরিচের চারা রোপণের পর ৬-৮ ইঞ্চি লম্বা হলে আগা বা মাথা কেটে দিতে হবে। এতে গাছের পাশ দিয়ে প্রচুর ডাল বের হবে। কোন কারণে গাছ লম্বা হয়ে গেলে, শাখা প্রশাখা না থাকলে ১০-১২ ইঞ্চি পরিমাণ রেখে মাথা কেটে দিতে হবে।

২। মরিচের ফলন দেয়ার পর পাতাগুলো হলুদ হলে, গাছ কিছুটা দুর্বল মনে হলে, ডাল কেটে দিতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে, গাছের পাশদিয়ে কুশি বের হচ্ছে কিনা।

৩। অতিরিক্ত পানির কারণে গাছ নেতিয়ে পড়লে ডালপালা কেটে দিয়ে ছায়ায় রাখতে হবে। পানি দেয়া বন্ধ রাখতে হবে। মাটি শুকাতে হবে। গাছে পানি স্প্রে করতে হবে। এক সময় কুশি বের হবে।

ডাল কাটার পর করণীয়:

১। মূল গাছের চারপাশ দিয়ে প্রচুর কুশি বের হবে। তখন গোড়ার দিকের সকল কুশি কেটে ফেলতে হবে। কিছুটা উপর থেকে সবল কুশিগুলো রেখে বাকী কুশি কেটে ফেলতে হবে।

২। পানি দেয়া কমিয়ে দিতে হবে। মাটি না শুকালে পানি দেয়া যাবে না।

লেখক:

কৃষিবিদ মুহাম্মদ শাহাদৎ হোসাইন সিদ্দিকী, উপজেলা কৃষি অফিসার (এল.আর) ও পিএইচডি ফেলো, বিএসএমআরএইউ, গাজীপুর

#মরিচচাষ #মরিচ #মরিচেরফলনবাড়ানো #মরিচগাছ

কমপক্ষে ০১ বার পড়ুন সবগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ আমল...

 কমপক্ষে ০১ বার পড়ুন সবগুলো অনেক গুরুত্বপূর্ণ আমল....❤️


১.লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ 

২.জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মাহওয়া আহলুহু 

৩.লা ইলাহা ইল্লা আন্তা সুবহানাকা ইন্নি কুন্তু মিনাজ জলিমিন।

৪.আল্লাহুম্মা সল্লি আলা মুহাম্মাদিন নাবিয়িল উম্মিয়ি ওয়ালা আলি ওয়াসাল্লিম তাসলিমা। 

৫.বিসমিল্লাহি ফি সাবিলিল্লাহ ওয়ালা মিল্লাতি রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। 

৬.আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিন শাররি বাসার। 

৭.আল্লাহুম্মা ইন্নি আউযুবিকা মিন আযাবিল কবর। 

*আউযুবিকা মিন আযাবিল জাহান্নাম। 

*আউযুবিকা মিন ফিতনাতিল মাহিয়া ওয়ালা মামাতি। 

*আউযুবিকা মিন ফিতনাতিল মাসিহিদ দা'জ্জা'ল। 

৮.আল্লাহুম্মা সাল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়িনা মুহাম্মদ (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)। 

৯.আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা ইলমান নাফিয়ান ওয়ারিঝকান ত্বইবান ওয়া আমালান মুতাকাব্বালান। 

১০.আল্লাহুম্মা ইন্নি আসালুকাল জান্নাতা ওয়া আউযুবিকা মিনান্নার। 

১১.আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা রিদ্ধাকাওয়াল জান্নাত। 

১২.আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা হুসনাল খতিমা। 

১৩.আল্লাহুম্মা ইন্নি আস আলুকা মিন ফাদলিক। 

১৪.আল্লাহুমা ইন্নি আস আলুকা হুব্বাকা হুব্বা মান  ইউহিব্বুক। 

১৪.আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন জান্নাতুল ফেরদাউস। 

১৫.আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা মিন ফিতনাতিল দুনিয়া আমিন.... 🌸❤️


- পড়া শেষে আলহামদুলিল্লাহ।❤️🌸

শবে বরাত সম্পর্কে বিভ্রান্ত হতে হবে না। এই লেখাটি সুন্দর সমাধান দেবে, ইনশাআল্লাহ।

 শবে বরাত সম্পর্কে বিভ্রান্ত হতে হবে না। এই লেখাটি সুন্দর সমাধান দেবে, ইনশাআল্লাহ।

.

☑ শবে বরাত কি মর্যাদাপূর্ণ?

.

রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘‘আল্লাহ তা‘আলা শাবানের মধ্যরাতে (১৪ তারিখ দিবাগত রাত, যা শবে বরাত নামে প্রচলিত) তাঁর সৃষ্টির প্রতি (দয়ার) দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও হিংসুক/বিদ্বেষপোষনকারী ব্যতীত সবাইকে ক্ষমা করে দেন।’’ [ইমাম ইবনু হিব্বান, আস-সহিহ: ৫৬৬৫; বিভিন্ন সম্পূরক ও শাহিদ হাদিসকে সামনে রেখে এই হাদিসটিকে সহিহ বলেছেন—শায়খ আলবানি (সিলসিলা সহিহাহ: ১১৪৪), শায়খ শুয়াইব আরনাউত্ব (তালিক মুসনাদে আহমাদ: ৬৬৪২) এবং অন্যান্য অনেক মুহাদ্দিস]

.

এই হাদিস অনুযায়ী, আল্লাহ সকল মুসলিমের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করেন—দুই শ্রেণি ছাড়া। তারা হলো: হিংসা-বিদ্বেষ পোষণকারী ব্যক্তি ও আল্লাহর সাথে শির্ককারী (মুশরিক)। অতএব, শবে বরাতে আল্লাহ কর্তৃক ঘোষিত সাধারণ ক্ষমার অন্তর্ভুক্ত হতে চাইলে এই দুটো (হিংসা ও শির্ক) জঘন্য কাজ ত্যাগ করা অপরিহার্য। তবে, এই হাদিসটির অন্যান্য বর্ণনাসূত্রে আরও কিছু গুনাহের সাথে সম্পৃক্ত ব্যক্তির কথা এসেছে, যারা এই ক্ষমার আওতায় আসতে পারবে না। তারা হলো: মদপানকারী, আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্নকারী, আত্মহত্যাকারী, পিতা-মাতার অবাধ্য সন্তান, অহংকারবশত টাখনুর নীচে কাপড় পরিধানকারী (পুরুষ)। সুতরাং, এই রাতের সাধারণ ক্ষমার অন্তর্ভুক্ত হতে এই গুনাহগুলো থেকেও বেঁচে থাকা জরুরি।

.

🕗 শবে বরাতের রোজা:

.

অত্যন্ত দুর্বল হাদিসে এই রাতের রোজার কথা এসেছে। এরকম দুর্বল হাদিসের দলিল দিয়ে এই রাতে রোজা রাখাকে সুন্নাত বলা যাবে না। তবে, যেহেতু নবিজি শাবান মাসে খুব বেশি পরিমাণে রোজা রাখতেন (সহিহ বুখারি: ১৯৬৯), সেহেতু এই মাসের যেকোনো দিনেই রোজা রাখা উত্তম। আর, প্রতি চন্দ্রমাসের ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ (আইয়ামে বীযের) রোজা রাখা তো সুন্নাত। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে যারা রোজা রাখতে ইচ্ছুক, তাদের নিয়ত থাকবে—তাঁরা আইয়ামে বীযের নফল রোজা অথবা শাবান মাসের সাধারণ কোনো নফল রোজা রাখছেন। 

.

⚠️ যে বিষয়গুলো জানা দরকার:

.

(১) খুব ভালো করে বুঝুন—শবে বরাতে পালনের জন্য নির্দিষ্ট কোনো আমল সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত নয়। তবে, এই রাতটির ফজিলত বা মর্যাদা সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। যেহেতু রাতটির মর্যাদা আছে, সেহেতু এই রাতে যেকোনো নফল ইবাদত করা বৈধ এবং মুস্তাহাব (উত্তম); এমনটিই বলেছেন—ইমাম শাফিঈ, ইমাম আহমাদ ইবনু হাম্বল, ইমাম আউযাঈ, ইমাম নববি, ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ, ইমাম ইবনু রজবসহ অন্যান্য আলিমগণ। রাহিমাহুমুল্লাহ। এজন্য, কেউ চাইলে এই রাতে দু‘আ, দরুদ, নামাজ, রোজা, যিকর, তিলাওয়াত, ইস্তিগফার, কবর যিয়ারত ইত্যাদি নফল আমল করতে পারেন। কিন্তু এগুলোর কোনোটিকেই নির্দিষ্ট করে ‘‘শবে বরাতের আমল’’ মনে করে করা যাবে না।

.

বিপরীতে, অনেক ইমাম এই রাতকে আলাদা গুরুত্ব দিয়ে ইবাদত করা বিদ‘আত মনে করতেন। তাঁদের মাঝে অন্যতম হলেন—ইমাম আত্বা, ইমাম ইবনু আবি মুলাইকা, ইমাম মালিক, ইমাম আবদুর রহমান প্রমুখ রাহিমাহুমুল্লাহ। সালাফদের অনেকের কাছে এই রাতটির বিশেষত্ব ছিলো না। তাঁরা এ সংক্রান্ত হাদিসকে দুর্বল সাব্যস্ত করতেন।  

.

তাহলে আলিমগণের মাঝে দুটো মত পেলাম। 

.

প্রথম মত: শবে বরাতের কোনো বিশেষ আমল সহিহ হাদিস দ্বারা সাব্যস্ত নয়, কিন্তু এই রাতটির মর্যাদা সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। এজন্য এই রাতে “শবে বরাতের আমল” মনে না করে যেকোনো নেক আমল করা যাবে। এটিই অধিকাংশ আলিমের মত।

.

দ্বিতীয় মত: এই রাতের বিশেষ আমল নেই এবং এই রাতটিও বিশেষ মর্যাদাপূর্ণ নয়। তাঁদের মতে, এ সংক্রান্ত সব হাদিস দুর্বল। আলিমগণের একটি অংশ মত দিয়েছেন।

.

যেহেতু দুটো মতের পক্ষেই নির্ভরযোগ্য আলিমগণের অবস্থান ছিলো এবং আছে, সেহেতু এ নিয়ে কারও উপর আক্রমণাত্মক হওয়া উচিত নয়। এটি এমন ইখতিলাফ (মতভিন্নতা), যেটি নিন্দনীয় নয়। 

.

(২) এই রাতে গোসল করার ফজিলতের কথা হাদিসে আসেনি। ‘‘সওয়াব হবে’’ মনে করে এই রাতে গোসল করলে তা বিদ‘আতি কাজ হবে।

.

(৩) এই রাত ভাগ্যরজনী নয়। ভাগ্যরজনী বা ভাগ্যের রাত হলো, লাইলাতুল কদর। প্রত্যেক যুগের আলিমগণ স্পষ্টভাবে বলেছেন, ভাগ্যরজনী হলো লাইলাতুল কদর, যাকে আমরা শবে কদর বলি। শবে কদর শব্দের অর্থই হলো, “কদরের রাত”। শব অর্থ রাত আর কদর অর্থ: ভাগ্য। সুরা কদরের তাফসিরে এ ব্যাপারে বিস্তারিত পাবেন।

আলিমগণ বলেন, মূলত “শবে বরাত” পরিভাষাটি হওয়া উচিত ছিলো ‘‘শবে বারাআত’’ বা ‘‘লাইলাতুল বারাআত’’। শব/লাইলাতুন অর্থ রাত আর বারাআত অর্থ মুক্তি। অর্থাৎ ‘‘মুক্তির রাত’’। যেহেতু এই রাতে অসংখ্য মুসলিমের (গুনাহ থেকে) মুক্তির সুসংবাদ দেওয়া হয়, তাই এই নামকরণ যৌক্তিক। কিন্তু ‘‘শবে বারাআত’’-এর জায়গায় ‘‘শবে বরাত’’ পরিভাষাটি প্রসিদ্ধ হয়ে গেছে। সুতরাং ‘শবে বরাত’ মানে ভাগ্যরজনী ভেবে বিভ্রান্ত হবেন না। ভাগ্যরজনী একটিই, তা হলো—লাইলাতুল কদর বা শবে কদর। 

.

আমরা যেটিকে “শবে বরাত” বলি, হাদিসে সেটিকে ‘‘লাইলাতুন নিসফি মিন শাবান’’ বা “মধ্য শাবানের রাত” বলা হয়েছে। 

.

(৪) এই রাত উপলক্ষে হৈ-হুল্লোড় করা, আতশবাজি ফোটানো, হালুয়া-রুটি করা—এগুলোর কোনোটিই হাদিস দ্বারা প্রমাণিত নয়। কোনো সওয়াব বা ইবাদতের নিয়ত ব্যতীত কেবল এই অঞ্চলের দীর্ঘদিনের মুসলিম সংস্কৃতির অংশ হিসেবে কেউ যদি হালুয়া-রুটি বা অন্য কোনো খাবারের আয়োজন করে, তবে সেটি বিদ‘আত কিংবা নিন্দনীয় হবে না। কিন্তু সমস্যা হলো: মানুষ সংস্কৃতি আর ইবাদতের পার্থক্য বুঝে না। তারা এসব কাজকেও ইবাদত মনে করে। তাই, এগুলো থেকে দূরে থাকাই সতর্কতার দাবি।

.

(৫) ‘‘শবে বরাতের নামাজ’’ বলতে বিশেষ পদ্ধতির নির্দিষ্ট সংখ্যক রাকাতের কোনো নামাজ নেই। তবে, যেহেতু এই রাতের বিশেষ মর্যাদা হাদিস দ্বারা প্রমাণিত, তাই কেউ চাইলে সাধারণভাবে নফল নামাজ পড়তে পারেন, অন্য সময় যেভাবে পড়েন। আরেকটি কাজ করা যেতে পারে। সেটি হলো: ইশা এবং ফজরের নামাজ জামাতের সাথে আদায় করা। হাদিসে এসেছে, এই দুই নামাজ জামাতে পড়লে সারা রাত নামাজ আদায়ের নেকি হয়। [ইমাম মুসলিম, আস-সহিহ: ১৩৭৭]

.

সারকথা: শবে বরাতের নির্দিষ্ট কোনো আমল সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত নয়, তবে শবে বরাত (মধ্য শাবানের রাত)-এর বিশেষত্ব ও মর্যাদা সহিহ হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। সুতরাং রাতটি মর্যাদাপূর্ণ হওয়ায় কেউ চাইলে যেকোনো নফল আমল করতে পারেন। এটি মুস্তাহাব (উত্তম) হিসেবে গণ্য হবে। তবে, এগুলোর কোনোটিকেই ‘‘শবে বরাতের রোজা’’ বা “শবে বরাতের নামাজ” হিসেবে নির্দিষ্ট বা সংজ্ঞায়িত করা যাবে না। অধিকাংশ ইমাম এই মতই দিয়েছেন। 

.

আল্লাহু আলামু বিস সওয়াব।

.

#Tasbeeh

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...