এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

জিকির ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ১. “সুবহানাল্লাহ”(سبحان الله⁦)/ (3বার)

২.“আলহামদুলিল্লাহ”(الحمد لله)/ (3বার)

৩.“লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ”(لأ إله إلا الله)/(3বার)

৪.“আল্লাহু আকবার”(الله اكبر)/(3বার)

৫.“আস্তাগফিরুল্লাহ”(استغفر الله)/ (3বার)

৬.“আল্লাহুম্মাগফিরলি”(اللهم اغفر لي)/(3বার)

৭.“ইয়া রব্বিগফিরলি”(يا رب اغفر لي)/ (3বার)

৮.“আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান-নার”(اللهم اجرني من النار)/(3বার)

৯.“সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম”(صلى الله عليه وسلم)/(3বার)

১০.“লা হাওলা ওয়ালা কুউওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ”(لا هول ولا قوه الا بالله)/(3বার)

১১.“লা ইলাহা ইল্লা আংতা সুবহানাকা ইন্নি কুংতু মিনায জোয়ালিমিন”(لأ إله إلا أنت سبحانك إني كنت من الظالمين)/(3বার)

১২.“লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ সাঃ”(لأ إله إلا الله محمد رسول الله صلى الله عليه وسلم)/(3বার)


পড়া শেষে আলহামদুলিল্লাহ 😊ো

মুখীকচু কিভাবে আবাদ করবেন

 আপনারা মুখীকচু কিভাবে আবাদ করবেন?


আবহাওয়া ও জলবায়ু


✔ মুখীকচু খরিপ মৌসুমের ফসল, উষ্ণ ও আর্দ্র এলাকায় ভালো জন্মে।

✔ জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে না।

✔ উত্তম বৃদ্ধির জন্য তাপমাত্রা: ৩০°-৩৪°C

✔ অঙ্কুরোদগমের উত্তম তাপমাত্রা: ২৫°-২৮°C


উন্নত জাত


✔ বারি মুখীকচু-১ (বিলাসী): উচ্চ ফলনশীল, সুস্বাদু, গলা চুলকায় না, জীবনকাল ২১০-২৮০ দিন, ফলন ২৫-৩০ টন/হেক্টর।

✔ বারি মুখীকচু-২: মুখী ধূসর রঙের, সহজে সিদ্ধ হয়, জীবনকাল ২৫-৩০ টন/হেক্টর।

✔ বারি মুখীকচু-৩: মুখী মসৃণ ও সুস্বাদু, গাছ প্রতি ২৫-৩০টি মুখী, ফলন ৩৫-৪০ টন/হেক্টর।


জমি নির্বাচন ও প্রস্তুতি


✔ উঁচু, সুনিষ্কাশিত, রৌদ্রজ্জ্বল জমি উপযোগী।

✔ দোঁ-আশ ও বেলে দোঁ-আশ মাটি উত্তম।

✔ জমি গভীরভাবে চাষ করে ঝুরঝুরে করতে হবে।


বীজ, রোপণ সময় ও পদ্ধতি


✔ রোপণ সময়: জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি (উত্তম সময়), ডিসেম্বর-মার্চ (বিকল্প সময়)।

✔ বীজের ওজন: ২০-৩০ গ্রাম।

✔ বীজ হার: শতক প্রতি ২ কেজি, হেক্টর প্রতি ৭০০-১০০০ কেজি।

✔ রোপণ দূরত্ব: সারি থেকে সারি ৬০ সেমি, গাছ থেকে গাছ ৪৫ সেমি।

✔ রোপণ পদ্ধতি: একক সারি ও ডাবল সারি পদ্ধতি (ডাবল সারিতে ফলন ২০% বেশি)।


সার ব্যবস্থাপনা (শতক প্রতি)


✔ গোবর সার: ৫০-৬০ কেজি

✔ ইউরিয়া: ১২০০ গ্রাম

✔ টিএসপি: ৭৫০ গ্রাম

✔ পটাশ: ১৩০০ গ্রাম

✔ জিপসাম: ৫০০ গ্রাম

✔ দস্তা ও বোরন: ৫০ গ্রাম


✔ অর্ধেক ইউরিয়া ও পটাশ ৩৫-৪০ দিন ও ৬৫-৭৫ দিন পর উপরি প্রয়োগ করতে হবে।


সেচ ও পরিচর্যা


✔ খরা মৌসুমে ১০-২০ দিন পরপর সেচ দিতে হবে।

✔ বর্ষাকালে অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশন করতে হবে।

✔ গোড়ায় মাটি দেওয়া: ৪০-৪৫ দিন ও ৮০-৯০ দিনে।

✔ আগাছা দমন: প্রতি মাসে আগাছা পরিষ্কার করতে হবে।


পোকামাকড় দমন


✔ শোষকপোকা ও জাবপোকা: ইমিডাক্লোরোপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক (এডমায়ার, ইমপেল, গেইন) ১ মি.লি./লিটার হারে স্প্রে।

✔ পাতা মোড়ানো পোকা: কারটাপ্রিড ৯৫ এসপি ১ গ্রাম/লিটার হারে স্প্রে।

✔ কাটুইপোকা: ক্লোরোপাইরিফস+সাইপারমেথ্রিন গ্রুপের কীটনাশক (নাইট্রো ৫৫ ইসি, সেতারা ৫৫ ইসি) ১ মি.লি./লিটার হারে স্প্রে।


রোগ দমন


✔ পাতা ঝলসানো ও দাগ রোগ: কার্বেন্ডাজিম গ্রুপের ছত্রাকনাশক (কাজিম, নোইন) ২ গ্রাম/লিটার হারে স্প্রে।


ফসল সংগ্রহ ও ফলন


✔ পরিপক্ক মুখী সংগ্রহ: ৬-৭ মাস পরে, যখন পাতা হলুদ হয়ে যায়।

✔ ফলন: হেক্টর প্রতি ২৫-৩০ টন (জাতভেদে ৩৫-৪০ টন পর্যন্ত)।


---


আপনারা কি মুখীকচু চাষ করতে চান? মন্তব্যে জানান!


#কৃষি #মুখীকচু #উচ্চফলন #কৃষি_পরামর্শ

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ ১৯-০২-২০২৫ খ্রি:। 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ ১৯-০২-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


বাংলাদেশে ভুটানের জলবিদ্যুৎ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে যৌথ বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ থিম্পুর।


সরকারের মূল লক্ষ্য শেখ হাসিনাকে দেশে এনে বিচার করা - বললেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব।


শেষ হলো তিনদিনব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলন - জনগণকে সেবা প্রদান ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ।


জুলাই অভ্যুত্থানকে সামগ্রিক বিপ্লবে পরিণত করতে হবে – ‘তারুণ্যের উৎসব-২০২৫’ উপলক্ষে প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে বললেন উপদেষ্টা মোহাম্মদ মাহফুজ আলম।


জুলাই-আগস্ট গণহত্যার অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ ৪৬ জনের বিরুদ্ধে ২০শে এপ্রিল তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের।


ভারত তিস্তা নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা না দিলে জাতিসংঘসহ সব আন্তর্জাতিক অঙ্গণে দাবী তুলে ধরা হবে - বললেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ।


রাশিয়া বলেছে, ইউক্রেনে ন্যাটো দেশগুলোর শান্তিরক্ষী মেনে নেবে না মস্কো।


আজ করাচিতে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির নবম আসরের উদ্বোধনী ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের মোকাবেলা করবে স্বাগতিক পাকিস্তান।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ১৮-০২-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ১৮-০২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


ভুটানের জলবিদ্যুৎ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে যৌথ বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ থিম্পুর।


সরকারের মূল লক্ষ্য শেখ হাসিনাকে দেশে এনে বিচার করা, জাতিসংঘের রিপোর্ট প্রকাশের পর প্রচণ্ড চাপ তৈরি হয়েছে, বেশিরভাগ ভারতীয় চান না শেখ হাসিনা ভারতে থাকুক --- বললেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব।


জনগণকে সেবা প্রদান ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার জন্য জেলা প্রশাসকদের প্রতি আইন উপদেষ্টার আহ্বান।


জুলাই অভ্যুত্থানকে সামগ্রিক বিপ্লবে পরিণত করতে হবে – ‘তারুণ্যের উৎসব-২০২৫’ উপলক্ষে প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শনী অনুষ্ঠানে বললেন উপদেষ্টা মোহাম্মদ মাহফুজ আলম।


জুলাই-আগস্ট গণহত্যার অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ ৪৫ জনের বিরুদ্ধে ২০শে এপ্রিল তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের।


ভারত তিস্তা নদীর পানির নায্য হিস্যা না দিলে জাতিসংঘসহ সব আন্তর্জাতিক অঙ্গণে দাবী তুলে ধরা হবে --- বললেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ।


ইউক্রেন যুদ্ধ অবসানে রিয়াদে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে ফলপ্রসূ বৈঠক অনুষ্ঠিত --- প্রয়োজনে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলতে প্রস্তুত রুশ প্রেসিডেন্ট --- জানালো ক্রেমলিন।

ভবনের ঝুঁকি এড়াতে কেন গভীর ফাউন্ডেশন জরুরি?  ইনসাফ বিল্ডিং ডিজাইন ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ভবনের ঝুঁকি এড়াতে কেন গভীর ফাউন্ডেশন জরুরি? 🏗️


একটি ভবনের স্থায়িত্ব নির্ভর করে এর ভিত্তির (Foundation) উপর। যদি ফাউন্ডেশন দুর্বল হয়, তাহলে ভবিষ্যতে ভবন হেলে পড়তে পারে বা দেবে যেতে পারে, যা মারাত্মক দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। নিচের ছবিটি দেখলে বুঝতে পারবেন, কীভাবে নরম ও দুর্বল মাটির ওপর অগভীর ফাউন্ডেশন ভবনের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে।


গভীর ফাউন্ডেশন কেন প্রয়োজন?

✔ মাটির ধরন বুঝতে হবে: কাদাযুক্ত (Clay Soil), সিল্ট বা বালুমিশ্রিত (Silt & Clay) মাটি ভবনের ওজন সঠিকভাবে বহন করতে পারে না।

✔ নরম মাটিতে সাধারণ ফাউন্ডেশন কাজ করে না: দুর্বল মাটির স্তরে যদি ফাউন্ডেশন রাখা হয়, তাহলে ভবন ধীরে ধীরে হেলে পড়ে বা বসে যেতে পারে।

✔ শক্ত মাটির স্তর পর্যন্ত পাইল বসালে স্থিতিশীলতা পাওয়া যায়: যখন ফাউন্ডেশন পাথর বা শক্ত বালির স্তর পর্যন্ত (Rocky Soil) পৌঁছায়, তখন ভবন নিরাপদ থাকে এবং হেলে পড়ার ঝুঁকি থাকে না।


গভীর ফাউন্ডেশনের সুবিধা:

✅ ভবনের হেলে পড়া বা দেবে যাওয়ার ঝুঁকি কমে যায়

✅ উঁচু ভবন বা বড় স্থাপনার জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। তবে চূড়ান্ত নিরাপত্তা একমাত্র আল্লাহ তায়ালার হাতে।

✅ ভূমিকম্প বা অতিরিক্ত ওজনের চাপ সহ্য করতে পারে

✅ দীর্ঘস্থায়ী ও মজবুত কাঠামো তৈরি হয়


📌 আপনার ভবন নিরাপদ রাখতে চাইলে সঠিক ডিজাইন ও ফাউন্ডেশন ব্যবহার করুন!


🏡 বাড়ি নির্মাণের সঠিক পরিকল্পনার জন্য আমাদের সাথে পরামর্শ করুন! 🏗️


📞 ফোন করুন:

📲 +8801939-294938 | +8801958-140774 | +8801997-900700

🌐 ওয়েবসাইট: www.insaflimited.com

📌 ফেসবুক পেজ: fb.com/ibdcbd

📌 ফেসবুক গ্রুপ: fb.com/groups/insafbuildingdesignconsultant


#StructuralEngineering #DeepFoundation #SafeConstruction #BuildingStability #Piling #CivilEngineering #RajukApproval #BuildingPermit #ConstructionSolutions #EngineeringServices

মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

শীত শেষ গরমে এখন হবে আচারের সমাহার।

 🪷🪷শীত শেষ গরমে এখন হবে আচারের সমাহার।

একসাথে রইলো কাঁচা আমের ১০ রকমের আচার রেসিপি--📌📌📌


🔸🔸(১) টক-ঝাল-মিষ্টি আমের আচার🔸🔸


✍️ উপকরণঃ

▪️কাঁচা আম - ১ কেজি

▪️সিরকা আধা কাপ

▪️লেবুর রস ব্যবহার করতে পারেন।

▪️সরিষার তেল এক কাপ

▪️রসুনবাটা দুই চা-চামচ

▪️ আদাবাটা দুই চা-চামচ

▪️হলুদ্গুড়া দুই চা-চামচ

▪️চিনি তিন টেবিল-চামচ

▪️লবণ পরিমাণমতো।


👉মসলার জন্যঃ

▪️ মেথি গুঁড়া এক চা-চামচ,

▪️ জিরা গুঁড়া দুই চা-চামচ, 

▪️মৌরি গুঁড়া এক চা-চামচ,

▪️রাঁধুনি গুঁড়া দুই চা-চামচ,

▪️সরষেবাটা তিন টেবিল-চামচ, 

▪️শুকনা মরিচ গুঁড়া দুই টেবিল-চামচ, 

▪️কালো জিরা গুঁড়া এক চা-চামচ।


👉প্রস্তুত প্রণালিঃ 


▪️খোসাসহ কাঁচা আম টুকরো করে লবণ দিয়ে মেখে একরাত রেখে দিতে হবে। 


▪️পরের দিন ধুয়ে আদা, হলুদ, রসুন মাখিয়ে কিছুক্ষণ রোদে রাখুন। 


▪️এরপর সসপ্যানে আধা কাপ তেল দিয়ে আমগুলো নাড়া-চাড়া করতে থাকুন, গলে গেলে নামিয়ে ফেলুন। 


▪️অন্য একটি  সসপ্যানে বাকি তেল দিয়ে চিনিটা গলিয়ে ফেলুন। কম আঁচে চিনি গলে গেলে সব মসলা দিয়ে (মৌরি,মেথি গুঁড়া ছাড়া) আম কষিয়ে নিতে হবে। আম গলে গেলে মৌরি গুঁড়া, মেথি গুঁড়া দিয়ে নামিয়ে ফেলতে হবে।


------------//-------------//----------------


🔸🔸(২) আম-রসুনেরআচার🔸🔸


✍️উপকরণঃ

▪️খোসা ছাড়া কাঁচা আমের টুকরা দুই কাপ

▪️সরিষার তেল এক কাপ

▪️রসুনছেঁচা এক কাপ

▪️মেথি এক টেবিল-চামচ

▪️মৌরি এক টেবিল-চামচ

▪️জিরা এক টেবিল-চামচ

▪️কালো জিরা দুই চা-চামচ

▪️সিরকা আধা কাপ

▪️হলুদগুঁড়া দুই চা-চামচ

▪️শুকনা মরিচ ১০-১২টি

▪️চিনি দুই টেবিল-চামচ

▪️লবণ পরিমাণমতো।


👉প্রস্তুত প্রণালীঃ 


▪️আমের টুকরো গুলোতে লবণ মাখিয়ে একরাত রেখে দিতে হবে। 


▪️পরের দিন ধুয়ে কয়েক ঘণ্টা রোদে দিতে হবে।


▪️রেসিপির সব মসলা মিহি করে বেটে নিতে হবে। এরপর চুলায় সসপ্যানে তেল দিয়ে বসাতে হবে। তেল গরম হলে রসুন দিয়ে কিছুক্ষণ নাড়িয়ে, তারপর বাটা মসলা দিয়ে নাড়তে হবে।


▪️তারপর আম দিয়ে নাড়িয়ে নিতে হবে। কিছুক্ষণ রান্না করার পর আম নরম হলে, চিনি দিয়ে নাড়িয়ে নামাতে হবে। 


▪️এরপর আচার ঠাণ্ডা হলে বোতলে ভরে, বোতলের মুখ পর্যন্ত তেল দিয়ে ঢাকতে হবে। এরপর কয়েকদিন রোদে দিতে হবে।


----------------//-------------//------------


🔸🔸(৩) আম-পেঁয়াজের ঝুরি আচার🔸🔸


✍️ উপকরণঃ

▪️কাঁচা আমের ঝুরি এক কাপ

▪️পেঁয়াজ কুচি এক কাপ

▪️জিরাগুঁড়া দুই চা-চামচ

▪️কালো জিরাগুঁড়া আধা চা-চামচ

▪️সরষেগুঁড়া এক টেবিল-চামচ

▪️মরিচগুঁড়া দুই চা-চামচ

▪️সরিষার তেল আধা কাপ

★লবণ পরিমাণ মতো।


👉প্রস্তুত প্রণালীঃ  


▪️আমের ঝুরি এবং পেঁয়াজের কুচি আলাদাভাবে একদিন রোদে ভালোভাবে শুঁকিয়ে নিতে হবে।


▪️তারপরের দিন বাকি সব উপকরণগুলি দিয়ে, ভালোভাবে হাত দিয়ে মাখিয়ে বোতলে ভরে কয়েক দিন রোদে দিতে হবে।


-------------//-------------//--------------


🔸🔸৪)আমের নোনতা আচার🔸🔸


 ✍️উপকরণঃ

▪️আমের টুকরো ৪ কাপ,

▪️লবণ ২ চামচ,

▪️কালোজিরার গুঁড়া ১ চা-চামচ,

▪️শুকনা মরিচ ৩টা,

▪️মৌরি গুঁড়া আধা চা-চামচ,

▪️হলুদ গুঁড়া ১ চা-চামচ,

▪️পাঁচফোড়ন ১ চা- চামচ,

▪️সরষের তেল ২ কাপ।


👉 প্রস্তুত প্রণালিঃ

▪️আমের খোসা ফেলে লম্বা টুকরো করে লবণ পানিতে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। 


▪️এরপর পানি ঝরিয়ে এতে হলুদ ও প্রয়োজনমতো লবণ দিয়ে কড়া রোদে কয়েক ঘণ্টা রেখে মৌরি গুঁড়া ও কালোজিরার গুঁড়া দিয়ে আবার রোদে দিন।


▪️শুকনা নরম আম বোতলে ঢুকিয়ে নিন। গরম তেলে পাঁচফোড়ন ভেজে তেল ও পাঁচফোড়ন আমের বোতলে ঢেলে দিয়ে কয়েক দিন বোতলের মুখে পাতলা কাপড়ে বেঁধে রোদে দিন। 


---------------//--------------//-----------


🔸🔸(৫)খোসাসহ আমের আচার🔸🔸


✍️ উপকরণঃ

▪️আম ১০টা,

▪️সরষে বাটা ২ চামচ,

▪️পাঁচফোড়ন বাটা ১ চামচ,

▪️সিরকা আধা কাপ,

▪️হলুদ গুঁড়া ১ চা-চামচ,

▪️মরিচ গুঁড়া ১ চা-চামচ,

▪️লবণ স্বাদমতো,

▪️চিনি ১ কাপ,

▪️তেজপাতা ২টা,

▪️শুকনা মরিচ ৩টা,

▪️সরষের তেল ১ কাপ।


,👉 প্রস্তুত প্রণালিঃ


▪️আম খোসাসহ টুকরো করে হলুদ ও লবণ মাখিয়ে ৮-১০ ঘণ্টা রোদে দিন। এবার হলুদ, মরিচ, সরষে, পাঁচফোড়ন ও অর্ধেক সিরকা আমের সঙ্গে মিশিয়ে আবার রোদে দিন।


▪️শুকিয়ে এলে বাকি সিরকা, চিনি, তেজপাতা ও শুকনা মরিচ দিয়ে বোতলে ঢুকিয়ে রোদে দিন। তেল ভালোভাবে গরম করে ঠান্ডা হলে আচারের বোতলে ঢেলে কয়েক সপ্তাহ রোদে দিন।


---------------//-----------//-------------


🔸🔸(৬)আমের মোরব্বা🔸🔸


✍️উপকরণঃ

▪️আম ১০টা,

▪️চিনি ২ কাপ,

▪️পানি ১ কাপ,

▪️লবণ আধা চা-চামচ,

▪️এলাচ ৩টা,

▪️দারচিনি ২ টুকরো,

▪️তেজপাতা ২টা,

▪️চুন ১ চা-চামচ।


👉প্রস্তুত প্রণালিঃ


▪️আমের খোসা ফেলে দুই টুকরো করে নিন। এবার টুথপিক দিয়ে আমের টুকরো ভালোভাবে ছিদ্র করে নিন। চুনের পানিতে আম ৭-৮ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। আম তুলে পরিষ্কার পানিতে কয়েকবার ধুয়ে নিন।


▪️এবার চিনির সিরায় সব উপকরণ দিয়ে ফুটে উঠলে আম ছেড়ে দিন। অল্প আঁচে রাখুন। আম নরম হলে চুলা থেকে নামিয়ে ঠান্ডা করে বোতলে ঢুকিয়ে রাখুন।


-----------//--------------//---------------


🔸🔸(৭)আমের ঝাল আঁচার🔸🔸


✍️উপকরণঃ

▪️আম ১ কেজি, 

▪️সিরকা ১ কাপ,

▪️সরিষার তেল দেড় কাপ, 

▪️সরিষা বাটা ১ টেবিল চামচ, 

▪️হলুদ গুঁড়ো ১ চা চামচ,

▪️মরিচ বাটা ১ টেবিল চামচ, 

▪️আদা কুচি ১ টেবিল চামচ,

▪️পাঁচফোড়ন গুঁড়ো ১ টেবিল চামচ,

▪️আস্ত পাঁচফোড়ন আধা চা চামচ,

▪️ লবণ ১ টেবিল চামচ, 

▪️চিনি ১ টে চামচ,

▪️ রসুন কোয়া ১৬টি, 

▪️কাঁচামরিচ ১০টি, 

▪️রসুন বাটা ১ টেবিল চামচ।


👉প্রস্তুত প্রনালীঃ


▪️আম খোসাসহ ছোট ছোট টুকরা করে কেটে ১ টেবিল চামচ লবণ মাখিয়ে ভালো করে ধুয়ে পানি নিংড়ে নিতে হবে।


▪️অল্প হলুদ, লবণ মাখিয়ে এক দিন রোদে দিতে হবে।


▪️কড়াইতে তেল গরম হলে আস্ত পাঁচফোড়ন ছাড়তে হবে। পাঁচফোড়ন ভাজা সুগন্ধ বের হলে রসুন বাটা, আদা কুচি দিয়ে ১ মিনিট নাড়তে হবে। মরিচ, হলুদ, লবণ ও সামান্য সিরকা দিয়ে ভালো করে কষিয়ে আম দিয়ে নাড়তে হবে। 


▪️আম আধা সেদ্ধ হলে বাকি সিরকা, চিনি, সরিষা বাটা, কাঁচা মরিচ, রসুন কোয়া দিয়ে আরও ১৫ মিনিট অল্প আঁচে নাড়তে হবে।ভাজা পাঁচফোড়ন গুঁড়ো দিয়ে ২ মিনিট নেড়ে আচার চুলা থেকে নামাতে হবে।


▪️আচার ঠান্ডা হলে কাচের বয়ামে রেখে দিন।


------------//-----------//----------------


🔸🔸(৮.) কাশ্মিরি আচার🔸🔸


✍️ উপকরণ: 

▪️আম ৫ কেজি। 

▪️চিনি ৩ কেজি। 

▪️ভিনিগার ১ বোতল (৬৫০ মি.লি.)। 

▪️শুকনামরিচ ২৪, ২৫টি। 

▪️আদাকুচি ৬ টেবিল-চামচ। 

▪️লবণ স্বাদ মতো।


👉প্রস্তুত প্রনালীঃ

▪️আম ছিলে ধুয়ে কিছুক্ষণ পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। 


▪️]তারপর কিউব করে কেটে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে নিন।  


▪️শুকনামরিচ কাঁচি দিয়ে চিকন করে কেটে দানা বাদ দিন। আদা চিকন করে কুচি করুন। তারপর চুলায় হাঁড়িতে চিনি ও ভিনিগার দিয়ে সব বসান।


▪️যদি আচারে লাল লাল ভাব আনতে চান তবে চিনি কিছুটা কমিয়ে খেজুরের গুড় দিতে পারেন। এরপর শুকনা মরিচ, আদা ও লবণ দিতে হবে।


▪️জ্বাল দিয়ে ঘন হয়ে আসলে, তাতে আমের টুকরা দিয়ে দিন। সিরা ঘন হয়ে আসলে চুলার আঁচ কিছুক্ষণ কমিয়ে রাখতে হবে।


▪️আম সিদ্ধ হয়ে গলে যাওয়ার আগেই নামিয়ে কাচের বোতলে ভরে রাখুন। ঠাণ্ডা হলে বোতলের মুখ বন্ধ করে রেখে দিন।


------------//-------------//---------------


🔸🔸(৯)কাঁচাআমের চাটনি🔸🔸


👉উপকরনঃ

▪️কাঁচাআম আধা কেজি। 

▪️দেশিপেঁয়াজ-কুচি ৪ টি

▪️কালিজিরা  ১ চা-চামচ। 

▪️শুকনা মরিচ ৮টি। 

▪️তেঁতুল ১ টেবিল-চামচ। 

▪️চিনি ৪ টেবিল-চামচ।

▪️রসুনের কোয়া ১০টি। 

▪️লবণ স্বাদমতো।

▪️সরিষার তেল পরিমাণমতো। 

▪️কাঁচের বোতল আচার রাখার জন্য।


👉 প্রস্তুত প্রনালীঃ


▪️পেঁয়াজ ছুলে নিন। আমের ছোকলা ছিলে পরিষ্কার করে ধুয়ে পানি ঝরিয়ে রাখতে হবে। 


▪️এরপর পেঁয়াজ এবাং আম মিহিকুচি করে কাটুন। একটা ডালায় আম আর পেঁয়াজের কুচি নিয়ে তাতে কালোজিরা, শুকনা মরিচ, রসুনের কোয়া, তেঁতুল, চিনি, লবণ আর অল্প সরিষার তেল দিয়ে মাখিয়ে তিন থেকে চার দিন রোদে শুকাতে হবে।


▪️বাদামি রং এবং ঝরঝরে হলে কাঁচের জারে ভরে সরিষার তেল দিয়ে আবার রোদে দিতে হবে।


-------------//-----------//-----------------


🔸🔸(১০) আমসত্ত্ব🔸🔸


✍️উপকরণঃ

▪️পাকা আম এক কেজি

▪️চিনি দুই কাপ


👉প্রস্তুত প্রনালীঃ

▪️পাকা আম খোসা ছড়িয়ে একটু চটকে নিন।


▪️হালকা আঁচে একটু সিদ্ধ করে নিন।


▪️আম মিষ্টি না টক সে অনুযায়ী চিনি মিশিয়ে দিন।


▪️একটি গোল থালায় তেল মাখিয়ে একপ্রস্থ আম লেপে দিয়ে রোদে দিন। শুকিয়ে গেলে আবার একপ্রস্থ দিন। এভাবে যতটুকু মোটা করতে চান সে অনুযায়ী আম দিন।


▪️ভালোভাবে শুকিয়ে গেলে কৌটায় ভরে রেখে দিন। রোদের ব্যবস্থা না থাকলে গ্যাসের চুলার নিচে রেখেও আমসত্ত্ব করা যাবে।

রেসিপি ভালো লাগলে শেয়ার করে রাখুন আপনার টাইমলাইনে। #ইউনিক ও নতুন নতুন রেসিপি পেতে আমার পেইজে নিয়মিত লাইক কমেন্ট ও ফলো দিয়ে পাশে থাকুন। ❤️


#fyp #fb #foryou #StarsEverywhere #trend #view #instagood #trendingpost #recipe #viralshorts #instagram #প্রয়োজনীয়_কিছু_টিপস #reelsvideo #photographychallengechallenge #followersreels #fbreels #viralreels #highlightseveryone #followerseveryonehighlights

পেঁয়াজের পাতা হলুদ হলে কি করবেন এবং ফলন বৃদ্ধি হওয়ার উপায় জানুন । Onion Diseases

 পেঁয়াজের পাতা হলুদ হলে কি করবেন এবং ফলন বৃদ্ধি হওয়ার উপায় জানুন । Onion Diseases


Mithu Seeds একটি নির্ভরযোগ্য বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান । Mithu Seeds এর পরিচালক আমি মোঃ শফিকুল ইসলাম। আমরা নিজস্ব জমিতে নিজস্ব উপায়ে শতভাগ অরজিনাল সুখ সাগর পেঁয়াজের দানা চাষ করি।এই সুখ সাগর পেঁয়াজের দানা শতভাগ গ্যারান্টি সহকারে কৃষকদের কাছে বিক্রয় করা হয়। এছাড়াও আমাদের নির্ধারিত ডিলারদের কাছে Mithu Seeds এর অরজিনাল সুখ সাগর পেঁয়াজের দানা পেয়ে যাবেন।

সুখ সাগর হাইব্রিড এবং গ্রীষ্মকালীন নাসিক জাতের পেঁয়াজ 

বীজ বা দানা ক্রয় করতে কল করুন 


Mithu Seeds Pvt Ltd এর পরিচালক

মোঃ শফিকুল ইসলাম (মিঠু) 

আনন্দবাস । মুজিবনগর । মেহেরপুর 

মোবাইলঃ ০১৮১২-৬০০৯৯৫ ( WhatsApp ) /০১৭১৫-৪৯৪৮৭৯ (সকাল ১০ থেকে রাত ৯ টা) 

এবং ভিজিট করুন www.mithuseeds.com


Mithu Seeds কোম্পানির নিজস্ব জমিতে উৎপাদিত অরজিনাল সুখ সাগর দানার পাশাপাশি ইন্ডিয়ান প্যাকেটজাত সুখ সাগর যেমনঃ জিরাট সুখ সাগর, কলস সীডস এর সুখ সাগর ( KSP 106) দানা, মহারাষ্ট্রের হাই ব্রিড সুখ সাগর দানা এর সুখ সাগর দানা শতভাগ গ্যারান্টি সহকারে কৃষকদের কাছে বিক্রয় করা হয়।


এছাড়াও Mithu Seeds কোম্পানিতে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের দানা, বর্ষাকালীন পেঁয়াজের দানা, বারি ৫ পেঁয়াজের দানা, ডার্ক রেড পেঁয়াজের দানা, কলস সীডের কিং, নাসিক রেড এন ৫৩, নাসিক হাইব্রিড পেঁয়াজের দানা  শতভাগ গ্যারান্টি সহকারে কৃষকদের কাছে বিক্রয় করা হয়।

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬ 

► সুখ সাগর পেঁয়াজ বপন পদ্ধতিতে পেঁয়াজ উৎপাদন হবে ১৬০ থেকে ২০০ মন পর্যন্ত। (সর্বোচ্চ হিসাব ) উৎপাদন ভাল না হলে আনুমানিক তাও আপনি ১০০ মন পেঁয়াজ পাবেন।( সর্বনিম্ন হিসাব ) এক একটি পেঁয়াজের ওজন সর্বোচ্চ ১০০ থেকে ২০০ গ্রাম পর্যন্ত হয়ে থাকে । 


►নাসিক জাতের পেঁয়াজ সম্পর্কে ২ টি কথাঃ সুখ সাগর থেকে নাসিক জাতের পেঁয়াজের ফলন অনেক বেশি। খরচ একই। লাভ বেশি। ( এলাকা ভিত্তিক উপরের হিসাব অনুযায়ী খরচ কম বা বেশি হতে পারে) 

#সুখ_সাগর_পেয়াজ #sukh_sagor_peyaj #onion #mithuseeds #onionseeds #onionfarming

ধানের মাজরা পোকার আক্রমন ও দমন ব্যবস্থাপনা।

 ধানের মাজরা পোকার আক্রমন ও দমন ব্যবস্থাপনা।


বাংলাদেশে তিন ধরনের মাজরা পোকা ধানের ক্ষতি করে থাকে : হলুদ মাজরা, কালো মাথা মাজরা এবং গোলাপী মাজরা পোকা।

এই পোকাগুলোর কীড়ার রং অনুযায়ী তাদের নামকরণ করা হয়েছে। এদের আকৃতি ও জীবন বৃত্তান্তে কিছুটা পার্থক্য থাকলেও ক্ষতির ধরণ এবং দমন পদ্ধতি একই রকম। হলুদ মাজরা পোকা প্রধানত বেশী আক্রমণ করে। নিম্নে হলুদ মাজরা পোকার বিবরণ দেয়া হলো:


পূর্ণ বয়স্ক হলুদ মাজরা পোকা এক ধরনের মথ। স্ত্রী পোকার পাখার উপরে দুটো কালো ফোঁটা আছে। পুরুষ মথের পাখার মাঝখানের ফোঁটা দুটো স্পষ্ট নয় তবে পাখার পিছন দিকে ৭-৮ টা অস্পষ্ট ফোঁটা আছে।


হলুদ মাজরা পোকার স্ত্রী মথ ধান গাছের পাতার আগার দিকে গাদা করে ডিম পাড়ে। এক সপ্তাহের মধ্যে ডিম ফুটে কীড়া বের হয়। কীড়ার রং সাদাটে হলুদ।


কীড়াগুলো কান্ডের ভিতরে প্রবেশ করে ৩ থেকে ৪ সপ্তাহে পুত্তলিতে পরিণত হয়। তবে শীতকালে কীড়ার স্থিতিকাল ৮ সপ্তাহ পর্যন্ত হতে পারে। পুত্তলিগুলো এক থেকে দেড় সপ্তাহের মধ্যে বয়স্ক পোকায় পরিণত হয় এবং কান্ডের ভিতর থেকে বের হয়ে আসে।


ক্ষতির ধরণঃ


# মাজরা পোকা শুধুমাত্র কীড়া অবস্থায় ধান গাছের ক্ষতি করে থাকে।


# সদ্য ফোঁটা কীড়াগুলো দু’চারদিন খোল পাতার ভিতরের অংশ খাওয়ার পর ধান গাছের কান্ডের ভিতর প্রবেশ করে।


# কান্ডের ভিতর থেকে খাওয়ার সময় এক পর্যায়ে মাঝখানের ডিগ কেটে ফেলে। ফলে মরা ডিগের সৃষ্টি হয়। গাছের শীষ আসার আগে এরকম ক্ষতি হলে তাকে ‘মরা ডিগ’ বলে।


# আর গাছে থোর হওয়ার পর বা শীষ আসার সময় ডিগ কাটলে শীষ মারা যায় বলে একে ‘মরা শীষ’ বলে। ‘মরা শীষ’ এর ধান চিটা হয় এবং শীষটা সাদা হয়ে যায়।


# বোরো, আউশ এবং আমন এই তিন মৌসুমেই এই পোকার আক্রমণ দেখা যায়।


জৈবিক পদ্ধতিতে দমন:


★ মাজরা পোকার ডিমের গাদা সংগ্রহ করে নষ্ট করে ফেলা।

ক্ষেতে ডাল-পালা পুঁতে দিয়ে পোকা খেকো পাখির সাহায্যে পোকার সংখ্যা কমানো যায়।


★ সন্ধ্যার সময় আলোক ফাঁদের সাহায্যে মথ আকৃষ্ট করে মেরে ফেলা।


রাসায়নিক পদ্ধতিতে দমন:


★ রোগাক্রান্ত হলে নিম্নোক্ত কীটনাশক বীজতলা বা জমিতে প্রয়োগ করতে হবে।


সমাধান:


ধানের জমিতে ১০০ টির মধ্যে ১০-১৫ টি মরা কুশি অথবা ৫ টি মরা শীষ পাওয়া গেলে অনুমোদিত কীটনাশক যেমন: ভিরতাকো ৪০ ডব্লিউজি ৭৫ গ্রাম/হেক্টর হারে অথবা কার্বোফুরান গ্রুপের কীটনাশক যেমন: ফুরাডান ৫ জি ১০ কেজি/হেক্টর হারে বা ব্রিফার ৫জি ১০ কেজি/হেক্টর হারে অথবা ডায়াজিনন গ্রুপের কীটনাশক। এছাড়া বেল্ট এক্সপার্ট, বাতির, কার্ট্রাপ্রিড, এসিপ্রিড প্লাস, ডাক্সার্কাব, মারশাল, ব্রাভো, সানটাপ ব্যবহার করতে পারেন।


#মাজরা  #ব্লাস্ট #রোগ #দমন #stemborer #Blast #pest #control #বোরো

প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া বা অস্বস্তি (Dysuria) সাধারণত ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন (UTI), ডিহাইড্রেশন, কিডনির পাথর, বা প্রস্রাবের নালীর জ্বালাপোড়ার কারণে হতে পারে। এই সমস্যা দূর করতে কিছু ঘরোয়া উপায় নিচে দেওয়া হলো

 প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া বা অস্বস্তি (Dysuria) সাধারণত ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন (UTI), ডিহাইড্রেশন, কিডনির পাথর, বা প্রস্রাবের নালীর জ্বালাপোড়ার কারণে হতে পারে। এই সমস্যা দূর করতে কিছু ঘরোয়া উপায় নিচে দেওয়া হলো:


১. পর্যাপ্ত পানি পান করুন:

প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া কমাতে প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন। এটি প্রস্রাবকে লালচে হওয়া থেকে রক্ষা করে এবং বিষাক্ত পদার্থ বের করে দেয়। পানি শরীরের টক্সিন ফ্লাশ আউট করতে সাহায্য করে।


২. ক্র্যানবেরি জুস:

চিনি ছাড়া ক্র্যানবেরি জুস দিনে ১-২ গ্লাস পান করুন (ডায়াবেটিস রোগীরা সতর্ক থাকুন)।


৩. বেকিং সোডা ( খাবার সোডা )  ও পানি:

১ গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ১ চা চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে দিনে ১ বার পান করুন ৫-৭ দিন। এটি প্রস্রাবের অম্লতা কমিয়ে জ্বালাপোড়া দূর করে। তবে দীর্ঘদিন ব্যবহার করবেন না (সোডিয়ামের মাত্রা বাড়তে পারে)।


৪. দই বা প্রোবায়োটিক:

দইয়ে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়া (ল্যাক্টোব্যাসিলাস) ইউরিনারি ট্র্যাক্টের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি রোধ করে। প্রতিদিন ১ কাপ টক দই খান।


৫. আদা-লেবুর চা:

১ কাপ কুসুম গরম পানিতে দু ইঞি আদা কুচি ও ১ চা চামচ লেবুর রস মিশিয়ে পান করুন। আদার অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণ এবং লেবুর ভিটামিন-সি ইনফেকশন কমাতে সাহায্য করে।


৬. ডাবের পানি:

ডাবের পানি প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইট সমৃদ্ধ, যা শরীর হাইড্রেট রাখে এবং প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া কমায়। দিনে ১-২ গ্লাস পান করুন।


৭. লবঙ্গ পানি:

     ৪-৫ টি লবঙ্গ হাফ গ্লাস পানিতে ফুটিয়ে ঠান্ডা করে ছেঁকে পান করুন। লবঙ্গে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ রয়েছে যা প্রস্রাবের সমস্যা প্রতিরোধে সাহায্য করে।


৮. মুলার রস:

সাদা মুলা ব্লেন্ড করে রস বের করে ১ চামচ খাঁটি মধু মিশিয়ে দিনে ২ বার পান করুন। মুলার ডিটক্সিফাইং গুণ প্রস্রাবের ইনফেকশন দূর করে।


৯. গরম সেঁক:

তলপেটে গরম ( সহ্য করার মত গরম )  পানির বোতল বা হিটিং প্যাড রাখুন দিনে কয়েকবার। এটি মুত্রথলির চাপ ও ব্যথা কমাতে সাহায্য করে।


১০. এড়িয়ে চলুন:

- ক্যাফেইন (চা, কফি), অ্যালকোহল, মশলাদার খাবার।  

- প্রস্রাব আটকে রাখা।  

- সুগন্ধিযুক্ত স্যানিটারি প্যাড বা সাবান।

- প্রস্রাবের সমস্যা যতদিন দূর হয় নি ততদিন সহবাস করবেন না ( বিবাহিতের উদ্দেশ্য বলছি ) 


কখন ডাক্তার দেখাবেন?  

- প্রস্রাবের সাথে রক্ত গেলে।  

- জ্বর, পিঠে ব্যথা বা বমি হলে।  

- ২৪-৪৮ ঘণ্টার মধ্যে উন্নতি না হলে।  


সতর্কতা:  

গর্ভবতী মহিলা, ডায়াবেটিস বা কিডনি রোগীরা যেকোনো ঘরোয়া পদ্ধতি ব্যবহারের আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। প্রস্রাবের সমস্যা  বারবার হলে অ্যান্টিবায়োটিকের প্রয়োজন হতে পারে যা চিকিৎসক দিতে পারেন।

          নো মা ন

গল্প_পূর্ণতা sornali entertainment ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 বিয়ের তিনদিনের মাথায় পূর্ণতার স্বামী বিদেশে পারি জমায়। আজ ঠিক দীর্ঘ পাঁচ বছর পর পূর্ণতার স্বামী বিদেশে থেকে বাড়ি আসছে। 


ঘরের ছেলে এতো বছর পর ঘরে আসছে। এজন্য বাড়িতে আনন্দের জোয়ার নেমে এসেছে। সবাই আনন্দে ছোটাছুটি করলেও এখানে পূর্ণতার মাঝে কোন আনন্দ বিরাজ করছে না।


পূর্ণতা খুব ভালো করেই জানে ওর স্বামী ওকে পছন্দ করে না। এমনকি ওকে ব‌উয়ের অধিকার অবধি দেয়নি। বিদেশে গেছে পাঁচ বছর হয়েছে তাদের বিয়ের ও পাঁচ বছর হলো। এতোটা সময় গিয়েছে কিন্তু ওর স্বামীর ওর সাথে যোগাযোগ খুব সীমিত হয়েছে।


প্রথম প্রথম স্বামীর জন্য কাঁদতো‌। কেন তাকে এইভাবে ফেলে গেল বিয়েতে রাজি না থাকলে বিয়েটা করে তার জীবন ন'ষ্ট করার কি দরকার ছিল? শুধু শুধু বিয়ের তকমা লাগিয়ে ওকে সবার কাছে অপয়া করে দিয়েছিল। স্বামী ধরে রাখতে পারেনি। এসব বলে মানুষের কম কটু কথা তো ওকে হজম করতে হয়নি। পূর্ণতা রান্না ঘরে ঢুকে দেখল ওর শাশুড়ি খুব যত্ন সহকারে খাবার রান্না করছে। 


ওকে দেখে এক গাল হেসে বললেন," যাও সুন্দর করে রেডি হয়ে থাকো। সুন্দর করে সাজগোজ করিও। কত দিন পর ছেলেটা আসছে। আজ আর রান্না ঘরে এসে নিজের সুন্দর মুখটা কালসেটে করে ফেলো না।"

পূর্ণতা কিছু বলতে চাইল। কিন্তু তিনি হাত দিয়ে থামিয়ে তৈরি হতে বলল।


পূর্ণতা তাকে মায়ের মতো সম্মান করে তার জন্যেই স্বামীর অবহেলা পেয়েও শশুর বাড়ি ছেড়ে যেতে পারেনি।পূর্ণতা তার কথা অমান্য করতে পারবে না। ও শুধু ভাবে এতো ভালো একজন মায়ের এমন ছেলে কিভাবে হলো! পূর্ণতা রুমে এসে বসে র‌ইলো কিসের সাজগোজ কিসের কি কিচ্ছু করবে না। করলেও কি তিনি দেখবে? কখনোই না। পাঁচবছর আগেই যে তার বাসর ঘরে থাকা ব‌উয়ের দিকে ফিরে তাকায় নি। আজ এতো বছর পর এসে সে ওর দিকে তাকাবে অসম্ভব।


পূর্ণতা সাজতে না চাইলে কি হবে ওর ননাসের বড়ো মেয়ে আয়রা জোর করে ওকে শাড়ি পড়িয়ে সাজিয়ে দিলো। ও দাঁতে দাঁত চেপে ছিল কিন্তু কিছু বলার সাহস পায়নি।

দুপুর তিনটায় পরপর গাড়ি এসে হর্ন বাজিয়ে জানান দিলো তিনি এসেছেন। মানুষটা চলে এসেছে পূর্ণতার বুক টিপটিপ করছে। দুই বছর আগে তার সাথে ওর কথা হয়েছিল শেষ বার। শাশুড়ি মা জোর করে কথা বলতে দিয়েছিল। সে ঝগড়া করে বলেছিল আমার কাছে আর কোনদিন ফোন দিলে সে নাকি আর কোনদিন তার বাবা মায়ের সাথেও যোগাযোগ করবে না। সেদিনের পর আর কেউ আমার কাছে ফোন দিতো না। আমিও নিজের মতো চলতে ছিলাম তার আশা আমি ছে'ড়ে দিয়েছি সেইদিন ই‌।


মামি মামি বলে আমার সেই ভাগ্নি ডাকতে এলো। আমাকে জোর করে টেনে নিয়ে এলো ড্রাইনিং রুমে‌।

সোফায় বসে আছে আমার সেই পাঁচবছর আগে বিবাহ করা স্বামী। পাঁচবছরে তার শ'রীরের গঠন অনেক পরিবর্তন হয়েছে। আগের থেকে স্বাস্থ্য হয়েছে। গায়ের রং যেন ফর্সা হয়েছে আরেকটু। তাকে দেখতে দেখতে পূর্ণতা পাশে তাকালো একটা মেয়ে বসে আছে। কে এই মেয়েটি উনার সাথে এসেছে?


পূর্ণতার‌ শাশুড়ি পূর্ণতা কে টেনে ছেলের সামনে নিয়ে বলল," দিদান ওকে চিনতে পারছিস?"

দিদান পূর্ণতার দিকে তাকিয়ে কিছু মনে করার চেষ্টা করে বলল," এটা কে মা? ও কি বড় আপুর মেয়ে আয়রা?"

দিদানের কথা শুনে সবাই খিলখিলিয়ে হেঁসে উঠলো। পূর্ণতা মনে মনে হাসছে। পূর্ণতার মনের হাসির সাথে বাস্তবেও হাসির রেশ পাওয়া গেল। আয়রা হাসি মুখে এগিয়ে এসে বলল," মামু এই যে আমি তুমি মামি কে ভাগ্নি ভাবছো!"


বলেই হেসে দিল। দিদান কপাল কুঁচকে বলল," এটা আবার কোন মামি তোর?"

" মামু কি যে বলো না এটা আমার দিদান মামার ব‌‌উ পূর্ণতা মামি। তোমার ব‌উ‌।"

দিদান অবাক চোখে পূর্ণতার দিকে তাকালো। 


দিদানের পাশে বসা মেয়েটি অবাক চোখে তাকিয়ে আছে। দিদান ঢোক গিলে বলল," কি সব বলছে মা। মজা করছো কেন তোমরা? ও তো আমার চাচাতো বোন। ব‌উ বলে মজা করার অভ্যাস আর তোমাদের গেল না। যাইহোক পরিচয় করিয়ে দেই এই হচ্ছে তোমার ছেলের ব‌উ শশী।"


সবাই চোখ কপালে তুলে তাকিয়ে আছে পাশে বসে থাকা মেয়েটির দিকে। মেয়েটি বসা থেকে উঠে দিদানের মাকে সালাম করতে চাইল। পূর্ণতা মাথা নিচু করে দাঁড়িয়ে ছিল। ব‌উ কথাটা শুনতেই চমকে তাকাল। এই মানুষটা ওর নয় ও জানে তাকে নিয়ে ওর কোন আশা প্রত্যাশাও ছিল না তবুও কেন আরেকজন কে ব‌উ বলে পরিচয় করিয়ে দেওয়াতে ওর বুকটা কেঁপে উঠলো। ওর চোখে কেন জল চিকচিক করে উঠলো।


পূর্ণতা শশীকে এগিয়ে আসতে দেখে পিছিয়ে যায়। শশী পায়ে হাত দিয়ে সালাম করে দিদানের মা আশালতা কে। আশালতা ছেলের দিকে বিষ্ময়কর চাহনি দিয়ে তাকিয়ে আছে। উনি পূর্ণতার দিকে তাকাবে কি করে? মেয়েটা তো সব আশা ছেড়েই দিয়েছিল তবু জোর করেছে তারা। তাদের নিজের ছেলের উপর বিশ্বাস ছিল। ভেবেছিল এতদিন পর এসে হয়তো স্ত্রী কে মেনে নিবে কিন্তু ছেলে এটা কি করে নিয়ে এলো। এক স্ত্রী থাকতে আরেকটা বিয়ে করে নিয়ে আসছে।


কেউ আর এগিয়ে এসে কথা বলল না দিদানের সাথে। সবাই স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তারপর সবাই যে যার কাজে চলে যায়। থমকে দাঁড়িয়ে থাকে আশালতা বেগম। ছেলের থেকে এমনটা কোনদিন আশা করে নি। এই ভাবে ছেলে তার নাক কা'টবে ভাবতে পারে নি। দিদান আর শশী। দিদানের রুমে চলে যায়।


আশালতা পূর্ণতার দিকে তাকিয়ে বলে," আমায় ক্ষমা করে দিস মা। দিদান এমন করবে আমি কল্পনাতে ও ভাবিনি। নিজের ছেলেকে আমি চিনতে পারিনি।"

" আমি তোমায় মায়ের জায়গা দিয়েছি। মা হয়ে মেয়ের কাছে ক্ষমা চেয়ে সেই জায়গাটা কেড়ে নিও না। উনার প্রতি আমার চাওয়া অনেক আগেই শেষ হয়ে গেছে। তোমাদের মিথ্যে আশা নিয়ে থাকাটা এবার অন্তত বন্ধ হোক। উনি এই কাজটা করে ভালোই করেছেন।"


" তোর কি হবে? আমরা যে তোর কাছে অপরাধী হয়ে গেলাম রে।"


" আমার আবার কি হবে? তোমার ছেলে আমায় মেনে নেয়নি বলে কি আমার আর কোন গতি হবে না। আমি একজন স্বনির্ভর মেয়ে নিজের দায়িত্ব আমি নিজেই নিতে পারি।"

" তুই আমাদের কাজ থেকে চলে যাবি কিভাবে থাকবো আমরা তোকে ছাড়া? তুই ছাড়া এই বাড়িটা যে খুব ফাঁকা রে। তুই তো আমার মেয়ে বল না তাই না। মাকে ছেড়ে চলে যাস না। মেয়ে হয়েই থাক না আমাদের সাথে।"


" এটা সম্ভব না মা। তুমি নিজেও জানো স্বামীর বাড়ি মেয়ে হয়ে থাকা যায় না। এখানে থাকলে আমাকে অনেক বিব্রত কর অবস্থায় পরতে হবে। আমি এখানে থাকতে পারব না। ক্ষমা করো আমায়। আমাকে চলে যেতেই হবে।"


" আমার ছেলেটা খুব বোকা রে। খাঁটি সো'না রেখে সে কি ধরে আনলো আমি জানি না। তোকে ও আমি আটকাবো না। সেই অধিকার ও আমার নাই‌। আমাদের জন্য এমনিতেই অনেক সহ্য করেছিস আর না। এবার তুই সুখে থাক। চলেই তো যাবি আর দুইটা দিন পর যা। সায়মন এর জন্মদিনের দিনটা আমাদের সাথে কাটিয়ে যা।"


পূর্ণতা রাজি হয়। 

শশী দিদানের রুমে এসে জহুরী নজরে রুমটা দেখছে। দিদান ঘামছে অনবরত। শশী কোন ভাবে আগের বিয়ের কথা জানতে পারলে স'র্বনাশ হয়ে যাবে।

শশী আলমারির খুলে মেয়েদের পোশাক দেখে। ড্রেসিং টেবিলের সামনেও মেয়েদের কসমেটিক। 

" এসব কি দিদান! এতো মেয়েলি জিনিস কেন তোমার রুমে? এটা তোমার রুম‌ই তো?"


দিদান উত্তর দিতে পারছে না।

ভয়ে ভীত হয়ে আছে। পূর্ণতা প্রবেশ করে তখন রুমে। 

" আসলে ভাবি আপনার স্বামীর রুমে আমি কয়দিন ধরে ছিলাম। এজন্য আমার জিনিস পত্র এখানে রয়ে গেছে।"


শশী অবাক সুরে বলল," তুমি এখানে থাকতে।"

" হ্যা মানে উনি তো বিদেশ থাকতো রুমটা খালিই ছিল তাই আরকি থাকতাম। আপনারা চলে আসছেন এবার আপনারাই থাকবেন একটু বসেন আমি সব নিয়ে যাচ্ছি।"


বলেই পূর্ণতা আলমারির থেকে সব ড্রেস বের করে আনে। নিজের সমস্ত জিনিস নিয়ে বেরিয়ে আসে। দিদান হা করে তাকিয়ে ছিল পূর্ণতার দিকে। এই মেয়েটা ওর ব‌উ ছিল সে এতো সব জানার পর ও এতোটা স্বাভাবিক আছে ভাবতেই পারছে না।


শশী সন্দেহ চোখে তাকিয়ে বলল," দিদান মেয়েটার কথা আমার পছন্দ হলো না। ও তোমায় আমার স্বামী বলে সম্বোধন করলো কেন? 


চাচাতো বোনরা কি এইভাবে সম্বোধন করে? তুমি আমার থেকে কিছু লুকাচ্ছো তো?"


গল্প_পূর্ণতা

Sornali Entertainment


পরের পর্ব https://www.facebook.com/share/p/15G4vySz8c/?mibextid=wwXIfr

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...