এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

বাংলা ভাষাকে রক্ষা করেছিলেন ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বখতিয়ার খিলজি

 হাজার বছর আগে বাঙ্গালি জাতির মুখের ভাষা ‘বাংলা’কে কেড়ে নিয়েছিলো দক্ষিণ ভারত থেকে আগত সেন রাজারা। সেন রাজাদের হিন্দু পণ্ডিতরা ফতওয়া জারি করেছিলো, “যারা বাংলা ভাষা বলবে ও শুনবে তারা ‘রৌরব’ নামক নরকে যাবে।” ঐ সময় তুর্কি বংশোদ্ভূত ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলজী নির্যাতিত বাঙালীদের মুক্ত করতে এগিয়ে আসেন এবং ১২০৪ সালে মাত্র ১৮ জন ঘোড়সওয়ারী নিয়ে সেন রাজাকে পরাজিত করে বাংলাকে স্বাধীন করেন। বক্তারা বলেন, ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খিলাজীর বাংলা বিজয়ের মাধ্যম দিয়ে সেইদিন শুধু ভূমির বিজয় হয়নি, সাথে মুক্ত হয়েছিলো বাঙ্গালীদের মুখের ভাষা ‘বাংলা’।


ভাষাবিদ দীনেশ চন্দ্র সেন বলেন, “মুসলমান সম্রাটগণ বর্তমান বঙ্গ-সাহিত্যের জন্মদাতা বললে অত্যুক্তি হয় না। বঙ্গ-সাহিত্য মুসলমানদেরই সৃষ্ট, বঙ্গ-ভাষা বাঙালি মুসলমানের মাতৃভাষা।” অধ্যাপক ও গবেষক মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, “যদি বাংলায় মুসলিম বিজয় ত্বরান্বিত না হতো এবং এদেশে আরো কয়েক শতকের জন্য পূ্র্বের শাসন অব্যাহত থাকতো, তবে বাংলা ভাষা বিলুপ্ত হয়ে যেত এবং অবহেলিত ও বিস্মৃত-প্রায় হয়ে অতীতের গর্ভে নিমজ্জিত হতো।”


মধ্যযুগে মুসলিম শাসকদের রাজকীয় পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলা ভাষার যে সাহিত্য চর্চা শুরু হয়, তার মাধ্যমে বাংলা ভাষা একটি পরিপূর্ণ ভাষা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার যোগ্যতা অর্জন করে।


বাংলা ভাষাকে কলুষিত করার চেষ্টা পরবর্তীতে যুগে যুগে আরো হয়। ১৮শ’ সনে ব্রিটিশরা কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠা করে বাংলা ভাষার আরবী ও ফারসী শব্দ বাদ দিয়ে সংস্কৃত শব্দ প্রবেশের উদ্দেশ্যে সাহিত্য চর্চা শুরু করে। তারা দেখাতে চায়, “বাংলা ভাষার সাথে মুসলমানদের কোন সম্পর্ক নেই”।


মুসলিমদের হেয় প্রতিপন্ন করতে প্রচার করা হয়, বাংলা ভাষায় প্রথম কুরআন শরীফ অনুবাদ নাকি গিরিশ চন্দ্র সেন করেছে। অথচ ১৮৮৬ সালে গিরিশ চন্দ্র সেনের অনুবাদের বহু পূর্বে ১৮০৮ সালে বাংলা ভাষায় কুরআন শরীফের আংশিক অনুবাদ করেন মাওলানা আমীরুদ্দীন বসুনিয়া। এরপর ১৮৩৬ সনে মৌলভী নাঈমুদ্দীন পূর্ণাঙ্গ কুরআন মাজীদের বাংলা অনুবাদ সম্পন্ন করেন। অথচ এ ইতিহাস প্রচার করা হয় না।

ফেইসবুক গল্প

 গদাধর বাবু দীর্ঘদিন স্কুলে শিক্ষকতা করে অবসর নিয়েছেন । পেনশন পান। ওতে স্বামী স্ত্রীর ভালো ভাবেই চলে যায়। উনি কলকাতায় একটি সুন্দর ফ্ল্যাট কিনেছেন,,এখন ওখানেই থাকেন। ছেলে মেয়েরা বাইরে থাকে। সুপ্রতিষ্ঠিত।

              গদাধর বাবুর গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার খুব ইচ্ছে হল,,,সেইমত গোছগাছ করে ফেললেন,, কিন্তু,ওনার চিন্তা হল,, এতদিন ফ্ল্যাটটা ফাঁকা পড়ে থাকবে,,,যদি চোর ঢোকে,,টাকাপয়সা,সোনার গহনা তো কিছু পাবে না,তখন যদি জিনিষপত্র তছনছ করে দেয়, নষ্ট করে দেয়,, তাতে ও তো অনেক ক্ষতি! অনেক ভেবে উনি একটি উপায় বের করলেন। 

               সেন্টার টেবিলের উপর দুটি ৫০০ টাকার নোট পেপার ওয়েট চাপা দিয়ে রেখে দিলেন,, সঙ্গে একখান চিঠি,,,

" সম্মানীয়,চোর সাহেব,,

                      আমি কিছু দিনের জন্য আমার গ্রামের বাড়িতে যাইতেছি।  ইত্যবসরে,  আপনি যদি দয়া করিয়া আমার ফ্ল্যাটে পদার্পন করেন,,তো আপনার দুঃখ  হইতে পারে,,কারন, টাকা কড়ি,সোনাদানা কিছুই পাইবেন না,,,কারন,আমি একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক, সামান্য কিছু পেনশন পাই,তাহাতেই সংসার চালাই,,, আপনার কঠোর পরিশ্রম ফলপ্রসূ না হওয়ায়  দুঃখ  হইবে,সেটা প্রচন্ড রাগ,রোষে পরিণত হইতে পারে,আর রাগের মাথায় আমার কষ্টার্জিত জিনিষপত্র ভাঙচুর করিয়া ফেলা খুবই স্বাভাবিক। তাই, সামান্য উপহার হিসেবে ১০০০ টাকা রাখিয়া গেলাম, আর ফ্রিজে একটি ব্রিটানিয়া কেক এবং একটি বিয়ারের বোতল রাখিয়া গেলাম,, আপনার কঠোর পরিশ্রমের ফলে ক্ষুধা লাগিলে খাইয়া  লইবেন।

            তবে, আমি আপনাকে কিছু টিপস্ দিতেছি,,,স্কুলে অসংখ্য ছাত্র দের অদ্যাবধি অনেক টিপস্ দিয়াছি,,তারা এখন সব বিশাল ব্যক্তি হইয়া গিয়াছে, আপনার ও  আশা করি কাজে লাগিবে,,,

১নং ,   আমার ফ্ল্যাটের মুখোমুখি  সি ব্লকের ৬                                                      তলায় রমেশ বাবু থাকেন,ওনার একটি ছোট দোকোন  ছিল,,এখন 

              উনি মিনিষ্টার,,,প্রচুর টাকার মালিক।

২নং,,,উহার  ৫ তলায় সুরেশ বাবুর  

           হাওলার ব্যবসা,,লাখ লাখ টাকার

            কারবার।

৩নং,,,  ওহার পাশে সি ব্লকের  ৪ তলায়  হেলারাম

            বাবু কারখানার মালিক,

৪নং,,,,,উহার নীচে পাচুবাবুর তেজারতির ব্যবসা

            টাকার কমি নাই।

এইসব বাড়ি গুলি আপনি পরিদর্শন করিতে পারেন,,,,আপনার পরিশ্রম বিফল হইবে না,, তাছাড়া ওনারা কেউই ইডি, সিবিআই এর ভয়ে পুলিশে খবর দিবেন না,,,সে বিষয়ে আপনি নিশ্চিন্ত থাকিতে পারেন।"

      ব্যস,চিঠি লেখা শেষ, চিঠিটি টাকার সঙ্গে পেপার ওয়েট দিয়ে চাপা দিয়ে রাখলেন এবং খুশী মনে গদাধর বাবু সস্ত্রীক গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন। সেখানে ছোটবেলার বন্ধু দের সঙ্গে জমিয়ে আড্ডা মারলেন,, গ্রামের টাটকা শাকসবজি, পুকুরের টাটকা পোনা মাছ, সকালে খেজুর রস, খেজুর গুড়,পাটালি খেয়ে মাস দুই পর কলকাতায় ফিরে এলেন।

            ফ্ল্যাটে ঢুকেই অবাক,,, কিছুই হয় নি,,সব ঠিকঠাক আছে। হঠাৎ,ডাইনিং টেবিলের দিকে তাকাতেই নজর পড়ল,,, টেবিলের উপর দুটো ৫০০ টাকার বান্ডিল রয়েছে,তার নীচে একখান চিরকুট,,

       " সম্মানীয় মাষ্টার মশাই,

   প্রণাম। আপনার টিপস্ দারুন কাজে লেগেছে,,,ঐ ফ্লাটগুলি পরিদর্শন করে প্রচুর টাকা ও সোনাদানা সংগ্রহ করতে পেরেছি,,এখন পর্যন্ত কোন সমস্যা হয় নি।  তাই,উপঢৌকন হিসেবে এক লাখ টাকা রেখে গেলাম। আর,ফ্রিজে দুটো ব্লাক লেবেল whiskey র বোতল এবং দুকেজি 

Dry fruit এর প্যাকেট রেখে গেলাম।  মাঝে মাঝে এমনি টিপস্ দিলে খুবই বাধিত হব।  আমাদের মত গরীব, পিছিয়ে পড়া,খেটে খাওয়া মানুষদের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য আপনি নিশ্চয়ই সচেষ্ট থাকবেন।"

           আপনার কথামত" চোর সাহেব"

                             🙏 নমস্কার নেবেন।

😂😂😂😂😂

✍️ সংগৃহীত

হাসতে থাকুন ভালবাসতে থাকুন আর অবশ্যই কমেন্ট করবেন এবং follow করে পাশে থাকবেন আপনাদের সুস্মিতা 😁😁

#everyone

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ ২১-০২-২০২৫ খ্রি:। 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ ২১-০২-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


আজ অমর ২১শে ফেব্রুয়ারি, 'শহীদ দিবস' ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস - যথাযোগ্য মর্যাদায় ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছে জাতি।


একুশের প্রথম প্রহরে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শহীদদের শ্রদ্ধা জানালেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টা।


বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য বিশিষ্ট ব্যক্তি ও বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলকে এ বছরের একুশে পদক হস্তান্তর করলেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস।


প্রকৃত গণতন্ত্রকে শক্তিশালী ও চিরস্থায়ী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানালেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।


২৭তম বিসিএসে নিয়োগবঞ্চিতদের চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ আপিল বিভাগের - ১৭ বছর পর চাকরি ফেরত পাচ্ছেন এক হাজার একশো ৩৭ জন। 


২০১৪, ১৮ ও ২৪ সালের বিতর্কিত জাতীয় নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী ২২ জেলা প্রশাসককে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার।


মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা নিয়ন্ত্রণ পরিকল্পনার বিষয়ে আলোচনা করতে আজ রিয়াদে বৈঠকে বসছেন আরব নেতৃবৃন্দ।


দুবাইয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে ভারতের কাছে ৬ উইকেটে হারলো বাংলাদেশ - আজ দক্ষিণ আফ্রিকার মোকাবেলা করবে আফগানিস্তান।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২০-০২-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২০-০২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


আগামীকাল অমর ২১শে ফেব্রুয়ারি, 'শহীদ দিবস' ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস --- যথাযোগ্য মর্যাদায় ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবে জাতি।


বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য বিশিষ্ট ব্যক্তি ও বাংলাদেশ জাতীয় মহিলা ফুটবল দলকে এ বছরের একুশে পদক হস্তান্তর করলেন প্রধান উপদেষ্টা।


দেশের তরুণ প্রজন্ম নতুন বাংলাদেশ গড়ার পাশাপাশি নতুন বিশ্বের নেতৃত্ব দিতে চায় --- একুশে পদক প্রদানকালে বললেন অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস।


প্রকৃত গণতন্ত্রকে শক্তিশালী ও চিরস্থায়ী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানালেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।


২৭তম বিসিএসে নিয়োগবঞ্চিতদের চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ আপিল বিভাগের --- ১৭ বছর পর চাকরি ফেরত পাচ্ছেন এক হাজার একশো ৩৭ জন।


২০১৪, ১৮ ও ২৪ সালের বিতর্কিত জাতীয় নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী ২২ জেলা প্রশাসককে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার।


গাজা যুদ্ধবিরতি চুক্তির অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো চার ইসরাইলি জিম্মির লাশ হস্তান্তর করলো হামাস।


এবং দুবাইয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ক্রিকেট টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ২২৯ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করছে ভারত।


বই পড়ে যেভাবে অর্থ উপার্জন করতে পারেন!

 বই পড়ে যেভাবে অর্থ উপার্জন করতে পারেন!

বই কিনে কেউ দেউলিয়া হয় না। কারণ, বই পড়ে আপনি যে জ্ঞান অর্জন করবেন, তা আপনাকে জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে আরও সমৃদ্ধ করবে। এসব কথা সবারই জানা। তবে আরও খুশির খবর হচ্ছে, বর্তমান ডিজিটাল পৃথিবীতে বই পড়ে শুধু জ্ঞান অর্জনই নয়, অর্থ উপার্জনও সম্ভব। বই পড়া অনেকেরই প্রিয় নেশা। এই নেশাই যদি কারোর পেশা হয়ে যায়, তাহলে কী চমৎকার হবে ব্যাপারটা, তাই না? জেনে নেওয়া যাক বই পড়ে অর্থ উপার্জনের কয়েকটি উপায়।

১. বই-বিষয়ক ভিডিও কন্টেন্ট তৈরি:


ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম কিংবা টিকটক— যে মাধ্যমেই আপনি ভিডিও কন্টেন্ট তৈরি করতে চান না কেন, আপনাকে এক বা একাধিক ‘নিশ’, অর্থাৎ বিষয়বস্তু নির্বাচন করতে হবে। কন্টেন্ট নির্মাতা হিসেবে কাজ করতে গিয়ে শুরুতে অনেকে ভেবেই পান না, কী নিশ নির্বাচন করা যায়। আপনি বই পড়তে ভালোবাসেন? তাহলে আপনার ঝামেলা এখানে অর্ধেকই কমে গেল। নিশ হিসেবে আপনি বইপত্রকেই বেছে নিতে পারেন অনায়াসে। নিজের সংগ্রহে থাকা প্রিয় বইগুলো নিয়েই শুরু করুন ভিডিও তৈরি। নির্দিষ্ট কোনো একটি বই সম্পর্কে তথ্য দিন। যেমন বইটি কার লেখা, কবে, কোন প্রকাশনী থেকে বেরিয়েছে, দাম কত ইত্যাদি। এরপর বইটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে আলোচনা করুন, বইটি সম্পর্কে আপনার ভালো লাগা, মন্দ লাগা নিয়ে কথা বলুন। এভাবেই বিভিন্ন বই নিয়ে আপনি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের উপযোগী ছোট-বড় কন্টেন্ট তৈরি করতে পারেন। শুধু যে ভিডিও মনিটাইজ করার মাধ্যমেই ভিডিও থেকে অর্থ উপার্জন করা যায়, তা নয়। পেইড প্রোমোশন, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের মাধ্যমেও ভিডিও থেকে অর্থ উপার্জন সম্ভব।


২. অ্যাফিলিয়েট লিংক শেয়ার করা:


অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের প্রচলিত পদ্ধতিগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে অ্যাফিলিয়েট লিংক শেয়ার করা। অ্যাফিলিয়েট লিংক শেয়ার করে আয় করার পদ্ধতিটি এ রকম—ধরুন, অনলাইনে কোনো একটি ওয়েবসাইটে একটি পণ্য বিক্রি হচ্ছে। আপনি সেই পণ্য নিয়ে ফেসবুকে কিছু লিখলেন এবং সেই পণ্যের একটি অ্যাফিলিয়েট লিংক জেনারেট করে আপনার লেখাটির নিচেই পেস্ট করে লেখাটি পোস্ট করলেন। আপনার পোস্ট করা লিংকে ক্লিক করে যতবার কেউ পণ্যটি কিনবে, ততবার আপনি কমিশন পাবেন। বর্তমানে দেশে-বিদেশে বই বিক্রির বিভিন্ন ওয়েবসাইটের অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম আছে। এসব ওয়েবসাইটে অ্যাফিলিয়েট অ্যাকাউন্ট খুলে আপনিও লিংক জেনারেট করা শুরু করতে পারেন। ফেসবুক তো ব্যবহার করা হয়ই। অ্যাফিলিয়েট লিংকগুলো আপনার ফেসবুকে পোস্ট করুন। বইগুলো সম্পর্কে গুছিয়ে লিখুন, যাতে বইটি কিনতে আপনার ফেসবুক ফ্রেন্ড-ফলোয়াররা আগ্রহী হন। শুধু ফেসবুক নয়, এক্স, ইনস্টাগ্রাম, টিকটক, ইউটিউব—সব প্ল্যাটফর্মের কন্টেন্টের সঙ্গেই অ্যাফিলিয়েট লিংক পোস্ট করা সম্ভব।


৩. ব্লগ লেখা: 


ওয়ার্ডপ্রেস বা উইবলি ব্যবহার করে আপনি বিনা মূল্যেই আপনার ব্লগ সাইট তৈরি করতে পারেন এবং বই–বিষয়ক ব্লগ প্রকাশ করতে পারেন। বইয়ের অ্যাফিলিয়েট লিংক শেয়ার করে অর্থ আয়ের একটি ভালো মাধ্যম ব্লগ সাইটগুলো। যেসব বই সম্পর্কে লিখবেন, সেসবের অ্যাফিলিয়েট লিংকগুলোও ব্লগের নিচে পেস্ট করে দেবেন। এ ছাড়া ব্লগের পাঠকসংখ্যা বাড়লে সাইটে বিজ্ঞাপন প্রচারের মাধ্যমেও আয় করা সম্ভব। তবে সেটি ফ্রি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সম্ভব হবে না।


৪. পেইড রিভিউ লেখা:


আজকাল দেশ-বিদেশের লেখকেরা রিভিউ লেখার জন্য লেখক খোঁজেন। লেখকেরা ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মগুলোতে অহরহ বুক রিভিউয়ার চেয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। এ ছাড়া বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থাও তাদের প্রকাশিত বইয়ের রিভিউ লেখানোর জন্য রিভিউয়ার নিয়োগ দেয়। কাজেই আপনার যদি পড়ার অভ্যাস থাকে এবং লেখার হাতও ভালো হয়, তাহলে বুক রিভিউয়ার হিসেবে আপনি কাজ করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।


৫. প্রচ্ছদ ও অলংকরণ:


এ কাজ করতে হলে শুধু পড়ার অভ্যাস থাকলেই চলবে না, আপনার বই নকশার দক্ষতাও থাকতে হবে। বইয়ের প্রচ্ছদ আঁকতে বা ডিজাইন করতে হলে বইটি অবশ্যই ভালোভাবে আগে পড়া প্রয়োজন। আর অলংকরণের কাজ করতে হলে তো বইয়ের বিষয়বস্তুর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রতিটি পাতার জন্যই আলাদাভাবে ছবি আঁকতে হয়, অর্থাৎ এই পেশায় আসতে হলে ভালো আঁকতেও হবে, পড়তেও ভালোবাসতে হবে। তাই আপনার আঁকাআঁকিতে দক্ষতা থাকলে এবং বই পড়ার অভ্যাস থাকলে প্রচ্ছদ ও অলংকরণ শিল্পী হিসেবে কাজ করতে পারেন।


৬. পডকাস্ট:


শুধু ভিডিও নয়, পডকাস্টে বিভিন্ন বই সম্পর্কে আলোচনা করে আপনি অর্থ উপার্জন করতে পারেন।


৭. অডিও বুক তৈরি:


আজকাল অডিও বুকেরও বেশ চাহিদা আছে। লেখকেরা অডিও বুক বিক্রি করেও অর্থ উপার্জন করেন। লেখকদের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে অডিও বুক তৈরি করে আপনি অর্থ উপার্জন করতে পারেন। এ কাজের জন্য অবশ্যই আপনার একটি ভালো মানের সাউন্ড সিস্টেম প্রয়োজন হবে। আপনাকে মাইক্রোফোনের সামনে সুন্দরভাবে বইগুলো পাঠ করতে করতে রেকর্ড করতে হবে। পড়তে গেলে ভুলভাল হতেই পারে। তাই অডিও বুক তৈরি করতে হলে অডিও এডিটিংয়েও আপনার দক্ষতা থাকা প্রয়োজন।


৮. বই অনুবাদ করা


আপনি যদি একাধিক ভাষায় পারদর্শী হন, তাহলে বই অনুবাদ করে বিক্রি করেও আয় করতে পারেন। আপনাকে যে শুধু কোনো প্রকাশনী থেকেই বই বের করতে হবে, তা নয়। আজকাল অ্যামাজন কেডিপির মতো প্ল্যাটফর্মে লেখকেরা স্বাধীনভাবে, নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ই–বুক প্রকাশ করেন এবং বই বিক্রি বাবদ অর্থ আয় করেন।


৯. প্রুফ রিডিং:


পড়ার অভ্যাস ও ভাষাগত দক্ষতা—দুটিই যদি আপনার থাকে, তাহলে প্রুফ রিডার হিসেবে কাজ করতে পারেন। প্রুফ রিডিং, অর্থাৎ পাণ্ডুলিপির ভুলত্রুটি সংশোধন করা হতে পারে আপনার ফুলটাইম পেশা কিংবা বাড়তি আয়ের একটি মাধ্যম। প্রুফ রিডার হিসেবে আপনি বিভিন্ন প্রকাশনা সংস্থায় চাকরি পেতে পারেন, ফ্রিল্যান্সার হিসেবেও কাজ করতে পারেন। আপওয়ার্ক, ফাইভারের মতো ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মগুলোতে প্রুফ রিডারদের চাহিদা আছে। প্রুফ রিডিং শেখা খুব একটা কঠিন নয়, তবে এ ক্ষেত্রে আপনার ভাষাগত দক্ষতা খুবই জরুরি। শুদ্ধ বানান, বিরাম চিহ্নসহ ব্যাকরণগত দিকগুলো সম্পর্কে ভালো জ্ঞান থাকা প্রয়োজন।

____________ 

সূত্র: মিডিয়াম ডটকম

বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫

 খাসি ছাগলের খাদ্য তালিকা তৈরি ও ব্যবস্থাপ

 খাসি ছাগলের খাদ্য তালিকা তৈরি ও ব্যবস্থাপনা

♦️-------------------------------------------------------,,♦️

খাসি ছাগলের খাদ্য তালিকা তৈরি ও ব্যবস্থাপণার শুরুতেই বলে নেওয়া প্রয়োজন যে, এর খাবার ব্যবস্থাপনা কম বেশি নির্ভর করবে তার বর্তমান স্বাস্থ্যের উপর, আশেপাশে যেসকল খাদ্য উপকরন পাওয়া যায় তার উপর ভিত্তি করে এবং খাসির জাতের উপর। খাসি ছাগলের খাদ্য তালিকা তৈরি ও ব্যবস্থাপণা সম্পর্কে এই লেখাটি কোন থিওরিটিক্যাল লেখা নই। প্রয়োগ করে সুফল পেয়েছি তার উপর ভিত্তি করে লিখছি।

প্রথমেই বাচ্চা জন্মানোর পর থেকে খাসি বিক্রয় করা পর্যন্ত কোন কোন বয়সে কতটুকু খাবার প্রয়োজন তার একটা ধারণা দেওয়া প্রয়োজন। তারপর জানাব দানাদার খাদ্য তৈরির ফরমুলা।


খাসি ছাগলের বাচ্চার খাদ্য ব্যবস্থাপণা


খাসি জন্মলাভের পর থেকে পরববর্তী তিন মাস পর্যন্ত খাদ্য ব্যবস্থাপনা সঠিক ও গুরুত্বের সাথে করা উচিত। কেননা এই সময় থেকেই খাসি কে সঠিক খাদ্যাভাসে আনতে হবে।


১ থেকে ৩ দিন মায়ের শাল দুধ দিতে হবে পরিমান ৩৫০ মিলি দিনে ৩ বার


৪ দিন থেকে ১৪ দিন মায়ের দুধ অথবা মিল্ক রিপ্লেসার ৩৫০মিলি দিনে ৩ বার


১৫ থেকে ৩০ দিন সমপরিমান দুধের সাথে ক্রিপ ফিড এবং গাছের পাতা ( কাটার একদিন পর যাতে একটু শুকনা হয় ) সামান্য পরিমান


৩১ দিন থেকে ৬০ দিন ৪০০ মিলি দুধ ২ বার সাথে ১০০ থেকে ১৫০ গ্রাম ক্রিপ ফিড সাথে পর্যাপ্ত একদিনের শুকনা ঘাস ৫০% ও পাতা ৫০%


৬১ থেকে ৯০ দিন ২০০ মিলি দুধ ২ বার সাথে ২০০ থেকে ৩৫০ গ্রাম ক্রিপ ফিড সাথে পর্যাপ্ত একদিনের শুকনা ঘাস ৫০% ও পাতা ৫০%


বাচ্চা ছাগলের ক্রিপ ফিড তৈরির ফরমুলেশন


ভুট্টা ভাঙা -৩০%


গমের ভুষি -২০%


সয়াবিন খৈল -৪০%


চিটাগুড় -৪%


লবন -১%


চুনাপাথর -৩%


চিলেটেড মিনারেল মিক্স -২%


খাসি ছাগলের খাদ্য তালিকা


খাসি ছাগলের খাদ্য তালিকা তৈরি করে সে অনুযায়ী খাদ্য তৈরি করতে হবে। এরপর ৯০ দিনের পর থেকে প্রতিদিন ৩০০ থেকে ৫০০ গ্রাম দানাদার (নির্ভর করে সাইজও জাতের উপর)। সাথে ঘাস ৫০% এবং লিগুম বা পাতা ৫০% পর্যাপ্ত পরিমান ( ঘাস ও লিগুম এ প্রচুর ক্যালসিয়াম আছে যা ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস অনুপাত ঠিক রাখবে )


খাসি ছাগলের খাদ্য তৈরির ফরমুলেশন


ভুট্টা ভাঙা ৪৭%


সয়াবিন খৈল ৩০%


চিটা গুড় ৭%


গমের ভুষি ১০%


লবন ১%


চুনাপাথর ৩%


চিলেটেড মিনারেল মিক্স ২%


এটি একটি নমুনা মাত্র। আপনারা চাইলে এভাবে নানান ধরনের খাদ্য উপাদান মিশিয়েও দানাদার খাদ্য তৈরি করতে পারেন। তবে খাবারের গুণগত মানের দিকে সতর্ক দৃষ্টি দিতে হবে।gp&k 


খাসি ছাগলের খাদ্য ও পুষ্টিগুণ


খাসি ছাগলের খাদ্য তৈরি তে নিম্নোক্ত পুষ্টিগুণ যাতে বজায় থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে


প্রোটিন- ১৬-১৮%


ফ্যাট- ৪-৫%


ফাইবার- ৫%


মেটাবলিক এনারর্জি- ২৮০০-৩০০০ কিলো-ক্যালোরি/কেজি ।

সন্তান খুব অবাধ্য, কথা শুনতে চায় না? এই ৫ উপায় কাজে লাগিয়ে দেখুন তো 

 সন্তান খুব অবাধ্য, কথা শুনতে চায় না? এই ৫ উপায় কাজে লাগিয়ে দেখুন তো 

---------------------------------

বাচ্চাকে বড় করে তোলা সহজ কাজ নয়। বাবা-মাকে প্রতি মুহূর্ত নতুন-নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়। সন্তানকে মানুষ করে তুলতে গিয়ে কোনও ভুল যেন না হয়—এই চিন্তাই সারাক্ষণ চলতে থাকে মাথার ভিতর। তার মধ্যে বাচ্চা যদি অবাধ্য হয়, কোনও কথা শুনতে না চায়, তখন কী করবেন? অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায়, বাচ্চা খুব জেদি। কারও কথা কানে নেয় না। এই কারণে মারধর করে ফেলেন সন্তানকে। সেটা কিন্তু ঠিক নয়। সন্তানকে শা*সন করা দরকার। কিন্তু সেই শা*সন যেন সমস্যা বাড়িয়ে না তোলে, সে দিকে খেয়াল রাখাও উচিত। সন্তান যদি খুব অবাধ্য হয়, সেক্ষেত্রে কী করবেন? 


১) বাচ্চা দুষ্টুমি করলেই চিৎকার-চেঁচামিচি করবেন না। তাকে চেঁচিয়ে নির্দেশ দেওয়ার বদলে শান্ত ভাবে কথা বলুন। শাসন মানেই চেঁচামিচি বা ভয় দেখানো নয়। এতে তারা আরও বেশি অবাধ্য হয়ে যায়। 


২) বাচ্চা মানেই সে ছটফট করবে, চঞ্চল হবে। তার মনোযোগ বাড়ানোর কাজটা আপনাকে করতে হবে। ছোট ছোট খেলা, বিশেষত মাইন্ড গেমের মাধ্যমে আপনাকে সন্তানের মনোযোগ বাড়াতে হবে। এতে বাচ্চার মধ্যে ধৈর্যও বাড়বে।


৩) বাচ্চা যে কাজই করতে চাইবে, তাতে সব সময় ‘না’ বলবে না। বাচ্চাকে স্বাধীনতা দিন। নিজের পছন্দের খেলা খেলার জন্য, বই পড়ার জন্য স্বাধীনতা দিন। বাচ্চার সিদ্ধান্তকেও প্রাধান্য দিন। দেখবেন, এতে বাচ্চার একগুঁয়েমি স্বভাব কমে যাবে। 


৪) মারধর করার বদলে বাচ্চাকে শান্ত ভাবে বোঝান। সে কী ভুল করছে তা বোঝান। তার ভুলের জন্য কী কী হতে পারে বা আগামী দিনে এমন ঘটনা ঘটালে তার কী ক্ষতি হবে সেটা বাচ্চাকে বোঝাতে হবে। সে যদি একবার বুঝে যায়, তা হলে দ্বিতীয় বার সেই ভুল আর করবে না। 


৫) আজকাল বেশিরভাগ বাচ্চার জীবনে ঢুকে পড়েছে মোবাইল, ল্যাপটপ। এই ‘স্ক্রিন টাইম’ কিন্তু বাচ্চার জন্য ক্ষতিকর। চেষ্টা করুন যতটা সম্ভব মোবাইল থেকে বাচ্চাকে দূরে রাখতে। এতে সন্তানের একাগ্রতা ও মনোযোগ বাড়বে।

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ ২০-০২-২০২৫ খ্রি:। 

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ ২০-০২-২০২৫ খ্রি:। 


আজকের শিরোনাম:


আজ ১৮ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এ বছরের ‘একুশে পদক’ হস্তান্তর করবেন প্রধান উপদেষ্টা।


তরুণদের আকাঙ্ক্ষাকে যারা ধারণ করবে, তারাই পাবে সফলতা - মন্তব্য তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টার।


আওয়ামী লীগকে শুধু নিষিদ্ধ নয়, আদর্শিক ও রাজনৈতিকভাবে নির্মূল করতে হবে - বললেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা।


বাংলাদেশি শ্রমিকদের ভিসা আবেদন দ্রুত প্রক্রিয়াকরণের আশ্বাস দিল ইতালি।


বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও অপর সাত অভিযুক্ত নাইকো দুর্নীতি মামলা থেকে খালাস।


ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে একনায়ক বললেন ডোনাল্ড ট্রাম্প  - ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু করার জন্য রাশিয়াকে দায়ী করলো জার্মানি।


দুবাইয়ে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে আজ ভারতের মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ১৯-০২-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ১৯-০২-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


আগামীকাল ১৮ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এ বছরের ‘একুশে পদক’ হস্তান্তর করবেন প্রধান উপদেষ্টা।


জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তরুণরা যে শক্তি অর্জন করেছে তা আগামী দিনের রাজনীতিসহ অনেক ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলবে --- বললেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা।


আওয়ামী লীগকে শুধু নিষিদ্ধ নয়, আদর্শিক ও রাজনৈতিকভাবে নির্মূল করতে হবে --- বললেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা।  


বাংলাদেশি শ্রমিকদের ভিসা আবেদন দ্রুত প্রক্রিয়াকরণের আশ্বাস দিল ইতালি।।


বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও অপর সাত অভিযুক্ত নাইকো দুর্নীতি মামলা থেকে খালাস --- এই মামলা ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত, আদালতের পর্যবেক্ষণ।


২০১৮ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী ৩৩ কর্মকর্তা ওএসডি।


রাশিয়া নয়, যুদ্ধের জন্য ইউক্রেনই দায়ী --- বললেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।  


এবং করাচিতে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির উদ্বোধনী ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৩২১ রানের জয়ের লক্ষ্যে ব্যাট করছে স্বাগতিক পাকিস্তান।

কেন প্লাস্টিকের বোতলে পানি পান করবেন না,,,,,,

 কেন প্লাস্টিকের বোতলে পানি পান করবেন না?


১) প্লাস্টিক বোতলে BPA ও ফথালেট থাকে, যা শরীরের হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে এবং হরমোনজনিত রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।


২) দীর্ঘদিন প্লাস্টিক বোতলে রাখা পানি পান করলে ক্যান্সারের সম্ভাবনা বেড়ে যায়, বিশেষ করে স্তন ও প্রোস্টেট ক্যান্সারের।


৩) প্লাস্টিকের রাসায়নিক উপাদান শিশুদের ব্রেইন ডেভেলপমেন্ট ও গর্ভের শিশুর জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।


৪) প্লাস্টিক বোতল নিষ্পত্তি হতে শত শত বছর লাগে, যা জলবায়ু ও প্রকৃতির জন্য হুমকি।


৫) রোদের তাপে প্লাস্টিক গলে পানি দূষিত হয় এবং ক্যান্সার উৎপাদক রাসায়নিক ছাড়ে।


৬) প্লাস্টিক থেকে নির্গত ন্যানোপ্লাস্টিক দেহে প্রবেশ করে অন্ত্রের সমস্যা, গ্যাস্ট্রিক ও হজমের গোলযোগ সৃষ্টি করতে পারে।


তাহলে, বিকল্প হিসেবে কি করবেন? 


উত্তর হলো- গ্লাস বা স্টেইনলেস স্টিলের বোতল ব্যবহার করুন এবং বিশুদ্ধ পানি পান করুন। এছাড়া, প্লাস্টিকের বোতলের মধ্যে অনেক কোয়ালিটি আছে। বোতলের ফুড গ্রেড ঠিক আছে কি না, সেটা না জেনে এক বোতল বার বার ব্যবহার করতে থাকা উচিত না। কিভাবে বুঝবেন, প্লাস্টিকের বোতলটি স্বাস্থ্যসম্মত কি না, সেই নিয়েও লিখবো আরেকদিন ইন শা আল্লাহ।

নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...