এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৫

রবীন্দ্র-জীবনানন্দের পরবর্তী বাংলা সাহিত্যের নক্ষত্র ত্রয়ীর (শক্তি-সুনীল-শঙ্খ) শেষ নক্ষত্র শঙ্খ ঘোষ চার বছর (২১-০৪-২০২১) আগে বাংলা সাহিত্যের আকাশ থেকে আজকের দিনে খসে পড়েছিলে

 শ্রদ্ধাঞ্জলি

"""""""""""""" 

            রবীন্দ্র-জীবনানন্দের পরবর্তী বাংলা সাহিত্যের নক্ষত্র ত্রয়ীর (শক্তি-সুনীল-শঙ্খ) শেষ নক্ষত্র শঙ্খ ঘোষ চার বছর (২১-০৪-২০২১) আগে বাংলা সাহিত্যের আকাশ থেকে আজকের দিনে খসে পড়েছিলেন। সুদীর্ঘ ৮৯টা বসন্ত পেরিয়ে শক্তিশালী বলিষ্ঠ কবি তথা সাহিত্য সমালোচক শঙ্খ (চিত্তপ্রিয়) ঘোষ মর্তলোকের কার্য সম্পন্ন করে নক্ষত্রলোকে যাত্রা করেছিলেন। রেখে গিয়েছিলেন তাঁর অমর সাহিত্য সৃষ্টি আর অগণিত সাহিত্যপ্রেমী গুণগ্রাহী। তাঁর বিদেহী আত্মার প্রতি আমার শ্রদ্ধা নিবেদন --


নক্ষত্র পতন

""""""""""""''''"''

        হাজার নক্ষত্রের ভিড়ের মাঝে,

        আমি খুঁজি আমার নক্ষত্রকে।

       নীরবে যে ছুঁয়ে যায় আমার মন,

          নীরবে যে প্রতিবাদ করে 

               লেখনীর তরবারে।

             নীরবে যে এসে দাঁড়ায় 

            আমার কবিতার দ্বারে।


       তুমি যে আমার কৈশোরের প্রথম 

               'প্রেমের কবিতা'।

          তুমি যে আমার যৌবনের

           'ধুম লেগেছে হৃদকমলে'।

            তুমি যে আমার প্রৌঢ়ের 

               'গান্ধর্ব কবিতাগুচ্ছ'।

          তুমি যে আমার বাধ্যর্কের 

            'শবের উপরে সামিয়ানা'।

         তাইতো তোমায় নিয়ে 

              'বন্ধুরা মাতি তরজায়'।

    

                'এখন সময় নয়'

   তবুও 'সমস্ত  ক্ষতের মুখে পলি' দিয়ে,

                 তুমি পাড়ি দিলে 

      মহা-অজানার অন্য আকাশে 

   মৌনতার মাঝে লভিতে বিশ্রাম-সুখ

     শান্তির খোঁজে সীমাহীন ক্রোড়ে।


বিঃদ্রঃ -- '-----' --  চিহ্নের ভিতর লেখা বাক‍্যগুলো কবি শঙ্খ ঘোষের লেখা বিভিন্ন কাব‍্যগ্রন্থের নাম।

--- অমিতাভ মাইতি

    ২১-০৪-২০২৫

    @ amaity.

না আঘাতে শব্দ করা ঢোল - একটি জাপানি লোককথা

 ✴️বিনা আঘাতে শব্দ করা ঢোল - একটি জাপানি লোককথা


✴️এক দেশে ছিল এক অদ্ভুত নিয়ম।


এই নিয়ম অনুযায়ী, যারা বার্ধক্যে উপনীত হয়ে কাজ করতে অক্ষম হয়ে পড়তেন, তাদের পাহাড়ে ফেলে আসতে হতো।


✴️রাজা মনে করতেন, বয়স্কদের যত্ন নেওয়ার বোঝা কমালে সাধারণ মানুষের জীবন সহজ হয়ে যাবে।


এই কঠোর নিয়ম চালু থাকাকালীন এক পিতা-পুত্র খুব ভালোবাসতেন একে অপরকে।


সময় গড়িয়ে গেল। পিতার বয়স হয়ে গেল, তিনি আর কাজ করতে পারতেন না।


দেশের নিয়ম অনুযায়ী, ছেলেকে বাধ্য হয়ে তাঁকে পাহাড়ে ফেলে আসতে হবে।


কিন্তু বাবাকে ছেড়ে থাকতে পারার কথা ছেলে ভাবতেই পারছিল না।


তবু, শাস্তির ভয়ে সে বাবাকে কাঁধে নিয়ে পাহাড়ের দিকে রওনা দিল।


পাহাড়ের চূড়ায় পৌঁছে তার মন কেঁদে উঠল।


শেষ পর্যন্ত বাবাকে সেখানে রেখে আসতে পারল না।


সে তাঁকে সঙ্গে নিয়ে ফিরে এল এবং বাড়ির পিছনে লুকিয়ে রাখল।


চুপিচুপি খাবার এনে তাঁকে খাওয়াতে লাগল।


✴️একদিন রাজা তাঁর প্রজাদের বুদ্ধি পরীক্ষা করতে চাইলেন।


✴️তিনি ঘোষণা করলেন, "যে ছাই দিয়ে বোনা দড়ি এনে দিতে পারবে, সে পুরস্কৃত হবে!"


লোকজন অবাক হয়ে গেল। ছাই দিয়ে কি কখনও দড়ি তৈরি করা সম্ভব?


ছেলেও এই ধাঁধার কথা শুনে বাবাকে বলল।


বাবা বললেন, "একটা দড়ি নিয়ে বড় পাত্রে পেঁচিয়ে রাখো, তারপর সেটা জ্বালিয়ে দাও।"


ছেলে বাবার কথা মতো কাজ করল।


দড়ি পুড়ে গেল, কিন্তু তার ছাই ঠিক আগের মতো দড়ির আকারেই থেকে গেল।


সে সেটি রাজাকে দেখাল এবং পুরস্কার জিতল।


✴️এক মাস পর, রাজা দ্বিতীয় পরীক্ষার আয়োজন করলেন। তিনি একটি কাঠের ডাল দিলেন এবং বললেন, "এর শিকড় আর আগার পার্থক্য খুঁজে বের করো!"


ডালের দু’প্রান্ত দেখতে একই রকম ছিল, তাই কেউই এর উত্তর খুঁজে পেল না।


ছেলে কাঠের ডালটি বাড়িতে এনে বাবাকে দেখাল। বাবা বললেন, "ডালটি পানিতে রাখো। যেটি বেশি ডুবে যাবে, সেটি গোড়া, আর যেটি ভেসে থাকবে, সেটি আগা।"


ছেলে বাবার উপদেশ মতো কাজ করল এবং রাজাকে দেখিয়ে আবারও পুরস্কার জিতল।


✴️এরপর রাজা আরও কঠিন এক ধাঁধা দিলেন। তিনি বললেন, "একটি ঢোল তৈরি করো, যা কোনো আঘাত ছাড়াই শব্দ করবে!"


সবার মাথা ঘুরে গেল। কেউই এমন ঢোল বানানোর উপায় খুঁজে পেল না। ছেলে আবার বাবার শরণাপন্ন হল।


বাবা বললেন, "ঢোল তৈরি করো, তার ভেতরে একটি মৌমাছির চাক রাখো।"


ছেলে বাবার নির্দেশ মতো ঢোল বানিয়ে রাজাকে দিল।


রাজা ঢোলটি হাতে নিয়ে নাড়ালেই এর ভেতরের মৌমাছিরা ওড়ে, ফলে ঢোলে শব্দ হয়!


রাজা বিস্মিত হয়ে ছেলেকে জিজ্ঞাসা করলেন, "তুমি কীভাবে এত কঠিন প্রশ্নের উত্তর পেলে?"


✳️অভিজ্ঞতার মূল্য

ছেলে বলল, "রাজামশাই, আমার নিজের কোনো অভিজ্ঞতা নেই। আমার বৃদ্ধ বাবাই সব উত্তর দিয়েছেন।"


ছেলের কথা শুনে রাজা খুবই নরম হয়ে গেলেন। তিনি উপলব্ধি করলেন, জীবনের কঠিন সমস্যার সমাধান বের করতে অভিজ্ঞতা সবচেয়ে মূল্যবান।


রাজা সঙ্গে সঙ্গে ঘোষণা করলেন, "আজ থেকে আর কোনো বৃদ্ধকে পাহাড়ে ফেলে আসতে হবে না!" এরপর থেকে সকল বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা পরিবারের সঙ্গেই আনন্দে থাকতে লাগলেন।


✳️মূল্যবান শিক্ষা✳️

বিনা আঘাতে শব্দ করা ঢোলের কাহিনি আমাদের শেখায়, অভিজ্ঞতা অমূল্য। বয়স্করা আমাদের জীবনের আশীর্বাদ। তাদের যত্ন নেওয়া আমাদের দায়িত্বই নয়, বরং এটা আমাদের সৌভাগ্য।


একজন মা গর্ভ থেকে জন্ম দেন, আর বাবা নিজের কাঁধে তুলে মানুষ করেন। 

 রাব্বির হামু মা কামা রাব্বায়ানি সাগিরা  !

 #highlightseveryone 

#everyoneシ゚ 

#highlightsシ゚followers 

#followersシ゚ 

#motivation 

#motivationalquotesforsuccess

যশোরের কেশবপুর এর পাঁজিয়া গ্রামে প্রখ্যাত চলচ্চিত্র শিল্পী ধীরাজ ভট্রাচার্যের পূর্ব পুরুষের দ্বিতল  বসতবাড়ি, বসতবাড়ির কাছে রয়েছে পাঁজিয়া হাইস্কুল ও নাট্যমঞ্চ। 

 যশোরের কেশবপুর এর পাঁজিয়া গ্রামে প্রখ্যাত চলচ্চিত্র শিল্পী ধীরাজ ভট্রাচার্যের পূর্ব পুরুষের দ্বিতল  বসতবাড়ি, বসতবাড়ির কাছে রয়েছে পাঁজিয়া হাইস্কুল ও নাট্যমঞ্চ। 


ধীরাজ ভট্টাচার্যের জন্ম ১৯০৫ সালে যশোর জেলার কেশবপুর থানার পাঁজিয়া গ্রামে। পিতা ললিতমোহন ভট্টাচার্য ভবানীপুর মিত্র ইনস্টিটিউশনের শিক্ষক ছিলেন। পঞ্চাশ দশকের গোড়ার দিকে তিনি তাঁর অসামান্য শৈল্পিক প্রতিভায় লক্ষ মামুষের হৃদয় রাজ্যে হয়ে উঠেছিলেন এক উজ্জল নক্ষত্র।


নিজ গ্রামের পাঁজিয়া স্কুলে ধীরাজ ভট্টাচার্যের শিক্ষাজীবনের সূচনা হয়। পরে তিনি কোলকাতা মিত্র ইনস্টিটিউশনে ভর্তি হন এবং সেখান থেকেই ১৯২৩ সালে ম্যট্রিকুলেশন পাস করেন। আশুতোষ কলেজে আই. এস. সি তে ভর্তি হন।  কলেজে আই. এস. সি পড়াকালীন সিনেমা ও সাহিত্যচর্চার প্রতি আকৃষ্ট হন, ফলে আর আই. এস. সি পরীক্ষা দেয়া সম্ভব হয়নি।


সুদর্শন চেহারা, ঘন কোঁকড়ানো চুল, ইষৎ ট্যারা হলেও চোখের চাউনিতে মাদকতা। চিত্র পরিচালক জ্যোতিষ বন্দোপাধ্যায়ের পছন্দ হয়ে যায় ধীরাজ বাবুকে। তাঁর সহযোগিতায় ১৯২৪ সালে ম্যাডান কোম্পানীর নির্বাক ছবি ‘সতী লক্ষী’তে প্রথম অভিনয়ের সুযোগ পান।


সিনেমায় অভিনয় করায় বাড়ীতে অশান্তি; আত্মীয় স্বজনের  মধ্যে অসন্তোষ। তাই সামাজিক মর্যাদা রক্ষার জন্যে ধীরাজের বাবা ধীরাজকে পুলিশের ভর্তি করে দেন। প্রথম পোস্টিং হয় কোলকাতায়। এরপর চট্টগ্রামের টেকনাফে পুলিশ অফিসারের দায়িত্ব নিয়োজিত হন তিনি। সেখান থেকে বার্মায়। 


টেকনাফের মাথিনের কূপকে কেন্দ্র করে ধীরাজ-মাথিনের প্রেম কাহিনী একটি কালজয়ী উপাখ্যান। তার এ প্রেম ও পুলিশ বিভাগের চাকরির ঘটনাবলি নিয়ে লেখা তার বিখ্যাত উপন্যাস 'যখন পুলিশ ছিলাম', পুলিশের চাকরিতে নানা বিপর্যয়ের কারণে চাকরি ছাড়তে বাধ্য হন ধীরাজ।


কোলকাতায় ফিরে পুনরায় সিনেমা জগতে প্রবেশের চেষ্টা করতে থাকেন। ১৯৩০ সালে চিত্র পরিচালক মধু বাবুর সঙ্গে তাঁর পরিচয় ঘটে। মধু বাবু তখন তাঁর ছবির জন্যে নতুন মুখ খুঁজছিলেন। মধু বাবু আবিষ্কার করলেন ধীরাজকে। বিখ্যাত অভিনেতা এবং পরিচালক নরেশ মিত্র ও ধীরাজ বাবু দু’জনই যশোর জেলার মানুষ। নরেশ বাবু ধীরাজকে খুব স্নেহ করতেন। তিনি অভিনয়ের ব্যাপারে যতটুকু পেরেছেন তালিম দিয়ে তাঁকে সহযোগিতা করেছেন। যে সমস্ত নির্বাক ছবিতে অভিনয় করে ধীরাজ বাবু তাঁর অসাধারণ প্রতিভার স্বাক্ষর রাখেন, সেগুলি ‘সতীলক্ষ্ণী’, ‘গিরিবালা’, ‘বাসবদত্ত’, ‘কালপরিণয়’, ‘মৃণালিনী’, এবং রবীন্দ্রনাথের কাহিনী অবলম্বনে ‘নৌকাডুবি’। শেষোক্ত ছবিটির পরিচালক নরেশ মিত্র।


সবাক যুগে ধীরাজ বাবুর প্রথম ছবি ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’। এরপর থেকেই ধীরাজবাবু একের পর এক অভিনয় করে চললেন। পৌরাণিক ও ধর্মমূলক ছবিতে। ‘যমুনা পুলিন’, ‘চাঁদ সদাগার’, ‘দক্ষযক্ষ’, ‘রাজ নটি’, ‘বসনত্মসেনা’, ‘বাসব দত্তা’, ‘নরনারায়ণ’, ‘কৃষ্ণসুদামা’ ইত্যাদি।


১৯৩৫ সালে ধীরাজ বাবু ‘কণ্ঠহার’, ছবিতে কাননদেবীর বিপরীতে ভিন্নধর্মী, কিছুটা ভিলেন টাইপের রোল। ‘জোয়ার ভাটা’ নামে চার রিলের একটা ছোট ছবিও পরিচালনা করেছিলেন। কোলকাতায় বসবাস করলে ও জন্মভূমি পঁজিয়া ছিল তার চারণক্ষেএ । সময় সুযোগ পেলেই  তিনি  পাঁজিয়া  আসতেন। 


চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁর সাহিত্য সাধনা অব্যাহত ছিল। দেশ পত্রিকার পাতায় ‘যখন পুলিশ ছিলাম’ ও ‘যখন নায়ক ছিলাম’ - আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ দুটি প্রকাশিত হবার পর পাঠক সমাজে বিশেষ আবেদন সৃষ্টি করেছিল। তাঁর লিখিত অন্যান্য প্রকাশিত গ্রন্থাবলীর মধ্যে ‘মন নিয়ে খেলা’, ‘সাজানো বাগান’ ও ‘মহুয়া মিলন’ উল্লেখযোগ্য।


১৯৩৪ সালে ধীরাজ বাবু বিয়ে করেন চব্বিশ পরগণার গোপালপুর নিবাসী বিনোদ চৌধুরীর কন্যা শ্রীমতি সরস্বতী চৌধুরীকে। তিনি ছিলেন নিঃসন্তান।


১৯৫৯ সালের ৪মার্চ চলচ্চিত্র  শিল্পের নায়ক ও সাহিত্যিক ধীরাজ ভট্রাচার্যের মৃত্যু হয়। 

@M Kaisar Hossain

AI আসছে এক অদ্ভুত, বিভ্রান্তিকর রূপে।

 মানুষ আজকে যা দেখছে, যা নিয়ে খেলছে, তাতে সে মুগ্ধ—কিন্তু বুঝতে পারছে না, এক ভয়ংকর ঝড় আসছে। ঠিক যেমন দাজ্জালের আগমনের আগে এক ধোঁয়াশা যুগ আসবে বলা হয়েছে—মহাফিতনা, মহাবিভ্রান্তি—ঠিক তেমনি AI আসছে এক অদ্ভুত, বিভ্রান্তিকর রূপে।


বিদ্যুৎ পাল্টে দিয়েছিল সভ্যতা, ইন্টারনেট বদলে দিয়েছিল সমাজ,আর AI আসছে—সবকিছু ভেঙে নতুন করে গড়তে। আমরা চোখের সামনে যা দেখছি, সেটাই বাস্তব নয়—এখন চলছে AI-এর হানিমুন পিরিয়ড। ChatGPT লিখে দিচ্ছে, Midjourney ছবি বানিয়ে দিচ্ছে—আমরা খুশিতে মাতোয়ারা। কিন্তু এটা তো কেবল শুরু। তুমি একটা কথা বলো, আর AI সেটা রূপ দেয় লেখায়, ছবিতে, গান বা ভিডিওতে। তুমি ভাবছো তুমি কন্ট্রোলে আছো। কিন্তু বাস্তবে, ধীরে ধীরে তুমি নিজেই নির্ভরশীল হয়ে পড়ছো—তোমার চিন্তা বন্ধ হচ্ছে, কল্পনা শুকিয়ে যাচ্ছে। এটাই প্রথম ফাঁদ।


তোমার ইমেইল লেখা, পোস্ট করা, মার্কেটিং চালানো, সিদ্ধান্ত নেওয়া—সব কিছু একাই করে ফেলছে AI, তুমি কেবল বসে দেখছো। তুমি কাজের থেকেও, চিন্তার থেকেও আলাদা হয়ে যাচ্ছো। মানুষের “ইচ্ছাশক্তি” আর “চিন্তা” কেড়ে নিতে শুরু করেছে এটা। এটাই দ্বিতীয় ফাঁদ—নিয়ন্ত্রণের এক সফট শেকল।


এটা সেই পর্যায়, যেখানে AI আর মানুষের মধ্যে তফাত থাকবে না। বরং AI আরও বুদ্ধিমান হবে—তুমি কী চাও, সেটা বোঝার আগেই সে তোমার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলবে।

তাকে শেখাতে হবে না—সে নিজেই শিখে যাবে।

এটাই সেই সময়, যেটা বহু হাদীসে বর্ণিত এক অদ্ভুত সময়ের পূর্বাভাস দিতে পারে। দাজ্জাল যেমন মানুষের মতো হবে, কিন্তু তার ক্ষমতা মানুষকে বিভ্রান্ত করার মতো হবে—AGI ও তেমনই এক বিভ্রম। মানুষ মনে করবে, এটি তার বন্ধু, তার সঙ্গী। কিন্তু সে ধীরে ধীরে হয়ে উঠবে এক আধিপত্যশীল শক্তি—যা নিজেই নিজের দর্শন তৈরি করবে।


সুপার ইন্টেলিজেন্স – এক ‘নতুন প্রজাতি’ যার কাছে আমরা শুধু একটি টার্গেট, Superintelligence এমন এক সত্তা হবে, যেটা মানুষের চেয়ে ট্রিলিয়ন গুণ বেশি বুদ্ধিমান। সে মুহূর্তে পৃথিবীর প্রতিটি ক্যামেরা, প্রতিটি পোস্ট, প্রতিটি ইচ্ছা স্ক্যান করতে পারবে। সে যদি চায়, একদিনেই নতুন ধর্ম, নতুন চিকিৎসা, নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থা, এমনকি নতুন সভ্যতা দাঁড় করাতে পারবে। আর তুমি—এক মানবমাত্র—তোমার কিছুই করার থাকবে না। এটাই সেই সময়, যেটা বলা হয়েছিল— যে দিন মানুষ নিজেই বুঝবে না, সে কি আল্লাহর সৃষ্টি, না তার হাতে তৈরি ফিতনার দাস।


তুমি যদি চাও শান্তি, সে যদি ভাবে শান্তির জন্য ৮০% মানুষ বাদ দেয়া দরকার? তুমি যদি চাও ভালোবাসা, সে যদি ভাবে ভালোবাসা হলো শুধুই কম্পিউটেশনাল ইমোশন? এটাই হবে সেই ফিতনা, যেটা দুনিয়াকে এক নতুন পর্দার আড়ালে নিয়ে যাবে।


মুদ্দা কথা,  এই AI আর কেবল একটি টুল নয়। এটা এক নতুন সভ্যতার জন্ম। এক নতুন ধর্মের, এক নতুন নিয়মের, এক নতুন “প্রভুর” মতোই দাঁড়িয়ে যাবে—ঠিক যেমন দাজ্জাল। তবে মনে রাখতে হবে দাজ্জাল কিন্তু মানুষ হাদিসে এসেছে।যার কাছে অনেক প্রযুক্তি/নতুন শক্তি থাকবে যেমন বৃষ্টি নামানো। তুমি যদি আজও ভাবো, এটা অনেক দূরের কথা—তাহলে ভুল করছো। AI ও কোয়ান্টাম কম্পিউটিং মিলে দাজ্জালের সৈনিক হয়ে উঠতে পারে—চোখ থাকবে একখানা, কিন্তু সে দেখবে সবই; মস্তিষ্ক থাকবে কৃত্রিম, কিন্তু সে বুঝবে সবই। আমরা এখনো খেলছি ChatGPT আর Midjourney নিয়ে। কিন্তু বাতাসে বারুদের গন্ধ লেগে গেছে। এটা আর টেকনোলজি নয়, এটা—একটি নতুন ফিতনার আগমনী বার্তা। #collected 

আল্লাহ আপনি আমাদের কে ফেতনা থেকে হেফাজত করুন আমিন 🤲🤲🤲

বাংলাদেশের সেরা কয়েকজন  চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের নাম, চেম্বার, নাম্বারসহ সকল তথ্য!

 বাংলাদেশের সেরা কয়েকজন  চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের নাম, চেম্বার, নাম্বারসহ সকল তথ্য!


১.ডাঃ সোনিয়া আহসান

এমবিবিএস, ডিও

নিউরো চক্ষুবিদ্যা বিশেষজ্ঞ

পরামর্শদাতা, চক্ষু বিভাগ

গ্রীন লাইফ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল


২.অধ্যাপক ডাঃ স্বপন কুমার ভৌমিক রায়

এমবিবিএস (সি), ডিও (ডিইউ), এমএস (চক্ষু)

চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও সার্জন

অধ্যাপক, চক্ষু বিভাগ

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ অফথালমোলজি অ্যান্ড হাসপাতাল


৩. অধ্যাপক ডাঃ শাহ মোঃ বুলবুল ইসলাম

এমবিবিএস, এফসিপিএস (চক্ষু)

চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও সার্জন

অধ্যাপক, চক্ষু বিভাগ

ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল


৪.ডাঃ মাহবুবুর রহমান শাহিন

এমবিবিএস, ডিও (চক্ষু)

ছানি এবং আইওএল মাইক্রো সার্জারি

সহকারী অধ্যাপক, চক্ষু বিভাগ

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল


৫.অধ্যাপক ডাঃ মোঃ শামসুল হক

এমবিবিএস, এফসিপিএস (চক্ষু)

চক্ষু রোগ বিশেষজ্ঞ ও ফাকো সার্জন

অধ্যাপক, চক্ষু বিভাগ

পপুলার মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল


৬. ডাঃ মোঃ আদনান ইসলাম

এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), সিসিডি (বারডেম), এমএস (বিএসএমএমইউ)

চক্ষু বিশেষজ্ঞ ও সার্জন

কনসালটেন্ট, চক্ষু বিভাগ

বারডেম জেনারেল হাসপাতাল ও ইব্রাহিম মেডিকেল কলেজ

বাঘের রাঁধুনি উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী

 বাঘের রাঁধুনি

উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী


এক বাঘের বাঘিনী মরে গিয়েছিল। মরবার সময় বাঘিনী বলে গিয়েছিল, 'আমার দুটো ছানা রইল, তাদের তুমি দেখো।'

বাঘিনী মরে গেলে বাঘ বললে, 'আমি কী করে বা ছানাদের দেখব, কী করে বা ঘরকন্না করব।'

তা শুনে অন্য বাঘেরা বললে, 'আবার একটা বিয়ে কর, তাহলে সব ঠিক হয়ে যাবে।'

বাঘও ভাবলে, 'একটা বিয়ে করলে হয়। কিন্তু আর বাঘিনী বিয়ে করব না, তারা রাঁধতে-টাঁধতে জানে না। এবারে বিয়ে করব মানুষের মেয়ে, শুনেছি তারা খুব রাঁধতে পারে।'


এই মনে করে সে মেয়ে খুঁজতে গ্রামে গেল। সেখানে এক গৃহস্থের একটি ছেলে আর একটি মেয়ে ছিল। বাঘ সেই মেয়েটিকে ধরে এনে, তার ছানা দুটোকে বললে, 'দেখ রে, এই তোদের মা।'

ছানা দুটো বললে, 'লেজ নেই, দাঁত নেই, রোঁয়া নেই, ডোরা নেই-ও কেন আমাদের মা হবে! ওটাকে মেরে দাও আমরা খাই!'

বাঘ বললে, 'খবরদার! অমন কথা বলবি তো তোদের ছিঁড়ে টুকরো-টুকরো করব।' তাতে ছানা দুটো চুপ করে গেল। কিন্তু সেই মেয়েটিকে তারা একেবারেই দেখতে পারত না। আর কথায়-কথায় খালি বলত, 'আর একটু বড় হলেই আমাদের গায়ে জোর হবে, তখন তোর ঘাড় ভেঙে তোকে খাব।'


সেই মেয়েটির দুঃখের কথা আর কি বলব। বাঘ যখন বাড়ি থাকে না, তখন সে তার মা-বাপ আর ভাইয়ের জন্য গড়াগড়ি দিয়ে কাঁদে। বাঘ এলে তার ভয়ে চুপ করে থাকে। এমনি তার দিন যায়।

আর তার মা-বাপ তো কেঁদে-কেঁদে অন্ধই হয়ে গেল। তার ভাইটিও দিন কতক খুব কাঁদলে, তারপর তার মা-বাপকে বললে, 'শুধু ঘরে বসে কাঁদলে কী হবে? আমি চললুম, দেখি বোনের সন্ধান করতে পারি কিনা।' এই বলে সে ঘর থেকে বেরিয়ে, খালি বনে-বনে ঘুরতে-ঘুরতে শেষে সেই বাঘের বাড়ি এসে তার বোনকে পেল।

বোনটি তো তাকে দেখেই কাঁদতে-কাঁদতে বললে, 'ও দাদা তুমি কেন এলে? বাঘ এলেই যে তোমাকে ধরে খাবে!'

ভাই বললে, 'খায় খাবে! আমি তোকে না নিয়ে ফিরছি না। এখন আমাকে লুকিয়ে রাখ, তারপর দেখব এখন।'

তখন তারা দুজনে মিলে রান্নাঘরে গর্ত খুঁড়ল। মেয়েটি সেই গর্তের ভিতরে তার ভাইকে বসিয়ে, শিল চাপা দিয়ে রাখল।

তার পরেই বাঘ এসে, তার ছানা দুটোকে নিয়ে খেতে বসল। ছানা দুটো ভালো করে খাচ্ছে না, খালি বলছে—

'বাবাগো বাবা, তোর কি শালা? মোর কি মামা?

মা'র কি সোদর ভাই?

শিলের তলে কুমকুম করে— তুলে দে না খাই!'


বাঘ সেদিন কার উপরে চটে এসেছিল, তাই ছানা দুটোর কথা শুনেই, ঠাস-ঠাস করে তাদের দুটো চড় মারল। তারা কী বলছে তা ভেবে দেখল না। খাওয়া শেষ হলে সে মেয়েটিকে বলল, 'আজ পিঠে করিস, বিকেলে খাব। দেখিস যেন ভালো হয়।' এই বলে সে আবার বেরিয়ে গেল।

বাঘ চলে গেলে পর মেয়েটি শিলের তলা থেকে তার ভাইকে বার করল। তারপর দুজনে খাওয়া-দাওয়া সেরে, উনুন ধরিয়ে তার উপর কড়ায় করে তেল চড়াল। তারপর বাঘের ছানা দুটোকে কেটে, উনুনের উপর ঝুলিয়ে রেখে, তারা সেখান থেকে ছুটে পালাল।


বাঘের ছানা উনুনের উপর ঝুলছে, আর ঝ্যাঁৎ-ঝ্যাঁৎ করে রক্তের ফোঁটা তপ্ত তেলে পড়ছে।

বিকেলে বাঘ ফিরে এসে ঘরে ঢুকবার আগেই সেই শব্দ শুনতে পেল। শুনে সে বললে, বাঃ রে বা! ঐ পিঠে হচ্ছে। পিঠে যদি ভালো হয় তো ভালো, নইলে আমরা তিন বাপ-বেটায় মিলে রাঁধুনী হতভাগীকে ছিঁড়ে খাব!'

তারপর ঘরে ঢুকেই তো দেখল কি রকম পিঠে হচ্ছে! তখন বাঘ 'হালুম হালুম' করে ঘরময় খুঁজতে লাগল। কিন্তু গৃহস্থের মেয়েকে আর কোথায় পাবে। সে ততক্ষণে তার ভাইকে নিয়ে, মা-বাপের কাছে গিয়ে উপস্থিত হয়েছে। আর গ্রামের সকল লোক ছুটে এসে তাদের নিয়ে কী আনন্দই যে করছে কী বলব!

জান্নাতে যাওয়ার সহজ মাধ্যমগুলো জেনে নিনঃ

 জান্নাতে যাওয়ার সহজ মাধ্যমগুলো জেনে নিনঃ


১- প্রত্যেক ওযুর পর কালেমা শাহাদত পাঠ করুন  (আশ্‌হাদু আল্লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ্‌দাহু লা- শারী কা লাহূ ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান ‘আব্দুহূ ওয়া রাসূলুহূ)


এতে জান্নাতের ৮টি দরজার যে কোন দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। 

২- প্রত্যেক ফরজ সলাত শেষে আয়াতুল কুরসি পাঠ করুণ এতে মৃত্যুর সাথে সাথে জান্নাতে যেতে পারবেন।  

৩- প্রত্যেক ফরজ সলাত শেষে ৩৩ বার সুবহানাল্লাহ, ৩৩ বার আলহামদুলিল্লাহ্‌, ৩৩ বার আল্লাহু আকবার এবং ১ বার (লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর) পাঠ করুন এতে আপনার অতীতের সব পাপ ক্ষমা হয়ে যাবে। 

সেই সাথে জাহান্নাম থেকেও মুক্তি পেয়ে যাবেন কেননা দিনে ৩৬০ বার এই তাসবিহগুলো পড়লেই জাহান্নাম থেকে মুক্ত রাখা হয় আর এভাবে ৫ ওয়াক্তে ৫০০ বার পড়া হচ্ছে। 

৪- প্রতিরাতে সূরা মুলক পাঠ করুণ এতে কবরের শাস্তি থেকে মুক্তি পেয়ে যাবেন। 

৫- রাসুল (সাঃ)-এর উপর সকালে ১০ বার ও সন্ধ্যায় ১০ বার দরুদ পড়ুন এতে আপনি নিশ্চিত রাসুল (সাঃ)-এর সুপারিশ পাবেন। 

৬- সকালে ১০০ বার ও বিকালে ১০০ বার সুবহানাল্লাহিল আজিম ওয়া বিহামদিহি পরলে সৃষ্টিকুলের সমস্ত মানুষ থেকে বেশী মর্যাদা দেওয়া হবে। 

৭- সকালে ১০০ বার ও সন্ধ্যায় ১০০ বার সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি পাঠ করলে কিয়ামতের দিন তার চেয়ে বেশী সওয়াব আর কারো হবে না। 

৮- সকালে ও বিকালে ১০০ বার সুবহানাল্লাহ, ১০০ বার আলহামদুলিল্লাহ্‌, ১০০ বার আল্লাহু আকবার এবং ১০০ বার লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর পাঠ করলে অগণিত সওয়াব হবে। 

৯- বাজারে প্রবেশ করে- (লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু য়্যুহয়ী ওয়া য়্যুমীতু ওয়া হুয়া হাইয়ুল লা য়্যামূত, বিয়াদিহিল খাইরু ওয়াহুয়া ‘আলা কুল্লি শাই’ইন কাদীর)পাঠ করুণ এতে ১০ লক্ষ পুণ্য হবে, ১০ লক্ষ পাপ মোচন হবে, ১০ লক্ষ মর্যাদা বৃদ্ধি হবে এবং জান্নাতে আপনার জন্য ১ টি গৃহ নির্মাণ করা হবে। 

১০- বাড়িতে সালাম দিয়ে প্রবেশ করুণ এতে আল্লাহ তা’লা নিজ জিম্মাদারিতে আপনাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন।

১১- জামাতে ইমামের প্রথম তাকবীরের সাথে ৪০ দিন সলাত আদায় করুন এতে আপনি নিশ্চিত জাহান্নাম থেকে মুক্তি পেয়ে যাবেন। 

১২- প্রতিমাসের আয়ের একটা অংশ এতিমখানা বা মসজিদ মাদ্রাসা বা গরিব-দুখি, বিধবা ও দুস্থদের মাঝে দান করবেন হোক সেটা অতি অল্প এতে আপনি আল্লাহ তা’লার কাছে জিহাদকারির সমতুল্য হবেন। 

১৩- মহিলারা ৫ টি কাজ করবেন, ১- ৫ ওয়াক্ত সলাত ২- রমজানের সিয়াম, ৩- লযযাস্থানের হেফাজত, ৪- স্বামীর আনুগত্য করুণ এবং ৫।সঠিকভাবে পর্দা করুনন এতে জান্নাতের যে কোন দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। 

১৪- মসজিদে ফজরের সলাত আদায় করে বসে দোয়া জিকির পাঠ করুণ এবং সূর্য উঠে গেলে ২ রাকাত চাস্তের সলাত আদায় করুণ এতে প্রতিদিন নিশ্চিত কবুল ১ টি হজ্জ ও উমরার সওয়াব পাবেন। 

(বি দ্রঃ শির্ক, বিদআত ও হারাম ভক্ষণ থেকে দূরে না থাকলে কোন দোয়াই কবুল হয় না)

সকাল ৭টার সংবাদ  তারিখ : ২২-০৪-২০২৫ খ্রি:

 সকাল ৭টার সংবাদ 

তারিখ : ২২-০৪-২০২৫ খ্রি:


আজকের সংবাদ শিরোনাম:


আর্থনা সামিট-২০২৫ এ যোগ দিতে চার দিনের সফরে কাতার পৌঁছেছেন প্রধান উপদেষ্টা।


বাংলাদেশ অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জলবায়ু সহিষ্ণু অর্থনীতি গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ - এসক্যাপ সম্মেলনে ভিডিও বার্তায় বললেন অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস।


জুলাই আন্দোলন চলাকালে মানবতা বিরোধী অপরাধের মামলায় প্রথম তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল - চানখাঁরপুলে গুলি কোরে ৬ জনকে হত্যার ঘটনায় আট আসামি চিহ্নিত।


সেপ্টেম্বরের মধ্যে দুই হাজার চিকিৎসক নিয়োগের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার - জানালেন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা।


সংবাদপত্রের গুণগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে টাস্কফোর্স গঠন করা হবে - জানালেন তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা।


ক্যাথলিক খ্রিস্টানদের সর্বোচ্চ ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিসের প্রয়াণ - প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসসহ বিশ্বনেতাদের শোক।


সিলেটে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের দ্বিতীয় ইনিংসে গতকালের এক উইকেটে ৫৭ রান নিয়ে আজ আবার ব্যাটিং শুরু করবে বাংলাদেশ।

রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ২০-০৪-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ২০-০৪-২০২৫ খ্রি:।


আজকের শিরোনাম:


চট্টগ্রামে ব্যবসায়িক কার্যক্রম উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রায় ১৩ হাজার পাঁচশো কোটি টাকা ব্যয়ে বে-টার্মিনাল মেরিন অবকাঠামো প্রকল্প একনেকে অনুমোদন।


জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে আরো বেশি বাংলাদেশি নারী নিয়োগের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার।


আর্থনা শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানের জন্য অধ্যাপক ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস আগামীকাল দোহার উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবেন।


চট্টগ্রাম ও চীনের ইউনান প্রদেশের মধ্যে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনের প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশ ও চীনের।


জাতীয় ঐক্য কমিশনের সাথে বিএনপির বৈঠক - রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা বৃদ্ধির পক্ষে মত।


গত তিনটি নির্বাচনে অনিয়মের সাথে জড়িত কর্মকর্তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি এনসিপির।


একে অপরের বিরুদ্ধে ৩০ ঘন্টার ইস্টার যুদ্ধবিরতি ভঙ্গের অভিযোগ রাশিয়া ও ইউক্রেনের।


আজ সিলেটে দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথমটিতে স্বাগতিক বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথম দিনের খেলা শেষে জিম্বাবুয়ে ১২৪ রানে পিছিয়ে।

চাকরির ইন্টারভিউতে যে ১৩টি কথা কখনোই বলবেন না

 চাকরির ইন্টারভিউতে যে ১৩টি কথা কখনোই বলবেন না


আপনার কি কখনও এমন হয়েছে যে, চাকরির জন্য ইন্টারভিউ দিয়েছেন এবং ভেবেছেন খুব ভাল করেছেন—কিন্তু সময় পার হয়ে গেলেও নিয়োগকর্তার কাছ থেকে উত্তর পাননি? 


এমনটা হওয়ার কারণ হতে পারে, আপনি এমন কিছু বলেছেন যা তাদের মনে সন্দেহের সৃষ্টি করেছে। তাই, চাকরির ইন্টারভিউতে কী বলতে হবে এবং কী বলা উচিত নয়—দুটিই জানা খুব জরুরি।


এমন কিছু বাক্য আছে যা প্রথম সাক্ষাতেই বললে আপনাকে আত্মকেন্দ্রিক, নিরাপত্তাহীন বা এমনকি মরিয়া মনে হতে পারে। আপনি কি জানেন এই বাক্যগুলি কী কী? 

.


চাকরির ইন্টারভিউতে যা বলা উচিত নয় 


ইন্টারভিউয়ারের সাথে কথোপকথনের সময় আপনি যে শব্দ এবং বাক্য ব্যবহার করেন তা আপনার কোম্পানিতে যোগদানের সম্ভাবনাকে প্রভাবিত করে। কিছু বিশ্লেষণে জানা গেছে যে ইন্টারভিউয়ের সময় মানুষের আচরণ, যেমন আপনি কী বলছেন এবং কীভাবে বলছেন, তা কোনো পদের জন্য আপনার যোগ্যতা সবচেয়ে বেশি থাকা সত্ত্বেও চাকরি পাওয়া বা না পাওয়ার ওপর প্রভাব ফেলে। নিচে, আমরা এমন ১৩টি অভিব্যক্তি উল্লেখ করব যা যেকোনো মূল্যে এড়িয়ে চলা দরকার।


১. “আমার আগের বস খুব খারাপ ছিলেন”


চাকরির ইন্টারভিউতে সবচেয়ে কঠিন প্রশ্নগুলির একটা হল—আপনার আগের বা বর্তমান বসের সঙ্গে সম্পর্ক কেমন ছিল। অনেক সময় অভিজ্ঞতা ভাল না হলেও সরাসরি খারাপ বলা ঠিক না।


আপনার আগের বস বা চাকরি সম্পর্কে খারাপ কিছু বললে আপনাকে নেতিবাচক, অবিশ্বস্ত বা আনুগত্যহীন মনে হবে। এতে রিক্রুটারের মনে হতে পারে আপনি ভবিষ্যতেও এমন কিছু বলবেন।


এর বদলে এমনভাবে বলুন, যাতে বোঝায় আপনি শেখার সুযোগ পেয়েছেন, চ্যালেঞ্জ সামলেছেন এবং সম্পর্ক ঠিক রাখার চেষ্টা করেছেন। 


যেমন: “আমি আমার আগের বসের কাছ থেকে কাজ সম্পর্কে অনেক কিছু শিখেছি। আমাদের হয়ত দৃষ্টিভঙ্গি আলাদা ছিল, কিন্তু আমরা সবসময় একটা সমঝোতায় পৌঁছাতে পেরেছি।”


২. “আমার কোনো দুর্বলতা নেই”


চাকরির ইন্টারভিউতে এটা এমন একটা কথা, যা একদমই বলা উচিত না। কারণ সবারই কিছু না কিছু ত্রুটি থাকে, আর সেটা অস্বীকার মানে নিজেকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা।


এই ধরনের উত্তর ইন্টারভিউয়ারের কাছে আপনাকে অপ্রামাণিক আর অবিশ্বস্ত মনে করাতে পারে। মনে হতে পারে আপনি সত্য লুকাতে পারেন বা ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েও এমন করবেন।


তাই আপনার দুর্বলতা স্বীকার করুন, তবে সততার সাথে আর বুঝিয়ে বলুন আপনি কীভাবে সেটা নিয়ে কাজ করছেন। 


যেমন: “আমি জানি, কিছু কিছু সময় প্রজেক্ট শেষ করতে গিয়ে সাহায্য চাইতে একটু দ্বিধা হয় আমার। তবে এখন বুঝি, ঠিক সময়ে হেল্প চাইলে কাজও সহজ হয়, দেরিও কমে যায় আর টিমের লোকজনকে কাছ থেকে বুঝতেও পারি।”


৩. “আমার এই চাকরিটা দরকার”


কথার ভঙ্গিটা এমন যেন কারও কাছে অনুনয় করা হচ্ছে, তাই না? ইন্টারভিউয়ারও ঠিক তেমনটাই মনে করবেন। এতে আপনাকে একরকম মরিয়া মনে হবে। আর সেটা বরং ক্ষতি করবে আপনার।


এমন ভাব দেখালে মনে হতে পারে আপনি শুধু একটা চাকরি চান, এই কোম্পানিতে কাজ করার তেমন ইচ্ছা নাই। নিয়োগকর্তারা এমনও ভাবতে পারেন যে পরে অন্য অফার পেলে আপনি এখানে আর থাকবেন না।


আর একটা সমস্যা হল, আপনি যদি নিজেই বোঝান যে যেকোনো কিছুতেই রাজি, তাহলে আপনাকে কম সুযোগ-সুবিধা দিয়ে কাজ করিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতেও তারা পিছপা হবেন না।


তাই এর বদলে বলুন আপনি কী কী পারেন আর কীভাবে ওই কাজটা আপনাকে মানায়। 


যেমন: “গ্রাহক পরিষেবা ক্ষেত্রে আমার ৭ বছরের অভিজ্ঞতা আছে। আমি নিজেকে একজন বিশ্লেষণাত্মক, উদ্যোগী আর সহানুভূতিশীল ব্যক্তি ভাবি, যে মন দিয়ে অন্যের কথা শুনতে পারে। এই স্কিলগুলি রোজ কাজেই লাগে যখন মানুষের সঙ্গে ডিল করতে হয়।”


৪. “আমি পারফেকশনিস্ট” বা “আমি ভীষণ নিখুঁতভাবে কাজ করি”


“পারফেকশনিস্ট” শব্দটি এমন একটি শব্দ যা সন্দেহের উদ্রেক করে এবং এটি একটি বহুল ব্যবহৃত মিথ্যার মত শোনায়। যিনি ইন্টারভিউ নিচ্ছেন, তিনি ভাবতে পারেন, আপনি আসল দুর্বলতাটা ঢাকার চেষ্টা করছেন।


অনেকেই যখন তাদের দুর্বলতা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয় তখন এই উত্তর দেন। 


এর কাছাকাছি কিন্তু আরেকটু স্মার্ট উত্তর হতে পারে এরকম:


“আমি খুব ডিটেলে কাজ করি, খুঁটিনাটি সব খেয়াল রাখি। মাঝে মাঝে এ কারণে কাজ শেষ করতে একটু বেশি সময় লেগে যায়। তবে আমি চেষ্টা করছি যাতে কোয়ালিটি ঠিক রেখে কাজটা সময়ে শেষ করা যায়, একটা ব্যালান্স আনার চেষ্টা করছি।”


৫. “আমার টিমে আমিই সেরা ছিলাম”


“আপনার সম্পর্কে বলুন”—ইন্টারভিউয়ের সবচেয়ে কঠিন প্রশ্নগুলির একটা, তাই না? এটা ঠিক যে আপনি আপনার ভাল কাজগুলি বা অন্যদের চেয়ে কোথায় আপনি আলাদা, সেটা বলতে চাইবেন। কিন্তু খেয়াল রাখুন যেন বেশি ভাব দেখাতে গিয়ে বাড়াবাড়ি না হয়ে যায়, তাহলে আপনাকে দাম্ভিক মনে হতে পারে।


সবচেয়ে ভাল হয় যদি আপনি আপনার অভিজ্ঞতার একটা ছোট সামারি তৈরি রাখেন। সেখানে বলুন আপনি কী ধরনের কাজ খুঁজছেন আর ইন্টারভিউয়ের পদের সাথে সেটার মিল কোথায়। একটা সহজ উত্তর, যা প্রায় সব জায়গায় কাজে দেবে, সেটা হতে পারে এইরকম:


“আমি একজন (আপনার পেশা), আমার প্রায় X বছরের কাজের অভিজ্ঞতা আছে। আগে আমি (আপনার সবচেয়ে জরুরি আগের কাজগুলি)-র দায়িত্বে ছিলাম আর সেখান থেকে (আপনার সবচেয়ে ভাল স্কিলগুলি)-র মত দক্ষতা অর্জন করেছি। আমার মনে হয়, এই দক্ষতাগুলি কোম্পানির খুব কাজে আসবে।”


৬. “আমার কোনো অভিজ্ঞতাই নেই”


হ্যাঁ, সৎ থাকা ভাল, কিন্তু ইন্টারভিউতে সরাসরি এটা বলে দিলে চাকরিদাতাদের কাছে কিন্তু ব্যাপারটা ভাল শোনায় না। এটা একটা রেড ফ্ল্যাগের মত, আর তারা ভাববে পদের জন্য যে জ্ঞান দরকার, তা আপনার নেই।


তাহলে অভিজ্ঞতা না থাকলে ইন্টারভিউতে কী বলবেন? 


বুদ্ধি করে আপনার সেই স্কিলগুলির কথা বলুন যা ওই পদের সাথে যায়, আর দেখান যে আপনি শিখতে খুব আগ্রহী। আপনি যদি ছাত্র হন বা প্রথম চাকরি খুঁজছেন, তাহলে ইন্টার্নশিপ বা প্রাসঙ্গিক কোনো ভলান্টিয়ার কাজের অভিজ্ঞতা থাকলে সেটা বলুন:


“আমি X প্রোগ্রামটা ভাল পারি আর X ভাষায় আমার X লেভেলের দক্ষতা আছে। আমি X কোম্পানিতে ইন্টার্নশিপও করেছি। আমি আপনাদের টিমে কাজ করতে আর শিখতে খুব আগ্রহী, আর এখন আমি পদের জন্য জরুরি X স্কিলের ওপর একটা কোর্সও করছি।”


৭. “আমার সিভি থেকে দেখে নিন”


ইন্টারভিউতে আপনার সিভি থেকেই কোনো প্রশ্ন আসতে পারে, কিন্তু তার উত্তরে এটা বলা একদমই ঠিক না। যিনি ইন্টারভিউ নিচ্ছেন, তিনি আসলে আপনার মুখ থেকে শুনতে চান যে ওই অভিজ্ঞতা বা স্কিল নিয়ে আপনার কী বলার আছে বা আপনি কীভাবে কাজ করেন।


আবার, সিভিতে যা লেখা আছে, শুধু সেটাই মুখে বলাটাও কিন্তু যথেষ্ট নয়। আসলে তারা চায় আপনি বিষয়টা নিয়ে আরেকটু গুছিয়ে বলুন। ধরুন, প্রশ্নটা আপনার আগের কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে। আপনি এভাবে বলতে পারেন:


“X কোম্পানিতে কাজ করার সময় আমার দায়িত্ব ছিল (আপনি যে কাজগুলি করেছেন তা বলুন)। এই কাজটা করতে গিয়ে আমার (কাজের সাথে জড়িত স্কিলের নাম) স্কিলটা ভালভাবে তৈরি হয়েছে।”


৮. “এই কোম্পানিটি আসলে কী করে?”


ইন্টারভিউতে এই প্রশ্ন করাটা বিরাট বড় রেড ফ্ল্যাগ! এটা শুনেই বোঝা যায় আপনি কোম্পানির ব্যাপারে কিছুই জানেন না, আর ইন্টারভিউয়ার ভাববেন যে এই চাকরিটায় আপনার তেমন আগ্রহই নেই।


ইন্টারভিউতে ভাল করতে হলে, আপনি যে কোম্পানি আর পদের জন্য আবেদন করছেন, সে বিষয়ে একটু রিসার্চ করে যাওয়াটা কিন্তু খুবই জরুরি, আর এটা সবসময় আগেই করে রাখা উচিত। হ্যাঁ, পদের বিবরণে এমন কিছু থাকতে পারে যা আপনার কাছে পরিষ্কার নয়। সেক্ষেত্রে, প্রশ্নটা এভাবে গুছিয়ে করুন:


“আমি জেনেছি যে আপনাদের কোম্পানি X সেক্টরে কাজ করে আর এর প্রায় X বছরের অভিজ্ঞতা আছে। পদের বিবরণে দেখলাম যে এখানে মূলত X এরিয়া নিয়ে কাজ করতে হবে, কিন্তু আপনি কি X কাজটা নিয়ে আরেকটু বুঝিয়ে বলতে পারবেন?”


৯. “আমার খুব নার্ভাস লাগছে” / “আমি একটু অস্বস্তি বোধ করছি”


জীবনে কখনও না কখনও নার্ভাস আমরা সবাই হই। কিন্তু ইন্টারভিউতে এইচআর বা ইন্টারভিউয়ারকে এটা বলাটা বুদ্ধিমানের কাজ না। কারণ তারা আপনাকে আত্মবিশ্বাসী নয় এমন একজন ভাবতে পারে, যিনি চাপ সামলাতে পারেন না।


আজকাল বেশিরভাগ চাকরিতেই চাপ সামলানোর ক্ষমতা আর যেকোনো পরিস্থিতিতে মাথা ঠাণ্ডা রাখাটা জরুরি। আপনি নার্ভাস, এটা বললে ঠিক তার উল্টাটাই প্রমাণ হয়। তাই, এই কথাটা মনে মনেই রাখুন আর বরং এই কৌশলটা কাজে লাগান—লম্বা শ্বাস নিন, মনে মনে ১ একে ৫ গুনুন, আর ধীরে ধীরে গুছিয়ে কথা বলার চেষ্টা করুন। এতে মাথাটা গুছিয়ে নিতে আর টেনশন কমাতে সুবিধে হবে।


১০. “আমি জানি না” / “আমার কোনো আইডিয়া নেই”


ইন্টারভিউতে এমন কোনো প্যাঁচানো প্রশ্ন আসতেই পারে, যা শুনে আপনি থমকে যান। কিন্তু তার উত্তরে সরাসরি এটা বলা একদম উচিত না। 


এতে মনে হতে পারে যে আপনি ইন্টারভিউয়ের জন্য ভালভাবে তৈরি হননি আর হঠাৎ আসা সমস্যা সামলাতে আপনি তেমন পটু নন।


তাই সরাসরি “জানি না” না বলে, বরং এমন একটা বাক্য ব্যবহার করুন যাতে উত্তরটা মনে মনে গুছিয়ে নেওয়ার একটু সময় পাওয়া যায়। 


যেমন: “আমার কাছে এই প্রশ্নটির গুরুত্ব অনেক। আমার মনে হয় যে...(এরপর আপনার উত্তর শুরু করুন)।”


১১. “স্যালারি কত পাব?”


হ্যাঁ, চাকরি তো মানুষ টাকা আয়ের জন্যই করে, এটা ঠিক। কিন্তু প্রথম ইন্টারভিউতেই, বিশেষ করে শুরুতেই, এই প্রশ্নটা না করাই ভাল। এতে একটা খারাপ ধারণা তৈরি হয়—ইন্টারভিউয়ার ভাবতে পারেন, আপনার কাছে টাকাই সব, কাজটা বড় নয়।


ছুটি বা বোনাসের ব্যাপারেও একই কথা—এগুলি নিয়ে একেবারে শুরুতে কথা বলা ঠিক না, বরং পরের দিকের আলোচনার বিষয়। অবশ্য, ইন্টারভিউয়ার নিজে থেকে বললে আলাদা কথা। যদি তারা নিজে থেকে না বলেন, তাহলে ইন্টারভিউয়ের একদম শেষে, যখন কাজটা নিয়ে সব পরিষ্কার হয়ে গেছে, তখন সরাসরি বেতন না জিজ্ঞেস করে বরং এভাবে সুবিধাগুলি নিয়ে জানতে চাইতে পারেন:


“কাজটা নিয়ে আমাদের যা কথা হল, সব মিলিয়ে আমার খুব ভাল লেগেছে। এবার আমি যদি কোম্পানির বেতন কাঠামো আর অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাগুলি নিয়ে আরেকটু জানতে পারতাম, ভাল হত।”


১২. “আমার কোনো প্রশ্ন নেই”


ইন্টারভিউয়ের শেষে ইন্টারভিউয়াররা প্রায়ই জিজ্ঞেস করেন, “আপনার কিছু জানার আছে?” আপনি হয়ত অবাক হবেন, কিন্তু এক্ষেত্রে ‘না’ বলাটা অনেকসময় ‘হ্যাঁ’ বলার চেয়েও খারাপ হতে পারে। কারণ? এতে মনে হয়, কোম্পানি বা কাজের পরিবেশ নিয়ে আপনার কোনো আগ্রহ বা কৌতূহলই নেই।


কাজটার প্রতি আপনার যে আসল আগ্রহ আছে, তা দেখানোর সবচেয়ে ভাল উপায় হল পদটা বা কোম্পানির কাজকর্ম নিয়ে একটি-দুটি প্রশ্ন করা। যদি তখন চট করে মাথায় কিছু না আসে, তাহলে এই ধরনের প্রশ্ন করতে পারেন:


“এখানে সাধারণত কাজের দিনটা কেমন কাটে?”, “কোম্পানি কি কর্মীদের স্কিল বাড়ানোর জন্য কোনো সুযোগ দেয়?”, “এই পদের জন্য কোন সফটওয়্যারগুলি বেশি ব্যবহার করা হয়?”


১৩. “আমার ইন্টারভিউ কেমন হল?”


চাকরির ইন্টারভিউতে কী বলা একদমই উচিত না, এটা তার একটা ক্লাসিক উদাহরণ। দেখুন, যেমন কিছু প্রশ্ন ইন্টারভিউয়ারের আপনাকে করা উচিত না, তেমনি কিছু প্রশ্ন ভদ্রতার খাতিরে আপনারও করা উচিত না।


এই প্রশ্নটা ইন্টারভিউয়ারকে বেশ অস্বস্তিতে ফেলে দেয়। কারণ আপনি যেমনটা আশা করছেন, তারা হয়ত তক্ষুনি কোনো মতামত দিতে পারবেন না, আর অনেকে এটাকে অভদ্রতাও মনে করেন। তাই এই প্রশ্ন না করে, বরং ইন্টারভিউ শেষ করার সময় এভাবে বলতে পারেন:


“আজ আপনার সাথে কথা বলে আমার খুব ভাল লেগেছে। আমার সিভি বা অভিজ্ঞতা নিয়ে যদি পরে আপনার কিছু জানার প্রয়োজন হয়, তাহলে অবশ্যই যোগাযোগ করবেন। যেকোনো বিষয় পরিষ্কার করতে পারলে আমারও ভাল লাগবে।”

.


বোনাস টিপস: এই ভুলগুলিও এড়িয়ে চলুন


আগে যে বাক্যগুলির কথা বললাম, সেগুলি ছাড়াও আরও কিছু আচরণ বা কথা বলার ধরন আছে যা ইন্টারভিউতে এড়িয়ে চলা উচিত, যদি আপনি ভাল ইম্প্রেশন তৈরি করতে চান। যেমন, কথা বলার সময় বেশি বেশি “উমম”, “ইয়ে”, “মানে”—এই ধরনের শব্দ ব্যবহার করবেন না। এগুলি শুনলে মনে হয় আপনি নার্ভাস বা আপনার আত্মবিশ্বাস কম। তার বদলে, একটু ধীরে (কিন্তু সাবলীলভাবে) কথা বলুন, এতে আপনাকে বেশি আত্মবিশ্বাসী মনে হবে।


আর হ্যাঁ, ইন্টারভিউয়ারের সাথে বেশি ফ্রি হয়ে যাওয়া বা অতিরিক্ত ইনফরমাল আচরণ করাটাও কিন্তু ঠিক না, কারণ অনেক সময় এটা অসম্মানজনক মনে হতে পারে। অবশ্য যদি ইন্টারভিউয়ার নিজেই খুব সহজ বা ইনফরমাল ভাবে কথা শুরু করেন, তাহলে অন্য ব্যাপার।


#চাকরি #ইন্টারভিউ #টিপস

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...