এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ১১ মে, ২০২৫

পলাশ সাহার বউ সুস্মিতা সাহা নাকি প্রেগনেন্ট

 পলাশ সাহার বউ সুস্মিতা সাহা নাকি প্রেগনেন্ট😥

এবং সুস্মিতা সাহা নাকি এ ও বলেছে যে,,,আগে যদি বুঝতে পারতাম সত্যি আমার স্বামী আত্যহত্যা করবে তাহলে আমি সারা জীবন শাশুড়ীর গোলাম হয়ে থাকতাম কারণ উনি মারা গেছে কিন্তু আমার শাশুড়ীর মা ডাক শুনার মতো আরো সন্তান আছে কিন্তু আমার সন্তানের বাবা ডাকার মতো কেউ থাকলো না😭😭

বিশ্বাস করে এতো জনের হাজারটা কথা শুনেও এতোটা খারাপ লাগে নি কিন্তু এই মেয়েটার একটা কথায় যেনো কলিজাটা কেঁপে উঠলো😥

সত্যি বলতে ইন্টার প্রথমবর্ষে থাকতে তার বিয়ে হয় একজন বি সি এস ক্যাডারের সাথে বুঝেন বয়স পর্থক্যটা তাহলে কেমন,,, তার বাবা বিয়ে দিতে রাজি না হলেও ৩ মাস অপেক্ষা করে ছেলে তার বাবাকে রাজি করায়ে বিয়ে করেছে তাহলে বুঝায় যাচ্ছে ছেলেটা তাকে কেমন ভলেবাসতো,,,😔

কিন্তু মায়ের কারণে সেই সুখটা তারা উপভোগ করতে পারতো না,,,😔

সে তার ছেলের অহংকারে মাটিতে পা রাখতো না,,, 

বউটাকে সারাক্ষণ নাকি কোণঠাসা করে রাখতো নজর বন্দি করে রাখতো,,, এটা তো এক রকম মেয়েটার নিজস্বতাকে হরণ করা হয়েছে😭

এসবের প্রতিবাদ করতো বলে বউ খারাপ🤔

ছেলে অফিস থেকে আসলে তার রুমে আটকে রাখতো,,

ছেলের শশুড় বাড়ির লোক আসতে পারতো না সব সময় গরিব বলে অপমান করতো,,,

ছেলে তার সামনে বউ এর রান্নার প্রসংশা করলে সেই রান্না ছেলের সামনেই ফেলে দিতো এসব কি রে ভাই কেমন মা উনি🤔🤔

যতটুকু শুনলাম মা নাকি ছেলেকে প্রচুর ভালোবাসতে সেজন্য এসব করছে তাহলে  সেই ছেলের চিতার গন্ধ না যেতেই কান ভর্তি স্বর্ণ পড়ে এক থালা ভাত নিজের হাতে খাইতে খাইতে আবার হাত পাখার বাতাস করতে করতে বিভিন্ন চ্যানেলে বউ এর নামে হাজারটা অভিযোগ কিভাবে করে ছেলে হারানোর বিন্দু মাত্র শোক তার মধ্যে নাই🤔🤔

এইদিকে জামাই হারিয়ে শশুড় পাগল প্রায় বউয়ের কলিজা কেঁপে উঠার মতো কথা অন্য দিকে জন্মদাতা সেই ভলোবাসার মা বিভিন্নভাবে টি ভি চ্যানেলের সামনে স্ট্রংলি সাক্ষাৎকার দেয়🤔🤔

এই ঘটনা দেখে যদি এরকম টক্সিক শাশুড়ী গুলো আর অতিরিক্ত মা ভক্ত ছেলেদের একটু হলেও টনক নড়তো তাহলে তো হতোই😥

এটা থেকে সবার শিক্ষা নেয়া উচিৎ যদি জীবনে এরকম বিপদে পড়তে না চান তাহলে শশুড় বাড়িতে ভেবে চিন্তে চলতে ও কথা বলতে হবে নচেৎ যে কেনো দুর্ঘটনায় ১০০%ক্ষতি এবং কষ্টও আপনার হবে আবার এরকম বউটাই খারাপ বলে বদনাম কুড়াতে হবে তাই দিদিভাই ও বোনেরা সাবধান😔

আর বলি কি শুধু উচ্চ শিক্ষত হলেই হয় না সব দিক সামাল দেয়ার সামর্থ থাকা উচিৎ,

নিজ বাড়িতে থেকে চাকরি করে তাদের যদি বেতন ১২০০০ টাকা  হয়, এবং বাড়ি ভাড়া এবং আরও অনেক রকম ভাতা মিলিয়ে ২৩০০০ টাকার বেশি বেতন পায় চাকরির শুরু থেকে

 নিজ বাড়িতে থেকে চাকরি করে তাদের যদি বেতন ১২০০০ টাকা  হয়, এবং বাড়ি ভাড়া এবং আরও অনেক রকম ভাতা মিলিয়ে ২৩০০০ টাকার বেশি বেতন পায় চাকরির শুরু থেকে, এবং সরকারি সকল ছুটি ভোগ করে, সব মিলিয়ে বছরে ৩ মাস স্কুল ছুটি থাকে, সপ্তাহের ছুটি তো আছে, গরু, মুরগী,ছাগল,হাস পালন তো আছে ই। সাথে নিজের জমি নিজে চাষ করা। আলাদা ব্যবসায় করা। নিজ ইচ্ছে  যখন মন চায় ছুটি যাওয়া। মন না চাইলে স্কুলে না যাওয়া।  এতে যদি তাদের না হয়,???   তাহলে যে সকল মানুষ সৈনিক এর চাকরি করে যেমন সেনা বাহিনী,বিমান বাহিনী, নৌ বাহিনী, বিজিবি বাহিনী,পুলিশ বাহিনী,আনসার বাহিনী, ফায়ার সার্ভিস,  এ চাকরি করে ১৭ তম গ্রেড তাদের বেতন ৯০০০ টাকা, সকল ভাতা মিলিয়ে তারা পায় ১৫০০০ টাকা, এবং তারা চাকরি করে অনেক দুরে তাদেরকে বাসা বাড়া নিয়ে থাকতে হয়। তাহলে তাদের অবস্থা কেমন হয়?   তারা কি ভাবে চলে?   নাকি তারা আইন অনুযায়ী  আন্দলোন করতে পারে না --বলে তাদের কষ্টের কথা বলা যাবে না!!!   বিশেষ করে পুলিশের চাকরি কথা বলি, এদের না আছে কোনো শুক্রবার, শনিবার, না আছে কোনো সরকারি ছুটির দিন---না আছে কোনো বড় দিবস এর বন্ধ, আবার ডিউটি তো ১২/১৬ ঘন্টা হয় যেখানে সরকারি অন্য কোনো চাকরি তে এতো লং টাইম ডিউটি নেই, এবং এই ৮ ঘন্টা সময় এর পারে অতিরিক্ত ডিউটি করার জন্য কোনো ওবার টাইম ভাতা ও নেই।  সরকারি ছুটির দিন এ ডিউটি তে ও কোনো ভাতা নেই, এবং যে কোন সময় একটি বুলেট বা বোমা কেড়ে নিতে পাড়ে নিজের প্রাণ।  শিক্ষক যদি হয় জাতি গড়ার কারিগর  তবে--- আমরা দেশ ও জাতি রক্ষার অকুতোভয় রক্ষক!!!  তাহলে তাদের কথা কেউ বলে না কেন??? শিক্ষক দের কথা আপনারা যে ভাবে বলছেন। বাকি সবার কথা ও আপনাদের চিন্তা ভাবনা করা উচিৎ, কেউ আবার মনে কইরেন না আমি শিক্ষক দের বিরুদ্ধে বলছি,  আমি শুধু সবার কষ্ট টা তুলে ধরেছি!!!??? 😭😭😭😭😭 আমার মনের কষ্টটা বললাম copy post #followers

 নো প্রাইভেসি,,,,,,,,,

 নো প্রাইভেসি ★

আজ থেকে আর মাত্র ১০ বছর পর আপনার প্রাইভেসি বলতে কিছুই থাকবে না। কিছুই ফাঁকি দিতে পারবেন না। যেমন আপনি পিৎজা কিনতে চাইলে যা হবে —


হ্যালো, এটা কি পিৎজা হাট ?


না স্যার, এটা গুগল'স পিৎজা।


আমি কি তাহলে ভুল নাম্বারে ফোন করেছি?


না স্যার, গুগল দোকানটা কিনে নিয়েছে।


ওকে, আমি কি পিৎজার অর্ডার দিতে পারি?


স্যার, আপনি সাধারণত যে পিৎজার অর্ডার দেন আজকেও কি ওটাই দেবেন?


আমি সাধারণত যে পিৎজার অর্ডার দিয়ে থাকি সেটা আপনি কিভাবে জানলেন?


আপনার ফোন নাম্বার অনুযায়ী, আপনি শেষ ১৫ বার ডাবল চিজ বারো স্লাইস সসেজ+পেপারনী পিজা অর্ডার দিয়ে ছিলেন।


আমি এবারও ওটাই চাই।


কিন্তু স্যার আপনার কলেস্টেরল যেহেতু হাই তাই আমি ৮ স্লাইজ ভেজিটেবল পিজা অর্ডার করতে পরামর্শ দিচ্ছি।


আমার কলেস্টেরল হাই এটা আপনি কিভাবে জানলেন?


কাস্টমার গাইড থেকে। আমাদের কাছে  আপনার গত ৭ বছরের ব্লাড টেস্টের রিপোর্ট আছে।


আমি ভেজিটেবল পছন্দ করি না, যেটা চাইছি ঐটাই দিন। কলেস্টেরলের জন্য আমি ঔষধ খাই।


কিন্তু আপনিতো নিয়মিত ঔষধ খান না। ৪ মাস আগে লাজ ফার্মা থেকে ৩০টা ট্যাবলেটের একটা পাতা কিনেছিলেন।


আমি অন্য আরেকটা দোকান থেকে বাকিগুলো কিনেছি।


কিন্তু আপনার ক্রেডিট কার্ড তো তা বলছে না।


আমি নগদ ক্যাশ দিয়ে কিনেছি।


কিন্তু আপনার ব্যাংক স্টেটমেন্ট অনুযায়ী সে পরিমান টাকা আপনি তোলেননি।


আমার অন্য আয়ের উৎস আছে।


আপনার ট্যাক্স ফর্মে সে তথ্যের কোন উল্লেখ তো চোখে পড়ছে না।


ধুর শালা,, আপনার পিজার গুষ্টির পিন্ডি চটকাই। পিৎজাই খাবো না। গুগল, ফেসবুক, হোয়াটস অ্যাপ, সেলফোন, ইন্টারনেট নেই এমন একটা দ্বীপে চলে যাবো যেখানে আমার উপর কেউ এত নজরদারি করতে পারবে না।


হ‍্যাঁ স্যার বুঝতে পেরেছি, তার আগে আপনার পাসপোর্ট রিনিউ করতে হবে, আমাদের কাছে তথ্য আছে ৫ সপ্তাহ আগে তার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে।

মাহমুদা খাতুন। 

৮/৫/২৫

আমি যার অর্ধাঙ্গীনি হবো তাকে লিখছি

 আমি যার অর্ধাঙ্গীনি হবো তাকে লিখছি

প্রিয়...

আমার পুরুষ 

তিন হাত শরীরে ২০হাত লম্বা দুঃখের বোঝা বইতে গিয়ে চেহারায় আমার বয়সের ছাপ পড়ে গেছে। দামি সানস্ক্রিন ক্রিমের অভাবে মুখে সান স্পট স্পষ্ট দেখা যায়। চোখ যুগলে আকর্ষনীয় ঘনকালো ব্রু নেই। আপনি কখনো আমার দিকে চেয়ে বলতে পারবেন না পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর নারী আপনার অর্ধাঙ্গীনি। 

আমার হাত ধরে আপনি কখনো অনুভব করবেন না তুলতুলে কিছু আপনার মুষ্ঠিতে, সঠিক যত্নের অভাবে আমার হাতের তালু শক্ত হয়ে গেছে, নখ হয়েছে হলদেভাব।

আমি গান গাইতে পারিনা কিন্তু ক্লান্ত দুপুরে কিংবা মধ্যে রাতে আপনার মাথার পাশে বিছানার কোণায় বসে আপনার চুলে হাত ভোলাতে ভোলাতে গুনগুনিয়ে দুই-এক লাইন গেয়ে ফেলবো।

আমি বড্ড অভিমানী,আমার মুড সুইং হয় ঘনঘন তবে আপনি যদি একটা ফুল কিংবা চিঠি এনে হাতে ধরিয়ে দেন তৎক্ষনাৎই মুখ লুকাবো আপনার বুকে। আচ্ছা, আমার বেশি বেশি অভিমানে আপনি কি আমাকে তাচ্ছিল্য করে কথা বলবেন নাকি সব মানিয়ে নিবেন?


সব পুরুষের মতো আপনিও হয়তো আশা করেন আপনার ঘরের রানী হবে স্লীম ফিগারের, উজ্জ্বল বর্ণের, কনকালো চুলের রমনী কিন্তু সংসার  সামলিয়ে নিজেকে আর সময় দিতে না পারাতে আমার অসুন্দর চেহারা আর উষ্কখুষ্ক চুল দেখে আপনি কি ঘৃণায় কোনো রূপবতী খোঁজ করবেন নাকি এই আমিটার পাশেই সারাজীবন থেকে যাবেন?


প্রিয় পুরুষ, আপনি যদি আমার যা কিছু নাই আর যা কিছু আছে, আমার রোগা চোখ,কালো ঠোঁট, আমার এলোমেলো চুল, রান্নাঘর থেকে বের হওয়ার পর ঘামে চপচপে আমাকে দেখে ভালোবাসা খুঁজে পান তাহলে কথা দিচ্ছি আপনার অসুখে আমি নির্ঘুম রাত্রি জেগে সেবা করার সঙ্গী হবো, আপনার পকেট খালির দিনে সংসারের খরচটা আমি ম্যানেজ করে নিবো, বৃদ্ধ বয়সে চশমাটা এগিয়ে দিবো।

চিরন্তর ভালোবাসবো,আমার প্রিয় পুরুষ।🖤


ইতি 

আপনার 

    অর্ধাঙ্গিনী(পারু)

শনিবার, ১০ মে, ২০২৫

রাসেল মাহমুদ স্যারের মেসেজ ১০/০৫/২০২৫

 *প্রচণ্ড গরমে বাইরে কাজ করার সময় স্বাস্থ্য ঝুঁকি এড়াতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো খেয়াল রাখা জরুরী:*


১. *পর্যাপ্ত পানি পান করুন*

   - ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে পানি ও লবণ বেরিয়ে যায়, তাই *নিয়মিত পানি পান করুন* (যদি সম্ভব হয় প্রতি ১৫-২০ মিনিটে কিছুটা পানি পান করুন)।

   - *ইলেকট্রোলাইট যুক্ত পানীয়* (যেমন: ওরাল স্যালাইন, নারিকেলের পানি) পান করুন যাতে লবণ ও মিনারেলের ঘাটতি পূরণ হয়।


২. *সঠিক পোশাক পরুন*

   - *হালকা রঙের, ঢিলেঢালা ও সুতি কাপড়* পরুন যাতে বাতাস চলাচল করতে পারে এবং ঘাম দ্রুত শুকিয়ে যায়।

   - *মাথা ও চোখ সুরক্ষিত রাখতে* টুপি, ক্যাপ বা ছাতা ব্যবহার করুন এবং UV প্রোটেকশন সানগ্লাস ব্যবহার করুন।


৩. *সূর্যের তাপ এড়িয়ে চলুন*

   - *ছায়াযুক্ত স্থানে বিশ্রাম নিন* এবং কাজের ফাঁকে ফাঁকে ঠাণ্ডা জায়গায় কিছু সময় কাটান।


৪. *শরীরের লক্ষণগুলো মনোযোগ দিন*

   - *হিট স্ট্রোক বা ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ* (মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব, মাংসপেশিতে খিঁচুনি, অতিরিক্ত দুর্বলতা, চোখে ঝাপসা দেখা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া) দেখা দিলে *অবিলম্বে কাজ বন্ধ করে ঠাণ্ডা স্থানে বিশ্রাম নিন এবং পানি পান করুন*।

   - যদি কারো অবস্থা গুরুতর হয় (জ্ঞান হারানো, ত্বক শুষ্ক ও গরম হয়ে যাওয়া), *দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান*।


 ৫. *হালকা ও পুষ্টিকর খাবার খান*

   - *ভারী ও তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে* হালকা, সহজে হজম হয় এমন খাবার (ফল, শাকসবজি, ডাবের পানি) খান।

   - *অতিরিক্ত চা-কফি বা অ্যালকোহল* এড়িয়ে চলুন, কারণ এগুলো ডিহাইড্রেশন বাড়ায়।


৬. *দলগতভাবে কাজ করুন*

   - একা কাজ না করে সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখুন এবং একে অপরের স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ করুন।


গরমে কাজ করার সময় এই সতর্কতাগুলো মেনে চললে *হিট স্ট্রোক, ডিহাইড্রেশন বা সানবার্ন* থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। যদি অসুস্থ বোধ করেন, অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।


_(সকল SR দের শেয়ার করি এবং মেনে চলি)_

ধনী হওয়া মানেই সবসময় বড় বাড়ি, দামি গাড়ি বা বিলাসবহুল জীবন নয়।

 🎗️ধনী হওয়া মানেই সবসময় বড় বাড়ি, দামি গাড়ি বা বিলাসবহুল জীবন নয়।⚡ 

অনেক সফল ও ধনী মানুষ নীরবে, সাধারণ জীবনযাপন করেই তাদের লক্ষ্য অর্জন করেন। তারা flashy lifestyle-এর পেছনে না ছুটে, কিছু নিয়মিত অভ্যাসের মাধ্যমে ধাপে ধাপে নিজের আর্থিক ভিত্তি গড়ে তোলেন। চলুন জেনে নিই এমন কিছু অভ্যাস, যা ধীরে ধীরে কিন্তু নিশ্চিতভাবে আপনাকে ধনী হওয়ার পথে এগিয়ে নিয়ে যাবে।


১. নিজেকে আগে রাখুন, খরচ পরে করুন

আর্থিকভাবে সফল মানুষ প্রথমেই আয় থেকে একটি নির্দিষ্ট অংশ আলাদা করে রাখেন সঞ্চয় বা বিনিয়োগের জন্য। খরচ করার আগে সঞ্চয়ের কথা ভাবেন। মাসের শুরুতেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিং থেকে টাকা স্থানান্তরের ব্যবস্থা রাখেন। এতে খরচের ফাঁকে সঞ্চয় বাদ পড়ে না।


২. নিয়মিত শেখার অভ্যাস গড়ুন

বাজারে কোন দক্ষতার চাহিদা বাড়ছে, কোন সেক্টরে প্রবৃদ্ধি হচ্ছে—এসব জানার জন্য তারা সবসময় সচেতন। নতুন কিছু শেখার জন্য বই পড়েন, কোর্স করেন, ভিডিও দেখেন বা পডকাস্ট শুনেন। জ্ঞানে বিনিয়োগ মানেই ভবিষ্যতের আয় বৃদ্ধির পথে এক বড় পদক্ষেপ।


৩. তাড়াহুড়ো নয়, ধৈর্য ধরুন

অর্থনৈতিক দিক থেকে এগিয়ে থাকা মানুষ জানেন, সময়ই আসল শক্তি। হুটহাট সিদ্ধান্ত না নিয়ে ধৈর্য ধরে সঠিক সময়ে বিনিয়োগ করেন। তাৎক্ষণিক আনন্দের বদলে দীর্ঘমেয়াদী লাভে গুরুত্ব দেন।


৪. আয়ের একাধিক উৎস গড়ে তুলুন

আর্থিক নিরাপত্তার জন্য একটি আয়ের উৎসে নির্ভর না করে বিকল্প পথ খুঁজে বের করেন তারা। এটি হতে পারে ফ্রিল্যান্সিং, অনলাইন ব্যবসা, ইউটিউব, রিয়েল এস্টেট, শেয়ার বাজার বা প্যাসিভ ইনকামের অন্য মাধ্যম। একাধিক উৎস তাদের ঝুঁকি কমায় ও আয় বাড়ায়।


৫. ইতিবাচক ও উন্নয়নমুখী মানুষের সঙ্গে সময় কাটান

যারা জীবনে উন্নতির চেষ্টা করেন, তাদের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখা মানেই নতুন নতুন ভাবনা ও সুযোগের সন্ধান পাওয়া। এই পরিবেশ নিজের ভেতরের সম্ভাবনাকেও জাগিয়ে তোলে।


৬. বাহ্যিক চাকচিক্যে না গিয়ে বাস্তব জীবন যাপন করুন

নীরবে ধনী হওয়া মানুষ অহেতুক খরচ করেন না। দেখানোর জন্য দামি জিনিস কেনেন না, সাধারণ পোশাক ও যানবাহনে চলেন। ফাঁকা স্টাইলের চেয়ে স্থায়ী আর্থিক স্থিতিশীলতাকে গুরুত্ব দেন।


৭. আর্থিক পরিকল্পনা নিয়মিত পর্যালোচনা করুন

তারা প্রতিমাসে আয়, খরচ, সঞ্চয়, ও বিনিয়োগের হিসেব রাখেন। কোথায় খরচ বাড়ছে বা কোথা থেকে আয় বাড়ানো যায়, তা বিশ্লেষণ করে প্রয়োজন মতো পরিবর্তন আনেন।


৮. শুরু করুন আজই, সুযোগের অপেক্ষা নয়

ধনী হওয়ার জন্য উপযুক্ত সময়ের অপেক্ষা না করে এখনই উদ্যোগ নেন। ছোট হলেও একটি পদক্ষেপ নেন, কারণ ধীরে ধীরে তা বড় ফল দেয়। নিখুঁত হওয়ার চেয়ে শুরু করাই তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।


অর্থনৈতিক স্বাধীনতা বা ধনী হওয়া কোনো ম্যাজিক নয়। এটি কিছু ছোট অভ্যাসের ধারাবাহিক চর্চা। প্রতিদিনের জীবনযাত্রায় এই অভ্যাসগুলো যোগ করে ধীরে ধীরে এগিয়ে যান আপনার আর্থিক লক্ষ্য পূরণের দিকে।


এই পথ নীরব হলেও, ফল কিন্তু অনেক দৃঢ়।

আজই শুরু করুন!✅

টাকাই সব নয়” —এ কথা বলা যতটা সহজ, বাস্তবে তা মানা ততটাই কঠিন,,,,,

 “টাকাই সব নয়” —এ কথা বলা যতটা সহজ, বাস্তবে তা মানা ততটাই কঠিন। এই সমাজে টাকা ছাড়া কোনো মানুষের অস্তিত্বই যেন স্বীকৃত নয়…!!


যার হাতে টাকা নেই, তার কণ্ঠস্বর শোনা হয় না, তার দুঃখ-ব্যথা অনুভব করা হয় না। একজন মানুষ যখন অর্থহীন হয়ে পড়ে, তখন শুধু তার প্রয়োজনগুলোই অপূর্ণ থাকে না—সাথে সাথে সমাজ তার উপর ছুঁড়ে দেয় অবহেলার, অবজ্ঞার আর অপমানের তীক্ষ্ণ বাক্য।


টাকা না থাকলে—

তুমি এক ফোটা ওষুধ কিনতে পারবে না,

তোমার সন্তানের মুখে এক টুকরো হাসি ফোটাতে পারবে না,

তোমার মা-বাবার শেষ বয়সে চিকিৎসাটুকু করাতে পারবে না।


সত্যিটা নির্মম—অনেক বাবা-মা শুধুমাত্র গরিব থাকার কারণে বিনা চিকিৎসায় পৃথিবী ছেড়ে চলে যান। অনেক সন্তান নিজের স্বপ্ন ছুঁতে না পেরে ভেঙে পড়ে, থেমে যায়, কেবল টাকার অভাবে।


টাকা না থাকলে—

তুমি যতই ভালো ব্যবহার করো না কেন, কেউ মূল্য দেবে না। তুমি যতই সম্পর্ক ধরে রাখতে চাও, এক সময় সম্পর্কও তোমাকে ছেড়ে চলে যাবে।


এই সমাজ কেবল তখনই তোমাকে আপন ভাবে, যখন তোমার হাতে কিছু থাকে। আর যদি না থাকে? তখন তুমি তাদের চোখে শুধু একটা ‘বোঝা’।


টাকা ছাড়া—

না হয় ভালোবাসা কেনা যায় না, কিন্তু ভালোবাসার মানুষটাকে পাশে রাখতে হলেও টাকা লাগে। টাকা না থাকলে, সময়ের সঙ্গে সবাই দূরে সরে যায়…

কারণ এই সমাজ কেবল স্বপ্ন দেখে, 

কেউ স্বপ্ন পূরণের দায় নেয় না।


কেউ যদি ভাবে, কিছু মানুষ কেবল টাকার পেছনে ছোটে—তবে তারা বোঝে না, যারা টাকার পেছনে ছোটে, তারা জানে অভাবের কষ্ট কতটা গভীর, তারা জানে সন্তানের মুখে দুমুঠো হাসি ফোটাতে কতটা যন্ত্রণা সহ্য করতে হয়, তারা জানে জীবনের প্রতিটা মুহূর্তে নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে কতটা যুদ্ধ করতে হয়।


টাকাই কি সব? না, হয়তো নয়।

কিন্তু টাকাই সেই ভিত্তি, যার ওপর দাঁড়িয়ে থাকে জীবন, দায়িত্ব, সম্পর্ক, স্বপ্ন আর আত্মসম্মান। যারা বলে টাকা দিয়ে সুখ কেনা যায় না, তাদের বোঝা উচিত— সুখ যদি না-ও কেনা যায়, সুখে বাঁচার রাস্তাটা কিন্তু টাকা দিয়েই তৈরি হয়।


আর সব থেকে বড় কথা দুবেলা দুমুঠো খাবার যোগাড় করার জন্যও কিন্তু ওই টাকাটাই প্রয়োজন।


তাই জীবনকে ছোট মনে কোরো না। টাকাকে ঘৃণা নয়—সৎভাবে উপার্জনের মানসিকতা গড়ে তুলো। বুদ্ধি, ব্যবহার, ভালোবাসা সবকিছুর পাশাপাশি টাকাও প্রয়োজন—


কারণ জীবন শুধু আবেগ দিয়ে চলে না, চলে প্রয়োজন পূরণের সক্ষমতা দিয়ে। আর সেই সক্ষমতার নামই “টাকা”।


সংগৃহীত

বিবাহে বয়সের ব্যবধান : সুখের অনুপাতে অসমতা

 বিবাহে বয়সের ব্যবধান : সুখের অনুপাতে অসমতা


বুড়ো বাম! ৩৩ বছরে চাকরি পাওয়ার পর ১৭ বছরের পাত্রী খোঁজে! বন্ধুদের আড্ডায় মশকরা করে বলে, কচি লাগবে!


বিয়ের ক্ষেত্রে বয়সের এই অসম ব্যবধান সমাজকে যে কতটা ভোগাচ্ছে, তার অনেকটা বাইরে থেকে আন্দাজ করা যায় না। দুর্ঘটনা সামনে এলে তবেই ঘটনা বুঝতে পারি! শরীর শরীরকে ধারণ করতে পারলেও, মন এই ব্যবধানকে রীতিমতো বারণ করে। কথা বলার জন্য কিংবা খুনসুটিতে ঝগড়াঝাঁটি, চুলোচুলি এমনকি মারামারি করার জন্য হলেও অন্তত কাছাকাছি বয়সের দুজন মানুষের পরস্পরের সঙ্গী হওয়া উচিত! বিবাহে জেনারেশন গ্যাপ অশান্তির বড় কারণ। একেক প্রজন্ম একেক রকমের ধ্যানধারণা নিয়ে বেড়ে ওঠে।


আগে নানার বয়সে নাতির বয়সীকে বিয়ে করতো—তখন সেটা মানাতো। নারী তো তখন কথা বলতে জানতো না, মতামত দিতে পারতো না। এখনকার নারী চুপ থাকবে? তাকে কিছু চাপিয়ে দিয়ে দমিয়ে রাখা যাবে?


অষ্টাদশী প্রতিদিন ঘুরতে ইচ্ছা করবে, একক পরিবারে থাকতে ইচ্ছা করবে এবং স্বামীর সবকিছু দখল করতে ইচ্ছা করবে! ৩০-৩২ বছরের পুরুষ তো প্রায় বৃদ্ধ মানুষের মতো চিন্তা করবে। কাজেই দুজনের চিন্তায় যে দূরত্ব, তা তাদের পরস্পরের মন থেকেও বহুদূরে নিয়ে যায়। তখন হয় স্বামীকে, নয়তো স্ত্রীকে অনেকখানি স্বৈরাচারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হতে হয়। আজকাল পর সামলানোর চেয়ে ঘর সামলানো কঠিন।


বিয়ের ক্ষেত্রে বয়স অবশ্যই ফ্যাক্টর। অতীতে মায়েদের দুর্বল করে রাখার অস্ত্রই ছিল সিরিজ সন্তান গ্রহণ করিয়ে দেওয়া। এ যুগে বড়জোর দুইটি! সমাজ যেভাবে হাঁটছে, তাতে এই দুটোতেই আবার একটি বেশি! বিবাহে স্বামী-স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান যদি বেশি হয়, তবে ভবিষ্যতে বহুমাত্রিক সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। সাধারণত চাকরিজীবী, প্রতিষ্ঠিত হয়ে বিবাহ করা পুরুষ এবং প্রবাসীদের মধ্যে স্বামী-স্ত্রীর বয়সের পার্থক্য অধিক হয়! অশান্তি অনেকটাতে সমাজের এই আঙিনা পুড়ছে।


ধরা যাক, স্বামীর সাথে স্ত্রীর বয়সের ব্যবধান পনেরো বছর! স্ত্রী যখন পঁচিশে, স্বামী তখন চল্লিশের কোঠায়! স্বামীর চালশে দেখার বয়সে স্ত্রীর দেখার কেবল শুরু! তাছাড়া খাদ্যাভ্যাস এবং প্রকৃতিগতভাবেই আজকাল পুরুষের শারীরিক শক্তি-সামর্থ্যের যা হাল! পুরুষের নেতিয়ে পড়ার বয়সে নারীর যে জেগে ওঠার কাল!


দাম্পত্যে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন মনের মিল। অসম সময়ে সৃষ্ট দুজনার মন সরল রেখায় চলবে—এটা ভাবছেন কী করে? বিবাহে বয়সের ফারাক অনেক হলে স্বামী কোনোদিন স্ত্রী’র মনের নাগাল পায় না আর স্বামীর প্রতি স্ত্রীরও অভিযোগের পাহাড় জমতে থাকে।


শরীরের আকর্ষণ সাময়িক। একটা সময় থামতে হয়। কিন্তু মনের ব্যাপ্তি মৃত্যু অবধি। সাংসারিক অশান্তির অনেকগুলো কারণের মধ্যে বয়সের ব্যবধান অন্যতম প্রধান ফ্যাক্টর। বিবাহের ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের শারীরিক সক্ষমতা, ভৌগোলিক প্রবণতা এবং সামাজিক সুস্থ ধারা বজায় রাখতে বৈজ্ঞানিক নিয়মনীতি মানা উচিত। ব্যবধান বড়জোর ছয়। নয়তো জীবন নয়-ছয়ে হ-য-ব-র-ল হয়ে যাবে।


সাম্প্রতিক আত্মহত্যা করা পলাশ সাহার সংসারের অশান্তিতেও অসম বয়সের প্রভাব ছিল। একজন মানুষ তার সঙ্গীকে বুঝবে, অনুপস্থিতিতে খুঁজবে—এর জন্য বয়সের পরিপক্বতার উপযুক্ততা দরকার। দুজনের মন যদি দুনিয়ার দুদিকে হাঁটে, তবে হাটবাজারে দুএকবার মিলন হতে পারে, কিন্তু সুখ স্থায়ী হয় না। 


বিবাহের ক্ষেত্রে প্রাচীন প্রবণতা থেকে বের হয়ে আসা জরুরি। দুজনের একসাথে তরুণ থাকা, যুবক হওয়া এবং বৃদ্ধ বয়সে হাঁটা জরুরি। একজন বৃদ্ধ হবে আরেকজন যুবতী থাকবে, তাও পরস্পরের বিশ্বাস পাহারা দিয়ে রাখবে—সেই আলোর অনেকটাই এই দুনিয়ায় পড়ে না। কাজেই বিবাহের সিদ্ধান্তের পূর্বে বাস্তববাদী হোন। শুধু বর-কনে নয়, বরং উভয়ের বাবা-মা ও অভিভাবকদেরকেও এ ব্যাপারে সচেতন ও সজাগ থাকতে হবে। 


সঙ্গীর কথার ওজন, চিন্তার গভীরতা বইতে পারা জরুরি। কিছু নারী অর্থের লোভে পড়ে। তবে হতাশাতেও ভুগতে হয় বটে!

ইনকিউবেটরে মুরগির ডিম বসানোর প্রথম দিন থেকে ডিম ফোটা পর্যন্ত সম্পূর্ণ ২১ দিনের যত্ন ও নিয়ম মেনে চলা খুব গুরুত্বপূর্ণ। নিচে ধাপে ধাপে সম্পূর্ণ নির্দেশনা দেওয়া হলো:

 ইনকিউবেটরে মুরগির ডিম বসানোর প্রথম দিন থেকে ডিম ফোটা পর্যন্ত সম্পূর্ণ ২১ দিনের যত্ন ও নিয়ম মেনে চলা খুব গুরুত্বপূর্ণ। নিচে ধাপে ধাপে সম্পূর্ণ নির্দেশনা দেওয়া হলো:


🥚 ১. ডিম বসানোর আগে (প্রস্তুতি)

* ডিম বাছাই করুন

* ৫-৭ দিনের মধ্যে তাজা ডিম ব্যবহার করুন।

* ফাটল বা দাগ নেই এমন ডিম নিন।

* খুব বড় বা খুব ছোট নয়, মাঝারি আকৃতির ডিম নিন।

* মা-মুরগি যেন সুস্থ হয় এবং টিকা দেওয়া থাকে।


ডিম সংরক্ষণ:

* বসানোর আগে ডিম ১৫°C (৬০°F)-এর নিচে না রেখে ঠান্ডা ও শুকনো জায়গায় ৩-৫ দিন পর্যন্ত রাখা যায়।

* ইনকিউবেটর প্রস্তুত করুন:

* ভালোভাবে জীবাণুমুক্ত করুন।

* তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা সঠিকভাবে যাচাই করুন।


📅 ২. দিন ১ - ১৮ (ইনকিউবেশন পর্ব)

* তাপমাত্রা: ৩৭.৫°C (৯৯.৫°F)

* আর্দ্রতা (Humidity): ৫০-৫৫%

* ডিম ঘোরানো: দিনে ৩-৫ বার (স্বয়ংক্রিয় হলে ভালো), ১৮ দিন পর্যন্ত

* বাতাস চলাচল: হালকা বায়ু চলাচল নিশ্চিত করুন

* ডিম ঘোরানো বাধ্যতামূলক, না হলে ভ্রূণ একপাশে আটকে যাবে।

* ডিম রাখতে হবে ডিমের মাথা (চিকন দিক) নিচের দিকে।

* ৭ম ও ১৪তম দিনে candling করে ডিমে ভ্রূণের উন্নয়ন দেখতে পারেন।


🔒 ৩. দিন ১৮ - ২১ (লকডাউন পর্যায়)

* তাপমাত্রা: ৩৭.২ - ৩৭.৫°C

* আর্দ্রতা: ৬৫-৭০%

* ডিম ঘোরানো বন্ধ করুন

* ইনকিউবেটর খোলা নিষেধ: আর্দ্রতা হঠাৎ কমলে বাচ্চা মারা যেতে পারে

* এখন ডিম ইনকিউবেটরের ফ্লোরে (হ্যাচিং ট্রেতে) রাখুন।

* এই সময় ডিমে ফাটল ও "চিপিং" শোনা যাবে।


🐣 ৪. ডিম ফোটা (হ্যাচিং)

* সাধারণত ২১তম দিনেই বাচ্চা ফোটে, তবে ±১ দিন হতে পারে।

* বাচ্চা ডিম থেকে বের হয়ে ইনকিউবেটরে শুকিয়ে গেলে তারপর বাইরে তুলতে হবে (৬-১২ ঘণ্টা)।


 প্রথম দিন খাবার না দিলেও চলবে—বাচ্চা ডিমের কুসুম থেকে পুষ্টি পায়।


✅ অতিরিক্ত টিপস:

* থার্মোমিটার ও হাইগ্রোমিটার দিয়ে নিয়মিত তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা মাপুন।

* বিদ্যুৎ বিভ্রাটে UPS বা জেনারেটর ব্যবহার করুন।

* ইনকিউবেটরের ঢাকনা খুলবেন না যখন বাচ্চা ফুটছে।


[আমদানীকারক, সরবরাহকারী ও বিক্রেতা ]

▶️দোকান/শো-রুম:

🇧🇩 মধুমতি ইনকিউবেটর এন্ড ইলেকট্রিক 🇧🇩

📌২২০/বি, কাঠালতলা, তেজকুনিপাড়া, তেজগাঁও, ঢাকা-১২১৫।


মোবাইল নম্বর, ঠিকানা বা গুগল ম্যাপ জানতে "মধুমতি ইনকিউবেটর এন্ড ইলেকট্রিক" লিখে ফেসবুক বা গুগলে সার্চ দিন।

বাচ্চারা আনন্দ পায় না বলে স্কুলে আসে না। এক বৃদ্ধ শিক্ষক সেদিন এলেন পড়াবার জন্য।

 বাচ্চারা আনন্দ পায় না বলে স্কুলে আসে না। এক বৃদ্ধ শিক্ষক সেদিন এলেন পড়াবার জন্য।

--আচ্ছা লেখো তো, এক অক্ষরে 'ডাকাত'।

কেউ লিখতে পারলো না।


তিনি ডা' কাত করে লিখে বললেন- এই হলো ডাকাত।

সবাই হেসে হেসে কূটিকূটি।


আচ্ছা এবার বলো তো কীভাবে এক অক্ষরে 'কাতলা' লিখবে।

সবাই আবার অবাক।

শিক্ষক 'লা' কাত করে লিখে বললেন-- এই হলো কাতলা।

শিশুরা হাসছে তো হাসছে।


তারপর তিনি 'কা' লিখে মুছে দিয়ে বললেন-- বলো এবার কী লিখলাম।

সবাই আবারো অবাক।

তিনি বললেন-- এবার লিখলাম কানাই।

শিশুদের হাসির রোল উঠলো।


এবার তিনি ছাত্রদের বললেন-- বলো তো আমি কেমন পড়ালাম।


ছোট একটা শিশু দাঁড়িয়ে বললো-- আপনি আমাদের আজ কিছুই পড়ান-নি।


কিছুই পড়াইনি! কি বলো!


এবার শিশুটি বোর্ডে গিয়ে একটা সূর্য আঁকলো। সূর্যের চারপাশে কিরণ এঁকে বললো-- আজকে রবি শুধু তার আলো ছড়িয়েছে।


এই স্কুলটি হলো শান্তিনিকেতন

শিক্ষক টি কে জানেন?

"রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর"

আর বোর্ডে যে ছাত্রটি এঁকেছিলেন, তিনি ছোট্ট 

“সত্যজিৎ রায়”।


#সংগৃহীত #স্বপ্নকুটির_A_House_of_Love

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...