এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

রবিবার, ১১ মে, ২০২৫

বিয়ের সময় জঘন্য নিয়ম 

 বিয়ের সময় জঘন্য নিয়ম 

____________________________

১. বিয়ের গোসল দেয় ভাবিরা, অথচ স্বামী মারা গেলে স্ত্রীকে গোসল দিতে দেয়না।


২. বিয়ে করলেন আপনি, আর বিয়ের অনুষ্ঠানে আপনার হাত ধুয়ে দিবে আপনার শালি। বউকে কোলে করে ঘরে নিয়ে যাবে আপনার ছোটভাই, মানে দেবর। অবাক নয় কি??!!!!


৩. বিয়ের সম্পর্ক যৌবনের সাথে, ক্যারিয়ার গড়ার জন্য পড়ে রয়েছে আজীবন। 

অথচ আমাদের দেশে বলা হয় আগে ক্যারিয়ার গড়ো তারপর বিয়ে কর। পরিণতিতে পার্কে পার্কে অবাধ প্রেমলীলা, ধর্ষণের সেঞ্চুরি আর ডাস্টবিন গুলোতে বেওয়ারিশ শিশু লাশের ছড়াছড়ি যা কুকুর, কাক আর শকুন মিলে ভাগাবাটি করে খায়।


৪. বিয়ে করে বউকে খাওয়াবি কী????? 

কথাবার্তা শুনে মনে হয় বউ পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ খাদক যার ক্ষুধা নিবারণ করা দু:সাধ্য।


৫. ওয়াজ মাহফিল শুনলে মনে হয় পর্দা শুধু নারীদের জন্য। অথচ আল কুরআনে সর্বপ্রথম পুরুষের পর্দার কথা বলা হয়েছে।


৬. বিয়ে মানেই মেয়ের বাবার উপর খরচের পাহাড় চাপিয়ে দেয়া। অথচ ইসলামে দাওয়াত খাওয়ানোর দায়িত্ব বর পক্ষের, কন্যা পক্ষের নয়।


৭. আমাদের দেশে বরপক্ষ যৌতুক নেয়, মোহরানা না দিয়ে বাসর রাত্রে স্ত্রীর নিকট ক্ষমা চায়। অথচ ইসলামি বিধান মতে স্ত্রীরা মোহরানার হক্বদার, যৌতুক তো সম্পুর্ণ হারাম।


৮. কতিপয় হুজুরের কথাবার্তা শুনে মনে হয় সেবা পাওয়ার হক্বদার শুধুই স্বামী। অথচ রাসুলুল্লাহ (সা) বলেছেন তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই আল্লাহর কাছে উত্তম যে তার স্ত্রীর নিকট (দ্বীনের ক্ষেত্রে) উত্তম।


৯. বিয়ের অনুষ্ঠানে বরের হাতে স্বর্ণের আংটি না পরালে মান সম্মান থাকেনা, অথচ পুরুষদের জন্য স্বর্ণ ব্যবহার হারাম।


১০. পুরুষদের কাপড় থাকবে টাখনুর উপরে, আর মেয়েদের কাপড় থাকবে টাখনুর নিচে। অথচ বাস্তবতা???????


১১. আলেম-ওলামারা শুধু পিতা-মাতার খেদমতের হাদিস বয়ান করে থাকে, অথচ সন্তান লালন-পালনের অনেক হাদিস রয়েছে যে ব্যপারে এক অজানা নিরবতা। দুই একজন হুজুর এ ব্যপারে কথা বললেও সর্বোচ্চ সন্তানকে দ্বীনি শিক্ষাদানের গুরুত্ব পর্যন্তই সীমাবদ্ধ।


১২. বিয়ের ব্যপারে হাজারো বাধা বিপত্তি থাকলেও ব্যভিচার একেবারেই সহজলভ্য।


১৩. কতিপয় লোকের কাণ্ড কারখানা দেখলে মনে হয় যে, কন্যাকে- বোনকে সম্পত্তি ফাঁকি দিতে পারা সবচেয়ে বড় ক্রেডিট। ভাবখানা এমন যে, পুত্র সন্তানদের জন্ম দিয়েছে নিজ ঘরে, আর কন্যাদের কচু বাগানে।


১৪. রাসুলুল্লাহ (সা) তাক্বওয়া ভিক্তিক পাত্র-পাত্রী নির্বাচন করতে বলেছেন, আর আমরা করছি চেহারা আর সম্পত্তি ভিক্তিক।

কোন ভুল হলে ক্ষমা করবেন।

পলাশ সাহা এর সুই*সাইড নোটের ফরেনসিক ব্যাখ্যা"

 "পলাশ সাহা এর সুই*সাইড নোটের ফরেনসিক ব্যাখ্যা"


"পলাশ স্যারের নোট দেখে তার মাকে বেশি অপরাধী মনে হচ্ছে আমার, উনার সম্পর্কে ভালো করে  তদন্ত করা দরকার" মো: মিরাজ হোসেন ( ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ) 


হাতের লেখা বিশ্লেষণ করে ব্যক্তির মানসিক অবস্থা নির্ণয় করা যায়। হ্যান্ডরাইটিং অ্যানালাইসিস বা গ্রাফোলজির একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো "Margin" বিশ্লেষণ। মার্জিন থেকে বোঝা যায় ব্যক্তির past নাকি future এ বেশি focus করে এবং তার স্বাধীনচেতা এবং insecurity feeling কেমন।  একটি ব্যক্তির হাতের লেখার মার্জিন যদি এলোমেলো হয়—যেমন কখনো দূরে, কখনো মাঝখানে, আবার দূরে চলে যায়—তবে তা নির্দেশ করে যে ব্যক্তিটি প্রথমে  Independent মনোভাব নিয়ে শুরু করলেও কিন্তু পরে নিরাপত্তার খোঁজে থাকে ( insecurity feeling)। এখানে লেখকের ভেতরে একটি অনিশ্চয়তা বা অস্থিরতা বিরাজ করছে, যা লেখার বিন্যাসেই প্রকাশ পাচ্ছে।


শব্দের আকার ও লাইনের গঠন:

যদি শব্দ গুলো বড় বড় আকারে লেখা হয়, তা বোঝায় যে লেখকের মধ্যে Attention Seeking Behavior রয়েছে। লেখার Baseline যদি বেশি Wavy হয়, বিশেষ করে Heavy Wavy বা শব্দ হঠাৎ উপরে নিচে অবস্থা করে লাইনে , তখন তা Emotional Instability বা চরম আবেগগত অস্থিরতার ইঙ্গিত দেয়।


এই লেখাটি উপরের দিকে আসতে আসতে Arcade Handwriting-এর রূপ নিচ্ছে, যা লেখকের মধ্যে একটি Protective Tendency বা নিজেকে এবং নিজের আবেগকে ঢেকে রাখার প্রবণতা প্রকাশ করে।অন্যদের প্রতি কেয়ারও বোঝা যাচ্ছে।


অক্ষরের গঠন ও বানান:

কিছু নির্দিষ্ট অক্ষর যেমন "যা", "তা", "ন"—এই অক্ষরগুলোর গঠন তুলনামূলক বড় এবং শেষের দিকটা মোটা বা স্পষ্টভাবে শেষ হয়েছে, যা প্রকাশ করে লেখক বেশি আশাবাদী এবং অতিরিক্ত প্রত্যাশা করে থাকেন অন্যদের থেকে। কিন্তু অতিরিক্ত প্রত্যাশা অনেক সময় হতাশার জন্ম দিতে পারে।


Ascending Baseline:

নোটে কিছু লাইন আছে যা উপরের দিকে উঠে যাচ্ছে, যেমন:

"দিদি যেন কো-অর্ডিনেট করে"

"স্বর্ণ বাদে যা আছে তা মায়ের জন্য"

এই Ascending লাইনগুলোর মাধ্যমে লেখকের আশাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পাচ্ছে। উনার দিদির উপর বিশ্বাস বা আস্থা অনেক। 


সংবেদনশীল সম্পর্কের ইঙ্গিত:

নোটের প্রথম লাইনে লেখা ছিলো—

"আমার মৃ*ত্যুর জন্য মা এবং বউ কেউ দায়ি না"

এখানে "মা" শব্দটি একটু নিচে লেখা হয়েছে, যা Negative Emotion connection  প্রকাশ করে।


অন্যদিকে, "বউ" শব্দটি একটু উপরে ও ছোট করে লেখা হয়েছে, যা তুলনামূলকভাবে বেটার সম্পর্কের ( Positive Emotional Connection)  ইঙ্গিত দেয়।


 তবে এখানে কাউকে এককভাবে দায়ী করা যাবে না।


আরেকটি লাইন ছিলো—

"কাউকে ভালো রাখতে পারলাম না"

এখানে "ভালো রাখতে" অংশটি Ascending এবং "পারলাম না" অংশটি Descending, যা লেখকের ভেতরের হতাশা ও ব্যর্থতার অনুভূতি প্রকাশ করে।


লেখার গঠন ও ভঙ্গি:

লেখার Angular Formation “মা” শব্দে কম থাকলেও “বউ” শব্দে তা স্পষ্টভাবে এসেছে, যা ভিন্ন আবেগ প্রকাশ করছে।

তাছাড়া এ লেখাটির Consistency নেই, কখনো শব্দ বড়, কখনো ছোট।


ই-কার, আ-কার ইত্যাদির Sharpness বোঝায় যে লেখকের খোঁচা মেরে কথা বলার স্বভাব থাকতে পারে।


বাংলা হ্যান্ড রাইটিং অ্যানালাইসিস এখনো গবেষণার প্রাথমিক স্তরে রয়েছে। এই লেখাতে কিছু "র" অক্ষর বামদিকে ঝুঁকে রয়েছে, তা যদি ইংরেজি গ্রাফোলজির আলোকে এনালাইসিস করা হয়, দেখা যায় যে লেখকের মনোযোগ অতীতের দিকে রয়েছে।


হাতের লেখা একজন মানুষের মানসিক অবস্থা, আবেগ, সম্পর্ক ও প্রত্যাশার বিষয়ে অনেক কিছু বলে দেয়। উপরের এই লেখাটি বিশ্লেষণে এসকল তথ্যগুলো সহজেই বুঝা যাচ্ছে।


যারা আত্ম*হত্যা করে, তাদের নোটের মধ্যে নিচের বিষয়গুলো কমন পাওয়া যায়:

1. অনেক বেশি চাপ দিয়ে লেখা ( heavy pressure) 

2. হঠাৎ করে কোন নির্দিষ্ট শব্দ বারবার উপরে বা নিচে অবস্থা করছে

3. হাতের লেখার লাইন নিচের দিকে নেমে যাচ্ছে। (Descending Baseline) 

4. লাইনের শেষ শব্দ হঠাৎ করে নিচে নেমে যাওয়া। 

5.  হাতের লেখা কখনো  বাম দিকে, কখনো ডান দিকে (multi slant) কোণ করে লেখা। 

6.  হাতের লেখা বা নিজের সাইনে অনেক কাটাকাটি থাকে। ( Negative Pastosity)

7.  হাতের লেখা অনেক বেশি উপরে বা নিচে কানেকশন থাকে ( deep or arcade connection) 

8.  শব্দের শেষর অক্ষর বেশি টান দেওয়া থাকে (big ending stroke)

9.   যদি একাকিত্ব অনুভব করে তাহলে এক শব্দ থেকে  অন্য শব্দের মধ্যে এবং এক লাইন থেকে অন্য লাইনের মধ্যে অনেক বেশি দূরত্ব থাকবে (  wide letter & line space)

10.   হঠাৎ করে অক্ষর এর সাইজ বড় বা ছোট হবে।( variable size)


বিশ্লেষক:

মো: মিরাজ হোসেন 

পিএইচডি গবেষক,  হস্তাক্ষর বিশ্লেষক, ফরেনসিক সাইকোলজিস্ট

পরিচালক: বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ফরেনসিক সাইকোলজি এন্ড সাইন্সেস

রাণীকে দুরারোগ্য ব্যাধি থেকে মুক্ত করার জন্য কবিরাজ-হাকিমের পরামর্শে ৩৬৫টি পুকুর খনন করেছেন পাল বংশের রাজা চান্দিলাল পাল!

 রাণীকে দুরারোগ্য ব্যাধি থেকে মুক্ত করার জন্য কবিরাজ-হাকিমের পরামর্শে ৩৬৫টি পুকুর খনন করেছেন পাল বংশের রাজা চান্দিলাল পাল!


মমতাজের স্মৃতিতে বাদশা শাহজাহানের তাজমহল নির্মাণের মতন যুগে যুগে এমন অনেক ভালোবাসার অমর কাহিনী আমাদের লোকগাথায় বিবৃত হয়েছে।

লোকমুখে প্রচলিত তেমনি একটি অমর প্রেমের কাহিনীর নির্দশন হচ্ছে নওগাঁ জেলা শহর থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে ধামইরহাট উপজেলার ইসবপুর ইউনিয়নের চক-চান্দিরা গ্রামে কথিত পাল বংশের রাজা চান্দিলাল পাল কর্তৃক খননকৃত ৩৬৫টি পুকুর। ৮ কিলোমিটার জায়গায় জুড়ে বিস্তৃত পাশাপাশি  পুকুরগুলো পূর্ব -পশ্চিম ও উত্তর-দক্ষিণে লম্বা এবং কিছু পুকুর চৌকোনাকৃতি।


জনশ্রুতি আছে যে, অষ্টাদশ শতাব্দীতে এই অঞ্চলের রাজা, রাজা চান্দিলাল পাল প্রথম রাণীর উপস্থিতিতেই প্রেমে পড়ে প্রচণ্ড ভালোবেসে দ্বিতীয় বিয়ে করেন এবং এই দ্বিতীয় রাণীকেও প্রাসাদে নিয়ে আসেন। কিন্তু ভাগ্যের বিড়ম্বনায় মধুচন্দ্রিমা কেটে উঠার আগেই দুরারোগ্য রোগে আক্রান্ত হন দ্বিতীয় রাণী।


রাণীর রোগ নিরাময়ের জন্য রাজা চান্দিলাল রাজ্যের সব কবিরাজ-হাকিমকে ডেকেও কোনো সুফল না পেয়ে যখন দিশেহারা তখন তিনি পাশের রাজ্যের এক দক্ষ হাকিমের খবর পান। তিনি দূত মারফত হাকিমকে নিজ রাজ্যে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানান। হাকিম আসার পর রাণীর রোগ সম্পর্কে সব শুনে হাকিম রাজাকে পরামর্শ দেন, রাণীকে সুস্থ করতে চাইলে রাজাকে ৩৬৫টি পুকুর খনন করতে হবে এবং রাণীকে প্রতিদিন একটি করে পুকুরে গোসল করাতে হবে, তাহলে রাণী দুরারোগ্য ব্যাধি থেকে মুক্তি পাবেন।


হাকিমের কথায় রাজা চিন্তায় পড়ে যান। এত অল্প সময়ে কীভাবে এত পুকুর খনন করবেন?ভালোবেসে বিয়ে করা প্রিয়তমা স্ত্রী বলে কথা। হাকিমের পরামর্শ অনুযায়ী রাজা দ্রুত রাজ্যের সব প্রজাকে দিয়ে পুকুর খননের কাজ শুরু করেন। দিনে একটি পুকুর খনন করা শেষ হয় আর রাণী সেখানে গোসল করেন। এক বছর পর রাণী কঠিন দুরারোগ্য রোগ থেকে মুক্তি পান।


বর্তমানে চকচান্দিরা গ্রামে, ৩৬৫টির প্রতিটি পুকুরের পাড়ে বন বিভাগের সুবিশাল সবুজ বনায়ন। বনের গাছের ডালে বিভিন্ন পাখির কলরব শুনতে পাওয়া যায়। এ ছাড়াও পাশে ১ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে রয়েছে বন বিভাগের নজরকাড়া সৌন্দর্যের নিজস্ব সবুজ বনায়ন।


প্রায় আট কিলোমিটার জুড়ে ৩৬৫টি পুকুর ছাড়াও, দুই রাণীর গোসলের জন্য আলাদা দুটি পুকুর খনন করা হয়েছিল, যে দুটি এখন ‘দুই সতীনের পুকুর’ নামে পরিচিত। পুকুর দুটিতে গোসল করতে নামলে ইট-পাথরসহ অনেক মূল্যবান বস্তুর দেখা পাওয়া যায়।


শিহাব আহমেদ শাহীন এর ওয়াল থেকে নেয়া

কারক ও বিভক্তি মনে রাখার কৌশল

 কারক ও বিভক্তি মনে রাখার কৌশল


কারক ছয় প্রকার: 

১. কর্তৃকারক

২. কর্মকারক

৩. করণকারক

৪. সম্প্রদান কারক

৫. অপাদান কারক

৬. অধিকরণ কারক


সংজ্ঞা: যে কাজ করে, তাকে কর্তা বা কর্তৃকারক বলে।

উদাহরণ:

আমি ভাত খাই।

বালকেরা মাঠে ফুটবল খেলছে।


মনে রাখার কৌশল:

“কে” বা “কারা” দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই কর্তৃকারক।

উদাহরণ:

কে ভাত খায়? → আমি

কারা ফুটবল খেলছে? → বালকেরা


২. কর্মকারক


সংজ্ঞা: কর্তা যাকে অবলম্বন করে কার্য সম্পাদন করে, সেটি কর্ম বা কর্মকারক।

উদাহরণ:

আমি ভাত খাই।

হাবিব সোহেলকে মেরেছে।


মনে রাখার কৌশল:

“কি” বা “কাকে” দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটি কর্মকারক।

উদাহরণ:

আমি কি খাই? → ভাত

হাবিব কাকে মেরেছে? → সোহেলকে


৩. করণকারক


সংজ্ঞা: ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র বা উপকরণকে করণকারক বলে।

উদাহরণ:

নীরা কলম দিয়ে লেখে।

সাধনায় সিদ্ধি লাভ হয়।


মনে রাখার কৌশল:

“কীসের দ্বারা” বা “কী উপায়ে” দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটি করণকারক।

উদাহরণ:

নীরা কীসের দ্বারা লেখে? → কলম

কী উপায়ে সিদ্ধি লাভ হয়? → সাধনায়


৪. সম্প্রদান কারক


সংজ্ঞা: স্বত্ব ত্যাগ করে দান বা অর্চনা বোঝালে সম্প্রদান কারক হয়।

উদাহরণ:

ভিক্ষারীকে ভিক্ষা দাও।

গুরুজনে কর নতি।


মনে রাখার কৌশল:

“কাকে” দিয়ে প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায়, তবে স্বত্ব ত্যাগ থাকতে হবে।

উদাহরণ:

কাকে ভিক্ষা দাও? → ভিক্ষারীকে

কাকে নতি কর? → গুরুজনে


৫. অপাদান কারক


সংজ্ঞা: "হতে", "থেকে" বোঝালে অপাদান কারক হয়।

উদাহরণ:

গাছ থেকে পাতা পড়ে।

পাপে বিরত হও।


মনে রাখার কৌশল:

“কোথা থেকে” বা “কি হতে” প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই অপাদান কারক।

উদাহরণ:

কোথা থেকে পাতা পড়ে? → গাছ থেকে

কি হতে বিরত হও? → পাপ থেকে


৬. অধিকরণ কারক

সংজ্ঞা: ক্রিয়ার সময় বা স্থান বোঝালে অধিকরণ কারক হয়। 

উদাহরণ:

আমরা রোজ স্কুলে যাই।

প্রভাতে সূর্য ওঠে।


মনে রাখার কৌশল:

“কোথায়” বা “কখন” দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই অধিকরণ কারক।

যেমন:

কোথায় যাই? → স্কুলে

কখন সূর্য ওঠে? → প্রভাতে


শুদ্ধ ভাষাচর্চা—শুভাচ

চিত্রনায়িকা শাবনুর - নামটিই যথেষ্ট কোন বিশেষনের দরকার নেই = 

 চিত্রনায়িকা শাবনুর - নামটিই যথেষ্ট কোন বিশেষনের দরকার নেই = 

১৯৭৯ সালের ১৪ই ডিসেম্বর খুলনা জেলায় জন্ম গ্রহন করেন শাবনুর - 

তার আসল নাম - কাজী শারমিন নাহিদ নুপুর 

বাবার নাম - শাজাহান চৌধুরী, মায়ের নাম - আমিনা খানম 

তারা দুই বোন এক ভাই - শাবনুর সবার বড়। ছোট বোনের নাম - ঝুমুর, আর ছোট ভাইয়ের নাম - তমাল। 

শবানুরের বাবা আর বিখ্যাত পরিচালক ক্যাপ্টেন এহতেম এক সাথে বর্শি দিয়ে মাছ মারতো - আর তখন শাবনুরের বাবা তার মেয়ের নায়িকা হবার ইচ্ছার কথা প্রকাশ করে, তখন পরিচালক এহতেশাম তার অফিসে দেখা করতে বলেন, শাবনুরের বাবা তাকে নিয়ে পরিচালকের অফিসে যান - ব্লু রংয়ের শাড়ী পরে - ব্যাস প্রথম দেখাতে পরিচালক এহতেশাম এর পছন্দ হয় এবং ফাইনাল করে দেন - 

১৯৯২ সালে স্যুটিং শুরু হয় ক্যাপ্টেন এহতেশাম পরিচালিত " চাঁদনী রাতে " ছবির স্যুটিং। এই ছবির নায়ক ছিলেন নবাগত সাব্বির - কক্সবাজারের মনোরম লোকেশনে স্যুটিং শেষ করেন। 

তারপর - ১৯৯৩ সালে ছবিটি মুক্তি দেন - ছবিটি সুপার ফ্লপ করে ব্যাবসায়িক ভাবে - শাবনুর হতাশ হন, আর অভিনয় করবেন না সিদ্ধান্ত নেন, কিন্তু তার সাইনিং করা দুটি ছবি ছিলো - " তুমি আমার " আর " দুনিয়ার বাদশা " 

সেই জন্যই আবার স্যুটিং শুরু করেন - তারপরের ঘটনা তো ইতিহাস - 

একে একে প্রায় ২০০ টির মতো ছবিতে অভিনয় করেন - তার মধ্যে উল্লেখ যোগ্য ছবির নাম প্রকাশ করা হলো = 

১. চাঁদনী রাতে 

২. তুমি আমার 

৩. দুনিয়ার বাদশা 

৪. রঙিন সুজন সখি 

৫. বিক্ষোভ 

৬. প্রেমের অহংকার 

৭. আসামী বধু 

৮. স্বপ্নের পৃথিবী 

৯. তোমাকে চাই 

১০. জীবন সংসার 

১১. চাওয়া থেকে পাওয়া 

১২. আমার অন্তে তুমি 

১৩. মধুর মিলন 

১৪. অধিকার চাই 

১৫. পৃথিবী তোমার আমার 

১৬. রঙিন নয়নমনি 

১৭. পাগলীর প্রেম 

১৮. বিয়ের ফুল 

১৯. আত্নসাৎ 

২০. প্রেম 

২১. প্রেম পিয়াসী 

২২. শেষ ঠিকানা 

২৩. স্বপ্নের নায়ক 

২৪. আনন্দ অশ্রু 

২৫. বুকের ভেতরে আগুন 

২৬. কে অপরাধী 

২৭. রঙিন উজান ভাটি 

২৮. মন মানে না 

২৯. তুমি শুধু তুমি 

৩০. বিয়ের ফুল 

৩১. আমি তোমারই 

৩২. ভুলনা আমায় 

৩৩. ভালোবাসী তোমাকে 

৩৪. কাজের মেয়ে 

৩৫. স্বপ্নের পুরুষ 

৩৬. বুক ভরা ভালোবাসা 

৩৭. ভয়ংকর বিষু 

৩৮. নারীর মন 

৩৯. ফুল নেবো না অশ্রু নেবো 

৪০. এ বাঁধন যাবে না ছিড়ে 

৪১. আশা আমার আশা 

৪২. কারিশমা 

৪৩. গোলাম 

৪৪. নিঃশ্বাসে তুমি বিশ্বাসে তুমি 

৪৫. সবার অজান্তে 

৪৬. এরই নাম দোস্তী 

৪৭. দিল তো পাগল 

৪৮. বস্তির মেয়ে 

৪৯. মন 

৫০. প্রেমের তাজমহল 

৫১. নাচনেওয়ালী 

৫২. স্বপ্নের বাঁসর 

৫৩. গুন্ডার প্রেম 

৫৪. শ্বশুর বাড়ী জিন্দাবাদ 

৫৫. হৃদয়ের বন্ধন 

৫৬. স্বামী স্ত্রীর যুদ্ধ 

৫৭. মিলন হবে কতো দিনে 

৫৮. মাটির ফুল 

৫৯. সবার উপরে প্রেম 

৬০. ও প্রিয়া তুমি কোথায় 

৬১. সমাজকে বদলে দাও 

৬২. সুন্দরী বধু 

৬৩. ভাইয়া 

৬৪. ভালোবাসা কারে কয় 

৬৫. তুমি বড় ভাগ্যবতী 

৬৬. দুইবধু একস্বামী 

৬৭. নসিমন 

৬৮. প্রানের মানুষ 

৬৯. নয়ন ভরা জল 

৭০. বউ শ্বাশুড়ীর যুদ্ধ 

৭১. প্রেম সংঘাত 

৭২. খেয়া ঘাটের মাঝি 

৭৩. স্বপ্নের ভালোবাসা 

৭৪. ফুলের মতো বউ 

৭৫. যতো প্রেম ততো জ্বালা 

৭৬. হৃদয় শুধু তোমার জন্য 

৭৭. ব্যাসেলর 

৭৮. দোস্ত আমার 

৭৯. ভাইয়ের শক্রু ভাই 

৮০. দুই নয়নের আলো - জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছেন 

৮১. আমার স্বপ্ন তুমি 

৮২. চার সতীনের ঘর 

৮৩. মোল্লা বাড়ীর বউ 

৮৪. কাল সকালে - এই ছবিতে অপুবিশ্বাস বান্ধবীর চরিত্রে অভিনয় করেন 

৮৫. ভালোবাসা ভালোবাসা 

৮৬. রঙিন রসের বাঈদানী 

৮৭. ঢাকাইয়া পোলা বরিশালের মাইয়া 

৮৮. তুমি আমার প্রোনের স্বামী 

৮৯. বিয়ান সাব 

৯০. কঠিন প্রেম 

৯১. মেয়ে সাক্ষি 

৯২. কপাল 

৯৩. এই যে দুনিয়া 

৯৪. ঘরের লক্ষি 

৯৫. ১ টাকার বউ 

৯৬. তোমাকে বউ বানাবো 

৯৭. ভালোবাসার দুশমন 

৯৮. এ চোখে শুধু তুমি 

৯৯. স্বামী নিয়ে যুদ্ধ 

১০০. সমাধী 

১০১. বলবো কথা বাঁসর ঘরে 

১০২. চাঁদের মত বউ 

১০৩. মন বসেনা পড়ার টেবিলে 

১০৪. বধু তুমি কার 

১০৫. মন ছুঁয়েছে মন 

১০৬. পিরিতের আগুন 

১০৭. গোলাপী এখন বিলেতে 

১০৮. যেখানে তুমি সেখানে আমি 

১০৯. মুঘলে আজম 

১১০. এ ভাবে ভালেবাসা হয় 

১১১. মা আমার চোখের মনি 

১১২. আত্নগোপন 

১১৩. ভালোবাসা সেন্ট মার্টিন 

১১৪. জিদ্দী বউ 

১১৫. শিরীফরাদ 

১১৬. কিছু আশা কিছু ভালোবাসা 

১১৭. পাগল মানুষ 

১১৮. প্রেমের জ্বালা 

১১৯. মায়ের মর্যাদা 

১২০. জন্ম 

১২১. টিপ টিপ বৃষ্টি 

১২২. চির ঋনি 

১২৩. কঠিন পুরুষ 

১২৪. জীবন এক সংঘর্ষ 

১২৫. এ দেশ কার 

১২৬. জীবনের গল্প 

১২৭. জীবন নিয়ে যুদ্ধ 

তার জীবনের অনেক কষ্ট অনেক জ্বালা নিয়ে তিনি শাবনুর হয়েছিলেন - কোটি দর্শকের ভালোবাসায় শিক্ত হয়েছেন, রিক্ত হয়েছেন - তিনি আরো বহুদুর পর্যন্ত এগিয়ে যেতে পারতেন কিন্তু চলচ্চিত্রে পলেটিক্সের শিকার হলেন শেষের দিকে এসে - 

তখন বিয়ে করে পাড়ি জমান অষ্ট্রেলিয়ায়, সেখানেই বসবাস শুরু করলেন, আজ চলচ্চিত্রে শাবনুরের শুন্যতা হাহাকার রয়েই গেলো - আর ফিল্মের লোকেরা দোষ দেয় দর্শকদের - কিন্তু একবারও বলেন না শাবানার পরে চলচ্চিত্রে শাবনুরের অবস্হান ছিলো প্রচন্ড শক্তিশালী - 

আজও দর্শকেরা মনে মনে শাবনুরকে খুঁজে - 

শাবনুর যেখানেই থাকুন ভালো থাকুন - সেই দোয়াই রইল - 

বিঃদ্রঃ আমি সহকারী পরিচালক হিসেবে - " সুন্দরী বধু, প্রানের মানুষ, কাল সকালে, গোলাপী এখন বিলেতে " ছবিতে কাজ করি - পরিচালক ছিলেন - আমজাদ হোসেন - শাবনুরের সাথে আমার অনেক স্মৃতি আছে - টঙ্গী-আশুলিয়ার - ভাদুন গ্রামের = 

                        রবিউল ইসলাম রাজ 

                         চলচ্চিত্র পরিচালক 

                          01948-329383

পলাশ সাহার বউ সুস্মিতা সাহা নাকি প্রেগনেন্ট

 পলাশ সাহার বউ সুস্মিতা সাহা নাকি প্রেগনেন্ট😥

এবং সুস্মিতা সাহা নাকি এ ও বলেছে যে,,,আগে যদি বুঝতে পারতাম সত্যি আমার স্বামী আত্যহত্যা করবে তাহলে আমি সারা জীবন শাশুড়ীর গোলাম হয়ে থাকতাম কারণ উনি মারা গেছে কিন্তু আমার শাশুড়ীর মা ডাক শুনার মতো আরো সন্তান আছে কিন্তু আমার সন্তানের বাবা ডাকার মতো কেউ থাকলো না😭😭

বিশ্বাস করে এতো জনের হাজারটা কথা শুনেও এতোটা খারাপ লাগে নি কিন্তু এই মেয়েটার একটা কথায় যেনো কলিজাটা কেঁপে উঠলো😥

সত্যি বলতে ইন্টার প্রথমবর্ষে থাকতে তার বিয়ে হয় একজন বি সি এস ক্যাডারের সাথে বুঝেন বয়স পর্থক্যটা তাহলে কেমন,,, তার বাবা বিয়ে দিতে রাজি না হলেও ৩ মাস অপেক্ষা করে ছেলে তার বাবাকে রাজি করায়ে বিয়ে করেছে তাহলে বুঝায় যাচ্ছে ছেলেটা তাকে কেমন ভলেবাসতো,,,😔

কিন্তু মায়ের কারণে সেই সুখটা তারা উপভোগ করতে পারতো না,,,😔

সে তার ছেলের অহংকারে মাটিতে পা রাখতো না,,, 

বউটাকে সারাক্ষণ নাকি কোণঠাসা করে রাখতো নজর বন্দি করে রাখতো,,, এটা তো এক রকম মেয়েটার নিজস্বতাকে হরণ করা হয়েছে😭

এসবের প্রতিবাদ করতো বলে বউ খারাপ🤔

ছেলে অফিস থেকে আসলে তার রুমে আটকে রাখতো,,

ছেলের শশুড় বাড়ির লোক আসতে পারতো না সব সময় গরিব বলে অপমান করতো,,,

ছেলে তার সামনে বউ এর রান্নার প্রসংশা করলে সেই রান্না ছেলের সামনেই ফেলে দিতো এসব কি রে ভাই কেমন মা উনি🤔🤔

যতটুকু শুনলাম মা নাকি ছেলেকে প্রচুর ভালোবাসতে সেজন্য এসব করছে তাহলে  সেই ছেলের চিতার গন্ধ না যেতেই কান ভর্তি স্বর্ণ পড়ে এক থালা ভাত নিজের হাতে খাইতে খাইতে আবার হাত পাখার বাতাস করতে করতে বিভিন্ন চ্যানেলে বউ এর নামে হাজারটা অভিযোগ কিভাবে করে ছেলে হারানোর বিন্দু মাত্র শোক তার মধ্যে নাই🤔🤔

এইদিকে জামাই হারিয়ে শশুড় পাগল প্রায় বউয়ের কলিজা কেঁপে উঠার মতো কথা অন্য দিকে জন্মদাতা সেই ভলোবাসার মা বিভিন্নভাবে টি ভি চ্যানেলের সামনে স্ট্রংলি সাক্ষাৎকার দেয়🤔🤔

এই ঘটনা দেখে যদি এরকম টক্সিক শাশুড়ী গুলো আর অতিরিক্ত মা ভক্ত ছেলেদের একটু হলেও টনক নড়তো তাহলে তো হতোই😥

এটা থেকে সবার শিক্ষা নেয়া উচিৎ যদি জীবনে এরকম বিপদে পড়তে না চান তাহলে শশুড় বাড়িতে ভেবে চিন্তে চলতে ও কথা বলতে হবে নচেৎ যে কেনো দুর্ঘটনায় ১০০%ক্ষতি এবং কষ্টও আপনার হবে আবার এরকম বউটাই খারাপ বলে বদনাম কুড়াতে হবে তাই দিদিভাই ও বোনেরা সাবধান😔

আর বলি কি শুধু উচ্চ শিক্ষত হলেই হয় না সব দিক সামাল দেয়ার সামর্থ থাকা উচিৎ,

নিজ বাড়িতে থেকে চাকরি করে তাদের যদি বেতন ১২০০০ টাকা  হয়, এবং বাড়ি ভাড়া এবং আরও অনেক রকম ভাতা মিলিয়ে ২৩০০০ টাকার বেশি বেতন পায় চাকরির শুরু থেকে

 নিজ বাড়িতে থেকে চাকরি করে তাদের যদি বেতন ১২০০০ টাকা  হয়, এবং বাড়ি ভাড়া এবং আরও অনেক রকম ভাতা মিলিয়ে ২৩০০০ টাকার বেশি বেতন পায় চাকরির শুরু থেকে, এবং সরকারি সকল ছুটি ভোগ করে, সব মিলিয়ে বছরে ৩ মাস স্কুল ছুটি থাকে, সপ্তাহের ছুটি তো আছে, গরু, মুরগী,ছাগল,হাস পালন তো আছে ই। সাথে নিজের জমি নিজে চাষ করা। আলাদা ব্যবসায় করা। নিজ ইচ্ছে  যখন মন চায় ছুটি যাওয়া। মন না চাইলে স্কুলে না যাওয়া।  এতে যদি তাদের না হয়,???   তাহলে যে সকল মানুষ সৈনিক এর চাকরি করে যেমন সেনা বাহিনী,বিমান বাহিনী, নৌ বাহিনী, বিজিবি বাহিনী,পুলিশ বাহিনী,আনসার বাহিনী, ফায়ার সার্ভিস,  এ চাকরি করে ১৭ তম গ্রেড তাদের বেতন ৯০০০ টাকা, সকল ভাতা মিলিয়ে তারা পায় ১৫০০০ টাকা, এবং তারা চাকরি করে অনেক দুরে তাদেরকে বাসা বাড়া নিয়ে থাকতে হয়। তাহলে তাদের অবস্থা কেমন হয়?   তারা কি ভাবে চলে?   নাকি তারা আইন অনুযায়ী  আন্দলোন করতে পারে না --বলে তাদের কষ্টের কথা বলা যাবে না!!!   বিশেষ করে পুলিশের চাকরি কথা বলি, এদের না আছে কোনো শুক্রবার, শনিবার, না আছে কোনো সরকারি ছুটির দিন---না আছে কোনো বড় দিবস এর বন্ধ, আবার ডিউটি তো ১২/১৬ ঘন্টা হয় যেখানে সরকারি অন্য কোনো চাকরি তে এতো লং টাইম ডিউটি নেই, এবং এই ৮ ঘন্টা সময় এর পারে অতিরিক্ত ডিউটি করার জন্য কোনো ওবার টাইম ভাতা ও নেই।  সরকারি ছুটির দিন এ ডিউটি তে ও কোনো ভাতা নেই, এবং যে কোন সময় একটি বুলেট বা বোমা কেড়ে নিতে পাড়ে নিজের প্রাণ।  শিক্ষক যদি হয় জাতি গড়ার কারিগর  তবে--- আমরা দেশ ও জাতি রক্ষার অকুতোভয় রক্ষক!!!  তাহলে তাদের কথা কেউ বলে না কেন??? শিক্ষক দের কথা আপনারা যে ভাবে বলছেন। বাকি সবার কথা ও আপনাদের চিন্তা ভাবনা করা উচিৎ, কেউ আবার মনে কইরেন না আমি শিক্ষক দের বিরুদ্ধে বলছি,  আমি শুধু সবার কষ্ট টা তুলে ধরেছি!!!??? 😭😭😭😭😭 আমার মনের কষ্টটা বললাম copy post #followers

 নো প্রাইভেসি,,,,,,,,,

 নো প্রাইভেসি ★

আজ থেকে আর মাত্র ১০ বছর পর আপনার প্রাইভেসি বলতে কিছুই থাকবে না। কিছুই ফাঁকি দিতে পারবেন না। যেমন আপনি পিৎজা কিনতে চাইলে যা হবে —


হ্যালো, এটা কি পিৎজা হাট ?


না স্যার, এটা গুগল'স পিৎজা।


আমি কি তাহলে ভুল নাম্বারে ফোন করেছি?


না স্যার, গুগল দোকানটা কিনে নিয়েছে।


ওকে, আমি কি পিৎজার অর্ডার দিতে পারি?


স্যার, আপনি সাধারণত যে পিৎজার অর্ডার দেন আজকেও কি ওটাই দেবেন?


আমি সাধারণত যে পিৎজার অর্ডার দিয়ে থাকি সেটা আপনি কিভাবে জানলেন?


আপনার ফোন নাম্বার অনুযায়ী, আপনি শেষ ১৫ বার ডাবল চিজ বারো স্লাইস সসেজ+পেপারনী পিজা অর্ডার দিয়ে ছিলেন।


আমি এবারও ওটাই চাই।


কিন্তু স্যার আপনার কলেস্টেরল যেহেতু হাই তাই আমি ৮ স্লাইজ ভেজিটেবল পিজা অর্ডার করতে পরামর্শ দিচ্ছি।


আমার কলেস্টেরল হাই এটা আপনি কিভাবে জানলেন?


কাস্টমার গাইড থেকে। আমাদের কাছে  আপনার গত ৭ বছরের ব্লাড টেস্টের রিপোর্ট আছে।


আমি ভেজিটেবল পছন্দ করি না, যেটা চাইছি ঐটাই দিন। কলেস্টেরলের জন্য আমি ঔষধ খাই।


কিন্তু আপনিতো নিয়মিত ঔষধ খান না। ৪ মাস আগে লাজ ফার্মা থেকে ৩০টা ট্যাবলেটের একটা পাতা কিনেছিলেন।


আমি অন্য আরেকটা দোকান থেকে বাকিগুলো কিনেছি।


কিন্তু আপনার ক্রেডিট কার্ড তো তা বলছে না।


আমি নগদ ক্যাশ দিয়ে কিনেছি।


কিন্তু আপনার ব্যাংক স্টেটমেন্ট অনুযায়ী সে পরিমান টাকা আপনি তোলেননি।


আমার অন্য আয়ের উৎস আছে।


আপনার ট্যাক্স ফর্মে সে তথ্যের কোন উল্লেখ তো চোখে পড়ছে না।


ধুর শালা,, আপনার পিজার গুষ্টির পিন্ডি চটকাই। পিৎজাই খাবো না। গুগল, ফেসবুক, হোয়াটস অ্যাপ, সেলফোন, ইন্টারনেট নেই এমন একটা দ্বীপে চলে যাবো যেখানে আমার উপর কেউ এত নজরদারি করতে পারবে না।


হ‍্যাঁ স্যার বুঝতে পেরেছি, তার আগে আপনার পাসপোর্ট রিনিউ করতে হবে, আমাদের কাছে তথ্য আছে ৫ সপ্তাহ আগে তার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে।

মাহমুদা খাতুন। 

৮/৫/২৫

আমি যার অর্ধাঙ্গীনি হবো তাকে লিখছি

 আমি যার অর্ধাঙ্গীনি হবো তাকে লিখছি

প্রিয়...

আমার পুরুষ 

তিন হাত শরীরে ২০হাত লম্বা দুঃখের বোঝা বইতে গিয়ে চেহারায় আমার বয়সের ছাপ পড়ে গেছে। দামি সানস্ক্রিন ক্রিমের অভাবে মুখে সান স্পট স্পষ্ট দেখা যায়। চোখ যুগলে আকর্ষনীয় ঘনকালো ব্রু নেই। আপনি কখনো আমার দিকে চেয়ে বলতে পারবেন না পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর নারী আপনার অর্ধাঙ্গীনি। 

আমার হাত ধরে আপনি কখনো অনুভব করবেন না তুলতুলে কিছু আপনার মুষ্ঠিতে, সঠিক যত্নের অভাবে আমার হাতের তালু শক্ত হয়ে গেছে, নখ হয়েছে হলদেভাব।

আমি গান গাইতে পারিনা কিন্তু ক্লান্ত দুপুরে কিংবা মধ্যে রাতে আপনার মাথার পাশে বিছানার কোণায় বসে আপনার চুলে হাত ভোলাতে ভোলাতে গুনগুনিয়ে দুই-এক লাইন গেয়ে ফেলবো।

আমি বড্ড অভিমানী,আমার মুড সুইং হয় ঘনঘন তবে আপনি যদি একটা ফুল কিংবা চিঠি এনে হাতে ধরিয়ে দেন তৎক্ষনাৎই মুখ লুকাবো আপনার বুকে। আচ্ছা, আমার বেশি বেশি অভিমানে আপনি কি আমাকে তাচ্ছিল্য করে কথা বলবেন নাকি সব মানিয়ে নিবেন?


সব পুরুষের মতো আপনিও হয়তো আশা করেন আপনার ঘরের রানী হবে স্লীম ফিগারের, উজ্জ্বল বর্ণের, কনকালো চুলের রমনী কিন্তু সংসার  সামলিয়ে নিজেকে আর সময় দিতে না পারাতে আমার অসুন্দর চেহারা আর উষ্কখুষ্ক চুল দেখে আপনি কি ঘৃণায় কোনো রূপবতী খোঁজ করবেন নাকি এই আমিটার পাশেই সারাজীবন থেকে যাবেন?


প্রিয় পুরুষ, আপনি যদি আমার যা কিছু নাই আর যা কিছু আছে, আমার রোগা চোখ,কালো ঠোঁট, আমার এলোমেলো চুল, রান্নাঘর থেকে বের হওয়ার পর ঘামে চপচপে আমাকে দেখে ভালোবাসা খুঁজে পান তাহলে কথা দিচ্ছি আপনার অসুখে আমি নির্ঘুম রাত্রি জেগে সেবা করার সঙ্গী হবো, আপনার পকেট খালির দিনে সংসারের খরচটা আমি ম্যানেজ করে নিবো, বৃদ্ধ বয়সে চশমাটা এগিয়ে দিবো।

চিরন্তর ভালোবাসবো,আমার প্রিয় পুরুষ।🖤


ইতি 

আপনার 

    অর্ধাঙ্গিনী(পারু)

শনিবার, ১০ মে, ২০২৫

রাসেল মাহমুদ স্যারের মেসেজ ১০/০৫/২০২৫

 *প্রচণ্ড গরমে বাইরে কাজ করার সময় স্বাস্থ্য ঝুঁকি এড়াতে নিম্নলিখিত বিষয়গুলো খেয়াল রাখা জরুরী:*


১. *পর্যাপ্ত পানি পান করুন*

   - ঘামের মাধ্যমে শরীর থেকে পানি ও লবণ বেরিয়ে যায়, তাই *নিয়মিত পানি পান করুন* (যদি সম্ভব হয় প্রতি ১৫-২০ মিনিটে কিছুটা পানি পান করুন)।

   - *ইলেকট্রোলাইট যুক্ত পানীয়* (যেমন: ওরাল স্যালাইন, নারিকেলের পানি) পান করুন যাতে লবণ ও মিনারেলের ঘাটতি পূরণ হয়।


২. *সঠিক পোশাক পরুন*

   - *হালকা রঙের, ঢিলেঢালা ও সুতি কাপড়* পরুন যাতে বাতাস চলাচল করতে পারে এবং ঘাম দ্রুত শুকিয়ে যায়।

   - *মাথা ও চোখ সুরক্ষিত রাখতে* টুপি, ক্যাপ বা ছাতা ব্যবহার করুন এবং UV প্রোটেকশন সানগ্লাস ব্যবহার করুন।


৩. *সূর্যের তাপ এড়িয়ে চলুন*

   - *ছায়াযুক্ত স্থানে বিশ্রাম নিন* এবং কাজের ফাঁকে ফাঁকে ঠাণ্ডা জায়গায় কিছু সময় কাটান।


৪. *শরীরের লক্ষণগুলো মনোযোগ দিন*

   - *হিট স্ট্রোক বা ডিহাইড্রেশনের লক্ষণ* (মাথাব্যথা, বমি বমি ভাব, মাংসপেশিতে খিঁচুনি, অতিরিক্ত দুর্বলতা, চোখে ঝাপসা দেখা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া) দেখা দিলে *অবিলম্বে কাজ বন্ধ করে ঠাণ্ডা স্থানে বিশ্রাম নিন এবং পানি পান করুন*।

   - যদি কারো অবস্থা গুরুতর হয় (জ্ঞান হারানো, ত্বক শুষ্ক ও গরম হয়ে যাওয়া), *দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান*।


 ৫. *হালকা ও পুষ্টিকর খাবার খান*

   - *ভারী ও তৈলাক্ত খাবার এড়িয়ে* হালকা, সহজে হজম হয় এমন খাবার (ফল, শাকসবজি, ডাবের পানি) খান।

   - *অতিরিক্ত চা-কফি বা অ্যালকোহল* এড়িয়ে চলুন, কারণ এগুলো ডিহাইড্রেশন বাড়ায়।


৬. *দলগতভাবে কাজ করুন*

   - একা কাজ না করে সহকর্মীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখুন এবং একে অপরের স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ করুন।


গরমে কাজ করার সময় এই সতর্কতাগুলো মেনে চললে *হিট স্ট্রোক, ডিহাইড্রেশন বা সানবার্ন* থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব। যদি অসুস্থ বোধ করেন, অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।


_(সকল SR দের শেয়ার করি এবং মেনে চলি)_

ন্যানো-স্কেলে কোয়ান্টাম সুপারপজিশন: সোডিয়াম কণার 'একই সঙ্গে দুই জায়গায়' থাকার নতুন প্রমাণ,,,মুস্তাকীম ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ন্যানো-স্কেলে কোয়ান্টাম সুপারপজিশন: সোডিয়াম কণার 'একই সঙ্গে দুই জায়গায়' থাকার নতুন প্রমাণ ~ কোয়ান্টাম জগতের সবচেয়ে বিস্ময়কর ধার...