এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শুক্রবার, ১৬ মে, ২০২৫

B-2 Spirit – এক রহস্যময় যুদ্ধযান!!!

 B-2 Spirit – এক রহস্যময় যুদ্ধযান!!!


B-2 Spirit একটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক স্টেলথ বোম্বার বিমান, যা Northrop Grumman কোম্পানি তৈরি করেছে। এটি মূলত পারমাণবিক ও প্রচলিত অস্ত্র বহনের জন্য তৈরি করা হয়েছে এবং একে অনেক সময় "Stealth Bomber" বলেও ডাকা হয়।


B-2 Spirit-এর বৈশিষ্ট্য:

স্টেলথ প্রযুক্তি: রাডারে ধরা পড়া প্রায় অসম্ভব, যার ফলে এটি শত্রুপক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিতে পারে। 


ফ্লাইং উইং ডিজাইন: এতে কোনো ঐতিহ্যবাহী লেজ বা ফিউজলাজ নেই; পুরো বিমানটি একটি ডানা হিসেবে তৈরি। 


দূরপাল্লার ক্ষমতা: একটানা প্রায় ১১,০০০ কিমি পর্যন্ত উড়তে পারে এবং রিফুয়েলিং করলে আরো অনেক দূরে যেতে পারে। 


পারমাণবিক ও প্রচলিত বোমা বহনে সক্ষম: এটি ১৮ টন পর্যন্ত অস্ত্র বহন করতে পারে, যার মধ্যে পারমাণবিক বোমাও রয়েছে। 


ক্রু সংখ্যা: মাত্র ২ জন পাইলট চালায়। 


ইতিহাস:

প্রথম উড়ান: ১৯৮৯ সালে 

যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীতে যুক্ত হয়: ১৯৯৭ সালে 

মোট নির্মিত হয়েছে: মাত্র ২১টি, এর মধ্যে একটিকে দুর্ঘটনায় হারানো হয়। 


খরচ:

প্রতি ইউনিটের খরচ প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার, যা একে বিশ্বের অন্যতম ব্যয়বহুল যুদ্ধবিমান বানিয়েছে।

আপনি চাইলে এর ছবি বা তুলনামূলক বিবরণও দিতে পারি।

আপনি কি জানেন, পৃথিবীর একমাত্র যুদ্ধবিমান যার ভেতরে রেস্ট নেওয়ার জন্য বেড রয়েছে, সেটি হলো B-2 Spirit? হ্যাঁ, ঠিকই শুনছেন! এমন প্রযুক্তিসম্পন্ন বিমান আর একটাও নেই যা আকাশেই বিশ্রামের সুযোগ দেয়।

.

এর দাম শুনলে আপনি চমকে উঠবেন – প্রায় পদ্মা সেতুর কাছাকাছি!

একটি B-2 Spirit বিমানের মূল্য প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার, অর্থাৎ কয়েক হাজার কোটি টাকা!

.

আরও অবাক হওয়ার মতো বিষয় হলো – এটি একটানা ৪০ ঘণ্টা উড়তে পারে!

এমনকি পৃথিবীর যেকোনো স্থানে গিয়ে আঘাত হানতে পারে, কোনো বাধা ছাড়াই!

.

এটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যাতে রাডারে ধরা পড়াই মুশকিল। শত্রুপক্ষ বুঝতেই পারে না কখন, কোথা থেকে আক্রমণ আসছে।

বৃহস্পতিবার, ১৫ মে, ২০২৫

সন্তানকে মানুষ বানান ---------

 সন্তানকে মানুষ বানান

------------------------------


                          ভূমিকা

    মানুষ গড়ার পথে এক নতুন ভাবনা

    -----------------------------------------------


এই পৃথিবীতে আমাদের সবার স্বপ্ন থাকে সন্তানকে “ভালো কিছু” বানানোর। কেউ চায় ডাক্তার, কেউ ইঞ্জিনিয়ার, কেউ বড় চাকরিজীবী। ছোটবেলা থেকেই আমরা তার হাতে বই তুলে দিই, ক্লাসে প্রথম হওয়ার দৌড়ে নামিয়ে দিই। মুখস্থে দক্ষতা আর নম্বরের খাতা দিয়ে বিচার করি তার মেধা। কিন্তু কখনও কি নিজেকে জিজ্ঞেস করেছি—আমরা আদৌ তাকে “ভালো মানুষ” বানাতে পারছি তো?


আমরা ছুটছি… সন্তানকে নামি কোচিংয়ে ভর্তি করাতে, একের পর এক এক্সট্রা ক্লাসে পাঠাতে, যেন সে হেরে না যায় অন্যদের কাছে। তার হাতে দিচ্ছি স্মার্টফোন, ট্যাব, “ইনফো-লডেড” ভিডিও—শুধু যাতে বেশি শেখে, বেশি জানে, বেশি নাম করে। কিন্তু থেমে কি একবারও ভাবছি—সে কি দয়া শিখছে? সহানুভূতি জানে? দায়িত্ব নিতে পারছে?


ভালো ছাত্র হওয়া অনেক সহজ, যদি শুধু পরীক্ষার প্রশ্নের উত্তর জানা থাকে। কিন্তু ভালো মানুষ হতে গেলে জানতে হয়—কখন কার হাত ধরতে হয়, কার চোখের জল মুছতে হয়, কার পাশে দাঁড়াতে হয় বিনা স্বার্থে।


একজন ভালো ছাত্র হতে পারে বড় অফিসার, কিন্তু ভালো মানুষ না হলে সে হতে পারে একজন দুর্নীতিবাজ। একজন ভালো ছাত্র হতে পারে বড় ব্যবসায়ী, কিন্তু ভালো মানুষ না হলে সে অন্যের জীবন ধ্বংস করতে পারে শুধু নিজের লাভের জন্য। একজন ভালো ছাত্র হতে পারে বিখ্যাত, কিন্তু ভালো মানুষ না হলে হয়তো তার নিজের সন্তানের চোখেই থাকবে সে অপূর্ণ।


এই বইটি কোনো শাসন নয়, কোনো শেখানোর অহংকারও নয়। বরং এটি একটি দর্পণ—যেখানে আমরা বাবা-মা হিসেবে নিজের মুখ দেখতে পারি। কী করছি, কেন করছি, কাকে গড়ছি — সেই প্রশ্নগুলোর সামনে দাঁড়ানোর একটি ক্ষুদ্র প্রয়াস।


এ বইটি কোনও নিখুঁত প্যারেন্টিং গাইড নয়, কিন্তু এর প্রতিটি পৃষ্ঠায় থাকবে আমাদের বাস্তব জীবনের কথা। থাকবে কিছু প্রশ্ন, কিছু গল্প, কিছু প্রস্তাবনা—যা হয়তো আমাদের ভাবতে শেখাবে, সন্তানের পাশে দাঁড়াতে শেখাবে হৃদয় দিয়ে।


আমরা চাই, আমাদের সন্তান ভালো ছাত্র হোক, অবশ্যই হোক। কিন্তু তার আগে সে হোক ভালো মানুষ — এটাই যেন হয় আমাদের মূল স্বপ্ন।


---------------------------------------------------------------

পর্ব ১ : আত্মবিশ্বাসের প্রথম ধাপ : হাঁটতে শেখা

---------------------------------------------------------------

               

একটি শিশু যখন প্রথমবার নিজে দাঁড়াতে চায়, সে কাঁপা কাঁপা পায়ে উঠে দাঁড়ায়। পায়ের পাতা যেন ঠিক ভরসা পায় না মাটিতে, শরীর দুলে ওঠে। তারপর সে পড়ে যায়। আমরা তখন দৌড়ে যাই তাকে ধরতে। আবার উঠতে বলি — “আরে না, কিছু হয়নি! আবার ওঠো !”


 এই ছোট্ট মুহূর্তটি যেন জীবনের প্রথম পাঠ : পড়ে গেলে উঠে দাঁড়াও।


এই বারবার পড়ে গিয়ে আবার চেষ্টা করার মধ্যেই তৈরি হয় আত্মবিশ্বাসের বীজ।


 এই অধ্যায় সেই আত্মবিশ্বাস গড়ার প্রাথমিক ধাপ নিয়ে, যা একজন শিশুকে মানুষ করে তোলে, মুসলিম করে তোলে, গড়ে তোলে আশরাফুল মাখলুকাত হিসেবে।


🌷 আত্মবিশ্বাস : আল্লাহর দেওয়া এক নেয়ামত

-----------------------------------------------------------------


আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা পবিত্র কুরআনে ইরশাদ করেন — “আর আল্লাহ তোমাদের বহির্গত করেছেন তোমাদের মাতৃগর্ভ হতে (এমন অবস্থায় যখন) তোমরা কিছুই জানতেনা; এবং তিনি তোমাদের দিয়েছেন শ্রবণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি ও হৃদয়, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর।”—(সূরা আন-নাহল ১৬ : আয়াত ৭৮)


কান, চোখ আর হৃদয়—এই তিনের মাধ্যমে মানুষ পৃথিবীকে জানে, নিজের শক্তি ও দুর্বলতা বোঝে। আর এই বোঝা থেকেই জন্ম নেয় আত্মবিশ্বাস।

একজন মুসলিম শিশুর আত্মবিশ্বাস মানে শুধু “আমি পারি” বলা নয় — বরং তা হলো — “আল্লাহ আমার সঙ্গে আছেন, আমি চেষ্টা করবো — তিনিই ফল দেবেন।”


🌷 শিশুর আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলে কারা

-------------------------------------------------------


পরিবার, বিশেষ করে মা-বাবা, শিশুর আত্মবিশ্বাস গড়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারিগর।


👉 যেমন ধরুন :

 ছোট্ট আহসান কুরআনের প্রথম পারা মুখস্থ করেছে। তার বয়স মাত্র ছ’বছর। মা তাকে বকা দিয়ে বললেন, “এইটুকু মুখস্থ করেছো! ওমুক তো তোমার বয়সে পাঁচ পারা শেষ করে ফেলেছিল।”

 আহসান চুপ হয়ে গেল। মুখ নিচু করে বললো, “আমি বুঝি কিছুই পারি না…”


এভাবে তুলনা করে, খুঁত ধরে, তিরস্কার করে আমরা শিশুদের আত্মার মধ্যে একটা শূন্যতা গেঁথে দিই। তারা ভাবতে শেখে — “আমি ভালো না, আমি যথেষ্ট না। আমি পারি না।” অথচ ইসলাম আমাদের শেখায় — “কাউকে তুচ্ছ মনে কোরো না।”—(সহীহ মুসলিম)


👉 এর উল্টোটা যদি হতো


 মা যদি বলতেন — “সুবহানাল্লাহ! তুমি কত চেষ্টা করছো ! আল্লাহ তোমার চেষ্টা কবুল করুন।”

 তাহলে আহসান হয়তো বলতো — “আমি ইন্ শা আল্লাহ্, পুরো কুরআন মুখস্থ করবো, আম্মু!”


🌷ভুল মানেই তো শেখার একটি সুযোগ

-------------------------------------------------------


মনে রাখুন, শিশুরা ভুল করবেই। ভুল না করলে তারা শিখবে কীভাবে?


👉 উদাহরণ :

 নুসরাত নামাজ শিখছে। সে রুকুতে যাওয়ার সময় হতে একটু দেরি করলো। বাবা জোরে বললেন, “এইভাবে নামাজ হয়? শেখো আগে, তারপর নামাজ পড়ো।”

এই বাক্যই হয়তো নুসরাতের নামাজ থেকে ভালোবাসা কেড়ে নিল। অথচ বাবা যদি বলতেন—

 “আল-হামদু লিল্লাহ! তুমি চেষ্টা করছো। আসো, একসাথে আবার শুরু করি।”

 তাহলে নুসরাত নামাজকে ভয় না পেয়ে ভালোবাসতে শিখতো।


🌷 নিজের মতো হতে দিন

------------------------------------


শিশুকে আল্লাহ যে রকম বানিয়েছেন, সেভাবেই সে সেরা। তাকে “অমুকের মতো হও”, “ওর মতো করো”, “তুমি তো সব জায়গায় পিছিয়ে” — এই কথাগুলো তার আত্মপরিচয়কে ধ্বংস করে।

 প্রত্যেক শিশু এক অনন্য সৃষ্টি।


👉 একটি মর্মস্পর্শী গল্প


 ছোট্ট ফারহান দেখতে একটু মোটা, কথা বলে ধীরে ধীরে। ক্লাসে সে চুপচাপ থাকে। তার বন্ধুরা হাসাহাসি করে। একদিন সে বলল, “আমি কেমন যেন, আমার মতো কেউ না…”


 তার মা তাকে জড়িয়ে ধরে বললেন—

 “তোমার মতো কেউ নেই বলেই তুমি এত স্পেশাল। আল্লাহ্ তোমাকে যেভাবে বানিয়েছেন, সেভাবেই তুমি সবচেয়ে সুন্দর।”


 সে দিন ফারহান হাসলো, বুক ফুলিয়ে বলল — “আমি ফারহান। আমিও পারি।”


🌷আমাদের কিছু করণীয়

------------------------------------


  ☑️ প্রতিদিন অন্তত একবার বলুন : “আমি তোমাকে ভালোবাসি”, “তুমি পারবে ইন্ শা আল্লাহ্।”

  ☑️ যেখানে পারে, নিজে করতে দিন : জামা পরা, খাতা গোছানো, খাবার নেওয়া।

  ☑️ ভুল করলে ধমক নয়, দিকনির্দেশনা দিন।

  ☑️ তুলনা করবেন না। বরং বলুন, “তুমি আগের চেয়ে অনেক ভালো করেছো।”

  ☑️ আল্লাহর প্রতি ভরসা শেখান : “তুমি চেষ্টা করো, আল্লাহ সাহায্য করবেন।”

  ☑️ তার কথা শুনুন মন দিয়ে। প্রশ্ন করলে বিরক্ত না হয়ে উত্তর দিন।


🌷 পরিশেষে

------------------


আত্মবিশ্বাস হলো শিশুর অন্তরের সেই আলো, যা তাকে আল্লাহর পথে সাহসের সঙ্গে চলতে শেখায়। সে ভুল করবে, হোঁচট খাবে, কিন্তু যদি সে জানে — “আমার মা-বাবা আমার পাশে আছেন, আর আল্লাহ্ আমার সহায়” — তাহলে সে হেরে যাবে না।


প্রিয় অভিভাবক, আপনি কি জানেন, আপনার সন্তানের আত্মবিশ্বাস আল্লাহর পক্ষ থেকে আপনার জন্য এক আমানত?


তাকে ছোট করে নয়, বড় মানুষ করে গড়ে তুলুন — হৃদয় দিয়ে, দয়া দিয়ে, দ্বীন দিয়ে।


পরবর্তী অংশ 

https://www.facebook.com/share/p/1AtLWWqzL4/

চেংগিস খান, মহান খান বলেছিলেন - মানবজাতির পথ একটাই - যুদ্ধ । 

 চেংগিস খান, মহান খান বলেছিলেন - মানবজাতির পথ একটাই - যুদ্ধ । 


তো সেটা ছিল, মধ্যযুগের চিন্তা, 

আমরা আধুনিক এখন ।


আমার মতে, পুরুষের  জাতির পথ একটাই - গরুর খামার, সাথে কিছু সবজি বাগান, ফল বাগান , একটা পুকুর বা লেক । 


কর্পোরেট এ চাকুরি করা, ঝাঁ চকচকে টাকওয়ালা কাউকে যদি জিজ্ঞেস করেন, ভাই রিটায়ার করে কি করবেন ? 

তিনি উত্তর দেবেন - এই একটু গ্রামের দিকে যাব, একটা খামার করব, কিছু গরু, ছাগল আর সবজি বাগান করে কাটিয়ে দেব ।


যদিও, জীবনের ফাঁদের কারন - বেশিরভাগ মানুষেরই সেটা করা হয়না আর কখনই । সারাজীবন উপার্জন করে যারা সফলও হয়, মধ্যবিত্ত থেকে উচ্চ বিত্তের কাতারে পৌঁছে যায় - তাদের কেনা দামি গাড়ী চড়ে মজা নেয় গাড়ীর ড্রাইভার ।


সে সফল বেচারা পিছনের সিটে বসে অই হার্টের সমিস্যা, হাই প্রেসার নিয়ে এলিয়ে থাকে । গরুর কষানো মাংস তার মুখে দেবার অনুমতি ডাক্তার তারে দেয়না । 


আহারে !


ফ্রেশি ফার্ম এর প্রথম দিকে কোম্পানি স্লোগান ছিল, আপনার স্বপ্নের বাগান আমরা গড়ি । 

মানে, আপনি যা করতে পারছেন না, আমরা আপনার হয়ে সেটা তৈরি করছি । পোরশা খামারে আমরা এখন যে বাগান দাঁড় করিয়েছি, সেটা বেশ গোছানো বাগান । 

আশা করি আমাদের কুঁড়েঘর এ গেলে, আপনার দেখা স্বপ্নের মত একটা প্রজেক্ট দেখতে পারবেন । 


//.\\


স্বপ্নকে আরেকটু বড় করা যাক - ছোট বেলায় ওয়েস্টার্ন বইতে পড়া ক্যাটল ড্রাইভ , ২০০০/৩০০০ গরু নিয়ে হাজার কিলোমিটার পাড়ি দেয়া ছিল চিন্তার বাহিরের একটা জগত ।


এটা যখন পড়তাম, আফসোস হত - আহা, সেই সময়ে ত জন্মাইনি ।


পরে জানলাম, আর্জেন্টিনা ব্রাজিল এ এমন ফার্ম আছে, আমেরিকায় আছে । কিন্তু কালচার আমাদের দেশের মত না বুঝলাম অনেক পড়ে।  


মাঝে চিন্তায় পরিবর্তন আসলো, কালচার সহ আফ্রিকায় একই কাজ করা যায় জানতে পারলাম । 

প্রস্ততির জন্য গ্রামে চলে গেলাম ।


এখন, এখানে, উগান্ডায় ত র‍্যাঞ্চ শুরুর পরিকল্পনা চলছে । চাইলে ৩০০০/৪০০০ গরু পালার মত যায়গা এখন হাতে আছে ।

বিক্রি কোথায় করব - সেটাও এখন জানা আছে, পিকাপে করে ক্যাটল ড্রাইভ করতে হবে সামনে ।


এই সপ্তাহে পানির বোরিং এর কাজ শুরু হবে ইনশাল্লাহ ।

শুরুতে ছাগলের ঘর করার পরিকল্পনা করেছি, এখানের এক এজেন্সি আছে যারা প্রফেশনালি ছাগলের ঘর বানায় ।


প্রথম শেড ৩০০ ভেড়া / ছাগলের জন্য করব এখন । 

এটা শুরু । 


এখানে, গরুকে সারাদিন রাত খোলা মাঠেই রাখে, বাংলাদেশের মত শেড এ রাখে না । শুধু চারিদিকে বেড়া বানিয়ে কোরাল বানিয়ে রাখা হয় । 


সামনে, ২৫০০ গরুর জন্য ৫০ বিঘা যায়গা নিয়ে কোরাল বানানো হবে । 


এর মাঝে ঘোড়া নিয়ে আসতে হবে, 

বাকস্কিন এর ড্রেস সহ পুরো ওয়েস্টার্ন আউটফিট আনতে পাড়লে আরো ভাল ।


স্বপ্ন দেখা, সেটার পিছনে ক্রমাগতভাবে লেগে থাকাটা জরুরি ।

সেই ৯৮ সাল থেকে রাতের পর রাত প্লান করেছি, লিখেছি প্লান - আর নিজের সাধ্যের বাইরে সাহস করে এগোনোর চেস্টা করেছি ।


আল্লাহ মেহেরবানি করে, স্বপ্নকে বাস্তব করার তৌফিক দিচ্ছে ।

আল্লাহকে ধন্যবাদ।

আমাদের অনেকেই ভাবি, গাড়ি চালাতে পারলেই ড্রাইভার হওয়া যায়। কিন্তু একজন ভালো ড্রাইভার হতে হলে শুধু গাড়ি চালানোর দক্ষতা নয়, তার সাথে আরও অনেক গুণ থাকা দরকার। আজকে চলুন জেনে নিই, একজন ভালো ড্রাইভারের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী!

আমাদের অনেকেই ভাবি, গাড়ি চালাতে পারলেই ড্রাইভার হওয়া যায়। কিন্তু একজন ভালো ড্রাইভার হতে হলে শুধু গাড়ি চালানোর দক্ষতা নয়, তার সাথে আরও অনেক গুণ থাকা দরকার। আজকে চলুন জেনে নিই, একজন ভালো ড্রাইভারের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী!


✅ ১. ট্রাফিক আইন জানা ও মানা:

ভালো ড্রাইভার কখনো ট্রাফিক আইন ভাঙেন না। সিগনাল লাইট, স্পিড লিমিট, ওভারটেকিং রুল— সবকিছু তিনি ভালোভাবে জানেন এবং মানেন।


✅ ২. ধৈর্য ও সংযম:

রাস্তার অবস্থা সবসময় একই রকম থাকে না। কখনো জ্যাম, কখনো রাস্তায় গর্ত, আবার কখনো বৃষ্টি। ভালো ড্রাইভার সব পরিস্থিতিতেই ধৈর্য ধরে গাড়ি চালান। রাগ বা উত্তেজনায় তিনি কখনো হর্ন বাজিয়ে বা র‍্যাশ ড্রাইভিং করেন না।


✅ ৩. সতর্কতা ও মনোযোগ:

গাড়ি চালানোর সময় এক সেকেন্ডের অসাবধানতাও বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে। ভালো ড্রাইভার সবসময় সতর্ক থাকেন— সামনে, পেছনে এবং পাশে কী ঘটছে তা লক্ষ্য রাখেন। মোবাইল ফোন বা অন্য কোনো কারণে মনোযোগ হারান না।


✅ ৪. যাত্রী ও সহচালকের প্রতি সম্মান:

ড্রাইভার যদি পেশাদার হন, তাহলে তার দায়িত্ব শুধু গাড়ি চালানো নয়, যাত্রীদের নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়া এবং তাদের সাথে ভালো আচরণ করাও জরুরি। গায়ের ভাষা, হাসিমুখ ও সহানুভূতি একজন ভালো ড্রাইভারের পরিচয়।


✅ ৫. গাড়ির যত্ন ও রক্ষণাবেক্ষণ:

গাড়ির অবস্থার উপরও নিরাপত্তা নির্ভর করে। ভালো ড্রাইভার নিয়মিত গাড়ি চেক করেন— ব্রেক, টায়ার, লাইট, ইঞ্জিন ঠিক আছে কি না, তা দেখে নেন। কারণ, যাত্রার মাঝে গাড়ি নষ্ট হওয়া মানে ঝুঁকি ও বিড়ম্বনা।


✅ ৬. প্রতিকূল পরিস্থিতি সামলানোর দক্ষতা:

জ্যাম, বৃষ্টি, কুয়াশা, খারাপ রাস্তা, এমনকি গাড়ি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়া— এইসব পরিস্থিতিতে একজন ভালো ড্রাইভার শান্ত মাথায় সমস্যা সামলাতে পারেন।


✅ ৭. শিখতে আগ্রহী:

ভালো ড্রাইভার মনে করেন না যে তিনি সব জানেন। তিনি নতুন কিছু শিখতে প্রস্তুত থাকেন, যেমন আধুনিক গাড়ি প্রযুক্তি, নতুন রাস্তা বা ট্রাফিক আপডেট।


👉 শেষ কথা:

ভালো ড্রাইভার মানে শুধু দক্ষ চালক নয়, বরং তিনি একজন দায়িত্ববান, ধৈর্যশীল ও মানবিক মানুষ। আমাদের প্রত্যেকের উচিত গাড়ি চালানোর আগে এই গুণগুলো আয়ত্ত করা, কারণ সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে এবং সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এসবের কোনো বিকল্প নেই।


আপনার পরিচিত কোনো ভালো ড্রাইভারের নাম কমেন্টে শেয়ার করুন!

আমাদের ড্রাইভার সার্ভিস সবসময়ই ভালো ড্রাইভার সরবরাহ করার চেষ্টা করে।

আপনি যদি একজন ভালো ড্রাইভার হন এবং উপরের লেখার সঙ্গে আপনার গুণগত মান মিলে যায়, তাহলে কমেন্ট করে জানিয়ে দিন।

আর আপনার পরিচিত কেউ ভালো ড্রাইভার হলে তাকে মেনশন করতে ভুলবেন না!


 আগ্রহী বাক্তিরা ড্রাইভিং শিখতে 

Ahad driving training center - আহাদ ড্রাইভিং ট্রেনিং সেন্টার   আপনার ভর্তি নিশ্চিত করতে পারবেন।

আপনি যা ভাবেন, আপনার মস্তিষ্ক ঠিক সেটাই খুঁজে বেড়ায়!

 আপনি যা ভাবেন, আপনার মস্তিষ্ক ঠিক সেটাই খুঁজে বেড়ায়!


ভেবেছেন হুট করে একটা নতুন বাইক কিনবেন? দেখবেন, রাস্তায় বের হলেই চোখে পড়ছে একের পর এক বাইক!

কারো প্রেমে পড়েছেন? আশেপাশে হঠাৎ করেই দেখা যাচ্ছে তার নাম, তার মতো চেহারা, এমনকি তার প্রিয় গানও!


এটা শুধু কাকতালীয় না, বরং এটা আপনার মস্তিষ্কের এক অসাধারণ বৈশিষ্ট্য—Reticular Activating System (RAS)।


RAS হলো মস্তিষ্কের একধরনের ফিল্টারিং সিস্টেম, যা আপনার আগ্রহ, মনোযোগ ও চিন্তার সাথে মিল রেখে প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে এনে দেয়।

আপনি যেদিকে মনোযোগ দিবেন, মস্তিষ্ক সেদিকেই ফোকাস করতে শুরু করে।


যেমন ধরুন:


সারাদিন যদি ভাবেন: "আমি কিছুই পারি না", "কেন এমন হলো?", "কে আমাকে ছেড়ে গেল?"

তাহলে আপনার মস্তিষ্ক এসব নেগেটিভ চিন্তাতেই ব্যস্ত থাকবে।


আর আপনি যদি ভাবেন:


"আগামীকাল কী নতুন কিছু শিখব?"


"পরীক্ষায় কিভাবে নিজেকে প্রমাণ করব?"


"কী কী স্কিল শিখলে আমার ক্যারিয়ার বদলে যাবে?"

তাহলে দেখবেন মস্তিষ্ক নিজ থেকেই নতুন নতুন আইডিয়া খুঁজে আনছে আপনার জন্য!


মস্তিষ্ক একটানা যা পায়, সেটাকেই চাষ করে।

আপনি যদি চিন্তার বীজ হিসেবে সম্ভাবনা, ইতিবাচকতা, উন্নয়ন এসব বপন করেন—সেই অনুযায়ীই ফল পাবেন।


একটা ছোট উদাহরণ দিই: প্রাক্তনের কথা ভাবলেই মন খারাপ হবে, আর নতুন জীবনের কথা ভাবলেই নিজেকে গড়তে ইচ্ছা হবে!


তাই বন্ধু,

আপনার মস্তিষ্ককে সঠিক খাবার দিন—ভালো চিন্তা, ভালো পরিকল্পনা, ভালো টার্গেট।

তাহলেই জীবন সেদিকেই এগিয়ে যাবে যেদিকে আপনি মনোযোগ দেন।


চিন্তা বদলান, জীবন বদলে যাবে।

টিকটিকি তাড়ানোর ৬ কৌশল 

 টিকটিকি তাড়ানোর ৬ কৌশল 


বর্ষার এই সময়টাতে বাড়িতে পোকামাকড় বাড়তে থাকে। আর এই সময়ে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে টিকটিকির দল। শীতকালে নিজেদের লুকানো বাসায় গা ঢাকা দিলেও গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘরে বাইরে কিলবিল করতে থাকে তারা। ভ্যাপসা পরিবেশ বা বর্ষায় তো কথাই নেই। টিকটিকি শুধু যে অস্বস্তিকর একটি প্রাণী তাই নয়, এটি অত্যন্ত বিষাক্ত। এই বিরক্তিকর টিকটিকিকে বাড়ি থেকে দূর করতে চাইলে কয়েকটি কৌশল নিতে পারেন। চলুন জেনে নিই কৌশলগুলো-


✅ ময়ূরের পালক: টিকটিকি ময়ূরের পালক দেখলেই পালায়। তাই টিকটিকির উপদ্রব থেকে পরিত্রাণ পেতে ঘরে বা দেওয়ালে ময়ূরের পালক রাখতে পারেন। আসলে, ময়ূররা টিকটিকি খায়, তাই ময়ূরের পালকের গন্ধ পেলে বা সেটি দেখতে পেলেই টিকটিকি ভয়ে পালিয়ে যায়। সেই জায়গায় আর আসে না।


✅ ঘর জুড়ে ন্যাপথালিন বল: আপনার ঘরের চারপাশে, প্রতিটি ড্রয়ার, আলমারি বা কোণায় কয়েকটি ন্যাপথলিন বল রেখে দিন। টিকটিকি এই ন্যাপথলিন বলের তীব্র গন্ধ সহ্য করতে পারে না। ফলে সে পালিয়ে যেতে বাধ্য হবে। আবার ন্যাপথলিনের বল ঘরে রাখলে, ঘরজুড়ে একটা সুগন্ধও থেকে যায়।


✅ টিকটিকির ডিমের ভয়: টিকটিকি থেকে মুক্তি পেতে ডিমের খোসা ব্যবহার করতে পারেন। ওমলেট করার সময় ডিমের একটি ধারে ছোট্টো ফুটো করে ডিম বের করে নিন। আর সেই খোসাটি ঘরের যে সব স্থানে টিকটিকি বারবার আসে সেখানে রেখে দিন।


✅ কফির কড়া গন্ধ: আপনি যেমন টিকটিকিদের সহ্য করতে পারেন না, তেমনই টিকটিকিও সহ্য করতে পারে না কফির গন্ধ। কফি এবং তামাক একসঙ্গে মিশিয়ে অল্প পানি দিয়ে ছোট ছোট বল বানিয়ে নিন। ঘরের কোণায় কোণায় সেই বল রেখে দিন। দেখবেন টিকটিকি পালিয়ে গেছে।


✅ তাছাড়া গোলমিরচের গুঁড়োতেও টিকটিকি পালায়। পানির মধ্যে গোলমরিচ গুলে সেই দ্রবণটি একটি স্প্রে বোতলে রাখুন। যেসব স্থানে টিকটিকি আসে সেখানে সেই স্প্রে করে দিন। দিন কয়েক করে দেখুন টিকটিকি আর আসবে না।


✅ পেঁয়াজ রসুনের তীব্র গন্ধ: পেঁয়াজ ও রসুনের গন্ধও এতটাই তীব্র যে গন্ধ পেয়ে বা দেখে টিকটিকি আর ওই জায়গায় আসে না। এমন অবস্থায় যে সব স্থানে বারবার টিকটিকি দেখা যায় সেই স্থানে একটি কাটা পেঁয়াজ বা রসুনের কোয়া ঝুলিয়ে রাখুন। এর তীব্র গন্ধ টিকটিকিকে ঘরে ঢুকতে বাধা দেবে।

সান্ডা! ছোট্ট এই প্রাণীটিকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন চলছে ব্যাপক আলোচনা।

 সান্ডা! ছোট্ট এই প্রাণীটিকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন চলছে ব্যাপক আলোচনা। কফিলের ছেলের জন্য সান্ডা খুঁজতে খুঁজতে প্রাণীটিকে রীতিমতো ফেসবুক সেলিব্রিটি বানিয়ে দিয়েছে নেটিজেনরা।


সান্ডা হলো আগামিডে গোত্রের অন্তর্ভুক্ত সরীসৃপ প্রজাতির প্রাণী। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে এদের দেখতে পাওয়া যায়।


তবে ইদানিং সোশ্যাল মিডিয়ায় আরবদের যে প্রাণীটি খাওয়ার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সেগুলো মূলত দব। দবকে অনেকে সান্ডা কিংবা গুইসাপের সাথে গুলিয়ে ফেললেও এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রাণী।


সান্ডা প্রধানত তৃণভোজী তবে কখনো কখনো পোকামাকড় ও অন্যান্য ছোট প্রাণী যেমন টিকটিকিও খায়।


এদের লেজ মোটা ও কাঁটার মতো খাঁজযুক্ত। সান্ডার আকার ছোট হলেও দেখতে হুবুহু গুইসাপের মতো। আরব অঞ্চলে সান্ডা পাওয়া যায় না এবং তারা এটি খায়ও না।


দব আকারে ছোট, এটি সাধারণত ৯০ সেন্টিমিটারের বেশি লম্বা হয়। এর লেজ মসৃণ, দেখতে সাপের লেজের মতো।


এরা মরুভূমিতে বাস করে, পানির ধারেকাছেও যায় না। দব সাধারণত তৃণভোজী, খাদ্য হিসেবে এরা ফড়িং, পঙ্গপাল, পিঁপড়া, তাজা ঘাস ইত্যাদি গ্রহণ করে।


অন্যদিকে গুইসাপ আকারে বেশ বড় এবং লেজ চ্যাপ্টা হয়ে থাকে। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানসহ এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে এদের দেখা যায়।


গুইসাপ জলে-স্থলে, ঝোপ-জঙ্গলে ও ডোবায় থাকে। বিষাক্ত কীট-পতঙ্গ, সাপ, বিচ্ছু, গিটগিটি ইত্যাদি শিকার করে খায়।


অর্থাৎ আকৃতি কাছাকাছি হলেও দব, সান্ডা ও গুইসাপ পরস্পর থেকে আলাদা। ইসলামি শরিয়া অনুযায়ী, সান্ডা ও গুইসাপ খাওয়া হারাম হলেও দব খাওয়ার ব্যাপারে ভিন্নমত রয়েছে।  


রাসুল সালল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে আরবের সাহাবিগণ দব খেতেন। নবীজি নিজে এটি খাননি, তবে সাহাবিদের খেতে নিষেধও করেননি।


সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম শরীফে এসেছে, তিনি বলেছিলেন, “এটি আমার এলাকায় ছিল না, তাই আমি এর প্রতি আগ্রহ বোধ করি না। কিন্তু তোমরা খেতে পারো, কারণ এটি হারাম করা হয়নি।”


তাই অধিকাংশ ইসলামি স্কলারদের মতে এটি হালাল হলেও হানাফি মাজহাবে এটিকে হারাম বলা হয়েছে।


হানাফি মাজহাবের অনুসারীরা শুধুমাত্র মাছজাতীয় প্রাণীকে হালাল মনে করেন। তাদের মতে, সরীসৃপ বা উভচর প্রাণী খাওয়া জায়েজ নয়।


মালিকি, শাফেয়ি ও হাম্বলি মাজহাবেও উভচর প্রাণী খাওয়া নিষিদ্ধ হলেও দব খাওয়াকে জায়েজ হিসেবে গণ্য করা হয়। তাই আরবের বেদুইনরা দবকে হালাল খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে থাকে।


পানিতে সিদ্ধ করে বিভিন্ন প্রকারের মশলা দিয়ে রান্না করে তারা এটিকে আরবদের জনপ্রিয় খাবার খ্যাপসার সাথে পরিবেশন করে।


সুস্বাদু খাবার ছাড়াও সান্ডার একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এর তেল। সান্ডার তেল আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়।


বলা হয়ে থাকে, এই তেল পুরুষদের যৌন সমস্যা সমাধানে ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বেশ কার্যকরী। এছাড়া দেহের ব্যথা উপশম করতেও এই তেল মালিশ করা বেশ উপকারী বলে ধারণা করা হয়। কিন্তু এর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি বা প্রমাণ নেই।


তবে মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশে কিন্তু এই মরুভুমির দব পাওয়া যায় না। তাই কফিলের মতো দবের বিরিয়ানি খাওয়ার শখ জাগলে, পোল্ট্রি মুরগির বিরিয়ানি রেঁধে খেয়ে ফেলুন।

দাউদ (Ringworm): জানুন, বুঝুন, বাঁচুন

 🦠 দাউদ (Ringworm): জানুন, বুঝুন, বাঁচুন! 🛑 দাউদ হলো এক ধরনের ছোঁয়াচে ছত্রাকজনিত চর্মরোগ, যা শরীরের যেকোনো স্থানে হতে পারে। রিং-এর মতো লালচে চুলকানিময় ফুসকুড়ি এর মূল লক্ষণ।


🔍 কিভাবে হয়?


✅ ঘাম, আর্দ্রতা ও অপরিচ্ছন্নতা

✅ সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শ

✅ তোয়ালে, জামাকাপড়, বিছানার চাদর ভাগাভাগি করলে


🔬 কোন ছত্রাকের কারণে কোন ধরনের দাউদ হয়?


T. rubrum → Tinea corporis (শরীর)


T. mentagrophytes → Tinea cruris (কুঁচকি)


M. canis → Tinea capitis (মাথা)


E. floccosum → Tinea pedis (পা)


T. tonsurans → Tinea barbae (দাড়ি/গোঁফ)


🚨 উপসর্গগুলো কী?

🔥 বৃত্তাকার লাল দাগ ও চুলকানি

🔥 ফুসকুড়ি, চামড়া উঠা

🔥 পায়ের তালু ফাটা, মাথায় খুশকি ও চুল পড়া

🔥 রাতে চুলকানি বাড়ে


💊 চিকিৎসা ও ওষুধ:


🧴 Clotrimazole, Miconazole, Terbinafine , luliconazole , setraconazol (ক্রিম)

💊 Itraconazole, Fluconazole , Terbinafin Voriconazole (মুখে খাওয়ার ওষুধ)

⚠️ সম্পূর্ণ কোর্স শেষ করা জরুরি ।

⚠️ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া স্টেরয়েড ব্যবহার করবেন না ।


🧪 পরীক্ষা লাগতে পারে:


🔬 KOH স্কিন স্ক্র্যাপ

🔬 Wood’s Lamp Test

🔬 Fungal Culture (বারবার হলে)


🛡️ প্রতিরোধের উপায়:


✔️ প্রতিদিন গোসল

✔️ কাপড়, তোয়ালে গরম পানিতে ধোয়া

✔️ ঘাম কমানো ও ত্বক শুকনো রাখা

✔️ জামাকাপড় অন্যের সঙ্গে ভাগ না করা


⚠️ ভালো হয়ে আবার হলে করণীয়:


🔁 পরিবারের সবাইকে একসাথে চিকিৎসা দিন

🔁 ব্যবহৃত সব জিনিস জীবাণুমুক্ত করুন

🔁 ওষুধ পরিবর্তন না করে ডাক্তার দেখান

🔁 ফাঙ্গাস চিহ্নিত করে চিকিৎসা নিন


🏥 কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?


🚨 ৩ সপ্তাহেও না কমলে

🚨 শিশু বা গর্ভবতী হলে

🚨 ইনফেকশন বা ফোড়া হলে

🚨 অনেক জায়গায় ছড়ালে

🚨 বারবার আক্রান্ত হলে 


🔖

#Ringworm, #দাউদ, #চর্মরোগ, #SkinInfection, #FungalInfection, #স্বাস্থ্যবিধি, #DermatologyTips, #SkinCareBangla, #HealthAwarenessBD, #ডাক্তারের_পরামর্শ


বর্তমানে অনেকেই সমস্যাটায় ভুগছে , তাই শেয়ার করে রাখুন হয়তো কারো কাজে আসতে পারে 

© Dr Miskat Aziz

হোম মেইড তরল জৈব সার প্রস্তুত প্রণালী A to Z

 হোম মেইড তরল জৈব সার প্রস্তুত প্রণালী A to Z


Description::

প্রথমে ১০০ লিটারে একটি প্লাস্টিকের ড্রাম নিতে হবে। ড্রামটি পরিষ্কার করে এতে ২০ কেজি তাজা গোবর নিতে হবে, তারপর ১০ লিটার গরুর চুনা ঢেলে দিতে হবে, ১.৫ কেজি চিটাগুড় দিতে হবে, তারপর পানিতে ভেজানো ১ কেজি সরিষার খৈল দিতে হবে, তারপর ১ কেজি বেসন,১ মুঠো জঙ্গলের মাটি, ১০০ গ্রাম টক দ‌ই, ১ টি ডিম খোসা সহ ভেংগে দিতে হবে, তারপর ৫ লিটার পুকুরের পানি, ২ লিটার চাল ধোয়া পানি, ১ কেজি চালের কুঁড়া দিয়ে একটি বাঁশের কাঠি দিয়ে ডান দিকে থেকে ভালো করে গুটিয়ে সবগুলো উপাদান ভালো করে মিশিয়ে দিতে হবে। 

এর পরিষ্কার পানি দিয়ে ১০০ লিটারের ড্রাম পূর্ণ করতে।


এভাবে প্রতিদিন সকালে ও বিকালে কাটিং দিয়ে ৭দিন গুটাতে হবে। 

৭ দিন পর এই তরল জৈব সার জমিতে ব্যবহার উপযোগী হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।


তরল জৈব সার ব্যবহারের নিয়ম হলো

৫ লিটার পানিতে ১ লিটার তরল জৈব সার মিশিয়ে সরাসরি গাছের গোড়ায় বা জমিতে স্প্রে প্রয়োগ করতে পারবেন।


তরল জৈব ১০০% অর্গানিক এবং উপকারী অনুজীব ভরপুর একটি সার। 

এটি ছাঁদ বাগান, সবজি, ধান সহ সকল ধরনের ফসলে ব্যবহার সম্ভব।

এই সার ব্যবহার করলে কোন ধরনের রাসায়নিক সার ব্যবহারের প্রয়োজন নেই এছাড়াও এই সারের কোন ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।


#organicfarming

#organicfertilizer

#rooftopgarden

#vegetables

#CropCare

#soilhealth

#informativepost

#BIO

#ছাদবাগান

অফ-গ্রিড সোলার সিস্টেম কীভাবে কাজ করে

 এই সিস্টেমে দিনে সূর্যের আলো থেকে আপনার বাসায় বিদ্যুৎ চালবে, এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যাটারিতে জমা হবে। রাতে বা সূর্য না থাকলে ব্যাটারির সেই জমা বিদ্যুৎ দিয়ে আপনার বাসা চলবে। কোনো জাতীয় গ্রিডের দরকার নেই, ফলে লোডশেডিং বা বিলের চিন্তা নেই।” তবে রাতে যদি ব্যাটারি ব্যাকআপ না হয় তাহলে ব্যাটারি যুক্ত করতে হবে অথবা সেক্ষেত্রে তার গ্রীডের প্রয়োজন রয়েছে।।


অফ-গ্রিড সোলার সিস্টেম কীভাবে কাজ করে:

১. দিনে (সূর্য থাকাকালীন সময়):

সোলার প্যানেল সূর্যের আলো থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে (DC বিদ্যুৎ)।


ইনভার্টার এই DC বিদ্যুৎকে AC এ রূপান্তর করে, যা ঘরের ফ্যান, লাইট, ফ্রিজ ইত্যাদিতে সরাসরি ব্যবহৃত হয়।


অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যাটারিতে জমা হয়।


যেমন: যদি দিনে আপনার ব্যবহার কম হয়, তবে বাকি বিদ্যুৎটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাটারিতে চার্জ হতে থাকে।


২. রাতে (সূর্য না থাকাকালীন সময়):

সোলার প্যানেল বিদ্যুৎ তৈরি করতে পারে না।


তখন সিস্টেমটি ব্যাটারিতে জমা থাকা বিদ্যুৎ ব্যবহার করে আপনার ঘরের সব লোড চালায়।


ব্যাটারিতে যেই DC বিদ্যুৎ ছিল, ইনভার্টার আবার তা AC তে রূপান্তর করে চালায়।


৩. ব্যাকআপ নির্ভরতা:

ব্যাটারির ক্ষমতা অনুযায়ী আপনি ৪ ঘণ্টা, ৮ ঘণ্টা বা ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত ব্যাকআপ পেতে পারেন।


যদি ব্যাটারি ফুল চার্জ না হয় (যেমন বৃষ্টি বা কুয়াশায়), তবে ব্যাকআপ সময় কমে যেতে পারে।


~যদি আপনার আরো আরও প্রশ্ন থাকে এ ধরনের অফগ্রীড সোলার সিস্টেম সংক্রান্ত তাহলে আমাদের IPS BAZAR চোখ রাখবেন।।

সময় মত সকল উত্তর পেয়ে যাবেন।।


-কোথাও কোনো ভুল থাকলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।।


জনস্বার্থে আই পি এস বাজার 


রোদ্দুরই হোক আপনার শক্তি-

•আধুনিক সেবা পণ্যর জন্য যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে: 01749426789


ন্যানো-স্কেলে কোয়ান্টাম সুপারপজিশন: সোডিয়াম কণার 'একই সঙ্গে দুই জায়গায়' থাকার নতুন প্রমাণ,,,মুস্তাকীম ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ন্যানো-স্কেলে কোয়ান্টাম সুপারপজিশন: সোডিয়াম কণার 'একই সঙ্গে দুই জায়গায়' থাকার নতুন প্রমাণ ~ কোয়ান্টাম জগতের সবচেয়ে বিস্ময়কর ধার...