এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ১৫ মে, ২০২৫

আপনি যা ভাবেন, আপনার মস্তিষ্ক ঠিক সেটাই খুঁজে বেড়ায়!

 আপনি যা ভাবেন, আপনার মস্তিষ্ক ঠিক সেটাই খুঁজে বেড়ায়!


ভেবেছেন হুট করে একটা নতুন বাইক কিনবেন? দেখবেন, রাস্তায় বের হলেই চোখে পড়ছে একের পর এক বাইক!

কারো প্রেমে পড়েছেন? আশেপাশে হঠাৎ করেই দেখা যাচ্ছে তার নাম, তার মতো চেহারা, এমনকি তার প্রিয় গানও!


এটা শুধু কাকতালীয় না, বরং এটা আপনার মস্তিষ্কের এক অসাধারণ বৈশিষ্ট্য—Reticular Activating System (RAS)।


RAS হলো মস্তিষ্কের একধরনের ফিল্টারিং সিস্টেম, যা আপনার আগ্রহ, মনোযোগ ও চিন্তার সাথে মিল রেখে প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে এনে দেয়।

আপনি যেদিকে মনোযোগ দিবেন, মস্তিষ্ক সেদিকেই ফোকাস করতে শুরু করে।


যেমন ধরুন:


সারাদিন যদি ভাবেন: "আমি কিছুই পারি না", "কেন এমন হলো?", "কে আমাকে ছেড়ে গেল?"

তাহলে আপনার মস্তিষ্ক এসব নেগেটিভ চিন্তাতেই ব্যস্ত থাকবে।


আর আপনি যদি ভাবেন:


"আগামীকাল কী নতুন কিছু শিখব?"


"পরীক্ষায় কিভাবে নিজেকে প্রমাণ করব?"


"কী কী স্কিল শিখলে আমার ক্যারিয়ার বদলে যাবে?"

তাহলে দেখবেন মস্তিষ্ক নিজ থেকেই নতুন নতুন আইডিয়া খুঁজে আনছে আপনার জন্য!


মস্তিষ্ক একটানা যা পায়, সেটাকেই চাষ করে।

আপনি যদি চিন্তার বীজ হিসেবে সম্ভাবনা, ইতিবাচকতা, উন্নয়ন এসব বপন করেন—সেই অনুযায়ীই ফল পাবেন।


একটা ছোট উদাহরণ দিই: প্রাক্তনের কথা ভাবলেই মন খারাপ হবে, আর নতুন জীবনের কথা ভাবলেই নিজেকে গড়তে ইচ্ছা হবে!


তাই বন্ধু,

আপনার মস্তিষ্ককে সঠিক খাবার দিন—ভালো চিন্তা, ভালো পরিকল্পনা, ভালো টার্গেট।

তাহলেই জীবন সেদিকেই এগিয়ে যাবে যেদিকে আপনি মনোযোগ দেন।


চিন্তা বদলান, জীবন বদলে যাবে।

টিকটিকি তাড়ানোর ৬ কৌশল 

 টিকটিকি তাড়ানোর ৬ কৌশল 


বর্ষার এই সময়টাতে বাড়িতে পোকামাকড় বাড়তে থাকে। আর এই সময়ে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে টিকটিকির দল। শীতকালে নিজেদের লুকানো বাসায় গা ঢাকা দিলেও গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘরে বাইরে কিলবিল করতে থাকে তারা। ভ্যাপসা পরিবেশ বা বর্ষায় তো কথাই নেই। টিকটিকি শুধু যে অস্বস্তিকর একটি প্রাণী তাই নয়, এটি অত্যন্ত বিষাক্ত। এই বিরক্তিকর টিকটিকিকে বাড়ি থেকে দূর করতে চাইলে কয়েকটি কৌশল নিতে পারেন। চলুন জেনে নিই কৌশলগুলো-


✅ ময়ূরের পালক: টিকটিকি ময়ূরের পালক দেখলেই পালায়। তাই টিকটিকির উপদ্রব থেকে পরিত্রাণ পেতে ঘরে বা দেওয়ালে ময়ূরের পালক রাখতে পারেন। আসলে, ময়ূররা টিকটিকি খায়, তাই ময়ূরের পালকের গন্ধ পেলে বা সেটি দেখতে পেলেই টিকটিকি ভয়ে পালিয়ে যায়। সেই জায়গায় আর আসে না।


✅ ঘর জুড়ে ন্যাপথালিন বল: আপনার ঘরের চারপাশে, প্রতিটি ড্রয়ার, আলমারি বা কোণায় কয়েকটি ন্যাপথলিন বল রেখে দিন। টিকটিকি এই ন্যাপথলিন বলের তীব্র গন্ধ সহ্য করতে পারে না। ফলে সে পালিয়ে যেতে বাধ্য হবে। আবার ন্যাপথলিনের বল ঘরে রাখলে, ঘরজুড়ে একটা সুগন্ধও থেকে যায়।


✅ টিকটিকির ডিমের ভয়: টিকটিকি থেকে মুক্তি পেতে ডিমের খোসা ব্যবহার করতে পারেন। ওমলেট করার সময় ডিমের একটি ধারে ছোট্টো ফুটো করে ডিম বের করে নিন। আর সেই খোসাটি ঘরের যে সব স্থানে টিকটিকি বারবার আসে সেখানে রেখে দিন।


✅ কফির কড়া গন্ধ: আপনি যেমন টিকটিকিদের সহ্য করতে পারেন না, তেমনই টিকটিকিও সহ্য করতে পারে না কফির গন্ধ। কফি এবং তামাক একসঙ্গে মিশিয়ে অল্প পানি দিয়ে ছোট ছোট বল বানিয়ে নিন। ঘরের কোণায় কোণায় সেই বল রেখে দিন। দেখবেন টিকটিকি পালিয়ে গেছে।


✅ তাছাড়া গোলমিরচের গুঁড়োতেও টিকটিকি পালায়। পানির মধ্যে গোলমরিচ গুলে সেই দ্রবণটি একটি স্প্রে বোতলে রাখুন। যেসব স্থানে টিকটিকি আসে সেখানে সেই স্প্রে করে দিন। দিন কয়েক করে দেখুন টিকটিকি আর আসবে না।


✅ পেঁয়াজ রসুনের তীব্র গন্ধ: পেঁয়াজ ও রসুনের গন্ধও এতটাই তীব্র যে গন্ধ পেয়ে বা দেখে টিকটিকি আর ওই জায়গায় আসে না। এমন অবস্থায় যে সব স্থানে বারবার টিকটিকি দেখা যায় সেই স্থানে একটি কাটা পেঁয়াজ বা রসুনের কোয়া ঝুলিয়ে রাখুন। এর তীব্র গন্ধ টিকটিকিকে ঘরে ঢুকতে বাধা দেবে।

সান্ডা! ছোট্ট এই প্রাণীটিকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন চলছে ব্যাপক আলোচনা।

 সান্ডা! ছোট্ট এই প্রাণীটিকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন চলছে ব্যাপক আলোচনা। কফিলের ছেলের জন্য সান্ডা খুঁজতে খুঁজতে প্রাণীটিকে রীতিমতো ফেসবুক সেলিব্রিটি বানিয়ে দিয়েছে নেটিজেনরা।


সান্ডা হলো আগামিডে গোত্রের অন্তর্ভুক্ত সরীসৃপ প্রজাতির প্রাণী। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে এদের দেখতে পাওয়া যায়।


তবে ইদানিং সোশ্যাল মিডিয়ায় আরবদের যে প্রাণীটি খাওয়ার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সেগুলো মূলত দব। দবকে অনেকে সান্ডা কিংবা গুইসাপের সাথে গুলিয়ে ফেললেও এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রাণী।


সান্ডা প্রধানত তৃণভোজী তবে কখনো কখনো পোকামাকড় ও অন্যান্য ছোট প্রাণী যেমন টিকটিকিও খায়।


এদের লেজ মোটা ও কাঁটার মতো খাঁজযুক্ত। সান্ডার আকার ছোট হলেও দেখতে হুবুহু গুইসাপের মতো। আরব অঞ্চলে সান্ডা পাওয়া যায় না এবং তারা এটি খায়ও না।


দব আকারে ছোট, এটি সাধারণত ৯০ সেন্টিমিটারের বেশি লম্বা হয়। এর লেজ মসৃণ, দেখতে সাপের লেজের মতো।


এরা মরুভূমিতে বাস করে, পানির ধারেকাছেও যায় না। দব সাধারণত তৃণভোজী, খাদ্য হিসেবে এরা ফড়িং, পঙ্গপাল, পিঁপড়া, তাজা ঘাস ইত্যাদি গ্রহণ করে।


অন্যদিকে গুইসাপ আকারে বেশ বড় এবং লেজ চ্যাপ্টা হয়ে থাকে। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানসহ এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে এদের দেখা যায়।


গুইসাপ জলে-স্থলে, ঝোপ-জঙ্গলে ও ডোবায় থাকে। বিষাক্ত কীট-পতঙ্গ, সাপ, বিচ্ছু, গিটগিটি ইত্যাদি শিকার করে খায়।


অর্থাৎ আকৃতি কাছাকাছি হলেও দব, সান্ডা ও গুইসাপ পরস্পর থেকে আলাদা। ইসলামি শরিয়া অনুযায়ী, সান্ডা ও গুইসাপ খাওয়া হারাম হলেও দব খাওয়ার ব্যাপারে ভিন্নমত রয়েছে।  


রাসুল সালল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে আরবের সাহাবিগণ দব খেতেন। নবীজি নিজে এটি খাননি, তবে সাহাবিদের খেতে নিষেধও করেননি।


সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম শরীফে এসেছে, তিনি বলেছিলেন, “এটি আমার এলাকায় ছিল না, তাই আমি এর প্রতি আগ্রহ বোধ করি না। কিন্তু তোমরা খেতে পারো, কারণ এটি হারাম করা হয়নি।”


তাই অধিকাংশ ইসলামি স্কলারদের মতে এটি হালাল হলেও হানাফি মাজহাবে এটিকে হারাম বলা হয়েছে।


হানাফি মাজহাবের অনুসারীরা শুধুমাত্র মাছজাতীয় প্রাণীকে হালাল মনে করেন। তাদের মতে, সরীসৃপ বা উভচর প্রাণী খাওয়া জায়েজ নয়।


মালিকি, শাফেয়ি ও হাম্বলি মাজহাবেও উভচর প্রাণী খাওয়া নিষিদ্ধ হলেও দব খাওয়াকে জায়েজ হিসেবে গণ্য করা হয়। তাই আরবের বেদুইনরা দবকে হালাল খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে থাকে।


পানিতে সিদ্ধ করে বিভিন্ন প্রকারের মশলা দিয়ে রান্না করে তারা এটিকে আরবদের জনপ্রিয় খাবার খ্যাপসার সাথে পরিবেশন করে।


সুস্বাদু খাবার ছাড়াও সান্ডার একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এর তেল। সান্ডার তেল আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়।


বলা হয়ে থাকে, এই তেল পুরুষদের যৌন সমস্যা সমাধানে ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে বেশ কার্যকরী। এছাড়া দেহের ব্যথা উপশম করতেও এই তেল মালিশ করা বেশ উপকারী বলে ধারণা করা হয়। কিন্তু এর কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি বা প্রমাণ নেই।


তবে মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশে কিন্তু এই মরুভুমির দব পাওয়া যায় না। তাই কফিলের মতো দবের বিরিয়ানি খাওয়ার শখ জাগলে, পোল্ট্রি মুরগির বিরিয়ানি রেঁধে খেয়ে ফেলুন।

দাউদ (Ringworm): জানুন, বুঝুন, বাঁচুন

 🦠 দাউদ (Ringworm): জানুন, বুঝুন, বাঁচুন! 🛑 দাউদ হলো এক ধরনের ছোঁয়াচে ছত্রাকজনিত চর্মরোগ, যা শরীরের যেকোনো স্থানে হতে পারে। রিং-এর মতো লালচে চুলকানিময় ফুসকুড়ি এর মূল লক্ষণ।


🔍 কিভাবে হয়?


✅ ঘাম, আর্দ্রতা ও অপরিচ্ছন্নতা

✅ সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শ

✅ তোয়ালে, জামাকাপড়, বিছানার চাদর ভাগাভাগি করলে


🔬 কোন ছত্রাকের কারণে কোন ধরনের দাউদ হয়?


T. rubrum → Tinea corporis (শরীর)


T. mentagrophytes → Tinea cruris (কুঁচকি)


M. canis → Tinea capitis (মাথা)


E. floccosum → Tinea pedis (পা)


T. tonsurans → Tinea barbae (দাড়ি/গোঁফ)


🚨 উপসর্গগুলো কী?

🔥 বৃত্তাকার লাল দাগ ও চুলকানি

🔥 ফুসকুড়ি, চামড়া উঠা

🔥 পায়ের তালু ফাটা, মাথায় খুশকি ও চুল পড়া

🔥 রাতে চুলকানি বাড়ে


💊 চিকিৎসা ও ওষুধ:


🧴 Clotrimazole, Miconazole, Terbinafine , luliconazole , setraconazol (ক্রিম)

💊 Itraconazole, Fluconazole , Terbinafin Voriconazole (মুখে খাওয়ার ওষুধ)

⚠️ সম্পূর্ণ কোর্স শেষ করা জরুরি ।

⚠️ ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া স্টেরয়েড ব্যবহার করবেন না ।


🧪 পরীক্ষা লাগতে পারে:


🔬 KOH স্কিন স্ক্র্যাপ

🔬 Wood’s Lamp Test

🔬 Fungal Culture (বারবার হলে)


🛡️ প্রতিরোধের উপায়:


✔️ প্রতিদিন গোসল

✔️ কাপড়, তোয়ালে গরম পানিতে ধোয়া

✔️ ঘাম কমানো ও ত্বক শুকনো রাখা

✔️ জামাকাপড় অন্যের সঙ্গে ভাগ না করা


⚠️ ভালো হয়ে আবার হলে করণীয়:


🔁 পরিবারের সবাইকে একসাথে চিকিৎসা দিন

🔁 ব্যবহৃত সব জিনিস জীবাণুমুক্ত করুন

🔁 ওষুধ পরিবর্তন না করে ডাক্তার দেখান

🔁 ফাঙ্গাস চিহ্নিত করে চিকিৎসা নিন


🏥 কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?


🚨 ৩ সপ্তাহেও না কমলে

🚨 শিশু বা গর্ভবতী হলে

🚨 ইনফেকশন বা ফোড়া হলে

🚨 অনেক জায়গায় ছড়ালে

🚨 বারবার আক্রান্ত হলে 


🔖

#Ringworm, #দাউদ, #চর্মরোগ, #SkinInfection, #FungalInfection, #স্বাস্থ্যবিধি, #DermatologyTips, #SkinCareBangla, #HealthAwarenessBD, #ডাক্তারের_পরামর্শ


বর্তমানে অনেকেই সমস্যাটায় ভুগছে , তাই শেয়ার করে রাখুন হয়তো কারো কাজে আসতে পারে 

© Dr Miskat Aziz

হোম মেইড তরল জৈব সার প্রস্তুত প্রণালী A to Z

 হোম মেইড তরল জৈব সার প্রস্তুত প্রণালী A to Z


Description::

প্রথমে ১০০ লিটারে একটি প্লাস্টিকের ড্রাম নিতে হবে। ড্রামটি পরিষ্কার করে এতে ২০ কেজি তাজা গোবর নিতে হবে, তারপর ১০ লিটার গরুর চুনা ঢেলে দিতে হবে, ১.৫ কেজি চিটাগুড় দিতে হবে, তারপর পানিতে ভেজানো ১ কেজি সরিষার খৈল দিতে হবে, তারপর ১ কেজি বেসন,১ মুঠো জঙ্গলের মাটি, ১০০ গ্রাম টক দ‌ই, ১ টি ডিম খোসা সহ ভেংগে দিতে হবে, তারপর ৫ লিটার পুকুরের পানি, ২ লিটার চাল ধোয়া পানি, ১ কেজি চালের কুঁড়া দিয়ে একটি বাঁশের কাঠি দিয়ে ডান দিকে থেকে ভালো করে গুটিয়ে সবগুলো উপাদান ভালো করে মিশিয়ে দিতে হবে। 

এর পরিষ্কার পানি দিয়ে ১০০ লিটারের ড্রাম পূর্ণ করতে।


এভাবে প্রতিদিন সকালে ও বিকালে কাটিং দিয়ে ৭দিন গুটাতে হবে। 

৭ দিন পর এই তরল জৈব সার জমিতে ব্যবহার উপযোগী হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।


তরল জৈব সার ব্যবহারের নিয়ম হলো

৫ লিটার পানিতে ১ লিটার তরল জৈব সার মিশিয়ে সরাসরি গাছের গোড়ায় বা জমিতে স্প্রে প্রয়োগ করতে পারবেন।


তরল জৈব ১০০% অর্গানিক এবং উপকারী অনুজীব ভরপুর একটি সার। 

এটি ছাঁদ বাগান, সবজি, ধান সহ সকল ধরনের ফসলে ব্যবহার সম্ভব।

এই সার ব্যবহার করলে কোন ধরনের রাসায়নিক সার ব্যবহারের প্রয়োজন নেই এছাড়াও এই সারের কোন ধরনের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই।


#organicfarming

#organicfertilizer

#rooftopgarden

#vegetables

#CropCare

#soilhealth

#informativepost

#BIO

#ছাদবাগান

অফ-গ্রিড সোলার সিস্টেম কীভাবে কাজ করে

 এই সিস্টেমে দিনে সূর্যের আলো থেকে আপনার বাসায় বিদ্যুৎ চালবে, এবং অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যাটারিতে জমা হবে। রাতে বা সূর্য না থাকলে ব্যাটারির সেই জমা বিদ্যুৎ দিয়ে আপনার বাসা চলবে। কোনো জাতীয় গ্রিডের দরকার নেই, ফলে লোডশেডিং বা বিলের চিন্তা নেই।” তবে রাতে যদি ব্যাটারি ব্যাকআপ না হয় তাহলে ব্যাটারি যুক্ত করতে হবে অথবা সেক্ষেত্রে তার গ্রীডের প্রয়োজন রয়েছে।।


অফ-গ্রিড সোলার সিস্টেম কীভাবে কাজ করে:

১. দিনে (সূর্য থাকাকালীন সময়):

সোলার প্যানেল সূর্যের আলো থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে (DC বিদ্যুৎ)।


ইনভার্টার এই DC বিদ্যুৎকে AC এ রূপান্তর করে, যা ঘরের ফ্যান, লাইট, ফ্রিজ ইত্যাদিতে সরাসরি ব্যবহৃত হয়।


অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যাটারিতে জমা হয়।


যেমন: যদি দিনে আপনার ব্যবহার কম হয়, তবে বাকি বিদ্যুৎটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাটারিতে চার্জ হতে থাকে।


২. রাতে (সূর্য না থাকাকালীন সময়):

সোলার প্যানেল বিদ্যুৎ তৈরি করতে পারে না।


তখন সিস্টেমটি ব্যাটারিতে জমা থাকা বিদ্যুৎ ব্যবহার করে আপনার ঘরের সব লোড চালায়।


ব্যাটারিতে যেই DC বিদ্যুৎ ছিল, ইনভার্টার আবার তা AC তে রূপান্তর করে চালায়।


৩. ব্যাকআপ নির্ভরতা:

ব্যাটারির ক্ষমতা অনুযায়ী আপনি ৪ ঘণ্টা, ৮ ঘণ্টা বা ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত ব্যাকআপ পেতে পারেন।


যদি ব্যাটারি ফুল চার্জ না হয় (যেমন বৃষ্টি বা কুয়াশায়), তবে ব্যাকআপ সময় কমে যেতে পারে।


~যদি আপনার আরো আরও প্রশ্ন থাকে এ ধরনের অফগ্রীড সোলার সিস্টেম সংক্রান্ত তাহলে আমাদের IPS BAZAR চোখ রাখবেন।।

সময় মত সকল উত্তর পেয়ে যাবেন।।


-কোথাও কোনো ভুল থাকলে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।।


জনস্বার্থে আই পি এস বাজার 


রোদ্দুরই হোক আপনার শক্তি-

•আধুনিক সেবা পণ্যর জন্য যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে: 01749426789


এখনকার ছেলেমেয়েরা জানেই না আগে আমাদের ছোট বেলায় কী কী কারণে পেটানো হতো - 

 এখনকার ছেলেমেয়েরা জানেই না আগে আমাদের ছোট বেলায় কী কী কারণে পেটানো হতো - 🙂


১. মাইর খাবার পরে কাঁদলে। 

২. মাইর খাবার পর না কাঁদলে। 

৩. না-মারা সত্ত্বেও কান্নাকাটি করলে। 

৪. খেলা নিয়ে বেশি মেতে থাকলে। 

৫. খেলতে গিয়ে মাইর খেয়ে আসলে বা কাউকে মারার নালিশ আসলে। 

৬. বড়দের আড্ডায় ঢুকলে। 

৭. বড়দের কথার উত্তর না-দিলে। 

৮. বড়দের কথায় ত্যাড়া উত্তর দিলে। 

৯. অনেকদিন মাইর না-খেয়ে থাকলে। 

১০. কেউ উপদেশ দেওয়ার সময় গুনগুন করে গান করলে। 

১১. বাড়িতে অতিথি এলে বা কারও বাড়ি গিয়ে সালাম না করলে। 

১২. অতিথি এলে তাকে খাবারের প্লেট দিতে যাওয়ার সময় প্লেট থেকে খাবার মুখে দিয়ে ধরা পড়লে। 

১৩. অতিথিরা খাওয়ার সময় খাবারের দিকে হাঁ করে তাকিয়ে থাকলে। 

১৪. অতিথি বাড়ি চলে যাওয়ার সময় তার সাথে যাওয়ার বায়না ধরলে। 

১৫. খেতে না-চাইলে। 

১৬. সন্ধ্যা নামার আগে বাড়ি না-ফিরলে। 

১৭. প্রতিবেশীর বাড়িতে গিয়ে খেয়ে চলে এলে। 

১৮. জেদ দেখালে। 

১৯. কারও সাথে মারামারি করে হেরে এলে। 

২০. কাউকে বেশ করে পিটিয়ে এলে। 

২১. স্লো মোশনে খেলে। 

২২. ফাস্ট ফরোয়ার্ড স্কেলে খেলে। 

২৩. সকালে ঘুম থেকে উঠতে না চাইলে। 

২৪. রাতে ঘুমোতে না-চাইলে। 

২৫. শীতকালে গোসল করতে না চাইলে। 

২৬. গ্রীষ্মকালে বেশিক্ষন গোসল করলে। 

২৭. অন্যের গাছ থেকে আম, পেয়ারা পেড়ে খেলে। 

২৮. স্কুলে টিচারদের কাছে মার খেয়েছি খবর পেলে। 

২৯. জোরে উচ্চারণ করে না পড়ে চুপচাপ বসে পড়ার ভান ধরলে বা বিড়বিড় করে পড়লে। 

৩০. পড়ার বইয়ের মধ্যে গল্পের বই রেখে পড়ছি ধরা পড়ে গেলে। 

৩১. পরীক্ষার আগে টিভি দেখলে। 

৩২. দুধ খেতে না চাইলে। 

৩৩. আচার চুরি করে খেলে। 

৩৪. উষ্ঠা খেয়ে পড়ে গেলে উঠিয়ে আবার মারা হতো। 

৩৫. কারও বাসায় বেড়াতে গিয়ে নিজের বাসা মনে করে লন্ডভন্ড করলে। 

৩৬. স্কুলের সামনের কোনো দোকান থেকে বাকিতে কিছু খেলে বা খেলনা কিনলে।

৩৭. দুপুরে না ঘুমালে।

৩৮. পাশের বাসার কেউ পরীক্ষায় বেশি নাম্বার পাইলে।

৩৯. খাতার পৃষ্ঠা নষ্ট করলে।

৪০. বই দাগাদাগি করলে। 

৪১. শোকেস থেকে নতুন প্লেট, গ্লাস বের করলে। 

৪২. পুকুরে ডুবাইতে ডুবাইতে চোখ লাল করে ফেললে।

🙊


#সংগৃহী #everyone #highlight

সিনেস্থেসিয়া: মস্তিষ্কের এক রহস্যময় জগত

 সিনেস্থেসিয়া: মস্তিষ্কের এক রহস্যময় জগত


বিশ্বের প্রায় ৪ শতাংশ মানুষ এমন একটি বিশেষ অনুভূতির অভিজ্ঞতা লাভ করেন, যাকে বলা হয় সিনেস্থেসিয়া। এটি এমন একটি অবস্থা যেখানে একজন ব্যক্তি একটি ইন্দ্রিয়ের উদ্দীপনা অনুভব করে অন্য একটি ইন্দ্রিয়ের প্রতিক্রিয়া হিসেবে। উদাহরণস্বরূপ, কেউ শব্দ শুনলে রং দেখতে পান বা কোনো নির্দিষ্ট শব্দ পড়লে তার মনে বিশেষ রঙের ভাবনা আসে।


প্রখ্যাত লেখক হুমায়ূন আহমেদের ছোট ভাই, কার্টুনিস্ট আহসান হাবীবও এই বিশেষ অনুভূতির অধিকারী ছিলেন। হুমায়ূন আহমেদ তার ‘লীলাবতীর মৃত্যু’ বইয়ে লিখেছেন, “আহসান হাবীব শব্দের রং দেখতে পায়। সে বলে যখনই কোনো শব্দ হয় তখনই সে সেই শব্দের রং দেখে। কখনো নীল, কখনো লাল, সবুজ ও কমলা। মাঝেমধ্যে এমন সব রং দেখে যার অস্তিত্ব বাস্তব পৃথিবীতে নেই।” এই রহস্যময় অভিজ্ঞতা বিজ্ঞানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে বহু আগে থেকেই।


সাম্প্রতিক এক গবেষণা সিনেস্থেসিয়ার পেছনের কারণ অনুসন্ধানের চেষ্টা করেছে। 'প্রসিডিংস অব দ্য ন্যাশনাল একাডেমি অব সায়েন্সেস' নামের জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় সিনেস্থেসিয়ার সময় মস্তিষ্কে কী ঘটে তা বোঝার জন্য গবেষকরা কাজ করেছেন। গবেষণার প্রধান লেখক, নেদারল্যান্ডসের ম্যাক্স প্ল্যাংক ইনস্টিটিউট ফর সাইকোলিঙ্গুইস্টিক্স-এর পরিচালক সাইমন ফিশার জানান, ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইমেজিং (MRI) স্ক্যান ব্যবহার করে দেখা গেছে যে সিনেস্থেসিয়া সত্যিকারের একটি জৈবিক ঘটনা।


গবেষণায় দেখা গেছে, সিনেস্থেসিয়ায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের মস্তিষ্ক সাধারণ মানুষের তুলনায় বেশি সংযুক্ত থাকে। যখন কেউ কোনো রং 'শোনেন', তখন তার মস্তিষ্কের এমন অংশ সক্রিয় হয়, যা সাধারণত দেখা বা শোনার জন্য ব্যবহৃত হয়। তবে এটি সবার ক্ষেত্রে একরকম নয়; বিভিন্ন ব্যক্তির ক্ষেত্রে এটি ভিন্ন ভিন্ন ইন্দ্রিয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।


যেহেতু সিনেস্থেসিয়া প্রায়শই পরিবারের প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে চলে আসে, গবেষকরা ধারণা করেন এটি জিনগতভাবে প্রভাবিত হতে পারে। গবেষণায় তিনটি পরিবার বাছাই করা হয়, যেখানে অন্তত তিন প্রজন্ম ধরে একাধিক সদস্য ‘শব্দ-রং সিনেস্থেসিয়া’-তে আক্রান্ত। গবেষকরা ডিএনএ সিকোয়েন্সিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে সিনেস্থেসিয়া থাকা ও না থাকা পরিবারের সদস্যদের জিন পরীক্ষা করেন। তবে তারা এমন কোনো নির্দিষ্ট জিন খুঁজে পাননি, যা এককভাবে এই অবস্থার জন্য দায়ী। বরং তারা ৩৭টি সম্ভাব্য জিনের সন্ধান পান, যা সিনেস্থেসিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।


এই গবেষণায় আরও দেখা গেছে যে, এসব জিনের কয়েকটি বিশেষ কাজের সঙ্গে যুক্ত, যেমন 'অ্যাক্সোনোজেনেসিস'—যা মস্তিষ্কের নিউরনগুলোর সংযোগ গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। পূর্ববর্তী গবেষণাগুলোতেও দেখা গেছে, সিনেস্থেসিয়ার ক্ষেত্রে মস্তিষ্কের সংযোগ ব্যবস্থা সাধারণ মানুষের তুলনায় ভিন্ন। অর্থাৎ, এই জিনগুলো মস্তিষ্কের গঠনকে প্রভাবিত করতে পারে এবং এটি সিনেস্থেসিয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে।


গবেষকরা ভবিষ্যতে আরও বিশদ গবেষণা চালানোর পরিকল্পনা করছেন, যাতে এই রহস্য আরও গভীরভাবে বোঝা যায়। তারা মনে করেন, সিনেস্থেসিয়া নিয়ে গবেষণা করলে মানুষের মস্তিষ্ক কীভাবে বাহ্যিক বিশ্বের অনুভূতিগুলো তৈরি করে, তা আরও ভালোভাবে বোঝা সম্ভব হবে।


সিনেস্থেসিয়ার মতো রহস্যময় শারীরবৃত্তীয় ঘটনা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে মস্তিষ্কের কার্যক্রম এখনো অনেকাংশে রহস্যাবৃত। ভবিষ্যতের গবেষণায় হয়তো এর সম্পর্কে আরও চমকপ্রদ তথ্য উঠে আসবে, যা আমাদের ইন্দ্রিয় ও মস্তিষ্কের সম্পর্ক নিয়ে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করবে।


এই কলামটি সিনেস্থেসিয়ার রহস্যময় জগৎ ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার তথ্য তুলে ধরে। আপনি যদি কোনো নির্দিষ্ট পরিবর্তন বা নতুন সংযোজন চান, জানাতে পারেন!


#collected

 টিকটিকি তাড়ানোর ৬ কৌশল 


বর্ষার এই সময়টাতে বাড়িতে পোকামাকড় বাড়তে থাকে। আর এই সময়ে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে টিকটিকির দল। শীতকালে নিজেদের লুকানো বাসায় গা ঢাকা দিলেও গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘরে বাইরে কিলবিল করতে থাকে তারা। ভ্যাপসা পরিবেশ বা বর্ষায় তো কথাই নেই। টিকটিকি শুধু যে অস্বস্তিকর একটি প্রাণী তাই নয়, এটি অত্যন্ত বিষাক্ত। এই বিরক্তিকর টিকটিকিকে বাড়ি থেকে দূর করতে চাইলে কয়েকটি কৌশল নিতে পারেন। চলুন জেনে নিই কৌশলগুলো-


✅ ময়ূরের পালক: টিকটিকি ময়ূরের পালক দেখলেই পালায়। তাই টিকটিকির উপদ্রব থেকে পরিত্রাণ পেতে ঘরে বা দেওয়ালে ময়ূরের পালক রাখতে পারেন। আসলে, ময়ূররা টিকটিকি খায়, তাই ময়ূরের পালকের গন্ধ পেলে বা সেটি দেখতে পেলেই টিকটিকি ভয়ে পালিয়ে যায়। সেই জায়গায় আর আসে না।


✅ ঘর জুড়ে ন্যাপথালিন বল: আপনার ঘরের চারপাশে, প্রতিটি ড্রয়ার, আলমারি বা কোণায় কয়েকটি ন্যাপথলিন বল রেখে দিন। টিকটিকি এই ন্যাপথলিন বলের তীব্র গন্ধ সহ্য করতে পারে না। ফলে সে পালিয়ে যেতে বাধ্য হবে। আবার ন্যাপথলিনের বল ঘরে রাখলে, ঘরজুড়ে একটা সুগন্ধও থেকে যায়।


✅ টিকটিকির ডিমের ভয়: টিকটিকি থেকে মুক্তি পেতে ডিমের খোসা ব্যবহার করতে পারেন। ওমলেট করার সময় ডিমের একটি ধারে ছোট্টো ফুটো করে ডিম বের করে নিন। আর সেই খোসাটি ঘরের যে সব স্থানে টিকটিকি বারবার আসে সেখানে রেখে দিন।


✅ কফির কড়া গন্ধ: আপনি যেমন টিকটিকিদের সহ্য করতে পারেন না, তেমনই টিকটিকিও সহ্য করতে পারে না কফির গন্ধ। কফি এবং তামাক একসঙ্গে মিশিয়ে অল্প পানি দিয়ে ছোট ছোট বল বানিয়ে নিন। ঘরের কোণায় কোণায় সেই বল রেখে দিন। দেখবেন টিকটিকি পালিয়ে গেছে।


✅ তাছাড়া গোলমিরচের গুঁড়োতেও টিকটিকি পালায়। পানির মধ্যে গোলমরিচ গুলে সেই দ্রবণটি একটি স্প্রে বোতলে রাখুন। যেসব স্থানে টিকটিকি আসে সেখানে সেই স্প্রে করে দিন। দিন কয়েক করে দেখুন টিকটিকি আর আসবে না।


✅ পেঁয়াজ রসুনের তীব্র গন্ধ: পেঁয়াজ ও রসুনের গন্ধও এতটাই তীব্র যে গন্ধ পেয়ে বা দেখে টিকটিকি আর ওই জায়গায় আসে না। এমন অবস্থায় যে সব স্থানে বারবার টিকটিকি দেখা যায় সেই স্থানে একটি কাটা পেঁয়াজ বা রসুনের কোয়া ঝুলিয়ে রাখুন। এর তীব্র গন্ধ টিকটিকিকে ঘরে ঢুকতে বাধা দেবে।

আমরা যারা সেলাইয়ের কাজ করি তাদের এই নিয়মগুলো জেনে রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ 

  আমরা যারা সেলাইয়ের কাজ করি তাদের এই নিয়মগুলো জেনে রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ 


আমরা জানি যে দর্জি কাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল সঠিকভাবে মাপ নেওয়া। মাপ দুই ভাবে নেওয়া হয়:

 ১/ বডি থেকে, 

২/ পুরাতন জামা থেকে। সরাসরি বডি থেকে মাপ নেওয়ার পরে কয় ইঞ্চি লুজ দিয়ে কাটিং করতে হবে জেনে নিন। 

১/ বডির চওড়া অংশে চতুর্পাশে ঘুরিয়ে বডির ফিডিং মাপ নিয়ে আরো ৩ ইঞ্চি লুস জামাত তৈরি করলে টাইট ফিটিং জমা হবে। 

২/ বডির মাপের সাথে ৪ ইঞ্চি লুস দিয়ে জামাত তৈরি করলে নরমাল ফিডিং জমা হবে। 

৩/ বডির মাপের সাথে ৫ ইঞ্চি লুজ দিয়ে জামা তৈরি করলে লুজ ফিটিং জমা হবে।

 পোশাক তৈরি ক্ষেত্রে প্রত্যেকটা মানুষের পছন্দ এক হয় না, একেক জন একেক ধরনের ফিডিং পড়তে পছন্দ করে। আপনি দর্জি কাজ শিখতে চাইলে এই বিষয়গুলি আপনাকে অনুসরণ করতে হবে। কাস্টমারের মাইন্ড আপনাকে বুঝতে হবে, তাহলে আপনি ভালোভাবে কাস্টমার অনুযায়ী কাজ করে দিতে পারবেন। চেষ্টা চালিয়ে যান ধৈর্যের সাথে, সফলতা একদিন আসবেই ইনশাআল্লাহ। 🎨👕🏻👖🏻💪

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...