এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

মঙ্গলবার, ২০ মে, ২০২৫

হরিপুর জমিদার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া,,,,,

 হরিপুর জমিদার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া 


হরিপুরের জমিদারগণ ত্রিপুরার প্রভাবশালী জমিদারগণের উত্তরসুরি  ছিলেন। প্রবীণদের নিকট থেকে জনশ্রুতি আছে সুনামগঞ্জ, ছাতক, দোয়ারাবাজার এবং  আজমিরীগঞ্জের জনপদ কর প্রদান করতো। নাসিরনগর উপজেলাস্থ গুণীয়াউকের. জমিদারগণের সহিত তাদের সুসম্পর্ক ছিল। দেশবিভাজনের পর ১৯৪৭ সালে প্রাসাদ ছেড়ে কলকাতায় চলে যান।  প্রাসাদের অনেক স্থানে ক্ষয় হয়ে গেলেও দ্বিতলের পাশা খেলার ঘরটি আজও রয়ে গেছে যাতে জমিদার সখ্যগণের সাথে খেলতেন। বাইজীরা প্রতি রাতেই জমিদারগনের আমোদ-প্রমোদের উদ্দেশ্যে নৃত্য পরিবেশন করতো।


উত্তরসূরীদের কিয়দাংশ নীচতলায় বাস করত এবং উপাসনা করত। বর্তমানে এটির সংস্করণ এর কাজ চলছে। হরিপুর বড়বাড়িটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর দ্বারা সংরক্ষিত।


হরিপুর বড়বাড়ি তিতাস নদীর পূর্ব পারে অবস্থিত। বাড়িটি 'হরিপুর জমিদারবাড়ি' বা 'হরিপুর রাজবাড়ি' নামেও পরিচিত। এটি গ্রামের পশ্চিম পার্শে এবং নাসিরনগর সদর হতে ১৫কিমি দক্ষিণপূর্বে তথা নাসিরনগর উপজেলা ও মাধবপুর উপজেলার সংযোগ পথে অবস্থিত। বিশেষত, বর্ষা মউসুমে যখন পানিতে চারদিক ভরে উঠে তখন এর সৌন্দর্য অনেকাংশে বেড়ে যায়।


নির্মাণশৈলী

হরিপুর বড়বাড়ি একটি দুই গম্বুজ এবং ত্রিতল বিশিষ্ট বাড়ি। বারিটির আয়তন এবং আড়ম্বরপূর্ণ স্থাপত্য ঐতিহাসিক যুগের শৈল্পিক নৈপুণ্যের স্বক্ষর বহন করে। প্রাসাদটি প্রায় ৫ একর জমির উপর নির্মিত যাতে ৬০টি কক্ষে নাট্যশালা, দরবার হল, গুদাম, গোশালা, রন্ধনশালা, প্রমোদের কক্ষ, খেলার মাঠ, মঠ, মন্দির, মল পুকুর ইত্যাদি বিদ্যমান। দ্বিতলে আরোহণের জন্য ছয়টি সিঁড়ী এবং ত্রিতলে আরোহণের জন্য দুইটি সিঁড়ী রয়েছে। এর উত্তরপশ্চিম পার্শ্বে ছয়টি শয়ন কক্ষ, চারটি পূর্ব পার্শ্বে এবং চারটি রয়েছে পুকুরের পশ্চিম পার্শ্বে। বাড়িটির পশ্চিম পার্শ্বে সান বাঁধানো ঘাট রয়েছে যা নদীতে গিয়ে নেমেছে এবং এর উভয় পার্শ্বে মঠদ্বয় সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছে তার একটি উত্তর পার্শ্ব কৃষ্ণপ্রসাদ রায় চৌধুরী ও অপরটি দক্ষিণ পার্শ্বে গৌরীপ্রসাদ রায় চৌধুরীর।  এ অঞ্চলের জনপদ যাতায়তের সুবিধা তথা আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য নদীপথ ব্যবহার করতো, হয়তো তাই মূল ফটক হিসাবে আকর্ষণী ঘাটটি নির্মিত হয়েছিল।

প্যাসিভ ইনকাম এমন এক ধরনের আয়, যা আপনি সরাসরি সময় বা শ্রম বিনিময় না করেও নিয়মিতভাবে উপার্জন করতে পারেন।,,,,,,,,

 প্যাসিভ ইনকাম এমন এক ধরনের আয়, যা আপনি সরাসরি সময় বা শ্রম বিনিময় না করেও নিয়মিতভাবে উপার্জন করতে পারেন। এটি এমন আয়ের উৎস যা একবার কাজ বা বিনিয়োগের মাধ্যমে শুরু করলে দীর্ঘমেয়াদে আয়ের ধারা তৈরি হয়।


প্যাসিভ ইনকাম কেন জরুরি?


১. আর্থিক স্বাধীনতা অর্জনের জন্য:

প্যাসিভ ইনকাম থাকলে আপনি শুধু এককভাবে চাকরি বা ব্যবসার উপর নির্ভরশীল থাকবেন না। এটা আপনার স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করতে সহায়তা করে।


২. আর্থিক সুরক্ষা:

যদি হঠাৎ চাকরি চলে যায় বা ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তখন প্যাসিভ ইনকাম আপনাকে টিকে থাকতে সাহায্য করে।


৩. সময়ের স্বাধীনতা:

আপনি একবার কাজ করে (যেমন: একটি বই লেখা, ওয়েবসাইট তৈরি, অনলাইন বিজনেস ,  সফটওয়্যার ডেভেলপ করে) ভবিষ্যতে সেটা থেকে আয় পেতে পারেন, যা আপনাকে সময়ের নিয়ন্ত্রণ দেয়।


৪. পরিবার ও ব্যক্তিগত জীবনের জন্য সময়:

যেহেতু আপনি সরাসরি সময় ব্যয় না করেও আয় করতে পারেন, তাই পরিবার বা প্রিয়জনের সাথে সময় কাটানো সহজ হয়।


৫. অর্থনৈতিক মন্দা বা দুর্যোগের সময় সহায়তা:

যুদ্ধ, মহামারী বা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের সময় প্যাসিভ ইনকাম জীবনের নিরাপত্তা দিতে পারে।


প্যাসিভ ইনকাম কেন নির্ভরযোগ্য হতে পারে?


১. বিভিন্ন উৎস থেকে ইনকাম:

আপনি চাইলে একাধিক প্যাসিভ ইনকামের উৎস তৈরি করতে পারেন (যেমন: এডসেন্ছ জার্নি, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, অনলাইন কোর্স )। এতে একটি উৎস বন্ধ হলেও অন্যগুলো চালু থাকে।


২. অটোমেশন এবং প্রযুক্তির ব্যবহার:

ওয়েবসাইট, ইউটিউব, অনলাইন কোর্স, সফটওয়্যার ইত্যাদি একবার তৈরি করে সেগুলো থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইনকাম পাওয়া যায়।


৩. দীর্ঘমেয়াদী রিটার্ন:

একটি ভালো প্যাসিভ ইনকাম সোর্স (যেমন: অ্যাফিলিয়েট সাইট, বিজ্ঞাপনভিত্তিক ব্লগ, এডসেন্স ওয়েবসাইট) বহু বছর ধরে আয় দিতে পারে।


উদাহরণ: কিছু নির্ভরযোগ্য প্যাসিভ ইনকাম সোর্স


গুগল এডসেন্স আর্নিং। 


অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং।


রিয়েল এস্টেট বিজনেস।


অনলাইন কোর্স বা ই-বুক।


অ্যাপস বা সফটওয়্যার বিক্রি।


নোট: সঠিক সময় সঠিক সিদ্ধান্তই আপনার জীবনকে নেক্সট  লেভেলে নিয়ে যেতে পারে।

জমি কেনার আগে অবশ্যই যে বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করবেন:

 জমি কেনার আগে অবশ্যই যে বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করবেন:


I. প্রথমেই , জমির তফসিল অর্থাৎ জমির মৌজা, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর  এবং উক্ত দাগে জমির মোট পরিমাণ সম্পর্কে জানতে হবে।


II. যার কাছ থেকে জমি কিনবেন তার কাছ থেকে ঐ জমি সংক্রান্ত সকল কাগজপত্রের ফটোকপি চেয়ে নিন, যেমন- সি.এস খতিয়ান, এস.এ  খতিয়ান , আর.এস খতিয়ান, বি.এস/ঢাকা সিটি জরীপের খতিয়ানসহ সর্বশেষ পর্যন্ত যে সকল বেচাকেনা হয়েছে সেগুলোর বায়া দলিল(chain of title), নামজরী খতিয়ান এবং হাল সনের খাজনার দাখিলাসহ সংশ্লিষ্ট সকল কাগজপত্র।


III. যার কাছ থেকে জমি কিনবেন সে যদি  ক্রয়সূত্রে ভূমির মালিক হয়ে থাকলে তার ক্রয় দলিল বা বায়া দলিল রেকর্ডের সঙ্গে মিল করে বিক্রেতার মালিকানা নিশ্চিত করতে হবে এবং সে যদি  উত্তরাধিকার সূত্রে ভুমির মালিক হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে সর্বশেষ জরিপের খতিয়ান বিক্রেতা বা তিনি যার মাধ্যমে প্রাপ্ত তাঁর নামে অস্তিত্ব (যোগসূত্র) মিলিয়ে দেখতে হবে।


IV. উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমি বিক্রেতার শরিকদের সঙ্গে বিক্রেতার সম্পত্তি ভাগাভাগির বণ্টননামা (ফরায়েজ) দেখে নিতে হবে। বিক্রেতা যদি বলেন যে আপোষমুলে বণ্টন হয়েছে, কিন্তু রেজিস্ট্রি হয়নি, তবে ফারায়েজ অনুযায়ী বিক্রেতা যেটুকু অংশের দাবিদার শুধু সেটুকু কিনাই নিরাপদ হবে। 


V. উক্ত জমিটি নিয়ে কোন মামলা বিচারাধীন আছে কিনা কিংবা কোন প্রকার মামলা নিস্পত্তি হয়েছে  কিনা এবং ব্যাংক কিংবা অন্য কোন প্রতিষ্ঠানে জমিটি বন্ধক/ দায়বদ্ধতা আছে কিনা।


VI. যাচাই করতে হবে জমিটি খাস, পরিত্যক্ত, শত্রু স¤পত্তি কিনা বা সরকার কোন কারনে অধিগ্রহণ করেছে কিনা সে বিষয়ে উপজেলা ভূমি অফিস বা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এল এ শাখা থেকে জেনে নিতে হবে।

 

VII. জমির মালিক নাবালক বা অপ্রকৃতিস্থ কিনা লক্ষ্য রাখতে হবে। নাবালক হলে আদালতের মাধ্যমে অভিভাবক নিযুক্ত করে বিক্রয়ের অনুমতি নিতে হবে।


VIII. সর্বশেষ নামজারি পরচা ডিসিআর খাজনা দাখিল (রসিদ) যাচাই করে দেখতে হবে।


IX. জমির মালিকানা স্বত্ব সঠিক পাওয়ার পর আপনাকে সি.এস/আর.এস/বি.এস/ঢাকা সিটি জরীপের নকশা নিয়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখতে হবে নকশা অনুযায়ী ঐ জমিটি সেই দাগের কিনা এবং  সাব–রেজিস্ট্রারের অফিসে তল্লাশি দিয়ে জমির সর্বশেষ বেচাকেনার তথ্য জেনে নেওয়া যেতে পারে।


X. এরপর বিক্রয়ের জন্য নির্দিষ্ট জমিটি বর্তমানে কে দখলে আছে, কিনতে গেলে কোন কারনে ভোগ দখলে বাধাগ্রস্থ হবে কিনা কিংবা রাস্তা বা পথাধিকারের কোন বাধা নিষেধ আছে কিনা তাও সরেজমিনে যাচাই করে নিতে হবে।

ডাকাতদের মাথা কেটে ঝুলিয়ে রাখা হতো ঢাকার পাগলা সেতুতে

 ডাকাতদের মাথা কেটে ঝুলিয়ে রাখা হতো ঢাকার পাগলা সেতুতে


প্রখ্যাত শিল্পী চার্লস ড’য়লি বাংলাদেশে আসেন ১৮০৮ সালে। তিলোত্তমা ঢাকার প্রেমে পড়ে থেকে যান প্রায় ৯ বছর। তার হাতে ক্যামেরা ছিল না, পেন্সিল আর কাগজই তখন ভরসা। তা দিয়ে তিনি এঁকেছেন বুড়িগঙ্গা, ঘর-বাড়ি, নাম না জানা কোন গলি, ভাঙা সেতু অথবা লোকজন। এর মধ্যে তার আঁকা কিছু ছবি বিখ্যাত হয়ে ওঠে। পাগলা সেতু’র চিত্রটি এর মধ্যে অন্যতম।

১৮১৭ সালে চার্লস ড’য়লি পাগলা সেতুর ছবি আঁকেন। সেই সময়ে পাগালা সেতুর অবস্থা ছিল বেশ নাজুক। সেটার ওপর গাড়ি-ঘোড়া কিছুই চলতো না। তবে তখন মানুষজন ব্রিজে বসে আড্ডা দিতো। এছাড়া ব্রিজের নিচ দিয়ে নৌকাও চলতো। তারওপরে এটি ডাকাতদের মাথা কেটে ঝুলিয়ে রাখা স্থান হয়ে ওঠে।

 

পাগলা সেতুর ইতিহাস বহু আগের। ১৬৬২ সালে এটি নির্মিত হয় এবং ‘পাগলার পুল’ নামে অধিক পরিচিত। জানা যায়, মোগল সুবেদার মীর জুমলা তৎকালীন আরাকানি ও মগদের আক্রমণ ঠেকানো এবং দস্যুদের দমনের জন্য সোনাকান্দা, ইদরাকপুর, হাজিগঞ্জ প্রভৃতি ভাটি অঞ্চলে কয়েকটি জলজ দুর্গ নির্মাণ করেন। ওই দুর্গগুলোর সঙ্গে রাজধানী শহর ঢাকার সংযোগের জন্য পাগালু নামের স্রোতস্বিনী নদীর ওপর সেতুটি নির্মাণ করা হয়। যদিও ওই নদীর এখন কোনো অস্তিত্ব নেই।


তিনটি মজবুত ও সুঁচালু খিলান সহযোগে নির্মিত হয়েছিল পাগলা সেতু। খিলানের স্প্যান্ড্রেলে সুদৃশ্য গোলাপ ফুলের প্লাস্টার নকশা দেয়া ছিল। পুলটির চার কোনায় ছিল চারটি অষ্টকোনাকৃতির ফাঁপা টাওয়ার। টাওয়ারগুলোতে খিলানী দরজা জানালা ছিল। টাওয়েরর উপরে ছিল গম্বুজ। সেতুর নিরাপত্তা প্রহরীরা এসব টাওয়ারে অবস্থান করতেন।


১৬৬৬ সালে ফরাসী অলংকার ব্যবসায়ী ট্যাভেরনিয়ার লিখেছেন, তিনি ওই পুলের পাশে থাকা উঁচু উঁচু থামে দস্যুদের কাটা মাথা ঝুলিয়ে রাখতে দেখেছিলেন। ঢাকা কেন্দ্রের গবেষক ড. মো. আলমগীর এক প্রবন্ধে লিখেছেন, সেখানে ডাকাতদের খুব উপদ্রব ছিল। প্রায়ই ডাকাতদের মেরে মাথা ঝুলিয়ে রাখা হতো।


পাগলা সেতুর চিহ্ন এখনও আছে। সেতুর পশ্চিম পাশের একটি টাওয়ার এখনো স্বগৌরবে দাঁড়িয়ে রয়েছে। আরেকটি নদীর দিকে হেলে পড়ে জীর্ণ অবস্তায় আছে। পূর্বদিকের একটি টাওয়ার এখন মন্দিরের গর্ভগৃহ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। সেখানে পুরানো একটি পিপুল গাছ রয়েছে। সেতুর খিলানগুলো বহু আগেই ধ্বংস হয়ে গেছে। ১৯৬০ সালেও সেতুটির অস্তিত্ব ছিল। অযত্ন-অবহেলা, দূষণ-দখলের কবলে পড়ে এটি এখন শুধুই ইতিহাস!


ডেইলি বাংলাদেশ


#everyoneシ゚ #nonfollowersviewers #calleted #highlight

বিশ্বের প্রথম মোটর বাইক: ডেইমলারের আবিষ্কার (১৮৮৫)

 বিশ্বের প্রথম মোটর বাইক: ডেইমলারের আবিষ্কার (১৮৮৫)


ভূমিকা :


আধুনিক মোটরসাইকেলের ইতিহাসের সূচনা হয়েছিল ১৮৮৫ সালে জার্মান প্রকৌশলী গটলিব ডেইমলার (Gottlieb Daimler) ও তার সহকারী ভিলহেল্ম মায়বাখ (Wilhelm Maybach)–এর হাত ধরে। তাদের তৈরি যন্ত্রটি ছিল বিশ্বের প্রথম অভ্যন্তরীণ দহন ইঞ্জিনচালিত দুই চাকার বাহন, যা আধুনিক মোটরসাইকেলের পূর্বসূরি হিসেবে স্বীকৃত।


---


উদ্ভাবনের পটভূমি

গটলিব ডেইমলার ছিলেন জার্মানির একজন প্রতিভাবান প্রকৌশলী যিনি অভ্যন্তরীণ দহন ইঞ্জিনের উন্নয়নে কাজ করছিলেন। ১৮৮৫ সালে তিনি এবং মায়বাখ মিলে এমন একটি বাহন তৈরি করেন যা একটি ক্ষুদ্র গ্যাসোলিনচালিত ইঞ্জিন ব্যবহার করে চালানো যেত। এটির নাম দেওয়া হয়েছিল "Reitwagen", যার অর্থ “রাইডিং গাড়ি” বা "চালকের বাহন"।


---


প্রযুক্তিগত বিবরণ: Reitwagen (ডেইমলারের বাইক)


ইঞ্জিন টাইপ: এক সিলিন্ডারযুক্ত, চার-স্ট্রোক অভ্যন্তরীণ দহন ইঞ্জিন


ইঞ্জিন ক্ষমতা: ০.৫ হর্সপাওয়ার (৪০০ ওয়াট)


গতি: সর্বোচ্চ প্রায় ১২ কিমি/ঘণ্টা (৭.৫ মাইল/ঘণ্টা)


জ্বালানি: পেট্রল


গঠন: কাঠের তৈরি ফ্রেম, দুপাশে দুটি বড় চাকা এবং ভারসাম্য রক্ষার জন্য পাশে দুটি অতিরিক্ত ছোট চাকা


স্টার্টিং পদ্ধতি: হাতে ক্র্যাঙ্ক ঘুরিয়ে ইঞ্জিন চালু করতে হতো


---


বিশেষ বৈশিষ্ট্য

১. এটি ছিল ইতিহাসের প্রথম যান যেখানে ছোট একটি ইঞ্জিন ব্যবহার করে দহন প্রক্রিয়ায় চলা যানবাহনের ধারণা প্রয়োগ করা হয়েছিল।

২. Reitwagen আধুনিক মোটরবাইকের মতো দেখতে না হলেও মূল কাঠামো (চাকা, হ্যান্ডেল, আসন ও ইঞ্জিন) একই রকম ধারণা বহন করছিল।

৩. এই বাইকটির উদ্ভাবনের মধ্য দিয়েই মোটর চালিত ব্যক্তিগত পরিবহনের নতুন যুগের সূচনা হয়।


---


ইতিহাসে গুরুত্ব

ডেইমলারের মোটরবাইক পরবর্তী সময়ে গাড়ি শিল্পে একটি যুগান্তকারী উদ্ভাবন হিসেবে বিবেচিত হয়। তার তৈরি ইঞ্জিনের নকশা থেকেই পরে মোটরগাড়ি, ট্রাক এবং আধুনিক মোটরসাইকেলের পথ রচিত হয়। ডেইমলার এবং মায়বাখের এই উদ্ভাবনই পরবর্তীতে "Mercedes-Benz" কোম্পানির সূচনালগ্নের ভিত গড়ে দেয়।


---


উপসংহার

১৮৮৫ সালে ডেইমলারের তৈরি এই মোটর বাইকটি প্রযুক্তিগত ইতিহাসে এক যুগান্তকারী মাইলফলক। এটি শুধুমাত্র একটি বাহন নয়, বরং মানবজাতির পরিবহন ব্যবস্থার রূপান্তরের সূচনা। আজকের আধুনিক, দ্রুতগামী মোটরসাইকেলের পেছনে আছে এই ছোট্ট কাঠের বাইকটিরই বৈপ্লবিক পদচারণা।

খুলনা নড়াইল অঞ্চলের নিচু জমির বিলুপ্তপ্রায় লক্ষীদীঘা ধানের ঢেঁকিছাটা লাল চাউ,,,,

 খুলনা নড়াইল অঞ্চলের নিচু জমির বিলুপ্তপ্রায় লক্ষীদীঘা ধানের ঢেঁকিছাটা লাল চাউল। ছবিতে একটু লক্ষ করলেই বুঝতে পারবেন ঢেঁকির পাড়ের আঘাতের দাগ স্পষ্ট! ভাত খেতে অধিক মিষ্টি স্বাদের। ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ কার্যকর৷ 


ঢেঁকিছাটা লক্ষীদীঘা ধানের লাল চাউলের ভাত মোটা হলেও চমৎকার মিষ্টি স্বাদ ও মোলায়েম৷ রান্নার পরে ভাত ৮/১০ ঘন্টা পর্যন্ত ভাল থাকবে। চাউল ৫/৬ মাস নিশ্চিতে রেখে খেতে পারবেন পোকা আসবে না। 


ঢেঁকিছাটা লক্ষীদীঘা ধানের লাল চাউল পাইকারী কিনতে সরাসরি যোগাযোগ করুন ০১৭৩০-৮২৭৮২৯ নাম্বারে। সর্বনিন্ম অর্ডার ২৫ কেজি বস্তা।


#বিলুপ্তপ্রায় #লক্ষীদীঘা #ঢেঁকিছাটা #উচ্চফাইবার #ফাইবারসমৃদ্ধ #পুষ্টিকর #লালচাউল #Bosundharacity #ন্যাচারাল #doctor #Uttara #ডায়বেটিস #health #healthylifestyle #healthyfood #ঢেঁকিছাটা #ধান #বিলুপ্তপ্রায়ধান

বয়ঃসন্ধির ব্ল্যাকহোল –যেখানে যত্ন না নিলে আপনার বাচ্চা হারিয়ে যাবে পড়াশোনা থেকে  বিপ্লব পাল 

 বয়ঃসন্ধির ব্ল্যাকহোল –যেখানে যত্ন না নিলে আপনার বাচ্চা হারিয়ে যাবে পড়াশোনা থেকে 


বিপ্লব পাল 


( আমাকে একজন পিতা লিখেছেন, তার ছেলে নরেন্দ্রপুরে পড়ে। পড়াশোনায় ভাল ছিল। কিন্ত এখন এই উঠতি কিশোরের বয়ঃসন্ধি কালে পড়াশোনায় উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছে। এটা সব ছেলেমেয়েরা ফেস করে। আরো অনেক অভিভাবক এই নিয়ে আমাকে লিখেছেন। তাদের সবার জন্য থাকল এই লেখা। এর পেছনে বিজ্ঞান কি সেটা বুঝুন। তাহলেই সমাধান পাবেন )


অর্ক ক্লাস এইটে পড়ে। চোখে এখনো শিশুসুলভ স্বপ্নের আভাস, কিন্তু তার বইয়ের পাতায় মন বসে না। সেদিন রাত্রে, বাবার সামনের ডেস্কে বসে বই খুলে বসেছিল। দু’মিনিটের মধ্যে বইয়ের জায়গা করে নিল ইনস্টাগ্রামের স্ক্রল। পরক্ষণেই গিটারটা হাতে তুলে নিল—নতুন একটা টিউন শিখেছে। তারও পাঁচ মিনিট পর মা ডাক দিল, “তুই পড়ছিস তো ঠিক করে?” সে যেন জেগে উঠে এল এক ঘোরের মধ্য থেকে।


“হ্যাঁ, পড়ছি তো,” বলে আবার বইয়ে চোখ রাখে। তবে মন পড়ে না—কারণ সে নিজেই জানে না, কেন পড়ছে।


এই গল্পটা শুধু অর্কর নয়। এটা ওইসব কিশোর-কিশোরীদের মস্তিষ্কের একটি টানেল ভ্রমণ—যারা হঠাৎ করেই পড়াশোনা থেকে মন সরিয়ে ফেলে, অথচ তারা বোকা নয়, অসৎ নয়, অলসও নয়।


মস্তিষ্কের নির্মাণকাল


আধুনিক স্নায়ুবিজ্ঞান বলে, বয়ঃসন্ধিকাল হল মানুষের দ্বিতীয় জন্ম। প্রথম জন্ম শারীরিক, দ্বিতীয় জন্ম মানসিক।


এই সময়ে প্রি-ফ্রন্টাল কর্টেক্স, অর্থাৎ যুক্তি, পরিকল্পনা, মনোযোগ আর নিয়ন্ত্রণের কেন্দ্র, নির্মাণাধীন থাকে। আবার লিম্বিক সিস্টেম, যেটা আবেগ, ঝুঁকি নেওয়া, আর তাৎক্ষণিক আনন্দের জন্য দায়ী—তা পূর্ণগতিতে সক্রিয়।


এই জটিল অবস্থায়, টেক্সটবুকের প্যারা পড়া, অংকের অদৃশ্য সূত্র খুঁজে পাওয়া বা ইতিহাসের রাজাদের নাম মুখস্থ করা—সব কিছুই হয়ে ওঠে একঘেয়ে, বিবর্ণ।


হরমোনের হুলস্থূল এবং ডোপামিনের খিদে


একবার একজন ছেলেকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, “তোমার পড়তে ভালো লাগে না কেন?”


সে উত্তর দিয়েছিল, “কারণ পড়লে মনে হয় যেন একঘেয়ে সিনেমা দেখছি, আর মোবাইলে ভিডিও দেখলে মনে হয় অ্যাকশন সিনেমা চলছে।”


এটা কোনও বাহানা নয়। বিজ্ঞান বলছে, বয়ঃসন্ধির সময় ডোপামিন রিসেপ্টর-এ পরিবর্তন হয়। ডোপামিনই আমাদের “আনন্দ” অনুভব করায়।


পড়াশোনা তখন আর আনন্দের উৎস নয়। বরং গান, ভিডিও, চ্যাট, মেমে—এসবই সে রস দিয়ে দেয়।


তাকে কে বলেছে সে কে?


এই বয়সে একটা মূর্ত প্রশ্ন ঘুরতে থাকে মনের ভিতরে:


“আমি কে?”


সে হয়তো ছোটবেলা থেকে ‘ভালো ছাত্র’ নামে পরিচিত ছিল। কিন্তু এখন সে এই ট্যাগ থেকে বেরোতে চাইছে। হয়তো সে চায় চিত্রশিল্পী হতে, কিংবা কোডার, কিংবা মোটেই কিছু না হয়ে শুধু নিজেকে চিনতে চায়।


আপনি যদি তাকে জিজ্ঞেস করেন, “এত পড়ছো না কেন?”

সে হয়তো বলবে, “আমি জানি না।”


আর ঠিক এই “জানি না”-র মধ্যে দিয়েই একটা নতুন মানুষ জন্ম নিচ্ছে—যার জন্ম ব্যথাহীন নয়।


ঘুমে বিঘ্ন আর শরীরের লড়াই


রাতে পড়তে বসলে চোখে ঘুম আসে না। সকালে উঠতে পারে না। কারণ তার সার্কেডিয়ান রিদম (দৈনিক ঘুমের ঘড়ি) ২ ঘণ্টা পিছিয়ে যায় এই বয়সে।


তবুও স্কুল সকাল আটটায় শুরু হয়। ফলাফল? সে ক্লাসে বসে থাকলেও, মস্তিষ্ক তখন ঘুমিয়ে আছে।


সামাজিক চাপ আর “দেখে রাখিস” সংস্কৃতি


পাশের বন্ধু ফেসবুকে নতুন শার্ট পরে ছবি দিচ্ছে, কেউ প্রেম করছে, কেউ ভিডিও এডিট করছে, কেউ গান গাইছে—এসব কিছু তাকে বলে দেয়, “তুই কোথায় পিছিয়ে আছিস।”


এই হীনমন্যতাই আবার পড়ার প্রতি একরকম বিতৃষ্ণা তৈরি করে। কারণ, সেখানে সে নিজেকে “কিছু না” মনে করে।


শেষ কথা: সে অলস নয়, সে রাস্তায় হাঁটছে


তিন বছর আগে যার পছন্দ ছিল ছবি আঁকা,বা নাচ করা বা গান শেখা সে আজ চুপচাপ দেয়ালে তাকিয়ে থাকে। আপনি ভাবছেন—সে কিছুই করছে না।


কিন্তু সে আসলে নিজের ভেতরের একটা ঘূর্ণিপাকে আটকে আছে।

কখনো সেটা অবসাদ, কখনো আত্মদ্বন্দ্ব, কখনো ভবিষ্যতের ধোঁয়াটে ভয়।


এ অবস্থায় বাবা-মা যা করতে পারেন:


ওকে বোঝানোর বদলে শোনার চেষ্টা করুন।


পড়াশোনা বাদ দিয়ে ছোট কাজে জয় আনতে দিন (যেমন: রান্না, সাজানো, গান শোনা, লিখে ফেলা)।


ওর মনোযোগের ধরন বুঝে আলাদা স্টাডি রুটিন তৈরি করুন।


প্রয়োজনে একজন কাউন্সেলর বা শিশু মনোবিদের সাহায্য নিন—এটা লজ্জার নয়, সচেতনতার প্রমাণ।


চেকভ বলেছেন,

“A man is what he believes.”

এই বয়সে তারা নিজের ওপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলে। আপনি যদি বিশ্বাস রাখেন, তবেই সে একদিন নিজের মধ্যে বিশ্বাস ফিরিয়ে আনবে।


( জীবন ও জীবিকায় বাচ্চাদের কাউন্সেলিং এর ব্যবস্থা আছে। মল্লিকা ( Mallika Chatterjee ) বা অরুণীতা ( Mua Arunita Banerjee Rath ) কে যোগাযোগ করুন।

সন্তান বড় হলে, সন্তানের বিছানা আলাদা করা অবশ্য কর্তব্য! কেন করবেন?

 সন্তান বড় হলে, সন্তানের বিছানা আলাদা করা অবশ্য কর্তব্য! কেন করবেন?


রিবা (ছদ্ম নাম)। বয়স সাত। ওয়ানে পড়ে। ধবধবে ফর্সা। মাথা ভর্তি কোকড়ানো চুল। টলটলে চোখ। মনে হয় একটু ছুঁয়ে দিলেই ব্যস। চোখের মায়া আবীর হয়ে হাতে লেগে যাবে। প্রজাপতির রঙের মতো।


ওর মায়ের সাথে সেদিন চেম্বারে এসেছে। প্রসাবে জ্বালা পোড়া। তল পেটে ব্যথা। মায়ের ভাষ্য, ম্যাডাম, পিসাব করনের সময় খালি কান্দে আর লাফায়। পেট চেপে খিচ্চা বইসা থাকে।


পরীক্ষা করে দেখতে চাইলে, প্যান্ট খুলে রিবার মা যা দেখালো তার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না, বললেই ভালো। সরাসরি জিজ্ঞেস করলে মা বলবে, কী যে কন, ছোট মানুষ। মনেমনে দু-একটা গালিও যে দিবে না, বলা যায় না।


ডাক্তারদের এ এক জীবন! কত কী যে দেখতে হয়! ঘুরিয়ে প্যচিয়ে জিজ্ঞেস করি, বাড়িতে কে কে আছে?


ওর বাপ আর আমি।


আর কেউ না?


না ম্যাডাম। তবে পাশেই ভাসুরের বাসা।


ও কার সাথে খেলাধুলা করে?


আমার ভাসুরের পোলার সাথে। বয়স এগারো বারো। সিক্সে পড়ে। সারাদিন দৌড়াদৌড়ি ঝাঁপাঝাপি। ভিডিও গেমস, ইউটিউব নাকি কি কয় এসব নিয়া থাকে। সারা বাড়িতে আর বাচ্চাকাচ্চা নাই তো। অরা অরাই খেলে। আমিও তেমন খেয়াল করি না। আহারে বাচ্চারা!


বাড়িতেই তো থাকে সারাদিন। হয় দাদির ঘর, নয় চাচির ঘর। আসলে মাইয়া আমার এই একটাই। মিছা কইয়া লাভ নাই। চাচা চাচিও আদর করে। খুব। মিতুল (ছদ্ম নাম) তো বইন বলতে অজ্ঞান।


কখনো জিজ্ঞেস করেছেন, কি খেলা খেলে?


না ম্যডাম। কী খেলব আর, চোর পলান্তি। পুতুল খেলা। এই সব আরকি। জিগানোর কী আছে?


আছে, এখন জিজ্ঞেস করেন তো।


রিবা, মিতুল ভাইয়ার সাথে কি খেলাধুলা করো বলো তো মা?


বউ জামাই খেলি।


বউ জামাই খেলা কী করে খেলো?


মেয়ে যা বর্ণনা দিলো, শুনে মা মুর্ছা যান আরকি! ছোট বাচ্চার আর দোষ কি? বাচ্চারা অনুকরণ প্রিয়। এটা সবাই জানে। বড়রা অবিবেচকের মতো কাজ করবে আর বাচ্চাকাচ্চা দেখে শুনে চুপ করে বসে থাকবে, এটা ভাবার কারণ নেই। আসলেই নেই।


ওহ, ভালো কথা। রিবা, মিতুল কাকে অনুসরণ করল? বাবা মাকে? টিভি সিনেমাকে? নাকি ইউটিউবকে? কাউকে না কাউকে তো অবশ্যই।


রিবা, এ ধরনের খেলা তো ভালো না মা। এটা পঁচা কাজ। কথা শেষ করতে দেয়না পাকনি বুড়িটা। টাসটাস করে মুখের ওপর বলে ওঠে, বাবা-মা খেলে যে! তাহলে বাবা-মা কি পঁচা?


কী উত্তর দেবে রিবার মা? উত্তর দেয়ার কি মুখ থাকে? মহিলা হতবিহ্বল হয়ে পড়ে। যেনো পায়ের তলায় কোন মাটি নেই। বেচারা!


রিবার মাকে প্রশ্ন করি, আপনারা কি স্বামী-স্ত্রী রিবাকে নিয়ে এক বিছানায় ঘুমান?


হ ম্যাডাম। ছোট বাচ্চা। ওর বাপে কয়, কী বুঝব? ও ঘুমালেই তো কাদা। লোকটার খাই বেশি। বাচ্চা ঘুমালো কি ঘুমালো না। তর সয় না। আমি আগেই কইছিলাম। হাহাকার থই থই কান্না হয়ে ঝরে পড়ে। আহারে!


দেখুন, আমরা বাচ্চাদের যতটা নির্বোধ মনে করি, আসলে ততটা নির্বোধ ওরা না। বরং একটু বেশিই বুদ্ধি রাখে ওরা। শুধু আমরা বড়রাই এ কথাটা মানতে চাই না। আমাদের দিয়ে ওদের হিসেব করি। কিন্তু ওরা হিসেবে বাবা-মা'দের চেয়ে পাকা। যে কাজটা বাবা মা করে, সে কাজটা খারাপ কিভাবে হয়? কাজেই বাবা-মা, বউ-জামাই খেলা তারা খেলতেই পারে। তাদের তো দোষ দেয়া যায় না। একটু ভেবে বলুন তো, যায় কি?


আসলে একটা নির্দিষ্ট সময় পর সন্তানদের বিছানা আলাদা হওয়াই বাঞ্চনীয়। সবার পক্ষে হয়তো, সন্তানদের জন্য আলাদা আলাদা রুম দেয়া সম্ভব না। সে ক্ষেত্রে অন্তত বিছানাটা আলাদা করা যায়। বাবা-মায়ের বিছানাটা কাপড় দিয়ে পার্টিশন দেয়া যায়। মশারির মতো। আর নিতান্তই যদি সম্ভব না হয়, শিশু সম্বলিত সংসারে দম্পতিদের অবশ্যই সর্বোত্তম সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কী সেটা আমি জানিনা। আর সবার ঘরে নিশ্চয় একরকম ফর্মূলা চলবে না। নিজের ঘর অনুযায়ী নিজেদের ফর্মূলা তৈরী করুন প্রিয় অভিভাবক।


আমরা বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে ঘুরতে যাই। মজার মজার খাবার খাই। দামী দামী গেজেট দেই। নতুন নতুন ট্রেন্ডি জামা কাপড় পরাই। কিন্তু সবচেয়ে দামী যে লেসন সেটাই দেই না। হেলথ এডুকেশন, সেক্স এডুকেশন। কত্ত জরুরি যে এসব জীবনমুখী শিক্ষা। কী আজব আমরা! কবে বুঝব এর গুরুত্ব? আর কত ভুল বার্তা দেহ মনে নিয়ে বড় হবে আমাদের শিশুরা?


বাচ্চাদের কি কি করা উচিৎ আর কি কি না সেটা বলুন। ছোটদের কাজ, বড়দের কাজ কি কি জানান। ধীরে ধীরে নিজের শরীর সম্বন্ধে শিক্ষা দিন। গুড টাচ, ব্যাড টাচ সম্পর্কে জানান। নারী-পুরুষের যৌন জীবন সম্বন্ধে শিক্ষা দিন। ধীরে ধীরে, সহজ করে। কাজের লোক কিংবা ক্যানভাসারের কাছে ভুল জানার চেয়ে, বাবা মার কাছে জানা ভালো নয় কি?


প্রিয় অভিভাবকগন, সন্তানের কথা বিশ্বাস করুন। সন্তানের বন্ধু হোন। ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত করুন এবং ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলতে উদ্বুদ্ধ করুন। মনে রাখা ভালো, লালন পালন করাই কিন্তু শেষ কথা না। সন্তানকে সুরক্ষিত রাখাও বাবা-মার পবিত্র দায়িত্ব।


আসুন ঠিকঠাক দায়িত্ব পালন করি। ওদের জীবনটা আরেকটু সহজ করি।


✍️ - ডাঃ সাবিকুন নাহার

গাছ যে নিজেই বৃষ্টি ডাকে – প্রকৃতির গোপন বর্ষাদেবতা!

 গাছ যে নিজেই বৃষ্টি ডাকে – প্রকৃতির গোপন বর্ষাদেবতা!


সব গাছ শুধু বৃষ্টি বনেই বাঁচে না,

কিছু গাছ নিজেরই বৃষ্টি তৈরি করে!


দক্ষিণ আমেরিকার গভীর জঙ্গলে এক অদ্ভুত গাছ জন্মায়, যার নাম এম্বাউবা গাছ (Cecropia)। বিজ্ঞানীরা এই গাছ নিয়ে যা আবিষ্কার করেছেন, তা যেন গল্পের চেয়েও অবিশ্বাস্য।


এই গাছ দিনে প্রচুর পরিমাণে জল মাটির গভীর থেকে টেনে তোলে এবং পাতার মাধ্যমে তা বাতাসে ছেড়ে দেয় – এই প্রক্রিয়াকে বলে ট্রান্সপিরেশন। কিন্তু এম্বাউবা এখানেই থামে না। যখন অনেক এম্বাউবা গাছ একসাথে থাকে, তখন তারা এতটা আর্দ্রতা ছড়িয়ে দেয় যে সেই জলীয়বাষ্প থেকে আকাশে মেঘ জমে – এবং শেষ পর্যন্ত বৃষ্টি নামে।


অর্থাৎ, শুধু টিকে থাকার জন্য নয়, এই গাছেরা নিজেদের এলাকা ঠাণ্ডা রাখে এবং নিজেরাই বৃষ্টিও ডাকে!


প্রকৃতি কতটা জটিল ও বিস্ময়কর, এম্বাউবা গাছ তার এক জীবন্ত প্রমাণ।


তাই গাছ শুধু দাড়িয়ে থাকে—এ ধারণা ভুল। কিছু গাছ সত্যিই বর্ষা নামাতে পারে!


#প্রকৃতিররহস্য #বৃষ্টিগাছ #অজানাতথ্য #এম্বাউবাগাছ #NatureFacts #বেঙ্গলিনিউজ #dorpon.kol

বিপদের সময় এই দোয়াটি পড়ুন,অলৈকিক সাহায্য আসবেই,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🌊 তিন অন্ধকারের বুক চিরে অলৌকিক মুক্তির মহাকাব্য: ইউনুস (আ.)-এর গল্প ​আপনি কি কখনো এমন ঘোর অন্ধকারে পড়েছেন, যেখানে পালানোর কোনো পথ নেই? যে...