পটুয়াখালী পৌর শহরের পাওয়ার হাউজ এলাকার একতা সড়কের বাসিন্দা ও অত্র এলাকার বড় সুদী কারবারি কাজী জাকির ও কাজী রিপন ।
আওয়ামী সরকারের সাবেক এমপি ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শাজাহান উকিলের ঘনিষ্ঠ সহযোগী কাজী জাকির ও তার এপিএস ছিল কাজী রিপন।
নুনু আনতে পান্তা ফুরোয় এমন পরিবারের ছেলে কাজী জাকির ও কাজী রিপন।
তবে এমপি শাজাহান উকিলের কাছের লোক হিসেবে পরিচিত ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দূর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র কয়েক বছরেই কোটি কোটি টাকা দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জন করে বনে যায় এলাকায় বড় সুদি ব্যবসায়ী।
সেই সকল টাকা দিয়ে শুরু হয় সুদের কারবার।
কাজী জাকির ও কাজী রিপনের রয়েছে বেশ কয়েকজন মহিলা ও পুরুষ সুদী এজেন্ট, জামাল, সুফি, খাজিদা পারভিন, ফারুক, দেলোয়ার সহ অনেকেই।
যাদের মাধ্যমে সুদের টাকা বিনিয়োগ ও লেনদেন করা হয়।
বিশেষ কৌশলে টাকা যেই নিবে সুদের টাকা নিতে তার পরিবারের মহিলাদের থেকে সাদা চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর দিয়ে কাজী জাকির ও কাজী রিপনের কাছে জমা দিতে হয়।
শতকরা হিসেবে ১০থেকে ২০শতাংশ হারে পর্যন্ত সুদ নিয়ে থাকে।
সময়মতো সুদের টাকা দিতে ব্যার্থ হলে গভীর রাতে মহিলাদের নিয়ে টানাটানি শুরু হয় তার পালিত সন্ত্রাসী দিয়ে।
তাছাড়া প্রতিদিনের সুদের টাকা প্রতিদিন রাতে দিতে হবে, এভাবেও চড়া সুদে টাকা দিয়েছে এলাকায় ও নিউমার্কেট এবং এলাকার বাইরে অনেক মানুষকে।
সময়মতো সুদ ও সুদের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় অনেক নারী ও মহিলা শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে।
কিন্তু সাদা স্ট্যাম্প ও চেকের পাতায় সই জমা দিয়ে টাকা নেয়ার কারণে আইনগত সহায়তা নিতে পারছে না ভুক্তভোগীরা।
কাজী জাকির ও কাজি রিপনের কথার অবাধ্য হলে সাদা চেকে বড় অংকের টাকার পরিমাণ লিখে মামলা দেয়া হয় ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধে।
স্বাক্ষর সহ সাদা স্টাম্পে তাদের নিজেদের লোকদের স্বাক্ষী বানিয়ে মনগড়া টাকা আদান-প্রদান উল্লেখ করে মামলা হয়।
ইতিমধ্যেই কমপক্ষে আট থেকে দশ জনের জনের বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনার ও সাথে সাদা স্ট্যাম্পে ব্যবসায়িক কাজে টাকা নিয়েছে স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি বন্ধক রেখে এমন লিখে মামলা দায়ের করেছে পটুয়াখালী সদর আদালতে কাজী জাকির ও কাজী রিপন ।
তাছাড়া নিউমার্কেট মাছ বাজারের এক মাছ ব্যবসায়ী সুদের টাকা পরিশোধ করতে না পেরে বিষপানে আত্মহত্যা করে।
কাজী জাকির ও কাজী রিপন তার অবৈধ টাকা দিয়ে কিছু পালিত সন্ত্রাসী লালন পালন করে আসছিলো, সুদের টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হলে মারধর ও হেনস্তার শিকার হতে হয় এদের হাতে।
সুদের টাকার গরমে আইনের শাসনকে তোয়াক্কা না করে এলাকায় অনেক অপকর্ম অপরাধের মূল হোতা ছিল এই কাজী জাকির ও কাজী রিপন।
থানা পুলিশ অদৃশ্য শক্তির কারনে সব সময়ই ছিল নিশ্চুপ।
এদের সুদের টাকার জালে আটকা পড়ে হাজারো মানুষ হয়েছ সর্বহারা নিঃস্ব।
এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছে বেশ কিছু লোক।
দৃশ্যমান কোনো ব্যবসা বাণিজ্য না থাকলেও
এদের বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থের উৎস কি..?
সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন পটুয়াখালীবাসী।
পটুয়াখালী পুলিশ প্রশাসনের কাছে দাবি ভুক্তভোগীদের সই সহ চেক ও স্টাম্প গুলো উদ্ধার করে অসহায় মানুষগুলোর হাতে ফিরিয়ে দেয়ার আকুল আবেদন জানিয়েছেন অসহায় ভুক্তভোগীরা।