এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বুধবার, ২১ মে, ২০২৫

ড.ইউনুস!,,,,,

 ড.ইউনুস! 

বাংলার ইতিহাসে গত ৯০ বছরে জন্ম নেয়া একমাত্র গ্লোবাল সেলিব্রেটি হলেন প্রফেসর মোহাম্মদ ইউনুস। শতকরা ৮৩% লোকই জানেন না কে ড.মোহাম্মদ ইউনুস!


পৃথিবীতে সবচেয়ে সম্মানজনক পুরস্কার নোবেল, সেটা নিশ্চয়ই জানেন? সম্মানসূচক হিসেবে নোবেলের পরে কোন পুরস্কারের অবস্থান তা কি জানেন? সম্মানসূচকে, 


১.নোবেল

২.অ্যামেরিকার প্রসিডেন্সিয়াল এওয়ার্ড

৩.মার্কিন কংগ্রেশনাল এওয়ার্ড


পৃথিবীর ইতিহাসে উপরের ৩ টা পুরস্কারই জিতেছেন এমন মানুষ আছে বা ছিলেন ১২ জন!বুঝতেই পারছেন পরের লাইনটা কি হবে,


হ্যা, সেই ১২ জনের একজন প্রফেসর ড.মোহাম্মদ ইউনুস 🧡


মেসিকে নিশ্চয়ই চিনেন! যদি বলি এই লিওনেল মেসি লাইনে দাড়িয়ে ছিলেন প্রফেসর ড.ইউনুসের জন্য,বিশ্বাস হয়,না হলেও সত্য! 


'অলিম্পিক গেমস' পৃথিবীর সম্মানজনক প্রতিযোগিতার একটি। আর অলিম্পিকে সবচেয়ে সম্মানিত মেহমান হলেন মশাল বাহক, জাপানে অনুষ্ঠিত ২০২০ অলিম্পিকে মশাল বাহক ছিলেন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইউনুস💖


বর্তমানে বিশ্বের লিডিং ইন্টালেকচুয়ালের যেকোনো তালিকায় টপ ১০ এর ভিতরে থাকেন ড.ইউনুস। মুসলিম বিশ্বে নোবেল বিজয়ী ইউনুসের বিকল্প খুজে পাওয়া টা খুবি কঠিন,কিন্তু তিনি আমাদের বাংলাদেশের! এদেশে আর এমন ইউনুস জন্মাবে কিনা আজও সন্দেহ! 


১. মাইক্রোসফটের বিল গেটস নিজে গাড়ি ড্রাইভ করে প্রফেসর ইউনুসকে পুরো সিলিকন ভ্যালি শহর দেখিয়েছিলেন।


২. কোর্ট-কাছাড়ির ৮ তলার এজলাশে তাঁকে যখনই হাজিরা দিতে হত সেসময় কোর্ট বিল্ডিং এর লিফট বন্ধ করে দেয়া হত। ৮২ বছরের অশিতিপর এই আসামীকে প্রতিবারই হেঁটে হেঁটে ৮ তলায় যেতে হত। এবং এই ঘটনা নাকি ৪০ বারের মত ঘটেছে।

শাকুর মজিদ

নাট্যকার,লেখক,স্থপতি।

সারা পৃথিবীর ১০৭টা ইউনিভার্সিটিতে মুহাম্মদ ইউনূস সেন্টার আছে। ইউনিভার্সিটিগুলো নিজেদের উদ্যোগে এটা করেছে। এর প্রধান কারণ হচ্ছে তাঁর মাইক্রো-ফাইনান্স। যেটা তাঁকে এবং তাঁর গ্রামীন ব্যাংকে নোবেল শান্তি পুরষ্কার এনে দিয়েছিল।


ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসকে বিশ্রীভাবে 'সুদখোর' ঢাকা হয় বারবার। মজার ব্যাপার হচ্ছে- মুহাম্মদ ইউনূসকে যারা পছন্দ করেন তাদের বেশীরভাগও জানেন না, মুহাম্মদ ইউনূসের সুদের ব্যবসা নাই। গ্রামীণ ব্যাংক তার প্রতিষ্ঠিত হলেও গ্রামীন ব্যাংকে তাঁর এক টাকার মালিকানাও নাই, শেয়ারও নাই। কখনোই ছিল না।


জিনিসটা আপনার-আমার কাছে আশ্চর্যজনক মনে হতে পারে। কিন্তু এটাই সত্যি। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মাইক্রো-ফাইনান্সের ধারণার মূল ভিত্তিই হচ্ছে এটা।

এই ব্যবসার কেউ মালিক হতে পারবে না। সম্পূর্ণ নন-প্রফিট তথা অলাভজনক।

এটাকে বলে সামাজিক ব্যবসা। নির্দিষ্ট কোনো মালিক নাই। জনগণই এর মালিক।

বাইর থেকে অনুদানের টাকা এনে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন ড মুহাম্মদ ইউনূস। নিজে এটি প্রতিষ্ঠা করলেও প্রতিষ্ঠানে তার এক পয়সার মালিকানাও রাখেননি। বরং এর ২৫% মালিকানা সরকারের, বাকি মালিকানা গরীব মানুষের। নিজের প্রতিষ্ঠিত ব্যাংকে ড. মুহাম্মদ ইউনূস মাত্র ৩০০ ডলার বেতনে চাকরী করতেন।

তিনি যে নিজের কোনো শেয়ার রাখেননি তা না, কোম্পানীকে এমনভাবে প্রতিষ্ঠা করেছেন যাতে কেউ এর একক মালিক হতে না পারে। কোম্পানী অধ্যাদেশ ২৮ ধারা অনুযায়ী তিনি এটি রেজিস্ট্রেশন করেন।


শুধু যে গ্রামীন ব্যাংকে তিনি মালিকানা রাখেননি তা কিন্তু না। জর্জ সরোস, টেলিনরদের এনে তিনি গ্রামীন টেলিকম প্রতিষ্ঠা করেন। তাঁর কথায় টেলিনর বাংলাদেশে আসে। তাঁর কথায় তাঁর বিলিয়নিয়ার বন্ধুরা গরীবদের উন্নতির জন্য ফান্ড দেয়। তিনি গ্রামীন টেলিকম প্রতিষ্ঠা করেন। সেটাও অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হিসেবেই। অনেকেই জানেন না গ্রামীন টেলিকমকে নন ফর প্রফিট কোম্পানী হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেন ড মুহাম্মদ ইউনূস। সেখানেও তিনি নিজের জন্য ১% মালিকানাও রাখেননি। তিনি চাইলে ইজিলি ১০-১৫ পার্সেন্ট মালিকানা নিজের জন্য রেখে দিতে পারতেন। অথচ লাভের এক টাকাও যাতে নিজের কাছে না আসে, সেটা নিশ্চিত করেন তিনি।


তাঁর প্রতিষ্ঠিত সরকার নিয়ন্ত্রিত গ্রামীণ ব্যাংকে এখনো সুদের হার বাংলাদেশে সর্বনিম্ন। অথচ স্বাভাবিকভাবে আপনার মনে হবে গ্রামীন ব্যাংকের মত সুদ বোধহয় কেউ নেয় না। আর নিশ্চয় এই টাকায় প্রফিট করেন ড ইউনূস!


আসলে আমাদের দেশের মানুষ এসব কল্পনাও করতে পারেন না, একজন মানুষ ব্যবসা করবে অথচ সেখান থেকে নিজে কোনো লাভ করবে না। এমন কথা আমরা ভাবতেই পারিনা। আমরা ভাবতে পারি কেবল টাকা কামানোর কথা।

যেমনভাবে ড মুহাম্মদ ইউনূস বলেন- টাকা কামানোতে আছে সুখশান্তি, অন্যের উপকারে আছে প্রশান্তি। ওনার ভাষায় 'নিজের জন্য টাকা কামানো হয়তো হ্যাপিনেস, অন্যের উপকার হচ্ছে সুপার হ্যাপিনেস।'


মুহাম্মদ ইউনূস মনে করেন, সবাই এককভাবে সম্পত্তির মালিক হতে থাকলে গরীব আরো গরীব হয়ে যাবে, ধনী আরো ধনী হবে। ফলে বিশ্বব্যবস্থা অচল হয়ে পড়বে। এই বিশ্বাস থেকেই ওনি সব ননপ্রফিট বা অলাভজনক প্রতিষ্ঠান তৈরী করে গেছেন, নিজের কোনো মালিকানা রাখেননি।

এরকমটা কি আপনি ভাবতে পারেন? আপনি বাংলাদেশের যেকোনো কোম্পানী দেখেন, তাদের সব নিজেদের মালিকানা।

কোম্পানীর কথা বাদ দেন, এনজিও ব্র‍্যাক দেখেন! মালিকানা ফজলে হাসান আবেদের পরিবারের। বড় বড় পদে পরিবারের সদস্যরা আছে।

কিন্তু মুহাম্মদ ইউনূস সেটা করেননি। তাঁর প্রতিষ্ঠিত কোম্পানীতে নিজের বা পরিবারের কাউকে রাখেননি।


অথচ ড মুহাম্মদ ইউনূস চাইলে এসব ব্যবসায় নিজের মালিকানা রেখে ইজিলি বিলিয়নিয়ার হয়ে যেতে পারতেন। খুব ইজিলি।

তাঁর প্রায় সব বন্ধুবান্ধব বিলিয়নিয়ার, মাল্টি বিলিয়নিয়ার। তিনি সেদিকে যাননি।


অনেকে প্রশ্ন করতে পারেন, তাহলে ড মুহাম্মদ ইউনূসের আয়ের উৎস কী?

আমি নিশ্চিত, এটাও অনেকে জানেন না।

ড মুহাম্মদ ইউনূস হচ্ছেন পৃথিবীর ওয়ান অব দ্যা হায়েস্ট পেইড স্পীকার। স্পীচ দেয়ার জন্য ওনাকে টাকা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। ওনার বক্তব্য শোনার জন্য খরচ করতে হয় ৭৫ হাজার থেকে ১ লাখ ডলার মত। কখনো আরো বেশী।

বিশ্বের নামীদামী প্রতিষ্ঠান গুলো ওনাকে নিয়ে যান ওনার বক্তব্য শুনতে।

ওনাকে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের পরিকল্পনার জন্যও ডাকা হয়।

২০২৪ সালের ফ্রান্সে অনুষ্ঠিতব্য প্যারিস অলিম্পিকের আয়োজক কমিটির ৩ জনের একজন হচ্ছে মুহাম্মদ ইউনূস। সেখানে আরেকজন প্রেসিডেন্ট ম্যাঁখ্রো।

২০২৬ ইতালী অলিম্পিকের জন্য ইতালীয়ানরা ওনাকে পাওয়ার জন্য তদবির করছে। যাতে ওনি পরামর্শ দেন।


এদিকে আমরা মনে করি গ্রামীন ব্যাংক আর গ্রামীন টেলিকমের মত ওনার প্রতিষ্ঠিত কোম্পানী থেকে টাকা পান তিনি। যেন গ্রামীন ব্যাংকের সুদগুলো সরকার খায় না, ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস খায়। এরা কখনো প্রকাশ্যে স্বীকারই করে না যে, এগুলোতে তার ০.০১% শেয়ারও নাই।


ওনি একটা বিশ্ববিদ্যালয় করতে চেয়েছিলেন বাংলাদেশে, কিন্তু অনুমতি পাননি। একটা আন্তর্জাতিক মানের বিশ্ববিদ্যালয় হতো। ওনি বললে পৃথিবীর সেরা সেরা প্রফেসররা সেখানে এসে ক্লাস নিয়ে যেতো। ওনি ডাকলে এমনকি বিল গেটস কিংবা আমেরিকান প্রেসিডেন্টও তাঁর ইউনিভার্সিটিতে স্পীচ দিতে চলে আসতো।

কিন্তু সেটা হতে দেয়া হয়নি। তাঁকে ইউনিভার্সিটি করতে দেয়া হয়নি।


ড মুহাম্মদ ইউনূসকে যত জানবেন, আপনার মনে হবে- দেশ এবং জাতি হিসেবে আমরা ড মুহাম্মদ ইউনূসকে ডিজার্ভই করিনা।


একটা প্রশ্ন করি, আপনি কি জানতেন মুহাম্মদ ইউনূস গ্রামীনব্যাংক কিংবা গ্রামীন টেলিকমের মত ওনার প্রতিষ্ঠিত কোম্পানীতে নিজের জন্য কোনো শেয়ার রাখেননি?

আসুন যোগ্য ব্যক্তিকে সম্মান করতে শিখি।

 Collected..

#drmohammedyounus #Bangladesh #follower #everyone Highlight's Ⓜ️ Team 0-1

ঘুমের লক্ষনের উপর হোমিওপ্যাথি ঔষধঃ➪

 🌹☃︎ঘুমের লক্ষনের উপর হোমিওপ্যাথি ঔষধঃ➪

✩কিছু জিজ্ঞাসা করলে উত্তর দিতে দিতে ঘুমিয়ে পড়ে – ব্যাপ , হায়োস ।

۞চেয়ারে বসলেই ঘুম পায় – নেট – ফস ।

۞সন্ধ্যাবেলায় বসে থাকলেই ঘুম পায় – নাক্স – ভম ।

۞ বিকেলবেলায় ঘুম পায় – ক্যাল্কে – কার্ব ।

۞পড়তে বসলে ঘুম পায় – কলচি , নেট – মিউর ।

𖣘 বসলেই ঘুম পায় – সিনা , নেট – মিউর , নাক্স – ভম , সিপিয়া ।

𖧷খাওয়ার পরেই ঘুম পায় – এগারি , ক্যাল্কে-কার্ব , ক্যাপ্সি , চায়না , কেলি-কার্ব , নাক্স – ভম , ফস , রাস- টক্স , সালফ , কার্ব – ভেজ , একোন ।

𑁍 খাওয়ার পর দাঁড়িয়ে থাকতে পারে না, ঘুম পায় – ম্যাগ – কার্ব ।

❁খাওয়ার পর দাঁড়ালে ঘুম পায় - ম্যাগ – কার্ব ।

❁খাওয়ার পর কথা বললে ঘুম পায় - ম্যাগ – কার্ব ।

☼︎ বমির পর ঘুম পায় – ইথুজা , এ-টাট , ইপি , স্যানিকি ।

𖣔সর্বদা অত্যন্ত ঘুমঘুম ভাব – নাক্স- ম , ফাইসসটিগমা ।

𖣔হাসি ঠাট্টার পর ঘুম পায় – ফস ।

۞সকালে ঘুম পায় – ক্যাল্কে – কার্ব , ক্যাল্কে – ফ , কোনি , গ্রাফাই , নাক্স-ভম , সিপিয়া , সালফ ।

߷প্রসবের পর প্রসূতিদের ঘুম পায় – ফেলানড্রি ।

۞হাঁটতে হাঁটতে ঘুম পায় – একোন ।

۞মলত্যাগের পর ঘুম পায় – ইথুজা , নাক্স-ম , সালফ ।

** কথা বলতে বলতে ঘুম পায় – চেলিডো , ম্যাগ-কার্ব , প্লাম্বাম ।

𖣔লিখতে বসলে ঘুম পায় – এসিড-ফস

- H . C . Allen . M . D .

Cd

ঢাকা শহরে ভাড়া বাসায় থাকলে কত খীচ

 গত বিশ বছর  ধরে ঢাকায় ভাড়া বাসায় থাকা আবু সুফিয়ান হিসেবে করে দেখলো যে গত ২০ বছরে মোট বাসা ভাড়া বাবদ খরচ হয়েছেঃ ২০বছর x ১২মাস x ১৫০০০টাকা= ৩৬লাখ টাকা। তিনি যে বাসাগুলোতে ছিলেন সেগুলোর গড় সাইজ ছিলো ১০০০ স্কয়ার ফিট। তিনি যেসব এলাকায় ছিলেন সেখানে ১০০০স্কয়ার ফিট রেডি ফ্ল্যাটের মূল্য গড়ে ৬০/৭০লাখ টাকা। আর যদি বুকিং সিস্টেমে ধীরে ধীরে কিস্তি দিতে দিতে ৫/৬বছর মেয়াদী নিয়মে কেনা হতো তাহলে খরচ পড়তো ৫০/৬০লাখের মতো। আর যদি শেয়ার সিস্টেমে নিজেরা নিজেরাই ফ্ল্যাট বানাতো তাহলে খরচ পড়তো ৩৫/৪০লাখ টাকা। (এগুলো বর্তমান আনুমানিক দাম।)  সুফিয়ান সাহেব চিন্তা করলেন যে আমি যদি ভাড়া বাসায় না থেকে ২০বছর আগে থেকে একটা ফ্ল্যাটের মালিক হতে পারতাম তাহলে মনে হয় আমার এই ৩৬লাখ টাকা বেঁচে যেতো। এবার তিনি চিন্তা করতে লাগলেন যে ২০বছর আগে আমাকে ফ্ল্যাটের মালিক হতে হলে তারও ৫বছর আগে থেকে বিনিয়োগ শুরু করতে হতো, তারপর পরবর্তী ৫বছর কিস্তি চালিয়ে যেতে যেতে ভাগ্য ভালো হলে সঠিক সময়ে ফ্ল্যাটের মালিক হতে পারতাম। আর যদি ২০ বছর আগে এককালীন ৪০লাখ টাকা দিয়ে রেডি ফ্ল্যাট কিনতে পারতাম তাহলে প্রতি মাসে ভাড়ার টাকাটা সেভ হতো এবং এই ২০ বছরে সেইভ হতো প্রায় ৩৬লাখ টাকা। তার চিন্তাটা সে তার বন্ধু মিলনের সাথে শেয়ার করলো।  সবকিছু শুনার পর মিলন তাকে কয়েকটি প্রশ্ন করলো। যেমনঃ ১. আপনার ২০ বছর আগে কেনা ফ্ল্যাটটির বর্তমান মূল্য কত? এটার দাম কতটুকু বেড়েছে? এটা একটি পূরাতন ফ্ল্যাট যা ওল্ড মডেল হিসেবে গন্য এবং ২০বছরের পূরাতন হওয়ার কারনে এটাকে কেউ খুব একটা মূল্যায়ন করবে কি? ২. ২০ বছর আগে স্বর্ণের দাম কতো ছিলো? ২০ বছর আগে ৪০লাখ টাকার স্বর্ণ কিনলে বর্তমানে কত দামে বেচতে পারতেন? ৩. ২০বছর আগে ফ্ল্যাট না কিনে যদি জমি কিনতেন হোক সেটা আপনার গ্রামে, তাহলে সেই জমির দাম বর্তমানে কত গুন হতো? ৪. ২০ বছর আগে যদি আপনি ১০লাখ টাকায় জমি লিজ নিয়ে ৩০লাখ টাকার গাছ লাগাতেন তাহলে সেই গাছগুলার বর্তমান দাম কয় কোটি হতো? ৪. ২০ বছর আগে আপনি যখন ব্যবসা শুরু করেন তখন আপনার ব্যবসায় প্রাথমিক বিনিয়োগ কত ছিলো? সেই ব্যবসায় যদি এই ৪০লাখ টাকা যোগ করতে পারতেন, আজকে আপনার ব্যবসাটা কত বড় হতো? ৫. তাহলে ভাবুন মাত্র ১৫০০০টাকা সেইভ করতে গিয়ে একসাথে ৪০লাখ টাকা ব্লক করে রাখাটা কি পরিমাণ বোকামী হতো?  এসব প্রশ্নের উত্তর চিন্তা করে আবু সুফিয়ান সাহেবের মাথা খুলে গেলো। তার মধ্যে আর ৩৬লাখ টাকার আফসোস কাজ করলো না। আসলে এই হিসাবটা কেউ করেনা যে বর্তমান সময়ে ৫০লাখ টাকার ফ্ল্যাট থেকে ১৫০০০টাকা ভাড়া পেতে কষ্ট হয়ে যায়। তারপর, ফ্ল্যাটের দাম সেভাবে বাড়েনা। ধরেন, কেউ ২০২০সালে ৫০ লাখ টাকা দিয়ে একটা ১০০০স্কয়ার ফিটের ফ্ল্যাট কিনলো, তো সেটা ২০২৫ সালে এসে বিক্রি করার চেষ্টা করলো। ২০২৫ সালে নতুনভাবে কিনতে গেলে ১০০০স্কয়ারফিটের ফ্ল্যাটের দাম হয়তো ১০লাখ টাকা বেশি হবে। এখন ২০২০সালের ফ্ল্যাটটি যদি ২০২৫ সালে কেউ ৬০লাখে বি্ক্রি করার চেষ্টা করে, একজন ক্রেতা কেনো নতুন ফ্ল্যাট না কিনে পূরাতন ফ্ল্যাট কিনতে যাবে? বরং সে পূরাতন ফ্ল্যাটটি ৪০/৪৫লাখ টাকায়ও কিনবে কিনা সন্দেহ আছে।   ফ্ল্যাট কেনার আইডিয়াটা খুব একটা ভালো আইডিয়ানা। আপনি যে টাকা দিয়ে ফ্ল্যাটের মালিক হবেন সেটা দিয়ে যদি ১. স্বর্ণ কিনেন, ২. জমি কিনেন, ৩. জমি লিজ নিয়ে গাছ লাগান অথবা ৪. নিজের রানিং ব্যবসায় বিনিয়োগ করেন তাহলে অনেক অনেক অনেক বেশি রিটার্ণ পাবেন। যদি পৃথিবীতে সবচেয়ে কম রিটার্ণের কোনা বস্তু থাকে তাহলে সেটা হলো ফ্ল্যাট। এর চেয়ে কম রিটার্ণের বস্তু যদি খুঁজে পান তাহলে জানাতে পারেন।  এবার আবু সুফিয়ান সাহেব ফ্ল্যাট না কিনতে পারার আফসোস থেকে বেরিয়ে আসলেন এবং স্বীকার করলেন যে ঢাকা শহরে এককালীন অনেক টাকা খরচ করে ফ্ল্যাটের মালিক হওয়ার চাইতে সারাজীবন ভাড়াটিয়া হিসেবে কাটিয়ে দেয়াটাই উত্তম…  #Bangladeshcivilengineeringbyashik #copied

গাড়ির ইঞ্জিন পার্টস এর নাম ও কাজ – একদম বিস্তারিত জানুন,,,,,,

 গাড়ির ইঞ্জিন পার্টস এর নাম ও কাজ – একদম বিস্তারিত জানুন


গাড়ির ইঞ্জিন হলো একটি জটিল যন্ত্রাংশের সমষ্টি যা একসাথে কাজ করে একটি গাড়িকে চালনা করার শক্তি সরবরাহ করে। অনেকেই গাড়ি ব্যবহার করলেও ইঞ্জিনের ভেতরে কোন কোন পার্টস আছে এবং সেগুলো কী কাজ করে, তা জানেন না। আজকের এই পোস্টে আমরা আলোচনা করব গাড়ির ইঞ্জিনের গুরুত্বপূর্ণ পার্টস, তাদের কাজ এবং কেন এসব জানাটা গুরুত্বপূর্ণ।


🔹 ইঞ্জিন পার্টস এর তালিকা ও তাদের কাজ


১. সিলিন্ডার (Cylinder)= সিলিন্ডার হচ্ছে ইঞ্জিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এখানে জ্বালানি ও বায়ু মিশ্রণ পুড়ে শক্তি তৈরি হয়। চার সিলিন্ডার, ছয় সিলিন্ডার বা আট সিলিন্ডার যুক্ত ইঞ্জিন হতে পারে।


২. পিস্টন (Piston)= পিস্টন হলো সিলিন্ডারের ভেতরে চলমান একটি ধাতব বস্তু, যা জ্বালানি দহন থেকে উৎপন্ন শক্তিকে নিচে ঠেলে দেয়। এটি ক্র্যাংকশ্যাফট ঘোরাতে সহায়তা করে।


৩. ক্র্যাংকশ্যাফট (Crankshaft)= ক্র্যাংকশ্যাফট পিস্টনের উপরে নিচে চলাচলকে ঘূর্ণনশীল গতিতে রূপান্তর করে, যা গাড়ির চাকার ঘূর্ণনে কাজে লাগে।


৪. ক্যামশ্যাফট (Camshaft)= ক্যামশ্যাফট ভালভ খোলার ও বন্ধ করার কাজ করে। এটি নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী ইনটেক এবং এক্সহস্ট ভালভ নিয়ন্ত্রণ করে।


৫. ভালভ (Valves)= ভালভ দুটি ধরণের হয়: ইনটেক ও এক্সহস্ট। ইনটেক ভালভ জ্বালানি ও বায়ুকে ইঞ্জিনে প্রবেশ করতে দেয়, এবং এক্সহস্ট ভালভ দহন শেষে গ্যাস নির্গত করে।


৬. স্পার্ক প্লাগ (Spark Plug)= পেট্রোল ইঞ্জিনে স্পার্ক প্লাগ থাকে, যা বায়ু ও জ্বালানির মিশ্রণে আগুন ধরায় এবং দহন শুরু করে।


৭. ফুয়েল ইনজেক্টর (Fuel Injector)= ফুয়েল ইনজেক্টর জ্বালানিকে সঠিক পরিমাণে এবং নিখুঁতভাবে সিলিন্ডারে প্রবেশ করায়। এটি আধুনিক গাড়িতে কার্বুরেটরের বিকল্প।


৮. কার্বুরেটর (Carburetor)= পুরাতন গাড়িতে ব্যবহৃত হয়। এটি বায়ু ও জ্বালানির সঠিক অনুপাতে মিশ্রণ তৈরি করে ইঞ্জিনে পাঠায়।


৯. রেডিয়েটর (Radiator)= ইঞ্জিন ঠান্ডা রাখার জন্য রেডিয়েটর খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি কুল্যান্টের সাহায্যে ইঞ্জিনের অতিরিক্ত তাপ বাইরে বের করে দেয়।


১০. ওয়াটার পাম্প (Water Pump)= ওয়াটার পাম্প কুল্যান্টকে ইঞ্জিনের ভেতরে প্রবাহিত করে, যাতে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে।


১১. টাইমিং বেল্ট / চেইন (Timing Belt / Chain)=ক্যামশ্যাফট ও ক্র্যাংকশ্যাফটকে সঠিক সময়ে ঘোরানোর দায়িত্ব পালন করে টাইমিং বেল্ট বা চেইন। যদি এটি ছিঁড়ে যায়, তাহলে ইঞ্জিনের বড় ক্ষতি হতে পারে।


১২. অয়েল পাম্প (Oil Pump)=ইঞ্জিন অয়েলকে প্রতিটি চলমান অংশে সরবরাহ করে। এটি ইঞ্জিনকে লুব্রিকেট করে ঘর্ষণ কমায় ও তাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।


১৩. এয়ার ফিল্টার (Air Filter)= বাইরের বাতাসে থাকা ধুলো ও ময়লা পরিশোধন করে ইঞ্জিনে পরিষ্কার বাতাস সরবরাহ করে।


১৪. এক্সহস্ট ম্যানিফোল্ড (Exhaust Manifold)= দাহ্য গ্যাসগুলোকে একত্র করে এগুলো এক্সহস্ট পাইপে পাঠায় এবং বাইরে বের করে দেয়।


১৫. ইঞ্জিন কন্ট্রোল ইউনিট (ECU)= এটি একটি কম্পিউটার ইউনিট যা ইঞ্জিনের বিভিন্ন সেন্সর থেকে ডেটা নিয়ে পুরো ইঞ্জিন পরিচালনা করে।


কেন এইসব পার্টস সম্পর্কে জানা জরুরি?

অনেক সময় ইঞ্জিনে সামান্য সমস্যা দেখা দিলেও আমরা গুরুত্ব দেই না। কিন্তু যদি আপনি জানেন কোন পার্টস কী কাজ করে, তাহলে প্রাথমিক সমস্যা আপনি নিজেই চিহ্নিত করতে পারবেন। এতে সময় ও খরচ দুই-ই বাঁচে।


গাড়ির ইঞ্জিন রক্ষণাবেক্ষণের টিপস:

প্রতি ৫,০০০ থেকে ১০,০০০ কিমি পর ইঞ্জিন অয়েল পরিবর্তন করুন।নিয়মিত এয়ার ফিল্টার পরিষ্কার বা পরিবর্তন করুন। কুল্যান্টের স্তর পর্যবেক্ষণ করুন। টাইমিং বেল্ট বা চেইনের অবস্থা চেক করুন। ECU ত্রুটি দেখালে অবহেলা না করে মেকানিক দেখান।


উপসংহার= গাড়ির ইঞ্জিন হলো যেকোনো গাড়ির প্রাণ। এর প্রতিটি যন্ত্রাংশ একে অপরের সাথে সমন্বিতভাবে কাজ করে। আপনি যদি চালক হন বা নতুন গাড়ি কিনতে আগ্রহী, তাহলে ইঞ্জিন পার্টসের নাম ও কাজ জানা আপনার জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। এতে আপনি নিজের গাড়ির যত্ন নিতে পারবেন আরও সচেতনভাবে এবং ত্রুটি চিহ্নিত করতে পারবেন প্রাথমিক পর্যায়েই।


#গাড়িরইঞ্জিন #ইঞ্জিনপার্টস #গাড়িমেইনটেন্যান্স #অটোমোবাইল #কারইঞ্জিন #গাড়িরযন্ত্রাংশ #ইঞ্জিনরক্ষণাবেক্ষণ #কারমেকানিক #গাড়িবিশ্লেষণ #গাড়িরখবর #গাড়িতথ্য #কারটেকনোলজি #ইঞ্জিনসার্ভিস #গাড়িকিরখেয়ালরাখবেন #অটোমেকানিকস #গাড়িরনতুনচিন্তা #গাড়িরইঞ্জিনপারফরম্যান্স #ইঞ্জিনশিক্ষা #গাড়িউন্নয়ন #কারইঞ্জিনগাইড #বাংলাগাড়িব্লগ #গাড়িরবিস্তারিততথ্য #গাড়িউপকরণ #কারকেয়ারবাংলা #গাড়িরবিশেষজ্ঞ

পটুয়াখালী পৌর শহরের পাওয়ার হাউজ এলাকার একতা সড়কের বাসিন্দা ও অত্র এলাকার বড় সুদী কারবারি কাজী জাকির ও কাজী রিপন ।

 পটুয়াখালী পৌর শহরের পাওয়ার হাউজ এলাকার একতা সড়কের বাসিন্দা ও অত্র এলাকার বড় সুদী কারবারি কাজী জাকির ও কাজী রিপন ।


আওয়ামী সরকারের সাবেক এমপি ও ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শাজাহান উকিলের ঘনিষ্ঠ সহযোগী কাজী জাকির ও তার এপিএস ছিল কাজী রিপন। 


নুনু আনতে পান্তা ফুরোয় এমন পরিবারের ছেলে কাজী জাকির ও কাজী রিপন।

তবে এমপি শাজাহান উকিলের কাছের লোক হিসেবে পরিচিত  ধর্ম মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দূর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে মাত্র কয়েক বছরেই কোটি কোটি টাকা দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জন করে বনে যায় এলাকায় বড় সুদি ব্যবসায়ী।


 সেই সকল টাকা দিয়ে শুরু হয় সুদের কারবার।

  কাজী জাকির ও কাজী রিপনের রয়েছে বেশ কয়েকজন মহিলা ও পুরুষ সুদী এজেন্ট, জামাল, সুফি, খাজিদা পারভিন, ফারুক, দেলোয়ার সহ অনেকেই। 

 

যাদের মাধ্যমে সুদের টাকা বিনিয়োগ ও লেনদেন করা হয়।  

বিশেষ কৌশলে টাকা যেই নিবে  সুদের টাকা নিতে তার পরিবারের মহিলাদের থেকে সাদা চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর দিয়ে কাজী জাকির ও কাজী রিপনের কাছে জমা দিতে হয়।

শতকরা হিসেবে ১০থেকে ২০শতাংশ হারে পর্যন্ত সুদ  নিয়ে থাকে।

 সময়মতো সুদের টাকা দিতে ব্যার্থ হলে গভীর রাতে মহিলাদের নিয়ে টানাটানি শুরু হয় তার পালিত সন্ত্রাসী দিয়ে।

তাছাড়া প্রতিদিনের সুদের টাকা প্রতিদিন রাতে দিতে হবে, এভাবেও চড়া সুদে টাকা দিয়েছে এলাকায় ও নিউমার্কেট এবং এলাকার বাইরে অনেক মানুষকে। 

সময়মতো সুদ ও সুদের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় অনেক নারী ও মহিলা শারীরিক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। 

 কিন্তু সাদা স্ট্যাম্প ও চেকের পাতায় সই জমা দিয়ে টাকা নেয়ার কারণে আইনগত সহায়তা নিতে পারছে না ভুক্তভোগীরা। 

 কাজী জাকির ও কাজি রিপনের কথার অবাধ্য হলে সাদা চেকে বড় অংকের টাকার পরিমাণ লিখে মামলা দেয়া হয় ভুক্তভোগীদের বিরুদ্ধে। 

 স্বাক্ষর সহ  সাদা স্টাম্পে তাদের নিজেদের লোকদের স্বাক্ষী বানিয়ে মনগড়া টাকা আদান-প্রদান  উল্লেখ করে মামলা  হয়।

 ইতিমধ্যেই কমপক্ষে আট থেকে দশ জনের জনের বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনার ও সাথে সাদা স্ট্যাম্পে ব্যবসায়িক কাজে টাকা নিয়েছে স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি  বন্ধক রেখে এমন লিখে মামলা দায়ের করেছে পটুয়াখালী সদর আদালতে কাজী জাকির ও কাজী রিপন । 

তাছাড়া নিউমার্কেট মাছ বাজারের এক মাছ ব্যবসায়ী সুদের টাকা পরিশোধ করতে না পেরে বিষপানে আত্মহত্যা করে। 

কাজী জাকির ও কাজী রিপন তার অবৈধ টাকা দিয়ে কিছু পালিত সন্ত্রাসী লালন পালন করে আসছিলো, সুদের টাকা পরিশোধে ব্যর্থ হলে মারধর ও হেনস্তার শিকার হতে হয় এদের হাতে। 

সুদের টাকার গরমে আইনের শাসনকে তোয়াক্কা না করে এলাকায় অনেক অপকর্ম অপরাধের মূল হোতা ছিল এই কাজী জাকির ও কাজী রিপন।

 

থানা পুলিশ অদৃশ্য শক্তির কারনে সব সময়ই ছিল নিশ্চুপ।

এদের সুদের টাকার জালে আটকা পড়ে হাজারো মানুষ হয়েছ সর্বহারা নিঃস্ব। 

এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছে বেশ কিছু লোক।

 দৃশ্যমান কোনো ব্যবসা বাণিজ্য না থাকলেও 

এদের বিপুল পরিমাণ  অবৈধ অর্থের উৎস কি..? 

সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন পটুয়াখালীবাসী। 


 পটুয়াখালী পুলিশ প্রশাসনের কাছে দাবি ভুক্তভোগীদের সই সহ চেক ও স্টাম্প গুলো উদ্ধার করে অসহায় মানুষগুলোর হাতে ফিরিয়ে দেয়ার আকুল আবেদন জানিয়েছেন অসহায় ভুক্তভোগীরা।

Advanced Agriculture এর পক্ষ থেকে সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা

 Advanced Agriculture এর পক্ষ থেকে সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা

মঙ্গলবার, ২০ মে, ২০২৫

হরিপুর জমিদার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া,,,,,

 হরিপুর জমিদার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া 


হরিপুরের জমিদারগণ ত্রিপুরার প্রভাবশালী জমিদারগণের উত্তরসুরি  ছিলেন। প্রবীণদের নিকট থেকে জনশ্রুতি আছে সুনামগঞ্জ, ছাতক, দোয়ারাবাজার এবং  আজমিরীগঞ্জের জনপদ কর প্রদান করতো। নাসিরনগর উপজেলাস্থ গুণীয়াউকের. জমিদারগণের সহিত তাদের সুসম্পর্ক ছিল। দেশবিভাজনের পর ১৯৪৭ সালে প্রাসাদ ছেড়ে কলকাতায় চলে যান।  প্রাসাদের অনেক স্থানে ক্ষয় হয়ে গেলেও দ্বিতলের পাশা খেলার ঘরটি আজও রয়ে গেছে যাতে জমিদার সখ্যগণের সাথে খেলতেন। বাইজীরা প্রতি রাতেই জমিদারগনের আমোদ-প্রমোদের উদ্দেশ্যে নৃত্য পরিবেশন করতো।


উত্তরসূরীদের কিয়দাংশ নীচতলায় বাস করত এবং উপাসনা করত। বর্তমানে এটির সংস্করণ এর কাজ চলছে। হরিপুর বড়বাড়িটি বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর দ্বারা সংরক্ষিত।


হরিপুর বড়বাড়ি তিতাস নদীর পূর্ব পারে অবস্থিত। বাড়িটি 'হরিপুর জমিদারবাড়ি' বা 'হরিপুর রাজবাড়ি' নামেও পরিচিত। এটি গ্রামের পশ্চিম পার্শে এবং নাসিরনগর সদর হতে ১৫কিমি দক্ষিণপূর্বে তথা নাসিরনগর উপজেলা ও মাধবপুর উপজেলার সংযোগ পথে অবস্থিত। বিশেষত, বর্ষা মউসুমে যখন পানিতে চারদিক ভরে উঠে তখন এর সৌন্দর্য অনেকাংশে বেড়ে যায়।


নির্মাণশৈলী

হরিপুর বড়বাড়ি একটি দুই গম্বুজ এবং ত্রিতল বিশিষ্ট বাড়ি। বারিটির আয়তন এবং আড়ম্বরপূর্ণ স্থাপত্য ঐতিহাসিক যুগের শৈল্পিক নৈপুণ্যের স্বক্ষর বহন করে। প্রাসাদটি প্রায় ৫ একর জমির উপর নির্মিত যাতে ৬০টি কক্ষে নাট্যশালা, দরবার হল, গুদাম, গোশালা, রন্ধনশালা, প্রমোদের কক্ষ, খেলার মাঠ, মঠ, মন্দির, মল পুকুর ইত্যাদি বিদ্যমান। দ্বিতলে আরোহণের জন্য ছয়টি সিঁড়ী এবং ত্রিতলে আরোহণের জন্য দুইটি সিঁড়ী রয়েছে। এর উত্তরপশ্চিম পার্শ্বে ছয়টি শয়ন কক্ষ, চারটি পূর্ব পার্শ্বে এবং চারটি রয়েছে পুকুরের পশ্চিম পার্শ্বে। বাড়িটির পশ্চিম পার্শ্বে সান বাঁধানো ঘাট রয়েছে যা নদীতে গিয়ে নেমেছে এবং এর উভয় পার্শ্বে মঠদ্বয় সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছে তার একটি উত্তর পার্শ্ব কৃষ্ণপ্রসাদ রায় চৌধুরী ও অপরটি দক্ষিণ পার্শ্বে গৌরীপ্রসাদ রায় চৌধুরীর।  এ অঞ্চলের জনপদ যাতায়তের সুবিধা তথা আরামদায়ক ভ্রমণের জন্য নদীপথ ব্যবহার করতো, হয়তো তাই মূল ফটক হিসাবে আকর্ষণী ঘাটটি নির্মিত হয়েছিল।

প্যাসিভ ইনকাম এমন এক ধরনের আয়, যা আপনি সরাসরি সময় বা শ্রম বিনিময় না করেও নিয়মিতভাবে উপার্জন করতে পারেন।,,,,,,,,

 প্যাসিভ ইনকাম এমন এক ধরনের আয়, যা আপনি সরাসরি সময় বা শ্রম বিনিময় না করেও নিয়মিতভাবে উপার্জন করতে পারেন। এটি এমন আয়ের উৎস যা একবার কাজ বা বিনিয়োগের মাধ্যমে শুরু করলে দীর্ঘমেয়াদে আয়ের ধারা তৈরি হয়।


প্যাসিভ ইনকাম কেন জরুরি?


১. আর্থিক স্বাধীনতা অর্জনের জন্য:

প্যাসিভ ইনকাম থাকলে আপনি শুধু এককভাবে চাকরি বা ব্যবসার উপর নির্ভরশীল থাকবেন না। এটা আপনার স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করতে সহায়তা করে।


২. আর্থিক সুরক্ষা:

যদি হঠাৎ চাকরি চলে যায় বা ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তখন প্যাসিভ ইনকাম আপনাকে টিকে থাকতে সাহায্য করে।


৩. সময়ের স্বাধীনতা:

আপনি একবার কাজ করে (যেমন: একটি বই লেখা, ওয়েবসাইট তৈরি, অনলাইন বিজনেস ,  সফটওয়্যার ডেভেলপ করে) ভবিষ্যতে সেটা থেকে আয় পেতে পারেন, যা আপনাকে সময়ের নিয়ন্ত্রণ দেয়।


৪. পরিবার ও ব্যক্তিগত জীবনের জন্য সময়:

যেহেতু আপনি সরাসরি সময় ব্যয় না করেও আয় করতে পারেন, তাই পরিবার বা প্রিয়জনের সাথে সময় কাটানো সহজ হয়।


৫. অর্থনৈতিক মন্দা বা দুর্যোগের সময় সহায়তা:

যুদ্ধ, মহামারী বা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকটের সময় প্যাসিভ ইনকাম জীবনের নিরাপত্তা দিতে পারে।


প্যাসিভ ইনকাম কেন নির্ভরযোগ্য হতে পারে?


১. বিভিন্ন উৎস থেকে ইনকাম:

আপনি চাইলে একাধিক প্যাসিভ ইনকামের উৎস তৈরি করতে পারেন (যেমন: এডসেন্ছ জার্নি, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, অনলাইন কোর্স )। এতে একটি উৎস বন্ধ হলেও অন্যগুলো চালু থাকে।


২. অটোমেশন এবং প্রযুক্তির ব্যবহার:

ওয়েবসাইট, ইউটিউব, অনলাইন কোর্স, সফটওয়্যার ইত্যাদি একবার তৈরি করে সেগুলো থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইনকাম পাওয়া যায়।


৩. দীর্ঘমেয়াদী রিটার্ন:

একটি ভালো প্যাসিভ ইনকাম সোর্স (যেমন: অ্যাফিলিয়েট সাইট, বিজ্ঞাপনভিত্তিক ব্লগ, এডসেন্স ওয়েবসাইট) বহু বছর ধরে আয় দিতে পারে।


উদাহরণ: কিছু নির্ভরযোগ্য প্যাসিভ ইনকাম সোর্স


গুগল এডসেন্স আর্নিং। 


অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং।


রিয়েল এস্টেট বিজনেস।


অনলাইন কোর্স বা ই-বুক।


অ্যাপস বা সফটওয়্যার বিক্রি।


নোট: সঠিক সময় সঠিক সিদ্ধান্তই আপনার জীবনকে নেক্সট  লেভেলে নিয়ে যেতে পারে।

জমি কেনার আগে অবশ্যই যে বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করবেন:

 জমি কেনার আগে অবশ্যই যে বিষয়গুলো যাচাই-বাছাই করবেন:


I. প্রথমেই , জমির তফসিল অর্থাৎ জমির মৌজা, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর  এবং উক্ত দাগে জমির মোট পরিমাণ সম্পর্কে জানতে হবে।


II. যার কাছ থেকে জমি কিনবেন তার কাছ থেকে ঐ জমি সংক্রান্ত সকল কাগজপত্রের ফটোকপি চেয়ে নিন, যেমন- সি.এস খতিয়ান, এস.এ  খতিয়ান , আর.এস খতিয়ান, বি.এস/ঢাকা সিটি জরীপের খতিয়ানসহ সর্বশেষ পর্যন্ত যে সকল বেচাকেনা হয়েছে সেগুলোর বায়া দলিল(chain of title), নামজরী খতিয়ান এবং হাল সনের খাজনার দাখিলাসহ সংশ্লিষ্ট সকল কাগজপত্র।


III. যার কাছ থেকে জমি কিনবেন সে যদি  ক্রয়সূত্রে ভূমির মালিক হয়ে থাকলে তার ক্রয় দলিল বা বায়া দলিল রেকর্ডের সঙ্গে মিল করে বিক্রেতার মালিকানা নিশ্চিত করতে হবে এবং সে যদি  উত্তরাধিকার সূত্রে ভুমির মালিক হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে সর্বশেষ জরিপের খতিয়ান বিক্রেতা বা তিনি যার মাধ্যমে প্রাপ্ত তাঁর নামে অস্তিত্ব (যোগসূত্র) মিলিয়ে দেখতে হবে।


IV. উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমি বিক্রেতার শরিকদের সঙ্গে বিক্রেতার সম্পত্তি ভাগাভাগির বণ্টননামা (ফরায়েজ) দেখে নিতে হবে। বিক্রেতা যদি বলেন যে আপোষমুলে বণ্টন হয়েছে, কিন্তু রেজিস্ট্রি হয়নি, তবে ফারায়েজ অনুযায়ী বিক্রেতা যেটুকু অংশের দাবিদার শুধু সেটুকু কিনাই নিরাপদ হবে। 


V. উক্ত জমিটি নিয়ে কোন মামলা বিচারাধীন আছে কিনা কিংবা কোন প্রকার মামলা নিস্পত্তি হয়েছে  কিনা এবং ব্যাংক কিংবা অন্য কোন প্রতিষ্ঠানে জমিটি বন্ধক/ দায়বদ্ধতা আছে কিনা।


VI. যাচাই করতে হবে জমিটি খাস, পরিত্যক্ত, শত্রু স¤পত্তি কিনা বা সরকার কোন কারনে অধিগ্রহণ করেছে কিনা সে বিষয়ে উপজেলা ভূমি অফিস বা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের এল এ শাখা থেকে জেনে নিতে হবে।

 

VII. জমির মালিক নাবালক বা অপ্রকৃতিস্থ কিনা লক্ষ্য রাখতে হবে। নাবালক হলে আদালতের মাধ্যমে অভিভাবক নিযুক্ত করে বিক্রয়ের অনুমতি নিতে হবে।


VIII. সর্বশেষ নামজারি পরচা ডিসিআর খাজনা দাখিল (রসিদ) যাচাই করে দেখতে হবে।


IX. জমির মালিকানা স্বত্ব সঠিক পাওয়ার পর আপনাকে সি.এস/আর.এস/বি.এস/ঢাকা সিটি জরীপের নকশা নিয়ে সরেজমিনে গিয়ে দেখতে হবে নকশা অনুযায়ী ঐ জমিটি সেই দাগের কিনা এবং  সাব–রেজিস্ট্রারের অফিসে তল্লাশি দিয়ে জমির সর্বশেষ বেচাকেনার তথ্য জেনে নেওয়া যেতে পারে।


X. এরপর বিক্রয়ের জন্য নির্দিষ্ট জমিটি বর্তমানে কে দখলে আছে, কিনতে গেলে কোন কারনে ভোগ দখলে বাধাগ্রস্থ হবে কিনা কিংবা রাস্তা বা পথাধিকারের কোন বাধা নিষেধ আছে কিনা তাও সরেজমিনে যাচাই করে নিতে হবে।

ডাকাতদের মাথা কেটে ঝুলিয়ে রাখা হতো ঢাকার পাগলা সেতুতে

 ডাকাতদের মাথা কেটে ঝুলিয়ে রাখা হতো ঢাকার পাগলা সেতুতে


প্রখ্যাত শিল্পী চার্লস ড’য়লি বাংলাদেশে আসেন ১৮০৮ সালে। তিলোত্তমা ঢাকার প্রেমে পড়ে থেকে যান প্রায় ৯ বছর। তার হাতে ক্যামেরা ছিল না, পেন্সিল আর কাগজই তখন ভরসা। তা দিয়ে তিনি এঁকেছেন বুড়িগঙ্গা, ঘর-বাড়ি, নাম না জানা কোন গলি, ভাঙা সেতু অথবা লোকজন। এর মধ্যে তার আঁকা কিছু ছবি বিখ্যাত হয়ে ওঠে। পাগলা সেতু’র চিত্রটি এর মধ্যে অন্যতম।

১৮১৭ সালে চার্লস ড’য়লি পাগলা সেতুর ছবি আঁকেন। সেই সময়ে পাগালা সেতুর অবস্থা ছিল বেশ নাজুক। সেটার ওপর গাড়ি-ঘোড়া কিছুই চলতো না। তবে তখন মানুষজন ব্রিজে বসে আড্ডা দিতো। এছাড়া ব্রিজের নিচ দিয়ে নৌকাও চলতো। তারওপরে এটি ডাকাতদের মাথা কেটে ঝুলিয়ে রাখা স্থান হয়ে ওঠে।

 

পাগলা সেতুর ইতিহাস বহু আগের। ১৬৬২ সালে এটি নির্মিত হয় এবং ‘পাগলার পুল’ নামে অধিক পরিচিত। জানা যায়, মোগল সুবেদার মীর জুমলা তৎকালীন আরাকানি ও মগদের আক্রমণ ঠেকানো এবং দস্যুদের দমনের জন্য সোনাকান্দা, ইদরাকপুর, হাজিগঞ্জ প্রভৃতি ভাটি অঞ্চলে কয়েকটি জলজ দুর্গ নির্মাণ করেন। ওই দুর্গগুলোর সঙ্গে রাজধানী শহর ঢাকার সংযোগের জন্য পাগালু নামের স্রোতস্বিনী নদীর ওপর সেতুটি নির্মাণ করা হয়। যদিও ওই নদীর এখন কোনো অস্তিত্ব নেই।


তিনটি মজবুত ও সুঁচালু খিলান সহযোগে নির্মিত হয়েছিল পাগলা সেতু। খিলানের স্প্যান্ড্রেলে সুদৃশ্য গোলাপ ফুলের প্লাস্টার নকশা দেয়া ছিল। পুলটির চার কোনায় ছিল চারটি অষ্টকোনাকৃতির ফাঁপা টাওয়ার। টাওয়ারগুলোতে খিলানী দরজা জানালা ছিল। টাওয়েরর উপরে ছিল গম্বুজ। সেতুর নিরাপত্তা প্রহরীরা এসব টাওয়ারে অবস্থান করতেন।


১৬৬৬ সালে ফরাসী অলংকার ব্যবসায়ী ট্যাভেরনিয়ার লিখেছেন, তিনি ওই পুলের পাশে থাকা উঁচু উঁচু থামে দস্যুদের কাটা মাথা ঝুলিয়ে রাখতে দেখেছিলেন। ঢাকা কেন্দ্রের গবেষক ড. মো. আলমগীর এক প্রবন্ধে লিখেছেন, সেখানে ডাকাতদের খুব উপদ্রব ছিল। প্রায়ই ডাকাতদের মেরে মাথা ঝুলিয়ে রাখা হতো।


পাগলা সেতুর চিহ্ন এখনও আছে। সেতুর পশ্চিম পাশের একটি টাওয়ার এখনো স্বগৌরবে দাঁড়িয়ে রয়েছে। আরেকটি নদীর দিকে হেলে পড়ে জীর্ণ অবস্তায় আছে। পূর্বদিকের একটি টাওয়ার এখন মন্দিরের গর্ভগৃহ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। সেখানে পুরানো একটি পিপুল গাছ রয়েছে। সেতুর খিলানগুলো বহু আগেই ধ্বংস হয়ে গেছে। ১৯৬০ সালেও সেতুটির অস্তিত্ব ছিল। অযত্ন-অবহেলা, দূষণ-দখলের কবলে পড়ে এটি এখন শুধুই ইতিহাস!


ডেইলি বাংলাদেশ


#everyoneシ゚ #nonfollowersviewers #calleted #highlight

ন্যানো-স্কেলে কোয়ান্টাম সুপারপজিশন: সোডিয়াম কণার 'একই সঙ্গে দুই জায়গায়' থাকার নতুন প্রমাণ,,,মুস্তাকীম ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 ন্যানো-স্কেলে কোয়ান্টাম সুপারপজিশন: সোডিয়াম কণার 'একই সঙ্গে দুই জায়গায়' থাকার নতুন প্রমাণ ~ কোয়ান্টাম জগতের সবচেয়ে বিস্ময়কর ধার...