এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫

সকাল সাতটার সংবাদ শিরোনাম ০৭/১০/২০২৫

 সকাল সাতটার সংবাদ শিরোনাম ০৭/১০/২০২৫

আজকের সংবাদ শিরোনাম

...................................................


* মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ রক্ষায় অন্তর্বর্তী সরকারের ভূমিকার প্রশংসা করলো বৈশ্বিক মানবাধিকার সংস্থা-এফ আই ডি এইচ

 

* ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের জন্য গণমাধ্যমের সহযোগিতা চাইলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার

 

* জুলাই-আগস্টে সংঘটিত গণহত্যার সঙ্গে জড়িত প্রত্যেককেই বিচারের মুখোমুখি হতে হবে --- বললেন চিফ প্রসিকিউটর

 

* বাংলাদেশ থেকে সৌদি আরবে আরো বেশি কর্মী পাঠানোর জন্য রিয়াদে দু’দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর

 

* বিদেশে পাচারকৃত অর্থ উদ্ধারে ১২টি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তির নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক

 

* দেশে জনগণের প্রত্যাশিত নির্বাচন হবে উল্লেখ করে বিবিসি বাংলাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে দ্রুত দেশে ফেরার কথা জানালেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান

 

* মিশরে হামাস ও ইসরাইলের মধ্যকার গাজা শান্তি আলোচনা অব্যাহত --- প্রথম দফার আলোচনা ইতিবাচকভাবে সম্পন্ন

 

* এবং আজ গুয়াহাটিতে নারী বিশ্বকাপ ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ

শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৫

আপনার কিডনি কি দুর্বল হয়ে পড়ছে?

 🤔 আপনার কিডনি কি দুর্বল হয়ে পড়ছে? ক্রিয়েটিনিন বাড়ছে? শুধু কি পানি কম খাওয়া বা প্রেশারকেই দোষ দিচ্ছেন?


আসল "খলনায়ক" হয়তো আপনার হাই প্রেশার বা ডায়াবেটিস নয়, বরং আপনার পেট (Gut)—যে নীরবে আপনার কিডনির "ফিল্টার" জ্যাম করে দিচ্ছে!


"পেটের সাথে - কিডনি"… এ এক মারাত্মক গোপন চক্র, যা আপনার কিডনির স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যতের আসল নিয়ন্ত্রক! 🚦⚠️


🔺 আপনার কি ক্রিয়েটিনিন লেভেল (Creatinine) বাড়তে শুরু করেছে? eGFR কম?

🔺 সকালে ঘুম থেকে উঠলে কি মুখ, চোখ বা পা ফোলা (Edema) লাগে?

🔺 প্রস্রাবে কি অতিরিক্ত ফেনা (Foamy Urine) হয় বা প্রস্রাবের পরিমাণ কমে গেছে?

🔺 সারাদিন কি অকারণে প্রচন্ত ক্লান্তি, দুর্বলতা ও বমি বমি ভাব লাগে?

🔺 ত্বকে কি প্রায়ই চুলকানি, র‍্যাশ বা শুষ্ক ভাব দেখা দেয়?

🔺 পেটে কি প্রায়ই গ্যাস, কোষ্ঠকাঠিন্য বা হজমের গণ্ডগোল লেগেই থাকে?

🔺 প্রেশার, সুগারের ওষুধ খেয়েও কিডনিকে রক্ষা করতে পারছেন না?

🔺 ডাক্তার বলেছেন কিডনি দুর্বল, কিন্তু মূল কারণটাই ধরতে পারছেন না?


আপনি হয়তো ভাবছেন— "সব দোষ আমার কম পানি খাওয়া, অনিয়ন্ত্রিত প্রেশার আর ডায়াবেটিসের!" 😔


কিন্তু সত্যিটা হলো, এই সবকিছুর চেয়েও বড় একজন খেলোয়াড় আছে, যে আপনার কিডনির ফিল্টার সিস্টেমকে ভেতর থেকে নষ্ট করে দিচ্ছে!


🥺🤔আর সেই মাস্টারমাইন্ড কে জানেন⁉️

Answer হলো: আপনারই অন্ত্র বা Gut—আপনার শরীরের প্রধান "বিষ শোধনাগার" (Detox System) এর মাস্টার কন্ট্রোলার!


🏙️ চলুন, আবার আমাদের "শরীর নামক শহরে" ফিরে যাই!

আগের লেখায় আমরা জেনেছিলাম, অন্ত্র হলো এই শহরের প্রধান গেট।


এবার ভাবুন—

কিডনি হলো এই শহরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও সূক্ষ্ম "সুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট" (Sewerage Treatment Plant) বা "রক্ত শোধনাগার"। এর কাজ হলো শহরের সমস্ত রক্তকে ২৪/৭ ফিল্টার করা, বর্জ্য (Toxin) ছেঁকে বের করা এবং ভালো জিনিসগুলো শরীরে ফেরত পাঠানো।


কিন্তু প্রশ্ন হলো, যদি শহরের প্রধান গেটই (অন্ত্র) ভেঙে যায় এবং শহরে প্রতিদিন টনের পর টন "বিষাক্ত বর্জ্য" (Toxic Waste) ঢুকতে থাকে, তখন কী হবে⁉️


🗺️👉 শহরের এই প্রধান "ফিল্টার প্ল্যান্ট" (কিডনি) কি সেই চাপ নিতে পারবে? নাকি অতিরিক্ত বোঝায় তার ফিল্টারগুলো জ্যাম হয়ে নষ্ট হয়ে যাবে?


💥 Gut–Kidney Axis: পর্দার আড়ালের যুদ্ধ ⚔️

আপনার অন্ত্রে বাস করে কোটি কোটি জীবাণুর এক বিশাল সমাজ—Gut Microbiome।

এই সমাজে যখন ভালো নাগরিক (উপকারী ব্যাকটেরিয়া) বেশি থাকে, তখন শহরে বর্জ্য তৈরি হয় কম, এবং কিডনির ফিল্টারগুলো থাকে একদম পরিষ্কার ও চাপমুক্ত।

কিন্তু যখন দুর্নীতিবাজ সদস্য (খারাপ ব্যাকটেরিয়া) বেড়ে যায়, তখনই শুরু হয় আসল বিপর্যয়!

🔹 খারাপ খাদ্যাভ্যাস (অতিরিক্ত চিনি, প্রসেসড ফুড, প্রাণীজ প্রোটিন), স্ট্রেস বা অ্যান্টিবায়োটিকের কারণে অন্ত্রের ভালো জীবাণুরা মারা যায়।

🔹 এর ফলে অন্ত্রের দেয়ালে ছিদ্র তৈরি হয়, সেই কুখ্যাত "লিকি গাট" (Leaky Gut)।

🔹 এই ভাঙা গেট দিয়ে ক্ষতিকর টক্সিন (বিষ), হজম না হওয়া খাবার ও খারাপ ব্যাকটেরিয়া সরাসরি রক্তে ঢুকে পড়ে!


শুরু হয় সেই “Inflammatory Cascade” বা প্রদাহের বন্যা—

এই বিষাক্ত রক্তের বন্যা সোজা গিয়ে আঘাত হানে আপনার কিডনির সূক্ষ্ম ফিল্টারগুলোতে!


🚨⁉️ Gut নষ্ট হলে কিডনি ফেইলিওর কীভাবে হয়?👇


১️⃣ ইউরেমিক টক্সিনের (Uremic Toxins) আক্রমণ:

খারাপ ব্যাকটেরিয়ারা (Dysbiosis) আপনার খাওয়া প্রোটিন হজম করতে না পেরে তাকে পচিয়ে ফেলে এবং "ইউরেমিক টক্সিন" (যেমন: Indoxyl Sulfate, p-Cresol) নামক মারাত্মক বিষ তৈরি করে। এই বিষ সরাসরি রক্তে মিশে কিডনির ফিল্টারগুলোকে (Nephrons) ক্ষতবিক্ষত করে দেয় এবং কিডনিকে শক্ত করে ফেলে (Fibrosis)।


২️⃣ লিকি গাট (Leaky Gut) ও প্রদাহ:

ভাঙা গেট দিয়ে LPS নামক টক্সিন রক্তে ঢুকে। শরীর এই টক্সিনকে শত্রু ভেবে যে প্রদাহ (Inflammation) তৈরি করে, সেই প্রদাহের আগুনে কিডনির ছাঁকনিগুলো ফুটো হয়ে যায়। ফলাফল—প্রস্রাব দিয়ে প্রোটিন লিক হওয়া (Proteinuria) এবং কিডনির কার্যক্ষমতা নষ্ট হওয়া।


৩️⃣ ভালো ব্যাকটেরিয়ার (SCFA) অভাব:

ভালো ব্যাকটেরিয়ারা ফাইবার খেয়ে "SCFA" (Short-Chain Fatty Acids) নামক যে কেমিক্যাল তৈরি করে, তা কিডনিকে প্রদাহ থেকে রক্ষা করে এবং সুস্থ রাখে। অন্ত্রে ভালো ব্যাকটেরিয়া মরে গেলে কিডনির এই "প্রতিরক্ষা বর্ম" (Protective Shield) আর থাকে না।


🌿✅🧩শহরটাকে এই বিপর্যয় থেকে কীভাবে বাঁচাবেন?

আপনার কিডনি রোগের চিকিৎসা বা প্রতিরোধ শুরু হোক শহরের গেট (Gut) মেরামত দিয়ে!

🧩 ধাপ ১: ভাঙা "গেট" ও "ফিল্টার প্ল্যান্ট" মেরামত করুন 👇

লিকি গাট সারানোর জন্য সেরা "সিমেন্ট" হলো:

-Bone Broth (হাড়ের স্যুপ): কোলাজেন ও গ্লুটামিনে ভরা।

-ওমেগা-৩: (চিয়া সিড, ফ্ল্যাক্স সিড, ছোট মাছ) প্রদাহ কমায়।

-ফার্মেন্টেড খাবার: প্রোবায়োটিকের প্রাকৃতিক উৎস। ইত্যাদি ইত্যাদি।


🧩 ধাপ ২: শহরে "বিষাক্ত বর্জ্য" (Toxic Waste) ঢোকা বন্ধ করুন 👇

🚫 বাদ দিন:

-প্রসেসড চিনি ও মিষ্টি পানীয় (প্রদাহের মূল হোতা)

-প্রসেসড লবণ (প্যাকেটজাত খাবার, চিপস, ফাস্টফুড)

-গ্লুটেন (আটা, ময়দা, পাউরুটি, বিস্কুট)

ট্রান্স ফ্যাট ও সয়াবিন তেল (ভাজাভুজি)

-অতিরিক্ত প্রাণীজ প্রোটিন (যা ইউরেমিক টক্সিন বাড়ায়)। ইত্যাদি ইত্যাদি....


🧩 ধাপ ৩: শহরে "পরিচ্ছন্ন কর্মী"র (Good Bacteria) সংখ্যা বাড়ান 👇

অন্ত্রের ভালো জীবাণু বাড়াতে খান:

-প্রচুর ফাইবার: সব ধরনের রঙিন শাকসবজি (বিশেষ করে কিডনি-বান্ধব লাউ, শসা, পেঁপে)।

-প্রিবায়োটিকস: পেঁয়াজ, রসুন, কাঁচাকলা, ওটস।

-ফার্মেন্টেড ফুড: ঘরে পাতা টক দই, কেফির, পান্তা ভাত, কিমচি।

-স্বাস্থ্যকর ফ্যাট: অলিভ অয়েল, নারকেল তেল, অ্যাভোকাডো। ইত্যাদি ইত্যাদি।


🧩 ধাপ ৪: শহরে শান্তি ও শৃঙ্খলা (Nervous System) ফিরিয়ে আনুন 👇

-মানসিক চাপ কমান: মেডিটেশন, প্রার্থনা, গভীর শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম (Deep Breathing)।

-পর্যাপ্ত ঘুমান: রাতে ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম অপরিহার্য (ঘুমের সময় শরীর সব মেরামত করে)।

-হালকা ব্যায়াম: প্রতিদিন ৩০-৪০ মিনিট হাঁটুন।

-রোদ পোহান: প্রতিদিন ২০-৩০ মিনিট গায়ে রোদ লাগান (ভিটামিন ডি)। ইত্যাদি ইত্যাদি।


🧩 ধাপ ৫: শরীরের বিপদ সংকেত শুনুন👇

যখন অন্ত্র অসুস্থ হয়, শরীর আপনাকে ছোট ছোট সিগন্যাল পাঠায়—

🚩পেটে গ্যাস, হজমের সমস্যা, ক্লান্তি, শরীরে পানি জমা, প্রস্রাবে ফেনা—এগুলো হলো "গাটের SOS (Save Our Souls) অ্যালার্ম" 🚨


💊🚠📣 শুধু ওষুধ দিয়ে ক্রিয়েটিনিন কমানোর চেষ্টা বা ডায়ালাইসিস হলো উপসর্গকে চেপে রাখা। শহরের গেট (অন্ত্র) মেরামত না করে শুধু "ফিল্টার প্ল্যান্ট" (কিডনি)-কে ধোলাই করলে বা মেরামত করার চেষ্টা করলে যেমন মূল সমস্যার সমাধান হয় না, তেমনি অন্ত্রকে সুস্থ না করে কিডনি রোগ থেকে স্থায়ী মুক্তি পাওয়া প্রায় অসম্ভব।


💚 কিডনি রোগ শুধু কিডনির একার রোগ নয়, এটি মূলত অন্ত্রের অসুস্থতা ও বিষাক্ততার (Toxicity) একটি বিপাকীয় প্রকাশ। আপনার অন্ত্র যখন সুস্থ থাকবে, আপনার কিডনির ওপর "বিষের বোঝা" (Toxic Load) কমে যাবে, ফিল্টারগুলো আবার নিশ্বাস ফেলার সুযোগ পাবে।


✅তাই শুরু হোক “Gut First Revolution” যেখান থেকে আপনার কিডনির স্বাস্থ্য, শক্তি ও সার্বিক সুস্থতা ফিরে আসবে।


✨🌿 শেষ কথা

পরেরবার যখন আপনার কিডনি রিপোর্ট বা ক্রিয়েটিনিন লেভেল দেখে টেনশন করবেন, তখন আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজের পেটে হাত রাখুন—

কারণ, সেখানেই লুকিয়ে আছে আপনার সুস্থ কিডনির আসল চাবিকাঠি—আপনার গাট! 👑


আপনার অন্ত্রকে ভালোবাসুন, আপনার কিডনি আপনাকে আজীবন ধন্যবাদ জানাবে! ☘️💚

©

সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৫

বেশি খোচালে,বধীর হবেন

 

বেশি খোচালে,বধীর হবেন


আমরা ভাবি, কটন বাড কান পরিষ্কার করে। কিন্তু বিজ্ঞান বলছে ঠিক এর উল্টোটা! এটি কানের ময়লাকে ঠেলে কানের পর্দার আরও কাছে নিয়ে যায়, যা সাধারণ প্রক্রিয়ায় আর বেরিয়ে আসতে পারে না। ফলাফল? 🫩

১. ময়লা জমতে জমতে কানের ভেতরে শক্ত জট (Impacted Wax) তৈরি হয়, যা আপনার শোনার ক্ষমতা কমিয়ে দেয় এবং কানে তীব্র ব্যথা হতে পারে।

২. কানের ভেতরের ত্বক অত্যন্ত সংবেদনশীল। কটন বাডের সামান্য আঘাতেও সেখানে ঘা হতে পারে। এই ক্ষত থেকে রক্তপাত, চুলকানি এবং মারাত্মক ইনফেকশন (Otitis Externa) হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

৩. অসাবধানতাবশত সামান্য জোরে খোঁচা লাগলেই কানের পর্দা ফেটে যেতে পারে। মারাত্মক ক্ষেত্রে, এটি কানের ভেতরের সূক্ষ্ম হাড়গুলোকে পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, যা আপনাকে সাময়িক বা এমনকি স্থায়ীভাবে বধির করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট!

বিশেষজ্ঞদের মতে, আমাদের কানের ময়লা বা খোল (Earwax) আসলে কানের সুরক্ষা কবচ। এটি বাইরে থেকে ময়লা ও ব্যাকটেরিয়াকে ভেতরে ঢুকতে বাধা দেয়। কান প্রাকৃতিক নিয়মেই নিজে থেকে পরিষ্কার হয়ে যায়, তাই আলাদা করে পরিষ্কার করার কোনো প্রয়োজন নেই।

এরপরও কানে বেশি অস্বস্তি হলে বা কম শুনলে, নিজে চিকিৎসা না করে একজন নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। 🧑‍⚕️😊

#science #life #healthtipsbd #DidYouKnow #ear #earwax #cotton #swab #medical

A K W হাই স্কু লের স্যরের বিদায় অনুষ্ঠানের খরচের হিসাব ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আপনাদের সদয় জ্ঞাতার্থে অনুষ্ঠানের আয় ব্যয়ের হিসাব প্রদর্শন করছি--

এক নজরে:

আদায়: ৯৪৯৫০/=

খরচ: ৭৫২২০/=

উদ্বৃত্ত: ১৯৭৩০/=


আদায়ের পরিমাণ :

১৯৯৩= ৫০০০

১৯৯৬+৯৭= ৯০০০

১৯৯৯= ৪০০০

২০০০= ৪০০০

২০০২= ফারুক-৫০০, নাজমুল-৫০০, ফুরকান-৫০০,রনি-৫০০, উজ্জ্বল-২০০০, মানিক-৫০০, মঞ্জুর-৫০০, মুন্না-৫০০,সনি-৫০০, জমজম-১০০০ = ৭০০০

২০০৩= ৪৫০০

২০০৪= ১০০০০

২০০৬= মারুফ-৫০০, শিমুল-১০০০, সায়মন-৫০০, আনোয়ার-১০০০, পলাশ-১০০০ =৪০০০

২০০৭= ৯০০০

২০০৯= ৫০০০

২০১১= ৪৫০০

২০১৩= ৬০০০

২০১৪= ৩০০০

২০১৮= ৩০০০

২০১৯= ৮০০০

২০২০= ৪০০০

২০২১= ১৫৫০

২০২২= ১৫০০

২০২৪= ১৯০০

সর্বমোট আদায়: ৯৪৯৫০/=


বিস্তারিত খরচের তালিকা:


**উপস্থিত সকলের জন্য নাস্তা বাবদ খরচ:

মিষ্টি =৫১০০ টাকা

ডিম=৫৭০০ টাকা

কলা=২৩০০ টাকা

কেক=৩৫০০ টাকা

সমোছা=২৩৫০ টাকা

প্যাকেট=১৫০০ টাকা

আপেল=৩৮০ টাকা

মাল্টা=৩৫০ টাকা

আঙ্গুর =২৪০ টাকা

খেজুর=২১০ টাকা

পানি=৩০০ টাকা

গাডার= ৬০ টাকা

লবন=২০ টাকা

ভ্যান ভাড়া=৩৭০ টাকা

ডিম সিদ্ধ খরচ=২০০ টাকা

তেল=১৩০ টাকা

মোট: ২২৭১০ টাকা


*স্যারদের জন্য ফুল ১১৮০/-

স্যারদের দুপুরের খাবার ২১০০/-

মোটঃ ৩২৮০/-


উপহার সামগ্রী:

• পাঞ্জাবি+পাজামা - ৪৩৫০+৯৯০= ৫৩৪০৳

• শাড়ি- ৩৩৫০৳

• ক্রেস্ট- ১০,২০০৳

• শাল - ১০,৫০০৳

• খাবার - ৩০০৳

• সিএনজি ভাড়া- ৩৪০৳

• অটো ভাড়া- ২০+৩০০= ৩২০

• বাস ভাড়া- ৬০০৳

মোট : ৩০,৯৫০৳


ডেকরেটর : ১৬০০০ (সাউন্ড, জেনারেটর, ত্রিপল)সহ

ভ্যান ভাড়া: ২০০+২০+২০=২৪০

নাস্তা ডেকরেটর শ্রমিকদের: ২০০

ব্যানার : ৬০০

জেনারেটর তেল: ২৫০

পানি+ টিস্যু: ১১০

সাংবাদিক: ৫০০

বিকাশ ক্যাশ আউট চার্জ: ৩৮০

মোট: ১৮২৮০


সর্বমোট খরচ : ৭৫২২০/=


বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৫

বিলম্ব ফল খাওয়ার ৫০টি উপকারিতা 🍃

 

বিলম্ব ফল খাওয়ার ৫০টি উপকারিতা 🍃



1. হজমশক্তি বৃদ্ধি করে।


2. কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।


3. ডায়রিয়া ও আমাশয় কমায়।


4. পেটের গ্যাস দূর করে।


5. অ্যাসিডিটি কমায়।


6. ক্ষুধা বাড়ায়।


7. লিভার সুস্থ রাখে।


8. রক্ত পরিষ্কার করে।


9. ত্বক সতেজ করে।


10. ব্রণ কমায়।


11. শরীরের টক্সিন দূর করে।


12. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।


13. গরমে শরীর ঠাণ্ডা রাখে।


14. শ্বাসকষ্ট কমায়।


15. হাঁপানির সমস্যা হালকা করে।


16. সর্দি-কাশি উপশম করে।


17. গলা ব্যথায় আরাম দেয়।


18. জ্বরের পর শরীরের দুর্বলতা কাটায়।


19. রক্তশূন্যতা কমায়।


20. রক্ত সঞ্চালন ভালো করে।


21. উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।


22. ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে সহায়ক।


23. শরীরের প্রদাহ কমায়।


24. ব্যথা উপশমে সহায়ক।


25. মস্তিষ্ক সক্রিয় রাখে।


26. মানসিক চাপ কমায়।


27. ঘুম ভালো আনে।


28. পেটের কৃমি নাশ করে।


29. মুখের দুর্গন্ধ দূর করে।


30. দাঁত ও মাড়ি মজবুত করে।


31. চোখের দৃষ্টি ভালো রাখে।


32. কিডনি সুস্থ রাখে।


33. মূত্রনালী পরিষ্কার রাখে।


34. প্রস্রাবের জ্বালা কমায়।


35. শরীরে শক্তি যোগায়।


36. ক্লান্তি কমায়।


37. গরমজনিত মাথাব্যথা কমায়।


38. শরীর সতেজ রাখে।


39. অতিরিক্ত তৃষ্ণা কমায়।


40. পাকস্থলী ঠাণ্ডা রাখে।


41. খাদ্য হজমে এনজাইম তৈরি করে।


42. অতিরিক্ত মেদ কমাতে সাহায্য করে।


43. গলা শুকনো ভাব কমায়।


44. ত্বকে উজ্জ্বলতা আনে।


45. চুল পড়া কমাতে সহায়ক।


46. ত্বকের চুলকানি কমায়।


47. বমিভাব কমায়।


48. অতিরিক্ত খাওয়ার পর অস্বস্তি দূর করে।


49. আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত।


50. সামগ্রিকভাবে দেহ ও মনের সতেজতা বজায় রাখে।


👉 সাধারণত বিলম্ব ফল কাঁচা ও পাকা উভয় অবস্থায় খাওয়া যায়।
পাকা ফল সরাসরি খাওয়া যায় বা রস করে পান করা যায়।
শুকনো ফল আমাশয়, ডায়রিয়া বা হজমের সমস্যায় ভেষজ ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

বুধবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৫

নবজাতক শিশুর ৫০টি সমস্যা ও হোমিও ঔষধ~

 🎍👉 👶 নবজাতক শিশুর ৫০টি সমস্যা ও হোমিও ঔষধ~

নবজাতক (Newborn baby) শিশুর সাধারণ ৫০টি লক্ষণ বা সমস্যা ও সেগুলোর জন্য উপযুক্ত হোমিওপ্যাথিক ঔষধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেওয়া হলো—


ক্র. সমস্যা / লক্ষণ হোমিও ঔষধ সংক্ষিপ্ত বিবরণ


1 জন্মের পর দুর্বলতা China officinalis অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ বা দুর্বলতায় ব্যবহৃত।

2 স্তন্যপান না করা Aethusa cynapium দুধ খাওয়ার পর বমি হয়, দুধ সহ্য হয় না।

3 বমি বমি ভাব Ipecacuanha ক্রমাগত বমি, জিহ্বা পরিষ্কার থাকে।

4 পেট ফাঁপা Carbo vegetabilis হজমে সমস্যা, গ্যাস ও ফুলে যায়।

5 কোষ্ঠকাঠিন্য Nux vomica কঠিন পায়খানা, জোর করলে কষ্ট হয়।

6 পাতলা পায়খানা Chamomilla দাঁতের সময় বা কান্নার পর ডায়রিয়া।

7 পায়খানায় শ্লেষ্মা Mercurius solubilis দুর্গন্ধযুক্ত, রক্ত-শ্লেষ্মাযুক্ত পায়খানা।

8 নাভি দিয়ে পানি বা রক্ত Calendula officinalis ক্ষত শুকাতে সাহায্য করে, অ্যান্টিসেপটিক।

9 ত্বকে র‍্যাশ Sulphur চুলকানি, লাল দাগ, গরমে বাড়ে।

10 চোখে পুঁজ Euphrasia officinalis চোখে পানি, জ্বালাপোড়া, আলোতে অসহ্যতা।

11 নাক বন্ধ Sambucus nigra নাক বন্ধে ঘুমের সময় শ্বাসকষ্ট।

12 শ্বাসকষ্ট Antimonium tartaricum কফ জমে, বুক ভারী, শ্বাসে সাঁ সাঁ শব্দ।

13 ঠান্ডা লাগা Aconitum napellus হঠাৎ ঠান্ডা লাগলে জ্বরসহ।

14 কাশি Spongia tosta শুকনো কাশি, যেন করাতের মতো আওয়াজ।

15 ঘাম বেশি হওয়া Calcarea carbonica মাথা ঘামায়, বিশেষ করে ঘুমের সময়।

16 ঘুম না হওয়া Coffea cruda বেশি উত্তেজনা, ঘুম আসে না।

17 চিৎ হয়ে ঘুমালে কষ্ট Lycopodium clavatum পেট ফাঁপা, চিৎ হয়ে ঘুমাতে পারে না।

18 কান্না বন্ধ না হওয়া Chamomilla অবিরাম কান্না, কোলে নিলে চুপ।

19 দাঁত ওঠার জ্বর Belladonna হঠাৎ জ্বর, মুখ লাল, চোখ চকচক।

20 দাঁতের ব্যথা Calcarea phosphorica দাঁত উঠতে দেরি, ব্যথা ও দুর্বলতা।

21 নাভি ফুলে ওঠা Lycopodium নাভি উঁচু হয়ে ফুলে যায়, গ্যাসে।

22 বুক ধড়ফড় Arsenicum album দুর্বলতা ও উৎকণ্ঠাসহ।

23 জন্ডিস (Skin হলুদ) Chelidonium majus ত্বক হলুদ, প্রস্রাব গাঢ়।

24 প্রস্রাবে জ্বালা Cantharis প্রস্রাবের সময় কান্না, জ্বালা।

25 প্রস্রাব কম Apis mellifica ফোলা, প্রস্রাব কম, মুখ ফুলে যায়।

26 পেট মোচড়ানো Colocynthis পেট ব্যথায় কুঁকড়ে যায়।

27 পেট ব্যথায় চিত্কার Chamomilla ব্যথায় কান্না, কোলে নিলে শান্ত হয়।

28 বুক জ্বালা Iris versicolor দুধ উঠলে জ্বালা, বমি।

29 নাভির চারপাশে ব্যথা Podophyllum পাতলা পায়খানায় ব্যথা।

30 মাথায় খুশকি Graphites ত্বক শুষ্ক, খোসা ওঠে।

31 ত্বক শুকনো Petroleum চামড়া ফেটে যায়।

32 ফুসকুড়ি Rhus toxicodendron পানি ভর্তি দানা, চুলকায়।

33 বুকের দুধ হজম না হওয়া Aethusa cynapium দুধ খেলেই বমি হয়।

34 ঘাড় শক্ত হওয়া Gelsemium ঘাড় শক্ত, জ্বর বা ঠান্ডার পর।

35 ঠোঁট শুকনো Bryonia alba জ্বরের সময় তৃষ্ণা বাড়ে।

36 জ্বর Ferrum phosphoricum হালকা জ্বরের শুরুতে।

37 হঠাৎ জ্বর Aconitum napellus ঠান্ডা বা ভয় পেলে।

38 কান ব্যথা Pulsatilla কান ফুলে, দুধ খেতে চায় না।

39 মুখে ঘা Borax মুখে সাদা ঘা, দুধ খেতে কষ্ট।

40 জিহ্বা সাদা Mercurius sol. মুখে দুর্গন্ধসহ সাদা আবরণ।

41 ঘাড়ে ঘাম Calcarea carb. মাথা ও ঘাড়ে ঘাম বেশি।

42 ঘুমে কেঁপে ওঠা Cicuta virosa হঠাৎ খিঁচুনি বা চমক।

43 খিঁচুনি Cuprum metallicum খিঁচুনি, চোখ উল্টে যায়।

44 ত্বকে ফুসকুড়ি Sulphur গরমে বাড়ে, চুলকায়।

45 ওজন না বাড়া Calcarea phosphorica হজম দুর্বল, ওজন বাড়ে না।

46 চুল পড়া Fluoric acid জন্মের পর চুল পড়ে।

47 দুধের প্রতি অরুচি Aethusa cynapium দুধ খেলেই বমি।

48 পা ঠান্ডা Silicea ঠান্ডা পা, দুর্বলতা।

49 অতিরিক্ত ঘুম Opium গভীর ঘুম, জাগানো কঠিন।

50 কান্না ছাড়াই নিস্তেজ Camphora শরীর ঠান্ডা, শ্বাস ধীর, বিপজ্জনক অবস্থা।


---


⚕️ ব্যবহার নির্দেশনা:


শিশুর বয়স অনুযায়ী 6X, 12X, 30C পোটেন্সি ব্যবহার হয়।


১–২ ফোঁটা মিষ্টি দুধে মিশিয়ে দিনে ১–২ বার দেওয়া যেতে পারে।


সবসময় ডাক্তারের পরামর্শে দিন।


🤷‍♂️🌷সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পেতে হলে জানতে হবে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ সেবন করা উচিৎ নয়।🩺Dr.Md.Forhad Hossain 

D.H.M.S(B.H.B),DHAKA

Pdt(Hom)

Consultant:Homoeopathic  Medicine 

Helpline:01955507911

হৃদযন্ত্র থাকবে সুপারফিট!

 **সকাল সকাল খালি পেটে এক কোয়া কাঁচা রসুন চিবিয়ে খাওয়ার কথা তো অনেকেই শুনেছেন। বিশ্বজুড়ে সাম্প্রতিক গবেষণাগুলো কী বলছে? **চলুন, আজ জেনে নেওয়া যাক প্রতিদিন এক কোয়া রসুন আপনার স্বাস্থ্যের জন্য কী কী অসাধারণ পরিবর্তন আনতে পারে! 


**হৃদযন্ত্র থাকবে সুপারফিট! **


গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত রসুন খেলে রক্তচাপ এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে।এটি রক্তনালীর ভেতর প্লাক জমতে বাধা দেয়, ফলে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক থাকে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে রসুন টোটাল এবং LDL (খারাপ) কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।


**রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হবে দ্বিগুণ! **


রসুনকে বলা হয় প্রাকৃতিক অ্যান্টিবায়োটিক। এর মধ্যে থাকা অ্যালিসিন নামক যৌগ অ্যান্টি-ভাইরাল, অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ফাঙ্গাল হিসেবে কাজ করে। প্রতিদিন মাত্র এক কোয়া রসুন খেলে আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এতটাই শক্তিশালী হতে পারে যে সাধারণ সর্দি-কাশির মতো সংক্রমণগুলো দূরে থাকবে।


**ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে **


কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, রসুন খালি পেটে রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে এবং ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে, যা ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য বেশ উপকারী হতে পারে।


**ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে পারে **


অবাক হচ্ছেন? বেশ কিছু গবেষণায় রসুন এবং এর পরিবারের (পেঁয়াজ, লিকস) সবজি নিয়মিত খাওয়ার সাথে কোলন, পাকস্থলী, ফুসফুস এবং লিভার ক্যান্সারের ঝুঁকি কমার একটি সম্পর্ক পাওয়া গেছে।


**শরীরকে ভেতর থেকে পরিষ্কার রাখে (ডিটক্স) **


রসুনে থাকা সালফার যৌগ শরীর থেকে ভারী ধাতু এবং অন্যান্য টক্সিন বের করে দিতে সাহায্য করে।এটি লিভারের স্বাস্থ্য ভালো রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।


**হজমশক্তি বাড়ায় এবং অন্ত্রকে সুস্থ রাখে **


নিয়মিত কাঁচা রসুন খেলে হজম সহায়ক এনজাইমের উৎপাদন বাড়ে এবং অন্ত্রে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। এর ফলে হজমের সমস্যা যেমন গ্যাস, বদহজম ইত্যাদি কমে আসে।


**মস্তিষ্কের জন্যও উপকারী **


কিছু গবেষণায় ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে যে রসুনের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান স্মৃতিশক্তি বাড়াতে এবং বয়সজনিত কারণে হওয়া মস্তিষ্কের রোগ (যেমন অ্যালঝাইমার) থেকে সুরক্ষা দিতে পারে।


**কেন কাঁচা রসুন চিবিয়ে খাবেন?**


রসুনের সবচেয়ে উপকারী যৌগটির নাম অ্যালিসিন। রসুন কাটলে বা চিবানো হলেই এই যৌগটি তৈরি হয়। রান্না করলে এর গুণ অনেকটাই নষ্ট হয়ে যায়। তাই সেরা উপকার পেতে হলে প্রতিদিন ১-২ কোয়া কাঁচা রসুন চিবিয়ে খাওয়াই উত্তম।


**SOURCE- webmd**


**আপনি চাইলে আমি আপনার জন্য একেবারে ব্যক্তিগতভাবে তৈরি করে দিতে পারি —**


### একটি পরিমিত ও কার্যকর ডায়েট প্ল্যান

### ম্যাক্রো নিউট্রিয়েন্ট পার্সেন্টেজ (কার্ব, প্রোটিন, ফ্যাট) অনুযায়ী খাবার পরিকল্পনা

### ঘরে বসেই বা বাইরে করবার মতো সহজ ওয়ার্কআউট রুটিন

### রেস্ট ও রিকভারি গাইড, যেন শরীর ফিরে পায় পূর্ণ কর্মক্ষমতা

### প্রয়োজনীয় সাপ্লিমেন্ট সাজেশন এবং হাইড্রেশন প্ল্যান

🌿 বিষবৃক্ষ থেকে মহৌষধ: রহস্যময় #কোনিয়াম_ম্যাকুলেটাম 🌟

 🌿 বিষবৃক্ষ থেকে মহৌষধ: রহস্যময় #কোনিয়াম_ম্যাকুলেটাম 🌟


​প্রাচীন গ্রীসের দার্শনিক সক্রেটিসকে যে বিষ পান করানো হয়েছিল, সেই বিষাক্ত #পয়জন_হেমলক (Poison Hemlock) থেকেই তৈরি হয় আমাদের আজকের হোমিওপ্যাথিক মহৌষধ কোনিয়াম ম্যাকুলেটাম। হোমিওপ্যাথিক নীতিতে এই মারাত্মক বিষই বিশেষ প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে মানুষের আরোগ্যের কারণ হয়ে ওঠে।

​🧬 উৎস ও প্রুভারের কথা

​উৎস: এটি হলো একটি অত্যন্ত বিষাক্ত গুল্ম, যার বোটানিক্যাল নাম Conium Maculatum (অ্যাম্বেলিফেরী পরিবারভুক্ত)। গাছের কাণ্ডে বেগুনী রঙের ছোপ বা 'ম্যাকুলেশন' থাকার কারণে এর নাম 'ম্যাকুলেটাম'। এর প্রধান বিষাক্ত উপাদান হল 'কনিইন' (Coniine) নামক এক প্রকার অ্যালকালয়েড।

​প্রুভার (Prover): হোমিওপ্যাথির জনক ডাঃ স্যামুয়েল হ্যানিম্যান নিজেই এটি প্রুভ (পরীক্ষা) করেছিলেন এবং এর গভীর ক্রিয়া ও লক্ষণাবলী লিপিবদ্ধ করেন। এই প্রুভিং-এর মাধ্যমেই এর আরোগ্যকারী ক্ষমতা উন্মোচিত হয়।

​🤔 মানসিক লক্ষণ: 

একাকীত্ব ও দুর্বলতা

​কোনিয়াম এর রোগীর মন যেন এক ঘন কুয়াশায় ঢাকা।

​ভীষণ একাকীত্ব: লোকজনের সাথে মিশতে অনীহা, কিন্তু একলা থাকলে ভয় পায়।

​মানসিক দুর্বলতা: মানসিক পরিশ্রম করার ক্ষমতা কমে যায়, পড়া বা কাজকর্মে মনোযোগের অভাব।

​যৌন দমন (Sexual Suppression): বিশেষত অবিবাহিত, বিধবা বা সন্ন্যাসী জীবনের পর দীর্ঘদিন যৌন দমন বা বিরত থাকার কারণে নানাবিধ স্নায়বিক ও শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়।


​🚶‍♀️ চারিত্রিক লক্ষণ: 

ঊর্ধ্বমুখী পক্ষাঘাতের যাত্রা

​কোনিয়াম-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য হল পক্ষাঘাত (Paralysis) বা দুর্বলতার প্রক্রিয়া যা নিচের দিক থেকে (পা থেকে) ধীরে ধীরে উপরের দিকে উঠতে থাকে।

​ভার্টিগো (মাথা ঘোরা): শুয়ে থাকার সময় বা বিছানায় পাশ ফিরলে তীব্র মাথা ঘোরা। এটি এই ঔষধের একটি প্রধান নির্দেশক লক্ষণ।

​গ্রন্থির কাঠিন্য (Glandular Induration): শরীরের বিভিন্ন গ্রন্থি, বিশেষত স্তন, অণ্ডকোষ বা লসিকা গ্রন্থি শক্ত হয়ে যাওয়া, যা প্রায়শই ক্যান্সার বা টিউমারের পূর্বাবস্থা নির্দেশ করে।

​পেশীর দুর্বলতা: সামান্য পরিশ্রমে অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়া, যা বিশ্রামেও সহজে কাটে না।

​শুকনো কাশি: রাতে শোবার পর বা সামান্য কিছু বলার চেষ্টা করলে শুকনো কাশি দেখা দেওয়া।

​🩺 বিভিন্ন রোগের ক্ষেত্রে ব্যবহার

​স্তনরোগ: স্তনে টিউমার বা শক্ত লাম্প (Hard Lumps), যা আঘাত বা প্রদাহের পর দেখা দিয়েছে। সাধারণত, মাসিক শুরু হওয়ার আগে স্তনে ব্যথা ও ফোলা বাড়ে।

​প্রোস্টেট বৃদ্ধি: বয়স্ক পুরুষদের প্রোস্টেট গ্রন্থি বড় হয়ে যাওয়া এবং প্রস্রাব করতে কষ্ট হওয়া।

​ভার্টিগো (Vertigo): মাথা ঘোরা, বিশেষত বিছানায় পাশ ফিরলে বা মাথা ঘোরালে।

​চোখের রোগ: ফটোফোবিয়া (আলো অসহ্য), চোখ থেকে তীব্র জল পড়া।

​⬇️ হ্রাস (Amelioration) ও ⬆️ বৃদ্ধি (Aggravation)

​রোগীর কষ্ট বা লক্ষণ কখন বাড়ে বা কমে, তা এই ঔষধ নির্বাচনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ:

প্রকার অবস্থা

হ্রাস (Amelioration) ধীরে ধীরে হাঁটলে বা নড়াচড়া করলে।

বৃদ্ধি (Aggravation) বিশ্রাম, শুয়ে থাকা, বিছানায় পাশ ফেরা, মানসিক বা যৌন দমন, ঠাণ্ডা বাতাস, অতিরিক্ত পরিশ্রম এবং রাত্রে।


📣 উপসংহার

​কোনিয়াম ম্যাকুলেটাম এমন একটি গভীর ক্রিয়াকারী ঔষধ যা শরীরের গ্রন্থি, স্নায়ুতন্ত্র এবং পেশী সমূহের ওপর বিশেষ কাজ করে। পক্ষাঘাতের নিম্নগামী প্রকৃতি (পা থেকে উপরের দিকে), গ্রন্থির কাঠিন্য এবং মাথা ঘোরার স্বতন্ত্রতা এই ঔষধকে অন্যান্য ঔষধ থেকে আলাদা করে।

​⚠️ বিশেষ দ্রষ্টব্য: এটি অত্যন্ত গভীর ও শক্তিশালী ঔষধ। একজন অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত এই ঔষধ সেবন করা উচিত নয়।


​#হোমিওপ্যাথি #ConiumMaculatum #কোনিয়াম #ভার্টিগো #স্তনরোগ #সক্রেটিস #গভীরক্রিয়া #হোমিওপরামর্শ #স্বাস্থ্যসচেতনতা #PoisonHemlock

মঙ্গলবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৫

শ্বেতী রোগের কর্যকরি কিছু হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ★*

 *★*★*★#শ্বেতী রোগের কর্যকরি কিছু হোমিওপ্যাথিক ঔষধ ★*★*★

শ্বেতী বা ধবল (  #Vitiligo /#leucoderma)  রোগ কী? 


শ্বেতী ত্বকের একটি রোগ। 


আমাদের ত্বকের মধ্যে মেলানোসাইট কোষে থাকে মেলানিন, যা ত্বকের স্বাভাবিক রঙে ( pigment)  র ভারসাম্য রক্ষা করে। মেলানিনের ক্রিয়াকলাপে বাধা সৃষ্টি হলে বা ভারসাম্য নষ্ট হলে দেখা দেয় শ্বেতী। অথাৎ শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার গোলযোগের জন্য

রক্তে এক ধরনের শ্বেত কণিকা টি-লিম্ফোসাইট বেড়ে যায়, এরাই মেলানোসাইট কোষ কে ধ্বংস  করে। 


মেলানিন শরীরে কী কাজ করে?


আপনার চুল, ত্বক এবং চোখের রঙ নির্ধারণে মেলানিন একটি বড় ভূমিকা পালন করে। আপনার জিনগুলি, আপনার পিতামাতার কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত, আপনি কতটা মেলানিন তৈরি করেন তা মূলত নির্ধারণ করে; ফর্সা (হালকা বর্ণের) ত্বকের লোকের চেয়ে কালো ত্বকের লোকেরা বেশি মেলানিন পান।


মেলানোজেনেসিস নামে পরিচিত বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে দেহ মেলানিন তৈরি করে।


বর্তমানে সারা বিশ্বে প্রায় ১০ কোটি মানুষ শ্বেতীতে আক্রান্ত। প্রয়াত শিল্পী মাইকেল জ্যাকসনও এই রোগে আক্রান্ত ছিলেন। তাই প্রতি বছর ২৬ জুন তাঁর প্রয়াণ দিবসে বিশ্বজুড়ে পালিত হয় ‘ওয়ার্ল্ড ভিটিলিগো ডে’ বা বিশ্ব শ্বেতী দিবস হিসেবে।


সাধারণত মুখমণ্ডল, কনুই, বুকের ত্বক প্রথমে আক্রান্ত হতে শুরু করে। কখনো কখনো শ্বেতী চোখের পাশ দিয়ে, নাকের দুই পাশে বা ঠোঁটের কোণ বা ওপরের ত্বকেও শুরু হয়। কারও কারও ক্ষেত্রে শ্বেতী খুব একটা ছড়ায় না, একটা বিশেষ জায়গাতেই সীমাবদ্ধ থাকে। আবার কারও এমনভাবে মুখে, বুকে, হাতে, পায়ে ছড়িয়ে পড়ে যে বোঝাই যায় না একসময় শরীরের রং  কী ছিল।       

 

সাধারণত  দেখা যায় ১০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে প্রথম শুরু হয়,আবার মহিলাদের  মেনোপজের সময়ও দেখা দিতে পারে। 


এই রোগ কেন হয় ঃ-


একটাই উত্তর অটো ইমিউন ডিজঅর্ডার। 


এখন প্রশ্ন অটোইমিউন ডিজঅর্ডার কি


 যেখানে একজন লোকের ইমিউন সিস্টেম ভুলবশত তার শরীরকে আক্রমণ করে। আরো সহজ ভাবে বললে, বাইরের কোনো ব্যাকটেরিয়া বা জীবাণুর প্রভাব ছাড়াই রোগ সৃষ্টি হয় কারণ শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা কোনো সুস্থ কোষকে ক্ষতিকর মনে করে তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।


সাধারণত ইমিউন সিস্টেম ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাসের মতো জীবাণু থেকে আমাদেরকে সুরক্ষা দেয়- যখন ইমিউন সিস্টেম বুঝতে পারে যে শরীরে আক্রমণকারী প্রবেশ করেছে, তখন এটি এসব শত্রুকে আক্রমণ করতে অ্যান্টিবডি নিঃসরণ করে। সাধারণত ইমিউন সিস্টেম শত্রু কোষ ও সুস্থ কোষের মধ্যে পার্থক্য নিরূপণ করতে পারে।


কিন্তু অটোইমিউন রোগের ক্ষেত্রে ইমিউন সিস্টেম শরীরের কোনো অংশকে শত্রু ভেবে ভুল করে এবং অটোঅ্যান্টিবডি নামক প্রোটিন নিঃসরণের মাধ্যমে সুস্থ কোষকে আক্রমণ করে।


ইমিউন সিস্টেম সেনাবাহিনীর মতো


ইমিউন সিস্টেম অ্যান্টিবডি নিঃসরণ করে রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব থেকে আমাদেরকে সুরক্ষিত রাখে। অ্যান্টিবডি হলো রক্তের প্রোটিন যা  আক্রমণকারীকে নিষ্ক্রিয় করে। এটিকে বলা হয় ইমিউন রেসপন্স। সুস্থ কোষের ওপর এ আক্রমণ শরীরের যেকোনো স্থানে হতে পারে । শ্বেতির ক্ষেত্রে ত্বকের মেলানোসাইট কোষ নিস্ক্রিয় হয়ে গিয়ে মেলানিন তৈরি হতে  বাধা সৃষ্টি করে। তাই ত্বকের স্বাভাবিক রঙ  ( pigment) না হয়ে সাদা দেখায়। 


অটো ইমিউন ডিজঅর্ডার কেন হয়? 


আধুনিক বিশ্বে যে আহার করি তা অধিকাংশ কেমিক্যাল যুক্ত এমনকি  বহুল প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতি র ঔষধগুলো কেমিক্যাল দিয়ে তৈরি।      পরিবেশ দূষণকারী পদার্থের সংস্পর্শে আসা,  জীবন শৈলী সঠিক ভাবে পালন না করা।


শ্বেতি র ক্ষেত্রে দেখা যায় প্লাস্টিকের জুতো পড়ার জন্য, কোমরে জোড়ে বেল্ট বা দড়ি বাঁধার জন্য বা কেটে যাওয়ার জায়গা বা পুড়ে যাওয়ার বা কেমিক্যাল যুক্ত সিঁদুর পড়া, গলা ও হাতে খারাপ রাসায়নিকের দিয়ে গহনা পড়ার জায়গায় মেলামিন তৈরি হচ্ছে না। এগুলো থেকে বিরত থাকলে  কোন ঔষধ ছাড়াই ঠিক হয়ে যায়। এটা   করে শরীরের ইমিউন সিস্টেম।  আবার দেখা যায় বিছিন্ন ভাবে কয়েকটি জায়গায় হলো কিন্তু  আর বাড়ছে না, আবার কিছু লোকের ক্ষেত্রে ত্বকের দুই একটি জায়গায় প্রথমে দেখা দিয়ে আস্তে আস্তে সমস্ত  শরীরের ছরিয়ে পরলো।

এর কারন ইমিউন সিস্টেম ঠিক ঠাক কাজ করছে না। 


 প্রথমে ইমিউন সিস্টেম কে ঠিক করতে হবে। 


*★*★*★হোমিওপ্যাথিক ঔষধ সমন্ধে বলার আগে করনীয় পরামর্শ ঃ-★*★*


১).আপনার আহারে পরিবর্তন করতে হবে মাছ,মাংস, ডিম সহ দুধ বা দুধের তৈরি  কোন খাবার বন্ধ করতে হবে। যেমন টক দই,ছানা বা পনির।  যে সব্জিতে আপনার এলার্জেন আছে তা বন্ধ করতে হবে। এলার্জেন মানে, যে সব্জিতে আপনার এলার্জি হয়, তা বন্ধ করবেন। 


২). প্রচুর পরিমানে সতেজ শাকসব্জী,  পাকা ফল খেতে হবে। 


৩). কোন রকম সংরক্ষণ করা  খাবার বা কেমিক্যাল যুক্ত খাবার আহার করা উচিত নয়।


৪). খাবার সময় এবং ঘুমানোর সময় নির্দিষ্ট করতে হবে। 


৫). প্রতিদিন ১২ ঘন্টা উপবাস ( Firsting) দরকার 


৬) মাসে এক বার পূর্ণ দিবস উপবাস দরকার যাতে।যাতে শরীর নিজের শরীর কে মেরামত করতে পারে। 


৭).শ্বেতি রোগীরা কখনও কোন সবান, পেট্রোলিয়াম জেলি, কসমেটিক ব্যবহার করবেন না, প্রয়োজনে নিম পাতা জলে ফুটিয়ে, জলের মিশিয়ে স্থান করুন।


৮) টমেটো সহ কোন টক জাতীয় ফল বা টক কোন খাবার খাবেন না। 


৯).মানসিক কোন উৎকন্ঠা রাখবেন না


১০). নিজেকে নিজে বেশি বেশি করে ভালোবাসতে হবে।নিজেকে গর্বিত মনে করুন,এটা কোন সংক্রমণ রোগ নয়।একজন থেকে আরেক জনের আক্রান্ত হবে।


১১). পানীয়জল ১২ ঘন্টা কোন তাপার পাত্রে রেখে সারাদিন জল পান করবেন। 


১২).যে খাবার গুলো প্রতি দিন খাদ্য তালিকায় রাখবেন ঃ-

 ক). ৫০ গ্রাম ছোলা ( চানা বা বুট) আগের দিন রাতে ভিজিয়ে রেখে পরের দিন খাবেন। অঙ্কুরত হলে আরো ভালো। 


খ). ৫-৬ কাঠ বাদাম ( Almond)  খাবেন। 


গ). ৫-৬ মিষ্টিকুমড়ার বিচি,তা কাচা বা অল্প ভেজে খাবেন।


ঘ). পাকা পেঁপে ২০০ গ্রামের মতো খাবেন, বা জুস করেও খেতে পারেন।  অথবা কাঁচা লাউের ২০০ গ্রাম জুস খেতে পারেন। 


১৩). শ্বেতি একটি চর্মরোগ। আর চর্ম,  শরীরের সবচেয়ে বড় অঙ্গ। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় দেখা যায়, শরীরের ২০ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত  আক্রান্ত রোগীরা সম্পুর্ণ ভাবে এই রোগ থেকে মুক্তি পেয়ে থেকে। সারা জীবনের আর আক্রান্ত হয় না।


★ARS SUL.FLAV 3X ★

শ্বেতি রোগের নির্ভরযোগ্য ঔষধ। মায়াজাম ভিত্তিক বা উপসর্গ ভিত্তিক ঔষধের সাথে  এই ঔষধ চলবে।প্রথমে 3X দিয়ে শুরু করুন, তারপর ক্রমবর্ধমান ঔষধের শক্তি বৃদ্ধি করুন। 3X - 6X-  30CH 200CH-  1M পযন্ত শক্তি বাড়াতে পারেন। 


নিন্মলিখিত ঔষধ গুলো মধ্যে যে কোন একটি ঔষধ নির্বাচিত করুন।


১).CAUSTICUM 200


যে সমস্ত রোগীর চোখের পাতায়, নাকের ডগায়, হাতের আঙুলে ও নখের ধারে শ্বেতি দেখা দেয়, এরা খুব ভীতু এবং সামান্য কারণে উদ্বিগ্ন হয়। এই সকল রোগীদের ভালো কাজ করে। 


২).ACID. NITRIC 200


যে সকল রোগীদের মিউকাস মেমব্রেন এবং চর্ম্মের সন্ধিস্থলে ( যেমন, ঠোঁটের কোনে, নাকের কোনে বা গুহ্যদ্বারে) শ্বেতি দেখা যায় তাদের খুব ভালো কাজ করে।


৩).SEPIA 200


এই ঔষধটি মহিলাদের জন্য বেশি ব্যবহার হয়। শ্বেতির জন্যেও ব্যবহার করা হয়। যে সকল মহিলারা মেনোপজ হওয়ার সময় শ্বেতি রোগে আক্রান্ত হয়,তাদের ক্ষেত্রে ভালো কাজ করে। তবে শ্বেতি রোগের সাথে মহিলাদের  জরায়ু কোন রোগ থাকলে এই ঔষধ খুব ভালো কাজ করে। 


৪).THUJA  OC 1M


শ্বেতি রোগীর বংশের কারো শ্বেতি রোগ থাকার ইতিহাস থাকলে, মাসে এক বার এই ঔষধ অবশ্যই প্রয়োগ করবেন 


৫).PIPER MENTH 200


শরীরের কোন একটা নির্দিষ্ট স্থানে Skin র  উপরে মাছের আঁশের মতো আঁশ উঠে জায়গাটি সাদা হয়ে,অনেক ক্ষেত্রে আপনাআপনি সেরে যায়, কিছু ক্ষেত্রে না সেরে শ্বেতিতে রুপান্তর হয়, সে ক্ষেত্রে এই ঔষধ বিশেষ উপকারী।


৬).CINA 200


শ্বেতি রোগে এই ঔষধ বিশেষ ভুমিকা রাখে।   পিনওয়ার্ম বা গুড়ো  কৃমি শরীরের পুষ্টিহীনতা জন্য  ভীষণভাবে দায়ী। কৃমি শরীরের পুষ্টি উপাদান শোষণ করে শরীরকে দুর্বল করে দেয়। একইসাথে কৃমি শরীরের রক্ত শোষণ করে শরীরে রক্তস্বল্পতা তৈরি করে। এবং  অটো ইমিউন ডিজঅর্ডার হয়। এই অটো ইমিউন ডিজঅর্ডারের জন্য কিছু ক্ষেত্রে ত্বকে শ্বেতি দেখা যায়, সে ক্ষেত্রে সিনা খুব কর্যকরি ঔষধ, তবে কিছু বিশেষ লক্ষ্মণ লক্ষ্য করতে হবে। ১) সিনা রুগীর জিহ্বা সব সময় পরিস্কার থাকবে।( তা যে রোগ হোক'না কেন।) ২) রুগী রাগী,বয়নাদার ও আবদারে। ৩).রুগী সর্বদা  নাক খোঁটে বা নাক ঘোসে।


৭). FILIX MAS 200


এই ঔষধ শ্বেতি রোগের জন্য অনেক সময় ব্যবহার হয়।

ফিতাকৃমির অ্যালারজেনগুলি ছড়িয়ে পরার ফলে রোগীর শরীরে অ্যালার্জি ও ফুসকুড়ির প্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে।সে থেকে অনেক সময় শ্বেতি রোগ দেখা যায়। যদি দেখা রোগীর ফিতা(  TAPE - WORM )  কৃমির ইতিহাস আছে, তা'হলে এই হোমিওপ্যাথিক  ঔষধ খুবই কর্যকরি


৮).CUPRUM MET 200


সরাসরি শ্বেতির ঔষধ নয়। তবে শরীরে যে সকল খনিজ পদার্থ থাকে তার মধ্যে তামা ( COPPER) একটি বিশেষ ভুমিকা রাখে। আর এই তামা পরিপাক -যন্ত্র, লিভার, কিডনি, সেরিব্রো-স্প্যাইন্যাল সিষ্টেম, নিউমোগ্যাাস্টিক-নার্ভ ও রক্তসঞ্চালকারী যন্ত্রে উপরে কাজ করে। অতএব যে রুগী দীর্ঘ দিন পেটের গন্ডগোলে আক্রান্ত, কিছুতেই পেটের গন্ডগোল থেকে ভালো থাকে না, এবং তারা শ্বেতি রোগে আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের জন্য একটি কর্যকরি ঔষধ।


এছাড়াও আরো  গুরুত্বপূর্ন হোমিওপ্যাথিক ঔষধ আছে।


★*★বাহ্য প্রয়োগ  ( External Use) ★*★


PSORALIA COR   Q   (Mother tincture) 


Oil buchi


JASMINE IOL ( জু্ঁই ফুল তেল) বা ALMOND OIL ( কাঠ বাদাম তেল ) 

 সূর্যের আলো লাগাতে হবে Oil buchi লাগিয়ে।


 ১ঃ৩ মিশিয়ে আক্রান্ত স্থানে লাগাতে হবে।  দিনে দুই বার।এবং  ঔষধ লাগানোর পর আধ ঘন্টা সূর্যরশ্মিতে থাকতে হবে।


★*★★*বিশেষ কথা জেনে রাখা ভালো। ★* ★★*         


শরীর কে রোগ মুক্ত করতে প্রতিদিন আহারে ৫০% খাবার ফল এবং স্যালাদ খান অথাৎ কাঁচা পাকা ফল কাঁচা সব্জি খান এতে শরীরে পটাসিয়াম ও সোডিয়াম পরিমাণের সমতা বজায় রাখে। পটাসিয়াম ও সোডিয়াম ১ঃ১ থাকলে কোন রোগ আক্রান্ত হওয়া র  সম্ভাবনা কম থাকে । হলেও autophagy মাধ্যমে শরীর তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়।


--ডা: সুব্রত সেনগুপ্ত


#বিঃদ্রঃ এই চিকিৎসা সময় সাপেক্ষ তাই একজন ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে থেকে চিকিৎসা নিন।

কম্পিউটার মাউসের সিক্রেট ২০ টি  ট্রিক্স দেওয়া হল !!

 কম্পিউটার মাউসের সিক্রেট ২০ টি  ট্রিক্স দেওয়া হল !!


1. মিডল-ক্লিক = লিংক নতুন ট্যাবে খুলে

ব্রাউজারে লিঙ্কের উপর মাঝের বাটন (স্ক্রল-হুইল চাপা) করলে নতুন ট্যাবে খুলে যায়।


2. মিডল-ক্লিক ট্যাব বন্ধ করে

ট্যাবের নামের উপর মাঝের ক্লিক করলে ঐ ট্যাব বন্ধ হয়ে যায়।


3. অটো-স্ক্রল (autoscroll)

মাঝের ক্লিক করে পেজে ক্লিক করলে মাউস নিয়ে উপরে/নীচে একটু সরালে পেজ স্বয়ং চলতে থাকে — দীর্ঘ পেজ পড়ার জন্য দ্রুত।


4. Ctrl + স্ক্রল = জুম ইন/আউট

ব্রাউজার/দোকুমেন্টে চোখে বোঝা জন্য দ্রুত জুম করতে দেয়।


5. Shift + স্ক্রল = হরাইজন্টাল স্ক্রল

অনেক অ্যাপ (এক্সেল, ব্রাউজার)-এ উল্লম্ব স্ক্রলকে অনুভূমিক স্ক্রলে রূপান্তর করে।


6. ডাবল-ক্লিক স্পিড সামঞ্জস্য করো

উইন্ডোজ/ম্যাক-এ ডাবল-ক্লিক স্পিড কমালে সিলেকশন/ফাইল ওপেন ভুল কমে যায় (Control Panel → Mouse)।


7. ট্রিপল-ক্লিক = পুরো প্যারাগ্রাফ সিলেক্ট

অনেক এডিটরে এটা কাজ করে — দ্রুত প্যারাগ্রাফ সিলেক্ট করতে দারুণ।


8. ClickLock চালু করো (Windows)

ক্লিক ধরে রেখে না রেখে একবার ক্লিক করে ড্র্যাগ লক করতে পারো — বড় ফাইল বা উইন্ডো ড্র্যাগে উপকারি।


9. মাউস-কীস (Mouse Keys) ব্যবহার করো

ন্যুমপ্যাড দিয়ে মাউস-কার্সর চালাতে দেয় — যদি মাউস নষ্ট বা অস্থায়ীভাবে দরকার হয়।


10. সাইড বাটন = ব্যাক / ফরওয়ার্ড

ব্রাউজার বা ফাইল এক্সপ্লোরারে এক ক্লিকে ফিরে/আগায় যাও — সময় বাঁচে।


11. DPI বোতাম দিয়ে মুহূর্তে সেন্সিটিভিটি বদলাও

গেমিং বা গ্রাফিক্স কাজের সময় দ্রুত চাহিদা অনুযায়ী DPI বাড়াও/কমানো যায়।


12. মাউস সফটওয়্যার দিয়ে বাটন রিম্যাপ করো

রেগুলার কাজের জন্য কোনো বাটনকে কপি-পেস্ট, স্ক্রীনশট, বা কাস্টম ম্যাক্রো সেট করে নাও।


13. ম্যাক্রো বানাও — রেপিটেটিভ কাজ অটোমেট

কপি-পেস্ট, ফর্ম ভরাই— এক বাটনে কমান্ড চালাও (সাপোর্টেড মাউসেই)।


14. “Enhance pointer precision” অফ করো (গেমিং)

গেমে স্থিতিশীল মাউস-মুভমেন্ট চাইলে উইন্ডোজের এ অপশন অফ করা ভালো।


15. সারফেস টিউনিং / ক্যালিব্রেশন

লজিটেক/রেজারের সফটওয়্যার দিয়ে টেবিল সুরাইলে ট্র্যাকিং উন্নত হয় — সঠিক পারফরমেন্স পাবে।


16. লিফ-অফ-ডিস্ট্যান্স (LOD) সেটিং জানো

গেমিং মাউসে লিফ-অফ দূরত্ব ছোট করলে লিফট-এ কার্সর না সরে — প্রিসিশন বাড়ে।


17. লিনাক্সে মাঝের-ক্লিক পেস্ট

X11 সিস্টেমে টেক্সট সিলেক্ট করে মাঝের-ক্লিক করলে সিলেক্ট করা মালটি পেস্ট হয়ে যায় — দ্রুত!


18. স্ক্রল-হুইলে ট্যাব/উইন্ডো পরিবর্তন

অনেক ব্রাউজার/ইউটিলিটিতে কার্সর ট্যাবের ওপর রেখে স্ক্রল করলে ট্যাব-সুইচ করা যায়।


19. ভালো মাউসপ্যাড + পরিষ্কার সেন্সর = অনেক উন্নতি

মাউসপ্যাড টাইপ (গেমিং ক্লক/ক্লাসিক) এবং সেন্সর পরিষ্কার করলে ট্র্যাকিং মসৃণ হয়।


20. মাল্টি-ডিভাইস/ব্লুটুথ মাউস → ডিভাইস দ্রুত স্যুইচ

অনেক মডেলে ডিভাইস স্যুইচ বাটন আছে — ল্যাপটপ/ট্যাব/ডেস্কটপ বদলাতে এক ক্লিক।


চলো একটা ছোট টিপস–হ্যাক দেয়া যাক:

“বাটন রিম্যাপ + ম্যাক্রো” করে বাড়তি পারফরম্যান্স পেতে পারো — যেমন: এক বাটনে আংশিক টেক্সট কপি করে অন্য ফরম্যাটে পেস্ট করানো (ফ্রিকোয়েন্ট রিপিটেটিভ কাজ খুব দ্রুত)।

কশাইদের প্রতারণার শিকার ভোক্তাগণ,,,,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 আমাদের দেশে মাংসের দোকানগুলোতে গেলে দেখবেন কসাই মাংস কাটছে আর সেই মাংস থরথর করে নড়ছে। সাধারণ ক্রেতারা মনে করে, মাংস নড়ছে মানেই এটা একদম টাট...