এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর, ২০২৫

সকাল ৭টার সংবাদ তারিখ : ০৯-১১-২০২৫

 সকাল ৭টার সংবাদ

তারিখ : ০৯-১১-২০২৫


আজকের সংবাদ শিরোনাম

...................................................


* আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে দেশে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ  --- বললেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব


* দেশ অস্থিতিশীল হলে পরাজিত, ফ্যাসিবাদী অপশক্তির পুনর্বাসনের পথ সুগম হতে পারে --- দলের নেতাকর্মীদের সতর্ক করলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান


* পাবনার নগরবাড়িতে দেশের সর্ববৃহৎ ও আধুনিক নদী বন্দর টার্মিনাল কমপ্লেক্সের উদ্বোধন

 

* দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর রাজধানীতে যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হলো ছয় লেনের টিটিপাড়া আন্ডারপাস


* ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা ও সমাজের সচেতন ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান স্বাস্থ্য উপদেষ্টার


* ইউক্রেনের বিভিন্ন জ্বালানি ও আবাসিক স্থাপনায় সর্বশেষ রুশ হামলায় নিহত অন্তত 


* এবং আজ রাজশাহীতে পঞ্চম ও শেষ একদিনের ক্রিকেট ম্যাচে আফগানিস্তান অনূর্ধ্ব-১৯ দলের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল

বুধবার, ১২ নভেম্বর, ২০২৫

যদি আপনি “প্রি-ডায়াবেটিক” রুগী হয়ে থাকে_ তাহলে এখনই 

 

🩺 যদি আপনি “প্রি-ডায়াবেটিক” রুগী হয়ে থাকে_ তাহলে এখনই 👇

১️. তরল ক্যালোরি সম্পূর্ণ বন্ধ করো -
চিনি মেশানো পানীয় (সফট ড্রিংক, জুস ইত্যাদি) তোমার রক্তে গ্লুকোজ দ্রুত বাড়ায়।
শুধু পানি, ব্ল্যাক কফি আর চিনি ছাড়া চা পান করো।

২. প্রতিবার খাবারের পর ১০–১৫ মিনিট হাঁটো-


খাবারের পর অল্প হাঁটলে রক্তে চিনি ৩০–৪০% পর্যন্ত কমে।
তোমার পেশি তখন রক্ত থেকে চিনি টেনে নেয়— ফলে কোষের ক্ষতি কমে।

৩️. প্রতিটি খাবারে পর্যাপ্ত প্রোটিন রাখো (কমপক্ষে ৪০ গ্রাম)
প্রোটিন রক্তে গ্লুকোজ ধীরে শোষিত হতে সাহায্য করে এবং দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে।
এতে রক্তে শর্করার ওঠানামা কমে ও ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ে।

৪️. সপ্তাহে অন্তত ৩ দিন ওজন তোলার ব্যায়াম করো (এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ)
তোমার শরীরে যত বেশি মাংসপেশি থাকবে, শরীর তত ভালোভাবে কার্বোহাইড্রেট সামলাতে পারবে।
স্কোয়াট, ডেডলিফট, প্রেস, রো— এসব বড় মুভমেন্টে ফোকাস দাও।

৫️. শুধু গ্লুকোজ নয়, ফাস্টিং ইনসুলিন টেস্ট করাও
বেশিরভাগ ডাক্তার শুধু ফাস্টিং গ্লুকোজ আর A1C দেখেন।
কিন্তু ফাস্টিং ইনসুলিন দেখায় তোমার অগ্ন্যাশয় কতটা পরিশ্রম করছে।
যদি মান ৫–৭ µIU/mL এর বেশি হয়, তাহলে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স শুরু হয়ে গেছে—even যদি গ্লুকোজ “নরমাল” দেখায়।

৬️. ঘুমানোর কমপক্ষে ৩ ঘণ্টা আগে খাওয়া বন্ধ করো
রাতে খেলে ইনসুলিন উচ্চ থাকে, শরীর তখন ফ্যাট বার্ন করতে পারে না— বরং জমায়।

👉 প্রি-ডায়াবেটিস কোনো চূড়ান্ত রায় নয়— এটা একটি সতর্কবার্তা।
সঠিক পদক্ষেপ নিলে একে পুরোপুরি উল্টে দেওয়া সম্ভব। ঔষধ পরিচিতি ও ব্যবহার #কালেক্টেড

কয়েকটি ঔষধের খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রেসক্রাইবিং সিমপটমস______

 কয়েকটি ঔষধের খুবই গুরুত্বপূর্ণ প্রেসক্রাইবিং সিমপটমস______


 ★ এলুমিনা --- 

কোষ্ঠবদ্ধতা, শরীরের শুষ্কতা, আলু সহ্য হয় না, কাঠ কয়লা,মাটি, চক, ইত্যাদি  আজেবাজে জিনিস খেতে ভালোবাসে,  শরীরের এখানে ওখানে শুষ্ক চুলকানি। 


★ এ্যান্টিম ক্রুড----

 জিভের উপরে সাদা পুরু কোটিং, ভুরিভোজন বা অতিরিক্ত খাওয়ার পরে পেটের গোলমাল, ক্ষুধার অভাব , বমি  বা বমি বমি ভাব,  টক খাওয়ার ইচ্ছা,  তৃষ্ণাহীনতা, 


 ★ আর্সেনিক এ্যালবা ---

 ফুড পয়জনিং হয়েছে, পাতলা দূর্গন্ধ পায়খানা হচ্ছে , সাথে বমি, প্রবল পিপাসা,  কিন্তু ক্ষণে ক্ষণে অল্প পরিমাণে জল খায়, জল পান করার পরেই আবার বমি হয়, খাদ্য দ্রব্যের গন্ধ সহ্য করতে পারে না, পেটের মধ্যে জ্বালা, রোগের প্রকোপ যত বেশী, দুর্বলতা তার থেকে অনেক গুন বেশী, 


★ ইউপেটোরিয়াম পার্ফ --

 জ্বর প্রত্যহ সকাল সাতটা বা  আটটার মধ্যে আসে, সারা শরীরে বিশেষ করে হাড়ের মধ্যে অসহ্য যন্ত্রণা --- মনে হয় যেন হাড় ভেঙে গেছে, বাম দিকে চেপে শুতে পারে না,  পিত্ত বা তিতা বমি, 


★ ইপিকাক ---

 বমি হচ্ছে না বেশি, কিন্তু ক্রমাগত বমির ভাব চলছে,  জিভ পরিষ্কার ,জল পিপাসা নেই, 


★আর্নিকা মন্টেনা ---

 মাংসপেশীতে  আঘাত জনিত ব্যথা, ব্যথার জায়গা অত্যন্ত স্পর্শকাতর,  রক্ত জমে কালশিটে হয়ে আছে, যে বিছানায় শুয়ে থাকে সেই  বিছানা খুব শক্ত বলে মনে হচ্ছে, 


 ★ আর্জেন্টাম নাইট্রিকাম----

  ক্রমাগত হেউ হেউ করে জোরে জোরে  ঢেকুর তোলে ,   চিনি বা মিষ্টি খেতে ভালবাসে,  উদারাময় বা ডায়েরিয়ায় ভোগে, কোথাও কোন এনগেজমেন্টে যাওয়ার আগে পায়খানা পায়, শরীরের আক্রান্ত স্থানে কাঁটা ফুটে আছে এরকম অনুভূতি হয়, 


★ আয়োডাম ---

শরীর দিন দিন শুকিয়ে যাচ্ছে, অত্যন্ত গরমকাতরতা, ক্ষুধা মোটেই সহ্য করতে পারে না--- ক্ষুধার সময় না খেতে পারলে বিভিন্ন রকম অসুবিধা হয় বা  রোগ লক্ষন,  রোগ যন্ত্রণা বৃদ্ধি পায়, শরীরর গ্লান্ড ফুলে উঠে--- বিশেষ করে থাইরয়েড গ্ল্যান্ড বা ম্যামারি গ্লান্ড, 


★ ব্যাপ্টিসিয়া -----

জ্বর কিছুতেই কমছে না---  টাইফয়েডের  দিকে যাচ্ছে,  ভীষণ দূর্বলতা, শরীরের সকল  স্রাব ভীষণ  দূর্গন্ধ, শ্বাস-প্রশ্বাসেও ভীষন দূর্গন্ধ,   পায়খানা, প্রস্রাব ঘাম,  সবকিছুই ভীষন দূর্গন্ধ,  মুখের মধ্যে ঘা হচ্ছে,  কুকুরের মতো  বেঁকে শুয়ে থাকতে চায়, জিভের মাঝখানটা সাদা, পাশগুলি লাল, 


★  বেলেডোনা ------

হঠাৎ অনেক জ্বর এসেছে, মাথা ভীষন ব্যাথা করছে, পেটও ভীষণ ব্যথা করছে, ব্যথার চরিত্র দপদপানি, ব্যথার জায়গাটা অত্যন্ত লাল ও গরম, ব্যথার  সাথে  জ্বালা, ভীষন স্পর্শকাতরতা,  ব্যথা হঠাৎ আসছে এবং হঠাৎ যাচ্ছে, 


★বোরাক্স ------

 নিম্নগতিতে ভীষণ ভয় ও আতঙ্ক, বাচ্চাদের আদর করে দুহাত দিয়ে উপরে তুলে নামানোর সময়, বা   নাগরদোলায় বসলে  উপর থেকে নাগরদোলা নীচে নামার সময় খুবই ভয় পায়,  অত্যন্ত ভীর , সামান্য শব্দেও চমকে উঠে, মুখে সাদা ফাংগাসের মতন ঘা হচ্ছে,  চুলগুলো গায়ে গায়ে জড়িয়ে যাচছে, 


★ বার্বেরাস ভালগারিস

 কিডনি রিজিয়নে, অর্থাৎ পেটে  কিডনির  জায়গায় ব্যথা, বিশেষ করে বাম দিকে কিডনির জায়গায় ব্যথা,  যেখানে ব্যথা হচ্ছে সেখান থেকে ব্যথা  চারিদিকে  অনেকদূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ছে,  পেটের ভিতরে বিশেষ করে ব্যথার জায়গায় বুজবুজ  করার মতন অনুভূতি, প্রস্রাব ক্লিয়ার হচ্ছে না বা অল্প অল্প করে বার হচ্ছে, 


★ ব্রাইওনিয়া এ্যালবা ----

যে কোন রোগে রোগী যদি  চুপচাপ শুয়ে থাকে,  সামান্য নড়াচড়াও করতে চায় না-- কারণ সামান্য নড়াচড়ায়ও তার সব রোগ যন্ত্রনা বৃদ্ধি হয়, শরীরের সমস্ত মিউকাস মেমব্রেনের শুষ্কতা ---মুখ শুকিয়ে যায়,  ঠোঁট শুকিয়ে যায়, কোষ্ঠকাঠিন্যতা, প্রবল জলপিপাসা, কিনতু অনেকটা করে জল অনেকক্ষন পরপর খায়। আক্রান্ত স্থান বা বেদনাযুক্ত স্থান জোরে চেপে ধরলে উপশম  হয়,  জিভ শুকনো এবং সাদা কোটেড, শরীরের ডান দিকে রোগ আক্রমণ বেশি, 


★ ক্যালকেরিয়া কার্ব ----

দেহের স্থূলতা, ঘাম বেশি--- বিশেষ করে  মাথায়,  সহজে সর্দি কাশি লাগে, হাত পা ঠান্ডা থাকে,  ডিম খেতে ভালোবাসে, লবন খেতে চায়, 


★ ক্যালকেরিয়া ফস ----

প্রায়ই ডায়েরিয়া বা উদরাময়ে ভোগে,  রিকেটি  চেহারা,  পায়খানা করার সময় পেটের মধ্যে হড়হড়  ঘড়ঘড় শব্দ হয়, খেতে বসলেই পেটব্যথা আরম্ভ হয়,  স্কুলে যাওয়া মেয়েদের স্কুল থেকে ফেরার সময় মাথা ব্যথা করে, মাসিকের সময় মুখে ব্রণ বের হয় , মাংস খেতে ভালবাসে, 


★ কলচিকাম -----

খাদ্য দ্রব্যে অভক্তি বা  বিরক্তি ,  বা  খাদ্যদ্রব্যের গন্ধ মোটেই সহ্য করতে পারে না---বমি বমি ভাব আসে,  পেটের মধ্যে অতিরিক্ত বায়ু জমে, প্রস্রাব কমে যায়,ন ঘাম বেশী, 


★ ককুলাস -------

গাড়ীতে  চড়লে বমির  ভাব হয়,  মাথা ঘোরে,  তার সাথে যদি অনিদ্রাজনিত কোনরকম  অসুস্থতা হয়,  মাসিকের সময় মহিলারা যদি  খুবই দুর্বল হয়ে পড়ে, 


★ কোনিয়াম------

অত্যন্ত দুর্বল,  অত্যন্ত শীতকাতরতা,  শুলেই মাথা ঘোরে, ঘুমিয়ে পড়লে সারা শরীরে ঘাম হয়,  প্রস্রাব সহজে নির্গত হতে চায় না ---থেমে থেমে হয়,  ধাতুদৌর্বল্য ---- সামান্যতেই প্রস্টেটিক ডিসচার্জ হয়, অনেক বয়স হয়েছে কিন্তুু বিয়ে করেনি, 


★কলোসিন্থ-------

পেট ব্যাথা  সামনের দিকে ঝুঁকে খুব জোরে  চেপে ধরলে কমে এবং  কিছু খাওয়ার পরেই বাড়ে , বমি বমি ভাব বা বমি হতে পারে,


 ★ চেলিডোনিয়াম ------

ডান দিকের স্কাপুলা হাড়ের নীচে ব্যথা,   মাথা ব্যাথা বা অন্য যে কোন ব্যথা  শরীরের ডান দিকেই বেশী দেখা দেয়,   জিভের উপরে মোটা হলুদ বর্ণের লেপ,  ডান দিকের পা ঠান্ডা,  ভীষণ স্পর্শকাতরতা এবং নড়াচড়ায়  সব রোগের বৃদ্ধি হয়, মাথা ব্যথার সময় ডান দিকের চোখ দিয়ে জল পড়ে,দেখলে,


★ সিমিসিফিউগা -------

যত বেশি মাসিক স্রাব হয় তত বেশি পেটে ব্যথা হয়,  ব্যথা পেটে আড়া-অাড়ি ভাবে হয়--- মানে বাম দিক থেকে ডান দিক বা ডান দিক থেকে বাম দিকে হয়, স্রাব  অত্যন্ত বেশী এবং চাপ চাপ হয়, 


 ★ সিনা ------

 ক্ষুধা অত্যন্ত বেশি, বলা যেতে পারে রাক্ষুসে ক্ষুধা,  পেটের উপর চাপ দিয়ে শুতে চায় , রাত্রে দাঁত কড়মড় করে,  মুখে সবসময় জল উঠে,  চোখের চারিদিকে কালো ছাপ,  নাভির চারিদিকে ব্যথা।

সোমবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৫

নাসার অপারচিউনিটি মার্স রোভারটি তৈরি হয়েছিল 

 নাসার অপারচিউনিটি মার্স রোভারটি তৈরি হয়েছিল মাত্র ৯০ দিনের জন্য, কিন্তু এটি টিকে ছিল পুরো ১৫ বছর। 

রোভারটি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে তথ্যের সঙ্কেত পাঠিয়ে গিয়েছিল, সরাসরি শব্দ নয়। কিন্তু বিজ্ঞান সাংবাদিক জ্যাকব মার্গোলিস-এর মতে, নাসার বিজ্ঞানীরা বলেন অপারচিউনিটির পাঠানো শেষ বার্তাটি কার্যত এমন কিছু ছিল: "আমার ব্যাটারি কম আর চারপাশটা অন্ধকার হয়ে আসছে।"


এই সৌরশক্তিচালিত রোভারটি শেষ পর্যন্ত এক দুর্দান্ত ধূলিঝড়ের কবলে পড়ে আর বেঁচে থাকতে পারেনি।


ফ্লাইট কন্ট্রোলাররা বহুবার যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন এবং মঙ্গলবার রাতে এক শেষবারের মতো কিছু রিকভারি কমান্ড পাঠানো হয়। সেই সঙ্গে বাজানো হয় একটি শেষ ‘ওয়েক-আপ’ গান — বিলি হলিডের "I'll Be Seeing You" — যা অনেক টিম সদস্যকে আবেগে কাঁদিয়ে তোলে। মহাকাশ থেকে কোনো উত্তর আসেনি, কেবল নীরবতা।


নাসার বিজ্ঞান মিশনের প্রধান থমাস জারবুচেন ক্যালিফোর্নিয়ার পাসাডেনার জেট প্রপালশন ল্যাবরেটরিতে এক ধরনের ‘অন্তিম শ্রদ্ধা অনুষ্ঠান’-এ "আমাদের প্রিয় অপারচিউনিটি"-এর মৃত্যুর খবর আনুষ্ঠানিকভাবে জানান।


প্রজেক্ট ম্যানেজার জন ক্যালাস বলেন, “এটা একটা কঠিন দিন। এটা একটা যন্ত্র হলেও, বিদায় জানানো খুব বেদনাদায়ক। কিন্তু আমাদের সেটা করতেই হতো।”


নাসা প্রতিদিন বিভিন্ন গান বাজিয়ে অপারচিউনিটিকে জাগানোর চেষ্টা করেছিল। শুধু বিলি হলিডে না, আরও অনেক গান বাজানো হয়েছিল।


নাসা "Opportunity, Wake Up!" নামে এক প্লেলিস্ট প্রকাশ করে স্পোটিফাইতে, যাতে ছিল—


"Wake Me Up Before You Go-Go" – Wham!


"Here Comes the Sun" – The Beatles


"Life On Mars?" – David Bowie


"Telephone Line" – Electric Light Orchestra


"I Will Survive" – Gloria Gaynor


"I Won’t Back Down" – Tom Petty


অপারচিউনিটি তখন মঙ্গলের পারসিভিয়ারেন্স ভ্যালি এক্সপ্লোর করছিল, ঠিক সেই সময়েই কয়েক দশকের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ধূলিঝড় আঘাত হানে এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ঝড় এতই প্রবল ছিল যে আকাশ মাসের পর মাস অন্ধকারে ঢেকে যায়, সূর্যালোক পৌঁছাতে পারেনি রোভারটির সোলার প্যানেলে।


যখন আকাশ পরিষ্কার হয়, অপারচিউনিটি তখনও নিশ্চুপ। বিজ্ঞানীরা ধারণা করেন, রোভারটির অভ্যন্তরীণ ঘড়ি এতটাই এলোমেলো হয়ে পড়েছিল যে সে আর বুঝতে পারছিল না কখন ঘুমাতে হবে বা কখন সিগনাল পেতে জাগতে হবে। তারা ১০০০-র বেশি রিকভারি কমান্ড পাঠিয়েছিলেন, কিন্তু কিছুই কাজে আসেনি।


সংগৃহীত ♥️

কীভাবে বুঝবেন মামলাটি কোন পর্যায়ে আছে,,,,,,,,,,,, আইনি পরামর্শ ও সেবাদান কেন্দ্র ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 কীভাবে বুঝবেন মামলাটি কোন পর্যায়ে আছে


👉 একটি মামলা সাধারণত ৬টি মূল পর্যায়ে (ধাপে) চলে, শুরু থেকে রায় বা নিষ্পত্তি পর্যন্ত। নিচে ধাপগুলো এবং সাধারণ মানুষ কীভাবে বুঝতে পারেন মামলাটি এখন কোন পর্যায়ে আছে, তা সহজ ভাষায় বোঝানো হলো:


---


🔴 ১. মামলা দায়ের বা রেজিস্ট্রেশন (Institution/ Filing)


কি হয়: বাদী (যে মামলা করে) আদালতে অভিযোগপত্র বা আবেদন জমা দেন।

📌 কিভাবে বুঝবেন: কোর্ট থেকে একটি মামলা নম্বর (Case Number) পাওয়া যাবে। এটি মানে মামলাটি গৃহীত হয়েছে।


---


🟠 ২. সমন ইস্যু ও জবাব (Summons and Written Statement)


কি হয়: প্রতিপক্ষকে আদালতে হাজির হতে বলা হয় (সমন পাঠানো হয়)। তারা উত্তর দেয় লিখিত আকারে (Written Statement)।

📌 কিভাবে বুঝবেন: আদালত থেকে বিবাদীপক্ষকে ডাক পাঠানো হয়েছে কিনা বা তারা উত্তর জমা দিয়েছে কিনা তা কোর্টে খোঁজ নিয়ে বা মামলার তারিখে দেখে বোঝা যায়।


---


🟡 ৩. ফ্রেমিং অব ইস্যু (Framing of Issues)


কি হয়: আদালত মামলার মূল প্রশ্ন বা বিতর্ক ঠিক করে দেয় — কিসের উপর সিদ্ধান্ত দিতে হবে।

📌 কিভাবে বুঝবেন: কোর্ট অর্ডারে লেখা থাকে “Issue is framed” বা “Issue settled”।


---


🟢 ৪. গবেষণা ও সাক্ষ্য গ্রহণ (Evidence and Hearing)


কি হয়: দুই পক্ষ সাক্ষ্য দেয়, প্রমাণ দেয়। উকিলেরা জেরা করে। আদালত সব শোনে।

📌 কিভাবে বুঝবেন: আদালতে সাক্ষীরা হাজির হয়, নোটে লেখা থাকবে “PW” (Prosecution Witness), “DW” (Defence Witness) ইত্যাদি।


---


🔵 ৫. আর্গুমেন্ট বা যুক্তিতর্ক (Argument)


কি হয়: উভয় পক্ষের উকিলরা যুক্তি উপস্থাপন করে – কে ঠিক আর কে ভুল তা বোঝানোর চেষ্টা করে।

📌 কিভাবে বুঝবেন: কোর্টের অর্ডারে লেখা থাকবে “Argument heard” বা “Fix for Argument”।


---


⚫ ৬. রায় / আদেশ (Judgment or Order)


কি হয়: বিচারক সিদ্ধান্ত দেন কে সঠিক এবং কে ভুল, এবং আদেশ দেন কী হবে।

📌 কিভাবে বুঝবেন: কোর্ট অর্ডারে লেখা থাকবে “Judgment delivered” বা “Fix for Judgment”।


---


✅ একজন সাধারণ মানুষ মামলার অবস্থান কীভাবে বুঝবে?


➤ ১. কোর্টের অর্ডার শিট দেখলে বোঝা যায়

যেমন:


"Summons issued" → ২য় ধাপে


"PW 1 examined" → সাক্ষ্য ধাপে


"Fix for argument" → যুক্তি ধাপে


"Judgment delivered" → রায় ধাপে


➤ ২. আইনজীবীর মাধ্যমে জানা যায়

→ আপনার উকিল কোর্টের পরবর্তী তারিখ ও কাজ সম্পর্কে জানাতে পারেন।


➤ ৩. অনলাইনে (ডিজিটাল কোর্ট হলে)

→ MyCourt App বা জুডিশিয়ারি ওয়েবসাইট থেকেও কেস ট্র্যাকিং করা যায়।


---


📌 আপনি চাইলে এই ধাপগুলো ইনফো-গ্রাফিক পোস্টার বা PDF গাইড আকারে সাজিয়ে দিতে পারি—যাতে সাধারণ মানুষ একনজরে বুঝতে পারে। বললেই বানিয়ে দিচ্ছি।

রবিবার, ৯ নভেম্বর, ২০২৫

৯০ বছর পর্যন্ত কিডনি ভালোরাখে এই নিয়ম পালন করতে,,,,

 ৯০ বছর পর্যন্ত কিডনি ভালো রাখতে শুধু এই কাজটি করুন।

আজ আমি আপনাকে এমন একটি এক্সপার্ট-ব্যাকড অভ্যাস বোঝাবো, যা নিয়মিত করলে কিডনিকে দীর্ঘদিন সুস্থ রাখা বাস্তবে সম্ভব।

এই একটি কাজ হলো পানি পানের বৈজ্ঞানিক রুটিন তৈরি করা এবং সেটি প্রতিদিন মেনে চলা।

শুধু বেশি পানি নয়, আপনার ওজন, খাবার, আবহাওয়া ও শারীরিক পরিশ্রম অনুযায়ী সঠিক পরিমাণ এবং সঠিক সময়ে পানি।

কারণ কিডনির প্রধান কাজই হচ্ছে রক্ত থেকে বর্জ্য ছেঁকে প্রস্রাবের মাধ্যমে বের করে দেওয়া।

যখন পানি কম থাকে, রক্ত ঘন হয় এবং ছাঁকনির ওপর চাপ বাড়ে।

এর ফলে বর্জ্য ও ইউরিক এসিড জমা হতে থাকে এবং ক্রিস্টাল তৈরি করে পাথরের ঝুঁকি বাড়ায়।

যখন পানি ঠিকভাবে পান করা হয়, কিডনির টিউবিউল দিয়ে প্রস্রাব স্বাভাবিক গতিতে প্রবাহিত থাকে।

এতে বর্জ্য, লবণ এবং টক্সিন জমে থাকা কঠিন হয়।

প্রস্রাবের প্রবাহ ভালো থাকলে ব্যাকটেরিয়া জমে সংক্রমণ করার সুযোগও কমে যায়।

অনেকে ভাবে দিনে ৮ গ্লাস পানি সবার জন্য যথেষ্ট, কিন্তু বাস্তবে এটি ব্যক্তিভেদে আলাদা।

আপনি কতটা পানি খাবেন তা বোঝার সহজ উপায় হলো আপনার প্রস্রাবের রং পর্যবেক্ষণ করা।

হালকা খড়ের রঙ হলে বুঝবেন শরীর ঠিকভাবে হাইড্রেটেড।

গাঢ় হলুদ হলে বুঝবেন পানি বাড়াতে হবে।

সাদা স্বচ্ছ প্রস্রাব সারাদিন ধরে থাকাও ভালো নয়, কারণ সেটি অতিরিক্ত পানি পানের ইঙ্গিত হতে পারে।

প্রতিদিন লক্ষ্য রাখবেন আপনি ১.৫ থেকে ২ লিটার প্রস্রাব উৎপাদন করছেন কি না।

এটি নিশ্চিত করার জন্য বেশিরভাগ প্রাপ্তবয়স্কের ২.০ থেকে ২.৭ লিটার মোট ফ্লুইড লাগে, গরম ও ঘামে বেশি হলে আরও লাগতে পারে।

ওজন বেশি, কাজের চাপ বেশি, রোদে কাজ বা ব্যায়াম করলে আপনার প্রয়োজন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি।

শিশু, বৃদ্ধ, গর্ভবতী বা স্তন্যদায়ী মায়েদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয়তা আলাদা হয়, চিকিৎসকের পরামর্শ জরুরি।

সকাল ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে আধা লিটার কুসুম গরম পানি দিয়ে দিন শুরু করুন।

এরপর দুপুরের আগে আরও ২ বার ২৫০ মিলি করে পানি নিন।

দুপুরের খাবারের ৩০ মিনিট আগে ২০০ মিলি পানি নিন, খাওয়ার সময় অতিরিক্ত পানি নয়।

খাবারের ৩০ থেকে 45 মিনিট পরে আরেক গ্লাস পানি নেবেন।

বিকেলে কাজের মাঝে ২ বার ২০০ থেকে ২৫০ মিলি করে পানি নেবেন।

রাতে ঘুমানোর ১ থেকে ১.৫ ঘণ্টা আগে ২০০ মিলি পানি নিলে ভালো, তবে রাতভর বাথরুমে যেতে হয় এমন হলে কমান।

এই রুটিন কিডনিকে ফ্লাশ করে এবং রক্তচাপ স্থিতিশীল রাখতে সাহায্য করে।

অনেকে একসাথে অনেক পানি খেয়ে নেয়, এতে হঠাৎ সোডিয়াম ডাইলিউশনের ঝুঁকি থাকে।

বরং ছোট ছোট ভাগে সারাদিনে পানি খাওয়া নিরাপদ।

শুধু পানি নয়, প্রস্রাব না চেপে রাখার অভ্যাসও কিডনি সুরক্ষার অংশ।

প্রস্রাব চেপে রাখলে মূত্রথলিতে চাপ বাড়ে এবং উল্টো দিকে সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি হয়।

দিনে ৪ থেকে ৭ বার টয়লেট হওয়া স্বাভাবিক ধরা যায়, কম হলে পানি বাড়ান।

পানি রুটিনের সঙ্গে কয়টি সূক্ষ্ম নিয়ম যোগ করলে ফল আরও শক্তিশালী হয়।

লবণ কমানো কিডনির দ্বিতীয় বড় সহায়তা, কারণ অতিরিক্ত সোডিয়াম রক্তচাপ বাড়ায়।

রক্তচাপ 120 থেকে 129 এর মধ্যে রাখার চেষ্টা কিডনির ক্ষয় ধীর করে।

ডায়াবেটিস থাকলে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখা কিডনি বাঁচানোর তৃতীয় স্তম্ভ।

উচ্চ রক্তশর্করা কিডনির ক্ষুদ্র রক্তনালীতে ধীরে ধীরে ক্ষতি করে।

প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটা রক্তচাপ, ওজন ও শর্করা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

তবে এই ভিডিওর মূল কাজ একটাই, পানি রুটিনকে অভ্যাসে বানানো।

ফ্লেভার্ড ওয়াটার ব্যবহার করতে পারেন, তবে চিনি ছাড়া।

লেবুর স্লাইস, শসা বা পুদিনা পাতা হালকা স্বাদ যোগ করতে পারে।

কিডনি স্টোনের ঝুঁকি থাকলে লেবুর সাইট্রেট সহায়ক হতে পারে।

চা বা কফি পান করতে পারেন, তবে পানির জায়গা যেন পুরোটা দখল না করে।

এসব ডায়ুরেটিক, তাই সাথে অতিরিক্ত পানি ধরুন।

সফট ড্রিংকস ও এনার্জি ড্রিংকস এড়িয়ে চলুন, ফসফরিক এসিড ও অতিরিক্ত চিনি কিডনির জন্য ক্ষতিকর।

প্রসেসড খাবারে লুকানো সোডিয়াম কিডনিকে নীরবে ক্ষতি করে।

প্যাকেটের লেবেল পড়ুন এবং সোডিয়াম ৫ শতাংশ দৈনিক মানের নিচে এমন আইটেম বেছে নিন।

প্রোটিন প্রয়োজনীয়, তবে অতিরিক্ত প্রোটিন কিডনির ফিল্টারে বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে।

বডিবিল্ডিং ডায়েটে গেলে পানি এবং ইলেক্ট্রোলাইট পরিকল্পনা করুন।

বারবার ইউটিআই হলে পানি বাড়ানো এবং নিয়মিত খালি করা জরুরি।

মহিলাদের ক্ষেত্রে টয়লেটের পর সামনে থেকে পেছনে মুছার নিয়ম সংক্রমণ কমায়।

কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে ইউটিআইয়ের ঝুঁকি বাড়তে পারে, তাই আঁশ ও পানি সমানতালে নিন।

বেশি ঘাম হলে শুধু পানি নয়, ইলেক্ট্রোলাইটও লাগতে পারে।

তবে কিডনি রোগ থাকলে চিকিৎসকের বলা সীমার বাইরে ইলেক্ট্রোলাইট নেবেন না।

ব্যথানাশক ওষুধ যেমন এনএসএআইডি দীর্ঘদিন নিয়মিত ব্যবহার কিডনির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে বিকল্প ঠিক করুন।

হার্বাল সাপ্লিমেন্টে ভারী ধাতু বা অজানা উপাদান থাকতে পারে, কিডনিকে চাপ দেয়।

অজানা উৎসের সাপ্লিমেন্ট বাদ দিয়ে খাদ্য থেকেই পুষ্টি নিন।

কিডনি সুস্থ রাখতে ঘুম প্রয়োজন, কারণ রাতে হরমোনাল ব্যালান্স কিডনির রক্তপ্রবাহ ঠিক রাখে।

ধূমপান কিডনির ক্ষুদ্র রক্তনালীগুলোতে অক্সিজেন কমায়, তাই ধূমপান ছাড়ুন।

অ্যালকোহল কমান, কারণ ডিহাইড্রেশন কিডনিকে শুকিয়ে দেয়।

গরমে বাইরে কাজ করলে প্রতি ১৫ থেকে ২০ মিনিটে কয়েক চুমুক পানি নিন।

হিট স্ট্রেসে কিডনি ইনজুরি বাস্তব সমস্যা, তাই আগেই পানি নিয়ে বের হোন।

সকালে ওজন মেপে পানি পরিকল্পনা করা যায়, হঠাৎ ওজন কমে গেলে ডিহাইড্রেশন ভাবুন।

প্রস্রাবে ফেনা, রক্ত, জ্বালা, বেদনা বা রাতে বারবার প্রস্রাব হলে দ্রুত ডাক্তারের কাছে যান।

পা ফুলে যাওয়া, চোখের নিচে ফুলে থাকা বা অস্বাভাবিক ক্লান্তি কিডনি সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।

প্রতি বছর অন্তত একবার ক্রিয়েটিনিন, ইউরিন রুটিন এবং প্রয়োজনে ইউএসি আর মাইক্রোঅ্যালবুমিন টেস্ট করুন।

ডায়াবেটিস বা হাইপারটেনশন থাকলে বছরে দুইবার স্ক্রিনিং ভালো।

কিশোর বা তরুণ বয়সেও পানি রুটিন দরকার, কারণ পাথর এখন কম বয়সীদের মধ্যেও বাড়ছে।

বিদ্যালয়ে বা অফিসে পানি বোতল সাথে রাখলে অভ্যাস সহজ হয়।

মোবাইল রিমাইন্ডার দিয়ে প্রতি ৬০ থেকে ৯০ মিনিটে কয়েক চুমুক পানি নিন।

অনেকেই বলে ঠান্ডা পানি ক্ষতিকর, বাস্তবে কুসুম গরম পানি হজমে আরামদায়ক হলেও ঠান্ডা পানিও ক্ষতি করে না যদি অতিরিক্ত না হয়।

খাবারের সময় অতিরিক্ত পানি হজম এনজাইম পাতলা করতে পারে, তাই ভারী খাবারের সময় সংযত থাকুন।

ফলমূল থেকে আসা পানি হাইড্রেশনে সহায়ক, তরমুজ, শসা, মাল্টা ভালো উৎস।

তবে ফলের জুসের বদলে গোটা ফল ভালো, আঁশ থাকবে।

কিডনি বাঁচাতে শুধু পানি নয়, সোডিয়াম-পটাসিয়াম ভারসাম্য গুরুত্বপূর্ণ।

কিডনি রোগীদের জন্য পটাসিয়াম সীমা আলাদা, তাই নিজে থেকে কলা বা নারকেল পানি বেশি নেবেন না।

স্বাস্থ্যবান মানুষের ক্ষেত্রে পাতলা ডাবের পানি মাঝেমধ্যে নেওয়া যেতে পারে।

সকালে লেবু পানি ইউরিক এসিড ক্রিস্টাল গঠনে বাধা দিতে সহায়ক হতে পারে।

তবে বেশি লেবু খেলে এসিডিটি বাড়তে পারে, তাই শরীরের প্রতিক্রিয়া দেখুন।

গ্রিন টি মধ্যম পরিমানে ঠিক আছে, তবে কফেইন ডায়ুরেটিক, তাই সাথে পানি বাড়ান।

ঘুম কম হলে স্ট্রেস হরমোন বাড়ে, রক্তচাপ বাড়ে এবং কিডনির ওপর চাপ পড়ে।

প্রতিদিন ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা গুণগত ঘুম কিডনির রক্তপ্রবাহ স্থিতিশীল রাখে।

ওজন নিয়ন্ত্রণ কিডনিকে সুরক্ষা দেয়, কারণ স্থূলতায় গ্লোমেরুলার ফিল্ট্রেশন চাপ বাড়ে।

প্রতিদিন ৭ থেকে ১০ হাজার পদক্ষেপ হাঁটা ভালো সূচনা।

অতিরিক্ত প্রোটিন সাপ্লিমেন্ট নেওয়ার আগে ক্রিয়েটিনিন পরীক্ষা করে নিন।

অ্যান্টিবায়োটিক বা কনট্রাস্ট ডাই নেওয়ার আগে কিডনি ফাংশন দেখানো দরকার।

সিজন বদলে গেলে পানি প্রয়োজনও বদলায়, শীতে তৃষ্ণা কমলেও কিডনির প্রয়োজন কমে না।

শীতে কুসুম গরম পানি রুটিন আপনাকে ট্র্যাকে রাখে।

শিশুদের কিডনি সুরক্ষায় মিষ্টি পানীয়ের বদলে পানি বা পাতলা লেবু পানি দিন।

খাদ্যে অতিরিক্ত প্রোটিন বা অতিরিক্ত লবণ শিশুদের কিডনির ওপরও চাপ ফেলে।

বয়স্কদের তৃষ্ণা সিগন্যাল কমে যেতে পারে, তাই সময় ধরে পানি দিন।

থাইরয়েড, গাউট, পাথর বা কিডনি রোগ থাকলে নিজের ডায়েট চার্ট চিকিৎসকের সাথে ফাইন টিউন করুন।

যদি আপনার প্রস্রাবের রং বারবার গাঢ় হয়, পানি রুটিন লিখে রাখুন এবং টার্গেট সেট করুন।

সকালে পানি, দুপুরে পানি, বিকেলে পানি এবং সন্ধ্যায় পানি, এই চারটি নোড ঠিক করলে সারাদিন কভার হয়।

অফিসে প্রত্যেক মিটিং শেষেই কয়েক চুমুক পানি নিন, এতে আচরণগত রিমাইন্ডার তৈরি হয়।

বাথরুমে গেলে পরে হাত ধোয়ার সময় কয়েক চুমুক পানি নেওয়ার অভ্যাস করতে পারেন।

দূরপাল্লার ভ্রমণে ছোট বোতল নয়, বড় বোতল বহন করুন যাতে পরিমাপ বোঝা যায়।

একদিনের শেষে বোতল খালি হয়েছে কি না দেখে নিজের হাইড্রেশন চেক করুন।

ডিহাইড্রেশন মাথাব্যথা, ক্লান্তি, মনোযোগ কমে যাওয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য তৈরি করে, তাই পানির জোগানই প্রথম সুরক্ষা।

কিডনি ভালো রাখতে ভিটামিন সি যুক্ত ফল সহায়ক হলেও অতিরিক্ত সাপ্লিমেন্ট পাথরের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

খাদ্য থেকে ভিটামিন সি নিন, সাপ্লিমেন্টের ডোজ চিকিৎসক ঠিক করবেন।

অক্সালেট বেশি এমন খাবার খেলে পানি বেশি নিন, যেমন পালং শাক বা বিট খাওয়ার দিনে পানি পরিকল্পনা করুন।

কফি বা চা বেশি হলে প্রস্রাব বাড়বে, তাই সমপরিমাণ পানি যোগ করুন।

সকালের প্রথম প্রস্রাব濃 হওয়া স্বাভাবিক, তবে সারাদিন গাঢ় থাকলে পানি বাড়ান।

প্রস্রাবে জ্বালা থাকলে পানি বাড়ান এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

গর্ভাবস্থায় পানি রুটিন না মানলে ইউটিআই বাড়তে পারে, তাই সময়মতো পানি ও টয়লেট জরুরি।

স্তন্যদানে তরল চাহিদা বাড়ে, তাই প্রতিবার শিশুকে দুধ খাওয়ানোর পর ২০০ মিলি পানি নিন।

কিডনি রক্ষা কোনো ম্যাজিক নয়, অভ্যাসের বিজ্ঞান।

মূল কাজটি সারসংক্ষেপে হলো সঠিক পরিমানে, সঠিক সময়ে এবং সারা দিনে ভাগ করে পানি পান করা।

এই এক অভ্যাস কিডনির রক্তপ্রবাহ, ফিল্টার, প্রস্রাব প্রবাহ এবং বর্জ্য বের করার ক্ষমতাকে স্থির রাখে।

এর সঙ্গে একটু লো-সোডিয়াম ডায়েট, শর্করা-চাপ নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মিত হাঁটা যোগ করলে সুরক্ষা বহু গুণ।

৯০ বছর পর্যন্ত কিডনি ভালো রাখতে প্রতিদিনের পানি রুটিনকে আপনার লাইফস্টাইলে লিখে ফেলুন।

আজ থেকেই আপনার পানি পরিকল্পনা কাগজে লিখে ফ্রিজে বা ডেস্কে লাগিয়ে দিন।

প্রস্রাবের রং, বারংবারতা এবং নিজের শক্তি পর্যবেক্ষণ করুন।

এক সপ্তাহ পরে দেখবেন শরীর হালকা লাগছে এবং প্রস্রাব স্বাভাবিক ছন্দে ফিরে এসেছে।

কিডনি বাঁচে ধারাবাহিকতায়, আজকের ছোট সিদ্ধান্তই ভবিষ্যতের বড় নিরাপত্তা।

আপনার সুস্বাস্থ্য কামনা করি এবং আশা করি আজ থেকেই আপনি পানি রুটিনকে নিজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যঅভ্যাস হিসেবে গ্রহণ করবেন।

যদি আপনার ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, পাথর বা ক্রনিক কিডনি রোগ থাকে, নিজের ডাক্তারের সঙ্গে আপনার পানি-পরিকল্পনা মিলিয়ে নেবেন।

কারণ ব্যক্তিগত অবস্থার ভিত্তিতে সীমা কমানো বা বাড়ানো লাগতে পারে।

সারা জীবনের জন্য মনে রাখুন, কিডনি সুস্থ রাখার সবচেয়ে শক্তিশালী কাজ হলো সঠিক পানি রুটিন।

আজ শুরু করুন, নিয়মে থাকুন, ৯০ বছর পর্যন্ত কিডনিকে কর্মক্ষম রাখুন।

বাংলা ভাষায় কি ও কী শব্দের সঠিক প্রয়োগ:-,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 🏠 বাংলা ভাষায় কি ও কী শব্দের সঠিক প্রয়োগ:- আমরা অনেকেই মনে করি কি ও কী-এর মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই, দুটোর যেকোনো একটা লিখলেই চলে। কিন্তু কি আর কী একেবারেই আলাদা। এদের পার্থক্য জানা থাকলে এবং ঠিকমতো শব্দ দুটোর প্রয়োগ ঘটালে বাক্যের অর্থ চট করে বুঝে ফেলা যায়।


যেসব প্রশ্নের উত্তর হ্যাঁ বা না দ্বারা দেয়া যায়, সেসব প্রশ্নে ‘কি’ ব্যবহৃত হবে; আর যেসব প্রশ্নের উত্তর হ্যাঁ বা না দ্বারা দেয়া যায় না, সেসব ক্ষেত্রে ‘কী’ ব্যবহৃত হবে। যেমন :

ক. i) তুমি কি খাবে? তুমি না খেলে খাবারটা ভিখিরিকে দিয়ে দেবো।

ii) তুমি কী খাবে— ভাত না রুটি?


খ. i) তোমার নাম কী— রনি না জনি ?

ii) তোমার বাবার নাম কি জহির?


গ. i) তুমি কী চাও— শার্ট না পাঞ্জাবি?

ii) তুমি কি চাও আমি তোমাকে পাঞ্জাবি কিনে দেই?


ঘ. i) কিছু ফেলে গেলেন কি?

ii) কী ফেলে গেলেন?


ঙ. i) দ্রব্যমূল্য যে বাড়ল, এর কি কোনো যৌক্তিক কারণ আছে?

ii) কী কারণে দ্রব্যমূল্য বাড়ল?


চ. i) তুমি কি গান গাও? না নাচো?

ii) তুমি কী গান গাও— আধুনিক গান না ব্যান্ডের গান?


এখানে ক থেকে চ পর্যন্ত যে ছয় সেট উদাহরণ দেখলাম; সেখানে i)-চিহ্নিত প্রশ্নগুলোর উত্তর হ্যাঁ বা না দ্বারা দেওয়া যায় বলে সেগুলোতে ‘কি’ বসেছে, আর ii)-চিহ্নিত প্রশ্নগুলোর উত্তর হ্যাঁ বা না দ্বারা দেওয়া যায় না বলে সেগুলোতে ‘কী’ বসেছে।


কি ও কী ব্যবহারের বিবিধ উদাহরণ:

কি: i) তুমি কি কেবলই ছবি?

ii) তুমি কি সেই আগের মতোই আছো?

iii) সখী, ভালোবাসা কারে কয়? সে কি কেবলই যাতনাময়?

iv) আমার ছোট তরি; বলো, যাবে কি?

v) আমি যা দেখি, তুমি কি তা দ্যাখো?


কী: i) কী করি আজ ভেবে না পাই!

ii) পাগলে কী না বলে, ছাগলে কী না খায়!

iii) কী গান শোনাব, ওগো বন্ধু?

iv) কী এমন দুঃখ তোমার?

v) তোমাকে দেয়ার মতো কীই বা আছে আমার!


বিস্ময়সূচক বাক্যে বিশেষণ কিংবা ক্রিয়াবিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হলে ‘কী’ লিখতে হবে। যেমন:

i) সে কী, দাদা! অর্ধেকটা ডিমের পুরোটাই খেয়ে ফেললেন!

ii) আহা! কী যে ভালো লাগল!

iii) সময় কী দ্রুতই না কেটে যায়!

iv) মুস্তাফিজ রোহিতকে কী নাকানি-চুবানিটাই না খাওয়াল!

v) এ কী! হচ্ছেটা কী!

vi) কী ঘুমটাই না ঘুমালাম! কী শান্তি!


তবে বাক্যে অব্যয় পদ হিশেবে ব্যবহৃত হলে ‘কি’ লিখতে হবে। যেমন:

i) কি ব্যাটিং, কি বোলিং— সাকিব দুটোতেই বিশ্বসেরা।

ii) কি গণিত, কি ইংরেজি— দুটোতেই সে সমান পারদর্শী।

iii) দিন কি রাতে, সাঁঝ-প্রভাতে; তোমারই আছি এই তো।

এমনকি, নাকি, কিসে, বৈকি ইত্যাদি শব্দে ক-এ ই-কার বসবে।


এখন থেকে আমরা কি আর কী-এর সঠিক প্রয়োগ করব এবং ভাষার শুদ্ধতা বজায় রাখব।


নিজে জানুন এবং অন্যকে জানার সুযোগ দিন।

কিসমিস ভিজিয়ে খাচ্ছেন তো?,,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 কিসমিস ভিজিয়ে খাচ্ছেন তো? 

রাতে ভেজানো কিসমিস খুবই উপকারী একটি খাবার, বিশেষ করে সকালে খালি পেটে খেলে এর গুণাগুণ আরও বাড়ে। 


🍇 ভেজানো কিসমিসে কী থাকে:


ভেজানো কিসমিসে প্রচুর পুষ্টি উপাদান থাকে যেমন —


👉 আয়রন (লোহা) – রক্তে হিমোগ্লোবিন বাড়ায়।


👉 পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম – হার্ট ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে।


👉 ক্যালসিয়াম – হাড় ও দাঁত মজবুত করে


👉 ভিটামিন বি কমপ্লেক্স – শক্তি জোগায়।


👉 অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট – শরীরকে রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।


👉 প্রাকৃতিক চিনি (ফ্রুক্টোজ ও গ্লুকোজ) – দ্রুত শক্তি দেয়।


🌿 ভেজানো কিসমিস খাওয়ার উপকারিতা:


1. রক্তস্বল্পতা (অ্যানিমিয়া) দূর করে।


2. হজমশক্তি বাড়ায় ও কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়।


3. লিভার পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।


4. ত্বক উজ্জ্বল ও দাগমুক্ত রাখতে সহায়তা করে।


5. হৃদযন্ত্রকে সুস্থ রাখে।


6. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।


7. শরীরের ক্লান্তি ও দুর্বলতা দূর করে।


8. কোলেস্টেরল কমায়।


9. চোখের দৃষ্টি ভালো রাখে।


10. নিয়মিত খেলে রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে।


👶 বাচ্চাদের জন্য ভেজানো কিসমিসের উপকারিতা:


1. শক্তি যোগায় – সকালের নাশতার আগে খেলে পড়াশোনা ও খেলাধুলায় এনার্জি থাকে।


2. রক্ত বাড়ায় – কিসমিসের আয়রন বাচ্চাদের রক্তস্বল্পতা দূর করে।


3. হাড় মজবুত করে – ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস হাড় ও দাঁতের জন্য ভালো।


4. হজম ঠিক রাখে – কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে মুক্ত রাখে।


5. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় – সহজে ঠান্ডা, কাশি বা জ্বর হয় না।


6. মস্তিষ্কের বিকাশে সহায়তা করে – পুষ্টিগুণে মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকে।


7. ত্বক ও চুল সুন্দর রাখে।


👉 খাওয়ার নিয়ম:


🍇 রাতে ৮–১০টা কিসমিস এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে কিসমিস ও পানি দুটোই খাওয়া সবচেয়ে উপকারী।

চাকুরিজীবীদের জন্য অবশ্য পালনীয়:,,,,,, ফেইসবুক থেকে নেওয়া

 চাকুরিজীবীদের জন্য অবশ্য পালনীয়:

১. সর্বাবস্থায় নিজের ব্যক্তিত্ব বজায় রাখবেন 

২. দেরীতে অফিসে যাবেন না

৩. ঠুনকো অজুহাতে আগেভাগে বা তড়িঘড়ি করে অফিস থেকে বের হবেন না

৪. প্রয়োজনীয় কাজ অনিষ্পন্ন  রাখবেন না

৫.  মন্থরগতিতে কাজ করবেন না অর্থাৎ ঠেলাগাড়ি ধরনের হবেন না

৬. বিনা প্রয়োজনে ছুটি ভোগ করবেন না

৭. খোঁড়া অজুহাত থেকে বিরত থাকবেন

৮. মিথ্যা তথ্য সরবরাহ করবেন না

৯. মিথ্যা কথা বলবেন না

১০. প্রতিষ্ঠানের স্বার্থকে প্রাধান্য দিবেন  

১১. কাউকে প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করবেন না

১২. অনুচিত কথা চালাচালি করবেন না

১৩.  এক সহকর্মীকে কাছে রেখে থেকে অন্য সহকর্মীর সঙ্গে কানাকানি করবেন না

১৪. ব্যক্তি স্বার্থে প্রতিষ্ঠানে দলাদলি তৈরি করবেন না

১৫. প্রতিষ্ঠানের কর্তাব্যক্তিদের চামচামি করবেন না

১৫. কারও কান কথায় গুরুত্ব দিবেন না

১৬. সহকর্মীদের অনুপস্থিতে তার ভুলসমূহ কর্তাব্যক্তিদের বলে কৃতিত্ব জাহির করার চেষ্টা করবেন না

১৭. আপনি সব বোঝেন বা জানেন এমন ভাব ধরবেন না

১৮. সবকাজের কাজি সাজতে যাবেন না

১৯. সদা সত্য বলা ও সৎসাহস পোষণের চেষ্টা করবেন 

২০. যে প্রতিষ্ঠানে আপনি কাজ করছেন, ঐ প্রতিষ্ঠানকে অন্যের মনে  করবেন না


সুস্থ্য জীবন যাপনের চেষ্টা করবেন 

তাহলেই সবাই ভালো থাকবেন ইনশাআল্লাহ।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ। তারিখ: ০৮-১১-২০২৫ খ্রি:।

 রাত ৮ টা ৩০ মিনিটের সংবাদ।

তারিখ: ০৮-১১-২০২৫ খ্রি:।

আজকের শিরোনাম:


আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে দেশে জাতীয় নির্বাচন আয়োজনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার --- বললেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব।  


দেশ অস্থিতিশীল হলে পরাজিত, ফ্যাসিবাদী অপশক্তির পুনর্বাসনের পথ সুগম হতে পারে --- দলের নেতাকর্মীদের সতর্ক করলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।


পাবনার নগরবাড়িতে দেশের সর্ববৃহৎ, আধুনিক নদী বন্দর টার্মিনাল কমপ্লেক্সের উদ্বোধন।


দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর রাজধানীতে যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হলো ছয় লেনের টিটিপাড়া আন্ডারপাস।


ডেঙ্গু প্রতিরোধে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা ও সমাজের সচেতন ব্যক্তিদের এগিয়ে আসার আহ্বান স্বাস্থ্য উপদেষ্টার।


গণহত্যার অভিযোগে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও দেশটির

৩৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তুরস্কের গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি।


এবং আজ ঢাকায় শুরু হলো এশিয়ান আর্চারি চ্যাম্পিয়নশিপ --- অংশ নিচ্ছে ৩০টি দেশ।

নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন

 নারী স্বাস্থ্য সচেতনতা: মহিলা প্রজননতন্ত্রের রহস্য উদঘাটন 🌺 আমাদের শরীরের প্রতিটি অংশই অবিশ্বাস্যভাবে সুনির্দিষ্ট এবং জটিল, বিশেষ করে যখন ...